Author: desk

  • ধ-র্ষণ মামলা প্র-ত্যাহার না করায় বাদীর হাতে অস্ত্র দিয়ে পুলিশে দেওয়ার অভিযোগ আসামীর পরিবারের বিরুদ্ধে

    ধ-র্ষণ মামলা প্র-ত্যাহার না করায় বাদীর হাতে অস্ত্র দিয়ে পুলিশে দেওয়ার অভিযোগ আসামীর পরিবারের বিরুদ্ধে

    এম এ আলিম রিপন ঃ ধর্ষণ মামলা প্রত্যাহার না করায় বাদীর হাতে অস্ত্র দিয়ে পুলিশে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে আসামীর পরিবারের লোকজনের বিরুদ্ধে। পাবনার সুজানগর উপজেলার নাজিরগঞ্জ ইউনিয়নের উদয়পুর গ্রামে সোমবার সন্ধ্যা ৭টা দিকে এ ঘটনা ঘটে। জানা যায়, পাবনার সুজানগর উপজেলার নাজিরগঞ্জ ইউনিয়নের উদয়পুর গ্রামের বাসিন্দা সোবাহান মল্লিক পেশায় রিক্সা চালক তার ৯ বছরের একমাত্র মেয়ে এবং স্ত্রীকে নিয়ে ঢাকার সাভারে স্থানীয় জহির খানের বাড়িতে ভাড়াটিয়া হিসেবে বসবাস করে রিক্সা চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করছিলেন। এমতাবস্থায় গত ৩০-১২-২০২২ তারিখে ওই ভাড়া বাসায় তার সুজানগর উদয়পুর গ্রামের বাড়ির পার্শ্ববর্তী বাসিন্দা ও পূর্ব পরিচিত মোশারফ হোসেন ওরফে মন্দির মন্ডলের ছেলে মো.আলমগীর হোসেন(৩০)বেড়াতে যায়। এর মধ্যে ১/১২/২০২২ তারিখ রাত অনুমান ০৮.৩০ দিকে মেয়েটির হত দরিদ্র পিতা রিক্সা চালানোর জন্য বাসার বাহিরে চলে যায় এবং তার মা লাভলী খাতুন বাসার রান্না কাজে রান্না ঘরে থাকায় তার ৯ বছরের মেয়েকে জোরপূর্বক বসত ঘরের সামনের ফাকা রুমের ভিতরে নিয়ে মেয়েটিকে বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি দেখিয়ে ধর্ষণ করে পালিয়ে যায় অভিযুক্ত আলমগীর হোসেন। পরে বিষয়টি বুঝতে পেরে পরিবারের সদস্যরা স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে চিকিৎসা প্রদান করে মেয়েটিকে। ধর্ষণের এ ঘটনায় মেয়েটির পিতা সোবাহান মল্লিক গত ৩-১২-২০২২ তারিখে সাভার মডেল থানায় মো.আলমগীর হোসেনকে অভিযুক্ত করে একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন। যাহার মামলা নং-১১। এরপর মামলা দায়েরের ৩ দিনের দিনের মধ্যে একমাত্র পলাতক আসামী আলমগীর হোসেনকে র‌্যাব গ্রেফতার করে পুলিশের নিকট হস্তান্তর করলে সাভার মডেল থানা পুলিশ তাকে আদালতে প্রেরন করে। এবং জামিন না হওয়ায় প্রায় ২ বছর ধরে এখন পর্যন্ত আসামী জেল হাজতে রয়েছে। এরপর ঢাকা থেকে এসে মেয়েটির পরিবার তার নানা বাড়ী আতাইকুলার কাঁচারপুর গ্রামে বসবাস করতে শুরু করে। এমতাবস্থায় ধর্ষণ মামলার বাদী মেয়েটির পিতা সোবাহান মল্লিককে মামলা প্রত্যাহারের জন্য বিভিন্ন সময় ভয়ভীতি ও হুমকি প্রদর্শন করতে থাকে অভিযুক্ত ধর্ষক আলমগীরের পরিবারের লোকজন। এরই মধ্যে অসহায় মেয়েটির পিতাকে সুজানগরের নাজিরগঞ্জের স্থানীয় প্রভাবশালী ব্যক্তিদের দিয়ে চাপ প্রয়োগ করে শালিস মিমাংসার কথা বলে মেয়েটির পিতাকে আতাইকুলা থেকে ডেকে নিয়ে এসে অভিযুক্ত ধর্ষকের পিতার উদয়পুর মোড়ের মুদি দোকানে আটকে রেখে মারপিট করে হাতে একটি রিভালবার ও ২ রাউন্ড গুলিসহ ধরিয়ে দিয়ে পুলিশকে খবর দেয় বলে অভিযোগ উঠেছে। পরে পুলিশ মেয়েটির বাবাকে অস্ত্রসহ আটক করে থানায় নিয়ে গিয়ে অস্ত্র মামলায় মঙ্গলবার পাবনা আদালতে পাঠিয়ে দেয় । ধর্ষণের শিকার মেয়েটির মা লাভলী খাতুন কান্না জড়িত কন্ঠে মঙ্গলবার জানান, তার মেয়েকে ধর্ষণের মামলার বুধবার ১৩ নভেম্বর ২০২৪ তারিখে ঢাকার আদালতে শুনানীর দিন ধার্য রয়েছে। এর মধ্যে আতাইকুলা আমার বাবার বাড়ি থেকে ধর্ষক আলমগীরের চাচা মিজান মোবাইল ফোনে আমার স্বামীকে মামলাটি আপস মিমাংসার কথা বলে সোমবার বিকাল ৩টার দিকে ডেকে নিয়ে যায়। পরে এদিন রাতে শুনি আমার স্বামীকে অস্ত্র হাতে দিয়ে ধর্ষক আলমগীরের পিতার দোকানের ভেতর থেকে পুলিশ ডেকে ধরিয়ে দেওয়া হয়েছে। আমরা এ ঘটনার সুষ্ঠ তদন্ত করে আমার স্বামীর হাতে কে অস্ত্র দিল,এ অস্ত্র কোথা থেকে এলো এবং কারা কারা এ অস্ত্র যোগান দিয়েছে তাদের প্রত্যেককে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক কঠোর শাস্তির দাবি জানিয়েছেন পাশাপাশি তার নির্দোষ স্বামীর মুক্তির দাবি জানান। এ বিষয়ে সুজানগর থানার ওসি গোলাম মোস্তফা মঙ্গলবার জানান স্থানীয় কতিপয় কয়েকজন ব্যক্তি পুলিশকে ফোন দিয়ে অস্ত্রসহ একজনকে ধরা হয়েছে খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে অস্ত্রসহ সোবাহানকে গ্রেফতার করে নিয়ে আসে। পরে পুলিশ জানতে পারে যে দোকান থেকে অস্ত্রসহ সোবাহান মল্লিক নামক ব্যক্তিকে পুলিশ আটক করে সে দোকানের মালিক ধর্ষণের অভিযোগে বর্তমানে জেল হাজতে থাকা আলমগীরের পিতা মোশারফ হোসেন ওরফে মন্দির মন্ডলের। আর ওই ধর্ষণ মামলার বাদী সোমবার অস্ত্রসহ আটক হওয়া সোবাহান মল্লিক। এ সময় তিনি আরো বলেন অস্ত্র উদ্ধারের পেছনে অন্য কোন কারণ রয়েছে কিনা এবং এর সাথে অন্য কারা কারা জড়িত রয়েছে সঠিক তদন্তের মাধ্যমে এর রহস্য উদঘাটন করতে পুলিশ কাজ শুরু করেছে। এবং যারাই জড়িত থাক তাদের প্রত্যেককেই আইনের আওতায় নিয়ে আসা হবে। এদিকে ষড়যন্ত্রের শিকার হত দরিদ্র রিক্সা চালক সোবাহান মল্লিক যেন সঠিক বিচার পান এজন্য সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের নিকট দাবি জানানোর পাশাপাশি তার মুক্তির দাবী জানিয়েছেন সুজানগরবাসী।

    এম এ আলিম রিপন
    সুজানগর(পাবনা)প্রতিনিধি।

  • মহেশপুর সীমান্ত দিয়ে অবৈধ পথে ভারতে প্রবেশের চেষ্টাকালে ৩৬ বাংলাদেশী আটক

    মহেশপুর সীমান্ত দিয়ে অবৈধ পথে ভারতে প্রবেশের চেষ্টাকালে ৩৬ বাংলাদেশী আটক

    ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ
    ঝিনাইদহের মহেশপুর সীমান্ত দিয়ে অবৈধ ভাবে ভারতে প্রবেশের চেষ্টাকালে এক দালালসহ ২৪ ঘন্টায় ৩৬ বাংলাদেশীকে আটক করেছে মহেশপুরের খালিশপুর ৫৮ বিজিবি। আটককৃতদের মধ্যে ১২ জন নারী, ১৫ জন পুরুষ ও ৮ জন শিশু। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় বিজিবির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, গত সোমবার রাত থেকে মঙ্গলবার দুপুরে ১২টা পর্যন্ত মহেশপুরের মাটিলা, বাঘাডাংগা, সামন্তা, খোসালপুর, পলিয়ানপুর ও শ্রীনাথপুর সীমান্ত এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। বিজিবি সুত্রে জানা গেছে, মানব পাচারের তথ্য পেয়ে সীমান্ত এলাকায় বিজিবি টহল ও অভিযান জোরদার করা হয়। অভিযানকালে ২৪ ঘন্টায় এক দালালসহ ৩৬ জনকে আটক করে বিজিবি। আটককৃত ব্যক্তিরা বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলার বাসিন্দা বলে বিজিবি জানায়। উল্লেখ্য শুধু নভেম্বর মাসেই অবৈধ ভাবে সীমান্ত পার হওয়ার সময় ১১৪ জনকে বিজিবি আটক করেছে।

    আতিকুর রহমান
    ঝিনাইদহ।।

  • লঞ্চ থেকে পুলিশ কর্মকর্তার স্ত্রীর নদীতে ঝাঁপ কীর্তণখোলায় ভেসে উঠল ম-রদেহ

    লঞ্চ থেকে পুলিশ কর্মকর্তার স্ত্রীর নদীতে ঝাঁপ কীর্তণখোলায় ভেসে উঠল ম-রদেহ

    আব্দুল আউয়াল
    বানারীপাড়া(বরিশাল)প্রতিনিধি:

    বরিশাল থেকে ঢাকাগামী এমভি সুন্দরবন-১৬ লঞ্চ থেকে নদীতে ঝাঁপ দেওয়া এক পুলিশ কর্মকর্তার স্ত্রীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১২ নভেম্বর) সকালে কীর্তনখোলা নদী থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়েছে বলে বরিশাল সদর নৌ-থানার এসআই মো. আসাদুল আল গালিব জানিয়েছেন।
    দুই সন্তানের জননী ওই নারীর নাম আলো মজুমদার (৩৭)। তিনি বরিশালের বানারীপাড়া উপজেলার নরেরকাঠি গ্রামের কৃষ্ণকান্ত মজুমদারের কন্যা। তার স্বামী অনুপ রায় পটুয়াখালী জেলা পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) পরিদর্শক হিসেবে কর্মরত।
    বরিশাল সদর নৌ-থানার এসআই মো. আসাদুল আল গালিব জানান, সোমবার রাতে বরিশাল নৌ-বন্দর থেকে ঢাকার উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায় এমভি সুন্দরবন ১৬ লঞ্চ। রাতে খবর পেয়েছেন, লঞ্চ থেকে এক নারী নদীতে ঝাঁপ দিয়েছে।
    সকালে খবর পান, কীর্তনখোলা নদীর চরমোনাই ইউনিয়নের পশুর কাঠি এলাকায় এক নারীর মরদেহ ভাসমান অবস্থায় রয়েছে। তারা গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে বরিশাল শেরই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছেন। সেখানে এসে স্বজনরা মরদেহ শনাক্ত করেছেন।এসআই গালিব আরও জানান, মরদেহের ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ওই নারীর ভাই মঞ্জু মজুমদার জানান, আলো মজুমদার মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে ফেলেছিলেন।নগরের কাশিপুর পাসপোর্ট অফিসের পাশে এক ভাড়া বাসায় থাকতেন। সোমবার সকালে মোবাইলে টাকা রিচার্জ করার কথা বলে বের হন। তারপর তার কোনো সন্ধান ছিল না। এ ঘটনায় মহানগর পুলিশের এয়ারপোর্ট থানায় সাধারণ ডায়েরিও করেছিলেন। ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
    এ বিষয়ে এয়ারপোর্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাকির সিকদার জানিয়েছেন, মৃত আলো রানী মজুমদারের বড় বোন মঞ্জু রানী মজুমদার একটি সাধারণ ডায়েরি করেছেন। সেখানে তিনি মৃত আলো রানী মজুমদার মানসিক বিকারগ্রস্ত এবং ওইদিন সকাল ১০টায় বাসা থেকে বের হয়ে নিখোঁজ বলে উল্লেখ করেন।
    ডিজির সূত্র ধরে তদন্ত শুরু করে আজ মঙ্গলবার জানতে পারেন, ওই নারীর মরদেহ কীর্তনখোলা নদীতে পাওয়া গেছে। তদন্ত ছাড়া নেপথ্যের ঘটনা সম্পর্কে কেউ বলতে পারছেন না বলে জানিয়েছে পুলিশ।এদিকে গতদিন মধ্যরাতে বরিশাল থেকে ঢাকাগামী সুন্দরবন-১৬ লঞ্চ থেকে এক নারী নদীতে ঝাঁপ দিয়েছে বলে ফেসবুকে লাইভ করেন এক যাত্রী। লঞ্চ থামিয়ে খোঁজ করেও ওই নারীকে উদ্ধার করা যায়নি।
    সুন্দরবন-১৬ লঞ্চের কেরানি মো. বাবুল বলেন, রাত ১১টার দিকে লঞ্চ বামনীচর এলাকা অতিক্রমকালে এক নারী নদীতে ঝাঁপ দেন। ডেকের যাত্রী ওই নারীকে দুই ঘণ্টা ধরে খোঁজ করা হয়। পরে না পেয়ে নৌ-পুলিশ ও কোস্টগার্ডকে জানিয়ে লঞ্চ ঢাকা চলে যায়।বরিশাল সদর নৌ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সনাতন চন্দ্র সরকার জানান, ৯৯৯-এ ফোনকল করায় খবর পেয়ে মঙ্গলবার সকালে সেখানে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এরপর মরদেহ দুপুরে শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয় ময়নাতদন্তের জন্য। তবে প্রাথমিকভাবে শরীরে কোনো আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি।

    আব্দুল আউয়াল
    বানারীপাড়া(বরিশাল)প্রতিনিধি।।

  • প্রল-য়ংকারী ঘূর্ণিঝড়ে নিহ-তদের স্মরনে দোয়া এবং পাথরঘাটায় ‘উপকূল দিবস’ পালিত

    প্রল-য়ংকারী ঘূর্ণিঝড়ে নিহ-তদের স্মরনে দোয়া এবং পাথরঘাটায় ‘উপকূল দিবস’ পালিত

    অমল তালুকদার,পাথরঘাটা(বরগুনা)থেকে: বরগুনার পাথরঘাটায় উপকূল দিবস পালিত হয়েছে। পাথরঘাটা উপকূল সুরক্ষা আন্দোলনের আয়োজনে আজ মঙ্গলবার (১২ নভেম্বর) বেলা ১১টায় একটি শোভা যাত্রা পৌর শহরের গোল চত্বর থেকে শুরু করে প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে পাথরঘাটা উপজেলা পরিষদ চত্বরে শেষ হয়। পরে পাথরঘাটা উপজেলা পরিষদ চত্বরের মুক্তমঞ্চে ৭০এর প্রাণহানিদের রুহের মাগফিরাতে দোয়া মোনাজাত করা হয। এর আগে মুক্ত মঞ্চে অবস্থিত সিডরে নিহত এবং ১৯৯৩ সাল থেকে ২০২৪ সালের জুন পর্যন্ত সাগরে নিখোঁজ জেলেদের স্মরনে স্মৃতি ফলকে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়।

    সাংবাদিক রফিকুল ইসলাম মন্টুর সহযোগিতা ও দিকনির্দেশনায় বরগুনার পাথরঘাটায় এ দিবসটি আয়োজন করেন পাথরঘাটা উপকূল সুরক্ষা আন্দোলন।

    বক্তব্য রাখেন, পাথরঘাটা উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মো. রোকনুজ্জামান খান, পাথরঘাটা প্রেসক্লাবের সভাপতি গোলাম মোস্তফা চৌধুরী, সাবেক সভাপতি মির্জা শহীদুল ইসলাম খালেদ, পাথরঘাটা উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক চৌধুরী মোহাম্মদ ফারুক, মেহেদী শিকদার প্রমুখ। স্মৃতিচারণ অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সাংবাদিক ও গবেষক শফিকুল ইসলাম খোকন।

    বক্তারা ৭০ সনের বন্যার স্মৃতিচারণ করেন এবং এ দিনটি উপকূল দিবস হিসেবে স্মৃতির দাবি করেন। এছাড়াও পাথরঘাটাসহ উপকূলে জেলেদের নিরাপত্তা, পুনর্বাসন, নিখোঁজ জেলেদের আইনগত স্বীকৃতি দেয়ারও দাবি জানানো হয়।

    ১৯৭০ সালরে ১২নভম্বের তৎকালীন র্পূব পাকিস্তানের (র্বতমান বাংলাদশে-এর) দণিাঞ্চলে আঘাত হানে একটি প্রলয়ঙ্কারী ঘূর্ণিঝড় । এ পর্যন্ত রেকের্ডকৃত ঘূর্নিঝড় সমূহরে মধ্যে এটি সবচেয়ে ভয়াবহ ঘূর্নিঝড় এবং এটি সর্বকালরে সবচেয়ে ভঙ্করতম প্রাকৃতকি দূর্যোগের একটি। এ ঝড়ের কারণে প্রায় ১০ লাখ মানুষ প্রাণ হারায়। এটি ১৯৭০-এর উত্তর ভারতীয় ঘূর্নিঝড় মৌসুমরে ৬ষ্ঠ ঘূর্নিঝড় এবং মৌসুমরে সবচেয়ে শক্তশিালী ঘূর্নিঝড় ছিল। এটি সিম্পসন স্কেলে ‘ক্যাটাগরি ৩’ মাত্রার র্ঘূণঝিড় ছিল। সেই দিনে যারা প্রাণ হারিয়েছেন; তাঁদের স্মরণ করতেই পাথরঘাটার বিভিন্ন সংগঠন আজকে এ আয়োজন করে।

    অমল তালুকদার
    পাথরঘাটা বরগুনা ।।

  • টুরিস্ট পুলিশ ও স্টেক হোল্ডারদের মধ্যে মত বিনিময় সভা মাওয়া ঘাটে অনুষ্ঠিত

    টুরিস্ট পুলিশ ও স্টেক হোল্ডারদের মধ্যে মত বিনিময় সভা মাওয়া ঘাটে অনুষ্ঠিত

    বি এম মনির হোসেন সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টারঃ-

    মুন্সিগঞ্জ জেলার পর্যটন শিল্পের প্রসারে টুরিস্ট পুলিশ ও স্টেকহোল্ডারদের সাথে গতকাল মুন্সীগঞ্জের মাওয়া ফেরিঘাটের শখের হাড়ি নামক রেস্টুরেন্টের হল রুমে এক মত বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।উক্ত মত বিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন টুরিস্ট পুলিশ প্রধান ডিআইজি জনাব মোঃ আবু কালাম সিদ্দিক (অতিরিক্ত আইজিপি ভারপ্রাপ্ত)।বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত ডিআইজি জনাব মোঃ সাখাওয়াত হোসেন ঢাকা ডিভিশন, ঢাকা রিজিয়ন টুরিস্ট পুলিশ সুপার জনাব মোঃ নাইমুল হক পিপিএম, মুন্সিগঞ্জ জেলার সদ্য পদোন্নতি প্রাপ্ত পুলিশ সুপার জনাব মোঃ বদিউজ্জামান, ঢাকা রিজিয়নের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার নাদিয়া ফারজানা, জেলা প্রশাসকের প্রতিনিধি জনাব মোঃ কাইসুর আলম এসি ল্যান্ড লৌহজং উপজেলা , মুন্সিগঞ্জ জেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি জনাব মোঃ বাছির উদ্দিন জুয়েল ও টুরিস্ট পুলিশ কমিউনিটি পুলিশিং এর সাধারণ সম্পাদক জনাব মোঃ মাসুদ শিকদার। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ত করেন শখের হাড়ি রেস্টুরেন্টের অধিকার টুরিস্ট পুলিশ কমিউনিটি পুলিশিং এর সভাপতি ও রেস্টুরেন্ট মালিক সমিতির প্রেসিডেন্ট জনাব মোঃ মুরাদ খান।সভায় স্টেকহোল্ডার এবং টুরিস্ট পুলিশ মাওয়া ঘাটের পর্যটন শিল্পের উন্নয়নে বিভিন্ন ধরনের বক্তব্য রাখেন। বিশেষ অতিথি ঢাকা রিজিয়ন ট্যুরিস্ট পুলিশ সুপার জনাব মোঃ নাইমুল হক পিপিএম তার বক্তব্যে মাওয়া ঘাটে এসে ইলিশ খাওয়াকে শৈল্পিক সৌন্দর্য বলে উল্লেখ করেন। পরবর্তীতে ডিআইজি মোঃ আবু কালাম সিদ্দীক তার বক্তব্যে বলেন, বাংলাদেশ টুরিস্ট পুলিশ পর্যটন শিল্পের উন্নয়নে অ্যাম্বাসেডর হিসেবে কাজ করছে। মুন্সিগঞ্জ জেলায় পর্যটন শিল্পের প্রসারে ও পর্যটকদের নিরাপত্তায় টুরিস্ট পুলিশের গৃহীত বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের কথা তিনি উল্লেখ করেন।

  • রাষ্ট্র সংস্কারে ইসলামের ভূমিকা গাইবান্ধায় হেযবুত তওহীদের আলোচনা সভা

    রাষ্ট্র সংস্কারে ইসলামের ভূমিকা গাইবান্ধায় হেযবুত তওহীদের আলোচনা সভা

    আমিরুল ইসলাম কবির,
    স্টাফ রিপোর্টারঃ

    রাষ্ট্র সংস্কারে ইসলামের ভূমিকা শীর্ষক আলোচনা সভা করেছে গাইবান্ধা জেলা হেযবুত তওহীদ। মঙ্গলবার গাইবান্ধা শিল্পকলা অডিটোরিয়ামে এ বিষয়ে দিনব্যাপী আলোচনা করা হয়।

    সংগঠনের জেলা শাখার সভাপতি, জাহিদ হাসান মুকুলের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন,হেযবুত তওহীদের মুখপাত্র মসিহ উর রহমান।

    এসময় তিনি বলেন,রাষ্ট্র সংস্কারের নামে দেশে যা চলছে সেই সংস্কার দিয়ে রাষ্ট্রের মানুষ শান্তিতে বসবাস করতে পারবে না। বরং রাষ্ট্র সংস্কারে ইসলামের ভূমিকা অনস্বীকার্য। গনতান্ত্রিক ধাপ্পাবাজের মধ্য থেকে কোনো সংস্কার বাস্তব সংকটের সমাধান হতে পারে না। তাই আগে রাষ্ট্র সংস্কারে সিস্টেমের আমূল পরিবর্তন করতে হবে।
    চলমান সিস্টেমকে পাল্টাতে হবে। হেযবুত তওহীদ বিগত ২৮ বছর ধরে এই কথাই বলে আসছে। হেযবুত তওহীদের মাননীয় ইমাম হোসাইন মোহাম্মদ সেলিম রাষ্ট্র সংস্কারের যে প্রস্তাবনা তুলে ধরছেন সেই প্রস্তাবনা গ্রহণ করতে সংশ্লিষ্ট সকলকে আহ্বান জানান তিনি।
    একই সাথে চলমান অন্যায় অশান্তি দূর করতে ইসলামের প্রকৃত শিক্ষা নিয়ে মাঠে ময়দানে কর্মীদের নিঃস্বার্থভাবে কাজ করে যাওয়ার নির্দেশনা দেন জনাব মসিহ উর রহমান।

    মো. তাজুল ইসলামের সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য রাখেন,সংগঠনের রংপুর বিভাগীয় দায়িত্বশীল আব্দুল কুদ্দুস শামীম, রাজশাহী বিভাগীয় দায়িত্বশীল আশেক মাহমুদ,রংপুর জেলা শাখার সভাপতি আবুল কালাম আজাদ রুবেল,রংপুর জেলা সাধারণ সম্পাদক মো. আমিরুল ইসলাম,গাইবান্ধা জেলা সাধারণ সম্পাদক সোহরাব হোসেন শিরল, ফুলছড়ি উপজেলা সভাপতি মাহবুবুর রহমান,সিনিয়র সদস্য আক্তার হোসেন খান ওপেলসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

    অনুষ্ঠানে বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।।

  • সিরাজদিখানে ফ্যাসিস্ট সরকারের দোষর  ভূমি দস্যু মোক্তারের বিরুদ্ধে এলাকাবাসীর মানববন্ধন

    সিরাজদিখানে ফ্যাসিস্ট সরকারের দোষর ভূমি দস্যু মোক্তারের বিরুদ্ধে এলাকাবাসীর মানববন্ধন

    লিটন মাহমুদ,
    মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধিঃ

    সিরাজদিখানে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের বিরুদ্ধে অর্থ জোগানদাতা, ভূমি দস্যু, আওয়ামী লীগের দালালের বিরুদ্ধে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার (১২ নভেম্বর) বিকেল ৪ টায় চিত্রকোটে এ মানবন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল হয়। এতে এলাকার শত শত নারী পুরুষসহ সর্বস্তুরের সাধারন মানুষ অংশগ্রহণ করে।

    মানববন্ধনে ভুক্তভুগীরা বলেন, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন বিপক্ষে অবস্থান নেয়া মোহাম্মদ মোক্তার হোসেন এলাকার নিরীহ মানুষের জমি রেকর্ড ঠিক করে দিবে বলে টাকা ও জমির দলিল হাতিয়ে নেয়। কেউ প্রতিবাদ করলে তাকে মামলা দিয়ে হয়রানি করা হয়। বিভিন্ন মানুষের কাছ থেকে টাকা ও জমি দখল করে।

    মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন, ভূক্তভোগীদের মধ্যে মিথ্যা মামলার বাবুল, হালিম, জোড়পূর্বক বাড়ি দখল কালীদাস মন্ডল, নামজারি করানোর জন্য ৫০ হাজার টাকা নেওয়ার তারা, মিথ্যা মামলা আবুল মেম্বার, রুকসানা, সুমন, ফালান, মুন্না, সুশীল, ৬ শতাংশ জোর পূর্বক দখল উদ্ধোব মন্ডলসহ ছাত্র জনতা। এছাড়াও বিভিন্ন দল, মত, ধর্ম, বর্ন, শ্রেণি পেশার মানুষ, সাংবাদিক ও বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের প্রতিনিধি।

  • নপম ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে গাছের চারা বিতরণ

    নপম ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে গাছের চারা বিতরণ

    এম এ আলিম রিপন :পাবনার সুজানগরের স্বেচ্ছাসেবী সামাজিক সংগঠন নপম ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের মাঝে এক হাজার গাছের চারা বিতরণ করা হয়েছে। সবুজ পরিবেশ নির্মাণের অংশ হিসেবে সংগঠনটি পাবনা জেলার সুজানগর উপজেলার সাগরকান্দি ইউনিয়ন এবং বেড়া উপজেলার মাশুন্দিয়া ইউনিয়নের মোট ৪টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের মাঝে প্রায় ৮৫০ টি গাছের চারা উপহার হিসেবে বিতরণ করে। এছাড়া নপম সদস্য, এবং ভ্যানশ্রমিক সহ বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষের মাঝে ১৫০টি গাছের চারা বিতরণ করা হয়। বিতরণকৃত বনজ ও ঔষধী গাছের চারা এলাকার পরিবেশে ভারসাম্য আনয়ন এবং নানা রকম রোগ বালাই মুক্ত করতে ভূমিকা রাখবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন নপম সেক্রেটারি সন্দ্বীপ ঘোষ। তিনি জানান, আমরা কেবল গাছের চারা বিতরণ করেই দায়িত্ব শেষ করিনি। শিক্ষার্থীদের গাছের পরিচর্যা করার জন্য উদ্বুদ্ধ করেছি। তারা যদি পরিচর্যা করে বেড়ে তুলতে পারে আগামি বছরে পুনরায় তাদের উপহার স্বরূপ গাছের চারা দেওয়া হবে।

  • র‌্যাব-১২ এবং র‍্যাব-৪ এর যৌথ অভিযানে  তাড়াশ যুবলীগের সভাপতি আনোয়ার হোসেন খান ঢাকা থেকে গ্রেফতার

    র‌্যাব-১২ এবং র‍্যাব-৪ এর যৌথ অভিযানে তাড়াশ যুবলীগের সভাপতি আনোয়ার হোসেন খান ঢাকা থেকে গ্রেফতার

    প্রেস বিজ্ঞপ্তি।
    র‌্যাব-১২ এবং র‍্যাব-৪ এর যৌথ অভিযানে প্রকাশ্যে অস্ত্র উঁচিয়ে হত্যার উদ্দেশ্যে গুরুতর জখমসহ ককটেল বিস্ফোরণ সংক্রান্তে দায়েরকৃত দু’টি মামলার অন্যতম প্রধান আসামি ও তাড়াশ উপজেলা যুবলীগের সভাপতি আনোয়ার হোসেন খান ঢাকা থেকে গ্রেফতার।

    র‌্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব) প্রতিষ্ঠাকালীন সময় থেকেই দেশের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সমুন্নত রাখার লক্ষ্যে সব ধরণের অপরাধীকে আইনের আওতায় নিয়ে আসার ক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে। জঙ্গী, সন্ত্রাসী, সংঘবদ্ধ অপরাধী, ছিনতাইকারী, জুয়ারি, মাদক ব্যবসায়ী, খুন এবং অপহরণসহ বিভিন্ন চাঞ্চল্যকর মামলার আসামি গ্রেফতারে র‌্যাব নিয়মিত অভিযান চালিয়ে আসছে।

    ১।গত ১২ ডিসেম্বর ২০১৮ খ্রিঃ তারিখ অনুমান বিকাল ৩.৩০ হতে ৪.০০ ঘটিকার সময় তাড়াশ থানা আওয়ামীলীগের সেক্রেটারী সঞ্চিত কর্মকার ও সাবেক এমপি আব্দুল আজিজের নেতৃত্বে আওয়ামীলীগ সমর্থিত আসামিরা ২০১৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বিএনপি প্রার্থী জনাব আব্দুল মান্নান তালুকদার ধানের শীষের প্রচারনা করার উদ্দেশ্যে গাড়ী বহর নিয়ে বিনোদপুর বাজার সংলগ্ন খেলার মাঠে নির্বাচনী বক্তব্য শুরু করলে এজাহারনামীয় আসামিরা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে নিজেদের অসৎ উদ্দেশ্যে চরিতার্থ করার লক্ষ্যে নাশকতামূলক কার্যক্রম করার নিমিত্তে অস্ত্রঘাতমূলক হামলা করে দেশে অস্থীতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি করার জন্য সলাপরামর্শ করে এজাহারনামীয় আসামিরা দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র ও বিস্ফোরক দ্রব্য নিয়ে ধানের শীষের প্রার্থী জনাব আব্দুল মান্নান তালুকদারের নির্বাচনী বক্তব্যের সময় আক্রমণ করে এবং ককটেল বিস্ফোরণ করে নির্বাচনী প্রচারনায় বাধা সৃষ্টি করে এবং ধানের শীষের প্রার্থী আব্দুল মান্নান তালুকদারকে হত্যার উদ্দেশ্যে ধৃত আসামি আনোয়ার হোসেন খান ও আওয়ামীলীগের সেক্রেটারী সঞ্চিত কর্মকার ও অন্যান্য আসামিরা এলোপাথারীভাবে মারপিট করে শরীরের বিভিন্ন জায়গায় গুরুতর জখম করে। এছাড়া এজাহারনামীয় আসামিরা সাবেক এমপি জনাব আব্দুল মান্নান তালুকদার তার জীবন বাচানোর জন্য হাইচ গাড়ীতে উঠলে এজাহারনামীয় আসামি মোক্তার হোসেন ও ময়নুল হোসেনের নেতৃত্বে এজাহারনামীয় আসামিরা তাকে হত্যার উদ্দেশ্যে গাড়ী ভাংচুর করে এবং গাড়ীতে আগুন ধরিয়ে দেয়। তৎপর আব্দুল মান্নান তালুকদার জীবন বাচানোর লক্ষ্যে গাড়ী থেকে দ্রুত নেমে কোনো মতে জীবন বাঁচিয়ে নিরাপদ স্থানে চলে আসে। কিন্তু এজাহারনামীয় আসামিরা ইহাতে ক্ষান্ত না হয়ে পুনরায় ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে লোকজনকে ছত্র ভঙ্গ করিয়ে দেয়। গ্রেফতারকৃত আসামির এর বিরুদ্ধে সিরাজগঞ্জ জেলার তাড়াশ থানায় ০২টি নাশকতা মামলা সংক্রান্তে তথ্য পাওয়া যায়। ১। মামলা নং-০৪, তারিখ-১১/০৯/২০২৪ খ্রিঃ, ধারা- ১৪৩/৪৪৭/৩২৩/৩২৫/৩০৭/৪২৭/৩৪ দন্ড বিধি ১৮৬০ তৎসহ ৩/৪ বিস্ফোরক পদার্থ আইন ১৮০৯ এবং ২। মামলা নং-৯, তারিখ-২৪ আগস্ট ২০২৪ খ্রিঃ, ধারা- ১৪৩/১৪৪/১৪৭/৩২৩/৩২৬/৩০৭/৪৪৭/৪৪৮/
    ৪২৭/৩৮০/৫০৬/১১৪/৩৪ দন্ড বিধি ১৮৬০ তৎসহ ৩/৩ক/৬ বিস্ফোরক পদার্থ আইন ১৮০৯ ।

    ২।এরই ধারাবাহিকতায় মোহাম্মদ কামরুজ্জামান পিপিএম, অধিনায়ক, ‍র‍্যাব-১২, সিরাজগঞ্জ এর দিকনির্দেশনায় গত ১১ নভেম্বর ২০২৪ খ্রি. সকাল ১৫.৩৫ ঘটিকার সময় র‌্যাব সদর দপ্তরের গোয়েন্দা শাখার সহযোগিতায় র‍্যাব-১২, সদর কোম্পানি ও র‌্যাব-৪, সিপিসি-২, নবিনগর এর একটি চৌকস অভিযানিক দল “ঢাকা জেলার সাভার মডেল থানাধীন রাজাবাড়ী এলাকায়’’ যৌথ অভিযান পরিচালনা করে নাশকতা মামলার অন্যতম প্রধান পলাতক আসামি ও তাড়াশ উপজেলা যুবলীগের সভাপতি আনোয়ার হোসেন খানকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।

    ৩।গ্রেফতারকৃত আসামি আনোয়ার হোসেন খান (৫০), পিতা- মৃত বক্স খান, সাং- তাড়াশ খানপাড়া, থানা- তাড়াশ, জেলা- সিরাজগঞ্জ।

    ৪।গ্রেফতারকৃত আসামিকে সিরাজগঞ্জ জেলার তাড়াশ থানায় পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য হস্তান্তর করা হয়েছে।

  • ঝিনাইদহে পুকুর থেকে মাছ লুটের অভিযোগ

    ঝিনাইদহে পুকুর থেকে মাছ লুটের অভিযোগ

    ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ
    ঝিনাইদহ সদর উপজেলার বাগুটিয়া গ্রামে সাজেদুল ওজুদ নামে এক ব্যাক্তির পুকুর দখল করে মাছ লুট করে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় নলডাঙ্গা ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান কবির হোসেনসহ তার দলবল এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত বলে আদালতে দায়েরকৃত মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে। মাছ চাষি সাজেদুল ওজুদ কালীগঞ্জ উপজেলার বাদেডিহী গ্রামের সিদ্দিকুর রহমানের ছেলে। অভিযোগ বলা হয় কবির হোসেন এলাকায় আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসী বাহিনী পরিচালনা করে। এ কারণে ভয়ে তার বিরুদ্ধে কেউ কথা বলতে পারে না। সাজেদুল ওজুদ জানান, বাগুটিয়া মৌজায় জনৈক ফিরোজুলের কাছ থেকে ১৪ একর ৩০ শতক ও রোজিনা বেগমের কাছ থেকে ৩ একর জমি লীজ নিয়ে ৫টি পুকুরে তিনি মাছ চাষ করে আসছিলেন। সম্প্রতি বাগুটিয়া গ্রামের তোফোজ্জেল হোসেনের ছেলে সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান কবির হোসেন, কুবাদ আলীর ছেলে মুছা মন্ডল, ডালিমের ছেলে রসুল, রেজাউলের ছেলে রাকিব, জামাল হোসেনের ছেলে সুমন, ইমান আলীর ছেলে রিপন, মোজাহার মোল্লার ছেলে মোফাজ্জেল ও ইমরানের ছেলে আশিকসহ ২০/২৫ জন সন্ত্রাসী দেশী অস্ত্রসস্ত্র নিয়ে পুকুর থেকে ১৮ লাখ টাকার মাছ লুট করে নিয়ে যায়। এ সময় তারা পুকুর পাড়ে ২০ একার জমিতে লাগানো দুই লাখ টাকা মুল্যের প্রায় ৫’শ কাঁদি কলা কেটে ফেলে। মাছ চাষি সাজেদুল ওজুদ জানান, ঘটনার সময় সন্ত্রাসীদের ভয়ে মামলা করতে না পারলেও দেশের পরিবর্তিত পরিস্থিতির কারণে তিনি ঝিনাইদহের সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আমলী আদালতে মামলা করেছেন, যার মামলা নং ঝি/সিআর-৮১৪/২৪। বাদী অভিযোগ করেন মামলার প্রধান আসামী কবির হোসেন নলডাঙ্গা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হিসেবে এলাকায় ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেন। তার ভয়ে এখনো ৪০টি পরিবার ঘরবাড়ি ছাড়া। এছাড়া মামলা করার পর সাক্ষি দরবেশ জোয়ারদারকে মারধর করে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। কবির বাহিনী এখনো এলাকায় দাপিয়ে বেড়াচ্ছে। মাছ লুটের বিষয়ে নলডাঙ্গা ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান কবির হোসেন জানান, তিনি এসব বিষয়ের সঙ্গে জড়িত নয়। এলাকায় সামাজিক দ্বন্দের কারণে সাজেদুল ওজুদ আমার নামে মামলা করেছেন। প্রকৃত পুকুর থেকে মাছ লুট বা কলাগাছ কাটার সঙ্গে জড়িত নয়। বিষয়টি নিয়ে ঝিনাইদহ সদর থানার ওসি আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, বাগুটিয়া গ্রামে মাছ লুটের বিষয়ে আদালত থেকে এখনো কোন নির্দেশনা পায়নি। তিনি জানান, আদালতের আদেশ হাতে পাওয়ার পর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

    আতিকুর রহমান
    ঝিনাইদহ।।