Author: desk

  • রংপুরে কবি লেখক আকতারুজ্জামান সুলতান  স্মরণ এ আলোচনা, দোয়া, কবিতা পাঠ অনুষ্ঠিত

    রংপুরে কবি লেখক আকতারুজ্জামান সুলতান স্মরণ এ আলোচনা, দোয়া, কবিতা পাঠ অনুষ্ঠিত

    রংপুর থেকে বিভাগীয় প্রতিনিধি আবু নাসের সিদ্দিক তুহিন।

    সাফল্য সাহিত্য সংস্কৃতি পরিবার বাংলাদেশ এর সাংগঠনিক সম্পাদক গাইবান্ধা জেলার পলাশবাড়ী উপজেলার বাসিন্দা সদ্য প্রয়াত কবি লেখক আকতারুজ্জামান সুলতান স্মরণ এ আলোচনা সভা, কবিতা পাঠ ও দোয়া অনুষ্ঠিত।
    গতকাল শুক্রবার ২৩ জানুয়ারি রংপুর এ সাফল্য সাহিত্য সংস্কৃতি পরিবার বাংলাদেশ এর সভাপতি নাসরিন নাজ এর সভাপতিত্বে আলোচনা ও কবিতা পাঠ করেন দৈনিক যুগের আলো পত্রিকার প্রকাশক ও সম্পাদক মমতাজ শিরিন ভরসা বাংলাদেশ বেতার রংপুরের আব্দুর রহিম, রংপুর বিভাগের এডিশনাল ডিআইজি কবি আব্দুর রাজ্জাক, কবি আনিসুল হক,কবি শোয়েব দুলাল ,ড.অখিল পোদ্দার,কবি এমাদ উদ্দিন আহমেদ,কবি আহসানুল হাবিব মন্ডল, কবি আহসান হাবিব রবু,কবি ফাহমিদা আফরোজ, কবি সরকার অভি, মাহমুদুল ইসলাম আকাশ, কবি জিয়াউল আলম ফারুকী, কবি ছলিমা হোসেন পপি, কবি সুফি জাহিদ হোসেন, কবি এটিএম মোর্শেদ,কবি ইরশাদ জামিল, কবি জুলফিকার আরাফাত পরশ, কবি নুসরাত উপমা,ডা. মুইদুল ইসলাম, কবি খেয়ালী মোস্তফা, কবি নাজিরা পারভীন, কবি দেলোয়ার হোসেন রংপুরী, সুবর্ণা মুস্তাফা, মেঘলা আক্তার, শাম্মি আক্তার রুপা, কবি আনজুমান আরা, কবি শরিফ-উর-রহমান, কবি মুসাফা আখতার বানু, কবি সৈকত হাবিব, কবি মোস্তাক আহম্মেদ, কবি আলমগীর হোসেন, কবি নাজিরা জাহান, প্রমুখ।
    প্রয়াত কবি আকতারুজ্জামান সুলতান এর বিদেহী আত্মার শান্তি কামনায় দোয়া পরিচালনা করেন সাফল্য সাহিত্য সংস্কৃতি পরিবার বাংলাদেশ এর রংপুর বিভাগীয় কমিটির সভাপতি ইন্জিনিয়ার দেলোয়ার হোসেন রংপুরি।
    সঞ্চালনা করেন সাফল্য সাহিত্য সংস্কৃতি পারিবার বাংলাদেশ এর সাধারণ সম্পাদক লেখক সাংবাদিক আবু নাসের সিদ্দিক তুহিন।

  • তানোরে জামায়াতের নির্বাচনী জ-নসভা

    তানোরে জামায়াতের নির্বাচনী জ-নসভা

    আলিফ হোসেন,তানোরঃ
    রাজশাহীর তানোরে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মুন্ডুমালা পৌর শাখা ও সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে মুন্ডুমালা পৌর জামায়াতের আমীর অধ্যাপক আনোয়ার হোসেন আমিরের সভাপতিত্বে এবং মুন্ডমালা পৌর জামায়াতের সেক্রেটারি রুহুল আমিন ও সানাউল্লাহ’র সঞ্চালনায় মুন্ডুমালা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় চত্ত্বরে আয়োজিত নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন রাজশাহী-১ আসনে জামায়াতের মনোনীত প্রার্থী (প্রতিক দাঁড়ি পাল্লা) দলের নায়েবে আমির ও সাবেক সাংসদ অধ্যাপক মুজিবুর রহমান।
    বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী জেলা জামায়াতের আমীর আব্দুল খালেক, সেক্রেটারি মোলাম মোর্তুজা, রাজশাহী জেলা আদর্শ শিক্ষক ফেডারেশনের সভাপতি ড.ওবায়দুল্লাহ, রাজশাহী জেলা মসজিদ মিশন বিষয়ক সভাপতি অধ্যাপক জামিলুর রহমান, জামায়াতের পশ্চিম জেলা সাবেক আমির মাওলানা আমিনুল ইসলাম,
    তানোর উপজেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা আলমগীর হোসের, সেক্রেটারি ডিএম আক্কাস আলী দেওয়ান, উপজেলা জামায়াতের নায়েবে আমির আনিসুর রহমান, তানোর উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস-চেয়ারম্যান আব্দুর রহিম মোল্লা, ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয় শিবিরের সাবেক সভাপতি মাইনুল ইসলাম।অন্যান্যদের মধ্যে আরো উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী জেলা শ্রমিক কল্যান ফেডারেশনের সহকারী সেক্রেটারি আব্দুল কাদের, পাঁচন্দর ইউপি আমির মাওলানা জুয়েল রানা,
    বাধাইড় ইউপি আমির মাইনুল ইসলাম, মুন্ডমালা কামিল মাদ্রাসার সাবেক সহকারী অধ্যাপক ইব্রাহিম, রাজশাহী জেলা ছাত্রশিবির সভাপতি আব্দুল মমিন, রাজশাহী জেলা ছাত্রশিবির সাবেক সভাপতি রমজান আলী, তানোর উপজেলা ছাত্রশিবির সাবেক সেক্রেটারি জিয়াউর রহমান, বক্তব্য রাখেন তানোর উপজেলা হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ ও যুবলীগ নেতা দেবনন্দ বর্মন ও তানোর গোল্লা পাড়া বাজার মন্দির কমিটির নেতা দর্শনাথ দাস প্রমুখ। এছাড়াও স্থানীয় জামায়াত ও সহযোগী সংগঠনের বিপুল সংখ্যক নেতা ও কর্মী-সমর্থকদের পাশাপাশি বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।
    এদিকে একইদিন এর আগে নেতাকর্মীদের নিয়ে সকাল থেকে বিকাল পর্যন্ত এবং সন্ধ্যার পর থেকে রাত পর্যন্ত জামায়াতের এমপি প্রার্থী অধ্যাপক মজিবুর রহমান কলমা, বাধাইড়, মুন্ডমালা পৌরসভা এবং পাঁচন্দর ইউপির বিভিন্ন গ্রাম পাড়া- মহল্লার বাড়ি বাড়ি এবং হাট বাজারের দোকানপাটে গিয়ে ভোটারদের কাছে ভোট প্রার্থনা করেন।#

  • সুন্দরবন র-ক্ষায় নেছারাবাদে বনজীবিদের সঙ্গে প্লাস্টিক পলিথিন দূ-ষণ প্রতি-রোধে দক্ষতা উন্নয়ন কর্মশালা।

    সুন্দরবন র-ক্ষায় নেছারাবাদে বনজীবিদের সঙ্গে প্লাস্টিক পলিথিন দূ-ষণ প্রতি-রোধে দক্ষতা উন্নয়ন কর্মশালা।

    নেছারাবাদে সংবাদদাতা, পিরোজপুর।

    সুন্দরবনের জীববৈচিত্র্যকে রক্ষা এবং বনাঞ্চলের নাজুক পরিবেশকে প্লাস্টিক–পলিথিন দূষণের ভয়াবহতা থেকে বাঁচাতে নেছারাবাদে বনজীবিদের নিয়ে দক্ষতা উন্নয়ন কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার বেলা ১১টায় উপজেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা রূপান্তর এর আয়োজনে এ গুরুত্বপূর্ণ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

    সভায় সভাপতিত্ব করেন ইয়ুথ ফর দ্য সুন্দরবন নেছারাবাদ উপজেলা শাখার আহ্বায়ক সুর্বনা আক্তার। মো. হারিসুল ইসলামের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন সহকারী কমিশনার ভুমি মোঃ রায়হান মাহমুদ, কর্মশালায় আরো বক্তব্য রাখেন রূপান্তর পিরোজপুর জেলা প্রজেক্ট অফিসার শাহিদা বানু সোনিয়া, নেছারাবাদ উপজেলা সুন্দরবন জার্নালিস্ট ফোরামের আহ্বায়ক মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন।

    এ সময় ৩৫ জন বনজীবি ও ইয়ুথ ফর দ্য সুন্দরবন সদস্যরা সক্রিয়ভাবে অংশ নেন। বক্তারা বলেন, প্লাস্টিক ও পলিথিনের অনিয়ন্ত্রিত ব্যবহার সুন্দরবনের নদী, খাল, চরাঞ্চল ও বন্যপ্রাণীর জীবনকে সবচেয়ে বেশি ঝুঁকির মধ্যে ফেলছে। পলিথিন সরাসরি বন্যপ্রাণীর খাদ্যগ্রহণে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে এবং নদীর পানি দূষিত হয়ে মাছসহ জলজ সম্পদ ধ্বংস হচ্ছে।

    বক্তারা আরও বলেন, সুন্দরবনের সঙ্গে জড়িত বনজীবিরাই পরিবেশ রক্ষার প্রথম সারির সৈনিক। তাদের সচেতনতা ও অভিজ্ঞতা মাঠপর্যায়ে প্লাস্টিক দূষণ প্রতিরোধে বড় ভূমিকা পালন করতে পারে। সভায় অংশগ্রহণকারীরা সুন্দরবনকে প্লাস্টিকমুক্ত রাখতে স্থানীয়ভাবে কঠোর নজরদারি, বর্জ্য কমানোর উদ্যোগ ও বিকল্প ব্যবহার প্রচারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

    সভা শেষে বনজীবিদের সক্রিয় অংশগ্রহণে স্থানীয় পর্যায়ে প্লাস্টিক–পলিথিন বর্জ্য হ্রাসে যৌথ উদ্যোগ গ্রহণের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

    নেছারাবাদ সংবাদদাতা, পিরোজপুর।

  • ক্ষমতায় গেলে ইন-সাফ ভিত্তিক সমাজ গড়ে তোলা হবে — ডা.শফিকুর রহমান

    ক্ষমতায় গেলে ইন-সাফ ভিত্তিক সমাজ গড়ে তোলা হবে — ডা.শফিকুর রহমান

    জি.এম স্বপ্না,সিরাজগঞ্জ :
    পথসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমান বলেন, আমরা ক্ষমতায় গেলে ইনসাফ ভিত্তিক সমাজ গড়ে তোলা হবে, দেশের কোথাও চাঁদাবাজদের স্থান হবে না। একটি নতুন বাংলাদেশ গড়ে তুলবো। পাশাপাশি মেধাবীদের মেধা বিকাশে রাষ্ট্র সার্বক্ষণিক সহযোগী হিসেবে কাজ করবে।
    আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর অধ্যাপক শাহজাহান আলীর সভাপতিত্বে এক বিশাল নির্বাচনী পথসভা অনুষ্ঠিত হয়। শনিবার (২৪ জানুয়ারি) বিকেলে উল্লাপাড়া পৌরশহরের সরকারি আকবর আলী কলেজের খেলার মাঠে এ পথসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে ডা. শফিকুর রহমান এসব কথা বলেন।
    তিনি আরও বলেন, ব্যক্তি বা প্রতীক নয়, আদর্শই হবে আগামী দিনের পথচলার মূল ভিত্তি। ‘হ্যাঁ’ ভোটের অর্থ হলো অন্যায়ের কাছে মাথা নত না করা এবং কোনো চোখ রাঙানিকে ভয় না পাওয়া।
    আগামী দিনে আমরা দেশ পরিচালনার দায়িত্ব পেলে, চাঁদাবাজি থাকবে না, দূর্নীতি থাকবে না,  বিচারের নামে তামাশা থাকবে না। বিচার হবে নির্যাতিত মানুষের জন্য।
    জামায়াতে ইসলামী উল্লাপাড়া উপজেলার সেক্রটারী খাইরুল ইসলামের সঞ্চালনায় এ সময় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে রাখেন সিরাজগঞ্জ-৪, উল্লাপাড়া আসনের বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত প্রার্থী ও কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা মোঃ রফিকুল ইসলাম খাঁন।
    মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান বলেন, আমরা লড়াই সংগ্রাম করে নতুন বাংলাদেশ পেয়েছি। নতুন বাংলাদেশে আর কোন স্বৈরাচার দেখতে চাই না। সবাই মিলে আমরা এদেশকে ঢেলে সাজাবো।পথসভায় আরও বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ড. হেলাল উদ্দিন, ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় অফিস সম্পাদক নুর মোহাম্মদ মন্ডল, সলঙ্গা থানা জামায়াতের আমীর রাশেদুল ইসলাম শহিদ, উল্লাপাড়া উপজেলা জামায়াতের সাবেক আমির ড. মাওলানা নজরুল ইসলাম, উপজেলা জামায়াতের সাবেক সাধারণ সম্পাদক খায়রুল ইসলাম, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের উল্লাপাড়া উপজেলা আমীর মাওলানা শামীম আহমেদ, উপজেলা শিবিরের সভাপতি হাফেজ জাকারিয়া হোসাইন, সলঙ্গা থানা শিবিরের সভাপতি মহসিন আলম প্রমুখ।

  • শিক্ষা,স্বাস্থ্য-নারীর ক্ষমতায়নসহ ময়মনসিংহ-৪ আসনে জামায়াত প্রার্থীর নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা

    শিক্ষা,স্বাস্থ্য-নারীর ক্ষমতায়নসহ ময়মনসিংহ-৪ আসনে জামায়াত প্রার্থীর নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা

    আরিফ রববানী ময়মনসিংহ।।
    শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও অবকাঠামো উন্নয়নসহ সদর আসনের বিভিন্ন উন্নয়নের রোড ম্যাপ নিয়ে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৪ (সদর) আসনে জামায়াতে ইসলামী মনোনীত ও ১০ দলীয় জোট সমর্থিত প্রার্থী মাওলানা কামরুল আহসান এমরুল তার নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করেছেন।চলো একসাথে গড়ি বাংলাদেশ” স্লোগানে ঘোষিত এই ইশতেহারে শিক্ষা, স্বাস্থ্যের পাশাপাশি , যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নসহ নারীর ক্ষমতায়ন, কর্মসংস্থান ও সুশাসনের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

    শনিবার (২৪ জানুয়ারি) দুপুরে ময়মনসিংহ প্রেসক্লাব মিলনায়তনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে মাওলানা কামরুল আহসান এমরুলের পক্ষে ইশতেহার পাঠ করেন জামায়াতে ইসলামী ময়মনসিংহ মহানগরের সেক্রেটারি অধ্যাপক শহীদুল্লাহ কায়সার।

    ইশতেহারে ময়মনসিংহে একটি পূর্ণাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন, বিদ্যমান ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজকে বিশ্ববিদ্যালয়ে উন্নীত করা, ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালকে এক হাজার শয্যা থেকে তিন হাজার শয্যায় উন্নীত করা, ময়মনসিংহ থেকে সিলেট ও রাজশাহীর সঙ্গে সরাসরি ট্রেন যোগাযোগ চালু এবং ঢাকা-ময়মনসিংহ অফিস টাইম ট্রেন চালুর প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়। এ ছাড়া ব্রহ্মপুত্র নদের চরাঞ্চলে সবজি সংরক্ষণের জন্য কোল্ড স্টোরেজ স্থাপন, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও সংস্কৃতি খাতে উন্নয়নসহ বিভিন্ন সেক্টরে মোট ৭০ দফা উন্নয়ন পরিকল্পনার কথা তুলে ধরা হয়।

    এসময় তিনি নগরীর রেললাইনের দুই পাশে জায়গা অধিগ্রহণ করে দুই পাশ দিয়ে সড়ক নির্মাণ, ময়মনসিংহ-ঢাকা অফিস টাইম ট্রেন চালু, ময়মনসিংহ-সিলেট ও ময়মনসিংহ-রাজশাহী রেল যোগাযোগ জোরদার এবং ঢাকা-জুয়েলগেট এলিভেটেড রেল স্থাপনের উদ্যোগ ও নারীর ক্ষমতায়ন ও কর্মসংস্থানে নারীদের জন্য বিনামূল্যে বিশেষ স্কিল ট্রেনিং (টেইলারিং, আইটি, হোম কেয়ার সার্ভিস, অনলাইন ব্যবসা ইত্যাদি) চালু, নারী ও শিশু নির্যাতন এবং ইভটিজিং প্রতিরোধে ওয়ানস্টপ ক্রাইসিস সেন্টার চালুর প্রতিশ্রুতি দেন একই সাথে
    সুশাসন ও সামাজিক নিরাপত্তা জোরদারে
    রাজনৈতিক হয়রানিমূলক ও প্রতিহিংসামূলক মামলা বন্ধ, নিরাপদ খাদ্য উৎপাদনে কৃষকদের উৎসাহ ও প্রণোদনা প্রদান, শহরে সবুজায়ন ও একাধিক শিশু পার্ক স্থাপন এবং নিয়মিত জনগণের সঙ্গে সরাসরি সংলাপের উদ্যোগ নেওয়ার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।
    এছাড়া ময়মনসিংহ বিভাগীয় শহরে আন্তর্জাতিক মানের স্টেডিয়াম ও মাল্টিপারপাস ইনডোর স্টেডিয়াম নির্মাণ এবং সংখ্যালঘু ও অন্যান্য ধর্মাবলম্বীদের শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও কর্মসংস্থানের অধিকার সুরক্ষার অঙ্গীকারও ইশতেহারে তুলে ধরেন।

    এ সময় সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন
    জামায়াতের প্রার্থী মাওলানা কামরুল আহসান এমরুল। তিনি বলেন-আমরা জাতির সেবক হতে চাই, শাসক হতে নয়। ন্যায়, ইনসাফ ও উন্নয়নের মাধ্যমে ময়মনসিংহ সদরকে একটি আদর্শ আসনে পরিণত করাই আমাদের লক্ষ্য।”

    সংবাদ সম্মেলনে প্রধান অতিথি ছিলেন ময়মনসিংহ জেলা জামায়াতের আমির আব্দুল করিম। তাছাড়া জামায়াতে ইসলামীসহ ১০ দলীয় জোটের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

  • নির্বাচিত হলে ত্রিশালকে আধুনিক ও উন্নত জনপদে রূপান্তরের অ-ঙ্গীকার ১০ দলীয় জোট প্রার্থীর

    নির্বাচিত হলে ত্রিশালকে আধুনিক ও উন্নত জনপদে রূপান্তরের অ-ঙ্গীকার ১০ দলীয় জোট প্রার্থীর

    আরিফ রববানী ময়মনসিংহ।।
    ময়মনসিংহ-৭ (ত্রিশাল) আসনে জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১০দলীয় জোট প্রার্থী ও ময়মনসিংহ মহানগর জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমীর আসাদুজ্জামান সোহেল বলেছেন, নির্বাচিত হলে ত্রিশালকে একটি আধুনিক ও উন্নত জনপদে রূপান্তর করা হবে।

    শনিবার ২৪ (জানুয়ারী) বিকেলে ত্রিশাল পৌর এলাকার ত্রিশাল গোহাটা ময়দানে জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১০ দলীয় জোটের আয়োজিত এক নির্বাচনী জনসভা এসব তিনি এ কথা বলেন। নির্বাচনী জনসভা নেতাকর্মীদের উপস্থিতিতে ত্রিশাল গোহাটা ময়দান লোকে লোকারণ্য হয়ে উঠে।

    তিনি আরও বলেন, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের স্মৃতি বিজরিত এলাকা ঐতিহ্যবাহী এই উপজেলাকে একটি আধুনিক পর্যটন এলাকা গড়ে তোলা হবে। পাশাপাশি জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের নামে এখানে বিমানবন্দর চালুর উদ্যোগ নেওয়া হবে। এছাড়া এ অঞ্চলের সার্বিক উন্নয়নের লক্ষ্যে একটি মেডিকেল কলেজ ও একটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করা হবে। তিনি বলেন, একই সঙ্গে ত্রিশাল উপজেলায় অবস্থিত উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে তার শয্যা সংখ্যা বৃদ্ধি করে এই হাসপাতালকে আধুনিকায়ন করে উন্নত চিকিৎসাসেবার ব্যবস্থা করা হবে বলেও জানান তিনি।

    সভায় ১০দলীয় জোটের বক্তারা আসাদুজ্জামান সোহেলের যোগ্য নেতৃত্বের কথা তুলে ধরেন এবং এলাকার উন্নয়নে ‘দাঁড়িপাল্লা’ মার্কায় ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান। সভায় ১০ দলীয় জোটের ঐক্যবদ্ধ শক্তি এবং জামায়াতের তৃণমূল পর্যায়ের সুসংগঠিত উপস্থিতিতে এই নির্বাচনী প্রচারণা এক ভিন্ন মাত্রা পায়।

    ​ময়মনসিংহ জেলা ও মহানগর নেতৃবৃন্দ তাদের বক্তব্যে বলেন, “ত্রিশালের মানুষের অধিকার আদায় এবং একটি সমৃদ্ধ জনপদ গড়ার লক্ষ্যে আসাদুজ্জামান সোহেলের কোনো বিকল্প নেই। তারা প্রত্যাশা করেন ১০ দলীয় জোটের এই ঐক্যই তাদের বিজয়ের পথে এগিয়ে নেবে।”

    ১০ দলীয় জোটের সমর্থনে মনোনীত প্রার্থী আসাদুজ্জামান সোহেলের পক্ষে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ত্রিশাল পৌর শাখা আয়োজিত এই বিশাল প্রচারণা কার্যক্রম সভায় ১০ দলীয় জোটের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ, জামায়াতে ইসলামীর পৌর, জেলা ও মহানগরের প্রভাবশালী নেতৃবৃন্দের উপস্থিতিতে সভাকে কেন্দ্র করে ​”ত্রিশালের প্রতিটি অলিগলি শ্লোগানে মুখরিত হয় এবং গোহাটা ময়দানে কর্মী সমর্থকদের উপস্থিতি প্রমাণ করে—মানুষ পরিবর্তন চায় এবং আসাদুজ্জামান সোহেলের প্রতি তাদের পূর্ণ আস্থা রয়েছে।”

  • সিরাজগঞ্জ-৩ আসনে প্রার্থীদের নির্বাচনী প্র-চারণা শুরু

    সিরাজগঞ্জ-৩ আসনে প্রার্থীদের নির্বাচনী প্র-চারণা শুরু

    জি,এম স্বপ্না,সিরাজগঞ্জ :
    পোস্টার বিহীন প্রচারণা,ডিজিটাল বা কাগজের পোস্টার ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা,রঙিন প্রচার সামগ্রী ব্যবহার নিষেধ,সীমিত সংখ্যক মাইক ব্যবহার,অন্যের ভোটার আইডি বহন বা হস্তান্তরে না-সহ ইসির বেঁধে দেয়া আচরণবিধিতে শুরু হলো ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন।প্রতীক বরাদ্দের পর সিরাজগঞ্জ-৩ (রায়গঞ্জ,তাড়াশ-সলঙ্গা) আসনের প্রার্থীরা ইসির বেঁধে দেয়া নিয়ম নীতি মানার শর্তে মাঠে নেমেছেন নির্বাচনী ভোট যুদ্ধে।শহীদ জুলাই যোদ্ধাদের স্মরণে শ্রদ্ধা নিবেদন,মৃত বাবা-মার কবর জিয়ারত,মাজার জিয়ারত,দোয়া ও মোনাজাতের মাধ্যমে সকল আনুষ্ঠানিকতা সেরে নেতাকর্মীদের সাথে নিয়ে ছুটে চলেছেন ভোটারদের কাছে।সিরাজগঞ্জ-৩ আসনে প্রতীক বরাদ্দ পেয়ে প্রার্থী হলেন,ভিপি আয়নুল হক (বিএনপি),মাও: মুহা.আব্দুর রউফ (খেলাফত মজলিস),ফজলুল হক (জাতীয় পার্টি) এবং ইলিয়াস রেজা রবিন (স্বতন্ত্র প্রার্থী)।দীর্ঘদিন ধরে মাঠ চষে বেড়ানো জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত প্রার্থী ড.শায়েখ আব্দুস সামাদ জোটবদ্ধ শরীক দলের কারনে প্রার্থীতা প্রত্যাহার করেছেন।কিছু কিছু এলাকায় প্রার্থীদের খন্ড খন্ড মিছিল শুরু হয়েছে।তবে এখনো মাইকের প্রচার শব্দ শোনা যায়নি।প্রার্থীর দায়িত্বশীলরা নির্বাচনী কেন্দ্র পরিচালনা কমিটি গঠনও শুরু করেছেন।ইতিমধ্যেই ভোটারদের মন জয় করতে কর্মী ও সমর্থকদের নিয়ে ভোটারদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোট চাওয়া শুরু হয়েছে।সকল প্রার্থীরাই নির্বাচনের মাঠে এখন ভোট প্রার্থনায় ব্যস্ত সময় পার করছেন।

  • মুন্সীগঞ্জ-৩ আসনে ‘কোদাল’ মার্কার পক্ষে সাংবাদিক শেখ মো. শিমুলের গণসংযোগে ব্য-স্ত সময় পার করছেন

    মুন্সীগঞ্জ-৩ আসনে ‘কোদাল’ মার্কার পক্ষে সাংবাদিক শেখ মো. শিমুলের গণসংযোগে ব্য-স্ত সময় পার করছেন

    মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি।।

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে মুন্সীগঞ্জ-৩ আসন (মুন্সীগঞ্জ সদর ও গজারিয়া) এলাকায় গণসংযোগ শুরু করেছেন বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি ও গণতন্ত্র মঞ্চ মনোনীত প্রার্থী সাংবাদিক শেখ মো. শিমুল।

    শনিবার (২৪ শে জানুয়ারি) সকাল থেকে তিনি সদর উপজেলার মুন্সীরহাট বাজার, নয়াকান্দি ও খালিস্ট এলাকায় ‘কোদাল’ প্রতীক নিয়ে ভোটারদের সঙ্গে সরাসরি গণসংযোগ করেন।

    এ সময় সাধারণ ভোটারদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া লক্ষ্য করা যায়।

    গণসংযোগকালে সাংবাদিক শেখ মো. শিমুল ভোটারদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন এবং তাদের সুখ-দুঃখের কথা শোনেন। তিনি বলেন, দীর্ঘদিন ধরে মুন্সীগঞ্জ-৩ আসনের মানুষ অবহেলিত। দুর্নীতি, দুঃশাসন ও বৈষম্যের বিরুদ্ধে লড়াই করতেই তিনি নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন।

    তিনি আরও বলেন, “আমি কোনো ক্ষমতার রাজনীতি করি না। গরীব, শ্রমজীবী ও মেহনতি মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠাই আমার রাজনীতির মূল লক্ষ্য। জনগণ যদি পাশে থাকে, তবে সংসদে গিয়ে এই এলাকার মানুষের কণ্ঠস্বর হয়ে কাজ করব।”

    গণসংযোগে স্থানীয় নেতাকর্মী, সমর্থক ও শুভানুধ্যায়ীরা উপস্থিত ছিলেন। ভোটাররা জানান, সাধারণ মানুষের সঙ্গে প্রার্থীর সরাসরি যোগাযোগ এবং সহজ-সরল আচরণ তাদের মধ্যে ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছে।

    এ সময় শেখ মো. শিমুল ‘কোদাল’ মার্কায় ভোট দিয়ে গণতান্ত্রিক পরিবর্তনের পক্ষে অবস্থান নেওয়ার আহ্বান জানান।

  • লৌহজংয়ে শাপলা কলি প্রতীকে মাজেদুল ইসলামের গ-ণসংযোগ

    লৌহজংয়ে শাপলা কলি প্রতীকে মাজেদুল ইসলামের গ-ণসংযোগ

    মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি:
    আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে লৌহজংয়ে মুন্সীগঞ্জ ২ আসনের ১০ দলীয় জোটের জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) শাপলা কলি প্রতীকের প্রার্থী মোঃ মাজেদুল ইসলাম ব্যাপক গণসংযোগ কর্মসূচি পালন করেছেন। শনিবার বিকেল ৪ টায় উপজেলার কলমা বাজারের ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন এবং তাদের দোয়া ও সমর্থন কামনা করেন।

    গণসংযোগকালে মাজেদুল ইসলাম বলেন, “আমি নির্বাচিত হলে লৌহজং ও টঙ্গীবাড়ীর উন্নয়ন, কর্মসংস্থান ও মানুষের মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করতে কাজ করবো।” তিনি এলাকার রাস্তা-ঘাট উন্নয়ন, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়নের প্রতিশ্রুতি দেন।

    গণসংযোগে উপস্থিত ছিলেন টঙ্গীবাড়ী উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির মাওলানা হাবিবুর রহমান, লৌহজং উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারী মাওলানা আমিনুল ইসলাম, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস লৌহজং উপজেলার আমির মাওলানা আমিনুল ইসলাম, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি’র) লৌহজং সমন্বয়ক মাওলানা হাবিবুল্লাহ আতাহারী, মুন্সীগঞ্জ জেলা যুবশক্তির আহবায়ক আজিম সরদার বিপ্লব সহ স্থানীয় নেতাকর্মী ও সমর্থকরা অংশগ্রহণ করেন। পুরো এলাকায় উৎসবমুখর পরিবেশে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

  • রাজশাহী-১ আসনের মানুষ ব্যারিস্টার পরিবারের কাছে কৃ-তজ্ঞ,প্রতিদান দিতে মুখিয়ে

    রাজশাহী-১ আসনের মানুষ ব্যারিস্টার পরিবারের কাছে কৃ-তজ্ঞ,প্রতিদান দিতে মুখিয়ে

    আলিফ হোসেন,তানোরঃ
    রাজশাহী-১ (তানোর-গোদাগাড়ী) সংসদীয় আসনের এই নির্বাচনী এলাকা ভৌগোলিক বৈচিত্র্যেঘেরা। গোদাগাড়ীতে পদ্মার ধু-ধু মরুভূমি, তানোরে ঠা-ঠা বরেন্দ্রভূমি। এই আসনের মানুষের প্রত্যাশাও একটু ভিন্নমাত্রার। সেই প্রত্যাশা পূরণের দায়িত্ব যার কাঁধে পড়ে, ভোটের আগে তাকে ঘিরেই হিসাব-নিকাশের পালা চলে। গেল তিনটি বিতর্কিত নির্বাচনে সে হিসাব মেলেনি। এবার বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার (সাবেক) সামরিক সচিব ও রাজনৈতিক উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য মেজর জেনারেল অবঃ শরিফ উদ্দিনকে নিয়ে সেই প্রত্যাশা পুরুণের স্বপ্ন দেখছেন এই জনপদের মানুষ। জানা গেছে, এই আসনে দলমত নির্বিশেষে সকল শ্রেণী-পেশার মানুষ প্রয়াত ব্যারিস্টার আমিনুল হক পরিবারের কাছে কৃতজ্ঞ। এবার সাধারণ নির্বাচনে তারা তার কিছুটা হলেও প্রতিদান স্বরুপ ওই পরিবারের সদস্য শরিফ উদ্দিনকে ভোট দিয়ে বিজয়ী করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হয়েছে। কারণ হিসেবে তারা বলছে, যারা উপকারীর উপকার শিকার করে না তারা অকৃজ্ঞ, আর অকৃজ্ঞদের ধ্বংস অনিবার্য।
    অন্যরা রাজনীতি করে যেখানে পৌঁছাতে চাই,সেখান থেকেই শরিফ উদ্দিনের রাজনীতি শুরু। তার যে পারিবারিক ঐতিহ্য, সামাজিক মর্যাদা,ব্যক্তি অর্জন তাতে রাজনীতি থেকে তার নেয়ার কিছু নেই, তবে দেবার অনেক কিছুই রয়েছে। তিনি যদি এমপি-মন্ত্রী হতে পারেন তাহলে তানোর-গোদাগাড়ীর উন্নয়নে বিপ্লব ঘটবে।কারণ বিএনপি সরকার গঠন করলে তার যোগাযোগ হবে সরাসরি (শেঁকড়) দল ও সরকার প্রধানের সঙ্গে।
    স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে,রাজশাহী-১ আসনের গোদাগাড়ী ছিল পদ্মার ধু-ধু মরুভূমি,আর তানোর ছিল যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন দুর্গম ও প্রত্যন্ত পল্লী জনপদ।প্রচন্ড খরাপ্রবণ বরেন্দ্র অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত হওয়ায় এই এলাকার জমিতে চাষাবাদ করতে একটা সময় মান্ধাতা আমলের মতো আকাশের দিকে তাকিয়ে থাকতে হতো কৃষকদের। বছরে প্রকৃতির বৃষ্টি নির্ভর একটি ফসল উৎপাদন করা যেতো। তার পরেও বৃষ্টি, অতিবৃষ্টি, শিলাবৃষ্টি, খরা ও ঝড়-ঝাপটা ছিলো নিত্যসঙ্গী। অনেক সময় প্রাকৃতিক দুর্যোগের কবলে পড়ে মাঠের ফসল মাঠে পড়ে থাকতো। কৃষকদের এই দুঃখ-দুর্দ্দশা লাঘবে এগিয়ে আসেন ডঃ এম আসাদুজ্জামান আসাদ।যিনি বিএনপি প্রার্থী শরিফ উদ্দিনের ভাই,তিনি প্রতিষ্ঠা করেন বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিএমডিএ)। আর বিএমডিএ’র গভীর নলকুপ সেচ প্রকল্প কৃষিতে নতুন দিগন্তের সুচনা করেছে। শুধু তানোর-গোদাগাড়ী নয় প্রচন্ড খরাপ্রবণ বৃহত্তর বরেন্দ্র অঞ্চলে কৃষিক্ষেত্রে বড় ভূমিকা রাখছেন। বিএমডিএ’র গভীর নলকুপ সেচ প্রকল্পের কল্যাণে প্রচন্ড খরাপ্রবণ এই অঞ্চলের এক সময়ের পতিত জমি গুলোতেও এখন সারা বছরই তিন থেকে চারটি করে বিভিন্ন ফসলের চাষাবাদ হচ্ছে। এতে কৃষকদের আর্থিক ও সামাজিক অবস্থার উন্নয়ন ঘটেছে। এতে কৃষকদের কি উচিত নয় এই পরিবারের পাশে থাকা এটা তো তাদের ইমানী দায়িত্ব বলেও মনে করছেন সুশীল সমাজ।
    অন্যদিকে দুর্গম পল্লী কর্মহীন বেকার জনগোষ্ঠী বেষ্টিত পশ্চাৎপদ যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন, শিক্ষা-স্বাস্থ্য ও ব্যবসা-বাণিজ্য পিছিয়ে পড়া তানোরকে যোগাযোগ ও শিক্ষা বান্ধব করতে প্রয়াত ব্যারিষ্টার আমিনুল হক ব্যাপক উন্নয়ন কর্মকান্ড বাস্তবায়ন করেছেন। স্কুল, কলেজ, মাদরাসা প্রতিষ্ঠা, সড়ক যোগাযোগ ও অবকাঠামো উন্নয়ন করেছেন। রাজশাহী-১ আসনের মানুষের ভাগ্যের উন্নয়নে প্রয়াত ব্যারিস্টার আমিনুল হক পরিবারের নাম ইতিহাসে স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে। অথচ এখানে আরো একজন সাবেক এমপি রয়েছেন তার সময়ে দৃশ্যমান কি এমন কোনো উন্নয়ন হয়েছে কেউ কি বলতে পারবেন। এখন সাধারণ মানুষকেই সিদ্ধান্ত নিতে হবে তারা কোন পক্ষে থাকবেন।
    স্থানীয় রাজনৈতিক পর্যবেক্ষক মহলের অভিমত, দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে তিনি প্রথম ব্যক্তি যিনি দলের ও দুজন সরকার প্রধানের সামরিক সচিব এবং সাবেক মেজর জেনারেল পদমর্যাদা সম্পন্ন ব্যক্তি হিসেবে সরাসরি নির্বাচন করতে যাচ্ছেন। এটা নির্বাচনী এলাকার মানুষের জন্য পরম সৌভাগ্যর যে এতো বড় মর্যাদা সম্পন্ন নেতৃত্ব তাদের মাঝে এসেছেন। এটা তাদের গৌরবও বটে।তিনি এই জনপদের মানুষের সৌভাগ্য দূত হয়ে এসেছেন।এই জনপদের মানুষের উচিৎ দলমত নির্বিশেষে সকলের উর্ধ্বে উঠে সকল মতপার্থক্যে বা ভেদাভেদ ভুলে সকলে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে তাকে বিজয়ী করা। কারণ তার মতো এত বড় মাপের পদমর্যাদা সম্পন্ন নেতৃত্ব এই জনপদের মানুষ আগামি একশ’ বছরেও পাবেন কি না তা ভাগ্যের বিষয়। এদিকে বিএনপির তৃণমূলের দাবি এই জনপদের মানুষ প্রয়াত ব্যারিস্টার আমিনুল হক পরিবারের কাছে চির কৃতজ্ঞ ও ঋণী এবারের নির্বাচনে শরিফ উদ্দিনকে বিজয়ী করে সেই ঋণের কিছুটা হলেও পরিশোধ করতে চাই।
    জানা গেছে, রাজশাহী-১ আসনে ২টি উপজেলা, ৪টি পৌরসভা ও ১৬টি ইউনিয়ন পরিষদে মোট ভোটার ৪ লাখ ৬২ হাজার ২৪২। এদের মধ্যে পুরুষ ভোটার ২ লাখ ৩০ হাজার ৫১০ ও নারী ভোটার ২ লাখ ৩১ হাজার ৭২৯। এছাড়াও তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার রয়েছে তিনজন। এই আসনের নতুন ভোটারের সংখ্যা ৭ হাজার ৫৪২।