Author: desk

  • ঝিনাইদহে দাফনের ৬১ দিন পর কিশোর  স্কুল ছাত্রের লাশ উত্তোলন

    ঝিনাইদহে দাফনের ৬১ দিন পর কিশোর স্কুল ছাত্রের লাশ উত্তোলন

    ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ
    লাশ দাফনের ৬১ দিন পর আদালতের নির্দেশে ঝিনাইদহে সোহান (১৪) নামে এক কিশোর স্কুলছাত্রর লাশ উত্তোলন করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার সকালে এক্সিকিউটিভ ম্যাজিষ্ট্রেট মেফতাহুল হাসানের নেতৃত্বে ডিবি পুলিশ সদর উপজেলার নগরবাথান গ্রামের একটি কবরস্থান থেকে সোহানের লাশ উত্তোলন করে। সোহান ওই গ্রামের শহিদুল ইসলামের ছেলে। গত ১৮ সেপ্টম্বর ঢাকায় রহস্যজনক মৃত্যু হয় সোহানের। ২১ সেপ্টম্বর ময়না তদন্ত ছাড়াই তড়িঘড়ি করে তার লাশ একটি মহল ঝিনাইদহের নগরবাথান গ্রামে সোহানের লাশ দাফন করে। লাশ দাফনের পর সোহানকে হত্যা করা হয়েছে বলে প্রচার হলে ঝিনাইদহের একটি আদালতে তার পিতা শহিদুল ইসলাম ৮জনকে আসামী করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। আদালত মামলাটি তদন্তের জন্য ঝিনাইদহ ডিবি পুলিশকে দায়িত্ব দেন। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই শরীফ লাশ উত্তোলন করে ময়না তদন্তের জন্য আবেদন করলে ঝিনাইদহ সদর আমলি আদালতের বিচারক তা মঞ্জুর করেন। সোহানের মা সুন্দরী খঅতুন অভিযোগ করেন, তার ছেলেকে ডেকে নিয়ে হত্যা করেছে নগরবাথান গ্রামের আব্দুল আজিজের ছেলে সাকিব (২৭)। জমিজমা নিয়ে বিরোধের জের ধরে এই হত্যাকান্ড ঘটনানো হয়। মামলার বাদী শহিদুল ইসলঅম জানান, চলতি বছরের ১৮ সেপ্টেম্বর সাকিব ও তার অজ্ঞাত বন্ধুরা সোহানকে ঘুরতে নিয়ে যাওয়ার কথা বলে ঢাকার ৩শ’ ফিটের উদ্দেশ্যে রওনা হয়। ঘটনার দিন বিকাল সাড়ে পাঁচটার দিকে শহিদুল ইসলাম ছেলেকে বাড়িতে ফেরার জন্য ফোন করলে সোহান জানায়, সে খুব ঝামেলায় আছে। এরপর সোহানের পিতা সাকিবকে ফোন করে। এ সময় ফোন ধরে সাকিব গালিগালাজ করে মোটা অংকের টাকা দাবি করে। ঘটনার কিছুক্ষণ পর রাজধানী ঢাকার এভারকেয়ার হাসপাতাল থেকে সোহানের পিতাকে ফোন করে জানানো হয় সোহান হাসপাতালে। খবর পেয়ে সোহানের পিতা হাসপাতালে গিয়ে দেখতে পান সাকিবের দুই ফুফু ডায়রি খাতুন ও আরজিনা খাতুন সেখানে উপস্থিত। সোহানের পিতা আরো অভিযোগ করেন হাসপাতালে থাকতেই সাকিবের পিতা আব্দুল আজিজ তাকে ফোন করে কোন ঝামেলা না করার জন্য হুমকি দেন। এছাড়া সাকিবের ফুফা আরব আলী তাকে শিখিয়ে দেন পুলিশ গেলে আমি যেন তাদের বলি সোহান দুর্ঘটনায় মারা গেছে। গ্রামবাসি জানায়, আসামী সাকিবের ফুফু ডায়রি খাতুন ও আরজিনা ঢাকায় মানুষের দেহের অঙ্গপ্রত্যঙ্গ বিক্রির ব্যবসা করে। এই অপকর্ম করে তারা ইতিমধ্যে ঢাকা ও ঝিনাইদহ শহরের একাধিক স্থানে বহুতল ভবন তৈরী ও জায়গা জমি কিনেছেন। এ বিষয়ে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ঝিনাইদহ গোয়েন্দা বিভাগের এসআই শরীফ জানান, আদালতে এ নিয়ে একটি হত্যা মামলা হয়েছে। ফলে আদালতের নির্দেশে লাশ উত্তোলন করে ময়না তদন্ত করা হচ্ছে। ময়না তদন্তে বোঝা যাবে মৃত্যুর সঠিক কারণ।

    আতিকুর রহমান
    ঝিনাইদহ।।

  • পুঠিয়ার বেলপুকুরে গলায় ফাঁ-স দিয়ে এক শিক্ষার্থীর আত্নহ-ত্যা

    পুঠিয়ার বেলপুকুরে গলায় ফাঁ-স দিয়ে এক শিক্ষার্থীর আত্নহ-ত্যা

    পুঠিয়া (রাজশাহী) প্রতিনিধি: পুঠিয়ার বেলপুকুরে গলায় ফাঁস দিয়ে ইসরাত জাহান ইশা (১৮) নামের এক শিক্ষার্থী আত্নহত্যা করেছে। বৃহস্পতিবার সকাল সড়ে ৯টার দিকে উপজেলার বেলপুকুর ইউনিয়নের ক্ষুদ্র জামিরা গ্রামে এ আত্নহত্যার ঘটনাটি ঘটে। আত্নহত্যার শিকার ইশা বানেশ্বর সরকারি ডিগ্রী কলেজের বিএ ১ম বর্ষে ছাত্রী। ইশার আত্নহত্যার সঠিক কারণ জানাজায়নি। এলাকাবাসী সুত্রে জানাগেছে, সকালে ইশা তার বড় ভাইয়ের ছেলেকে নিয়ে বাড়ির বাহিরে ঘুরাঘুরি করছিলো। পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা বাড়ির কাজে ব্যস্ত ছিলো। এসময় বড় ভাইয়ের ছেলেকে একটি টুলে রেখে সবার অজান্তে তার সয়ন কক্ষের তীরের সাথে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্নহত্যা করে। ছেলেকে একা টুলে বসে থাকতে দেখে তার মা ইসাকে দেখতে না পেয়ে ইসার খোঁজ করে। এসময় ইশার শয়ন কক্ষে গিয়ে তীরের সাথে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পেয়ে চিৎকার শুরু করে। তার চিৎকারে পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা ছুটে এসে ইশাকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পেয়ে বেলপুকুর থানা পুলিশকে খবর দেয়। খবর পেয়ে বেলপুকুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে ইশার লাশ উদ্ধার করে। এ ব্যাপারে বেলপুকুর থানার অফিসার ইনচার্জ আব্দুর রাজ্জাক জানান, নিহতের লাশ উদ্ধার করে সুরতহাল রির্পোট তৈরী করা হয়েছে। পরিবারের কোন অভিযোগ না থাকায় লাশের ময়না তদন্তে ছাড়াই দফনের অনুমতি দেওয়া হয়েছে বলে এ কর্মকর্তা জানান।

    মোঃ মাজিদুর রহমান মাজদার
    পুঠিয়া, রাজশাহী।

  • যথাযোগ্য মর্যাদায় ১১ ডিসেম্বর ঐতিহাসিক তানোর দিবস উদযাপন

    যথাযোগ্য মর্যাদায় ১১ ডিসেম্বর ঐতিহাসিক তানোর দিবস উদযাপন

    আলিফ হোসেন,তানোরঃ
    রাজশাহীর তানোরে নানা আয়োজনে যথাযথ মর্যাদায় ১১ ডিসেম্বর-২০২৪ ঐতিহাসিক তানোর দিবস উদযাপন করা হয়েছে।
    জানা গেছে, এদিন ১১ ডিসেম্বর বুধবার দিবসের শুরুতে তানোর গোল্লাপাড়া বাজার সংলগ্ন বধ্যভুমি শহীদ বেদিতে
    পুষ্পস্তবক অর্পণ ও গোল্লাপাড়া বাজার ফুটবল মাঠে শহীদদের স্বরণে আলোচনা সভা আয়োজন করা হয়।
    শহীর পরিবার ও শহীদদের সহযোদ্ধাদের উদ্যোগে শহীদ কমরেড এরাদ আলীর ছোট ভাই এরশাদ আলীর সভাপতিত্বে ও এ্যাডভোকেট হাসিবুল ইসলামের সঞ্চালনায় আয়োজিত স্মরণ সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শহীদ কমরেড ওয়ারেজ উদ্দিনের ছোট ভাই লুৎফার রহমান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে স্নৃতি চারণ করে বক্তব্য রাখেন শহীদদের সহযোদ্ধা বীর মুক্তিযোদ্ধা লেখক ও সাংবাদিক মাহমুদ জামাল কাদেরী।
    শহীদদের সহযোদ্ধা পাঁচন্দর ইউনিয়নের (ইউপি) সাবেক চেয়ারম্যান জামাল উদ্দীন, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ইফতেখার মাসুদ, গণ-অধিকার রাজশাহী মহানগর আহবায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা আনোয়ার ইকবাল বাদল,পুলিশ কর্মকর্তা (অবঃ) লেখক ও গবেষক মাহবুব সিদ্দিকী, রাবির অধ্যাপক সারোয়ার জাহান সুজন, শহীদদের সহযোদ্ধা আরিফুর রহমান বাচ্চু,রাবির ছাত্র উপদেষ্টা অধ্যাপক আমিরুল ইসলাম। রাবির ছাত্র সম্মন্নয়ক মোহাম্মাদ আলী তোহা, গনসংহতি নেতা এ্যাডভোকেট মুরাদ মুর্শেদ ও বাসদের নেতা আলফাজ উদ্দীন প্রমুখ। উক্ত স্বরণ সভায় শহীদ পরিবারের সদস্য বিভিন্ন রাজনৈতিক সংগঠনের নেতাকর্মী ও জনসাধারণ উপস্থিত ছিলেন।
    প্রসঙ্গত,মহান মুক্তিযুদ্ধ পরবর্তী স্বাধীন বাংলাদেশে যখন কৃষক জনতা বৈষম্যের স্বীকার হচ্ছিলেন এবং দেশে খাদ্যে সমস্যা সৃষ্টি হলে শহীদরা কৃষক জনতার অধিকার আদায়ের লক্ষ্যে লড়াই সংগ্রাম শুরু করছিলেন। এসময় ১৯৭৩ সালের ১১ ডিসেম্বর তৎকালীন সরকারের রক্ষীবাহিনী দ্বারা ৪৪ জনকে গ্রেপ্তার ও নির্যাতন করার পর গোল্লাপাড়া ফুটবল মাঠ সংলগ্ন গণখবর দেয়া হয়। সেই থেকে সাম্যবাদী দল ওয়ার্কার্স পার্টিসহ বিভিন্ন সংগঠন ১১ডিসেম্বর ঐতিহাসিক তানোর দিবস পালন করে আসছেন।#

  • তেঁতুলিয়ায় অন্যের জমি দখল করে ঘর নির্মাণের অভিযোগ

    তেঁতুলিয়ায় অন্যের জমি দখল করে ঘর নির্মাণের অভিযোগ

    মুহম্মদ তরিকুল ইসলাম, তেঁতুলিয়া (পঞ্চগড়) প্রতিনিধিঃ পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় অন্যের জমি জবর দখল করে জোরপূর্বক ঘর নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে আব্বাস আলী ও মিজানুর রহমানের বিরুদ্ধে। উপজেলার ভজনপুর ইউনিয়নের সর্দারপাড়া নামক এলাকায় এই ঘটনাটি ঘটে। উপজেলার ভজনপুর ইউনিয়নের বামনপাড়া গ্রামের মৃত সহিদুল হকের ছেলে খতিজার রহমান একই ইউনিয়নের সর্দারপাড়া গ্রামের মৃত ছালামত আলীর ছেলে আব্বাস আলী ও তার ছেলে মিজানুর রহমানের বিরুদ্ধে এই অভিযোগ করেন।
    সরে জমিনে গিয়ে জানা যায়, উপজেলার সর্দারপাড়া মৌজার জে.এল নং-২৪ এর এস.এ ৬৩২ নং খতিয়ানের এস.এ ৫৫৭৮ ও ৫৫৭৯ নং দাগের ১ একর ১০ শতক জমির রেকর্ডীয় মালিক ছারামদ্দিন আট আনা হিস্যায়, জুমুরদ্দিন, জহিরদ্দিন ও জয়নাল প্রত্যেকে এক আনা এগারো গন্ডা দুই কড়া তের তিল হিস্যায়, আকবর এক আনা এগারো গন্ডা দুই কড়া চৌদ্দ তিল হিস্যায় এবং সাহেরা খাতুন পনেরো গন্ডা তিন কড়া সাত তিল হিস্যায় মালিক ছিলেন। রেকর্ডীয় মালিক জহিরদ্দিন, জয়নাল, আকবর আলী পক্ষে অভিভাবক মাতা ও স্বয়ং জুমারন বেওয়া এবং জুমুরদ্দিন গত ১৩ ফেব্রুয়ারি ১৯৬৩ সালে ১১৮২ নং দলিলে মোবারক আলী ও ছারামদ্দিন এর নিকট ৩৩শতক জমি বিক্রয় করেন। পরবর্তীতে ক্রেতা মালিক মোবারক গত ১৫ সেপ্টেম্বর ১৯৭৫ সালে ২০০৬২ নং দলিলে খতিজার রহমানের মাতা খতিরন নেছা ১৫শতক জমি ক্রয় করেন। এরপর গত ৫ জুলাই ২০০৪ সালে ২২৭৩ নং দলিলে ও রেকর্ডীয় ছারামদ্দিনের কন্যা হিসেবে গত ১৩ আগস্ট ১৯৮৭ সালে ১১৮৭৯ নং দলিলে খতিজার রহমানের নিকট ৩৭শতক জমি বিক্রয় করেন। এরপর রেকর্ডীয় মালিক জুমুরদ্দিন, জহিরদ্দিন, জয়নাল ও আকবর গত ২১ ফেব্রুয়ারি ১৯৬৭ সালে ২৩৭৫ নং দলিলে খতিজার রহমানের পিতা সইজুল হকের নিকট ২৫শতক জমি বিক্রয় করেন। এরপর সাহেরা খাতুনের ওয়ারিশ গত ২১ আগস্ট ২০২৩ সালে ২৩০৩ নং দলিলে ২.৭৮ শতক জমি এবং গত ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ সালে ৩৩৩ নং দলিলে ৩.৩৩ শতক জমি খতিজার রহমান বরাবরে বিক্রয় করেন। অপরদিকে রেকর্ডীয় মালিক ছারামদ্দিনের ওয়ারিশ মকবুল হোসেন গত ১ জানুয়ারি ২০১০ সালে ২১৭ নং দলিলে ৬শতক, গত ৭ অক্টোবর ১৯৮২ সালে ২৫৮৯ নং দলিলে ০৫ শতক, গত ২৭ মে ১৯৭৮ সালে ১২৮০৯ নং দলিলে ১২.৫০ শতক, গত ২৭ জুন ১৯৮৪ সালে ২৪৯১ নং দলিলে ১০ শতক ও গত ১১ জুন ১৯৮০ সালে ১৯৮৮ নং দলিলে ৭.৫০শতক এবং ছারামদ্দিনের স্ত্রী মশিরন নেছা গত ৫ নভেম্বর ১৯৮৪ সালে ৩.৭৫শতক জমি খতিজার রহমান বরাবরে বিক্রয় করেন। জানা যায়, খতিজার রহমান তার মাতার অংশসহ দলিল মূলে সমুদ্বয় জমি গত ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০১০ সালে ১৩৩৪ নং খতিয়ানে ৮৯ শতক, গত ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৩ সালে ১৮০৮ নং খতিয়ানে ৬শতক ও চলতি বছরের ১০ জানুয়ারি ১৮৩১নং খতিয়ানে ১৫শতক জমি নামজারি করেন।
    এদিকে ওই তফসিলে পূর্বেই জমি কেনাবেচা শেষ হয়ে গেলেও অভিযুক্ত আব্বাস আলী ও তার ছেলে মিজানুর রহমান রেকর্ডীয় মালিক জয়নাল, জহিরদ্দিন ও ছারামদ্দিন এর ওয়ারিশগণের কাছ থেকে গত ১৪ নভেম্বর ২০২৩ সালে ৩০৪৭ নং দলিলে ৬.২৫শতক, গত ২৬ ডিসেম্বর ২০২৩ সালে ৩২৮৭ নং দলিলে ২.৩৬ শতক ও গত ৩১ জুলাই ২০২৩ সালে ২১০১নং বায়নানামা দলিলে ২০শতক জমি ক্রয় করেন বলে জানা গেছে।

    খতিজার রহমান বলেন, ৬৩২ নং খতিয়ানে তিনি তার পিতা-মাতা ও নিজের নামে ক্রয়কৃত ষোল আনা জমি ভোগদখল করাকালীন নামজারি করেছেন। নামজারি খতিয়ানের সংবাদ জেনে স্বৈরাচারী আওয়ামীলীগের দোসর আব্বাস আলী ক্ষমতায় থাকতে তার ভোগদখলীয় আংশিক জমিতে জবরদখল করে রাতারাতি ভাড়াটে লোকজন নিয়ে এসে টিনের চাপড়া ঘর উত্তোলন করে জমি ঘেরাও করে নেন। এ নিয়ে একাধিক বিচার-সালিশ হলে কোনো উপযুক্ত কাগজপত্র দেখাতে পারছেন না আব্বাস আলী। কেবল লোকবল আর পেশী শক্তির জেরে জবর দখলের পাঁয়তারা করছেন। অবৈধভাবে জমি জবরদখল করে আত্মসাতের বিচারের দাবী জানিয়েছেন খতিজার রহমান।

    এদিকে আব্বাস আলী বলেন, রেকর্ডধারী মানুষদের ওয়ারিশের কাছ থেকে তার ছেলের নামে ৯শতক, তার নিজ নামে বায়নানামা দলিল মূলে ২০শতক জমি ক্রয় করেছেন। আবার তার ছেলের নামে ২৮শতক জমি বায়নানামা করেছেন। তিনি বলেন, আদালত তাকে ২৮.৬১ শতক জমির রায় দিয়েছেন। রায় ও দলিল মূলে তিনি জমি দখল করেছেন।

    ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মসলিম উদ্দিন বলেন, দীর্ঘদিন ধরে ওই জমি নিয়ে বিচার-সালিশ হয়েছে। খতিজার রহমানের অভিযোগের ভিত্তিতে কাগজপত্রাদি পর্যালোচনা করার পর বিবাদী আব্বাস আলী ও তার ছেলে মিজানুর রহমানের দাবী ভিত্তিহীন প্রমাণিত হওয়ায় বিবাদীদ্বয় ওই জমিতে কোনো স্বত্ত্ব দাবী করতে পারেননা। অভিযোগকারী খতিজার রহমান ৬৩২ নং খতিয়ানের ১.১০ একর জমির সঠিক মালিক।

    মুহম্মদ তরিকুল ইসলাম ।।

  • প্রায় সাড়ে চার লাখ মানুষের সেবা দিচ্ছেন  মাত্র ৪ জন চিকিৎসক

    প্রায় সাড়ে চার লাখ মানুষের সেবা দিচ্ছেন মাত্র ৪ জন চিকিৎসক

    ইমদাদুল হক, পাইকগাছা ( খুলনা )।।

    খুলনার পাইকগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটি চিকিৎসা সেবা দিচ্ছেন মাত্র ৪ জন চিকিৎসক। যাহা ইনডোর, আউটডোর, নাইট ডিউটি, জরুরী বিভাগ সহ সকল ক্ষেত্রে চিকিৎসা সেবা প্রদান করা খুবই দুষ্কর।

    এই হাসপাতালটি ৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতাল হলেও এখানে ৮০ থেকে ১১০ জন রোগী সব সময় ভর্তি থাকে। কখনো কখনো রোগীর সংখ্যা এতটাই বৃদ্ধি পায় বেড সংকুলানে বারান্দা ছাপিয়ে সিঁড়িতে থাকতে বাধ্য হয় রোগীরা। জনবল বলতে গেলে ১০ শয্যা বিশিষ্ট। বেড অ্যাকুপাংসি ১৫০% থেকে ১৬০%। আউটডোরে সেবা প্রার্থী থাকে কমছে কম ৪ শত থেকে সাড়ে ৪ শত জন।

    প্রায় সাড়ে চার লাখ মানুষ এই উপজেলায় বসবাস করে। পাইকগাছার পার্শ্ববর্তী জেলা সাতক্ষীরার আশাশুনি ও তালা উপজেলা, খুলনার দাকোপ, চালনা থেকেও এখানে চিকিৎসা সেবা নিতে আসেন। এত বিপুল সংখ্যক জনগণের চিকিৎসা সেবা দিতে গিয়ে হিমশিম খেতে হয় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের। চিকিৎসকদের কোন রেস্ট বা বিশ্রাম নেয়ার অবকাশ নাই। এই হাসপাতালে জুনিয়র কনসালটেন্ট (সার্জারি), পেডিয়াট্রিক্স, ইএনটি, অর্থো, সার্জারী, কার্ডিওলজি, অফথালমোলজি, স্ক্রীন এন্ড ভিডি সহ গুরুত্বপূর্ণ ৯টি চিকিৎসকের পদ দীর্ঘদিন ধরে শূন্য রয়েছে। ২৪ জন চিকিৎসকের পদ থাকলেও শূণ্য আছে ১৭ জন। ৭ জন চিকিৎসক এর মধ্যে অন্য হাসপাতালে সংযুক্তিতে ৩ জন কর্মরত। ইতোমধ্যে নতুন আরেকজনের আবার সংযুক্তিতে অর্ডার হয়েছে। বলতে গেলে মরার উপর খাঁড়ার ঘা।

    এছাড়া, স্বাস্থ্য সহকারীর বেশির ভাগ পদ দীর্ঘদিন শূন্য সহ আল্ট্রাসনোলজিস্ট, মালী ও ড্রাইভার না থাকায় অ্যাম্বুলেন্স সেবাও পাচ্ছে না জনগণ। অত্র কমপ্লেক্সের যেখানে মোট কর্মকর্তা কর্মচারীর সংখ্যা ১৯৪ জন, সেখানে রয়েছে ১০১ জন। দীর্ঘদিন শূণ্য পদ রয়েছে ৯৩টি। এছাড়াও সার্জারি যন্ত্রপাতির অপ্রতুলতা, অপরিচ্ছন্নতা, ওয়ার্ডে পানি ও বিদ্যুতের সমস্যা, ময়লা ও দুর্গন্ধযুক্ত বাথরুম, খাবারে অনিয়ম সহ নানা সমস্যা রয়েছে হাসপাতালটিতে। দীর্ঘদিন বন্ধ রয়েছে এক্সরে, আল্টাসোনোগ্রাম কার্য্যক্রম। তেলের অভাবে ঠিকমত চলেনা জেনারেটর। গত ৫ মাস যাবৎ বন্ধ রয়েছে হাসপাতালের অ্যাম্বুুলেন্স। স্থানীয়রা জানান, উপজেলার ১০ টি ইউনিয়ন, একটি পৌরসভা ও পাইকগাছা উপজেলায় অন্তত পাঁচ লাক্ষাধিক মানুষের স্বাস্থ্যসেবার একমাত্র সরকারি হাসপাতাল এটি। ২০১৫ সালের ৩ মার্চ ৩১ শয্যার হাসপাতালটি ৫০ শয্যায় উন্নীত হলেও সেবার মান বাড়েনি। দেওয়া হয়নি চাহিদামতো জনবল।

    সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, হাসপতালের স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তার পদ একজন, যাহা রয়েছে। জুনিয়ার কনসালটেন্টের পদ ১১টি, রয়েছে ২টি, আবাসিক মেডিকেল অফিসারের পদ ১টি, যাহা শূন্য, মেডিকেল অফিসার এর পদ ৭টি, রয়েছে ৩ টি, ডেন্টাল সার্জন এর পদ ২টি, রয়েছে একটি, নার্সিং সুপার ভাইজারের পদ ১ এটি, যাহা শূন্য , সিনিয়র স্টাফ নার্স এর পদ ৩২ টি, রয়েছে ২১ টি। মিডওয়াইফ এর পদ ৪ টি, রয়েছে ৩ টি, মেডিকেল টেকনোলজিস্টের পদ ৭টি, রয়েছে ৩টি, ফার্মাসিস্টের পদ রয়েছে ২ টি, রয়েছে ২টি, স্যাকমো পদ ২টি, রয়েছে ২টি, স্বাস্থ্য পরিদর্শক এর পদ ৪ টি, রয়েছে ১টি, সহঃ স্বাস্থ্যঃ পরিদর্শক পদ ১৩ টি, রয়েছে ৮ টি, কার্ডিওগ্রাফার পদ ১টি, রয়েছে ১টি, ড্রাইভার এর পদ ১টি, রয়েছে ১ টি, স্বাস্থ্য সহকারীর পদ সংখ্যা ৬৫ টি, রয়েছে ৪৫টি, হারবাল এ্যাসিসটেন্ট এর পদের সংখ্যা একটি, রয়েছে ১টি, সহঃ কাম কম্পিউটার অপারেটর এর পদের সংখ্যা ৪ টি, রয়েছে ২ টি, টিএলসি এ এর পদের সংখ্যা ১টি, রয়েছে ১টি, কুক/মশালটি এর পদের সংখ্যা ২ টি, রয়েছে ১টি, অফিস সহায়ক পদের সংখ্যা ৮টি, রয়েছে ১টি। এছাড়া কম্পিউটার অপারেটর ১টি, প্রধান সহকারীর পদ একটি, হেলথ এডুকেটরের পদ ১টি, ক্যাশিয়ারের পদ ২টি, প্রধান সহঃ কাম কম্পিউটার অপারেটর পদ ১টি, পরিসংখ্যানবিদ ১ টি, স্টোর কিপারের পদ ২টি, সহঃ নার্স এর পদে ১টি, কম্পাউন্ডার পদ ১টি, নিরাপত্তা প্রহরীর পদ ২টি, জুনিয়র মেকানিকের পদের সংখ্যা ১টি, মালী এর পদের সংখ্যা ১টি, আয়া পদের সংখ্যা ২ টি, পরিচ্ছন্নতা কর্মী এর পদের সংখ্যা ৫টি, ওয়ার্ডবয় এর পদের সংখ্যা ৩টি, যাহা সব পদ গুলো শূণ্য।

    চিকিৎসা সেবা নিতে আসা জনগণ অনেক সময় চিকিৎসা সেবা না পেয়ে চলে যেতে বাধ্য হয়। অনেক সময় আউটডোরে টিকিট কেটে দুই তিন ঘন্টা অপেক্ষা করে ডাক্তার দেখাতে পারেন। আবার চিকিৎস্যা দিতে না পারায় উন্নত চিকিৎসার কথা বলে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়।এদিকে হাসপাতালের একমাত্র এক্স-রে মেশিনটি থাকলেও আলোর মুখ দেখেনি। প্যাথলজি বিভাগে পর্যন্ত মেশিন সরঞ্জামাদি না থাকায় পরিক্ষা নিরীক্ষার জন্য রুগীদের যেতে হয় বাহিরের ক্লিনিক, ডায়াগনস্টিক সেন্টারে। প্রয়োজনীয় চিকিৎসক, জনবল ও উপকরণ সংকটে চরমভাবে চিকিৎসা সেবা ব্যাহত সহ নানা সমস্যাম জর্জরিত এই হাসপাতালটি।

    হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা উপজেলার গড়ইখালী গ্রামের অঞ্জলী, আসমা বেগমরা জানান, জরুরি বিভাগ থেকে ডাক্তার কয়েকটি পরীক্ষা দিয়েছেন। সেগুলো বাইরে থেকে করিয়ে আনতে বলেন। আমরা গরিব মানুষ। টাকা দিয়ে বাইরে থেকে টেস্ট করানোর অবস্থা নেই। হাসপাতালে যন্ত্রপাতি ও ডাক্তার থাকলে আমাদের খুবই উপকার হতো। গদাইপুর গ্রামের মর্জিনা বলেন অসুস্থ মাকে নিয়ে চিকিৎস্যার জন্য হাসপাতালে যান। তিনি বলেন, সকাল ৮টার দিকে হাসপাতালে এসেছি। সাড়ে ১০টা বাজলো। এখনও ডাক্তার রা আমার মাকে দেখেনী। আউট ডোরে টিকিট নিয়ে বসে আছি। সেবা নিতে এসে সেবা পাচ্ছি না। মারামারি ঘটনায় আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রোগীরা জানান, হাসপাতালের দেওয়া খাবারের মান ভাল না। খাবারে অনিয়ম ও দূর্নীতি হচ্ছে কিনা কর্তৃক নজর দিবেন। খাবারে মান বাড়াতে পর্যাপ্ত পরিমাণে অর্থ বাড়াতেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিকট দাবী জানান।

    উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ মোঃ মাহবুবর রহমান জানান, তিনি অল্প ক’দিন আগে এখানে যোগদান করেছেন। হাসপাতালটি ৫০ শয্যায় উন্নীত করা হলেও প্রয়োজনীয় জনবল বাড়ানো হয়নি। হাসপাতালের চিকিৎসক, তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির জনবল সংকট রয়েছে। অপ্রতুল সীমাবদ্ধতার মধ্যেও আমরা যথাসাধ্য চেষ্টা করে যাচ্ছি। জরুরি ভিত্তিতে শূণ্য পদের জনবল পূরণ, যন্ত্রপাতি ও সরঞ্জামাদির ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে চিকিৎসা সেবা দেওয়া সম্ভব হবে না।স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটিতে অনেক পদই শূন্য রয়েছে। যে কারণে আমরা প্রয়োজনীয় সেবা দিতে হিমশিম খাচ্ছি। হাসপাতালে যে পরিমান রোগীর চাপ তাতে ১০০ বেডে উন্নীত করা প্রয়োজন। ইতোমধ্যে চাহিদাপত্র পাঠানো হয়েছে। আশাকরি, কর্তৃপক্ষ বিবেচনায় নিবেন।জনগণ তাদের যথাযথ চিকিৎসার সুবিধা সুনিশ্চিত করতে পারবে।

    জরুরী ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠানটিতে চিকিৎসক ,জনবল বৃদ্ধি,যন্ত্রপাতি সহ সরঞ্জামাদি সরবরাহ করে চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্টদের কাছে দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

    ইমদাদুল হক,
    পাইকগাছা,খুলনা

  • নলছিটি উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি ওয়াসিম গ্রেফতার

    নলছিটি উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি ওয়াসিম গ্রেফতার

    ঝালকাঠি প্রতিনিধিঃ মোঃ নাঈম মল্লিক

    ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি মো.ওয়াসিম হাওলাদারকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
    বৃহস্পতিবার (  ১২ ডিসেম্বর) দুপুর সড়ে ১২ টার দিকে নলছিটি শহর থেকে তাকে গ্রেফতার করে নলছিটি থানা পুলিশ। গত ১৫ আগস্ট (২০২৪)ঝালকাঠি সদর থানায় বিস্ফোরক আইনে দায়ের হওয়া একটি মামলায়(মামলা নং-০৪) তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন  নলছিটি থানার ওসি মো.আব্দুস সালাম।
    ওয়াসিম হাওলাদার নলছিটি পৌরসভার পূর্ব মালিপুর গ্রামের মো. হানিফ হাওলাদার ছেলে।
    নলছিটি থানার ওসি মো.আব্দুস সালাম গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান,  ঝালকাঠি সদর থানায় দায়ের হওয়া একটি মামলায় তাকে গ্রেফতার করে ঝালকাঠি পাঠানো হয়েছে।

  • ঝিকরগাছায় ট্রেনের ধাক্কায় মাদরাসা ছাত্রের মৃ-ত্যু

    ঝিকরগাছায় ট্রেনের ধাক্কায় মাদরাসা ছাত্রের মৃ-ত্যু

    আজিজুল ইসলামঃ যশোরের ঝিকরগাছার ট্রেনের ধাক্কায় ওয়াশিফ নামে ১৫ বছর বয়সী এক কিশোর নিহত হয়েছেন। ঘটনাটি ঘটে, বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে কাউরিয়া রেলক্রসিং এলাকায়। সে ঝিকরগাছা উপজেলার কাউরিয়া গ্রামের মিজানুর রহমানের ছেলে ও বেজিয়াতলা আলিম মাদরাসার অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, অসতর্কতা বশত ওয়াশিফ চলন্ত ট্রেনের কাছাকাছি চলে আসলে ট্রেনের প্রচন্ড ধাক্কায় সে পাশে ছিটকে পড়ে। আহত অবস্থায় স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে দ্রুত ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে প্রেরণ করেন। অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে ঢাকায় রেফার্ড করেছেন। চিকিৎসাধীন অবস্থায় সে মৃত্যু বরণ করেন।

  • পুঠিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ৬ষ্ঠ শ্রেণির ভর্তি লটারি অনুষ্ঠিত

    পুঠিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ৬ষ্ঠ শ্রেণির ভর্তি লটারি অনুষ্ঠিত

     পুঠিয়া (রাজশাহী) প্রতিনিধিঃ

    পুঠিয়া উপজেলার সুনামধন্য এবং দৃষ্টি নন্দন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পুঠিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের এর ৬ষ্ঠ শ্রেণীর ৫৪তম ব্যাচের ভর্তির লটারি অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (১০ ডিসেম্বর) উক্ত বিদ্যালয়ের আইসিটি হল রুমে এ লটারী অনুষ্ঠিত হয়।

    বিদ্যালয়ে ভর্তি ইচ্ছুক চার উপজেলার মোট ১৮৭  জন শিক্ষার্থী ফরম তুলে। তাদের মধ্যে লটারির মাধ্যমে ১৫০ জন প্রথমে নেওয়া হয়, অপেক্ষা মান রয়েছে ১১ জন শিক্ষার্থী। উক্ত লটারিতে উপস্থিত ছিলেন একাডেমিক সুপার ভাইজার আশরাফুল হক, বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মাজহারুল ইসলাম মিন্টুসহ বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষিকা ও অভিবাবকগণেরা।

    বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক বলেন,  এবার আমাদের বিদ্যালয় থেকে এসএসসিতে ১২৭৬ নম্বর পেয়ে মেধা তালিকা ও টেলেন্ট পুলে ৩ জন বোর্ড বৃত্তি পায়েছে। স্কুলের পরিবেশ শিক্ষক শিক্ষিকাদের আন্তরিক পাঠদান, অভিভাবকদের সহযোগিতা এবং শিক্ষার্থীদের মনোযোগ সহকারে লেখা পড়ার জন্যই পুঠিয়া বালিকা বিদ্যালয়টি এগিয়ে যাচ্ছে।

    তিনি আরও বলেন, আমাদের স্কুলে মোট ৫৮৩ জন শিক্ষার্থী পাঠদানরত আছে। বিদ্যালয়ে বর্তমানে পাঠদান দেবার মতো মানসম্পন্ন বিল্ডিংয়ের অভাব রয়েছে। সরকারি ভাবে ভবন নির্মাণ এর জন্য বরাদ্দ দিলে শিক্ষার্থীরা আরো উন্নত পরিবেশে পাঠদানের মাধ্যমে ভালো ফলাফল করতে পারতো বলে এ শিক্ষক জানান।#

    মাজেদুর রহমান (মজদার) 
    পুঠিয়া, রাজশাহী। 

  • প্রবীণ ও প্রতিবন্ধীদের উন্নয়নে কারিতাসের মতবিনিময় ও সহায়তা প্রদান

    প্রবীণ ও প্রতিবন্ধীদের উন্নয়নে কারিতাসের মতবিনিময় ও সহায়তা প্রদান

    জাকিরুল ইসলাম
    বিরামপুর (দিনাজপুর) প্রতিনিধি:

    প্রতিবন্ধী ও প্রবীণ ব্যক্তিদের উন্নয়নের জন্য উপজেলা পর্যায়ের নীতি নির্ধারকদের সঙ্গে কারিতাস দিনাজপুর অঞ্চলের বাংলাদেশ প্রবীণ, প্রতিবন্ধী ও মাদকসেবী ব্যক্তিদের সমন্বিত উন্নয়ন প্রকল্পের আয়োজনে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    মঙ্গলবার সকালে উপজেলা পরিষদ সভাকক্ষে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় প্রকল্পের সকল ক্লাব প্রতিনিধি ও নারী প্রতিবন্ধী ফোরামের সদস্যরা অংশগ্রহণ করেন।

    কারিতাস দিনাজপুর অঞ্চলের জুনিয়র প্রোগ্রাম অফিসার বিনয় কুজুর সার্বিক ব্যবস্থাপনায় উক্ত মতবিনিময় সভায় বক্তব্য রাখেন, উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ বিপুল কুমার চক্রবর্তী, সমাজসেবা কর্মকর্তা আবদুল আউয়াল, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা মোশাররত জাহান, সাংবাদিক সামিউল আলম, কারিতাস প্রকল্পের ক্লাব প্রতিনিধিগণ সহ আরো অনেকে।

    এ সময় কারিতাসের সেচ্ছাসেবী অঞ্জলী, এনজিও প্রতিনিধিগণ, প্রকল্পের ক্লাব সদস্যগণ উপস্থিত ছিলেন। মতবিনিময় শেষে ২ জনকে মাঝে হুইল চেয়ার, ১০ জনকে ক্রাচ, আইজিআর এর ৮ জনকে ৯ হাজার ৫০০ টাকা ও শিক্ষা সহায়তার ১০ জনকে ২ হাজার টাকা করে প্রদান করা হয়।

    মোঃ জাকিরুল ইসলাম
    বিরামপুর, দিনাজপুর।

  • মসজিদ থেকে ডেকে এনে দুই বৃদ্ধসহ ৬জনকে মারধর করার অভিযোগ

    মসজিদ থেকে ডেকে এনে দুই বৃদ্ধসহ ৬জনকে মারধর করার অভিযোগ

    আরিফুর রহমান,

    মাদারীপুর প্রতিনিধি

    মাদারীপুর সদর উপজেলায় একটি মসজিদ থেকে ডেকে এনে দুই বৃদ্ধকে মারধর করার অভিযোগ উঠেছে দবির মাতুব্বর ও ইকবাল মাতুব্বরসহ তাদের সহযোগিদের বিরুদ্ধে। এসময় তাদেরকে বাঁচাতে এসে আহত হয়েছেন আরো ছয় জন।বর্তমানে সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রয়েছেন চার জন।
    মঙ্গলবার বিকালে সদর উপজেলার পাঁচখোলা ইউনিয়নের জাফরাবাজ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী পরিবার রাতে সদর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ে করছেন।
    আহতরা হলেন, মৃত্যু রশিদ আকনের ছেলে মন্নান আকন(৫৭),রকমান আকন(৫৫),বাচ্চু হাওলাদারের ছেলে ইব্রাহিম হাওলাদার, মিন্টু বেপারি, সজিব, হাসান।

    লিখিত অভিযোগ ও ভুক্তভোগী পরিবার সূত্রে জানা যায়, স্থানীয় একটি জমি নিয়ে দীর্ঘদিন মামলা চলছিল মন্নান আকন ও দবির মাতুব্বরদের সাথে।প্রায় ১৫ বছর পর আদালত রায় দেন মন্নান আকন ও তার ভাইদের পক্ষে।এরপরে তাদের উভয়ের জমির দীর্ঘদিনের যে সমস্যা ছিল তা সমাধানের জন্য স্থানীয় সালিশিদের ডাকেন উভয় পক্ষের লোকজনেরা।কিন্তু প্রতিপক্ষের লোকজনেরা সালিশিতে না বসে আদালতে রায় পাওয়া ক্ষিপ্ত হয়ে লোক ভাড়া মসজিদ থেকে ডেকে এনে তাদের ওপর হামলা করেন। পরে তাদের ডাক চিৎকারে স্থানীয় ছুটে আসলে অভিযুক্ত ব্যক্তিরা পালিয়ে যান। এ ঘটনায় দুই বৃদ্ধসহ আহত হয়েছেন আরো ছয় জন। এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচারও চেয়েছেন তারা।

    স্থানীয় বেশ কয়েকজন জানান, দবির মাতুব্বর ও তার লোকজনেরা মন্নানদেরকে মেরেছে। আমরা তাদেরকে বাচাইছি। এভাবে আসল একজন মানুষকে মারা ঠিক হয়নি। আমরা এর বিচার চাই।

    ভুক্তভোগী মন্নান আকন জানান,আমি মসজিদে গেছি নামাজ পড়তে। পরে তারা আমাকে বলে কথা আছে শুনে যান। এ বলে ডেকে নিয়ে আমার উপর অতর্কিত হামলা করে। এদিকে আদাল জমি আমাদের দিয়েছে। তারপরও আমরা বলেছি আপনারা যদি আমাদের মধ্যে জমি পেয়ে থাকেন তাহলে দিবো।তারা সালিশিতে লোক ডেকেছে। তারাই সালিশিতে না এসে উল্টো লোক ভাড়া করে আমাদের মারধর করেছে।
    আমি এর বিচার চাই।

    এ ব্যাপারে অভিযুক্ত দবির মাতুব্বরের মুঠো ফোনে ফোন করলে সাংবাদিক পরিচয় দিলে পেলে তার মুঠোফোন বন্ধ করে রেখেছেন।

    মাদারীপুর সদর থানায় ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি মোঃ আল মামুন বলেন,এ ঘটনা লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    মাদারীপুর প্রতিনিধি।।