Author: desk

  • আত্রাইয়ে ক্যান্সার প্রতিরোধে এইচপিভি টিকাদান ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন 

    আত্রাইয়ে ক্যান্সার প্রতিরোধে এইচপিভি টিকাদান ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন 

    আব্দুল মজিদ মল্লিক,আত্রাই (নওগাঁ) থেকে: নওগাঁর আত্রাইয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ের আয়োজনে গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল ৯ টায় বিয়াম ল্যাবটেরিয়াম স্কুল এ্যান্ড কলেজে এইচপিভি টিকাদান ক্যাম্পেইনের শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে। 

    এইচপিভি টিকাদান ক্যাম্পেইনের শুভ উদ্বোধন করেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) সিনথিয়া হোসেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন আত্রাই উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ রোকসানা হ্যাপী।

     ডাঃ রোকসানা হ্যাপী বলেন,জরায়ুমুখে ক্যান্সারের প্রতিরোধের জন্য এইচপিভি টিকা বিশ্বব্যাপী পরীক্ষীত, প্রতিরোধ ও কার্য়কর। এই টিকা জরায়ুমুখ ক্যান্সার রোগের বিরুদ্ধে দীর্ঘমেয়াদী প্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে তোলে। 

    তিনি আরও বলেন,১০ থেকে ১৪ বছর বয়সী কিশোরীদের এক ডোজ এইচপিভি টিকা প্রদান করার মাধ্যমে এই রোগ প্রতিরোধ করা সম্ভব।

     আত্রাইয়ে ২৪০টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে টিকাদান কেন্দ্রে ও ১৯২ টি কমিউনিটি সাবব্লকের টিকাদান কেন্দ্রে এ টিকা গুলো প্রদান করা হচ্ছে। 

    এইসব কেন্দ্র থেকে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ৫ম শ্রেণী-৯ম শ্রেণী পর্যন্ত মোট ৮৩৯৫ জনকে ও কমিউনিটি/সাবব্লকের (১০-১৪ বছর) কিশোরীর সংখ্যা ১০৫০ জনকে টিকা দেওয়া হবে। 

    আব্দুল মজিদ মল্লিক 

    আত্রাই (নওগাঁ) প্রতিনিধি।

  • কুমিল্লায় এইচপিভি টিকাদান ক্যাম্পেইন উদ্বোধন ও সংবাদ সম্মেলন

    কুমিল্লায় এইচপিভি টিকাদান ক্যাম্পেইন উদ্বোধন ও সংবাদ সম্মেলন

    মোঃতরিকুল ইসলাম তরুন,

    এক ডোজ এইচপিভি টিকা নিন, জরায়ুমুখ ক্যান্সার রুখে দিন” এই প্রতিপাদ্যে সারাদেশের ন্যায় কুমিল্লায় গত ২২ শে অক্টোবর সিটি করপোরেশন ও ২৩ শে অক্টোবর সিভিল সার্জন অফিস সংবাদ সম্মেলন করে জানিয়ে দেন। ২৪ অক্টোবর
    থেকে স্কুল পর্যায়ে জরায়ুমুখ ক্যান্সার প্রতিরোধে কিশোরীদের এইচপিভি টিকাদান কার্যক্রম শুরু হয়েছে।
    ২৪ অক্টোবর বৃহস্পতিবার সকাল দশটায় ধর্মপুর রেলও‌য়ে পাব‌লিক হাই স্কুলে কর্মসূচির উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক আমিরুল কায়সার।

    জেলা সিভিল সার্জন ডাঃ নাছিমা আক্তারের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন জেলা শিক্ষা অফিসার মোঃ রফিকুল ইসলাম, জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা চন্দন কুমার পোদ্দার, সেন্ট্রাল মেডিকেল কলেজের পরিচালক প্রফেসর ডা: মোঃ জহিরুল আলম,
    কুমেকের সহকারী অধ্যাপক ডাঃ এম এম হাসান, ইস্টার্ন মেডিকেল কলেজের সহযোগী অধ্যাপক ডাঃ এস এম তৌহিদুর রহমান, গোমতী হাসপাতালের পরিচালক ডাঃ মজিবুর রহমান, সিনিয়র তথ্য কর্মকর্তা মোহাম্মদ নুরুল হক, রেলওয়ে উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মোঃ আমিনুল ইসলাম, সমন্বয়ক রুবেল হোসাইন প্রমুখ।

    সভায় বক্তারা বলেন, জরায়ুমুখ ক্যান্সার প্রতিরোধের জন্য হিউম্যান প্যাপিলোমা ভাইরাস (এইচপিভি) টিকা বিশ্বব্যাপী পরীক্ষিত, নিরাপদ ও কার্যকর। এ টিকা জরায়ুমুখ ক্যান্সার রোগের বিরুদ্ধে দীর্ঘমেয়াদী প্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে তোলে। ১০ থেকে ১৪ বছর বয়সী কিশোরীদের এক ডোজ এইচপিভি টিকা প্রদানের মাধ্যমে এ রোগ প্রতিরোধ করা সম্ভব।

    এদিকে বেলা সাড়ে ১১টায় নগরীর আনন্দ ধারা বিদ্যাপীঠ এ টিকা কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ ছামছুল আলম।

    এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা শিক্ষা অফিসার রফিকুল ইসলাম, ডেপুটি সিভিল সার্জন রেজা মোঃ সারোয়ার আকবর, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) আবু সায়েম ভূইয়া, কুসিক মেডিকেল অফিসার ডা. চন্দনা রানী দেবনাথ, আনন্দধারা বিদ্যাপীঠ এর উপদেষ্টা মো: কামাল উদ্দিন, প্রধান শিক্ষক আফরোজা হাসনাত, মেডিকেল টেকনোলজিস্ট মো: জহিরুল ইসলাম প্রমুখ।

    প্রসঙ্গত, কুমিল্লায় জরায়ুমুখে ক্যান্সার প্রতিরোধে কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশন এলাকাসহ জেলার ১৭টি উপজেলায় তিন লাখ ৭৯ হাজার ৬৬৯ জনকে সরকারের উদ্যোগে বিনামূল্যে টিকা দেওয়া হবে। এর মধ্যে স্কুলগামী ৩ লাখ ৬৯ হাজার ৩৪০জন এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বহির্ভূত ১০ হাজার ৩২৭জন কিশোরীকে বিনামূল্যে এ টিকা দেওয়া হবে। পাঁচ হাজার ২১৯ টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ নয় হাজার ৯৪২ টি কেন্দ্রে এ টিকা দেওয়া হবে।

  • মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখানে সাংবাদিককে প্রাননাশের হুমকি থানায় জিডি

    মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখানে সাংবাদিককে প্রাননাশের হুমকি থানায় জিডি

    লিটন মাহমুদ,
    মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধিঃ

    মুন্সীগঞ্জের লৌহজং থানার খিদিরপাড়া ইউনিয়নের করার বাগ গ্রামের মোঃ আশু হাওলাদারের পুত্র সাংবাদিক মোঃ ফয়সাল হাওলাদার কে প্রাননাশের হুমকির ঘটনায় থানায় লিখিত জিডি করেছেন তিনি ।

    সাংবাদিক মোঃ ফয়সাল হাওলাদার র‍্যাব-১০  ও থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করে বলেন, আমি বিডিসি ক্রাইম বার্তার সম্পাদক ও বাংলাদেশ অনলাইন সাংবাদিক কল্যান ইউনিয়ন (বসকো) কেন্দ্রীয় পরিষদ এর মহা সচিব ও দৈনিক প্রতিদিনের কাগজের সিনিয়র ক্রাইম রিপোর্টার হিসাবে কর্মরত আছি।

    গত ২০/১০/২০২৪ ইং তারিখে অনুমানিক রাত ০৯:০০ ঘটিকায় সিরাজদিখানের ধামালিয়া বাজার এলাকায় ব্যক্তিগত কাজে হাজী মোঃ জাকির হোসেন বেপারী মেম্বার এর কাছে গেলে, ডাঃ রতনের দোকানের সামনে গত কয়ক বছর আগে তাদের বিরুদ্ধে সিরাজদিখান টংগীবাড়ী মাদকের ছড়াছড়ি শিরোনামে সংবাদ প্রকাশ করায় পূর্ব সত্রুতার জের ধরে আমাকে গালি গালাজ ও প্রাননাশের হুমকি প্রদান করে এবং আমার সাংবাদিকতার পেশাকে নিয়ে অকথ্য ভাষায় গালি গালাজ করে ও আমাকে ধাওয়া করলে আমি রতনের দোকানে আশ্রয় নেই। সেখানেও আমাকে মেরে ফেলার জন্য তার লোকজন নিয়ে হামলা করে পরবর্তীতে স্থানীয় মেম্বার এসে আমাকে উদ্ধার করে সেখান থেকে নিয়ে যায়। পরে আমি থানায় লিখিত একটি সাধারণ ডায়েরি বিনীত হই জিডি নং ৯১৩ র‍্যাব-১০ এর কোম্পানিতে অভিযোগ করা হয়।

    এবিষয়ে বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরাম (এমএসএস) এর নিন্দা, বাংলাদেশ অনলাইন সাংবাদিক কল্যাণ ইউনিয়ন (বসকো’র), নিন্দা জানিয়েছেন।

    এবিষয়ে সিরাজদিখান থানার অফিসার ইনচার্জ খন্দকার হাফিজুর রহমান বলেন, ঘটনাস্থলে বিষয়টি তদন্তপূর্বক সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

  • উপজেলার বিভিন্ন এলাকার সমস্যা ও চলমান উন্নয়ন প্রকল্প সরেজমিনে পরিদর্শনে ইউএনও,খুশি স্থানীয়রা

    উপজেলার বিভিন্ন এলাকার সমস্যা ও চলমান উন্নয়ন প্রকল্প সরেজমিনে পরিদর্শনে ইউএনও,খুশি স্থানীয়রা

    ঝালকাঠি প্রতিনিধিঃ মোঃ নাঈম মল্লিক

    নলছিটি উপজেলার বিভিন্ন এলাকার নাগরিকদের নানাবিধ সমস্যা এবং চলমান বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের অগ্রগতি এবং চলমান অবস্থা নিয়মিত পরিদর্শন করছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব মো: নজরুল ইসলাম।পৌরসভার প্রশাসকের দায়িত্ব নেয়ার পরপরই এর মালিপুর,মাটিভাংগা, নান্দিকাঠি, শীতলপাড়া সহ বেশ কয়েকটি গ্রামের দুর্দশা এবং থেমে থাকা কাজ পরিদর্শনে বের হন তিনি।এতে পৌরসভা এলাকার লোকজনও বেশ ইতিবাচকভাবে তাকে আন্তরিকতার সাথে গ্রহণ করেন এবং বাকি ওয়ার্ডের নাগরিকরাও তাকে ঘুরে দেখার আমন্ত্রণ জানান।
    নিয়মিত পরিদর্শনের অংশ হিসেবে গত বুধবার ২৩ অক্টোবর পৌরসভা এলাকার ভাংগাদেউলা ফরাসিনা গ্রামের সড়ক ধ্বসে দুটি গ্রামের চলাচল বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়ার সংবাদ পেয়ে শুরুতেই সেখানে ছুটে যান তিনি এবং সরেজমিনে দেখে সাথে সাথে পৌরসভার দায়িত্বরত কর্মকর্তাদের দ্রুত ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশ দেন।এছাড়াও এলাকার প্রায় পঞ্চাশটি পরিবারের প্রায় দুইশতাধিক লোকের দূর্ভোগ শুনে ঝুকিপূর্ণ বাশের সাকোর স্থানে ব্রিজ নির্মানেরও নির্দেশনা প্রদান করেন।এসময় তার এই তাৎক্ষনিক পদক্ষেপে উচ্ছাস প্রকাশ করেন স্থানীয়রা।এছাড়াও পৌরসভার কান্ডপাশা বাজারের ভেঙে যাওয়া ঝুকিপূর্ণ ব্রিজ দেখেও তা দ্রুত সংস্কারের আশ্বাস দেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এবং পৌরসভার প্রশাসক মো:নজরুল ইসলাম।
    এরপরই দপদপিয়া ইউনিয়নের বিভিন্ন ওয়ার্ডের উন্নয়ন প্রকল্প পরিদর্শন করেন তিনি।ইউনিয়নের তিমিরকাঠী,দপদপিয়া,কয়া,ভরতকাঠী,বুড়ির হাট,বীর নারায়ণ সহ সকল ওয়ার্ডের উন্নয়ন প্রকল্প পরিদর্শন করেন।এসময় তার সাথে ছিলেন দপদপিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সোহরাব হোসেন বাবুল,ইউপি সদস্য সিরাজ মোল্লা,হারুন খন্দকার,হাসান বিশ্বাস,সাবেক মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান রিনা আক্তার সহ স্থানীয়রা।
    উন্নয়ন প্রকল্প দেখতে যাওয়ায় স্থানীয়রা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে সরেজমিনে পেয়ে অত্যন্ত আন্দন্দ প্রকাশ করেন এবং আশার কথা ব্যক্ত করেন।
    এসময় স্থানীয়রা বলেন,এরকম সচ্ছতা এর আগে থেকেই নিশ্চিত করা গেলে উপজেলার অনিয়ম দুর্নীতি বন্ধ হয়ে যেতো।তারা এই উদ্যোগকে স্বাগত জানান।এবং তাকে কাছে পেয়ে অনেকেই তাদের নানাবিধ সমস্যার কথা ইউএনওর কাছে তুলে ধরেন এবং তিনি তা সমাধানের আস্বাস দেন।
    এসময় যেসকল উন্নয়ন প্রকল্পের কোনো কাজই করা হয়নি সেগুলোতে যাতে বিল উত্তোলন করে নিয়ে না যেতে পারে সে ব্যাপারেও নির্দেশনা দেন।
    এ বিষয়ে নলছিটির উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো: নজরুল ইসলাম বলেন,পৌরসভা এবং উপজেলার বিভিন্ন এলাকার সমস্যা এবং চলমান উন্নয়ন প্রকল্প সরেজমিনে দেখা হচ্ছে।নাগরিকদের সমস্যা শুনে শুনে তা উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সাথে আলোচনা করে সমস্যা সমাধানেরও চেষ্টা করছি।নাগরিকদের সেবায় উপজেলা প্রশাসনের এই প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।

  • মুরাদনগরে আ,লীগ নেতা  জাহাঙ্গীর কে আইনের আওতায় এনে বিচারের দাবি করছে স্থানীয়রা 

    মুরাদনগরে আ,লীগ নেতা  জাহাঙ্গীর কে আইনের আওতায় এনে বিচারের দাবি করছে স্থানীয়রা 

    কুমিল্লা থেকে, তরিকুল ইসলাম তরুন।।

    নাম জাহাঙ্গীর  আওয়ামী লীগের দলীয় নেতা, তার ওপর স্থানীয় চেয়ারম্যানের আত্মীয়। তাই তাঁর বিরুদ্ধে কথা বলার লোক এলাকায় নেই, জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরাসহ কামাল্লা গ্রামের  অর্ধশতাধিক পরিবার, জাহাঙ্গীর একটি আতংকের নাম,

    চেহারা-সুরত ‘নুরানি’। দাড়ি মেহেদিরাঙা। মুখে লেগে থাকে অমলিন হাসি আর নোংরা চিন্তা,  দেখে মনে হবে ভাজা মাছ উল্টে খেতে জানেন না।  কিন্তু তাঁর ভয়ে নাকি এলাকার মানুষ কাঁপে, কুমিল্লার মুরাদনগরের কামাল্লা ইউনিয়নের ১ নং ওয়ার্ডের আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক। এলাকার ‘বাদশাহ’ বনে গেছেন, নাম তাঁর জাহাঙ্গীর আলম।  সঙ্গে আছে তাঁর প্রতাপশালী আরো তিন আপন ভাই। মানুষকে ভয় দেখানো, হয়রানি, বিচার-সালিসের নামে টাকা কামানো ওই চার ভাইয়ের তখন  নিত্য কাজ ছিল,  অবৈধ পথে উপার্জিত অর্থে ভাইদের বাড়িতে সারি সারি অট্টালিকা, বৈষম্য বিরোধী মতাদর্শের ছাত্র আন্দোলনের পর দেশ পরিবর্তন হলেও এদের ক্ষমতা কমেনি,স্থানীয় নাম ধারী সন্ত্রাসীদের আঁতাত করে পূর্বের ন্যায় অত্যাচার অনাচার, চাঁদাবাজি, আপন চাচা,চাচাতো ভাই রেহাই দেয়নি জাহাঙ্গীর পরিবার। একে তো আওয়ামী লীগের নেতা  তার ওপর স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান বাশার মাষ্টারের  আত্মীয় হওয়ায় এখনো মুখ খুলতে নারাজ অনেকে। এমনই জানালো অর্ধ শতাধিক পরিবারের পক্ষে  ভুক্তভোগী  জসিম,কুদ্দুস, নসু মিয়া,রেমিট্যান্স যুদ্ধা মুকবুল,জসিম চৌ,এসময় কান্নায় ভেঙে পড়ে জাহাঙ্গীরের আপন চাচারা বলেন জাহাঙ্গীরের অনিয়ম, দূর্নীতি, চাঁদাবাজির কারনে অনেকে সবকিছু হারিয়েছি।,নিরহ মানুষদের বিরুদ্ধে  মিথ্যা রাজনৈতিক মামলা করিয়ে হয়রানিসহ জমি দখল,জমি বিক্রি করে দলিল না দিয়ে অতিরিক্ত টাকা নিয়ে হয়রানি করেছে , পরের জায়গা দখল করা,বিচারের নামে অর্থ বানিজ্য সহ নানান অপরাধের ঘট ফাদার জাহাঙ্গীর, আমরা তার বিচার চাই, তাকে আইনের আওতায় এনে বিচারের দাবি জানাচ্ছি।   সরেজমিন ঘুরে ভুক্তভোগী মানুষের সঙ্গে কথা বলে এমনই ছবি উঠে আসে।  গত বুধবার সকালে  মুরাদনগরের কামাল্লা ১ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক পরিচয়ধারী জাহাঙ্গীর আলমের বাড়িতে গিয়ে খোজ নিলে জাহাঙ্গীর বাড়িতে নেই বলে জানায় তার স্কুল পড়োয়া ছেলে জাহিদুল ইসলাম। বাড়ি জরোহওয়া  লোকজনের নালিশ বিষয়ে জাহাঙ্গীরের ছেলে জানায় সব মিথ্যা বানোয়াট তার বাবা ভদ্রলোক, জাহাঙ্গীরের মুঠো ফোনে কল দিয়ে যোগাযোগ করলে তিনি জানান রাজনৈতিক কারনে এসব হচ্ছে আমি কারো ক্ষতি করি নি, এগুলো অপবাদ,  কিন্তু স্থানীয়রা বলেন এ যেন ওই এলাকার সব কিছু দেখাশোনার দায়িত্ব নিজের কাঁধে তুলে নিয়েছেন।  গত ১৯ শে অক্টোবর ২০২৪ ইং বিভিন্না অপরাধে মুরাদনগর থানায় জাহাঙ্গীরের বিরুদ্ধে তিনটি  অভিযোগ হয়েছে।  অভিযোগ তদন্তে  মুরাদনগর থানা  পুলিশ গত ২৩ শে অক্টোবর ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। এবিষয়ে মুরাদনগর থানা ইনচার্জ মাহবুবুল হক জানান ঘটনার স্থলে পুলিশ পরিদর্শন করেছে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে, তবে আগের বিষয়ে কোন কিছু করতে পারবো না,এগুলো আদালতের বিষয়,  স্থানীয়রা আরো জানায় জাহাঙ্গীর তাঁর লোকজনকে দিয়ে এলাকায় একের পর এক অপকর্ম করে তার দায়ভার অন্যের কাঁধে চাপাতে সিদ্ধহস্ত। পরে হুমকি দিয়ে ওই ব্যক্তির কাছ থেকে মোটা অঙ্কের আর্থিক সুবিধা নেন। এলাকার ‘প্রধান সালিসিয়ান’ হিসেবে তিনি নিরীহ অপরাধী সাব্যস্ত করে জরিমানা ‘আদায় করা তাঁর নেশা।  ইতি মধ্যে কয়েকটি ঘটনায় গত ১৯ শে অক্টোবর মুরাদনগর থানায় নতুন করে অভিযোগ দাখিল করেন ভুক্তভোগীরা। অতীতের আগুনের মামলা বিষয়ে আওয়ামী  নেতা জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ‘সমাজে বিচার- আচার করি বলে অনেকেই আমাকে বাঁকা চোখে দেখে। আমার চাচা যে অভিযোগ করেছেন, তা মিথ্যা।  সুজন টাকার বিনিময়ে মানুষের বাড়িতে আগুন দিয়েছে, তা সে সালিসে স্বীকার করেছে। আলাউদ্দিন নিরপরাধ, ঘটনাক্রমে সে জেল খাটছে। ভুক্তভোগী 

    আব্দুল কুদ্দুস মিয়া বলেন, ‘জাহাঙ্গীর আওয়ামী লীগের নাম ভাঙিয়ে এলাকায় অনৈতিকভাবে প্রভাব খাটিয়ে চলে। এলাকার কেউ জমি কিনলে বা বাড়ি বানালে তাকে চাঁদা দিতে হয়। আমার মেজ ছেলে একখন্ড জমি কিনতে গিয়ে তাকে ৫০ হাজার টাকা চাঁদা দিতে হয়েছে। কয়েক মাস আগে আমার কাছে মোটা অঙ্কের টাকা চাইলে আমি তাতে অপারগতা প্রকাশ করি। এ কারণে সে আমার পিছে লাগে। আমাকে অপদস্থ করতে একজনকে টাকা দিয়ে অন্যের বাড়িতে আগুন লাগায়। পরে ওই আগুন আমি লাগিয়েছি বলে এলাকায় প্রচার করে। এলাকায় গেলে আমাকে পুলিশে দেওয়ার হুমকি দিলে তখন আমি আদালতে মামলা করি। পেপে গাছ কাটার অপরাধে ৮০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে জাহাঙ্গীর,২০১৪ সালের অবৈধ ফ্যাসিবাদ আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতা আসার পর জাহাঙ্গীর আলমের অপকর্ম পরিমাণ আরো বেড়ে যায়।

    সমাজের মধ্যে বিচারের নামে    জুলুম -অত্যাচার, নির্যাতন,অবিচার ইত্যাদি  শুরু করে।তার আরো তিন ভাই সমাজের মধ্যে বাহু শক্তি খাটিয়ে অন্যায় করে শুরু।বাজারের মধ্যে সম্মানিত ব্যক্তিদের   মার-ধর এবং হেনস্থা করার ছিল তিনভাইয়ের কাজ।আর এই সুবিধা খাটিয়ে জাহাঙ্গীর সৃষ্টি করে একটা অপরাধ জগত।সেই জগতের রাজা হচ্ছে সে।

    তার ওই অপকর্ম থেকে রেহাই পাইনি আপন চাচা এবং চাচাতো ভাইয়েরা।২০১৬সালের মিথ্যা জজ্ঞিমামলা দিয়ে সমাজের মেধাবী শিক্ষার্থীর জীবন নষ্ট করেছে জাহাঙ্গীর। এমনি অনেকের পরিবার কাজ থেকে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিয়েছে জাহাঙ্গীর এবং তার গ্যাং এর লোকেরা।

    তার ভাই এবং অস্ত্র ধারী গ্যাং এর লোকেরা মিলে সমাজের মধ্যে আগুন লাগিয়ে মানুষকে ভয় দেখিয়ে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেয়।

    সে ২০১৬সাল থেকে তার লোক দিয়ে আগুন লাগায় এবং অন্য ছেলেদের নাম দিতে বাড়িতে নিয়ে টর্চার এবং লাটিপিটা করে।এমনি কান্না গলায় বর্ননা দিচ্ছিলেন ভুক্তভোগী বাবা শাহ-আলম বেপারী। 

    ২০১৭সালের ডিসেম্বর  মাসে তার দুই চাচাতো ভাই দেশে আসলে তাদের কাছে অধিক পরিমান চাঁদা চাই জাহাঙ্গীর এবং তার ভাইয়ের।চাঁদা দিয়ে অস্বীকার জানালে মিথ্যা অপকর্মে ফাসিয়ে দিবে বলে জানায় জাহাঙ্গীর এবং তার গ্যাং এর লোকেরা।

    পূর্বের আগুন লাগানো পরিমান ২০১৮সালে জানুয়ারি মাসে বাড়িয়ে দিয়ে তার দুই প্রবাসি চাচাতো ভাইয়ের নাম প্রকাশ করে জাহাঙ্গীর এবং তার তিন ভাই। চাচা নসু মিয়া চাদা দিতে অস্বীকার করায় গলায় ধালালো অস্ত্র ধরে জাহাঙ্গীর আলমের তিন ভাই আল-আমীন, আলম এবং আলমগীর। তাই সে ভয়ে রাজি হয়। এসময় নসু মিয়ার  কাছ থেকে ৭লক্ষ টাকা এবং একটি স্বর্নের নেকলেস নিয়ে যায় জাহাঙ্গীর। অপর চাচা আব্দুল কুদ্দুস মিয়াও অস্বীকার করলে তাকে মার-ধর করে এবং তার বাড়ি  দা এবং ধাঁলালো অস্ত্র দিয়ে বেড়া নষ্ট করে।আব্দুল কুদ্দুস মিয়া এবং ছেলেরা জীবন রক্ষা করতে বাড়ি থেকে পালিয়ে যায় এবং আদালতের মামলা দায়ের করে।

    কিন্তু প্রভাবশালী আওয়ামী লীগ সরকারের ক্ষমতা কারনে তৎকালীন পুলিশ বার বার রিপোর্ট দিতে ব্যার্থ হয় জাহাঙ্গীর বিরুদ্ধে ব্যাবস্থা নিতে। রেমিট্যান্স যুদ্ধা মুকবুল তাদের বিচার দাবি করেন প্রশাসনের কাছে।স্থানীয় অর্ধ শত পরিবার প্রশাসনের কাছে  জাহাঙ্গীরের অপকর্মের বিচারের দাবি করে বলেন তাকে আইনের আওতায় এনে বিচার করা হোক।

  • ঘাটাইলে চার মাদক ব্যবসায়িকে কারাদন্ড

    ঘাটাইলে চার মাদক ব্যবসায়িকে কারাদন্ড

    ঘাটাইল প্রতিনিধি মোঃ রায়হান মিয়া

    টাংগাইলের  ঘাটাইলে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে ৪ জন মাদক কারবারিকে গ্রেফতার ও ৩ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমান আদালত।বৃহস্পতিবার (২৪ অক্টোবর) দুপুর ১২টা ৩০মিনিটে পৌর শহরের চান্দশী এলাকা থেকে  বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়।এ সময় মো : সজীব (২৬), মো: জাহিদ (৩৬), মো : সবুজ খান (৩২) ও মো: রনি মিয়া (২৯)নামে ৪ জনকে গ্রেপ্তার করেন ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার ভূমি কিশোর কুমার দাস।তাদেরকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে বিশেষ আইনের আওতায় ৩ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়। 

    পুলিশ নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট কিশোর কুমার দাস জানান ঘাটাইল পৌর শহরের চান্দশী এলাকায় বাসা ভাড়া নিয়ে মাদকদ্রব্য সেবন ও বেচাকেনা করে আসছিলেন সংগবদ্ধ  একটি চক্র।গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ৪ মাদক কারবারিকে হাতে নাতে গ্রেপ্তার করে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়।এ সময় তাদের কাছ থেকে নিষিদ্ধ প্যান্টাডল ট্যাবলেট জব্দ করা

     হয়।

    চার মাদক ব্যবসায়ির ৩মাসের কারাদন্ডের বিষয় ভ্রাম্যমান আদালতের নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট ভারপ্রাপ্ত উপজেলা নির্বাহী অফিসার সহকারী কমিশনার ভূমি কিশোর কুমার দাস জানান নেশা জাতীয় ট্যাবলেট বিক্রি করার কারণে তাদের কে জেল হাজতে পাঠানো হয়।

  • আওয়ামী লীগের ছাত্র সংগঠন ছাত্রলীগ নিষিদ্ধ

    আওয়ামী লীগের ছাত্র সংগঠন ছাত্রলীগ নিষিদ্ধ

    বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ছাত্র সংগঠন ছাত্রলীগকে নিষিদ্ধ করেছে সরকার। আজ বুধবার (২৩ অক্টোবর) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের রাজনৈতিক শাখা-২ থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।

    প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের স্বাধীনতা পরবর্তী বিভিন্ন সময়ে বিশেষ করিয়া বিগত ১৫ বৎসরের স্বৈরাচারী শাসনামলে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগ হত্যা, নির্যাতন, গণরুমকেন্দ্রিক নিপীড়ন, ছাত্রাবাসে সিট বাণিজ্য, টেন্ডারবাজি, ধর্ষণ ও যৌন নিপীড়নসহ নানাবিধ জননিরাপত্তা বিঘ্নকারী কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিল এবং এতৎসম্পর্কিত প্রামাণ্য তথ্য দেশের সকল প্রধান গণমাধ্যমে প্রকাশিত হইয়াছে এবং কিছু সন্ত্রাসী ঘটনায় সংগঠনটির নেতাকর্মীদের অপরাধ আদালতেও প্রমাণিত হইয়াছে।

    এতে আরও বলা হয়, ১৫ জুলাই ২০২৪ তারিখ হইতে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা আন্দোলনরত ছাত্র-ছাত্রী ও সাধারণ জনগণকে উন্মত্ত ও বেপরোয়া সশস্ত্র আক্রমণ করিয়া শতশত নিরপরাধ শিক্ষার্থী ও ব্যক্তিদের হত্যা করিয়াছে, আরও অসংখ্য মানুষের জীবন বিপন্ন করিয়াছে এবং যেহেতু সরকারের নিকট যথেষ্ট তথ্য-প্রমাণ রহিয়াছে যে ৫ আগস্ট ২০২৪ তারিখ আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পরও বাংলাদেশ ছাত্রলীগ রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রমূলক, ধ্বংসাত্মক ও উসকানিনিমূলক কর্মকাণ্ড এবং বিভিন্ন সন্ত্রাসী কার্যের সহিত জড়িত রহিয়াছে; সেহেতু সরকার ‘সন্ত্রাস বিরোধী আইন, ২০০৯’ এর ধারা ১৮ এর উপ-ধারা (১) এ প্রদত্ত ক্ষমতাবলে, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করিল এবং উক্ত আইনের তফসিল-২ এ বাংলাদেশ ছাত্রলীগ নামীয় ছাত্র সংগঠনকে নিষিদ্ধ সত্ত্বা হিসেবে তালিকাভুক্ত করিল।

    এই সপ্তাহের মধ্যে ছাত্রলীগকে নিষিদ্ধের দাবি জানিয়েছিল বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন। গতকাল সংগঠনটির দেয়া ৫ দফার একটি ছিল ছাত্রলীগকে নিষিদ্ধ করতে হবে। এই দাবি ঘোষণার একদিনের মাথায় ছাত্রলীগকে নিষিদ্ধ করা হলো।

  • রংপুর জেলার মিঠাপুকুর উপজেলায় বিএসটিআই এর মোবাইল কোর্ট অভিযানে ৪২,০০০ টাকা জরিমানা

    রংপুর জেলার মিঠাপুকুর উপজেলায় বিএসটিআই এর মোবাইল কোর্ট অভিযানে ৪২,০০০ টাকা জরিমানা

    প্রেস বিজ্ঞপ্তি

    বিএসটিআই বিভাগীয় অফিস, রংপুর এবং উপজেলা প্রশাসন, মিঠাপুকুর এর যৌথ উদ্যোগে রংপুর, মিঠাপুকুরে মোবাইল কোর্ট অভিযান পরিচালিত হয়। উক্ত অভিযানে হোয়াইট ব্রেড পণ্যের সিএম লাইসেন্স না থাকায় মেসার্স তৃপ্তি ব্রেড এন্ড কনফেকশনারি, শঠিবাড়ী (হামিদের মোড়), মিঠাপুকুর, রংপুর ও মেসার্স ওয়াফি ডেইরী এন্ড সুইটস, মিঠাপুকুর বাজার, মিঠাপুকুর, রংপুরকে দই পণ্যের মোড়কজাত সনদ না থাকায় যথাক্রমে ১৫(১)/২৭ ধারা অনুযায়ী ৪০,০০০/- ও ২৪(১)/৪১ ধারা অনুযায়ী ২০০০/- জরিমানা করা হয় একইসাথে মিঠাপুকুর কাচাবাজারের মুদি ও সবজি ব্যবসায়ীদের দোকানে ব্যবহৃত ওজন ও ওজনযন্ত্র যাচাই করে সঠিক পাওয়া যায়। অভিযানটি পরিচালনা করেন জনাব মুলতামিস বিল্লাহ, সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট, মিঠাপুকুর, রংপুর। প্রসিকিউটর হিসেবে ছিলেন মারুফা বেগম, ফিল্ড অফিসার (সিএম)। সাথে আরো উপস্থিত ছিলেন মোঃ আলমাস মিয়া, পরিদর্শক (মেট্রোলজি)।

    জনস্বার্থে বিএসটিআই বিভাগীয় কার্যালয়, রংপুর এর এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

  • সুজানগরে ২৪ অক্টোবর থেকে শুরু হচ্ছে এইচপিভি টিকাদান কর্মসূচি, পাবে প্রায় ১৮ হাজার কিশোরী

    সুজানগরে ২৪ অক্টোবর থেকে শুরু হচ্ছে এইচপিভি টিকাদান কর্মসূচি, পাবে প্রায় ১৮ হাজার কিশোরী

    এম এ আলিম রিপনঃ এক ডোজ এইচপিভি টিকা নিন, জরায়ুমুখ ক্যান্সার রুখে দিন প্রতিপাদ্য বিষয়কে সামনে রেখে ২৪ অক্টোবর থেকে মাসব্যাপী শুরু হচ্ছে (৫ম শ্রেণি থেকে ৯ম শ্রেণি ছাত্রী) স্কুল ও কমিউনিটি পর্যায় ১০ থেকে ১৪ বছর বয়সী কিশোরীদের এইচপিভি টিকাদান কর্মসূচি। এ উপলক্ষ্যে সুজানগরে জরায়ুমুখ ক্যান্সার প্রতিরোধে হিউম্যান প্যাপিলোমা ভাইরাস (এইচপিভি) টিকাদান কর্মসূচির প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সভা কক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকতা ডা.মোহাম্মদ রুহুল আমিনের সভাপতিত্ব ও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা.সেলিম মোরশেদের স ালনায় সভায় সুজানগর থানার ওসি(তদন্ত) লালবুর রহমান, উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা অফিসার ফাউজিয়া সুলতানা, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার সোলায়মান হোসেন, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার জয়নাল আবেদীন, উপজেলা সমাজসেবা অফিসার জিল্লুর রহমান, মোহাম্মাদিয়া দাখিল মাদ্রাসার সুপার মাওলানা মাহাতাব উদ্দিন,যায়যায়দিনের উপজেলা প্রতিনিধি এম মনিরুজ্জামান ও দৈনিক যুগান্তরের সুজানগর উপজেলা প্রতিনিধি এম এ আলিম রিপনসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন। সভায় জরায়ুমুখ ক্যান্সার প্রতিরোধে হিউম্যান প্যাপিলোমা ভাইরাস (এইচপিভি) টিকাদান কর্মসূচির বিষয়ে সার্বিক তথ্য উপস্থাপন করেন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডা.নাসরিন আক্তার। সভায় সুজানগর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকতা ডা.মোহাম্মদ রুহুল আমিন জানান, আজকের কিশোরী আগামী দিনের মা। তাদের সুস্বাস্থ্যের উপর নির্ভর করবে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের স্বাস্থ্য সুরক্ষা। বৈশ্বিকভাবে সাধারণত নারীরা যে সকল ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে থাকেন তার মধ্যে জরায়ুমুখ ক্যান্সার চতুর্থ সর্বোচ্চ। বাংলাদেশি নারীদের ক্ষেত্রে এটি দ্বিতীয় সর্বোচ্চ। তিনি আরও বলেন, ২০২০ সালের তথ্য-উপাত্ত অনুযায়ী প্রতিবছর বিশ্বে ছয় লাখের বেশি নারী জরায়ুমুখ ক্যান্সারে আক্রান্ত হন। যার মধ্যে প্রায় তিন লাখ মৃত্যুবরণ করেন। এর প্রায় ৯০ ভাগই মৃত্যুই বাংলাদেশের মত উন্নয়নশীল বা স্বল্পোন্নত দেশগুলোতে ঘটে থাকে। ঢাকা বিভাগ বাদে দেশের অন্য সকল বিভাগে ২৪ অক্টোবর থেকে মাসব্যাপী একযোগে এইচপিভি টিকা প্রদান কার্যক্রম চলবে। ওয়ানলাইন রেজিস্ট্রেশনের মাধ্যমে সুজানগর পৌরসভায় ২৩৬৯ জন এবং উপজেলার অন্য সকল ইউনিয়নে ১৫হাজার ৩শ’ ৫২ জন কিশোরীকে টিকার আওতায় আনার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এক্ষেত্রে উপজেলা, পৌরসভা ও ইউনিয়ন পর্যায় স্বাস্থ্য কর্মী ও স্বেচ্ছাসেবক প্রস্তুত করা হয়েছে। প্রতিটি টিকার বাজার মূল্য প্রায় সাড়ে ৩ হাজার থেকে ৪ হাজার টাকা। যা বর্তমান সরকার ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তর প্রান্তিক জনগোষ্ঠির কাছে পৌঁছে দিতে বিনামূল্যে এ টিকা প্রদান করবে।

  • রাজশাহীতে এইচপিভি টিকাদান কার্যক্রম উপলক্ষে অবহিতকরণ সভা

    রাজশাহীতে এইচপিভি টিকাদান কার্যক্রম উপলক্ষে অবহিতকরণ সভা

    নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহী : মঙ্গলবার (২২ অক্টোবর) বিকালে রাজশাহী সিভিল সার্জন কার্যালয় সম্মেলন কক্ষে ইউনিসেফের সহযোগিতায় এবং রাজশাহী জেলা তথ্য অফিসের উদ্যোগে জরায়ুমুখ ক্যান্সার প্রতিরোধে এইচপিভি টিকাদান ক্যাম্পেইন উপলক্ষে অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

    সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী স্বাস্থ্য বিভাগের পরিচালক ডা. মো. আনোয়ারুল কবীর। ‘একডোজ এইচপিভি টিকা নিন, জরায়ুমুখ ক্যান্সার রুখে দিন’ এই শ্লোগানকে সামনে রেখে ঢাকা বিভাগ ব্যতীত অন্য সাতটি বিভাগে মাসব্যাপী এই টিকা কার্যক্রম পরিচলিত হবে। সভায় রাজশাহী জেলার বিভিন্ন স্কুল এবং জনবসতি এলাকায় এইচপিভি টিকাদান কার্যক্রম সম্পর্কে প্রচারাভিযান এবং টিকা নিবন্ধন কার্যক্রম জোরদার করতে জেলার স্কাউট ও গার্লস গাইড সদস্যদের অবহিত করা হয়।

    উপস্থিত ছাত্র-ছাত্রীদের উদ্দেশ্যে প্রধান অতিথি বলেন, তোমরাও এই টিকাদান কার্যক্রমের প্রচার-প্রচারণার অংশ। এই টিকা গ্রহণের ক্ষেত্রে ভয়ভীতি পাওয়ার কোনো কারণ নেই। কেউ যদি কোনো ভীতিমূলক কথাবার্তা বলে তাহলে তোমরা তা অগ্রাহ্য করবে। তোমরা অনেক মেধাবী এবং প্রগতিশীল। সরকারের এই সুদূরপ্রসারী ও মহৎ উদ্যোগ নস্যাৎ করার যেকোনো অপতৎপরতা তোমরা রুখে দেবে। গার্লস গাইডদের পাশাপাশি শিক্ষকদের এইচপিভি টিকাদান ক্যাম্পেইনকে আরও অংশগ্রহণমূলক করতে কার্যকরী ভূমিকা রাখতে আহ্বান জানান তিনি।

    জরায়ুমুখ ক্যান্সার প্রতিরোধে এই টিকা গ্রহণের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে প্রধান অতিথি বলেন, তুমি তোমার মায়ের কথা চিন্তা করো। এখন যদি তোমার মা না থাকে বা অসুস্থ হয়ে যান তাহলে পরিবারজুড়ে একটি শুন্যতা নেমে আসবে। জরায়ুমুখ ক্যান্সারের কারণে প্রতিবছর বাংলাদেশে প্রায় ৫ হাজার মা মৃত্যুবরণ করেন। একটু সচেতন হয়ে সময়মতো এই টিকা গ্রহণ করলে আমরা এটি প্রতিরোধ করতে পারি।

    রাজশাহী জেলা তথ্য অফিস এইচপিভি টিকাদান কার্যক্রমের প্রচারাভিযানের অংশ হিসেবে জেলার বিভিন্ন স্থানে ভ্রাম্যমান চলচ্চিত্র প্রদর্শনী ও মাইকিং কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে।

    রাজশাহী জেলা তথ্য অফিসের পরিচালক মোহা: ফরহাদ হোসেনের সভাপতিত্বে সিভিল সার্জন কার্যালয়ের মেডিক্যাল অফিসার ডা. বায়েজীদ-উল ইসলাম মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন। জেলা তথ্য অফিসের উপপরিচালক নাফেয়ালা নাসরিন অবহিতকরণ সভাটি সঞ্চালনা করেন। সভায় স্বাস্থ্য ও শিক্ষা বিভাগের কর্মকর্তা, শিক্ষক প্রতিনিধি, জেলা ও উপজেলা স্কাউটস এর প্রতিনিধিগণ উপস্থিত ছিলেন।

    মোঃ হায়দার আলী
    নিজস্ব প্রতিবেদক,
    রাজশাহী।