Author: desk

  • উজিরপুরে মেজর এম.এ জলিল কে বীরউত্তম খেতাবে ভূষিত করার দাবিতে মানববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান

    উজিরপুরে মেজর এম.এ জলিল কে বীরউত্তম খেতাবে ভূষিত করার দাবিতে মানববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান

    মোঃ জুনায়েদ খান সিয়াম, উজিরপুর প্রতিনিধিঃ বরিশালের উজিরপুরে মহান মুক্তিযুদ্ধের নবম সেক্টর কমান্ডার মেজর এম এ জলিল কে বীরউত্তম খেতাবে ভূষিত করার দাবীতে মানববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান করা হয়েছে।

    ২৯ সেপ্টেম্বর রবিবার বেলা ১১ টায় উপজেলা পরিষদের সামনে সহস্রাধিক লোকের উপস্থিতিতে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।মানববন্ধন শেষে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল জাসদের সাবেক প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও মহান মুক্তিযুদ্ধের নবম সেক্টর কমান্ডার মরহুম বীর মুক্তিযোদ্ধা মেজর এম এ জলিল এর সকল সম্মান ও সম্মাননার দাবিতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ সাখাওয়াত হোসেনের কাছে স্মারকলিপি প্রদান করা হয়।

     মানববন্ধনে উজিরপুর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মোঃ আবুল কালাম আজাদ বাদল এর সভাপতিত্বে ও বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ জাকারিয়া মাস্টারের সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন বরিশালের সাবেক সিভিল সার্জন ও বিভাগীয় পরিচালক এবং মেজর এম এ জলিল স্মৃতি সংরক্ষণ কমিটির সদস্য সচিব ডাক্তার মোঃ আব্দুর রহিম সিকদার ও মেজর এমএ জলিল এর স্মৃতি সংরক্ষণ কমিটির আহ্বায়ক ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মোঃ আবুল কালাম আজাদ বাদল বলেন,মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর সেনানী ৯ নং সেক্টর কমান্ডার মহান দেশ প্রেমিক মরহুম মেজর এম এ জলিল এর সকল সম্মান ও সম্মাননার জন্য আমাদের বিভিন্ন দাবী রয়েছে। মহান মুক্তিযোদ্ধার সম্মানে আমাদের দাবী হল, মরহুম মেজর এম এ জলিল কে মুক্তিযুদ্ধের বীর সেনানী ৯ নং সেক্টর কমান্ডার হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান করতে হবে। মুক্তিযুদ্ধের শ্রেষ্ঠ বীর উত্তম খেতাব মরহুম মেজর এম এ জলিল কে প্রদান করতে হবে।প্রস্তাবিক উজিরপুর-সাতলা সড়ক মরহুম মেজর এমএ জলিল এর নামে নামকরণ করতে হবে। লেবুখালী ক্যান্টনমেন্ট (পটুয়াখালী) এর নাম মরহুম মেজর এম এ জলিল এর নামে নামকরন করতে হবে। বরিশাল বিমান বন্দর এর নাম মরহুম মেজর এম এ জলিল এর নামে নামকরন করতে হবে। মানববন্ধনে বিভিন্ন রাজনৈতিক সামাজিক ব্যক্তিবর্গ ও বিভিন্ন পত্রপত্রিকার সাংবাদিকগন উপস্থিত ছিলেন।বক্তারা বলেন মেজর এম এ জলিল তিনি উজিরপুর ও সারাদেশের সম্পদ, তাই রাজনৈতিক কারণে তাকে নিয়ে মুক্তিযুদ্ধের প্রকৃতি ইতিহাসকে বাদ দিয়ে জাতিকে কলঙ্কিত করেছে। তাই রাষ্ট্র থেকে প্রকৃত মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস পরবর্তী প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে হবে।
    ঘন্টাব্যাপী মানববন্ধনের পর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে স্মারকলিপি প্রদান করা হয়।

  • নলছিটিতে শারদীয় দূর্গা উৎসব উদযাপন উপলক্ষে প্রস্তুতি সভা

    নলছিটিতে শারদীয় দূর্গা উৎসব উদযাপন উপলক্ষে প্রস্তুতি সভা

    ঝালকাঠি প্রতিনিধি: মোঃ নাঈম মল্লিক

    ঝালকাঠির নলছিটিতে শ্রী শ্রী শারদীয় দূর্গা উৎসব-২০২৪ উদযাপন উপলক্ষে প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে রবিবার সকাল ১১টায় উপজেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

    এসময় উপস্থিত ছিলেন নলছিটি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা(ইউএনও) মো. নজরুল ইসলাম, নলছিটি থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. মুরাদ আলী, সেনাবাহিনীর ক্যাপ্টেন ইকবাল হাসান, ওসি( তদন্ত) মো. আশরাফ আলী।

    আরও উপস্থিত ছিলেন নলছিটি উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. হেলাল খান, সাধারণ সম্পাদক সেলিম গাজী, পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক কাজী জাহাঙ্গীর হোসেন, নলছিটি পুজা উদযাপন কমিটির সভাপতি জনারধন দাস,সাধারণ সম্পাদক(ভারপ্রাপ্ত) উজ্জ্বল দাস, ইসলামি আন্দোলন বাংলাদেশ নলছিটি উপজেলা শাখার নেতৃবৃন্দ, জামায়াতে ইসলামী নলছিটি শাখার নেতৃবৃন্দ, নলছিটি উপজেলার ২৩ টি পূজামন্ডপের সভাপতি সাধারণ সম্পাদকগন।

  • উজিরপুরে শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে প্রস্তুতিমূলক সভা ও সরকারি অনুদান প্রদান

    উজিরপুরে শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে প্রস্তুতিমূলক সভা ও সরকারি অনুদান প্রদান

    মোঃ জুনায়েদ খান সিয়াম, উজিরপুর প্রতিনিধিঃ বরিশালের উজিরপুরে শারদীয় দুর্গাপূজা ২০২৪ উপলক্ষে প্রস্তুতিমূলক সভা ও সরকারি অনুদানের চাল বিতরন করা হয়েছে।

    উজিরপুর উপজেলা প্রসাশনের আয়োজনে ২৯ সেপ্টেম্বর রবিবার বেলা ১১ টায় উপজেলা হলরুমে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ শাখাওয়াত হোসেনের সভাপতিত্বে, প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন বরিশাল জেলা পুলিশ সুপার মোঃ বেলায়েত হোসেন। উপজেলা সমাজ সেবা কর্মকর্তা মোঃ আবুল কালাম আজাদের সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সহকারী কমিশনার (ভুমি )হাসনাত জাহান খান, সেনা বহিনীর সিনিয়র ওয়ারেন্ট অফিসার হারুন অর রশিদ, উজিরপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ মাহবুবুর রহমান, আনসার ভিডিপির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আমিরুল ইসলাম, ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার, ইমাম সমিতির সভাপতি মাওলানা নুরুল হক আজহারী, উপজেলা বিএনপি যুগ্ন আহবায়ক এসএম আলাউদ্দিন, উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির মাওলানা মোঃ কাওছার হোসাইন, কুড়ালিয়া পানবাড়ী দুর্গা মন্দিরের পুরোহিত জগধর বৈদ্য প্রমুখ। পরে ১১৩ টি মন্দিরে ৫ শত কেজি করে অনুদানের চাল বিতরন করা হয়।

  • নলছিটি পৌরসভার সকল ওয়ার্ডের ভাঙাচোড়া সড়কের সংস্কারের দাবিতে মানববন্ধন

    নলছিটি পৌরসভার সকল ওয়ার্ডের ভাঙাচোড়া সড়কের সংস্কারের দাবিতে মানববন্ধন

    ঝালকাঠি প্রতিনিধিঃ মোঃ নাঈম মল্লিক

    ঝালকাঠির নলছিটি পৌরসভার দীর্ঘদিন পর্যন্ত সংস্কার না হওয়া সড়কগুলোর সংস্কারের দাবিতে মানববন্ধন করেছে সাধারণ নাগরিকরা।আজ রবিবার ২৯ সেপ্টেম্বর সকালে শহরের বাস স্ট্যান্ডে এ মানববন্ধন আয়োজন করা হয়।
    এতে কৃষক, শ্রমিক,মজুর,ছাত্র জনতা উপস্থিত ছিলেন।তাদের ডাকেই নলছিটি বাস স্ট্যান্ডে ঘন্টাব্যাপী এ মানববন্ধন আয়োজন করা হয়। এতে বক্তারা তাদের দূর্ভোগের কথা তুলে ধরেন।১৫৯ বছরের পুরনো পৌরসভার এমন বেহাল দশার জবাব চান তারা।দীর্ঘদিন যাবত উন্নয়ন কাজ না করে অর্থ লুটপাটের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেন উপস্থিত জনতা।প্রায় এক দশকের বেশি সময় যাবৎ পৌরসভার কোনো ওয়ার্ডেরই তেমন উন্নয়ন চোখে পড়ে নি কারও।এরফলে প্রায় প্রতিটি ওয়ার্ডের গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলো চলাচলের অযোগ্য এবং মরনফাদ হয়ে আছে।এসব এলাকার গর্ভবতী নারী,বৃদ্ধ, শিশুদের অসুস্থ অবস্থায় চিকিৎসা নিতে যেতে না পারার করুন হাল তুলে ধরেন।সুর্যপাশা এলাকার এক গর্ভবতী নারীকে হাসপাতালে নেয়ার পথে গাড়ির ঝাকুনীতেই রাস্তায় সন্তান প্রসবের মতো মর্মান্তিক ঘনাগুলোও তুলে ধরেন বক্তারা।তারা নিজেদের শেষ রক্তবিন্দু দিয়ে হলেও এই রাস্তাঘাটের সংস্কার আদায় করতে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ বলেও জানান।
    কোনো উন্নয়ন না হলেও গত কয়েকবছর যাবত বারবারই পৌরসভার নানান দুর্নীতি এবং অনিয়মের তথ্য ফাস হওয়ায় জনমনে ব্যাপক ক্ষোভের সঞ্চার হয়েছে।বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের নামে কাজ না করেও কাগজে কাজ সম্পন্ন করে বিল উত্তোলন করে নেয়া হয়েছে বিভিন্ন ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের নামে।
    এছাড়াও বক্তারা অভিযোগ করেন নলছিটি পৌরসভার গত দশ বছরের আয় ব্যায়ের কোনো হিসাবের কাগজপত্র,স্থানীয় সরকার বিভাগ থেকে প্রাপ্ত বরাদ্দ,রাজস্ব আয় এবং তা খরচের গৃহীত প্রকল্পের কোনো ফাইলপত্র পৌরসভায় খুজে পাওয়া যাচ্ছে না। এমন অবহেলা এবং অনিয়ম চলতে থাকার ঘটনায় তারা ক্ষোভ এবং বিস্ময় প্রকাশ করেন।এবং আগামী তিন দিনের মধ্যে গোপন করা ফাইল পত্র পৌরসভায় ফেরত দিয়ে না আসলে কঠোর আইনি পদক্ষেপ নেয়ার হুশিয়ারি দেন বক্তারা।
    পৌরসভার কর্মকর্তা কর্মচারীদের সম্পদের পাহাড় গড়ার গোপন রহস্যও জানতে চান তারা।এছাড়াও আগামী সাত দিনের মধ্যে সংস্কার সম্পন্ন না করে উত্তোলন করে নেয়া অর্থে ফের সড়ক সংস্কার কাজ শুরু করার এবং সল্প সময়ে তা সম্পন্ন করার তাগিদ দিয়ে কাজ শুরু করতে দশ দিনের আল্টিমেটামও দেন নাগরিকরা।
    এতে বক্তব্য রাখেন বক্তব্য রাখেন সুজন সভাপতি খলিলুর রহমান মৃধা,উপজেলার সমাজসেবক এফ এইচ রিভান,সমাজকর্মী বালী তাইফুর রহমান তূর্য,ব্যবসায়ী মনির হোসেন,আকশ তালুকদার,ছাত্র জনতার পক্ষে খালিদ সাইফুল্লাহ,সেচ্ছাসেবী ইমরান হোসেন,ওয়ার্কশপ কর্মী নাসির হোসেন,সুর্যপাশা এলাকার গোলাম মোস্তফা,চ্যারাগ আলী,ভ্যান চালকদের পক্ষ থেকে সোহাগ হোসেন,ইজিবাইক চালকদের পক্ষে মো:খোকন,আল আমিন হোসেন,মোটরসাইকেল শ্রমিকদের পক্ষে মো:বাচ্চু সহ আরও অনেকে।
    ঘন্টাব্যাপী এ মানববন্ধনে কৃষক, শ্রমিক, মজুর,ছাত্র জনতার প্রায় দুই শতাধিক মানুষ অংশগ্রহণ করেন।

  • কলেজের পুরানো ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনাই হবে আমার একমাত্র লক্ষ্য-তালুকদার খোকন

    কলেজের পুরানো ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনাই হবে আমার একমাত্র লক্ষ্য-তালুকদার খোকন

    মোঃমিজানুর রহমান, কালকিনি মাদারীপুর প্রতিনিধি
    মাদারীপুর জেলার কাল‌কি‌নি সৈয়দ আবুল হো‌সেন ক‌লে‌জের এডহক ক‌মি‌টির নব‌-নির্বা‌চিত সভাপ‌তি মোঃ আ‌নিসুর রহমান তালুকদা‌র খোকনের সা‌থে ক‌লে‌জের শিক্ষক‌দের সা‌থে আজ রোববার এ প‌রিচিতি সভা অনু‌ষ্ঠিত হ‌য়ে‌ছে।
    এ সময় তিনি সংক্ষিপ্ত আকারে তার মন্তব্য উপস্থাপন করে তিনি বলেন এক সময় অনেক দূর দুরন্ত থেকে হাজার হাজার শিক্ষার্থী কলেজে পড়াশোনা করতে আসতো।
    কিন্তু কলেজের ব্যবস্থাপনা দুর্বল থাকায় ধীরে ধীরে এ কলেজটির সুনাম ও মান নষ্ট হয়ে যায় তাই ছাত্র-ছাত্রী আগের মত এ কলেজে অধ্যায়ন করতে আগ্রহ হারিয়ে ফেলেন।
    আমি আমার সর্বোচ্চ ত্যাগের বিনিময় হলেও কালকিনি আলহাজ্ব সৈয়দ আবুল হোসেন কলেজের পুরনো ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনবোই এটাই আমার একমাত্র লক্ষ্য।
    তিনি কলেজের সকল শিক্ষকদের ধৈর্য ধরার আহ্বান জানান তিনি শিক্ষকদের উদ্দেশ্যে বলেন আপনারা হলেন মানুষ গড়ার কারিগর আমি আপনাদের পাশে আছি এ কলেজটি আগের অবস্থানে ফিরিয়ে আনা হবে
    এ সময় উপস্থিত ছিলেন ভাইস চ্যান্সেলর কর্তৃক মনোনীত সদস্য জনাব ফজলুল হক বেপারীসহ উক্ত কলেজের সকল বিভাগের অধ্যাপক/অধ্যাপিকা ও রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ।

  • বাগআঁচড়ায় কাঁচা বাজারে আগুন, অস্থিতিশীল মাছ,মাংস ও ডিমের বাজার

    বাগআঁচড়ায় কাঁচা বাজারে আগুন, অস্থিতিশীল মাছ,মাংস ও ডিমের বাজার

    আজিজুল ইসলাম,যশোরঃ যশোরের শার্শা উপজেলার বাগআঁচড়া বাজার সহ আশপাশের কাঁচা বাজার গুলাতে হঠাৎ করে বেড়েছে কাঁচা মাল সহ নিত্যপণ্যের দাম। টানা বৃষ্টিতে অনেক সবজি ক্ষেত ডুবে যাওয়ায় সব্জি ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। আড়ত গুলোতে তেমন একটা কাঁচা মাল আমদানি হচ্ছে না। কয়েক দিন পর দাম স্বাভাবিক হবে বলে আশা করছেন বিক্রেতারা। এ সময়ে সবজির দামও অনেক গুন বেড়েছে। ৫ টাকা থেকে ১৫ টাকা পর্যন্ত কেজি প্রতি বাড়তি দামে বিক্রি হচ্ছে টমেটো,গাজর, শসা ও করলা।

    গত তিনদিন আগে বেগুনের কেজি ছিলো ৬০ টাকা সেটা বেড়ে হয়েছে ১০০ টাকা। পটল ৪০ টাকা থেকে বেড়ে ৬০ টাকা,ক্ষীরাই ৬০ টাকা থেকে বেড়ে ৮০ টাকা,কলা ৩৫ টাকা থেকে বেড়ে ৬০ টাকা,রসুন ১৮০ টাকা থেকে বেড়ে হয়েছে ২২০টাকা, পেঁয়াজ ১১০ টাকা থেকে বেড়ে ১২০ টাকা হয়েছে। তবে আলুর দাম স্থিতিশীল রয়েছে।

    রবিবার উপজেলার বাগআঁচড়াসহ এলাকার বিভিন্ন বাজার ঘুরে এমন তথ্য পাওয়া গেছে। ।

    ক্রেতারা বলছেন, টানা বৃষ্টিকে পুজি করে বাজারের কিছু বিক্রেতারা ইচ্ছামতো দাম বাড়িয়েছেন। বৃষ্টি থেমে গেলে ও দাম কমার কোন খবর নেই।

    এব্যাপারে বিক্রেতারা বলছেন, বৃষ্টির কারণে অনেক সবজি নষ্ট হয়ে গেছে,জমিতে কাঁদা পানি জমে যাওয়ায় সবজি সংগ্রহ করতেও কষ্ট হচ্ছে। এখনও অনেক সবজি ক্ষেত পানিতে তলিয়ে রয়েছে। তাছাড়া টানা বৃষ্টিতে পরিবহন ব্যবস্থা ব্যাহত হওয়ায় সবজি বাজারে আসতেও সময় লাগছে।

    বাগআঁচড়া বাজারের সবজি বিক্রেতা ফিরোজ বলেন, ‘সাধারণত যেসব সবজি ২০ মণ আনা হতো, সেগুলো এখন ৭ মণ আমদানি হচ্ছে।

    এদিকে, মুরগির বাজার কিছুটা নিম্নমুখী হলেও স্বস্তির খবর নেই ডিমের বাজারে। কেজিতে ১০-৩০ টাকা পর্যন্ত কমে প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি ২২০-২৩০ টাকা, দেশি মুরগি ৭০০-৭৩০ টাকা, সাদা লেয়ার ৩৪০-২৬০ টাকা ও লাল লেয়ার বিক্রি হচ্ছে ৩২০ টাকায়। আর প্রতি কেজি সোনালি মুরগি বিক্রি হচ্ছে ২৮০-৩০০ টাকায়।

    চারিদিকে পানি থাকলেও মাছের বাজারে দাম কমেনি। প্রায় সব ধরনের মাছ আগের মুল্যে বিক্রি হচ্ছে ।

    বাজারে প্রতি কেজি তেলাপিয়া ১৫০-২০০ টাকা, চাষের পাঙাশ ১৫০-২০০ টাকা, চাষের শোল ৪০০ টাকা, চাষের কৈ বিক্রি হচ্ছে ২৫০-৩০০ টাকায়। এছাড়া আকারভেদে প্রতি কেজি রুই ২৮০ থেকে ৩৫০ টাকা ও কাতলা ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকা বিক্রি হচ্ছে।

    নিত্যপণ্যের বাজার নিয়ন্ত্রণে নিয়মিত বাজার তদারকির দাবি ক্রেতা ও বিক্রেতাদের। তারা বলছেন, নিয়মিত বাজার তদারকি করা হয় না। তদারকি হলে বিক্রেতারা ইচ্ছেমতো দাম বাড়ানোর সুযোগ পেতো না।

    এ ব্যাপারে শার্শা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিষ্টেট নুসরাত ইয়াসমিন জানান,যেহেতু বৃষ্টি আর হচ্ছে না তাই নিত্যপণ্যের দাম বাড়ানোর কোন সুযোগ নেই। এ ব্যাপরে উপজেলা প্রশাসন অবশ্যই ব্যবস্থা গ্রহন করবে বলে তিনি জানান।

  • তানোরে আমনখেতে পার্চিং পদ্ধতি জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে

    তানোরে আমনখেতে পার্চিং পদ্ধতি জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে

    আলিফ হোসেন,তানোরঃ
    রাজশাহীর তানোরে আমনখেতে পোকা দমনে পার্চিং পদ্ধতি জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। জানা গেছে, ফসলের জমিতে গাছের মরা ডাল, কঞ্চি, বাঁশের আগা পুঁতে বা ধঞ্চে গাছ পুঁতে পাখি বসার ব্যবস্থা করার নাম ‘পার্চিং’। পার্চিংয়ে পাখি বসার সুযোগ পেলে তার দৃষ্টিসীমায় কোনো ক্ষতিকর পোকা দেখা মাত্রই সেটি সে ধরে খেয়ে ফেলবে। এভাবে পরিবেশবান্ধব পদ্ধতিতে ধানখেতের পোকার আক্রমণ কমিয়ে বেশি ফলন পাওয়া যাবে। বিষবিহীন নিরাপদ ফসল উৎপাদনের ক্ষেত্রে এটি একটি পরীক্ষিত পদ্ধতি। উপজেলায় ধানখেতে পোকা দমনে কীটনাশকের পরিবর্তে এখন ধানচাষিদের কাছে জনপ্রিয় হয়ে উঠছে পার্চিং পদ্ধতি। দেখা গেছে ধানের জমিতে গাছের ডাল, খুঁটি, বাঁশের কঞ্চি বা মাঝে মাঝে ধঞ্চে গাছ পুঁতা হয়। সেগুলোর উপর বিভিন্ন প্রজাতির পাখিরা বসে ফসলের ক্ষতিকারক পোকামাকড় খেয়ে ফেলে।এই পার্চিং পদ্ধতি ফসলের পোকা দমনের জন্য অত্যন্ত কম ব্যয়বিহীন এবং পরিবেশবান্ধব। এই পদ্ধতিতে ফসল উৎপাদন খরচ ও কীটনাশকের ব্যবহার কমে যাওয়ায় এটি জনপ্রিয় হয়ে উঠছে উপজেলার কৃষকদের মাঝে। অনেক কৃষক আমনখেতে কীটনাশক পরিহার করে পোকা দমনে সহজ ও লাভজনক পার্চিং পদ্ধতি ব্যবহার করছেন।
    উপজেলা কৃষি অফিসের তথ্যমতে, এবারে রোপা-আমনের লক্ষমাত্রা ২২ হাজার ৫০০ হেক্টর ধরা হয়েছে। কৃষিতে আধুনিকতার ছোয়া লেগেছে বলেই অল্প সময়ের মধ্যে জমি চাষ ও রোপন শেষ করতে পারছেন কৃষকেরা। কৃষকদের সহায়তায় প্রণোদনা হিসেবে উপজেলা কৃষি-সম্প্রসারণ দপ্তর হতে কৃষকদের রাসায়নিক সার ও আমন বীজ দেওয়া হয়েছে। কৃষকদেরকে এক বিঘা জমির বিপরীতে জনপ্রতি ৫ কেজি বীজ, ১০ কেজি এমওপি ও ১০ কেজি ডিএপি সার দেওয়া হয়েছে।
    উপজেলার কৃষকরা অনেক স্বপ্ন নিয়ে তাদের জমিতে আমন ধান রোপণ করেছেন। বর্তমানে তাদের রোপণকৃত ধানগাছগুলো বড় হচ্ছে। এখন সবুজে ছেয়ে গেছে ফসলের মাঠগুলো। আর এই ধানের গাছ কৃষকদের মনে এনে দিয়েছে প্রশান্তি। পার্চিং সাধারণতঃ দুই প্রকারের হয়ে থাকে। ডেড পার্চিং ও লাইভ পার্চিং। মরা ডালপালা পুঁতে দিলে তা হবে ডেড পার্চিং আর জীবন্ত ধঞ্চের ডাল জমিতে পুঁতে দিলে তা হবে লাইভ পার্চিং। কৃষকরা তাদের আমনখেত ক্ষতিকারক পোকা থেকে রক্ষার জন্য বাঁশের আগা, বাঁশের কঞ্চি, গাছের ডাল এবং জীবন্ত ধঞ্চের ডাল পুঁতে বিভিন্ন পোকামাকড় থেকে ফসল রক্ষা করেছেন। এসব ব্যবহারে শালিক, বুলবুলি, ফিঙ্গেসহ বিভিন্ন ধরনের পোকাখাদক পাখি ক্ষেতের পার্চিংয়ের উপরে বসে। সেখান থেকে উড়ে উড়ে গিয়ে ক্ষতিকারক পোকা ও পোকার ডিম খেয়ে ফেলে। এর ফলে কীটনাশক ছাড়াই পোকার আক্রমণ থেকে ধানগাছগুলো রক্ষা পাচ্ছে। এছাড়া পরিবেশের সৌন্দর্যের পাশাপাশি ধান উৎপাদন বেড়ে যাচ্ছে কয়েকগুণ। উপজেলার কামারগাঁ ইউপির কৃষক মোবারক আলী ও আইয়ুব আলী জানান, এবার তাদের জমিতে ধান এখন সবুজ ও সতেজ হয়ে উঠেছে। তারা সম্পূর্ণ ক্ষেতে পার্চিং পদ্ধতি করেছেন।
    উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সাইফুল্লাহ আহমেদ বলেন, ক্ষতিকর পোকা দমনে পার্চিং পদ্ধতি খুব কার্যকর। এই পদ্ধতি কাজে লাগালে কীটনাশকের ব্যবহার কমে যায়। একই সঙ্গে কৃষকের উৎপাদন খরচ ও কম হয়। বালাইনাশকের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে পরিবেশকে দূষণমুক্ত রাখা যায়। প্রতিবছরই বৃদ্ধি পাচ্ছে পার্চিং পদ্ধতির চাষ। #

  • দেশের মানুষকে দেখা মাত্রই গুলি করার নির্দেশ দিয়েছিলেন ফ্যাসিস্ট হাসিনা- জামায়তের নায়েবী আমীর

    দেশের মানুষকে দেখা মাত্রই গুলি করার নির্দেশ দিয়েছিলেন ফ্যাসিস্ট হাসিনা- জামায়তের নায়েবী আমীর

    রাজশাহী থেকে মোঃ হায়দার আলী : জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নায়েবে আমীর ও সাবেক সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুজিবর রহমান বলেছেন, ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে স্বৈরশাসক হাসিনা দেশ ছেড়ে পালিয়ে গেলেও পাশ্ববর্তী দেশে বসে তিনি একটার পর একটা ষড়যন্ত্র চালিয়ে যাচ্ছেন। তার কোনো ষড়যন্ত্র কাজে আসবে না।

    শনিবার বিকেল ৩ টায় রাজশাহী জেলা পরিষদ মিলনায়তনে জামায়াতের রাজশাহী পশ্চিম জেলার সদস্য সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

    তিনি বলেন, হাসিনা যেই গণহত্যা চালিয়েছে সেটা পৃথিবীর ইতিহাসের জঘন্যতম অপরাধ। তিনি নিজ দেশের মানুষকে দেখা মাত্রই গুলি করার নির্দেশ দিয়েছেন তা ফ্যাসিস্ট সরকারের পক্ষেই শুধু সম্ভব। এজন্য তিনি এদেশের মানুষের কাছে আজীবন ঘৃণার পাত্র হিসেবে থাকবেন। পুলিশের বেতনভাতা হয় জনগণের টাকায়। কিন্তু সেই দলীয় পুলিশ জনগণের ওপর গুলি করে অসংখ্য মানুষকে হত্যা করেছে। যা কখনই কাম্য নয়। এটি ইতিহাসে জঘন্যতম কাজ। আওয়ামী লীগ তাদের শাসন আমলে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে তাদের দলীয় লোকদের বসিয়েছে। তাই সেসব প্রতিষ্ঠানে নিরপেক্ষ লোক বসাতে হবে। না হলে জনগণের প্রত্যাশা পূরণ হবে না।

    জামায়াতের রাজশাহী পশ্চিম জেলার আমীর অধ্যাপক আব্দুল খালেকের সভাপতিত্বে সেক্রেটারী মাওলানা আব্দুল খালেকের সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন,
    কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও অঞ্চল পরিচালক রাজশাহী, অধ্যক্ষ সাহাবুদ্দিন কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক, অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম, ড. মোহম্মদ ওবায়দুল্লাহ,
    প্রমুখ।

    মোঃ হায়দার আলী
    নিজস্ব প্রতিবেদক,
    রাজশাহী।

  • জনগন দ্বারা নির্বাচিত সরকারই কেবল দেশে গনতন্ত্র ফিরিয়ে আনতে পারে-তারেক রহমান

    জনগন দ্বারা নির্বাচিত সরকারই কেবল দেশে গনতন্ত্র ফিরিয়ে আনতে পারে-তারেক রহমান

    ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ
    বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, জনগন দ্বারা নির্বাচিত সরকারই কেবল গনতন্ত্র ও দেশে উন্নয়নের নতুন ধারা সৃষ্টি করতে পারে। তিনি বলেন, এই সরকারের প্রতি সেদিনও আমাদের সমর্থন ও আস্থা ছিল, আজও আছে। তবে এখানে একটি কিন্তু রয়েছে। তাদের প্রতি আমাদের আস্থাকে প্রশ্নহীন রাখার চ্যালেঞ্জ কিন্তু তাদেরকেই নিতে হবে। স্বৈরাচার পতনের এই মহা সময়ে দেশের গণতন্ত্রকামী রাজনৈতিক দল, ছাত্র-জনতা, কৃষক, শ্রমিক ও সর্বস্তরের মানুষের অবদানকে যদি আমরা মর্যাদা দিতে ব্যর্থ হই, তাহলে ১৬ বছরের স্বৈরাচারী হাসিনার গুম, খুন, হামলা-মামলা ও নির্যাতনের শিকার জনতার অবদানকে যদি স্বীকৃতি দিতে না পারি, তাহলে ইতিহাস আমাদের ক্ষমা করবে না। তারেক রহমান আজ শনিবার (২৮ সেপ্টম্ব) ঝিনাইদহ পায়রা চত্বরে ফ্যাসিবাদী আন্দোলনে ঢাকায় নিহত ঝিনাইদহের সাব্বির ও প্রকৌশলী রাকিবুল হত্যার প্রতিবাদে আয়োজিন এক বিরাট ভার্চুয়ালি সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তৃতা দানকালে এ কথা বলেন। ঝিনাইদহ জেলা বিএনপির সভাপতি এম এ মজিদের সভাপতিত্বে সমাবেশে অন্যান্যের মধ্যে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির খুলনা বিভাগীয় ভারপ্রাপ্ত সাংগঠনিক সম্পাদক অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, তথ্য বিষয়ক সম্পাদক আজিজুল বারী হেলাল, বিএনপির খুলনা বিভাগীয় সহ-সাংগঠনিক জয়ন্ত কুমার কুন্ডু, সহ-তথ্য ও গবেষনা বিষয়ক সম্পাদক আমিরুজ্জামান খান শিমুল, মীর রবিউল ইসলাম লাভলু, ব্যারিষ্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল, সাইফুল ইসলাম ফিরোজ, ঝিনাইদহ জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জাহিদুজ্জামান মনা ও মুন্সি কামাল আজাদ পাননু প্রমুখ বক্তব্য রাখেন। তারেক রহমান আরো বলেন, আমরা আজ এমন একটা পরিবেশে সমবেত হয়েছি যেখানে কারো কোন ভয় নেই। সকলে আমরা শংকামুক্ত পরিবেশে একত্রিত হয়ে কথা বলছে পারছি। আমরা আমাদের কথা বলার জন্য একই সাথে আমরা অন্যের কথা শোনবার জন্য একত্রিত হয়েছি। অথচ মাত্র ক’দিন আগেও এই দেশের মানুষ দলমত নির্বিশেষে কথা বলতে পারতো না। বিগত ১৬ বছর ধরে আমরা আমাদের কষ্টের কথাও স্বাধীন ভাবে বলতে পারতাম না। বিগত ফ্যাসিষ্ট সরকারের অত্যাচারে অতিষ্ঠ ছিল দেশের মানুষ। কি ভাবে বাংলাদেশের মানুষের অধিকারগুলো ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছিল, তাদের ন্যায্য অধিকার হরণ করা হয়েছিল। ঝিনাইদহ জেলায় জাতীয়তাবাদী দলের অনেক নেতাকর্মী আছেন যাদেরকে আমরা হারিয়েছি। মিরাজুল, দুলাল ও পলাশসহ বহু মানুষকে হারিয়েছি। ফ্যাসিষ্ট সরকার পতনেও এই জেলার মানুষ সাব্বির ও প্রকৌশলী রাকিবুল বুকের তাজা রক্ত দিয়েছে। দেশের মানুষ গত ৫ আগষ্ট এই স্বৈরাচার সরকারকে হটিয়েছে। জনগনের আন্দোলনের মুখে যে স্বৈরাচার জনগনের বুকের উপর চেপে বসেছিল, সেই স্বৈরাচার পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়েছে। এই কৃতিত্ব বাংলাদেশের সকল মানুষের কৃতিত্ব। আজকে যখন স্বৈরাচার পালিয়ে গেছে, তখন দেশের জনগরে দাবী ছিল দেশের মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় সৃষ্ট শুন্যতা পুরণের জন্য একটি নির্দলীয় তত্ত¡াবধায়ক সরকারের। গত ১৬ বছরে বিশেষ কত এই জুলাই-আগস্টে যে মানুষগুলো আন্দোলনে গিয়েছে, যে মানুষগুলো সবকিছু উজাড় করে দেশকে স্বৈরাচারমুক্ত করেছে, আমাদের ভবিষ্যত প্রজন্মেও জন্য জীবনবাজি রেখে যারা যুদ্ধ করেছে, তাদের এই আত্মত্যাগ সেদিনই সফলতা লাভ করবে, যেদিন এদেশের মানুষ নির্বাচনের মাধ্যমে তাদের রাজনৈতিক অধিকার ফিরে পাবে। সেদিনই বাংলাদেশের মানুষের অর্থনৈতিক মুক্তি অর্জিত হবে। সেদিন আমাদের এই আন্দোলনের শহিদদের, ৭১ এর শহিদদের এবং গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার আন্দোলনে যারা শহিদ হয়েছেন এবং যারা বিভিন্ন ভাবে নির্যাতনের শিকার হয়েছেন, তাদের আত্মত্যাগ সফলতা লাভ করবে। আজ আমাদের সেই প্রতিজ্ঞা নিতে হবে, বাংলাদেশকে ফিরিয়ে আনতে হবে একটি স্বাভাবিক মঞ্চে। যা দেশের মানুষ প্রত্যাশা করে। দলমত নির্বিশেষে নিজেদের জীবনের নিরাপত্তা প্রত্যাশা করে। প্রতিটি শিশু, প্রতিটি শিক্ষার্থী নিরাপত্তা ও শিক্ষাগ্রহণের যে গ্যারান্টি চায়, প্রতিটি কৃষক তাদের অবদানের যে স্বীকৃতি চায়, এই সকল কিছু সরকার গঠনের মাধ্যমে ধীরে ধীরে সকলকিছু প্রতিষ্ঠিত করতে হবে। তারেক রহমান দুর্যোগপুর্ন আবহাওয়া উপেক্ষা করে তার বক্তব্য শোনার জন্য ঝিনাইদহের মানুষের প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করে বলেন, আসুন, আমরা আন্দোলন করে, সংগ্রাম করে স্বৈরাচারের পতন ঘটিয়েছি। আমরা জনগণের প্রত্যাশা পুরনে কাজ করি। আসুন আমরা বৈষম্যহীন সুখি সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গঠনে ঐক্যবদ্ধ হই। তারেক রহমান বিকাল ৪.৪০টার দিকে ভার্চুয়াল সমাবেশে যুক্ত হয়ে ১১ মিনিট বক্তব্য রাখেন। ১৬ বছর পর আয়োজিত বিএনপির এই সমাবেশটি গনবিস্ফোরণে রুপ নেয়।

    আতিকুর রহমান
    ঝিনাইদহ।।

  • মহেশপুরে ৩৫ কোটি টাকার  ভারতীয় মাদকদ্রব্য ধ্বংস

    মহেশপুরে ৩৫ কোটি টাকার ভারতীয় মাদকদ্রব্য ধ্বংস

    ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ
    ঝিনাইদহ ও চুয়াডাঙ্গা সীমান্ত থেকে উদ্ধার হওয়া ৩৫ কোটি টাকার মাদকদ্রব্য ধ্বংস করেছে মহেশপুরের খালিশপুর ৫৮ বিজিবি। শনিবার (২৮ সেপ্টেম্বর) খালিশপুর ৫৮ বিজিবির সদর দপ্তরে এই বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য ধ্বংস করা হয়। মাদকদ্রব্য ধ্বংস অনুষ্ঠানে বিজিবি’র কুষ্টিয়া সেক্টর সদর দপ্তরের কমান্ডার কর্ণেল মারুফুল আবেদীন, ঝিনাইদহ ও চুয়াডাঙ্গা জেলার দুইজন চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ও মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রন অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। মহেশপুরে ৫৮ বিজিবির এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ২০২৩ সালের ১৪ মার্চ থেকে ২০২৪ সালের ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত ঝিনাইদহ ও চুয়াডাঙ্গা সীমান্ত থেকে উদ্ধার হওয়া ৩৫ কোটি টাকা মুল্যের ১২ হাজার ৪’ ৬৩ বোতল ভারতীয় ফেন্সিডিল, ১৩ বোতল সিরাপ, ৪৯ হাজার ৮০ বোতল মদ, ৭৬ কেজি গাজা ও ৮’শ ৭১ পিচ ভারতীয় ইয়াবা ট্যাবলেট ধ্বংস করা হয়। এ উপলক্ষ্যে আয়োজিত সমাবেশে সীমান্ত এলাকায় মাদক বিরোধী কার্যক্রম ও প্রচারণার উদ্বোধন করা হয়।

    আতিকুর রহমান
    ঝিনাইদহ।।