Author: desk

  • পটিয়ায় আওয়ামী লীগ নেতা সন্ত্রা*সী আবছার গ্রেফতার

    পটিয়ায় আওয়ামী লীগ নেতা সন্ত্রা*সী আবছার গ্রেফতার

    মো.মহিউদ্দিন চৌধুরী।
    পটিয়া (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি :
    চট্টগ্রামের পটিয়ায় সাবেক এমপি ও হুইপ সামশুল হক চৌধুরীর ঘনিষ্ঠ সহচর শোভনদন্ডী ইউনিয়ন ৮ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক, ইউনিয়ন যুবলীগের সাবেক প্রচার সম্পাদক ১০-১৫ টি মামলার আসামি সন্ত্রাসী নুরুল আবছার (৩৯) গ্রেফতার হয়েছে।

    আজ সন্ধ্যা ৭ টার দিকে পটিয়া থানার পুলিশ থানার মোড় এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করে। নুরুল আবছার উপজেলার শোভনদন্ডী ইউনিয়নের হাতিয়ারঘোনা গ্রামের আবদুল ছবুরের ছেলে।

    গত ১৫ বছর আওয়ামী লীগ সরকারের সময় সে সাবেক হুইপ সামশুল হক চৌধুরীর ছত্রছায়ায় থেকে নানা অপকর্মের সাথে জড়িত ছিল।

    সে হিলচিয়া হাতিয়ারঘোনা এলাকায় সন্ত্রাস, চাঁদাবাজী, চুরি, গুলি,অগ্নিসংযোগ,দান বাক্সের টাকা চুরি সহ একাধিক ঘটনার মূল হোতা। গত বছরের ৯ আগস্ট তার নেতৃত্বে হিলচিয়া গ্রামে প্রতিপক্ষের উপর নির্বিচারে গুলি করা হয়।
    কিশোর গ্যাং লিডার আবছারের নেতৃত্বে ৮-১০ জনের একটি দল গত বছরের ২ জুন মো. সাকিব নামে একজনকে গুলি করে গুরুতর আহত করে। এই ঘটনায়ও হাতিয়ারঘোনা গ্রামের মৃত ফারুক আহমদ খানের ছেলে বাহাদুর ইসলাম খান (৪০) বাদী হয়ে নুরুল আবছার কে ১ নং আসামি করে মোট আট জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন।
    গত বছরের এপ্রিল মাসে হিলচিয়া গ্রামের জফিকুল ইসলাম নামে একজনকেও একই ভাবে সন্ত্রাসী আবছারের নেতৃত্বে গুলি করে আহত করে। ঐ ঘটনায় সন্ত্রাসী আবছার প্রায় আড়াই মাস জেল হাজতে ছিল।
    স্থানীয় ও একাধিক লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, নুরুল আবছারের নেতৃত্বে একটি সংঘবদ্ধ কিশোর গ্যাং চক্র মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে। তাদের নেতৃত্বে এলাকায় প্রতিনিয়ত মারামারি হানাহানি লেগে আছে। বিভিন্ন অলিগলিতে এদের দেখা মিলছে। তারা দিন রাত নানা অপরাধে জড়িয়ে পড়ছে। চুরি, ছিনতাই, ইভটিজিং,মদ,গাঁজা ও ইয়াবা সেবন এবং বিকিকিনি সহ নানা অপরাধ মূলক কর্মকাণ্ডে তারা জড়িত। সুযোগ বুঝে সিএনজি গাড়ি থামিয়ে যাত্রী ও পথচারীদের কাছ থেকে মোবাইল ফোন ও টাকা-পয়সা হাতিয়ে নেওয়া। রাতের বেলা সারা রাত জেগে থেকে মানুষের গরু,ছাগল, হাঁস, মুরগী, কবুতর, কলা,পেপে ইত্যাদি গাছের ফল ফলাদি ও পুকুর থেকে মাছ চুরি করা, মানুষের গাছগাছালি কেটে নিয়ে যাওয়া তাদের পেশা ও নেশা।
    কখনো স্কুল-কলেজগামী ছাত্রীদের উত্ত্যক্ত করে। বেবি আকতার এ্যানি নামের একজন স্কুল ছাত্রীর শ্লীলতাহানির চেষ্টা কালে বাধা দেওয়ায় মা সহ ঐ ছাত্রীকে কুপিয়ে আহত করে এই গ্যাংয়ের সদস্যরা। তারা কখনো এলাকায় জায়গা-সম্পত্তি নিয়ে দুই পক্ষের বিরোধে টাকার বিনিময়ে কোনো এক পক্ষের হয়ে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে অবস্থান নেয়। এ সবই এই কিশোর গ্যাংয়ের নিয়মিত কর্মকাণ্ড।
    তাদের হাতে প্রতিনিয়ত বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ লাঞ্চিত হচ্ছে।
    গত বছরের ১০ এপ্রিল মামলার স্বাক্ষী আমির হোসেন, ২০ এপ্রিল রিক্সা চালক মো. জামাল ও তার স্ত্রী, ৫ মে আবু নাসের শিমুল সহ ৩ জন, ২৩ মে খোরশেদ সহ ৮ জন,২৬ মে ইমরান,২৭ মে নজির আহমদ, ৬ জুন সিএনজি চালক আবু তালেবকে কিশোর গ্যাং লিডার আবছারের নেতৃত্বে ধাওয়া করলে ভয়ে হ্রদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে মৃত্যু বরণ করে। ১২ জুন হাতিয়ারঘোনা গ্রামের আবদুল মুবিনের পিকআপ ভাংচুর করে। ২২ জুন আদালতে তাদের দলের ৫ সদস্য আটক হলে পরের দিন
    ২৩ জুন ক্ষিপ্ত হয়ে ইদ্রিচ আলী, তার স্ত্রী বোন সহ ৪ জনের উপর হামলা করে গুরুতর আহত করে। তাদের বাড়ি ঘর থেকে বের করে দিয়ে বাড়িঘর ভাংচুর ও মূল্যবান মালামাল লুটপাট করে নিয়ে যায়।স্থানীয় বিএনপি নেতা বাহাদুর ইসলাম খান জানান,সাবেক হুইপ সামশুল হক চৌধুরীর ঘনিষ্ঠ সহচর আওয়ামী লীগ নেতা সন্ত্রাসী আবছারকে গ্রেফতার হয়েছে শুনে এলাকার মানুষ আনন্দিত হয়েছে। সে গত ১৫ বছর হিলচিয়া হাতিয়ারঘোনা গ্রামের মানুষকে অত্যাচার নির্যাতন করেছে। বহু মানুষকে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করেছে। আমিসহ এলাকাবাসীকে শেখ মুজিব ও শেখ হাসিনার ছবি ভাংচুরের নামে মিথ্যা রাস্ট্রদ্রোহী মামলা দিয়ে হয়রানি করেছে।তার দলের আরও ৮-১০ জনকে গ্রেফতার করার পর এলাকায় শান্তি আসবে। না হয় যে কোন মুহুর্তে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।

  • নাটোরের লালপুরে বিএনপি’র উদ্যোগে সূধী সমাবেশ অনুষ্ঠিত 

    নাটোরের লালপুরে বিএনপি’র উদ্যোগে সূধী সমাবেশ অনুষ্ঠিত 

    ষ্টাফ রিপোর্টারঃ

    নাটোরের লালপুরে অর্জুনপুর-বরমহাটি, ওয়ালিয়া, দূয়ারিয়া ও কদিমচিলান ইউনিয়ন বিএনপি’র উদ্যোগে সূধী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১০ অক্টোবর) বিকেলে উপজেলার রুইগারী উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে এই সূধী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

    উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) কেন্দ্রীয় কার্যকরী কমিটির সহ-দপ্তর সম্পাদক এ্যাড. মোঃ তাইফুল ইসলাম টিপু। 

    নাটোর জেলা ছাত্রদলের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ কামরুজ্জামান সোহাগ এর সঞ্চালনায়, বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, গোপালপুর পৌর বিএনপি’র যুগ্ম আহবায়ক মোঃ সাইফুল ইসলাম রানা, গোপালপুর পৌর যুবদলের আহ্বায়ক মোঃ আবুল খায়ের একে, ঈশ্বরদী ইউনিয়ন বিএনপি’র সাবেক সভাপতি মোঃ আমিনুল হক টমি, লালপুর ইউনিয়ন যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোঃ এজাজুল হক বাচ্চু, কদিমচিলাম ইউনিয়ন বিএনপি’র সাবেক সভাপতি  চাঁদ মোহাম্মদ, লালপুর থানা যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মোঃ আব্দুস শাহান মাসুম, এবি ইউনিয়ন যুবদলের সাবেক সভাপতি মোঃ আরজেদ আলী সরকার প্রমুখ।

    এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন লালপুর থানার বিভিন্ন ইউনিয়ন বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের এর নেতাকর্মী এবং অত্র এলাকার সুধীবৃন্দ।

  • সুজানগরের পদ্মায় মাছ ধরতে গিয়ে বজ্রপাতে দুলাভাই নিহত, শ্যালক নিখোঁজ

    সুজানগরের পদ্মায় মাছ ধরতে গিয়ে বজ্রপাতে দুলাভাই নিহত, শ্যালক নিখোঁজ

    এম এ আলিম রিপন ঃ পাবনার সুজানগরের পদ্মা নদীতে মাছ শিকার করতে গিয়ে বজ্রপা‌তে মো: ফরিদ হোসেন নামে এক জেলের মৃত্যু হ‌য়ে‌ছে। এ ঘটনায় মো: মমুন মন্ডল(২৮) নামে অপর এক জেলে নিখোঁজ রয়েছেন। সম্পর্কে তারা শ্যালক- দুলাভাই। বৃহস্পতিবার (১০ অক্টোবর) দুপুর ১২টার দিকে নিহত জেলে ফরিদ হোসেনের লাশ উপজেলার নাজিরগঞ্জ ইউনিয়নের হাসামপুর এলাকার পদ্মা নদীর তীরে ভেসে উঠলে স্থানীয়রা উদ্ধার করে। এর আগে গত বুধবার সন্ধ্যার দিকে স্থানীয় নাজিরগঞ্জ ইউনিয়নের পদ্মা নদীতে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত ফরিদ হোসেন উপজেলার সাতবাড়ীয়া এলাকার মো.রস্তম হোসেনের ছেলে। সে তার শ্বশুরবাড়ি নাজিরগঞ্জের মহনপুরে দীর্ঘদিন ধরে বসবাস করছিলেন। পুলিশ ও স্থানীয় এলাকাবাসী সূত্রে জানাযায়, ফরিদ হোসেন ও তার শ্যালক মামুন ওই দিন বিকালের দিকে নাজিরগঞ্জের পদ্মা নদীতে মাছ ধরতে নামেন। এ সময় হঠাৎ বজ্রপাত হলে তাদের গাঁয়ে লাগলে দুইজনই নৌকা থেকে নদীতে ছিটকে পড়ে গিয়ে নিখোঁজ হন। পরে বৃহস্পতিবার নিহত ফরিদের লাশ পানিতে ভেসে উঠলে স্থানীয়রা উদ্ধার করে। এঘটনায় এখনও নি‌খোঁজ রয়েছেন তার শ্যালক মামুন। মামুন স্থানীয় নাজিরগঞ্জ ইউনিয়নের মহনপুর গ্রামের জনাব আলীর ছেলে।সুজানগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (‌ও‌সি ) গোলাম মোস্তফা ঘটনার সত্যতা নি‌শ্চিত করেন।

    এম এ আলিম রিপন
    সুজানগর(পাবনা)প্রতিনিধি।।

  • নিউইয়র্ক মহানগর দক্ষিন বিএনপির” সভাপতি হাবিবুর রহমান সেলিম রেজা’র শারদীয় শুভেচ্ছা

    নিউইয়র্ক মহানগর দক্ষিন বিএনপির” সভাপতি হাবিবুর রহমান সেলিম রেজা’র শারদীয় শুভেচ্ছা

    কাঁঠালিয়া সংবাদদাতা
    সনাতন ধর্মাবলম্বীদের দুর্গাপূজার শুভেচ্ছা জানিয়েছে ঝালকাঠি -১ রাজাপুর- কাঁঠালিয়ার গনমানুষের নেতা নিউইয়র্ক মহানগর দক্ষিন বিএনপির” সভাপতি হাবিবুর রহমান সেলিম রেজা’
    শুভেচ্ছা বার্তায় সেলিম রেজা বলেন, শারদীয় দুর্গোৎসব ও বিজয়া দশমী উপলক্ষে আমি সকল হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানাচ্ছি। অব্যাহত সুখ, শান্তি ও কল্যাণ কামনা করছি”

    সেলিম রেজা বলেন, দুর্গাপূজা বাংলা ভাষাভাষী হিন্দু সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব। আবহমান কাল ধরেই উপমহাদেশে এ উৎসবটি আনন্দঘন পরিবেশে পালিত হয়ে আসছে। যেকোনও ধর্মীয় উৎসবই সাপ্রদায়িক ভেদাবেদ অতিক্রম করে মানুষে মানুষে মহামিলনের সূচনা করে। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি আমাদের জাতীয় ঐতিহাসিক অংশ।

    তিনি বলেন, ধর্মীয় উৎসব ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সব মানুষকে এক বৃহত্তর শুভেচ্ছার প্রাঙ্গণে মিলিত করে। দুর্গাপূজার উৎসব সবার মধ্যে নিয়ে আসে আনন্দের বার্তা। এটি শাশ্বত সর্বজনীন উৎসব। বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দেশ।এদেশে সবসময় সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির উজ্জল দৃষ্টান্ত চলমান।এখানে সকল ধর্মের মানুষ তাদের ধর্মীয় উৎসব পালন করে।তিনি সকলের সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি

    সফিকুল ইসলাম শাওন
    কাঁঠালিয়া সংবাদদাতা ।।

  • বাংলাদেশ আনসার ও ভিডিপি’র রংপুর রেঞ্জ কমান্ডার কর্তৃক কুড়িগ্রামে দুর্গাপূজার আইন-শৃংখলা পরিস্থিতি পরিদর্শন

    বাংলাদেশ আনসার ও ভিডিপি’র রংপুর রেঞ্জ কমান্ডার কর্তৃক কুড়িগ্রামে দুর্গাপূজার আইন-শৃংখলা পরিস্থিতি পরিদর্শন

    ।। গোলাম মোস্তফা রাঙ্গা।।

    ১০ অক্টোবর বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর রংপুর রেঞ্জ কমান্ডার পরিচালক মোঃ আব্দুস সামাদ বিভিএম, পিভিএমএস, কুড়িগ্রামের বিভিন্ন উপজেলার পূজা মন্ডপের আইন-শৃংখলা রক্ষার ব্যবস্থাপনা পরিদর্শন করেন। পরিদর্শনকালে তিনি নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা আনসার ভিডিপি সদস্যদের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকাকালীন করণীয় ও বর্জনীয় বিষয়ে দিক নির্দেশনা প্রদান করেন। এছাড়াও পূজা মন্ডপ কমিটি সদস্যদের সাথেও মত বিনিময় করেন এবং বাহিনীর পক্ষ থেকে পূজার উপহার হিসেবে মিষ্টি হস্তান্তর করেন। মতবিনিময়কালে পূজা মন্ডপের নিরাপত্তায় সরকার কর্তৃক জারিকৃত বিভিন্ন নির্দেশনা প্রতিপালনের বিষয়ে খোঁজ খবর নেন এবং তা যথাযথাভাবে পালন করার বিষয়ে সচেতন থাকার জন্য বলেন। এসময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী, কুড়িগ্রামের জেলা কমান্ড্যান্ট এ এস এম সাখাওয়াৎ হোসাইন, সহকারী জেলা কমান্ড্যান্ট মোঃ ইবনুল হক, রংপুর রেঞ্জের সহকারী পরিচালক মুহাম্মদ আছাদুজ্জামান এবং সংশ্লিষ্ট উপজেলার উপজেলা আনসার ও ভিডিপি কর্মকর্তা, উপজেলা প্রশিক্ষক, উপজেলা প্রশিক্ষিকাগণ। তিনি পর্যায়ক্রমে রংপুর রেঞ্জের বিভিন্ন জেলার পূজা মন্ডপে আইন-শংখলা রক্ষায় নিয়োজিত আনসার সদস্যদের নিরাপত্তা কার্যক্রম পরিদর্শন করে যাচ্ছেন। এসময় তিনি জেলা কমান্ড্যান্ট, উপজেলা আনসার ও ভিডিপি কর্মকর্তা, উপজেলা প্রশিক্ষক-প্রশিক্ষিকাদেরকে পূজামন্ডপ নিরাপত্তার বিষয়টি নিশ্চিত করার জন্য নির্দেশনা প্রদান করেন এবং নিবেদিত প্রাণ হয়ে কাজ করার আহবান জানান। পূজামন্ডপ পরিদর্শন শেষে তিনি কুড়িগ্রাম জেলা আনসার ও ভিডিপি কার্যালয় পরিদর্শন করেন। তিনি পূজা মন্ডপের আইন-শৃংখলা রক্ষায় সার্বক্ষণিক নিয়োজিত আনসার ব্যাটালিয়ন সদস্যদের নিয়ে গঠিত স্ট্রাইকিং ফোর্সের সদস্যদেরকেও বিভিন্ন দিক-নির্দেশনা প্রদান করেন।

  • নড়াইলে বিশ্ববরেণ্য চিত্রশিল্পী এস এম সুলতানের মুত্যুবার্ষিকী পালিত

    নড়াইলে বিশ্ববরেণ্য চিত্রশিল্পী এস এম সুলতানের মুত্যুবার্ষিকী পালিত

    উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে//
    নড়াইলে বিশ্ববরেণ্য চিত্রশিল্পী এস এম সুলতানের ৩০তম মুত্যুবার্ষিকী পালিত।
    নড়াইলে নানা আয়োজনে বিশ্ববরেণ্য চিত্রশিল্পী এস এম সুলতানের ৩০তম মৃত্যুবার্ষিকী পালন করা হয়েছে। উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে জানান, বৃহস্পতিবার (১০ অক্টোবর) এ উপলক্ষে কোরআন খতম, চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা, দোয়া মাহফিল ও আলোচনা অনুষ্ঠানসহ নানান আয়োজন করা হয়।
    এ দিন জেলা প্রশাসন ও এস এম সুলতান ফাউন্ডেশনের আয়োজনে শহরের মাছিমদিয়ায় এসএম সুলতান স্মৃতি সংগ্রহশালায় তার রুহের মাগফেরাত কামনা করে দেওয়া হয় কোরআন খতম।
    এছাড়া সকাল সাড়ে ৮টায় শিশুস্বর্গ মিলনায়তনে শিশুদের চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা, সকাল সাড়ে ৯টায় এস এম সুলতানের সমাধিতে শ্রদ্ধাঞ্জলি ও দোয়া মাহফিল, শিশুস্বর্গে শিশুদের আঁকা চিত্রকর্ম প্রদর্শনীর উদ্বোধন করা হয়।
    একই দিন সকাল ১০টায় শিশুস্বর্গ মিলনায়তনে শিল্পী এস এম সুলতানের জীবন ও কর্মের ওপর আলোচনা ও পুরস্কার বিতরণী এবং পটগানের আয়োজন করা হয়।
    অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা প্রশাসক ও সুলতান ফাউন্ডেশনের সভাপতি শারমিন আক্তার জাহান। অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন – অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) শাশ্বতী শীল, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. মনিরুল ইসলাম, সুলতান ফাউন্ডেশনের আজীবন সদস্য সুলতান মাহমুদ, এস এম সুলতান স্মৃতি সংগ্রহশালার কিউরেটর তন্দ্রা মূখার্জীসহ প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তা, বীর মুক্তিযোদ্ধা, এস এম সুলতান চারুকলা মহাবিদ্যালয়ের শিক্ষক ও সুলতান প্রেমীরা।
    জেলা প্রশাসক ও সুলতান ফাউন্ডেশনের সভাপতি শারমিন আক্তার জাহান বলেন, মাটি ও মানুষের শিল্পী এসএম সুলতান আমাদের গর্ব। তিনি শিল্পকর্মের মাধ্যমে বিশ্ব দরবারে বাংলাদেশকে তুলে ধরেছেন। তার চিত্রকর্মে গ্রাম-বাংলার চিত্র ফুটে উঠেছে। সুলতানের চিত্রকর্ম নতুন প্রজন্মের মাঝে ছড়িয়ে দিতেও আহ্বান জানান তিনি।

  • গোদাগাড়ী ও তানোরে বিএনপির নেতার পূজামণ্ডপ পরির্দশন ও অর্থ সহায়তা

    গোদাগাড়ী ও তানোরে বিএনপির নেতার পূজামণ্ডপ পরির্দশন ও অর্থ সহায়তা

    নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহী : শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে রাজশাহীর গোদাড়াড়ী ও তানোর উপজেলার বিভিন্ন পূজা মণ্ডপ পরির্দশন ও নগদ অর্থ সহায়তা করছেন গোদাগাড়ী উপজলা বিএনপির অন্যতম সদস্য বিশিষ্ট শিল্পপতি এ্যাড সুলতানুল ইসলাম তারেক ও উপজেলা বিএনপির নেতৃবৃন্দ ।

    মঙ্গলবার সকাল থেকে দুই উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের পুজা মন্ডপে গিয়ে হিন্দু সম্প্রদায়ের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময় এবং তাদের নগদ অর্থ তুলে দেন । এসময় বিএনপির নেতা সুলতানুল ইসলাম তারেক বলেন, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চ্যোয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশনায় আজ থেকে উপজলার বিভিন্ন পূজা মণ্ডপ পরির্দশন ও তাদের উপহার সামগ্রী বিতরণ শুরু করেছি, আগামী তিনদিন এই কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে । এছাড়া শারদীয় দুর্গোৎসব নির্বিঘ্ন ও আনন্দঘন করতে ষষ্ঠী থেকে দশমী পর্যন্ত বিএনপি নেতাকর্মীরা প্রতিটি মণ্ডপে পাহারায় থাকবেন। তিনি আরও বলেন বিগত দিনে সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজী, লুটপাটের কারনে আপনারা ভালভাবে পূজা উদযাপন করতে পারেন নি। এবার বিএনপির নেতাকর্মী আপনাদের পাশে আছেন কোন সমস্যা হবে না।

    এসময় উপস্থিত ছিলেন, গোদাগাড়ী পৌর বিএনপির সভাপতি মজিবুর রহমান, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আনারুল সরকার, পৌর বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি আবদুল ওহাব, আমিনুল ইসলাম ফটিক, রাজশাহী জেলা যুবদলের যুগ্ন আহ্বায়ক রবিউল ইসলাম কুসুম, গোদাগাড়ী উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক মাসু, পৌর মৎসজিবি দলের সাধারণ সম্পাদক হারুনসহ আরও অনেকে।

    মোঃ হায়দার আলী
    নিজস্ব প্রতিবেদক
    রাজশাহী।

  • রাজশাহী মেডিকেল থেকে তিন দিনের নবজাতক চুরি

    রাজশাহী মেডিকেল থেকে তিন দিনের নবজাতক চুরি

    রাজশাহী থেকে মোঃ হায়দার আলী: রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতাল থেকে তিন দিনের এক নবজাতক চুরির অভিযোগ উঠেছে । বুধবার (৯ অক্টোবর) বিকেলে হাসপাতালের ২৬ নম্বর ওয়ার্ড থেকে চুরির এ ঘটনা ঘটে। নবজাতকের স্বজনরা বলছেন, বাচ্চা তার নানির কোলে ছিলেন । এসময় অপরিচিত এক মহিলা বাচ্চার উন্নত চিকিৎসার কথা বলে হাসপাতালের বাইরে নগরীর বাটার মোড়ে এক আবাসিক হোটেলে নিয়ে যান। সেখান থেকে ডাক্তার দেখানোর কথা বলে কৌশলে বাচ্চা চুরি করা হয় ।

    হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বলছে, মোছা. মনি খাতুন নামের এক নারী গত ৭ তারিখে পুত্র সন্তান জন্ম দেন । এর তিনদিন পর বাচ্চা হারানোর এমন অভিযোগ পেলে জানতে পারি নবজাতককে জোর করে বা ছিনিয়ে নেওয়া হয়নি । বাচ্চার নানি নিজেই অপরিচিত এক মহিলার কাছে দিয়েছেন । তাদের থেকে যদি বাচ্চা নিয়ে যায় তাহলে আমাদের কিছু করার থাকে না।

    রামেক হাসপাতালের মুখপাত্র ডা. শংকর কে বিশ্বাস জানান, তারা আনুষ্ঠানিক ভাবে কোনো অভিযোগ করেননি । তবে এই ঘটনা জানার পর থেকে আমরা নিজেরাও ক্ষতিয়ে দেখছি এবং কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে প্রশাসনকে জানিয়েছি । সকল সিসিটিভি ক্যামেরা পর্যবেক্ষণ করে এবং পুলিশের সহযোগীতায় খুব দ্রুত একটা সমাধানে আশতে পারবো বলে আশা করি । নবজাতকের বাবার নাম সুমন মিয়া। তাঁর বাড়ি রংপুরের পীরগাছা থানার তাম্বুলপুর গ্রামে। সুমনের স্ত্রীর নাম মোছা. মনি খাতুন। তাঁর বাবার বাড়ি ঈশ্বরদীর গোকুলনগর গ্রামে।

    সন্তান চুরির এ ঘটনার একদিন পর নগরীর রাজপাড়া থানায় অভিযোগ দিয়েছেন সুমন আলী । তিনি বলেন, গত সোমবার আমার স্ত্রী সিজারিয়ান অপারেশনের মাধ্যমে প্রথমবারের মতো একটি ছেলে সন্তান জন্ম দেন । বুধবার বিকেলে আমার শাশুড়ি বাচ্চা কোলে নিয়ে হাসপাতালের মেঝেতে দাড়িয়ে ছিলেন। এসময় বোরকা পরিহিত অপরিচিত এক মহিলা নিজেকে স্বেচ্ছাসেবী দাবি করে বাচ্চা অসুস্থ এবং ভালো চিকিৎসার কথা বলে শহরের এক হোটেলের রুমে নিয়ে যাওয়ার পর কৌশলে বাচ্চা নিয়ে পালিয়ে যান ।

    বাটার মোড়ের ওই হোটেলের সিসি টিভি ফুটেজ দেখে এই ঘটনার সত্যতা পাওয়া যায় । সেখানে দেখা যাচ্ছে, ৪.২৩ মিনিটে বোরকা পরিহিত দুজন মহিলা হোটেলে প্রবেশ করছে । এরপর মুখে মাস্ক পরিহিত ওই মহিলা হোটেলে রুম বুকিং দিলে তার পাশেই নবজাতককে কোলে নিয়ে দাড়িয়ে থাকতে দেখা যায় তার নানিকে। পরে সেখান থেকে হোটেল বয় তাদের রুম দেখিয়ে দিলে ৪.৪০ মিনিটে রুম থেকে মাস্ক পরিহিত মহিলাকে বাচ্চা নিয়ে বেরিয়ে যেতে দেখা যায় ।

    এদিকে, গতকাল রাতে নবজাতকের নানা হাসান আলী ও নানি রুমি বেগম রাজপাড়া থানায় এ বিষয়ে অভিযোগ করতে যান। পরে তাঁদের কথাবার্তা সন্দেহজনক হওয়ায় পুলিশ তাঁদের আটক রাখে।

    এ বিষয়ে রাজপাড়া রাজপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মশিউর রহমান বলেন, বিষয়টি দুঃখজনক। আমরা এমন সংবাদ পাওয়া মাত্রই তদন্ত শুরু করেছি । আশাকরি তাড়াতাড়ি সন্ধান পাওয়া যাবে। আর নানা-নানিকে আটকে রাখার বিষয়ে তিনি বলেন, তাঁদের কথাবার্তা সন্দেহজনক ছিল। ওই নারীর কাছ থেকে কিছু টাকাও নিয়েছেন নবজাতকের নানি। সব মিলিয়ে শিশুর বাবা এলে একটা সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

    মোঃ হায়দার আলী
    নিজস্ব প্রতিবেদক,
    রাজশাহী।

  • র‌্যাব-১২ কর্তৃক অভিযানে ধর্ষণ মামলার এজাহারনামীয় পলাতক আসামি গ্রেফতার

    র‌্যাব-১২ কর্তৃক অভিযানে ধর্ষণ মামলার এজাহারনামীয় পলাতক আসামি গ্রেফতার

    প্রেস বিজ্ঞপ্তি

    র‌্যাব-১২ কর্তৃক জয়পুরহাট জেলার ক্ষেতলাল থানার চাঞ্চল্যকর রেহেনা ধর্ষণ মামলার এজাহারনামীয় পলাতক আসামি গ্রেফতার।

    র‌্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব) প্রতিষ্ঠাকালীন সময় থেকেই দেশের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সমুন্নত রাখার লক্ষ্যে সব ধরণের অপরাধীকে আইনের আওতায় নিয়ে আসার ক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে। জঙ্গী, সন্ত্রাসী, সংঘবদ্ধ অপরাধী, ছিনতাইকারী, জুয়ারি, মাদক ব্যবসায়ী, খুন এবং অপহরণসহ বিভিন্ন চাঞ্চল্যকর মামলার আসামী গ্রেফতারে র‌্যাব নিয়মিত অভিযান চালিয়ে আসছে।

    ১। গত ২০ জুন ২০২৪ তারিখ ভিকটিম মোসাঃ রেহেনা আক্তার খলিশাগাড়ী সাকিনের ফিরোজ ইসলামের সাথে বিবাহ করে ঘর সংসার করাকালে আসামি রুহুল আমিন প্রায়ই ভিকটিমকে বিভিন্নভাবে কুপ্রস্তাব দিতে থাকে। এক পর্যায় আসামির প্ররোচনায় গত ইং ২৪/১২/২০২৩ খ্রিঃ তারিখে ভিকটিম তার স্বামীকে তালাক প্রদান করে। অতঃপর আসামি ভিকটিমকে তার সাথে বিবাহের প্রলোভনে প্রলুব্ধ করে বিভিন্ন জায়গায় নিয়ে গিয়ে তাকে একাধিকবার ধর্ষণ করে থাকে। পরবর্তীতে ঘটনার দিন আসামি বিবাহের প্রলোভন দেখিয়ে ভিকটিমকে খরব দিয়ে তার বাড়ীতে নিয়ে আসে। ভিকটিম সরল বিশ্বাসে আসামির বাড়ীতে এসে ঘটনার সময়ে বাড়ীতে আসামির পরিবারের অন্যান্য সদস্যদেরকে দেখতে না পেয়ে জিজ্ঞাসা করে বাড়ীর আর সদস্যরা কোথায়? তখন আসামি বলে পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা বাড়ীতে থাকলে তোমার সাথে আমার বিবাহ হবে না। এই জন্য আমি তাদেরকে অন্যত্র পাঠিয়ে দিয়েছি। তখন ভিকটিম বলে বিয়ের কাজী ও হুজুর কোথায়? আসামি বলে চিন্তা করো না, বিয়ের কাজী ও হুজুর ১ ঘন্টার মধ্যে চলে আসবে। এই বলে আসামি বিবাহের প্রলোভনে ভিকটমকে তার নিজ শয়ন ঘরে বল প্রয়োগ করে ধর্ষণ করে এবং ভিকটিমকে রেখে আসামি পালিয়ে যায়। উক্ত ঘটনায় ভিকটিম নিজেই বাদী হয়ে জয়পুরহাট জেলার ক্ষেতলাল থানায় একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করে। যার মামলা নং-০৭, তারিখ- ২০ জুন ২০২৪ খ্রিঃ, ধারা- ৯(১) নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ (সং/২০০৩)।

    ২। এরই ধারাবাহিকতায় মোহাম্মদ কামরুজ্জামান পিপিএম, অধিনায়ক র‌্যাব-১২, সিরাজগঞ্জ এর দিকনির্দেশনায় গত ০৯ অক্টোবর ২০২৪ খ্রিঃ রাত ২৩.২৫ ঘটিকার সময় র‌্যাব সদর দপ্তরের গোয়েন্দা শাখার সহযোগিতায় র‌্যাব-১২, সদর কোম্পানি এবং সিপিএসসি, বগুড়ার একটি চৌকস আভিযানিক দল ‘‘সিরাজগঞ্জ জেলার সলঙ্গা থানাধীন হাটিকুমরুল এলাকায়” একটি যৌথ অভিযান পরিচালনা করে চাঞ্চল্যকর রেহেনা ধর্ষণ মামলার এজাহারনামীয় পলাতক আসামিকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। এছাড়াও তার সাথে থাকা ০১ টি মোবাইল ও নগদ ৩,৩২০/- টাকা জব্দ করা হয়।

    ৩। গ্রেফতারকৃত আসামি ১। মোঃ রুহুল আমিন (৩৫), পিতা- মোঃ আজাহার তালুকদার, সাং- গোলাহার, থানা- ক্ষেতলাল, জেলা- জয়পুরহাট।

    ৪। গ্রেফতারকৃত আসামিকে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য জয়পুরহাট জেলার ক্ষেতলাল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

  • কালীগঞ্জে পরিবারের দাবি হ*ত্যা গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

    কালীগঞ্জে পরিবারের দাবি হ*ত্যা গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

    মো.হাসমত উল্লাহ,লালমনিরহাট।।।

    লালমনিরহাটের কালীগঞ্জ উপজেলায় গৃহবধূর ঝুলান্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।উপজেলার মদাতী ইউনিয়নের কিসমত এলাকায় নিজ বাড়ি থেকে আরফিনা বেগম (২৪) নামে এক গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে । এটি হত্যাকাণ্ড বলে দাবি করেছেন তার পরিবারের লোকজন। এ ঘটনার পর স্বামী সম্রাট মিয়া ও তার পরিবারের লোকজন বাড়ি ছেড়ে পালিয়েছে।

    পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত (৮ই অক্টোবর)২০২৪ইঙ মঙ্গলবার রাতে স্বামী সম্রাট মিয়ার সঙ্গে তার স্ত্রী আরফিনার কথাকাটাকাটির একপর্যায়ে সম্রাট রাগ করে স্ত্রীকে থাপ্পড় মারে। তখন স্ত্রীও রাগ করে অন্য ঘরে চলে যায়। সকালে স্বামী সম্রাট মিয়া বাহিরে চলে গেলে পরিবারের লোকজন আরফিনাকে ডাকাডাকি করে খোঁজাখুঁজি করে পাশের ঘরে তার ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পেয়ে এলাকাবাসীকে খবর দেন। পুলিশ খবর পেয়ে দুপুরে মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য লালমনিরহাট সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠান। এ বিষয়ে কালীগঞ্জ থানার ওসি ইমতিয়াজ কবির জানান, পরিবারের লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

    হাসমত উল্লাহ ।।