Author: desk

  • সড়ক দুর্ঘটনায় নিহ-তদের স্বজনরা পেলেন রাজশাহী বিআরটিএ’র অনুদান

    সড়ক দুর্ঘটনায় নিহ-তদের স্বজনরা পেলেন রাজশাহী বিআরটিএ’র অনুদান

    নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহী: রাজশাহীতে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ছয়জনের পরিবারকে পাঁচ লাখ টাকা করে অনুদান দেওয়া হয়েছে। এছাড়া দুর্ঘটনায় আহত আরও দুজনকে এক লাখ টাকা করে অনুদান দেওয়া হয়। বাংলাদেশ রোড ট্রান্সপোর্ট অথরিটির (বিআরটিএ) ট্রাস্টি বোর্ড থেকে রোববার এ অনুদান বিতরণ করা হয়।

    দুপুরে রাজশাহীর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে চেক বিতরণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। জেলা প্রশাসন ও বিআরটিএর রাজশাহী সার্কেল যৌথভাবে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে আহত ও নিহত সাতজনের পরিবারের সদস্যদের হাতে ৩২ লাখ টাকার চেক তুলে দেন জেলা প্রশাসক আফিয়া আখতার।

    বিআরটিএর রাজশাহী সার্কেলের সহকারী পরিচালক (ইঞ্জিনিয়ারিং) আব্দুর রশিদ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন। উপস্থিত ছিলেন- অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মীর্জা ইমাম, জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আশরাফুল ইসলাম, সিভিল সার্জন ডা. আবু সাইদ মো. ফারুক প্রমুখ।

    অনুষ্ঠানে পাঁচ লাখ টাকার চেক পান চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জের আয়েশা বেগম। তিনি জানান, তাঁর স্বামী দুরুল হোদা চালক ছিলেন। গতবছর এক সড়ক দুর্ঘটনায় তিনি মারা যান। এরপর প্রতিবন্ধী সন্তানকে নিয়ে তিনি ভীষণ বিপদে আছেন। এখন এই পাঁচ লাখ টাকা দিয়ে নিজে স্বনির্ভর হওয়ার চেষ্টা করবেন। পাশাপাশি প্রতিবন্ধী শিশু সন্তানের চিকিৎসা করাবেন।

    মোঃ হায়দার আলী
    নিজস্ব প্রতিবেদক,
    রাজশাহী।

  • আলোচিত অধ্যক্ষ ইমারত আলীর বিরুদ্ধে অভিযোগের পাহাড়

    আলোচিত অধ্যক্ষ ইমারত আলীর বিরুদ্ধে অভিযোগের পাহাড়

    আলিফ হোসেন,তানোরঃ
    রাজশাহীর তানোরের সরনজাই ডিগ্রী কলেজ অধ্যক্ষ ইমারত আলীর বিরুদ্ধে প্রায় সাড়ে ১১ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে।তিনি নানা অনিয়ম-দুর্নীতি ও নিয়োগ বাণিজ্যের মাধ্যমে এসব টাকা আত্মসাৎ করেছেন।এঘটনায় গত ১০ নভেম্বর রোববার অভিভাবকগণ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে লিখিত অভিযোগ করেছেন।
    লিখিত অভিযোগে বলা হয়েছে,
    আমরা সরনজাই ইউনিয়নের (ইউপি) সাধারণ জনগণ ও অভিভাবকগণ জনস্বার্থে আপনার কাছে অভিযোগ করিতেছি যে, বিগত ১৯৯৫ সালে
    এলাকার সাধারণ জনগণের শিক্ষা উন্নয়নের জন্য সরনজাই ডিগ্রী কলেজ স্থাপন করা হয়। স্থাপনের পর থেকে অযোগ্য এই দুর্নীতিবাজ অধ্যক্ষ ইমারত আলীকে নিয়োগ দেয়। কলেজটি স্থাপনের পর থেকে দুর্নীতিবাজ অধ্যক্ষ কলেজটিতে নিজস্ব পকেট কমিটির মাধ্যমে নিয়োগ বানিজ্য করে প্রায় এগার কোটি পঞ্চাশ লাখ টাকা আত্মসাৎ করিয়াছে। এরপর আবারও একটি পকেট কমিটি গত ২০১৯ সালের ২৬ জুন গঠন করে নানান ধরনের দূর্নীতির মাধ্যমে অর্থ লোপাট করিয়া আসিতেছে। গত ৫ আগষ্ট পূর্বের দ্বায়িত্বপ্রাপ্ত তিন বারের অবৈধ সভাপতির দায়িত্বকালে দূর্নীতিবাজ অধ্যক্ষ ইমারত আলী তার সঙ্গে যোগসাজস করে তিনটি পদে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তী প্রকাশ করে যথাক্রমে উপাধ্যক্ষ, লাইব্রেরিয়ান ও ল্যাব সহকারী। এবং দ্রুত নিয়োগ বোর্ড গঠন করে গভর্নিং বডির অন্যান্য সদস্যদের অগোচরে ৩টি পদে নিয়োগ নির্বাচনী বোর্ড গঠন করে গত ২০২০ সালের ১৫ মার্চ রফিকুল ইসলামকে উপাধ্যাক্ষ পদে নিয়োগ দিয়ে ২৩ লাখ টাকা, মোসাঃ ফেরদৌসী খাতুনকে লাইব্রেরিয়ান পদে নিয়োগ দিয়ে ১৫ লাখ টাকা ও আরিফ হোসেনকে ল্যাব সহকারী পদে নিয়োগ দিয়ে ১২ লাখ টাকা ডোনেশনের নামে ঘুষ নিয়েছেন অধ্যক্ষ ইমারত আলী।
    উল্লেখ্য বিগত ২০২০ সালের ১৫ মার্চ
    ওই নিয়োগ নির্বাচনী বোর্ডের নির্বাচিত তিন জন প্রার্থীর চুড়ান্ত অনুমোদন কমিটির সভায় সদস্যগণ নিয়োগে ডোনেশনের ৫০ লাখ টাকার হিসেবে চেয়ে না পেয়ে আপত্তি দিয়েছিল। এছাড়াও সম্প্রতি ৩ জন ল্যাব সহকারী প্রতিজন২০ লাখ টাকা করে সর্বমোট = ৬০ লাখ টাকা আত্মসাৎ করেছেন। প্রার্থীরা হলেন ল্যাব সহকারী (পদার্থ), ২ (রসায়ন) ও (আইসিটি)। এটি একটি বিতর্কিত নিয়োগ যা মাননীয় আদালতে বিচারাধীন পূর্বক প্রশ্নবিদ্ধ নিয়োগ। এছাড়াও বিগত ১৯৯৫ সাল থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত কলেজের ফান্ডে কোন টাকা জমা দেন নাই। কলেজের ডিগ্রী পর্যায়ে ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের প্রভাষক, অফিস সহকারীসহ ৩য় ও ৪র্থ শ্রেনীর কর্মচারিসহ বিভিন্ন পদে নিয়োগ হয়েছে প্রায় ৫৭ জন। উক্ত পদে শিক্ষক ও কর্মচারি নিয়োগ দিয়ে অধ্যক্ষ ইমারত আলী কলেজের প্রায় ১১ কোটি ৫০ লাখ টাকা আত্মসাৎ করেছেন।তিনি
    আত্মসাৎ করা টাকা নিজের নামে ৭-৮টি ব্যাংক হিসাবে জমা করে ১৫ বিঘা ধানি জমি ক্রয় এবং রাজশাহীর নওদাপাড়া এলাকায় ৪টি প্লট ক্রয় করেছেন যার বাজার মূল্য প্রায় ২০ কোটি টাকা। সদ্য অধ্যক্ষ ইমারত আলী নিয়োগের টাকা দিয়ে গত ২০২২ সালের ২০ মে ৫০ লাখ টাকা দিয়ে একটি প্লট নওদাপাড়া এলাকায় নিজ নামে ও স্ত্রীর নামে ক্রয় করেছেন বলে প্রমান আছে। এছাড়াও কলেজের বিভিন্ন ফান্ডের আয় হতো। যার মধ্যে আম বাগান টেন্ডার, পরীক্ষার ফরম পুরুণে অতিরিক্ত অর্থ, টিউশন ফি ইত্যেদি। প্রতি বছরে ৫ লাখ টাকা করে আত্মসাৎ করেছেন। দুর্নীতিবাজ অধ্যক্ষ ইমারত আলীর বিরুদ্ধে অভিযোগ তদন্তে করে জরুরীভাবে বরখাস্ত করা হোক।
    অভিযোগে আরো বলা হয়েছে,অধ্যক্ষ
    ইমারত আলী ১৯৯৫ সাল হতে ২০২৪ সাল পর্যন্ত কলেজের প্রায় সাড়ে ১১ কোটি টাকা আত্মসাৎ করেছেন। যার মধ্যে ৫৭ জন শিক্ষক-কর্মচারী নিয়োগের ২ কোটি ৫০ লাখ টাকা। কলেজের আম বাগান, পুকুর, ধানী জমি (প্রতি বছর ইজারা) ২৮ বছরে প্রায় এক কোটি টাকা। কলেজের উচ্চ মাধ্যমিক শাখার মার্কসিট, প্রসংশাপত্র বিতরণ এবং প্রতি বছরের ফরম পূরন বাবদ আয়কৃত ও মূলসনদ পত্র বিতরণের টাকা ২৮ বছরে প্রায় ৫০ প্রতারনা মূলক ভাবে আত্মসাৎ করেছেন। ৪) কলেজের ছাত্র/ছাত্রী নামে সরকারী টিউশান ফি বাবদ এবং (শিক্ষকদের) ২৮ বছরে প্রায় ৫০ লাখ টাকা। টিউশন ফি বাবদ এক কোটি ১০ টাকা। কলেজের নামে ২৮ বছরে সরকারী দান,অনুদানসহ সরকারী প্রকল্পের ১০টি কম্পিউটার সরঞ্জাম চুরি করে বিক্রির প্রায় এক কোটি ৫০ লাখ টাকা।কলেজের শিক্ষক-কর্মচারী ও শিক্ষার্থীদের কাছে থেকে বিভিন্ন অজুহাতে জোরপূর্বক ভয়ভীতি প্রদর্শন করে ১৯৯৫ সাল হতে ২০২৪ সাল পর্যন্ত
    প্রায় এক কোটি ৫০ লাখ টাকা আদায়।
    কলেজের বিভিন্ন ফার্নিচার, আসবাব পত্র যেমন-বেঞ্জ টুল চেয়ার টেবিল, আলমারি ইত্যাদি ক্রয়ের ভুয়া ভাউচার দেখিয়ে প্রায় ৫০ লাখ টাকা।কলেজের বিভিন্ন প্রজাতির মোট ১৫০টি তাজা গাছ চুরি করে বিক্রির প্রায় দেড় কোটি টাকা। কলেজের নামে ২ বিঘা ধানী জমির উপর পৃথক বাগান ও ধান চাষের টেন্ডার বাবদ বাৎসরিক লীজ প্রদান করে যাহার মূল্য ৬০ হাজার টাকা। কলেজের নামে সোনালী ব্যাংক লিঃ তানোর শাখা হতে সংরক্ষিত তহবিল ৩ লাখ এবং এফডিআর ৫ লাখ টাকা উত্তোলন করে আত্মসাৎ করেছেন। এবিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মিনহাজুল ইসলাম বলেন, অভিযোগ পাওয়া গেছে,তদন্ত সাপেক্ষে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।এবিষয় একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও মুঠোফোনে কল গ্রহণ করেননি, এমনকি খুদে বার্তা পাঠানো হলেও কোনো সাড়া দেননি অধ্যক্ষ ইমারত আলী।#

  • আদিতমারীতে ২৫০বোতল ফেনসেডিলসহ নার্গিস আক্তার গ্রেফতার

    আদিতমারীতে ২৫০বোতল ফেনসেডিলসহ নার্গিস আক্তার গ্রেফতার

    মো.হাসমত উল্লাহ,লালমনিরহাট।।।

    লালমনিরহাটের আদিতমারীতে ২৫০বোতল ফেনসেডিলসহ ১জন আসামি গ্রেফতার করেন পুলিশ। জেলার পুলিশ সুপার তরিকুল ইসলাম,সার্বিক দিক নির্দেশনায় আদিতমারী থানার অফিসার ইনচার্জ আলী আকবর,এর নেতৃত্বে এবং ওসি নিজেই, এস আই মাহাবুব, এ এস আই,কনস্টেবল সহ থানার হাজিগঞ্জ এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে হামিদুল এর বাড়ির পরিত্যক্ত লাকড়ি রাখার স্থানের নিচে রক্ষিত ২৫০ বোতল ভারতীয় ফেনসেডিলসহ আসামি নার্গিস আক্তার(৩০) কে গ্রেফতার করেন আদিতমারী থানার পুলিশ।

    গ্রেফতার বিরুদ্ধে আদিতমারী থানায় একটি মামলা হয়।পরে গ্রেফতারকৃত আসামীদের কে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়। আদিতমারী থানার অফিসার ইনচার্জ আলী আকবর, জানান গোপন সংবাদের ভিত্তিতে হাজিগঞ্জ এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে হামিদুল এর বাড়ির পরিত্যক্ত লাকড়ি রাখার স্থানের নিচে রক্ষিত ২৫০বোতল ভারতীয় ফেনসেডিলসহ গ্রেফতার করেন পুলিশ। 

    হাসমত উল্লাহ।।

  • হাছনরাজা’র জ্যেষ্ঠ পুত্রকে জমিদারী সম্পত্তি থেকে বঞ্চিত করার  প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

    হাছনরাজা’র জ্যেষ্ঠ পুত্রকে জমিদারী সম্পত্তি থেকে বঞ্চিত করার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

    কে এম শহীদুল সুনামগঞ্জ:
    দেওয়ান হাছনরাজা’র জমিদারী সম্পত্তির উত্তরাধিকারী থেকে বঞ্চিত করার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার বেলা ১১টায় শহরের শহীদ মুক্তিযোদ্ধা জগৎজ‍্যোতি পাবলিক লাইব্রেরি মিলনায়তনে এই সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সংবাদ সম্মেলনে হাছন রাজার জ্যেষ্ঠ পুত্র সূত্রে সুমি চৌধুরী জানান, তিনি দেওয়ান হাছন রাজা’র প্রৌপুত্রী সুমী চৌধুরী, তার পিতা দেওয়ান আসরাক রাজা চৌধুরী, মাতা মাজেদা। তিনি সুনামগঞ্জ পৌরসভার ৭নং ওয়ার্ডের তেঘরিয়া গ্রামের বাসিন্দা। তিনি পিতা-মাতার একমাত্র সন্তান এবং হাছনরাজা’র ৫ম বংশধর। তার দাদা সুলতানুর রাজা চৌধুরী( কেছরা মিয়া)।  প্রপিতামহ দেওয়ান হাছনরাজা’র প্রথম ও জে‍ষ্ট‍‍্য পুত্র খান বাহাদুর দেওয়ান গণিউর রাজার চৌধুরী তার পিতামহ। 
    তিনি জানান, দেওয়ান হাছনরাজা’র মৃত‍্যুর পর রেখে যান ৪ পুত্র। তার পিতামহ খান বাহাদুর দেওয়ান গণিউর রাজার চৌধুরী, দেওয়ান হাসিনুর রাজা চৌধুরী, দেওয়ান একরামুর রাজা চৌধুরী (রামপাশার জমিদার), দেওয়ান আফতাবুর রাজা চৌধুরী। দেওয়ান হাছনরাজা তখন প্রথম ও জেষ্ট‍্যপুত্র হিসাবে তার পিতামহ খান বাহাদুর দেওয়ান গণিউর রাজার চৌধুরী জমিদারী পরিচালনার দায়িত্ব পান। 
    তার পিতামহের মৃত‍্যু হয় ১৯৩২ সালে। মৃত‍্যুর দুই বছর আগে ১৯৩০ সালে তিনি দেওয়ান আফতাবুর রাজা চৌধুরী জমিদারী পরিচালনার দায়িত্ব পান। এ সময় তার পিতামহ খান বাহাদুর দেওয়ান গণিউর রাজা চৌধুরীর ঔরসজাত দুই সন্তান রেখে যান। একজন হলেন দেওয়ান সুলেমান রাজা চৌধুরী গেদা মিয়া ও তার আপন দাদা দেওয়ান সুলতানুর রাজা চৌধুরী কেছরা মিয়া।
    সুমি চৌধুরী বলেন, তার দাদা দেওয়ান সুলতানুর রাজা চৌধুরী কেছরা মিয়ার ঔরসজাত সন্তান হলেন ৫ জন। দেওয়ান জাফরান রাজা চৌধুরী, দেওয়ান আঙ্গুর রাজা চৌধুরী, দেওয়ান নুর রাজা চৌধুরী ও দেওয়ান আসফাক রাজা চৌধুরী। এর মধ্যে ৪জন অবিবাহিত অবস্থায় মারা যান। জীবিত থাকেন শুধু তার পিতা দেওয়ান আসরাক রাজা চৌধুরী এবং তার ৩ বোন মোছা. মিনু চৌধুরী, মোছা. কিনু চৌধুরী ও মোছা. ফিনু চৌধুরী। 
    তিনি বলেন, তার পিতামহ দেওয়ান আফতাবুর রাজা চৌধুরীকে জমিদারী দায়িত্ব দেওয়ার ২ বছর আগে অর্থাৎ ১৯৩০ সালে দুইটি ওয়াকফ করে যান, একটি হলো আগামী প্রজন্মের ভরণপোষণের জন‍্য টাকার পরিমাণ উল্লেখ করে। অপরটি মসজিদ, মাদ্রাসা, এতিমখানা, কবরস্থান প্রতিষ্ঠায় ব‍্যয় করা, গরীব-দুখিদের সাহায‍্য করা, মহরম, সবেবরাতে মিলাদ-মাহফিল ও হাছনরাজার পূর্ব পুরুষদের রূহের মাগফেরাত কামনায় মোনাজাত পেশ করা ও শসন্নি বিতরণ করা এবং ঈদের দিন গরীবদের জামা-কাপড় ও ঈদের খরচ প্রদান করা বিষয় উল্লেখ করে ওয়াকফ করেন। যার দলিল নং-৩৬৫৪, তারিখ-২৫.০৯.১৯৩০ ইং। সুমি চৌধুরী বলেন, তার পিতামহ খান বাহাদুর দেওয়ান গণিউর রাজা চৌধুরী ছিলেন সুনামগঞ্জের একজন ম‍্যাজিষ্ট্রেট। তিনি ছিলেন একজন সৎ নির্লোভ ব‍্যক্তি। কিন্তু তিনি মারা যাওয়ার পর তার নামে কোনো সম্পত্তি খুঁজে পাওয়া যায়নি এবং ১৯৫২ সালের স‍্যাটেলমেন্ট জরীপেও তার নামে কোনো সম্পদ উল্লেখ করা হয়নি। তবে সম্পত্তির সাম, ছিটা ও একক ম‍্যাপ তাদের কাছে সংরক্ষিত আছে।
    তিনি বলেন, তাদের কাছে সুনামগঞ্জ পৌরসভার ওয়ারিশান সনদপত্র, ভোটার আইডি কার্ড, ওয়াকফ দলিল, অন‍্যান‍্য দলিলপত্র সংরক্ষিত আছে। এ ছাড়াও তিনি উত্তরসূরী হিসাবে সুনামগঞ্জের আদালতের নোটারী পাবলিক সম্পাদন করেছেন। হাছনরাজা’র বংশানুক্রমে তিনি একজন সঠিক উত্তরসূরী হয়েও শত বছর ধরে উত্তরাধিকারী সূত্রের সম্পত্তি থেকে বঞ্চিত হয়ে আসছেন। তিনি সম্পত্তির ন‍্যায‍্য অধিকার ফিরে পেতে চান। 
    সুমি চৌধুরী আরও বলেন, ২০-০১-১৯২১ সালে শ্রীহট্ট সাব জজ প্রথম আদালতে দেওয়ান আফতাবুর রাজা চৌধুরী বাদী হয়ে ৩৮৬ নং বাটোয়ারা মামলা দায়ের করেন। তখন ওই মামলার বিবাদী করেন-১নং খান বাহাদুর দেওয়ান গণিউর রাজা চৌধুরী,২নং দেওয়ান হাসিনুর রাজা চৌধুরী। উভয় পিতা দেওয়ান হাছনরাজা চৌধুরী। সাং তেঘরিয়া, পং লক্ষণশ্রী, সুনামগঞ্জ। ৩ নং বিবাদী করা হল-দেওয়ান একলিমুর রাজা চৌধুরী, পিতা দেওয়ান হাছনরাজা চৌধুরী। সাং রামপাশা পং কৌড়িয়া স্টেশন, (বালাগঞ্জ),১৯২৬ ইং সনের ২২ ডিসেম্বর দেওয়ান আফতাবুর রাজার পক্ষে মামলার রায় হয়। ওই রায়ের বাদী দেওয়ান আফতাবুর রাজা চৌধুরী ৩৩০৭ দ. আনা বাদীর পাওনা রয়েছে। ১নং বিবাদী খান বাহাদুর দেওয়ান গণিউর রাজা চৌধুরী অংশ দেয় ১৪৬৯ দ. আনা। উক্ত ১নং বিবাদী বাদীকে দেয়। ২নং বিবাদী দেওয়ান হাসিনুর রাজা তার নিজ অংশ দেয় ১৪৬৯ দ. আনা। ৩ নং বিবাদী দেওয়ান একলিমুর রাজা চৌধুরী তার অংশ দেয় ১৪৬৯ দ. আনা। কিন্তু ২নং এবং ৩ নং বিবাদী বাদীর মামলা খরচ বাবত অংশ কেটে নেওয়ার পর ৩৩০৭ দ. আনা বাদীর পাওনা রয়েছে। উল্লেখ্য যে, দেওয়ান আফতাবুর রাজা চৌধুরী তাঁর আওলাদের জন‍্য একটি ওয়াকফ সম্পাদন করে যান। যার ইসি নং-১১৬৫২। ১৯৪১ সালে ওয়াকফকৃত সম্পত্তির মূল‍্য ২৫,০০০/-টাকা। ১৯৯৫ ও ১৯৯৬ইং সরকারী হিসাবে জায়গার পরিমাণ ৪৭৯১.৩৫ একর। পরিবারের অন‍্যান‍্য ভাইদের প্ররোচনা তাদের মধ‍্যে পারিবারিক বাটোয়ারা করিয়া নিজ নিজ নামে ওয়াকফয়ের সহায় সম্পত্তি নিজ নিজ নামে চলমান আরএস জরীপে রেকর্ড করান এবং ২/৩ শতাধিক লোকের কাছে বিক্রি করিয়াছেন। সম্পত্তি উদ্ধারসহ রক্ষার জন‍্য  বর্তমান এসএ, আরএস ও ডিপি খতিয়ান ২/৩ শত জাবেদা পর্চা সংগ্রহ করিয়াছেন তাদের একজন। বর্তমানে সরকারী হিসাবে ১ শত বা ১৫০ শত একর সম্পত্তি চলমান রয়েছে। যাহা নিয়ে ওই সময়কালে সরকারের বেশ কয়েকটি মামলা আছে। দেওয়ান আফতাবুর রাজা চৌধুরীর ১৬ আনা অংশ ওয়াকফকৃত। সংবাদ সম্মেলনে তার বাবা দেওয়ান আসরাক রাজা চৌধুরীর একমাত্র উত্তরাধিকারী হিসাবে সুমি চৌধুরী ও স্বামী লিটন ইসলাম ভূইঁয়া তাদের পাওনা সমুদয় সম্পত্তি বুঝিয়া পেতে সরকারের কাছে জোর দাবি জানান। বর্তমানে সুমি চৌধুরীর পিতা দেওয়ান আসরাক রাজা চৌধুরী মানবেতর জীবন যাপন করছেন। ##

    #

  • নলছিটিতে ঐতিহাসিক জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে সমাবেশ

    নলছিটিতে ঐতিহাসিক জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে সমাবেশ

    ঝালকাঠি প্রতিনিধিঃ মোঃ নাঈম মল্লিক

    ৭নভেম্বর ঐতিহাসিক জাতীয় বিপ্লব ও ওসংহতি দিবস  উপলক্ষে সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার বিকালে ঝালকাঠির নলছিটি গালর্স স্কুল এন্ড কলেজ মাঠে  এ সমাবেশ  অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলা বিএনপির সভাপতি এ্যাড. আনিসুর রহমান খান হেলালের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন ঝালকাঠি জেলা বিএনপির আহবায়ক  সৈয়দ হোসেন। সমাবেশে বক্তব্য রাখেন জেলা বিএনপির সদস্য সচিব এ্যাড. শাহাদাত হোসেন সহ অন্য নেতা কর্মীরা।  ১৯৭৫ সালে কারা বন্দি থেকে ৭ নভেম্বর এক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে  মুক্ত হন তৎকালীন সেনাপ্রধান মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমান।  সেই থেকেই এই দিনটিকে স্মরণীয় করে রাখার জন্য প্রতিবছর আলোচনা সভা ও সমাবেশ করে আসছে বিএনপি।

    সমাবেশে বক্তারা বিগতদিনে আওয়ামীলীগের  দুঃশাসনের বিভিন্ন দিক তুলে দরে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি  দল সরকার ঘঠনের লক্ষে  সকল নেতা কর্মীদের ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানানো হয়।

  • রাজাহাট উপজেলা ছাত্রদলের প্রতিবাদ মিছিল ও অবস্থান কর্মসূচী অনুষ্ঠিত 

    রাজাহাট উপজেলা ছাত্রদলের প্রতিবাদ মিছিল ও অবস্থান কর্মসূচী অনুষ্ঠিত 

    রাজারহাট(কুড়িগ্রাম)প্রতিনিধি:তারিখ:১০-১১-২০২৪ইং।বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল রাজারহাট উপজেলা আয়োজিত প্রতিবাদ মিছিল ও অবস্থান কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে।রোববার সকাল সাড়ে এগারোটা ঘটিকায় রাজারহাট সরকারি মীর ইসমাইল হোসেন কলেজ চত্বর থেকে প্রতিবাদ মিছিল বের হয়ে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে সড়ক অবরোধ করে প্রতিবাদ সভা করে।প্রতিবাদ সভায় উপজেলা ছাত্রদল আহবায়ক রুবেল পাটোয়ারী বলেন গত ১৫ বছর ধরে সাধারণ শিক্ষার্থীদের উপর নির্যাতনকারী ও ছাত্র রাজনীতিকে কলুষিত করা নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের সাথে সংশ্লিষ্ট সকল অপরাধীদের দ্রুত গ্রেফতার ও বিচারের আওতায় নিয়ে আসতে কেন্দ্রীয় কমিটির ঘোষিত আজকের এ কর্মসূচি।তিনি আরও বলেন,আওয়ামী ফ্যাসিবাদী সরকারের আমলে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজ ক্যাম্পাসে সাধারণ শিক্ষার্থীদের উপর নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ সংগঠনের সন্ত্রাসীদের নৃশংস হামলার ঘটনায় দায়েরকৃত মামলার আসামীদের দ্রুত গ্রেফতার ও বিচারের দাবি জানান তিনি।

    আরও বক্তব্য রাখেন উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব মিজানুর রহমান সাদ্দাম হোসেন,সরকারি মীর ইসমাইল হোসেন কলেজ শাখা ছাত্রদল আহবায়ক আকরামুল হক,সদস্য সচিব হিমু।এসময়ে উপস্থিত ছিলেন,ঘড়িয়াল ডাঙ্গা ইউনিয়ন ছাত্রদল সভাপতি রাকিবুল হাসান,সাধারণ সম্পাদক রাকিবুল ইসলাম,বিদ্যানন্দ ইউনিয়ন ছাত্রদল সভাপতি জুয়েল,সাধারণ সম্পাদক শিমুল, রাজারহাট ইউনিয়ন ছাত্রদল সাধারণ সম্পাদক রাসেল,চাকিরপশার ইউনিয়ন ছাত্রদল সভাপতি জুয়েল রানা,সাধারণ সম্পাদক লিমন ও ছিনাই ইউনিয়ন ছাত্রদল সভাপতি মুকুল,সাধারণ সম্পাদক ময়েন।#(ছবি সংযুক্ত)

  • সুন্দরগঞ্জে বিএনপি’র ঐতিহাসিক ৭ই নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত

    সুন্দরগঞ্জে বিএনপি’র ঐতিহাসিক ৭ই নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত

    মোঃ আনিসুর রহমান আগুন, গাইবান্ধা থেকেঃ

    গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে  বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল- বিএনপি’র উদ্যোগে  ঐতিহাসিক ৭ই নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস  পালিত হয়েছে। 

    সুন্দরগঞ্জ উপজেলা বিএনপির উদ্যোগে আজ ১০ই নভেম্বর  রবিবার দুপুরে সুন্দরগঞ্জ ডি ডব্লিউ সরকারি কলেজ চত্বর থেকে একটি বর্ণাঢ্য র‌্যালি বের হয়ে পৌর-শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে  উপজেলা কমপ্লেক্স মাঠে গিয়ে শেষ হয়। র‌্যালিতে উপজেলার ১৫টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভার বিএনপি’র নেতাকর্মী ও সমর্থকদের  ঢল নামে। র‍্যালী পূর্বক আলোচনা সভায়

    উপজেলা বিএনপির আহবায়ক বাবুল আহমেদ এর সভাপতিত্বে এবং উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব মাহমুদুল ইসলাম প্রামানিকের সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন বিএনপি রংপুর বিভাগীয় সহ সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যাপক আমিনুল ইসলাম, গাইবান্ধা জেলা বিএনপির সভাপতি অধ্যাপক ডাঃ মইনুল হাসান সাদিক গাইবান্ধা জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মাহমুদুন নবী টিটুল গাইবান্ধা জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি মোজাহারুল ইসলাম গাইবান্ধা জেলা বিএনপির সহ সভাপতি অধ্যাপক ডাঃ জিয়াউল ইসলাম জিয়া 

    পৌর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত আহবায়ক ইখতিয়ার উদ্দিন ভূইয়া নিপন, সদস্য সচিব মিজানুর রহমান লিপু, পৌর বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক ইফতেখার হোসেন পপেল, নাহমুদুল হক রাছেল, উপজেলা ও পৌর বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক বৃন্দ উপজেলা ও পৌর বিএনপির অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী।

  • বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে সুবিধাভোগীদের চালের কার্ড আত্ম-সাতের  প্রতিবাদে মানবন্ধন

    বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে সুবিধাভোগীদের চালের কার্ড আত্ম-সাতের প্রতিবাদে মানবন্ধন

    শেখ সাইফুল ইসলাম কবির বিশেষ প্রতিনিধি: বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জ উপজেলার ৬ নং চিংড়াখালী ইউনিয়ন ১নং ওয়ার্ড নিবাসী মোহাম্মদ আলীর বিরুদ্ধে গরীব-অসহায়দের সরকার কর্তৃক দেয়া রেশনের ১৫ টাকা কেজি দরে ৩০ কেজি চালের কার্ড আত্মসাত এর অভিযোগে স্থানীয়রা প্রতিবাদে মানববন্ধন করেছেন।
    মানববন্ধন শেষে উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর একটি অভিযোগ দায়ের করেন। ওয়ার্ডবাসী ভুক্তভোগী জনসাধারণ এ মানববন্ধনে অংশগ্রহণ করেন। তারা বলেন গত ৫ আগষ্ট শেখ হাসিনা সরকারের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট পরিবর্তনের পর মোখলেছ শেখের পুত্র মোহাম্মদ আলী শেখ রেশনের ১৫ টাকা কেজি দরে ৩০ কেজি চালের কার্ডের বিষয়ে স্থানীয়ভাবে দেখার দায়িত্ব নেয়, ইউনিয়নের এই চালের কার্ড তার মাধ্যমে জমা দেওয়া হয়। উক্ত জমাকৃত কার্ডের চাল ছাড়িয়ে সুবিধাভোগী কার্ডের নাম ধারীদের না দিয়ে মোহাম্মদ আলী নিজেই তা আত্মসাত করে।
    এ বিষয়ে ভুক্ত ভোগী চিংড়াখালীর আবু বকর সর্দারের পুত্র ফজলু সর্দার(৪৫), কার্ডধারী আইউব আলী হাওলাদারের পুত্র লতিফ হাওলাদার এবং ইদ্রিস শেখের স্ত্রী রাশিদা বেগম(৫৫) দাবী করেন যে, বিগত কয়েক বছর ধরে গরীব অসহায়দের এই সরকারের দেয়া চাল ১৫/- টাকা কেজি দরে জনপ্রতি ৩০ কেজি চালের কার্ড থেকে চাল ছাড়িয়ে কোনমতে কষ্টে তাদের জীবন অতিবাহিত হয়। সেই কার্ডের চাল মোহাম্মদ আলী শেখ ঐ চাল ছাড়িয়ে নিজ বাড়ী নিয়ে আত্মসাত করেছে। অনেকে কাজকর্ম করতে পারে না, কেউ প্রতিবন্ধীর, কেউ বৃদ্ধ। মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন সরোয়ার সর্দারের স্ত্রী সজনী বেগম, আবু বকরের পুত্র নজরুল সর্দার সহ স্থানীয় বহু ভুক্তভোগী। এ সময় মসজিদের প্রতিষ্ঠাতা মনিরুদ্দিন শেখ এর পুত্র সোবাহান শেখ(৬০) বলেন, ‘মসজিদের টাকা নিয়েও আলীর সাথে হিসাবের গড়মিল আছে।’ আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আশেক ফাউন্ডেশনের উপজেলা যুগ্ন-সম্পাদক আজিম শেখ বলেন, বিভিন্ন অভিযোগ তারা শুনেছেন, এই আলী শেখের বিরুদ্ধে অনেক অভিযোগ আছে। বর্তমানে মোহাম্মদ আলীর বিরুদ্ধে বিভিন্ন ভাবে দলীয় চাপ আছে, দল থেকে তার এই অনৈতিক কর্মকান্ডের জন্য জবাব দিতে বলা হয়েছে। এছাড়া মাসুদ হাওলাদার বলেন, বর্তমানে দলীয়ভাবে মোহাম্মদ আলী কার্ডের দায়িত্ব পেয়ে চিংড়াখালী ইউনিয়নের অনেক মানুষের ক্ষতি করেছে। এ ছাড়াও মানববন্ধনে শতাধিক মানুষ প্রানের দাবী, প্রশাসনকে মোহাম্মদ আলীর এই দূর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করার অনুরোধ করেন। উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ নাজমুল ইসলাম বলেন, আলীর বিরুদ্ধে এ বিষয়ে একটি অভিযোগ পেয়েছি। যাহা খাদ্য নিয়ন্ত্রক অফিসার এবং ট্যাগ অফিসারের মাধ্যমে তদন্ত সাপেক্ষে অভিযোগের সত্যতা প্রমাণ পেলে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। অভিযুক্ত আলী শেখের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, কার্ডের বিষয়ে আমি সম্পূর্ণ ভাবে কিছু বলতে পারছিনা দায়িত্বরত আরো কিছু মানুষ আছে। তারা হয়তবা বলতে পারবে।

  • থানচিতে নূর হোসেন দিবস উপলক্ষে বিজিবি’র বিশেষ টহল

    থানচিতে নূর হোসেন দিবস উপলক্ষে বিজিবি’র বিশেষ টহল

    মথি ত্রিপুরা
    থানচি (বান্দরবান) প্রতিনিধি।

    নূর হোসেন দিবস উপলক্ষে বান্দরবানের থানচিতে বলিপাড়া ব্যাটালিয়ন (৩৮ বিজিবি) দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় দুস্কৃতিকারী সংঘটন কর্তৃক যাতে কোন প্রকার নাশকতা মূলক কর্মকান্ড সংঘটিত হতে না পারে সেজন্যে দায়িত্বপূর্ণ এলাকার সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা স্বাভাবিক রাখার জন্য বিশেষ টহল জোরদার করা হয়েছে।

    রবিবার (১০ নভেম্বর) সারাদিনের জন্য বলিপাড়া ব্যাটালিয়ন (৩৮ বিজিবি)

    ০১ প্লাটুন বিজিবি সদস্য বলিপাড়া ইউনিয়নের অধীনস্থ মনাইপাড়া, ডাকছৈপাড়া, বলিপাড়া বাজার এলাকায় এবং ০১ প্লাটুন বিজিবি সদস্য থানচি বাজার এলাকায় মোতায়েন পূর্বক বিশেষ টহল কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়।

    নুর হোসেন দিবস উপলক্ষে, বলিপাড়া ব্যাটালিয়ন (৩৮ বিজিবি) জোন অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্ণেল মোহাম্মদ তৈমুর হাসান খাঁন, পিএসসি দিক নির্দেশনায় বলিপাড়া ব্যাটালিয়ন সদরে ০১টি মনিটরিং সেল গঠন করতঃ দায়িত্বপূর্ণ এলাকার সকল আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী এবং বেসামরিক প্রশাসনের সাথে সার্বক্ষনিক সমন্বয় অব্যাহত রয়েছে।

  • ঝালকাঠিতে গভীর রাতে অ-গ্নিকান্ডে বসত ঘর ভস্মীভূত

    ঝালকাঠিতে গভীর রাতে অ-গ্নিকান্ডে বসত ঘর ভস্মীভূত

    রিপোর্ট : ইমাম বিমান

    ঝালকাঠি জেলার সদর উপজেলাধীন স্বল্পসেনা গ্রামের মল্লিক বাড়ীর হাবিব মল্লিকের বসত ঘরে গত ০৯ নভেম্বর গভীর রাতে অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটে। গত ০৯ নভেম্বর দিবাগত রাত আনুমানিক পৌনে ০১টার সময় দোতালা বিশিষ্ট কাঠের ঘরের উপর তলায় আলো দেখতে পায়। হঠাৎ ঘরের ভিতরে থাকা লোকজন আলোর ঝলকানি দেখতে পেয়ে চিৎকার করতে করতে ঘর থেকে বের হয়ে যায়। তাদের চিৎকার শুনে এলাকাবাসী ছুটে এসে আগুন নিভানোর চেষ্টা করে।

    এ বিষয় ফরিদ উদ্দীন মল্লিক জানান, রাত আনুমানিক পৌনে একটার সময় আমার বাবা আমার স্ত্রীকে ডেকে বলে ঘরের ভিতর আলো জ্বলছে কেন। তখন আমার স্ত্রী বিছানা থেকে উঠে আগুন দেখতে পায়। এ সময় সে চিৎকার করে আমাকে ডাকতে ডাকতে দৌড়ে আমাদের শায়ন কক্ষে গিয়ে আমার ছোট সন্তানকে কোলে নিয়ে আমাকেও ঘর থেকে বের হতে বলে।আমার ঘুম ভেঙ্গে গেলে আমি আমার অন্য বাচ্চাকে কোলে নিয়ে আমার বাবাকে সহ ঘর থেকে বের হয়ে যাই। আমার স্ত্রী, সন্তান ও বাবাকে বাড়ীর আঙ্গিনায় রেখে দৌড়ে ঘরের মধ্যে ছুটে গিয়ে বৈদ্যুতিক মেইন সুইচ অফ করে দেই। এরপর ঘর থেকে বের হয়ে চিৎকার করতে থাকলে এলাকাবাসী এসে পানি দিয়ে আগুন নিভানোর চেষ্টা করলেও মাত্র ১৫ মিনিটের মধ্যে পুড়ো ঘরের মধ্যে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। আর আমার চোখের সামনেই ঘরটি পুড়তে থাকে। বিষয়টি আমার ছোট ভাই মাহাবুব আলমকে ফোনে জানালে সে ৯৯৯ এ ফোন করে ঝালকাঠি ফায়ার সার্ভিসের সহযোগীতা চাইলে ঝালকাঠি ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা এসে দীর্ঘ এক ঘন্টা চেষ্টা করে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে পারলেও ততক্ষনে আমার ঘরটি পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।

    এ বিষয় ঝালকাঠি ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের পক্ষ থেকে ফায়ার স্টেশন লিডার শহিদুল ইসলামের কাছে জানতে চাওয়া হলে তিনি জানান, আমরা রাত ০১ঃ০৪ চার ঘটিকার সময় ৯৯৯এর মাধ্যমে আগুন লাগার সংবাদ পাই এবং সাথে সাথে গাড়ী নিয়ে বের হই। রাস্তার অবস্থা একটু খারাপ থাকায় ০১ঃ২০ ঘটিকার মধ্যে ঘটনা স্থলে পৌছাই এবং মাত্র ২মিনিটের মধ্যেই আমাদের কার্যক্রম শুরু করতে সক্ষম হই। দীর্ঘ একঘন্টা চেষ্টার পরে রাত আনুমানিক ২ঃ৩০ ঘটিকার মধ্যে আগুন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণ আনতে সক্ষম হই। তবে আগুনের সূত্রপাত সম্পর্কে এখনো জানতে পারিনি তবে তদন্ত করে আমরা বলতে পারবো।

    এ বিষয় হাবিব মল্লিকের ছেলে মাহাবুব আলম জানান, আমি চাকরি সূত্রে এলাকার বাহিরে থাকায় আমাদের বসত ঘরে আগুন লাগায় ঐ সময় আমার বড় ভাই আমাকে ফোন দিলে আমি তার ফোনের লাইন কেটে ৯৯৯এ ফোন দিয়ে তাদের সহযোগীতা চাই। ক্ষয়ক্ষতির বিষয় তার নিকট জানতে চাওয়া হলে তিনি জানান, অগ্নিকান্ডের ঘটনায় আনুমানিক তাদের পঁচিশ লক্ষাধিক টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।