Author: desk

  • গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে বেতাগী প্রেসক্লাবের ভবন প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন

    গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে বেতাগী প্রেসক্লাবের ভবন প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন

    খাইরুল ইসলাম মুন্না বেতাগী (বরগুনা) প্রতিনিধি
    বরগুনার বেতাগীতে রাতের আঁধারে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে প্রেসক্লাবের ভবন। লুটে নেওয়া হয়েছে ইট,সুরকি ও রড। অভিযোগের তীর উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভুমি) বিপূল সিকদারের বিরুদ্ধে। এর প্রতিবাদে প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন ও বরগুনা জেলা প্রশাসক এবং ইউএনও‘র কাছে এর প্রতিকার চাওয়া হয়েছে।

    জানা গেছে, গত শনিবার রাতের আঁধারে শারদীয় দুর্গোউৎসবের জাতীয় বন্ধের সময় বেতাগী পৌর শহরস্থ কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার সংলগ্ন বেতাগী প্রেসক্লাবের ভবন গুড়িয়ে তার ইট,সুরকি ও রড লুটে নেওয়া হয়। এতে ১০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে। অপূরণীয় এ ক্ষতি কাটিয়ে উঠার নয়।

    এর প্রতিবাদে সামজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক ঝড় উঠে। এ ঘটনার পরে উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভুমি) বিপূল সিকদারের বোধদয় না হওয়ায় এবং তার সাথে একাধিকবার মুঠেফোন সহ নানাভাবে যোগাযোগের চেস্টা করেও তাকে না পাওয়ায় অপেক্ষার প্রহরগুনে অবশেষে স্থানীয় সাংবাদিকরাও সোচ্চার হয়। সোমবার (১৪ অক্টোবর) বিকেলে বরগুনা জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ শফিউল আলমের সাথে বেতাগী প্রেসক্লাবের একটি প্রতিনিধি দল সাক্ষাৎ করে এর প্রতিকার দাবি করেন, এ সময় তিনি এ বিষয়ে সার্বিক সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

    সোমবার সকাল থেকে এ রির্পোট লেখা পর্যন্ত উপজেলা সহকারি কমিশনারের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তার সাক্ষাত মেলেনি। অবশ্য নাম না প্রকাশের শর্তে উপজেলা ভ’মি অফিসের এক কর্মচারি জানান, উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভুমি) বিপূল সিকদারের পদোন্নতি হওয়ায় তিনি শনিবার জাতীয় বন্ধের দিনেও রাত অবধি এ উপজেলায় শেষ কর্মদিবস করে ৬ মাসের প্রশিক্ষনে ঢাকায় চলে যান।

    এর আগে রোববার দুপুরে বেতাগী প্রেসক্লাবের অস্থায়ী কার্যালয় সভা ডেকে এর প্রতিবাদ ও নিন্দা জানানোর পর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার সংলগ্ন প্রেসক্লাবের ভঙ্গুর জায়গায় গণমাধ্যম কর্মির্প্রাতিবাদ কর্মসূচি পালন করে এবং পরবর্তীতে বেতাগী উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয় গিয়ে প্রেসক্লাবের সাংবাদিকরা এ অভিযোগ তুলে ধরেন।

    প্রতিবাদ কর্মসূচিতে অংশনেন,সাপ্তাহিক বিষখালী পত্রিকার সম্পাদক আব্দুস সালাম সিদ্দিকী, বেতাগী প্রেসক্লাবের সভাপতি সাইদুল ইসলাম মন্টু,প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক লায়ন শামীম সিকদার,সহ-সভাপতি সহকারি অধ্যাপক আবুল বাসার খান, বেতাগী প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মো: মহসিন খান, দপ্তর সম্পাদক অলি আহমদ, দৈনিক গণকন্ঠের প্রতিনিধি প্রভাষক শাহাদাত হোসেন, দি কান্ট্রি টুডের প্রতিনিধি আরিফ সুজন, দৈনিক আমাদের সময় প্রতিনিধি সজল মাহামুদ, দৈনিক আজকের দর্পনের প্রতিনিধি খাইরুল ইসলাম মুন্না, বিশ্বমিডিয়ার প্রতিনিধি ইমরান হোসেন সহ অন্যান্যরা।

    তাছাড়াও এ ঘটনায় বরগুনা প্রেসক্লাবের সভাপতি এ্যাডভোকেট মোস্তফা কাদের, সাধারণ সম্পাদক জাফর হাওলাদার, সাবেক সাধারণ সম্পাদক আবু জাফর সালে, কোষাধ্যক্ষ জাহাঙ্গীর মৃধা এর নিন্দা ও প্রতিবাদ করেন।

    নাম প্রকাশে অনেচ্ছুক একজন প্রত্যক্ষদর্শী জানান,বাজার থেকে স্বাভাবিকভাবে লোকজন চলে যাওয়ার পর ঐদিন রাতে উপজেলা ভ’মি অফিসের জনৈক কর্মচারি পাহারায় থেকে দাঁড়িয়ে লোক লাগিয়ে ভারী ভেকু মেশিন দিয়ে প্রেসক্লাবের ভবনভেঙে তছনছ করে ফেলে। এসময় অন্য কোন মানুষ ছিলোনা বলে তিনি এর প্রতিবাদ করেননি। ্

    স্থানীয় সাংবাদিকরা জনান, ১৯৮৫ সালে বেতাগী প্রেসক্লাব প্রতিষ্ঠার পর দীর্ঘদিনের দাবির প্রেক্ষিতে তৎকালীণ সময়ে বরগুনা জেলা প্রশাসক, থানা নির্বাহী অফিসার,খাদ্য উপমন্ত্রী সহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দেও সহযোগিতায় বেতাগী খাসকাচারি মাঠের পূর্বপাশে জায়গা বাছাই করে। সেখানে প্রাথসিক পর্যায়একটি কাঠের ঘর উত্তোলন করে। সেখান থেকেই স্থানীয় প্রশাসনের বিভিন্ন কর্মকান্ড সহায়তা প্রদান বিশেষ করে মহান ভাষা দিবসে সরকারি কর্মকর্তারা উপস্থিত হয়ে সকল কর্মসূচি পালন করতো।

    এক পর্যায়ে দুই তলা বিশিষ্ট প্রেসক্লাবের পাকা ভবন নির্মাণ কাজে হাত দেওয়া হয়। আনুষ্ঠানিকভাবে ভিত্তি প্রস্থর স্থাপনকালে তৎকালীণ স্থানীয় সংসদ সদস্য, বরগুনা জেলা প্রশাসক, থানা নির্বাহী অফিসার, থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

    বেতাগী প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি আব্দুস সালাম সিদ্দিকী বলেন, ভবনের পাকা করার পরেও তখনকার সময় প্রশাসনের পক্ষথেকে নোটিশ কিংবা কোন ধরনের বাঁধা দেওয়া হয়নি। এটা কি প্রশাসনের বৈধতা প্রদান ও সস্মতির অংশ নয়? তার পরেও যদি প্রশাসনের সরকারি কাজে জমির প্রয়োজন হয়। তা সাংবাদিকদের ডেকে আলাপ আলোচনার মাধ্যমে রাতের আঁধারে না করে দিনের বেলায় প্রকাশ্যে যেভাবে ভবনের কাজ শুরু করা হয়েছে। সে ভাবেই করা যেতো । তা হলে আজ মানুষের মনে কোন প্রশ্নের তৈরি হতোনা। এতে করে সাংবাদিক সমাজকে হেয় প্রতিপন্ন করা হয়েছে। আমরা কোন প্রতিহিংসার শিকার কিনা এ জন্য ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত পূর্বক মালামাল উদ্ধারের পাশাপাশি ক্ষতিপূরণ ও প্রতিকার দাবি করছি।

    বেতাগী প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মো: মহসিন খান অভিযোগ করেন, সেই থেকে ভবনের নির্মাণ কাজে দীর্ঘসময়ের প্রয়োজন ও সম্পন্ন না হওয়ায় বেতাগী পৌরসভার পক্ষথেকে কাজ সম্পন্ন করণে একটি টেন্ডারও দেওয়া হয়। যা এখনো প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। কিন্ত পরিতাপের বিষয় গত ১২ অক্টোবর দিবাগত রাতের আঁধারে প্রেসক্লাবের ভবনটিতে সহকারি কমিশনার (ভুমি) বিপূল সিকদার নির্মমভাবে কুঠারাগাত করেন। ভবন ভাঙার আগে কোান না কোন সংবাদ কর্মিকে জানানোটা তাদের অধিকারের মধ্যে ছিলো। এর ফলে অধিকার হরণ ও সংবাদকর্মিদের ভাবর্মর্তি বিনষ্ট করা হয়েছে। সরকারি একজন শীর্ষ ও দায়িত্বশীল কর্মকর্তা হিসাবে তার বোধোদয় হওয়া উচিত ছিল।

    বেতাগী উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফারুক আহমদ এ ঘটনায় দু:খ প্রকাশ করে বলেন, তিনি যতটুকু জেনেছেন রাতের আঁধারে নয়, বিকেল থেকেই ভবনটি ভাঙা শুরু হয়ে তা অপসারণে রাত পর্যন্ত গড়িয়েছে। এর পরিত্যাক্ত মালামাল গুলো উদ্বার করে তা ফিরিয়ে দেওয়া হবে। আর যা যা করা দরকার এবিষয়ে তিনি সব কিছুই করবেন।

  • যশোরের বাগআঁচড়ায় বিএনপি’র সহযোগিতায় ভি,ডব্লিউবির চাল পেলো ৩০৮ পরিবার

    যশোরের বাগআঁচড়ায় বিএনপি’র সহযোগিতায় ভি,ডব্লিউবির চাল পেলো ৩০৮ পরিবার

    আজিজুল ইসলাম,যশোর : যশোরের শার্শা উপজেলার বাগআঁচড়া ইউনিয়নে ‘ভালনারেবল উইমেন বেনিফিট'(ভিডব্লিউবি)কর্মসূচির আওতায় ৩০৮ জন উপকারভোগী গ্রামীণ দুস্থ নারীদের মাঝে গত (জুলাই ও আগষ্ট) মাসের চাল বিতরণ করা হয়েছে।

    সোমবার (১৪ অক্টোবর) উপজেলার বাগআঁচড়া ইউনিয়ন পরিষদ চত্বরে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আওতায় ইউনিয়নের ভি.ডাব্লিউ.বি কর্মসূচির ৩০৮ জন উপকারভোগীদের মাঝে এ চাল বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক আসাদুজ্জামান মিঠু,যুগ্ম আহ্বায়ক জাহাঙ্গীর হোসেন ও বিএনপি নেতা ও বিশিষ্ট সমাজসেবক আব্দুল কুদ্দুস বিশ্বাস।

    এ সময় তদারকি কর্মকর্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা ট্যাগ অফিসার নাজমুল ইসলাম ও ইউপি সচিব মিলন হোসেন।

    ট্যাগ অফিসার নাজমুল ইসলাম জানান, চলমান ভি. ডাব্লিউ. বি কর্মসূচির আওতায় বাগআঁচড়া ইউনিয়নে ৩০৮ জন উপকারভোগী রয়েছেন। তাদের মাঝে সুন্দর ও সুষ্ঠ পরিবেশে গত জুলাই ও আগষ্ট মাসের ৩০+৩০=৬০ কেজি (জনপ্রতি) চাল বিতরণ করা হয়েছে।

    এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন,শাশা উপজেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটির সদস্য আনোয়ার হোসেন বাবু, শার্শা উপজেলা যুবদলের যুগ্ন আহ্বায়ক কবির হোসেন, শার্শা উপজেলা সেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক রাকিবুল হাসান রিপন, স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা সেলিম হোসেন আশা, আলমগীর কবির, শার্শা উপজেলা সহকারী যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা (ট্যাগ অফিসার) মো. নাজমুল হাসান, ইউপি সচিব মিলন হোসেন সহ ইউনিয়ন পরিষদে কর্মরত গ্রাম পুলিশ।

  • নড়াইলে বর্ষা মৌশুমে কয়েক দফা ভারী বর্ষনে মৎস্য ও কৃষি খাতে ক্ষতি শত কোটি টাকা

    নড়াইলে বর্ষা মৌশুমে কয়েক দফা ভারী বর্ষনে মৎস্য ও কৃষি খাতে ক্ষতি শত কোটি টাকা

    উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি:
    জেলায় এক হাজার সাত শত হেক্টর জমিতে মোট ঘের রয়েছে পাঁচ হাজার তিন শত টি, বৃষ্টির পানিতে তলিয়ে গেছে অন্তত সাড়ে তিন হাজার ঘের ও পুকুর, এ অঞ্চলের ছেষট্টি শতাংশ ঘের পানির নিচে তলিয়ে গেছে, ফলে মৎস্য খাতে ক্ষতি হয়েছে অন্তত নব্বই কোটি টাকা। এদিকে আমন ধান, ঘেরের পাড়ে শিম, কুমড়া, শশা, পেপেসহ বিভিন্ন প্রকার সব্জী তলিয়ে যাওয়ায় কৃষি খাতে ক্ষতি হয়েছে আরও অন্তত দশ কোটি টাকা। সব মিলিয়ে অতি বৃষ্টিতে এ জনপদে মৎস্য ও কৃষি খাতে ক্ষতির পরিমান শতকোটি টাকা। উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি জানান, চলতি বছর সারাদেশের ন্যায় নড়াইলে কয়েক দফায় ভারি বৃষ্টিপাত হয়েছে। টানা কয়েকদিনের বৃষ্টিতে তলিয়ে গেছে জেলার অন্তত সাড়ে তিন হাজার ঘের ও পুকুর। মৎস্য ব্যাবসায়ীদের পাশাপাশি মারাক্তকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে হাজারো কৃষক। ভারি বৃষ্টিতে কৃষকদের ক্ষেতের সজ্বীসহ বিভিন্ন ফসল নষ্ট হয়ে গেছে। চলতি মৌশুমে শুধুমাত্র বৃষ্টিতে মৎস্য ব্যাবসায়ীদের ক্ষতি হয়েছে অন্তত নব্বই কোটি টাকা আর কৃষকদের ক্ষতি হয়েছে আরও অন্তত দশ কোটি টাকা, সব মিলিয়ে ছোট্র জেলা নড়াইলে কৃষি ও মৎস্য খাতে ক্ষতির পরিমান অন্তত শত কোটি টাকা।

    জানাগেছে, প্রায় আট লক্ষ মানুষের বসবাসের জেলা নড়াইল। বিল ও ঘের বেষ্টিত এ জনপদের মানুষের প্রধান জীবীকার উৎস কৃষি কাজ ও মৎস্য চাষ। এ জনপদের ৮২ শতাংশ মানুষ কৃষি কাজের উপর নির্ভরশীল। ধান, পাট, গমসহ বিভিন্ন ফসলের পাশাপাশি এ জেলার অন্তত ৫০ হাজার মানুষ মৎস্য চাষের সাথে সরাসরি জড়িত।

    নড়াইল শহরের ঘের ব্যাবসায়ী কৃষক মো: আহাদউজ্জামান। এক যুগেরও বেশি সময় ধরে মৎস্য চাষের সাথে জড়িত। নড়াইল পৌর এলাকার ভওয়াখালী বিলের মধ্যে তিনটি ঘের রয়েছে তার। বিভিন্ন জায়গা থেকে ধার দেনা করে বুক ভরা স্বপ্ন নিয়ে এ বছরও বিভিন্ন প্রকার মাছ চাষ শুরু করেছিলেন তিনি। টানা বৃষ্টিতে তার তিনটি ঘের তলিয়ে গেছে, নষ্ট হয়েছে ঘেরের পাড়ের বিভিন্ন প্রকার সজ্বী। ঘের আর বিল পানিতে টুইটুম্বর হয়ে গেছে। ইতোমধ্যে প্রান্তিক এই মৎস্য ব্যাবসায়ী ছয় লক্ষ টাকা খরচ করেছেন, ভেবেছিলেন অন্তত দশ লক্ষ টাকা লাভ হবে। তবে তার সেই স্বপ্ন নিমিষেই বিলিন হয়ে গেছে। ধার দেনা করে মাছ ছাড়লেও সব মাছ বৃষ্টির পানিতে ভেসে গেছে। সমিতির লোনের টাকা আর মাছের খাবারের দোকানের বাকি টাকা কিভাবে শোধ করবে সেটা নিয়ে বড় দু:চিন্তায় আছে এই মৎস্য ব্যাবসায়ী।

    কৃষক ও মৎস্য ব্যাবসায়ীরা জানান, জেলার বিল ও ঘের অঞ্চলের প্রতিটা এলাকার মৎস্য ব্যাবসায়ী ও কৃষকদের একই অবস্থা। চলতি মৌশুমের কয়েক দফা বৃষ্টিতে তলিয়ে গেছে এলাকার রাস্তাঘাট, কৃষকদের ক্ষেতের ফসল, সাড়ে তিন হাজার ঘের ও পুকুর। আর এতে বিপাকে পড়েছে নড়াইল সদর, লোহাগড়া ও কালিয়া উপজেলার হাজারো মৎস্য ব্যাবসায়ী ও কৃষক। চলতি মৌশুমের তিন দফা ভারী বর্ষনে জেলার সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে নড়াইল সদর ও কালিয়া উপজেলার মৎস্য চাষি ও প্রান্তিক কৃষকেরা। ঘের ভেসে যাওযায় দিশেহারা হয়ে পড়েছে তারা।

    পৌর এলাকার দূর্গাপুর গ্রামের মৎস্য ব্যাবসায়ী জিরু শেখ বলেন, দেড় যুগেরও বেশি সময় ধরে ঘের ব্যবসা করি, বৃষ্টিতে এত ক্ষতি কখনও হয়নি। সাড়ে তিন একর জমিতে দুটি ঘেরে যত মাছ ছিল সব চলে গেছে। অন্তত সাত লক্ষ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে দাবী তার। একই এলাকার আর এক ব্যাবসায়ী আজিজুর শেখ বলেন, পাঁচটি ঘেরের মধ্যে চারটি ঘেরের মাছ চলে গেছে, ঘেরের পাড়ের সব সজ্বী নষ্ট হয়ে গেছে এতে আট লক্ষ টাকার বেশি ক্ষতি হয়েছে। কৃষক খাজা মিয়া জানান, বিল আর ঘের চেনার উপায় নেই, সব পানিতে তলিয়ে গেছে। আড়পাড়া গ্রামের কৃষক তজিবর শেরেখ অভিযোগ, যে সকল জমিতে পায়ে হেটে যেতাম সেই জমিতে নৌকা ছাড়া যেতে পারছিনা, জমিতে কোন ফসল অবশিষ্ট নেই, সব নষ্ট হয়ে গেছে।

    কৃষি বিভাগ ও মৎস্য বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, জেলায় এক হাজার ৭শ হেক্টর জমিতে মোট ঘের রয়েছে পাঁচ হাজার তিন শত টি। বৃষ্টির পানিতে তলিয়ে গেছে অন্তত সাড়ে তিন হাজার ঘের ও পুকুর। এ অঞ্চলের ছেষট্টি শতাংশ ঘের পানির নিচে তলিয়ে গেছে। এ জনপদে ঘের ব্যবসায়ী আছে সাড়ে দশ হাজার আর এ পেশার সাথে জড়িত রয়েছে অন্তত ৫০ হাজার মানুষ। মৎস্য চাষের সাথে জড়িত ব্যাবসায়ীসহ বিভিন্ন শ্রেনীর মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে অন্তত তেত্রিশ হাজার, আর শুধু মৎস্য খাতে ক্ষতি হয়েছে অন্তত নব্বই কোটি টাকা। এদিকে আমন ধান, ঘেরের পাড়ে শিম, কুমড়া, শশা, পেপেসহ বিভিন্ন প্রকার সজ্বী তলিয়ে যাওয়ায় কৃষি খাতে ক্ষতি হয়েছে অন্তত দশ কোটি টাকা। সব মিলিয়ে অতি বৃষ্টিতে এ জনপদে ক্ষতির পরিমান শতকোটি টাকা।
    জানাগেছে, নড়াইল খাদ্য ও মৎস্য চাষে উদ্বৃত্ত জেলা । এ জেলার প্রায় আট লক্ষ মানুষের জন্য মাছের চাহিদা রয়েছে ১৬ হাজার মে: ট:। প্রতি বছর উৎপাদন হয় অন্তত ১৮ হাজার মে: ট: মাছ। স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে অন্তত ২ হাজার মে: ট: মাছ উদ্বৃত্ত থাকে এ জেলায়। আর প্রতি বছর চাহিদা মিটেয়ে অন্তত এক লক্ষ মে: ট: খাদ্য উদ্বৃত্ত থাকে এ জনপদে।

    নড়াইল কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক কৃষিবিদ মো: আশেক পারভেজ বলেন, ইতোমধ্যে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তালিকা করা হয়েছে। তাদের মাঝে সরকারিভাবে বিনামূল্যে সার ও বীজ সরবরাহ করা হবে। আশা করছি সার ও বীজ বীনা মূল্যে সরবরাহ করা হলে কিছুটা হলেও তারা ক্ষতি পুশিয়ে নিতে পারবে।

    নড়াইল জেলা মৎস্য অফিসার এইচ এম বদরুজ্জামান বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত ঘের ব্যাবসায়ীদের তালিকা করে উর্দ্ধতন কর্মকর্তাদের কাছে পাঠানো হয়েছে। বরাদ্দ পেলে মৎস্য ব্যাবসায়ীদের সহযোগিতা করা হবে। বরাদ্দ না পেলে অর্থিকভাবে সহযোগিতা করার কোন সুযোগ নেই। ব্যাবসায়ীরা যাতে আগামীতে ঘুরে দাড়াতে পারে সেই জন্য মাঠ পর্যায়ে তাদেরকে বিভিন্ন ভাবে পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছে মাঠ কর্মীরা।

  • প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ

    প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ

    আরিফ রব্বানী,
    ময়মনসিংহ প্রতিনিধি

    ময়মনসিংহের সদর উপজেলার মালতী প্রভা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে কথাবার্তা ও অশালীন আচরণসহ নানা অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে।

    এ ব্যাপারে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবী করে উপজেলা শিক্ষা অফিসার বরাবরে একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন বিদ্যালয়ের ভুক্তভোগী অভিভাবকরা।

    প্রধান শিক্ষক কর্মস্থলে যোগদান করার পর থেকেই অভিভাবক ও সহকারী শিক্ষকদের উপর ক্ষমতার অপব্যবহার করাসহ তাদের উপর বিভিন্ন অত্যাচার, নির্যাতন এবং বিভিন্ন অনিয়ম চালিয়ে যাচ্ছে এমনটাই অভিযোগ অভিভাবকদের। তবে এর আগেও তার বিরুদ্ধে তৎকালীন উপজেলা শিক্ষা অফিসার বরাবরে লিখিত অভিযোগ দিয়েও সঠিক বিচার/প্রতিকার না হওয়ায় প্রধান শিক্ষক নাম্মি আক্তার অভিভাবক শিক্ষকসহ ও অফিস সহায়কের উপর আরো বেপরোয়া হয়ে উঠেছেন।

    প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অভিযোগগুলোর মধ্যে রয়েছে-ক্লাসে ব্যবহারের জন্য কলম চাইলে অসধাচরণ দুর্ব্যবহার ও লোভী বলে শিক্ষকদের গালিগালাজ করা, শিক্ষকরা তার কোন অনিয়মের প্রতিবাদ করলে সন্ত্রাসী বাহিনীদের মোবাইল করে ডেকে এনে শিক্ষকদের উপর নির্যাতন, লাঞ্চিত করাসহ তাদেরকে অপমান করে জোর পুর্বক বিভিন্ন অবৈধ রেজুলেশনে ও ভাউচারে স্বাক্ষর নেয়ার অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। অভিযোগ রয়েছে- প্রধান শিক্ষক নাম্মি আক্তার উক্ত বিদ্যালয়ে যোগদান করার পর থেকে যে কোন কার্যক্রম কারো সাথে কোন পরামর্শ ছাড়া একক সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকেন এসব সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ করলে তিনি তার ক্ষমতার অপব্যবহার করে সহকারি শিক্ষকদের তিনি অপমান করেন এমনকি সহকারী শিক্ষকদের ব্যক্তিগত পারিবারিক বিষয়কে খুচা দিয়ে কথা বলেন ও সহকারী শিক্ষকদের স্বামীদের নিয়েও অশ্লীল মন্তব্য করেন।

    অভিযোগকারী এক অভিভাবক বলেন, ‘আমার ছেলেকে ওই স্কুলে ভর্তি করি। সন্তানের কোন বিষয়ে প্রশ্ন করলে আমার সঙ্গে খারাপ আচরণ করে আমাকে স্কুল থেকে বের হয়ে যেতে বলে। তার ইচ্ছেমতো তিনি স্কুল পরিচালনা করেন। কেউ প্রতিবাদ করলে তাদের সঙ্গে খারাপ আচরণ করেন।’

    তবে এসব অভিযোগের ব্যাপারে জানতে চেয়ে প্রধান শিক্ষকের সাথে তার মুঠোফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলে ফোন বন্ধ পাওয়ায় যোগাযোগ করা যায়নি।

    আর উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মনিকা পারভীন বলেন, ‘প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে আমার আগে যিনি দায়িত্বে ছিলেন তার কাছে দেওয়া আগের অভিযোগের বিষয়টি সম্পর্কে আমার জানা নেই খোঁজ নিয়ে দেখতে হবে। তবে নতুন অভিযোগের বিষয়টি আমি শুনেছি। তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে’।

  • নারায়ণগঞ্জের জেলার মামুনুর রশিদ যেন ঝিনাইদহের জমিদার

    নারায়ণগঞ্জের জেলার মামুনুর রশিদ যেন ঝিনাইদহের জমিদার

    ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ
    ঝিনাইদহ শহরের বাইপাস, ভুটিয়ারগাতি ও হাটগোপালপুরসহ বিভিন্ন এলাকায় কোটি কোটি টাকার সম্পদ। কোথাও নিজ নামে, আবার কোথায় স্বজনদের নামে কিনেছেন জমি। কি নেই তার গ্রামের বাড়িতে। সম্পদের হিস্যা দেখে মনে হয় তিনি জমিদার পরিবারের সন্তান। নারায়ণগঞ্জের জেলা কারাগারের জেলার মামুনুর রশিদের আয় বর্হিভুত সম্পদ নিয়ে হৈচৈ পড়ে গেছে। বিপুল পরিমান জমি, বাড়ি, গাড়ি, ঢাকায় একাধিক ফ্লাট থাকার পরও তিনি আবারো ঝিনাইদহ সদর উপজেলার হাটগোপালপুর বাজারে দুই তলা বাড়ীসহ প্রায় আড়াই কোটি টাকার জমি কিনতে বায়না করেছেন। অভিযোগ রয়েছে শুধু ঝিনাইদহে না, যশোর ও ফরিদপুরেও তার নামে বেনামে কোটি কোটি টাকার সম্পত্তি। জেলার হয়ে কিভাবে এত সম্পত্তির মালিক হয়েছে তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন ঝিনাইদহের মানুষর। তথ্য নিয়ে জানা গেছে, ফরিদপুর জেলায় বাড়ি মামুনুর রশিদের। বর্তমানে নারায়ণগঞ্জের জেলার হিসেবে কর্মরত আছেন। এর আগে ঝিনাইদহ, যশোর, কুমিল্লাসহ দেশের বিভিন্নœ জেলায় কর্মরত ছিলেন। অভিযোগ রয়েছে, জেলার মামুনুর রশিদ যে জেলায় কর্মরত ছিলেন সেখানেই দুর্নীতির মাধ্যমে লাখ লাখ টাকা কামিয়েছেন।
    আর সেই জেলাতেই কিনেছেন নামে বেনামে সম্পত্তি। সুত্রমতে ঝিনাইদহ জেলায় ২০১২ সালে ডেপুটি জেলার হিসেবে কর্মরত ছিলেন। সেই সময় সদর উপজেলার বাকড়ি গ্রামের দেলোয়ার হোসেন দুর্লভ নামের এক দালালের সাথে পরিচয় হয় তার। সেই দুর্লভের মাধ্যমে ঝিনাইদহ শহরের বাইপাস, ভুটিয়ারগাতি, হাটগোপালপুরে কয়েক কোটি টাকার জমি ক্রয় করেছেন। সম্প্রতি সদর উপজেলার হাটগোপালপুর বাজারের ব্যবসায়ী মোয়াজ্জেম হোসেনের ১২ শতক জমি, মার্কেটসহ ২ তলা বাড়ী কেনার জন্য বায়না করেছেন। যার আনুমানিক মূল্যে আড়াই কোটি টাকা। প্রাপ্ত তথ্যমতে জেলার মামুনুর রশিদ তার অবৈধ সম্পত্তি ও নগদ টাকা জমা রেখেছেন ঝিনাইদহের দেলোয়ার হোসেন দুর্লভের কাছে। তার কাছে কোটি কোটি টাকা রেখে সেই টাকা দিয়ে বেনামে সম্পদ কিনছেন জেলার মামুনুর রশিদ।
    সদর উপজেলার হাটগোপালপুর বাজারের ব্যবসায়ী আনোয়ার হোসেন জানান, জেলার মামুন এতো টাকা কোথায় পাচ্ছেন না তদন্ত করে দেখা দরকার। তিনি অন্য জেলার বাসিন্দা হয়ে ঝিনাইদহে কেন এতো সম্পদ গড়ে তুলছেন তা রহস্যের জন্ম দিয়েছে। ঝিনাইদহ সচেতন নাগরিক সমাজের (সনাক) সাবেক সভাপতি সায়েদুল আলম জানান, একজন জেলারের এত টাকার সম্পদ কিভাবে হলো তা খতিয়ে দেখা দরকার। তাছাড়া তার আয়ের উৎস কী তাও খুজে বের করতে হবে। কথা বলতে সোমবার বিকালে জেলার মামুনুর রশিদকে একাধিক বার কল দেওয়া হলে তিনি ফোন রিসিভ করেন নি। তবে তার সহযোগী দেলোয়ার হোসেন দুর্লভ বলেন, ঝিনাইদহ জেলা কারাগারে থাকাকালীন সময়ে আসামী দেখতে গিয়ে উনার সাথে আমার পরিচয় হয়। সেই থেকে ভালো সম্পর্ক। তার ঝিনাইদহ শহরের হামদহ বাইপাসে একটি জমি কেনা আছে। আরও কয়েকটি জমি কিনবেন বলে প্রস্তুতি নিচ্ছেন। অন্য কোথাও আছে কি না তা আমি জানি না।

    আতিকুর রহমান
    ঝিনাইদহ।।

  • পুঠিয়ায় ফেস বুকে পোষ্ট দেওয়াকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে গুরুতর আহত ৩

    পুঠিয়ায় ফেস বুকে পোষ্ট দেওয়াকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে গুরুতর আহত ৩

    পুঠিয়া (রাজশাহী)প্রতিনিধিঃ পুঠিয়ায় ফেস বুকে পোষ্ট দেওয়াকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে গুরুতর আহত হয়েছে ৩জন।

    রবিবার (১৩ আগষ্ট) রাত্রি ৮টার দিকে উপজেলার শিলামাড়িয়া ইউনিয়নের জগদিশপুর বাঙ্গালপাড়া বাজারে এ সংঘর্ষের ঘটনাটি ঘটে। আহতরা হলো, উপজেলার শিলমাড়িয়া ইউনিয়নের সাধনপুর গ্রামের আব্দুল গফুর প্রাং এর ছেলে জীবন আলম প্রাং (২১), ঘোড়াগাছি গ্রামের শুকুুর আলীর ছেলে রকিব ১৯) ও অমৃতপাড়া গ্রামের জহিরুল ইসলামের ছেলে পারভেজ (১৮)। সংঘর্ষে আহত জীবন আলী জানান, রবিবার বিকালে জগদিশপুর বাঙ্গালপাড়া গ্রামের সনি নামের এক কিশোর ফেস বুকে স্ট্যাটাস দেয় যে, আমরা যার হাত ধরি সে শক্তিশালী হয়।

    উক্ত স্ট্যাটাস দেখে একই গ্রামে জাহিদ নামের এক কিশোর প্রতিবাদ করলে তাকে সনি মারধোর করে।

    এ নিয়ে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পরে বিষয়টি মিমাংসার জন্য বাঙ্গালপাড়া বাজারের মিঠুর দোকানে রাতে এলাকার নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিবর্গ সালিশে বসে। সালিশের এক পর্যায়ে সনির পক্ষ নিয়ে সিরাজীর নেতৃত্বে ২০ থেকে ২৫ জন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র, লঠিসোট নিয়ে আমাদের লোকজনের উপর হামলা চালায়।

    তাদের হামলায় জীবন, রাকিব, পারভেজসহ বেশ কয়েকজন আহত হয়।

    গুরুতর আহত জীবন, রাকিব ও পারভেজকে পুঠিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

    বাঁকিদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। পরে পুঠিয়া থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করা হয়।

    এ বিষয়ে পুঠিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ কবির হোসেন বিষয়টির সত্যতা শিকার করে বলেন, একটি অভিযোগ পেয়েছি।

    অভিযোগটির তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে এ কর্মকর্তা জানান।#

    মাজেদুর  রহমান( মাজদার) 
    পুঠিয়া রাজশাহী

     

  • মোরেলগঞ্জে আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস উদযাপিত

    মোরেলগঞ্জে আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস উদযাপিত

    এস এম সাইফুল ইসলাম কবির বিশেষ প্রতিনিধি ::“আগামী প্রজন্মকে সক্ষম করি, দুর্যোহ সহনীল ভবিষ্যৎ গড়ি” এ প্রতিপাদ্য বিষয়ে বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস উদযাপন করা হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষে (১৪ অক্টোবর সোমবার) বেলা ১০টায় উপজেলা চত্বরে র‍্যালী, সভাকক্ষে আলোচনা সভা ও ফায়ার সার্ভিসের উপস্থাপনায় মহড়া অনুষ্ঠিত হয়।

    আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ভারপ্রাপ্ত) মো. বদরুদ্দোজা। আলোচনা সভায় স্বাগত বক্তাব্য রাখেন উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল জাবির।

    অন্যান্যের মধ্যে বক্তৃতা করেন মোরেলগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস স্টেশন কর্মকর্তা মো. গোলাম ফারুক, মোরেলগঞ্জ প্রেসক্লাব সভাপতি মশিউর রহমান মাসুম, মোরেলগঞ্জ উপজেলা প্রেসক্লাব আহবায়ক এইচ এম শহিদুল ইসলাম,সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান মাওলানা আব্দুল খালেক, প্রধান শিক্ষক মো. হারুন-অর রশীদ প্রমুখ।এছাড়াও সুশীল সমাজের লোকজন, প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক্স মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।####** ছবি সংযুক্ত আছে ** ## **

  • বড়াইগ্রামে আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস পালিত 

    বড়াইগ্রামে আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস পালিত 

    মোঃ শাহ আলম,ষ্টাফ রিপোর্টার ঃ

    ‘আগামী প্রজন্মকে সক্ষম করি, দুর্যোগ সহনশীল ভবিষ্যৎ গড়ি ‘প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে নাটোরের বড়াইগ্রাম উপজেলা প্রশাসন ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা শাখার আয়োজনে আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস পালিত হয়েছে। সোমবার (১৪ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ১০টায় উপজেলা নির্বাহী অফিসার লায়লা জান্নাতুল ফেরদৌস সভাপতিতে 
    সেন্ট জোসেফ স্কুল এন্ড কলেজে রেলীসহ
    ভূমিকম্প ও  অগ্নিনির্বাপণ বিষয়ে মহড়া শেষে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। 
    বনপাড়া ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশন অফিসার মোঃ একরামুল ইসলাম, নেতৃত্বে ফায়ার সার্ভিসের একটি চৌকস টিম দুর্যোগ মোকাবিলা, অগ্নিনির্বাপণসহ বিভিন্ন কলাকৌশল প্রদর্শন ও মহড়া দেয়। এ সময় ইউএনও লায়লা জান্নাতুল ফেরদৌস সকল ধরনের দুর্যোগ মোকাবিলা ও অগ্নিনির্বাপণ সম্পর্কে আলোচনা করেন।
    আলোচনা সভায় উপজেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আব্দুল রাজ্জাক, উপজেলা সমাজ সেবা অফিসার রেজাউল করিম, উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা মোঃ রফিকুল ইসলাম, উপজেলা সমবায় অফিসার আমজাত হোসেন, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী, সাংবাদিক এবং বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

  • নীলফামারী জেলার আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত।

    নীলফামারী জেলার আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত।

    মোঃ হামিদার রহমান নীলফামারীঃ ১৪ অক্টোবর রোজ সোমবার  জেলা প্রশাসন নীলফামারী এর আয়োজনে নীলফামারী জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে জেলা আইন শৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মোহাম্মদ নায়িরুজ্জামান, জেলা প্রশাসক, নীলফামারী। 

    উক্ত জেলা আইন শৃঙ্খলা কমিটির সভায় উপস্থিত ছিলেন পুলিশ সুপার, নীলফামারী মোহাম্মদ মোর্শেদ আলম,।

    এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন  সাইদুল ইসলাম, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) নীলফামারী; ডাঃ  হাসিবুর রহমান, সিভিল সার্জন, নীলফামারী সহ বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি দপ্তরের প্রতিনিধিগণ এবং বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ।

  • বড়াইগ্রাম জোনাইলে  মহানবী (সা.)-কে কটুক্তির অভিযোগে বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল

    বড়াইগ্রাম জোনাইলে  মহানবী (সা.)-কে কটুক্তির অভিযোগে বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল

    মোঃ শাহ আলম,ষ্টাফ রিপোর্টার ঃ

    মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) কে অবমাননাকর ও ইসলাম ধর্ম নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেওয়ায় আতিকুর রহমান সাগর (৩২) নামক এক যুবককের বিচারের দাবিতে নাটোরের বড়াইগ্রাম জোনাইল বাজারে বিক্ষোভ মিছিল হয়।

    এ সময় বক্তব্য রাখেন, জোনাইল বাজার কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের পেশ ইমাম হাফেজ মাওলানা মোঃ আলী আজগর, ঢাকা ভার্সিটির ছাত্র মোঃ বিলাল হোসেন ও মোঃ মাহাবুল।

    তোপের মুখে গত বৃহস্পতিবার সকালে আতিকুর রহমান সাগর নিজেই চাটমোহর থানায় চলে আসেন। থানা পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার দেখায়। গ্রেপ্তারকৃত যুবক উপজেলার হরিপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সাবেক সভাপতি ও বড়ুরিয়া গ্রামের আতাউর রহমান ওরফে চাঁদ মন্ডলের ছেলে। 

    সোমবার(১৪অক্টোবর) বিকাল ৫ টার দিকে নাটোরের বড়াইগ্রাম উপজেলার জোনাইলের  সর্বস্তরের ধর্মপ্রাণ মুসলমানগণের আয়োজনে জোনাইল বাজারে  এ বিক্ষোভ মিছিল হয় আতিকুর রহমানের দৃষ্টান্তমূল শাস্তির দাবিতে।  

    জানা গেছে, আতিকুর রহমান সাগর গত বুধবার (৯ অক্টোবর) তার আতিকুর রহমান সাগর নামক ফেসবুক আইডি থেকে ইসলাম ধর্ম অবমাননাকর দুইটি স্ট্যাটাস দেয়। বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পরলে ধর্মপ্রাণ মুসুল্লীরা ক্ষোভে ফেটে পরেন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অনেকেই তার শাস্তির দাবি করেন।