Author: desk

  • ক্ষেতলাল উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে অনুষ্ঠিত হলো প্র-স্তুতিমূলক সভা

    ক্ষেতলাল উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে অনুষ্ঠিত হলো প্র-স্তুতিমূলক সভা

    ত্রয়োদশ “দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন–২০২৬” উপলক্ষে
    অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন নিশ্চিত করতে
    ক্ষেতলাল উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে অনুষ্ঠিত হলো প্রস্তুতিমূলক সভা।

    সভায় সভাপতিত্ব করেন ক্ষেতলাল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব সানজিদা চৌধুরী মহোদয়। উপস্থিতি ছিলেন ক্ষেতলাল সহকারী কমিশনার ভূমি সাজ্জাদ পারভেজ, ক্ষেতলাল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি, নুরে আলম সিদ্দিকীসহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, প্যানেল চেয়ারম্যান, ও বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান গণ উপস্থিত ছিলেন।
    নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, ভোটারদের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালনের বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা প্রদান করা হয়।
    একটি গ্রহণযোগ্য ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন আয়োজনের জন্য
    নির্বাচনী দায়িত্বে নিয়োজিত সকলের সম্মিলিত সচেতনতা, দায়িত্ববোধ ও সহযোগিতাই আমাদের অঙ্গীকার।
    স্বচ্ছ নির্বাচনই গণতন্ত্রের মূল ভিত্তি—
    এই প্রত্যয়ে সবাই একযোগে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করি।

  • সাধারণ জ্ঞান প্রতিযোগিতা – ২০২৫ এর চূড়ান্ত পর্বের প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণী

    সাধারণ জ্ঞান প্রতিযোগিতা – ২০২৫ এর চূড়ান্ত পর্বের প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণী

    মহান বিজয় দিবস উপলক্ষ্যে ২য় জাতীয় সাধারণ জ্ঞান প্রতিযোগিতা – ২০২৫ এর চূড়ান্ত পর্বের প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান ২৭ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখে অনুষ্ঠিত হয়েছে।আয়োজনে ছিলেন বাংলাদেশ জেনারেল নলেজ ক্লাব।মাইলস্টোন কলেজ স্থায়ী ক্যাম্পাস, ডিয়াবাড়ি,উত্তরা,ঢাকায় অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হয়েছে।
    সহযোগিতায় ছিলো আমান সিমেন্ট ও লেকচার পাবলিকেশন্স লিমিটেড।অনুষ্ঠানে উপস্থাপনা করেছেন জনাব আবু সায়েম, সহকারী অধ্যাপক,রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ।

    অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি আলহাজ্ব এম এ ওয়াহাব বাগচী
    বিশিষ্ট শিক্ষানুরাগী ,সমাজসেবক, শিল্পপতি ও চেয়ারম্যান ডে গ্রুপ)।বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এস এম ওয়াহিদুজ্জামান (সাবেক অধ্যক্ষ,জয়পুরহাট গার্লস ক্যাডেট কলেজ)।সভাপতি: প্রকৌশলী মোঃ মোবারক হোসেন (পরিচালক, রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ)।

    বাংলাদেশের বিভিন্ন প্রান্তের মোট ৯১ টি স্কুলের ৩৪৩৫ জন শিক্ষার্থী এই প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করেছে। মোট দুটি ধাপে এই প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রাথমিক বাছাই পর্বে উত্তীর্ণ ৪৫০ জন শিক্ষার্থী ফাইনাল রাউন্ডে লিখিত পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছে।

    মোট চারটি গ্রুপে এ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিজয়ীরা হচ্ছে-

    গ্রুপ এ-(তৃতীয়-পঞ্চম শ্রেণি):
    প্রথম স্থান: তানজিল রহমান শাবিব, Bangladesh International School and College, Nirjhor, Dhaka Bangladesh cantonment.
    দ্বিতীয় স্থান: নুসাইবা ইসলাম জিনিয়া, সিভিল এভিয়েশন স্কুল এন্ড কলেজ তেজগাঁও, ঢাকা।
    তৃতীয় স্থান: এস এম সাইফ আল দ্বীন, মাইলস্টোন স্কুল এন্ড কলেজ।

    গ্রুপ বি-(ষষ্ঠ-অষ্টম শ্রেণি):
    প্রথম স্থান: আব্দুল্লাহ আইয়ান সাদ, মাইলস্টোন স্কুল এন্ড কলেজ
    দ্বিতীয়: আবরার হাসান মাহির ,মাইলস্টোন স্কুল এন্ড কলেজ
    তৃতীয়: সাওদা বিনতে মাসুম, মাইলস্টোন স্কুল এন্ড কলেজ

    গ্রুপ সি-(নবম-দ্বাদশ): প্রথম স্থান: ইসরাত জাহান খুশবু, রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ
    দ্বিতীয়: জান্নাতুল ফেরদৌস, সিভিল এভিয়েশন স্কুল এন্ড কলেজ
    তৃতীয়: রোকাইয়া হক ইয়ানূর, মাইলস্টোন কলেজ

    গ্রুপ ডি-(দ্বাদশ শ্রেণীর ঊর্ধ্বে):
    প্রথম: নাফিসা বিনতে শওকত, প্রাইম এশিয়া ইউনিভার্সিটি।
    দ্বিতীয়: নুরিসা মনি, ইসলামপুর সরকারি কলেজ, জামালপুর।
    তৃতীয়: মোঃ রাশিদুল হক, ইসলামপুর সরকারি কলেজ, জামালপুর।

  • র‌্যাব-১২, সদর কোম্পানি, সিরাজগঞ্জ এবং সিপিএসসি, বগুড়া এর যৌথ অভিযানে সাজাপ্রা-প্ত প-লাতক আ-সামি গ্রে-ফতার

    র‌্যাব-১২, সদর কোম্পানি, সিরাজগঞ্জ এবং সিপিএসসি, বগুড়া এর যৌথ অভিযানে সাজাপ্রা-প্ত প-লাতক আ-সামি গ্রে-ফতার

    প্রেস বিজ্ঞপ্তি।

    র‌্যাব-১২, সদর কোম্পানি, সিরাজগঞ্জ এবং সিপিএসসি, বগুড়া এর যৌথ অভিযানে বগুড়া জেলার শেরপুর থানা এলাকা হতে হত্যা মামলার যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেফতার।

    র‌্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব) প্রতিষ্ঠাকালীন সময় থেকেই দেশের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সমুন্নত রাখার লক্ষ্যে সব ধরণের অপরাধীকে আইনের আওতায় নিয়ে আসার ক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে। সন্ত্রাসী, সংঘবদ্ধ অপরাধী, ছিনতাইকারী, জুয়ারি, মাদক ব্যবসায়ী, খুন এবং অপহরণসহ বিভিন্ন চাঞ্চল্যকর মামলার আসামী গ্রেফতারে র‌্যাব নিয়মিত অভিযান চালিয়ে আসছে।

    ১। গত ২৩ আগস্ট ২০১২ খ্রিঃ তারিখ সকালে আসামিরা দেশীয় অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে বাদী ও তার পরিবারের সদস্যদের ওপর হামলা চালায়। ওই সময় সাব্বির হোসেনসহ বেশ কয়েকজন গুরুতর আহত হন। বগুড়ায় নেওয়ার পথে আহত সাব্বিরের মৃত্যু হয়। বাদী মোঃ ওসমান গণী শাহজাদপুর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন যার মামলা নং-২২, ধারা-৩০২ দন্ডবিধি। উক্ত মামলার বিচার কাজ শেষে অতিরিক্ত দায়রা জজ আদালত নং-০২, সিরাজগঞ্জ গত ২৭ আগস্ট ২০২৫ খ্রিঃ তারিখ উক্ত মামলায় অভিযুক্ত মোঃ ওয়াজ আলীকে ৩০২ ধারায় দোষী সাব্যস্ত করে যাবজ্জীবন কারাদন্ড এবং ২০,০০০/-টাকা অর্থদন্ড অনাদায়ে আরো ০২ মাসের বিনাশ্রম কারাদন্ডে দন্ডিত করে এবং তিন মাসের সশ্রম কারাদন্ডে দন্ডিত করে। রায় হওয়ার পর থেকেই উক্ত মামলার আসামি মোঃ ওয়াজ আলী আত্মগোপনে থাকেন বলে তথ্য নিশ্চিত হওয়া গেছে।

    ২। এরই ধারাবাহিকতায় অধিনায়ক র‌্যাব-১২, সিরাজগঞ্জ মহোদয়ের দিকনির্দেশনায় গত ২৬ ডিসেম্বর ২০২৫ খ্রিঃ, রাত ০২.২০ ঘটিকায় র‌্যাব-১২, সদর কোম্পানি এবং সিপিএসসি, বগুড়ার একটি চৌকস আভিযানিক দল “বগুড়া জেলার শেরপুর থানাধীন উত্তর সাহাপাড়া এলাকায়’’ যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি মোঃ ওয়াজ আলী, পিতা-মৃত মোকছেদ শেখ, সাং-পোতাজিয়া, থানা-শাহজাদপুর, জেলা-সিরাজগঞ্জকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।

    ৩। গ্রেফতারকৃত আসামি ১। মোঃ ওয়াজ আলী, পিতা-মৃত মোকছেদ শেখ, সাং-পোতাজিয়া, থানা-শাহজাদপুর, জেলা-সিরাজগঞ্জ।

    ৪। গ্রেফতারকৃত আসামিকে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের নিমিত্তে সিরাজগঞ্জ জেলার শাহজাদপুর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

  • দ্রুতগতির মেট্রোরেলে দিন দিন বাড়ছে যাত্রীসংখ্যা, বাড়ছে ভো-গান্তি

    দ্রুতগতির মেট্রোরেলে দিন দিন বাড়ছে যাত্রীসংখ্যা, বাড়ছে ভো-গান্তি

    সাইফুল ইসলাম জয় (হেলাল শেখ): মতিঝিল থেকে উত্তরা উত্তর পর্যন্ত চলাচলকারী দ্রুতগতির আধুনিক যানবাহন মেট্রোরেলে দিন দিন যাত্রীর সংখ্যা বেড়েই চলেছে। দ্রুত চলাচলের সুবিধা থাকলেও ক্রমবর্ধমান যাত্রীচাপের কারণে ভোগান্তির অভিযোগ উঠছে।

    গত তিন মাসের তুলনায় শনিবার (২৭ ডিসেম্বর ২০২৫ ইং) সন্ধ্যার পর থেকে রাত সাড়ে ৮টা পর্যন্ত মেট্রোরেলে যাত্রীদের চরম ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। যাত্রীদের ভিড় এমন পর্যায়ে পৌঁছায় যে, লোকাল বাস কিংবা ট্রেনে যাত্রী ওঠানামার দৃশ্যের সঙ্গে এর মিল পাওয়া যায়।
    যদিও নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী মেট্রোরেল দ্রুতগতিতে চলাচল করছে, তবে অতিরিক্ত যাত্রীদের চাপের কারণে যাত্রীদের হুড়োহুড়ি, দীর্ঘ সময় দাঁড়িয়ে থাকা এবং ট্রেনে উঠানামায় চরম হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন অনেক যাত্রী।

    নিয়মিত যাত্রীদের মতে, অফিসফেরত সময় ও সন্ধ্যার পর যাত্রীসংখ্যা নিয়ন্ত্রণে অতিরিক্ত ট্রেন সংযোজন ও ব্যবস্থাপনার উন্নয়ন জরুরি হয়ে পড়েছে। অন্যথায়, আধুনিক ও দ্রুতগতির এই গণপরিবহন ব্যবস্থাও যাত্রীদের জন্য দুর্ভোগের কারণ হয়ে উঠতে পারে বলে সচেতন মহল জানায়।

  • রাতের আঁধারে শীতবস্ত্র দিয়ে প্রশংসায় ভাসছেন ডিসি মোঃ আরিফ-উজ-জামান

    রাতের আঁধারে শীতবস্ত্র দিয়ে প্রশংসায় ভাসছেন ডিসি মোঃ আরিফ-উজ-জামান

    কে এম সাইফুর রহমান, গোপালগঞ্জ

    মধ্যরাতে ছিন্নমূল সুবিধা বঞ্চিতদের মাঝে শীতবস্ত্র (কম্বল) বিতরণ করেছেন গোপালগঞ্জ জেলা প্রশাসক ও বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট (উপসচিব) মোঃ আরিফ-উজ জামান।

    সারা দেশের ন্যায় গোপালগঞ্জেও তীব্র শীতের প্রকোপে মানুষ যখন যুবুথুবু অবস্থায় কষ্ট উপভোগ করছেন। প্রশাসনের একজন সেবক হিসেবে ঠিক তখনই তিনি সমাজের সুবিধাবঞ্চিত অসহায় ও ছিন্নমূল মানুষের কথা চিন্তা করে অসহনীয় (প্রায় ৯ ডিগ্রি +) শীতের তীব্রতার মধ্যেও শীতবস্ত্র নিয়ে গভীর রাতে জেলা শহরের ভাসমান ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের গায়ে নিজ হাতে কম্বল জড়িয়ে দিলেন মানবিক এই জেলা প্রশাসক ।

    গতকাল শুক্রবার (২৬ ডিসেম্বর) দিবাগত রাতে শহরের পুলিশ লাইন্স মোড়, রেলস্টেশন, লঞ্চঘাট, বাস টার্মিনাল এলাকা সহ বেশ কয়েকটি এলাকায় শীতার্তদের মাঝে শীতবস্ত্র (কম্বল) পোঁছে দিলেন জেলা প্রশাসক মোঃ আরিফ-উজ জামান।।

    তিনি বলেন, শীতের কষ্ট তারাই সবচেয়ে ভালো বোঝে, যাদের কাছে শীত নিবারণের মতো কোনো বস্ত্র নেই। একজন শীতার্ত মানুষের গায়ে একটি কম্বল তুলে দিতে পারা আমাদের জন্য আনন্দের। সরকারের পক্ষ থেকে আসা শীতবস্ত্র (কম্বল) আমরা পুরো জেলার অসহায়, হতদরিদ্র, ছিন্নমূল মানুষের মাঝে পৌঁছে দেওয়ার চেষ্টা করছি। এটা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব ও কর্তব্য। সরকারের পাশাপাশি সমাজের সকল বিত্তবানদেরকে তাদের নিজ নিজ অবস্থান থেকে শীতার্ত মানুষের পাশে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি।

    এসময় গোপালগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) শোভন সরকার, গোপালগঞ্জ সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) কৌশিক আহমেদ, এনডিসি অনিরুদ্ধ দেব রায়, সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ আতাউর রহমান সহ জেলা প্রশাসনের অন্যান্য কর্মকর্তা- কর্মচারীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

  • বিএনপি’র নির্বাচনী প্রচারণায় অংশ নিতে হেলিকপ্টারযোগে গ্রামে ফিরলেন প্রবাসী ব্যব-সায়ী শাহাবুদ্দিন মিয়া

    বিএনপি’র নির্বাচনী প্রচারণায় অংশ নিতে হেলিকপ্টারযোগে গ্রামে ফিরলেন প্রবাসী ব্যব-সায়ী শাহাবুদ্দিন মিয়া

    কে এম সাইফুর রহমান, নিজস্ব প্রতিনিধিঃ

    আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গোপালগঞ্জ-১ আসনে বিএনপি’র মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের এমপি প্রার্থী সেলিমুজ্জামান সেলিমের পক্ষে নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণায় অংশ নিতে দীর্ঘ ১০ বছর পর সুদূর সৌদি আরব থেকে বিমান যোগে ঢাকায় অবতরণের পর হেলিকপ্টারে চড়ে আজ শনিবার (২৭ ডিসেম্বর) দুপুরে মুকসুদপুর উপজেলার কাশালিয়া নিজ গ্রামে পৌঁছালেন মুকসুদপুর উপজেলা বিএনপির প্রবাসী কল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক, সৌদি প্রবাসী, বিশিষ্ট সমাজসেবক শাহাবুদ্দিন মিয়া।

    হেলিকপ্টারে সফরসঙ্গী হিসেবে শাহাবুদ্দিন মিয়ার বাবা আব্দুল হান্নান মিয়া, দুই সন্তান সহ শাহাবুদ্দিন মিয়ার রাজনৈতিক উপদেষ্টা প্রকৌশলী খসরুল আলম উজ্জ্বল উপস্থিত ছিলেন।
    হেলিকপ্টার থেকে অবতরণের পর রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ছাড়াও সকাল থেকে অপেক্ষমান নবীন-প্রবীণ সহ সকল শ্রেণি-পেশার প্রায় সহস্রাধিক মানুষ শাহাবুদ্দিন মিয়াকে ফুলের মালা দিয়ে বরণ করে নেন।

    এদিকে দীর্ঘ এক দশক পর হেলিকপ্টার যোগে মানবতার ফেরিওয়ালা নামে খ্যাত মানবিক মানুষ শাহাবুদ্দিন মিয়ার আগমন উপলক্ষে তীব্র শীত উপেক্ষা করে সকাল থেকেই উৎসুক জনতার ভিড় জমে কাশালিয়া পূর্বপাড়া সাংবাদিক ফকির মিরাজ আলী শেখের বাড়ি সংলগ্ন উন্মুক্ত মাঠে। পরে এলাকার যুব সমাজের আয়োজনে আয়োজিত সম্বর্ধনা অনুষ্ঠানে ইউনিয়নের সকলেই শাহাবুদ্দিন মিয়াকে ফুল দিয়ে বরণ করেন।

    এ সময় মুকসুদপুর উপজেলা বিএনপির প্রবাসী কল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক, সৌদি প্রবাসী বিশিষ্ট ব্যবসায়ী শাহাবুদ্দিন মিয়া আমাদের প্রতিনিধিকে জানান, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে তিনি গোপালগঞ্জ-১ আসনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকে এমপি পদপ্রার্থী- সেলিমুজ্জামান সেলিমের পক্ষে নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণায় অংশ নেওয়ার জন্যই তিনি দেশে ফিরেছেন। দল-মত নির্বিশেষে সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে সেলিমুজ্জামান সেলিমকে বিপুল ভোটে জয়যুক্ত করতে তিনি সকলের সার্বিক সহযোগিতা কামনা করেন। বিএনপি’র কেন্দ্রীয় সহ-সাংগঠনিক সেলিমুজ্জামান সেলিম ভাই সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হলে মুকসুদপুর ও কাশিয়ানীর ব্যাপক উন্নয়ন হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

    এ সময় এশিয়ান টিভির স্টাফ রিপোর্টার ও প্রবাস ফেরত শাহাবুদ্দিন মিয়ার চাচা ফকির মিরাজ আলী শেখ, জলিরপাড় ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক আলী আজগর মিয়া, কাশালিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি মাফিকুল ইসলাম ফকির, সিনিয়র সহ-সভাপতি শহীদ সিকদার, কাশালিয়া ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য সুজন টিকাদার সহ সকল শ্রেণি-পেশার প্রায় সহস্রাধিক মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

  • গোপালগঞ্জ সাংবাদিক ইউনিয়নের বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত

    গোপালগঞ্জ সাংবাদিক ইউনিয়নের বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত

    নিজস্ব প্রতিনিধিঃ

    গোপালগঞ্জ সাংবাদিক ইউনিয়নের বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    আজ শনিবার (২৭ ডিসেম্বর) দুপুরে স্থানীয় কাচ্চি ডাইন রেস্টুরেন্টে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
    সংগঠনটির সভাপতি মোঃ সেলিম রেজার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বক্তব্য রাখেন, সহ-সভাপতি এসকে এম মাহবুবুর রহমান, সধারণ সম্পাদক জয়ন্ত শিরালী, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাজ্জাদ হোসেন, নির্বাহী সদস্য শেখ জাবেরুল ইসলাম বাধন ও আল মামুন রানা।

    সভায় সংগঠনের বার্ষিক আয়-ব্যয়ের বিবরণী তুলে ধরেন কোষাধ্যক্ষ সচিবুর রহমান।

    সদস্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, মোহনা টেলিভিশনের সাংবাদিক মাসুদ পারভেজ, দৈনিক ভোরের ডাকের সাংবাদিক মোঃ ফায়েকুজ্জামান, বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার (বাসস) সাংবাদিক লিয়াকত হোসেন লিংকন, দৈনিক আমার দেশের সাংবাদিক মনিরুজ্জামান শেখ জুয়েল, এসএ টিভির সাংবাদিক আজিজুর রহমান টিপু, দৈনিক সোনালী বার্তার মোঃ কামরুল হাসান, দৈনিক ইনকিলাবের সাংবাদিক মোঃ আফজাল হোসেন দৈনিক সকালের সময়ের সাংবাদিক গোলাম রব্বানী, দৈনিক বাংলাদেশের খবর পত্রিকার পলাশ সিকদার।
    সভা শেষে সকল সদস্যের হাতে উপহার তুলে দেওয়া হয় এবং মধ্যহ্ন ভোজের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘটে।

  • সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় মুন্সীগঞ্জ-৩ আসনে বিএনপি প্রার্থী মো. কামরুজ্জামান  রতন

    সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় মুন্সীগঞ্জ-৩ আসনে বিএনপি প্রার্থী মো. কামরুজ্জামান রতন

     

    মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি।।

    মুন্সীগঞ্জ-৩ (সদর-গজারিয়া) আসনের বিএনপির প্রার্থী মো. কামরুজ্জামান রতন আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনসহ সামগ্রিক বিষয় নিয়ে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় করেছেন।

    শুক্রবার (২৬ ডিসেম্বর) বেলা ১১ টার দিকে শহরের দক্ষিণ ইসলামপুর এলাকায় এ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

    এ আয়োজনে বিএনপির প্রার্থী মো. কামরুজ্জামান রতন সঙ্গে স্ত্রীসহ পরিবারের সদস্যরাও উপস্থিত ছিলেন। তিনি নির্বাচন ও নির্বাচনে বিজয়ী হওয়ার পর মিশন-ভিশন সম্পর্কে আলোকপাত করেন সাংবাদিকদের সামনে। পরে বিএনপি প্রার্থী কামরুজ্জামান রতন সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন।

    মো. কামরুজ্জামান রতন বলেন, “আমি নির্বাচন আচরণ বিধি মেনে প্রচারণা চালাবো। আমি কখনই সংঘাতের দিকে যাবো না। ধানের শীষ প্রতীক মানুষের সামনে তুলে ধরেই এগিয়ে যাব।”

    সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন; জেলা বিএনপির সদস্য সুলতান আহমেদ, সহকারি পিপি অ্যাডভোকেট রোজিনা ইয়াসমিন, বিএনপি প্রার্থীর ছেলে আইমান ইবনে জামান, ছেলের বৌ মাহফুজা রহমান, জামাই মাহমুদুল হাসান ইমন, কন্যা লুবাবা ইবনে জামান, কেন্দ্রীয় গণ অধিকার পরিষদের প্রচার সম্পাদক ফারুক হোসেন, জেলা যুবদলের সাবেক সভাপতি জাহাঙ্গীর ফকির, ছাত্রদল নেতা অ্যাডভোকেট আল-আরাফ, জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক জাহিদুল ইসলাম জামাল, জুলাই যোদ্ধা রাইসুল ইসলাম, জেলা জুলাই মঞ্চের আহবায়ক রায়হান রাব্বী’সহ অনেকে।

  • বর্তমান বাংলাদেশ : আগামীর ভবিষ্যৎ কোন পথে?লেখক ও সাংবাদিক : মোঃ আহসানুল কবির চৌধুরী (টিটু)

    বর্তমান বাংলাদেশ : আগামীর ভবিষ্যৎ কোন পথে?লেখক ও সাংবাদিক : মোঃ আহসানুল কবির চৌধুরী (টিটু)

    বিশেষ সংবাদদাতাঃ

    বাংলাদেশ আজ ইতিহাসের এক গুরুত্বপূর্ণ সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে। স্বাধীনতার পাঁচ দশক অতিক্রম করে দেশটি যেমন উন্নয়ন ও অগ্রগতির এক নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে, তেমনি রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা, সামাজিক অবক্ষয় ও বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জের মুখোমুখিও হচ্ছে। বর্তমান বাস্তবতা বিশ্লেষণ করলে স্পষ্ট হয়—আগামীর বাংলাদেশ কোন পথে এগোবে, তা নির্ভর করছে আজকের সিদ্ধান্ত,

    নেতৃত্ব ও রাষ্ট্র পরিচালনার প্রজ্ঞার ওপর।অর্থনৈতিক অগ্রগতি :আশার আলো,কিন্তু সতর্কতার প্রয়োজন গত কয়েক দশকে বাংলাদেশ অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে দৃশ্যমান অগ্রগতি অর্জন করেছে।দারিদ্র্যের হার উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে,মাথাপিছু আয় বেড়েছে,অবকাঠামোগত উন্নয়ন দেশের সক্ষমতাকে নতুন মাত্রা দিয়েছে। পদ্মা সেতু,মেট্রোরেল,এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে, বিদ্যুৎ উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণতার পথে অগ্রযাত্রা-এসব অর্জন রাষ্ট্রীয় সক্ষমতার প্রতীক। তৈরি পোশাক শিল্প,প্রবাসী আয় ও কৃষি খাত এখনো অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি।

    এই ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে পারলে বাংলাদেশ মধ্যম আয়ের দেশের গণ্ডি পেরিয়ে একটি পূর্ণাঙ্গ উন্নয়নশীল রাষ্ট্রে রূপান্তরিত হওয়ার বাস্তব সম্ভাবনা রাখে। তবে মূল্যস্ফীতি, ব্যাংক খাতের দুর্বলতা ও বৈদেশিক মুদ্রার চাপ—এসব ঝুঁকি উপেক্ষা করলে অর্জন টেকসই হবে না।

    রাজনীতি ও সুশাসন : ভবিষ্যৎ নির্ধারণের মূল চাবিকাঠি বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ নির্ধারণে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা, সুশাসন ও গণতান্ত্রিক চর্চা। অবাধ, সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা এবং আইনের শাসন নিশ্চিত না হলে উন্নয়ন কেবল পরিসংখ্যানেই সীমাবদ্ধ থাকবে। রাজনীতিতে সহনশীলতা,পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ ও দায়িত্বশীল আচরণ প্রতিষ্ঠা করা এখন সময়ের দাবি। প্রতিহিংসার রাজনীতি নয়,বরং জাতীয় ঐক্য ও সংলাপই পারে দেশকে অনিশ্চয়তা থেকে মুক্ত করতে।

    যুবসমাজ : সম্ভাবনার শক্তি,অবহেলার শিকার,
    বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সম্পদ তার যুবসমাজ। প্রযুক্তি,উদ্ভাবন ও সৃজনশীলতায় দক্ষ এই তরুণ প্রজন্ম দেশকে এগিয়ে নিতে পারে নতুন দিগন্তে। কিন্তু বেকারত্ব, মানসম্মত শিক্ষার অভাব ও কর্মসংস্থানের সংকট এই সম্ভাবনাকে ক্রমেই বাধাগ্রস্ত করছে। সময়োপযোগী শিক্ষা ব্যবস্থা, কারিগরি প্রশিক্ষণ, তথ্যপ্রযুক্তিনির্ভর দক্ষতা উন্নয়ন এবং উদ্যোক্তা তৈরির বাস্তব উদ্যোগ গ্রহণ করা না গেলে এই জনশক্তি বোঝায় পরিণত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তরুণদের সুযোগ দিতে পারলেই তারাই হবে আগামীর বাংলাদেশের প্রধান চালিকাশক্তি।

    সামাজিক বাস্তবতা ও জলবায়ু সংকট : অদৃশ্য হুমকি নয়,সামাজিক ক্ষেত্রে মূল্যবোধের অবক্ষয়,দুর্নীতি, মাদকাসক্তি ও বৈষম্য জাতির ভবিষ্যৎকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে। নৈতিক শিক্ষা, সামাজিক সচেতনতা এবং আইনের কঠোর ও নিরপেক্ষ প্রয়োগ ছাড়া এসব সংকট মোকাবিলা সম্ভব নয়।একই সঙ্গে জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি বাংলাদেশের জন্য সবচেয়ে বড় অস্তিত্বগত চ্যালেঞ্জ। নদীভাঙন, বন্যা, ঘূর্ণিঝড় ও সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি—এসব মোকাবিলায় দীর্ঘমেয়াদি, টেকসই ও বিজ্ঞানভিত্তিক পরিকল্পনা গ্রহণ এখন আর বিলাসিতা নয়, বরং রাষ্ট্রীয় প্রয়োজন।

    আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডল : সম্ভাবনার কূটনীতি,
    আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও বাংলাদেশের গুরুত্ব ক্রমেই বাড়ছে। জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে অবদান, আঞ্চলিক ভারসাম্যপূর্ণ কূটনীতি এবং বহুপাক্ষিক সম্পর্ক বাংলাদেশকে একটি দায়িত্বশীল রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠা করেছে। ভবিষ্যতে অর্থনৈতিক কূটনীতি জোরদার করা, বৈদেশিক বিনিয়োগ আকর্ষণ এবং জাতীয় স্বার্থ সুরক্ষায় আরও কৌশলী ভূমিকা পালন জরুরি।

    সব মিলিয়ে বলা যায়, বাংলাদেশ আজ সম্ভাবনা ও চ্যালেঞ্জের সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে। সঠিক নেতৃত্ব, সুশাসন, শিক্ষা, কর্মসংস্থান ও মানবিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠা করতে পারলে আগামীর বাংলাদেশ হবে একটি সমৃদ্ধ, শক্তিশালী ও মর্যাদাশীল রাষ্ট্র। অন্যথায় এই সম্ভাবনার জানালা ধীরে ধীরে বন্ধ হয়ে যাওয়ার ঝুঁকি থেকেই যায়। আজকের বাংলাদেশই নির্ধারণ করবে আগামীর ভবিষ্যৎ। তাই এখনই সময় দায়িত্বশীল সিদ্ধান্ত নেওয়ার—কারণ ইতিহাস কখনোই সুযোগের জন্য দ্বিতীয়বার অপেক্ষা করে না।

  • ময়মনসিংহে ভূমি অফিসার্স কল্যাণ সমিতি এর অভিষেক ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান

    ময়মনসিংহে ভূমি অফিসার্স কল্যাণ সমিতি এর অভিষেক ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান

    আরিফ রববানী ময়মনসিংহ।।
    ময়মনসিংহে ভূমি অফিসার্স কল্যাণ সমিতি এর আয়োজনে নবনির্বাচিত কমিটির পরিচিতি ও অভিষেক এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। একই সাথে পুরাতন কমিটিকে বিদায় সংবর্ধনা জানানো হয়েছে।

    শনিবার (২৭ডিসেম্বর) সকাল ১১টায় ময়মনসিংহ জেলা পরিষদের ভাষা শহিদ আব্দুল জব্বার মিলনায়তনে বাংলাদেশ ভূমি অফিসার্স কল্যাণ সমিতি , ময়মনসিংহ জেলা শাখার আয়োজনে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে অভিষেক অনুষ্ঠানটির উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক সাইফুর রহমান।

    বাংলাদেশ ভূমি অফিসার্স কল্যাণ সমিতি এর ময়মনসিংহ জেলা কমিটির সভাপতি মোঃ ইকতিয়ার উদ্দিন ভূইয়া সভাপতিত্বে বাংলাদেশ ভূমি অফিসার্স কল্যাণ সমিতির ময়মনসিংহ জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক মোঃ ফিরোজ আহমেদ এর সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) আজিম উদ্দিন,তারাকান্দা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) এ এস এম নাজমুস সালেহীন, মুক্তাগাছা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) লুবনা আহমেদ লুনাসহ ভূমি প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরের প্রতিনিধিরা।

    বাংলাদেশ ভূমি অফিসার্স কল্যাণ সমিতির কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি মোঃ মোতাহার হোসেন খান,মহাসচিব আসাদুজ্জামান, বাংলাদেশ ভূমি অফিসার্স কল্যাণ সমিতি বিভাগীয় শাখার সভাপতি হেলাল উদ্দিন, মহাসচিব আয়েন উদ্দিন।

    প্রধান অথিতি জেলা প্রশাসক সাইফুর রহমান তার বক্তব্যে বলেন- জেলা প্রশাসক সাইফুর রহমান বলেছেন, দেশের ভূমি প্রশাসনের মতো একটি গুরুত্বপূর্ণ খাতের কার্যক্রম ইউনিয়ন পর্যায়ে মূলত ইউনিয়ন ভূমি অফিসের মাধ্যমে পরিচালিত হয়। সাধারণ মানুষের ভূমি সংক্রান্ত প্রায় সব সেবা এই অফিসের মাধ্যমেই দেয়া হয়। তাই ইউনিয়ন ভূমি অফিস হলো নাগরিক সেবার অন্যতম প্রধান কেন্দ্র। কিন্তু এই সেবার মান ও সুশাসন নিশ্চিত করতে এখনও নানা চ্যালেঞ্জ বিদ্যমান। স্বচ্ছ ও জনবান্ধব ভূমি সেবাকে জনকল্যাণে জনগণের দোরগোড়ায় পৌছে দিতে ভূমি অফিসারদের প্রতি আহবান জানান।

    অনুষ্ঠানে নবনির্বাচিত কার্যকরী পরিষদের সদস্যদের আনুষ্ঠানিকভাবে অভিষিক্ত করা হয়। বক্তারা বলেন, ভূমি প্রশাসনকে আরও জনবান্ধব, স্বচ্ছ ও গতিশীল করতে বাংলাদেশ ভূমি অফিসার্স কল্যাণ সমিতি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছে। নতুন কমিটির নেতৃত্বে সমিতির কার্যক্রম আরও বেগবান হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়।

    অনুষ্ঠানে নবনির্বাচিত ময়মনসিংহ জেলা ভূমি অফিসার্স কল্যাণ সমিতির সকল সদস্যদের বরণ করা নেওয়া হয় এবং দ্বিতীয় পর্বে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশিত হয়, যা উপস্থিত অতিথি ও দর্শকদের মধ্যে আনন্দ ও উৎসাহের সৃষ্টি করে। পুরো আয়োজনটি সুশৃঙ্খল ও সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে সম্পন্ন হয়।

    এ সময় উপস্থিত ছিলেন- বাংলাদেশ ভূমি অফিসার্স কল‍্যাণ সমিতি কেন্দ্রীয় কমিটির নেতৃবৃন্দ এবং বিভিন্ন জেলা, সদর ও উপজেলার নেতৃবৃন্দ, অবসরপ্রাপ্ত ভূমি সহকারী কর্মকর্তাগণ প্রমুখ। অনুষ্ঠান শেষে এক মনোজ্ঞ সাংষ্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

    উল্লেখ্য, বাংলাদেশ ভূমি অফিসার্স কল্যাণ সমিতি, ময়মনসিংহ জেলা শাখা দীর্ঘদিন ধরে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কল্যাণ ও পেশাগত উন্নয়নে সক্রিয়ভাবে কাজ করে আসছে।