তৈয়ব আলী,খুলনা।।
বিচারবহির্ভূত হত্যাকান্ড ও মব- ইনজাস্টিস সংযোগ ও হামলা বন্ধের দাবিতে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় এর কল্যাণ সংস্থার সভাপতি তেমিয়ো চাকমা সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক রিটু চাকমার সঞ্চালনায় খুলনার শিববাড়ি মোর চত্বরে আজ শুক্রবার বিকাল পাঁচটায় খুলনা ভার্সিটির সকল আদিবাসী ছাত্র-ছাত্রী মানববন্ধন করেন। মানববন্ধনে বক্তারা বলেন আমরা তো বাংলাদেশেরই মানুষ তাহলে কেন নির্যাতন করা হচ্ছে আমাদের প্রতি। বিগত শেখ হাসিনা জালিম সরকারের আমলে যে চিত্রগুলি আমরা দেখেছিলাম আজ ভর্তি কালীন সরকারের একটু আমরা দেখতে পাচ্ছি। এই নির্যাতন থেকে আমরা কবে মুক্তি পাবো। এ সময় খুলনা ভার্সিটির সকল আদিবাসী ছাত্রছাত্রী ও শিক্ষক গন উপস্থিত ছিলেন।
Author: desk
-

আদিবাসী ছাত্র কল্যাণ সংস্থা খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় আদিবাসী ছাত্র ছাত্রীর মানববন্ধন
-

বাংলাদেশ যুব অধিকার পরিষদের ৭ দফা বাস্তাবায়নের দাবিতে মানববন্ধন
তৈয়ব আলী,খুলনা।।
তারুণ্যের ৭ দফা দাবি বাস্তবায়নের জন্য নগরীর শিব বাড়ি মোড়ে আজ বিকল ৫:০০ ঘটিকায় মানববন্ধন করবেন ভিপি নুরুল হক নুরের দল গণঅধিকার পরিষদের অঙ্গ সংগঠন বাংলাদেশ যুব অধিকার পরিষদ খুলনা মহানগর শাখা। এটি তাদের কেন্দ্র ঘোষিত কর্মসূচি হওয়ায় এক যোগে বাংলাদেশর প্রতিটি জেলা ও উপজেলায় এই কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে বলে জানাগেছে। তাদের সাত দফার মধ্যে রয়েছে, সকাল ধরনের বৈষম্যমুক্ত চাকুরী ও কর্মসংস্থানকে মৌলিক অধিকার হিসেবে সাংবিধানিক স্বীকৃতি, বয়সসীমা মুক্ত চাকরীর ব্যবস্থা, সকল প্রকার চাকুরীতে আবেদন ফি, জামানত ও অবৈধ সুপারিশ বাতিল ইত্যাদি খুলনায় মানববন্ধনটি সংগঠনের নগর সভাপতি এইচ এম তাজুল ইসলাম এর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক সাইজিদ হোসেনের সঞ্চালন অনুষ্ঠিত হয়। এসময় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন গণঅধিকার পরিষদের কেন্দ্রীয় নেতা এসকে রাশেদ এবং অনন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন মোঃ রুহুল আমিন, আজিজ শেখ রুবেল, নুর মোহাম্মদ, জুবায়েত শেখ সম্রাট, রেজাউনুল হক রাদ, ইমরান হোসেন, নজরুল ইসলাম, জাহাঙ্গীর হোসেন, এ্যাডভোকে মোশাররফ হোসেন, এ্যাডভোকেট সাইফুল ইসলাম সহ প্রমুখ নেতৃবৃন্দ। -

তানোরে আরাফাত রহমান কোকো স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্ট আয়োজন
আলিফ হোসেন,তানোরঃ
রাজশাহীর তানোরে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের কনিষ্ঠ পুত্র ও ক্রীড়া সংগঠক প্রয়াত আরাফাত রহমান কোকো স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্টে-২০২৪ অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত ১৯ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার সকালে উপজেলা মিনি স্টেডিয়ামে বেলুন ও পায়রা উড়িয়ে এই টুর্ণামেন্টের উদ্বোধন করেন, প্রধান অতিথি রাজশাহী জেলা বিএনপির সদস্য ও তানোর পৌরসভার সাবেক পৌর মেয়র মিজানুর রহমান মিজান। উপজেলা ও পৌর ছাত্রদলের উদ্যোগে আয়োজিত দিনব্যাপী অনুষ্ঠিত এই টুর্ণামেন্টে তানোর উপজেলার সাত ইউনিয়ন ও এক পৌরসভা দল অংশগ্রহণ করেন।
উপজেলা ছাত্রদলের আহবায়ক মাসুদ করিমের সভাপতিত্বে ও তানোর পৌর ছাত্রদলের আহবায়ক শাহিন সরকার রনজুর পরিচালনায় উক্ত খেলায় প্রধান বক্তার বক্তব্য রাখেন, রাজশাহী জেলা বিএনপি সদস্য সচিব বিশ্বনাথ সরকার। সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও বিএনপি নেতা এ্যাডভোকেট সুলতান মাহমুদ তারেক, তানোর উপজেলা বিএনপি আহবায়ক আখেরুজ্জামান হান্নান, গোদাগাড়ী উপজেলা বিএনপি সভাপতি সাওয়াল, তানোর পৌর বিএনপি আহবায়ক একরাম আলী মোল্লা, পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক মাহাবুর মোল্লা ও ওবাইদুর মোল্লাপ্রমুখ।এদিকে
শেষ বিকেলে টুর্ণামেন্টে ফাইনাল খেলায় উপজেলার বাঁধাইড় ইউনিয়ন ১-০ গোলের ব্যবধানে কলমা ইউনিয়নকে পরাজিত করে বিজয়ী হয়েছেন। পরে বিজয়ী দল ও রানার্সআপ দলের খেলোয়ারদের মধ্যে পুরুষ্কার বিতরণ করেন অতিথিরা।এ সময় তানোর এবং গোদাগাড়ী উপজেলা, পৌর ও ইউনিয়ন বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীসহ কয়েক হাজার দর্শক উপস্থিত থেকে খেলা উপভোগ করেন। -

জবাবদিহি প্রতিনিধি তরিকুলকে কার্ড পড়িয়ে দিলেন তেঁতুলিয়া প্রেস ক্লাব
তেতূলিয়া প্রতিনিধিঃ পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় জাতীয় দৈনিক জবাবদিহি পত্রিকার উপজেলা প্রতিনিধি মুহম্মদ তরিকুল ইসলামকে কার্ড পড়িয়ে দিয়েছেন তেঁতুলিয়া প্রেস ক্লাবের সদস্যরা। বৃহস্পতিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) তেঁতুলিয়া প্রেস ক্লাবে কয়েকজন সদস্য মিলিত হয়ে জবাবদিহি প্রতিনিধিকে এই কার্ড পড়িয়ে দেয়া হয়।
এ সময় যমুনা টেলিভিশনের পঞ্চগড় নিপোর্টার রনি মিয়াজী, জাতীয় দৈনিক মানবজমিনের উপজেলা প্রতিনিধি ও তেঁতুলিয়া প্রেস ক্লাবের যুগ্ম আহবায়ক আতিকুজ্জামান শাকিল, দৈনিক আমার সংবাদ উপজেলা প্রতিনিধি রতন, দৈনিক সময়ের আলো উপজেলা প্রতিনিধি আল আমিন, দৈনিক সমকালের উপজেলা প্রতিনিধি জুলহাজ উদ্দিন, দৈনিক সংবাদের উপজেলা প্রতিনিধি আব্দুর রাজ্জাক প্রমূখ উপস্থিত ছিলেন।
-

নড়াইলের নবগঙ্গা নদীর উপর বারইপাড়া সেতুর নকশা জটিলতায়
উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি:
নড়াইলের নবগঙ্গা নদীর উপর বারইপাড়া সেতুর নকশা জটিলতায় ৬৫ কোটি টাকার সেতুতে ব্যয় ১৩৫ কোটি। নড়াইলের কালিয়ায় নবগঙ্গা নদীর উপর বারইপাড়া সেতুর নির্মাণ কাজ দেড় বছরের শেষ হওয়ার কথা থাকলেও দফায় দফায় মেয়াদ বাড়িয়ে সাথে ছড় বছরেও হয়নি শেষ। সেতুর নকশায় জটিলতা ৬৫ কোটি টাকার সেতুর নির্মাণ ব্যয় বেড়ে দাড়িয়েছে প্রায় ১৩৫ কোটি টাকা। সেতু নির্মাণে ধীর গতিতে ভোগান্তে চরমে,পথে চলাচলকারী লোকজন ও এলাকাবাসী। তবে সড়ক বিভাগ বলছে নকশা জটিলতা কাটিয়ে কাজ শুরু হয়েছে, আগামী বছর জুনের মাঝেই সেতু নির্মাণের বাকি কাজ শেষ হবে। উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি জানান, জানা যায়,বছরের পর বছট চলছে সেতু নির্মাণের কাজ,তবে শেষ কবে হবে জানা নেই কারো। নড়াইল সদরের সাথে কালিয়া উপজেলা সহ,বাগেরহাট, খুলনা গোপালগঞ্জের সাথে সড়ক যোগাযোগ সহজিকরনণে সড়ক বিভাগের তত্ত্বাবধানে ২০১৮ সালে শুরু হয় নবগঙ্গা নদীর উপর কালিয়া বারইপাড়া সেতুর নির্মাণ কাজ।সাড়ে ৬ বছরে ৩ দফায় মেয়াদ বাড়ানো হলেও এখানো শেষ হয়নি সেতু নির্মাণের কাজ। সবশেষে ২০২৩ সালে সময় বাড়িয়ে ২০২৫ সালের জুন নির্ধারণ করা হয়েছে। নদীর দুই তীরবর্তী অংশের সংযোগ সড়ক সহ ১৮ টি পায়ার এবং ১১ টি স্প্যান বসানোর কাজ শেষ হলে মধ্যবর্তী অংশের ৩ টি স্প্যান বসানোর কাজ এখানো বাকি। নকশা জটিলতা নির্মাণ ব্যয় বেড়ে দাড়িয়েছে প্রায় দ্বিগুন, এতে ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী।
শুভ দীপ নামের এক শিক্ষার্থী বলেন,নদী পারাপারের অসুবিধের কারণে আমরা স্কুল কলেজে শিক্ষার্থীরা সময় মত যেতে পারি না। বাবু মিয়া নামের এক স্থানীয় বলেন,সেতুর নির্মাণ কাজ শুরু হইছে কিন্তু শেষ হওয়ার নাম তো দেখছিনা । কাজ শুরুর পর ভাবছিলাম আমাদের দুর্ভোগ কমবে,কিন্তু এখন তো দেখছি দুর্ভোগ আরো বাড়ছে। সেতুর নিচ দিয়ে নৌকা পারাপার হতে গিয়ে নৌকা ডুবিতে যেমন মৃত্যু হচ্ছে পাশাপাশি সম্পদের ও ক্ষয়ক্ষতি হচ্ছে। ঘন্টার পর ঘন্টা দাঁড়িয়ে থেকে পারাপার হতে হয়।
রাবেয়া নামের এক উদ্যোক্তা বলেন, নদীর পাড়েই আমাদের বাড়ি। প্রতিনিয়ত ই দেখি মালামাল পারাপারের ব্যবসায়ীরা যেমন ভোগান্তিতে পড়ছে অন্যদিকে তাদের পরিবহন খরচ ও বাড়ে। যানবহন পারাপারে ঝুঁকি নিয়ে পার হতে হয়। এটা সরকারের টাকা অপচয়। যখন সেতু নির্মাণের পরিকল্পনা করা হয়েছিল,কর্তৃপক্ষ যাচাই-বাছাই করে সঠিকভাবে নকশা করলেই করতে পারতো। এখন সেতু নির্মাণে দ্বিগুন অর্থ খরচ হচ্ছে, এটা গো জনগণের টাকা থেকেই করতে হচ্ছে।
সড়ক বিভাগের তথ্য মতে,৬৫১ দশমিক ৮৩ মিটার দীর্ঘ ও ১০ দশমিক ২৫ মিটার প্রস্থের পিসি গার্ডার সেতুরটির নির্মাণের চুক্তি মূল্য ৬৫ কোটি টাকা থাকলেও দফায় দফায় মেয়াদ বাড়িয়ে সেতুর নকশার জটিলতায় নির্মাণ ব্যয় ঠেকেছে ১৩৫ কোটি টাকায়। সেতু নির্মাণে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স জামিল ইকবাল এন্ড মঈনুদ্দিন বাসী কনস্ট্রাকশন কোম্পানি ২০১৮ সালে ৬৫ কোটি টাকায় চুক্তিবদ্ধ হন।বাল্কহেডের ধাক্কায় ৯ নং পিলারটি দুই বার নদীগর্ভে হারিয়ে যাওয়ার পর মূল অংশের ৪ টি পায়ার ও ৩ টি স্প্যান বসানোর কাজ অসম্পূর্ণ রেখেই ৬১ কোটি টাকায় সড়ক বিভাগ কয়েক দফায় মেয়াদ বাড়ানোর পর প্রথম মেয়াদেরর চুক্তি শেষ করে ওই ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের সাথে।পরে দ্বিতীয় মেয়াদে কংক্রিট এন্ড স্টিল টেকনোলজিস্ট লিমিটেড ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের সাথে সেতুর বাকি অংশ নির্মাণের চুক্তিবদ্ধ হন। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের দাবি বিদেশ থেকে আমদানি কৃত ৮৬ দশমিক ৭৩ মিটার স্টিল আর্চ স্প্যান সহ আরো দুইটি স্প্যান এবং বাড়তি পায়ারের পাইলিং এর কাজ শুরু হয়েছে।
নড়াইল জেলা সড়ক বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো.নজরুল ইসলাম সেতুর নকশা জটিলতায় দায় বিআইডব্লিটিএ কর্তৃপক্ষের উপর চাপিয়ে বার্তা বাজার কে বলেন, যে কোন নদীর উপর সেতু নির্মাণের বিআইডব্লিটিএ কর্তৃপক্ষ নদীর শ্রেণী বিভাজন করে অনুমতি দিয়ে থাকেন।সড়ক বিভাগ সেতুর
যে কোন নদীর উপর সেতু নির্মাণে বিআইডব্লিউটিএ কতৃপক্ষ নদীর শ্রেনী বিভাজন করে অনুমতি দিয়ে থাকেন। সড়ক বিভাগ সেতুর নকশা করার পূর্বে বিআইডব্লিউটিএ কতৃপক্ষ নবগঙ্গা নদীকে সি গ্রেডের নদী হিসাবে আমাদের কাছে প্রতিবেদন পাঠান। তাদের সাথে সমন্বয় করে সকল ধরনের পরীক্ষা নিরীক্ষা শেষে নকশা অনুমোদনের পর ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান কাজ শুরুর আগে নিজেরাও পরীক্ষা নিরীক্ষা করেই কাজ শুরু করেন।
তিনি আরও বলেন,কাজ শুরুর পরের বছর বাল্কহেডের ধাকায় ৯নং পায়ারটি দুইবার ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এই ঘটনার পর বিআইডব্লিউটিএ কর্তৃপক্ষ নবগঙ্গা নদীর গ্রোড পরিবর্তন করে বি গ্রেডের নদী হিসেবে প্রতিবেদন পাঠায়। পরবর্তীতে তাদের প্রতিবেদন অনুযায়ী সেতুর নকশা পরিবর্তনের প্রয়োজন পড়ে। একনেক সভায় ২০২৩ সালে নকশা পরিবর্তন করে স্টিল স্প্যান বসানোর অনুমোদন হয়। প্রথম ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের সাথে চুক্তির মেয়াদ শেষ হয় দ্বিতীয় মেয়াদে অন্য ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানে চুক্তিবদ্ধ হয়ে ইতিমধ্যে কাজ শুরু করেছে। ২০২৫ সালের জুন, নির্দিষ্ট মেয়াদে সেতুর কাজ শেষ হবে বলে আশ্বাস দেন এই কর্মকর্তা। -

গোদাগাড়ী সরকারি ডিগ্রী কলেজের শিক্ষক, সাবেক এমপি লুৎফুন নেসা হোসেন মারা গেছেন
রাজশাহী থেকে মোঃ হায়দার আলী : বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ, সাহিত্যিক ও সাবেক সংসদ সদস্য লুৎফুন নেসা মুস্তারী ইন্তেকাল করেছেন। গত মঙ্গলবার (১৭ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত ১২টার দিকে রাজধানীর সিএমইচ’এ চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি, ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাহি রাজিউন) বুধবার দুপুরে বনানী গোরস্থানে জানাযা শেষে তার দাফন সম্পন্ন হয়। তার স্বামী গোদাগাড়ীর কৃতি সন্তান রাজশাহীর বিশিষ্ট সমাজসেবক এ্যাডভোকেট একলাখ হোসেন। লুৎফুন নেসা হোসেন
দীর্ঘ ২৬ বছর রাজশাহীর গোদাগাড়ী সরকারি ডিগ্রী কলেজে শিক্ষকতা করেছেন।লুৎফুন নেসা মুস্তারি দুইবারের সাবেক সাংসদ (সংরক্ষিত মহিলা আসন-৬, চাঁপাইনবাবগঞ্জ-রাজশাহী) ছিলেন।
কৃতি এই মানুষটি চাঁপাইনবাবগঞ্জ শহরের ইসলামপুর মহল্লায় জন্ম নিলেও রাজশাহীতে বসবাস করতেন। লুৎফুন নেসা মুস্তারী কৃতি পরিবারের সন্তান। শিক্ষানুরাগী ও সমাজসেবী চাঁপাইনবাবগঞ্জ আলিয়া মাদ্রাসার অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা কশিমুদ্দিন আহমেদ এর কন্যা।বিশিষ্ট আইনজীবী, রাজনীতিক ও সমাজসেবী, জেলা বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি সুলতানুল ইসলাম মনি তাঁর বড় ভাই। তার আরেক বড় ভাই বীর মুক্তিযোদ্ধা সিরাজুল ইসলাম বুলবুল এবং ছোট ভাই শরিফুল ইসলাম বাবলা ন্যাশনাল ব্যাংকের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক।
ছাত্র ইউনিয়নের চাঁপাইনবাবগঞ্জের প্রথম সভানেত্রী ছিলেন লুৎফুন নেসা মুস্তারী। এমপি থাকাকালীন (১৯৯১-২০০৬) রাজশাহী ও চাঁপাইনবাবগঞ্জের নারী জাগরণে, নারীদের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন। তিনি বেশ কয়েকটি গ্রন্থও রচনা করেন। লুৎফুন নেসা মুস্তারী ছেলে মুসাররাত হোসেন চন্দন ও মেয়ে নুসরাত আফরিন সুমনা ও মেয়ে জামাই, নাতি নাতনীসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। তার মৃত্যুতে শোকাহত রাজশাহীর সামাজিক ও সাংস্কৃতিক অঙ্গন।
মোঃ হায়দার আলী
নিজস্ব প্রতিবেদক,
রাজশাহী। -

সলঙ্গায় দু*র্বৃত্তের হামলায় যুবক নিহ*ত
সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি :
সিরাজগঞ্জের সলঙ্গায় শুক্রবার রাতে দুর্বৃত্তদের হামলায় থানার হাটিকুমরুল ইউনিয়নের রশিদপুর গ্রামের সালাম শেখের ছেলে সবুজ আলী (৩০) নামের এক যুবক নিহত খবর পাওয়া গেছে।পারিবারিক সুত্রে জানা যায়, নিহত সবুজ আলী তার ভাইয়ের পরিবর্তে ধোপাকান্দি ন্যাশনাল ফুডভিলেজ হোটেলে বরেন্দ্র এক্সপ্রেস গাড়িতে চেকার হিসেবে ডিউটিতে ছিলো।
রাত ২ টার পরে ভাই ফিরোজ সবুজের সাথে মোবাইলে যোগাযোগ করলে তার পর থেকে সবুজের মোবাইল বন্ধ পাওয়া যায়। তখন অন্যান্য গাড়ির চেকারদের সাথে যোগাযোগ করে সবুজের কোন খবর পাওয়া না গেলে এক পর্যায়ে খোঁজ করতে থাকলে পাশের একটি ইট ভাটায় পড়ে থাকা সবুজকে উদ্ধার করে সিরাজগঞ্জ শহীদ এম মনসুর আলী হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষনা করেন।
এব্যাপারে সলঙ্গা থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) তাজউদ্দিন আহম্মেদ বলেন,সকালে খবর পেয়ে নিহত সবুজের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য থানায় এনে মরদেহ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট বঙ্গমাতা ফজিলাতুন্নেসা মুজিব জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
-

সুন্দরবনের উপকূলে বাগেরহাটে বৃষ্টিতে সবজি ও মাছের ৫০কোটি টাকার ক্ষতি ২১ হাজার কৃষক পরিবার বিপাকে
শেখ সাইফুল ইসলাম কবির বিশেষ প্রতিনিধি:বিশ্বের বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন সুন্দরবনের উপকূলীয় শস্যভাণ্ডার নামে খ্যাত উর্বর ভূমি বাগেরহাটের নয়টি উপজেলায় বৃষ্টিতে সবজি ও মাছে ৫০ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে। ভেসে গেছে সাড়ে ৭ হাজার মাছের ঘের। ফসল নষ্ট হয়েছে ২১ হাজার কৃষকের। গতকাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় বাগেরহাট জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর ও জেলা মৎস্য অফিসের সর্বশেষ হিসেবের পর এই তথ্য জানা গেছে। তবে চাষিদের দাবি ক্ষয়ক্ষতির এ পরিমাণ আরো অনেক বেশি হবে। এ ক্ষতির কারণে ঋণগ্রস্থ কৃষকেরা চরম বিপাকে পড়েছেন।
বাগেরহাট জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপ-পরিচালক শংকর কুমার মজুমদার জানান, বাগেরহাটে রোপা আমনের ৪৫৩০ হেক্টর জমি, সব্জির ২১৬ হেক্টর ও পানের ৩৭ হেক্টর জমির ফসল নিমজ্জিত ছিল। এতে ২১ হাজার ১৩৬ জন কৃষকের ৩৭ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে।
অন্যদিকে মৎস্য বিভাগ সূত্রে জানা যায়, এবারের বৃষ্টিতে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে গলদা চিংড়ি উৎপাদনের অন্যতম এলাকা জেলার ফকিরহাট, চিতলমারী ও মোল্লাহাট উপজেলার চাষিরা। এর সাথে মোংলা, রামপাল ও মোরেলগঞ্জ উপজেলার চাষিদের ক্ষতির পরিমাণও কম নয়। চাষিদের দাবি কয়েকশ কোটি টাকার মাছ ভেসে গেছে এই পানিতে। চিতলমারী উপজেলার বারাশিয়া বিলের মেসার্স জাহিদ ট্রেডার্সের মালিক জাহিদুল ইসলাম জানান, ওই বিলে তার প্রায় ১০০ বিঘা জমিতে মাছের ঘের রয়েছে। সেখানে চিংড়িসহ অনেক প্রজাতির মাছ রয়েছে। আর কয়েকদিন পরে তিনি মাছ ধরা শুরু করবেন, এমনটাই ভেবেছিলেন। কিন্তু হঠাৎ বৃষ্টিতে সম্পূর্ণ ঘের ডুবে সব মাছ বের হয়ে গেছে। এখন তিনি দিশেহারা হয়ে পড়েছেন বলে জানান।
ফকিরহাট উপজেলার ফলতিতা এলাকার কাজী মিরাজুল ইসলাম বলেন, বৃষ্টির পানিতে ঘের ডুবে একাকার হয়ে গেছে। ঘেরের পাড়ের উপর হাটু পানি ছিল। নেট, কচুরিপানা ও ঘাষ দিয়ে মাছ ভেসে যাওয়া ঠেকানোর চেষ্ঠা করেছিলাম কিন্তু কতদূর আছে জানিনা। মোরেলগঞ্জের পানগুছি নদী তীরবর্তী পৌরসভাসহ কমপক্ষে ৪০টি গ্রামের মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন। ডুবে গেছে ৩ শতাধিক মৎস্য ঘের। পানিতে নিমজ্জিত হয়েছে ১ হাজার হেক্টর ফসলি জমির রোপা আমন ধানের ক্ষেত।এ বিষয়ে মোরেলগঞ্জ উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা বিনয় কুমার রায় বলেন, ৪ দিনের প্রবল বর্ষণে উপজেলার নিচু এলাকার মৎস্য ঘেরগুলো তলিয়ে গেছে।ডুবে গেছে ৩ শতাধিক মৎস্য ঘের।১ হাজার হেক্টর সবজির ক্ষেত পানিতে নিমজ্জিত হয়েছে ১ হাজার হেক্টর ফসলি জমির রোপা আমন ধানের ক্ষেত।এতে ১ কোটি ৬৫ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে। চাষিদের ঘুরে দাঁড়াতে করণীয় বিষয়ে পরামর্শ দেয়া হচ্ছে।
বাগেরহাট জেলা মৎস্য কর্মকর্তা এএসএম রাসেল বলেন, জেলার সাড়ে ৭ হাজার মাছের ঘের ভেসে গেছে। এতে ১২ কোটি ৬৫ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে। চাষিদের ঘুরে দাঁড়াতে করণীয় বিষয়ে পরামর্শ দেয়া হচ্ছে।
গত শুক্রবার রাত থেকে সোমবার সকাল পর্যন্ত বিরামহীন বৃষ্টিতে বাগেরহাটে এই ক্ষয়ক্ষতি হয়। চিংড়ি সেক্টরকে টিকিয়ে রাখতে চাষিদের সরকারি সহায়তা প্রদানের দাবি জানিয়েছেন ক্ষতিগ্রস্থরা। ##** ছবি সংযুক্ত আছে ** ## ** -

রামগড় ২নং পাতাছড়া ইউনিয়ন বিএনপির উদ্যোগে সম্প্রীতি সমাবেশ
মোহাম্মদ এমদাদ খান,রামগড় প্রতিনিধি ।।
খাগড়াছড়ি জেলার রামগড় উপজেলা ২নংপাতা ইউনিয়ন বিএনপির উদ্যোগে সম্প্রীতি সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) বিকাল ৪টায় নাকাপা বাজার মাঠ প্রাঙ্গনে আয়োজিত সম্প্রীতি সমাবেশে প্রধান অতিথি থেকে বক্তব্যে রাখেন খাগড়াছড়ি জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি ও রামগড় উপজেলা বিএনপির সভাপতি হাফেজ আহমেদ ভুঁইয়া।পাতাছড়া ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক জয়নাল আবেদিন এর সঞ্চালনায় রামগড় ২নং পাতাছড়া বিএনপির সভাপতি ড়াঃ রফিকুল ইসলাম সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি থেকে বক্তব্যে রাখেন-রামগড় উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নুর হোসেন নুরু, পৌর বিএনপির সভাপতি জসিম উদ্দিন, উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক শেফায়েত উল্ল্যাহ ভুইয়া, পৌর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক সাফায়েত মোর্শেদ ভূইয়া মিঠু- পৌর বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সুজায়েত আলী সুজা, উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সম্পাদক মহিউদ্দিন হারুন, উপজেলা যুবদলের আহবায়ক শাহ আলম বাদশা, খাগড়াছড়ি জেলা ছাত্র দলের সহ সভাপতি ও রামগড় উপজেলা ছাত্র দলের সাবেক সভাপতি মোহাম্মদ ইলিয়াস,ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নুর আলম ভুট্টু।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি মোস্তফা হায়দার চৌধুরী, উপজেলা বিএনপির সহ সভাপতি নুরুল আমিন মেম্বার, পাতাছড়া ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র সহ সভাপতি আবু বক্কর মেম্বার, ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক জসিম উদ্দিন, উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব আনোয়ার হোসেন রাজু, উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ন আহবায়ক আব্দুল্লাহ আল মামুন।
এসময় বক্তারা বলেন, ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে পালিয়ে যাওয়া সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকার দেশের শিক্ষাসহ সব সেক্টর ধ্বংস করে দিয়ে গেছে। লুটপাট করেছে দেশের অর্থনীতিকে পঙ্গু করে দিয়েছে। এখন পার্শ্ববর্তী দেশে বসে দেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছে। এ ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে এবং বিএনপির কেন্দ্রীয় কর্মসংস্থান বিষয়ক সম্পাদক ও খাগড়াছড়ি জেলা বিএনপির সভাপতি সাবেক সাংসদ ওয়াদুদ ভূইয়ার হাতকে শক্তিশালী করতে এক হয়ে কাজ করার আহবান জানান।
এসময় আরো উপজেলা, ইউনিয়ন ও বিভিন্ন ওয়ার্ড পর্যায়ের গন্যমান্য ব্যাক্তিবর্গ, বিএনপি, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের কয়েকশত নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
-

ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী উপলক্ষে আগৈলঝাড়ার বাশাইল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে প্রতিযোগিতা ও দোয়া মোনাজাত অনুষ্ঠিত
বি এম মনির হোসেন সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টারঃ-
বরিশালের আগৈলঝাড়ার বাশাইল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ১৯ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার সকাল দশ টায় বাশাইল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের হল রুমে ধর্মীয় ভাবগাম্ভির্যর মধ্য দিয়ে মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) এর জন্ম ও ওফাত দিন উপলক্ষে পবিত্র ঈদ-ই- মিলদুন্নবী পালিত হয়েছে। ৫৭০ খ্রিস্টাব্দের ১২ই রবিউল আউয়াল শেষ নবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) জন্মগ্রহণ করেন এবং ৬৩২ খ্রিস্টাব্দে ৬৩ বছর বয়সে তিনি ইন্তেকাল করেন। পবিত্র ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী পালন উপলক্ষে বাশাইল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে দোয়া-মিলাদ ও ধর্মীয় আলোচনাসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আলোচনাসভা শেষে দেশ ও জাতির শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনায় দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়েছে। বাশাইল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ নুরুল হক মিয়ার সভাপতিত্বে ও বিদ্যালয়ের ইসলাম ধর্ম শিক্ষক মোঃ মোখতারুজ্জামানের সঞ্চালনায় পবিত্র ঈদ-ই- মিলদুন্নবী উপলক্ষে আলোচনা সভায় মিলাদ দোয়া ও মোনাজাতে উপস্থিত ছিলেন শোভন রহমান মনির আহ্বায়ক যুবদল আগৈলঝাড়া উপজেলা শাখা, আবুল কালাম মোল্লা সাবেক সভাপতি রাজিহার ইউনিয়ন বি এন পি, আবু আলম মৃধা সভাপতি দলিল লেখক সমিতি আগৈলঝাড়া উপজেলা, তোফাজ্জেল মোল্লা সভাপতি রাজিহার ইউনিয়ন যুবদল, আব্দুর রশিদ মোল্লা সমাজ সেবক, ডাঃ শাজাহান আকন সমাজ সেবক, বাহাদুর রহমান (আলাল) যুবদল নেতা আগৈলঝাড়া উপজেলা শাখা, নিজাম উদ্দিন বাবু যুবদল নেতা আগৈলঝাড়া উপজেলা শাখা, জহিরুল ইসলাম জনি যুগ্ম আহ্বায়ক আগৈলঝাড়া উপজেলা ছাত্র দল, শিকদার শাকিল রহমান যুগ্ম আহ্বায়ক আগৈলঝাড়া উপজেলা ছাত্র দল, মোঃ কামরুল হাওলাদার সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আগৈলঝাড়া উপজেলা সেচ্ছাসেবক দল, মোঃ শামিম বেপারি সেচ্ছাসেবক দল নেতা রাজিহার ইউনিয়ন, নিজাম উদ্দিন বেপারী বি এন পি নেতা, মোঃ কামরুল মোল্লা যুবদল নেতা রাজিহার ইউনিয়ন,মোঃ আতাউর রহমান ফকির সমাজ সেবক,মোঃ আনিসুর রহমান মোল্লা সমাজ সেবক, মোঃ জুলহাস মোল্লা বাশাইল বাজার ব্যবসায়িক ও সমাজ সেবক,মোঃ সাইফুল ইসলাম ফকির যুবদল নেতা, মোঃ বাবুল সরদার সমাজ সেবক, বাশাইলের সকল মসজিদের ইমাম গন,বাশাইল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষিকা ছাত্র ছাত্রী ও স্হানীয় গন্যমান্য গন।