Author: desk

  • ৩৫ বছর পর আদালতের রায় পুলিশী নিষেধাজ্ঞা অমান্য মামলায় হেরেও ঝিনাইদহে বিএনপি নেত্রী দখল করলেন অন্যের জমি

    ৩৫ বছর পর আদালতের রায় পুলিশী নিষেধাজ্ঞা অমান্য মামলায় হেরেও ঝিনাইদহে বিএনপি নেত্রী দখল করলেন অন্যের জমি

    ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ
    ৩৭ বছর ধরে মামলা চালিয়েছেন। বৈধ কাগজপত্রের অভাবে নিম্ন আদালত থেকে উচ্চ আদালত পর্যন্ত হেরেও গেছেন। তারপরও পিছু ছাড়ছেন না ঝিনাইদহ পৌরসভার সাবেক কাউন্সিলর ফারহানা রেজা আঞ্জু। আদালতের আদালতের রায় উপেক্ষা করে পরের জমিতে তুলছেন স্থাপনা। এক্ষেত্রে তিনি পুলিশ ও আদালতের কোন বিধি নিষেধ মানছেন না। জমি দখলের এই ঘটনাটি ঘটেছে ঝিনাইদহ শহরের ১৯৭ নং কাঞ্চননগর মৌজায়। ঝিনাইদহ সদর থানা ও সেনা ক্যাম্পে পাঠানো এক অভিযোগপত্র থেকে জানা গেছে, ঝিনাইদহ শহরের গীতাঞ্জলী সড়কের সাবেক পৌর চেয়ারম্যান মোশাররফ হোসে মশার স্ত্রী তৌহিদা খাতুন ও ফরিদা খাতুন কাঞ্চননগর মৌজার অধীনে ১২শতক জমি নিলামের মাধ্যমে আদালতের মধ্যস্থতায় ক্রয় করেন। এ নিয়ে মামলা করেন জমির ওয়ারেশ বিএনপি নেত্রী ফারহানা রেজা আজনু। দীর্ঘ ৩৫ বছর আদালতে মামলা চলতে থাকে। ঝিনাইদহ যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ প্রথম আদালতের বিজ্ঞ বিচারক তৌহিদা খাতুন ও ফরিদা খাতুনের পক্ষে রায় দেন। মামলার রায় পেয়ে ২০২৩ সালের ১৭ জুলাই ম্যাজিষ্ট্রেট ও পুলিশ এসে দখলকৃত স্থাপনা উচ্ছেদ করে জমির প্রকৃত মালিককে দখল সত্ব বুঝিয়ে দেন। এদিকে দেশের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর আদালতের রায় উপেক্ষা করে ওই জমিতে অবৈধভাবে স্থাপনা নির্মাণ শুরু করেন ওই বিএনপি নেত্রী। তৌহিদা খাতুন রোববার ঝিনাইদহ প্রেসক্লাবে লিখিত এক অভিযোগে জানান, বিএনপি করার কারণে সাবেক কমিশনার আনজু শক্তি প্রয়োগ করে জমি দখল করে ঘর নির্মান অব্যাহত রেখেছেন। তিনি কোন আইন কানুনের তোয়াক্কা করছেন না। আমি এবং আমার পরিবার পেশি শক্তির কাছে অসহায়। জমি দখলের অভিযোগ অস্বীকার করে জেলা মহিলাদলের সাংগঠনিক সম্পাদক ও সাবেক পৌর কাউন্সিলর ফারহানা রেজা আনজু বলেন, এটা তার পৈতৃক সম্পত্তি। আদালতকে প্রভাবিত করে তারা তঞ্চকতার মাধ্যমে রায় নিয়েছেন। তিনি বলেন, আমরা ন্যায় বিচার পায়নি। ঝিনাইদহ সদর থানার উপপরিদর্শক শাহাদাৎ হোসেন জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে পুলিশ নির্মাণ কাজ বন্ধ করে দিয়েছে। পুলিশ উভয়পক্ষকে আদালতের রায় মেনে চলতে বলে এসেছে। এদিকে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে নির্মানকাজ বন্ধ করে দিয়ে এলেও পরক্ষনে তা আবার শুরু করেছেন বলে তৌহিদা খাতুনের ছেলে এ্যাড মাজহার সবুজ অভিযোগ করেন।

    আতিকুর রহমান
    ঝিনাইদহ।।

  • বীজ প্রত্যয়ন অফিসারের যোগসাজসে রাজশাহীতে বিক্রি হচ্ছে অবৈধ বীজ

    বীজ প্রত্যয়ন অফিসারের যোগসাজসে রাজশাহীতে বিক্রি হচ্ছে অবৈধ বীজ

    নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহী: রাজশাহীতে বীজ বিক্রির বৈধ অনুমোদন না থাকা সত্ত্বেও বৈধ আমদানিকারক ও অনুমোদন প্রাপ্ত ডিলারের প্যাকেট নকল করে বীজ বিক্রির অভিযোগ উঠেছে। আর এ অবৈধ কর্মকান্ডে রাজশাহী জেলা বীজ প্রত্যয়ন অফিসার সাজ্জাদ হোসেনের জড়িত থাকার অভিযোগ করেছেন ইয়াকুব ট্রেড ইন্টারন্যাশনালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আব্দুল খালেক।

    তিনি অভিযোগ করেন, আমি কৃষি মন্ত্রণালয়ের সচীব জাতীয় বীজ বোর্ড এবং মহাপরিচালক বীজ অনুবিভাগের নিকট হতে হাইব্রীড জাতের ভূট্টা বীজ বিশাল-৫৫৫ গত ১ সেপ্টম্বর এবং বিরাট-৫৫৫ গত ২২ আগস্ট বীজ বিক্রির অনুমোদন নিয়েছেন। এছাড়াও কৃষি মন্ত্রণালয়ের বীজ শাখা-১ হতে ভারত থেকে ৫৫ মে.টন পর্যন্ত বীজ আমদানির অনুমোদন দিয়েছে। কিন্তু একই নামে রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার চর আষাড়িয়াদহ ইউনিয়নের বীজ বিক্রেতা শামীম বীজ ভান্ডারের স্বত্বাধিকারী শামীম রেজা একই নামে এবং আমার বীজের প্যাকেট নকল করে বিভিন্ন জায়গায় বিক্রি করছে যা সম্পন্ন ভাবে অবৈধ।

    আমি তার এমন অবৈধ কর্মকান্ড জানতে পেরে গোদাগাড়ী উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও উপজেলা কৃষি অফিসার বরাবর লিখিত অভিযোগ দেয়। তবে অভিযোগ দিলেও এখন পর্যন্ত কোন পদক্ষেপ গ্রহণ করতে দেখিনি। ফলে শামীম বীজ ভান্ডার এখনো অবৈধ ভাবে আমার অনুমোদন প্রাপ্ত ও ভারত হতে আমদানিকৃত ভূট্টা বীজ বিক্রি করে চলেছে। ফলে আমি বড় অংকের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছি।

    তিনি আরো অভিযোগ করেন, গোদাগাড়ী উপজেলা কৃষি অফিসার আমার অভিযোগ পাওয়ার পর এই বিষয়ে ব্যবস্থা নিয়ে রাজশাহী জেলা বীজ প্রত্যয়ন অফিসার বরাবর পত্র দিলেও তিনি কোন পদক্ষেপ গ্রহণ করেননি। বরং জেলা বীজ প্রত্যয়ন অফিসার আমাকে তার অফিসে ডেকে বলেন, দুজনেই বীজ বিক্রি করেন কোন ঝামেলা কইরেন না। এতেই বুঝা যাচ্ছে জেলা বীজ প্রত্যয়ন অফিসার সাজ্জাদ হোসেন মোটা অংকের অর্থের বিনিময়ে শামীম বীজ ভান্ডারের স্বত্বাধীকারী শামীম রেজার সাথে যোগসাজসে অবৈধ ভাবে আমার অনুমোদন প্রাপ্ত ভূট্টা বীজ গুলো বাজারজাত অব্যাহত রেখেছেন।

    এদিকে শামীম বীজ ভান্ডারের স্বত্বাধিকারী শামীম রেজা এসব অভিযোগের বিষয়ে বলেন, আমার বৈধ কাগজ ও অনুমতি আছে বলে দাবি করেন। কোন অধিদপ্তর হতে অনুমতি নিয়েছেন তা জানতে চাইলে তিনি তা জানাতে পারেননি। তবে তিনি বলেন এই বিষয়ে আমি আপনার সাথে দেখা করে কথা বলবো মোবাইলে বলে বুঝানো যাবে না । এছাড়ও তিনি একটি মিটিং এ আছে বলে ব্যস্ততা দেখিয়ে কথা বলতে চাননি।

    গোদাগাড়ী উপজেলা কৃষি অফিসার মরিয়ম আহমেদ বলেন, এই বিষয়ে আমাদের নিজস্ব কিছু করণীয় থাকে না তাই জেলা বীজ প্রত্যায়ন অফিসারকে বিষয়টি দেখার জন্য পত্র দেওয়া হয়েছে।

    উপজেলা নির্বাহী অফিসার আব্দুল হায়াত হলেন, কেউ যদি অবৈধ ভাবে বীজ বিক্রি করে তাহলে অবশ্যই আমি তদন্ত করে ব্যবস্থা নিবো। আগামী সোমবার অফিস খুলবে আমি গুরুত্ব সহকারি বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে অবৈধ কারবারীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানান।

    রাজশাহী জেলা বীজ প্রত্যয়ন অফিসার সাজ্জাদ হোসেন এসব অভিযোগের বিষয়ে বলেন, এসব বিষয়ে বীজ প্রত্যয়নের কোন কাজ নাই। আমি ইয়াকুব ট্রেডার্সকে বলেছিলাম আপনারা তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিন কেস করেন। এসব বিষয়ে তাদেরই ব্যবস্থা নিতে হবে। তবে তারা কেনো করেনি সেটা তাদের ব্যাপার। শামীম বীজ ভান্ডার কে বীজ বিক্রি করার জন্য ইয়াকুব ট্রেডার্সকে অফার করেছেন এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, না না আমি এসব বলিনি। আমি তাদের নিষেধ করেছি। এখনি আমি আবারও নিষেধ করে দিচ্ছি বলে জানান।’

    মোঃ হায়দার আলী
    নিজস্ব প্রতিবেদক,
    রাজশাহী।

  • সম্প্রীতির অনন্য দৃষ্টান্ত, গোদাগাড়ীতে  একই আঙিনায় মসজিদ ও মন্দির

    সম্প্রীতির অনন্য দৃষ্টান্ত, গোদাগাড়ীতে একই আঙিনায় মসজিদ ও মন্দির

    রাজশাহী থেকে মোঃ হায়দার আলীঃ রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার পাশাপাশি জায়গায় মসজিদ ও মন্দির। দীর্ঘ শত বছর ধরে বাগবিতন্ডা ছাড়াই চলছে নামাজ ও পূজা। ধর্মীয় সম্প্রীতির এক অন্যন্য নিদর্শন স্থাপন করেছেন স্থানীয় হিন্দু-মুসলিম সম্প্রদায়।

    প্রতি বছরের ন্যায় এবারও গোদাগাড়ী কেন্দ্রীয় মন্দির শ্রীমন্তপুরে (হাটপাড়া), শারদীয় দুর্গোৎসব অনুষ্ঠিত হচ্ছে। গত শুক্রবার বেলা সাড়ে ১২টায় জুমআ’র নামাজের আজান শুরু হতেই থেমে যায় ঢাক-ঢোল-কাঁসরের আওয়াজ। এমন কী প্রতিদিন পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আজান ও নামাজের সময় পূজার কার্যক্রম বন্ধ থাকে। এভাবে চলে আসছে বছরের পর বছর। দুই ধর্মের লোকজনরাই নিজ-নিজ ধর্মীয় আচার ও নিয়ম পালন করছেন দীর্ঘ শত বছর ধরে। কারও কোনো অসুবিধা হচ্ছে না।

    বাংলাদেশের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির ইতিহাস অনেক ধর্মীয় সম্পতি আছে যার দৃষ্টান্ত ছড়িয়ে আছে দেশের বিভিন্ন জায়গায়। তেমনি এক নিদর্শন রয়েছে রাজশাহীর গোদাগাড়ী পৌরসভার হাটপাড়া এলাকায়। এককই আঙিনায় মসজিদ ও মন্দিরে শতবছর ধরে ধর্মীয় আচার-আনুষ্ঠানিকতা পালন করে আসছেন দুই সম্পদায়ের মানুষ। সাম্প্রদায়িকতার বিষ-বাস্প কখনো আঁচর কাটতে পারেনি এখানে।

    আযান শুনে মসজিদে ছুটে যান মুসল্লীরা আল্লাহর আনুগত্য লাভের আশায়, আদায় করেন নামাজ। মসজিদের পাশেই মন্দির শারদীয় দুর্গা উৎসবের জাঁকজমক আয়োজন, ঢাক-ঢোল কাশর আর উলুধ্বন্নীর শব্দ চয়নে প্রতিমা দর্শনে ভিড় করছে সনাতন ধর্মাবলম্বীরা।

    রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার পৌর এলাকার পদ্মা নদীর পাশে হাটপাড়ায় একই আঙিনায় মসজিদ ও গোদাগাড়ী কেন্দ্রীয় মন্দির সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির এক অনন্য দৃষ্টান্ত। আর মসজিদ ও মন্দির কমিটির সদস্যরা এই অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। একসাথে বসে সিদ্ধান্ত নেই কিভাবে ধর্মীয় অনুষ্ঠান আয়োজন করা হবে। নামাজের সময় বন্ধ থাকে ঢাকের বাদ্য বাঁজনা।

    মসজিদ কমিটির সদস্যরা বলেন, দীর্ঘ যুগ যুগ ধরে মসজিদ ও মন্দির পাশাপাশি আছে, আমরা জন্মের আগে থেকে দেখে আসছি, এখন পর্যন্ত এককই আঙিনায় আছে। সনাতন ধর্মাবলম্বীরা তাদের পূজা পালন করছে। আমরা মুসলমানরা লক্ষ্য রাখি তাদের যেনো বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি না হয়।
    মসজিদ ও মন্দির সংলগ্ন জায়গা টিতে সনাতন ধর্মাবলম্বী যেমন তাদের পূজার কাজে ব্যবহার করে থাকেন, তেমনি মসজিদের মুসল্লীরা ওয়াজ মাহফিলে করেন।

    মন্দির কমিটির সভাপতি শ্রী শান্ত কুুমার মজুমদার রাখু বাবু বলেন, এই মন্দির বহু বছর আগের পুরনো। এখানে পূজা পালন হয়, পাশেই আছে মসজিদ হিন্দু-মুসলমান আমরা একত্রিত হয়ে বসবাস করি। আমাদের অনেক ভালো লাগে। কোন প্রকার সমস্যা হয় না। মসুলমান ভাইয়েরা আমাদের যুগযুগ ধরে সাহায্য সহযোগিতা করে আসছেন। এই মন্দিরটা একশ বছরের পুরনো। একই স্থানে মসজিদ ও গোদাগাড়ী কেন্দ্রীয় মন্দির। এ এলাকার হিন্দু-মুসলমানরা যার যার ধর্মীয় আচার পালন করে থাকেন। এ পর্যন্ত এখানে কোন অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। তিনি আশা করেন- কখনও ঘটবেও না।

    গোদাগাড়ী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ আবুল হায়াত বলেন, বাংলাদেশ একটি সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দেশ। এর একটা উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত এককই স্থানে মসজিদ ও গোদাগাড়ী কেন্দ্রীয় মন্দির। মুসুল্লিরা নামাজের সময় নামাজ আদায় করছে আবার হিন্দু ধর্মের লোকজন পূজার সময় পূজা উদযাপন করছে। বিগত বছরের মতো এ বছরও সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে পূজা উদযাপিত হচ্ছে বলেও তিনি জানান। সাম্প্রতিক সম্প্রীতি একটি উৎকৃষ্ট উদাহরণ আগামীদিনেও বজায় থাকবে বলে আশা করেন।
    গোদাগাড়ী মডেল থানার ওসি মনিরুল ইসলাম, মসজিদ ও মন্দিরে প্রত্যেক ধর্মের মানুষ নিজ নিজ ধর্ম সম্প্রীতি বজায় রেখে পালন করে আসছে। এই এলাকার মানুষের মধ্যে সামাজিক যে বন্ধন সেটি বিদ্যমান আছে। গোদাগাড়ীর হাটপাড়া কেন্দ্রীয় মন্দির ও জামে মসজিদ এই দৃষ্টান্ত প্রমাণ করে বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দেশ।

    প্রতিবছর ধুমধাম করে দুর্গাপূজা উদযাপন করে এলাকার সনাতনধর্মীর লোকজন। প্রায় একশো বছর থেকে একই আঙিনার কেন্দ্রীয় মন্দির ও জামে মসজিদ। মন্দির নিয়ে স্থানীয় জনসাধারণের মাঝে কখনও ধর্মীয় কোনো দ্বন্দ্ব বা সাম্প্রদায়িক হানাহানি হয়নি। একই সঙ্গে স্থানীয় হিন্দু-মুসলিমরা যার যার ধর্ম পালন করছেন।

    সরেজমিনে দেখা যায়, মন্দিরে পূজা-অর্চনা চলছে, উলুধ্বনি ও ঢাকের বাজনাও আছে। পূজারি ও দর্শনার্থীরা প্রতীমা দেখতে এবং পূজায় অংশ নিতে ভির করছেন। নির্ধারিত সময়ে আজান শুরু হতেই থেমে যাচ্ছে, ঢাক-ঢোল-কাঁসর, মাইক ও উচ্চশব্দের বক্সের বাজনা। আজানের পর মুসল্লিরা মসজিদে এসে নামাজ আদায় করছেন। নামাজ শেষ হওয়ার বেশ কিছু সময় পর আবার বেজে ওঠে মন্দিরের ঢাক-ঢোল-কাঁসর আর উচ্চশব্দের বাজনা।

    গোদাগাড়ী আফজি উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ে সাবেক সহকারী প্রধান শিক্ষক রবিউল ইসলাম জানান, হিন্দুরা দীর্ঘ প্রায় ১ শ বছর ধরে এখানে পূজা করছেন। পাশে মসজিদ ও মন্দির থাকলেও তাদের কোনো সমস্যা হয় না। ইসলাম ধর্মের মানুষ তাদের সর্বোচ্চ সহযোগিতা করেন। তারাও নামাজ ও আজানের সময় পূজা বন্ধ রাখেন। এটা কাউকে বলে দিতে হয় না। নামাজের আজানের সময় হলে আপনা-আপনি বন্ধ হয়ে যায় পূজার কর্ম। যুগ যুগ এই সম্প্রীতি বজায় রয়েছে। সারা বছর এলাকার হিন্দু-মুসলিম ভাই ভাই হিসেবে মিলেমিশে বসবাস করেন। ১০০ বছরের মধ্যে কোনো দিন দুই ধর্মের মানুষদের মধ্যে কোনো বিশৃঙ্খলার ঘটনা তিনি দেখেন নি।

    ইমাম ও আরবী বিভাগের অধ্যাপক মাও মো দুরুল হোদা জানান, তিনি জন্মের পর থেকে একই বাড়ির আঙিনায় মসজিদ ও মন্দির দেখছেন। অভিজ্ঞ লোকদের নিকট হতে শুনেছি শত বছর থেকে এ মন্দিরে সনাতন ধর্মের লোকজন পূজা-অর্চণা করেন। এখানে কোন ভেদাভেদ নেই। সবাই একে অপরের পরিপুরক হিসেবে কাজ করেন। কোনো বিশৃঙ্খলা যাতে না হয়- তারা সব সময় এ বিষয়টা লক্ষ্য রাখেন।

    মোঃ হায়দার আলী
    নিজস্ব প্রতিবেদক,
    রাজশাহী।

  • বলদিয়া ইউনিয়নের প্রভাব খাটিয়ে অন্যের জমি দখলে নেওয়ার অভিযোগ

    বলদিয়া ইউনিয়নের প্রভাব খাটিয়ে অন্যের জমি দখলে নেওয়ার অভিযোগ

    আলিফ হোসেন,
    নেছারাবাদ(পিরোজপুর)প্রতিনিধি//

    নেছারাবাদে বলদিয়া ইউনিয়নের প্রভাবশালি নেতা মো: মিজানুর রহমানের বিরুদ্ধে কয়েকটি দিনমজুর পরিবারের তিন পুরুষের কবরস্থান দখল নেয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। মিজানুর রহমান গ্রামের দিনমজুর পরিবারগুলোর বাপ দাদার কবরস্থান সহ পাশের একটি জমির মাটি কেটে এখন বালু ফেলে ভরাটের চেষ্টা চালাচ্ছেন। ওই গ্রামের মো: সেলিম, মিজানুর রহমান, মো: ইসরাফিল, মো: আলি আকবর সহ তাদের একাধিক স্বজনরা এ অভিযোগ করেছেন। ভুক্তভোগীরা এ বিষয়ে এলাকার কারো কাছে দর্না দিয়েও কোন বিচার পাচ্ছেনা। তবে, অভিযোগ অস্বীকার করে মিজানুর রহমান বলেন, তারা কারো জমি দখল করেননি। তারা তাদের ক্রয়কৃত সম্পত্তির বুজ নিয়েছেন।

    অভিযোগে জানাগেছে, উপজেলার বলদিয়া ইউনিয়নের মো: মিজানুর রহমানের সাথে স্থানীয় দিনমজুর মো: সেলিম, মো: ইসরাফিল, মো: আলি আকবর সহ তাদের একাধিক স্বজনদের সাথে একটি জমি নিয়ে দীর্ঘ বছর বিরোধ চলছিল। দখলদার মিজানুর রহমানের দাবি তিনি তাদের এক ওয়ারিশের কাছ সম্পত্তি কিনেছিলেন। সেই ক্রয়কৃত সম্পত্তি আওয়ামীলীগ আমলে অভিযোগকারিরা ভোগ করতে দেয়নি।

    সেলিম মিয়া, মিজানুর রহমান, ইস্রাফিলদের অভিযোগ মিজান আমাদের সম্পত্তি জোড়পূর্বক দখল করেছে। তারা অজ্ঞাত একটি লোকের একটি বায়না দলিল নিয়েছিলো। সে জমির কোন রেজিষ্ট্রি হয়নি। মিজান গায়ের জোরে একটি বায়না দলিল করে অবৈধভাবে এখন আমাদের চার পুরুষের বাপ দাদার কবরস্থান দখল নিয়েছে।

    একই অভিযোগ করেন প্রতিবেশি মো: সোলায়মান শেখ। তিনি বলেন, আমাদের চার ওয়ারিশের একটি বিশ শতক প্লটের জমি রয়েছে। সেখান থেকে সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান ও বিএনপি নেতার সাড়ে ছয় শতক জমি ক্রয় করা আছে, এখন পুরো প্লটে বালু ফেলার চেষ্টা করছে। তিনি এখন পুরো জমিটা দখল নেয়ার চেষ্টা করছেন।

    অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে মো: মিজান বলেন, আমি ,বয়া গ্রামের ইস্রাফিল,মিজানুর রহমান গংদের শরীক থেকে তের শতক একটি জমি কিনেছে৷ আমার বড় ভাই শাহিন নিজেও সোলায়মানদের একজন ওয়ারিশের জমি কিনেছে। এখন সেই ক্রয়কৃত জমি বুজে নিয়েছি। এখানে কোন দখল বানিজ্য নেই। সব মিথ্যা অভিযোগ।

  • তানোরে আমগাছ থেকে কৃষকের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার

    তানোরে আমগাছ থেকে কৃষকের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার

    আলিফ হোসেন,
    তানোর (রাজশাহী) প্রতিনিধিঃ
    রাজশাহীর তানোরে বাড়ির পাশের আমগাছ থেকে আবুল হোসেন (৫৫) নামের এক কৃষকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে থানা পুলিশ। গত ১৩ অক্টোবর
    রোববার ভোরে উপজেলার পাঁচন্দর ইউনিয়নের (ইউপি) কৃষ্ণপুর দক্ষিণপাড়া গ্রামে এই ঘটনা ঘটেছে। নিহত আবুল হোসেন কৃষ্ণপুর গ্রামের মৃত মনির উদ্দিনের পুত্র। তিনি কৃষিকাজ করে জীবিকা নির্বাহ করতেন। আবুল হোসেনের লাশ উদ্ধারের বিষয় নিশ্চিত করেন তানোর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মিজানুর রহমান মিজান।
    এদিকে পুলিশ ও এলাকাবাসী জানায়, স্ত্রীর সঙ্গে মাঝেমধ্যে কলহ হতো আবুল হোসেনের। তাঁদের ঘরে দুই ছেলে সন্তান রয়েছে। কয়েক দিন ধরে অবসাদে ভুগছিলেন তিনি। রোববার ভোরে বাড়ির পাশে আমগাছের ডালের সঙ্গে গলায় দড়ি পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করেন আবুল হোসেন।
    প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, যে উচ্চতায় নিহতের লাশ ঝুলে ছিল, সে উচ্চতায় গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যার ঘটনা নিয়ে জনমনে মিশ্রপ্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। তানোর থানার ওসি মিজানুর রহমান মিজান বলেন, ‘খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়ে লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। আমরা খোঁজখবর নিচ্ছি। এ বিষয়ে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।#

  • নলছিটির খোজাখালি-পুলেরহাট মরনফাদ  সড়কের  সংস্কারের দাবিতে মানববন্ধন

    নলছিটির খোজাখালি-পুলেরহাট মরনফাদ সড়কের সংস্কারের দাবিতে মানববন্ধন

    ঝালকাঠির প্রতিনিধিঃ মোঃ নাঈম মল্লিক

    ঝালকাঠির নলছিটিতে সড়ক সংস্কারের দাবিতে মানববন্ধন করা হয়েছে।আজ রবিবার ১৩ অক্টোবর সকালে নলছিটি দপদপিয়া আঞ্চলিক মহাসড়কের খোজাখালি এলাকায় সড়ক সংস্কারের দাবিতে মানববন্ধন করেছে এলাকাবাসী।
    নলছিটি পৌরসভার খোজাখালি থেকে সুর্যপাশা হয়ে শংকরপাশা পুলেরহাট এবং পুলেরহাট থেকে শংকরপাশা মাধ্যমিক বিদ্যালয় হয়ে কাঠেরপোল পর্যন্ত সড়কের দীর্ঘদিন সংস্কার না হওয়ায় সেটি এখন মরনফাদ হয়ে দাঁড়িয়েছে।দীর্ঘদিন সংস্কার কাজ না হওয়ায় ক্ষুদ্ধ এলাকাবাসী এ মানববন্ধন আয়োজন করে।এতে বক্তব্য রাখেন স্থানীয় ব্যবসায়ী জামাল মোল্লা,নাইম হোসেন, রাকিব মোল্লা,মো:রোকন,মো:রাসেল,ব্যবসায়ী আকাশ তালুকদার,দুর্ঘটনায় আহত ফারুক হাওলাদার,স্থানীয় সমাজকর্মী বালী তাইফুর রহমান তূর্য সহ স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।এ সময় তারা বলেন দীর্ঘদিন যাবত সূর্যপাসা গ্রামটি চরম অবহেলিত। যোগাযোগ ব্যবস্থা একটি সড়ক চলাচলের যোগ্য নেই। যার ফলে বৃদ্ধ গর্ভবতী নারীদের অসুস্থ হলে হাসপাতালে নেয়ারও সুযোগ থাকে না। ঘরে বসে মৃত্যুর প্রহর গোনা ছাড়া আর কোন উপায় থাকে না। অথচ সড়কটি সংস্কারের জন্য অর্থ বরাদ্দ করা হলেও কাজ শুরু করে তা ফেলে রাখা হয়।জানা যায় সড়কটির কাজ সম্পূর্ণ না করেই বিল উত্তোলন পড়ে নেয়া হয়েছে। এবং কাজ শুরু করে লাপাত্তা হয়ে গেছেন মূল ঠিকাদার।এতে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন এলাকাবাসী।প্রায়ই খানাখন্দের কারণে গাড়ি উলটে ঘটছে দুর্ঘটনা।এতে প্রায়ই আহত হচ্ছেন অনেকে।গত সেপ্টেম্বর মাসের শেষে ফারুক হাওলাদার নামের স্থানীয় এক দিন মজুর রাস্তায় গাড়ি থেকে ছিটকে পরে হাত ভেঙে যায়।এর আগেও বেশ কয়েকজন প্রসূতি নারীকে হাসপাতালে নেয়ার পথে রাস্তার ঝাকুনিতে পথেই সন্তান প্রসব করেন।এতে মা এবং সন্তান দুজনেরই মৃত্যু ঝুকি বেড়ে যায়।তারা দীর্ঘদিন হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়ে বাড়ি ফেরেন।বেসরকারি একটি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা উজ্জ্বল হোসেন অভিযোগ করেন আগস্টে তার স্ত্রীর সন্তান প্রসবের ব্যাথা উঠলে একটি এম্বুলেন্স পর্যন্ত রাস্তার দুর্দশার তারা বাড়ি পর্যন্ত নিতে পারেন নি।যেকারণে বাধ্য হয়ে ভ্যানগাড়িতে করে রোগীকে হাসপাতালে নেয়া হয়েছিল।প্রবাসী রিয়াজ হোসেন অভিযোগ করেন,তার স্ত্রী হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পরার খবরে তিনি কাতার থেকে বাংলাদেশে চলে আসলেও স্ত্রীর জন্য বাড়ি পর্যন্ত একটি এম্বুলেন্স তিনিও নিতে পারেন নি।রাস্তার দুর্দশা বর্ননা করতে গিয়ে ক্ষোভে ফেটে পরেন বক্তারা।
    এসময় ঠিকাদারকে দ্রুত কাজ সম্পন্ন করার তাগিদ দিয়ে স্থানীয় সমাজকর্মী বালী তূর্য তার বক্তব্যে দ্রুত সংস্কারের দাবি জানান।তিনি বলেন মানুষের অর্থ লুটপাট করে আরান আয়েস আর বিলাসিতা মানুষ মেনে নেবে না। এই এলাকার মানুষের কান্না আল্লাহর দরবারে পৌছে যাচ্ছে।জালিম হিসেবে তার কঠোর শাস্তি হবেই হবে।মানুষের জীবন নিয়ে ঠাট্টা তামাশা করাকে এলাকাবাসী মেনে নেবে না।দ্রুত কাজ সম্পন্ন না করা হলে এরপরে তারা আরো কঠোর আন্দোলনের আল্টিমেটাম দিয়েছেন আন্দোলনকারীরা।তারা আরও বলেন দুনিয়ার আদালতে বিচার পাই না,তাই এবার সবাই মিলে এই জালিমদের বিরুদ্ধে আল্লাহর দরবারে সকলে মিলে বিচার দেব।তারা আমাদের জীবনকে বিষিয়ে তুলেছে।জনগণের জন্য আসা বরাদ্দ লুটপাট করে তারা আমোদ ফুর্তি করে বেরাচ্ছেন।
    ঘন্টাব্যাপী এ মানববন্ধনে প্রায় দুই শতাধিক নারী পুরুষ অংশগ্রহণ করেন।

  • গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমণ দিবস পালন

    গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমণ দিবস পালন

    মোঃ আনিসুর রহমান আগুন,গাইবান্ধা থেকেঃ

    “আগামী প্রজন্মকে সক্ষম করি, দুর্যোগ সহনশীল ভবিষ্যৎ গড়ি” এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস-২৪ উদযাপন উপলক্ষ্যে,ভূমিকম্প ও অগ্নিকান্ড বিষয়ক সচেতনতা বৃদ্ধিতে মহড়া ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    রবিবার সকালে( ১৩ অক্টোব) উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে পুরাতন উপজেলা পরিষদ চত্বরে ‘আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবসটি পালিত হয়।

    এ উপলক্ষে উপজেলা নিবার্হী অফিসার মোঃ নাজির হোসেনের সভাপতিত্বে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে বক্তব্য রাখেন, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা ওয়ালিফ মন্ডল, কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার মিজানুর রহমান, মৎস্য অফিসার তারিকুল ইসলাম,ঝিনিয়া  সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জিয়াউল ইসলাম, বন্যা সহনশীল প্রকল্গ গণউন্নয়ন কেন্দ্র  জিউকের প্রজেক্ট অফিসার জনাব ডলি সুলতানা ,ফায়ার সার্ভিস ইনচার্জ গুলজার রহমান প্রমূখ ।

    মহড়ায় ভূমিকম্প পূর্ব সতর্কতা, ভূমিকম্প পরবর্তী কার্য ব্যবস্থা ও অগ্নিসংযোগ কালে করনীয় সম্পর্কে, শিক্ষার্থীদের মাঝে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। এর আগে দুর্যোগ প্রশমন দিবসের একটি র‌্যালী পৌর শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে।

  • বার্ষিক উন্নয়ন রাজস্ব উন্নয়নের  তথ্য দেননি এলজিইডি  প্রকৌশলী 

    বার্ষিক উন্নয়ন রাজস্ব উন্নয়নের  তথ্য দেননি এলজিইডি  প্রকৌশলী 

     

     

    মোঃ বাবুল হোসেন পঞ্চগড় :

    বার্ষিক উন্নয়ন ও রাজস্ব উন্নয়নের তথ্য গণমাধ্যমকর্মীকে দিতে অসহযোগিতার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় সরকার বিভাগ (এলজিইডি) দেবীগঞ্জ উপজেলা প্রকৌশলী শাহরিয়ার ইসলাম শাকিলের বিরুদ্ধে।তথ্য দিতে চেয়ে বার বার ঘুরিয়েও তথ্য দেননি এ প্রকৌশলী।এছাড়াও অভিযোগ রয়েছে-ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান নি¤œমানের কাজ করলেও বিশেষ সুবিধা নিয়ে বিল প্রদান করেন তিনি।

    জানা যায়,স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীরা সম্প্রতি তথ্য অধিকার আইনের’ক, ফরমে আবেদন করেন উপজেলা প্রকৌশলীর কাছে।তথ্য গুলো হলো-বার্ষিক ও রাজস্ব উন্নয়নের ২০২২-২০২৩ ও ২০২৩-২০২৪ অর্থ বছরের মোট বরাদ্দ কত ও কতটি স্ক্রীম এবং প্রোগ্রাম ফর সাপোর্টিং রুরাল ব্রীজ প্রকল্পের আওতায় লক্ষীরহাট-ধুলাঝাড়ী সড়কের উপর সেতু সংস্কারের বরাদ্দসহ কাজের প্রাক্কলন।

    উপজেলা প্রকৌশলী শাহরিয়ার ইসলাম শাকিল উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছে তথ্য নিতে বলেন।যদিও উপজেলা নির্বাহী অফিসার তথ্য দিতে বলেছেন।

  • বিশিষ্ট সাংবাদিক কলামিস্ট কেএম ইয়াহিয়া নয়ন ভাইয়ের জন্মদিনের শুভেচ্ছায় সিক্ত

    বিশিষ্ট সাংবাদিক কলামিস্ট কেএম ইয়াহিয়া নয়ন ভাইয়ের জন্মদিনের শুভেচ্ছায় সিক্ত

    এস এম সাইফুল ইসলাম কবির বিশেষ প্রতিনিধি : বিশিষ্ট লেখক, সাংবাদিক, কলামিস্ট ও জাতীয় দৈনিক বাংলাদেশের খবর পত্রিকার মফস্বল বার্তা সম্পাদক বিশিষ্ট সাংবাদিক ও কলামিস্ট কেএম ইয়াহিয়া নয়ন, হাজারো সাংবাদিকদের আশ্রয় স্থল, সদা হাস্যজ্বল, অন্যায়ের সাথে আপোষহীন সাংবাদিক নেতা, সৎ নির্ভীক সাংবাদিক কেএম ইয়াহিয়া নয়ন ভাইয়ের জন্মদিন আজ ১৩ অক্টোবর । জন্মদিন উপলক্ষে তিনি আজ সারাদিন শুভেচ্ছায় সিক্ত হয়েছেন। তার পরিবার, শুভাকাঙ্ক্ষী, সাংবাদিক সহযোদ্ধা, ভক্ত, পরিচিত, আত্মীয়-স্বজন তাকে বিভিন্নভাবে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তাকে শুভেচ্ছা জানিয়ে পোস্ট করেছেন অনেকে। প্রতিবছরের ন্যায় এই বছরও তার দিনটি কেটেছে আনন্দে। কেএম ইয়াহিয়া নয়ন অবসর সময়ে এই সাংবাদিক বই পড়তে, গান শুনতে ও খেলাধূলা করতেই পছন্দ।

  • আত্রাইয়ে বিদ্যুতায়িত হয়ে সাবেক ইউপি সদস্যের মৃ*ত্যু

    আত্রাইয়ে বিদ্যুতায়িত হয়ে সাবেক ইউপি সদস্যের মৃ*ত্যু

    আব্দুল মজিদ মল্লিক, আত্রাই (নওগাঁ) থেকে: নওগাঁর আত্রাইয়ে বিদ্যুতায়িত হয়ে সাবেক ইউপি সদস্য নূর ইসলাম (৪৫) মারা গেছেন। তিনি উপজেলার ইসলামগাঁথি গ্রামের সাদেক আলীর ছেলে ও পাঁচুপুর  ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক ইউপি সদস্য। 

    জানা যায়,গতকাল রোববার তিনি স্থানীয় একটি কবরস্থানের গাছ কাটছিলেন। এ সময় মেইন লাইনের সাথে ইলেক্ট্রনিক্স করাতের সংযোগ দিতে গেলে তিনি বিদ্যুতায়িত হন। 

    পরে স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে আত্রাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে এলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। নওগাঁ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি আত্রাই জোনের এজিএম 

    রাজু হাসান বলেন,নূর ইসলাম গাছ কাটার জন্য বিদ্যুতের ১১ হাজার ভোল্টের লাইনের সাথে ইলেক্ট্রনিক্স করাতের সংযোগ দিতে গিয়ে বিদ্যুতায়িত হন। যে সংযোগটি ছিল অবৈধ।

     আত্রাই থানা পুলিশের অফিসার ইনচার্জ ওসি সাহাবুদ্দিন বলেন, এ ব্যাপারে আত্রাই থানায় একটি ইউডি মামলা হয়েছে।কোন অভিযোগ না থাকায় লাশ পরিবারের নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে।#

    আব্দুল মজিদ মল্লিক, 
    আত্রাই (নওগাঁ) প্রতিনিধি।