Author: desk

  • র‌্যাব-১২ কর্তৃক সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেফতার

    র‌্যাব-১২ কর্তৃক সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেফতার

    প্রেস বিজ্ঞপ্তি

    র‌্যাব-১২ কর্তৃক সিরাজগঞ্জের চাঞ্চল্যকর অপহরণের পর হত্যা ও অর্থ লুটের অপরাধে আমৃত্যু কারাদন্ড ও অর্থদন্ডের সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেফতার।

    র‌্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব) প্রতিষ্ঠাকালীন সময় থেকেই দেশের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সমুন্নত রাখার লক্ষ্যে সব ধরণের অপরাধীকে আইনের আওতায় নিয়ে আসার ক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে। জঙ্গী, সন্ত্রাসী, সংঘবদ্ধ অপরাধী, ছিনতাইকারী, জুয়ারি, মাদক ব্যবসায়ী, খুন এবং অপহরণসহ বিভিন্ন চাঞ্চল্যকর মামলার আসামি গ্রেফতারে র‌্যাব নিয়মিত অভিযান চালিয়ে আসছে।

    ১। গত ইং ২৫ জুন ২০১৬ সালে সিরাজগঞ্জ জেলার পৌর এলাকার আলাউদ্দিন স্টোরের কর্মচারী ভিকটিম শামিম শেখ দোকানের বকেয়া টাকা উত্তোলনের জন্য সিরাজগঞ্জ জেলার উল্লাপাড়ায় যায়। পরে রাত ১০টা পর্যন্ত তার সঙ্গে দোকান মালিক ও পরিবারের যোগাযোগ হলেও তারপর থেকে তার খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। পরের দিন উল্লাপাড়া উপজেলার বরহর দক্ষিণপাড়া থেকে ভিকটিম শামিম শেখের মরদেহ উদ্ধার করে স্থানীয় থানা পুলিশ। এই ঘটনায় নিহতের বাবা শামসুল হক বাদী হয়ে উল্লাপাড়া থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। যার মামলা নং-৩৭, তারিখ-২৭ জুন ২০১৬, ধারা-৩০২/২০১/৩৪ দন্ড বিধি ১৮৬০। পরবর্তীতে বিজ্ঞ আদালত সাজাপ্রাপ্তদের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিসহ ১৪ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে সাক্ষ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে সিরাজগঞ্জ পৌর এলাকার মাহমুদপুর মহল্লার ফরিদ শেখের ছেলে নাহিদ শেখসহ আরো তিন জনকে আমৃত্যু কারাদন্ড ও অর্থদন্ডের সাজা প্রদান করেন।

    ২। এরই ধারাবাহিকতায় মোঃ কামরুজ্জামান পিপিএম, অধিনায়ক র‌্যাব-১২, সিরাজগঞ্জ এর দিকনির্দেশনায় গত ০৭ অক্টোবর ২০২৪ খ্রি. রাত ২২.০০ ঘটিকার সময় র‌্যাব সদর দপ্তরের গোয়েন্দা শাখার সহযোগিতায় র‌্যাব-১২, সদর কোম্পানি এবং র‌্যাব-১, সিপিএসসি, গাজীপুর এর একটি চৌকস অভিযানিক দল “গাজীপুর মেট্রোপলিটন এর সদর থানাধীন রাজেন্দ্রপুর চৌরাস্তা সাকিনস্থ পূর্ণিমা স্টোর চায়ের দোকানের সামনে ময়মনসিংহ-ঢাকাগামী মহাসড়কের উপর’’ যৌথ অভিযান পরিচালনা করে সিরাজগঞ্জ জেলার উল্লাপাড়া থানার চাঞ্চল্যকর অপহরণকরতঃ হত্যা ও অর্থ লুটের অপরাধে আমৃত্যু কারাদন্ড ও অর্থদন্ডের সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি নাহিদ শেখকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। এছাড়াও তার সাথে থাকা ০১ টি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়।

    ৩। গ্রেফতারকৃত আসামি ১। মোঃ নাহিদ শেখ (২৭), পিতা- মোঃ ফরিদ শেখ, সাং-মাহমুদপুর ২নং গলি, থানা- সিরাজগঞ্জ সদর, জেলা- সিরাজগঞ্জ।

    ৪। গ্রেফতারকৃত আসামিকে সিরাজগঞ্জ জেলার সংশ্লিষ্ট থানায় পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য হস্তান্তর করা হয়েছে।

  • ঘুঘু পাখি বিলুপ্তি প্রায়

    ঘুঘু পাখি বিলুপ্তি প্রায়

    মোঃ হায়দার আলী।। মরণ বাঁধ ফারাক্কার কারণে বর্ষার সময় দেশের মানুষকে পানিতে ডুবিয়ে মারছে ভারত, কোটি কোটি টাকার আবাসস্থল, ঘরবাড়ি, গরুছাগল, হাঁস মুরগি, রাস্তাঘাট, ব্রিজ কালভাট ভেঙে যাচ্ছে নদী গর্ভে। আর খরা মৌসুমে পদ্মায় পানি কমে যাচ্ছে, ধুধু বালু চর, নদীতে ডুব চরের সংখ্যাও কম নয়। পদ্মার কোল ঘেষে উঠা চরে কৃষক সমাজ আম, পেয়েরা, পটল, চিনা, করলা, পুট্টাসহ নানা সবজির আবদ করেছেন এ নিয়ে লিখার জন্য খাতা কলম, তথ্য – উপাত্ত, নিয়ে ল্যাপটপের সামনে বসলাম, এমন সময় এক জোড়া ঘুঘু পাখি ঘরের বারান্নায় অসলো, সুন্দরভাবে খেলা করা শুরু করলো। বাইরে রিমঝিম করে বৃষ্টি হচ্ছে, খুব সুন্দর লাগছিল ঘুঘু পাখির ডাক। তাই তো লেখার থিম পরিবর্তন করে আল্লাহর নাম নিয়ে লেখা শুরু করলাম।

    দেশের রাজশাহীরসহ উত্তরাঞ্চলের প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে ঘুঘু পাখি বিলুপ্ত প্রায়। দেশের অন্য স্থানের চিত্র প্রায় একই। এর প্রধান কারণ অবাধে ঘুঘু শিকার ও আবাস স্থলের দারুণ অভাব।
    এক সময় উত্তরাঞ্চলসহ দেশে প্রচুর ঘুঘু পাখি দেখা যেত। আবার অনেকে খাঁচায় করে বাসাতেও পুষত। গ্রাম বাংলার একসময়ের চির পরিচিত ঘুঘু পাখি এখন হারিয়ে যেতে বসেছে। এ পাখি সংরক্ষণে কোন কার্যকরি পদক্ষেপ গ্রহন করা হয় না।

    অর মাঠের ধান, গম, মুসরী, সরিসা, কলাই প্রভূতি ফসল ঘরে উঠছে এই আনন্দে ঘুঘুর ডাকে মুখরিত হয়ে উঠত পরিববেশ। ঝোপ-জঙ্গল, খোলা মাঠ, গ্রাম বা আশপাশে বড় বড় গাছ আছে এমন কৃষি জমিতে, বাড়ী ছাঁদ, চালে এদের দেখা মিলত।

    এ দেশের প্রায় সর্বত্রই লাল ঘুঘুর বিচরণ। সাধারণত জোড়ায় বা ছোট দলে বিচরণ করে। কৃষিজমি, খামার, ঘাসপূর্ণ মাঠ, ঝোপ, বনের প্রান্ত বা গ্রামে হেঁটে হেঁটে খাবার সংগ্রহ করে এরা। ঘাস ও আগাছার বিচি, শস্যদানা, গাছের কুঁড়ি ও কচি পাতা খায়। মূলত সরিষা, গম, মুসরী, ধানই ছিল ঘুঘুর প্রধান খাদ্য।

    বেগুন, সরিষা, মসুরী,ধানসহ বিভন্ন ফসলে মাত্রাতিরিক্ত রাসায়নিক সার ও কীটনাশক ব্যবহারের ফলে যেমন ঘুঘুর প্রজনন কমে গেছে। খাস পুকুরগুলি মাছ চাষ করায় সার ও কীটনাশক প্রয়োগ করায় খাদ্যে বিষক্রিয়ার কারণে এখন প্রতিনিয়ত মারা যাচ্ছে ঘুঘু পাখি। রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার গ্রামাঞ্চলে সর্বত্র একসময় মেঠে ঘুঘু, তিলি ঘুঘু, রাম ঘুঘুর দেখা মিলত। এখন সেই ঘুঘু দেখা তো দূরের কথা ঘুঘু পাখির ঘু.. ঘু.. শব্দের পরিচিত ডাকও শোনা যায় না। ফলে একালের শিশু কিশোরা ঘুঘু পাখির ডাক শুনে না, এ পাখিও চিনতে পারে না।

    পাখি বিশেষজ্ঞদের মতে, ছোট বড় দেশী গাছ অবাধে নিধন, ঝোপ, জঙ্গল নষ্ট হয়ে যাওয়া, রাসায়নিক সার ও কীটনাশক যুক্ত খাবার খাওয়ার ফলে পাখির পরিমাণ হ্রাস পাওয়া ও ডিম পাড়ার হার কমে যাওয়াসহ নিরাপদ আশ্রয়ের অভাবে হারিয়ে যাচ্ছে প্রকৃতির পাখি বলে পরিচিত ঘুঘু পাখি। তাছাড়া পাখি শিকার ও বিক্রির কারণেও প্রতিদিন নিধন হচ্ছে এই পাখি। ঘুঘু অত্যন্ত ভিতু ও লাজুক প্রকৃতির পাখি।

    সাধারণত বছরে এক জোড়া ডিম পাড়ে। সেই ডিমে তা দিয়ে নিজেই বাচ্চার জন্ম দেয়। বিস্তীর্ণ জমির গাছের ডালে, আড়ালে আবডালে এরা বাসা করে ডিম থেকে বাচ্চা দিত। এখন এই পাখিটি বিলুপ্ত প্রায়। এক সময় প্রচুর সংখ্যায় দেখা গেলেও শিকারিদের কবলে পড়ে ও ঝোপ-জঙ্গল কমে যাওয়ায় বর্তমানে এদের সংখ্যাও কমে যাচ্ছে। বিপন্ন হয়ে পড়েছে এই সুন্দর পাখিটি।
    তবে গোলাপি-মেরুন ডানার পুরুষটি দেখতে অত্যন্ত সুন্দর। লাল ঘুঘু ছোট আকারের পাখি। লম্বায় ২৩ সেন্টিমিটার, যার মধ্যে লেজই নয় সেন্টিমিটার। স্ত্রী পাখিটি পুরুষটির চেয়ে কিছুটা ছোট। পুরুষটির মাথা নীলচে-ধূসর। পিঠ ও ডানার পালক গোলাপি-মেরুন। ডানার পেছনের অংশ কালচে। লেজের পালক ধূসর। লেজের নীচটা সাদা। বুক ও পেট হালকা গোলাপি। স্ত্রীটির রং পুরোপুরি আলাদা। দেহের ওপরের অংশ গাঢ় হলদে বাদামি ও নীচের অংশ হালকা হলদে-ধূসর। উভয়েরই গলার পেছনে একটি কালো চিকন কলার আছে। উভয়ের চোখ বাদামি, ঠোঁট কালো, পা বেগুনি-লাল বা বেগুনি-কালো। এরা ‘গুউ-গুউ-গুউ’ স্বরে ডাকে।
    লাল ঘুঘু সারাবছর প্রজনন করতে পারে। সাধারণত গাছের পাতাওয়ালা শাখায় ঘাস ও কাঠিকুঠি দিয়ে বাসা বানায় এবং তাতে স্ত্রী পাখিটি দুটি সাদা রঙের ডিম পাড়ে। ডিম ফুটে বাচ্চা বের হয় মাত্র ১৮দিনে। বাসা বানানো থেকে শুরু করে ডিমে তা দেয়া ও বাচ্চাদের খাওয়ানো সবকিছুই স্ত্রী-পুরুষ একত্রে মিলেমিশে করে।
    সচেতন মহল ঘুঘু পাখিটিকে রক্ষা করার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা উচিৎ বলে মনে করেন, সে সাথে পরিবেশের ভাল হবে, ভবিষ্যৎ প্রজন্মের এ পাখিটির সাথে পরিচিতি থাকবে।

    মো. হায়দার আলী
    গোদাগাড়ী,রাজশাহী।

  • মহেশপুর থেকে হত্যা মামলার তিন আসামী গ্রেফতার

    মহেশপুর থেকে হত্যা মামলার তিন আসামী গ্রেফতার

    ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ
    ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার ভালাইপুর গ্রাম থেকে হত্যা মামলার তিন আসামেিক গ্রেফতার করেছে র‌্যাব। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মঙ্গলবার তাদের গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃতরা হলেন, ভালাইপুর গ্রামের মাহাতাব বিশ^াসের ছেলে জেন্টু (৫০), একই গ্রামের কেসমত খাঁর ছেলে আবদার খাঁ (৫২) ও ইবাদত খাঁর ছেলে আলী হোসেন (৫৪)। মঙ্গলবার দুপুরে র‌্যাব এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, গত ১২ সেপ্টম্বর গরু চোর সন্দেহে মিঠু শেখের ছেলে রাশেদ শেখকে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় নিহত’র স্ত্রী চুমকি খাতুন বাদী হয়ে মহেশপুর থানায় ২১ জনের নামে মামলা করেন। মামলা দায়েরের পর থেকে আসামীরা পলাতক ছিলেন। গ্রেফতারকৃত আসামীদের মঙ্গলবার দুপুরে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।

    আতিকুর রহমান
    ঝিনাইদহ।।

  • সুজানগর পৌর শহরের যানজট নিরসনে উচ্ছেদ অভিযান

    সুজানগর পৌর শহরের যানজট নিরসনে উচ্ছেদ অভিযান

    এম এ আলিম রিপন ঃ যানজটের অসহনীয় ভোগান্তিতে নাকাল সুজানগর পৌরবাসী। এই অবস্থা থেকে পৌরবাসীকে স্বস্তি দিনে এবং পৌর শহরকে যানজটমুক্ত রাখতে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। মঙ্গলবার উপজেলা প্রশাসন, সুজানগর পৌরসভা ও থানা পুলিশ যৌথভাবে এ অভিযান পরিচালনা করেন। এ সময় ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে ফুটপাতে অবৈধভাবে বসানো এক ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের মালিককে ২ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। অভিযান পরিচালনার নেতৃত্ব দেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও পৌর প্রশাসক মীর রাশেদুজ্জামান রাশেদ। এ সময় পাবনা সহকারী পুলিশ সুপার(সুজানগর সার্কেল) রবিউল ইসলাম, উপজেলা সহকারী কমিশনার(ভূমি) মেহেদী হাসান, থানার ওসি গোলাম মোস্তফা ও পৌরসভার নির্বাহী কর্মকর্তা গোলাম নবী উপস্থিত ছিলেন। অভিযান পরিচালনাকালে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও পৌর প্রশাসক মীর রাশেদুজ্জামান রাশেদ বলেন, অবৈধ স্থাপনা,ফুটপাত দখল করে ব্যবসা পরিচালনা এবং রাস্তায় যত্রতত্র গাড়ী পার্কিং করতে দেওয়া হবেনা । ফুটপাত দখলের কারণে মানুষ চলাচল করতে পারছেন না, সড়কে যানজট লেগেই আছে এবাবে চলতে দেওয়া যাবে না। উচ্ছেদের পর পুনরায় ফুটপাতের জায়গা দখল করলে ভ্রাম্যমান আদালত বসিয়ে জরিমানাসহ মামলা করা হবে। পাবনা সহকারী পুলিশ সুপার(সুজানগর সার্কেল) রবিউল ইসলাম,জানান, উপজেলা প্রশাসন, সুজানগর পৌরসভা ও পুলিশ প্রশাসনের উদ্যোগে যৌথভাবে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। সুজানগর থানা অফিসার ইনচার্জ(ওসি) গোলাম মোস্তফা জানান, সুজানগর পৌর শহরকে যানজটমুক্ত রাখতে এ অভিযান অব্যাহত থাকবে।

    এম এ আলিম রিপন
    সুজানগর(পাবনা)প্রতিনিধি।

  • সুজানগরে গ্রীষ্মকালীন ক্রীড়া প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ

    সুজানগরে গ্রীষ্মকালীন ক্রীড়া প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ

    এম এ আলিম রিপন,সুজানগরঃ পাবনার সুজানগরে বাংলাদেশ জাতীয় স্কুল,মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা ক্রীড়া সমিতির গ্রীষ্মকালীন ক্রীড়া প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ ও সমাপনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার সোলায়মান হোসেনের সভাপতিত্বে ও শিক্ষক আখতারুজ্জামান জর্জ এর স ালনায় সুজানগর শহীদ দুলাল পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে গ্রীষ্মকালীন ক্রীড়া প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ ও সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মীর রাশেদুজ্জামান রাশেদ। বিশেষ অতিথি ছিলেন একাডেমিক সুপারভাইজার মনোয়ার হোসেন। অন্যদের মাঝে বক্তব্য দেন নাজিরগঞ্জ স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ নাদের হোসেন ও শহীদ দুলাল পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মনসুর আলী। এ সময় সুজানগর সরকারি পাইলট মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক(ভারপ্রাপ্ত) শ্রী দিলীপ কুমার, মথুরাপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুল কাদের, উদয়পুর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মিজানুর রহমান, মোহাম্মাদিয়া দাখিল মাদ্রাসার সুপার মাওলানা মাহতাব উদ্দিন, সাতবাড়ীয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আলাউদ্দিন আলাল, তাঁতীবন্দ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আনোয়ারুল হক, সাতবাড়ীয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক(ভারপ্রাপ্ত) শরিফুল ইসলাম ও উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধানগণ সহ স্থানীয় বিভিন্ন পর্যায়ের ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

  • বরেন্দ্রের প্রাণপুরুষ ড,এম আসাদুজ্জামান

    বরেন্দ্রের প্রাণপুরুষ ড,এম আসাদুজ্জামান

    আলিফ হোসেন,তানোরঃ
    বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিএমডিএ) নতুন চেয়ারম্যান ড. এম আসাদুজ্জামানকে সংবর্ধনা দেয়া হয়েছে। জানা গেছে, গত ৭ অক্টোবর সোমবার বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিএমডিএ) প্রধান কার্যালয়ে বিএমডিএ’র উদ্যোগে সংবর্ধনার আয়োজন করা হয়। সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএমডিএ’র নতুন চেয়ারম্যান ড.এম আসাদুজ্জামান। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিএমডিএ’র নির্বাহী পরিচালক শফিকুল ইসলাম (অতিরিক্ত সচিব)। অন্যান্যদের মধ্যে আরো উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী আব্দুর রশীদ, অতিঃ প্রধান প্রকৌশলী শামসুল হোদা, অতিঃ প্রধান প্রকৌশলী আবুল কাশেম, অতিঃ প্রধান প্রকৌশলী জাহাঙ্গীর আলম খান, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী আব্দুল লতিফ, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী সমসের আলী, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী শরীফুল হক, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী এটিএম মাহফুজুর রহমান, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী শিবির আহমেদ, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী সুমন্ত কুমার বসাক, প্রকল্প পরিচালক মোহাম্মদ নূরে আলম ও বিএমডিএ’র সচিব এনামুল কাদিরপ্রমুখ। এছাড়াও বিএমডিএ’র বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীগণ উপস্থিত ছিলেন।এদিন নতুন চেয়ারম্যান ড,এম আসাদুজ্জামানের আগমন উপলক্ষে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আলোচনা শেষে বিএমডিএর সকল কর্মকর্তা- কর্মচারীদের পক্ষে থেকে তাকে
    ক্রেস্ট উপহার দেয়া হয়। এর আগে অনুষ্ঠানের শুরুতে বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিএমডিএ) প্রয়াত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আত্মার মাগফিরাত কামনায় বিশেষ দোয়া করা হয়।
    জানা গেছে, বিগত ১৯৪৯ সালের পহেলা নভেম্বর রাজশাহীর
    বরেন্দ্রের গোদাগাড়ীতে জন্ম গ্রহণ করেন ড,এম আসাদুজ্জামান।রত্নগর্ভা মায়ের সন্তান আসাদুজ্জামান বড় হয়েছেন। প্রচন্ড খরাপ্রবণ বরেন্দ্র অঞ্চলের প্রকৃতির রুক্ষতা আর বৈরীতা মোকাবেলা করে। ছোট বেলায় খুব কাছ থেকে দেখেছেন প্রচন্ড খরাপ্রবণ বরেন্দ্র অঞ্চলের খরাপীড়িত আর দারিদ্রের কষাঘাতে নিষ্পেষিত এ অঞ্চলের কৃষি নির্ভর মানুষগুলোকে জীবন জীবীকার তাগিদে সংগ্রাম করতে। ছেলে বেলায় কৃষকের সঙ্গে মাঠে কাজ করেছেন নিজেদের জমিতে। বিগত ১৯৭২ সাল থেকে ১৯৭৭ সাল
    পর্যন্ত ম্যাকডোনাল্ড এ্যান্ড পাটনার- এর কনসালটেন্ট হিসেবে বিএডিসিতে কর্মরত ছিলেন। প্রকল্পের চুক্তি শেষ হয়ে যাওয়ায় ১৯৭৭ সালে বিএডিসির সহকারী প্রকৌশলী হিসাবে তার যাত্রা শুরু। শুরু হয় বাংলাদেশের ভূ-গর্ভস্থ ও ভূ- উপরিস্থ সেচ ব্যবস্থাপণা নীতিমালা গভীরভাবে পর্যবেক্ষনের। দেশী বিদেশী বিশেষজ্ঞরা যখন মতামত দিয়েছিল রাজশাহীর বরেন্দ্র অঞ্চলে ভূ-গর্ভস্থ পানি তুলে সেচ প্রদান সম্ভব নয়। তাদের মতামতের বিপক্ষে বিষয়টাকে চ্যালেঞ্জ হিসাবে নেন তিনি। পুরো বরেন্দ্র এলাকা ঘুরে কারিগরি তথ্য উপাত্ত সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে বিশেষজ্ঞদের কাছে উপস্থাপন করে দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। পরবর্তীতে বিগত ১৯৮২-৮৩ সালে কারিগরি তথ্য সমৃদ্ধ প্রতিবেদন তৈরি করে সবার দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। এরপর পক্ষে-বিপক্ষে মত সুপারিশ আর তৎকালীন বিএডিসির কর্মকর্তাদের নিয়ে সিদ্ধান্ত হয় ডিপ-
    টিউবওয়েল গভীর নলকুপ বসানোর।
    বিগত ১৯৮৬ সালে প্রকল্পের উন্নয়নমূলক কাজে ভূমিকা রাখার জন্য তাকে নির্বাহী প্রকৌশলী হিসেবে পদোন্নতি দেয়া হয়। শুরু হয় বরেন্দ্র কর্তৃপক্ষের কর্মযজ্ঞ। আসে একের পর এক সফলতা। ঠাঁ-ঠাঁ ধুধু বরেন্দ্র অঞ্চল হিসেবে পরিচিত এই
    এলাকায় বৃষ্টি নির্ভর এক ফসলের জায়গায় শুরু হয় তিন ফসল উৎপন্ন। সবুজে সবুজে ভরে যায় ঠাঁঠাঁ বরেন্দ্র অঞ্চলের চারিদিক। বৃহত্তর রাজশাহী থেকে রংপুর জেলা পর্যন্ত পুরো উত্তরাঞ্চল-জুড়ে চলে বরেন্দ্র প্রকল্পের কর্মকান্ড ধীরে ধীরে বিস্তৃত হয়। বরেন্দ্রের অঞ্চলের
    প্রাণপুরুষ খ্যাত ড,এম আসাদুজ্জামানের বিএমডিএ’র চেয়ারম্যান হওয়ার খবরে উল্লাসীত হয়ে পড়েন বরেন্দ্র অঞ্চলের সাধারণ মানুষ। ড,এম আসাদুজ্জামানের বড় ভাই
    বিএনপির প্রয়াত ভাইস চেয়ারম্যান সাবেক ডাক ও টেলিযোগাযোগমন্ত্রী ব্যারিস্টার আমিনুল হক, অপর ভাই সাবেক সেনা কর্মকর্তা মেজর জেনারেল অবঃ শরিফ উদ্দিন বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা
    পরিষদের সদস্য ও সাবেক সামরিক সচিব। আরেক ভাই ড, এম এনামুল হক পুলিশের সাবেক আইজিপি, অপর ভাই দেশের প্রখ্যাত চিকিৎসক। তার পরিবারের সকলে উচ্চ শিক্ষিত ও প্রতিষ্ঠিত। তার মাতা রত্নগর্ভা খেতাবে ভূষিত হয়েছেন। ড, এম আসাদুজ্জামানকে নিয়ে বরেন্দ্র অঞ্চলের কৃষকেরা নতুন স্বপ্ন দেখছেন।

  • সুজানগর পৌর এলাকায় প্রতিমা মূর্তি ভাংচুর মামলার প্রধান আসামি আগুন বাচ্চু গ্রেফতার

    সুজানগর পৌর এলাকায় প্রতিমা মূর্তি ভাংচুর মামলার প্রধান আসামি আগুন বাচ্চু গ্রেফতার

    হেলাল শেখ,
    বিশেষ প্রতিনিধি-হেলাল শেখঃ পাবনার সুজানগর পৌর এলাকায় মন্দিরের প্রতিমা ভাঙচুর মামলার প্রধান আসামি আগুন বাচ্চুকে গ্রেফতার করেছে সুজানগর থানা পুলিশ।

    পুলিশ জানায়, গ্রেফতারকৃত বাচ্চু আদালতে তার স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী দিয়েছেন।

    মঙ্গলবার (৮ অক্টোবর ২০২৪ইং) তারিখে সহকারী পুলিশ সুপার পাবনার সুজানগর সার্কেল, মোঃ রবিউল ইসলাম জানান, সুজানগর থানা পুলিশের চৌকস একটি দল অভিযান চালিয়ে রাজবাড়ী জেলা থেকে আগুন বাচ্চুকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃত আগুন বাচ্চু সুজানগর পৌর এলাকায় মন্দিরের প্রতিমা ভাংচুর করেছেন বলে পাবনা আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী দিয়েছেন।

  • মোরেলগঞ্জে ৩ দিনব্যাপী স্মার্ট কৃষি প্রযুক্তি মেলার উদ্বোধন

    মোরেলগঞ্জে ৩ দিনব্যাপী স্মার্ট কৃষি প্রযুক্তি মেলার উদ্বোধন

    শেখ সাইফুল ইসলাম কবির বিশেষ প্রতিনিধি:বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে ক্লাইমেট স্মার্ট কৃষি প্রযুক্তি মেলার উদ্বোধন করা হয়েছে। মঙ্গলবার বেলা ১১টার দিকে এ মেলার উদ্বোধন করা হয়।

    উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের আয়োজনে এ মেলার উদ্বোধন করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ভারপ্রাপ্ত) মো. বদরুদ্দোজা। পরে উপজেলা চত্বর থেকে একটি বর্ণাঢ্য র‌্যালি বের হয়ে বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে।

    মেলা উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ মো. সাইফুল ইসলাম।

    অন্যান্যের মধ্যে আলোচনা করেন বিএনপি নেতা গিয়াস উদ্দিন তালুকদার, সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান মাওলানা আব্দুল খালেক, উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা মিজানুর রহমান, জাকির হোসেন, মশিউর রহমান প্রমুখ। এ কৃষি প্রযুক্তি মেলায় ২০টি স্টল অংশ গ্রহণ করে।

  • বেনাপোল স্থল বন্দর দিয়ে ভারতীয় ডিমের আমদানি হলেও বাজারে দাম কমেনি

    বেনাপোল স্থল বন্দর দিয়ে ভারতীয় ডিমের আমদানি হলেও বাজারে দাম কমেনি

    আজিজুল ইসলাম, যশোরঃ যশোরের বেনাপোল স্থল বন্দর দিয়ে ভারত থেকে ডিম আমদানি হলেও প্রভাব পড়েনি ডিমের বাজারে। ডিমের বাজার এখনও অস্থিতিশীল। 

    বেনাপোল স্থল বন্দর দিয়ে ভারত থেকে দুই বারে ৪ লাখ ৬৩ হাজার ৬৮০ পিস ডিম আমদানি করা হয়েছে। রোববার দুপুরে প্রথম চালানে ২ লাখ ৩১ হাজার ৮৪০ পিচ ডিম আমদানি করা হয় , একই পরিমান ডিমের চালান আসে রাতে।

    বেনাপোল সিএন্ডএফ ব্যবসায়ী রাতুল ইন্টারন্যাশনাল জানিয়েছে আরো ৪২ লাখ পিস্ ডিম আমদানি করা হবে।

    কাস্টমস সূত্র জানায়, এক হাজার ১০৪ বক্স ডিম নিয়ে একটি ভারতীয় ট্রাক বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে। প্রতি বক্সে ২১০ টি করে ডিম রয়েছে। আমদানি করা এসব ডিমের মূল্য ৯ হাজার ৯৬৯ মার্কিন ডলার। প্রতি ডজন ডিমের আমদানি মূল্য শূন্য দশমিক ৫৮ ডলার, বাংলাদেশি টাকায় প্রতিটি ডিমের মূল্য পড়েেছে ৫ টাকা ৭০ পয়সা। প্রতি ডজন ডিমের ইনভয়েস মূল্যের ওপর ৩৩ শতাংশ সরকারি রাজস্ব পরিশোধ করে  ও সব খরচ মিলিয়ে এক টাকা ৮৪ পয়সা খরচ সহ প্রতিটি ডিমের মোট মূল্য পড়েছে ৭ টাকা ৫০ পয়সা। 

    ঢাকার আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান হাইড্রো ল্যান্ড সলুশন ভারত থেকে দুটি চালানে ৪ লাখ ৬৩ হাজার ৬৮০ পিস ডিম আমদানি করেছে।  কোলকাতার শ্রী লক্ষী নারায়ণ ভান্ডার ডিমগুলো রপ্তানি করেন।

    জানা গেছে, ডিমের বাজার স্থিতিশীল রাখতে  ৫০ লাখ ডিম আমদানির অনুমতি দিয়েছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। তার মধ্যে দ্বিতীয় বারের মতো ভারত থেকে এবারও দুটি চালানে ৪ লাখ ৬৩ হাজার ৬৮০ পিস ডিম আনা হয়েছে। ভারত থেকে প্রতিটি ডিম কেনা হয়েছে ৫ টাকা ৭০ পয়সা দরে। প্রতিটি ডিমের শুল্ক পরিশোধ করতে হচ্ছে ১ টাকা ৮৩ পয়সা। এই শুল্ক ৫০ পয়সার নিচে রাখলে বাজারে ডিমের দাম অনেক কমে যেতো বলে মন্তব্য আমদানি কারকদের। উল্লেখ্য সব খরচ মিলিয়ে প্রতি পিচ ডিম ৭ টাকা ৫০ পয়সা কেনা আসলেও খোলা বাজারে প্রতি পিচ ডিম ১৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। 

     

    বেনাপোল কাস্টমসের সহকারী পরিচালক কাজী রতন বলেন, ভারত থেকে আমদানি করা ডিমের চালান বেনাপোল বন্দরের ট্রান্সশিপমেন্ট ইয়ার্ডে রাখা হয়েছে। রাজস্ব আদায় করে যত দ্রুত সম্ভব ডিমের চালাটি খালাস করে দেওয়া হবে । ট্রান্সশিপমেন্ট ইয়ার্ডের কাস্টমস কর্মকর্তাদের এ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

  • দাফন সম্পন্ন, বিভিন্ন মহলের শোক  পটিয়া প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক গোলাম কাদের এর পিতা মো: ইসমাইলের ইন্তেকাল

    দাফন সম্পন্ন, বিভিন্ন মহলের শোক পটিয়া প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক গোলাম কাদের এর পিতা মো: ইসমাইলের ইন্তেকাল

    নিজস্ব প্রতিনিধি।।
    পটিয়া প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক গোলাম কাদেরের পিতা মো: ইসমাইল প্রকাশ বাঁচা মিস্ত্রি (৮৬) সোমবার রাতে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ইন্তেকাল করেছেন৷ ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না লিল্লাহি রাজিউন। মৃত্যুকাল তিনি স্ত্রী, ৬ পুত্র, ৩ কন্যাসহ অসংখ্য আত্মীয় স্বজন রেখে গেছেন। মঙ্গলবার পটিয়া পৌরসভার ৩ নং ওয়ার্ড উত্তর গোবিন্দারখীল গুয়াদন্ডী এলাকায় বাদে জোহর আমিরুল আউলিয়া রহমানিয়া জামে মসজিদ মাঠে মরহুমের নামাজে জানাজা নামাজ শেষে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়। নামাজের জানাজায় ইমামতি করেন আমির ভান্ডার দরকার শরীফের সাজ্জাদানশীন সৈয়দ শাহসূফি ফরিদুল আবছার আমিরী।
    শোক জানিয়েছেন পটিয়ার সাবেক এমপি মোতাহেরুল ইসলাম চৌধুরী, সামশুল হক চৌধুরী, সাবেক মেয়র নুরুল ইসলাম, আইয়ুব বাবুল, অধ্যাপক হারুনুর রশিদ, বিএনপি নেতা এনামুল হক এনাম, বদরুল খায়ের চৌধুরী, মোজাম্মেল হক, খোরশেদ আলম, ইসলামিক ফ্রন্ট নেতা মঈনুল ইসলাম, নাছির উদ্দিন, সাবেক কাউন্সিলর আবু ছৈয়দ, গিয়াস উদ্দিন আজাদ, পটিয়া প্রেসক্লাব ভারপ্রাপ্ত সভাপতি এটিএম তোহা, সহ-সভাপতি শফিউল আলম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আনম সেলিম, অর্থ সম্পাদক বিকাশ চৌধুরী, প্রচার সম্পাদক মহিউদ্দিন চৌধুরী, দপ্তর সম্পাদক মোরশেদ আলম, সাংবাদিক ইকবাল হোসেন, শফিউল আজম।
    পৃথকভাবে শোক প্রকাশ জানিয়েছেন, পটিয়ার সাবেক এমপি গাজী মোহাম্মদ শাহজাহান জুয়েল, দক্ষিণ জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সম্পাদক, বদরুল খায়ের চৌধুরী পটিয়া ক্লাবের সদস্য সচিব, মোজাম্মেল হক, পটিয়া উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি আবদুল জলিল চৌধুরী সাধারণ সম্পাদক, আবদুল মোনাফ, জেলা বিএনপি নেতা চেয়ারম্যান জসিম উদ্দিন মাষ্টার, দক্ষিণ জেলা শ্রমিকদলের সভাপতি চেয়ারম্যান শফিকুল ইসলাম, পটিয়া পৌরসভা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহবায়ক জাহেদুল হক, বিএনপি নেতা জিল্লুর রহমান, ইদ্রিস পানু, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা কৃষক দলের যুগ্ম আহবায়ক, ও চট্টগ্রাম সিডিয়ার সদস্য হাজী নজরুল ইসলাম, জেলা যুবদলের সহ সভাপতি আনোয়ার হোসেন মিয়া, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা ছাত্রদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক গাজী মোহাম্মদ মনির,