Author: desk

  • বাংলাদেশের এক ইঞ্চি মাটিও কাউকে ছেড়ে দেব না : কেন্দ্রীয় জামায়াত আমির

    বাংলাদেশের এক ইঞ্চি মাটিও কাউকে ছেড়ে দেব না : কেন্দ্রীয় জামায়াত আমির

     কুমিল্লা থেকে মোঃতরিকুল ইসলাম তরুণ,

    বাংলাদেশের এক ইঞ্চি জায়গাও আমরা কাউকে ছাড় দিবো না, কোনো আগ্রাসন সহ্য করা হবে না। বাংলাদেশ প্রশ্নে আমরা সবাই এক। পতিবেশী রাষ্ট্র ভারত বাংলাদেশ বিরুদ্ধে অপপ্রচার করে যাচ্ছে, ষড়যন্ত্র করে এদেশের গনতন্ত্র তালাবন্ধ রেখেছিল ১৬ বছর।তাদের
    সব ধরনের উসকানি কিংবা অপপ্রচারের বিরুদ্ধে আমরা সবসময় এক হয়ে লড়াই চালিয়ে যাবো বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান।
    শুক্রবার (৬ ডিসেম্বর) সকালে কু‌মিল্লা টাউন হল মাঠে অনুষ্ঠিত মহানগর জামায়াতের কর্মী সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
    জামায়াতের আমির বলেন, সংখ্যালঘু শব্দ ব্যবহার করে একটি গোষ্ঠী দেশের বাইরে থেকে নিজেদের উদ্দেশ্যে হাসিল করতে চায়। বিভিন্ন উসকানিমূলক বক্তব্য দিয়ে দেশে অস্থিতিশীল পরিবেশ তৈরি করতে চায়। কিন্তু সেটা কখনোই সম্ভব হবে না। আমরা সবাই এক হয়ে লড়াই করবো। এ দেশের এক ইঞ্চি জমিও আমরা কাউকে ছাড় দেবো না। আমরা কোন আগ্রাসন সহ‌্য করবো না।

     কর্মী সভায় আরও বক্তব্য রাখেন সাবেক এম‌পি ও জামায়াতে ইসলামের কেন্দ্রীয় নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মু. তাহের, জামায়াতে ইসলাম কুমিল্লা মহানগরীর আমির ও কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য কাজী দ্বীন মোহাম্মদ, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা এ টি এম মাছুম, মাওলানা আব্দুল হালিম, সাবেক চাকসু ভি‌পি ও কেন্দ্রীয় কর্মপ‌রিষদ সদস‌্য এড জ‌সিম উদ্দিন সরকার, কু‌মিল্লা উত্তর জেলা আমীর অধ‌্যাপক আবদুল ম‌তিনসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

     উল্লেখ্য, এর আগে সবশেষ ২০০৫ সালে কুমিল্লায় জামায়াত ইসলামীর কর্মী সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছিল। ওই কর্মী সম্মেলনে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সাবেক আমির ও সাবেক শিল্পমন্ত্রী মাওলানা মতিউর রহমান নিজামী।

  • চারঘাটে বিলুপ্তির পথে বাঁশ ও বেত শিল্প

    চারঘাটে বিলুপ্তির পথে বাঁশ ও বেত শিল্প

    মোজাম্মেল হক, চারঘাট থেকেঃ

    আধুনিকতার ছোঁয়ায় গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যের বাঁশ ও বেত শিল্প আজ প্রায় বিলুপ্ত হতে চলেছে। এ শিল্পের সঙ্গে যেসব শ্রমিক জড়িত তারা আজ পেশা পাল্টাতে শুরু করেছেন। এ পেশায় নিয়োজিত শ্রমিকরা বর্তমান বাজারের প্লাস্টিক ও অন্য সব দ্রব্য সামগ্রীর সঙ্গে পাল্লা দিতে না পেরে নির্বিকার হয়ে পড়েছেন। ফলে এ শিল্পের ঐতিহ্য হারানোর পাশাপাশি রাজশাহীর চারঘাটে কুটির শিল্পে জড়িতদের ভাগ্যে নেমে এসেছে চরম দুর্দিন। 

    এক সময় ভোর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত গ্রামীণ পল্লিতে বাঁশের চটা দিয়ে চাটাই, কুলা, ডালা, চাঙারি, টুকরি, ওড়া, চালুনি, মাছ রাখার খালই, পলই, খোলসন, ঝুঁড়ি ও হাঁস-মুরগির খাঁচাসহ বিভিন্ন জিনিস তৈরি করা হতো। পুরুষের পাশাপাশি নারীরাও এ কাজে সামিল হতো। আর হাটবারে স্থানীয় বাজারে এমনকি বাড়ি বাড়ি ফেরি করে এসব বাঁশ-বেতের পণ্য বিক্রি হতো। কিন্তু কালের বিবর্তনে ব্যবধানে এ শিল্পের মূল উপকরণ বাঁশের মূল্য বৃদ্ধিতে বাঁশ-বেতের কারিগররা তাদের পেশা ধরে রাখতে হিমশিম খাচ্ছে। ফলে বেকার হয়ে পড়েছে গ্রামীণ কারিগররা।

    শুক্রবার সকালে সরজমিনে উপজেলার বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা যায়, প্লাস্টিক সামগ্রীর কদর দিন দিন বেড়ে যাওয়ায় বাঁশ-বেতের কুটির শিল্পের চাহিদা এখন আর নেই। তা ছাড়াও এ শিল্পের কাঁচামাল বাঁশ ও বেত এখন আর সহজলভ্য নয়। বাজারগুলো দখল করেছে প্লাস্টিক ও এ্যালুম্যানিয়াম। অনেকে আবার দীর্ঘদিনের বাপ-দাদার এই পেশা ছেড়ে অন্য পেশার দিকে ছুটছে। তবে শত অভাব অনটনের মধ্যেও হাতে গোনা কয়েকটি পরিবার আজও পৈতৃক এই পেশাটি ধরে রেখেছেন।

    উপজেলার কেজিপুর গ্রামের আলী হোসেন বলেন, বাপ-দাদার পেশা তাই আকড়ে ধরে আছি। ছেলেমেয়েরা এখন আর এ পেশায় কাজ করতে চায় না। এতে পরিশ্রম বেশি, লাভ কম। আগের মতো চাহিদাও নেই। বর্তমান সময়ে দ্রব্যমূলের দাম বেশি হওয়ায়, স্বল্প আয়ের এ পেশায় টিকে থাকা কঠিন হয়ে পড়েছে।

    বাজারে বাঁশ ও বেতের তৈরি পণ্য বিক্রি করতে আসা কারিগর আব্দুল বারী জানান, তারা নিজেরাই দীর্ঘদিন ধরে বাঁশ ও বেতের তৈরি বিভিন্ন পণ্য হাটে গিয়ে বিক্রি করে আসছেন। অতীতে বাজার যেভাবে চলছিল তা ভালোই চলছিল। বর্তমানে বাজারে বাঁশ ও বেতের তৈরি পণ্যে ক্রেতাদের চাহিদা কমে যাওয়া এতে তেমন কোনো লাভ হয় না। তাই জীবনধারণ করা অনেক কষ্টের হয়ে দাঁড়িয়েছে।

    বাঁশ-বেতে তৈরি জিনিসের স্থানীয় পাইকারী ক্রেতা রুবেল আলী বলেন, এক সময় প্রত্যেক বাড়িতেই বাঁশের তৈরি জিনিসপত্রের ব্যবহার ছিল। চাহিদাও ছিল ব্যাপক। বর্তমান প্লাস্টিক পণ্যের সাথে প্রতিযোগিতায় টিকতে না পেরে মুখ থুবড়ে পড়ছে বাংলার ঐতিহ্যবাহী এ শিল্প বলে তিনি জানান।

    মোঃ মোজাম্মেল হক
    চারঘাট, রাজশাহী।

  • হাট বাজার ব্যবসায়ী সমিতির নির্বাচনে ইমদাদুল সভাপতি-মিজু সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত

    হাট বাজার ব্যবসায়ী সমিতির নির্বাচনে ইমদাদুল সভাপতি-মিজু সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত

    আমিরুল ইসলাম কবির,
    স্টাফ রিপোর্টারঃ

    গাইবান্ধা জেলার পলাশবাড়ী উপজেলা হাট বাজার ব্যবসায়ী সমিতি (রেজিঃ নং-২৬৭০)’র ত্রি বার্ষিক সাধারণ নির্বাচনে চুড়ান্ত ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে। নির্বাচনের ফলাফলে- সভাপতি পদে মমিরুল ইসলাম ইমদাদুল (আনারস) প্রতীকে ৪৮৪ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার সাথে প্রতিদ্বন্দী প্রার্থীদের মধ্যে শাহ জাহান মন্ডল (চেয়ার) প্রতীকে পেয়েছেন ৪৬০ ভোট ও নুরে আলম সিদ্দিকি জিল্লু (ছাতা) প্রতীকে পেয়েছেন ৭৩ ভোট।

    সাধারণ সম্পাদক পদে মিজানুর রহমান মিজু (দোয়াত কলম) প্রতীকে ৪৬২ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রার্থী হিসাবে গোলাম মওলা (হাতী) প্রতীকে পেয়েছেন ৩০৯ ভোট ও আমিনুল ইসলাম নান্নু (ফুটবল) প্রতীকে পেয়েছেন ২৩৯ ভোট। সহ সাধারণ সম্পাদক পদে রবিউল ইসলাম (গরু/ষাঁড়) প্রতীকে ৭১১ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রার্থী লুৎফর রহমান লিপন (বাঘ) প্রতীকে পেয়েছেন ১২৬ ভোট । ক্রীড়া সম্পাদক পদে নুরুন্নবী আহম্মেদ সুজন (মোটরসাইকেল) প্রতীকে ৪৮১ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রার্থী খন্দকাল মো. খায়রুল বাসার (খেজুর গাছ) প্রতীকে পেয়েছেন ৪৫৫ ভোট।

    শান্তিপুর্ন পরিবেশে পলাশবাড়ী উপজেলা হাট বাজার ব্যবসায়ী সমিতির নির্বাচনে আইন শৃংখলা রক্ষায় দায়িত্ব পালন করেন পলাশবাড়ী থানা পুলিশ ও স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীরা।

    ৫ই ডিসেম্বর বৃহস্পতিবার সকাল ৮ হতে বিকাল ৪ টা পর্যন্ত চলে ভোট গ্রহন। ঐতিহ্যবাহী কালিবাড়ী হাট বাজার ব্যবসায়ী সমিতির কার্যালয়ে নির্বাচনে ভোট গ্রহণ করা হয়। ভোট গ্রহন শেষে ভোট গণনা করে রাতেই ফলাফল ঘোষণা করা হয়। এ নির্বাচনে মোট ভোটার ১ হাজার ২’শ ২২ জন । নির্বাচনে ১১টি পদের মধ্যে ইতিমধ্যে ৭টি পদের প্রার্থীরা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। বাকী ৪টি পদের নির্বাচনের জন্য মোট ১০ জন প্রার্থী ভোটের মাঠে প্রতিদ্বন্দিতা করেন। নির্বাচনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার হিসাবে মাহমুদ হাসান ও প্রিজাইডিং অফিসার হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন মুনছুর আলী।

    উল্লেখ্য,পলাশবাড়ী উপজেলা হাট বাজার ব্যবসায়ী সমিতির ত্রি বার্ষিক সাধারণ নির্বাচনে ১১ টি পদের মধ্যে ৭ টি পদে বিনা প্রতিদ্বন্দিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। তারা হলেন,সহ সভাপতি পদে মো. আব্দুস সালাম, সাংগঠনিক সম্পাদক পদে মোজাহিদ মুন্সি,ধর্মীয় সম্পাদক পদে হাফেজ মো. আশরাফুল ইসলাম,দপ্তর সম্পাদক পদে আশরাফুল ইসলাম,অর্থ সম্পাদক পদে খোরশেদ আলম,প্রচার সম্পাদক পদে মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তা,কার্যকরী সদস্য পদে মিলন মিয়া।

    পর্যবেক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন,বগুড়া আঞ্চলিক শ্রম দপ্তরের সহকারী পরিচালক খালেদা জাহান ও গাইবান্ধা শ্রম কল্যাণ কেন্দ্রের শ্রম কল্যাণ সংগঠক মো. নাছির উদ্দীন।।

  • কোর অব মিলিটারী পুলিশ এর বাৎসরিক অধিনায়ক সম্মেলন-২০২৪

    কোর অব মিলিটারী পুলিশ এর বাৎসরিক অধিনায়ক সম্মেলন-২০২৪

    সংবাদ বিজ্ঞপ্তি

    ঢাকা, ০৫ ডিসেম্বর ২০২৪ (বৃহস্পতিবার): আজ (০৫ ডিসেম্বর ২০২৪) সাভার সেনানিবাসস্থ কোর অব মিলিটারী পুলিশ সেন্টার এন্ড স্কুল (সিএমপিসিএন্ডএস) এ কোর অব মিলিটারী পুলিশ এর বাৎসরিক অধিনায়ক সম্মেলন-২০২৪ অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, এসবিপি, ওএসপি, এসজিপি, পিএসসি। সেনাবাহিনী প্রধান কোর অব মিলিটারী পুলিশ সেন্টার এন্ড স্কুল এ পৌছালে তাকে জিওসি, আর্মি ট্রেনিং এন্ড ডকট্রিন কমান্ড; জিওসি, ৯ পদাতিক ডিভিশন ও এরিয়া কমান্ডার, সাভার এরিয়া এবং কমান্ড্যান্ট, কোর অব মিলিটারী পুলিশ সেন্টার এন্ড স্কুল অভ্যর্থনা জানান।

    সেনাবাহিনী প্রধান বাৎসরিক অধিনায়ক সম্মেলনে উপস্থিত কোর অব মিলিটারী পুলিশের অধিনায়কগণ ও অন্যান্য কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে বক্তব্য রাখেন এবং এ কোরের প্রযুক্তিগত উন্নয়ন, গবেষণা, পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধি ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনাসহ বিভিন্ন বিষয়ে মতবিনিময় করেন। একই সাথে তিনি স্মরণ করেন মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে আত্মোৎসর্গকারী কোর অব মিলিটারী পুলিশের বীর সেনানীসহ সকল বীর মুক্তিযোদ্ধাদের। পাশাপাশি সেনাবাহিনীর শৃঙ্খলা এবং নিরাপত্তা রক্ষায় কোর অব মিলিটারী পুলিশের গৌরবোজ্জ্বল ঐতিহ্য এবং দেশমাতৃকার সেবায় এই কোরের অবদানের কথা উল্লেখ করেন। এছাড়াও, আন্তর্জাতিক পরিমন্ডলে কোর অব মিলিটারী পুলিশের ভূমিকার প্রশংসা করেন এবং কোরের প্রতিটি সদস্যকে অভিনন্দন জানান।

    উক্ত অনুষ্ঠানে সেনাবাহিনীর চীফ অব জেনারেল স্টাফ; জিওসি, আর্মি ট্রেনিং এন্ড ডকট্রিন কমান্ড; জিওসি, ৯ পদাতিক ডিভিশন ও এরিয়া কমান্ডার, সাভার এরিয়া; সেনাবাহিনীর এ্যাডজুটেন্ট জেনারেল; সেনাসদরের ঊর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তাগণ; বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সকল সিএমপি ইউনিটসমূহের অধিনায়কগণ এবং গণমাধ্যম ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

  • রংপুর ও গাইবান্ধা জেলায় বিএসটিআই’র সার্ভিল্যান্স অভিযান পরিচালনা

    রংপুর ও গাইবান্ধা জেলায় বিএসটিআই’র সার্ভিল্যান্স অভিযান পরিচালনা

    প্রেস বিজ্ঞপ্তি।

    বিএসটিআই বিভাগীয় অফিস, রংপুর এর উদ্দ্যোগে গত ০৫.১২.২০২৪ খ্রিঃ তারিখে প্রকৌশলী মোঃ জাহিদুর রহমান, সহকারী পরিচালক (সিএম) এর নেতৃত্বে রংপুর ও গাইবান্ধা জেলায় সার্ভিল্যান্স অভিযান পরিচালনা করা হয়। উক্ত অভিযানে আরও ছিলেন প্রকৌশলী মোঃ তাওহিদ-আল-আমিন, ফিল্ড অফিসার (সিএম)।
    উক্ত অভিযানে যে সকল প্রতিষ্ঠানকে দ্রুত সিএম লাইসেন্স গ্রহণ/নবায়ন এবং গুণগত মানের পণ্য উৎপাদনের পরামর্শ প্রদান করা হয়েছে
    ১। জুই ব্রিকস (ঔটও), তালুক ইশাদ, পীরগাছা, রংপুর।
    ২। দুধিয়াগাড়ী গ্রীন ব্রিকস (উএই), দুধিয়াগাড়ী, পীরগাছা, রংপুর।
    ৩। মাইশা নিটল ব্রিকস (গঘই), ওমর খা, কৈকুড়ী, পীরগাছা, রংপুর।
    ২১। চৈতালী ব্রিকস-১ (গঈই), ঢোলভাঙ্গা, পলাশবাড়ী, গাইবান্ধা।
    ২৩। চৈতালী ব্রিকস-৩ (গঈই), ঢোলভাঙ্গা, পলাশবাড়ী, গাইবান্ধা।
    ২৪। আলটা ব্রিকস (অখঞঅ), সাকোয়া, ঢোলভাঙ্গা, পলাশবাড়ী, গাইবান্ধা।
    ২৫। বাদশা ইটভাটা (ইইঋ), সাকোয়া, ঢোলভাঙ্গা, পলাশবাড়ী, গাইবান্ধা।
    ২৬। হাবিব ব্রিকস (গঐই), ঢোলভাঙ্গা, পলাশবাড়ী, গাইবান্ধা।
    ১৮। এস এন আর ব্রিকস (ঝঘজ), বিষ্ণপুর, তুলসীঘাট, সদর, গাইবান্ধা।
    ১৯। খান ব্রিকস (গকই), তুলসীঘাট, ফলিমারি, সদর, গাইবান্ধা।
    ২০। এন এস এল ব্রিকস (ঘঝখ), বল্লমঝাড়, তুলসীঘাট, সদর, গাইবান্ধা।
    ২৮। এ এম ই ব্রিকস (অগঊ), পুরাতন বাদিয়াখালী, সদর, গাইবান্ধা।
    ৩০। বি এম কে ব্রিকস (ইগক), রিফাইতপুর, বাদিয়াখালী, সদর, গাইবান্ধা।
    ১২। আর এন্ড এস ব্রিকস (জ্ঝ), তরফ বাজিত, সাদুল্লাপুর, গাইবান্ধা।
    ১৩। মৌচাক দই ঘর, তরফ বাজিত, সাদুল্লাপুর, গাইবান্ধা।
    ১৪। শেখ দই ঘর, তরফবাজিত, সাদুল্লাপুর, গাইবান্ধা।
    ১৫। এস আই বি ব্রিকস (ঝওই), কিশামত শেরপুর, সাদুল্লাপুর, গাইবান্ধা।
    ১৬। এ জেড ব্রিকস (অতই) বদলাগাড়ী, ইদ্রাকপুর, সাদুল্লাপুর, গাইবান্ধা।
    ১৭। এম এ বি ব্রিকস(গঅই), বদলাগাড়ী, সাদুল্লাপুর, গাইবান্ধা।
    ২২। চৈতালী ব্রিকস-২(গঈই), বড় গোপালপুর, সাদুল্লাপুর, গাইবান্ধা।
    ৪। বান্না ব্রিকস (ইগই),মতিনপুর, সুন্দরগঞ্জ, গাইবান্ধা।
    ৫। হিমেল ব্রিকস (গঐই), মন্মথ, বামনডাঙ্গা, সুন্দরগঞ্জ, গাইবান্ধা।
    ৬। মায়াজ রুহান ব্রিকস (গজই), পশ্চিম শিবরাম, সোনারায়, সুন্দরগঞ্জ, গাইবান্ধা।
    ৭। হোপ এগ্রো লিমিটেড (ঐঅই), শিবরাম, সোনারায়, সুন্দরগঞ্জ, গাইবান্ধা।
    ৮। মা বাবার দোয়া ব্রিকস (গউই), পশ্চিম শিবরাম, ফলগাছা, সুন্দরগঞ্জ, গাইবান্ধা।
    ৯। মা বাবার দোয়া ব্রিকস (গইউ), উত্তর শাহবাজ, বামনডাঙ্গা, সুন্দরগঞ্জ, গাইবান্ধা।
    ১০। কে এন এম ব্রিকস (কঘগ), কিশামাত, সুন্দরগঞ্জ, গাইবান্ধা।
    ১১। মামুন এন্টারপ্রাইজ (ঋকগ) ব্রিকস, তালুক সর্বানন্দ, সুন্দরগঞ্জ, গাইবান্ধা।
    ২৭। আর এ বি ব্রিকস (জঅই), কালির বাজার রোড, ফুলছড়ি, গাইবান্ধা।
    ২৯। বি এম কে-২ ব্রিকস (ইগক), টেপা পদুমশহর, বোনারপারা রোড, সাঘাটা, গাইবান্ধা।

    জনস্বার্থে বিএসটিআই বিভাগীয় কার্যালয়, রংপুর এর এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

  • স্বরূপকাঠিতে প্রতারণার অভিযোগে পুলিশ সদস্য গ্রেফতার

    স্বরূপকাঠিতে প্রতারণার অভিযোগে পুলিশ সদস্য গ্রেফতার

    আনোয়ার হোসেন,

    স্বরূপকাঠি (পিরোজপুর) সংবাদদাতা//

    স্বরূপকাঠিতে প্রতারনার অভিযোগে জাহিদ বকাউল (২৫)নামে এক পুলিশ সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তার (পুলিশ আইডি বিপি ৯৯১৮২১৫৭৯৮) । স্বরূপকাঠি বাজারের আনহা সুপারশপ বিকাশ ও ফ্লাক্সিলোডে ব্যবসায়ী মো. হুসাইনের দায়ের করা অভিযোগের প্রেক্ষিতে গতকাল বৃহস্পতিবার পিরোজপুর থেকে তাকে আটক করা হয়। তার বিরুদ্ধে নেছারাবাদ থানায় নিয়মিত মামলা রজু করা হয়েছে। পুলিশ তাকে পিরোজপুর আদালতে পাঠিয়েছে।

    বিবরনে জানাগেছে,পুলিশ সদস্য জাহিদ বকাউল গত ২৯ নভেম্বর ছারছীনা শরীফের মাহফিলে ডিউটি করার জন্য এসে স্বরূপকাঠি বাজারের আনহা সুপারশপ, বিকাশ ও ফ্লাক্সিলোড ব্যবসায়ী মো. হুসাইনের দোকান থেকে দু’টি বিকাশ নাম্বারে ২১ হাজার ৮০০টাকা নেয়। তখন দোকানী টাকা চাইলে বলে ডিউটি শেষ করে টাকা দিতেছি। এক পর্যায়ে টাকা না দিয়ে চলে যেতে চাইলে জাহিদ বিষয়টি থানায় জানায়। পুলিশ তদন্ত সাপেক্ষে তাকে আটক করে।

    উল্লেখ্য সে একই ভাবে শতাব্দি টেলিকম থেকে ২০ হাজার,বাস ষ্ট্যান্ডের রিমন আহম্মেদের দোকান থেকে ৩৪ হাজার ৩০০ টাকা নিয়েছে বলে জানা গেছে।

    নেছারাবাদ থানার ওসি মো. বনি আমিন বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, তার বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা রজু করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

  • নড়াইলে হালকা শীতের আমেজে দেদারছে বিক্রি হচ্ছে অতিথি পাখি

    নড়াইলে হালকা শীতের আমেজে দেদারছে বিক্রি হচ্ছে অতিথি পাখি

    উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি:

    নড়াইলে ফোন করলেই বাড়ি বাড়ি পৌঁছে যায় অতিথি পাখি। নড়াইলের বিল ও জলাশয়গুলোতে হালকা শীতের আমেজে প্রতিবছরের মতো দল বেঁধে আসতে শুরু করেছে অতিথি পাখিরা। পানি কমে আসা বিল ও জলাশয়গুলোতে খাবারের সন্ধানে ঝাঁকে ঝাঁকে অতিথি পাখির সঙ্গে আসছে দেশীয় প্রজাতির পাখিও। আর এই সুযোগে ফাঁদ পেতে নির্বিচারে পাখি নিধন করছে অসাধু শিকারিরা। উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি জানান, এসব পাখির একটা বড় অংশ বিষটপ, জাল, বড়শিতে আটকে শিকারের খাঁচায় বন্দি হচ্ছে। সেগুলো আবার দেদার বিক্রি হচ্ছে বিভিন্ন এলাকার হাটে-বাজারে। এমনকি মুঠোফোনে অর্ডার করলেই যথারীতি একটু গোপনে ব্যাগভর্তি করে মোটরসাইকেলে ক্রেতার বাড়ি বাড়ি পৌঁছে যাচ্ছে অতিথি পাখি।
    জানা যায়, মূলত নভেম্বর মাস থেকে শুরু করে মার্চ-এপ্রিল মাস পর্যন্ত অবস্থান করে এসব পাখি। শীত শেষ হলে আবার ফিরে যায় তারা। এবছরও ব্যতিক্রম ঘটেনি। অন্যান্য বছরের মতো এবারও মাছে বিষটপ, জাল ও বড়শি দেওয়ার পাশাপাশি প্রযুক্তির ফাঁদ পেতে অভিনব কৌশলে পাখি শিকার করছে তারা।
    এ বছর শীতের আগেভাগেই নড়াইলের চাঁচুড়ী বিল, পাটেশ্বরী বিল, ইছামতি বিল, কাড়ার বিল, নলামারা বিল, কুমড়ি-তালবাড়িয়া বিল, পাঁচুড়িয়া বিল, গোপালপুর-বগুড়ার বিল, জলাশয় ও হাজার হাজার চিংড়ি ঘের এলাকায় অতিথি পাখির কলকাকলিতে মুখরিত হয়ে উঠছে। মূলত এসব জলাশয়ে শীত মৌসুমে অল্প পানিতে মাছ শিকারের জন্য অসংখ্য পাখি আসে। বিদেশি পাখিদের সঙ্গে থাকে-বালি হাঁস, কালকোচ, কায়েম, ডুঙ্কর, পানকৌড়ি, পাতাড়ি হাঁস, হাঁস ডিঙ্গি, কাদা খোঁচা, খয়রা, চেগা, কাচিচোরা, মদনটাক, শামুখখোলা ও বকসহ নানা প্রজাতির পাখি। বিকাল থেকেই বিভিন্ন প্রজাতির এসব পাখি দল বেঁধে বিল এলাকায় গিয়ে খাদ্য সংগ্রহে নেমে পড়ে। আর সেখানে আগে থেকেই ওৎ পেতে থাকে শিকারি চক্র। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, যেখানে পাখিদের আনাগোনা বেশি সেসব বিল ও জলাশয়ের বৃহৎ এলাকাজুড়ে জালের ফাঁদ পাতে শিকারি চক্র। এরপর অতিথি পাখিদের ডাউনলোড করা ডাক পোর্টেবল সাউন্ড-বক্সে ঢুকিয়ে বাজানো শুরু করে। আর ওই ডাক শুনে সতীর্থদের নিরাপদ অবস্থান মনে করে শিকারির পাতা ফাঁদে নামতে শুরু করে অতিথি পাখিরা। আর এভাবে অভিনব কায়দার ঝাঁকে ঝাঁকে অতিথি পাখি আটকা পড়ছে শিকারির ফাঁদে।
    কয়েকজন পাখি বিক্রেতার সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, কালিয়া উপজেলার চাঁচুড়ী বাজার ও রঘুনাথপুর বাজারসহ বিভিন্ন স্থানে অবাধে বিক্রি হচ্ছে অতিথি পাখি। পাশাপাশি অগ্রিম অর্ডারের মাধ্যমে যথারীতি এসব পাখি বিক্রেতাদের বাড়িতে বাড়িতে পোঁছে দেয়া হচ্ছে। প্রতি জোড়া ডুঙ্কর ও কাঁদা খোচা পাখি ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকা, কালকোচ ৬৫০ থেকে ৭০০ টাকা, কাইয়ুম পাখি ৭০০ থেকে ৮০০ ও বালিহাঁস ৭৫০ থেকে ৮০০ টাকায় বিক্রি হয়। এছাড়া আকার ভেদে পাখি সর্বনিম্ন ৩০০ থেকে ১৫০০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হয়।

  • ফুলছড়িতে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ

    ফুলছড়িতে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ

    মোঃ কাউছার ঊদ্দীন শরীফ,ঈদগাঁওঃ

    কক্সবাজার উত্তর বন বিভাগের আওতাধীন ফুলছড়ি রেঞ্জের অধীনে রাজঘাট ও নাপিতখালী বিটের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়েছে।

    মঙ্গলবার ৩ ডিসেম্বর সকাল থেকে বিকাল পর্যন্ত কয়েকটি এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
    অভিযানের সত্যতা নিশ্চিত করেন অভিযান পরিচালনা কারী ফুলছড়ি রেঞ্জে কর্মরত সহকারী বন সংরক্ষক (এসিএফ) মোঃ রাশিক।

    জানা যায়, কক্সবাজার উত্তর বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মোঃ মারুফ হোসেনের নির্দেশে গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদ এর ভিক্তিতে ফুলছড়ি রেঞ্জের আওতাধীন রাজঘাট ও নাপিত খালী বিটে রেঞ্জ কর্মকর্তা, রে‌ঞ্জের ফ‌রেস্টারগণ ও স্টাফগণ অ‌ভিযা‌ন চালিয়ে বনভূমির জায়গা অবৈধ দখলদারদের কাছ থেকে উদ্ধার করে দখলমুক্ত করা হয়েছে।

    জবরদখল করে অবৈধভাবে বিভিন্ন ধরনের স্থাপনা নির্মান করে আসছিল।খবর পেয়ে উচ্ছেদ অভিযান চালিয়ে বনভুমি অবৈধ দখলদারদের কাছ থেকে উদ্ধার করে দখলমুক্ত করা হয়েছে।এ বিষ‌য়ে আই‌নি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন ফুলছড়ি রেঞ্জে কর্মরত সহকারী বন সংরক্ষক (এসিএফ) মোঃ রাশিক।

  • রাজশাহীর চারঘাটে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে ২ কসমেটিকস ব্যবসায়ীকে ৭০ টাকা জড়িমানা

    রাজশাহীর চারঘাটে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে ২ কসমেটিকস ব্যবসায়ীকে ৭০ টাকা জড়িমানা

    চারঘাট (রাজশাহী) প্রতিনিধিঃ

    রাজশাহীর চারঘাট বাজারে ভ্রাম্যমাণ আদালত অভিযান পরিচালা করে এ সময় মানহীন নকল কসমেটিকস বিক্রি এবং বিদেশি কসমেটিকসের মোড়কে আমদানিকারকের তথ্য, মেয়াদ ও বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশনের (বিএসটিআই) সিল না থাকায় দুই কসমেটিকস ব্যবসায়ীকে ৭০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। 

    বৃহস্পতিবার দুপুরে চারঘাট সদর বাজারের বিভিন্ন কসমেটিকসের দোকানে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান পরিচালনা করে উপজেলা প্রশাসন ও বিএসটিআই রাজশাহী। অভিযানে নেতৃত্ব দেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আরিফ হোসেন।  

    জানা যায়, সকাল ১১টার দিকে অভিযানের শুরুতে চন্দ্রন কুমার নামে এক ব্যবসায়ীকে বিভিন্ন দোকানে নকল ও বিএসটিআই এর অনুমোদনহীন পণ্য সরবরাহ করার অভিযোগে দেশী-বিদেশী মোড়কের কসমেটিকসসহ আটক করা হয়ে। পরে তাকে ভ্রাম্যমাণ আদালতে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। 

    এরপর দুপুর ১ টার দিকে জিয়া প্রসাধনী নামক কসমেটিকস দোকানে অভিযানে পরিচালনা করা হয়। সেখানে বিপুল পরিমাণ নকল স্যানেটারী ন্যাপকিন, ক্রীম, লোশান, বিদেশী কসমেটিকস জব্দ করা হয়। এসময় ওই ব্যবসায়ী ভ্রাম্যমাণ আদালতের কাছে দোষ স্বীকার করলে তাকে ৪০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। 

    পরবর্তীতে উদ্ধারকৃত নকল ও অনুমোদনহীন কসমেটিকস ও কসমেটিকস তৈরির রাসায়নিক দ্রব্য জনসম্মুখে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়।

    নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) আরিফ হোসেন বলেন, সরকারের শুল্ক ফাঁকি ও  নকল মানহীন পণ্য আমদানিকারকের তথ্য না থাকার অপরাধে দুই ব্যবসায়ীকে জরিমানা করা হয়েছে।

    মোঃ মোজাম্মেল হক
    চারঘাট, রাজশাহী।

  • সুনামগঞ্জে টিআরসি নিয়োগ পরিক্ষায় স্বপ্নপূরণ হচ্ছে  ৭২ জনের

    সুনামগঞ্জে টিআরসি নিয়োগ পরিক্ষায় স্বপ্নপূরণ হচ্ছে ৭২ জনের

    কে এম শহীদুল সুনামগঞ্জ
    সুনামগঞ্জ জেলায় ট্রেইনি রিক্রুট কনস্টেবল (টিআরসি) নিয়োগ সেপ্টেম্বর-২০২৪ এর চূড়ান্ত মেডিকেল রিপোর্ট প্রদান করা হয়েছে। ৫ ডিসেম্বর, বৃহস্পতিবার, জেলা পুলিশ লাইন্স মিলনায়তনে প্রাথমিকভাবে নির্বাচিত প্রার্থীদের চূড়ান্ত মেডিকেল রিপোর্ট প্রদান এবং একই সঙ্গে, নতুনদের ভবিষ্যতের দায়িত্ব, কর্তব্য এবং পুলিশের আদর্শ বজায় রাখার বিষয়ে ব্রিফিং দেওয়া হয়।
    এবারের নিয়োগ প্রক্রিয়ায় শতভাগ স্বচ্ছতা, মেধা এবং শারীরিক যোগ্যতার ভিত্তিতে সুনামগঞ্জ থেকে ৭২ জন প্রার্থী নির্বাচিত হয়েছেন। এদের মধ্যে অধিকাংশই অর্থনৈতিকভাবে পিছিয়ে থাকা পরিবারের সন্তান, যারা কঠোর পরিশ্রম ও অধ্যবসায়ের মাধ্যমে এই সাফল্য অর্জন করেছেন।
    অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সুনামগঞ্জের পুলিশ সুপার আ.ফ.ম. আনোয়ার হোসেন খান, পিপিএম। সঞ্চালনায় ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) জাকির হোসাইন। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) জাহিদুল ইসলাম খান, স্থানীয় মিডিয়া প্রতিনিধিবৃন্দ এবং জেলা পুলিশের বিভিন্ন পর্যায়ের সদস্যগণ।
    পুলিশ সুপার তাঁর বক্তব্যে নির্বাচিত প্রার্থীদের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান। তিনি সততা, নিষ্ঠা এবং পেশাদারিত্বের মাধ্যমে বাংলাদেশ পুলিশের সম্মান বৃদ্ধিতে নির্বাচিত প্রার্থীদের প্রতি আহ্বান জানান।

    নির্বাচিত প্রার্থীরা তাদের অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন। একটি স্বচ্ছ ও সুষ্ঠু নিয়োগ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সাধারণ পরিবারের সন্তানদের স্বপ্ন পূরণের সুযোগ করে দেওয়ায় জেলা পুলিশের প্রতি কৃতজ্ঞ জানান তারা।

    উপস্থিত সাংবাদিকবৃন্দ শতভাগ স্বচ্ছতার ভিত্তিতে উত্তীর্ণ নবীন প্রার্থীদের সৎ, নিষ্ঠাবান এবং দেশপ্রেমিক হয়ে কাজ করার আহ্বান জানান। তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, এই নবীন প্রজন্মের হাত ধরে বাংলাদেশ পুলিশের সুনাম আরও উজ্জ্বল হবে এবং দেশের সেবায় তারা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

    সুনামগঞ্জ জেলায় পুলিশ ট্রেইনি রিক্রুট কনস্টেবল (টিআরসি) নিয়োগ সেপ্টেম্বর-২০২৪ এর প্রক্রিয়া ব্যাপক অংশগ্রহণের মাধ্যমে শুরু হয়। মোট ২৫১০ জন প্রার্থী এই প্রতিযোগিতামূলক নিয়োগে আবেদন করেন। ২৯ থেকে ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত জেলা পুলিশ লাইন্সে অনুষ্ঠিত শারীরিক সক্ষমতা যাচাই পরীক্ষায় অংশ নেওয়া প্রার্থীদের মধ্যে ৫৭৪ জন সফলভাবে উত্তীর্ণ হয়ে পরবর্তী ধাপের জন্য মনোনীত হন। গত ১২ নভেম্বর অনুষ্ঠিত লিখিত পরীক্ষায় অংশ নেওয়া প্রার্থীদের মধ্যে ২০৩ জন কৃতকার্য হন। এই প্রার্থীরা পরবর্তীতে গত ১৯ ও ২০ নভেম্বর মনস্তাত্ত্বিক এবং মৌখিক পরীক্ষায় অংশ নেন।##