Author: desk

  • ডাক্তার হয়ে সেবা করতে চায় নুসরাত

    ডাক্তার হয়ে সেবা করতে চায় নুসরাত

    সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি :
    নারী শিক্ষার অনন্য বাতিঘর সিরাজগঞ্জের সলঙ্গা পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় হতে সদ্য প্রকাশিত (বৃহ:বার) এসএসসির ফলাফলে নুসরাত জাহান গোল্ডেন জিপিএ-৫ পেয়ে কৃতিত্ব অর্জন করেছে। সে তাড়াশ উপজেলার মাধাইনগর আদিবাসী কলেজের প্রভাষক,ধুবিল ইউনিয়নের আমশড়া গ্রামের মৃত কালু প্রামানিকের ছেলে জামাল উদ্দিন ও মা লতিফা খাতুনের একমাত্র মেয়ে এবং সলঙ্গা রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি,সিনি: সাংবাদিক সাহেদ আলীর ভাতিজি। সে ভবিষ্যতে ডাক্তার হয়ে অসহায়,দু:স্থ মানুষের সেবায় নিয়োজিত থাকতে চায়।তার এ সাফল্যের জন্য তার বাবা,মা,চাচা,শিক্ষকমন্ডলীসহ সকলের কাছে কৃতজ্ঞ।সে সকলের কাছে দোয়া প্রার্থী।

  • কুমিল্লায় ভুমি সেবা সহায়তা কেন্দ্র শুভ উদ্বোধন

    কুমিল্লায় ভুমি সেবা সহায়তা কেন্দ্র শুভ উদ্বোধন

    মোঃতরিকুল ইসলাম তরুন, কুমিল্লা থেকে,

    দেশের নাগরিকদের ভূমিসেবা দিতে জেলা প্রশাসক বিভিন্ন উদ্যাগ গ্রহন করে ছেন। সারা দেশের ন্যায় ভুমি সেবা সহজীকরণের উদ্দেশ্যে কুমিল্লায়ও অদ্য গত ৯ জুলাই, ২০২৫ তারিখে ভূমিসেবা সহায়তা কেন্দ্র উদ্বোধন করা হয়।

    কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলার রাজগঞ্জে অবস্থিত একটি কেন্দ্রের মাধ্যমে এ জেলার ভূমিসেবা সহায়তা কেন্দ্রের শুভ উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক ও বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো: আমিরুল কায়ছার৷ প্রশাসন সূত্র থেকে জানা যায়

    কুমিল্লা জেলার ১৭ টি উপজেলায় প্রথম ধাপে ৩৪ টি ভূমিসেবা সহায়তা কেন্দ্র স্থাপনের অনুমতিপত্র প্রদান করা হয়। প্রয়োজনীয়তার নিরিখে ভবিষ্যতে এই সংখ্যা পরিবর্তন হতে পারে৷

    ভূমিসেবা সহায়তা কেন্দ্র স্থাপনের লক্ষ্যঃ
    ১। ভূমি অফিসের বাইরে নাগরিকগণকে ভূমিসেবা গ্রহণে সহায়তা প্রদান;

    ২। ভূমিসেবাকে নাগরিকের হাতের কাছে নেওয়া;

    ৩। ডিজিটাল ভূমিসেবা গ্রহণ পদ্ধতি প্রচলন ও টেকসই করা;

    ৪। নাগরিকদের ভূমিসেবা গ্রহণ সহজীকরণ;

    ৫। ভূমিসেবা গ্রহণে সহায়তা/সহযোগিতা প্রদান ও তথ্য সুরক্ষায় বিধিগত কাঠামো তৈরি;

    ৬। দক্ষ, দায়িত্ববান ও নাগরিকবান্ধব সেবা সহায়তাকারী তৈরি;

    ৭। সঠিকভাবে নাগরিকের প্রোফাইল তৈরি ও আবেদন ফরম পূরণ করে দাখিল নিশ্চিত করা;

    ৮। ভূমি অফিস সংশ্লিষ্ট অভিযোগ শূন্যে নামিয়ে আনা।

    ভূমিসেবা সহায়তা কেন্দ্রের মাধ্যমে সরকার নির্ধারিত ফি এর বিনিময়ে নামজারির আবেদন, ভূমি উন্নয়ন কর জমাকরণ, খাসজমি বন্দোবস্তের আবেদন, অর্পিত সম্পত্তির লীজ নবায়নের আবেদনসহ ভূমিসংক্রান্ত বিভিন্ন সেবা গ্রহণ করা যাবে৷ এসকল বিষয় নিয়ে জেলা প্রশাসক নাগরিক দের সুবিধার জন্য প্রদক্ষেপ নেন।এসময় প্রশাসনের বিভিন্ন কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন।

  • ফিরে দেখা ১১ জুলাই এখনো এই স্থানে কোনো স্মৃ-তিফলক নির্মিত হয়নি

    ফিরে দেখা ১১ জুলাই এখনো এই স্থানে কোনো স্মৃ-তিফলক নির্মিত হয়নি

    স্টাফ রিপোর্টার:- নিরেন দাস

    জয়পুরহাটের আক্কেলপুর উপজেলায় ২০০৬ সালের ১১ জুলাই ট্রেনের ধাক্কায় বাসের ৩৫ জন যাত্রী নি/হত হন । এতে আহত হয়েছিলেন আরও ৩০ জন ।

    সেদিন ছিলো সকাল থেকেই গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি, ওই দিন সকাল সাড়ে ১০ টার দিকে আক্কেলপুর উপজেলার আমুট্ট রেলক্রসিংয়ে এ ঘটনা ঘটে । অরক্ষিত রেলক্রসিং পার হচ্ছিল যাত্রীবাহী বাসটি । রেললাইনের ওপরই হঠাৎ বাসের ইঞ্জিন বন্ধ হয়ে যায় । এর মধ্যেই খুলনা গামী রূপসা এক্সপ্রেস ট্রেন এগিয়ে আসে । চোখের নিমিষে লন্ডভন্ড হয়ে যায় খেয়া পরিবহনের বাসটি । দূর্ঘটনাস্থলে মারা যায় ২৫ জন ।

    আক্কেলপুর কলেজ মাঠে একসঙ্গে ১১ জনের জানাজা অনুষ্ঠিত হয় ।আক্কেলপুর পৌরসভা সাত দিনের শোক ঘোষণা করে। এখনো এই স্থানে কোনো স্মৃতিফলক নির্মিত হয়নি।

  • সুজানগরে সংঘ-র্ষের ঘটনায় বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের ১০ নেতাকর্মী বহি-স্কার

    সুজানগরে সংঘ-র্ষের ঘটনায় বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের ১০ নেতাকর্মী বহি-স্কার

    সুজানগর(পাবনা)প্রতিনিধিঃ পাবনার সুজানগর উপজেলায় গত বুধবার বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষের ঘটনায় উপজেলা উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব শেখ আব্দুর রউফসহ দলটির ১০ নেতাকর্মীকে বহিস্কার করা হয়েছে।বৃহস্পতিবার রাতে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ন মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভীর সই করা বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। বহিষ্কার করা অন্য নেতাকর্মীরা হলেন- সুজানগর পৌর বিএনপির এক নং যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক মজিবর খা, সুজানগর উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্য কামাল শেখ, পৌর ৬নং ওয়ার্ড বিএনপির সিনিয়র সহ সভাপতি রুহুল খা, বিএনপি কর্মী লেবু খা, পৌর যুবদলের সদস্য মানিক খা, যুবদল নেতা মনজেদ শেখ, যুবদল কর্মী হালিম শেখ, ছাত্রদল নেতা শেখ কাউছার এবং এন এ কলেজ শাখা ছাত্রদলের সভাপতি শাকিল খা। এছাড়াও সংঘর্ষের ঘটনায় মোলাম খা, ও সুরুজসহ আরও যারা জড়িত ছিল তারা বিএনপি কিংবা অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের কেউ নয় এবং তাদের সাথে বিএনপি এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের কোন সম্পর্ক নেই বলে উল্লেখ করা হয়েছে।সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, রক্তাক্ত সংঘাতের ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে তাদের বিএনপির প্রাথমিক সদস্যসহ সব পর্যায়ের পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। শুক্রবার(১১জুলাই) পাবনা জেলা বিএনপির সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট মাসুদ খন্দকার ওই সকল নেতাকর্মীকে বহিষ্কারের বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। উল্লেখ্য তুচ্ছ ঘটনা কে কেন্দ্র করে গত বুধবার পাবনার সুজানগরে বিএনপির দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে । এ ঘটনায় উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব শেখ আব্দুর রউফ (৫০), চর সুজানগরের জালালের ছেলে সুজন আলী (৩৫), শেখ মনজেদ আলী (৩০), চর ভবানীপুরের শুকুর আলীর ছেলে ইয়াকুব আলী (৫৬), হোসেন (৪০), যুবদল কর্মী মানিক খা (৩৫), চর ভবানীপুরের রশিদ খার ছেলে সবুজ খা (৩০), চর সুজানগরের আব্দুস সাত্তারের ছেলে আব্দুর রহমান (৪৫), মাষ্টারপাড়ার মোনায়েম খার ছেলে শাকিল খা (২৫), চর সুজানগরের আলতু খানের ছেলে রিয়াজ খান (২৫), টিক্কা খান (৬০), পাবনা সদরের চরতারাপুরের কাচিপাড়ার আজহার আলীর ছেলে তুষার (৪০), আসলাম (৪৫) ও মনজিল (৩০)সহ ২৫ নেতাকর্মী আহত হয়। সুজানগর থানা অফিসার ইনচার্জ মজিবর রহমান জানান, এ ঘটনার পর থেকে উপজেলার আইনশৃংখলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রাখা হয়েছে।

    এম এ আলিম রিপন
    সুজানগর(পাবনা)প্রতিনিধি।।

  • তানোরে মাচায় সবজি চাষ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে

    তানোরে মাচায় সবজি চাষ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে

    আলিফ হোসেন,তানোরঃ
    রাজশাহীর তানোরে বর্ষাকালে মাচায় সবজি চাষ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। মাচা ব্যবহারের কারণে সবজির লতা ও ফল মাটিতে লেগে থাকে না, ফলে রোগ ও পোকামাকড়ের আক্রমণ কম হয়। মাচায় চাষ করার কারণে ফসল পরিষ্কার থাকে এবং সহজে সংগ্রহ করা যায়। মাচায় আবাদ করা সবজি বাজারে ভাল দাম পাওয়ায় আর্ধিকভাবে লাভবান হচ্ছে চাষীরা। মাচায় সবজির আবাদ বলতে সাধারণত, লাউ, চিচিঙ্গা, পল্লা, জিঙ্গে, কুমড়া, শসা, বরবটি, সিম ইত্যাদি সবজি লতানো গাছের জন্য মাচা তৈরি করে চাষ করা হয়। এই পদ্ধতিতে,গাছের লতা উপরে উঠে যায় এবং এর ফলে ফলন বাড়ে, পোকামাকড়ের আক্রমণ কমে এবং জায়গা সাশ্রয় হয়। মাচা পদ্ধতিতে সবজি চাষ করলে ফলন সাধারণত বেশি ও বাজারে ভাল দাম পাওয়া যায়। তানোর পৌরসভার গোকুল, মাসিন্দা, ধানতৈড় ও বাজে আকচা মহল্লায় বেশী মাচায় সবজি দেখা গেছে। এছাড়াও উপজেলার চাঁন্দুড়িয়া, কামারগাঁ, কলমা, বাধাইড়, সরনজাই, তালন্দ ও পাঁচন্দর ইউপির বিভিন্ন এলাকার মাঠে স্বল্প পরিসরে মাচায় সবজি চাষ হচ্ছে। ধানতৈড় গ্রামের কৃষক হিরন ও লাল্টু বলেন,মাচায় সবজি চাষ করলে ফসলের রোগবালাই কম হয় এবং এসব ফসলের বাজারে ভাল দাম পাওয়া যায়।
    স্থানীয় কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে
    সূত্রে জানা গেছে, উপজেলায় প্রায় ১৫ হেক্টর জমিতে মাচায় সবজির আবাদ হয়েছে। পুকুর-জলাশয়ের পাড়, নিচু জমি, বাড়ীর আঙ্গিনায়, জমির আইলে ও মাচায় সবজি চাষ করা হচ্ছে। পানির মধ্যে মাচায় সবজি চাষ পদ্ধতি একটি উদ্ভাবনী ও টেকসই কৃষি পদ্ধতি। মাচায় সবজির আবাদ একটি বিশেষ পদ্ধতি, যেখানে সবজির লতানো ও ঊর্ধ্বমুখী বৈশিষ্ট্য ব্যবহার করে মাচা তৈরি করে সবজি চাষ করা হয়। এই পদ্ধতিতে সাধারণত লাউ, কুমড়া, পটল, শসা, সিম, বরবটি, ঝিঙা ইত্যাদি সবজি চাষ করা হয়। মাচা তৈরির ফলে সবজির লতা উপরে উঠে যায় এবং আলো বাতাস ভালোভাবে চলাচল করতে পারে, যা ফলন বৃদ্ধিতে সহায়ক। এছাড়াও, মাচা পদ্ধতিতে সবজি চাষ করলে পোকামাকড়ের আক্রমণ ও রোগবালাই কম হয়। মাচা তৈরির জন্য সাধারণত বাঁশ, কাঠ বা লোহার পাইপ ও নেট জাল ব্যবহার করা হয়। সবজি চাষে বিভিন্ন প্রকার মাচা তৈরি করা হয়। ফসলের ধরনের উপর মাচা তৈরির উচ্চতা নির্ভর করে। কিছু সবজির জন্য ৫-৬ ফুট উচ্চতার মাচা তৈরি করা হয়, আবার কিছু সবজির জন্য ঝুলন্ত মাচা তৈরি করা হয়। মাচা তৈরির পর সবজির লতা মাচার উপর ছড়িয়ে দেওয়া হয়।
    এবিষয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ সাইফুল্লাহ আহমেদ জানান, মাচায় সবজি চাষ একটি লাভজনক এবং পরিবেশ-বান্ধব কৃষি পদ্ধতি। এটি কৃষকদের উৎপাদনশীলতা বাড়াতে এবং নিরাপদ সবজি উৎপাদনে সহায়তা করে। মাচায় সবজি চাষ করলে বৃষ্টির সময় গাছের ক্ষতি হয় না এবং ফলও পাওয়া যায় প্রচুর পরিমাণে। অল্প পরিশ্রমে মাচায় সবজি চাষ লাভজনক হওয়ায় কৃষকরা আর্থিকভাবে সাবলম্বি হচ্ছে,পাশাপাশি মাচায় সবজি চাষ দিন দিন জনপ্রিয় হয়ে উঠছে।#

  • গোদাগাড়ী শিক্ষাকর্মকর্তা রাখী চক্রবর্তী ফল জা-লিয়াতির অভি-যোগে চূড়া-ন্তভাবে ব-রখাস্ত

    গোদাগাড়ী শিক্ষাকর্মকর্তা রাখী চক্রবর্তী ফল জা-লিয়াতির অভি-যোগে চূড়া-ন্তভাবে ব-রখাস্ত

    রাজশাহী থেকে মোঃ হায়দার আলীঃ এক দশক আগে প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষার ফল জালিয়াতির অভিযোগে রাজশাহীর বোয়ালিয়া থানার তৎকালীন শিক্ষা কর্মকর্তা রাখী চক্রবর্তীকে সরকারি চাকরি থেকে চূড়ান্তভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা এ কে এম আনোয়ার হোসেন।

    তিনি জানান, রাখী চক্রবর্তীর বিরুদ্ধে একটি বিভাগীয় মামলা চলছিল। পাশাপাশি দুদকের দায়ের করা একটি মামলাও আদালতে বিচারাধীন। গত ২ জুলাই প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের তদন্ত ও শৃঙ্খলা শাখা থেকে তার বরখাস্তের আদেশ জারি করা হয়, যা ৮ জুলাই রাজশাহীতে এসে পৌঁছায়।

    আদেশে বলা হয়েছে, বিভাগীয় মামলায় তার বিরুদ্ধে আনা অসদাচরণ ও দুর্নীতির অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা-২০১৮ অনুযায়ী তাকে চাকরি থেকে অপসারণ করা হয়েছে। একই সঙ্গে তার সাময়িক বরখাস্তের আগের আদেশও প্রত্যাহার করা হয়েছে।

    গোদাগাড়ী প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করা ২০১৭ ইং সালের ১১ নভেম্বর প্রেফতার হন রাখি চক্রবর্তী। পরদিন দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) মামলায় ১২ নভেম্বর রোববার বিকেলে তাকে রাজশাহী কেন্দ্রীয় কারাগারে নেয়া হয়। এর আগে সকালে রাজশাহী মহানগর দায়রা জজ আদালতে হাজির হয়ে জামিন আবেদন করেন রাখি চক্রবর্তী। এ সময় বিচারক আকতার উল আলম তার আবেদন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছিলেন।

    জানা গেছে, ২০১৫ সালে শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষায় ৪০ শিক্ষার্থীর নম্বর বাড়িয়ে বৃত্তি পাইয়ে দেন কর্মকর্তারা। বিষয়টি ফাঁস হলে বিক্ষুদ্ধ হয়ে ওঠে অভিভাবক মহল। এ নিয়ে গণমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হলে তদন্তে নামে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় গত ২১ আগস্ট দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের উপ-সহকারী পরিচালক তরুণ কান্তি ঘোষ নগরীর রাজপাড়ায় থানায় মামলা দায়ের করেন। ওইদিনই গ্রেফতার হন মামলার প্রধান আসামি জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আবুল কাশেম। খবর পেয়ে আত্মগোপন করেন মামলার অন্য দুই আসামি তৎকালীন বোয়ালিয়া প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা রাখী চক্রবর্তী ও কম্পিউটার অপারেটর সোনিয়া খাতুন।

    আত্মগোপনে থেকে গত ২৩ আগস্ট উচ্চ আদালত থেকে জামিন নেন রাখী চক্রবর্তী। ২০১৬ সালে রাখী চক্রবর্তীকে গোদাগাড়ী উপজেলায় শিক্ষা কর্মকর্তা হিসেবে বদলি করা হয়। উচ্চ আদালতের জামিন শেষে রোববার আদালতে হাজির হন তিনি। ওই মামলায় গত ১১ সেপ্টেম্বর আবুল কাশেম জামিনে মুক্তি পেয়েছেন। এর আগে বৃত্তি জালিয়াতির অভিযোগ তদন্ত করে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতর। সত্যতা পাওয়ায় ওই তিন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা হয়।

    তাদের মধ্যে রাখী চক্রবর্তীকে চাকরি থেকে বরখাস্ত, তৎকালীন জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আবুল কাশেমকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো (পরে পুনর্বহাল হলেও আবার অবসর) এবং কর্মচারী সোনিয়া রওশনকে মামলা থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।

    ঘটনার পর আন্দোলনের মুখে ২০১৭ সালের ১১ এপ্রিল সংশোধিত ফল প্রকাশ করা হয়। এতে দেখা যায়, জালিয়াতির মাধ্যমে বৃত্তি পাওয়া ৪০ শিক্ষার্থীর বৃত্তি বাতিল হয়। এর মধ্যে ৩০ জন ট্যালেন্টপুল এবং ১০ জন সাধারণ গ্রেডে বৃত্তি পেয়েছিলেন।

    সংশোধিত ফলে রাজশাহী নগরীর শিমুল মেমোরিয়াল নর্থ সাউথ স্কুলের ১৫ শিক্ষার্থীর বৃত্তিও বাতিল করা হয়। অভিযোগ রয়েছে, এই বিদ্যালয়ে প্রভাবশালী ব্যক্তিদের সন্তানরা পড়াশোনা করত। বৃত্তির অর্থ ট্রেজারির মাধ্যমে সরকারকে ফেরত দিতে বলা হয়।

    বিষয়টি নিয়ে রাখী চক্রবর্তীর সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করা হলে তিনি শুধু বলেন, ‘এ বিষয়ে এখন কথা বলতে ইচ্ছুক নই।’
    গোদাগাড়ী উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার ( ভারপ্রাপ্ত) আল মামুন বলেন,
    রাখী চক্রবর্তীর ম্যাডামের নামে ২ টি মামলা হয়। ১ টি মামলা দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) করেন। এ মামলাটি চলমান রয়েছে। তাকে হাজিরা দিতে হয়। তার বিরুদ্ধে যে বিভাগীয় মামলা হয়েছে ছিল ওই মামলায় তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছিল। বিভিন্ন সময় তদন্ত করে সত্যতা প্রমানিত হওয়ায় পিএসসি’র অনুমতি নিয়ে সাময়িক বরখাস্ত প্রত্যাহার করে চূড়ান্তভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে বলে জানান এক কর্মকর্তা।

    মোঃ হায়দার আলী
    নিজস্ব প্রতিবেদক,
    রাজশাহী

  • বাবুগঞ্জে এসএসসি রেজাল্ট খা-রাপ শিক্ষার্থীর মর্মা-ন্তিক মৃ-ত্যু

    বাবুগঞ্জে এসএসসি রেজাল্ট খা-রাপ শিক্ষার্থীর মর্মা-ন্তিক মৃ-ত্যু

    বাবুগঞ্জ প্রতিনিধিঃ মোঃ মহিউদ্দিন খাঁন রানা।।

    বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার দেহেরগতি ইউনিয়নের বাহেরচর ক্ষুদ্রকাঠী কাজল খান মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের এসএসসি ২০২৫ ব্যাচের শিক্ষার্থী মোসাঃ মীম ইসলাম আত্মহত্যা করেছে বলে জানা গেছে।
    জানা যায়, এসএসসি পরীক্ষার ফলাফল আশানুরূপ না হওয়ায় মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন মীম। পরে পরিবার ও প্রতিবেশীদের অজান্তে না ফেরার দেশে পাড়ি জমায় সে।
    ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।
    এই ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। বিষয়টি স্থানীয় প্রশাসন ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান অনুসন্ধান করছে।

  • সাভারে হু-জুরবেশের মাদ-ক ব্যবসায়ী গ্রেফ-তার

    সাভারে হু-জুরবেশের মাদ-ক ব্যবসায়ী গ্রেফ-তার

    হেলাল শেখঃ ঢাকার সাভারে মাদক ব্যবসার নতুন ফন্দি এঁটেছে মাদক ব্যবসায়ীরা। পুলিশের চোখ ফাঁকি দিতে মাদক কারবারিরা এখন সুন্নতি পোশাক পড়ে হুজুরের বেশ ধরেছে।

    বৃহস্পতিবার (১০ জুলাই) সকাল সাড়ে ৯ টায় এ রকমই এক হুজুরবেশী শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করেছে সাভার মডেল থানা পুলিশের একটি দল। গ্রেফতার হওয়া মাদক ব্যবসায়ীর নাম জালাল আহমেদ (৬০)। তিনি সাভার পৌরসভার গেন্ডা এলাকায় বাসা ভাড়া নিয়ে থাকতেন। তার বাড়ি কক্সবাজার জেলার টেকনাফ থানার পশ্চিম সাতঘরিয়া নয়াপাড়া গ্রামে। পুলিশের অভিযানে ৫’শ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ ধরা পড়েন মৃত আব্দুল আলীর ছেলে জালাল আহমেদ। যার আনুমানিক মূল্য দেড় লাখ টাকা।

    শুক্রবার (১১ জুলাই) সকালে এর সত্যতা নিশ্চিত করে সাভার মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ জুয়েল মিঞা, তিনি জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৯ টায় এসআই জাকির আল আহসানের নেতৃত্বে ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের পাকিজা মোড় এসএ পরিবহনের সামনে পুলিশের একটি দল এ অভিযান চালায়।

    তিনি গণমাধ্যমকে বলেন, ‘হুজুরের ছদ্মবেশ ধারণ করে জালাল আহমেদ দীর্ঘদিন ধরে মাদক ব্যবসা চালাচ্ছিলেন। বেশ-ভূষা দেখে তাকে সন্দেহ করার বিন্দুমাত্র উপায় নেই। পরনে লম্বা পাঞ্জাবি, মাথায় টুপি, সব সময় আতর মেখে পাক-পবিত্র হয়ে তাকে ঘোরাফেরা করতে দেখতো এলাকাবাসী। অথচ এর আড়ালে তিনি ছিলেন ইয়াবার পাইকারি বিক্রেতা।

    প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জালাল মাদক ব্যবসার কথা অকপটে পুলিশের কাছে স্বীকার করেন।
    গ্রেফতারকৃত জালাল পুলিশকে জানান, দীর্ঘদিন ধরে ইয়াবা ব্যবসার সঙ্গে তিনি জড়িত। প্রতি সপ্তাহে বিপুল পরিমাণ ইয়াবা কক্সবাজারের টেকনাফ থেকে ঢাকায় আনেন এবং সেগুলো সাভারের কয়েকজন মাদক ব্যবসায়ীর কাছে পাইকারি সরবরাহ করতেন।

    ছদ্দবেশী জালালের বিরুদ্ধে সাভার মডেল থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা রুজু হয়েছে। তার দেওয়া তথ্যে আরো কয়েকজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। সাভার আশুলিয়ার জামগড়াসহ বিভিন্ন এলাকায় এরকম অনেকেই মাদক ব্যবসা করে, পুলিশের র‍্যাবের অভিযানে কিছু মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার হলেও বেশিরভাগ মাদক কারবারি ধরাছোঁয়ার বাইরে থাকছে কেন তা জাতি জানতে চায়।

  • নলছিটিতে চার বিদ্যালয়ে পা-স করেনি কেউ

    নলছিটিতে চার বিদ্যালয়ে পা-স করেনি কেউ

    ঝালকাঠি প্রতিনিধিঃ মোঃ নাঈম মল্লিক

    ২০২৫ সালের এসএসসি পরীক্ষায় ঝালকাঠির  জেলার নলছিটি উপজেলার চারটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের কেউই উত্তীর্ণ হতে পারেনি। বরিশাল শিক্ষা বোর্ডের অধীনে অনুষ্ঠিত এই পাবলিক পরীক্ষায় অংশ নেয়া ৪ টি বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী সবাই অকৃতকার্য হয়েছে, যার ফলে এসব বিদ্যালয়ের পাসের হার দাঁড়িয়েছে শতভাগ শূন্যতে।

    বৃহস্পতিবার (১০ জুলাই) প্রকাশিত বরিশাল বোর্ডের এসএসসি ফলাফলে এ তথ্য উঠে আসে।

    ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, উপজলার কুলকাঠি ইউনিয়নের দেলদুয়ার মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ১৩ জন, রানাপাশা ইউনিয়নের ভেরনবাড়িয়া সিএসইউ বালিকা মাধ্যমিক  বিদ্যালয়ে ৭ জন,মাটিভাঙ্গা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ১৭ জন ও দপদপিয়া ইউনিয়নের জুরকাঠি মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়য়ের ১১ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেয়। কিন্তু চার বিদ্যালয়ের কেউই উত্তীর্ণ হতে না পারায় জেলার শিক্ষা মান নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে।

    এ বিষয়ে বরিশাল মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর মো. ইউনুস আলী সি‌দ্দিকী বলেন,নলছিটিতে ৪ টি প্রতিষ্ঠানে কেউ পাস করেনি। কেন তাদের কোনো শিক্ষার্থী পাস করতে পারেনি, সেই বিষয়ে কারণ দর্শানো নোটিশ দেওয়া হবে এবং ওই সব প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে  ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

  • কুমিল্লা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে ছাত্রশিবিরের স্মারকলিপি প্রদান

    কুমিল্লা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে ছাত্রশিবিরের স্মারকলিপি প্রদান

    স্টাফ রিপোর্টার,

    বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির কুমিল্লা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট শাখার নেতৃবৃন্দ ইনস্টিটিউটের প্রধান শিক্ষক মাজারুল ইসলাম চৌধুরী বরাবর একটি স্মারকলিপি প্রদান করেছেন।

    স্মারকলিপিতে তারা একটি নৈতিক, নিরাপদ ও মানসম্মত শিক্ষা পরিবেশ গঠনের লক্ষ্যে চারটি গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাবনা তুলে ধরেন। নেতৃবৃন্দরা বলেন, শিক্ষা কেবল সনদপ্রাপ্তির মাধ্যম নয়, বরং এটি মানবিক গুণাবলি, জ্ঞান ও ন্যায়ের চর্চা শেখার ক্ষেত্র। একটি আধুনিক, শৃঙ্খলাবদ্ধ ও শিক্ষাবান্ধব প্রতিষ্ঠান গঠনে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ সময়ের দাবি।

    প্রস্তাবিত চারটি বিষয় ছিল নিম্নরূপ:
    ১. নকলমুক্ত পরীক্ষার পরিবেশ নিশ্চিতকরণ
    পরীক্ষাকেন্দ্রে নকল প্রবণতা রোধে পরীক্ষার সময়কালীন কঠোর নজরদারি এবং অননুমোদিত প্রবেশ নিষিদ্ধ করার দাবি জানানো হয়। পরীক্ষার সময় পরীক্ষাকেন্দ্র ও সংশ্লিষ্ট এলাকায় ১৪৪ ধারা-সদৃশ শৃঙ্খলা ব্যবস্থা কার্যকর করার আহ্বান জানানো হয়।
    ২. আবাসন ব্যবস্থার উন্নয়ন
    শিক্ষার্থীদের আবাসন সংকট, অস্বাস্থ্যকর স্যানিটেশন ও নিরাপত্তার অভাব তুলে ধরে দ্রুত হল সংস্কার ও বাসযোগ্য পরিবেশ নিশ্চিত করার দাবি জানানো হয়।
    ৩. ল্যাবরেটরি আধুনিকায়ন
    নষ্ট ও অচল যন্ত্রপাতির কারণে শিক্ষার্থীরা ব্যবহারিক শিক্ষায় পিছিয়ে পড়ছে—এমন অভিযোগ এনে আধুনিক যন্ত্রপাতি সরবরাহ ও কার্যকর ল্যাব পরিবেশ নিশ্চিত করার অনুরোধ জানানো হয়।
    ৪. “৩৬শে জুলাই কর্নার” প্রতিষ্ঠা
    ২০২৪ সালের ৩৬শে জুলাই কোটা সংস্কার আন্দোলনে কুমিল্লা পলিটেকনিকের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার স্মরণে ইনস্টিটিউটের লাইব্রেরিতে একটি ঐতিহাসিক তথ্যসংগ্রহ কর্নার প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব রাখা হয়।

    ছাত্রশিবিরের নেতৃবৃন্দ আশাবাদ ব্যক্ত করেন, প্রশাসন তাদের প্রস্তাবসমূহ বিবেচনায় নিয়ে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করবে এবং একটি শিক্ষাবান্ধব ও নিরাপদ ক্যাম্পাস নিশ্চিত করবে।