Author: desk

  • বেগমগঞ্জে পুলিশ ও সেনাবাহিনীর যৌথ অভিযানে অ-স্ত্র ও গু-লি উদ্ধার, আটক-২

    বেগমগঞ্জে পুলিশ ও সেনাবাহিনীর যৌথ অভিযানে অ-স্ত্র ও গু-লি উদ্ধার, আটক-২

    রফিকুল ইসলাম সুমন
    (নোয়াখালী)
    নোয়াখালীর পুলিশ সুপার মোঃ আব্দুল্লাহ্‌-আল ফারুকের প্রয়োজনীয় দিক-নির্দেশনা এবং অফিসার ইনচার্জ, বেগমগঞ্জ মডেল থানার লিটন দেওয়ানের সার্বিক তত্ত্বাবধানে বেগমগঞ্জ মডেল থানার এসআই (নিরস্ত্র) কুতুব উদ্দিন খান লিয়ন সঙ্গীয় এএসআই (নিরস্ত্র) মোঃ দেলোয়ার হোসেন ও সঙ্গীয় ফোর্স এবং সেনাবাহিনীর যৌথ টহল টিম সহ ১০/০১/২০২৫খ্রিঃ তারিখ বিকাল ১৫.৪৫ ঘটিকার সময় বেগমগঞ্জ মডেল থানাধীন ৫নং ছয়ানী ইউনিয়নের বড় মেহেদীপুর সাকিনস্থ জনৈক হাফেজের মেহেগুনী বাগানের ভিতর অভিযান পরিচালনা করে আসামী ১। নাজমুল ইসলাম রাসেল (২৬), পিতা-আব্দুল মান্নান, মাতা-রাসেদা বেগম, সাং-ভবানী জীবনপুর (মন্নান হুজুরের নতুন বাড়ী), ৩নং ওয়ার্ড, ৫নং ছয়ানী ইউপি, ২। নুর মোহাম্মদ বাবুল (২৫), পিতা-মৃত নুরুল ইসলাম, মাতা-শিরিন আক্তার,
    সাং-তালিবপুর (গনক বাড়ি), ৬নং ওয়ার্ড, ৫নং ছয়ানী ইউপি, উভয় থানা,বেগমগঞ্জ,জেলা-নোয়াখালীদ্বয়কে গ্রেফতার করেন। এসময় আসামীদ্বয়ের হেফাজত হতে ০১টি বিদেশী পিস্তল, ০১টি দেশীয় এলজি, ০১ রাউন্ড পিস্তলের গুলি ও ০৪ রাউন্ড কার্তুজ উদ্ধারপূর্বক জব্দ করা হয়। প্রাথমিক অনুসন্ধানে উক্ত আসামীদ্বয় এলাকায় বিভিন্ন সময় অস্ত্র প্রদর্শন করে নিজেদের আধিপত্য বিস্তারসহ সন্ত্রাসী কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে মর্মে জানা যায়। ঘটনার বিষয়ে বেগমগঞ্জ মডেল থানায় নিয়মিত মামলা রুজু করা হয়েছে।

  • শীতার্ত দরিদ্র জনগোষ্ঠীর পাশে দাঁড়ানোর জন্য সমাজের বিত্তশালী  ব্যাক্তিদের আহবান -মাইমুনুল ইসলাম মামুন

    শীতার্ত দরিদ্র জনগোষ্ঠীর পাশে দাঁড়ানোর জন্য সমাজের বিত্তশালী ব্যাক্তিদের আহবান -মাইমুনুল ইসলাম মামুন

    পটিয়া সংবাদদাতা।। চট্টগ্রামের পটিয়ায় এ.জে. ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে শীতার্ত দরিদ্র জনগোষ্ঠীর মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয়েছে। 
    শুক্রবার (১০ জানুয়ারি) বিকেলে হাইদগাঁও কাজী পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে বিএনপি নেতা বদিউর রহমান সওদাগরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এ.জে. ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান এম মাইমুনুল ইসলাম মামুন। এ-সময় অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন,
    বিএনপি নেতা আরিফ মিয়া,জসিম উদ্দিন,আবুল হোসেন, মামুনুর রশিদ মামুন শেখ, জাহাঙ্গীর আলম,নাছির উদ্দিন, শামীম বেলাল,মো. সেলিম মেম্বার, কামাল আবদুল, কাজী নুরুল আমিন, মহি উদ্দিন,আজাদ হাসান রিপন, নুর মিয়া, বাদশা মিয়া,শাহেদ, 
    মিজানুর রহমান,হারুনুর রশিদ, সজীব, রাকিব, সাগর,সাকিব, নয়ন প্রম নেতা 

    শীতবস্ত্র বিতরণকালে প্রধান অতিথি এম মাইমুনুল ইসলাম মামুন বলেন, গ্রামগঞ্জে শীতবস্ত্রহীন মানুষগুলো বড় কষ্ট করে অতিবাহিত করে শীতার্ত প্রহর। শীত গরীবের কাছে অত্যন্ত দুর্ভোগ ও বিড়ম্বনার। ঠাণ্ডায় প্রাণহানিও শীতকালের নিত্যনৈমিত্তিক ঘটনা। জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে প্রাকৃতিক দুর্যোগের নতুন মাত্রা যোগ করেছে শৈত্যপ্রবাহ। শীতের আগমন যেন গরিবের জন্য অভিশাপ। শীত আসার সঙ্গে সঙ্গে বেড়ে যায় এসব মানুষের বেঁচে থাকার সংগ্রাম। একটি কাঁথা কিংবা কম্বল দিয়ে শীত নিবারণ করা যেন তাদের কাছে অনেক কিছু। তিনি শীতার্ত দরিদ্র জনগোষ্ঠীর পাশে দাঁড়ানোর জন্য সমাজের বিত্তশালী
    ব্যাক্তিদের আহবান জানান।

  • গোদাগাড়ীতে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর মাঝে রুগ্ন গরু বিতরণ

    গোদাগাড়ীতে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর মাঝে রুগ্ন গরু বিতরণ

    আলিফ হোসেন,
    তানোর(রাজশাহী)প্রতিনিধিঃ
    রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে ক্ষুদ্র নৃ-জনগোষ্ঠীর মাঝে নিম্নমানের রুগ্ন
    ষাঁড় (বাছুর) গরু বিতরণের অভিযোগ উঠেছে।উপকার ভোগীদের অভিযোগ
    সরকার নির্ধারিত টেন্ডারের সিডিউল অনুযায়ী গরু না দিয়ে গরিবের হক মেরে বাণিজ্য করা হয়েছে।
    জানা গেছে,সমতল ভূমিতে বসবাসরত অনগ্রসর ক্ষুদ্র নৃ-জনগোষ্ঠীর আর্থ-সামাজিক ও জীবন মানোন্নয়নের লক্ষ্যে গত বৃহস্পতিবার গোদাগাড়ী উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর ও ভেটেনারি হাসপাতাল প্রাঙ্গনে প্রাণিসম্পদ দপ্তর সমন্বিত প্রাণিসম্পদ উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় ১১১জন উপকার ভোগীর মাঝে তুষার এন্টারপ্রাইজ নামের একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান থেকে সরবরাহকৃত নিম্নমানের ও বেশকিছু রোগাক্রান্তসহ ১১১টি ষাড় (বাছুর) গরু বিতরণ করা হয়েছে। এতে ব্যাপক অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন, গোদাগাড়ী উপজেলার উপকারভোগী ক্ষুদ্র নৃ-জনগোষ্ঠীর মানুষ।
    এদিকে অভিযোগের প্রেক্ষিতে তুষার এন্টারপ্রাইজ নামে ওই ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের স্বত্তাধিকারী জাকারিয়ার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে গণমাধ্যম কর্মীদের উপস্থিতি টের পেয়ে তার পাঠানো লোকজন কৌশলে সটকে পড়েন।
    অপরদিকে টেন্ডারের সিডিউল অনুযায়ী গরুর বয়স দেড় বছর এবং ওজন ৮০ কেজি থাকতে হবে।কিন্তু সরবরাহকৃত অধিকাংশ গরুর বয়স এক বছরেরও কম এবং ওজন মাত্র ৪০ থেকে ৫০ কেজি ও রুগ্ন নিন্মমানের হওয়ার বিষয়টির কিছুটা শিকার করেন উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ শায়লা শারমিন।
    এদিকে রুগ্ন ও নিম্নমানের এসব গরু তড়িঘড়ি বিতরণের মাধ্যমে গরিবের হক মেরে বানিজ্যে করা হয়েছে। অবৈধ বাণিজ্য নির্বিঘ্ন করতে গণমাধ্যম কর্মীদেরও অবগত করেনি সংশ্লিষ্টরা। এ ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি ভুক্তভোগীদের।এবিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা ডা,শায়লা শারমিন বলেন,অভিযোগ পুরোটা সত্যি নয়।এবিষয়ে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স তুষার এন্টারপ্রাইজের দায়িত্বশীল কারো কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।#

  • রংপুরে বিএনসিসি’র এক্স ক্যাডেটস্ মিলনমেলা-২০২৫ অনুষ্ঠিত

    রংপুরে বিএনসিসি’র এক্স ক্যাডেটস্ মিলনমেলা-২০২৫ অনুষ্ঠিত

    ।।গোলাম মোস্তফা রাঙ্গা।।

    ১০ জানুয়ারি শুক্রবার বাংলাদেশ এক্স ক্যাডেটস এসোসিয়েশন (বেকা) রংপুর ইউনিট-এর আয়োজনে কারমাইকেল কলেজ রংপুরের বাংলা মঞ্চে দিনব্যাপী এক্স ক্যাডেটস্ মিলনমেলা-২০২৫ অনুষ্ঠিত হয়। এ উপলক্ষে সকাল ১০টায় বর্ণাঢ্য র‌্যালি কলেজ ক্যাম্পাসের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে। এরপর বেকা রংপুরের সভাপতি এক্স সিইউও মোঃ রকিবুস সুলতান মানিকের সভাপতিত্বে আলোচনা অনুষ্ঠান শুরু হয়। আলোচনা অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ এক্স ক্যাডেটস্ এসোসিয়েশন (বেকা)-এর জাতীয় নির্বাহী পরিষদের মূখপাত্র ও যুগ্ম মহাসচিব মোঃ মাহবুব আলম। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন কারমাইকেল কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান; উপাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. রেহেনা খাতুন; রংপুর সরকারী কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক মোঃ ইসমাইল হোসেন সরকার; বাবর সু এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও বেকা রংপুরের উপদেষ্টা মোঃ সাকিল আহম্মেদ; চ্যালেন আই ও সমকাল পত্রিকার রংপুর অফিস প্রধান ও বেকা রংপুরের উপদেষ্টা মেরিনা লাভলী; বেকা রংপুরের সহ-সভাপতি মোঃ তানবীর হোসেন আশরাফীসহ অনেকেই। এরপর স্মৃতিচারণ ও মুক্ত আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। এসময় নতুন কর্যকরী কমিটির নাম ঘোষণা করা হয়। নতুন কার্যকরী কমিটিতে সভাপতি হন রংপুর বিভাগের সর্বপ্রথম ক্যাডেট আন্ডার অফিসার মোঃ রকিবুস সুলতান মানিক ও সাধারণ সম্পাদক হন এক্স সিইউও রেজাউল হক রেজা।

    সবশেষে প্রাক্তন ক্যাডেট আন্ডার অফিসার মোঃ আসাদুজ্জামান বাতেনের সঞ্চালনায় মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। এতে সঙ্গীত পরিবেশন করেন বিশিষ্ট সঙ্গীত শিল্পী পল্লবী সরকার। অন্যদের মধ্যে সঙ্গীত পরিবেশন করেন বেকা রংপুরের সভাপতি মোঃ রকিবুস সুলতান মানিক, রংপুর বেগম রোকেয়া কলেজ বিএনসিসির প্রাক্তন ক্যাডেট সার্জেন্ট বেকা রংপুরের উপদেষ্টা বর্তমান চ্যানেল আই ও দৈনিক সমকাল পত্রিকার রংপুর প্রতিনিধি মেরিনা লাভলী সহ অনেকেই। কৌতুক অভিনয় করেন রংপুর কারমাইকেল কলেজ বিএনসিসি’র প্রাক্তন ক্যাডেট আন্ডার অফিসার ও বর্তমান আনসার ভিডিপি’র হিসাবরক্ষক গোলাম মোস্তফা রাঙ্গা।

  • গৃহবধূ থেকে আপসহীন নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া

    গৃহবধূ থেকে আপসহীন নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া

    আলিফ হোসেন,তানোরঃ
    বাংলাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে জীবন্ত কিংবদন্তি নেতৃত্ব সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া। দলের ভিতর এবং বাইরের নানা ষড়যন্ত্র, অপপ্রচার, প্রতিহিংসা ও গুজবের বহু অন্ধকার গলিতেও তিনি পথ হারাননি এবং গতানুগতিক রাজনীতির স্রোতে গা ভাসিয়ে দেননি।নিজস্ব, স্বকীয়তা ব্যক্তিত্ব সম্পন্ন অমায়িক ব্যবহার ও প্রচণ্ড সাহসী নেতৃত্বের লৌহমানব গৃহবধু থেকে তৃণমুলের রাজনীতির সীমানা অতিক্রম করে ধীরে ধীরে গণমানুষের আকাঙ্ক্ষার নেতৃত্ব হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। তার প্রতি সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষের হৃদয় নিংড়ানো ভালোবাসার যে বহিঃপ্রকাশ তাতে তিনি না চাইলেও দেশের আমজনতা, দলের তৃণমুল নেতা ও কর্মী-সমর্থকগণ তাকেই তাদের নেতা হিসেবে বেছে নিয়েছেন। কারণ সাধারণ মানুষের নিখাদ ভালবাসার চেয়ে বড় কোন শক্তি নাই।

    জানা গেছে, সাধারণ গৃহবধূ থেকে রাজনীতিতে যোগ দিয়ে স্বৈরাচার এরশাদবিরোধী আন্দোলনের মাধ্যমে আপোসহীন নেত্রীতে পরিণত হয়েছিলেন খালেদা জিয়া। তিনবারের প্রধানমন্ত্রী ও দুইবারের বিরোধীদলীয় নেতা খালেদা জিয়া ওয়ান-ইলেভেনের সময় গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। দেশ ছাড়ার জন্য চাপ থাকলেও দেশ ছাড়েননি তিনি।
    এদিকে এরপর বিগত ১৫ বছর আওয়ামী লীগের শাসনামলে নির্যাতনের শিকার হয়েছিলেন তিনি। জেলও খাটতে হয়েছে তাকে। কিন্তু আপোস করেননি। কারাগারে থাকাবস্থায় খালেদা জিয়াকে স্লো পয়জনিং করে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দেওয়া হয়েছিল বলেও অভিযোগ করেছিল বিএনপি নেতারা। তবুও তিনি নতিস্বীকার করেননি। আওয়ামী লীগ আমলে তাকে মুক্তি দিয়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশে পাঠানোর জন্য বিএনপি ও তার পরিবারের পক্ষ থেকে বারবার আবেদন জানানো হলেও তাতে সরকার সাড়া দেয়নি। সর্বশেষ আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর গত ৬ আগস্ট রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন তাকে মুক্তি দেন। মুক্তি পাওয়ার পর পরিবার ও তার দল বিএনপি তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশে নেওয়ার প্রস্তুতি শুরু করে।
    জানা গেছে, ১৯৮১ সালের ৩০ মে রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে যখন হত্যা করা হয় তখন বেগম খালেদা জিয়া ছিলেন নিতান্তই একজন গৃহবধূ। দুই সন্তানকে নিয়ে তখন ঢাকা সেনানিবাসে অবস্থান করছিলেন খালেদা জিয়া। রাজনৈতিক দল হিসেবে বিএনপি তখন বিপর্যস্ত এবং দিশেহারা। জিয়াউর রহমানের পরে দলের হাল কে ধরবেন সেটি নিয়ে নানা আলোচনা চলতে থাকে।
    এদিকে ১৯৮২ সালের ২ জানুয়ারি খালেদা জিয়া বিএনপির প্রাথমিক সদস্য হিসেবে যোগ দেন। বছর খানেক যেতে না যেতেই নিজের রাজনৈতিক প্রজ্ঞায় প্রশংসা অর্জন করেন। পরের বছর মার্চে তিনি দলটির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান পদোন্নতি পান। এক মাস পর ১ এপ্রিল তিনি দলের বর্ধিত সভায় প্রথম বক্তৃতা করেন। বিচারপতি আব্দুস সাত্তার অসুস্থ হলে তিনি ১৯৮৪ সালের ১২ জানুয়ারি দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারপার্সন এবং একই বছরের ১০ মে চেয়ারপার্সন পদে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন। ১৯৯৩ সালে ১ সেপ্টেম্বর দলের চতুর্থ কাউন্সিলে দ্বিতীয়বার, ২০০৯ সালের ৮ ডিসেম্বর পঞ্চম জাতীয় কাউন্সিলে তৃতীয়বার এবং ২০১৬ সালের ১৯ মার্চ দলের দশম কাউন্সিলে চতুর্থবারের মতো বিএনপির চেয়ারপার্সন হন।
    এদিকে বিএনপির দায়িত্ব নেওয়ার পরই নানা প্রতিকূলতার মুখে পড়েন খালেদা জিয়া। দল ঐক্যবদ্ধ রেখে এরশাদের স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে আন্দোলন গড়ে তোলেন। এরশাদের শাসনের বিরুদ্ধে কোনো রকম সমঝোতা না করেই আপোসহীন আন্দোলন করে গেছেন। ফলে এরশাদের পতন ত্বরান্বিত হয়। ১৯৮৭ সাল থেকে খালেদা জিয়া ‘এরশাদ হটাও’ এক দফার আন্দোলন শুরু করেন। একটানা নিরলস ও আপোসহীন সংগ্রামের পর ১৯৯১ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত সংসদ নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায় বিএনপি। বেগম খালেদা জিয়া ১৯৯১ সালে জামায়াতে ইসলামীর সমর্থনে প্রথমবারের মতো দেশের প্রধানমন্ত্রী পদে নির্বাচিত হন। এরপর ১৯৯৬ সালে ১৫ ফেব্রুয়ারি দ্বিতীয়বার ও ২০০১ সালে জোটগতভাবে নির্বাচন করে তৃতীয়বারের মতো প্রধানমন্ত্রী হন তিনি।
    অন্যদিক বেগম খালেদা জিয়া দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থায় (সার্ক) দুবার চেয়ারপার্সনের দায়িত্ব পালন করেন। নির্বাচনের ইতিহাসে খালেদা জিয়ার একটি অনন্য রেকর্ড হচ্ছে- পাঁচটি সংসদ নির্বাচনে ২৩ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে সব কটিতেই তিনিই জয়ী হয়েছেন।

    সেনাসমর্থিত ওয়ান ইলেভেনের তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে খালেদা জিয়াকে ২০০৭ সালের ৩ সেপ্টেম্বর গ্রেপ্তার করা হয়। দীর্ঘদিন কারাবাসের পর তিনি আইনি লড়াই করে সব কটি মামলায় জামিন নিয়ে মুক্তি পান। কারাগারে থাকাকালে তাকে বিদেশে নির্বাসনে পাঠানোর চেষ্টা করা হয়। কিন্তু তিনি যেতে অস্বীকার করেন।

    আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এলে ২০১০ সালের ১৩ নভেম্বর খালেদা জিয়া ক্যান্টনমেন্টের বাড়ি থেকে উচ্ছেদ হন। তার অভিযোগ, বলপ্রয়োগে তাকে বাসা থেকে বের করে দেওয়া হয়। তিনি ওই বাড়িটিতে ২৮ বছর ছিলেন। জিয়াউর রহমান নিহত হওয়ার পর তৎকালীন রাষ্ট্রপতি আব্দুস সাত্তার সেনানিবাসের বাড়িটি তার নামে বরাদ্দ দিয়েছিলেন।

    বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে ৩৭টি মামলা হয়েছিল। জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট ও জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলায় তার সাজা হয়েছিল। গত ৬ আগস্ট সরকারের নির্বাহী আদেশে তার সাজা মওকুফ করা হয়। একই সঙ্গে গত ২৭ নভেম্বর জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলায় তিনি খালাস পান।

    জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় সাজার বিরুদ্ধে আপিলের ওপর শুনানি চলছে। সাজা মওকুফের পরও কেন আপিলের উদ্যোগ এমন প্রশ্নে তার আইনজীবীরা বলেন, বিএনপি চেয়ারপার্সন আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তিনি এসব মামলা আইনিভাবে মোকাবিলা করে খালাস পেতে চান।

    এরশাদবিরোধী আন্দোলনে ১৯৮৩ সালের ২৮ নভেম্বর, ১৯৮৪ সালের ৩ মে, ১৯৮৭ সালের ১১ নভেম্বর খালেদা জিয়া গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। ২০০৭ সালের ৩ সেপ্টেম্বর গ্রেপ্তার হয়ে পরের বছর ১১ সেপ্টেম্বর তিনি হাইকোর্টের আদেশে মুক্তি পান। দেশের রাজনীতির ইতিহাসে বেগম খালেদা জিয়া একমাত্র নেতা যিনি কখানো কোনো চাপের কাছে নতিস্বীকার না করে আপোষহীন থেকে আপোষহীন নেতার স্বীকৃতি অর্জন করেছেন।

  • স্বরূপকাঠি পৌরসভার সাবেক মেয়র শফিকুল ইসলাম ফরিদ এর মেয়ে ফারজানা ইসলাম কলির ইন্তেকাল

    স্বরূপকাঠি পৌরসভার সাবেক মেয়র শফিকুল ইসলাম ফরিদ এর মেয়ে ফারজানা ইসলাম কলির ইন্তেকাল

    স্বরূপকাঠি উপজেলা প্রতিনিধি//

    স্বরূপকাঠি পৌর সভার সাবেক মেয়র ও পৌর বিএনপির আহবায়ক মো. শফিকুল ইসলাম ফরিদের কন্য ও দৈহারি ইউনিয়নের চীলতলা গ্রামের বিমান বাহিনীর কর্মকর্তা মিরাজ মাহমুদ এর স্ত্রী ফারজানা ইসলাম কলি বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ছয়টায় ঢাকা সিএমএইচে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেন (ইন্নলিল্লাহে……রাজেউন)। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৩২ বছর। মৃত্যুকালে স্বামী এক কন্যা,পিতা মাতা সহ বহু আত্মীয় স্বজন রেখে গেছেন।

    তার জানাযায় পিরোজপুর জেলা বিএনপির আহবায়ক উপাধ্যক্ষ মো. আলমগীর হোসেন, স্বরূপকাঠি উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও উপজেলা বিএনপির আহবায়ক ওয়াহিদুজ্জামান ওয়াহিদ, কাউখালী উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও উপজেলা বিএনপির আহবায়ক এস এম আহসান কবির সহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ সহ এলাকাবাসী জানাযায় শরীক হন।

    শুক্রবার সকাল দশটায় সরকারী স্বরূপকাঠি পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে জানাযা শেষে তার পিত্রালায়াস্ত পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়।

  • তানোরে হাজী সাহেবের বাসর রাতে বউ উধাও

    তানোরে হাজী সাহেবের বাসর রাতে বউ উধাও

    আলিফ হোসেন,তানোরঃ
    রাজশাহীর তানোরে বাসর রাতে বউ উধাও হয়েছে।উপজেলার কামারগাঁ ইউনিয়নের (ইউপি) ছাঐড় গ্রামে এই ঘটনা ঘটেছে।এদিকে এখবর ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
    স্থানীয় সুত্রে জানা গেছে,ছাঐড় গ্রামের মৃত হাজী মছির উদ্দিনের পুত্র হাজী আবুল কাশেম দুই সন্তানের জনক।কিন্ত্ত প্রথম স্ত্রীর সঙ্গে তার বিবাহ বিচ্ছেদ হয়েছে। তার প্রথম স্ত্রীর বাড়ি সাবাইহাট।
    এদিকে উপজেলার হরিপুর গ্রামের ঘটক জনৈক নজরুল ও ফয়েজ উদ্দিনের প্রলোভনে পড়ে হাজী আবুল কাশেম দ্বিতীয় বিবাহ করেন। গত ৮ জানুয়ারী বুধবার উপজেলার কলমা ইউনিয়ন (ইউপি) এলাকার ঝিঁকড়া গ্রামের জনৈক ব্যক্তির কন্যার সঙ্গে দ্বিতীয় বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয় হাজী আবুল কাশেম।এদিন দিবাগত রাতে বাসর ঘরে আবুল কাশেম তার স্ত্রীর হাতে দেনমোহরের ৪০ হাজার টাকা তুলে দেন।এসময় তার স্ত্রী টাকা নিয়ে প্রকৃতির ডাকে সাড়া দেবার কথা বলে ঘরের বাইরে এসে দেনমোহরের ৪০ হাজার, তার পকেটের ৪ হাজার টাকা ও দুটি মুঠোফোন নিয়ে নিরুদ্দেশ হয়েছে।বাসর রাতে বউ হারিয়ে হাজী প্রচন্ড হতাশ হয়ে পড়েছে।
    এদিকে গ্রামবাসি বলছে,কথিত ঘটকেরা এ ঘটনার সঙ্গে সম্পৃক্ত রয়েছে।তারা হাজীর টাকা আত্মসাতের উদ্দেশ্যে তাদের পচ্ছন্দের মেয়ের সঙ্গে হাজীর বিবাহ দিয়ে টাকা-পয়সা নিয়ে তাকে পালিয়ে যেতে সহযোগীতা করেছে।

  • হামলা-মামলা-হয়রানি বন্ধের দাবিতে আগামীকাল  রংপুরে বিভাগীয় সাংবাদিক সমাবেশ

    হামলা-মামলা-হয়রানি বন্ধের দাবিতে আগামীকাল রংপুরে বিভাগীয় সাংবাদিক সমাবেশ

    খলিলুর রহমান খলিল, নিজস্ব প্রতিনিধিঃ
    সাংবাদিক দম্পতি সাগর-রুনি হত্যাকাণ্ড, ২৪-এর ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানে শহীদ পাঁচ সাংবাদিকসহ দেশের সব সাংবাদিক হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু তদন্ত করে বিচার ও কর্মক্ষেত্রে নিরাপত্তা নিশ্চিত এবং হামলা, মামলা, হয়রানি বন্ধের দাবিতে রংপুরে বিভাগীয় সমাবেশের আয়োজন করেছে রংপুর সাংবাদিক ইউনিয়ন (আরপিইউজে)।

    শনিবার (১১ জানুয়ারি) ঐতিহাসিক রংপুর টাউন হল অডিটোরিয়ামে বেলা ১১টায় এই বিভাগীয় সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে। সমাবেশ থেকে সাইবার নিরাপত্তা আইনসহ গণমাধ্যমের স্বাধীনতাবিরোধী সব নিবর্তনমূলক আইন বাতিল, সাংবাদিক সুরক্ষা আইন প্রণয়ন, ফ্যাসিবাদমুক্ত গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠার দাবি তোলা হবে জানিয়েছেন আয়োজকরা।

    সমাবেশের উদ্বোধন করবেন ২৪-এর জুলাই বিপ্লবে শহীদ সাংবাদিক তাহির জামান প্রিয়র মা ও জুলাই স্মৃতি ফাউন্ডেশনের সদস্য শামসি আরা জামান কলি। এতে প্রধান অতিথি থাকবেন বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের (বিএফইউজে) ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ওবায়দুর রহমান শাহিন।

    প্রধান বক্তা হিসেবে থাকবেন বিএফইউজের মহাসচিব কাদের গণি চৌধুরী। বিশেষ অতিথি থাকবেন বিএফইউজের সহকারী মহাসচিব ড. সাদিকুল ইসলাম স্বপন ও সাংগঠনিক সম্পাদক এরফানুল হক নাহিদ, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের (ডিইউজে) সভাপতি শহিদুল ইসলাম, বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার (বাসস) পরিচালনা পর্ষদ সদস্য মমতাজ শিরিন ভরসা।

    সমাবেশে সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন রংপুর বিভাগীয় কমিশনার শহিদুল ইসলাম, রংপুর রেঞ্জ ডিআইজি আমিনুল ইসলাম, রংপুর মহানগর পুলিশ কমিশনার মজিদ আলী, রংপুরের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রবিউল ফয়সাল এবং রংপুরের পুলিশ সুপার আবু সাইম।

    সমাবেশে আরও বক্তব্য দেবেন জাতীয়, বিভাগীয় ও স্থানীয় পর্যায়ের সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ। সভাপতিত্ব করবেন রংপুর সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি সালেকুজ্জামান সালেক। পুরো সমাবেশটি সঞ্চালনা করবেন ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক সরকার মাজহারুল মান্নান।

    সমাবেশে রংপুর বিভাগের আট জেলাসহ সব উপজেলা থেকে বিভিন্ন গণমাধ্যমে কর্মরত সাংবাদিকরা অংশ নেবেন। আয়োজকরা বলছেন, হাজারো সাংবাদিকের মিলনমেলায় প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া বিভাগীয় সাংবাদিক সমাবেশ সফল হতে যাচ্ছে।

    এদিকে সমাবেশ সফল করতে সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে জানিয়ে সাংবাদিক সমাবেশ বাস্তবায়ন কমিটির সদস্য সচিব বাদশাহ্ ওসমানী বলেন, এটাই রংপুর বিভাগে প্রথম কোনো সাংবাদিকদের অধিকার নিয়ে সমাবেশ অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। সমাবেশ ঘিরে গণসংযোগ, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রস্তুতি সভাসহ প্রচার-প্রচারণা শেষ পর্যায়ে। পোস্টার, লিফলেট ও ব্যানারও লাগানো হয়েছে। এখন নগরীতে মাইকিং চলছে।

    তিনি আরও বলেন, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর সাংবাদিকদের মধ্যে যে কোনো সময়ের চেয়ে এখন বেশি অধিকার সচেতনতা দেখা যাচ্ছে। আমরা বিশ্বাস করি, নিজেদের অধিকার আদায়ে সাংবাদিকরা সোচ্চার হয়েছে। আমাদের এই সমাবেশ হবে দেশের সব সাংবাদিকদের অধিকার আদায়ের অনুপ্রেরণার একটা অংশ।

    রংপুর সাংবাদিক ইউনিয়নের (আরপিইউজে) সাধারণ সম্পাদক সরকার মাজহারুল মান্নান বলেন, নিজেদের প্রয়োজনে, নিজেদের অধিকার আদায়ের বড় সুযোগ এসেছে। এখনই সময় সাংবাদিকদের অধিকার বুঝে নেওয়ার। আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি, একটি সফল বিভাগীয় সাংবাদিক সমাবেশ আয়োজনের। যেখানে সাংবাদিকরা নিজেদের অধিকারের কথা বলবেন।

  • রাঙ্গাবালীতে মান্তা সম্প্রদায় শীতার্তদের মাঝে কম্বল বিতরণ

    রাঙ্গাবালীতে মান্তা সম্প্রদায় শীতার্তদের মাঝে কম্বল বিতরণ

    রফিকুল ইসলাম
    পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালীতে আইপিডিসি ফাইন্যান্স লিমিটেড-এর আর্থিক সহযোগিতায় অরাজনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নমূলক সংগঠন ধ্রুবতারা ইয়ূথ ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশন (ডিওয়াইডিএফ)-এর উদ্যোগে অসহায়, দরিদ্র শীতার্ত মান্তা সম্প্রদায়ের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয়েছে।
    অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো নৈতিক দায়িত্ব। দরিদ্র অসহায় মানুষেরা দেশ ও সমাজের অংশ। তাই সমাজের বিত্তশালীসহ সকলের উচিত গরিব সুবিধা বঞ্চিত মানুষের পাশে দাড়াঁনো। শীত বস্ত্র বিতরণ শুধুমাত্র অসহায় মানুষের প্রতি করুণা নয়, তাদের পাশে দাঁড়ানো নৈতিক দায়িত্ব। হৃদয়ের মানবতাবোধকে জাগ্রত করে সমাজের সকল সুবিধা বঞ্চিত মানুষের জন্য কাজ করা উচিত। এমনটাই মনে করে ধ্রুবতারা ইয়ূথ ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশন (ডিওয়াইডিএফ)।
    বৃহস্পতিবার (৯ ডিসেম্বর) দুপুরে উপজেলার চরমোন্তাজ ইউনিয়ন আশ্রয়ণ প্রাঙ্গণে অসহায় দরিদ্র আশ্রয়ণ প্রকল্পে ও নৌকায় বসবাসরত মান্তা সম্প্রদায় মানুষের মাঝে কম্বল বিতরণ করে ধ্রুবতারা ইয়ূথ ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশন (ডিওয়াইডিএফ)।
    এ সময় উপস্থিত ছিলেন ধ্রুবতারার বরিশাল বিভাগীয় কমিটির সভাপতি ফারহানা মিশু টুম্পা, পটুয়াখালী জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক আসাদুল্লাহ হাসান মুসা, রাঙ্গাবালী উপজেলা কমিটির শিহাবুর রহমান নিয়াম।
    আরো উপস্থিত ছিলেন, সেচ্ছাসেবী যুব সংগঠন সাগরকন্যা যুব উন্নয়ন ফোরাম-এর সভাপতি আবিদ হাসান হিরন, সাংগঠনিক সম্পাদক ইকবাল হাসান, সহ-সভাপতি মেহেদী হাসান শুভ, সদস্য তাসিন আহম্মেদ মুসা, সাকিব আল হাসানসহ আরো অনেকে।

  • নুনখাওয়া ইউপি চেয়ারম্যান আ’লীগ নেতা তাই ক্ষমতার দাপটে দুর্নীতি-লুটপাট

    নুনখাওয়া ইউপি চেয়ারম্যান আ’লীগ নেতা তাই ক্ষমতার দাপটে দুর্নীতি-লুটপাট

    এম এস সাগর,
    কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি:

    নাগেশ্বরীর নুনখাওয়া ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ও নুনখাওয়া ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলাম আওয়ামী লীগের ক্ষমতার দাপটে গত ৪আগস্ট ২০২৪খ্রিঃ কুড়িগ্রাম জেলা শহরের ঘোষপাড়ায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার জমায়েতের ওপর দেশীয় অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা হামলা চালায় এবং আমিনুল ইসলাম হামলার ঘটনায় জ্বড়িত থাকার পরেও অজ্ঞাত কারণে এলাকায় দাপটের সাথে চলছেন। হামলার ঘটনায় জেলা যুবদলের সদস্য আবু তাহের মেছবা বাদী হয়ে গত ১৩সেপ্টেম্বর আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসংগঠনের ৮৫ জন নেতাকর্মীর নাম উল্লেখ করাসহ অজ্ঞাত ১০০-১৫০ নেতাকর্মীকে আসা‌মি ক‌রে মামলা করেন।

    প্রভাব-বিস্তার: কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলার নুনখাওয়া ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আমিনুল ইসলাম দীর্ঘদিন থেকে আওয়ামীলীগ নেতার ক্ষমতার দাপটে এলাকায় প্রভাব বিস্তার করে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন (তৃতীয় দফায়) গত ২৮নভেম্বর ২০২১সালে নুনখাওয়া ইউপি চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত হয়েই মাত্র এক বছরের ব্যবধানে ইউনিয়ন কে গড়ে তোলেন সন্ত্রাস ও অনিয়মের স্বর্গরাজ্য।

    অনুসন্ধানে আরও জানা গেছে, নাগেশ্বরী উপজেলার নুনখাওয়া ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ও নুনখাওয়া ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলাম দীর্ঘ ১২বছর থেকে আওয়ামী লীগের দাপট দেখিয়ে ইউনিয়ন পরিষদের বরাদ্দকৃত গ্রামীণ আবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্প, অতিদরিদ্রদের জন্য কর্মসৃজন কর্মসূচি, জেলা ও উপজেলা পরিষদের বরাদ্দকৃত প্রকল্প এবং ইউএনও অফিসের উন্নয়ন ফান্ডের প্রকল্পসহ বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচির রাস্তা নির্মাণে নানা অনিয়মসহ বর্তমানে ভিজিডির কার্ড প্রদানে অর্থ হাতিয়ে অভিযোগ উঠেছে। এমনকি আওয়ামীলীগ নেতার দাপটে ইউনিয়নে সন্ত্রাসী কার্যক্রম চালিয়ে আমিনুল ইসলাম কোটি টাকার সম্পদ গড়েছেন।
    ২০২১-২২অর্থ বছরে নুনখাওয়া ইউনিয়নে অতিদরিদ্রদের জন্য কর্মসংস্থান কর্মসূচি প্রকল্পে ৩৪৩জন সুবিধাভোগীর নাম তালিকায় অর্ধশত ব্যক্তিই স্বচ্ছল ও চেয়ারম্যানের স্বজন। ৪০দিনে নাম রয়েছে বর্তমান ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামীলীগ নেতা ও ইউনিয়ন চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলামের দুই ভাই হাবিবুল ও পল্লী চিকিৎসক মোহাম্মদ আলীসহ আত্মীয়ের শতাধিক নাম ব্যবহার করে কিন্তু এদের কেউ কখনো কাজ না করলেও কাগজে কলমে ৬০দিনের কাজ দেখিয়ে জনপ্রতি ৪০০টাকা হারে দিনমজুরির টাকা মোবাইল সিমকার্ড নিজের কাছে রেখে সেই টাকা উত্তোলন করেন। তিনি চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ার পর থেকে সবকটি ৪০দিনের প্রকল্প লুটপাটসহ নুনখাওয়া ইউনিয়ন পরিষদের বরাদ্দকৃত গ্রামীণ আবকাঠামো কবিখা, কাবিটা, টিআর, ননওয়েজ ও বিভিন্ন ঌ উন্নয়ন প্রকল্প, বন্যা কবলিতের ত্রাণের অর্থ আত্মসাত, দুই ঈদে দরিদ্রদের ভিজিএফের চাল আত্মসাত এবং জেলা ও উপজেলা পরিষদের বরাদ্দকৃত প্রকল্প এবং ইউএনও অফিসের উন্নয়ন ফান্ডের প্রকল্পসহ বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচির রাস্তা নির্মাণে নানা অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। অপরদিকে বর্তমানে এক বছরের বরাদ্দকৃত ভিজিডির কার্ড প্রদানে জনপ্রতি ৫ থেকে ৬হাজার টাকা হাতিয়ে অভিযোগ করেন স্থানীয়রা।

    বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি (ডাব্লুএফপি) অর্থায়নে ও আরডিআরএস বাংলাদেশ কুড়িগ্রাম তত্ত্বাবধায়নে নুনখাওয়া ইউনিয়ন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি ইউপি চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলাম নিজেই নীতিমালা আমান্য করে গঙ্গাধর নদীর পাড় ঘেঁষে চর কাপনা বাজার থেকে ৭নং ওয়ার্ডের আতাউরের দোকান পর্যন্ত ২হাজার ৬৪০মিটার রাস্তা ৮৯লাখ ৬৭হাজার ৮৫৩টাকা বরাদ্দে কাঁচা রাস্তা দ্রুত তৈরি করেছেন। রাস্তা তৈরীকালে রাস্তা সংলগ্ন ড্রেজার মেশিন দিয়ে বালু মাটি উত্তোলন করে সেখানে রাস্তা তৈরী করেছেন এবং লোক দেখানো পিচ্ছি ভেকু মেশিন দিয়ে কাঁচা রাস্তার কিছু অংশে দুই ধারে বালু মাটি দিয়ে দ্রুত শেষ করেন। এদিকে রাস্তার উপরে মানুষের চলাচলে রাস্তার ভরাট বালু পার্শ্বের গর্তে পড়ে যাচ্ছে। রাস্তার স্লোপ না দিয়ে খাড়া রাস্তা তৈরী করে রাস্তার বালুর উপরে হাফ ইঞ্চি মাটির প্রলেপ দেয়া সহ রাস্তা রক্ষার্থে বরাদ্দকৃত জিও ব্যাগে মাটি মিশ্রিত বালু ভরাট করে অগোছালোভাবে রাস্তার পাড়ে বসাচ্ছেন অদক্ষ শ্রমিক। জনগণের অবগত করণের স্বার্থে রাস্তায় কাজের সকল তথ্য বিতরনীর ডিজিটাল সাইনবোর্ড দেওয়া হলেও প্রকল্প সভাপতি আমিনুল ইসলাম রাতারাতি সাইনবোর্ড সড়িয়ে ফেলেন।

    নুনখাওয়া ইউনিয়নের চরাঞ্চলের জিয়াউর হক, আফতারুজ্জামান, রনি, মাইদুল ইসলাম, মজনু মিয়াসহ অনেকে বলেন, নুনখাওয়া ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ও নুনখাওয়া ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলাম গত ৪আগস্ট ২০২৪খ্রিঃ কুড়িগ্রাম জেলা শহরের ঘোষপাড়ায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার জমায়েতের ওপর হামলা চালান। আমিনুল ইসলাম দীর্ঘদিন থেকে আওয়ামীলীগ নেতা ও চেয়ারম্যানের ক্ষমতার দাপটে মাত্র এক বছরের ব্যবধানে ইউনিয়ন কে গড়ে তোলেন সন্ত্রাস ও অনিয়মের স্বর্গরাজ্য। চেয়ারম্যানের অত্যাচারে আমরা অতিষ্ঠ। প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।

    নুনখাওয়া ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ও নুনখাওয়া ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলামের সাথে মুঠোফোনে রিপোর্টারের পরিচয় দিলে তিনি ব্যস্ত আছেন বলে ফোন কেটে দেন।

    উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সিব্বির আহমেদ বলেন, অভিযোগ পেলাম তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।