Author: desk

  • তেঁতুলিয়া সীমান্তে নারীসহ আটক  

    তেঁতুলিয়া সীমান্তে নারীসহ আটক  

    মোঃ বাবুল হোসেন পঞ্চগড়

    অবৈধভাবে ভারতে যাওয়ার চেষ্টাকালে বিজিবির হাতে আটক ৫ বাংলাদেশি৷ 

    পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া উপজেলার শুকানী সীমান্তে অবৈধভাবে ভারতে যাওয়ার চেষ্টাকালে নারীসহ ৫ জনকে আটক করেছে বিজিবি৷ বুধবার (১১ ডিসেম্বর) বিকেলে তেঁতুলিয়া উপজেলার শুকানী বিওপির দায়িত্বপূর্ণ এলাকার ৭৪০ এর ৩ নম্বর সাব পিলার সংলগ্ন এলাকা দিয়ে তারা ভারতে অনুপ্রবেশের চেষ্টা করছিলেন বলে জানিয়েছে বিজিবি।

    বুধবার রাতে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে নীলফামারী ৫৬ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক শেখ মো. বদরুদ্দোজা এ খবর নিশ্চিত করেছেন। বিজ্ঞপ্তির বলা হয়, ভারতের অভ্যন্তরে অবৈধভাবে অনুপ্রবেশের চেষ্টাকালে ৫ বাংলাদেশি নাগরিককে আটক করেছে নীলফামারী ৫৬ বিজিবি ব্যাটায়িলন।

  • সুজানগরে বর্ণাঢ্য আয়োজনে কৃষকদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত

    সুজানগরে বর্ণাঢ্য আয়োজনে কৃষকদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত

    সুজানগর প্রতিনিধিঃ পাবনার সুজানগরে বিভিন্ন কর্মসূচি পালনের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী কৃষকদলের ৪৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন করা হয়েছে।বুধবার এ উপলক্ষ্যে আলোচনাসভা ও কেক কাটা হয়। উপজেলা কৃষকদলের আহ্বায়ক শাহজাহান শেখের সভাপতিত্বে ও সদস্য সচিব আব্দুল মজিদ মন্ডলের সঞ্চালনায় প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আলোচনাসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আলহাজ্ব এবিএম তৌফিক হাসান। বিশেষ অতিথি ছিলেন পৌর বিএনপির আহ্বায়ক কামাল হোসেন বিশ্বাস ও সদস্য সচিব জসিম বিশ্বাস। অনুষ্ঠানে বিএনপি ও সহযোগীঅঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীদের মধ্যে জাহিদ বিশ্বাস,নজরুল, আলহাজ্ব তুষার,সেলিম, শেখ রুবেল, ফারুক,শেখ রিদয় ও মেহেদীসহ অন্যান্য নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। পরে দলীয় নেতাকর্মীদের সাথে নিয়ে জাতীয়তাবাদী কৃষকদলের ৪৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর কেক কাটেন অতিথিবৃন্দ।আলোচনাসভায় বক্তারা বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এদেশের কৃষকের মুখে হাসি ফোঁটাতেই খাল খনন কর্মসূচি শুরু করেন। কৃষকদের সাথে মাঠে ময়দানের খাল খনন কর্মসূচিতে নিজ হাতে কোদাল নিয়ে খনন কাজ করেছেন।কৃষকদলের নেতাকর্মীদের কাজ হবে, কৃষকদের জন্য ন্যায্য মূল্যে সার, বীজ ও কীটনাশকের ব্যবস্থা করা। বর্তমানে কৃষকদের জীবনমান উন্নয়নে নানামুখী পদক্ষেপ নিতে হবে। কৃষি ঋণ, কৃষি প্রণোদনা, প্রশিক্ষণ, ফসল বীমাসহ বিভিন্ন প্রকল্পের মাধ্যমে কৃষকদের সহায়তা দিতে হবে।

    এম এ আলিম রিপন
    সুজানগর (পাবনা)প্রতিনিধি।।

  • নীলফামারী জেলায় বিএসটিআই’র মোবাইল কোর্ট অভিযানে  ১০,০০০ টাকা জরিমানা

    নীলফামারী জেলায় বিএসটিআই’র মোবাইল কোর্ট অভিযানে ১০,০০০ টাকা জরিমানা

    প্রেস বিজ্ঞপ্তি.

    বিএসটিআই বিভাগীয় কার্যালয়, রংপুর এবং উপজেলা প্রশাসন, কিশোরগঞ্জ, নীলফামারী এর উদ্যোগে ১১ ডিসেম্বর, ২০২৪ তারিখে নীলফামারী জেলার কিশোরগঞ্জ উপজেলায় একটি মোবাইল কোর্ট অভিযান পরিচালিত হয়। উক্ত মোবাইল কোর্ট অভিযানে মেসার্স মোজাম্মেল এন্ড সন্স ফিলিং স্টেশনের বিক্রয়কৃত জ্বালানি তেল পরিমাণে কম পাওয়া গেলে প্রতিষ্ঠানটিকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। ভবিষ্যৎ এ পরিমাপ সঠিক রাখার বিষয়ে বিজ্ঞ ম্যাজিস্ট্রেট প্রতিষ্ঠানের মালিককে সতর্ক করেন।

    উক্ত অভিযান পরিচালনা করেন কিশোরগঞ্জ উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো: মঈন খান এলিস। প্রসিকিউটর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন বিএসটিআই বিভাগীয় কার্যালয় রংপুরের ফিল্ড অফিসার (সিএম) প্রকৌঃ মোঃ তাওহিদ আল আমিন এবং পরিদর্শক (মেট্রোলজি) মোঃ নাসির উদ্দিন।

    জনস্বার্থে বিএসটিআই বিভাগীয় কার্যালয়, রংপুরের এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

  • পলাশবাড়ীতে ইউপি চেয়ারম্যান কর্তৃক ভিডব্লিউবি কার্ড এর চাল তুলে আত্মসাতের অভিযোগ

    পলাশবাড়ীতে ইউপি চেয়ারম্যান কর্তৃক ভিডব্লিউবি কার্ড এর চাল তুলে আত্মসাতের অভিযোগ

    আমিরুল ইসলাম কবির,
    স্টাফ রিপোর্টার

    পলাশবাড়ী উপজেলার ৮নং মনোহরপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও আওয়ামীলীগের ইউনিয়ন সাধারণ সম্পাদক আব্দুল ওহাব প্রধান রিপনের বিরুদ্ধে ভিডব্লিউবি’র অসংখ্য কার্ডধারী গরীব মহিলার কার্ড নিজের হেফাজতে রেখে ২১ মাসের ৩০ কেজি করে চাল তুলে আত্মসাতের ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবরে লিখিত অভিযোগ।

    অভিযোগ সূত্রে ও সরেজমিনে প্রকাশ,পলাশবাড়ী উপজেলার ৮নং মনোহরপুর ইউপি চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল ওহাব প্রধান রিপন ভিডব্লিউবি এর গরীব সুবিধাভোগী মহিলাদের অসংখ্য কার্ড নিজের হেফাজতে রেখে ২১ মাসের ৩০ কেজি করে চাল তুলে আত্মসাৎ করেছেন। এসব অনিয়ম দুর্নীতির বিরুদ্ধে ওই ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মো. আব্দুল বারী মন্ডল ১১ই ডিসেম্বর বুধবার পলাশবাড়ী উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবরে লিখিত অভিযোগ করেছেন।

    অভিযোগে আরো জানা যায়,ওই ইউনিয়নের সীমা বেগম,পিতা শাজাহান গ্রামের নাম উল্লেখ নেই,ক্রমিক নং-৬,ওয়ার্ত নং-৯,মিনা বেগম,পিতা-রশিদুল,গ্রামের নাম উল্লেখ নেই, ক্রমিক নং*১১,বিলকিছ বেগম, পিতা-শহিদুল,গ্রামের নাম উল্লেখ নেই,ক্রমিক নং-১৩,সাদা রানী বেগম,পিতা-ভোলা প্রধান,গ্রামের নাম উল্লেখ নেই,ক্রমিক নং-৩৬,জান্নাতি বেগম, পিতা-আমিনুল ইসলাম,গ্রামের নাম উল্লেখ নেই,ক্রমিক নং-৮১,মৌসুমী খাতুন,পিতা-হাসান সরকার, গ্রাম-মনোহরপুর,ক্রমিক নং-১৫৪,মাহামুদা বেগম, পিতা-আমিনুল ইসলাম,গ্রাম-নিমদাসের ভিটা,ক্রমিক নং-১৮৮,হাসিনা বেগম,পিতা-সুজন মিয়া, গ্রাম-মনোহরপুর,ক্রমিক নং-২৩৬,মনজু বেগম, পিতা-আশিকুর,গ্রাম-নিমদাসের ভিটা,ক্রমিক নং-২৪৭,ফুলমতি,পিতা-গোপাল চন্দ্র, গ্রাম-কুমেদপুর,ক্রমিক নং-২৬০,বাবলী বেগম, পিতা-রাজু মিয়া,গ্রাম-কুমেদপুর,ক্রমিক নং-২৫৯, তাহেরা খাতুন,পিতা-শহিদুল,গ্রাম-কুমেদপুর,ক্রমিক নং-২৬৩,পরিফুল বেগম,পিতা-মুসা মিয়া, গ্রাম-কুমেদপুর,ক্রমিক নং-২৫৬,মিনারা বেগম, পিতা-রেজাউল করিম,গ্রাম-কুমেদপুর,ক্রমিক নং-২৫৯, খালেদা বেগম,পিতা-সুজা মিয়া,গ্রাম-কুমেদপুর,ক্রমিক নং-২১৯,কহিনুর বেগম,পিতা-আব্দুল ওয়াদুদ, গ্রাম-মনোহরপুর,ক্রমিক নং-২২৯,কহিনুর, পিতা-মজিদুল হক,গ্রাম-মনোহরপুর,ক্রমিক নং-২৪০, সাহিনা বেগম,পিতা-সায়দার রহমান,গ্রাম-কুমেদপুর এইসব সুবিধাভোগী দুস্থ মহিলাদের ভিডব্লিউবি এর কর্ডগুলো চেয়ারম্যান নিজের হেফাজতে রেখে দীর্ঘ ২১ মাস যাবৎ ৩০ কেজি হারে চাল তুলে আত্মসাৎ করেছেন।

    এছাড়া,ওই ইউনিয়নের খামার বালুয়া গ্রামের ভোলা প্রধানের স্ত্রী সায়বানী বেগম ও একই গ্রামের হায়দার রহমানের স্ত্রী শরিফা বেগমের কার্ড দুটির চাল তুলে আত্মসাৎ করেছেন ওই দুর্নীতিবাজ চেয়ারম্যান। বিষয়টি ভুক্তভোগীরা জানতে পেরে,২২ মাসের চাল ও তাদের কার্ড ফেরতের জন্য একাধিকদিন চেয়ারম্যানের নিকট ধর্না দিলেও তাদের কার্ড হয়নি বলে তাদের ফেরত পাঠিয়ে দেন। কিন্তু ভুক্তভোগীদের চাপে এবং অবস্থা বেগতিক দেখে অবশেষে দুর্নীতিবাজ চেয়ারম্যান গত বুধবার তার নিজস্ব লোকের মাধ্যমে কার্ড দুটি তাদের বাড়ি পৌছে দেন।

    আর এসব দুর্নীতি করতে চেয়ারম্যান তার ভগ্নিপতি আমিনুল ইসলাম ও সহোদর ভাই ইমরুল কবির ও সাবেক ইউপি সদস্য শাহজাহান আলী চৌধুরী মাধ্যমে প্রতি মাসে চালগুলো তুলে নিয়ে আত্মসাৎ করেন বলে বিস্তর অভিযোগ রয়েছে। চলতি সালের নভেম্বর মাস পর্যন্ত ভিডব্লিউবি এর কার্ডধারীদের চাল বিতরণ করা হয়েছে মর্মে কার্ড গুলোতে চেয়ারম্যানের স্বাক্ষর রয়েছে।

    এ ব্যাপারে পলাশবাড়ী উপজেলা নির্বাহী অফিসার কামরুল হাসান এর যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান,অভিযোগ পেয়েছি,তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

    অপরদিকে,গাইবান্ধা জেলা বিএনপির কর্মসংস্থান ও আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিষয়ক সম্পাদক এবং পলাশবাড়ী উপজেলা বিএনপির সহ সভাপতি মুকুল আহম্মেদ,৮নং মনোহরপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মো. আব্দুল লতিফ প্রধান,সাধারণ সম্পাদক ওসমান আলী প্রধান ও বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক কাজী শরিফুল ইসলাম মন্ডল বলেন, ভুক্তভোগীরা এসব চালগুলো যাতে ফেরত পায় এবং অনিয়ম দুর্নীতির সাথে জড়িত চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল ওহাব প্রধান রিপন সহ জড়িত দোষীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ সহ সঠিক বিচারের জন্য সংশ্লিষ্ট উর্ধতন কর্তৃপক্ষের জরুরী হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

    এ ব্যাপারে অভিযুক্ত চেয়ারম্যান আব্দুল ওহাব প্রধান রিপনের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি এসব দুর্নীতির সাথে জড়িত নন বলে জানান,তবে ভুক্তভোগী ভিডব্লিউবি কার্ডধারীদের সাথে চেয়ারম্যান আপস মিমাংসা করেছেন বলে জানান।।

  • মোরেলগঞ্জে বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ আইন ও বিধিমালা বিষয়ে দুই দিনব্যাপী অবহিতকরন কর্মশালার উদ্বোধন

    মোরেলগঞ্জে বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ আইন ও বিধিমালা বিষয়ে দুই দিনব্যাপী অবহিতকরন কর্মশালার উদ্বোধন

    শেখ সাইফুল ইসলাম কবির বিশেষ প্রতিনিধি:
    বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জ উপজেলায় বাল্যবিবাহ নিরোধ আইন ২০১৭ ও বাল্যবিবাহ নিরোধ বিধিমালা ২০১৮ বিষয়ক দুই দিনব্যাপী সচেতনতামূলক কর্মশালা শুরু হয়েছে। বুধবার (১১ ডিসেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টায় এ কর্মশালার শুভ উদ্বোধন করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও উপজেলা বাল্যবিবাহ কমিটির সভাপতি মোঃ নাজমুল ইসলাম।ইউনিসেফ বাংলাদেশ এর অর্থায়নে এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় কর্তৃক যৌথভাবে পরিচালিত উপজেলা বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ কমিটি, হাব এবং পিয়ার লিডারদের নেতৃত্বে কিশোর কিশোরী ক্লাবের দায়িত্বে থাকা সিএফদের মাঝে শিশু বিকাশের “জীবনযাত্রা” মডিউল নিয়ে আলোচনা করা হয়। কর্মশালায় আরও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা রমেন্দ্র নাথ বিশ্বাস, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মোঃ মুজাহিদুর রহমান, মোরেলগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ রাকিবুল হাসান, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা গৌতম বিশ্বাস, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ বাকী বিল্লাহ, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মো.মোস্তাফিজুর রহমান, উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা ইকতিয়ার উদ্দিন, উপজেলা আনসার ও ভিডিপি কর্মকর্তা সেতারের আলো, উপজেলা সমবায় কর্মকর্তা মোঃ আব্দুল হালিম, লতিফিয়া ফাজিল ডিগ্রী মাদ্রাসার অধ্যক্ষ ডাঃ মোঃ রুহুল আমিন, সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মোঃ শহিদুল ইসলাম, এনজিও সংগঠন ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ এরিয়া ম্যানেজার তপন কুমার মন্ডলসহ উপজেলা কিশোর কিশোরী ক্লাবের আনিকা বুশরা, মো.নাজমুল।এছাড়াও উপজেলা নিকাহ রেজিস্ট্রার ও কাজী সমিতির সভাপতি মাওলানা আলতাফ হোসেন, হিন্দু বিবাহ নিবন্ধক শশঙ্কর চক্রবর্তী এ সময় উপস্থিত ছিলেন। কর্মশালায় প্রশিক্ষক হিসেবে পরিচালনা করেন প্রজেক্ট পার্টনার ইউনিসেফ বাংলাদেশের প্রতিনিধি ও শিশু অধিকার ফ্যাসিলিটেটর সুবীর কুমার সাহা এবং হার্মফুল প্র্যাকটিস প্রোগ্রাম কোঅর্ডিনেটর মোঃ মনিরুজ্জামান (এইচপিপিসি) ।উল্লেখ্য, প্রশিক্ষণটি পর্যায়ক্রমে ১২ তারিখ পর্যন্ত দুই দিন সকাল সাড়ে ১০ টা থেকে বিকাল ৫ টা পর্যন্ত চলবে।

  • অসীম কুমার সাহার বিরুদ্ধে ভুয়া বিল ভাউচার ও বগী চেকের গুরুত্বর অভিযোগ

    অসীম কুমার সাহার বিরুদ্ধে ভুয়া বিল ভাউচার ও বগী চেকের গুরুত্বর অভিযোগ

    আরিফ রব্বানী।।
    স্টাফ রিপোর্টার : নামেও অসীম কর্মকান্ডেও অসীম।অসীমের অসীম দূর্নীতি। স্বজন প্রীতি সীমাহীন দূর্নীতি আর সহায় সম্পত্তিতে তিনি আজ আলাদিনের চেরাগের মতো জ্বলছে। দেশ থেকে দূর্নীতি লুটপাট বন্ধের যুদ্ধে নেমেছে সমন্বয়কসহ অন্যান্য ছাত্রসমাজ ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ। সেই মূর্হূতে অসীম কুমার সাহা লুটেপুটে শেষ করছে রাষ্ট্রীয় সহায় সম্পদ । তার গর্হিত কর্মকান্ড নিয়ে বিভিন্ন সময় সংবাদের মাধ্যমে বিভিন্ন সংবাদ প্রকাশ পেলেও তার অবৈধ আয়ের ও ক্ষমতার জোড়ে সবকিছু ধামাচাপা পরে যাচ্ছে। অসীম কুমার সাহার বিরুদ্ধে গুরুত্বর অভিযোগ-তিনি সাবেক ময়মনসিংহ পৌরসভা বর্তমানে ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশনে দীর্ঘদিন সরকারি চাকরির বিধিলঙ্ঘন করে বহাল তবিয়তে থেকে বিভিন্ন কায়দায় অনিয়ম দূর্নীতি মাধ্যমে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিয়ে তিনি আজ প্রচুর অর্থ বিত্তের মালিক হয়েছেন।

    অভিযোগে জানা গেছে যে,ময়মনসিংহে যোগদানের আগে তিনি কিশোরগঞ্জ পৌরসভায় ছিলেন।সেখানেও তিনি লুটপাট করেন, তার অবৈধ লুটপাটের কারণে তৎকালীন পৌর মেয়র এর সাথে তার বিরোধ শুরু হয়।সাবেক ময়মনসিংহ পৌরসভায় বদলি হয়ে আসেন বর্তমানে সিটি কর্পোরেশন। কিন্তু তার স্বভাব পরির্বন হয়নি। এখানে এসেও দূর্নীতি, স্বজনপ্রৗতি আর লুটপাটের মহারাম রাজত্ব কায়েম করে চলেছেন তিনি।অভিযোগ রয়েছে- ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশনের বিভিন্ন ক্ষাতের তহবিলে বরাদ্দ অর্থ থেকে ভুয়া বিল ভাউচারের মাধ্যমে দীর্ঘ সময়ে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিয়ে আজ পাহাড় সম অর্থ বিত্তের মালিক হয়েছেন। আর অবৈধ অর্থ দিয়ে অসীম কুমার গড়ে তুলেছেন অঢেল জমি বাড়িসহ সহায় সম্পদ। বিভিন্ন সূত্রের দেওয়া তথ্যে জানা যায় যে,তার নিজ জেলা মানিকগঞ্জে তার নামে রয়েছে ৫ একর জমি।তার শ্বশুর পিডিবির অবসর প্রাপ্ত তার নামেও জমি ক্রয় করে দেন সুতিয়াখালী এলাকায়। শ্বাশুরির নামে ক্রয় করে দেন ছত্রিশ শতাংশ ভুমি। সম্পদের মধ্যে রয়েছে শহরের প্রাণ কেন্দ্র বিএনএসআই চক্ষু হাসপাাল এলাকায় বহুতল ভবন উদয় টাওয়ারসহ নামে বেনামে আত্মীয় স্বজনদের নামে দুইটি ফ্ল্যাট। নামে বেনামে রয়েছে একাধিক ব্যাংক ব্যালেন্স। সামান্য একজন হিসাবক্ষন কর্মকর্তার বিপুল অর্থ সহায় সম্পদের তালিকা দিন দিন বেড়েই চলছে।সিটি কর্পোরেশন সূত্রে জানা যায় যে-বগী চেক বাণিজ্যেও রয়েছে অসীমের অসীম দূর্নীতি। ভুক্তভোগী ঠিকাদারের কাছ থেকে জানা যায় যে,বিভিন্ন বিলের বিপরীত ও অন্যান্য ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে দেওয়া চেক বিভিন্ন সময় ব্যাংকে টাকা না থাকার কারণে ক্যাশ ড্র করতে না পারা ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান তার স্বরন্নাপন্ন হলে তিনি অলিখিতভাবে ১০% ক্ষেত্র বিশেষ ২০% কমিশন আদায় করে ভুক্তভোগীদের কাছ থেকে,চেকের বিপরীতে টাকা দেওয়ার ব্যবস্থা করে। অনেকেই তাকে বলে থাকেন মিস্টার কমিশন বাবু। এতে করে তিনি বছরে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন। আরো জানা যায় আব্দুস সালাম বাবু প্রহরী হিসাবে চাকরীতে যোগদান করলেও তিনি কম্পিউটার অপারেটর হিসাবে কাজ করছেন,কিন্তু শুধু অসীম কুমার সাহার চেক দিয়ে টাকা তোলার কাজ করেন তিনি। শুধু ব্যাংকে- ব্যাংকে বগি চেক নিয়ে কাজ করতেই চলে যায় তার দিন। নাম প্রকাশে অনইচ্ছুক একাধিক কর্মচারী জানান-বর্তমানে শুধু লিটন ঠিকাদারের ৫ কোটি টাকার বগি চেক রয়েছে, বিদ্যুৎ প্রকৌশলী জিল্লুর রহমান,স্যানেটারী ইন্সপেক্টর দীপক মজুমদার,প্রশাসনিক কর্মকর্তা কাঞ্চন কুমার নন্দী, যান্ত্রিক প্রকৌশলী শফি কামাল,মহব্বত আলীসহ কোটি কোটি টাকার বগি চেক নিয়ে বিপাকে রয়েছেণ অসীম কুমার সাহা। ভূয়া বিল ভাউচার করে মসিকের কোটি কোটি টাকা লোপাট করেছেন। এই দূর্নীতি কারণে সাবেক কর্মস্থল কিশোরগঞ্জের তৎকালীন মেয়র অসীম কুমার সাহার বিরুদ্ধে দুর্ণীতির মামলা করেন।

    স্থানীয় এলাকার এডভোকেট বলেন,অসীম কুমার সাহা ময়মনসিংহের বিভিন্ন জায়গায় নিয়ম বহিঃভূতভাবে নকসা অনুমোদনের মাধ্যমে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন। নিজের নামে না করে আত্মীয় স্বজনের নামে এ ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছেন। দূর্গাবাড়ি রোডে সাড়ে সাত শতাংশ জমি ক্রয় করে প্রায় ২২ কোটি টাকা ব্যয় হবে ১৩ তলা বিল্ডিং এর কাজ অঞ্জলি টাওয়ার নির্মাণাধীন।

    দুই বছর ধরে কাজ ফেলে রেখেছেন এবং মালিক পক্ষকে বাড়ি ভাড়া দিয়ে যাচ্ছেন। অপর দিকে শেহড়া মোড়ের সংলগ্নে উদয় টাওয়ারের কাজ করেছেন কিছু ফ্ল্যাট বিক্রয় করেছেন তিনি।ঢাকায় রয়েছে অনেক জায়গায় প্ল্যাট ও প্লেট।

    অসীম কুমার সাহা বলেন-আমরা শুধু হুকুম তামিল করি,কোন অনিয়ম করার সুযোগ নেই।বগি চেকের ব্যবসা অন্য কেউ করতে পারে আমি করি না। বওল ও ভাউচার সকল কিছু ঠিক রেখেই চেক ইস্যু করা হয়।আমি কোন অনিয়মের সাথে জড়িত নই। ডেভেলপার কাজের কথা এড়িয়ে যান তিনি।

    ভুক্তভোগী ও এলাকার স্থানীয় নাগরিকবৃন্দ
    মসিকের হিসাবরক্ষন কর্মকর্তা অসীম কুমার সাহার গর্হিত কর্মকান্ড সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্ত করে তার অবৈধ সহায় সম্পদের উৎস বের করে তাকে দেশের প্রচলিত আইনের কাছে সোর্পদ করে দেশের ও জনগণের সম্পদ রক্ষা করা এখনি সময়। সেই জন্য বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতৃবৃন্দ ও ময়মনসিংহ সমন্বয়কদের দৃষ্টি আকর্ষন করছে ময়মনসিংহবাসী।

  • জামায়াতে ইসলামীর ইমারত গঠন গৌরনদী উপজেলার বাটাজোর ইউনিয়নে

    জামায়াতে ইসলামীর ইমারত গঠন গৌরনদী উপজেলার বাটাজোর ইউনিয়নে

    বি এম মনির হোসেন সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টারঃ-

    বরিশাল জেলার গৌরনদী উপজেলার ৬নং বাটাজোর ইউনিয়নকে ২০২৫-২৬ সেশনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ইমারত শাখা হিসেবে ঘোষনা করে। গত ০৬/১২/২৪ ইং তারিখ সদস্যদের প্রত্যক্ষ ভোটে ইউনিয়ন আমির হিসেবে নির্বাচিত হন মোঃ রাশেদুল ইসলাম। এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা নায়েবে আমির ড. মাহফুজুর রহমান, জেলা অর্থ সম্পাদক অধ্যাপক মনির হোসাইন, উপজেলা আমির মাওলানা আল আমিন হোসাইন প্রমুখ। গত ০৯/১২/২৪ ইং রোজ রবিবার বাটাজোর ইউনিয়নের পুর্নাঙ্গ কমিটি ঘোষনা করা হয়। সদস্যদের পরামর্শ ক্রমে কমিটির সাধারন সম্পাদক হিসেবে মোঃ রেজাউল করিম এবং অর্থ সম্পাদক হিসেবে হাফেজ মোঃ কামরুল ইসলামকে মনোনয়ন প্রদান করা হয়। কমিটির টিম সদস্য হিসেবে মনোনয়ন প্রদান করা হয় মোঃ ফারুক হোসেন আকন, মোঃ নিজামুল হক সরদার এবং ক্বারী শহিদুল ইসলাকে। এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা আমির মাওলানা আল আমিন হোসাইন, উপজেলা সাধারন সম্পাদক মোঃ বাইজিদ হোসাইন, উপজেলা কর্ম পরিষদ সদস্য মাওলানা এ টি এম শামসুল হক।

  • গৌরনদীতে লাগেজ ভর্তি ১৪ কেজি গাঁজাসহ এক মাদক  ব্যবসায়ী ও এক বিক্রেতা গ্রেপ্তার

    গৌরনদীতে লাগেজ ভর্তি ১৪ কেজি গাঁজাসহ এক মাদক ব্যবসায়ী ও এক বিক্রেতা গ্রেপ্তার

    বি এম মনির হোসেন সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টারঃ-

    বরিশালের গৌরনদীতে ৯ ডিসেম্বর সোমবার গভীর রাতে ১৪ কেজি গাঁজাসহ এক মাদক ব্যবসায়ী ও এক বিক্রেতাকে গ্রেফতার করেছেন গৌরনদী মডেল থানা পুলিশ। ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের গৌরনদী বাসস্টার্ড থেকে ১৪ কেজি গাঁজাসহ একজন মাদক ব্যবসায়ী ও বাটাজোর নামক স্থান থেকে একজন বিক্রেতাকে গ্রেফতার করা হয়। গৌরনদী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ ইউনুস মিয়ার দিকনির্দেশনায় এস আই মোঃ মজিবুর রহমান সঙ্গীয় ফোর্সসহ তাদেরকে ৯ ডিসেম্বর সোমবার গভীর রাতে তাদের গ্রেফতার করেন। গ্রেফতার কৃতরা হলেন মাদক ব্যবসায়ী মোঃ দুলাল মোল্লা(৪৫), পিতা-মৃত খালেক মোল্লা, গ্রাম- ভাসানচর, থানা- মেহেন্দীগঞ্জ, জেলা- বরিশাল। সহযোগী আসামী মোঃ বেল্লাল হোসেন (৪২),পিতা-মৃত কালু বেপারী, গ্রাম-লোহালিয়া,থানা- বাবুগঞ্জ,জেলা- বরিশাল।গৌরনদী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ ইউনুস মিয়া বলেন ১০ ডিসেম্বর মঙ্গলবার আটকৃত আসামীদের বরিশাল আদালতে প্রেরণ করা হলে আদালতের বিচারক তাদের জেল হাজতে পাঠানোর র্নিদেশ দেন।

  • সুজানগরে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের মাঝে জামায়াতের খাদ্য সামগ্রী বিতরণ

    সুজানগরে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের মাঝে জামায়াতের খাদ্য সামগ্রী বিতরণ

    এম এ আলিম রিপন : পাবনার সুজানগর পৌর বাজারের হাজি মার্কেটে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্থ ব্যবসায়ীদের মাঝে উপজেলা জামায়াতের উদ্যোগে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। সোমবার অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত দোকানপাট পরিদর্শন করে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের মাঝে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে শুকনা খাদ্য সামগ্রীসহ অন্যান্য সামগ্রী বিতরণ করেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী পাবনা জেলা শাখার আমীর অধ্যাপক আবু তালেব মন্ডল। এ সময় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সুজানগর উপজেলা শাখার আমীর অধ্যাপক কে এম হেসাব উদ্দিন, সেক্রেটারি টুটুল হোসাইন বিশ্বাস, সুজানগর পৌর শাখার আমীর রফিকুল ইসলাম, জামায়াত নেতা আসাদুজ্জামান ও রাফি আহমেদ ফুল, উপজেলা শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সভাপতি অলিউল্লাহ বিশ্বাস সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে দাঁড়াতে সরকার, রাজনৈতিক সংগঠন, দাতা সংস্থাসহ সমাজের বিত্তবান ও সক্ষম মানুষকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়ে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীপাবনা জেলা শাখার আমীর অধ্যাপক আবু তালেব মন্ডল বলেন,জামায়াত একটি গণমুখী, কল্যাণকামী, গণতান্ত্রিক ও আদর্শবাদী রাজনৈতিক সংগঠন। গণমানুষের কল্যাণই জামায়াতের রাজনীতির লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য। তাই প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে দেশ ও জাতির যেকোনো ক্রান্তিকালে আমরা আমাদের সাধ্যমত জনগণের পাশে থাকার চেষ্টা করেছি। সে ধারাবাহিকতা আজ আমরা সীমিত সামর্থ নিয়ে আপনাদের দুঃখের ভাগীদার হওয়ার চেষ্টা করেছি।গণমানুষের যেকোনো সমস্যার সমাধান ও আর্তমানবতার মুক্তির জন্য জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বে দেশে আল্লাহর আইন ও সৎ লোকের শাসন প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে কোরআনের রাজনীতি প্রতিষ্ঠিত করতে হবে। তিনি সেই স্বপ্নের সমাজ বিনির্মাণে সকলকে জামায়াতে পাতাকাতলে ঐক্যবদ্ধ হওয়ারও আহ্বান জানান তিনি সুজানগর উপজেলা জামায়াতের আমীর অধ্যাপক কে. এম হেসাব উদ্দিন বলেন, বান্দার ওপর কষ্ট আসে গুনাহ মাফের জন্য। আর এটি তকদিরের সাথে সম্পৃক্ত। মূলত দুনিয়ার ক্ষতি বড় ক্ষতি নয়। আমাদের অবশ্যই তকদিরে বিশ্বাস করতে হবে। আল্লাহর কাছ থেকে কোনো পরীক্ষা আসলে সে পরীক্ষায় আমাদের অবশ্যই উত্তীর্ণ হতে হবে।যেকোনো অবস্থায় সবর এবং রিজিকে বরকতের জন্য আল্লাহর কাছে দোয়া করতে হবে। একই সাথে যথাযথভাবে নামাজ কায়েম, মানুষকে সৎকাজের আদেশ ও অসৎ কাজের নিষেধ করতে হবে। তাহলেই দেশে ক্ষুধা, দারিদ্র ও বৈষম্যমুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব হবে।গণমানুষের মুক্তি ও কল্যাণের জন্য দেশে ন্যায়-ইনসাফের সমাজ প্রতিষ্ঠার কোনো বিকল্প নেই জানিয়ে তিনি সকলকে জামায়াতের পতাকা তলে এসে শান্তির সমাজ বিনির্মাণে সকলকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করার আহ্বান জানান। উল্লেখ্য, গত ২রা ডিসেম্বর রাতে আগুনে ওই মার্কেটের ০৮ টি দোকান পুড়ে ছাই হয়ে যায়। এছাড়া আগুন নেভাতে গিয়ে অন্তত পাঁচজন দগ্ধ হন। পরে ফায়ার সার্ভিসের কর্মী ও স্থানীয়দের ৩ ঘন্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। ভয়াবহ এ অগ্নিকাণ্ডে জনাবের তেল পেট্রোল ও ডিজেলের দোকান ছাড়াও পার্শ্ববর্তী শাহীনুর রহমান রেন্টুর সেনেটারীর দোকান, মতিউর রহমান সোনাই এর হার্ডওয়ারের দোকান, আসলামের স্টিলের ফার্নিচারের দোকান, জিলাল উদ্দিনের ওয়ার্কশপ, ফজলুর রংয়ের দোকান, সন্টুর ওয়ার্কশপ ও সাগর হোসেনের পাইপ ও সেনেটারীর দোকান এবং দোকানে থাকা মালামাল সম্পূর্ণ ভস্মিভূত হয়। এ সময় আশপাশের আরো বেশ কয়েকটি দোকান ক্ষতিগ্রস্ত হয়।আগুনে প্রায় ৩ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের দাবি। উপজেলা জামায়াতের নেতৃবৃন্দ জানান, অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ১২ জন ব্যবসায়ীর মাঝে শুকনো খাবার সহ অন্যান্য খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়।

    এম এ আলিম রিপন
    সুজানগর(পাবনা)প্রতিনিধি।।।

  • সুজানগরে সফল জননী হিসেবে শ্রেষ্ঠ জয়িতা সম্মাননা পেলেন ছাত্র আন্দোলনে আহত দীপ মাহবুবের মা চায়না খাতুন

    সুজানগরে সফল জননী হিসেবে শ্রেষ্ঠ জয়িতা সম্মাননা পেলেন ছাত্র আন্দোলনে আহত দীপ মাহবুবের মা চায়না খাতুন

    এম এ আলিম রিপনঃ সুজানগরে শ্রেষ্ঠ জয়িতা সম্মাননা পেলেন ছাত্র আন্দোলনে আহত রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের মেধাবী ছাত্র দীপ মাহবুবের মা চায়না খাতুন। জয়িতা অন্বেষণে বাংলাদেশ’ শীর্ষক কার্যক্রমের আওতায় তিনি পাবনার সুজানগর উপজেলার সফল জননী ক্যাটাগরীতে এ সম্মাননা লাভ করেন।সোমবার উপজেলা পরিষদ সম্মেলন কক্ষে আড়ম্বরপূর্ণ অনুষ্ঠানে তার হাতে সম্মাননা স্মারক ও সনদ তুলে দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন সুজানগর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মীর রাশেদুজ্জামান রাশেদ । বিশেষ অতিথি ছিলেন সুজানগর থানা অফিসার ইনচার্জ গোলাম মোস্তফা। এ সময় উপজেলা সমাজসেবা অফিসার জিল্লুর রহমান, উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মশিউর রহমান, নাজিরগঞ্জ স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ নাদের হোসেন, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার(ভারপ্রাপ্ত) আবুল কালাম আজাদ, বীর মুক্তিযোদ্ধা আলাউদ্দিন, সুজানগর উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সাধারণ সম্পাদক ও দৈনিক যুগান্তরের উপজেলা প্রতিনিধি এম এ আলিম রিপন, ছাত্র প্রতিনিধি দীপ মাহমুদ, শেখ রাফি, তাসফিয়া, আশিক ও মানিক প্রমুখ।জানা গেছে, চায়না খাতুনের পড়ালেখার প্রতি ছিল প্রবল অনুরাগ। তিনি পড়ালেখা করার সুযোগ না পাওয়ায় সন্তানদের জন্য আপ্রাণ চেষ্টা করেন। সন্তানদের প্রতিষ্ঠিত করার মাধ্যমে নিজের স্বপ্নপূরণ করার চেষ্টা করেছেন। নিজের লুকানো স্বপ্ন বাস্তবায়ন করতে সন্তানদের নিয়ে গেছেন এক অনন্য উচ্চতায়। সন্তানদের পড়ালেখায় উৎসাহ প্রদানের পাশাপাশি যাবতীয় খরচ যুগিয়েছেন। সুজানগর উপজেলার তাঁতীবন্দ ইউনিয়নের কামারদুলিয়া উত্তরপাড়া গ্রামের মৃত আব্দুল হাই এর স্ত্রী চায়না খাতুন ব্যক্তি জীবনে ছয় পুত্র সন্তানের জননী। সন্তানদের মধ্যে শাহীন আলম ও নাহিদ সরকারি এডওয়ার্ড কলেজ থেকে স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেছেন। দীপ মাহবুব ও তাওহীদ ইসলাম বর্তমানে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যায়নরত, সুমন প্রবাসী এবং সুজন নামের অপর ছেলে কৃষি উদ্যোক্তা। জীবন সংগ্রামের গল্প শুনতে চাইলে চায়না খাতুন বলেন, অল্প বয়সে আমার বিয়ে হয়ে যায়। স্বামীর সংসারে এসে নানা প্রতিকূলতা ও পারিপার্শ্বিক অবস্থা দেখে খুবই চিন্তিত হতাম। কিন্তু কোনদিন হতাশ হইনি। স্বামীর কৃষি কাজের আয় দিয়ে অনেক কষ্টে সংসার পরিচালনা করেছি। এর মধ্যে ২০১৯ সালে আমার স্বামী মারা যান। সন্তানদের সব সময় বুঝিয়েছি শুধু অর্থ উপার্জন করে প্রকৃত মানুষ হওয়া যায় না। লেখাপড়া হচ্ছে স্থায়ী সম্পদ। লেখাপড়া শিখে নিজে আলোকিত হয়ে সমাজকে আলোকিত করা যায়।সন্তানদের কাছে প্রত্যাশার কথা জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি চাই সন্তানরা সমাজ ও দেশের কাজে এসে মানুষের কল্যাণে নিবেদিত থাকুক। নিজের আলোয় সমাজকে আলোকিত করুক। এছাড়া আমার সন্তান ও পুত্রবধূরা নিয়মিত আমাদের খোঁজখবর নেন। তারা সবসময় ভাল থাকুক এ কামনা করি।

    এম এ আলিম রিপন
    সুজানগর প্রতিনিধি।