Author: desk

  • র‌্যাব-১২ সদর কোম্পানি সিরাজগঞ্জ ও র‌্যাব-৬ এর যৌথ অভিযানে  গণধর্ষণ মামলার পলাতক আসামি গ্রেফতার

    র‌্যাব-১২ সদর কোম্পানি সিরাজগঞ্জ ও র‌্যাব-৬ এর যৌথ অভিযানে গণধর্ষণ মামলার পলাতক আসামি গ্রেফতার

    প্রেস বিজ্ঞপ্তি

    র‌্যাব-১২ সদর কোম্পানি সিরাজগঞ্জ ও র‌্যাব-৬, সিপিসি-২, ঝিনাইদহ এর যৌথ অভিযানে সিরাজগঞ্জ জেলার সদর থানার আলোচিত গণধর্ষণ মামলার এজাহারনামীয় পলাতক আসামি গ্রেফতার।

    র‌্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব) প্রতিষ্ঠাকালীন সময় থেকেই দেশের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সমুন্নত রাখার লক্ষ্যে সব ধরণের অপরাধীকে আইনের আওতায় নিয়ে আসার ক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে। জঙ্গী, সন্ত্রাসী, সংঘবদ্ধ অপরাধী, ছিনতাইকারী, জুয়ারি, মাদক ব্যবসায়ী, খুন এবং অপহরণসহ বিভিন্ন চাঞ্চল্যকর মামলার আসামি গ্রেফতারে র‌্যাব নিয়মিত অভিযান চালিয়ে আসছে।

    ১। গত ০১ অক্টোবর ২০২৪ খ্রিঃ তারিখ সন্ধ্যা অনুমান ০৬.০০ ঘটিকায় ভিকটিম মোছাঃ ফাতেমা খাতুন তার ফার্মের মালিকের শ^শুর বাড়ীতে ডিম পৌঁছে দেয়ার জন্য অটোযোগে সিরাজগঞ্জ নিউ মার্কেটের নিকট আসলে ভিকটিম অপরিচিত এক লোকের ভ্যান রিজার্ভ করে রওনা করে। একই তারিখ সন্ধ্যা অনুমান ০৭.০০ ঘটিকায় ভিকটিম সিরাজগঞ্জ থানাধীন বহুলী ইউনিয়নের ডুমুরইছা হাটখোলা বাজার পাওয়ার আগেই দুর্বৃত্তরা ভ্যানটি ধামিয়ে জোরপূর্বক ভ্যানের উপর উঠে। দুর্বৃত্তরা কিছু দূরে গিয়ে ভ্যানটি থামিয়ে ভিকটিমকে জোরপূর্বক ইউক্যালিপটাস গাছের বাগানের ভিতরে নিয়ে যায় এবং একত্রিত হয়ে ভিকটিমকে জোরপূর্বক গণধর্ষণ করে। দুর্বৃত্তরা ভিকটিমের কাছে থাকা ০১ টি টাচ মোবাইল ফোন এবং তার স্বর্ণের কানের দুল খুলে নিয়ে ভিকটিমকে অপরিচিত সিএনজিতে উঠিয়ে দিলে সিএনজি চালক তাকে সিরাজগঞ্জ বাজার স্টেশনে এনে নামিয়ে দেয়। তখন ভিকটিম সেখান থেকে একটি রিক্সা যোগে তার মালিকের মুরগীর ফার্মে যায় এবং মালিককে ঘটনার কথা বিস্তারিত জানায়। গণধর্ষণের ফলে ভিকটিম গুরুতর আহত হলে গত ০২ অক্টোবর ২০২৪ খ্রিঃ তারিখ ফার্মের মালিক তাকে সিরাজগঞ্জ হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করে। উক্ত ঘটনায় ভিকটিম সুস্থ হলে নিজেই বাদী হয়ে সিরাজগঞ্জ জেলার সদর থানায় একটি গণধর্ষণ মামলা দায়ের করেন। যার মামলা নং-০৫, তারিখ- ০৫ অক্টোবর ২০২৪ খ্রিঃ, ধারা-নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ (সং/০৩) এর ৯(৩) তৎসহ ৩৭৯ দন্ডবিধি ১৮৬০।

    ২। এরই ধারাবাহিকতায় মোহাম্মদ কামরুজ্জামান পিপিএম, অধিনায়ক র‌্যাব-১২, সিরাজগঞ্জ এর দিকনির্দেশনায় অদ্য ২৯ অক্টোবর ২০২৪ খ্রিঃ রাত ০০.১৫ ঘটিকার সময় র‌্যাব সদর দপ্তরের গোয়েন্দা শাখার সহযোগিতায় র‌্যাব-১২, সদর কোম্পানি ও র‌্যাব-৬, সিপিসি-২, ঝিনাইদহ এর একটি যৌথ আভিযানিক দল ‘‘মাগুড়া জেলার সদর থানাধীন কচুন্দী এলাকায়’’ একটি যৌথ অভিযান পরিচালনা করে আলোচিত গণধর্ষণ মামলার এজাহারনামীয় পলাতক আসামি আব্দুল মমিনকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। এছাড়াও তার সাথে থাকা ০১ টি মোবাইল জব্দ করা হয়।

    ৩। গ্রেফতারকৃত আসামি ১। মোঃ আব্দুল মমিন (৩৬), পিতা- মৃত হানিফ শেখ, সাং- ডুমুর ইছা, থানা- সিরাজগঞ্জ সদর, জেলা- সিরাজগঞ্জ।

    ৪। গ্রেফতারকৃত আসামিকে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সিরাজগঞ্জ জেলার সদর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

  • গোদাগাড়ীতে ৬০০ গ্রাম মাদকসহ মাদক সম্রাট আরিফুল গ্রেফতার

    গোদাগাড়ীতে ৬০০ গ্রাম মাদকসহ মাদক সম্রাট আরিফুল গ্রেফতার

    নিজস্ব প্রতিবেদক রাজশাহী : রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে ৬০০ গ্রাম হেরোইনসহ মাদককারবারী আরিফুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব-৫। সোমবার (২৮ অক্টোবর) ভোর ৪ টার দিকে উপজেলার সাগুয়ান ঘুন্টিঘর এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সে ওই এলাকার আজিজুল হকের ছেলে।

    র‌্যাব মঙ্গলবার সকালে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানান, সোমবার ভোর ৪ টার দিকে র‌্যাব-৫, সিপিএসসি এর একটি আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারে যে, জেলার গোদাগাড়ী উপজেলার সাগুয়ান ঘুন্টিঘর নামক জায়গায় এক মাদক ব্যবসায়ী নিজ বসতবাড়িতে অবৈধ মাদকদ্রব্য মজুদ রেখে বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে অবস্থান করছে।

    পরবর্তীতে র‌্যাবের গোয়েন্দা দল আসামীর গতিবিধি পর্যবেক্ষন করে এবং গভীর রাতে একটি চৌকস আভিযানিক দল মাদক ব্যবসায়ীর বসতবাড়ীতে অভিযান পরিচালনা করে মাদককারবীর আরিফুলকে তাকে হাতে-নাতে আটক করে। পরবর্তীতে তার স্বীকারোক্তি অনুযায়ী বসতবাড়ীর ভিতরে থাকা মাটির চুলার মধ্যে অভিনব কায়দায় লুকায়িত অবস্থায়ত ৬০০ গ্রাম হিরোইন উদ্ধার করে।

    র‌্যাব আরো জানায়, গ্রেপ্তারকৃত আরিফুল এলাকার চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী। সে নিজ পেশার আড়ালে দীর্ঘদিন যাবত হেরোইন ও ফেনসিডিলসহ বিভিন্ন মাদকদ্রব্য সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে সংগ্রহ করে রাজশাহীরসহ বিভিন্ন এলাকায় সরবরাহ করে আসছিল। তার বিরুদ্ধে গোদাগাড়ী গোদাগাড়ী থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। হস্তান্তর করা হয়েছে।

    মোঃ হায়দার আলী
    নিজস্ব প্রতিবেদক,
    রাজশাহী।

  • বানারীপাড়ায় গাঁজাসহ দুই নারী ব্যবসায়ী গ্রে*প্তার

    বানারীপাড়ায় গাঁজাসহ দুই নারী ব্যবসায়ী গ্রে*প্তার

    এস মিজানুল ইসলাম,বানারীপাড়া প্রতিনিধি।। বানারীপাড়ায় এক কেজি একশত গ্রাম গাঁজাসহ জেসমিন বেগম (৪০) ও সুমা বেগম(৩৬) নামের দুই মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

    মঙ্গলবার ২৯ অক্টোবর ভোর সাড়ে ৬টার সময় বানারীপাড়া বাসস্ট্যান্ড থেকে থানার এসআই আল-মামুনের নেতৃত্বে অভিযান চালিয়ে তাদেরকে গ্রেফতার করা হয়। এ সময় তাদের কাছ থেকে এক কেজি একশত গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়। গ্রেফতারকৃতদের বাড়ি বরিশালের কাউনিয়া থানার সাধুর বটতলা এলাকায়।

    এ বিষয়ে থানার উপ-পরিদর্শক আল-মামুন বাদী হয়ে তাদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করেছেন। ওই দিন দুপুরে তাদের বরিশাল জেলহাজতে পাঠানো হয়।#

    এস মিজানুল ইসলাম
    বানারীপাড়া, বরিশাল ।।

  • নড়াইলে বাসের ধাক্কায় সাইকেল চালক নিহ*ত

    নড়াইলে বাসের ধাক্কায় সাইকেল চালক নিহ*ত

    উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি:

    ঢাকা-কালনা-নড়াইল-বেনাপোল মহাসড়কের লোহাগড়া উপজেলার বসুপটি এলাকায় নড়াইল এক্সপ্রেস পরিবহন বাসের ধাক্কায় বাইসাইকেল চালক হারেজ মোল্যা (৭২) নামে এক বৃদ্ধ নিহত হয়েছেন। উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি জানান, মঙ্গলবার (২৯অক্টোবর) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে উপজেলার বসুপটি এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত হারেজ মোল্যার বাড়ি কাশিপুর ইউনিয়নের গিলাতলা গ্রামে।

    এলাকাবাসী সুত্রে জানা গেছে, বৃদ্ধ হারেজ মোল্যা বাই সাইকেল চালিয়ে বাড়ি থেকে এড়েন্দার হাটে যাচ্ছিলেন। পথিমধ্যে নড়াইল থেকে ঢাকাগামী নড়াইল এক্সপ্রেস পরিবহন ওই সাইকেল চালক হারেজ মোল্যা কে ধাক্কা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। তার ব্যবহৃত বাই সাইকেলটিও দুমড়ে মুচড়ে যায়। দুর্ঘটনার পর স্থানীয় লোকজন রাস্তায় ব্যরিকেড সৃষ্টি করে। যার কারণে ঢাকা-কালনা-নড়াইল-বেনাপোল মহাসড়কে প্রায় ঘণ্টাব্যাপী যানবাহন চলাবল বন্ধ হয়ে যায়। ফলে দু’পাশের দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়।

    লোহাগড়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আশিকুর রহমান জানান, দুর্ঘটনার খবর পাওয়ার পরই পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়েছে। পুলিশের চেষ্টায় রাস্তায় যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক হয়েছে। হারেজ মোল্যা নামে এক বাইসাইকেল চালক নিহত হয়েছে।

  • ঝিনাইদহ-৪ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য শহিদুজ্জামান বেল্টুর ইন্তেকাল

    ঝিনাইদহ-৪ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য শহিদুজ্জামান বেল্টুর ইন্তেকাল

    ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ
    বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও ঝিনাইদহ-৪ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য এম. শহীদুজ্জামান বেল্টু ইন্তেকাল করেছেন। (ইন্না—– রাজেউন)। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭৮ বছর। সোমবার (২৮ অক্টোবর) রাত পোনে ১২ টার দিকে নিজ বাসায় অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি। দ্রæত তাকে ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষনা করেন। শহিদুজ্জামান বেল্টুর মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঝিনাইদহ জেলা বিএনপি’র সহ-সভাপতি মুন্সি কামাল আজাদ পান্নু। পারিবারিক সুত্রে জানা গেছে, শহীদুজ্জামান বেল্টু ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলার ধোপাদী গ্রামে জন্ম গ্রহণ করেন। ছাত্র জীবনে তিনি ছাত্র ইউনিয়নের রাজনীতির মাধ্যমে রাজনীতি শুরু করেন। পরে বেল্টু এরশাদ সরকারের সময়ে জাতীয় পার্টিতে যোগদান করেন। এরশাদের পতনের পর তিনি বিএনপি যোগদান করেন এবং ১৯৯১ সালের নির্বাচনের অংশ নিয়ে প্রথম সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। এরপর তিনি ২০০১ সাল পর্যন্ত পর পর চারটি নির্বাচনে অংশ নিয়ে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। বেল্টু সংসদ সদস্য থাকাকালে ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলা বিএনপি’র সভাপতি, জেলা বিএনপি’র সহ-সভাপতির ও মৃত্যুর আগ পর্যন্ত দলটির কেন্দ্রিয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ছিলেন। তিনি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে এলাকার স্কুল, কলেজ, ব্রীজ ও গুরুত্বপর্ন রাস্তা-ঘাটসহ বিভিন্ন অবকাঠামো উন্নয়ন করেন। ঝিনাইদহ জেলা বিএনপির সভঅপতি এ্যাড এম এ মজিদ জানান, শহীদুজ্জামান বেল্টুর প্রথম জানাযা মঙ্গলবার বেলা ১১টায় ঝিনাইদহ শহরের উজির আলী স্কুল মাঠে, একই দিন জোহর বাদ কালীগঞ্জ সরকারী ভুষন স্কুল মাঠ ও এশাবাদ তার গ্রামের বাড়ি কালীগঞ্জ উপজেলার হাসানহাটি গ্রামে জানাজা শেষে পারিবারিক গোরস্থানে দাফন করা হবে। বিএনপি নেতা শহীদুজ্জামান বেল্টুর মৃত্যুতে তার নিজ নির্বাচনী এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে। মৃত্যুর খবর পেয়ে নেতাকর্মীরা দলে দলে ঝিনাইদহ শহরের কলাবাগান পাড়াস্থ বেল্টুর বাসভবনে জড়ো হয়। এদিকে বিএনপি নেতা বেল্টুর মৃত্যুতে বাংলাদেশের এটর্নি জেনারেল এ্যড আসাদুজ্জামান, বিএনপির খুলনা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা জয়ন্ত কুমার কুন্ডু, সাইফুল ইসলাম ফিরোজ, ঝিনাইদহ জেলা বিএনপির সভাপতি এম এ মজিদ ও সাধারণ সম্পাদক জাহিদুজ্জামান গভীর শোক প্রকাশ করেছেন।

    আতিকুর রহমান
    ঝিনাইদহ।।

  • নড়াইলে ইয়াবা ও ফেনসিডিলসহ দুইজন গ্রেপ্তার

    নড়াইলে ইয়াবা ও ফেনসিডিলসহ দুইজন গ্রেপ্তার

    উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি:
    নড়াইলে পৃথক অভিযানে ইয়াবা ও ফেনসিডিলসহ দুইজন গ্রেপ্তার। মাদক ব্যবসায়ের সাথে জড়িত রুবেল মীর (৩১) নামের একজন ইয়াবা কারবারিকে গ্রেফতার করে নড়াইল জেলার নড়াগাতি থানা পুলিশ। গ্রেফতারকৃত রুবেল মীর (৩১) নড়াগাতি থানাধীন কলাবাড়িয়া আশরাফ মীরের ছেলে।উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি জানান, সোমবার (২৮ অক্টোবর) নড়াগাতি থানাধীন বাঐসোনা ইউনিয়নের ডুমুরিয়া গ্রামর আলতাফ হোসেনের বাড়ীর সামনে পাঁকা রাস্তা থেকে তাকে আটক করা হয়। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে নড়াইলের নড়াগাতি থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ শরিফুল ইসলামের তত্ত্বাবধানে এসআই (নিঃ) ইকবাল হোসেন সঙ্গীয় ফোর্সসহ অভিযান চালিয়ে রুবেল মীর (৩১)কে গ্রেফতার করে। এ সময় ধৃত আসামির নিকট থেকে বাইশ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট জব্দ করা হয়। এ সংক্রান্তে নড়াগাতি থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা রুজু করা হয়েছে। এছাড়া ও আসামি রুবেল মীর(৩১) এর নামে একাধিক মামলা রয়েছে। আসামিকে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। অপরদিকে নড়াইল ডিবি পুলিশ তিন বোতল ফেন্সিডিলসহ একজন মহিলাকে গ্রেফতার
    মাদক ব্যবসায়ের সাথে জড়িত শামীমা বেগম (৪০) নামের একজন মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করেছে নড়াইল জেলা গোয়েন্দা পুলিশ। গ্রেফতারকৃত শামীমা বেগম(৪০) নড়াইল জেলার সদর থানাধীন পশ্চিম বালিয়াডাঙ্গা গ্রামের মৃত মান্নান ভাূইয়ার স্ত্রী। নড়াইল জেলার সদর থানাধীন ৪নং আউড়িয়া ইউপির অন্তর্গত পশ্চিম বালিয়াডাঙ্গা মান্নান ভূইয়ার বসতবাড়ির উত্তর পোতার টিনের ঘর থেকে তাকে আটক করা হয়। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে নড়াইল জেলা গোয়েন্দা শাখার অফিসার ইনচার্জ মোঃ ছাব্বিরুল আলম এর তত্ত্বাবধানে এসআই (নিঃ) মোঃ ওহিদুর রহমান ও এএসআই (নিঃ) মোঃ নাহিদ নিয়াজ সঙ্গীয় ফোর্সসহ অভিযান চালিয়ে শামীমা বেগম(৪০) কে গ্রেফতার করে। এ সময় ধৃত আসামির নিকট থেকে অবৈধ মাদকদ্রব্য ০৩(তিন) বোতল ফেন্সিডিল জব্দ করা হয়। এ সংক্রান্তে নড়াইল সদর থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা রুজু করা হয়েছে। আসামিকে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
    নড়াইল জেলা পুলিশ সুপার কাজী এহসানুল কবীর’র নির্দেশনায় মাদকমুক্ত নড়াইল গড়ার লক্ষ্যে জেলা পুলিশ আন্তরিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

  • গোদাগাড়ীতে জামায়াতের বিশাল বিক্ষোভ মিছিল ও জনসভা অনুষ্ঠিত

    গোদাগাড়ীতে জামায়াতের বিশাল বিক্ষোভ মিছিল ও জনসভা অনুষ্ঠিত

    রাজশাহী থেকে মোঃ হায়দার আলী।। রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর বিক্ষোভ মিছিল ও জনসমাবেস অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার ২৮ অক্টোবর ২০২৪ খ্রি. বিকেল ৪টায়
    ডাইংপাড়া পাঁচমাথার মোড়ে অনুষ্ঠিত বিক্ষোভ মিছিল সমাবেশে গোদাগাড়ী উপজেলা শাখার আমীর মাষ্টার নোমায়ন আলীর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন রাজশাহী জেলা শাখার আমীর জননেতা অধ্যাপক আব্দুল খালেক। উপজেলা শাখার সেক্রেটারি হাফিজুর রহমানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত বিক্ষোভ সমাবেশে
    অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন গোদাগাড়ী উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান অধ্যাপক কামরুজ্জামান, রাজশাহী জেলা শাখার সহকারী সেক্রেটারি অধ্যাপক ডঃ ওবায়দুল্লাহ, বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির রাজশাহী পশ্চিম শাখার সভাপতি রমজান আলী, গোদাগাড়ী পৌর আমীর আনারুল ইসলামসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।

    নির্ধারিত সময়ের আগেই চতুর্দিক থেকে নারায়ে তাকবির – আল্লাহু আকবার, ২৮ অক্টোবরের খুনিদের – ফাঁসি চাই ফাঁসি চাই, পালাইছে রে পালাইছে – শেখ হাসিনা পালাইছে, ইত্যাদি শ্লোগানে আকাশ বাতাস মুখরিত হয়ে ডাইং পাড়া চত্বর লোকে লোকারণ্য হয়ে যায়।

    অনুষ্ঠানে জামায়াত নেতারা বলেন, শেখ হাসিনার বিচার ছাড়া দেশে সংস্কার হতে পারে না। সবার প্রত্যাশা এই সরকার শেখ হাসিনাকে বিচারের আওতায় আনবে। যারা জামায়াত ইসলামীকে নিষিদ্ধ করেছিল বাংলার মাটিতে আজ তারাই নিষিদ্ধ। কারণ জামায়াত ইসলামী কোনো ভেসে আসা দল নয়। আগামী নির্বাচনে ব্যালটের মাধ্যমে আওয়ামী লীগকে আস্তাকুঁড়ে নিক্ষেপ করা হবে। এদেশে কোনো স্বৈরাচারের ঠাঁই হবে না।

    বক্তারা বলেন, ২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবর বায়তুল মোকাররমের উত্তর গেটে আওয়ামীলীগ ও তাদের দোসররা মাওলানা মতিউর রহমান নিজামীর সমাবেশে বৃষ্টির মতো গুলি ছুঁড়েছিল। লগি বৈঠা নিয়ে জামায়াতে ইসলামীর ওপর তান্ডব চালিয়েছিল। ছাত্র জনতাকে হত্যাকারী হিসেবে খুনী হাসিনার ফাঁসি দিতে হবে। নিজে কেউ আইন হাতে তুলে নিবেন না। বাংলাদেশকে কল্যাণমুখী রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তুলতে ক্ষমার দুয়ার খোলা রাখতে হবে। জামায়াত নেতৃবৃন্দ বলেন, মানুষ দ্রব্যমূল্য নিয়ে অতিষ্ঠ অসহায় হয়ে পড়েছে। ব্যবসায়ী সিন্ডিকেটকে ভেঙ্গে গুড়িয়ে দিতে হবে। মানুষকে স্বস্তি দিতে হবে। দ্রব্যমূল্য মানুষের নিয়ন্ত্রণে আনতে হবে। বর্তমান সরকারকে এই জায়গায় কাজ করতে হবে।

    সেই সাথে দেশে সুশাসন ফিরিয়ে আনতে ইসলামী দলগুলোর প্রতি ভরসা রাখতে বলেন বক্তারা। সাবেক এমপি অধ্যাপক মুজিবুর রহমানের প্রতিও আস্থা রাখার কথা বলা হয়।
    ফ্যাসিষ্ট হাসিনা চলে গেলেও দেশে এখনো দুর্নীতি, হয়রানী, ঘুষ বাণিজ্য কমেনি বলেও তারা দাবী করেন।

    মোঃ হায়দার আলী
    নিজস্ব প্রতিবেদক,
    রাজশাহী।

  • বানারীপাড়ায় দুই নারী মাদক কারবারি গাঁজাসহ গ্রেফতার সাতজন

    বানারীপাড়ায় দুই নারী মাদক কারবারি গাঁজাসহ গ্রেফতার সাতজন

    আব্দুল আউয়াল
    বানারীপাড়া(বরিশাল)প্রতিনিধিঃ

    বরিশালের বানারীপাড়ায় এক কেজি চারশত গ্রাম গাঁজাসহ জেসমিন বেগম (৪০) ও সুমা বেগম(৩৬) নামের দুই মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করেছে থানা পুলিশ।
    মঙ্গলবার (২৯ অক্টোবর) ভোর সাড়ে ৬টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বানারীপাড়া বাসস্ট্যান্ড থেকে থানার উপ-পরিদর্শক আল-মামুনের নেতৃত্বে অভিযান চালিয়ে ওই এলাকা থেকে সাতজনকে গ্রেফতার করা হয়। এসময় তাদের কাছ থেকে এক কেজি চারশত গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়। গ্রেফতারকৃতদের বাড়ি বরিশাল নগরীর কাউনিয়া থানার সাধুরবটতলা এলাকায়।
    এ বিষয়ে থানার উপ-পরিদর্শক আল-মামুন বাদী হয়ে তাদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করেছেন। ওই দিন দুপুরে তাদের বরিশাল জেলহাজতে পাঠানো হয়। এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত দুই নারীর পরিচয় পাওয়া গেছে বাকি আসামি পরিচয় পাওয়া যায়নি। এ বিষয়ে বানারীপাড়া থানার উপ-পরিদর্শক আল-মামুন বলেন বিভিন্ন জায়গা থেকে গাঁজা সহ তাদের গ্রেফতার করে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণে আইনে মামলা দায়ের করে জেল হাজতে পাঠানো হয়।

    আব্দুল আউয়াল
    বানারীপাড়া(বরিশাল)প্রতিনিধি:

  • তারুণ্যের নলছিটির পঞ্চম বর্ষে পদার্পণ উদযাপন

    তারুণ্যের নলছিটির পঞ্চম বর্ষে পদার্পণ উদযাপন

    ঝালকাঠি প্রতিনিধিঃ মোঃ নাঈম মল্লিক

    নলছিটি, ২৮ অক্টোবর ২০২৪: তারুণ্যের নলছিটি ইয়ুথ অর্গানাইজেশন চতুর্থ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও পঞ্চম বর্ষে পদার্পণ উপলক্ষে বর্ণাঢ্য আয়োজনের মাধ্যমে দিনব্যাপী উদযাপন করেছে। আজ নলছিটি উপজেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত এ আয়োজনে বিভিন্ন কর্মসূচি ও অতিথিদের উপস্থিতি অনুষ্ঠানকে আরও সমৃদ্ধ করেছে।

    অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নলছিটি উপজেলা নির্বাহী অফিসার জনাব নজরুল ইসলাম। প্রধান বক্তা ছিলেন বিএম কলেজ ছাত্র সংসদের সাবেক এজিএস জনাব শেখ নেয়ামুল করিম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনে শহীদ সেলিমের মা সেলিনা বেগম, নলছিটি থানার অফিসার ইনচার্জ জনাব আবদুস সালাম, ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক শহিদুল ইসলাম আকন, ভলান্টিয়ার্স অফ নলছিটি’র আহ্বায়ক শাহাদাত হোসেন ফকির, ইসলামি আন্দোলন বাংলাদেশের সেক্রেটারি শাহজালাল হোসাইন জিহাদী, এবং নলছিটি থানার সেকেন্ড অফিসার জনাব মোঃ শহীদুল।

    অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন তারুণ্যের নলছিটির প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি মোঃ খালেদ সাইফুল্লাহ। অনুষ্ঠানটি যৌথভাবে সঞ্চালনা করেন সংগঠনের সহ-সাধারণ সম্পাদক মোঃ আরিফুল ইসলাম এবং সাংগঠনিক সম্পাদক মেহেরাব হোসেন রিফাত। এ সময় কার্যনির্বাহী কমিটির সাধারণ সম্পাদক মোঃ মাহফুজুর রহমান তাহমিদ, ওসমান গনি রেসানী, লিমন হোসেন, সানজিদা আক্তার এবং মিরাজুর রহমান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

    অনুষ্ঠানের প্রধান আয়োজনে ছিল আলোচনা সভা, স্মারক ম্যাগাজিন ‘তারুণ্যের দর্পণ’ মোড়ক উন্মোচন, প্রদর্শনী, বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা, বার্ষিক সাধারণ সভা ও সাংগঠনিক কর্মশালা, এবং পুরস্কার বিতরণী ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।

    এ আয়োজনের মাধ্যমে তরুণদের মাঝে সৃজনশীলতা ও সামাজিক দায়িত্বশীলতার বার্তা পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। তারুণ্যের নলছিটি ইয়ুথ অর্গানাইজেশন দীর্ঘদিন ধরে তরুণদের নেতৃত্বে এগিয়ে চলছে, এবং এ ধরনের আয়োজনের মাধ্যমে তারা তরুণদের আরও সম্পৃক্ত ও উৎসাহিত করার প্রয়াস চালিয়ে যাচ্ছে।

  • গাইবান্ধায় ল্যাব সহকারী সবুজ অঢেল সম্পদের মালিক হওয়ায় জনমনে নানা প্রশ্ন

    গাইবান্ধায় ল্যাব সহকারী সবুজ অঢেল সম্পদের মালিক হওয়ায় জনমনে নানা প্রশ্ন

    আনিসুর রহমান আগুন।।
    সুন্দরগঞ্জ গাইবান্ধা প্রতিনিধিঃ
    গাইবান্ধায় কলেজের ল্যাব সহকারী মিজানুর রহমান সবুজ ইদানীং এলাকায় আলোচনা সমালোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। অল্প সময়ের মধ্যে তার অঢেল সম্পদের মালিক হওয়া নিয়ে এলাকাবাসীর মধ্যে ব্যাপক কৌতূহলের সৃষ্টি হয়েছে। সম্পদশালী সবুজ বর্তমানে গাইবান্ধা টেকনিক্যাল স্কুল এণ্ড কলেজের ল্যাব সহকারী হিসেবে চাকুরি করছেন। এর আগে রংপুর পলিটেকনিক্যাল ইন্সটিটিউটে সবুজ কর্মরত ছিলেন।

    তার সম্পত্তির পরিমাণ সাধারণ মানুষের কাছে অবাক হওয়ার বিষয় হলেও তা বাস্তব ও সত্য। গাইবান্ধা শহরের থানা পাড়া মহল্লায় সবুজের দৃষ্টিনন্দন একটি পাঁচতলা ভবন রয়েছে, যার বাজার মূল্য কমপক্ষে আনুমানিক ৫ কোটি টাকা হবে। ভবনটির ডিজাইন এবং স্থাপত্যশৈলী সবার নজর কেড়েছে। কেবল শহরের মধ্যেই নয়, গ্রামের বাড়িতেও তার একটি পাকা বাড়ি রয়েছে, এ থেকে আরও সম্পত্তি থাকার ইঙ্গিত পাওয়া যায়।

    আশেপাশের লোকজন জানান, কয়েক বছর আগেও সবুজ একজন সাধারণ ডেন্টাল কেয়ারের সত্ত্বাধিকারী ছিলেন। তারপর ইলেকট্রনিক্স ব্যবসার সঙ্গে জড়িত হন। কিন্তু বিগত চার বছরে হঠাৎ করে তিনি এত বিশাল সম্পদের মালিক বনে যান। অনেকের জন্য তা আশ্চর্যের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। সাধারণ চাকরিজীবী হিসেবে সবুজ ১৬তম গ্রেডের একজন কর্মচারী, সে অনুযায়ী তার মাসিক বেতন স্কেল- ৯৩০০ টাকা হয়। যে কারণে তার পক্ষে এত বিপুল সম্পদ অর্জন করা সম্ভব হয় কীভাবে! সে প্রশ্নই আজকাল ঘুরপাক খাচ্ছে সবার মনে।

    ডিভাইস সিন্ডিকেটের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগ:
    বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, স্থানীয় একটি ডিভাইস সিন্ডিকেটের সঙ্গে জড়িত ছিলেন সবুজ। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে, সরকারি চাকুরিতে পরীক্ষার্থীদের ইলেকট্রনিক্স ডিভাইস ব্যবহার করে পরীক্ষায় পাস করতে সহায়তা করা এবং এর মাধ্যমে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেওয়া। এই সিন্ডিকেটের সাথে তার স্ত্রী আঞ্জুয়ারা খাতুনও জড়িত আছেন বলে জানা গেছে। তিনি একজন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক। এই ডিভাইস সিন্ডিকেটের মাধ্যমেই মূলত তারা ২ জনেই শহরে সংযুক্তি ঘটিয়েছেন বলে সন্দেহের ধূম্রজাল সৃষ্টি হয়েছে।

    তবে মিজানুর রহমান সবুজ তার বিশাল সম্পদের বৈধতা নিয়ে যে কোনো প্রকার অবৈধ উপার্জনের কথা অস্বীকার করেছেন। তার দাবী তিনি এবং তার স্ত্রীর নামে ব্যাংক থেকে লোন করে বাড়ি নির্মাণ করেছেন। পাশাপাশি জমি বিক্রি করেও কিছু অর্থ সংগ্রহের কথা জানান। আরও দাবি করে বলেন, যে তার ব্যবসাও রয়েছে এবং তার সবকিছুই বৈধ আয়। কিন্তু সাংবাদিকরা প্রশ্ন করলে ডিভাইস সিন্ডিকেটের বিষয়টিও মানতে নারাজ সবুজ।

    গাইবান্ধা টেকনিক্যাল স্কুল এণ্ড কলেজের অধ্যক্ষ ল্যাব সহকারী পদে নিযুক্ত সবুজের বিপুল সম্পদের কথা জেনে বিস্ময় প্রকাশ করেন। অধ্যক্ষ বলেন, সবুজ আমাদের এখানে চাকরি করেন, সে ল্যাব সহকারি। সবুজের বেতন স্কেল মাত্র ৯৩০০ টাকা এবং তার এসব সম্পদের বিষয়ে আগে থেকে কোনো ধারণা ছিল না। তবে ভবিষ্যতে তার ওপর নজর রাখা হবে এবং প্রয়োজন হলে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি জানানো হবে।

    গাইবান্ধা জেলা স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক শরিফুল ইসলাম জানান, গাইবান্ধা শহরের থানাপাড়ায় মিজানুর রহমান সবুজের বাড়ি ৩ তলা নির্মাণের জন্য পৌরসভা থেকে অনুমোদন নেওয়া হলেও তিনি পৌরসভা আইনের তোয়াক্কা না করে প্রভাব খাটিয়ে অবৈধভাবে পাঁচতলা ভবন নির্মাণ করেছেন। যা বেআইনি এবং গুরুতর অপরাধ। ওই বেআইনি ভবন নির্মাণের বিষয়ে দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

    সবুজের এই হঠাৎ করেই আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ হয়ে যাওয়া নিয়ে সাধারণ মানুষজনের মনে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। সবুজের আয়ের সঠিক উৎস নিয়ে তদন্তের দাবি জানাচ্ছেন এলাকাবাসী। দেখা যাক, সবুজের সম্পদের বৈধতা এবং তার কর্মকাণ্ডের সত্যতা খুঁজে বের করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কী পদক্ষেপ নেয়! তা দেখার অপেক্ষায় রইল কৌতূহলী জনতা।