Author: desk

  • র‌্যাব-১২ অভিযানে  চাঞ্চল্যকর হত্যা মামলার অন্যতম আসামি সৌরভ গ্রেফতার

    র‌্যাব-১২ অভিযানে চাঞ্চল্যকর হত্যা মামলার অন্যতম আসামি সৌরভ গ্রেফতার

    প্রেস বিজ্ঞপ্তি

    র‌্যাব-১২, সিরাজগঞ্জ কর্তৃক শেরপুর জেলার শ্রীবরদীর আলোচিত অটোরিক্সা চালক শহিদ মিয়া হত্যার চাঞ্চল্যকর ক্লুলেস মামলার অন্যতম আসামি সৌরভ সিরাজগঞ্জ থেকে গ্রেফতার।

    র‌্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব) প্রতিষ্ঠাকালীন সময় থেকেই দেশের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সমুন্নত রাখার লক্ষ্যে সব ধরণের অপরাধীকে আইনের আওতায় নিয়ে আসার ক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে। জঙ্গী, সন্ত্রাসী, সংঘবদ্ধ অপরাধী, ছিনতাইকারী, জুয়ারি, মাদক ব্যবসায়ী, খুন এবং অপহরণসহ বিভিন্ন চাঞ্চল্যকর মামলার আসামি গ্রেফতারে র‌্যাব নিয়মিত অভিযান চালিয়ে আসছে।

    ১। গত ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৪ খ্রি. বিকাল অনুমানিক ০৪.০০ ঘটিকা হতে ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৪ খ্রি. সন্ধ্যা ০৫.৩০ ঘটিকার মধ্যে শেরপুর জেলার শ্রীবরদী থানাধীন গোসাইপুর ইউনিয়নের উত্তর গিলাগাছা এলাকায় অজ্ঞাতনামা দুস্কৃতিকারীরা পূর্বপরিকল্পিতভাবে ধারালো অস্ত্র দ্বারা ব্যাটারি চালিত অটোরিক্সা চালক আঃ শহিদ মিয়াকে গুরুত্বর আঘাত করে গলায় গামছা দিয়ে শ্বাসরোধ করতঃ নৃশংসভাবে খুন করে লাশ ঘুম করার উদ্দেশ্যে ধান ক্ষেতের ভিতর ফেলে রাখে এবং ব্যাটারি চালিত অটোরিক্সাটি শ্রীবরদী থানা এলাকার গড়জরিপা ইউনিয়ন পরিষদের সামনে ফেলে রেখে অটোরিক্সায় থাকা পাঁচটি ব্যাটারি চুরি করে নিয়ে যায়। পরবর্তীতে ভিকটিমের পিতা অলি মামুদ বাদী হয়ে শ্রীবরদী থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। যার মামলা নং-০১, তারিখ-০১ অক্টোবর ২০২৪, ধারা-৩০২/২০১/৩৭৯/৩৪ দন্ড বিধি ১৮৬০।

    ২। এরই ধারাবাহিকতায় মোঃ কামরুজ্জামান পিপিএম, অধিনায়ক, র‌্যাব-১২, সিরাজগঞ্জ এর দিকনির্দেশনায় গত ০৪ অক্টোবর ২০২৪ খ্রি. রাত ০৩.৩০ ঘটিকার সময় র‌্যাব সদর দপ্তরের গোয়েন্দা শাখার সহযোগিতায় র‌্যাব-১২, সদর কোম্পানির একটি চৌকস অভিযানিক দল “সিরাজগঞ্জ জেলার সদর থানাধীন ধানবান্দী এলাকায়” অভিযান পরিচালনা করে শেরপুর জেলার শ্রীবরদী থানার আলোচিত ব্যাটারি চালিত অটোরিক্সা চালক শহিদ মিয়া হত্যার চাঞ্চল্যকর ক্লুলেস মামলার অন্যতম আসামি মোঃ সৌরভ আলীকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। এছাড়াও তার সাথে থাকা ০২ টি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়।

    ৩। গ্রেফতারকৃত আসামি মোঃ সৌরভ আলী (২৮), পিতা- মো রমিজ উদ্দিন, সাং- বেকীকুড়া, থানা- নালিতাবাড়ী, জেলা-শেরপুর।

    ৪। গ্রেফতারকৃত আসামিকে শেরপুর জেলার শ্রীবরদী থানায় পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য হস্তান্তর করা হয়েছে।

  • মহেশপুরে ধুড় পাচারকারীদের হামলায় দুই গ্রামবাসি আহত

    মহেশপুরে ধুড় পাচারকারীদের হামলায় দুই গ্রামবাসি আহত

    ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ
    ঝিনাইদহের মহেশপুর সীমান্তে ধুড় পাচারকারীদের হাতে সোহাগ ও শাহিন নামে দুই গ্রামবাসি আহত হয়েছেন। তাদেরকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে জখম করা হয়। শুক্রবার রাতে উপজেলার কাজীরবেড় গ্রামে ঘটনাটি ঘটে। আহতদের মধ্যে সোহাগ হোসেনকে মুমুর্ষ অবস্থায় শনিবার দুপুরে ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। চারজন ধুড় বিজিবির হাতে আটক হওয়ার পর বিজিবির সোর্স সন্দেহে পাচারকারীরা তাদের কুপিয়ে জখম করে বলে জানা গেছে। মহেশপুর ৫৮ বিজিবি সুত্রে জানা গেছে, শুক্রবার রাতে মহেশপুরের পলিয়ানপুর বিওপি’র সদস্যরা ভারতে পাচারের সময় মাগুরার শ্রীপুর উপজেলার কুরুনদি গ্রামের প্রতিক সরকার, জয় বিশ^াস, সিলেটের শ্রীমঙ্গল উপজেলার বাদিয়ালিশ গ্রামের মাসুমা আক্তার হ্যাপী ও সিলেটের মাধরপুর উপজেলার গোপালপুর গ্রামের হালিমা খাতুন নামে ৪ জনকে আটক করে। খবর পেয়ে বিজিবি তাদের আটক করে। এসময় সীমান্তের কাছেই একটি খালে মাছ ধরছিলেন কাজীরবেড় গ্রামের নাসির উদ্দিনের ছেলে সোহাগ (৩০) ও সাহাবুউদ্দিনের ছেলে শাহিন (২৮)। পাচারকারীদের সন্দেহ এরাই বিজিবি দিয়ে চার ধুড়কে ধরিয়ে দিয়েছে। বিজিবি ঘটনাস্থল ত্যাগ করলে বাঘাডাঙ্গা গ্রামের মুনছুর আলীর ছেলে মোবারক ও মোমিনের ছেলে মানিকসহ ৩/৪ জন পাচারকারী ধারালো অস্ত্র দিয়ে সোহাগ ও শাহিনকে খাল পাড়েই কুপিয়ে জখম করে। খবর পেয়ে নিকটস্থ পলিয়ানপুর বিওপির বিজিবি সদস্যরা আহতদের উদ্ধার করে মহেশপুর হাসপাতালে পাঠায়। আহতদের অবস্থা গুরুত্ব হওয়ায় মহেশপুর থেকে যশোর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। এরমধ্যে আহত সোহাগকে ঢাকায় রেফার্ডকরা হয়েছে। এবিষয়ে মহেশপুর থানার ওসি মাহবুবুর রহমান কাজল শনিবার বিকালে জানান, বিজিবি সদস্যরা গোপন সংবাদ পেয়ে কাজীরবেড় গ্রামের ব্রিজ এলাকা থেকে চারজন ধুড়কে আটক করে থানায় সোপর্দ করেছে। এ বিষয়ে থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছে। তিনি আরো জানান পাচারকারীদের হামলায় দু’জন আহত হয়েছেন বলেও তিনি জানতে পেরেছেন।
    ৭ বছর ধরে খেলাধুলা বন্ধ বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান স্টেডিয়ামের সামনে হাটু পানি
    ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ
    ঝিনাইদহের ক্রিড়াঙ্গন এখন ধ্বংসের পথে। ৭ বছর মাঠে বল গড়ায় না। নেই খেলার কোন প্রতিযোগিতা। ফুটবল, ভলিবল এমনকি ক্রিকেট টুর্নামেন্ট দীর্ঘদিন বন্ধ। আ’লীগ নেতাদের পদ দখলের কামড়াকামড়িতে ঝিনাইদহ ক্রিড়া সংস্থার নির্বাচন ঝুলে আছে। মামলা জটিলতায় নির্বাচন না হওয়ায় ক্রিড়া সংস্থা এখন এডহক কমিটি দিয়ে চলছে। পেশাদার খেলোয়াড়দের যাতায়াত না থাকায় জেলার একমাত্র বৃহৎ খেলার মাঠ ঝিনাইদহ বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান স্টেডিয়ামটি খাঁ খাঁ করছে। স্টেডিয়ামের সংস্কার নেই। মাঠের গ্যালারি, ড্রেসিং রুম আর ক্রিড়া সংস্থার অবকাঠামোগুলো রক্ষনাবেক্ষনের অভাবে চাকচিক্য হারাচ্ছে। স্টেডিয়ামের সামনে এখন হাটু পানি। সেখানে জলকেলি করে হাঁসের দল। তথ্য নিয়ে জানা গেছে, পেশাদার খেলোয়াড়দের নিয়ে বেশ ভালই চলছি ঝিনাইদহ জেলা ক্রিড়া সংস্থা। কিন্তু ১৪ বছর আগে আওয়ামীলীগ নেতারা ক্রিড়া সংস্থা দখল করে নেওয়ায় ধীরে ধীরে কমতে থাকে খেলার মান। ক্লাব ভিত্তিক খেলার প্রতিযোগিতা বন্ধ হয়ে যায়। ২০১৭ সালে ক্রিড়া সংস্থায় কাউন্সিলর বানানো নিয়ে যুবলীগ নেতা রাশিদুর রহমান রাসেল ও আ’লীগ নেতা জীবন কুমার বিশ^াসের মধ্যে দ্বন্দ বাঁধে। সেই দ্বন্দ গড়ায় উচ্চ আদালতে। মামলা হওয়ায় স্টেডিয়ামে সব ধরণের প্রতিযোগিতাসহ খেলাধুলা বন্ধ হয়ে যায়। খেলেয়াড়দের পরিবর্তে আমলাদের নিয়ে গঠিত হয় ক্রিড়া সংস্থার এডহক কমিটি। এতে ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে খেলোয়াড়দের মাঝে। এদিকে খেলাধুলা বা বড় ধরণের কোন প্রতিযোগিতার আয়োজন না থাকলেও ক্রিড়া সংস্থার খরচ থেমে নেই। ২০১৪ সালের ১০ মে থেকে ২০২৪ সালের ২২ সেপ্টম্বর পর্যন্ত ক্রিড়া সংস্থার জনতা ব্যাংকে জমা হয় মোট ১ কোটি ৭৬ লাখ টাকা। ২০২৪ সালের ২২ সেপ্টম্বর পর্যন্ত ব্যায় হয়েছে ১ কোটি ৫৮ লাখ ৩৯ হাজার টাকা। অন্যদিকে ঝিনাইদহ সোনালী ব্যাংকে ক্রিড়া সংস্থার আরেকটা একাউন্টে জমা ছিল ১৫ লাখ ৫০ হাজার টাকা। ২০২৪ সালের ১০ জুন দুইটি চেকের মাধ্যমে সোনালী ব্যাংকের ওই একাউন্ট থেকে ৬ লাখ টাকা উত্তোলন করা হয়েছে। এই টাকা কোন খাতে ব্যায় দেখিয়ে উত্তোলন করা হয়েছে তার হিসাব জেলা ক্রিড়া সংস্থায় নেই। দীর্ঘদিন আভ্যন্তরীন অডিট না হওয়ায় ক্রিড়া খাতে বেশুমার লুটপাট হয়েছে এমন অভিযোগও তুলেছেন কেউ কেউ। ঝিমিয়ে পড়া ঝিনাইদহের ক্রিড়াঙ্গন নিয়ে জেলার সাবেক ফুটবলার ও বিশিষ্ট ক্রিড়া সংগঠক আহসান উদ্দীন আফাঙ্গীর জানান, ক্রিড়া সংস্থার নেতৃত্ব পেশাদার খেলোয়াড়দের হাতে ফিরিয়ে না দিলে মাঠে প্রানবন্ত পরিবেশ ফিরে আসবে না। তিনি দ্রæত মামলা নিস্পত্তি করে ক্রিড়া সংস্থার নির্বাচন দাবী করেন। বিষয়টি নিয়ে ঝিনাইদহ সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার রাজিয়া আক্তার চৌধুরী বলেন, ক্রিড়া সংস্থার নতুন কমিটি গঠন হলে কেবল ক্রিড়ায় প্রাণ ফিরতে পারে। এ জন্য জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে বেশ কিছু পদক্ষেপও নেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, বর্ষা মৌসুম চলে গেলে আশা করা যায় বীর শ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান স্টেডিয়াম আবারো প্রানবন্ত হয়ে উঠবে।

    আতিকুর রহমান
    ঝিনাইদহ।।

  • বানারীপাড়ায় নবাগত জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারের সাথে কর্মকর্তা সাথে মতবিনিময়

    বানারীপাড়ায় নবাগত জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারের সাথে কর্মকর্তা সাথে মতবিনিময়

    এস মিজানুল ইসলাম,
    বিশেষ সংবাদদাতা: বানারীপাড়ায় শনিবার উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে বিকেল ৩টায় বরিশালের নবাগত জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ দেলোয়ার হোসেন প্রধান অতিথি এবং পুলিশ সুপার মোঃ বেলায়েত হোসেন বিশেষ অতিথি উপজেলার কর্মকর্তা, সাংবাদিক সহ বিভিন্ন শ্রেণিপেশার নেতৃবৃন্দের সাথে মতবিনিময় অনুষ্ঠিত হয়। সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার অন্তরা হালদার। মতবিনিময় অনুষ্ঠানে বিশেষ করে হিন্দুসম্পদায়ের ধর্মীয় অনুষ্ঠান দুর্গোৎসব শান্তিপূর্ণ ভাবে পালন করতে পারে সেজন্য বিভিন্ন পদক্ষেপ নেয়ার কথা বলা হয়। এজন্য নবাগত জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ দেলোয়ার হোসেন পুলিশ এবং নেতৃস্থানীয়দের সার্বিক সহযোগিতা কামনা করেন। মতবিনিময় অনুষ্ঠানে সংক্ষিপ্ত আলোচনা করেন উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক মোঃ শাহ আলম, শিক্ষক প্রতিনিধি গোলাম মাহবুব মাস্টার, কেন্দ্রীয় সার্বজনীন মন্দিরের সভাপতি দেবাশীষ দাস, সাংবাদিক মোঃ সাইদুর রহমান, ছাত্র সমন্বয়ক মোঃ সাব্বির সহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ বক্তৃতা করেন।#

  • পঞ্চগড়ে খালপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা ফেরদৌসী বরখাস্ত

    পঞ্চগড়ে খালপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা ফেরদৌসী বরখাস্ত

    মুহম্মদ তরিকুল ইসলাম, পঞ্চগড় প্রতিনিধিঃ পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া উপজেলার খালপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা ফেরদৌসী বেগমের বিরুদ্ধে বিদ্যালয়ে অনুপস্থিত এবং যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ আদালত পঞ্চগড়ে কারাদণ্ডসহ অর্থদণ্ডে দণ্ডিত করায় চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে। গত মাসের ৮ তারিখ বরখাস্তের আদেশ প্রদান করেন পঞ্চগড়ের প্রাক্তন জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মো. সাহাব উদ্দিন।

    বিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৬ সালের ২৬ জুন তিনি সহকারী শিক্ষিকা হিসেবে চাকরিতে যোগদান করেন। এরপর ২০২০ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি উপজেলার তেঁতুলিয়া ইউনিয়নে খালপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষিকা হিসেবে বদলীর মাধ্যমে যোগদান করেন। যোগদানের পর থেকে নিয়মিত স্কুলে আসলেও ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ থেকে রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত স্কুলে আসেননি তিনি। আরও জানা যায়, বিদ্যালয় কিংবা উপজেলা শিক্ষা অফিসের কোনো অনুমোদন ছাড়াই কোন প্রকার ছুটি না নিয়ে দেড় বছর থেকে কর্মস্থলে অনুপস্থিত সহকারী শিক্ষিকা ফেরদৌসি বেগম।

    জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা যায়, উপজেলা শিক্ষা অফিসের চলতি বছরের গত মার্চ মাসের ৭তারিখের ৮৬ নং স্বারক পত্রে এবং যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ পঞ্চগড় এর গত আগস্ট মাসের ১৪ তারিখের ৫৭৬ নং আদেশ মোতাবেক ওই শিক্ষিকাকে ১৮৮১ সালের দি নেগোসিয়েবল ইনস্ট্রামেন্টস এ্যাক্ট এর ১৩৮ ধারায় অপরাধ দোষী সাব্যস্ত করে ১০ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও চেক বর্ণিক ৫লাখ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করেন এবং পিটিশন নং ২০৮/২০২১ যাহার সিআর ৪২১/২০২১ (পি) নং মামলায় গত বছরের মে মাসের ৩০ তারিখ একই আইনের একই ধারায় অপরাধ দোষী সাব্যস্ত করে ১বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও চেক বর্ণিক ৪লাখ টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত করেন। এই দুই মামলায় আদালত কর্তৃক দেড় বছরের কারাদণ্ডসহ অর্থদণ্ড প্রদান করায় সরকারি চাকরি আইন, ২০১৮ এর ৪২ এর (১) ধারা অনুযায়ী ওই শিক্ষিকাকে গত বছরের মে মাসের ৩০ তারিখ হতে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে।

    স্থানীয় সুত্রে জানা যায়, তিনি তার চাকরি দেখিয়ে এনজিওর কাছ থেকে ঋণ নেয়া এবং বিভিন্ন লোকজনের কাছ থেকে টাকা হাওলাদ নিয়েছিলেন। পরবর্তীতে সেই টাকা পরিশোধ না করে মাঝে মধ্যেই বসবাসের স্থান পরিবর্তন করতেন। এরপর দুটি মামলায় সাজা হওয়ার কারণে তিনি স্কুলে না আসে আত্মগোপনে আছেন।

    এ বিষয়ে প্রধান শিক্ষক মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, ফেরদৌসী দীর্ঘদিন থেকে স্কুলে আসেন না। তাকে বার বার স্কুলে আসার জন্য অনুরোধ করা হয়েছিলো। তিনি স্কুলে আসেননি। তার পরিবার পরিজন নিয়ে কথায় থাকেন তা আমার জানা নেই। তবে তিনি শিক্ষিকা হিসেবে ভালো ছিলেন।

    ওই সহকারী শিক্ষিকার সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। এক পর্যায় ওই সহকারী শিক্ষিকার বিষয়ে জানার জন্য তার মায়ের সঙ্গে মুঠোফোনে কথা হলে তার মা বলেন, ‘কে আপনি, কেন আমার মেয়ের বক্তব্য নিতে চাচ্ছেন? যেখানে তার অফিস তার বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেয়নি সেখানে আপনি (সাংবাদিক) কেন এই বিষয়ে মাথা ঘামাচ্ছেন? আপনার মতো কত সাংবাদিক মার খেয়েছেন ইত্যাদি কথা বলে মেয়ের বিষয়ে জানতে কোনো সুযোগ দেয়নি’

    এদিকে ওই সহকারী শিক্ষিকার শ্বশুর বাড়ী উপজেলার দেবনগড় ইউনিয়নের দেবুপাড়া এলাকায় সরেজমিনে গেলে শ্বশুর বাড়ীর লোকজন বলেন, তারা (মেয়ে-ছেলে) কথায় থাকেন আমাদের জানা নেই। বাড়ীতে থাকা ওই শিক্ষিকার চাচী শাশুড়ী বলেন, আমরা শুনছি ওই মেয়ে নাকি অনেক টাকা হাওলাদ করেছেন।

    উপজেলা শিক্ষা অফিসার মো. মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, এই শিক্ষিকা যখন ওই স্কুলে যোগদান করে তার আগে বিভিন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও লোকজনের কাছে বেতনের চেক দিয়ে ঋণ নিয়েছিলো। সময় মতো লোন পরিশোধ করতে না পেরে আর্থিক প্রতিষ্ঠান গুলো মামলা করতে শুরু করলো। এতে দুটি মামলার দেড় বছরের সাজা হয়ে যায়। তখন থেকে তিনি পলাতক। প্রতিষ্ঠানে উপস্থিত হতে তিনটি চিঠি তার স্বামীর ঠিকানায় ও তার বাপের বাড়ির ঠিকানায় পাঠানো হয়েছিলো। পরবর্তীতে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে চিঠি পাঠানো হয়। আইন মোতাবেক তাকে বরখাস্ত করা হয়েছে।

    এ ব্যাপারে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সমেশ চন্দ্র মজুমদারের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, পঞ্চগড়ে যোগদানের কয়েকদিন হলো এ বিষয়ে অবগত নই। তবে তিনি বলেন, যদি চাকরি থেকে ওই শিক্ষিকাকে বরখাস্ত করা হয় তাহলে সেটি বরখাস্ত বলেই গণ্য হবে, যতক্ষণ না সে নিজেকে নির্দোষ প্রমাণ করে পুনর্বহালের আবেদন করবে।

    মুহম্মদ তরিকুল ইসলাম।।

  • ভারতে মহানবী (সা.) কে কটুক্তির প্রতিবাদে পঞ্চগড়ে বিক্ষোভ সমাবেশ

    ভারতে মহানবী (সা.) কে কটুক্তির প্রতিবাদে পঞ্চগড়ে বিক্ষোভ সমাবেশ

    মুহম্মদ তরিকুল ইসলাম, পঞ্চগড় প্রতিনিধিঃ ভারতের মহারাষ্ট্রের পুরোহিত রামগিরি মহারাজ ও বিজেপি সাংসদ নিতেশ নারায়ন রায় কর্তৃক নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মুবারক শান নিয়ে কটুক্তি ও অবমাননা করায় পঞ্চগড়ে প্রতিবাদ ও বিক্ষোভ সমাবেশ করেছেন পঞ্চগড়ের সর্বস্থরের ধর্ম প্রাণ মুসলমান ও ছাত্র-জনতা।

    নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মুবারক শানে মানহানীকারী পৃথিবীর যে প্রান্তেই থাকুক, তার একমাত্র শরঈ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড- ব্যানারে শনিবার (৫ অক্টোবর) পঞ্চগড় চৌরাস্তা মোড়ে পঞ্চগড় জেলাবাসীর পক্ষে মো. জাকির হোসেনের আয়োজনে এই প্রতিবাদ ও বিক্ষোভ-সমাবেশ করা হয়।

    সম্প্রতি ভারতের মহরাষ্ট্রে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মুবারক শানে মানহানী করে বক্তব্যের প্রতিবাদে বিক্ষোভ-সমাবেশে বক্তব্য দেয় মো. জাকির হোসেন, মো. জাহাঙ্গীর, মো. আলী আকতার, মো. রুবেল ও মুক্তার হোসেনসহ আরো অনেকেই।

    সমাবেশে বক্তারা বলেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি আমাদের প্রাণের থেকেও প্রিয়। উনার পবিত্র শানে বিন্দু থেকে বিন্দুতম বেয়াদবী আমরা মেনে নেব না। পৃথিবীর যে প্রান্তেই সে কটুক্তিকারী থাকুক, তার একমাত্র শরঈ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড। সারা বিশ্বের মুসলমানদের পক্ষে আমরা চাই অবিলম্বে সেই কটুক্তিকারীকে গ্রেফতার করে তার শরঈ শাস্তি জারি করা হোক।
    তারা আরও বলেন, বাংলাদেশ সরকারের উচিত হবে ভারতীয় রাষ্ট্রদূতকে ডেকে এনে এই জঘন্য কর্মের শক্ত প্রতিবাদ করা। ভারত সরকারকে চাপ দেয়া যেন রামগিরিকে দ্রুত গ্রেফতার করে শাস্তির ব্যবস্থা করে। ভারত সরকার যদি দ্রুত পদক্ষেপ না নেয়, তবে তার সাথে আমাদের দেশের সকল সম্পর্ক ছিন্ন করা উচিত। যে রাষ্ট্র নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পবিত্র শানে মানহানীকারীকে প্রশ্রয় দেয়, তার সাথে আমাদের কোন সম্পর্ক থাকতে পারে না। সমাবেশে বক্তারা আরো বলেন, ভারত বাংলাদেশের জাতীয় শত্রু। এটা বাংলাদেশের হিন্দুদের স্বীকার করতে হবে। নেপালের হিন্দুরা ভারত বিরোধী হলে, বাংলাদেশের হিন্দুদের ভারত বিরোধী হতে সমস্যা কোথায়? ভারতে আমাদের প্রিয় নবী হুজুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মুবারক শানে এত বড় কটুক্তির ঘটনা ঘটে গেছে, বাংলাদেশের হিন্দুদের উচিত তাদের আসন্ন দূর্গা পূজায় এ ব্যাপারে ভারতের বিরুদ্ধে নিন্দা প্রস্তাব পেশ করা এবং কটুক্তিকারীর শাস্তি দাবী করা। হিন্দুরা যে দেশদ্রোহী নয় তা প্রমাণের জন্য যারা অখন্ড ভারতের কথা বলে তাদেরকে ধরিয়ে দেয়াটা হিন্দুদেরই দায়িত্ব।

    মুুহম্মদ তরিকুল ইসলাম।।

  • র‌্যাব-১২ এবং র‌্যাব-১৫ এর যৌথ অভিযানে কিলার মুছা গ্রেফতার

    র‌্যাব-১২ এবং র‌্যাব-১৫ এর যৌথ অভিযানে কিলার মুছা গ্রেফতার

    প্রেস বিজ্ঞপ্তি

    গত ০৪ই আগস্ট সরকার পতনের এক দফা দাবিতে সিরাজগঞ্জ সদরে আন্দোলনরত ছাত্র জনতার উপর প্রকাশ্যে অস্ত্র উচিয়ে গুলিবর্ষণ করে ছাত্র জনতা হত্যা সংক্রান্তে দায়েরকৃত ০৩টি হত্যা মামলার অন্যতম আসামী এবং সিরাজগঞ্জ ০২ আসনের সাবেক এমপি জান্নাত আরা হেনরী’র প্রধান সন্ত্রাসী ক্যাডার আবু মুছা @ কিলার মুছা’কে কক্সবাজারের কলাতলী বিচ এলাকা হতে র‌্যাব-১২ এবং র‌্যাব-১৫ এর যৌথ অভিযানে গ্রেফতার।

    র‌্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব) প্রতিষ্ঠাকালীন সময় থেকেই দেশের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সমুন্নত রাখার লক্ষ্যে সব ধরণের অপরাধীকে আইনের আওতায় নিয়ে আসার ক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে। জঙ্গী, সন্ত্রাসী, সংঘবদ্ধ অপরাধী, ছিনতাইকারী, জুয়ারি, মাদক ব্যবসায়ী, খুন এবং অপহরণসহ বিভিন্ন চাঞ্চল্যকর মামলার আসামি গ্রেফতারে র‌্যাব নিয়মিত অভিযান চালিয়ে আসছে।

    ১। গত ৫ই আগস্ট সরকার পতনের এক দফা দাবিতে দেশের বিভিন্ন জায়গায় আন্দোলনরত ছাত্র জনতার উপর সশস্ত্র হামলা সংক্রান্তে হত্যা মামলা দায়ের হয়। উক্ত হত্যা মামলার আসামীদেরকে গ্রেফতারপূর্বক তাদের বিরুদ্ধে আইনী ব্যবস্থা গ্রহণের লক্ষ্যে র‌্যাব-১২, সদর কোম্পানির অপারেশন টিম ব্যাপক গোয়েন্দা নজরদারী ও ছায়া তদন্ত শুরু করে।

    ২। এরই ধারাবাহিকতায়, সিরাজগঞ্জ জেলার সদর থানার মামলা নং-১৭/৫২৮, ১৮/৫২৯ এবং ১৯/৫৩০ তাং-২২/০৮/২০২৪, ধারা-৩০২/৩৪ পেনাল কোড ১৮৬০ মোতাবেক সিরাজগঞ্জ সদরে আন্দোলনরত ছাত্র জনতার উপর প্রকাশ্যে অস্ত্র উচিয়ে গুলিবর্ষণ করে ছাত্র জনতা হত্যা সংক্রান্তে দায়েরকৃত ০৩ টি মামলার এজাহারনামীয় পলাতক আসামী আবু মুছা @ কিলার মুছা’কে গ্রেফতারের লক্ষ্যে র‌্যাবের গোয়েন্দা তৎপরতা চলমান থাকে। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অবগত হয়ে অদ্য ০৫ অক্টোবর ২০২৪ তারিখ আনুমানিক ১৮.৪০ ঘটিকার সময় র‌্যাব-১২ এবং র‌্যাব-১৫ এর একটি চৌকস আভিযানিক দল “কক্সবাজারের সদর থানাধীন পৌরসভার কলাতলী বিচ এলাকা” থেকে যৌথ অভিযানে বর্ণিত মামলাগুলোর এজাহারনামীয় পলাতক আসামী সিরাজগঞ্জ ০২ আসনের সাবেক এমপি জান্নাত আরা হেনরী’র প্রধান ক্যাডার আবু মুছা @ কিলার মুছা (৪২), পিতা-মৃত ছানোয়ার হোসেন @ ছানু, সাং- দত্তবাড়ি, ৮নং ওয়ার্ড, সিরাজগঞ্জ পৌরসভা, থানা- সিরাজগঞ্জ সদর, জেলা- সিরাজগঞ্জ’কে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।

    ৩। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, গ্রেফতারকৃত আসামী বিগত সময়ে সাবেক এমপি’র প্রধান ক্যাডার হয়ে ক্ষমতার অপব্যবহার করে সিরাজগঞ্জ পৌরসভা এলাকায় অস্ত্র ও ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে জোরপূর্বক ভূমি দখল, চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজিসহ নানাবিধ অপরাধমূলক কর্মকান্ডে জড়িত ছিল। এছাড়াও গত ০৪ই আগস্ট সরকার পতনের এক দফা দাবিতে সিরাজগঞ্জ সদরে আন্দোলনরত ছাত্র জনতার উপর প্রকাশ্যে অস্ত্র উচিয়ে হামলা চালানোর কথাও স্বীকার করে, যার ভিডিও বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রচার ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে সারাদেশে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদের এক পর্যায়ে সে আরও জানায় যে, বর্ণিত হত্যা মামলাগুলোর প্রেক্ষিতে গ্রেফতার এড়াতে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর চোখ ফাঁকি দিয়ে দেশের বিভিন্ন স্থানে পালিয়ে বেড়ায়। এরই ফলশ্রæতিতে সে কক্সবাজারে আত্মগোপনে থেকে সুযোগ বুঝে দেশের সীমান্ত দিয়ে পালানোর চেষ্টা করছিল বলে জানা যায়। গ্রেফতারকৃত আবু মুছা @ মুছা’র বিরুদ্ধে সিরাজগঞ্জ সদর থানায় ০৩টি হত্যা মামলা সংক্রান্তে তথ্য পাওয়া যায়।

    ৪। গ্রেফতারকৃত আসামির বিরুদ্ধে সিরাজগঞ্জ জেলার সংশ্লিষ্ট থানায় পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য হস্তান্তর কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন।

  • লালমনিরহাটে পৃথক অভিযানে ৩কেজি গাঁজাসহ গ্রেফতার ৩

    লালমনিরহাটে পৃথক অভিযানে ৩কেজি গাঁজাসহ গ্রেফতার ৩

    মো.হাসমত উল্লাহ,লালমনিরহাট।।
    লালমনিরহাটে গোয়েন্দা শাখার পুলিশ পৃথক পৃথক বিশেষ অভিযানে ৩কেজি মাদকদ্রব্য গাজা সহ ৩জন আসামী গ্রেফতার করেন।জেলার পুলিশ সুপার, মোঃ তরিকুল ইসলাম, দিক-নির্দেশনায় গোয়েন্দা শাখার অফিসার ইনচার্জ আমিরুল ইসলাম, এর নেতৃত্বে এসআই /নিজাম উদ দৌলা এবং সঙ্গীয় ফোর্সসহ পৃথক পৃথক অভিযানে চালিয়ে জেলার তালুক খুটামারা মৌজাস্থ বিজিবি ক্যান্টিন মোড় সংলগ্ন এলজিডি কার্যালয়ের ০৫ গজ সামনে বটতলা বাজার হতে বিজিবি ক্যান্টিন মোড় গামী পাকা রাস্তার উপর হতে ১কেজি মাদকদ্রব্য গাজা সহ দুই জন এবং কালীগঞ্জ থানাধীন কাকিনা বাজার হতে রংপুর গামী পাকা রাস্তার উপর রেলিং এর উত্তর পার্শ্বে হতে একটি লাল রংয়ের টিভিএস মোটরসাইকলে ১কেজি মাদকদ্রব্য গাজা সহ এক জনকে গ্রেফতার করেন গোয়েন্দা পুলিশ।

    গ্রেফতারকৃত আসামী খোকন আলী ওরফে হযরত , সাং-বাশবাড়ী, শ্রী তাপশ কুমার রায়, সাং-শিবরাম, ঘোংগা গাছ, ইউপি- গোড়ল, থানা-কালিগঞ্জ। সুমন ইসলাম, পিতা- গমদ্দি, সাং- দক্ষিণ বাড়াইপাড়া, থানা- হাতীবান্ধা, উভয়ের জেলা- লালমনিরহাট। আসামীদের বিরুদ্ধে লালমনিরহাট সদর ও কালীগঞ্জ থানায় পৃথক দুটি মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা রুজু করা হয। জেলা গোয়েন্দা শাখার অফিসার ইনচার্জ আমিরুল ইসলাম, বলেন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পৃথক পৃথক দুটি বিশেষ অভিযানে সদর থানার তালুক খুটামারা মৌজা হতে ও কালীগঞ্জ থানার কাকিনা বাজার এলাকা হতে ৩কেজি মাদকদ্রব্য গাজা ও মোটরসাইকেলসহ তিন জন কে গ্রেফতার করেন গোয়েন্দা পুলিশ।

    হাসমত উল্লাহ ।।

  • মহানগর আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ডাবলু সরকারকে গ্রেফতার করেছে র‍্যাব-৫

    মহানগর আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ডাবলু সরকারকে গ্রেফতার করেছে র‍্যাব-৫

    নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহী : ছাত্র জনতার উপর হামলা ও হত্যা মামলায় রাজশাহী মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ডাবলু সরকারকে গ্রেফতার করেছে র‍্যাব-৫ এর সদস্যরা।

    র‍্যাব-৫ অধিনায়ক লে. কর্নেল ফিরোজ কবীর জানান, শুক্রবার রাতে র‍্যাবের একটি চৌকস দল অভিযান চালিয়ে নওগাঁ থেকে ডাবলু সরকারকে গ্রেফতার করে। তিনি জানান, তার নামে ৫ আগস্ট ছাত্রজনতার গনঅভ্যুথানে নিহত শিক্ষার্থী আবু রায়হান ও সাকিব আনজুম হত্যাসহ বেশ কয়েকটি মামলা রয়েছে।

    এছাড়া রাতে তাকে নওগাঁ অথবা জয়পুরহাট র‍্যাব ক্যাম্পে রাখা হবে। সেখানে যদি তার নামে কোন মামলা থাকে সে মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হবে। না থাকলে রাজশাহীর মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানো হবে।

    মোঃ হায়দার আলী
    নিজস্ব প্রতিবেদক,
    রাজশাহী।

  • পানছড়িতে সাবজোনের উদ্যোগে মতবিনিয় সভা অনুষ্ঠিত

    পানছড়িতে সাবজোনের উদ্যোগে মতবিনিয় সভা অনুষ্ঠিত

    মিথুন সাহা,
    খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি

    পার্বত্যাঞ্চলে সাম্প্রতিক বিচ্ছিন্ন ঘটনার উপর ভিত্তি করে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখার লক্ষে খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলার পানছড়িতে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষায় মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    শনিবার (৫ অক্টোবর/২০২৪) সকাল সাড়ে ১১ টায় সাবজোন কমান্ডার মেজর জায়েদ-উর-রহমান অয়ন এর সভাপতিত্বে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ, কার্বারী হেডম্যান, শিক্ষক ও ধর্মীয় নেতাদের নিয়ে সাবজোন মিলনায়তনে এ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

    এসময় মেজর জায়েদ-উর-রহমান অয়ন বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন গুজবে ও কিছু উশৃঙ্খল লোক বিশৃংখলা সৃষ্টি করে মানুষের মাঝে আতংক সৃষ্টি করছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এ সব গুজব বেশির ভাগ দ্রুত ছড়িয়ে পরে। এদের প্রতিহত করতে সমাজের সকল শ্রেণীর মানুষকে এগিয়ে আসতে হবে। বর্তমানে গুজব ছড়ানো লোকের অভাব নাই। কোন ঘটনা সত্য মিথ্যা যাচাই করুন।

    সম্প্রীতির সমাবেশে বক্তারা বলেন, কখনো আইন নিজের হাতে তুলে নেবেন না। দীঘিনালা উপজেলার ঘটনাকে কেন্দ্র করে পানছড়ি ফায়ার সার্ভিস স্টেশান ভাংচুর করা, ছোট ছোট ইস্যুকে কেন্দ্র করে রাস্তায় গাছ ও পাথর ফেলে রাস্তা বন্ধ করে জনসাধারণের ভোগান্তিতে ফেলাহয়।

    তিনি আরও বলেন, পানছড়ি উপজেলায় সনাতন ধর্মাবলম্বীদের ১০ টি পূজা মন্ডপে শারদীয় দুর্গোৎসব উদযাপন করা হবে। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও সকল ধর্মের বর্ণের লোকজন যাতে নিজ নিজ ধর্মীয় অনুষ্ঠান সুষ্ঠভাবে পালন করতে পারে, সেদিকে সজাগ থাকতে হবে।

    এ সময় অন্যান্যদের মধ্যে ক্যাপ্টেন ফয়সাল আহমেদ, থানা অফিসার্স ইনচার্জ মোঃ জসিম উদ্দিন, উপজেলা বিএনপির সভাপতি বেলাল হোসেন, পানছড়ি ইসলামিয়া সিনিয়র মাদরাসার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মাওলানা আবুল কাশে, চেঙ্গী সারিবালা কলেজের অধ্যক্ষ কিরণ চাকমা, জেলা পরিষদ সাবেক সদস্য সতিশ চাকমা, পানছড়ি উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান চন্দ্র দেব চাকমা, বকুল চন্দ্র চাকমা, জামায়াতে ইসলামি বাংলাদেশ পানছড়ি শাখা সভাপতি জাকির হোসাইন প্রমূখ।

    এছাড়াও আরও উপস্থিত ছিলেন, ৩ নং পানছড়ি সদর ইউপি চেয়ারম্যান উচিত মনি চাকমা, ২ নং চেঙ্গী ইউপি চেয়ারম্যান আনন্দ জয় চাকমা, ১ নং লোগাং ইউপি চেয়ারম্যান জয় কুমার চাকমা, ৪ নং লতিবান ইউপি চেয়ারম্যান ভুমিধর রোয়াজা, উপজাতীয় কার্বারীগন, সামাজিক ও রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ, ধর্মীয় নেতৃবর্গ।

  • গোদাগাড়ীতে বাড়িঘর ও মসজিদ উচ্ছেদের প্রতিবাদে বিক্ষোভ সমাবেশ

    গোদাগাড়ীতে বাড়িঘর ও মসজিদ উচ্ছেদের প্রতিবাদে বিক্ষোভ সমাবেশ

    নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহী : রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে বিশুদ্ধ পানি সরবরাহের জন্য রাজশাহী ওয়াসার ভূ-উপরিস্থ পানি শোধনাগার নির্মাণ’ প্রকল্পের পাইপলাইনের জন্য অবৈধভাবে প্রজাতিভুক্ত সম্পত্তি দখল ও ভোগ দখলীয় সম্পত্তি থেকে দোকানপাট, বাড়ি-ঘর, মসজিদ উচ্ছেদের প্রতিবাদে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে এলাকাবাসী।

    শনিবার সকাল ১০টায় গোদাগাড়ী উপজেলা সদর গোলচত্বরে নাগরিক স্বার্থ-সংরক্ষণ কমিটি গোদাগাড়ীর আয়োজনে।
    সমাবেশে রফিকুল ইসলাম বাবলুর সভাপতিত্বে প্রতিবাদ সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন নাগরিক স্বার্থ-সংরক্ষণ কমিটির সভাপতি অ্যাডভোকেট সালাহউদ্দীন বিশ্বাস। বিশেষ অতিথি ছিলেন রাজশাহী জেলা জামায়াত (পশ্চিম)সহকারী সেক্রেটারী ড.মুহাম্মদ ওবাইদুল্লাহ, নাগরিক স্বার্থ-সংরক্ষণ কমিটির সাধারন সম্পাদক এস এম বরজাহান আলী পিন্টু, সাবেক কাউন্সিলর আলম আলী ও ব্যবসায়ী শাফিউল্লাহ হায়দার প্রমূখ।

    প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তারা বলেন, রাজশাহী ওয়াসার ভূ-উপরিস্থ পানি শোধনাগার নির্মাণ’ প্রকল্পে যদি জনগণের জানমালের অথবা সম্পত্তির কোন ক্ষতি করলে পুর্ণবাসের ব্যবস্থা আছে কিনা জনগনের সামনে প্রকাশের দাবি জানানো হয়। অন্তবর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টাসহ সরকারের বিভিন্ন দপ্তরের মাধ্যমে তদন্ত করে ক্ষতিগ্রস্থ মানুষ ক্ষতিপূরণ দিতে হবে। আর যদি কোন রকম টালবাহানা করা হয় তাহলে বৃহত্তর আন্দোলনে যাবে সাধারন মানুষ।

    উল্লেখ্য যে রাজশাহী ওয়াসা কর্তৃক গৃহীত প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছে ৪ হাজার ৬২ কোটি ২২ লাখ টাকা। প্রকল্পটি বাস্তবায়নের সময় ধরা হয়েছে চার বছর।

    মোঃ হায়দার আলী
    নিজস্ব প্রতিবেদক,
    রাজশাহী।