Author: desk

  • জীবননগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বাড়তি টাকা না দিলে মেলে না চিকিৎসা

    জীবননগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বাড়তি টাকা না দিলে মেলে না চিকিৎসা

    মোঃ মুনাইম হোসেন, স্টাফ রিপোর্টার :

    সাধারণ মানুষের জন্য অল্প খরচে আধুনিক স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতে দেশের বিভিন্ন স্থানে সরকারি হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। তবে এসব হাসপাতালে রোগী ও তার স্বজনদের সেবা পেতে গুনতে হয় সরকার নির্ধারিত ফি’র চেয়েও অতিরিক্ত টাকা। নয়তো সেবা পাওয়া থেকে বঞ্চিত হন সাধারণ মানুষ।

    চিকিৎসাকাজে অবহেলা, অর্থ আদায়সহ নানা অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক রাশেদ, ওয়ার্ড বয় আলমগীর হোসেন ও সাইফুল হোসেনের বিরুদ্ধে। শুধু তাই নয়, রোগী বাণিজ্য করে ক্লিনিক ও প্যাথলজি থেকে নানা উপঢৌকন গ্রহণ করছেন চিকিৎসক-নার্স ও কর্মচারীগণ। সম্প্রতি সরেজমিনে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা সেবা নিতে আসা কমপক্ষে কয়েকজন রোগী ও তাদের আত্মীয়-স্বজনের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, যেসব রোগী দুর্ঘটনাসহ অন্যান্য কারণে ড্রেসিং করেছেন তাদের সবাইকে ১০০-৫০০ টাকা পর্যন্ত দিতে হচ্ছে। এছাড়া রুগীকে সেলাই বা প্লাস্টারের ধরনের ওপর নির্ভর করে টাকার পরিমাণ কম বেশি হয়। গত সোমবার সন্ধ্যায় উপজেলার খয়েরহুদা গ্রামের আকাশের হাতে হাসুয়ার আঘাতে কেটে গেলে হাসাপাতালে চিকিৎসা নিতে আসেন। তার হাত অতিরিক্ত কেটে যাওয়া সেলাই বাবদ তার নিকট থেকে অতিরিক্ত ৪০০ টাকা নিয়েছেওয়ার্ড বয় আলমগীর হোসেন। এছাড়াও হেলাল উদ্দিনের ছেলে নিকট থেকে অতিরিক্ত ৩০০টাকা নেন।

    গত রোববার রাতে সড়ক দুর্ঘটনায় ফয়সাল, সাগর, হাসেম,বাবুলসহ কয়েকজন আহত অবস্থায় চিকিৎসা নিতে আসলে তাদের থেকেও অতিরিক্ত ৬০০টাকা নেন সাইফুল হোসেন ও আলমগীর এবং তাদের সাথে দৃঢ় আচরণসহ ঠিক মত চিকিৎসা না দেওয়ার অভিযোগ তোলেন চিকিৎসক রাশেদের বিরুদ্ধে। হাসেম নামের এক রোগী অভিযোগ করে বলেন, রোববার রাতে সড়ক দুর্ঘটনায় তার চোখে ও মাথায় কাচ ডুকে যায় এছাড়া পায়ে মারাত্মক ভাবে আঘাত পেলে চিকিৎসার জন্য হাসাপাতালে আসলে চিকিৎসক রাশেদ তাকে ঠিক মত চিকিৎসা না দিয়েই কোন রকম ব্যন্ডিজ করে হাসপাতাল থেকে বের করে দেন। এবং ব্যন্ডিজ করার জন্য সাইফুল ৬০০টাকা নেন।

    হাসপাতালের ওয়ার্ড বয় আলমগীর হোসেন অতিরিক্ত টাকা নেওয়ার কথা স্বীকার করে তিনি জানান, আমার ভূল হয়েছে,আমাকে এবারের মত মাফ করে দেন আমি দ্বিতীয় বার এভূল আর করবো না। অপর ওয়ার্ড বয় সাইফুল বিষয়টি অস্বীকার করে বলেন,আমি গত দিন ছুটিতে ছিলাম। এ বিষয়ে চিকিৎসক রাশেদের কাছে জানতে তার ব্যক্তিগত মোবাইল নাম্বারে যোগাযোগ করলে তিনি কল রিসিভ করেনি। উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা (টিএইচও) ডা. মবগুল হাসান বলেন, ওয়ার্ড বয়দের বিরুদ্ধে এর আগেও এ ধরণের অভিযোগ এসেছে, তাদের মৌখিক ভাবে সতর্ক করা হয়েছে এবং রুমের ভিতরের ক্যমেরা লাগানো হয়েছে। যাতে প্রমাণ স্বরূপ তাদের সকল কর্মকাণ্ড রেকর্ড রাখা হয়। তারপরও এমন কাজ করলে তাদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ভাবে যে ব্যবস্থা গ্রহণ তা করা হবে। চিকিৎসক রাশেদের বিষয়ে তিনি জানান, আমি এক সপ্তাহ হলো এসেছি। আমার জানা মতে রাশেদ ডাক্তার রোগীদের সাথে এধরণের আচরণ করে না, তারপরও যদি তিনি এধরণের আচরণ করে থাকলে ভুক্তভোগীরা লিখিত অভিযোগ দিলে তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে। তদন্ত কমিটির ফলাফল অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

  • ঝিনাইদহে জোরপূর্বক জমি দখলের চেষ্টা ব্যার্থ হয়ে প্রাণনা-শের হু-মকি

    ঝিনাইদহে জোরপূর্বক জমি দখলের চেষ্টা ব্যার্থ হয়ে প্রাণনা-শের হু-মকি

    ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ
    বৈধ কাগজপত্র, রেকর্ড ও নামপত্তন না থাকার পরও ঝিনাইদহে অন্যের জমি জোরপূর্বক দখল চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। জমি দখল করতে না পেরে প্রভাবশালী চক্রটি খুন-জখমের হুমকী দিচ্ছে। ঘটনাটি ঘটেছে ঝিনাইদহ সদর উপজেলার ডাকবাংলা ত্রিমোহনী এলাকার ৩১ নং সাধুহাটী মৌজায়। সরজমিন তথ্য নিয়ে জানা যায়, ডাকবাংলা বাজারের আব্দুল করিমের ছেলে আবুল কাশেমের আরএস ৩৯৩ খতিয়ানে ৫০ শতক জমি রয়েছে। এরমধ্যে ৩৯৩ খতিয়ানে মাগুরা পাড়া গ্রামের মজিবর রহমানের ছেলের তারিকুল ইসলামের ১২শতক ওয়ারিশ সুত্রে পাওয়া। ১৯৯৮ সালে উক্ত খতিয়ানের ৩৮ শতাংশ জমি আবুল কাশেমের দুই ছেলে আব্দুর রশিদ ও সফিকুর রহমানের কাছে বিক্রি দেন। ছেলেদের কাছে বিক্রির পর জালিয়াতির আশ্রয় নিয়ে একই জমি স্ত্রী রোকেয়ার কাছে বিক্রি করেন। আগে বিক্রিত এই জমি সত্ব না থাকার পরও আবার স্ত্রী রোকেয়া গিলাপোল গ্রামের মান্দার আলীর ছেলে আমিরুল ও আকিমুলের কাছে বিক্রি করেন। এখন এই জমি মান্দার আলীর ছেলে আমিরুল ও আকিমুল দখল করার জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছে। তারা জমির উপর গিয়ে প্রকৃত বৈধ মালিক তারিকুলকে মারধর ও হত্যার হুমকি দিয়ে জবর দখলের অপচেষ্ট করে যাচ্ছে। জমির বৈধ মালিক তারিকুল ইসলাম জানান, নতুন বছরে এই জমির তিনি খাজনা দিয়েছেন। জমির বৈধ কাগজপত্র সত্তে¡ও স্থানীয় আ’লীগ নেতা আলফা কবিরাজের ছেলে আনা কবিরাজ ও বাথপুকুর গ্রামের সাফদার মন্ডলের ছেলে আফসার, ইনু ও শিলু নিয়মিত হুমকি দিয়ে যাচ্ছেন। ডাকবাংলা বাজারের ফল ব্যবসায়ী তরিকুল ইসলাম জানান, এই জমি নিয়ে এর আগে একাধিকবার সমাজিক ভাবে বৈঠক হয়েছে। ডাকবাংলা পুলিশ ফাঁড়ির এসআই লিটনও নিঃষ্পত্তির চেষ্টা করেছেন। বিচারে আমিরুল ও আকিমুল বৈধ কোন কাগজ দেখাতে পারেনি। তারপরও চক্রটি ান্যের জমি দখল করে এলাকায় দাঙ্গা ফ্যাসাদ সৃষ্টির পায়তারা করছেন। ডাকবাংলা বাজারের আরেক ব্যবসায়ী মহিউদ্দীন জানান, জমি সংক্রান্ত বিষয়ে আমরা একাধিকবার সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করেছি। কিন্ত উক্ত জমির মধ্যে আবুল কাশেমের কোন অংশ না থাকা স্বত্তেও আমিরুল ও আকিমুল সমস্যা সৃষ্টি করে এলাকার শান্তি শৃংঙ্খলা বিনষ্ট করার অপচেষ্টা চালাচ্ছেন। ডাকবাংলা বাজারের দোকান মালিক সমিতির সভাপতি আব্দুর রহমান জানান, তারিকুল ও আবুল কাশেমের জমিজমা নিয়ে বহুবার বসা হয়েছে। এটকা নিস্পত্তিকৃত জমি নিয়ে এ ভাবে বারবার শালিস করা যায় না। কিন্তু আমিরুল ও আকিমুল কনো কিছুই মানতে নারাজ। তিনি আরো জানান, এই জমি নিয়ে আবুল কাশেম দেওয়ানি আদালতে ১০৮/১৬ নং মামলা করে হেরে যায়। পরবর্তীতে উক্ত জমি দাঙ্গা সৃষ্টিকারী আমিরুল ইসলাম ও আকিমুল ইসলামও আদালতের দারস্থ হন যার মামলা নং এল,জি,টি, ৪৭২/২২। আদালত সকল কাগজ পত্র সঠিক থাকায় মামলা খারিজ করে তারিকুল ইসলামের পক্ষে রায় দেন। এলাকাবাসি জানায়, আমিরুল ও আকমুল কোন আইন কানুন মানছে না। অনেকটা গায়ের জোরে জমি দখলের চেষ্টা করে যাচ্ছেন। তারা জমির মূল মালিক তারিকুল ইসলাম সহ তার পরিবারের লোকজননের নামে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করে যাচ্ছেন।

  • ঝিনাইদহে নিত্যপণ্যের মুল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে মানববন্ধন

    ঝিনাইদহে নিত্যপণ্যের মুল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে মানববন্ধন

    ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ
    দুর্নীতিবাজ ব্যবসায়ীদের কারসাজিতে আলু পেঁয়াজসহ নিত্যপণ্যের অস্বাভাবিক মুল্যবৃদ্ধি ও আইনে নিষিদ্ধ খোলা বাজারে ভোজ্য তেল বিক্রির প্রতিবাদে ঝিনাইদহে মানববন্ধন কর্মসূচী পালিত হয়েছে। বুধবার সকালে শহরের পোস্ট অফিস মোড়ে এ কর্মসূচীর আয়োজন করে কনজুমারস এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব)। এতে ব্যানার ফেস্টুন নিয়ে সংগঠনের নেতৃবৃন্দসহ নানা শ্রেণী পেশার মানুষ অংশ নেয়। কর্মসূচীতে ক্যাবের সভাপতি আমিনুর রহমান টুকু, সাধারণ সম্পাদক শরিফা খাতুন, সদস্য এন এম শাহজালাল, কৃষিবিদ আহম্মেদ হোসেন, আব্দুল মজিদ, সাংবাদিক ও আইনজীবী আলাউদ্দিন আজাদ, চ্যানেলটোয়েন্টিফোর’র প্রতিনিধি সাদ্দাম হোসেন, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের প্রতিনিধি শারমিন সুলতানাসহ অন্যান্যরা বক্তব্য রাখেন। বক্তারা, আলু পেঁয়াজসহ নিত্যপণ্যের মুল্যবৃদ্ধিতে দুর্নীতিবাজ ব্যবসায়ীদের কারসাজি ও সিন্ডিকেটকে দায়ী করে দ্রæতই এদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবী জানান। সেই সাথে খোলা বাজারে ভোজ্য তেল বিক্রি আইনে নিষিদ্ধ হলেও তা অবাধে বিক্রি হচ্ছে যা দ্রæত বন্ধ করার দাবীও জানান। এর আগে শহরের পুরাতন ডিসি কোর্ট চত্বর থেকে একটি র‌্যালী বের করা হয়। র‌্যালীটি শহরের বিভিন্ন সড়ক ঘুরে পোস্ট অফিস মোড়ে গিয়ে শেষ হয়। মানববন্ধন শেষে জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের বরাবর স্মারকলিপি প্রদাণ করা হয়।

    আতিকুর রহমান
    ঝিনাইদহ

  • রংপুর জেলায় বিএসটিআই’র সার্ভিল্যান্স অভিযান পরিচালনা

    রংপুর জেলায় বিএসটিআই’র সার্ভিল্যান্স অভিযান পরিচালনা

    প্রেস বিজ্ঞপ্তি।।

    বিএসটিআই বিভাগীয় অফিস, রংপুর এর উদ্দ্যোগে গত ০৪.১২.২০২৪ খ্রিঃ তারিখে প্রকৌশলী মোঃ জাহিদুর রহমান, সহকারী পরিচালক (সিএম) এর নেতৃত্বে রংপুর জেলায় সার্ভিল্যান্স অভিযান পরিচালনা করা হয়। উক্ত অভিযানে আরও ছিলেন খন্দকার মোঃ জামিনুর রহমান, ফিল্ড অফিসার (সিএম)।

    উক্ত অভিযানে যে সকল প্রতিষ্ঠানকে দ্রুত সিএম লাইসেন্স গ্রহণ/নবায়ন এবং গুণগত মানের পণ্য উৎপাদনের পরামর্শ প্রদান করা হয়েছে
    ১. এডভান্সড ব্রিকস এন্ড সিরামিকস, হেতেমপুর, মিঠাপুকুর, রংপুর
    ২. লিমা ব্রেড এন্ড বিস্কুট ফ্যাক্টরি, জায়গীরহাট, মিঠাপুকুর, রংপুর
    ৩. সামির ফুড প্রোডাক্টস৷ জায়গীরহাট, মিঠাপুকুর, রংপুর
    ৪. রিতা বেকারী, জায়গীরহাট, মিঠাপুকুর, রংপুর
    ৫. মেসার্স চৌধুরী ব্রিকস, খোর্দ্দ কাশিনাথপুর, জায়গীরহাট, মিঠাপুকুর, রংপুর
    ৬. মেসার্স মায়ের দোয়া ব্রিকস, খোর্দ্দ কাশিনাথপুর, জায়গীরহাট, মিঠাপুকুর, রংপুর
    ৭. মেসার্স ফাইভ স্টার ওয়ান ব্রিকস, মকরমপুর, কাফ্রিখাল, মিঠাপুকুর, রংপুর
    ৮. মেসার্স বিএসবি ব্রিকস, জায়গীরহাট, মিঠাপুকুর, রংপুর
    ৯. মেসার্স ব্রাদার্স ব্রিকস, জানকিনাথপুর, জায়গীরহাট, মিঠাপুকুর, রংপুর
    ১০. মেসার্স এম এইচ ব্রিকস, চিথলী পূর্বপাড়া, মিঠাপুকুর, রংপুর
    ১১. মেসার্স বুশরা ব্রিকস, শীতলগাড়ি, শঠিবাড়ী, মিঠাপুকুর, রংপুর
    ১২. মেসার্স এস আর বি ব্রিকস, রামপুরা, দুর্গাপুর, মিঠাপুকুর রংপুর
    ১৩. মেসার্স এফ পি বি ব্রিকস, দুগলাচারী, লতিবপুর, মিঠাপুকুর, রংপুর
    ১৪. মেসার্স তৃপ্তি বেকারী, শঠিবাড়ী, মিঠাপুকুর, রংপুর
    ১৫. মেসার্স পুরাতন কল্পনা বেকারী, পুরাতন গরুর হাটি, শঠিবাড়ী, মিঠাপুকুর, রংপুর
    ১৬. মায়া কনফেকশনারি এন্ড ফাস্টফুড, পুরাতন গরুহাটি, শঠিবাড়ী, মিঠাপুকুর, রংপুর
    ১৭. মেসার্স এস আর এন ব্রিকস, সাহাপাড়া, হাজীপুর, পীরগঞ্জ, রংপুর
    ১৮. মেসার্স সিবিএফ ব্রিকস, সাদুল্ল্যাপুর, গাইবান্ধা
    ১৯. মেসার্স এইচ এন আর ব্রিকস, শানেরহাট, পার্বতীপুর, পীরগঞ্জ, রংপুর
    ২০. মেসার্স এল কে এস ব্রিকস, ভগবতীপুর, মির্জাপুর, মিঠাপুকুর, রংপুর
    ২১. সাইমন ব্রেড এন্ড কনফেকশনারি, বৈরাতীহাট, মির্জাপুর, মিঠাপুকুর, রংপুর
    ২২. মেসার্স এ এম এস ব্রিকস, বৈরাতীহাট, মির্জাপুর, মিঠাপুকুর, রংপুর
    ২৩. মেসার্স মুন্সি ব্রিক ফিল্ড, কৈকুড়ি, পীরগাছা, রংপুর

    জনস্বার্থে বিএসটিআই বিভাগীয় কার্যালয়, রংপুর এর এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

  • সুজানগরে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্থ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান পরিদর্শনে জামায়াত নেতৃবৃন্দ

    সুজানগরে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্থ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান পরিদর্শনে জামায়াত নেতৃবৃন্দ

    এম এ আলিম রিপন ঃ পাবনার সুজানগর পৌর বাজারের হাজি মার্কেটে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্থ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সুজানগর উপজেলা ও পৌর শাখার নেতৃবৃন্দ। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সুজানগর উপজেলা শাখার নায়েবে আমীর ফারুক-ই আযমের নেতৃত্বে পরিদর্শন শেষে ক্ষতিগ্রস্থদের সান্তনা দেন এবং তাদের বিপদে পাশে থাকার আশ্বাস দেন। এ সময় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সুজানগর পৌর শাখার আমীর রফিকুল ইসলাম, জেলা জামায়াত নেতা আসাদুজ্জামান, বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন সুজানগর পৌর শাখার সভাপতি শহিদুর রহমানসহ অন্যান্য জামায়াতের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। এর আগে গত সোমবার রাতে আগুনে ওই মার্কেটের ০৮ টি দোকান পুড়ে ছাই হয়ে যায়। এছাড়া আগুন নেভাতে গিয়ে অন্তত পাঁচজন দগ্ধ হন। পরে ফায়ার সার্ভিসের কর্মী ও স্থানীয়দের ৩ ঘন্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সোমবার রাত সাড়ে ৯টার টার দিকে সুজানগর পৌর বাজারের হেলাল হাজি মার্কেটে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড শুরু হয়। মার্কেটের জনাব আলীর ডিজেল,পেট্রোল ও গ্যাস সিলিন্ডারের দোকান থেকে এই অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত । আগুন একে একে ওই মার্কেটের ০৮ টি দোকানে ছড়িয়ে পড়ে। জনাবের দোকান ছাড়াও পার্শ্ববর্তী শাহীনুর রহমান রেন্টুর সেনেটারীর দোকান, মতিউর রহমান সোনাই এর হার্ডওয়ারের দোকান, আসলামের স্টিলের ফার্নিচারের দোকান, জিলাল উদ্দিনের ওয়ার্কশপ, ফজলুর রংয়ের দোকান, সন্টুর ওয়ার্কশপ ও সাগর হোসেনের পাইপ ও সেনেটারীর দোকান এবং দোকানে থাকা মালামাল সম্পূর্ণ ভস্মিভূত হয়। এ সময় সম্রাটের বোরাক হাউজের দোকানের মালামাল অগ্নিকান্ড থেকে রক্ষার জন্য নিরাপদ দূরতে সরানোর কথা বলে প্রায় ৫ লাখ টাকার মালামাল হাতিয়ে নিয়ে চলে যায় অনেকে বলে অভিযোগ করেন ক্ষতিগ্রস্থ ব্যবসায়ী সম্্রাট। আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে ফায়ার সার্ভিসের চারটি ইউনিট কাজ করে। আগুনে প্রায় ৩ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের দাবি। এ দিকে অগ্নিকান্ডের ঘটনার পরপরই সুজানগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মীর রাশেদুজ্জামান রাশেদ,থানার ওসি গোলাম মোস্তফাসহ প্রশাসনের কর্মকর্তারা অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত দোকানপাট পরিদর্শন করেন। এবং সরকারের পক্ষ থেকে ক্ষতিগ্রস্থ ব্যবসায়ীদের সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

  • আগরতলায় বাংলাদেশের সহকারী হাই কমিশনে হামলার প্রতিবাদে সুজানগরে মশাল মিছিল

    আগরতলায় বাংলাদেশের সহকারী হাই কমিশনে হামলার প্রতিবাদে সুজানগরে মশাল মিছিল

    এম এ আলিম রিপনঃ ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের আগরতলায় অবস্থিত বাংলাদেশের সহকারী হাইকমিশনার কার্যালয়ে হামলা এবং বাংলাদেশের পতাকা ছিঁড়ে ফেলার প্রতিবাদে পাবনার সুজানগরের নাজিরগঞ্জে ছাত্র-জনতার ব্যানারে প্রতিবাদ ও সন্ধ্যায় মশাল মিছিল করা হয়েছে। বুধবার সন্ধ্যায় এ প্রতিবাদ সভা ও মশাল মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। মিছিলে ‘দিল্লি না ঢাকা, ঢাকা ঢাকা’, ‘ভারতীয় আগ্রাসন, ভেঙে দাও গুঁড়িয়ে দাও’ ‘তুমি কে আমি কে, বাংলাদেশ বাংলাদেশ’, ‘দালালি না রাজপথ, রাজপথ রাজপথ’ ইত্যাদি স্লোগান দিতে দেখা যায়। পরে অনুষ্ঠিত প্রতিবাদ সভায় বক্তারা জানান, ভারতের কিছু মদদপুষ্ট সন্ত্রাসী বাংলাদেশের সহকারী হাইকমিশনে হামলা করে বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার অবমাননা করেছে। তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করেন তারা। ভারত বাংলাদেশের অভ্যন্তরে হিন্দু-মুসলমানদের মধ্যে দাঙ্গা বাধানোর গুজব ছড়াচ্ছে। বাংলাদেশে হিন্দু-মুসলিমদের মধ্যে বিভেদ নেই। এখানে তারা সবায় মিলেমিশে বাস করছেন। আর কোনো ভারতীয় আগ্রাসন চলবে না। ভারতের দালালদের বিরুদ্ধে হুশিয়ারি দিয়ে তারা জানান, ভারতের দালালি বাংলাদেশে চলবে না চলতে দেওয়া হবে না। দেশের দূতাবাসে উগ্র ভারতীয়রা হামলা করেছে। বাংলাদেশের পতাকাকে তারা পদদলিত করেছে। ভারতীয় মিডিয়া ক্রমাগত অপপ্রচার চালাচ্ছে। বলে দিতে চাই, আমরা আমাদের অস্তিত্বের প্রশ্নে আপসহীন। ঐক্যবদ্ধভাবে দাঁতভাঙা জবাব দেব। ভারত আমাদের শান্তিপূর্ণ অবস্থান নষ্ট করতে পারবে না। আমরা বলে দিতে চাই, বাংলাদেশ আর ভারতের সম্পর্ক শুধু দ্বিপাক্ষিক সমতার নীতির ভিত্তিতে থাকবে। বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় আমরা দল-মত-ধর্মীয় বা রাজনৈতিক মতাদর্শ ভুলে গিয়ে এক হতে এক মুহূর্ত দেরি করব না। ভারতে বাংলাদেশের হাইকমিশনে হামলার তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানাচ্ছি। বাংলাদেশের কোনো অঞ্চলে অন্যায়ভাবে হামলা হলে বাংলার জনগণ তা সহ্য করবে না বলেও জানান বক্তারা।

    এম এ আলিম রিপন
    সুজানগর(পাবনা)প্রতিনিধি।

  • বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে শহীদ ও আহতের স্মরণে সুজানগরে স্মরণসভা

    বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে শহীদ ও আহতের স্মরণে সুজানগরে স্মরণসভা

    এম এ আলিম রিপনঃ বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে শহীদ ও আহতদের স্মরণে স্মরণসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে । সুজানগর উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে মঙ্গলবার উপজেলা পরিষদ সম্মেলন কক্ষে এ স্মরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলা নির্বাহী অফিসার মীর রাশেদুজ্জামান রাশেদ এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত স্মরণসভায় বক্তব্য রাখেন ,থানা অফিসার ইনচার্জ গোলাম মোস্তফা, উপজেলা সহকারী কমিশনার(ভূমি) মেহেদী হাসান,উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ রাফিউল ইসলাম, উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব শেখ আব্দুর রউফ, পৌর বিএনপির আহ্বায়ক কামাল হোসেন বিশ্বাস, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সুজানগর উপজেলা শাখার নায়েবে আমীর ফারক-ই আযম, সেক্রেটারী টুটুল হোসাইন বিশ্বাস, পৌর আমীর রফিকুল ইসলাম, বীর মুক্তিযোদ্ধা আলাউদ্দিন, সেলিম রেজা হাবিব ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ(ভারপ্রাপ্ত) আব্দুল হাই সাগর, চরসুজানগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবুল কালাম আজাদ, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে আহতদের মধ্যে দ্বীপ মাহমুদ, আরিফুল ইসলাম, মাসুম, মৃদুল, রবিন ও তাসফিয়া, ছাত্র প্রতিনিধিদের মধ্যে শাহরিয়ার হোসেন জিহাদ,রাতুল, শেখ রাফি প্রমুখ। এ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে লোমহর্ষক হামলা ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের গল্প শোনান পাবনা শহরে আন্দোলনে হামলার শিকার হয়ে আহত ও কারাবরণকারী শিক্ষার্থীরা আবেগঘন বক্তব্য রাখেন। শিক্ষার্থীরা জানান, আমাদের অনেক ভাই আন্দোলনে শহীদ হয়েছে দুঃখ নাই,তবে ওই ফ্যাসিস্ট সরকার ও তার দোসরদের বিচারের আওতায় এনে কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে। সেই সাথে নিহত পরিবার ও আহতদের পূর্নবাসন করা সহ উন্নত চিকিৎসাসেবার ব্যবস্থা করতে হবে। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীরা তাদের বক্তব্যে আরো বলেন, ‘আন্দোলনের সময় রাজপথে যখন নেমেছিলাম তখন মনে হচ্ছিল যুদ্ধে এসেছি। জীবন নিয়ে ফিরে আসতে পারব কখনো ভাবিনি। বাংলার মাটিতে আর কোনো স্বৈরাচারের জায়গা হবে না। আগের প্রজন্মের ব্যর্থতার কারণে রাজনীতির প্রতি এ প্রজন্ম আগ্রহ হারিয়েছিল। আমরা এমন একটা সমাজব্যবস্থা তৈরি করতে চাই, যাতে আগামী প্রজন্ম রাজনীতির প্রতি আগ্রহী হয়। তারাই দেশটাকে এগিয়ে নিয়ে যাবে। স্মরণসভায় বিএনপি ও জামায়াতের নেতৃবৃন্দ তাদের বক্তব্যে বলেন, বাংলাদেশ নামক রাষ্ট্রের জন্মের আগে ও পরে সব আন্দোলন শিক্ষার্থীরাই সফল করেছেন। স্বৈরাচার ও ফ্যাসিস্ট সরকারের বিরুদ্ধে রাজনীতিবিদরা বহু বছর চেষ্টা করেও যা করতে পারেনি, জনগণকে সম্পৃক্ত করে তা সফল করেছে দেশের ছাত্র সমাজ। এ জন্য তাদের ধন্যবাদ জানিয়ে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। পাশাপাশি ভবিষ্যতে যেন কোনো ফ্যাসিস্ট বা স্বৈরাচার ক্ষমতার মসনদে বসতে না পারে সেজন্য শিক্ষার্থীদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দেন তারা। যারা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে শহীদ হয়েছেন তাদের রুহের মাগফিরাত কামনা করে এবং আহতদের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে সভাপতির বক্তব্যে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মীর রাশেদুজ্জামান রাশেদ বলেন, সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী আহত ও শহিদ পরিবারের সদস্যদের পাশে থাকবে সুজানগর উপজেলা প্রশাসন। পরে উপজেলা মডেল মসজিদে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে যারা শহীদ হয়েছেন তাদের রুহের মাগফিরাত কামনা করে এবং আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করে দোয়া অনুষ্ঠিত হয়। দোয়া পরিচালনা করেন সুজানগর মডেল মসজিদের পেশ ইমাম মাওলানা আরিফবিল্লাহ।

    এম এ আলিম রিপন
    সুজানগর প্রতিনিধি।।

  • পাইকগাছায় পাখি শিকারী আটক;ভ্রাম্যমান আদালতে জরিমানা

    পাইকগাছায় পাখি শিকারী আটক;ভ্রাম্যমান আদালতে জরিমানা

    পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি।।
    খুলনার পাইকগাছায় পাখিসহ হুসাইন সরদার নামে এক শিকারীকে আটক করে ভ্রাম্যমাণ আদালতে পাঁচ হাজার টাকা জরিমনা করা হয়েছে। জানা যায়, পাইকগাছার বেতবুনিয়া বিলে সাউন্ড বক্সের মাধ্যমে পাখি শিকার করা হচ্ছে এমন খবর পেয়ে, উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নির্দেশে উপজেলা আনসার ও ভিডিপি প্রশিক্ষক মোঃ আলতাফ হোসেন, ইউনিয়ন লিডার মোঃ ফয়সাল হোসেন এবং ওয়ার্ড লিডার মোঃ ফয়সাল সরদার মঙ্গলবার রাতে বেতবুনিয়া বিলে অভিযান চালিয়ে পাখি শিকারী মোঃ হুসাইন সরদারকে (৫০) হাতে নাতে আটক করেন। সে বেতবুনিয়া গ্রামের আব্দুল মজিদ সরদারের ছেলে। এ সময় তার কাছে পাখির সুরের মিউজিকযুক্ত ৩টি সাউন্ড বক্স, ৪টি জাল, একটি পাখির খাঁচা এবং ৯টি শিকারকৃত অতিথি পাখি পাওয়া যায়। বুধবার সকালে সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ ইফতেখারুল ইসলাম শামীম সরেজমিনে গিয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালতে বন্যপ্রাণী (সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা) আইনে আটককৃত ব্যক্তিকে পাঁচ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করেন। এসময় জব্দকৃত ৯টি অতিথি পাখিকে সকলের সামনে সুস্থ অবস্থায় মুক্ত আকাশে অবমুক্ত করা হয় এবং জব্দকৃত আলামতসমূহ পুড়িয়ে দেওয়া হয়। এসময় উপস্থিত সকলের সামনে সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ ইফতেখারুল ইসলাম শামীম বলেন, জনস্বার্থে উপজেলা প্রশাসনের এ অভিযান অব্যাহত থাকবে।

    ইমদাদুল হক,
    পাইকগাছা, খুলনা।

  • পাইকগাছায় শীত মৌসুমে চোরা পাখি শিকারীদের দৌরাত্ব বেড়েছে

    পাইকগাছায় শীত মৌসুমে চোরা পাখি শিকারীদের দৌরাত্ব বেড়েছে

    ইমদাদুল হক , পাইকগাছা(খুলে)।। পাইকগাছার বিভিন্ন বিলে পাখি শিকারীরা ফাঁদ পেতে দেশি ও পরিযায়ী পাখি শিকার উৎসবে মেতে উঠেছে চেরা শিকারীরা। এলাকার বিভিন্ন ধানক্ষেত, খাল-বিল, জলাশয় ও চিংড়ি ঘের থেকে শিকারীরা এসব পাখি শিকার করছে। ইতোমধ্যে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে শিকারীদের বিরুদ্ধে দু’একটি ব্যবস্থা গ্রহণ করলেও যথাযথ তদারকি না থাকায় শিকারীরা তৎপর রয়েছে পাখি শিকারে।

    উপজেলার পুরাইকাটি, বয়রা, কচুবুনিয়া, বাসাখালী, বাইসারাবাদ,বেতবুনিয়া তেঁতুলতলা, লতা, হানিমুনকিয়া, বাহিরবুনিয়া, দেলুটি, সোলাদানা, চকবগুড়া, খড়িয়া, অকাইবাসী, ঠাকুনবাড়ী, আমিরপুর, বাইনবাড়ীয়া, কুমখালী ও পৌরসভা সহ বিভিন্ন এলাকায় ধানের ক্ষেত, খাল-বিল, জলাশয় ও চিংড়ি ঘের থেকে পাখি শিকার করা হচ্ছে। এ সব খাল বিলে শীত মৌসুমের শুরুতে পরিযায়ী পাখির আগমন ঘটে। পাখিরা এসব বিলের ধান ক্ষেত থেকে পোকা মাকড়সহ খাদ্য সংগ্রহ করে। এ সময় ঘেরে এলাকার লোকজনসহ শিকারীরা পূর্ব থেকেই ওই সব স্থানে বিভিন্ন মাছ ও ফড়িং জাতীয় প্রাণীতে বিষ মিশিয়ে ফাদ পেতে রাখে। তাছাড়া শিকারীরা পাখি শিকারে অভিনব পদ্ধতি বের করেছে। ইন্টারনেট থেকে পাখির ডাক রেকর্ড করে সেই পাখির স্বর ধান ক্ষেতে সাউন্ড বক্সের মাধ্যমে বাজিয়ে পাখি শিকারে ফাঁদ পেতে পাখি শিকার করছে। সাউন্ড বক্সে পাখির ডাক শুনে পরিযায়ী ও স্থানীয় পাখিরা ফাঁদে গিয়ে ধরা পড়ছে। তাছাড়া দুই/তিন একর জুড়ে বাঁশ পুতে কারেন্ট জালের ফাঁদ পেতে পাখি শিকার করছে। এভাবেই শিকারীরা প্রতিদিন ফাঁদ ও বিষ টোপ দিয়ে পাখি শিকার অব্যাহত রেখেছে।
    প্রতি বছর শীত মৌসুমে দেশের বিভিন্ন স্থানে হাওর-বাঁওর, নদ-নদী, বিল, পুকুর-জলাশয়ে পরিযায়ী বা অতিথি পাখির আগমন ঘটে। শীত প্রধান দেশের তীব্র শীত ও তুষার পাত থেকে বাঁচতে নিরাপদ আশ্রয়ে ও অস্তিত্ব রক্ষার্থে খাবারের খোঁজে বাংলাদেশের মত কম শীত প্রধান দেশে পাখির আগমন ঘটে। পৃথিবীর সব দেশে পাঁখি আছে। পৃথিবীতে ১০ হাজারেরও বেশি প্রজাতির পাখি রয়েছে।
    পাখি বাংলাদেশের জীববৈচিত্র্যকে সমৃদ্ধ করেছে। জলবায়ু পরিবর্তন ও মানুষের সৃষ্ট নানা করণে পাখিরা বিপন্ন হয়ে পড়েছে। পরিবেশ বিপর্যয় ও খাদ্যের অভাবের কারণে পাখিরা প্রতিবছর শীতকালে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের নদ-নদী, খাল-বিল, হাওর-বাওর ও জলাশয়ে আশ্রয় নেয়। পরিযায়ী পাখির নিরাপদ জীবন যাপন ও পরিবেশ অনিরাপদ হয়ে উঠছে। শীত মৌসুমে অনেকে শখ মেটাতে পাখি শিকার করেন। আবার অনেকে শীত মৌসুমটাকে পাখি শিকার পেশা হিসাবে গ্রহণ করেন। পাখি শিকারীরা ফাঁদ, বিষটোপ, জালপেতে ও গুলি করে পরিযায়ী পাখি শিকারে মেতে ওঠেন। বাজারেও পাখি বিক্রয় করতে দেখা যায়। অনেকেই রসনা তৃপ্তি মেটাতে পাখি কিনে বাড়ি নিয়ে যান। কেউ শখের বসেই পাখি শিকার করুক, আর কেউ অসচেতনতার কারণে শিকার করুক; পাখি শিকার আইনত দন্ডনীয় অপরাধ।
    এ ব্যাপারে পাইকগাছা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাহেরা নাজনীন বলেন, পরিবেশের ভারসাম্য ও জীববৈচিত্র রক্ষায় পাখিদের ভূমিকা অপরিসিম। পরিবেশবান্ধব এই প্রাণীরা মানুষের সুস্থ্য জীবনধারাকে টিকিয়ে রাখতে সহায়তা করে। পাখি শিকার বন্ধে প্রশাসন সব সময় তৎপর রয়েছে এবং পাখি শিকারীর বিরুদ্ধে কঠিন ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। পাখি শিকার বন্ধে তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করার জন্য সচেতন এলাকাবাসীর প্রতি আহ্বান জানান।

  • দোয়ারাবাজারে হেফাজতে ইসলামের সংবাদ সম্মেলন

    দোয়ারাবাজারে হেফাজতে ইসলামের সংবাদ সম্মেলন

    হারুন-অর-রশিদ।।
    দোয়ারাবাজার (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি ::
    সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজারে কুরআন অবমাননা’র ঘটনায় জড়িত ও উস্কানিদাতাদের দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তি এবং সকলকে শান্ত থাকার আহবান জানিয়েছে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ।

    বুধবার (৪ডিসেম্বর) বিকেলে এক জনাকীর্ণ সংবাদ সম্মেলনে হেফাজতে ইসলামের দোয়ারাবাজার উপজেলা শাখার নেতৃবৃন্দ উপরোক্ত কথা বলেছেন। এসময় লিখিত বক্তব্যে উপজেলা হেফাজতে ইসলামের সাধারণ সম্পাদক মাওলানা আবুল কালাম আজাদ বলেছেন, আমাদের শান্তিপূর্ণ দোয়ারাবাজার এলাকাকে অশান্ত করে তোলার অপরাধে এবং ‘কুরআন অবমাননার ঘটনায় জড়িত উগ্রবাদী হিন্দু আকাশ দাসকে রিমান্ডে নিয়ে তার ইন্ধন দাতাসহ রিঙ্কু দাসকে অবিলম্বে গ্রেফতার করে দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে। পুলিশের হাতে আটক আকাশ দাস একজন ইসকন সদস্য। ওই উগ্র সংগঠনের নেতারা ওই ঘটনায় এখনও কোন বিবৃতি দেয়নি কিংবা দুঃখ প্রকাশ করেনি। আমারা মনে করি বর্তমান পরিস্থিতি আরও ঘোলাটে করতেই আকাশ দাসের ইন্ধনদাতা ইসকন জড়িত রয়েছে। অপরদিকে ওই ঘটনায় হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের মন্দির কিংবা বাড়িঘর দোকান পাটে কোন রকম হামলা ভাঙচুর এবং ক্ষতিসাধন থেকে বিরত থাকতে সকলের প্রতি অনুরোধ জানাই। ‘

    এসময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা হেফাজতে ইসলামের প্রধান উপদেষ্টা মাওলানা ফয়জুল করীম, উপজেলা হেফাজতে ইসলামের সভাপতি মাওলানা হুসাইন আহমদ ক্বাসেমী, সহসভাপতি মাওলানা আবদুল হামিদ, মাওলানা মঈনুল হক, সহসাধারণ সম্পাদক মাওলানা গিয়াসউদ্দিন, মাওলানা রফিক আহমদ, মাওলানা জাকির হোসেন সাঈদ, সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা শফিকুল ইসলাম, সহসাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা জিয়াউদ্দিন, মাওলানা আলী হায়দার, মাওলানা আব্দুল মজিদ, সমাজকল্যাণ সম্পাদক হাফিজ শাহীন আহমদ, মাওলানা হুসাইন আহমদ, হাফিজ জমিরউদ্দীন, মাওলানা আমিনুল ইসলাম প্রমুখ।