Author: desk

  • নলছিটিতে ”স্থায়ীত্বশীল তামাক নি/য়ন্ত্রণে সমন্বিত উদ্যোগে জরুরী” আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

    নলছিটিতে ”স্থায়ীত্বশীল তামাক নি/য়ন্ত্রণে সমন্বিত উদ্যোগে জরুরী” আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

    ঝালকাঠি প্রতিনিধিঃ মোঃ নাঈম মল্লিক

    বাংলাদেশ তামাক বিরোধী জোট , ওয়ার্ক ফর এ বেটার বাংলাদেশ ট্রাস্ট এর উদ্যোগে এবং দু:স্থ মানব উন্নয়ন সোসাইটি (দুমাউস) এর আয়োজনে ৬ জানুয়ারি মঙ্গলবার সকাল ১১ টায় ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলার মগড় ইউনিয়ন পরিষদ মিলনায়তনে স্থায়িত্বশীল তামাক নিয়ন্ত্রণে সমন্বিত উদ্যোগে জরুরী বিষয়ক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
    সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মগড় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান প্যানেল-১ মোঃ জামাল হোসেন ।
    বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মগড় ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মোঃ রুহুল আমিন ও পরিবার-পরিকল্পনার ইউনিয়ন পরিদর্শক মোঃ শহিদুল ইসলাম।
    এছাড়াও অন্যান্যর মধ্যে উপস্থিত ছিলেন দুমাউস’র ঝালকাঠি সদর শাখার ব্যবস্থাপক অশোক কুমার বড়াল, মগর ইউনিয়ন পরিষদের হিসাব সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর সাঈদা আক্তার সহ ইউপি সদস্যবৃন্দ ,উদ্যোক্তা ,চকিদার ,দফাদার ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
    সভায় সভাপতিত্ব করেন দুস্থ মানব উন্নয়ন সোসাইটি(দুমাউস) এর কো-অর্ডিনেটর আবুল হাসান।
    সভা সঞ্চালনা করেন দুমাউস’র প্রধান হিসাব রক্ষক ও অডিটর মোঃ আব্দুর রশিদ হাওলাদার।

  • ময়মনসিংহ প্রেসক্লাবের প্রহসনের নির্বাচন বন্ধের দাবীতে সাংবাদিকদের মানববন্ধন কর্মসূচী ঘোষণা

    ময়মনসিংহ প্রেসক্লাবের প্রহসনের নির্বাচন বন্ধের দাবীতে সাংবাদিকদের মানববন্ধন কর্মসূচী ঘোষণা

    স্টাফ রিপোর্টারঃ
    সংস্কার বিহীন ময়মনসিংহ প্রেসক্লাবের প্রহসনের নির্বাচন বন্ধের দাবীতে সাংবাদিকদের মানববন্ধন কর্মসূচী ঘোষণা করেছেন ময়মনসিংহ প্রেসক্লাব সংস্কার কমিটি বুধবার (৭ জানুয়ারী ২০২৬) তারিখে সকাল ১১ঃ৩০ ঘটিকায় জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সম্মুখে এ মানববন্ধন থেকে বৃহত্তর আন্দোলনের কর্মসূচী ঘোষণা করা হবে বলে জানিয়েছেন সাংবাদিক নেতবৃন্দ।

    মঙ্গলবার ০৬ জানুয়ারী ২০২৬ তারিখ সন্ধ্যা ৬ ঘটিকায় ৪৭ কাঁচারী রোডস্থ অস্থায়ী কার্যালয়ে ময়মনসিংহ প্রেসক্লাব সংস্কার কমিটির আহবায়ক আজগর হোসেন রবিন এর সভাপতিত্বে সদস্য সচিব শিবলী সাদিক খান এর সঞ্চালনায় আলোচনা করেন মুখ্য সংগঠক জহর লাল দে, মোঃ আরিফ রেওগীর, আলমগীর কবির উজ্জল খান, গোলাম কিবরিয়া পলাশ, সুমন ভট্টাচার্য এছাড়াও বক্তব্য রাখেন, যুগ্ম আহবায়ক ইউসুফ খান লিটন, আজাহারুল আলম, রোকসানা আক্তার ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন-তাসলিমা রত্মা, নিহার রঞ্জন কুন্ডু, এস.এম.কে মিজান, মোঃ আজাহারুল ইসলাম, আমিনুল ইসলাম, মামুনুর রশিদ মামুন, শিউলি রেখা, সেলিম সাজ্জাদ, জামাল উদ্দিন, এহতেশামুল আলম, ফয়েজ আল মামুন নেতৃবৃন্দ তাদের আলোচনায় গৃহীত সিদ্ধান্তে জানান যে ময়মনসিংহ প্রেসক্লাব সংস্কার কমিটির দেড় শতাধিক অধিকার বঞ্চিত সাংবাদিক দীর্ঘ ৪/৫ বৎসর যাবত ‘প্রেসক্লাব ফর প্রেসম্যান’’ করার জন্য পেশার দায়বদ্ধতা, স্বচ্ছতা, পেশাদারিত্ব নিশ্চিত করার জন্য অধিকার মর্যাদা আদায়ের লক্ষ্যে সংবাদ প্রতিবেদন, আন্দোলন-সংগ্রাম, মানববন্ধন ও ঘেরাও কর্মসূচীসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বরাবরে যৌক্তিক দাবী-দাওয়া উল্লেখ করে স্বারকলিপি প্রদান করা হলেও অদ্যাবধি ময়মনসিংহ প্রেসক্লাবের জেলা প্রশাসক সভাপতির পদ থেকে অব্যাহতি না নিয়ে নানা সুবিধা গ্রহনের জন্য এই পদটি আখড়ে ধরে রেখেছেন। মাঝে মধ্যে সমঝোতার আলোচনা উত্থাপন করে পেশাদার সাংবাদিকদের অধিকার মর্যাদা হতে বঞ্চিত করছেন।

    উপস্থিত সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ এর সুষ্ঠু সমধানের লক্ষ্যে ময়মনসিংহ প্রেসক্লাবের পেশাজীবী সংগঠনের পেশাদারিত্ব নিশ্চিত করতে সংস্কার কমিটি ইতিমধ্যে প্রেসক্লাবের নির্বাচনের পূর্বে পক্ষদ্বয়ের মধ্যে এডহক কমিটি গঠন, সাংবাদিকদের নামের তালিকা প্রণয়ন, খসড়া গঠনতন্ত্র প্রণয়ন ও সম্মিলিতভাবে সাধারণ সভা (এজিএম) অনুষ্ঠানের মাধ্যমে গঠনতন্ত্রের অনুমোদন, ভোটার তালিকা নিশ্চিত করে নির্বাচন অনুষ্ঠানের ইতিমধ্যে দাবী করা হয়েছে।

    এ বিষয়ে গত ০২ জানুয়ারী ২০২৫ তারিখে প্রেসক্লাব অবরোদ্ধ করা হলে জেলা প্রশাসন, পুলিশ, র‌্যাব সেনাবাহিনীর কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে দাবী দাওয়া মেনে নেওয়ায় সমঝোতার আশ্বাস প্রদান করা হলেও আজও তা বাস্তবায়ন হয়নি। সেই লক্ষ্যে আগামীকাল মানববন্ধন থেকে পরবর্তী বৃহত্তর কর্মসূচী গ্রহণের জন্য সভায় সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। কর্মরত সকল সাংবাদিকদের উক্ত মানববন্ধনে উপস্থিত থাকার আহবান জানানো হয়।

  • ফুলপুর উপজেলা পরিদর্শন করলেন জেলা প্রশাসক সাইফুর রহমান

    ফুলপুর উপজেলা পরিদর্শন করলেন জেলা প্রশাসক সাইফুর রহমান

    আরিফ রববানী ময়মনসিংহ।।
    ময়মনসিংহ জেলার প্রশাসনিক সেবাকে স্বচ্ছ ও দুর্নীতি মুক্ত করে জনকল্যাণে জনগণের দোরগোড়ায় পৌছে দিতে নিয়মিত বিভিন্ন উপজেলা প্রশাসনের কার্যক্রম পরিদর্শন করছেন জেলা প্রশাসক সাইফুর রহমান। সেই ধারাবাহিকতায় তিনি জেলার ফুলপুর উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের কার্যক্রম পরিদর্শন করেন।

    সোমবার (৫জানুয়ারী ) সকালে জেলা প্রশাসক ফুলপুর উপজেলায় পৌছলে তাকে ফুলের শুভেচ্ছায় বরণ করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাদিয়া ইসলাম সীমার নেতৃত্বে উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা কর্মচারীরা।

    পরে সেখানে তিনি বিভিন্ন রেজিস্টার নথিপত্র পর্যালোচনা করেন এবং সমস্যা চিহ্নিত করেন ও বিভিন্ন দিক নির্দেশনা প্রদান করেন। এসময় তিনি উপজেলা ভূমি অফিসের কর্যক্রম পরিদর্শনে গিয়ে অফিসের বিভিন্ন রেজিস্ট্রারসমূহ নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করেন এবং জনগণ যাতে দ্রুত ও সেবা-বান্ধব সেবা পায় তা নিশ্চিত করার নির্দেশনা দেন। তিনি ফুলপুর থানা পরিদর্শনে গেলে থানা অফিসার ইনচার্জ তাঁকে পুরো থানা প্রদর্শন করে দেখান এবং বিভিন্ন কার্যক্রম সম্পর্কে অবহিত করেন। জেলা প্রশাসক আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ করতে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় সেবার মান উন্নত রাখার পাশাপাশি জনগণ যেন কোনো ধরনের হয়রানির শিকার না হয়, সে বিষয়ে সতর্ক থাকার নির্দেশ দেন।

    পরিদর্শনকালে তিনি উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও ভোট কেন্দ্র পরিদর্শন ও ইমাদপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা বিষয়ে দিক নির্দেশনা এবং ফুলপুর পাইলট মডেল সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় পরিদর্শন করেন, সেখানে তিনি শিক্ষকদের সাথে মতবিনিময় করেন এবং শিক্ষার্থীদের জন্য অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত স্থাপনের আহ্বান জানান। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিভিন্ন ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ করেন এবং ক্লাস পরিদর্শনের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের শিক্ষার মান যাচাই করেন।

    পরিদর্শনকালে জেলা প্রশাসক নব-নির্মিত ফুলপুর উপজেলা পরিষদ গেইট এবং বাউন্ডারি ওয়ালের শুভ উদ্ভোধন করেন এবং উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের দু:স্থ এবং অসহায় ব্যক্তিদের মাঝে ত্রান ও দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয়ের আওতায় টিন বিতরণ করেন এবং আ” গু “নে পু ” ড়ে মৃ”ত্যু, পানিতে পড়ে মৃ” ত্যু এবং দুর্ঘ” ট “নায় মৃ” ত ব্যক্তির পরিবারকে ত্রান মন্ত্রণালয়ের আওতায় আর্থিক সহায়তা প্রদান করেন এবং বিভিন্ন দপ্তরের সরকারি কর্মকর্তাদের সাথে মতবিনিময় করেন। এ সময় জেলা প্রশাসক মহোদয় দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে নিষ্ঠার সাথে জনগণের সেবায় নিয়োজিত থাকার আহ্বান জানান।

    এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন, ফুলপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাদিয়া ইসলাম সীমা, ফুলপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোঃ শফিকুল ইসলাম, ফুলপুর থানার ওসি মোহাম্মদ রাশেদুল ইসমামসহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাবৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন।

  • আয়েশা মনিকে হ/ত্যার ঘটনায় দুইজন গ্রে/প্তার

    আয়েশা মনিকে হ/ত্যার ঘটনায় দুইজন গ্রে/প্তার

    রফিকুল ইসলাম, রাঙ্গাবালী
    পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলায় স্কুলছাত্রী আয়েশা মনি (১১) হত্যার ঘটনায় দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ধর্ষনের পরে শ্বাসরোধ করে হত্যা করার কথা গ্রেপ্তারদের একজন
    স্বীকার করেছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।

    পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তার ব্যক্তির নাম রুবেল প্যাদা (৩২)। তিনি নিহত আয়েশা মনির প্রতিবেশী চাচা। রুবেল প্যাদা সদর ইউনিয়নের মাঝ নেতা গ্রামের বাসিন্দা। তাঁর পিতার নাম কুট্টি প্যাদা। গতকাল রোববার (৪ জানুয়ারি) রাতে নিজ এলাকা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।

    প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে রুবেল প্যাদা হত্যার কথা স্বীকার করেছেন। একই সঙ্গে তিনি ঘটনায় জড়িত আরও একজনের নাম বলেন। পরে ওই ব্যক্তিকেও পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

    আজ সোমবার (৫ জানুয়ারি) সকাল ১১টার দিকে রুবেল প্যাদাকে রাঙ্গাবালী সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট চৌকি আদালতে পাঠানো হয়।

    রাঙ্গাবালী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. সেরাজুল ইসলাম বলেন, নিখোঁজের ঘটনায় আয়েশার বাবা শনিবার থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। জিডির ভিত্তিতে তদন্ত চালিয়ে রোববার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এরপর তথ্যপ্রযুক্তি ও বিভিন্ন সূত্রের তথ্য বিশ্লেষণ করে একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি আদালতে আরেক সহযোগীর নাম উল্লেখ করেছেন। তাকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

    ওসি আরও বলেন, আয়েশা মনিকে ধর্ষণের পরে হত্যা করা হয়েছে বলে স্বীকার করেছে রুবেল প্যাদা।

    এর আগে রোববার দুপুরে নিখোঁজের প্রায় ৪৩ ঘণ্টা পর রাঙ্গাবালী উপজেলার মাঝ নেতা গ্রামে আয়েশা মনির নিজ বাড়ির রান্নাঘর থেকে বস্তাবন্দী অবস্থায় তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

  • শীতার্তদের পাশে মা/নবিক এ্যাসিল্যান্ড শিবু দাস

    শীতার্তদের পাশে মা/নবিক এ্যাসিল্যান্ড শিবু দাস

    আলিফ হোসেন,তানোরঃ
    তীব্র শীত ও ঘন কুয়াশায় বিপর্যস্ত জনজীবনে অসহায় ও ছিন্নমূল মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন রাজশাহীর পুঠিয়া উপজেলার মানবিক সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও পুঠিয়া পৌর প্রশাসক শিবু দাশ। শীতের সকালে নিজ উদ্যোগে কম্বল নিয়ে পৌরসভার বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে শীতার্ত মানুষের হাতে শীতবস্ত্র তুলে দেন তিনি। সোমবার (৫ জানুয়ারি) সকাল ৬টা থেকে পুঠিয়া আড়ানী, রাজবাড়ী বাজার, কাঠালবাড়িয়াসহ পৌরসভার বিভিন্ন ওয়ার্ডে ঘন কুয়াশার মধ্যেই শীতার্তদের খোঁজখবর নেন এসিল্যান্ড শিবু দাশ। যাদের শীতবস্ত্রের সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন এমন গরিব, দুস্থ ও ছিন্নমূল মানুষদের বাছাই করে তাদের হাতে শীতবস্ত্র তুলে দেন তিনি। এসব শীতবস্ত্র সহায়তা পেয়ে শীতার্ত মানুষ আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন। কম্বল পেয়ে খুশি ভানু সরদার বলেন, এই শীতে কেউ খোঁজ নেয়নি। আজ এসিল্যান্ড স্যার নিজে এসে আমাদের হাতে কম্বল তুলে দিয়েছেন। এতে আমাদের খুব উপকার হয়েছে। রেহেনা বেওয়া বলেন, এই শীতের মধ্যে তিনি যেভাবে আমাদের পাশে দাঁড়িয়েছেন,আল্লাহ যেনো তার ভালো করেন।
    এ বিষয়ে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও পৌর প্রশাসক শিবু দাশ সুমিত বলেন, তীব্র শীত ও ঘন কুয়াশার কারণে সাধারণ মানুষ বিশেষ করে অসহায় দরিদ্র মানুষজন চরম কষ্টে আছে। সেই কষ্ট অনুভব করেই শীতের সকালে নিজে তাদের কাছে ছুটে গিয়েছি। রাস্তার পাশে ও গ্রামে থাকা প্রকৃত শীতার্ত মানুষদের খুঁজে খুঁজে কম্বল বিতরণ করা হচ্ছে। পর্যায়ক্রমে এ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। তিনি শীতার্তদের সহায়তায় সমাজের বিত্তবানদের এগিয়ে আশার আহবান জানান। সকলে যদি আমরা এসব অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াই তাহলে কষ্টে থাকা মানুষেরা উপকৃত হবেন। তাদের পাশে থাকা সকলে নৈতিক ও মানবিক দায়িত্ব বলেও জানান তিনি।#

  • পথে পথে শীতবস্ত্র নিয়ে ঘুরছেন মানবিক ইউএনও

    পথে পথে শীতবস্ত্র নিয়ে ঘুরছেন মানবিক ইউএনও

    আলিফ হোসেন,তানোরঃ
    সারা দেশের ন্যায় রাজশাহী অঞ্চলেও জেঁকে বসেছে শীত। সমাজের হতদরিদ্র শীতার্ত মানুষের শীত নিবারণের জন্য বিকেল থেকে রাতের আঁধারে, পথে-ঘাটে ও বাড়ি বাড়ি গিয়ে ছিন্নমূল, হতদরিদ্র গরিব মানুষদের মাঝে শীতের কম্বল (শীতবস্ত্র) বিতরণ করেছেন মানবিক
    পুঠিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) লিয়াকত সালমান। তার একাজে, সঙ্গে থেকে সহায়তা করছেন পুঠিয়া উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) মাহবুবা আক্তার। রোববার ও সোমবার বিকেল হতে গভীর রাত পর্যন্ত উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে ঘুরে বহু মানুষের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ করেন তিনি। শীতার্ত
    মানুষদের মাঝে শীতবস্ত্র দিয়ে সাধারণ মানুষের কাছে দারুণ ভাবে প্রশংসিত ও তার এ কাজে দু-হাত ভরে দোয়াও কুড়ালেন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) লিয়াকত সালমান। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) লিয়াকত সালমান বলেন, অনেক শীত পড়েছে, গরিব মানুষের অনেক কষ্ট হচ্ছে। সেই কষ্ট অনুভব করেই শীতের সকালে নিজে তাদের কাছে ছুটে গিয়েছি। রাস্তার পাশে ও গ্রামে থাকা প্রকৃত শীতার্ত মানুষদের খুঁজে খুঁজে কম্বল বিতরণ করা হচ্ছে। পর্যায়ক্রমে এ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। তিনি শীতার্তদের সহায়তায় সমাজের বিত্তবানদের এগিয়ে আশার আহবান জানান। সকলে যদি আমরা এসব অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াই তাহলে কষ্টে থাকা মানুষেরা উপকৃত হবেন। তাদের পাশে থাকা সকলে নৈতিক ও মানবিক দায়িত্ব বলেও জানান তিনি।#

  • খালেদা জিয়ার রুহের মা/গফিরাত কামনায় দুলাই ৯ নং ওয়ার্ড বিএনপির উদ্যোগে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

    খালেদা জিয়ার রুহের মা/গফিরাত কামনায় দুলাই ৯ নং ওয়ার্ড বিএনপির উদ্যোগে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

    এম এ আলিম রিপন,সুজানগর : দেশের গণতান্ত্রিক রাজনীতির শীর্ষ নেত্রী, সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    সুজানগর উপজেলার দুলাই ৯ নং ওয়ার্ড বিএনপি ও সহযোগী অঙ্গ সংগঠনের উদ্যোগে সোমবার এ দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।

    দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথি ছিলেন পাবনা-২ আসন থেকে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী, বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও সাবেক সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট এ.কে.এম সেলিম রেজা হাবিব।

    সুজানগর উপজেলা জিয়া মঞ্চের আহবায়ক আব্দুল মান্নান( বিএসসি) এর সভাপতিত্বে ও কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সাবেক সহ সম্পাদক মো: মাসুম বিল্লাহ এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত দোয়া মাহফিলে বিএনপি নেতা হাবিবুর রহমান মাস্টার, উপজেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটির সদস্য আবুল কালাম ফকির , উপজেলা শ্রমিকদলের সভাপতি আব্দুল মান্নান মোল্লা , বিএনপি নেতা বাদশা , সাহেব মাস্টার, উপজেলা যুবদলের যুগ্ন আহবায়ক এস এম রাসেল শেখ , ওয়ার্ড বিএনপি নেতা নজরুল শেখ, বিএনপি নেতা প্রভাষক আব্দুর রাজ্জাক মোল্লা , ছাত্রনেতা মো: রহমত উল্লাহ সহ স্থানীয় বিএনপি এবং সহযোগী অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীসহ বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ শরীক হন।

    দোয়া মাহফিল পূর্ববর্তীতে প্রধান অতিথি পাবনা-২ আসন থেকে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী, বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও সাবেক সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট এ.কে.এম সেলিম রেজা হাবিব বলেন, দেশ ও গণতন্ত্রের জন্য বেগম খালেদা জিয়ার ত্যাগ চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে।

    দোয়া মাহফিলে মরহুমা নেত্রীর আত্মার শান্তি কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়। মোনাজাতে অংশ নিয়ে বেগম খালেদা জিয়ার জন্য অশ্রু ঝরান দলীয় নেতা-কর্মীসহ সাধারণ মানুষ।

  • সংগ্রা-ম, সাফল্য ও গৌরবের ইতিহাস—সরকারি স্বরূপকাঠী পাইলট মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়

    সংগ্রা-ম, সাফল্য ও গৌরবের ইতিহাস—সরকারি স্বরূপকাঠী পাইলট মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়

    স্বরূপকাঠী সংবাদদাতা, (পিরোজপুর) প্রতিনিধি:

    একটি জনপদের শিক্ষা, সংস্কৃতি ও মানবিক চেতনার বিকাশে যে প্রতিষ্ঠানটি প্রায় এক শতাব্দী ধরে আলোকবর্তিকা হয়ে জ্বলে আছে, তা হলো সরকারি স্বরূপকাঠী পাইলট মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়। নানা ঘাত-প্রতিঘাত, সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা, প্রাকৃতিক দুর্যোগ, রাজনৈতিক আন্দোলন ও অর্থনৈতিক সংকট পেরিয়ে বিদ্যালয়টি আজও স্বমহিমায় দাঁড়িয়ে আছে—এটাই এর সবচেয়ে বড় সাফল্য।
    ১৯২৭ সালের ৪ জানুয়ারি স্বরূপকাঠীর বড় দত্ত বাড়িতে দত্ত মহাশয়দের উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত হয় এই বিদ্যাপীঠ।

    প্রতিষ্ঠার পর ১৯৪৬ সাল পর্যন্ত বিদ্যালয়টি সুনামের সঙ্গে পরিচালিত হলেও ১৯৪৬ সালের হিন্দু-মুসলিম দাঙ্গা ও ১৯৪৭ সালের দেশভাগের প্রভাবে শিক্ষা কার্যক্রম মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়। তৎকালীন পরিচালকদের অধিকাংশই ভারতে চলে গেলে ১৯৫২ সালে বিদ্যালয়টি সম্পূর্ণভাবে বন্ধ হয়ে যায়। পরিত্যক্ত অবস্থায় বিদ্যালয়ের আসবাবপত্র ও শিক্ষা উপকরণ লুটপাট হলেও দুটি ঘর কালের সাক্ষী হয়ে টিকে ছিল।

    এই সংকটময় সময়ে স্বরূপকাঠীর বাবু সুরেন্দ্রনাথ কর্মকার স্থানীয় জনগণকে সঙ্গে নিয়ে অন্তত একটি ঘর রক্ষা করেন এবং সেখানে প্রাথমিকভাবে শিক্ষাকার্যক্রম চালু রাখেন। তবে প্রকৃত অর্থে বিদ্যালয়ের পুনর্জন্ম ঘটে ১৯৫৮-৫৯ সালে। গাভা হাই স্কুলের শিক্ষক জগন্নাথকাঠীর আব্দুল ওয়াহাব ও সুটিয়াকাঠীর আব্দুর রউফ বিদ্যালয়টি পুনঃপ্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেন। তাঁদের আহ্বানে সাড়া দেন শ্রদ্ধেয় ডা. আব্দুল লতিফসহ এলাকার বহু গণ্যমান্য ব্যক্তি। শিক্ষক, যুবক, সরকারি কর্মকর্তা ও সাধারণ মানুষের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় ১৯৫৯ সালের ৪ জানুয়ারি মিলাদ মাহফিলের মাধ্যমে পুনরায় বিদ্যালয়ের যাত্রা শুরু হয়।

    প্রতিষ্ঠাকালীন প্রধান শিক্ষক ছিলেন মুহাম্মদ হাবীবুল্লাহ। বেঞ্চ-চেয়ার না থাকায় গাছতলায়, মাঠে, মণ্ডপে পাঠদান চলত—রবীন্দ্রনাথের শান্তিনিকেতনের আদলে। ছাত্রদের থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থা করা হতো স্থানীয় মানুষের বাড়িতে; ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাই সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেন। বিদ্যালয়ের ভিটা ভরাট, রাস্তা নির্মাণ, মাঠ উন্নয়ন—সবকিছুই হয়েছে শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসীর স্বেচ্ছাশ্রমে।
    শিক্ষার মানে বিদ্যালয়টি শুরু থেকেই এগিয়ে ছিল। ১৯৬১ সালে বিশেষ অনুমোদনে প্রথমবার ৯ জন শিক্ষার্থী এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয়। ১৯৬২ সালে ২৪ জনের মধ্যে ২২ জন এবং ১৯৬৩ সালে ১৬ জনের মধ্যে ১৪ জন শিক্ষার্থী উত্তীর্ণ হয়ে বিদ্যালয়ের সুনাম ছড়িয়ে দেয়।

    একই সঙ্গে সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডেও ছিল উজ্জ্বল উপস্থিতি—বিতর্ক, নাটক, সংগীত, নৃত্য ও কবিতায় বিদ্যালয়টি ছিল থানার মধ্যে অগ্রগণ্য।
    তবে সাফল্যের পথ মসৃণ ছিল না। পাশ্ববর্তী একটি বিদ্যালয়ের আপত্তি ও ধারাবাহিক তদন্তের কারণে দীর্ঘদিন সরকারি স্বীকৃতি পেতে বিলম্ব হয়। অবশেষে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের গভর্নর লে. জেনারেল আজম খানের নির্দেশে বিদ্যালয়টি স্বীকৃতি লাভ করে। এই তদবিরে অগ্রণী ভূমিকা রাখেন আব্দুল গণি সাহেবসহ একাধিক শুভানুধ্যায়ী।

    ১৯৬১ সালের ভয়াবহ ঘূর্ণিঝড়ে বিদ্যালয়ের ঘর বিধ্বস্ত হলেও স্বেচ্ছাশ্রমে তা পুনর্নির্মাণ করা হয়। ষাট ও সত্তরের দশকে ছয় দফা আন্দোলন, গণঅভ্যুত্থান ও মহান মুক্তিযুদ্ধে বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের সক্রিয় অংশগ্রহণ ছিল গৌরবের অধ্যায়। বহু শিক্ষার্থী মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিয়ে দেশের স্বাধীনতায় অবদান রাখেন।
    পরবর্তীকালে বিদ্যালয়টি মানবিক, বিজ্ঞান ও বাণিজ্য শাখা চালু করে। ১৯৭৭ সালে এটি পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয় এবং ২০১০ সালে পাইলট মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয় হিসেবে পরিচিতি পায়। অবশেষে ২০১৮ সালের ১১ অক্টোবর জাতীয়করণের মাধ্যমে “সরকারি স্বরূপকাঠী পাইলট মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়” নামে নতুন অধ্যায়ে প্রবেশ করে।

    ফলাফলের দিক থেকেও বিদ্যালয়টি ধারাবাহিক সাফল্য ধরে রেখেছে। বোর্ড মেধাতালিকায় স্থান, বুয়েট, মেডিকেল ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশের শীর্ষ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের ভর্তি—সবই এই বিদ্যালয়ের গৌরবময় অর্জন। ক্রীড়া, স্কাউটিং ও সহপাঠক্রমিক কার্যক্রমে জাতীয় ও বিভাগীয় পর্যায়ে অসংখ্য পুরস্কার অর্জিত হয়েছে।
    ২০২২ সালে নতুন কারিকুলাম বাস্তবায়নে দেশের ৬২টি পাইলট স্কুলের মধ্যে এই বিদ্যালয় স্থান পায়। একাধিক শিক্ষক জেলা পর্যায়ে মাস্টার ট্রেইনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। আধুনিক শিক্ষা, ডিজিটাল প্রযুক্তি ও সহপাঠক্রমিক কার্যক্রমে বিদ্যালয়টি এখনো অগ্রণী ভূমিকা রাখছে।

    বর্তমানে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও বিদ্যালয়ের সভাপতি অমিত দত্তের তত্ত্বাবধানে শিক্ষা ও অবকাঠামোগত উন্নয়ন কার্যক্রম চলমান। নতুন গেট, শহীদ মিনার, অসমাপ্ত একাডেমিক ভবন ও মাঠ সম্প্রসারণসহ নানা উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়নের প্রত্যাশা রয়েছে।
    প্রায় এক শতাব্দীর পথচলায় সরকারি স্বরূপকাঠী পাইলট মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি স্বরূপকাঠীর ইতিহাস, ঐতিহ্য ও মানুষের সম্মিলিত স্বপ্নের প্রতীক বিদ্যালয়টি,
    আগামি বছর ২০২৭ সালে শতবর্ষে পদার্পণ করবে সে উপলক্ষে বিদ্যালয়ের প্রাক্তন ছাত্রছাত্রী, অভিভাবক, প্রতিষ্ঠাতা পরিবার শুভাকাঙ্ক্ষীদের নিয়ে ঝাঁকজমকপূর্ণ ভাবে শতবর্ষ উদযাপন উপলক্ষে ব্যাপক প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে।

    আনোয়ার হোসেন।।

  • পাইকগাছায় জাতীয় পাখি দিবস পালিত

    পাইকগাছায় জাতীয় পাখি দিবস পালিত

    ইমদাদুল হক, পাইকগাছা (খুলনা)।।
    পাইকগাছায় জাতীয় পাখি দিবস পালিত হয়েছে। ৫ জানুয়ারি জাতিয় পাখি দিবস উপলক্ষে সোমবার ১২ টায় পরিবেশবাদী সংগঠন বনবিবির উদ্যেগে নতুন বাজারস্থ কার্যালয়ে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন, সংগঠনের সভাপতি সাংবাদিক ও কলামিস্ট প্রকাশ ঘোষ বিধান।
    আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন, অ্যাডভোকেট শফিকুল ইসলাম কচি। বিশেষ অতিথি ছিলেন, প্রেসক্লাব পাইকগাছা এর সাধারণ সম্পাদক এম এ জালাল উদ্দিন, সমাজ সেবক সাফিয়া আক্তার। বক্তৃতা করেন, সুমাইয়া ফারহানা, মেরিন জান্নাত, মাহি জান্নাত, অশিয়া জান্নাত, পরিবেশ কর্মী গনেশ দাস, শাহিনুর রহমান প্রমুখ।
    অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, বর্তমান বিশ্বের জলবায়ুর ব্যাপক পরিবর্তনের ফলে পাখিদের আবাসস্থল ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে। তাছাড়া ব্যাপকভাবে বৃক্ষ নিধন ও শিল্প-কলকারখানা বৃদ্ধি পাওয়ায় পাখিদের খাবার সংকট বাড়ছে। পাখির আবাসস্থলকে নিরাপদ রাখা ও বিচরণস্থল সংরক্ষণের জন্য পাখি সম্পর্কে জনসচেতনতা বাড়াতে হবে। পরিবেশ সুরক্ষায় পাখির গুরুত্ব অপরিসিম। পৃথিবীর ভারসাম্য রক্ষায় পাখি সংরক্ষণ করা একান্ত প্রয়োজন। অনুষ্ঠান শেষে পাখির বাসার জন্য এলাকার বিভিন্ন গাছে মাটির পাত্র- কাঠ ও টিনের তৈরি বাসা গাছে বেধে দেওয়া হয়।

    ইমদাদুল হক,
    পাইকগাছা খুলনা।

  • তীব্র শীত ও ঘন কুয়াশায় পাইকগাছায় বোরো আবাদ স্থ/বির হয়ে পড়েছে

    তীব্র শীত ও ঘন কুয়াশায় পাইকগাছায় বোরো আবাদ স্থ/বির হয়ে পড়েছে

    ইমদাদুল হক, পাইকগাছা (খুলনা)।।
    পাইকগাছায় তীব্র শীত ও ঘন কুয়াশার প্রভাবে স্থবির হয়ে পড়েছে বোরোর আবাদ। শীতে বোরোর বীজতলার চারা লাল হয়ে যাচ্ছে। বোরো ধানের চারা রোপণ ও বেড়ে ওঠায় বাধাগ্রস্থ হচ্ছে ফলে আবাদও ব্যাহত হচ্ছে। বীজতলা টিকিয়ে রাখতে কৃষকরা রীতিমত হিমশিম খাচ্ছে। বিকাল থেকে পরের দিন সকাল ৯টা পর্যন্ত পলেথিন বা ট্রিফল দিয়ে ঢেকে রেখে এবং পানি বদল করে বীজতলা বাঁচিয়ে রাখতে নানা চেষ্টা করছে।
    উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানাগেছে, চলতি বোরো মৌসুমে উপজেলার ৬ হাজার ১৭ হেক্টর জমিতে বোরো আবাদের লক্ষমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। আর ২৯৫ হেক্টর জমিতে বোরোর বীজতলা তৈরী হয়েছে। তীব্র শীতের মধ্যে কৃষকরা বোরো আবাদ শুরু করেছে।
    জলবায়ু ও আবহাওয়ার পরিবর্তনের কারণে উপকূল অঞ্চলের কৃষি কাজ এক থেকে দেড়মাস পরে শুরু হচ্ছে। এর ফলে অন্য এলাকার সাথে উপকূলীয় এলাকার চাষাবাদ ব্যবধান তৈরী হচ্ছে। সব মৌসুমেই দেরিতে শুরু হচ্ছে। এখনো আমন ধান কর্তন চলছে। ধান কাটার পর এসব ক্ষেত বোরো আবাদের জন্য প্রস্তুত করা হবে। তাছাড়া বৈরী আবহাওয়ার সাথে মোকাবেলা করে ফসল লাগাতে হয়।
    উপজেলার পুরাইকাটী ব্লাকের কৃষক ফারুক হোসেন বালেন, তীব্র শীত ও কুয়াশায় ধানের চারা লাল হয়ে মরে যাচ্ছে। পলিথিন দিয়ে ঢেকে, পানি বদলসহ নানা রকম পরিচর্যা করে বীজতলা টিকিয়ে রাখতে হিমশিম খেতে হচ্ছে।
    এ ব্যাপারে উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ মোঃ একরামুল হোসেন জানান, আমন ধান কাটতে দেরি হওয়ায় বীজ তলা তৈরি দেরি হয়েছে। আগাম তৈরি বীজ তলার কোন ক্ষতি হয়নি তবে তীব্র শীতের ১০-১৫ দিনের মধ্যে যে সকল কৃষক বীজ তলা তৈরি করছে তাদের বীজ কিছুটা ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। তীব্র শীত ও কুয়াশার কারণে কৃষকদের বীজতলা ঢেকে রাখার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। তাছাড়া প্রতিদিন সকাল বিকাল পানি বদল করার জন্য বলা হয়েছে। তীব্র শীত কমলে বোরোর চারা রোপন করার জন্য কৃষকদের পরামর্শ দেওয়ার পাশাপাশি কৃষি অফিস থেকে সব রকম সহযোগিতা করা হচ্ছে।