Author: desk

  • সুজানগরে কিশোরীদের এইচপিভি টিকাদান ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন

    সুজানগরে কিশোরীদের এইচপিভি টিকাদান ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন

    এম এ আলিম রিপন ঃ এক ডোজ এইচপিভি টিকা নিন, জরায়ুমুখ ক্যান্সার রুখে দিন প্রতিপাদ্য বিষয়কে সামনে রেখে পাবনার সুজানগরে মাসব্যাপী শুরু হওয়া (৫ম শ্রেণি থেকে ৯ম শ্রেণি ছাত্রী) স্কুল ও কমিউনিটি পর্যায় ১০ থেকে ১৪ বছর বয়সী কিশোরীদের এইচপিভি টিকাদান ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার সুজানগর সরকারি মডেল প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এ টিকাদান ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন করেন উপজেলা নির্বাহী অপিসার মীর রাশেদুজ্জামান রাশেদ। উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকতা ডা.মোহাম্মদ রুহুল আমিনের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা অফিসার ডা.ফাউজিয়া সুলতানা, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার সোলায়মান হোসেন, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার জয়নাল আবেদীন, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডা.নাসরিন আক্তার, পৌরসভার নির্বাহী কর্মকর্তা গোলাম নবী, সুজানগর সরকারি মডেল প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রওশন-আরা পারভিন, পৌরসভার স্যানেটারি ইনস্পেক্টর আমিরুল ইসলাম,কঞ্জারভেন্সী ইন্সপেক্টর হাসান উদ্দিনসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন । সুজানগর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকতা ডা.মোহাম্মদ রুহুল আমিন জানান, আজকের কিশোরী আগামী দিনের মা। তাদের সুস্বাস্থ্যের উপর নির্ভর করবে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের স্বাস্থ্য সুরক্ষা। বৈশ্বিকভাবে সাধারণত নারীরা যে সকল ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে থাকেন তার মধ্যে জরায়ুমুখ ক্যান্সার চতুর্থ সর্বোচ্চ। বাংলাদেশি নারীদের ক্ষেত্রে এটি দ্বিতীয় সর্বোচ্চ। তিনি আরও বলেন, ২০২০ সালের তথ্য-উপাত্ত অনুযায়ী প্রতিবছর বিশ্বে ছয় লাখের বেশি নারী জরায়ুমুখ ক্যান্সারে আক্রান্ত হন। যার মধ্যে প্রায় তিন লাখ মৃত্যুবরণ করেন। এর প্রায় ৯০ ভাগই মৃত্যুই বাংলাদেশের মত উন্নয়নশীল বা স্বল্পোন্নত দেশগুলোতে ঘটে থাকে। ঢাকা বিভাগ বাদে দেশের অন্য সকল বিভাগে ২৪ অক্টোবর থেকে মাসব্যাপী একযোগে এইচপিভি টিকা প্রদান কার্যক্রম চলবে। ওয়ানলাইন রেজিস্ট্রেশনের মাধ্যমে সুজানগর পৌরসভায় ২৩৬৯ জন এবং উপজেলার অন্য সকল ইউনিয়নে ১৫হাজার ৩শ’ ৫২ জন কিশোরীকে টিকার আওতায় আনার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এক্ষেত্রে উপজেলা, পৌরসভা ও ইউনিয়ন পর্যায় স্বাস্থ্য কর্মী ও স্বেচ্ছাসেবক কাজ করছে। প্রতিটি টিকার বাজার মূল্য প্রায় সাড়ে ৩ হাজার থেকে ৪ হাজার টাকা। যা বর্তমান সরকার ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তর প্রান্তিক জনগোষ্ঠির কাছে পৌঁছে দিতে বিনামূল্যে এ টিকা প্রদান করছে।

    এম এ আলিম রিপন
    সুজানগর(পাবনা)প্রতিনিধি।।

  • গাইবান্ধা জেলায় বিএসটিআই’র সার্ভিল্যান্স অভিযান পরিচালনা

    গাইবান্ধা জেলায় বিএসটিআই’র সার্ভিল্যান্স অভিযান পরিচালনা

    প্রেস বিজ্ঞপ্তি

    বিএসটিআই বিভাগীয় অফিস, রংপুর এর উদ্দ্যোগে গত ২৩.১০.২০২৪ খ্রিঃ তারিখে প্রকৌঃ মুবিন-উল-ইসলাম, উপপরিচালক (পদার্থ) ও অফিস প্রধান এর নেতৃত্বে গাইবান্ধা জেলায় সার্ভিল্যান্স অভিযান পরিচালনা করা হয়। উক্ত অভিযানে আরও ছিলেন প্রকৌঃ মোঃ জাহিদুর রহমান, সহকারী পরিচালক (সিএম) এবং প্রকৌঃ মোঃ তাওহিদ-আল-আমিন, ফিল্ড অফিসার (সিএম)।

    উক্ত অভিযানে যে সকল প্রতিষ্ঠান এর বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা প্রদানের জন্য আলামত জব্দ করা হয়েছে:
    ১। আল রুমান হোটেল এন্ড রেস্টুরেন্ট, গৃধারীপুর, পলাশবাড়ী, গাইবান্ধা। পণ্য: দই, মিষ্টি।
    ২। চারুশশী অয়েল মিল, বিসিক, গাইবান্ধা। পণ্য: সরিষার তেল।
    ৩। গাইবান্ধা মিষ্টান্ন ভান্ডার, ডিবি রোড, সদর, গাইবান্ধা।
    ৪। গাইবান্ধা দই ঘর, বালাসী রোড, সদর, গাইবান্ধা। পণ্য: দই, মিষ্টি
    ৫। মা মিষ্টান্ন ভান্ডার, ডিবি রোড, সদর, গাইবান্ধা। পণ্য: দই মিষ্টি
    ৬। গাইবান্ধা রসমালাই, ডিবি রোড, সদর, গাইবান্ধা। পণ্য: দই, মিষ্টি।
    ৭। ইসলাম ফ্লাওয়ার মিল, ডি বি রোড, সদর গাইবান্ধা। পণ্য: ময়দা, ভূষি।
    ৮। আবুল অটো ফ্লাওয়ার মিল, তরফকল, সদর, গাইবান্ধা। পণ্য: ময়দা, ভূষি।
    ৯। আকি মুড়ি, তরফকল, সদর, গাইবান্ধা।
    ১০। মিল্টন বেকারি, পার্ক মোর, সদর, গাইবান্ধা। পণ্য: বিস্কুট, ব্রেড।
    ১২। রমেশ সুইটস, আবদুল হামিদ সড়ক, সদর, গাইবান্ধা। পণ্য: দই, মিষ্টি।
    ১৩। রাজা পেপার এন্ড বোড মিলস লিমিটেড, ফাসিতলা, গোবিন্দগঞ্জ, গাইবান্ধা।

    উক্ত অভিযানে যে সকল প্রতিষ্ঠানকে দ্রুত সিএম লাইসেন্স গ্রহণ/নবায়ন এবং গুণগত মানের পণ্য উৎপাদনের পরামর্শ প্রদান করা হয়েছে
    ১। পল্লী ফুড এন্ড সুইটস, বিসিক, গাইবান্ধা। পণ্য: বিস্কুট, ব্রেড।
    ২। এস ডি আর এস কঞ্জুমার প্রোডাক্টস, বিসিক, গাইবান্ধা। পণ্য: মসলা।
    ৩। সুপার টেস্টি ফুড এন্ড বেভারেজ, বিসিক, গাইবান্ধা। পণ্য: বিস্কুট, কেক।
    ৪। সুপার টেস্টি ফুড এন্ড বেভারেজ, নশরত, সদর গাইবান্ধা। পণ্য: বিস্কুট, কেক।
    ৫। মন্ডল ফ্লাওয়ার মিল ইউনিট- ২, বিসিক, গাইবান্ধা। পণ্য: আটা ময়দা।
    ৬। মন্ডল ফ্লাওয়ার মিল ইউনিট- ৩, বিসিক, গাইবান্ধা। পণ্য: আটা ময়দা।
    ৭। হেমেন্দ্র অয়েল মিল, বিসিক, গাইবান্ধা। পণ্য: সরিষার তেল।
    ৮। নিতাই গৌরাঙ্গ অয়েল মিল, বিসিক, গাইবান্ধা। পণ্য: সরিষার তেল।
    ৯। চৌধুরী অয়েল মিল, বিসিক, গাইবান্ধা। পণ্য: সরিষার তেল।
    ১০। মেসার্স ওহি জুট ফাইবার্স, বিসিক, গাইবান্ধা। পণ্য: পাটের ব্যাগ
    ১১। মন্ডল ফ্লাওয়ার মিল, ডিবি রোড, সদর, গাইবান্ধা। পণ্য: ময়দা ভূষি।
    ১২। ভাই ভাই ব্রেড এন্ড বিস্কুট ফ্যাক্টরি। নাকাইহাট, গোবিন্দগঞ্জ, গাইবান্ধা।
    ১৩। মামা ভাগনা অয়েল মিল, গোবিন্দগঞ্জ, গাইবান্ধা। পণ্য: সরিষার তেল।
    ১৪। আবাবিল অয়েল মিল, গোবিন্দগঞ্জ, গাইবান্ধা। পণ্য: সরিষার তেল।

    জনস্বার্থে বিএসটিআই বিভাগীয় কার্যালয়, রংপুর এর এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

  • যানজট নিরসনে  নিয়ম শৃঙ্খলা মেনে চলতে হবে…..নাজমুল হাসান পি পিএম বার,অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার

    যানজট নিরসনে নিয়ম শৃঙ্খলা মেনে চলতে হবে…..নাজমুল হাসান পি পিএম বার,অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার

    সুমন খান:

    রাজধানীর মিরপুর গাবতলী
    যানজট নিরসনে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) ট্রাফিক মিরপুর, বিভাগ গাবতলী বাস টার্মিনালে ট্রাফিক সচেতনতা সভা করেছে। গতকাল বৃহস্পতিবার ২৩ অক্টোবর ২০২৪ দুপুর ১ টার ! সময় গাবতলী বাসটার্মিনাল অডিটোরিয়ামে বাস মালিক, সমিতি ও ড্রাইভার সমিতির সদস্যদের নিয়ে এ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত আলোচনা সভায় মধ্য দিয়ে কোরআন তেলাওয়াতের শুরুতে ! যানজট নিরসনে সমস্যা চিহ্নিত ও সমাধানের বিষয়ে দিকের মাধ্যমে তুলে ধরে ।
    মিরপুরের প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে যানজট চিহ্নিত করে তা সমাধানের লক্ষ্যে স্বল্প ও দীর্ঘ মেয়াদি পদক্ষেপ নেওয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। এরমধ্যে রয়েছে-
    বাস স্টপেজ ব্যতীত যেখানে সেখানে বাস না থামানো,নির্দিষ্ট স্টপেজে বাস থামানো এবং পার্কিং ব্যবস্থাপনার আধুনিকায়ন। পর্যায়ক্রমে এসব সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করা হবে।
    এ সময় উপস্থিত,বাস ট্রাক অনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি বাবদ রমেশচন্দ্র ঘোষের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন , খন্দকার মোঃ নাজমুল হাসান পি পিএম বার,অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার( ট্রাফিক) ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপ- পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক মিরপুর-বিভাগ) ঢাকা।
    স্বাগত বক্তব্য রাখেন, আলহাজ্ব কফিল উদ্দিন (চেয়ারম্যান,হানিফ এন্টারপ্রাইজ)। বক্তব্যে বলেন
    তিনি বলেন, গাবতলী বাস টার্মিনালে কোন চাঁদাবাদি করতে যেন না পারে সে সেদিকে সবাইকে খেয়াল রাখতে । শুধু তাই নয় এই বিষয়ে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে পুলিশের সহায়তা নিয়ে কাজ করতে চাই আমরা। তিনি ট্রাফিক বিভাগকে অনুরোধ করেন সর্বদা তাদেরকে সহায়তা করে দেশকে সুন্দর সুশৃংখল দেশ হিসেবে গড়ে তুলতে পারাটা আমাদের সফলতা কামনা করছি। বিশেষ বক্তব্য রাখেন,
    অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার খন্দকার নাজমুল হাসান বলেন, ঢাকা একটি মেগাসিটি। এর জনসংখ্যা প্রায় ২ কোটি ২৪ লক্ষ। যা অনেক দেশের মোট জনসংখ্যা চেয়ে বেশি। আমরা প্রযুক্তির দিক দিয়ে অনেক উন্নত শীল । কিন্তু আমাদের মধ্যে ট্রাফিক সচেতনতার ঘাটতি রয়েছে। ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার সাথে প্রায় সকলেই জড়িত আছেন বলে মনে করি। তাই সুষ্ঠু ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা নির্ভর করে ট্রাফিক নিয়ম-নীতি মেনে চলার ওপর দায়িত্বশীলতা নির্ভর থাকবেন। এজন্য প্রয়োজন ঢাকা মহানগরীতে বসবাসকারী সাধারণ মানুষ ও যানবাহনের চালক ও যাত্রীদের সচেতনতা বৃদ্ধি করা।

    খন্দকার নাজমুল হাসান আরও বলেন, পোশাক খোলার পর আমিও একজন সাধারণ যাত্রী আমি নিজেও গণপরিবহনে চলাচল করি।নিয়ম মানাকে আমরা বিভিন্ন ধরনের সমস্যা মনে করি সকলে সচেতন হয়ে এবং হর্ন প্রয়োজন ব্যতীত বাজানো থেকে বিরত থাকি। তাই অযথাই হর্ন বাজানো যাবে না এতে আমাদের বিভিন্ন ধরনের সমস্যা হচ্ছে। আমরা যারা মাঠে কাজ করি আমাদের ট্রাফিক অনেকেই কানে কম শুনেন এই হর্ন ! এর শব্দের কারণে
    ডিএমপির পক্ষ থেকে বিভিন্ন ধরনের সচেতনতামূলক কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। জনগণকে সচেতন করার জন্য আমরা সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালিয়ে থাকি। আমাদের সবাইকে ট্রাফিক আইন ও নিয়ম-নীতি সম্পর্কে সচেতন হতে হবে।’ সুষ্ঠু ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার জন্য যা যা করা প্রয়োজন পুলিশ তাই করবে উল্লেখ করেন খন্দকার নাজমুল হাসান।

    সভায় অংশগ্রহণকারী সহস্রাধিক মালিক সমিতির সদস্য ও চলকদের ট্রাফিক মিরপুর বিভাগের পক্ষ হতে সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ করা হয়। এ বিষয়ের প্রতিটি চালকদের মাঝে এবং জনসাধারণের মাঝে লিফটেড বিতরণ করেন ।

  • নেছারাবাদ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স  কর্মস্থলে যোগদানের কথা শুনেই হাসপাতালের টিএইচও এর কক্ষে তালা জুলিয়ে দিল সাধারণ জনতা

    নেছারাবাদ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স কর্মস্থলে যোগদানের কথা শুনেই হাসপাতালের টিএইচও এর কক্ষে তালা জুলিয়ে দিল সাধারণ জনতা

    আনোয়ার হোসেন,

    নেছারাবাদ(পিরোজপুর)প্রতিনিধি:

    একাধিক দুর্নীতির অভিযোগের বোঝা মাথায় নিয়ে নেছারাবাদ হাসপাতালে স্বাস্থ্য ও প:প: কর্মকর্তা পদে যোগদান করবেন ডা: মামুন হাসান। এমন খবরে ২৪ অক্টোবর (বৃহস্পতিবা) সকালে নেছারাবাদ হাসপাতালে তার কর্মস্থলে যোগদানের কথা শুনেই স্থানীয় কিছু লোক ডা: মামুন হাসানের কক্ষে পূর্ব থেকেই নিজেদের উদ্যেগে তালা জুলিয়ে রাখেন। এতে হাসপাতালের পরিস্থিতি কিছুটা থমথমে হয়ে যায়। তবে ডা: মামুন হাসানের কক্ষে কে বা কারা তালা জুলিয়ে রেখেছেন তা জানেনা হাসপাতালের অতিরিক্ত দায়িত্বে থাকা ডা: নাজমুল হাসান মাসুদ।

    ডা: মামুন হাসান বাগেরহাট জেলার চিতলমারি সদর উপজেলার স্বাস্থ্য ও প:প: কর্মকর্তা পদে ছিলেন। সেখানে সিমাহীন দুর্নীতি ও গত গত ৫ আগষ্ট পর্যন্ত ছাত্র জনতার বিপরীতে অবস্থানে ছিলেন। ৫ আগষ্টের পর তার বিরুদ্ধে বাগােরহাটের চিতলমারির ছাত্রজনতা তার পদত্যাগের দাবিতে হাসপাতালের সামনে অবস্থান নেয়। এতে তিনি ছাত্রজনতার তোপের মুখে পড়লে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সহাতায় বের হয়ে কিছু দিন গাঢাকা দেন।

    অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে ডা.মামুন বলেন,চিতলমারী হাসপাতালে ছাত্রজনতার বিক্ষোভে সময় আমি ছুটিতে ছিলাম, তাছাড়া তারা কেন এগুলো করেছিলো আমি অবগত নয়। তারা যে অভিযোগ এনে এগুলো করছে বিক্ষোভ করেছিলো সেগুলো মিথ্যে।আজকে আমি পিরোজপুরে সিভিল সার্জন স্যারের কাছে অফিসিয়ালি যোগদান করে ছুটিতে যাবো পরে যেকোন সময় এসে নেছারাবাদে যোগদান করবো।

    এ বিষয়ে জানতে চাইলে নেছারাবাদ হাসপাতালের অতিরিক্ত দায়িত্বে থাকা স্বাস্থ্য ও প:প:কর্মকর্তা ডা: নাজমুল হাসান মাসুদ খান জানান, আমি শুমেছি,গতকাল বুধবার নেছারাবাদ হাসপাতালে টিএইচও পদে তার অর্ডার হয়েছে। তিনি বৃহস্পতিবার এখানে যোগদানের কথা। তবে তার কক্ষে বাহির থেকে এসে কে বা কারা যেন, তালা জুলিয়েছে। এ বিষয়ে আমি আর কিছু বলতে পারবোনা বলে জানান।

    পিরোজপুর সিভিল সার্জন ডা: মিজানুর রহমান জানান, “ডা: মামুন হাসান আমাকে ফোন দিয়ে নেছারাবাদ হাসপাতালে যোগদান করবেন বলে জানিয়েছেন। আমি তাকে অর্ডার আদেশ নিয়ে আসতে বলেছি”। তার বিরুদ্ধে একাধিক দুর্নীতির অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি আরো বলেন, “বিভিন্ন লোকের মাধ্যমে আজকেই তার দুর্নীতির বিষয়ে শুনেছি। তবে তার রুমে তালা জুলানোর বিষয়ে আমি অবগত নই। আমি ডা: মামুন হাসানের বিষয়ে বিভাগীয় পরিচালক মহোদয়কে জানাব”।

  • রাজশাহীতে আধুনিক ল্যাবে ১দিনেই মিলছে মাদক পরীক্ষার প্রতিবেদন- আর যেতে হয় না ঢাকায়

    রাজশাহীতে আধুনিক ল্যাবে ১দিনেই মিলছে মাদক পরীক্ষার প্রতিবেদন- আর যেতে হয় না ঢাকায়

    নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহী : মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের রাজশাহী বিভাগীয় অফিসে চালু হয়েছে রাসায়নিক পরীক্ষাগার। ১৭ অক্টোবর আনুষ্ঠানিকভাবে এই ল্যাবে পরীক্ষা শুরু হয়। এতে করে একদিনের মধ্যেই মিলছে মাদক পরীক্ষার ফলাফল। আধুনিক এই পরীক্ষাগার চালুর ফলে একদিকে যেমন দ্রুত মামলার চার্জশিট হবে, ঠিক তেমনই কমবে খরচ। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এটি রাজশাহী বিভাগের মামলাগুলোর তদন্তে গতি আনবে। আর যেতে হবে না ঢাকায়।

    মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর রাজশাহী বিভাগীয় অফিসের তথ্যমতে, রাজশাহী বিভাগে মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের অধীনে জানুয়ারি থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত মোট ৭৪১টি মাদক পরীক্ষা করা হয়। এরমধ্যে জানুয়ারিতে ৮৪টি, ফেব্রুয়ারিতে ৯৬টি, মার্চ মাসে ৮৮টি, এপ্রিল মাসে ৯৭টি, মে মাসে ১০২টি, জুন মাসে ৯২টি, জুলাই মাসে ৭১টি, আগস্টে ৩৫টি ও সেপ্টেম্বর মাসে ৭৬টি মাদকের নমুনা পরীক্ষা করা হয়।

    রাজশাহী বিভাগীয় রাসায়নিক পরীক্ষাগারের পরীক্ষক আবু হাসান জানান, ৩০ জুন এই ল্যাবের প্রকল্পের কাজ শেষ হয়। এর আগে ১৯ মার্চ ল্যাবটির গেজেট প্রকাশ পায়। এরপর নিয়োগ ও অন্যান্য কার্যক্রম শেষ করে ১৭ অক্টোবর এটি চালু করা হয়। বর্তমানে রাজশাহী বিভাগের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরে সব পরীক্ষা এখানে করা হচ্ছে। ল্যাবটিতে মোট সাতজন কাজ করছেন। গত ছয়দিনে এখানে পরীক্ষা শেষে ১৪টি ফলাফল দেওয়া হয়েছে।

    তিনি আরও বলেন, এটি একটি আধুনিক ল্যাব। সব সুযোগ-সুবিধা এখানে আছে। ল্যাবটির প্রতিদিনর সক্ষমতা প্রায় ৭০টি রিপোর্ট প্রস্তুত করার। এছাড়া যে কোনো ধরনের মাদক সর্বোচ্চ ২০ মিনিটের মধ্যেই পরীক্ষা করা সম্ভব। এগুলো ফলাফল দিতে এক থেকে সর্বোচ্চ তিনদিন সময় লাগছে। একদিনের মধ্যেই যে কোনো মাদকের পরীক্ষা করা সম্ভব।

    রাজশাহী মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর গোয়েন্দা শাখার উপ-পরিচালক জিল্লুর রহমান বলেন, একটি মাদক মামলার প্রধান সাক্ষ্য হলো মাদকের পরীক্ষার প্রতিবেদন। আগে আমাদের এখানে কোনো মাদক মামলা বা মালামাল উদ্ধার হলে সেটি পরীক্ষার জন্য ঢাকায় পাঠাতে হতো। ফলে সময় লেগে যেত ২-৩ সপ্তাহ বা তারও বেশি। এটি এখন তিনদিনের মধ্যেই পাওয়া যাচ্ছে। এটি একদিকে যেমন সময় কমাচ্ছে, মামলার তদন্তে গতি আনছে। পাশাপাশি সরকারের ব্যয়ও সংকোচন হচ্ছে।

    জিল্লুর রহমান আরও বলেন, একটি মামলার তদন্ত দ্রুত হলে চার্জশিটও দ্রুত দেওয়া সম্ভব। ল্যাব হওয়ার কারণে এটিতে গতি এসেছে। ফলে এখন দ্রুত মাদক মামলা নিষ্পত্তি হবে।

    রাজশাহী মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার সাবিনা ইয়াসমিন বলেন, পুলিশ তো সরাসরি মাদক উদ্ধার করে। কিন্তু মাদকের রাসায়নিক পরীক্ষার রিপোর্ট পেতে বিলম্ব হওয়ায় চার্জশিট দিতে সময় লেগে যায়। এই রিপোর্টটা যদি দ্রুততম সময়ে পাওয়া যায় তবে দ্রুত তদন্ত শেষ হবে, দ্রুত চার্জশিট হবে এবং দ্রুত বিচার কাজও শুরু করা সম্ভব হবে।

    রাজশাহী মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত পরিচালক মাসুদ হোসেন বলেন, এটি শুধু আমাদের জন্য নয়। সবার জন্য ব্যবহার করা যাবে। ফলে রাজশাহীর মাদক মামলায় অনেক গতি আসবে।

    মোঃ হায়দার আলী
    নিজস্ব প্রতিবেদক,
    রাজশাহী।

  • বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী কৃষক দল মান্নার গাও ইউনিয়ন শাখার পরিচিতি সভা

    বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী কৃষক দল মান্নার গাও ইউনিয়ন শাখার পরিচিতি সভা

    হারুন অর রশিদ,
    দোয়ারাবাজার সুনামগঞ্জ প্রতিনিধিঃ
    দোয়ারাবাজার উপজেলার বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী কৃষক দল মান্নার গাও ইউনিয়ন শাখার পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
    বুধবার ২৩ অক্টোবর সন্ধ্যায় মিতালী পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজে এ পরিচিতি সভার আয়োজন করা হয়।

    সাবেক ইউপি সদস্য বিএনপি নেতা আব্দুল আজিজের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন মিতালী পাবলিক উচ্চ বিদ্যালয় এন্ড কলেজের সহকারী শিক্ষক সবির উদ্দিন, বিএনপি নেতা আব্দুল গফুর খান, যুবদলের নেতা আব্দুল সালাম, আজমপুর গ্রামের সভার সার্বিক সহযোগী ও যুবদল নেতা আঙ্গুর মিয়া, রাহ্’মিন মিয়া, তারেক আহমদ,
    কৃষক দলের সহ-সভাপতি আকবর আলী,
    মাসুক আহমদ লুৎতুর, যুবদল নেতা তাহের, আলী-রাজ ,সেজুল আহমদ, মো. রিপন মিয়া, সফিকুল, লিয়াকত আলী, আবুল হোসেন, ফখর উদ্দিন, সোহাগ রুবেল প্রমুখ।
    সাবেক ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক মাসুক মিয়া ও মোহাম্মদ আলীর সঞ্চালনায়
    মান্নার গাও ইউনিয়ন কৃষক দলের পরিচিতি উপস্থাপন করা হয়। সভাপতি খোকন আহমদ, সহ-সভাপতি মকবুল হোসেন, ইসকন্দর আলী, সাধারণ সম্পাদক জহির উদ্দিন, সাংগঠনিক সম্পাদক মতিন মিয়া। এছাড়াও অন্যান্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।।

    সভায় বক্তারা, জাতীয়তাবাদীদল বিএনপির আদর্শে উজ্জীবীত হয়ে ছাতক দোয়ারাবাজার আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও জেলা বিএনপির সভাপতি কলিমউদ্দিন আহমেদ মিলন ও উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক আলহাজ্ব এম এ বারীর হাতকে শক্তিশালী করতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করার আহব্বান জানিয়েছেন। এসময় বক্তারা আরও বলেন, কৃষিকাজে সর্বপ্রথম বিপ্লব ঘটিয়েছিলেন বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান। সে লক্ষ্যে কৃষি ও কৃষকের উন্নয়নের জন্য জাতীয়তাবাদী কৃষক দল গঠন করা হয়।

  • ছিনাইয়ের আচার্য মৌজায় সরকারী রাস্তার গাছ কেটে বিক্রয়ের অভিযোগ

    ছিনাইয়ের আচার্য মৌজায় সরকারী রাস্তার গাছ কেটে বিক্রয়ের অভিযোগ

    বিশেষ প্রতিনিধি।।

    বুধবার বৃষ্টির মাঝে পড়ন্ত বিকালে লোকচক্ষুর আড়ালে কুড়িগ্রাম জেলার রাজারহাট উপজেলার ছিনাই ইউনিয়নাধীন আচার্য মৌজার বৈদ্যের বাজার নিকটস্থ আলহাজ্ব তাজুল ইসলাম চৌধুরী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ১০০ গজ পশ্চিম দিকের সরকারী রাস্তার গাছ কেটে বিক্রি করে দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে অবৈধভাবে সরকারী রাস্তায় বসবাসকারী গোলাপ মিয়ার বিরুদ্ধে। তিনি প্রায় পনের বছর ধরে সরকারী রাস্তার সামান্য অংশ রেখে বাকী রাস্তা দখল করে চারটি টিনের ঘর তৈরি করে বসবাস করে আসছেন। তিনি কুড়িগ্রাম সদরের মোগলবাসা ইউনিয়নের বাসিন্দা, কোন এক অজ্ঞাত কারণে তাকে তার স্থায়ী ঠিকানা হতে স্থানীয় লোকজন বিতাড়িত করেছেন মর্মে জানা যায়। তার নিকট সরকারী রাস্তার ৩টি গাছ ২১০০ টাকায় ক্রয় করেন বৈদ্যের বাজারের গাছ ব্যবসায়ী মজিবর রহমান। গাছ ব্যবসায়ী মজিবর রহমান প্রতিবেদককে মুঠোফোনে বলেন, গোলাপ মিয়া তাকে জানান, তার জমিতে তার নিজের রোপনকৃত ৩টি গাছ বিক্রয় করবেন। যেহেতু তিনি দৈর্ঘদিন ধরে ঐ স্থানে বসবাস করে আসছেন, তাই আমি গাছ তিনটি তার নিজের মনে করে ২১০০ টাকায় ক্রয় করেছি। এগুলো সরকারী রাস্তার গাছ বিষয়টি জানা থাকলে কখনোই ক্রয় করতাম না। গাছগুলো ছোট ছিলো তাই স মিলে চিড়ে খড়ি করা হয়েছে। ছিনাই ইউনিয়নের চেয়ারম্যানের অনুপস্থিতি দায়িত্ব পালনকারী প্যানেল চেয়ারম্যান মোঃ লুৎফর রহমানের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান ঘটনাটি তিনি শুনেছেন এবং সঙ্গে সঙ্গেই ঘটনার সত্যতা যাচাইয়ের জন্য সংশ্লিষ্ট মৌজার (আচার্য) মেম্বার আশীষ কুমার রায় ঘটনাস্থলে প্রেরণ করেছেন এবং মেম্বার আশীষ কুমার রায় সরেজমিন পরিদর্শনে ঘটনার সত্যতা পেয়েছেন মর্মে চেয়ারম্যানকে জানান। উক্ত মেম্বার চেয়ারম্যানকে আরো জানান যে, গাছগুলো গোলাপ মিয়া সরকারী রাস্তায় রোপন করেছেন এবং সন্তানের চিকিৎসার জন্য তা বিক্রয় করেছেন। সরকারী রাস্তার গাছ কেটে বিক্রয় করা যায় কিনা, জানতে চাইলে প্যানেল চেয়ারম্যান বলেন, বাচ্চার চিকিৎসার জন্য নিজের রোপন করা গাছ কেটে এবং বিক্রয় করেছেন, বিষয়টি মানবিক। তথাপিও জিজ্ঞাসাবাদের জন্য গোলাপ মিয়াকে ইউনিয়ন পরিষদের ডেকে পাঠানো হয়েছে। রাজারহাট উপজেলার ভারপ্রাপ্ত উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ আশাদুল হককে বিষয়টি অবগত করলে তিনি বলেন, এবিষয়ে তথ্য পেলেই তিনি ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।

    স্থানীয় লোকজন নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান যে, গোলাপকে আমরা অনেকেই বলেছি, সরকারী রাস্তার বসবাস না করে, আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘর নিয়ে স্থায়ীভাবে বসবাস করতে, কিন্তু তিনি তা করতে আগ্রহী ছিলেন না। বরং সরকারী রাস্তায় দিনের পর দিন স্থানীয়দের আবাদী জমির ক্ষতি করে নির্জন স্থানে তিনি বসবাস করে আসছেন। কেউ কেউ বলে থাকেন তার একজন মেয়ে জামাই নেশায় আসক্ত হওয়ায় তিনি হয়তোবা তার বাড়ীতে মেয়ে জামাইয়ের মাধ্যমে নেশারুদের নেশা করার সুযোগ দিয়ে অবৈধ সুবিধা নিয়ে থাকতে পারেন।

    তার অবৈধ বাড়ী সংলগ্ন আবাদী জমির মালিক ইয়াকুব আলী খন্দকার বলেন, প্রতিবছরই তিনি আমার ফসলি জমির ফসল নষ্ট করে থাকেন এবং জমিতে গর্ত খননসহ বাড়ী ব্যবহার্য ময়লা আবর্জনা জমিতে ফেলে ফসল নষ্ট করে থাকেন। তাকে এধরনের কাজ না করার কথা বলতে গেলেই তিনি মেরে ফেলার হুমকি প্রদানসহ অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে থাকেন। ইয়াকুব আলী খন্দকার সরকারের দায়িত্বশীলদের উদ্দেশ্যে বলেন, গোলাপ মিয়া যেহেতু সরকারী রাস্তা দখল করে অবৈধভাবে বসবাস করে আসছেন, তাই তাকে ভূমিহীন হিসেবে আশ্রয়ণ প্রকল্পে ঘর দিয়ে সরকারী রাস্তা উদ্ধারসহ তার বাড়ী আশে পাশের আবাদী ফসলী জমিকে ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করতে অনুরোধ করছি।

  • শার্শার গৃহবধু হালিমা-বাবু দম্পতি তাদের কোলের শিশুকে ফিরে পেতে চায়

    শার্শার গৃহবধু হালিমা-বাবু দম্পতি তাদের কোলের শিশুকে ফিরে পেতে চায়

    আজিজুল ইসলাম : যশোরের শার্শা উপজেলার রুদ্রপুর গ্রামের গৃহবধূ হালিমা দম্পতির আকুতি যে কোনো ভাবে হোক আমার বাচ্চাটা আপনারা ফিরিয়ে দেন। বাচ্চা না পেলে আমি বাঁচবো না। গাইবান্ধা সদরের গোবিন্দপুর নেকিরভিটা গ্রামের আকবর আলীর মেয়ে হালিমা বেগম (২১)। মায়ের নাম মোমেনা বেগম। ৫ বছর পর্বে যশোরের শার্শা উপজেলার রুদ্রপুর গ্রামের হত দরিদ্র বাবুরালী মোল্যার (২৫) সাথে তার বিয়ে হয়। তাদের ঘরে ২ বছরের একটি পুত্র সন্তান রয়েছে।  হালিমা আবারো গর্ভবতী হলে হত দরিদ্র স্বামীর বাড়ি থেকে সে বাপের বাড়ী গাইবান্ধায় চলে যায়। সেখানে তার প্রসব বেদনা উঠলে তার মা মোমেন বেগম গাইবান্ধা শহরের একটি ক্লিনিকে তাকে ভর্তি করা দেন। দীনমজুরের স্ত্রী মোমেনা বেগম মেয়ের সিজার করানোর জন্য প্রতিবেশী রুবেল-হাসি দম্পতির কাছ থেকে কিছু টাকা নেন। ২০২৪ এর ১৯ শে আগষ্ট হালিমার গর্ভ থেকে দ্বিতীয় বারের মত আরো একটি পুত্র সন্তানের জন্ম হয়। সন্তান জন্মের সময় সে জ্ঞান হারায়।  ৪ দিন পরে  যখন তার জ্ঞান ফেরে সে তখন জানতে পারে তার সন্তানকে একই গ্রামের রুবেল ও হাসি  দম্পতি নিয়ে গেছে। সে তখন দুধের যন্ত্রনা ও সন্তান শোকে আরো অসুস্থ হয়ে পড়ে। এরপর সে স্থানীয় চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদের স্মরনাপন্ন হয়। চেয়ারম্যানের পরামর্শে গাইবান্ধা  সদর থানায় একটি অভিযোগ করলে পুলিশ  নবজাতককে উদ্ধার করে হালিমার কাছে হস্তান্তর করে। কিন্তু ঐদিন গভীর রাতে রুবেল তার লোকজন নিয়ে এসে জোর জবরদস্তি করে  শিশুটিকে হালিমা বেগমের কাছ থেকে ছিনিয়ে  অন্যত্র নিয়ে যায়। দুই মাস হতে চললো হালিমা তার কোলের শিশুটিকে এখনো ফিরে পায়নি। নাড়িছেঁড়া ধন কোলের শিশুকে কাছে না পেয়ে হালিমা দিন দিন অসুস্থ হয়ে পড়ছেন।

    এব্যাপারে মুঠো ফোনে নিঃসন্তান রুবেল-হাসি দম্পতির কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, হালিমা বেগমের মা মোমেন খাতুন শিশুটিকে আমাকে দত্তক দিয়েছে।  এজন্য আমি শিশুটির গর্ভকালীন সময় থেকে এপর্যন্ত যাবতীয় ব্যায়ভার বহন করেছি। তিনি আরো বলেন এপর্যন্ত আমার ৮০ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। শিশুটিকে ফিরিয়ে নিতে হলে ৮০ হাজার টাকা আমাকে দিতে হবে। শিশুটি রাখার বৈধতা সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন থানা পুলিশের লিখিত রয়েছে আমার কাছে।

    বাবু-হালিমা দম্পতির কথা এব্যাপারে আমরা কিছুই জানিনা। হালিমা জানায়, আমার মায়ের সহযোগিতা থাকতে পারে। তবে আমরা আমাদের বাচ্চাটি ফেরৎ চাই। এব্যাপারে তারা যশোর ও গাইবান্ধা জেলার জেলাপ্রশাসক মহোদয়ের সহযোগিতা কামনা করেছেন।

  • ত্রিশালে ইউএনও’র নেতৃত্বে অভিযানে দুই শতাধিক অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করলেন এসিল্যান্ড

    ত্রিশালে ইউএনও’র নেতৃত্বে অভিযানে দুই শতাধিক অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করলেন এসিল্যান্ড

    আরিফ রববানী ময়মনসিংহ।।
    ময়মনসিংহের ত্রিশালে সড়ক ও জনপথ এর মালিকানাধীন সরকারি সম্পত্তিকে অবৈধ ভাবে দখলে নিয়ে গড়ে উঠা প্রায় দুই শতাধিক অবৈধ স্থাপনাকে অভিযান চালিয়ে উচ্ছেদ করে দিয়েছেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার জুয়েল আহমেদ এর নেতৃত্ব উপজেলা প্রশাসন। ময়মনসিংহের ত্রিশালে ঢাকা- ময়মনসিংহ মহাসড়কের দুপাশে সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের জায়গা দখল করে গড়ে উঠেছিলো এসব অবৈধ স্থাপনা। এর ফলে মহাসড়কে তীব্র যানজটসহ বিভিন্ন সমস্যা লেগেই থাকতো কবি নজরুল স্মৃতিবিজড়িত গুরুত্বপূর্ণ এই শহরে।অবশেষে
    সড়ক ও জনপথ বিভাগ এবং উপজেলা প্রশাসনের যৌথ অভিযানে ময়মনসিংহের ত্রিশালে মহাসড়কের দুপাশে সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের জায়গা দখল করে অবৈধভাবে গড়ে ওঠা এসব স্থাপনা উচ্ছেদ করার ফলে উপজেলা প্রশাসনের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছেন ত্রিশালের সর্বস্তরের মানুষ।

    বুধবার (২৩ অক্টোবর) সকাল ১১টা থেকে শুরু হওয়া অভিযানে প্রায় দুই শতাধিক অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়।

    ত্রিশাল থানা পুলিশের সহযোগিতায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জুয়েল আহমেদের নেতৃত্বে এ উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) মাহবুবুর রহমান।

    উচ্ছেদ অভিযানে নেতৃত্ব দেওয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বলেন, মহাসড়কের দুপাশে অবৈধ দখল উচ্ছেদে অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। জনস্বার্থে এই অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং পুনরায় দখল করার চেষ্টা করলে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানিয়েছেন।

    এ সময় উপস্থিত ছিলেন- সড়ক ও জনপথ বিভাগ ময়মনসিংহের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী মোহাম্মদ মোফাখখারুল ইসলাম।

    এ বিষয়ে সড়ক ও জনপথ বিভাগ ময়মনসিংহের উপ বিভাগীয় প্রকৌশলী মো. মোফাখখারুল ইসলাম বলেন, ত্রিশাল দরিরামপুর বাসস্ট্যান্ডের চারপাশে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান চলছে এবং আগামীতে তা অব্যাহত থাকবে।

  • রামগড় উপজেলা” পৌর” বিএনপি কে ফুলেল শুভেচ্ছা জানিয়েছেন বাজার পরিচালনা কমিটি

    রামগড় উপজেলা” পৌর” বিএনপি কে ফুলেল শুভেচ্ছা জানিয়েছেন বাজার পরিচালনা কমিটি

    এমদাদ খান রামগড় প্রতিনিধি 

    বাংলাদেশ জাতিয়তাবাদী দল রামগড় উপজেলা ও পৌর শাখার নতুন কমিটির নেতৃবৃন্দকে ফুলেল শুভেচছা জানিয়েছেন” নব গঠিত রামগড় বাজার পরিচালনা কমিটি  বুধবার ২৩শে অক্টোবর সন্ধ্যায় রামগড় বিএনপি, অংগ ও সহযোগি সংগঠনের যৌথ কার্যালয় এর হল রুমে অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। 

    এসময় রামগড় উপজেলা বিএনপির সভাপতি মোহাম্মদ ইব্রাহিম খলিল, সাধারণ সম্পাদক সাফায়েত মোরর্শেদ ভূইয়া মিঠু, পৌর বিএনপির সভাপতি জসিম উদ্দিন,সিনিয়র সহসভাপতি সুজায়েত আলি সুজা, সাধারণ সম্পাদক মহিউদ্দিন হারুন, সাংগঠনিক সম্পাদক মোহাম্মদ ইলিয়াছ হোসেন, উপস্থিত ছিলেন। 

    রামগড় বাজার পরিচালনা কমিটির নেতৃবৃন্দের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সভাপতি জসিম উদ্দিন, সাধারণ সম্পাদক ইলিয়াছ হোসেন, যুগ্ম সম্পাদক সাইফুল ইসলাম সেলিম, সিনিয়র সহসভাপতি বেলাল হোসেন, সহসভাপতি নুরুল করিম, সহসভাপতি ফয়েজ আহম্মদ  মিলন, কোষাধ্যক্ষ মোশারফ হোসেন, সহ কোষাধ্যক্ষ মোহাম্মদ ইব্রাহিম, দপ্তর সম্পাদক এমদাদ খান, প্রচার সম্পাদক জসিম উদ্দিন মিন্টু, ক্রীড়া সম্পাদক রেজাউল করিম রানা, সন্মানিত সদস্য আব্দুল মান্নান, দেলোয়ার হোসেন রাজু, আলমগীর হোসেন জীবন, প্রমূখ।