Author: desk

  • ঢাকা-১৯ আসনে ১০ জন প্রার্থীর মনোনয়ন বৈধ ঘো-ষণা করেছেন নির্বাচন কমিশন

    ঢাকা-১৯ আসনে ১০ জন প্রার্থীর মনোনয়ন বৈধ ঘো-ষণা করেছেন নির্বাচন কমিশন

    হেলাল শেখঃ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা জেলার ২০টি আসনের মধ্যে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে যাচাই-বাছাই হওয়া ঢাকা-১৯ আসনে ১০ জন প্রার্থীর মনোনয়ন বৈধ ও ১ জনের প্রার্থিতা বাতিল করেছেন ঢাকা জেলা প্রশাসন।

    শনিবার (৩ জানুয়ারি) বিকালে ঢাকা জেলা প্রশাসক রেজাউল করিম ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।

    জেলা প্রশাসকের সূত্রে জানা যায়, ঢাকা-১৯ আসনে মোট ১১ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দেন। এর মধ্যে ১০ জন দলীয় প্রার্থীর মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করেন রিটার্নিং অফিসার মোঃ রেজাউল করিম। একমাত্র স্বতন্ত্র প্রার্থী মোঃ হারুনূর রশীদের মনোনয়ন বাতিল করা হয়। বাতিল হওয়ার কারণ হিসেবে জানানো হয়েছে, তার এক শতাংশ ভোটারের তালিকায় ১০ জন ভোটারের তথ্য সঠিকভাবে যাচাই পাওয়া যায়নি এবং হলফনামা দাখিল করা হয়নি।

    ঢাকা-১৯ আসনে বৈধ মনোনয়ন পাওয়া প্রার্থীরা হলেন, বিএনপির দেওয়ান মোঃ সালাউদ্দিন, জামায়াতে ইসলামীর মোঃ আফজাল হোসাইন, জাতীয় পার্টির মোঃ বাহাদুর ইসলাম, এনসিপির দিলশান আরা পারুল, গণঅধিকারের শেখ শওকত হোসেন, ন্যাশনাল পিপলস পার্টির ইসরাফিল ইসলাম সাভারী, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মোঃ ফারুখ খান, খেলাফত মজলিশের একেএম এনামুল হক, বাংলাদেশ মুসলিম লীগের মোঃ কামরুল এবং এনডিপির চৌধুরী হাসান সোরোয়ার্দী।

    অপরদিকে ঢাকা-২০ আসনের সব প্রার্থীর মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করেছে জেলা প্রশাসন। ঢাকা-২০ আসনে মোট ৬ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দেন। বৈধ প্রার্থীরা হলেন, বিএনপির মোঃ তমিজ উদ্দিন, জাতীয় পার্টির আহসান খান, এনসিপির নাবিলা তাসনিম, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মোঃ আব্দুর রউফ, খেলাফত মজলিশের আশরাফ আলী এবং বাংলাদেশ জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের মোঃ আরজু মিয়া।

    এর আগে গত ২৯ ডিসেম্বর সোমবার ঢাকা জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং অফিসার মোঃ রেজাউল করিম ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে মনোনয়নপত্র গ্রহণ করেন। ঢাকা জেলা প্রশাসক জানান, ঢাকা-১৯ আসনে ১১ জন এবং ঢাকা-২০ আসনে ৬ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দেন।

    উল্লেখ্য যে, গত ১১ ডিসেম্বর জাতির উদ্দেশ্যে দেওয়া ভাষণে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দীন। পরে ১৮ ডিসেম্বর সংশোধিত প্রজ্ঞাপন জারি করে নির্বাচন কমিশন। সংশোধিত তফসিল অনুযায়ী, মনোনয়নপত্র বাছাই চলবে ৩০ ডিসেম্বর থেকে ২০২৬ সালের ৪ জানুয়ারি পর্যন্ত। রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে ৫ থেকে ৯ জানুয়ারি পর্যন্ত। আপিল নিষ্পত্তি হবে ১০ থেকে ১৮ জানুয়ারি। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ২০ জানুয়ারি। ২১ জানুয়ারি চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ ও প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হবে। নির্বাচনি প্রচারণা শুরু হবে ২২ জানুয়ারি এবং চলবে ১০ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে ১২ ফেব্রুয়ারি।

  • আশুলিয়ায় একটি শ্রমিক কলোনিতে অ-গ্নিকাণ্ডে ৪ টি কক্ষ পু-ড়ে ছাই

    আশুলিয়ায় একটি শ্রমিক কলোনিতে অ-গ্নিকাণ্ডে ৪ টি কক্ষ পু-ড়ে ছাই

    হেলাল শেখঃ ঢাকার সাভারের আশুলিয়ায় একটি শ্রমিক কলোনীতে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এঘটনায় ওই শ্রমিক শ্রমিক কলোনির ৪টি কক্ষ পুড়ে ছাই হয়ে যায়। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের ২টি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।

    শনিবার রাত ৮টার দিকে আশুলিয়ার ইয়ারপুর ইউনিয়নের আব্দুর রহমানের মালিকানাধীন কলোনিতে এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।

    ফায়ার সার্ভিস জানায়, রাত ৮টার দিকে ওই এলাকায় আগুনের খবর পেয়ে জিরাবো মডার্ণ ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আধঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। ততক্ষণে ৪টি কক্ষ পুড়ে ছাই হয়ে যায়। গ্যাস সিলিন্ডারের লিকেজ থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে বলে জানিয়েছে ফায়ার সার্ভিস।

  • গোপালগঞ্জের ৩টি আসনে মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই সম্পন্ন: বা-তিল -১২, স্থগিত -২

    গোপালগঞ্জের ৩টি আসনে মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই সম্পন্ন: বা-তিল -১২, স্থগিত -২

    কে এম সাইফুর রহমান, নিজস্ব প্রতিনিধিঃ

    আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে চারিদিকে নির্বাচনী ডামাডোল আর ভোটের আমেজের মধ্যদিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন জেলাবাসী। সাধারণ ভোটারদের অনেক দিনের আশা সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন হবে। সরকারি কর্তৃপক্ষ তো বলছেই স্মরণকালের স্মরনীয় সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ ভোটের আয়োজন করা হবে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারী। এরই মাঝে শনিবার (৩ জানুয়ারি) সংসদীয় আসন ২১৫ গোপালগঞ্জ-১, ২১৬ গোপালগঞ্জ-২ ও ২১৭ গোপালগঞ্জ-৩ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই সম্পন্ন হয়েছে।

    ৩ জানুয়ারি সকালে গোপালগঞ্জ জেলা প্রশাসনের আয়োজনে জেলা রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয়ে (জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষ “স্বচ্ছতা’য়) প্রথমে অনুষ্ঠিত হয় গোপালগঞ্জ-১ আসনের (মুকসুদপুর-কাশিয়ানীর আংশিক) প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই সম্পন্ন হয়। যাচাই-বাছাইয়ে মোট ১৩ জন প্রার্থীর মধ্যে ৪ জনের মনোয়নপত্র বাতিল করেছেন রিটার্নিং কর্মকর্তা ও গোপালগঞ্জ জেলা প্রশাসক মোঃ আরিফ-উজ-জামান। বাতিল হওয়া প্রার্থীরা হলেন গণ অধিকার পরিষদ মনোনীত প্রার্থী মোঃ কাবির মিয়া। ঋণ খেলাপির দায়ে তার মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে। গত ২৯ ডিসেম্বর তিনি মনোনয়নপত্র দাখিল করেন। কিন্তু তিনি ঋণ পরিশোধ করেন ৩০ ডিসেম্বর। নিয়ম মোতাবেক মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার আগেই ঋণ পরিশোধ করার কথা। অন্য ৩ জন স্বতন্ত্র প্রার্থী সঠিকভাবে সামগ্রিক ভোটারের ১% স্বাক্ষর সঠিকভাবে জমা দিতে পারেননি। তারা হলেন আশরাফুল আলম ওরফে শিমুল, নাজমুল আলম ও কাইয়ুম আলী খান। এ আসনে ৯ জনের মনোনয়নপত্র বৈধ হয়েছে যাদের তারা হলেন বিএনপি মনোনীত এমপি প্রার্থী মোঃ সেলিমুজ্জামান মোল্লা, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত এমপি প্রার্থী মুহাম্মদ আব্দুল হামিদ মোল্লা, (জাতীয় পার্টি-এরশাদ) সুলতান জামান খান, (জনতার দল) মোঃ জাকির হোসেন, (ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ) মোহাম্মদ মিজানুর রহমান, (এবি পার্টি) প্রিন্স আল আমিন, (বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস) ইমরান হোসেন আফসারি, (কমিউনিস্ট পার্টি) নিরদ বরণ মজুমদার, স্বতন্ত্র প্রার্থী এম. আনিসুল ইসলাম (ভুলু মিয়া)।

    গোপালগঞ্জ-২ আসনে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলেন ১৩ জন। যাচাই-বাছাইয়ে ৬ জনের মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে যাদের তারা হলেন কামরুজ্জামান ভূঁইয়া লুটল (স্বতন্ত্র), মোঃ সিরাজুল ইসলাম সিরাজ (স্বতন্ত্র), রনি মোল্লা (স্বতন্ত্র), উৎপল বিশ্বাস (স্বতন্ত্র), মশিউর রহমান (স্বতন্ত্র) এবং সিপন ভুইয়া (স্বতন্ত্র)। মনোনয়ন পত্র বৈধ হয়েছে যে ৭ জনের তারা হলেন ডাঃ কে এম বাবর (বিএনপি), এম. এইচ খান মঞ্জু (স্বতন্ত্র), তসলিম সিকদার (ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ), শুয়াইব ইব্রাহীম (বাংলাদেশ খেলাফত মজলিশ), অ্যাডভোকেট মাহমুদ হাসান (জাকের পার্টি), শাহ মফিজ (গণ ফোরাম) এবং দ্বীন মোহাম্মদ (গণ অধিকার পরিষদ)।

    গোপালগঞ্জ-৩ আসনে মনোনয়ন পত্র দাখিল করেছিলেন ১২ জন। যাচাই-বাছাইয়ে বাতিল হয়েছে দুটি। স্থগিত করা হয়েছে ২টি।বৈধ হয়েছেন এস এম জিলানী (বিএনপি), এম এম রেজাউল করিম ( বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী), মোঃ আরিফুল দাঁড়িয়া (এনসিপি), মোঃ মারুফ শেখ (ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ), শেখ সালাউদ্দিন সালু (এনপিপি), আবুল বাশার (গণঅধিকার পরিষদ), আলী আহমদ (খেলাফত মজলিশ) এবং অ্যাডভোকেট. হাবিবুর রহমান (স্বতন্ত্র)। স্থগিত করা হয়েছে আব্দুল আজিজ (বাংলাদেশ খেলাফত মজলিশ) ও দুলাল চন্দ্র বিশ্বাসের বাছাই কার্যক্রম (গনফোরাম)। যে দুজন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে তারা হলেন এস এম জিলানীর সহধর্মিনী রওশন আরা রত্না (স্বতন্ত্র) এবং গোবিন্দ্র চন্দ্র প্রামানিক (স্বতন্ত্র)।
    রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মোঃ আরিফ -উজ-জামান জানিয়েছেন বাতিল হওয়া প্রার্থীরা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিকট আপিল করতে পারবেন। বৈধ প্রার্থীদের ইসি ঘোষিত প্রতীক বরাদ্দ দেওয়ার দিনে প্রত্যেক প্রার্থী অথবা তাদের মনোনীত প্রতিনিধিকে উপস্থিত থাকার আহ্বান জানান তিনি।

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে বৈধ প্রার্থী যাচাই-বাছাইয়ে জেলা রিটার্নিং অফিসারকে স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক (ডিডিএলজি) মোঃ আশ্রাফুল ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অর্থ ও প্রশাসন) মোহাম্মদ আফতাব উদ্দিন, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট (এডিএম) ফারিহা তানজিন, জেলা নির্বাচন অফিসার মোঃ অলিউল ইসলাম, বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষে সোনালী ব্যাংক গোপালগঞ্জ শাখার সিনিয়র প্রিন্সিপাল অফিসার মোঃ তলবউল্লাহ সহ নির্বাচন সংশ্লিষ্ট অন্যান্য কর্মকর্তাগণ সার্বিকভাবে সহযোগিতা করেন।

    এ সময় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) এস এম তারেক সুলতান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) রুলী বিশ্বাস, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) শোভন সরকার, গোপালগঞ্জ সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) কৌশিক আহমেদ, সহকারী কমিশনার (ভূমি) মিজ বাবলী শবনম, সহকারী কমিশনার নেজারত (এনডিসি) অনিরুদ্ধ দেব রায়, সদর উপজেলা নির্বাচন অফিসার অনিমেষ কুমার বসু, জেলা বিএনপি’র আহ্বায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা শরীফ রফিকুজ্জামান, সদস্য অ্যাডভোকেট এম আলম সেলিম, সদস্য অ্যাডভোকেট তৌফিকুল ইসলাম, সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি সিকদার শহিদুল ইসলাম লেলিন, সাধারণ সম্পাদক ফজলুল কবির দারা, জেলা ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নেওয়া প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী, প্রস্তাবকারী ও সমর্থনকারী সহ জেলায় বিভিন্ন ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ায় কর্মরত গণমাধ্যমকর্মীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। তবে শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত ২১৭ গোপালগঞ্জ-৩ আসনে স্থগিত দুইজনের মধ্যে একজনের প্রার্থিতা ঘোষণা করা হয়েছে বলে জেলা নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা গিয়েছে।

  • গোপালগঞ্জে নানা আয়োজনের মধ্যদিয়ে জাতীয় সমাজসেবা দিবস- ২০২৬ পালিত

    গোপালগঞ্জে নানা আয়োজনের মধ্যদিয়ে জাতীয় সমাজসেবা দিবস- ২০২৬ পালিত

    কে এম সাইফুর রহমান, নিজস্ব প্রতিনিধিঃ

    গোপালগঞ্জে যথাযোগ্য মর্যাদায় জাতীয় সমাজসেবা দিবস- ২০২৬ পালিত হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষে শনিবার (৩ জানুয়ারি) এক বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।
    র‍্যালিটি গোপালগঞ্জ সমাজসেবা ভবন থেকে শুরু হয়ে এনএসআই ভবন মোড়ে গিয়ে শেষ হয়। র‍্যালিতে সমাজসেবা অধিদপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পাশাপাশি সর্বস্তরের জনগণ অংশগ্রহণ করেন।

    দিবসটির প্রতিপাদ্য বিষয়ের ওপর বক্তব্য রাখতে গিয়ে উপপরিচালক অসিত কুমার সাহা বলেন, সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় গরিব ও দুঃখী মানুষের সেবার মাধ্যমে সমাজে একটি অনন্য ভূমিকা রেখে চলেছে। তিনি সমাজসেবার কার্যক্রম আরও গতিশীল করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

    এ সময় সহকারী পরিচালক মোঃ জুলফিকার আলী বলেন, সমাজসেবা অধিদপ্তরের মাধ্যমে সমাজের সর্বস্তরের মানুষের কাছে সহজেই পৌঁছানো যায় এবং কার্যকরভাবে সেবা দেওয়ার সুযোগ সৃষ্টি হয়। তিনি আরও বলেন, জনগণের সেবা করতে পেরে তিনি নিজেকে গর্বিত মনে করেন।

    অনুষ্ঠানে অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন এবং দিবসটি উদযাপনের মাধ্যমে সমাজসেবার গুরুত্ব সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধি পায়।

  • সভাপতি জহির সম্পাদক জুলফিকার গৌরনদী প্রেসক্লাবের বার্ষিক সাধারন ও নির্বাচন অনুষ্ঠিত

    সভাপতি জহির সম্পাদক জুলফিকার গৌরনদী প্রেসক্লাবের বার্ষিক সাধারন ও নির্বাচন অনুষ্ঠিত

    কে এম সোয়েব জুয়েল,
    গৌরনদী প্রতিনিধি।।
    গৌরনদী প্রেসক্লাবের বার্ষিক সাধারন সভা ও নির্বাচন শনিবার সকালে প্রেসক্লাব কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়। সভার সভাপতিত্ব করেন গৌরনদী প্রেসক্লাবের আহবায়ক জহুরুল ইসলাম জহির। বক্তব্য রাখেন প্যানেল আহবায়ক মোঃ গিয়াস উদ্দিন মিয়া, খোন্দকার মনিরুজ্জামান মনির, এস. এম, জুলফিকার, মোঃ হানিফ সরদার, খোকন আহম্মেদ হীরা, আমিনা আকতার সোমা, মোঃ খায়রুল ইসলাম, এস. এম. মোশারফ হোসেন, আমিন মোল্লা, বদরুজ্জামান খান সবুজ, কাজী আল আমিন। সভার দ্বিতীয়ার্ধে প্রধান অতিথি ছিলেন প্রেসক্লাবের প্রধান উপদেষ্টা, সাবেক সংসদ সদস্য জহির উদ্দিন স্বপন। তিনি ২০২৬ সালের জন্য ৭ সদস্য বিশিষ্ট কমিটির নাম ঘোষনা করেন। কমিটির কর্মকর্তারা হলেন, সভাপতি জহুরুল ইসলাম জহির (দৈনিক প্রতিদিনের বাংলাদেশ), সহসভাপতি এ. আলম দৈনিক মানবজমিন), সাধারন সম্পাদক এস.এম. জুলফিকার (দৈনিক ডিসটিনি), সহসাধারন সম্পাদক আমিনা আকতার সোমা (দৈনিক আমার দেশ), কোষাধ্যক্ষ জামিল মাহমুদ (দৈনিক ভোরেরপাতা), দপ্তর সম্পাদক মোহাম্মদ আালী বাবু (দৈনিক সংবাদ)ও প্রচার সম্পাদক মোঃ হাসান মাহমুদ (দৈনিক কালেরকন্ঠ)।

  • সুজানগরে জাতীয় সমাজসেবা দিবসে বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও আ-লোচনা সভা অনুষ্ঠিত

    সুজানগরে জাতীয় সমাজসেবা দিবসে বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও আ-লোচনা সভা অনুষ্ঠিত

    এম এ আলিম রিপন,সুজানগর: প্রযুক্তি ও মমতায়, কল্যাণ ও সমতায়’ -এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে পাবনার সুজানগরে জাতীয় সমাজসেবা দিবস পালিত হয়েছে। শনিবার (৩ জানুয়ারি) সকালে সুজানগর উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উদ্যোগে দিবসটি উপলক্ষ্যে বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। এদিন সকালে বর্ণাঢ্য র‍্যালিটি বের হয়ে স্থানীয় বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে উপজেলা চত্বরে গিয়ে শেষ হয়। পরে উপজেলা পরিষদ সভাকক্ষে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলা সমাজসেবা অফিসার জিল্লুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত জাতীয় সমাজসেবা দিবসের আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন সুজানগর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মীর রাশেদুজ্জামান রাশেদ। বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা নির্বাচন অফিসার সাগর আহমেদ। অনুষ্ঠানে উপজেলা পরিষদের বিভিন্ন দফতরের কর্মকর্তা, সমাজসেবাকর্মী ও এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। আলোচনা সভায় বক্তারা সমাজসেবার কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করতে প্রযুক্তির ব্যবহার ও মানবিক মূল্যবোধ জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

    এম এ আলিম রিপন
    সুজানগর(পাবনা)প্রতিনিধি।

  • পাইকগাছায় জাতীয় সমাজসেবা দিবস পা-লিত

    পাইকগাছায় জাতীয় সমাজসেবা দিবস পা-লিত

    পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি।।
    প্রযুক্তি ও মমতায়, কল্যাণ ও সমতায় আস্থা সমাজসেবায় প্রতিপাদ্য উপজেলা চত্বর থেকে শুরু করে বর্ণাঢ্য র‍্যালি শেষে উপজেলা অডিটোরিয়ামে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
    শনিবার সকালে উপজেলা অডিটোরিয়ামে সমাজসেবা কর্মকর্তা অনাথ কুমার বিশ্বাসের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার ওয়াসিউজ্জামান চৌধুরী। পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক কর্মকর্তা জয়ন্ত কুমার ঘোষ এর পরিচালনায় বক্তব্য রাখেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা একরামুল হোসেন, সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা সৈকত মল্লিক, সাবেক অধ্যক্ষ রমেন্দ্রনাথ সরকার, মুক্তিযোদ্ধা রনজিৎ কুমার সরকার, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার বিদ্যুৎ রঞ্জণ সাহা, সাংবাদিক আবুল হাশেম, জালালউদ্দিন।
    উপস্থিত ছিলেন উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রণ কর্মকর্তা হাসিবুর রহমান, পাইকগাছা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক এম মোসলেম উদ্দিন আহমেদ, এস এম আলাউদ্দিন সোহাগ, খোরশেদ আলম, রাজু আহমেদ, সমাজসেবা ইউনিয়ন সমাজ কর্মী মোঃ মিজানুর রহমান, তরিকুল ইসলাম,মেহেদী হাসান , আবুল ফাতাহ,জহুরুল হক, শেখ আব্দুর রশিদ, সবুজ আহমেদ সহ এতিমখানা ছাত্রগণ।

    ইমদাদুল হক
    পাইকগাছা, খুলনা

  • পাইকগাছায় বিশেষ অভিযানে ৬৭ পিস ইয়াবাসহ নারী মা-দক কা-রবারি গ্রেফ-তার

    পাইকগাছায় বিশেষ অভিযানে ৬৭ পিস ইয়াবাসহ নারী মা-দক কা-রবারি গ্রেফ-তার

    পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি।।
    খুলনা জেলার পাইকগাছা থানায় মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযানে ৬৭ পিস ইয়াবাসহ এক নারী মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর এ অভিযানে স্থানীয়ভাবে সক্রিয় একটি মাদক চক্রের কার্যক্রমে আঘাত এসেছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
    পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গত (২ জানুয়ারি ২০২৬) দুপুর আনুমানিক ১টা ১০ মিনিটে পাইকগাছা থানা পুলিশের একটি বিশেষ দল অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে থানাধীন হরিঢালী ইউনিয়নের নগরশ্রীরামপুর গ্রাম এলাকা থেকে মোছাঃ হামিদা বেগম (৩৭) নামে এক নারীকে গ্রেফতার করা হয়। এ সময় তার হেফাজত থেকে ৬৭ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।
    প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃত হামিদা বেগম মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে। পুলিশ জানায়, সে বিভিন্ন উৎস থেকে ইয়াবাসহ মাদকদ্রব্য সংগ্রহ করে নিজের কাছে মজুত রাখত এবং সুবিধাজনক সময়ে তা স্থানীয় ও আশপাশের এলাকায় বিক্রি করত। দীর্ঘদিন ধরে সে এই অবৈধ কর্মকাণ্ডে যুক্ত ছিল বলে তদন্তে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।
    স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, এলাকায় মাদক বিস্তারের পেছনে একাধিক চক্র সক্রিয় রয়েছে। এ ধরনের অভিযানে মাদক কারবারিদের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সচেতন মহল।
    এ ঘটনায় গ্রেফতারকৃতের বিরুদ্ধে ২০১৮ সালের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে পাইকগাছা থানায় একটি মামলা রুজু করা হয়েছে। আইনানুগ প্রক্রিয়া শেষে তাকে আদালতে সোপর্দ করা হবে বলে পুলিশ জানিয়েছে।
    পাইকগাছা থানা পুলিশ জানায়, মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি বাস্তবায়নে নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে।

  • প্রজনন মৌসুমে সুন্দরবনে কাঁকড়া ধরার দুই মাসের নি-ষেধাজ্ঞা

    প্রজনন মৌসুমে সুন্দরবনে কাঁকড়া ধরার দুই মাসের নি-ষেধাজ্ঞা

    ইমদাদুল হক,পাইকগাছা ( খুলনা ) ।।

    শিলাসহ ১৪ প্রজাতির কাঁকড়ার প্রজনন হয় সুন্দরবনে। জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারি কাঁকড়ার প্রজনন মৌসুম। এ সময়ে সুন্দরবনে জলজ এ প্রাণীটি শিকার নিষিদ্ধ করেছে বন বিভগ।
    সুন্দরবনের নদী-খালে কাঁকড়ার প্রাকৃতিক প্রজনন নিশ্চিত করতে ১ জানুয়ারি থেকে দুই মাসের জন্য কাঁকড়া ধরায় নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে বন বিভাগ। নিষেধাজ্ঞা আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বলবৎ থাকবে।
    প্রজনন মৌসুমে কাঁকড়া রক্ষা করতেই এ উদ্যোগ বলে জানিয়েছেন খুলনা অঞ্চলের বন সংরক্ষক ইমরান আহমেদ।
    তিনি বলেন, প্রতিবছর জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারি এ দুই মাস কাঁকড়া সুন্দরবনের নদী-খালে ডিম পাড়ে। সেই ডিম থেকে বাচ্চা ফুটে বের হয়। এ সময়ে কাঁকড়া অত্যন্ত সংবেদনশীল অবস্থায় থাকে। কাঁকড়ার প্রজনন নির্বিঘ্ন রাখতে এ নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।
    বন সংরক্ষক বলেন, যদি এ সময় কাঁকড়া ধরা হয়, পুরো বাস্তুতন্ত্রের ভারসাম্য নষ্ট হতে পারে। তাই প্রতিবছরের মতো এবারও নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। এ সময় কাঁকড়া ধরার অনুমতিপত্র ইস্যু বন্ধ থাকায় গভীর বনাঞ্চলে অবস্থান করা জেলেরা লোকালয়ে ফিরে এসেছেন।
    তবে সুন্দরবনসংলগ্ন এলাকার বাসিন্দারা বলছেন, প্রজনন মৌসুমে কয়েকটি চক্র নানা কৌশলে সুন্দরবনে ঢুকে কাঁকড়া ধরে। বন বিভাগের একশ্রেণীর অসাধু বনরক্ষী ও কর্মকর্তাদের সহায়তায় ওই সব চক্র কাঁকড়া ধরা অব্যাহত রাখে। এতে সাধারণ জেলেরা যেমন আর্থিক সঙ্কটে পড়েন তেমনি কাঁকড়া ধরা বন্ধ রাখার আসল উদ্দেশ্যে ব্যাহত হয়। পাশাপাশি কাঁকড়ার বংশবিস্তার এবং সুন্দরবনের জলজ জীববৈচিত্র্য হুমকির মুখে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা পরিবেশবাদীদের।
    পরিবেশবাদীরা বলছেন, সুন্দরবনের অর্থনৈতিক গুরুত্ব অপরিসীম। তবে সেটি সুন্দরবনের ক্ষতি করে নয়। সাম্প্রতিক সময়ে বন কর্মকর্তা-রক্ষীদের ঘুস আদায়ে নিয়ন্ত্রণহীন হয়ে পড়েছে সুন্দরবন।
    পরিবেশ ও জলবায়ু বিষয়ক নাগরিক সংগঠন-জলবায়ু সচেতনতা এবং সুন্দরবন ও উপকূল সুরক্ষা আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক সাংবাদিক শুভ্র শচীন বলেন, প্রজনন মৌসুমে কাঁকড়া রক্ষা করা না গেলে এর এর বংশবিস্তার লোপ পাবে এবং দীর্ঘমেয়াদী প্রভাব পড়বে পুরো সুন্দরবনের জীববৈচিত্রের উপর। পাশাপাশি অর্থনৈতিক সম্ভাবনাময় প্রাকৃতিক এ সম্পদ রপ্তানিতেও এর প্রভাব পড়বে।
    বন বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, সুন্দরবনের ৬ হাজার ১৭ বর্গকিলোমিটার বাংলাদেশ অংশে জলভাগের পরিমাণ ১ হাজার ৮৭৪ দশমিক ১ বর্গকিলোমিটার, যা পুরো সুন্দরবনের আয়তনের ৩১ দশমিক ১৫ শতাংশ। সুন্দরবনের জলভাগে ২১০ প্রজাতির সাদা মাছ, ২৪ প্রজাতির চিংড়ি ও ১৪ প্রজাতির কাঁকড়া আছে। জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারি এ দুই মাস কাঁকড়ার প্রজনন মৌসুম হওয়ায় ৫৯ দিনের জন্য জেলেদের সুন্দরবনে প্রবেশ করে কাঁকড়া ধরার অনুমতি বন্ধ রাখে বন বিভাগ।
    উপকূলীয় এলাকার বাসিন্দারা বলছেন, অবস্থানগত কারণে খুলনার নয়টি উপজেলার মধ্যে সর্বদক্ষিণের সুন্দরবনঘেরা সমুদ্র উপকূলবর্তী উপজেলা কয়রার বেশিরভাগ মানুষই সুন্দরবনের ওপর নির্ভরশীল। এ জেলার সুন্দরবন প্রভাবিত অন্য উপজেলাটি হলো দাকোপ। এ উপজেলা দুটির সুন্দরবন-লাগোয়া গ্রামগুলোর মানুষরা মাছ-কাঁকড়া ধরা, গোলপাতা কাটা ও মধু আহরণের কাজ করেন।
    উপজেলা দুটির কয়েকজন বনজীবী জেলে জানান, কাঁকড়ার ব্যবসা বেশ লাভজনক। যে কারণে প্রজনন মৌসুমেও কাঁকড়া ধরা বন্ধ হচ্ছে না সুন্দরবনে। অধিক লাভের আশায় একশ্রেণীর প্রতি বছরই জেলে বন বিভাগের কাছ থেকে মাছ ধরার অনুমতি নিয়ে বনে ঢুকে ডিমওয়ালা কাঁকড়া শিকার করেন।
    সুন্দরবনের ভেতর থেকে কাঁকড়া ধরে নৌকায় করে লোকালয়ে নিয়ে আসা হয়। তারপর তা সুন্দরবনসংলগ্ন খুলনার কয়রা উপজেলার ঘড়িলাল, গোলখালি, আংটিহারা, কাটাকাট, দেউলিয়া এবং দাকোপ উপজেলার নলিয়ান, কালিনগর, কৈলাশগঞ্জ, রামনগর, বাজুয়া, চালনা ও পাইকগাছা বাজারে ডিপোতে বিক্রি করা হয়।
    কয়রার এক কাঁকড়া ব্যবসায়ী নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, বন্ধ আসলে কাগজে-কলমেই থাকে। ঘাটে ঘাটে কিছু টাকা দিয়ে সব পক্ষ সামলাতে হয়।
    পশ্চিম সুন্দরবন বন বিভাগের বিভাগীয় কর্মকর্তা এ জেড এম হাছানুর রহমান বলেন, জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারি মাসে কাঁকড়া ডিম পাড়ে। ডিমওয়ালা কাঁকড়ারা ক্ষুধার্ত থাকে, তাই সহজে ধরা যায়। এ সময় শিকার না করলে পরের বছর বেশি কাঁকড়া উৎপাদন সম্ভব। আমরা টহল জোরদার করেছি। কেউ নিষেধাজ্ঞা অমান্য করলে বন আইনের আওতায় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
    হাছানুর রহমান বলেন, কাঁকড়া শুধু অর্থনৈতিক নয়, সুন্দরবনের খাদ্যশৃঙ্খল রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ। স্থানীয় জনগণ, জেলে ও ব্যবসায়ীদের নিষেধাজ্ঞা মেনে চলার আহ্বান জানানো হয়েছে।
    বন বিভাগের তথ্যানুযায়ী, বাংলাদেশে সুন্দরবনের ৬ হাজার ১৭ বর্গকিলোমিটার এলাকায় জলভাগ প্রায় ৩১ শতাংশ। এখানে ২১০ প্রজাতির সাদা মাছ, ২৪ প্রজাতির চিংড়ি ও ১৪ প্রজাতির উভচর প্রাণী আছে। সুন্দরবনের সম্পদ আহরণের জন্য ১২ হাজার নৌকার অনুমতিপত্র দেওয়া হয়, যার এক-তৃতীয়াংশ কাঁকড়া ধরার জন্য বরাদ্দ। প্রজনন মৌসুমে কাঁকড়া ধরার অনুমতি বন্ধ থাকলেও মাছ ধরার অনুমতি বহাল থাকে।

  • পিরোজপুর-২ আসনে নাটকীয় মোড় মাহমুদ হোসেনসহ দুই স্বতন্ত্র প্রার্থীর মনোনয়ন বা-তিল

    পিরোজপুর-২ আসনে নাটকীয় মোড় মাহমুদ হোসেনসহ দুই স্বতন্ত্র প্রার্থীর মনোনয়ন বা-তিল

    নেছারাবাদ সংবাদদাতা,(পিরোজপুর) প্রতিনিধি:

    পিরোজপুর-২ (কাউখালি, ভান্ডারিয়া ও নেছারাবাদ) আসনের নির্বাচনী মাঠে নাটকীয় মোড় নিয়েছে পরিস্থিতি। ঋণখেলাপি ও ভোটার সমর্থনসংক্রান্ত জটিলতার কারণে দুইজন স্বতন্ত্র প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করা হয়েছে।
    বাতিল হওয়া প্রার্থীরা হলেন—ঋণখেলাপির অভিযোগে স্বতন্ত্র প্রার্থী মাহমুদ হোসেন এবং নির্বাচনী এলাকার ১ শতাংশ ভোটারের সমর্থন সংগ্রহে ব্যর্থ হওয়ায় মোস্তাফিজুর রহমান।
    শনিবার (৩ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে পিরোজপুর জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. আবু সাঈদ আনুষ্ঠানিকভাবে এই সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেন।
    রিটার্নিং কর্মকর্তা জানান, বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে প্রাপ্ত তথ্যে মাহমুদ হোসেনকে ঋণখেলাপি হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। ফলে তার মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়। অপরদিকে, স্বতন্ত্র প্রার্থী মোস্তাফিজুর রহমান নির্ধারিত ১ শতাংশ ভোটারের সমর্থন যথাযথভাবে সংগ্রহ করতে না পারায় তার মনোনয়নও বাতিল করা হয়েছে।
    রিটার্নিং কর্মকর্তা কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদনে মাহমুদ হোসেনকে Aegis Textile ও Aegis Spinning Mills Ltd.-এর পরিচালক হিসেবে এবি ব্যাংক লিমিটেড এবং দ্য প্রিমিয়ার ব্যাংক লিমিটেডের মতিঝিল শাখায় ঋণখেলাপি দেখানো হয়েছে।

    তবে মাহমুদ হোসেনের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, তিনি ২০১৪ সালে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান থেকে পরিচালকের পদ থেকে অব্যাহতি নিয়ে কর্মস্থল ত্যাগ করেন। এ কারণে আপিলের মাধ্যমে প্রার্থিতা বৈধতা ফিরে পাওয়ার ব্যাপারে আশাবাদী তার সমর্থকরা।

    উল্লেখ্য, বাতিল হওয়া দুই স্বতন্ত্র প্রার্থীর মধ্যে মাহমুদ হোসেন এই আসনে একজন উল্লেখযোগ্য প্রার্থী হিসেবে পরিচিত ছিলেন। তিনি বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী ছিলেন এবং পরে দলীয় মনোনয়ন না পেয়ে বিএনপির বিদ্রোহী স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনী মাঠে আলোচনায় আসেন। তিনি একজন শিল্পপতি এবং ভান্ডারিয়া সরকারি কলেজের সাবেক ভিপি।

    রিটার্নিং কর্মকর্তা কার্যালয় আরও জানায়, এ আসনে বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, এবি পার্টি, জাতীয় পার্টি (জেপি) এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী মিলিয়ে মোট সাতজন মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করে জমা দিয়েছিলেন।
    এদিকে পিরোজপুর-২ আসনে বিএনপির দলীয় মনোনয়ন পেয়েছেন আহম্মদ সোহেল মঞ্জুর সুমন।

    মনোনয়ন বাতিলের বিষয়ে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া জানতে মাহমুদ হোসেন ও মোস্তাফিজুর রহমানের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।

    আনোয়ার হোসেন ।।