Author: desk

  • খুলনা ৬ আসনে জাপার মনোনীত প্রার্থী মোস্তফা কামাল জাহাঙ্গীর এর মনোনয়নপত্র দাখিল

    খুলনা ৬ আসনে জাপার মনোনীত প্রার্থী মোস্তফা কামাল জাহাঙ্গীর এর মনোনয়নপত্র দাখিল

    পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি ।।

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মনোনয়নপত্র জমাদানের শেষ দিনে খুলনা-৬ (পাইকগাছা-কয়রা) আসনে জাতীয় পার্টি মনোনীত প্রার্থী মোস্তফা কামাল জাহাঙ্গীর মনোনয়ন পত্র দাখিল করেছেন।

    ২৯ ডিসেম্বর সোমবার দুপুরে দলীয় নেতা কর্মীদের সাথে নিয়ে পাইকগাছা উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও সহকারি রিটার্নিং কর্মকর্তা ওয়াসিউজ্জামান চৌধুরীর নিকট মনোনয়নপত্র জমা দেন।

    এসময় উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় জাপার সদস্য ও কয়রা উপজেলা আহবায়ক মোস্তফা শফিকুল ইসলাম, পাইকগাছা উপজেলা সভাপতি গাজী শহিদুল ইসলাম খোকন, জেলা যুগ্ম-সম্পাদক ও সদস্য সচিব সামছুল হুদা খোকন, কয়রা উপজেলা সদস্য সচিব এম রফিক সিরাজ, সাবেক সাধারন সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ, জেলা জাপার সাংগঠনিক সম্পাদক গাজী আব্দুস সামাদ, লতা ইউনিয়ন জাপার সভাপতি সাংবাদিক কৃষ্ণ রায়, মোঃ ওয়াহিদুজ্জামান, মাষ্টার অজিয়ার রহমান, উপজেলা জাতীয় যুব সংহতির সভাপতি আব্দুল আজিজ, গাজী মুজিবর রহমান, শেখ মাসুদুর রহমান, মোঃ আব্দুর রহিম, অমিত বিশ্বাস, সরদার আব্দুল মজিদ, আবু রায়হান, মোঃ আমজাদ আলী সানা, মোঃ শহিদুজ্জামান, ডাঃ আবুল বাশার, মোঃ শাহ আলম, মোঃ শহিদুল্লাহ মিস্ত্রী, মোঃ জিনারুল ইসলাম।

    পরবর্তীতে তিনি দলীয় কার্যালয়ে নেতা-কর্মীদের সাথে এক মতবিনিময় সভায় মিলিত হন।

    প্রেরক,

    ইমদাদুল হক

    পাইকগাছা,খুলনা

  • আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১৯ এ ১১জন প্রার্থীর মনোন-য়ন ফরম সংগ্রহ

    আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১৯ এ ১১জন প্রার্থীর মনোন-য়ন ফরম সংগ্রহ

    সাইফুল ইসলাম জয় (হেলাল শেখ): আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ঢাকা-১৯ (সাভার–আশুলিয়া) আসনে সাভার উপজেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে এ পর্যন্ত মোট ১১ জন প্রার্থী মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছেন। এদের মধ্যে বিভিন্ন দলের ১০ জান ও ১ জন স্বতন্ত্র প্রার্থী রয়েছেন।

    রবিবার (২৮ ডিসেম্বর ২০২৫) বিকেল পর্যন্ত ১১জন প্রার্থী মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন, মনোনয়ন ফরম সংগ্রহকারী প্রার্থীরা হলেন, বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ডা. দেওয়ান মো. সালাউদ্দিন বাবু, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মাওলানা মো. আফজাল হোসেন, এনসিপির ফয়সাল মাহমুদ,গণঅধিকার পরিষদের অ্যাডভোকেট শেখ শওকত হোসেন, জাতীয় পার্টির মো. বাহাদুর ইসলাম, ইসলামি আন্দোলন বাংলাদেশের ফারুক খান, খেলাফত মজলিসের এ. কে. এম এনামুল হক, ন্যাশনাল পিপলস পার্টি (এনপিপি)-এর ইসরাফিল হোসেন সাভারী, বাংলাদেশ মুসলিম লীগের মো. কামরুল, লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এলডিবি)-এর চৌধুরী হাসান সোহরাওয়ার্দী এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী আব্দুল আলীম নিজামী। সাভার নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা গেছে, ঢাকা-১৯ আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৯ লাখ ২৮ হাজার ৪২৮ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ৪ লাখ ৭৪ হাজার ৮৭ জন, মহিলা ভোটার ৪ লাখ ৫৪ হাজার ৩২৫ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার রয়েছেন ১৬ জন। বিপুলসংখ্যক ভোটারকে কেন্দ্র করে এলাকায় নির্বাচনী উত্তাপ ও আগ্রহ লক্ষ্য করা যাচ্ছে।

    মনোনয়ন ফরম সংগ্রহকে কেন্দ্র করে রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে প্রার্থীদের পাশাপাশি দলীয় নেতাকর্মীদের উপস্থিতিতে উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে। এ সময় প্রার্থীরা নিজ নিজ দলের আদর্শ, কর্মসূচি ও উন্নয়ন পরিকল্পনা তুলে ধরে ভোটারদের সমর্থন পাওয়ার আশাবাদ ব্যক্ত করেন। নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী মনোনয়ন ফরম বিতরণ ও জমা গ্রহণের কার্যক্রম চলমান রয়েছে। সোমবার আরও প্রার্থী মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করতে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে বিএনপি নেতা আইয়ুব খান মাঠে থাকলেও তিনি এখনো ফরম তোলেননি।

  • কুড়িগ্রামের কচাকাটা বহুমূখী উচ্চ বিদ্যালয়ের ঝুঁ-কিপূর্ণ গাছ নি-লামে বিক্রয়

    কুড়িগ্রামের কচাকাটা বহুমূখী উচ্চ বিদ্যালয়ের ঝুঁ-কিপূর্ণ গাছ নি-লামে বিক্রয়

    এম এস সাগর, কুড়িগ্রাম:

    কুড়িগ্রামের কচাকাটা বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের ৭টি ঝুঁকিপূর্ণ গাছ উপজেলা নির্বাহী অফিসারের সভাপতিত্বে ৪ সদস্য বিশিষ্ট নিলাম ও বিক্রয় উপ-কমিটির মাধ্যমে বিধি মোতাবেক নিলামে গাছ বিক্রয় সম্পুর্ন হয়েছে।

    জানা গেছে, নাগেশ্বরী উপজেলার কচাকাটা থানার কেদার ইউনিয়নের ঐতিহ্যবাহী কচাকাটা বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের পূর্বের ঘর সংস্কার ও স্কুলের আসবাবপত্র তৈরির লক্ষে গত ২৫জুলাই ২০২৫খ্রি. স্কুল পরিচালনা কমিটির রেজুলেশনে গাছ নিলামে বিক্রয়ের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। কমিটির সিদ্ধান্ত মোতাবেক গত ১৯আগষ্ট ২০২৫খ্রি. প্রধান শিক্ষক নাগেশ্বরী উপজেলা নির্বাহী অফিসারের বরাবর একটি আবেদন করেন এবং আবেদনের প্রেক্ষিতে উপজেলা পরিবেশ ও বন কর্মকর্তা কে সরেজমিনে তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেন। উক্ত নির্দেশনার আলোকে গত ৪সেপ্টেম্বর ২০২৫খ্রি. উপজেলা পরিবেশ ও বন কর্মকর্তা সাদিকুর রহমান শাহিন সরেজমিনে তদন্তপূর্বক পরিদর্শন ও মূল্য নির্ধারণ পূর্বক রংপুর সামাজিক বনায়ন ও বন বিভাগ কর্মকর্তা কে অনুমোদনের জন্য প্রতিবেদন প্রেরণ করেন। অতঃপর রংপুর সামাজিক বনায়ন ও বন বিভাগ কর্মকর্তা গত ৭সেপ্টেম্বর ২০২৫খ্রি. প্রতিবেদন মোতাবেক প্রশাসনিক অনুমোদনের জন্য নাগেশ্বরী উপজেলা নির্বাহী অফিসার কে পত্র প্রেরণ করেন। নিলাম কমিটির সভাপতি ও উপজেলা নির্বাহী অফিসারের সভাপতিত্বে গত ২৬অক্টোবর ২০২৫খ্রি. নিলাম কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত সভায় উপজেলা নির্বাহী অফিসার ৪সদস্য বিশিষ্ট নিলাম উপ-কমিটির মাধ্যমে ৭দিনের মধ্যে গাছ নিলাম পূর্বক কর্তন সম্পূর্ণ করে নিলামকৃত অর্থ বিদ্যালয়ের হিসাব নম্বরে জমাদান পূর্বক সরকারি ভ্যাট এবং ট্যাক্স প্রদানের আদেশ দেন। উক্ত আদেশের প্রেক্ষিতে নিলাম ও বিক্রয় উপ-কমিটি গত ৩০অক্টোবর ২০২৫খ্রি. বিধি মোতাবেক ৭টি গাছের মধ্যে ৩টি মেহগুনি, ২টি রেইন্ট্রি কড়াই ও ১টি অর্জুন গাছ (৬টি গাছ) নিলাম কার্যক্রম সম্পন্ন করেন এবং নিলামকৃত অর্থ গত ২নভেম্বর ২০২৫খ্রি. বিদ্যালয়ের হিসাব নম্বরে জমা করেন এবং গত ৪নভেম্বর ২০২৫খ্রি. সরকারি কোষাগারে ভ্যাট এবং ট্যাক্স জমা দান করেন।

    স্থানীয় মফিজুল ইসলাম, নবিকুল ইসলাম ও মোঃ আলম মিয়া বলেন, কচাকাটা বহুমূখী উচ্চ বিদ্যালয়ের ঝুঁকিপূর্ণ গাছ নিলামে অপসারণ করে বিদ্যালয়ের উন্নয়নে আসবাবপত্র তৈরি লক্ষ্যে বিধি মোতাবেক নিলাম কার্যক্রম সম্পূর্ণ হয়েছে।

    কচাকাটা বহুমূখী উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মোখলেসুর রহমান ও বিশ্বজিৎ সাহা বলেন, উপজেলা নির্বাহী অফিসারের ৪সদস্য বিশিষ্ট উপ-কমিটির মাধ্যমে বিধি মোতাবেক নিলাম কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে। নিলামকৃত গাছের মাধ্যমে স্কুলের আসবাবপত্র তৈরি করা হবে।

    বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির অভিভাবক সদস্য শফিকুল ইসলাম বলেন, সঠিকভাবে নিলাম কার্যক্রম সম্পন্ন হওয়ার পরেও একটি কুচক্রী মহল বিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রম ধ্বংসের লক্ষ্যে বিভিন্ন ষড়যন্ত্র ও অপ-প্রচার চালিয়ে আসছে।

    কচাকাটা বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক নুরুজ্জামান কবির বলেন, উপজেলা নির্বাহী অফিসারের ৪সদস্য বিশিষ্ট নিলাম ও বিক্রয় উপ-কমিটির মাধ্যমে বিধি মোতাবেক নিলাম সম্পন্ন হয়েছে।

    কচাকাটা বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি আলহাজ্ব মাওলানা মোঃ হানিফ উদ্দিন বলেন, পরিচালনা কমিটির সিদ্ধান্ত মোতাবেক এবং বিদ্যালয়ের আসবাবপত্র উন্নয়নে ৭টি ঝুঁকিপূর্ণ গাছ উপজেলা নির্বাহী অফিসারের সভাপতিত্বে ৪ সদস্য বিশিষ্ট নিলাম ও বিক্রয় উপ-কমিটির মাধ্যমে বিধি মোতাবেক নিলামে গাছ বিক্রয় সম্পুর্ন হয়েছে। একটি মহল বিদ্যালয়ের সুনাম ক্ষুন্ন করতে পায়তারা করে আসছে। আমি এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

    উপজেলা পরিবেশ ও বন কর্মকর্তা মো. সাদিকুর রহমান শাহিন বলেন, সরেজমিনে তদন্তপূর্বক পরিদর্শন ও মূল্য নির্ধারণ করে এবং নাগেশ্বরী উপজেলা নির্বাহী অফিসারের ৪ সদস্য বিশিষ্ট নিলাম ও বিক্রয় উপ-কমিটি দরপত্র আহ্বান করেন এবং স্কুলের ৩টি মেহগুনি, ২টি রেইন্ট্রি কড়াই ও ২টি অর্জুন গাছ নিলামে বিক্রি হয়েছে।

    উপজেলা নির্বাহী অফিসারের প্রতিনিধি উপজেলা পল্লী উন্নন অফিসার মোঃ গোলাম মোস্তফা বলেন, বাজার মূল্য নির্ধারণের পর প্রকাশ্যে নিলামের মাধ্যমে গাছ বিক্রয় করা হয়েছে।

  • দারুল ইসলাম মডেল মাদ্রাসায় ভর্তি চ-লছে

    দারুল ইসলাম মডেল মাদ্রাসায় ভর্তি চ-লছে

    সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি :
    সিরাজগঞ্জের সলঙ্গায় দ্বীনি শিক্ষার নির্ভরযোগ্য প্রতিষ্ঠান “দারুল ইসলাম আইডিয়াল মাদ্রাসা”।সলঙ্গা থানা সদরে অবস্থিত ঐতিহ্যবাহী কদমতলা চত্বরে অত্যন্ত নিরিবিলি ও মনোরম পরিবেশে গড়ে উঠেছে প্রতিষ্ঠানটি।অভিজ্ঞ ১৭ জন শিক্ষক মন্ডলী দ্বারা পরিচালিত হচ্ছে এই মাদ্রাসাটি।আপনার সন্তানকে সুশিক্ষায় গড়ে তুলতে আজই ভর্তি করুন।নূরানী বিভাগ-প্লে থেকে পঞ্চম শ্রেণী পর্যন্ত বালক-বালিকা ভর্তি,মহিলা কিতাব বিভাগ-উর্দু জামাত থেকে শরহে বেকায়া পর্যন্ত ভর্তি,মক্তব নাজেরা মহিলা বিভাগ-১ বছরে কোরআন শুদ্ধ পড়া ও হিফজ্ বিভাগ-২/৩ বছরে আন্তর্জাতিক মান সম্মত হাফেজ এবং হাফেজা তৈরিতে ভর্তি চলছে।এ ছাড়া দাখিল পরীক্ষা দেয়ারও সুব্যবস্থা রয়েছে।যোগাযোগের ঠিকানা-প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক,মুফতি তাওহিদুল ইসলাম(০১৩৪১-১৭৩৪৪৩) এবং মো: জিহাদুল ইসলাম (০১৮৫১-১৯৩৯২৮)।

  • ফুলবাড়ী খাদ্যগুদামে ধান-চাল সংগ্রহে পদে পদে অনিয়ম

    ফুলবাড়ী খাদ্যগুদামে ধান-চাল সংগ্রহে পদে পদে অনিয়ম

    এম এস সাগর,
    কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি:

    কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী উপজেলা খাদ্যগুদামে চাষির নাম ব্যবহার করে ধান সরবরাহ প্রভাবশালীদের। চাল বিক্রিতে কেজিতে ৩০পয়সা হারে কমিশন নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে উপজেলা খাদ্যগুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আব্দুল আউয়ালের বিরুদ্ধে।

    জানা গেছে, কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী উপজেলা খাদ্যগুদামে স্থানীয় আভ্যন্তরীণ আমন ধান ও চাল সংগ্রহ অভিযান ২০২৫-২৬খ্রী. অর্থবছর হিসেবে ২৬নভেম্বর থেকে শুরু হয়ে ধান-চাল সংগ্রহ অভিযান চলে ২২ডিসেম্বর পর্যন্ত। এই সময়কালে ফুলবাড়ী খাদ্যগুদামে সংগ্রহ করা হয় ১১০মেট্রিক টন ধান ও চাল। কাগজে-কলমে বলা হয়েছে ৩৬জন প্রান্তিক চাষি এই পরিমাণ ধানের জোগান দিয়েছেন। অভিযোগ রয়েছে, ধানের তালিকায় চাষিদের নাম থাকলেও খাদ্যগুদামে বিক্রি করেননি এক ছটাক ধান। তাঁরা জানেনও না, কে বা কারা তাঁদের নাম ব্যবহার করে ধান সরবরাহ করেছেন। আবার চাল বিক্রির সময় মিলারদের কাছ থেকে আদায় করা হয়েছে কেজিতে ৩০পয়সা হারে কমিশন। অনেকটা ওপেন-সিক্রেটে এমন অনিয়মের সঙ্গে ধান-চাল সংগ্রহ করেছেন খাদ্যগুদামের কর্মকর্তারা।

    অনুসন্ধানে মিলেছে, চাষিদের নাম ব্যবহার করে ভুয়া তালিকা দেখিয়ে গুদামে ধান সরবরাহ করেছেন হাতেগোনা ৫-৬জন প্রভাবশালী মধ্যস্বত্বভোগী। উপজেলা খাদ্যগুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আব্দুল আউয়ালের যোগসাজশে সরকারি কর্মকর্তা, ব্যবসায়ীরা এসব ধান সরবরাহ করেছেন। এমনকি তাঁরা চাষিদের নাম ভাঙিয়ে কৌশলে ধানের দামও তুলে নিয়েছেন।

    ফুলবাড়ীর নাওডাঙ্গা, শিমুলবাড়ী, ভাঙ্গামোড় ইউনিয়নের আদম আলী, আঃ রহমান, মনির উদ্দিন, আঃ সবুর, জয়নাল আলী বলেন, আমরা গোডাউনে ধান বিক্রি করতে গেলে বিক্রি করতে পারি না। নানা কারণে ধানের খুঁত ধরে রিজেক্ট করে দেওয়া হয়। এ জন্য কয়েক বছর ধরে ধান দিই না। কিন্তু এবারের তালিকায় আমাদের নাম আছে কি-না জানি না।

    শুধু তাই নয়, এবার মিলারদের কাছ থেকেও চাল কেনার সময় কেজিপ্রতি বসানো হয়েছে ৩০পয়সা হারে কমিশন। কমিশন বাণিজ্যে রাজি না হলে হয়রানির অভিযোগও রয়েছে।

    নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক মিলের মালিক জানান, গুদামে চাল বিক্রির সময় কমিশন বাণিজ্য অনেকটাই ওপেন-সিক্রেট। এ বছর কেজিপ্রতি চালে ২০থেকে ৩০পয়সা হারে কমিশন নির্ধারণ করা হয়। চাল বিক্রির সময় কর্মকর্তাদের খুশি না করলে নানাভাবে হয়রানি করা নতুন ঘটনা নয়। এবারও তাঁদের খুশি করতে কমিশন দিতে হয়েছে। না হলে ট্রাকভর্তি চাল দিনের পর দিন পড়ে থাকে।

    উপজেলা খাদ্যগুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আব্দুল আউয়াল বলেন, অফিসে আসেন কথা হবে বলেই মুঠোফোন ফোন বন্ধ করে দেন।

    কুড়িগ্রাম জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মোহাম্মদ কাজী হামিদুল বলেন, ‘এ বিষয়টি উপজেলা কর্মকর্তাই ভালো বলতে পারবেন। এই দায় আমার নয়।

    কুড়িগ্রাম জেলা প্রশাসক অন্নপূর্ণা দেবনাথ বলেন, অভিযোগের বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে।

  • বাগেরহাট-৪ আসনে জামায়াত প্রার্থীর মনোনয়ন দাখিল “দলীয় প্রার্থী নই, জনতার এমপি হতে চাই” — অধ্যক্ষ আব্দুল আলীম

    বাগেরহাট-৪ আসনে জামায়াত প্রার্থীর মনোনয়ন দাখিল “দলীয় প্রার্থী নই, জনতার এমপি হতে চাই” — অধ্যক্ষ আব্দুল আলীম

    এস.এম.সাইফুল ইসলাম কবির বিশেষ প্রতিনিধি :
    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বাগেরহাট-৪ (মোরেলগঞ্জ–শরণখোলা) আসনে জামায়াত ইসলামীর মনোনীত প্রার্থী অধ্যক্ষ আব্দুল আলীম মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন। মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ দিন সোমবার দুপুর সাড়ে ১২টায় তিনি উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও সহকারী রিটার্নিং অফিসার মোঃ হাবিবুল্লাহ’র নিকট আনুষ্ঠানিকভাবে মনোনয়নপত্র জমা দেন।
    মনোনয়নপত্র দাখিল শেষে অধ্যক্ষ আব্দুল আলীম বলেন,
    “আমি জামায়াত ইসলামীর প্রার্থী হিসেবে নয়, জনতার প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নিয়েছি। জনগণ যদি তাদের মূল্যবান ভোট দিয়ে আমাকে নির্বাচিত করেন, তবে আমি হবো জনতার এমপি। এই এলাকার মানুষের উন্নয়ন ও ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করাই হবে আমার রাজনীতির মূল লক্ষ্য।”
    তিনি আরও বলেন, বাগেরহাট-৪ আসনের মোরেলগঞ্জ ও শরণখোলা উপজেলার মানুষ দীর্ঘদিন ধরে অবহেলিত। এখানকার যোগাযোগ, অবকাঠামো ও নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়নে সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন। ক্ষমতায় গেলে দল-মত নির্বিশেষে সকলকে সঙ্গে নিয়ে এলাকার সার্বিক উন্নয়নে কাজ করার অঙ্গীকার করেন তিনি।
    মনোনয়নপত্র দাখিলের সময় তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা জামায়াত ইসলামীর আমির মাওলানা শাহাদাৎ হোসাইন, জামায়াত নেতা হাফেজ সুলতান আহম্মেদ, উপজেলা নায়েবে আমির মাস্টার মনিরুজ্জামান, পৌর আমির মো. রফিকুল ইসলামসহ দলের বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীরা।
    এ সময় অধ্যক্ষ আব্দুল আলীম এলাকার গুরুত্বপূর্ণ ও দীর্ঘদিনের দাবি তুলে ধরে বলেন, পানগুছি নদীর ওপর একটি সেতু নির্মাণ, প্রস্তাবিত সেলিমাবাদ থানা বাস্তবায়ন, সন্ন্যাসী থেকে ঘষিয়াখালী পর্যন্ত ভেড়িবাঁধ নির্মাণসহ অসমাপ্ত উন্নয়ন কাজগুলো দ্রুত সম্পন্ন করা হবে তার প্রধান অগ্রাধিকার।
    তিনি দাড়িপাল্লা প্রতীকে ভোট দিয়ে বিপুল ভোটের ব্যবধানে তাকে বিজয়ী করার জন্য বাগেরহাট-৪ আসনের সর্বস্তরের জনগণের প্রতি আহ্বান জানান।

  • ফুলবাড়ীয়া প্রেস ক্লাবের নির্বাচনে সহ সভাপতি কালাম  সাধারণ সম্পাদক হালিম

    ফুলবাড়ীয়া প্রেস ক্লাবের নির্বাচনে সহ সভাপতি কালাম সাধারণ সম্পাদক হালিম

    মো. সেলিম মিয়া ফুলবাড়িয়া প্রতিনিধি: ময়মনসিংহের ফুলবাড়ীয়া প্রেস ক্লাবের নির্বাচনে দৈনিক ইত্তেফাকের ফুলবাড়ীয়া সংবাদদাতা আবুল কালাম সহ সভাপতি-১ ও কালের কণ্ঠ ফুলবাড়ীয়া প্রতিনিধি মো. আব্দুল হালিম সাধারন সম্পাদক বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় দ্বিতীয় বারের মত বিনা প্রতিদ্বদ্ধিতায় নির্বাচিত হয়েছেন।
    রবিবার ( ২৮ ডিসেম্বর) উপজেলা পরিষদ হলরুমে সকাল ১০ টা থেকে বিরতিহীন ভাবে দুপুর ২ টা পর্যন্ত ভোট গ্রহন অনুষ্ঠিত হয়। ফুলবাড়ীয়া প্রেস ক্লাবের তিনটি পদে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। ৫০ জন ভোটারের মধ্যে ৪৫ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন।
    নির্বাচনে সহসভাপিত-২ মো. নজরুল ইসলাম খান, সহ সাধারণ সম্পাদক আলী আশরাফ ও প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক পদে মোত্তালিব দরবারি নির্বাচিত হয়। কার্যকরি সদস্যসহ সম্পাদক মন্ডলির ১১ টি পদে বিনাপ্রতিদ্বনিন্দতায় নির্বাচিত হয়। ফুলবাড়ীয়া প্রেস ক্লাবের গঠনতন্ত্র অনুযায়ি পদাধিকার বলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। নির্বাচনে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের দায়িত্ব পালন করেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ নুর মোহাম্মদ।

  • ‎সুনামগঞ্জ সদরে ডে-ভিল ফেইস-২,অভিযানে দুই আওয়ামীলীগ নেতা আ-টক

    ‎সুনামগঞ্জ সদরে ডে-ভিল ফেইস-২,অভিযানে দুই আওয়ামীলীগ নেতা আ-টক


    ‎কেএম শহীদুল সুনামগঞ্জঃ
    ‎সুনামগঞ্জ সদর থানা পুলিশের ডেভিল ফেইস-২,বিশেষ অভিযানে দুইজনকে আটক করা হয়েছে।  রবিবার রাতে সুনামগঞ্জ সদর  থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ রতন শেখ এর নির্দেশনায়   বিশেষ অভিযানে এসআই জহির হোসেন এবং এসআই অভিজিৎ ভৌমিকসহ সঙ্গীয় ফোর্স ডেভিল ফেইস-২ অভিযান পরিচালনা করে তাদের আটক করেন। আটককৃতরা হলেন, সুনামগঞ্জ জেলা
    ‎ উপ জনশক্তি ও কর্মসংস্থান বিষয়ক সম্পাদক, স্বেচ্ছাসেবক লীগের নেতা সুব্রত তালুকদার জুয়েল(৩০),পিতা – বিধান তালুকদার, মাতা- মাধবী তালুকদার ঠিকানা- পূর্ব নতুন পাড়া,থানা-সুনামগঞ্জ সদর। অপরজন হলেন,সৈকতুল ইসলাম শওকত (৪০), পিতা- সিদ্দিকুর রহমান, মাতা -আমেনা খাতুন, ঠিকানা -ষোলঘর, থানা- সুনামগঞ্জ সদর,জেলা -সুনামগঞ্জ সে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ,  সুনামগঞ্জ জেলা শাখার সদস্য এবং সাবেক শেখ রাসেল শিশু কিশোর সুনামগঞ্জ জেলা শাখার আহ্বায়ক। এব্যপারে সদর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ রতন শেখ ঘটনার সত্যতা নিশ্চত করে জানান, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনায় ডেভিল ফেইস-২ অভিযানে দুই জনকে আটক করা হয়েছে। আটককৃতরা আওয়ামীলীগের পদ-পদবীধারী সদস্য, সন্ত্রাস বিরোধী অভিযানের অংশ হিসেবে তাদের আটক করা হয়, তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হচ্ছে।##

  • ফসলি জমির মাটি কাটায় দুটি এক্সেভেটর অ-কেজো করা হয়েছে

    ফসলি জমির মাটি কাটায় দুটি এক্সেভেটর অ-কেজো করা হয়েছে

    আলিফ হোসেন,তানোরঃ
    রাজশাহীর তানোরের সীমান্তবর্তী মোহনপুর উপজেলায় অবৈধভাবে ফসলি জমির উপরিভাগের উর্বরা মাটি (টপসয়েল) কেটে বিক্রি করায় অভিযান চালিয়ে ভ্রাম্যমান আদালতে অবৈধ মাটি কাটার কাজে ব্যবহৃত দুটি এক্সেভেটর (ভেকু) মেশিন অকেজো করা হয়েছে।
    উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) নির্দেশনায় উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) জোবায়দা সুলতানার নেতৃত্বে রোববার মোহনপুর উপজেলার মতিহার এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানের সময় ফসলি জমি থেকে অবৈধভাবে মাটি কাটার কাজে দুটি এক্সেভেটর (ভেকু) মেশিন ব্যবহার করা হচ্ছিল
    এদিকে অভিযানকারী দলের উপস্থিতি টের পেয়ে মাটি কাটার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিরা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যাওয়ায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি। পরিবহনের সুযোগ না থাকায় জব্দকৃত এক্সেভেটর দুটি ঘটনাস্থলেই অকেজো করে দেওয়া হয়
    এ বিষয়ে সহকারী কমিশনার (ভূমি) জোবায়দা সুলতানা বলেন, ফসলি জমির উপরিভাগের উর্বরা মাটি (টপসয়েল) কাটা সম্পূর্ণ অবৈধ এবং পরিবেশ ও কৃষির জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। এ ধরনের কার্যক্রমের বিরুদ্ধে উপজেলা প্রশাসন কঠোর অবস্থানে রয়েছে। ভবিষ্যতেও অবৈধ মাটি কাটার বিরুদ্ধে আমাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে।উপজেলা প্রশাসন জানিয়েছে, কৃষিজমি রক্ষা এবং পরিবেশ সংরক্ষণের স্বার্থে এ ধরনের অভিযান নিয়মিতভাবে পরিচালনা করা হবে।এবিষয়ে তিনি জনসাধারনের কাছে সহযোগিতা প্রত্যাশা করেছেন।
    এদিকে একাধিক ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করে কৃষি জমি রক্ষা করায় সাধারণ মানুষ অভিযানের ভুয়সী প্রশংসা করেছেন। #

  • মান্দায় গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়নে পাল্টে যাচ্ছে গ্রামের চিত্র

    মান্দায় গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়নে পাল্টে যাচ্ছে গ্রামের চিত্র

    আলিফ হোসেন,তানোরঃ
    রাজশাহীর তানোরের সীমান্তবর্তী
    নওগাঁর মান্দায় কাজের বিনিময়ে খাদ্য(কাবিখা) ও কাজের বিনিময়ে টাকা(কাবিটা) কর্মসুচি প্রকল্পের
    মাধ্যমে উন্নয়ন কাজ বাস্তবায়নের বদলে যাচ্ছে গ্রামের উন্নয়নের চিত্র। এসব উন্নয়ন কর্মসুচির সুফল পেতে শুরু করেছেন প্রত্যন্ত এলাকার জনগোষ্ঠী। এতে এসব জনগোষ্ঠীর মানুষের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের পাশাপাশি বদলে যোগাযোগ ব্যবস্থা।
    জানা গেছে, মান্দায় গ্রামীণ জনপদের উন্নয়ন এবং সমাজের পিছিয়ে পড়া হতদরিদ্র মানুষের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে কাজের বিনিময়ে খাদ্য (কাবিখা) ও কাজের বিনিময়ে টাকা(কাবিটা) কর্মসূচি বাস্তবায়নের মাধ্যমে গ্রামীণ অবকাঠামো রক্ষণাবেক্ষন,মেরামত সংস্কার ও উন্নয়ন করা হয়। গ্রামীণ এলাকার রাস্তাঘাট নির্মাণ, মেরামত, কালভার্ট তৈরি, সেচ নালা খনন এবং বাঁধ নির্মাণের মাধ্যমে যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নতি করার লক্ষ্যে প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। একইসঙ্গে এই প্রকল্পের মাধ্যমে দরিদ্র জনগোষ্ঠীর কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। গ্রামীন অবহেলিত রাস্তা গুলো চিহ্নিত করে ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের অধীনে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে(ইউপি)
    এসব রাস্তা-ঘাটের সংস্কার ও উন্নয়ন কাজ এগিয়ে চলেছে। সময়ের পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে এসব উন্নয়ন কাজের ফলে গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়ন সাধিত হয়েছে। গ্রামীণ জীবনযাত্রার মানকে আরো উন্নত করতে গ্রামীণ অবকাঠামো সংস্কার ও উন্নয়ন সহায়ক ভূমিকা পালন করে থাকে।
    এদিকে এরই ধারাবাহিকতায় ২০২৫-২৬ অর্থবছরের কাবিখা ও কাবিটা প্রকল্পের মাধ্যমে ১৪টি ইউনিয়নের (ইউপি) বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ রাস্তার উন্নয়ন কাজ সমাপ্ত হয়েছে। আবার কিছু কাজ চলমান রয়েছে। এসব প্রকল্প পুরোপুরি বাস্তবায়ন হলে সুফল পাবেন জনগণ বদলে যাবে গ্রামীণ জনপদের চিত্র।
    সরেজমিন দেখা গেছে, উপজেলার
    পরানপুর, ভারশোঁ, ভালাইন, কুসুম্বা, বিষ্ণুপুর ও গণেশপুরসহ বিভিন্ন ইউনিয়নে (ইউপি) প্রকল্প কর্মসূচির কাজ সম্পন্ন হয়েছে, আবার স্থানে চলমান রয়েছে।
    এদিকে চকরামাকান্ত গ্রামের পাকা রাস্তায় আব্বাসের বাড়ি পর্যন্ত রাস্তাটি সংস্কার কাজ সম্পন্ন হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে রাস্তাটি খানাখন্দকে বেহাল দশায় ছিল। গ্রামের স্থানীয় বাসিন্দা আল মামুন, আলমগীর, জহিরুল জানান, এই প্রকল্পের মাধ্যমে মাটি কেটে রাস্তাটি সংস্কার করায় চলাচলের অনেক সুবিধা হয়েছে। একই ইউনিয়নের (ইউপি) বনগ্রাম দুলালের বাড়ি হতে আতাউরের বাড়ি পর্যন্ত রাস্তা সংস্কার কাজ চলমান রয়েছে। ইউপি সদস্য (মেম্বার) বিষ্ণু জানান, পিআইও স্যারের নির্দেশনা অনুযায়ী কাজগুলো সঠিকভাবে করা হচ্ছে। পিআইও স্যার নিজেই এসব উন্নয়ন কাজ দেখভাল করছেন।এতে উন্নয়ন কাজ বাস্তবায়নে কেউ অনিয়মের সুযোগ পাচ্ছে না। ইউপি সদস্য (মেম্বার) তানজিলা জানান, লোকজন না থাকায় কাজ কিছুদিন বন্ধ ছিল এখন আবার কাজ শুরু করা হয়েছে খুব অল্প সময়ের মধ্যে নিয়ম মেনে কাজগুলো সম্পন্ন করা হবে।তিনি বলেন,উন্নয়ন কাজগুলো পিআইও স্যার নিজেই সরেজমিন পরিদর্শন করছেন।
    এবিষয়ে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) প্রকৌশলী আরিফুল ইসলাম জানান, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের অধীনে মান্দা উপজেলায় ইতিমধ্যে ৬০টি প্রকল্প সঠিকভাবে বাস্তবায়ন করা হয়েছে। এতে সুবিধা ভোগ করছে জনগণ। প্রকল্প বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা ফেরাতে প্রকল্পের তথ্যসম্বলিত সাইনবোর্ড ব্যবহার ও নাম ফলক বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। অথচ ইতিপূর্বে কোন প্রকল্প বাস্তবায়নে প্রকল্পের সভাপতিগণ সাইনবোর্ড ব্যবহার করতেন না। একটি প্রকল্প বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে যাতে করে স্থানীয় জনগণ প্রকল্পের বিভিন্ন তথ্য সম্পর্কে জানতে পারেন। এজন্যই মূলত এই পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। আগামীতে কর্মসূচির আওতায় জনগুরুত্বপূর্ণ স্থানে জনস্বার্থে ধারাবাহিকভাবে প্রকল্প প্রদান ও বাস্তবায়ন করা হবে। এবিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আখতার জাহান সাথী বলেন, ইতি মধ্যেই কাবিখা-কাবিটা প্রকল্পের মাধ্যমে প্রান্তিক পর্যায়ের গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর সুবিধার্থে রাস্তাঘাট, ইটসলিং, এইচবিবি করুণ কালভার্ট, সিসি ঢালাই এর মাধ্যমে বেশ কিছু কাজ সংস্কার ও উন্নয়ন সম্পন্ন করা হয়েছে। এই প্রকল্পে যেহেতু আমাদের অফিস পর্যায়ের প্রত্যয়ন পত্রের মাধ্যমে শতভাগ কার্যক্রম গুলো দেখে বিল প্রদান করা হয়। এছাড়াও চেয়ারম্যান ইউপি সদস্যগণ দেখভাল করেন এতে করে কাজের গুণগত মান নিশ্চিত করতে সুবিধা হয়। এবিষয়ে ভারশোঁ ইউনিয়ন পরিষদ(ইউপি)চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান বলেন,এবার পিআইও স্যার নিজেই সবগুলো উন্নয়ন কাজ পরিদর্শন করছেন।তিনি বলেন,এতে শতভাগ স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত হয়েছে।#