Author: desk

  • দশম গ্রেড বাস্তবায়নের দাবিতে আত্রাইয়ে প্রাথমিক শিক্ষকদের মানববন্ধন 

    দশম গ্রেড বাস্তবায়নের দাবিতে আত্রাইয়ে প্রাথমিক শিক্ষকদের মানববন্ধন 

    আব্দুল মজিদ মল্লিক,আত্রাই (নওগাঁ) থেকে: দশম গ্রেড বাস্তবায়নের দাবিতে মানববন্ধন করেছেন নওগাঁ আত্রাই উপজেলার কর্মরত বিভিন্ন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক’রা গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলা পরিষদের সামনে এই মানববন্ধন করেন তারা। 

    সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকেরা ১৩তম গ্রেডে বেতন পান। তাদের দেয়া ১২তম গ্রেডের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে ১০ম গ্রেড বাস্তবায়নের দাবির যৌক্তিকতা তুলে ধরে বক্তব্য প্রদান করেন ওই মানববন্ধনে অংশ নেওয়া শিক্ষকেরা। উপজেলার পাতাইঝড়া বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক বাকের হোসেনের সঞ্চালনায় দাবি আদায়ের পক্ষে

    বক্তব্যে সহকারী শিক্ষক মো. জহুরুল ইসলাম দুলাল বলেন, ‘যদি যোগ্যতার ভিত্তিতে আমাদের মূল্যায়ন করা হতো, তাহলে আগেই আমরা ১০ম গ্রেড পেয়ে যেতাম। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টার দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলছি, সরকারি চাকরিতে গ্রেডের বৈষম্য দূর করে আমাদের ১০ম গ্রেড দিতে হবে।’ 

    দ্বীপ মোহাম্মাদ নামের আরও একজন সহকারী শিক্ষক বলেন, ‘উপসহকারী পুলিশ কর্মকর্তা, নার্স, ইউনিয়ন পরিষদের সচিব, ডিপ্লোমা পাস করা উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তাদের ১০ম গ্রেড দেওয়া হয়েছে। কিন্তু আমরা অনার্স মাস্টার্স পাশ করে শিক্ষকতা করেও ১৩তম গ্রেডের অন্তর্ভুক্ত। আমাদের অধিকার আদায়ে এক দফা দাবিতে আজকে মানববন্ধন করছি। আমাদের ১০ম গ্রেড দিতে হবে।’ 

    এ সময়ময় ১০ম গ্রেড বাস্তবায়নের লক্ষ্যে যৌক্তিকতা তুলে ধরে আরও বক্তব্য দেন সহকারী শিক্ষক গোলাম মোর্তাজা লিটন, মিনাজ উদ্দিন,মো. আমিনুল ইসলাম, মোছা.শাম্মী আক্তার শাপলা প্রমুখ। 

    উপজেলার ১৩০টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে আসা প্রায় ২ শতাধিক সহকারী শিক্ষক’রা দাবি আদায়ের বিভিন্ন ব্যানার-ফেস্টুন হাতে মানববন্ধনে অংশ নেন।

    এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন, শ্রী. পবিত্র কুমার প্রমাণিক (এটিও) ও তারিক ইকবাল (এটিও)।উনারা ও মানববন্ধনে অংশগ্রহণ করা শিক্ষকদের দাবির সাথে একাত্মতা প্রকাশ করে বক্তব্য প্রদান করেন।

    আব্দুল মজিদ মল্লিক 
    আত্রাই (নওগাঁ) প্রতিনিধি।

  • নলছিটিতে মাছের ঘেরে বিষ প্রয়োগ করে মাছ মারার অভিযোগ

    নলছিটিতে মাছের ঘেরে বিষ প্রয়োগ করে মাছ মারার অভিযোগ

    ঝালকাঠি প্রতিনিধিঃ মোঃ নাঈম মল্লিক

    ঝালকাঠির নলছিটির কুশঙ্গল ইউনিয়নের জামুরায় মাছের ঘেরে বিষ প্রয়োগ করে মাছ মারার অভিযোগ পাওয়া গেছে। গত মঙ্গলবার রাতের যে কোন সময়ে দুটি ঘেরে বিষ প্রয়োগ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন ঘের মালিক মাহবুবুর রহমান।

    বিষক্রিয়া তার ঘেরে বিভিন্ন প্রজাতির মাছ মরে ভেসে উঠে। এতে প্রায় তার বিশ লক্ষ টাকার আর্থিক ক্ষতি হয়েছে। এমন গর্হিত কাজের জন্য এলাকার বিভিন্ন মহলের মানুষ ক্ষুব্দ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন। তারা অতিদ্রুত দোষীদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন।

    তিনি আরও বলেন, স্থানীয় একটি মহলের সাথে আমার দীর্ঘদিন ধরে শত্রুতা চলে আসছিল তারাই একাজ করতে পারে। ঘটনার দিন তারা ঘেরের পাশে ঘোরাঘুরি করেছিলেন বলে আমি জানতে পেরেছি।

    নলছিটি থানা ভারপ্রাপ্ত (ওসি) কর্মকর্তা মো. মুরাদ আলী জানান, বিষ দিয়ে মাছ মারার অভিযোগ পাওয়া গেছে, এখন তদন্ত করে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়া হবে।

  • পানি নিস্কাসনের ব্যবস্থা না থাকায় শার্শার কায়বায় ৫টি পরিবার পানিবন্দি

    পানি নিস্কাসনের ব্যবস্থা না থাকায় শার্শার কায়বায় ৫টি পরিবার পানিবন্দি

    আজিজুল ইসলাম,যশোরঃ পানি নিস্কাসনের ব্যবস্থা না থাকায় শার্শা উপজেলার কায়বা ইউনিয়নের দিঘা চালিতাবাড়িয়া গ্ৰামের ৫ টি পরিবার ১৫ দিন ধরে পানিবন্দি অবস্থায় দিনযাপন করছেন।

    পানি বন্দি থাকার কারনে পানিবাহিত নানা রোগে আক্রান্ত হয়েছে পরিবারগুলো। এ ছাড়াও বিশুদ্ধ খাবার পানিসহ বিভিন্ন সমস্যার ভেতর রয়েছেন তারা । পানি নিস্কাসনের কোনো ব্যবস্থা না থাকায় হাঁটু পানির ভেতরেই বসবাস করতে হচ্ছে তাদের।

    এলাকার বাসিন্দা হুমায়ুন কবির মিরাজ বলেন, ঘরের বারান্দা পর্যন্ত প্রায় পানি উঠে গেছে। চুলা এখনও পানির নিচে ডুবে থাকায় রান্না করতে পারছি না। অনেক দিন যাবত পানি বন্দি থাকলেও প্রয়োজনীয় কোন ব্যবস্থা গ্রহন করছেন না কেও।

    শহিদুল ইসলাম নামে পানিবন্দি আরেকজন বলেন,নিজেরা দুই বেলা খেতে পারলেও গরু-ছাগল নিয়ে মহাবিপদে আছি। মাঠ-ঘাট তলিয়ে যাওয়ার ঘাস নেই।বাড়তি দামে কিছু ঘাস কিনে গরু-ছাগলকে খেতে দিচ্ছি। আমাদের খবর কেউ নিচ্ছে না, সেই সাথে সাপের ভয়েও ঘুম হারাম হয়ে গেছে।

    মহল্লার কাদের জানান, এই পাড়ায় কয়েক বছরে নতুন নতুন অনেক বাড়িঘর তৈরি হয়েছে। লোকজনের চলাচলের জন্য রাস্তা নির্মান হলেও পানি নিষ্কাশনের কোনো ড্রেনেজ ব্যবস্থা তৈরি করা হয়নি।ফলে সামান্য বৃষ্টিতেই এই মহল্লায় পানিবন্দি হয়ে পড়েছে।

    শার্শা উপজেলা নির্বাহী অফিসার কাজী নাজিব হাসান জানান,পানি বন্দির বিষয়টি আমার জানা ছিলো না। খোঁজ খবর নিয়ে পানি নিস্কাসনসহ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে বলে তিনি জানান।

  • খাগড়াছড়িতে শারদীয় দুর্গাপূজা-২০২৪ উদযাপন উপলক্ষ্যে সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা বিষয়ক মতবিনিময় সভা

    খাগড়াছড়িতে শারদীয় দুর্গাপূজা-২০২৪ উদযাপন উপলক্ষ্যে সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা বিষয়ক মতবিনিময় সভা

    মিঠুন সাহা,।খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি

    শারদীয় দুর্গাপূজা উদযাপন উপলক্ষ্যে খাগড়াছড়িতে জেলা পুলিশের উদ্যোগে সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা বিষয়ক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    বৃহস্পতিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) বিকালে খাগড়াছড়ি পুলিশ সুপার কার্যালয়ে এ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) জনাব মাহমুদা বেগম (পুলিশ সুপার পদে পদোন্নতি প্রাপ্ত) এর সঞ্চালনায় উক্ত মতবিনিময় সভায় সভাপতিত্ব করেন পুলিশ সুপার জনাব মোঃ আরেফিন জুয়েল।

    এসময় পুলিশ সুপার বলেন, আগামী ৯ই অক্টোবর হতে ১৩ অক্টোবর পর্যন্ত ৫ দিনব্যাপী অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সর্ববৃহৎ উৎসব। শারদীয় দুর্গাপূজা সুষ্ঠু, সুন্দর ও উৎসবমুখর করতে নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণসহ সার্বিক বিষয়ে নিরাপত্তা বিষয়ে মতবিনিময় সভা করা হয়। এতে খাগড়াছড়ি জেলার ৯টি উপজেলায় ৬১টি পুজামণ্ডপে পূজা অনুষ্ঠিত হবে। পূজামণ্ডপগুলোতে যাতে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা থাকে, সে লক্ষ্যে খাগড়াছড়ি পুলিশ নিরলসভাবে কাজ করবে বলে আশ্বাস দেন তিনি।

    পুলিশ সুপার আরও বলেন, দুর্গাপূজায় যাতে কোনো সুযোগসন্ধানী ও স্বার্থান্বেষী মহল অপ্রীতিকর পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে না পারে সেজন্য পুলিশের গোয়েন্দা নজরদারি অব্যাহত থাকবে। নিরাপত্তার জন্য প্রত্যেকটা পূজামন্ডপে যেন সিসিটিভি সংযুক্ত রাখে এবং নিরাপত্তার বলয়ের মধ্যদিয়ে দুর্গাপূজা উদযাপন করার জন্য আহ্বান জানানো হয়। আযানের সময় মাইকের শব্দ, বাদ্যযন্ত্র সংযত ও নিয়ন্ত্রণে রাখার আহ্বান জানান।

    এ সময় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) জনাব তফিকুল আলম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (রামগড় সার্কেল) জনাব মোঃ নাজিম উদ্দিন, সহকারী পুলিশ সুপার (মানিকছড়ি সার্কেল) এ কে এম কামরুজ্জামান, সহকারী পুলিশ সুপার (এসএএফ) জনাব সৈয়দ মুমিদ রায়হান, খাগড়াছড়ি সদর থানার অফিসার্স ইনচার্জ জনাব মো. আব্দুল বাতেন মৃধা, প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ, খাগড়াছড়ি পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি, সেক্রেটারিসহ সকল উপজেলা ও গুরুত্বপূর্ণ পূজা মণ্ডপ কমিটির নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

  • উজিরপুর উপজেলা পরিষদের মাসিক সভা অনুষ্ঠিত

    উজিরপুর উপজেলা পরিষদের মাসিক সভা অনুষ্ঠিত

    মোঃ জুনায়েদ খান সিয়াম, উজিরপুর প্রতিনিধিঃ বরিশালের উজিরপুরে উপজেলা পরিষদের উদ্যোগে মাসিক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় উপজেলা পরিষদের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, আইন শৃংখলা বাহিনীর সদস্য সহ সাংবাদিক উপস্থিত ছিলেন। ২৬ সেপ্টেম্বর  সকাল ১১ টায় উজিরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সভাকক্ষে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও উপজেলা প্রশাসক মোঃ সাখাওয়াত হোসেন এর সভাপতিত্বে ও উজিরপুর উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা  আবুল কালাম আজাদের সঞ্চালনায় সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন উজিরপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি হাসনাত জাহান খান, বক্তব্য রাখেন উজিরপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কপিল বিশ্বাস,উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা প্রসেন মজুমদার, উজিরপুর মডেল থানার নবাগত অফিসর ইনচার্জ মোঃ মাহবুবুর রহমান, উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা কাজী ইসরাত জাহান, উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা, আসমা বেগম, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা, অয়ন সাহা, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা এবিএম জাহিদ হাসান, উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মোহাম্মদ রুহুল আমিন, বীর মুক্তিযোদ্ধা আক্রাম হোসেন হাওলাদার।   শোলক ইউনিয়ন চেয়ারম্যান, সরদার আব্দুল হালিম, বামরাইল ইউনিয়ন চেয়ারম্যান মোঃ ইউসুব হাওলাদার, জল্লা ইউনিয়ন চেয়ারম্যান, বেবি রানী দাস, বীর মুক্তিযোদ্ধ হাবিবুর রহমান হাওলাদার, উজিরপুর সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি আঃ রহিম সরদার, সাংবাদিক  ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক মাহফুজর রহমান মাসুম,এ সময় বিভিন্ন  ইউনিয়ন চেয়ারম্যানের পক্ষে প্যানেল চেয়ারম্যান উপস্থিত ছিলেন। একই সাথে উপজেলা বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা ও তাদের প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন।

  • মধুপুরে জামায়াত নেতার বাসা ৭ বছর যাবঘ বেদখল দিয়েছে উপজেলা পরিষদের ড্রাইভার

    মধুপুরে জামায়াত নেতার বাসা ৭ বছর যাবঘ বেদখল দিয়েছে উপজেলা পরিষদের ড্রাইভার

    আব্দুল হামিদ,
    মধুপুর টাঙ্গাইল প্রতিনিধিঃ

    টাঙ্গাইলের মধুপুর পৌরসভাধীন উত্তরা আবাসিক এলাকার জামায়াত নেতা আব্দুল খালেকের ক্রয়কৃত ১০শতাংশ জমির উপর টিনশেড বিল্ডিং করা বাসা বিগত ৭ বছর যাবত জোরপুর্বক বেদখল করার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
    ভুক্তভোগী জামাত নেতা আব্দুল খালেক জানান, ২০১৬ সালের ১১ ডিসেম্বর রাত আনুমানিক ৯টার দিকে সাবেক উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান সরোয়ার আলম খান আবুর প্রভাব খাঁটিয়ে তার পরিষদের ড্রাইভার বাচ্চু মিয়া অস্ত্রধারী আওয়ামী সন্ত্রাসী বাহিনী দিয়ে অতর্কিত হামলা চালিয়ে আমার বাসার সমস্ত কিছু লুটপাট করে নিয়ে যায় এবং তার সন্ত্রাসী বাহিনী দিয়ে আমাকে স্ব-পরিবারে বাসা থেকে বের করে দেয়।
    ভুক্তভোগী আব্দুল খালেক বলেন, তৎকালীন আওয়ামী সরকারের আমলে প্রশাসনের দ্বারে দ্বারে ঘুরে আমি কোনো ন্যায় বিচার পাইনি। উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ছরোয়ার আলম খান আবুর কাছে বারবার গিয়েও কোন বিচার পাইনি। তিনি আমাকে বলেন, এটা কোনো বাসাবাড়ী নয়, জামাতের অফিস। মধুপুরের কোথাও কোনো জামাতের অফিস করতে দেওয়া হবেনা। আজ থেকে এই বাসা আমাদের দখলে থাকবে।
    এবিষয়ে তৎসময় জেলা প্রশাসকের কাছে সুষ্ঠু বিচারের দাবিতে আমি একটি লিখিত অভিযোগ করি। সে অভিযোগের ভিত্তিতে জেলা প্রশাসক তদন্তের জন্য উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নিকট প্রেরণ করেন কিন্তু অদৃশ্য কারনে তিনি কালক্ষেপণ করতে থাকেন। আমার ক্রয়কৃত জমির উপর করা বাসা থেকে অবৈধ দখলদার উচ্ছেদের জন্য প্রশাসনের কাছে যাওয়ার কারণে বাচ্চু তার সন্ত্রাসী বাহিনী দিয়ে আমাকে মেরে গুম করে ফেলার হুমকি দেয়। পরবর্তীতে আমি ভয়ে মধুপুর থেকে পালিয়ে দেশের বাহিরে চলে যাই।
    তিনি বলেন, আমার সমস্ত দলিলপত্র পর্ষবেক্ষণ করে উপজেলা সহকারী কমিশনার(ভুমি) রিফাত আনজুম পিয়া জমির প্রকৃত মালিক আব্দুল খালেক এই মর্মে একটি লিখিত আদেশ প্রদান করেন কিন্তু অবৈধ দখলদার বাচ্চু মিয়া প্রশাসনের নির্দেশ অমান্য করে জোরপুর্বক এখনও আমার বাসা দখল করে আছে। আমি প্রশাসনের কাছে এ-ই অবৈধ দখলদার উচ্ছেদের জন্য জোর দাবি জানাচ্ছি।

  • তানোরের নবাগত ইউএনও’র সঙ্গে জামায়াত নেতৃবৃন্দের সৌজন্যে সাক্ষাৎ

    তানোরের নবাগত ইউএনও’র সঙ্গে জামায়াত নেতৃবৃন্দের সৌজন্যে সাক্ষাৎ

    আলিফ হোসেন,তানোরঃ
    রাজশাহীর তানোরে নবাগত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মিনহাজুল ইসলামের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও ফুলেল শুভেচ্ছা জানিয়েছেন উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর নেতৃবৃন্দগণ।
    জানা গেছে, গত ২৫ সেপ্টেম্বর বুধবার বিকেলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কার্যালয়ে এই সৌজন্যে সাক্ষাৎ ও ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয়।
    এ সময় উপস্থিত ছিলেন
    রাজশাহী জেলা পশ্চিম শ্রমিক কল্যাণ সভাপতি মাওলানা জামিলুর রহমান, তানোর উপজেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা আলমগীর হোসেন, সাধারণ সম্পাদক ডি এম আক্কাস আলী, দপ্তর সম্পাদক কাজী আফজাল হোসেন, জামায়াত নেতা ও উপজেলা পরিষদ সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুর রহিম, তানোর পৌরসভার সাধারণ সম্পাদক আজাহার আলী, পাঁচন্দর ইউনিয়ন জামায়াতের আমীর জুয়েল রানা,
    তালন্দ ইউনিয়ন জামায়াতের আমীর মাওলানা শামসুদ্দিন, সাধারণ সম্পাদক মাওলানা গোলাম মাওলা, চাঁন্দুড়িয়া ইউনিয়ন জামায়াতের সম্পাদক শরিয়তুল্লাহ মাষ্টার, কাঁমারগা জামায়াতের সাধারণ সম্পাদক মাওলানা আব্দুর গফুর, উপজেলা ছাত্রশিবিরের সভাপতি শাহারিয়ার হোসেন, পৌরসভার পাঁচ নম্বর ওয়ার্ড সভাপতি মাওলানা আফজাল হোসেন, সাধারণ সম্পাদক মাহাবুব চৌধুরীসহ উপজেলা এবং ইউনিয়ন এর দায়িত্বশীল নেতৃবৃন্দগণ উপস্থিত ছিলেন। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মিনহাজুল ইসলাম অত্র তানোর উপজেলায় মাদক, সন্ত্রাস, বাল্যবিবাহ রোধসহ আইন-শৃঙ্খলা সমুন্নত রাখতে সকলের সহযোগিতা কামনা করেছে।#

  • তানোরে দু’শিক্ষকের বিরুদ্ধে ৭৫ লাখ টাকা লোপাটের অভিযোগ

    তানোরে দু’শিক্ষকের বিরুদ্ধে ৭৫ লাখ টাকা লোপাটের অভিযোগ

    আলিফ হোসেন,তানোরঃ
    রাজশাহীর তানোর পাইলট মডেল হাই স্কুলের প্রধান শিক্ষক মাইনুল ইসলাম সেলিম ও সহকারী প্রধান শিক্ষক রেজাউল ইসলাম রেজার বিরুদ্ধে প্রায় পৌনে এককোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। আওয়ামী লীগের প্রভাববিস্তার এবং সাবেক এমপি ও উপজেলা চেয়ারম্যানের নাম ভাঙিয়ে তারা এসব টাকা লোপাট করেছেন বলে গুঞ্জন রয়েছে।এদিকে গত ১৪ সেপ্টেম্বর স্কুলের এক সহকারী শিক্ষক বাদি হয়ে প্রধান ও সহকারী প্রধান শিক্ষককে বিবাদী করে রাজশাহী জেলা প্রশাসক (ডিসি), চেয়ারম্যান রাজশাহী শিক্ষাবোর্ড, দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদুক) রাজশাহী ও তানোর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সহ বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ করেছেন।
    লিখিত অভিযোগে বলা হয়েছে, বিগত ২০১৯ সাল থেকে স্কুল মার্কেটের দোকান ঘরের ভাড়া বিদ্যালয়ের ব্যাংক হিসাব নম্বরে (নং-৪৬২৩০০১০০০৪১২) জমা দেওয়ার নিয়ম। কিন্তু জমা না দিয়ে তারা আত্মসাৎ করেছেন প্রায় ১১ লাখ টাকা। এছাড়াও প্রশংসাপত্র প্রতি ৫শ’ টাকা করে গ্রহন করা হলেও তাঁর কোন হিসাব নেই। টাকার পরিমান প্রায় ৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা। ওদিকে বিগত ২০১৯ সাল থেকে জেএসসি এবং এসএসসি পরীক্ষার্থীদের রেজিস্ট্রেশন ফরম পূরণে অতিরিক্ত অর্থ আদায় করেন যার পরিমাণ প্রায় ৪ লাখ ৮০ হাজার টাকা। প্রধান ও সহকারী প্রধান শিক্ষক যোগসাজশে এসব টাকা আত্মসাত করেছেন।
    এছাড়াও বিগত ২০১৯, ২০২০, ২০২১, ২০২২ ও ২০২৩ শিক্ষাবর্ষে দুইটি করে পরীক্ষায় শিক্ষার্থীদের নিকট হইতে ৩০০ টাকা হারে সেশন চার্জ ও পরীক্ষার ফি ৩০০ টাকা হারে মোট ৬০০ টাকা করে আদায় করা হয়। যার পরিমাণ ৩ লাখ টাকা। প্রধান ও সহকারী প্রধান শিক্ষক এসব টাকা আত্মসাৎ করেছেন।এছাড়াও সরকারী অনুদানের প্রায় ৬ লাখ টাকা তারা আত্মসাৎ করেছেন। অন্যদিকে পরীক্ষা কেন্দ্র হইতে প্রতি পরীক্ষা যেমন জেএসসি-এসএসসি হইতে বিদ্যালয়ের আয়ের সমুদয় অর্থ প্রধান ও সহকারী প্রধান শিক্ষক আত্মসাত করেন। যাহার পরিমান ৬ লাখ টাকা। বিদ্যালয়ের ভেন্যু ব্যবহারকারীদের নিকট হইতে প্রাপ্ত অর্থ প্রধান শিক্ষক আত্মসাৎ করেন যার পরিমাণ প্রায় ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা। এছাড়াও উপজেলা ও জেলা পরিষদ থেকে ১০ লাখ টাকা প্রাপ্ত বরাদ্দের কোন হদিস নাই। এবং
    এফডিআর এর অবস্থা জানা যায় নাই। একই সংগে মালোপাড়া শাখা, রাজশাহী অগ্রণী ব্যাংক হইতে উত্তোলিত টিউশন ফি-এর অর্ধেক টাকা প্রধান শিক্ষক হাতে রেখে বন্টন করেন এবং সেই অর্ধেক টাকা নিজেই আত্মসাৎ করে। স্কুল মার্কেটের দোকান ঘরের জামানত এর টাকা গ্রহন পূর্বক প্রধান শিক্ষক একাই আত্মসাত করেন। যার পরিমান ১৫ লাখ টাকা। তাছাড়া সাবেক এমপি এবং উপজেলা চেয়ারম্যানের আত্মীয় পরিচয়ে ২০১৯ সালের ১৩মে অত্র বিদ্যালয়ে দায়িত্ব গ্রহণ করে আওয়ামী রাজত্ব কায়েম করেন। এদিকে পাশ করা ছাত্র/ছাত্রীদের প্রশংসাপত্র, সার্টিফিকেট ও মার্কসীট প্রদানে ৩০০-২০০ টাকা হারে আদায় ও আত্মসাত করেন প্রধান শিক্ষক।যার পরিমাণ ৪ লাখ টাকা। অন্যদিকে
    তিনি নিজে প্রধান শিক্ষক হবেন এই মর্মে সাবেক এমপির নিকট প্রতিশ্রুতি প্রদান পূর্বক সরকারী করনের জন্য কোনরূপ ব্যবস্থা না করা হয় এই মর্মে অঙ্গীকার করে অত্র বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক হিসাবে নিয়োগ পান।এছাড়াও জোরপূর্বক স্কুল সরকারী হবে মর্মে তৎকালীন সহকারী প্রধান শিক্ষক মাইনুল ইসলাম সেলিম সকল শিক্ষকের নিকট হইতে মোট ৩ লাখ ৭৫ হাজার টাকাগ্রহণ করেন। কিন্তু পরবর্তীতে তানোর পাইলট মডেল উচ্চ বিদ্যালয় সরকারী হয়নি। কিন্ত্ত সাবেক এমপি ওমর ফারুক চৌধুরী ইফতার মাহফিলে সেই টাকা খরচ করা হয়।
    অন্যদিকে সাবেক প্রধান শিক্ষক এর নিকট হইতে ১ লাখ ৮০ হাজার টাকা গ্রহণ করে আত্মসাৎ করেন প্রধান শিক্ষক মাইনুল ইসলাম সেলিম।
    প্রসঙ্গত, ইতিপূর্বে প্রধান শিক্ষক ও সহকারী প্রধান শিক্ষক এর রিরুদ্ধে জেলা প্রশাসক, রাজশাহী, জেলা দুর্নীতি দমন কমিশন , জেলা শিক্ষা অফিসার, উপ-পরিচালক রাজশাহী অঞ্চল, চেয়ারম্যান শিক্ষা বোর্ড রাজশাহী, বিদ্যালয় পরিদর্শক, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক,উপজেলা নিবাহী কর্মকতা ইউএনও এবং উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার বরাবরে অভিযোগ দাখিল করা হয়েছে। কিন্ত্ত সাবেক এমপি ও উপজেলা চেয়ারম্যানের অদৃশ্য হস্তক্ষেপের কারণে তাদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা করা যায়নি বলে জানান অভিযোগকারী।এবিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মিনহাজুল ইসলাম বলেন, অভিযোগ হয়ে থাকলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এবিষয়ে জানতে চাইলে প্রধান শিক্ষক মাইনুল ইসলাম সেলিম সব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, তার বিরুদ্ধে একটি কুচক্রী মহল অপপ্রচার করছে। এবিষয়ে সহকারী প্রধান শিক্ষক রেজাউল ইসলাম বলেন, এসব আগের অভিযোগ, তিনি বলেন, আর্থিক বিষয়টি প্রধান শিক্ষক ও সভাপতি দেখেন। এখানে তার সম্পৃক্ত থাকার সুযোগ নাই,তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সম্পুর্ণ বানোয়াট ও ভিত্তিহীন।#

  • পদ্মায় পানি বৃদ্ধির সাথে সাথে নদী ভাঙ্গন শুরু হয়েছে। ভাঙ্গন কবলিত মানুষ গোদাগাড়ীর রেলবাজার ঘাট দিয়ে আসচ্ছে ক্ষতিগ্রস্ত জিনিসপত্র

    পদ্মায় পানি বৃদ্ধির সাথে সাথে নদী ভাঙ্গন শুরু হয়েছে। ভাঙ্গন কবলিত মানুষ গোদাগাড়ীর রেলবাজার ঘাট দিয়ে আসচ্ছে ক্ষতিগ্রস্ত জিনিসপত্র

    রাজশাহী থেকে মোঃ হায়দার আলীঃ ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে ভারতের উজান থেকে নেমে আসা পানিতে গত কয়েকদিনে ফের বাড়তে শুরু করেছে রাজশাহীর গোদাগাড়ীর পদ্মার পানি। সে সাথে নদী ভাঙ্গন শুরু হয়েছে। কোঁদলকটি, দিয়ার মানিকচক, চরআষাদিয়াদহের ভাঙ্গন কবলিত মানুষ গোদাগাড়ী পৌরসভার রেলবাজার ঘাট দিনে নিয়ে আসছে ধান, গম, ভুট্টা, চাউল, আদা, বাড়ী ঘর নির্মানের পুরাতন সামগ্রী, ক্ষতিগ্রস্থ ঢেউটিন, ঘরের চালা,দরজা জানালা প্রভূতি। বুধবার সন্ধ্যার পর এদৃশ দেখা গেল রেলওয়ে বাজার ঘাটে।

    সম্প্রতি ফের পানি বাড়তে শুরু করায়, নদী ভাঙ্গন দেখা দেয়ায় আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন পদ্মার তীরবর্তী মানুষ। যদিও রাজশাহী পানি উন্নয়ন বোর্ড বলছে; আরও দু’একদিন পর্যন্ত পদ্মায় পানি বৃদ্ধি পাবে। পরে তা স্থিতিশীল হয়ে আবারও কমতে শুরু করবে। এতে এই অঞ্চলে বন্যা হওয়ার কোনো সম্ভাবনা দেখছেন না তারা।

    এদিকে, গত পদ্মা, মহানন্দা নদীতে পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় চাঁপাইনবাবগঞ্জের সদর উপজেলাসহ ১০ ইউনিয়নের নিম্নাঞ্চলের ১ হাজার ৫ শ ৫৯ হেক্টর জমির ফসল জলমগ্ন হয়ে পড়েছে। সেই সাথে কোদলকাটি গ্রামে ব্যাপক হারে নদী ভাঙন শুরু হয়েছে।

    শহরের বড়কুঠি পয়েন্টে পদ্মা নদীর পানির উচ্চতা পরিমাপ করেন পানি উন্নয়ন বোর্ডের গেজ রিডার এনামুল হক। তিনি এ প্রতিবেদককে জানান, বড়কুঠি পয়েন্টে পানির বিপৎসীমা ১৮ দশমিক ৫০ মিটার। মঙ্গলবার এই পয়েন্টে পদ্মার পানির উচ্চতা ছিল ১৬ দশমিক ৮৫ মিটার। অর্থাৎ বড়কুঠি পয়েন্টে পদ্মার পানি বিপৎসীমার ১ দশমিক ৬৫ মিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

    এনামুল আরও জানান, আগস্টের মাঝামাঝি সময়ে পদ্মায় পানি বাড়লেও শেষের দিকে তা কমতে শুরু করে। তবে গত ১ সেপ্টেম্বর থেকে আবারও পানি বাড়তে শুরু করে পদ্মায়। কয়েকদিন বৃদ্ধি পেয়ে পানি আবারও স্থিতিশীল হয়। পরে ১৫ সেপ্টেম্বর থেকে পানি বাড়তে শুরু করে এ পর্যন্ত চলমান আছে।

    গোদাগাড়ী সরকারী স্কুল এন্ড কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ মোঃ এনামুল হক ফেসবুকে বন্যা ও ভাঙ্গনকবলিত মানুষ রেলবাজার ঘাট দিয়ে টিন, ঘরের চালা, ধান, গম, কলাই প্রভূতি নৌকায় নিয়ে আসছে সেই ছবি পোষ্ট করেছেন। মানুষ দুঃখ, কষ্টের সীমা নেই।

    চর আষাদিয়াদহ এলাকাবাসী মনিরুল ইসলাম জানান পদ্মার পানি বাড়ার সাথে কোদলকাটি গ্রামে ব্যাপক নদী ভাঙ্গন মানুষ বিপদে আছেন, তাদের বাড়ী ঘর নিরাপদ দূরুত্বে সরিয়ে নিচ্ছেন, কোন কোন সময় সরানোর সময় পাচ্ছেন না। অনেক ফসলী জমি নদী গর্ভে বিলীন হয়ে যাচ্ছে।

    পানি বৃদ্ধির কারণ বিষয়ে জানতে চাইলে পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী আরিফুর রহমান অঙ্কুর জানান বলেন, মূলত ফারাক্কার উজানে ভারি বৃষ্টিপাতের কারণে পদ্মায় আবারও পানি বাড়তে শুরু করেছে। আকস্মিক বন্যার সম্ভবনা আছে কিনা এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, আগামী দু’একদিন পদ্মার পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থেকে আবারও তা স্থিতিশীল হবে। পদ্মার পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করার কোন সম্ভবনা নেই। ফলে এই অঞ্চলে আকস্মিক কোনো বন্যা হবে না।

    এদিকে পদ্মার পানি বৃদ্ধির কারণে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলা কোদলকাটি, আলাতুলি, ক্লাবঘাট এলাকা, শিবগঞ্জ উপজেলার পাঁকা, উজিরপুর, দুর্লভপুর ও সদর উপজেলার নারায়ণপুর, আলাতুলী, শাহাজাহানপুর, চরবাগডাঙ্গা ইউনিয়নের ১ হাজার ৫শ’ ৫৯ হেক্টর মাসকালাই, রোপা আউশসহ সবজি পানি নিচে ডুবে গেছে। ডুবে যাওয়া মাসকালাইয়ের মধ্যে রয়েছে শিবগঞ্জ উপজেলার ১ হাজার ২৫০ হেক্টর ও সদর উপজেলায় ২১২ হেক্টর। তিনি আরও জানান, দুইটি উপজেলার প্রায় ৫ হাজার ৩১৫ জন কৃষকের মাসকালাই, আউশ ধান, গ্রীষ্মকালীন পেঁয়াজ, চিনা ও আখ ফসলের ক্ষতি হয়েছে।

    নীতি-বিধানের তোয়াক্কা না করেই ভারত ফারাক্কা বাঁধ নির্মাণ করে পানি সরিয়ে নিচ্ছে। গঙ্গার পানিবণ্টন নিয়ে ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের এ যাবৎ দুটি চুক্তি হলেও বাংলাদেশ চুক্তি অনুযায়ী পানি পায়নি। চলমান ৩০ সাল চুক্তি বাংলাদেশের ন্যায্য পানিপ্রাপ্তির কোনো নিশ্চয়তা দেয়নি। আগের চুক্তিতে যতটুকু নিশ্চয়তা ছিল, এ চুক্তিতে তাও নেই। ফলে পানিবঞ্চনা আরো বেড়েছে। ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বক্তব্য খোলাখোলি। শুকনো মওসুমে তিস্তার পানি প্রবাহ এত কমে আসে যে, তা দিয়ে পশ্চিমবঙ্গের প্রয়োজনই মেটে না, বাংলাদেশকে আমরা পানি দেবো কিভাবে? আর বর্ষা মৌসুমে মরণ বাঁধ ফারাক্কার সব গেট খুলে দিয়ে পানিতে ডুবিয়ে মারছে ভারত। প্রতিবছর বন্যার সময় ২০ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে নদী ভাঙন শুরু হয়। এবার শুরু হয়েছে। ভারত প্রতি বছর পানি ছেড়ে আমাদের ডুবিয়ে মারে, খরা মৌসুমে পানি প্রবাহ আটকিয়ে রেখে দেশকে মুরুভূমি বানায় কোন প্রতিকার পায় না দেশের মানুষ।

    মোঃ হায়দার আলী
    নিজস্ব প্রতিবেদক,
    রাজশাহী।

  • বাংলাবান্ধা ইউপি চেয়ারম্যান কুদরত-ই-খুদা মিলন সাময়িক বহিষ্কার

    বাংলাবান্ধা ইউপি চেয়ারম্যান কুদরত-ই-খুদা মিলন সাময়িক বহিষ্কার

    মুহম্মদ তরিকুল ইসলাম, পঞ্চগড় প্রতিনিধিঃ পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া উপজেলার বাংলাবান্ধা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কুদরত-ই-খুদা মিলনকে কর্মস্থলে অনুপস্থিতি সহ বিভিন্ন অনিয়ম দূর্নীতির অভিযোগে জনস্বার্থে সাময়িক বরখাস্ত করেছে স্থানীয় সরকার বিভাগ।

    বুধবার (২৫ সেপ্টেম্বর) স্থানীয় সরকার বিভাগের উপসচিব ড. মাসুরা বেগম স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে তাকে বরখাস্ত করা হয়।

    বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, পঞ্চগড় জেলার তেঁতুলিয়া উপজেলাধীন ১নং বাংলাবান্ধা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কুদরত-ই-খুদা মিলনের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাৎ, জমি জবর দখল, শ্রমিক নিয়োগ বাণিজ্য, চাঁদাবাজি এবং ৫ আগস্ট ২০২৪ তারিখ হতে কার্যালয়ে অনুপস্থিতির অভিযোগের বিষয়ে জেলা প্রশাসক, পঞ্চগড় এর প্রতিবেদন মোতাবেক স্থানীয় সরকার বিভাগের ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৪ তারিখের ৭৮০ সংখ্যক প্রজ্ঞাপন মূলে জনস্বার্থে আপনাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।

    আরও উল্লেখ করা হয়, স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) আইন, ২০০৯-এর ৩৪ ধারা অনুযায়ী কেন আপনার পদ হতে চূড়ান্তভাবে অপসারণ করা হবে না, তার জবাব পত্র প্রাপ্তির ১০(দশ) কার্যদিবসের মধ্যে জেলা প্রশাসক, পঞ্চগড় এর মাধ্যমে স্থানীয় সরকার বিভাগে প্রেরণ নিশ্চিতকরণের জন্য নির্দেশক্রমে নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে।

    পঞ্চগড় জেলা প্রশাসক সাবেত আলী সাংবাদিকদের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

    মুহম্মদ তরিকুল ইসলাম।।