Author: desk

  • ঘাটাইলে আটিয়া বন অধ্যাদেশ বাতিলের দাবিতে প্রতিবাদ ও মানববন্ধন

    ঘাটাইলে আটিয়া বন অধ্যাদেশ বাতিলের দাবিতে প্রতিবাদ ও মানববন্ধন

    ঘাটাইল প্রতিনিধি মোঃ রায়হান মিয়া ।।
    আটিয়া বন অধ্যাদেশ বাতিলের দাবিতে টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার মানববন্ধন বিক্ষোভ সমাবেশ ও সড়ক অবরোধ করে মানববন্ধন করেছেন এলাকাবাসী। 

    রবিবার ( ৫ জানুয়ারী) সকাল ১১টায় উপজেলার ধলাপাড়া ইউনিয়ন ঘাটাইল-সাগরদিঘী আঞ্চলিক সড়কের আষাঢ়িয়া চালা এই কর্মসূচি পালন করা হয়।

    এলাকাবাসী জানায় টাঙ্গাইল ঘাটাইল উপজেলাসহ আশপাশের কয়েকটি উপজেলার জমি ১৯২০ সালে সেটেলমেন্ট রেকর্ডভুক্ত হওয়ার পর তৎকালীন সরকার ১৯২৭-২৮ সালে গেজেট মূলে ঘাটাইলসহ আশপাশের কয়েকটি অঞ্চলের জায়গা বন বিভাগের কাছে ন্যস্ত করে, তৎকালীন এরশাদ সরকার ১৯৮২ সালে আটিয়া অধ্যাদেশ জারি করে।

    বসতবাড়ি সহ সাধারণ মানুষের ১৯৬২ সালের রেকর্ডভুক্ত জমিও এই অধ্যাদেশের আওতায় আনা হয়। এই অধ্যাদেশের আওতায় বর্তমানে প্রায় ৪৫ হাজার একর জমি রয়েছে। পাহাড়ি অঞ্চল ধলাপাড়া ইউনিয়নের রামদেবপুর, পোড়াবাসা,    সন্দুল, মোথাজুরি, ভবানীপুর, সিড়িরচালা, আশাড়িয়াচালা, সাগরদিঘী ইউনিয়নের তুলাবর, মালিরচালা, জোড়দিঘী, পাগারিয়া, কামালপুর, জালালপুর, তালতলা লক্ষিন্দর ইউনিয়নের শালিয়াবহ বাশতৈল, ফটিয়ামারী রসুলপুর ইউনিয়ের পেচারআটা, মাহাবর বটতলী, এছাড়াও সন্ধানপুর ও সংগ্রামপুর ইউনিয়নের  কয়েকটি গ্রামের শত শত নারী-পুরুষ ঘাটাইল-সাগরদিঘী সড়ক অবরোধ করে মানববন্ধন কর্মসূচি শুরু করেন।

     দুই ঘণ্টাব্যাপী মানববন্ধন  চলার কারণে   ঘাটাইল সাগরদিঘী আঞ্চলিক সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। 

    সমাবেশে এ সময় বক্তব্য রাখেন বিএনপির চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা সাবেক মন্ত্রী ও এমপি বীর মুক্তিযোদ্ধা লুৎফর রহমান খান আজাদ।  বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য মাইনুল ইসলাম, উপজেলা বিএনপির সাবেক ভারপ্রাপ্ত সভাপতি তোফাজ্জল হক সেন্টু, পৌর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোঃ ফারুক হোসেন ধলা, উপজেলা জাতীয়তাবাদী দল(বিএনপির) সাবেক যুববিষয় সম্পাদক কামরুজ্জামান জামাল ভুইয়া, উপজেলা বিএনপির সাবেক অর্থবিষয়ক সম্পাদক মোঃ উপজেলা কৃষক দলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোঃ এমদাদ মাষ্টার  মোস্তাফা কামাল উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোঃ আফজাল হোসেন, ছাত্র নেতা  শামীম, এ সময় উপস্থিতছিলেন 

     উপজেলা বিএনপি, ইউনিয়ন বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদল অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

    মানববন্ধন ও সমাবেশে অংশ নেওয়া আটিয়া অধ্যাদেশের কথা বলে বন বিভাগের কর্মকর্তারা তাদের বাড়িঘর ভেঙে দেওয়ার হুমকি দিচ্ছে মাইকিং করছে। তারা এই আইন বাতিলের জন্য সরকারের কাছে জোড়  দাবি জানান।

    এ বিষয়ে ধলাপাড়া রেঞ্জ কর্মকর্তা ওয়াদুদুর রহমান সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আটিয়া বন অধ্যাদেশ ঠিক থাকবে এই আওতার বাইরে কোন ঘরবাড়ি উচ্ছেদ করা হবে না। তবে বন বিভাগের আওতায় স্থাপনা নির্মাণ করার সুযোগ দিয়ে কাহারাও নিকট থেকে কোন অর্থ গ্রহণ করিনি।

  • তানোরে বিএনপির দু’গ্রুপের সংঘ-র্ষ, আহত ১০

    তানোরে বিএনপির দু’গ্রুপের সংঘ-র্ষ, আহত ১০

    আলিফ হোসেন,তানোরঃ
    রাজশাহীর তানোরে বিএনপির দু’গ্রুপের নেতাকর্মীদের মাঝে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয়পক্ষের অন্তত ১০ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে ৬ জনকে তানোর উপজেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এরা হলেন, আব্দুস সামাদ (৪৫) মতিউর রহমান (৪৮), ওবায়দুর রহমান (৫০) ফিরোজ মাহমুদ (৪৫), মাহাবুর রহমান ( ৩৮) ও এখলাছুর রহমান (৫৩)। তারা সবাই স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মী। অন্যদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়েছে।
    বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য মেজর জেনারেল অবঃ শরিফ উদ্দিন ও গোদাগাড়ী উপজেলা বিএনপির সদস্য এ্যাডঃ সুলতানুল ইসলাম তারেক অনুসারীদের মাঝে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।
    জানা গেছে,গত ৪ জানুয়ারি শনিবার বিকেলে উপজেলার কামারগাঁ ইউনিয়নের (ইউপি) ভবানীপুর দাখিল মাদরাসা মাঠে ও মাদারীপুর বাজারে প্রায় ঘন্টাব্যাপী দু’পক্ষের মাঝে
    দফায় দফায় সংঘর্ষ ও ধাওয়া পাল্টা-ধাওয়ার ঘটনা ঘটে।
    স্থানীয়রা জানান, এদিন তানোর বিএনপির একাংশের নেতাকর্মীরা ভবানীপুর দাখিল মাদরাসা মাঠে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের পক্ষে শীতবস্ত্র বিতরণ, ক্যালেন্ডার ও রাষ্ট্র মেরামতের ৩১ দফার লিফলেট বিতরণের আয়োজন করেন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি করা হয় রাজশাহী-১ আসনে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী এ্যাডঃ সুলতানুল ইসলাম তারেককে।
    প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, এদিন বিকেলে অনুষ্ঠান শুরুর পুর্ব মুহুর্তে মেজর জেনারেল অবঃ শরিফ উদ্দীনের অনুসারী শরিফ উদ্দিন মুন্সীর নেতৃত্বে
    নেতাকর্মীরা গিয়ে বাধা দেন এবং বেশকিছু চেয়ার ও দুটি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করে। এ সময় তারেকের অনুসারী অন্তত চারজন কর্মী-সমর্থককে পিটিয়ে আহত করা হয়। এখবর পেয়ে তারেকের বহরের নেতাকর্মীরা মাদারীপুর বাজারে গিয়ে শরিফ অনুসারীদের ধাওয়া করে। কিছুক্ষণ পর সেখানে যান সুলতানুল ইসলাম তারেক। তিনি যাওয়ার পর তার কর্মী-সমর্থকেরা শরিফ উদ্দীনের কর্মী-সমর্থকদের ওপর পাল্টা হামলা করেন। এ সময় উভয়পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এতে উভয়পক্ষের প্রায় ১০ জন আহত হন। এবিষয়ে মেজর জেনারেল অবঃ
    শরিফ উদ্দীনের অনুসারী হিসেবে পরিচিত তানোর উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব শরীফ উদ্দিন মুন্সি বলেন, ‘সুলতানুল ইসলাম তারেক শীতবস্ত্র বিতরণ করবেন, ভাল কথা। কিন্তু তিনি স্থানীয় বিএনপির নেতাদের দাওয়াত দেননি। ফলে তারা সেখানে গিয়ে প্রতিবাদ জানালে এই ঘটনা ঘটে। এতে তাদের ৮/১০ জন আহত হন।এবিষয়ে
    সুলতানুল ইসলাম তারেকের অনুসারী উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব শামসুল ইসলাম বলেন, ‘বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের পক্ষে সুলতানুল ইসলাম তারেকের উদ্যোগে শীতবস্ত্র বিতরণের অনুষ্ঠান ছিল। কিন্তু মেজর শরিফের অনুসারীরা হামলা চালিয়ে ভাংচুর করে এবং আমাদের মারধর করে। এ নিয়ে দুপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এতে তাদের ৫/৬ জন আহত হয়েছেন।এবিষয়ে
    তানোর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মিজানুর রহমান বলেন, ‘মারামারির খবর পেয়ে পুলিশ পাঠানো হয়। তবে পুলিশ যাওয়ার আগে উভয়পক্ষ ছত্রভঙ্গ হয়ে যায়। এ ঘটনায় এখনো কেউ থানায় অভিযোগ করেনি। অভিযোগ করলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।#

  • নড়াইলে ভ্যান নিয়ে কিশোরকে শ্বাসরোধে হ-ত্যা, অভিযুক্ত গ্রেপ্তার

    নড়াইলে ভ্যান নিয়ে কিশোরকে শ্বাসরোধে হ-ত্যা, অভিযুক্ত গ্রেপ্তার

    উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে:

    নড়াইলের লোহাগড়া ভ্যান নিয়ে কিশোরকে শ্বাসরোধে হত্যা, অভিযুক্ত গ্রেপ্তার। নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলায় তামিম খান (১৩) নামে এক ভ্যানচালকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় অভিযুক্ত আমিনুল নামে একজনকে আটক করা হয়েছে।
    নিহত তামিম খান সদর উপজেলার হবখালি গ্রামের রুবেল খানের ছেলে। উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে জানান, রোববার (৫ জানুয়ারি) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ওই কিশোরের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
    লোহাগড়া থানা পুলিশের ওসি মো. আশিকুর রহমান মরদেহ উদ্ধারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। নিহতের স্বজন ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত শুক্রবার (৩ জানুয়ারি) বিকেলে ভ্যানচালক কিশোর তামিম খান নিখোঁজ হয়। পরে স্বজনরা তাকে সম্ভাব্য সব জায়গায় খোঁজাখুঁজি করতে থাকেন। এক পর্যায়ে নিহত কিশোরের চাচাতো ভাই জানায় তামিম অভিযুক্ত আমিনুলকে ভ্যানে নিয়ে যেতে দেখেছে। পরে নিহতের স্বজনরা অভিযুক্ত আমিনুলকে আটক করে ঘটনাটি পুলিশকে জানায়। পরে সদর থানা পুলিশ ও গোয়েন্দা পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে আমিনুল স্বীকার করে যে তামিমকে খাবারের সঙ্গে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে তাকে হত্যার পর লোহাগড়া উপজেলার মশাঘুনি এলাকায় মাটিচাপা দিয়েছে এবং ভ্যান ওই গ্রামে বিক্রি করেছে। পরে নড়াইল সদর থানা পুলিশের ওসি সাজেদুল ইসলাম ও গোয়েন্দা পুলিশের একটি দল লোহাগড়া উপজেলার মশাঘুনি এলাকা থেকে লোহাগড়া থানা পুলিশের উপস্থিতিতে নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে আসামি আমিনুলকে লোহাগড়া থানায় হস্তান্তর করেন।
    নড়াইল সদর থানা পুলিশের ওসি সাজেদুল ইসলাম জানান, আসামিকে জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় সে তামিমকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে তাকে লোহাগড়ার মশাঘুনি এলাকায় মাটিচাপা দিয়ে রেখেছে পরে তার স্বীকারোক্তি মোতাবেক ঘটনাস্থল থেকে মরদেহর সন্ধান পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত আমিনুলকে আটক ও চোরাই ভ্যান কেনাবেচার অভিযোগে দু’জনকে হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। লোহাগড়া থানা পুলিশ আইনি ব্যবস্থা নিবে।
    এ বিষয়ে লোহাগড়া থানা পুলিশের ওসি মো. আশিকুর রহমান এ প্রতিবেদক উজ্জ্বল রায়কে বলেন, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নড়াইল সদর হাসপাতালে পাঠানো হচ্ছে। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

  • তানোরে নছির কান্ডে নিঃস্ব কৃষক

    তানোরে নছির কান্ডে নিঃস্ব কৃষক

    আলিফ হোসেন,তানোরঃ
    রাজশাহীর তানোরে আলু বীজ রোপণ করে বিভিন্ন এলাকার অনেক আলু চাষি নিঃস্ব হবার পথে। এঘটনায় কৃষকদের মাঝে চরম অসন্তোষের সৃষ্টি হয়েছে। কৃষকেরা ঘটনার সঙ্গে জড়িত বীজ ব্যবসায়ীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করেছেন।
    জানা গেছে,উপজেলার সরনজাই ইউনিয়নের (ইউপি)শুকদেবপুর গ্রামের মৃত বছির উদ্দিনের পুত্র নছির উদ্দিন আলু বীজ নিয়ে কৃষকদের সঙ্গে প্রতারণা করেছেন। ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, নছির উদ্দিন বিভিন্ন কোম্পানির আলু বীজের প্যাকেটে খাবার আলু রিপ্যাক করে বীজ আলু বলে কৃষকদের কাছে বিক্রি করেছেন। নছির উদ্দিন শুধু আলু বীজ নয় বিভিন্ন কোম্পানির নিম্নমানের কীটনাশক এনে কৃষকদের কাছে উচ্চ দামে বিক্রি করেছেন। নছির উদ্দিনের কাছে থেকে আলু বীজ ও কীটনাশক কিনে কৃষকেরা প্রতারিত হয়েছে। শুকদেবপুর গ্রামের কৃষক আশরাফুল ইসলাম (৪৫) বলেন, তিনি নছির উদ্দিনের কাছে থেকে একশ’ টাকা কেজি দরে আলু বীজ কিনে সাড়ে তিন বিঘা আলু চাষ করেছেন। এতে তার প্রায় তিন লাখ টাকা খরচ হয়েছে।কিন্ত্ত নকল বীজের কারণে তার আলুখেতে আলু গাছ ভাল হয়নি। যেগুলো গাছ হয়েছে তার সিংহভাগ গাছে হলদে রঙ ধারণ ও গোড়া পচে যাচ্ছে। একই গ্রামের কৃষক জাইদুর রহমান বলেন, তিনি নছির উদ্দিনের কাছে থেকে আলু বীজ কিনে ৭ বিঘা জমিতে আলু বীজ রোপণ করেছেন। কিন্ত্ত নকল বীজের কারণে আলুখেতে ভালো আলু গাছ গজায়নি। শুধু আশরাফুল ও জাইদুর নয় তাদের মতো অনেক কৃষক নছিরের কাছে থেকে আলু বীজ কিনে প্রতারিত হয়েছেন। কৃষকেরা জানান, আওয়ামী মতাদর্শী নছির উদ্দিন ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে প্রায় ১৭ বছর যাবত নকল আলু বীজ ও নকল কীটনাশক বিক্রি করে কৃষকদের সঙ্গে প্রতারণা করে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। তারা প্রতারক নছিরকে গ্রেফতার,দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও ক্ষতিপূরণ দাবি করেছেন।
    জানা গেছে, চলতি মৌসুমে এক বিঘা আলু চাষে খরচ হবে প্রায় এক লাখ টাকা। এর মধ্যে জড়ি ভাড়া ৩০ হাজার, বীজ ৩০ হাজার, সার ৭ হাজার,জমি চাষ আড়াই হাজার,রোপণে ৪ হাজার, পানি দেড় হাজার, টব দেয়া ও সার কীটনাশক ৬ হাজারসহ বিবিধ খরচ মিলে প্রায় এক লাখ টাকা।এবিষয়ে জানতে চাইলে নছির উদ্দিন অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, আলু বীজের জন্য নয় তারা জমির ভালমতো দেখভাল করতে পারেনি তার জন্য এই সমস্যা হয়েছে।

  • একজন কবির চিন্তাধারা ও কর্মের মাধ্যমে বাংলাদেশ

    একজন কবির চিন্তাধারা ও কর্মের মাধ্যমে বাংলাদেশ

    মো.হাসমত উল্লাহ,লালমনিরহাট।।

    ড. মো. হাসানুজ্জামান জুয়েল একজন বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদ ও ধর্মীয় মূল্যবোধে বিশ্বাসী চিন্তাবিদ, লেখক, কবি ও কথাসাহিত্যিক। তিনি একজন জ্ঞানী ও বিচক্ষণ ব্যক্তি যিনি জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সমাজ, রাজনীতি, সংস্কৃতি ও সাহিত্যের বিভিন্ন বিষয়ে গভীর অধ্যায়ন করেছেন। তিনি একজন সফল লেখক, কবি ও কথাসাহিত্যিক, যিনি তার চিন্তা ও ধারণার মাধ্যমে সমাজে ব্যাপক প্রভাব ফেলেছেন। তিনি তার চিন্তাধারা ও কর্মের মাধ্যমে বাংলাদেশের সমাজে ব্যাপক প্রভাব ফেলেছেন। তিনি একজন সক্রিয় নাগরিক ও সফল শিক্ষক। তিনি একজন জনপ্রিয় লেখক ও স্পষ্টভাষী এবং তার রচনা ও বক্তৃতায় তিনি সমাজের বিভিন্ন দিক থেকে সাম্য ও ন্যায় প্রতিষ্ঠার পক্ষে কথা বলেন। পাঠক আজকে আপনাদের জন্য হাজির হয়েছি লেখক ড. মো. হাসানুজ্জামান জুয়েল এর জীবনী নিয়ে।

    ড. মো. হাসানুজ্জামান জুয়েল ১৯৭৪ সালের ৮ ডিসেম্বর একটি সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতা আলহাজ্ব মোঃ একরামুল হক ছিলেন একজন শিক্ষক এবং মাতা আলহাজ্ব হোসনে আরা বেগম ছিলেন গৃহিণী। তিনি চাপারহাট উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি ও সরকারি করিম উদ্দিন পাবলিক কলেজ থেকে বিজ্ঞান বিভাগে এইচএসসি পাশ করেন। এরপর তিনি কারমাইকেল বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ থেকে প্রাণিবিদ্যায় স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। পরে তিনি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউট অব বায়োলজিক্যাল সায়েন্সেস থেকে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন। পাশাপাশি তিনি লালমনিরহাট আইন মহাবিদ্যালয় হতে আইনশাস্ত্রে এলএলবি ডিগ্রি অর্জন করেন।

    এর কর্মজীবনঃ লেখক ড. মো. হাসানুজ্জামান জুয়েল এর জীবনী থেকে আমরা দেখতে পাই তিনি তার কর্মজীবন শুরু করেন একজন শিক্ষক হিসেবে। তিনি ২০০২ সালে আদিতমারী ডিগ্রি কলেজ এ প্রাণিবিদ্যা বিভাগে প্রভাষক হিসেবে যোগদান করে শিক্ষকতা শুরু করেন। পরবর্তীকালে ২০০৪-২০১৬ পর্যন্ত দৈনিক দিনকাল সহ বিভিন্ন জাতীয় পত্রিকায় সাংবাদিকতা করেন। ওই সময়ে স্থানীয়ভাবে প্রকাশিত “মাসিক প্রত্যাশা” সাহিত্য পত্রিকার প্রকাশক ও সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়া তিনি স্থানীয় রাজনীতির জাতীয়তাবাদী ধারায় বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে অভিষিক্ত থেকে সুচারুভাবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০১৬ সালে আদিতমারী ডিগ্রি কলেজটি সরকারিকরণের ঘোষণা করা হলে তিনি সাংবাদিকতা, রাজনীতি ছেড়ে একজন সরকারি কলেজের শিক্ষক হিসেবে নিজেকে অধিষ্ঠিত করেন। বর্তমানে তিনি আদিতমারী সরকারি কলেজের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত আছেন

    ড. মো. হাসানুজ্জামান জুয়েল একজন সফল লেখক, কবি ও কথাসাহিত্যিক। তার রচনা ও স্পষ্টভাষী লেখনির মাধ্যমে তিনি জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সমাজ, রাজনীতি, সংস্কৃতি ও সাহিত্যের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বিশ্লেষণ করেন। তিনি গল্প, কবিতা, উপন্যাস লিখছেন নিজের ভালো লাগার জন্য। সমাজের নানান অসঙ্গতি, অন্যায়, অবিচার, জুলুম, নির্যাতন, ঘুষ, দুর্নীতির বিরুদ্ধে লেখা লিখি করছেন নিজের দায়িত্ববোধ থেকে। শিশু-কিশোরদের নৈতিক শিক্ষা অর্জনের ক্ষেত্র হিসেবে ছোটদের গল্প, প্রবন্ধ, বিজ্ঞান বিষয়ক সায়েন্স ফিকশন লেখা লিখি করেন ভবিষ্যত প্রজন্মকে উজ্জীবিত করার জন্য।

    দেশের খ্যাতনামা চারটি প্রকাশনী থেকে এ পর্যন্ত তার ১৭টি বই প্রকাশিত হয়েছে। তার রচনাগুলি বাংলাদেশের বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে। এছাড়াও জাতীয় ও আন্তর্জাতিক জার্নালে তার একাধিক গবেষণাপত্র প্রকাশিত হয়েছে। এর জীবনী থেকে বিভিন্ন বিষয়ের পাশাপাশি তিনি কিছু রচনা লিখেছেন তার মধ্যে রয়েছে: তৃষ্ণা (কাব্যগ্রন্থ), নির্যাতিত স্বপ্ন (উপন্যাস), ছোটোদের প্রিয় মদন (গল্প), স্বপ্নঘেরা কৈশোরের দিনগুলি (স্মৃতিমূলক গ্রন্থ), বিরহী বসন্ত (উপন্যাস), আমরা বাঁচলে পৃথিবী বাঁচবে (বিজ্ঞান বিষয়ক প্রবন্ধ), স্বপ্ন ফেরারি (কাব্যগ্রন্থ), নিশিরাতের স্বপ্ন (উপন্যাস), স্বপ্নচারিতা (কাব্যগ্রন্থ), গেছো ভূত (থ্রিলার), মনন (কবিতা), আহাজারি (উপন্যাস), চেকপোস্টে বিড়ম্বনা (গল্প), হে বন্ধু, হে প্রিয় ( উপন্যাস), সৃষ্টি রহস্যঃ ধর্ম বনাম বিজ্ঞান, পোকামাকড়ের উৎপাত, ধর্মীয় আলোকে মানুষ।

    লেখক ড. মো. হাসানুজ্জামান জুয়েল একজন জাতীয়তাবাদী চিন্তাবিদ ও বুদ্ধিজীবী। তাঁর রচনায় ইসলামী মনোভাব ও ধর্মীয় মূল্যবোধের চিন্তার প্রভাব দেখা যায়। তিনি সমাজের বিভিন্ন দিক থেকে সাম্য ও ন্যায় প্রতিষ্ঠার পক্ষে কথা বলেন। তিনি ধর্ম, জাতি, লিঙ্গ, শ্রেণি ইত্যাদির ভিত্তিতে বৈষম্য ও বঞ্চনার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করেন। একজন সক্রিয় নাগরিক হিসেবেও পরিচিত। তিনি বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক ইস্যুতে সোচ্চার। তিনি মানবাধিকার, পরিবেশ রক্ষা, নারীর অধিকার ও সামাজিক ন্যায়বিচারের পক্ষে কথা বলেন। তিনি বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক সংগঠনের সাথে নিবিড় সম্পর্ক স্থাপন করে চলেন। তিনি তার চিন্তা ও ধারণা দিয়ে পাঠক সমাজে বেশ জনপ্রিয়তা পেয়েছেন। 

    ড. মো. হাসানুজ্জামান জুয়েল, তার অবদানের জন্য বিভিন্ন পুরস্কার ও সম্মাননায় ভূষিত হয়েছেন। তিনি পেয়েছেন: সাংবাদিকতায় “বেষ্ট রিপোর্টার্স অ্যাওয়ার্ড” (২০১৪),”গুণী লেখক সম্মাননা পুরস্কার” (২০১৬)। তার রচনাগুলোতে সমাজের নানান অসঙ্গতি, অন্যায়-অবিচার, শোষণ-নিপীড়ন, ঘুষ-দুর্নীতিসহ বিভিন্ন দিক থেকে গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা প্রদান করে। তাঁর কবিতা ও উপন্যাসগুলোতে অকুতোভয় সৈনিকের মতো কোনোকিছুরই তোয়াক্কা না করে সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ লেখনি চালিয়ে যাচ্ছেন অনবরত। তাঁর লেখনি যেন ন্যায় ও ধর্মভিত্তিক সার্বজনীন সমাজ বিনির্মাণের হাতিয়ার। 

    হাসমত উল্লাহ ।।

  • মাদারীপুরে গ্রাম্য ডাক্তার কে কুপিয়ে গুরুতর  যখন করার অভিযোগ

    মাদারীপুরে গ্রাম্য ডাক্তার কে কুপিয়ে গুরুতর যখন করার অভিযোগ

    আরিফুর রহমান,

    মাদারীপুর প্রতিনিধি :
    মাদারীপুরে মামলা তুলে না নেওয়ায় গ্রাম্য ডাক্তার সাগর আহমেদ(৪৮) কুপিয়ে মারাত্মক জখম করার অভিযোগ উঠেছে আওয়ামী লীগের নেতার বিরুদ্ধে।
    শুক্রবার (০৩ জানুয়ারি) সন্ধ্যার দিকে মাদারীপুর পৌর শহরের পুরাতন বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটেছে।
    আহত সাগর আহমেদ সদর উপজেলার রাস্তি ইউনিয়নের পশ্চিম রাস্তি এলাকার হারুন কবির হাওলাদারের ছেলে ও তিনি একজন গ্রাম্য ডাক্তার।
    ভুক্তভোগী পরিবার, পুলিশ ও হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে ডাক্তার সাগর আহমেদ ও সৈনিকলীগে সভাপতি রুহুল আমিন হাওলাদার ও মাাদারীপুর সদর উপজেলার আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি রাজু হাওলাদারের সাথে জমি নিয়ে দ্বন্দ্বে ছিল। সেই জমির দ্বন্দ্বের জেরে।শহরের পুরাতন বাজার এলাকায় প্রতিদিন ন্যায় ডাক্তার সাগর চেম্বারে বসা ছিলেন।কথা আছে বলে পাশে ডেকে নিয়ে এলোপাতাড়ি ভাবে তাকে কুপিয়ে গুরুতর জখম করে পালিয়ে যান তারা।এ সময় পথচারী ও তার চেম্বারে চিকিৎসা নিতে আসা রোগীরা তাকে উদ্ধার করে মাদারীপুর সদর হাসপাতাল এ নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেন।
    আহতের স্বজনেরা জানান, মানুষের সাথে ঝামেলা থাকতেই পারে। কিন্তু এভাবে একজন ডাক্তার লোককে কুপিয়ে আহত করবে এটা ঠিক না। আমরা তাদের কঠিন বিচার চাই।

    গ্রাম্য ডাক্তার সাগর আহমেদ বলেন, আমি প্রতিদিনের ন্যায় চেম্বারে বসে রোগী দেখছিলাম এর মধ্যে আওয়ামী লীগের ক্যাডার বাহিনী রাজু হাওলাদার, রুহুল-আমিনসহ বেশ কয়েকজন লোক এসে বলে কথা আছে বলে পাশে ডেকে নিয়ে। আমাকে বলে তোর বাড়িঘর আমাদের নামে লিখে দিবি ও তোর বউ যে মামলা করছে সেটা তুলে নিবি।না তুলে নিলে তোরে কুপিয়ে এখানে মেরে ফেলবো। বলে তারা ১০ থেকে ১৫ লোক আমাকে হত্যার উদ্দেশ্যে আমাকে এলোপাথাড়ি কুপিয়ে পালিয়ে যায় পরে আমার রোগীরা আমাকে উদ্ধার করে সদর হাসপাতালে নিয়ে আসে।আমি তাদের বিচার চাই। স্বাধীন দেশে যদি আমরা এখন আওয়ামী লীগের দোসরের হাতে নির্যাতিত হই।তাহলে কি স্বাধীনতা পেলাম।

    এ ব্যাপারে মাদারীপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

  • সময় টিভির সাংবাদিকের ওপর হামলার প্রতিবাদে বেনাপোলে মানববন্ধন

    সময় টিভির সাংবাদিকের ওপর হামলার প্রতিবাদে বেনাপোলে মানববন্ধন

    আজিজুল ইসলাম, যশোরঃ সময় টিভির নড়াইল প্রতিনিধি সৈয়দ সজিবুর রহমানের ওপর  সন্ত্রাসী হামলার ঘটনায়  জড়িতদের গ্রেফতারের  দাবিতে বেনাপোলে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। 

    রবিবার বেলা ১২ টায় বেনাপোল কাস্টমসের সামনে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। 

    শার্শা উপজেলা সাংবাদিক ঐক্য পরিষদের সভাপতি আজিজুল হকের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মো:আয়ুব হোসেন পক্ষীর সঞ্চালনায় বেনাপোলে কর্মরত গণমাধ্যম কর্মীরা এ মানববন্ধনে অংশ নেন।

    ঘণ্টাব্যাপী মানববন্ধনে সাংবাদিক নেতারা বলেন, যখনি গণমাধ্যমকর্মী নীতি,নৈতিকতা নিয়ে পেশাগত দায়িত্ব পালন করার চেষ্টা করেছে তখনি কালো শক্তির শিকার হয়েছেন। সত্য,ন্যায়,ব্স্তূনিষ্ঠ ও নির্ভীক সংবাদ প্রকাশ করতে গিয়ে সারা বাংলাদেশে সাংবাদিকরা আগেও হামলা- মামলার স্বিকার হয়েছে এখনও হচ্ছে।প্রধান উপদেষ্টার দৃষ্টি আকর্ষণ করে বেনাপোলের সাংবাদিকরা বলেন,আগামী ৩দিনের মধ্যে সাংবাদিক হত্যা প্রচেষ্টাকারীদের গ্রেফতার করা না হয় তাহলে বাংলাদেশের শেষ সীমান্ত বেনাপোল থেকে বৃহৎ আন্দোলন গড়ে তোলা হবে।

    মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন:-একুশে টিভির বেনাপোল প্রতিনিধি জামাল হোসেন,এখন টিভি ও দৈনিক  জনকন্ঠের আবুল হোসেন,আনন্দ টিভির আয়ুব হোসেন পক্ষী, এশিয়ান টিভির সেলিম আহম্মেদ, গ্লোবাল টিভির রাসেল ইসলাম, চ্যানেল এসটিভির তামিম হোসেন সবুজ, বাংলা টিভির আরিফুল ইসলাম,দৈনিক একুশে সংবাদের বেনাপোল প্রতিনিধি মোঃ খসরুনোমান সংগ্রাম,   প্রতিদিনের কথার আনিছুর রহমান,ভোরের ডাকের আশানুর রহমান আশা,যায়যায়দিনের জি এম আশরাফ, দৈনিক জন্মভূমির আবুল বাশার, দৈনিক কালান্তরের  কামাল উদ্দীন বিশ্বাস,দৈনিক দিনকালের মতিয়ার রহমান, দৈনিক প্রতিদিনের সংবাদের মনির হোসেন,নাগরিক টেলিভিশনের ওসমান গণি ,দৈনিক লাখো কন্ঠের আসাদুজ্জামান রিপন,দৈনিক আমার সময়ের রাশেদুজ্জামান রাসেল, দৈনিক গ্রামের কন্ঠের জাহিদ হাসান,দৈনিক রানারের আরিফুজ্জামান,দৈনিক অনির্বাণের তামিম হোসেন সবুজ, মাতৃছায়ার  সুমন হুসাইন,এশিয়ান টেলিভিশনের  সেলিম আহম্মেদ,দৈনিক কাগজের  জাকির হোসেন,দৈনিক প্রতিদিনের কন্ঠের  আসাদুর রহমান আসাদ,শাহরিয়ার হুসাইন মুন, দৈনিক রুপান্তরের  শাহনেওয়াজ স্বপন,দৈনিক সংবাদের  লোকমান হোসেন রাসেল, চ্যানেল এসের  জসিম উদ্দীন, দৈনিক সমাচারের আকাশ হোসেন সাগর, দৈনিক প্রজন্ম একাত্তরের ইকরামুল হোসেন,দ্যা মেইল বিডির  এবিএস রনি, কলকাতা প্রাইম টাইমের মোঃ জাহিরুল মিলন, দৈনিক নাগরিক ভাবনার সাইবুর রহমান সুমন,  দৈনিক আশার আলোর আসাদুজ্জামান আশা, কলকাতা টেলিভিশনের মোস্তাফিজুর রহমান রুবেল,চিত্র সাংবাদিক দৈনিক স্পন্দনের শাহাবুদ্দিন আহম্মেদ, দৈনিক প্রভাত ফেরীর মেহেদি মোল্লা, দৈনিক গ্রামের কন্ঠের মোঃ আব্দুল্লাহ, দৈনিক নওয়াপাড়ার জয়নাল আবেদিন, দৈনিক সমাজের কথার আতাউর রহমান,বাংলাদেশ বুলেটিনের  রবিউল ইসলাম,দৈনিক শেষ সংবাদের মিলন কবির,দৈনিক স্বাধীন ভোরের জাকির হোসেন,দৈনিক তৃতীয়মাত্রার রায়হান ছিদ্দিকী, বাংলা নিউজ টুয়েন্টিফোরের  জিসান আহম্মেদ রাব্বি,দৈনিক সমাজের চোখের  মারুফ ইসলাম, তরঙ্গ নিউজ ডট কমের নাজিম উদ্দীন জনি, দৈনিক ক্রাইম তালাশের শরিফুল ইসলাম,দৈনিক প্রভাতফেরির  শেখ মাসুদুর রহমান , দৈনিক বিশ্ব মানচিত্রের নূরে হাবিব, দৈনিক কালের বিবর্তনের  সাহিদুল ইসলাম শাহীন,দৈনিক প্রথম ভোরের সেলিম রেজা তাজ,দৈনিক দেশ বর্তমানের সোহাগ হোসেন,আনন্দ টিভির ক্যামেরাম্যান সংগ্রাম হোসেন বাবু,সময় টিভির ক্যামেরাম্যান প্রিন্স শাওন আহম্মেদ,দৈনিক আলোকিত সকালের কুরবান গাজী , মোস্তাফিজুর রহমান মারুফ, ইকবাল আমিন, টিটু মিলন, সাহিদ আতিকুজ্জামান রিমু, জমির হোসেন,রাকিব উদ্দীন,ইবাদুল্লাহ ইবাদত,আবু সাইদ শান্ত,রানা আহমেদ,কামাল হোসেন।

    প্রসঙ্গত, গত ৩১ ডিসেম্বর রাত সাড়ে ১১টার দিকে নড়াইল শেখ রাসেল সেতুর ওপর অজ্ঞাত সন্ত্রাসীদের হামলার শিকার হন সাংবাদিক সৈয়দ সজিবুর রহমান‌। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তিনি ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

  • শীতের রাতে ঘুরে ঘুরে কম্বল ও খাবার নিয়ে অসহায়দের বাড়িতে হাজির ইউএনও

    শীতের রাতে ঘুরে ঘুরে কম্বল ও খাবার নিয়ে অসহায়দের বাড়িতে হাজির ইউএনও

    ঝালকাঠি প্রতিনিধিঃ মোঃ নাঈম মল্লিক

    প্রতি নিয়ত অসহায়দের পাশে দাঁড়িয়ে দিনে দিনে মানুষের মন জয় করে চলেছেন ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা মো নজরুল ইসলাম।নাগরিকদের সেবায় অফিস করছেন সরকারি ছুটির দিন শুক্র শনিবারও।অনেক সময়ই দেখা যায় প্রতিদিনের মতো শুক্র বা শনিবারেও রাত দশটার পরেও অনেকেই হাজির হন কোনো কাগজ সত্যায়ন করতে,কিংবা জন্ম নিবন্ধন আবেদন নিয়ে।হাসিমুখে তাদের কাজগুলো করেও দেন তিনি।স্থানীয় একজন সেবা গ্রহিতা আ:কাদের হঠাৎ রাত দশটার পরে হাজির তার কাগজপত্র সত্যায়িত করার জন্য, পরের দিন সকালেই তাকে ঢাকা যেতে হবে।তাকে বিষয়ে জিজ্ঞেস করা হয়েছিলো এতো রাতে বুঝলেন কিভাবে যে ইউএনও অফিসে আছেন,মুচকি হেসে তিনি বললেন নলছিটির সবাই এখন জানে ইউএনওকে মোটামুটি ২৪ ঘন্টাই পাওয়া যায়।

    দাপ্তরিক কাজের বাইরেও নিয়মিত রাস্তাঘাট পরিদর্শন সহ অনেক সরকারি সহায়তা নিজেই গিয়ে পৌঁছে দেন উপকারভোগীদের কাছে।তেমনই গত শুক্র, শনিবারেও দেখা গেলো কনকনে শীতের রাতেও বাকি সব সময়ের মতো প্রকৃত অসহায়দের দুয়ারে দুয়ারে পৌঁছে দিচ্ছেন শীত বস্ত্র।এমনকি দাপ্তরিক নিয়মে যেই স্বাক্ষর অফিসে গিয়ে দিয়ে আসার কথা উপকারভোগীদের সেটিও তিনি নিয়ে এসেছেন সাথে করে যাতে দরিদ্র এই মানুষগুলো কস্ট করে অর্থ খরচ করে তার কাছে যেতে না হয়।

    ০৪ জানুয়ারি শনিবার রাতে ভূমিহীনদের জন্য নির্মিত সরকারি জামুরা আশ্রয়ন প্রকল্পে সরেজমিনে দেখা যায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব মো নজরুল ইসলাম তার কার্যালয়ের স্টাফদের নিয়ে নিজেই গিয়ে হাজির।

    তার এমন নিয়মিত মানবিক কাজ এখন নলছিটির অবহেলিত জনগোষ্ঠীর কাছে তাকে ব্যাপক জনবান্ধব কর্মকর্তা হিসেবে খ্যাতি এনে দিয়েছে।কিন্তু তাতেও কিছু অসাধু ব্যক্তির গা জ্বালা করছে।যেহেতু দীর্ঘদিন ধরে অনিয়মের মাধ্যমে ফাও খাওয়ার চর্চা বন্ধ হয়ে গেছে সেহেতু এখন তাদের অন্তর জ্বালা বেড়েছে বলেই ইউএনওর পেছনে লেগে আছেন বলে মন্তব্য করেছেন সুশিল সমাজের প্রতিনিধিরা।

    স্থানীয় সুশিল সমাজের প্রতিনিধি সমাজকর্মী বালী তূর্য বলেন,এটি কোনোভাবেই একজন সরকারি কর্মকর্তার জব রেস্পন্সিবলিটি নয়,তিনি চাইলেই এখন স্ত্রী সন্তানদের নিয়ে বিশ্রাম করতে পারতেন।কিন্তু তা না করে সারাদিন কাজের পরেও শীত বস্ত্র নিয়ে এসেছেন।এর আগেও শুনেছি তিনি সরকারি অনেক সহায়তা সরাসরি নিজেই বাড়ি বাড়ি গিয়ে বন্টন করছেন।এই কাজগুলো তার মানবিক কাজ।মাঠ প্রশাসনে এরকম আরও ভালো অনেক অফিসার আছেন এখনো।তাদেরকে অনুপ্রেরণা দেয়াটা সিভিলিয়ান হিসেবে আমাদের নৈতিক দায়িত্ব।তারপরেও অনেকেই সুশিক্ষার অভাবে কিংবা নিজের ভাগ না পেলেই বিলাই ব্যাজার হয়ে থাকে।তাতে খুব বেশি কিছু অবশ্য আসে যায় না,ভালো কাজ অব্যহত রাখা উচিৎ আল্লাহর জন্য বলেও জানান তিনি।এছাড়াও শুভেচ্ছা ও কৃতজ্ঞতা জ্ঞ্যাপন করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এবং তার স্টাফদের জন্য।

  • নওগাঁয় বিএনপির দুই নেতা সাময়িক বহিষ্কার

    নওগাঁয় বিএনপির দুই নেতা সাময়িক বহিষ্কার

    আব্দুল মজিদ মল্লিক, নিজস্ব প্রতিবেদক নওগাঁ: নওগাঁর পত্নীতলা উপজেলা বিএনপির দুই নেতাকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছে। তারা হলেন- পত্নীতলা উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক আনোয়ার হোসেন ও উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য মো. আবু তাহের চৌধুরী।

    শনিবার রাতে নওগাঁ জেলা বিএনপির সদস্য সচিব মো. বায়েজিদ হোসেন পলাশ স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
    বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড বাঁধাগ্রস্থ করা এবং কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্ত অবমাননা করে দলীয় শৃঙ্খলা পরিপন্থী কর্মকাণ্ডের সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকার অভিযোগে নওগাঁ জেলার পত্নীতলা উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক আনোয়ার হোসেন এবং উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য মো. আবু তাহের চৌধুরীকে দলের প্রাথমিক সদস্য পদসহ সকল পদ থেকে সাময়িক বহিষ্কার করা হলো।

    এ বিষয়ে নওগাঁ জেলা বিএনপির সদস্য সচিব বায়েজিদ হোসেন পলাশ জানান, কিছু দিন আগে আনোয়ার হোসেনকে উপজেলা বিএনপির কনভেনার পদ থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়। কিন্তু তারপরও তিনি বিভিন্ন জায়গায় তার দলীয় পদবি ব্যবহার করে চিঠি ও পরিচয় দিচ্ছে। একইসঙ্গে উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য মো. আবু তাহের চৌধুরীর বিরুদ্ধে দলের মধ্যে বিভাজন সৃষ্টির অভিযোগ উঠেছে। যার কারণে দলীয় নিয়ম অনুসারে তাদের সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।

    তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করে আনোয়ার হোসেন জানান, নিয়ম অনুযায়ী জেলা বিএনপির সদস্য সচিব বায়েজিদ হোসেন পলাশ তাকে বহিষ্কার করতে পারেন না। তার বিরুদ্ধে কোন অভিযোগ থাকলে তা কেন্দ্রীয় কমিটি বরাবর জানাতে পারে। আর শোকজ না করেই কিভাবে সাময়িক বহিষ্কার করা হলো তাও জানা নেই তার। তাছাড়া তার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগগুলো সত্য নয় বলে দাবি করেন তিনি।#

    আব্দুল মজিদ মল্লিক
    নওগাঁ।

  • সুনামগঞ্জে নবনিযুক্ত অতিরিক্ত পুলিশ সুপারের যোগদান

    সুনামগঞ্জে নবনিযুক্ত অতিরিক্ত পুলিশ সুপারের যোগদান

    কে এম শহীদুল সুনামগঞ্জ:
    সুনামগঞ্জে নবনিযুক্ত অতিরিক্ত পুলিশ সুপারের যোগদান হয়েছে। ৫ জানুয়ারি ২০২৫ ইং তারিখ সকাল ১০টায় সুনামগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে নবনিযুক্ত অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অর্থ ও প্রশাসন) তাপস রঞ্জন ঘোষ যোগদান করেছেন। এই সময় তাকে ফুল দিয়ে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান সুনামগঞ্জ জেলার পুলিশ সুপার আ.ফ.ম. আনোয়ার হোসেন খান, পিপিএম। এ সময় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) জাকির হোসাইন উপস্থিত ছিলেন।
    উল্লেখ্য, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার তাপস রঞ্জন ঘোষ এর আগে পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স, ঢাকায় কর্মরত ছিলেন। তিনি ৩০তম বিসিএস পরীক্ষার মাধ্যমে ২০১২ সালে সহকারী পুলিশ সুপার হিসেবে বাংলাদেশ পুলিশে যোগদান করেন।###