Author: desk

  • গোদাগাড়ীতে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহ*ত ১

    গোদাগাড়ীতে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহ*ত ১

    নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহীঃ রাজশাহীর গোদাগাড়ীর উদপুরে ট্রাক ও ট্রলির মুখোমুখি সংঘর্ষে একজন নিহত ও দুইজন আহত হয়েছে। বুধবার ভোর ৫ টার দিকে এ দুর্ঘটনাটি ঘটে।

    এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, বুধবার ভোর পাঁচটায় ইট বোঝায় একটি টলি রাজশাহীর দিকে আসছিল অপর একটি ট্রাক যাহার নাম্বার ঢাকা মেট্রো ট২২ -৫১২৭ ঢাকা থেকে চাঁপাই এর উদ্দেশ্যে ছেড়ে যাচ্ছিল পথে মধ্যে রাজশাহী মহাসড়কের উদপুর নামক স্থানে পৌঁছালে এদুর্ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে প্রেমতলি ফাঁড়ীর পুলিশ ঘটন স্থলে গিয়ে ঘাতক ট্রাকটি আটক করে।

    নিহতের নাম মাসুদ রানা ট্রলিচালক (৪২) তিনি রাজশাহী মহানগরীর কাশিয়াডাঙ্গা থানার, হড়গ্রাম এলাকার মান্নানের ছেলে। আহতরা হলেন রাকিব (২৩) পিতা নুরুল ইসলাম চাইপাড়া প্রেমতলী গোদাগাড়ী ও সাগর আলি (২২) পিতা জিয়ারুল গ্রাম হাটখোলা গোমস্তাপুর চাঁপাইনবাবগঞ্জ।

    এ বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে প্রেমতলী ফাড়ীর ইনচার্জ পুলিশ পরিদর্শক , এস এম মাকছুূুদুর রহমান ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে,
    নিহতের ছোট ভাই বাদী হয়ে গোদাগাড়ী মডেল থানায় একটি এজাহার দায়ের করেছে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

    মোঃ হায়দার আলী
    নিজস্ব প্রতিবেদক,
    রাজশাহী।

  • পার্চিং পদ্ধতি ব্যবহারে সুফল পাচ্ছেন গোদাগাড়ীর  কৃষকরা

    পার্চিং পদ্ধতি ব্যবহারে সুফল পাচ্ছেন গোদাগাড়ীর কৃষকরা

    রাজশাহী থেকে মোঃ হায়দার আলীঃ
    রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে ধানচাষে পার্চিং পদ্ধতি জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। এই পদ্ধতিতে চাষাবাদ করে লাভবান হচ্ছেন উপজেলার কৃষকরা।

    পার্চিং একটি ইংরেজি শব্দ, যার অর্থ হল ফসলের ক্ষেতে বা মাঠে ডাল বা কঞ্চি ইত্যাদি পুঁতে দেওয়া। কীটনাশক ছাড়া ডাল বা বাঁশের কঞ্চি স্থাপন করে ক্ষতিকর পোকা মাকড়ের আক্রমণ থেকে ফসলকে রক্ষা করার পদ্ধতিটির নাম পার্চিং পদ্ধতি।

    জমিতে উঁচু স্থানে পাখি বসার সুযোগ তৈরি করাকেই পার্চিং বলা হয়। পার্চিংয়ে পাখি বসার সুযোগ পেলে তার দৃষ্টিসীমায় কোনো ক্ষতিকর পোকা দেখা মাত্রই সেটি সে ধরে খেয়ে ফেলবে। পার্চিং পদ্ধতিটি পরিবেশবান্ধব এবং লাভজনক। কারণ এর মাধ্যমে কীটনাশকের ব্যবহার ও ফসলের উৎপাদন খরচ কমে। এই পদ্ধতির আরও একটি সুবিধা হলো পাখির বিষ্ঠা জমিতে জৈব পদার্থ যোগ করে জমির উর্বরতা শক্তি বাড়িয়ে দেয়।

    গোদাগাড়ী উপজেলার বিভিন্ন মাঠ ঘুরে দেখা যায়, রোপা আমন মৌসুমে রোপা আমন ধানের জমিতে কৃষকরা পার্চিং তৈরি করছেন। এখানে পাখি বসে ধান ক্ষেতের পোকা খেয়ে নিচ্ছে। ফলে ধানের উপরিভাগে আর কীটনাশক দিতে হচ্ছে না।

    পার্চিংয়ে বসে দোল খেতে খেতে পাখিরা মাজরা পোকা, পাতা মোড়ানো পোকা, চুঙ্গি পোকা, ধানের স্কিপা পোকার মথ, ধানের শিষ কাটা লেদা পোকা, সবুজ শুঁড় লেদা পোকা, শুঁড় ঘাস ফড়িং, লম্বা শুঁড় ঘাস ফড়িং, ও উড়চুঙ্গা পোকা ধরে খায়।
    জমিতে সার দেওয়ার পর থেকেই রোপা-আমন, ইরি-বোরোসহ বিভিন্ন ফসলের জমিতে বাদামি ঘাসফড়িং বা কারেন্ট পোকা, পাতা মোড়ানো পোকা এবং চুঙ্গি-মাজরাসহ নানা ধরনের ক্ষতিকারক পোকার আক্রমণ দেখা দেয়। এতোদিন কৃষকরা এসব পোকার আক্রমণ থেকে ফসল বাঁচাতে কীটনাশকসহ বিভিন্ন পদ্ধতি অবলম্বন করে আসছিলেন। কিন্তু এখন পোকা দমনে প্রাকৃতিক পার্চিং পদ্ধতি কৃষকের মধ্যে আশা জাগিয়েছে।

    গোদাগাড়ী পৌরসভার বর্গাচাষী চাষী আলাউদ্দিন বলেন, ‘পার্চিং পদ্ধতিতে ধান চাষ করে লাভবান হয়েছি। আমার মতো অনেকেই এই পদ্ধতিতে চাষাবাদ করছেন। এলাকায় খুবই জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে পার্চিং পদ্ধতিতে চাষাবাদ।’

    মাটিকাটা ইউনিয়নের আরেক চাষী দুলু দেব বলেন, ‘ক্ষতিকর পোকামাকড় চুপচাপ বসে রস চুষে খায় বা ফসল কেটে বা কুরে কুরে খায়। পাখিরা যেন সহজেই ক্ষতিকর পোকামাকড়গুলো দেখতে পায় এবং ধরতে পারে সে জন্যই একটু ঘন ঘন পার্চিং দেওয়া হয়। কৃষিবান্ধব এ প্রযুক্তি ক্ষতিকারক পোকার আক্রমণ থেকে রোপা ক্ষেত রক্ষায় কৃষকের মধ্যে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে।’

    উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা মরিয়ম আহম্মেদ বলেন, উপজেলাতে ধান চাষে পার্চিং পদ্ধতি বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। এই পদ্ধতিতে ফসলি জমিতে পুতে রাখা ডালগুলোর ওপর পাখি বসে ফসলের জন্য ক্ষতিকারক পোকা ও পোকার ডিম খেয়ে ফেলার ফলে আর কীটনাশক ব্যবহার করতে হয় না। যার ফলে কম খরচে অধিক ফলন পাওয়া যায়। এ কারণে কৃষকরা জমিতে কীটনাশক পরিহার করে পোকা দমনে সহজ ও পরিবেশবান্ধব পার্চিং পদ্ধতি ব্যবহার করছেন। সব ধরনের পাখি পার্চিংয়ে বসে না। মূলত ফিঙ্গে, শালিক, বুলবুলি, শ্যামা, দোয়েল, সাত ভায়রা-এসব পাখি পার্চিংয়ে বসে পোকা ধরে খায়।’

    তিনি আরও বলেন, ‘গবেষণায় জানা যায় একটি ফিঙে পাখি সারাদিনে কমপক্ষে ৩০টি করে মাজরা পোকার মথ, ডিম ও পুত্তলি খেয়ে থাকে। একটি পাখি প্রতি মাসে হাজার হাজার পোকা ধ্বংস করে। ফসল রোপণের পরপরই পার্চিং স্থাপন করতে হবে।’

    মোঃ হায়দার আলী
    নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহী।

  • পঞ্চগড়ে পরিবেশ অধিদপ্তরের মোবাইল কোর্ট পরিচালনা

    পঞ্চগড়ে পরিবেশ অধিদপ্তরের মোবাইল কোর্ট পরিচালনা

    মুহম্মদ তরিকুল ইসলাম, পঞ্চগড় প্রতিনিধিঃ পঞ্চগড়ে পরিবেশ অধিদপ্তরের মোবাইল কোর্টে অনুমোদিত শব্দের অতিরিক্ত মাত্রার হর্ণ ব্যবহারে জরিমানা করা হয়েছে।

    বুধবার (৯ অক্টোবর) পঞ্চগড় সদর উপজেলার সদর ইউনিয়ন পরিষদ প্রাঙ্গন এলাকার পঞ্চগড়-তেঁতুলিয়া জাতীয় মহাসড়কে “শব্দ দূষণ নিয়ন্ত্রণে সমন্বিত ও অংশীদ্বারিত্বমূলক প্রকল্প” এর আওতায় পরিবেশ অধিদপ্তর, পঞ্চগড় জেলা কার্যালয় ও জেলা প্রশাসন, পঞ্চগড়ের যৌথ উদ্যোগে এই মোবাইল কোর্ট পরিচালনায় জরিমানা করা হয়।

    জানা যায়, পরিবেশ অধিদপ্তর অনুমোদিত শব্দের অতিরিক্ত মানমাত্রার হর্ণ ব্যবহারের অভিযোগে দুইটি ট্রাক এর ড্রাইভারকে ২ হাজার ৫০০ টাকা জরিমানা ধায্যর্পূর্বক আদায় করা হয় ও অনুমোদিত শব্দের অতিরিক্ত মানমাত্রার শব্দ সৃষ্টিকারী ১০টি হাইড্রোলিক হর্ণ জব্দ করা হয়।

    উক্ত অভিযানে জেলা প্রশাসন, পঞ্চগড় এর সহকারী কমিশনার ও বিজ্ঞ এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো. মিজানুর রহমান ও মো. আসিফ আলীর নেতৃত্বে পরিবেশ অধিদপ্তর, পঞ্চগড় জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. ইউসুফ আলী প্রসিকিটর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এতে পুলিশ বিভাগ, পঞ্চগড় এর একদল সদস্য অভিযান পরিচালনায় সহযোগিতা করেন।

    পরিবেশ অধিদপ্তর, পঞ্চগড় জেলা কার্যালয়ের পক্ষ থেকে এ ধরণের অভিযান অব্যহত থাকবে বলে জানানো হয়।

    মুহম্মদ তরিকুল সাংবাদিক ।।

  • তানোরে শহীদি কাফেলার কমিটি গঠন

    তানোরে শহীদি কাফেলার কমিটি গঠন

    আলিফ হোসেন,তানোরঃ
    রাজশাহীর তানোরে শহীদি কাফেলা
    বাংলাদেশ জামায়াত ইসলামী পাঁচন্দর ইউনিয়ন (ইউপি) শাখার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের যুব বিভাগের কমিটি গঠন করা হয়েছে। জানা গেছে, গত ৯ অক্টোবর বুধবার কমিটি গঠন উপলক্ষে পাঁচন্দর ইউপির বিনোদপুর স্কুল চত্ত্বরে কর্মী সমাবেশ আয়োজন করা হয়। এদিন ৫ নম্বর ওয়ার্ড জামায়াতের সভাপতি আব্দুল মাজেদের সভাপতিত্বে আয়োজিত কর্মী সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী তানোর উপজেলা শাখার আমির মাওলানা আলমগীর হোসেন এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সম্পাদক ডিএম আক্কাস আলী, পাঁচন্দর ইউনিয়ন (ইউপি) আমির জুয়েল রানা, ইউপি নায়েবে আমির মাওলানা এরশাদ আলী, শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সভাপতি মাওলানা ওবাইদুর রহমান, তোফাজ্জল হোসেন, ডাঃ মোজাহার আলী ও মাওলানা রুস্তম আলী প্রমুখ।এছাড়াও স্থানীয় নেতৃবৃন্দগণ।এদিন ইনসান আলীকে সভাপতি, গোলাম মোস্তফা সম্পাদক ও আব্দুল্লাহ আল-কাফিকে সাংগঠনিক সম্পাদক করে ৫ নম্বর ওয়ার্ড যুব শাখার ৫১ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন করা হয়েছে। অনুষ্ঠানে কোরআন তেলওয়াত করেন মাওলানা আব্দুস সবুর। কোরআন তেলওয়াতের মধ্যদিয়ে কর্মী সমাবেশের শুভ সূচনা করা হয়।

  • গোদাগাড়ীতে গবাদিপশুর  পিপিআর এবং ক্ষুরারোগ নির্মুলে বিনামূল্যে

    গোদাগাড়ীতে গবাদিপশুর পিপিআর এবং ক্ষুরারোগ নির্মুলে বিনামূল্যে

    টিকা প্রদান করা হচ্ছে।

    নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহীঃ রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে প্রানিসম্পদ অধিদপ্তর এর পিপিআর এবং ক্ষুরারোগ নির্মুল প্রকল্প এর আওতায় সারা দেশের মত গোদাগাড়ীতে বিনামুল্যে পিপিআর রোগের টিকা প্রদান কার্যক্রম শুরু হয়েছে। গত ১ অক্টোবর হতে শুরু করে ১৮ অক্টোবর পযন্ত চলমান থাকবে।

    উপজেলা প্রানিসম্পদ দপ্তর ও ভেটেরিনারি হাসপাতাল গোদাগাড়ীর সার্বিক তত্বাবধানে গোটা উপজেলাতে প্রায় ১ লাখ ৪০ হাজার ডোজ পিপিআর টিকা প্রদান করা হবে। প্রতিটি ইউনিয়নের প্রতিটি ওয়ার্ডে ২ দিন করে এ টিকা প্রদান করা হচ্ছে।

    উপজেলা প্রাণি সম্পদ কর্মকর্তা ডা. শায়লা শারমিনের বলেন, উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর ও ভেটেনারি হাসপাতালের আয়োজনে গবাদিপশু পালনকারীদের বিভিন্নভাবে সেবা দেয়া হচ্ছে তারই অংশ হিসেবে উঠান বৈঠক ও ফ্রি ভ্যাটেনারী মেডিকেল ক্যাম্প করা হয়েছে।

    এখন উপজেলার ৯ টি ইউনিয়ন ও ২ টি পৌরসভার প্রতিটি ওয়ার্ডে বিনামূল্যে পিপিআর টিকা প্রদান করা হচ্ছে। এলাকার মানুষ বেশ আগ্রহের সাথে তাদের ছাগল নিয়ে এসে টিকা দিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। গোদাগাড়ী একটি বড় উপজেলা, গবাদিপশুর সংখ্যাও বেশী আমাদের সীমিত লোকবল নিয়ে পরিশ্রম করে কাজ চালিয়ে যাচ্ছি কোন ধরণের সমস্যা হচ্ছে না।

    মোঃ হায়দার আলী
    ,রাজশাহী।

  • নলছিটিতে চরকয়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ

    নলছিটিতে চরকয়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ

    ঝালকাঠি প্রতিনিধিঃ মোঃ নাঈম মল্লিক

    ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলার দপদপিয়া ইউনিয়নে চরকয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বেবি ইয়াসমিনের বিরুদ্ধে নানা দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেছে। তাঁর বিরুদ্ধে এলাকাবাসী ও বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী অভিভাবকরা প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টার কাছে লিখিত অভিযোগ পাঠিয়েছেন।
    অভিযোগে জানা যায়, বেবি ইয়াসমিন বিদ্যালয়ে যোগদানের পর থেকে একের পর এক দুর্নীতি ও অনিয়ম করে যাচ্ছেন। বিদ্যালয়ের নলকূপের সঙ্গে সংযোগ করে নিজের ঘরে পানির লাইন নিয়েছেন। ফলে নলকূপটি শিক্ষার্থীরা ব্যবহার করতে পারছে না। ঝড়-বন্যায় বিদ্যালয়ে কোন ক্ষতি না হলেও তিনি স্থানীয় মিস্ত্রি এনে নতুন দুটি টিন খুলে ফেলেন। বিদ্যালয় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে বরাদ্দ এনে তা আত্মসাত করেন। গত ২৬ জানুয়ারি বিদ্যালয়ের মাঠের পাশে দুটি চাম্বল গাছ কেটে বিক্রি করে দেন। ওই টাকাও তিনি আত্মসাত করেন। গাছ কাটার জন্য কোন কমিটি করা হয়নি। কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়াই তিনি গাছ কেটে বিক্রি করেন। বিদ্যালয়টি তাঁর বাড়ির পাশে হওয়ায় তিনি ঠিকমতো ক্লাসে আসেন না। স্কুল রেখে বাড়িতে গিয়ে রান্না করনে। এ বিষয়ে অভিভাবকরা কিছু বললে, তাকে দেখে নেওয়ার হুমকি দেন এই প্রধান শিক্ষক। তাঁর অনৈতিক কর্মকান্ডের ফলে দিনদিন বিদ্যালয়ে শিক্ষার পরিবেশ হারাচ্ছে। তাঁর খামখেয়ালীপনায় অতিষ্ট হয়ে উঠেছে স্থানীয় বাসিন্দারা।
    এ ব্যাপারে প্রধান শিক্ষক বেবি ইয়াসমিন বলেন, আমার বিরুদ্ধে আনা সকল অভিযোগ মিথ্যা। আমার বাড়ির পাশে স্কুল থাকায় অনেকেই আমাকে সহ্য করতে পারেন না।
    ঝালকাঠির জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা অশোক কুমার সমাদ্দার বলেন, ইতোমধ্যে বেবি ইয়াসমিনের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু হয়েছে। রিপোর্ট পেলে, সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

  • শার্শার কায়বা ইউনিয়নের ঠেঙামারী বিলের করুন দশা, হাজার হাজার চাষী এখন নিঃস্ব

    শার্শার কায়বা ইউনিয়নের ঠেঙামারী বিলের করুন দশা, হাজার হাজার চাষী এখন নিঃস্ব

    আজিজুল ইসলাম,যশোরঃ যশোরের শার্শা উপজেলার কায়বা ইউনিয়নের ঠেঙামারী বিল একটি অভিশপ্ত নাম। ১৯ ৭১ সাল থেকে এখনও পর্যন্ত ঠেঙামারী বিলের ৫শ একর আমন ধানের জমি ৬ মাস ধরে পানির নিচে তলিয়ে থাকে। ফলে দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতার কারনে শত শত চাষি আজ পথের ফকির। টানা ৫৩ বছর ধরে এই বিলে কোনো আমন ফসল হয়না। যে কারনে কৃষকরা তাদের জায়গা জমি হারিয়ে এখন দিশে হারা। এক কালে যারা ধনী চাষি পরিবার ছিলো আজ তারা অসহায় পড়েছে। ঠেঙামারী বিলসহ আসপাশের আওয়ালী বিল ও গোমর বিল সহ বেশ কয়েকটি বিল আষাঢ়মাস থেকে পানির নীচে ডুবে থাকে। যার দরুন রুদ্রপুর, দাউদখালী, ভবানীপুর, কায়বা, পাঁচকায়বা, গাজীর কায়বা,পাড়ের কায়বা ও বাইকোলাসহ কায়বা ইউনিয়নের ৮ গ্রামের হাজার হাজার চাষী আমন ধানের চাষ করতে না পেরে পথের ফকির বনে গেছেন। তারা এখন শুধু ইরিচাষের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েছেন। অনেক সময় বিলের পানি সময়মতো নিষ্কাসিত না হওয়ায় ইরি বোরো চাষেও মার খেয়ে যায় চাষীরা।

    জলাবদ্ধতার আজও কোনো সমাধান করেনি কোনো সরকার। জানা গেছে ভারত বাংলাদেশ সীমানা নির্ধারণী নদীর সাথে সংযোগ খাল রয়েছে ঠেঙামারী বিলের মাঝ দিয়ে। যেটা চলে গেছে শার্শার উত্তর অঞ্চলে। বর্ষা মৌসুমে ঐ অঞ্চলের সমুদয় বিলের পানি জমা হয় ঠেঙামারী বিলে। এবং এই পানি নামতে নামতে ইরি মৌসুমে শেষ হয়ে যায়। চাষীরা আমন ধান তো লাগাতেই পারেনা। এমনকি ইরি বোরো ধানও লাগাতে পারেনা চাষীরা। ৮০ ও ৯০ দশকের শেষ দিকে রুদ্রপুর ও দাউদখালী গ্রামের জিরো পয়েন্টে দুটি স্লুইসগেট নির্মান করা হয়েছিলো। নির্মানে ত্রুটি থাকায় তা কোনো কাজে আসছে না। গত বছর পরীক্ষা মুলক ভাবে খালের মুখ বন্ধ করে দেয়া হয়। এবং বিলের পানি সেচে ইরিধান রোপন করা হয়। খালের মুখ বন্ধ করার ফলে নদীর জোয়ারের পানি এবার প্রবেশ করতে পারেনি। যেকারণে পানির চাপ এবছর একটু কম ছিলো। তার পরেও বিলে জমে থাকা এপানি বেরুনোর কোনো রাস্তা না থাকায় জলাবদ্ধতার কোনো নিরসন হয়নি। এলাকাবাসীর দাবী গোমর বিলের ভেতর দিয়ে নতুন খাল কেটে কলারোয়া উপজেলার সোনাই নদীর সাথে সংযোগ ঘটালে ও ইছামতী নদীর সংযোগস্থলে বাঁধ দিয়ে মোটর গেট চালু করতে পারলে স্থায়ীভাবে জলাবদ্ধতার নিরসন হতে পারে।

  • উজিরপুরে সুদের টাকার বিনিময়ে জমি লিখে নিয়ে বৃদ্ধাকে ঘড় থেকে বের করে দেওয়ার অভিযোগ।

    উজিরপুরে সুদের টাকার বিনিময়ে জমি লিখে নিয়ে বৃদ্ধাকে ঘড় থেকে বের করে দেওয়ার অভিযোগ।

    জুনায়েদ খান সিয়াম,
    উজিরপুর প্রতিনিধিঃ বরিশালের উজিরপুরে সুদের টাকার বিনিময়ে জমি লিখে নিয়ে ৭৫ বছরের বৃদ্ধা মনোয়ারা বেগমকে ঘড় থেকে বের করে দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। বৃদ্ধা এখন বিভিন্ন বাড়িতে মানবেতর জীবনযাপন করছে। স্থানীয় ও থানার অভিযোগ সুত্রে যানাজায় উপজেলার ওটরা গ্রামের মৃত চেরাগ আলী ঘরামীর স্ত্রী মনোয়ারা বেগম (৭৫) তার ছেলে শাহিন ঘরামীকে নিয়ে স্থানীয়দের সহযোগিতায় একটি আধাপাকা ঘড় নির্মাণ করে বসবাস করে আসছেন। এ ব্যাপারে বৃদ্ধার ছেলে শাহিন ঘরামী জানান সংসারে অভাব অনটনের কারনে চাচাতো ভাই চুন্নু ঘরামীর কাছ থেকে কয়েক বছর পূর্বে সুদ বাবদ ১০ হাজার কখোনো ৫ হাজার করে মোট ১ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা গ্রহন করি। পরবর্তীতে ৫ শতাংশ জমি লিখে নেওয়ার কথা বলে জোর পূর্বক সব জমি লিখে নিয়েছেন বলে প্রচার করছেন। এমন কি আমার বৃদ্ধ মাকে তার বসবাসকৃত ঘড় থেকে বের করে দেয়। মনোয়ারার সৎ ছেলে লাল মিয়া ঘরামী জানান তার মা বাদি হয়ে উজিরপুর মডেল থানায় ৬ জনের নাম উল্লেখ করে অভিযোগ দায়ের করেছেন। তিনি এখন মানবেতর জীবনযাপন করছে। অভিযুক্ত জুয়েল ঘরামী জানান তারা শাহিন ঘরামীর কাছ থেকে ৪ বছর পূর্বে ঘড় সহ ১৩ শতাংশ জমি ক্রয় করেছেন। তবে দলিলে কোথায়ও ঘর বিক্রির কথা উল্লেখ নেই। স্থানীয় নুরে আলম চৌকিদার জানান বৃদ্ধ মনোয়ারাকে ঘড় থেকে বের করে দেওয়া চরম অন্যায়। ঘড় বিক্রির কথা আমি শুনিনায়। উজিরপুর মডেল থানার ওসি তদন্ত মোঃ মিজানুর রহমান জানান অভিযোগ পেয়েছি তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

  • পুত্রবধূঁর সঙ্গে শ্বশুরের পরকীয়ার জেরে ছেলের হাতে পিতা খু*ন

    পুত্রবধূঁর সঙ্গে শ্বশুরের পরকীয়ার জেরে ছেলের হাতে পিতা খু*ন

    এটিএম সেলিম,
    ফুলবাড়ীয়া (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধিঃ পুত্রবধূর সঙ্গে শ্বশুরের পরকীয়ার জেরে নির্মম ভাবে হত্যার শিকার হয়েছেন ময়মনসিংহের ফুলবাড়ীয়া উপজেলার রাধাকানাই ইউনিয়নের পলাশতলী নিজপাড়া গ্রামের আঃ রহমান (গেন্দার) ছেলে আসাদুল ইসলাম (৪৫) ।
    পুত্রবধূর সঙ্গে পরকীয়ার সম্পর্ক শ্বশুরের পরকীয়ায় বাধা দেয় শাশুড়ি নাজমা আক্তার। পরকীয়া বাধা দেয়ায় শাশুড়ি নাজমাকে এক বছর আগে ডির্ভোস দেন স্বামী আসাদুল ইসলাম । নিহত আসাদুলের তিন ছেলে, মামুন হোসেন (৩০), সুজন মিয়া (২৬) শামীম মিয়া (২০) কে নিয়ে ঢাকা থাকেন নাজমা আক্তার। স্ত্রীর সঙ্গে বাবার এই সম্পর্কের কথা জানতে পেরে মামুনের তার স্ত্রী কে বাবা বাড়িতে রেখে আসার সিদ্ধান্ত নেন । পরে মামুন তার স্ত্রী সুন্দরীকে ডিভোর্স দেয় । কিন্তু বাবা এ সিদ্ধান্ত মানতে নারাজ। পুত্রবধূর সঙ্গে পরকীয়ায় বাধা হয়ে দাঁড়ানো  নাজমা আক্তার ও তার ছেলে মামুন । স্ত্রী ডির্ভোস হওয়ার পর  মামুনের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করেন তার স্ত্রী সুন্দরী বেগম ও মামুনের পিতা আসাদুল ইসলাম।
    নিহত আসাদুলের মা বলেন, আমার ছেলে  আসাদুল ঢাকা গাড়ি চালায় গত সোমবার বাড়িতে আইলে, আসাদুলের সুমুন্দির বউ লাইলী আক্তার আসাদুল স্ত্রী নাজমা তিন ছেলেকে খবর দিয়ে আনে। গত মঙ্গলবার রাত ৮ টায় সময় আসাদুল মিলের বাজার থেকে বাড়ি আসার সময় রাস্তায় আসাদুলের স্ত্রী ও তিন ছেলে রাস্তায় গতিরোধ করে দেশীয় অস্ত্র, লাঠি দিয়ে শরীরে বিভিন্ন স্থানে আঘাত করে। নিহতের মা বলেন আমার ছেলেকে পূর্বপরিকল্পনা করে মারধর করা হয় ।  
    নিহত চাচাতো বোন সাজেদা ও স্থানীয়রা বলেন, আসাদুল আমার জেষ্ঠাত ভাই  সন্ধ্যায় ৮টায় সময় চিৎকারের শব্দ শুনে দৌড়িয়ে গিয়ে দেখে তার স্ত্রী ও তিন ছেলে মামুন, সুজন ও শামীম  লোহার রড়, লাঠি, দা দিয়ে আমার ভাইকে ধান ক্ষেতে ফেলে এলোপাথারি মারধোর করতে দেখে, আমাদের ডাক চিৎকারে বাড়ি আশাপাশে লোকজন এসে আমার ভাইকে ঘটনা স্থল থেকে উদ্বার করেন ফুলবাড়ীয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নিয়ে গেলে দায়িত্বরত চিকিৎসক  অবস্থায় অবনতি দেখে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে রের্ফাড করলে ময়মনসিংহ নেওয়ার পথে  দাপুনিয়া নামক স্থানে মৃত্যুবরণ করেন।  
    এ ঘটনায় ফুলবাড়ীয়া থানা অফিসার ইনর্চাজ মোহাম্মদ রুকনজ্জামান বলেন, এ ঘটনায় শুনতে পেয়েছি, কেউ কোনো অভিযোগ করেনি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

  • কুড়িগ্রামে পুজা মন্ডপের আইন-শৃংখলা রক্ষায় নিয়োজিত আনসার ও ভিডিপি সদস্য-সদস্যাদের ব্রিফিং অনুষ্ঠিত

    কুড়িগ্রামে পুজা মন্ডপের আইন-শৃংখলা রক্ষায় নিয়োজিত আনসার ও ভিডিপি সদস্য-সদস্যাদের ব্রিফিং অনুষ্ঠিত

    ।।গোলাম মোস্তফা রাঙ্গা।।

    ০৮ অক্টোবর মঙ্গলবার দুপুর ১২ টা শারদীয় দূর্গাপূজা/২৪ উদ্্যাপন উপলক্ষে কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার বিভিন্ন পুজা মন্ডপের আইন-শৃংখলা রক্ষায় নিয়োজিত আনসার ও ভিডিপি সদস্য-সদস্যাদের মোতায়েনের পূর্বে বিভিন্ন দিক-নির্দেশনামূলক ব্রিফিং কুড়িগ্রাম জেলা আনসার ও ভিডিপি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হয়।

    এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুড়িগ্রাম আনসার ও ভিডিপি’র জেলা কমান্ড্যান্ট এ.এস. এম. সাখাওয়াৎ হোসাইন, বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন কুড়িগ্রাম সদর থানার অফিসার ইনচার্জ নাজমুল আলম। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কুড়িগ্রাম সদরের উপজেলা আনসার ও ভিডিপি কর্মকর্তা মোঃ মোশাররফ হোসেন। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন উপজেলা প্রশিক্ষক মাসুদুর রহমান।

    এ বছর জেলার নয় উপজেলা ও তিনটি পৌরসভায় ৪৮৫ পুজামন্ডপে মোট ৩১০২ জন সদস্য নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করবেন। এর মধ্যে পুরুষ ১৫৫১ জন ও মহিলা ৯৭০ জন। কুড়িগ্রাম সদরে ৪৬৪ জন, নাগেশ্বরীতে ৫০০জন, ফুলবাড়ীতে ৪৩০জন, ভূরুঙ্গামারী উপজেলায় ১২৬ জন, উলিপুরে ৬৩২ জন চিলমারীতে ১৪৮জন, রৌমারীতে ৪৪ এবং চর রাজিবপুর উপজেলায় ৬ জন। তবে জেলার সবচেয়ে রাজারহাট উপজেলায় সর্বাধিক ৭৫২জন আনসার ও ভিডিপি পূজামন্ডপে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের শারদীয় দূর্গোৎসব মন্ডপে নিরাপত্তা দায়িত্ব পালন করবেন।

    উল্লেখ্য এ বছর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে প্রতিটি পূজামন্ডপে সিসি ক্যামেরা লাগানোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। পূজামন্ডপ কমিটির নিজস্ব স্বেচ্ছাসেবক টিমেরও দায়িত্ব পালনের নির্দেশনা রয়েছে। এসব ব্যবস্থাপনা সুনিশ্চিত করতে হবে।

    পঞ্জিকা অনুযায়ী, আগামী ৯ অক্টোবর মহাষষ্ঠী, ১০ অক্টোবর মহাসপ্তমী ও ১১ অক্টোবর মহাষ্টমী পালিত হবে। মহানবমী পালিত হবে ১২ অক্টোবর এবং ১৩ অক্টোবর পালিত হবে বিজয়া দশমী। ওই দিন প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হবে দুর্গাৎসবের সকল আনুষ্ঠানিকতা।