Author: desk

  • গোপালগঞ্জ-১ আসনে মনোনয়নপত্র জমা দিলেন বিএনপি মনোনীত প্রার্থী সেলিমুজ্জামান সেলিম

    গোপালগঞ্জ-১ আসনে মনোনয়নপত্র জমা দিলেন বিএনপি মনোনীত প্রার্থী সেলিমুজ্জামান সেলিম

    কে এম সাইফুর রহমান,
    নিজস্ব প্রতিনিধিঃ

    আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচ‌নের ম‌নোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন গোপালগঞ্জ-১ আসনে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী এবং বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক সেলিমুজ্জামান সেলিম।

    সোমবার (২৯ ডিসেম্বর) দুপুরে তিনি সহকারী রিটার্নিং অফিসার ও মুকসুদপুর উপজেলা নির্বাহী অ‌ফিসার মাহমুদ আশিক কবিরের হ‌াতে মনোনয়নপত্র জমা দেন।

    সেলিমুজ্জামান সেলিম গোপালগঞ্জ-১ (মুকসুদপুর উপজেলা -কাশিয়ানী উপজেলার ৭টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত) আসন থেকে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ গ্রহণ করবেন। তিনি বলেন, মুকসুদপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও সহকারী রিটার্নিং অফিসার ও মুকসুদপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছে মনোনয়ন পত্র জমা দিয়েছি। তিনি আন্তরিকতার সাথে তা গ্রহণ করেছেন। ইনশাল্লাহ আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিবো। মানুষ এখন পরিবর্তন চায়। পরিবর্তনকে সামনে রেখেই আমরা কাজ করবো।

    এদিকে সেলিমুজ্জামান সেলিমের নির্বাচনী মনোনয়নপত্র জমা দেওয়াকে কেন্দ্র করে মুকসুদপুর উপজেলা পরিষদ চত্বরে মুকসুদপুর ও কাশিয়ানী উপজেলা বিএনপি’র বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ সহ বিপুল সংখ্যক কর্মী ও সমর্থকরা সমবেত হয়েছেন।

  • গোপালগঞ্জ–২ আসনে ১০ দল সমর্থিত বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মুফতী শুয়াইব ইবরাহীম মনোনয়নপত্র দা-খিল করেছেন

    গোপালগঞ্জ–২ আসনে ১০ দল সমর্থিত বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মুফতী শুয়াইব ইবরাহীম মনোনয়নপত্র দা-খিল করেছেন

    কে এম সাইফুর রহমান, গোপালগঞ্জ প্রতিনিধিঃ

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে গোপালগঞ্জের তিনটি (গোপালগঞ্জ -১, ২ ও ৩) আসনে উৎসবমুখর পরিবেশে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রার্থীরা।

    এরই ধারাবাহিকতায় ১০ দল সমর্থিত বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী হিসেবে গোপালগঞ্জ–২ আসনে মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন মুফতী শুয়াইব ইবরাহীম।

    সোমবার (২৯ ডিসেম্বর) দুপুরে গোপালগঞ্জ জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মো. আরিফ উজ-জামানের নিকট তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে তার মনোনয়নপত্র জমা দেন।

    এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস এর জেলা সভাপতি মাওলানা ফারুক হাসান নদভী,
    পৌর জামায়াতের আমির মাওলানা এনামুল হক, মাওলানা ফখরুল আলম, মুফতি মাসুদুর রহমান, মাওলানা মোস্তাফিজুর রহমান, মাওলানা আবুল কালাম, হাফেজ জোবায়ের, মাওলানা কাওসার আহমদ মুফতি শাফায়াত হুসাইন, মুফতি আহমাদুল্লাহ মিশকাত, কাজী এজহারুল ইসলাম জামাতের প্রচার ও মিডিয়া সন্পাদক সহ প্রমুক ওলামায়ে কেরাম।

    মনোনয়ন দাখিলের সময় সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মুফতি শুয়াইব ইবরাহীম বলেন- “গোপালগঞ্জ শিক্ষা ও চিকিৎসার ক্ষেত্রে অনেক পিছিয়ে এবং অত্র এলাকায় বেকারত্বের হার অনেক বেশি। আমি নির্বাচিত হলে মৌলিকভাবে এ সমস্যাগুলোকে সমাধানের চেষ্টা করব এবং গোপালগঞ্জ–২ আসনের জনগণ ইনশাআল্লাহ সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে রায় দেবে।”

    উল্লেখ্য, গোপালগঞ্জের ঐতিহ্যবাহী ইসলামপুর মাদ্রাসার ভাইস প্রিন্সিপাল ও শিক্ষা পরিচালক মুফতী শুয়াইব ইবরাহীম গোপালগঞ্জ ওলামা পরিষদের সেক্রেটারি হিসেবে দীর্ঘদিন যাবৎ দ্বীনি ও সামাজিক অঙ্গনে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছেন। স্থানীয় ও জাতীয় পর্যায়ে একজন সাহসী, আপসহীন ও আদর্শবাদী নেতা হিসেবে তার ব্যাপক পরিচিতি রয়েছে।

  • মোরেলগঞ্জে ১৫০ প্রান্তিক কৃষকের হাতে বিনামূল্যে বীজ–সার ও কৃষি উপকরণ বি-তরণ

    মোরেলগঞ্জে ১৫০ প্রান্তিক কৃষকের হাতে বিনামূল্যে বীজ–সার ও কৃষি উপকরণ বি-তরণ

    এস. এম. সাইফুল ইসলাম কবির, বিশেষ প্রতিনিধি :
    দক্ষিণাঞ্চলের কৃষিপ্রধান জেলা বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে সরকারি কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় বিনামূল্যে বীজ–সার ও কৃষি উপকরণ বিতরণের মধ্য দিয়ে প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে নতুন আশার সঞ্চার হয়েছে। রবি শস্য উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে ২০২৫–২৬ অর্থবছরের আওতায় উপজেলার ১৬টি ইউনিয়ন ও পৌর এলাকার দেড় শতাধিক দরিদ্র ও প্রান্তিক কৃষকের হাতে উন্নতমানের উফশী ও হাইব্রিড বোরোধানের বীজসহ বিভিন্ন ফসলের বীজ ও রাসায়নিক সার বিতরণ করা হয়।
    সোমবার (২৯ ডিসেম্বর) সকালে মোরেলগঞ্জ অফিসার্স ক্লাব চত্বরে আয়োজিত এ বিতরণ অনুষ্ঠানে সকাল থেকেই বিভিন্ন গ্রামের কৃষকদের উপস্থিতিতে প্রাণচাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। হাতে চাষাবাদের ক্যালেন্ডার, চোখে নতুন মৌসুমের স্বপ্ন—দীর্ঘ অপেক্ষার পর নাম ডাকার সঙ্গে সঙ্গে কৃষকেরা একে একে বীজ–সার গ্রহণ করে ঘরে ফেরেন। পুরো আয়োজনজুড়ে ছিল উৎসবমুখর পরিবেশ।
    কৃষকদের মাঝে যে সহায়তা পৌঁছেছে
    উপজেলা কৃষি বিভাগ সূত্রে জানা যায়—
    সরিষা বীজ পেয়েছেন ৩০ জন
    গম বীজ পেয়েছেন ২ জন
    পেঁয়াজ বীজ পেয়েছেন ২ জন
    বাদাম বীজ পেয়েছেন ২ জন
    বোরোধানের বীজ পেয়েছেন ৪০ জন
    সব মিলিয়ে উপজেলার বিভিন্ন এলাকার মোট দেড় শতাধিক কৃষক এ কৃষি সহায়তার আওতায় এসেছেন।
    প্রধান অতিথির বক্তব্য
    অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে কৃষকদের হাতে বীজ–সার তুলে দেন বাগেরহাট জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত উপ-পরিচালক রমেশ চন্দ্র ঘোষ। তিনি বলেন—
    “প্রান্তিক কৃষকদের শক্তিশালী করা ছাড়া দেশের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব নয়। সরকার চায়, এক ইঞ্চি জমিও যেন অনাবাদী না থাকে। তাই কৃষকদের কাছে সময়মতো উন্নতমানের বীজ ও সার পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে এ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।”
    তার বক্তব্যে কৃষকদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ লক্ষ্য করা যায়।
    উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার তথ্যসমৃদ্ধ বক্তব্য
    অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ সাইফুল ইসলাম। তিনি বলেন—
    “মোরেলগঞ্জের কৃষকেরা প্রতি বছর উন্নতমানের ধান উৎপাদনের মাধ্যমে দেশের খাদ্যভাণ্ডার সমৃদ্ধ করে আসছেন। এই বিনামূল্যের বীজ–সার বিতরণ কর্মসূচি তাদের উৎপাদন বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।”
    তিনি আরও জানান, সরকারি এই বীজ ও সার সাধারণ বাজারের তুলনায় মানসম্মত হওয়ায় কৃষকের উৎপাদন খরচ কমে এবং ফলন উল্লেখযোগ্য হারে বাড়ে।
    উপস্থিত কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ
    অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন—
    উপজেলা প্রকৌশলী আরিফুল ইসলাম, উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. তারেক হাসান, উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা রঞ্জিত কুমার, উপজেলা পানি সম্পদ কর্মকর্তা রেজাউল করিম, কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা আশিকুর রহমান, সহকারী কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা আলী আশরাফসহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা। তাঁদের উপস্থিতি ও উৎসাহমূলক বক্তব্য অনুষ্ঠানের গুরুত্ব আরও বাড়িয়ে তোলে।
    কৃষকদের অনুভূতি—‘নতুন আশার আলো’
    বীজ–সার সংগ্রহ করে ফেরার পথে কথা হয় কয়েকজন কৃষকের সঙ্গে।
    গোলবুনিয়া গ্রামের কৃষক মফিজুল ইসলাম বলেন—
    “বর্তমান বাজারে সার–বীজের দাম অনেক বেশি। সরকারের এই সহায়তা না পেলে ঠিকমতো আবাদ শুরু করা কঠিন হতো। এখন নিশ্চিন্তে জমিতে নামতে পারব।”
    অন্যদিকে কৃষক রফিকুল মল্লিক বলেন—
    “হাইব্রিড বীজ পেয়ে আমরা খুবই খুশি। এগুলো থেকে ভালো ফলন পাওয়া যায়। আমাদের মতো প্রান্তিক কৃষকের জন্য এটি বড় সহায়তা।”
    কৃষি প্রণোদনায় উৎপাদনে ইতিবাচক পরিবর্তন
    কৃষি বিভাগ জানায়, গত কয়েক বছরে সরকারি প্রণোদনা কর্মসূচির ফলে মোরেলগঞ্জ উপজেলায় ধান উৎপাদনে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে। উন্নত জাতের বীজ ও আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি ব্যবহারের কারণে ফলন বেড়েছে ২০ থেকে ২৫ শতাংশ পর্যন্ত। এ পর্যন্ত প্রায় ৬ হাজার কৃষক বিভিন্ন সময়ে এ কর্মসূচির আওতায় উপকৃত হয়েছেন, বেড়েছে কৃষকের আয় ও জীবনমান।
    চলতি মৌসুমে এই বীজ–সার বিতরণের মধ্য দিয়ে মোরেলগঞ্জের কৃষকদের চোখে আবারও জেগেছে নতুন আশার আলো। তারা প্রত্যাশা করছেন—এবারও মাঠ ভরে উঠবে সোনালি ধানে, আর সেই ধানেই ফিরবে কৃষকের স্বপ্ন ও স্বস্তি।

  • ফুলবাড়িয়া মা-ছেলেসহ ৮ জনের ম-নোনয়ন দাখিল

    ফুলবাড়িয়া মা-ছেলেসহ ৮ জনের ম-নোনয়ন দাখিল

    ফুলবাড়িয়া (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি : ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংসদ সদস্য পদে মা-ছেলে সহ ৮ জন প্রার্থী মনোনয়ন দাখিল করেছেন। সহকারি রিটার্নিং অফিসার ও উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ে এসে সংশ্লিষ্ট প্রার্থীরা এসব মনোনয়নপত্র জমা দেন।
    সহকারী রিটানিং অফিসারের কার্যালয়ের স‚ত্রে জানাযায়: সোমবার (২৯ ডিসেম্বর) বিকাল ৫টা পর্যন্ত সর্বশেষ তথ্যমতে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-(বিএনপি’র) দলীয় প্রার্থী হিসাবে আখতারুল আলম ফারুক, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মনোনিত প্রার্থী অধ্যক্ষ কামরুল হাসান মিলন, খেলাফত মজলিস মোঃ রফিকুল ইসলাম, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মোঃ ন‚রে আলম সিদ্দিকী, স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসাবে মা অধ্যক্ষ আখতার সুলতানা, ছেলে তানভীর আহমেদ রানা, অধ্যাপক মোঃ জসিম উদ্দিন, মোহাম্মদ আব্দুল করিম। পর্যায়ক্রমে দলীয় নেতা কর্মীদের সাথে নিয়ে ৮জন মনোনয়ন ফরম দাখিল করেন।

  • সুনামগঞ্জ পৌর শহরে সাংবাদিকের বাসায় থেকে দিন দুপুরে মোবাইল চু-রি

    সুনামগঞ্জ পৌর শহরে সাংবাদিকের বাসায় থেকে দিন দুপুরে মোবাইল চু-রি

    কে এম শহিদুল্লাহ,
    সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি:
    সুনামগঞ্জ পৌর শহরে সাংবাদিকের বাসা থেকে দুটি মোবাইল চুরি হয়েছে। ঘটনাটি ঘটে সোমবার সকাল আনুমানিক ১০ টা হতে ১ ঘটিকা সময়ে, যে কোন এক ফাঁকে হাছন নগর ময়নার পয়েন্ট নিসর্গ ২০ আবাসিক এলাকায় অবস্থিত জাতীয় দৈনিক সকালের সময় এবং দি গুড মর্নিং পত্রিকার জেলা প্রতিনিধি সুনামগঞ্জ সাংবাদিক কল্যাণ সমিতির সাধারণ সম্পাদক কেএম শহীদুল ইসলামের নিজ বাসা হইতে। জানা যায় সাংবাদিক শহীদুল তার বসত ঘরে কম্পিউটার টেবিলের উপর ২টি মোবাইল চার্জে লাগিয়ে ঘুমে ছিল। এসময় তার স্ত্রী বাসার চাদের উপর রান্নার কাজে ব্যস্থ ছিল এবং শহীদুলের ছোট বাচ্চারা পার্শবর্তী শহীদুলের ভাইয়ের বাসায় ছিল। এই সুযোগে চুরেরা ঘরে প্রবেশ করে কম্পিউটারের টেবিলের উপর থেকে চার্জে লাগানো অবস্থায় দুটি এন্ মোবাইল চুরি করে নিয়ে যায়। যার মধ্যে একটি হল কিস্থিতে নেওয়া মোবাইল যার মডেল হলCAMON 40 Pro অপারেটিং সিস্টেম এন্ড্রুয়েড, আই এম আই নম্বর 352160160568925,352160168499421,
    টেকনো,অন্যটি হল vivo y21এন্ড্রুয়েড মোবাইল। দুটি মোবাইলে সাংবাদিক শহীদুলের গুরুত্বপূর্ণ ভিডিও ডকুমেন্ট এবং ৩টি জিমেইল আইডিসহ ২টি ফেইসবুক আইডি,লগিং করা ছিল। ধারনা করা হচ্ছে সাড়ে ১১টা থেকে ১২ টার ভিতরে এলাকার চিন্হিত চুরেরা এঘটনা ঘটায়। এছাড়াও পার্শবর্তী বাসার সিসি ক্যামেরা সন্দেহ বাজন দুইজনকে দেখা গেছে এতে ধারনা করা হচ্ছে ছেনাজানা লোকেরা এই চুরি করেছে।এব্যপারে সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানায় জিডি করা হয়েছে। পুলিশের অনুসন্ধানে মোবািল দুটি উদ্ধার হবে এমনটি আশাবাদ ব্যক্তকরেন ভূক্তভোগী সাংবাদিক শহীদুল।এব্যাপারে সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ রতন শেখ জানান ডিজিটাল সিস্টেমের মাধ্যমে চুরদের খুজে বের করার জন্য আইনি ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।###

  • রংপুর-২ আসনে জামায়াত প্রার্থী এটিএম আজহারুল ইসলামের মনো-নয়নপত্র দাখিল

    রংপুর-২ আসনে জামায়াত প্রার্থী এটিএম আজহারুল ইসলামের মনো-নয়নপত্র দাখিল

    খলিলুর রহমান খলিল, নিজস্ব প্রতিনিধি:

    আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রংপুর-২ (তারাগঞ্জ–বদরগঞ্জ) সংসদীয় আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত প্রার্থী এটিএম আজহারুল ইসলাম মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন।

    সোমবার (২৯ ডিসেম্বর) তিনি তারাগঞ্জ উপজেলা পরিষদ কার্যালয়ে সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ মোনাববর হোসেনের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে মনোনয়নপত্র জমা দেন।
    মনোনয়নপত্র দাখিলকালে তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন বদরগঞ্জ উপজেলার নায়েবে আমির মোঃ রুস্তম আলী,তারাগঞ্জ উপজেলার আমির এসএম আলমগীর হোসেন,সেক্রেটারি, ইয়াকুব আলী, ব্যবসায়ী সংগঠন(আইবিডব্লিউএফ) এর সভাপতি মোঃ মোশাররফ হোসেন লেবুসহ দলটির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।

    এ সময় নেতৃবৃন্দ বলেন, জনগণের ন্যায্য অধিকার, সুশাসন ও ইনসাফভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠায় জামায়াতে ইসলামী প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তারা আশা প্রকাশ করেন,রংপুর-২ আসনের ভোটাররা এটিএম আজহারুল ইসলামের পক্ষে রায় দেবেন।

    মনোনয়নপত্র দাখিলকে ঘিরে স্থানীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা গেছে।

  • মুন্সীগঞ্জ ২ (লৌহজং -টঙ্গীবাড়ী) আসনে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন  আলহাজ্ব কে এম বিল্লাল হোসেন

    মুন্সীগঞ্জ ২ (লৌহজং -টঙ্গীবাড়ী) আসনে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন আলহাজ্ব কে এম বিল্লাল হোসেন

    লিটন মাহমুদ, মুন্সীগঞ্জ

    আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মুন্সীগঞ্জ ২ লৌহজং -টঙ্গীবাড়ী) আসনে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মনোনীত প্রার্থী ও ইসলামী শ্রমিক আন্দোলন বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় কমিটির সেক্রেটারী জেনারেল আলহাজ্ব কে এম বিল্লাল হোসাইন ।

    সোমবার (২৯ডিসেম্বর ) দুপুর ১ টায় টঙ্গীবাড়ী উপজেলা কার্যালয়ে প্রস্তাবক এবং সমর্থকদের সাথে নিয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুরাইয়া মমতাজের
    কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে তিনি মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।

    মনোনয়নপত্র জমা শেষে হাতপাখা মার্কার প্রার্থী
    আলহাজ্ব কে এম বিল্লাল হোসাইন সাংবাদিকদের জানিয়েছেন-এ দেশের মানুষের দীর্ঘদিনের আশা-আকাঙ্খা হচ্ছে নিরপেক্ষ নির্বাচন। তাই নির্বাচনে সংশ্লিষ্টগণকে নিরপেক্ষ থাকতে হবে। এজন্য সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন উপহার দেয়ার জন্য তিনি সরকারের প্রতি আহবান করেছেন ।

    উক্ত সময় উপস্থিত ছিলেন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মুন্সীগঞ্জ জেলা শাখা সেক্রেটারি
    গাজী রফিকুল ইসলাম বাদল ,ইসলামী যুব আন্দোলন বাংলাদেশ মুন্সীগঞ্জ জেলা শাখা প্রিন্সিপাল শেখ হাবীবুর রহমান বিক্রমপুরী
    , ইসলামি আন্দোলন বাংলাদেশ টংগিবাড়ি উপজেলা শাখা সভাপতি মোঃ ওবায়দুল্লাহ সরদার ,ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ লৌহজং উপজেলা শাখা সভাপতি মাওলানা আবুল কালাম খান,ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ লৌহজং উপজেলা শাখার সেক্রেটারি মোঃ আল আমিন বেপারি ,দিনকায়েম সংগঠন মাওলানা ইয়াসিন ফকির, মোঃ দেলোয়ার শিকদার সহ মুন্সীগঞ্জ ২ (লৌহজং -টঙ্গীবাড়ী) আসনের নেতাকর্মী উক্ত সময় উপস্থিত ছিলেন ।

  • বাগেরহাট-৪ আসনে বিএনপির প্রার্থী সোমনাথ দে’র মনোনয়নপত্র দা-খিল

    বাগেরহাট-৪ আসনে বিএনপির প্রার্থী সোমনাথ দে’র মনোনয়নপত্র দা-খিল

    এস.এম.সাইফুল ইসলাম কবির, বিশেষ প্রতিনিধি:
    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাগেরহাট-৪ (মোরেলগঞ্জ–শরণখোলা) সংসদীয় আসনে নির্বাচনী তৎপরতা জোরালো হয়ে উঠছে। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর মনোনীত প্রার্থী বাবু সোমনাথ দে মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন। এ সময় উপজেলা নির্বাহী অফিস চত্বরে বিএনপি নেতাকর্মীদের ব্যাপক উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়।
    সোমবার (২৮ ডিসেম্বর) বিকাল সাড়ে ৪ টার দিকে মোরেলগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও রিটার্নিং অফিসার হাবিবুল্লাহর কাছে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে মনোনয়নপত্র জমা দেন।
    মনোনয়ন দাখিলের সময় বাবু সোমনাথ দে’র সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক খাদেম নিয়ামুল নাসির আলাপ, উপজেলা বিএনপির সভাপতি শহিদুল হক বাবুল, পৌর বিএনপির সাবেক সভাপতি আব্দুল মজিদ জব্বার, বিএনপি নেতা মো:আফজাল জমাদ্দার,উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান ইয়াদ, পৌর বিএনপির সভাপতি ফরিদুল হক সিকদার, পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান মিলন, বিএনপি নেতা গিয়াস উদ্দিন তালুকদার, সাবেক ছাত্রনেতা মাসুম হোসেন কচি এবং শরণখোলা উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি খান মতিউর রহমান।
    এ ছাড়া বাগেরহাট-৪ আসনের অন্তর্ভুক্ত মোরেলগঞ্জ ও শরণখোলা উপজেলার বিএনপির সিনিয়র নেতৃবৃন্দ, বিভিন্ন ইউনিটের সভাপতি–সম্পাদকসহ বিপুলসংখ্যক দলীয় নেতাকর্মী এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
    মনোনয়নপত্র দাখিল শেষে বিএনপির স্থানীয় নেতারা বলেন, সোমনাথ দে দীর্ঘদিন ধরে এলাকার রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে নিবিড়ভাবে কাজ করে আসছেন। তাঁদের ভাষ্য, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে দলটি এ আসনে সংগঠিত ও শান্তিপূর্ণভাবে নির্বাচন পরিচালনার প্রস্তুতি নিচ্ছে।
    নেতারা আরও বলেন, মোরেলগঞ্জ–শরণখোলা এলাকায় কৃষক, জেলে, শ্রমজীবী ও সাধারণ মানুষের নানা সমস্যার সমাধানে বিএনপি অতীতেও ভূমিকা রেখেছে। নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণের প্রত্যাশা প্রতিফলিত হবে বলে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
    মনোনয়ন দাখিলকে কেন্দ্র করে উপজেলা নির্বাহী অফিস চত্বরে বিএনপি নেতাকর্মীদের মধ্যে উৎসাহ, স্লোগান ও প্রাণচাঞ্চল্য দেখা যায়। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়।
    স্থানীয় রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, বাগেরহাট-৪ আসনে মনোনয়ন দাখিলের মধ্য দিয়ে নির্বাচনী মাঠে প্রতিদ্বন্দ্বিতা আরও দৃশ্যমান হলো। আগামী দিনগুলোতে প্রচার–প্রচারণা জোরদার হলে এ আসনে নির্বাচনী উত্তাপ আরও বাড়বে বলে মনে করছেন তাঁরা।

  • গোদাগাড়ী বিএনপি ও জামাতয়ের প্রার্থীর মনোনায়ন দাখিল

    গোদাগাড়ী বিএনপি ও জামাতয়ের প্রার্থীর মনোনায়ন দাখিল

    হায়দার আলী,
    নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহীঃ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন- রাজশাহী ১ (গোদাগাড়ী-–তানোর) আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতার জন্য রাজশাহী–১ নির্বাচনী (গোদাগাড়ী–তানোর) গোদাগাড়ী উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও সহকারী রিটার্নিং অফিসার মোঃ নাজমুস সাদাত রত্নের নিকট জামায়াতের মনোনীত প্রার্থী অধ্যাপক মুজিবুর রহমান মনোনয়নপত্র জমা দিচ্ছেন। সোমবার বিকালে জামায়াতের কেন্দ্রীয় নায়েবী আমির এ মনোনায়ন পত্র জমা দেন।

    মনোনয়নপত্র দাখিলের সময় উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমীর মাটিকাটা আদর্শ ডিগ্রী কলেজের অধ্যাপক আব্দুল খালেক, জেলা সেক্রেটারী মোঃ গোলাম মুর্তজা, সহকারী সেক্রেটারী অধ্যাপক কামরুজ্জামান, জেলা কর্মপরিষদ সদস্য মোঃ তাইফুর রহমান ও মাওলানা মোঃ সিরাজুল ইসলাম। এছাড়াও গোদাগাড়ী উপজেলা আমীর মাস্টার নুমায়ন আলী, তানোর উপজেলা আমীর মাওলানা মোঃ আলমগীর হোসেন, গোদাগাড়ী পৌরসভার ভারপ্রাপ্ত আমীর মোঃ শওকত আলীসহ দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। এ সময় নেতৃবৃন্দ শান্তিপূর্ণ ও সুশৃঙ্খল পরিবেশে মনোনয়নপত্র দাখিল কার্যক্রম সম্পন্ন হওয়ায় মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের দরবারে শুকরীয়া জ্ঞাপন করেন ও উপস্থিত নেতৃবৃন্দ, সাংবাদিকসহ সকলের প্রতি ধন্যবাদ জানান।

    এদিকে গত রবিবার সকালে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) মনোনীত প্রার্থী বিএনপি চেয়াপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার উপদেষ্টামন্ডলীর সদস্য, সাবেক মেজর জেনারেল শরীফ উদ্দীন মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। রোববার দুপুর ১১ টার দিকে রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা মোঃ নাজমুস সাদাত রত্নের নিকট এই মনোনয়ন ফরম জমা দেন।

    মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার পর তিনি
    সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে বলেন, “নির্বাচনী মাঠে আগের অস্থিতিশীলতা কেটে গেছে। বর্তমানে একটি উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে। দেশ নির্বাচনমুখী হচ্ছে এবং আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি একটি সুষ্ঠু ও সুন্দর নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে বলে তিনি আশাবাদী।

    তিনি আরো বলেন, যদি তিনি নির্বাচিত হন তাহলে গোদাগাড়ী -তানোর আসনের জন্য তাঁর দেয়া নির্বাচনী মেনুফেষ্টু অনুযায়ী উন্নয়ন করবেন। তিনি বলেন, গোদাগাড়ী তানোর কৃষি নির্ভর এলাকা। কৃষককে বাঁচাতে

    এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সদস্য সদর উদ্দীন ও মিজানুর রহমান মিজান, গোদাগাড়ী উপজেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুস সালাম শাওয়াল, তানোর উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আখেরুজ্জামান হান্নান, মুন্ডুমালা পৌর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ফিরোজ রেজা, গোদাগাড়ী পৌরসভা সাবেক মেয়র বিএনপি নেতা আনারুল ইসলাম, বিএনপির নেতা সাবেক প্যানেল মেয়র মাহাবুবুর রহমান বিপ্লব, গোদাগাড়ী উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক আব্দুল মালেক, কাকনহাট পৌর বিএনপির সভাপতি জিয়াউল সরকার প্রমূখ।

    সংশোধিত তফসিল অনুযায়ী, সংসদ নির্বাচনে প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ সময় ২৯ ডিসেম্বর। ৩০ ডিসেম্বর থেকে ৪ জানুয়ারি পর্যন্ত মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই চলবে। ৫ জানুয়ারি থেকে ৯ জানুয়ারি পর্যন্ত আপিল দায়ের এবং ১০ থেকে ১৮ জানুয়ারি পর্যন্ত আপিল নিষ্পত্তি করা হবে।প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ২০ জানুয়ারি। ২১ জানুয়ারি চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ ও প্রতীক বরাদ্দ করা হবে। আগামী ২২ জানুয়ারি থেকে শুরু হবে নির্বাচনী প্রচারণা।

    নিজস্ব প্রতিবেদক,
    রাজশাহী।

  • পাইকগাছায় মধু বি-ক্রি করে সংসারের খরচ যোগান বারিক

    পাইকগাছায় মধু বি-ক্রি করে সংসারের খরচ যোগান বারিক

    ইমদাদুল হক,পাইকগাছা (খুলনা) ।।

    প্রাকৃতিক মৌমাছির চাক থেকে মধু আহরণ করেন আব্দুল বারিক। মধু বিক্রি করে সংসার চালাচ্ছেন। তবে প্রতিদিনই মধু সংগ্রহ হয় না। বৈশাখ থেকে জ্যৈষ্ঠ মাসে বেশি মধু সংগ্রহ করা যায়।গ্রামে বিভিন্ন গাছে মৌমাছি চাক তৈরি করে বিভিন্ন ফুলের মধু সংগ্রহ করে জমা করে। সে চাক কেটে প্রাকৃতিক মধু সংগ্রহ করা হয়।

    সবাই খাটি ভালো মধু চায়। ভেজাল মুক্ত মধু পেতে ক্রেতার বিড়ম্বানার শেষ নেয়। তাই ভেজাল মুক্ত খাটি মধু পেতে সবাই বারিকের উপর আস্থা।বারিক চাক কেটে বাগানে বসে ক্রেতাকে মধু দিচ্ছে। কেহ চাইলে চাক সহ মধু নিতে পারে। তাই খাটি মধু পেতে বারিকের উপর ভরসা।

    খুলনা জেলার পাইকগাছার মটবাটি গ্রামে আব্দুল বারিকের বাড়ি। এলাকায় সে মধু বারিক নামে পরিচিত। তিনি এলাকার বিভিন্ন গাছ বা বাসা বাড়িতে মৌমাছির চাক কেটে মধু সংগ্রহ করেন। সেই মধু বিক্রি করে যে অর্থ আয় করেন তাই দিয়েই চলে তার সংসার। মধু আহরণের পাশাপাশি সংসার চালাতে বিভিন্ন কাজ করেন। বারিক বলেন, আমি প্রায় ২০ -২৫ বছর যাবৎ মৌমাছির চাক থেকে মধু সংগ্রহ করি। মৌচাক কেটে মালিকদের অর্ধেক আমি অর্ধেক নিয়ে থাকি। মৌমাছি চাকের প্রতি কেজি মধু ৭০০ থেকে ৮০০ টাকা দরে বিক্রি করি।

    কোথাও মৌচাকের সন্ধান পেলেই মৌয়াল বারিককে ডাকা হয়। অত্যন্ত যত্নসহকারে মৌচাক থেকে মধু সংগ্রহ করেন। বারিক মৌচাক থেকে কীভাবে মধু সংগ্রহ করেতে হয় তার কৌশল আয়ত্ত করেছেন । মৌচাক থেকে মধু সংগ্রহের পেশাদার মৌয়াল হয়ে ওঠেছেন তিনি। কয়েক বছর সুন্দরবনের মধু আহরণে মৌয়ালদের সাথে মধু আহরণ করেছেন। সুন্দরবনের পার্শবর্তি উপকূল এলাকায় বড় বা দাশ মৌমাছির চাক বেশী পাওয়া যায়।

    চাক থেকে মধু সংগ্রহের আগে কয়েকটি ধাপ রয়েছে। শুরুতে মৌয়াল বা মধু সংগ্রহকারীরা বেশ কিছু খড় জড়ো করে শুকনা কাচা পাতা পেচিয়ে মশালের মতন তৈরি করা হয়। একে কোনো কোনো এলাকায় বোলেন বা বুন্দা বলা হয়। এ মশাল জ্বালিয়ে ধোয়া তৈরি করে মূলত মৌমাছি তাড়ানো হয়। আগুনে সৃষ্ট ধোঁয়া একেবারে কাছাকাছিতে নিয়ে গেলে মৌমাছিগুলো চাক ছেড়ে আশপাশে উড়তে থাকে। এ সময় চাকের কিছু অংশ রেখে মৌয়াল দা বা কাঁচি দিয়ে চাক কেটে বালতিতে রাখেন। এরপর সে চাক থেকে মধু হাত দিয়ে চিপে আলাদা করা হয়। চাক কাটা হয়ে গেলে কিছুক্ষণ পর মৌমাছি আবার চাক বানাতে তৈরি শুরু করে। চাক মধুতে পূর্ণ হয়েছে কি না, সেটা বোঝার বিষয়ে বারিক তার ভাষ্য বলেন, বেশিরভাগ মৌচাকে মধু থাকে উপরের অংশে। যখন মৌচাকটির উপরের দিক বেশ ভারী এবং নিচের দিক সরু হয়ে যায় তখনই সেটি মধুতে পূর্ণ হয়ে যায়। নিয়মিত যারা মধু সংগ্রহ করেন, তারা সেটি বোঝেন।

    মৌয়াল বারিক আরও জানান, উপজেলার বিভিন্ন এলাকার গ্রামে-গ্রামে ঘুরে মধু সংগ্রহ করতে হয়। জলবায়ুর পরিবর্তনজনিত কারণ ও তাপমাত্রা বেশী হওয়ায় চাকের সংখ্যাও কম হয়েছ। তাছাড়া এ বছর এই অঞ্চলে সে রকম বৃষ্টি হয়নি। বৃষ্টি না হওয়ায় ফুল শুকিয়ে ঝরে যায়, তাই মধু জমে কম। বর্তমানে পর্যাপ্ত মৌচাক না পাওয়ার কারণে সংসার চালাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। ফাল্গুন মাস থেকে আষাড় মাস পর্যন্ত চাকে মধু বেশী পাওয়া যায়। এসময় প্রায় সকল গাছে ফুল ফোটে। আর বাকী মাস গুলোতে চাকে তেমন মধু পাওয়া যায় না।

    প্রেরক,

    ইমদাদুল হক

    পাইকগাছা,খুলনা