Author: desk

  • জামায়াতে ইসলামী চট্টগ্রাম মহানগরীর উদ্যোগে বিক্ষো-ভ

    জামায়াতে ইসলামী চট্টগ্রাম মহানগরীর উদ্যোগে বিক্ষো-ভ

    মোঃ শহিদুল ইসলাম
    বিশেষ সংবাদদাতাঃ

    গোপালগঞ্জে ছাত্রলীগের নৈরাজ্য, হামলা ও অগ্নিসংযোগের প্রতিবাদে উত্তাল হয়ে উঠেছে চট্টগ্রাম মহানগরী। বৃহস্পতিবার (১৭ জুলাই) বিকেল ৫টায় কেন্দ্র ঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী চট্টগ্রাম মহানগরীর উদ্যোগে এক বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। আন্দরকিল্লা শাহী জামে মসজিদের উত্তর গেট থেকে শুরু হয়ে মিছিলটি নগরীর গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে প্রেসক্লাব চত্বরে গিয়ে শেষ হয়।

    সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন জামায়াতের কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ও চট্টগ্রাম মহানগরীর ভারপ্রাপ্ত আমির, বিশিষ্ট পরিবেশবিদ মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম। সঞ্চালনায় ছিলেন কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ও এসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি মুহাম্মদ উল্লাহ।

    প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন:
    অধ্যক্ষ মুহাম্মদ নুরুল আমিন (মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী, চট্টগ্রাম-২)

    ডা. এ কে এম ফজলুল হক (মনোনীত প্রার্থী, চট্টগ্রাম-১০) ফয়সাল মুহাম্মদ ইউনুস (মহানগর এসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি)
    এছাড়াও নগর কর্মপরিষদ সদস্য ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

    “জুলাই চেতনার আগুনেই পতন ঘটবে ফ্যাসিবাদের—নজরুল ইসলাম বলেন,

    “১৯৪৭ সালে মুসলিম জাতীয়তাবাদের ভিত্তিতে আমরা স্বাধীনতা পেয়েছিলাম, আর ৭১-এ মুক্তিযুদ্ধ হয়েছিল ন্যায়বিচার ও মর্যাদার জন্য। কিন্তু আওয়ামী শাসন জনগণের সেই আকাঙ্ক্ষাকে রূপান্তর করেছে ফ্যাসিবাদী দুঃশাসনে।”

    তিনি আরও বলেন,
    “জুলাইয়ের শহীদ আবু সাঈদের রক্তে ফ্যাসিবাদের পতনের ঘণ্টা বাজতে শুরু করেছে। যখন দেশ ‘জুলাই বিপ্লবের’ বার্ষিকী পালন করছে, তখনই গোপালগঞ্জে সংঘটিত হামলা দেশের বিরুদ্ধে গভীর ষড়যন্ত্রের অংশ।”

    সাত দফা দাবিতে জাতীয় মহাসমাবেশ সফল করার ডাক”নজরুল ইসলাম সেনা-জনতার ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধের প্রশংসা করে বলেন—

    “এবার সময় এসেছে বৈষম্যহীন সমাজ প্রতিষ্ঠার। ইসলামী নীতিমালার ভিত্তিতেই তা সম্ভব। আগামী ১৯ জুলাইয়ের জাতীয় মহাসমাবেশে সবাইকে ঝাঁপিয়ে পড়ার আহ্বান জানাই।”

    সমাবেশে আরও উপস্থিত ছিলেন:
    হামেদ হাসান ইলাহী, আমির হোসাইন, ফারুকে আজম, ইসমাইল, সিসিএ সভাপতি সেলিম জামান, আ ম ম মসরুর হোসাইন, শহীদ ফারুকের পিতা মোহাম্মদ দুলাল প্রমুখ।

  • বাংলাদেশ সেনাবাহিনী কর্তৃক কিশোরগঞ্জ জেলার ভৈরব উপজেলায় বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা প্রদান

    বাংলাদেশ সেনাবাহিনী কর্তৃক কিশোরগঞ্জ জেলার ভৈরব উপজেলায় বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা প্রদান

    ঢাকা, ১৭ জুলাই ২০২৫ (বৃহস্পতিবার): আজ কিশোরগঞ্জ জেলার ভৈরব উপজেলার মাতৃসদন কেন্দ্রে অসহায় ও দুস্থ ব্যক্তিদের জন্য বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর উদ্যোগে বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা, চশমা বিতরণ ও ঔষধ বিতরণ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। মেডিসিন, চক্ষু ও গাইনি বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকবৃন্দের সমন্বয়ে গঠিত মেডিকেল টিম কর্তৃক প্রায় ৬ শতাধিক রোগীকে দিনব্যাপী চিকিৎসা সেবা ও ঔষধ প্রদান করা হয়। পাশাপাশি ৯০ জন চক্ষু রোগীকে চশমা প্রদান করা হয়।

    আর্ত মানবতার সেবায় সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়াতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। জনসাধারণের নিরাপত্তা নিশ্চিতের পাশাপাশি এরূপ জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম সেনাবাহিনী কর্তৃক অব্যাহত থাকবে।

  • গোপালগঞ্জে হাম-লার প্রতি-বাদ জানিয়ে ‎ময়মনসিংহ মহানগর জামায়াতের বিক্ষো-ভ

    গোপালগঞ্জে হাম-লার প্রতি-বাদ জানিয়ে ‎ময়মনসিংহ মহানগর জামায়াতের বিক্ষো-ভ

    আরিফ রববানী ময়মনসিংহ।।
    গোপালগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতৃবৃন্দের উপর ফ্যাসিস্ট ছাত্রলীগের হামলা,অগ্নিসংযোগ ও নৈরাজ্যের প্রতিবাদে
    ময়মনসিংহে বিক্ষোভ মিছিল করেছে জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীরা।

    বৃহস্পতিবার (১৭ জুলাই) বিকাল ৫টায় মহানগর জামায়াতের উদ্যোগে শহরের রেলওয়ে কৃষ্ণচূড়া চত্বর
    থেকে বিক্ষোভ মিছিল শুরু হয়ে শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে। মিছিলটিতে নেতৃত্ব দেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী কেন্দ্রীয় শুরা সদস্য,
    ‎মহানগর জামায়াতের আমির ও আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ১৫২ময়মনসিংহ-৪ আসনে জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী মাওলানা কামরুল আহসান এমরুল।

    মিছিল পূর্ব সমাবেশে গোপালগঞ্জে নারকীয় হামলার প্রতিবাদ জানিয়ে বক্তব্য রাখেন জামায়াতে মহানগর শাখার সেক্রেটারি অধ্যাপক শহীদুল্লাহ্ কায়সার, সহ-সেক্রেটারী আনোয়ার হাসান সুজন,মাহবুবুল হাসান শামীম, সাংগঠনিক সম্পাদক আল হেলাল তালুকদার প্রমূখ নেতৃবৃন্দ।

    এসময় ‎বক্তারা জানান, ২৪শের জুলাই আন্দোলনে যাদের সাহসী ভূমিকায় এদেশের মানুষ স্বাধীনতা পেয়েছে, সেই জুলাই সৈনিকদের উপর ফ্যাসিস্ট আওয়ামী সন্ত্রাসীরা হামলা চালিয়েছে। এ ঘটনার তীব্র নিন্দা জানাই। এ ঘটনায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ব্যর্থতাকে দায়ী করে আগামী ২৪ ঘন্টার মধ্যে সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তারের দাবি জানান বক্তারা। অন্যথায় জামায়তে ইসলামী জনগণকে নিয়ে আরো কঠোর আন্দোলনের হুশিয়ারী দেন তারা।

    বিক্ষোভ মিছিলে জামায়াতে মহানগর শাখার কর্মপরিষদের সদস্যবৃন্দ অংশ গ্রহণ করেন।

  • শার্শা সীমান্তে বিজিবির অভি-যানে ৪৬ লাখ টাকার চো-রাচালানের পন্য আ-টক

    শার্শা সীমান্তে বিজিবির অভি-যানে ৪৬ লাখ টাকার চো-রাচালানের পন্য আ-টক

    আজিজুল ইসলাম বাগআঁচড়া (যশোর) সংবাদদাতা : শার্শার বিভিন্ন সীমান্তে অভিযান চালিয়ে মাদকদ্রব্যসহ বিপুল পরিমান চোরাচালানী মালামাল আটক করেছে বিজিবি।

    বৃহস্পতিবার বিজিবি’র যশোর ব্যাটালিয়ন (৪৯ বিজিবি) এর টহলদল হিজলী, কাশিপুর, বেনাপোল বিওপি, বেনাপোল আইসিপির সীমান্ত এলাকায় অভিযান চালিয়ে ভারতীয় ফেন্সিডিল, শাড়ী, চকলেট, জিরা, খাদ্য সামগ্রী, ঔষধ, কীটনাশক, মোবাইল, মোবাইল চার্জার, হেডফোন, চার্জার লাইট, ব্যাটারী এবং বিভিন্ন প্রকার কসমেটিক্স সামগ্রী আটক করে। যার সিজার মুল্য ছেচল্লিশ লক্ষ তেইশ হাজার পাঁচশত টাকা।

    এ ব্যাপারে যশোর ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেঃ কর্নেল সাইফুল্লাহ্ সিদ্দিকী, এসপিপি, পিএসসি জানান, দীর্ঘদিন যাবত মাদকদ্রব্য ও চোরাচালান মালামালসহ পাচার চক্র আটকের নিমিত্তে সীমান্ত এলাকায় বিজিবিথর বিশেষ পরিকল্পনা অনুযায়ী গোয়েন্দা তৎপরতা ও আভিযানিক কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় যশোর ব্যাটালিয়নের দায়িত্বপূর্ণ সীমান্তবর্তী এলাকায় নিয়মিতভাবে অভিযান পরিচালনা করে মাদকদ্রব্য সহ বিভিন্ন ধরনের চোরাচালানী মালামাল জব্দ করা হচ্ছে। সীমান্তে বিজিবির এ ধরনের আভিযান চলমান থাকবে বলে তিনি জানান।

  • এনসিপির পদ-যাত্রায় হাম-লার প্রতি-বাদে সুজানগরে জামায়াতের বিক্ষো-ভ মিছিল ও সমাবেশ

    এনসিপির পদ-যাত্রায় হাম-লার প্রতি-বাদে সুজানগরে জামায়াতের বিক্ষো-ভ মিছিল ও সমাবেশ

    এম এ আলিম রিপন,সুজানগরঃ গোপালগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) নেতাকর্মীদের উপর হামলার প্রতিবাদে সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তার দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সুজানগর উপজেলা শাখা।
    বৃহস্পতিবার বিক্ষোভ মিছিলটি সুজানগর পৌর শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে দলটির দলীয় কার্যালয়ের সামনে এক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
    উপজেলা জামায়াতের আমীর ও ৬৯ পাবনা-২ আসনের জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী অধ্যাপক কে,এম হেসাব উদ্দিনের সভাপতিত্বে ও উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারী টুটুল হোসাইন বিশ্বাসের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সমাবেশে বক্তব্য রাখেন উপজেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর অধ্যাপক ফারুক-ই আযম, পৌর জামায়াতের আমীর রফিকুল ইসলাম, পৌর জামায়াতের সেক্রেটারী মকবুল হোসেন(বকুল মাস্টার), জামায়াত নেতা ও সাবেক কাউন্সিলর ওয়ালিউল্লাহ বিশ্বাস এবং সাবেক পৌর কাউন্সিলর ও জামায়াত নেতা মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তাক প্রমুখ।
    সমাবেশে সভাপতির বক্তব্যে উপজেলা জামায়াতের আমীর ও ৬৯ পাবনা-২ আসনের জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী অধ্যাপক কেএম হেসাব উদ্দিন বলেন, যারা বিগত ১৭ বছর ফ্যাসিজম কায়েম করেছিল তারা ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে এই দেশ থেকে বিতাড়িত হয়েছে। কিন্তু বছর না যেতেই এই সন্ত্রাসী আওয়ামী সংগঠন কিভাবে অস্ত্র হাতে গোপালগঞ্জে হামলা চালিয়েছে তা উদ্বেগের। গোপালগঞ্জে এনসিপির কর্মসূচি ঘিরে নেতাকর্মীদের উপর যে হামলা দেশের গণতন্ত্রের জন্য চরম হুমকি। তাই ফ্যাসবাদী আগ্রাসনকে রুখে দিতে সকল রাজনৈতিক দলকে ঐক্যবদ্ধ হবার পাশাপাশি হামলায় জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় আনতে প্রশাসনকে আরো কঠোর পদক্ষেপ নেয়ার আহ্বান জানান।

    সুজানগর(পাবনা)প্রতিনিধি।।

  • চতুর্থবারের মত রাজশাহী জেলার শ্রেষ্ঠ ওসি হিসেবে নির্বাচিত গোদাগাড়ী মডেল থানার ওসি  রুহুল আমিন

    চতুর্থবারের মত রাজশাহী জেলার শ্রেষ্ঠ ওসি হিসেবে নির্বাচিত গোদাগাড়ী মডেল থানার ওসি রুহুল আমিন

    রাজশাহী থেকে মোঃ হায়দার আলীঃ রাজশাহী জেলার গোদাগাড়ী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মুহাম্মদ রুহুল আমিন আবারও চতুর্থবারের মত রাজশাহী জেলার শ্রেষ্ঠ ওসি হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন। জুন মাসের মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভায় আজ বৃহস্পতিবার (১৭ই জুলাই) তাকে এই স্বীকৃতি প্রদান করা হয়।

    জেলা পুলিশ আয়োজিত অপরাধ সভায় পুলিশ সুপারসহ অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে তাঁকে আনুষ্ঠানিকভাবে পুরস্কৃত করা হয়। এর আগে গত ১৮ মে এবং গত ১৭ এপ্রিল ২০২৫ সালে রাজশাহী রেঞ্জ পুলিশের মাসিক অপরাধ সভায়ও তিনি শ্রেষ্ঠ ওসি হিসেবে স্বীকৃতি পান। এবার পরপর চতুর্থবার এই সম্মাননা তাঁর পেশাদারিত্ব ও ধারাবাহিক সফলতার প্রতিফলন।

    ওসি রুহুল আমিন গোদাগাড়ী থানায় যোগদানের পর থেকেই মাদক বিরোধী অভিযান, কিশোর গ্যাং নির্মূল, নারী ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধ, কমিউনিটি পুলিশিং এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সচেতনতামূলক কার্যক্রমে সক্রিয় ভূমিকা রেখে চলেছেন। তাঁর মানবিক ও জনবান্ধব পুলিশিংয়ের কারণে তিনি সাধারণ মানুষের আস্থাভাজন হয়ে উঠেছেন।

    পুরস্কার গ্রহণের পর ওসি রুহুল আমিন বলেন, এই সম্মাননা গোদাগাড়ী থানার সকল পুলিশ সদস্যের সম্মিলিত পরিশ্রমের ফল। জনগণের জন্য কাজ করাই আমাদের প্রধান লক্ষ্য।

    স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও সুশীল সমাজের সদস্যরা জানান, ওসি রুহুল আমিন একজন মানবিক, দক্ষ ও দায়িত্বশীল কর্মকর্তা। তাঁর নেতৃত্বে গোদাগাড়ী থানার সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি দৃশ্যমান উন্নতি লাভ করেছে।

    সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, গোদাগাড়ী থানার এই সফল নেতৃত্ব রাজশাহী জেলার জন্য একটি অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।

    মোঃ হায়দার আলী
    নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহী।

  • পাইকগাছা হাসপাতালে রোগীর স্বজনদের মা-রামারি দেখে বৃদ্ধার মৃ-ত্যু

    পাইকগাছা হাসপাতালে রোগীর স্বজনদের মা-রামারি দেখে বৃদ্ধার মৃ-ত্যু

    পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি।।

    খুলনার পাইকগাছা হাসপাতালে তুচ্ছ ঘটনায় দুই রোগীর স্বজনদের মধ্যে সৃষ্ট মারামারি দেখে একজন বৃদ্ধা রোগী মারা গেছেন বলে জানা গেছে। এ ঘটনায় মামলা করা হবে বলে মৃত্যুের স্বজনরা জানিয়েছেন। জানা যায়, উপজেলার আরাজি ভবানীপুর গ্রামের আলী সানার স্ত্রী খুকুমণি (৭৫) কে অসুস্থ অবস্থায় তার মেয়ে আসমা খাতুন ও ছেলে হাফিজুর রহমান হাসপাতালে ভর্তি করে। ২০ দিন আগে তাদের আব্বাও মারা যান। পাইকগাছা হাসপাতালে তুচ্ছ ঘটনায় দুই রোগীর স্বজনদের মারামারি দেখে বৃদ্ধার মৃত্যু হয় বলে মৃত্যুের স্বজন আশরাফুল ইসলাম জানান। ঘটনাটি ঘটেছে বৃহস্পতিবার দুপুর পৌনে ১ টার দিকে। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্রে জানাগেছে, উপজেলার আলমতলা গ্রামের মৃত হোসেন আলী মালীর ছেলে মোকছেদ মালী হাসপাতালে ভর্তি হয়।

    বৃহস্পতিবার সকালে উপজেলার আরাজী ভবানীপুর গ্রামের আলী সানার স্ত্রী খুকুমনি বেগম (৭৫) হাসপাতালে ভর্তি হয়। উভয়ের বেড পাশাপাশি ছিল। বিদ্যুৎ এর মালটি প্লাগের মাধ্যমে ফ্যানের লাইনের তার খুলে যাওয়ায় কথা কাটাকাটির এক পর্যয়ে মোকছেদের স্বজনরা খুকু মনির সন্তানকে মারপিট করতে থাকলে তিনি চিৎকার করার এক পর্যায়ে মারা যান।হাসপাতালে কর্তব্যরত চিকিৎসক সজ্ঞয় কুমার মন্ডল জানান, হার্ট এ্যাটাকে খুকুমণি মৃত্যু হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

    সহকারী পুলিশ সুপার ডি সার্কেল আরিফুল ইসলাম ঘটনাস্থলে যান এবং নিহতের পরিবারের সাথে কথা বলেন। বিষয়টি মারামারি সংক্রান্ত কোন বিষয় নয়। ২০ দিন আগে তার স্বামীও মারা যান একারণে তিনি খুবই শোকাহত ছিলেন। অধিক শোকে তার মৃত্যু হতে পারে বলে তিনি জানান।

    প্রেরক,

    ইমদাদুল হক,
    পাইকগাছা,খুলনা

  • খুলনার পাইকগাছা ও কয়রাবাসীর প্রাণের দাবি শিববাটি ব্রীজের টোল স্থায়ীভাবে অব-মুক্ত দাবিতে মানববন্ধন

    খুলনার পাইকগাছা ও কয়রাবাসীর প্রাণের দাবি শিববাটি ব্রীজের টোল স্থায়ীভাবে অব-মুক্ত দাবিতে মানববন্ধন

    ইমদাদুল হক, পাইকগাছা (খুলনা) ।।

    খুলনার পাইকগাছা ও কয়রা বাসীর প্রাণের দাবি শিববাটি ব্রীজের টোল স্থায়ীভাবে অবমুক্ত করার দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    বৃহস্পতিবার বিকাল তিনটায় ছাত্রজনতার ব্যানারে ব্যানারে আয়োজিত বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধনে সব শ্রেণীর পেশার মানুষ অংশগ্রহণ করেন। বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন, অ্যাডভোকেট রুহুল আমিন, এসকে মহিবুল্লাহ, আব্দুল কাদের নয়ন, তামিম রায়হান,আল মামুন, আবদুল্লাহ আল মামুন,হাফিজ বিন তারেক, হাফিজ আল আসাদ, আরিফুল ইসলাম রনি, তানভীর হোসেন, গাজী শহিদুল ইসলাম, ফসিয়ার রহমান প্রমুখ।

    মানববন্ধনে বিভিন্ন লেখা প্ল্যাকার্ড হাতে নিয়ে সারিবদ্ধভাবে শান্তিপূর্ণ ভাবে সরকারের কাছে দাবি জানানো হয় শিববাটি ব্রীজের টোল স্থায়ীভাবে অবমুক্তির দাবি। সড়ক ও জনপথ (সওজ) সূত্রে জানা যায়, ২০১০ সালে সেতু দুটি দিয়ে যানবাহন চলাচল শুরু হয়। খুলনা-এর অধীন বেতগ্রাম-তালা-পাইকগাছা-কয়রা (জেড-৭৬০৪) জেলা মহাসড়কের ৩৩তম কিলোমিটারে অবস্থিত শিবসা সেতু হতে পারাপারকারী যানবাহনের টোল আদায়ের নিমিত্তে ইজারা প্রদান করা হয়। গত বছরের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের পর তারা শিববাটি ব্রীজের টোল ঘর ভাংচুর ও টোল আদায় বন্ধ করে দেয়। এতে ছাত্রদের প্রতি সাধুবাদ জানিয়ে স্বস্তি প্রকাশ করেন জনপদের সাধারণ মানুষ। এসময় তারা স্থায়ী টোল আদায় বন্ধে সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি জোর দাবি জানান। সেই থেকে বেশ কিছুদিন টোল আদায় বন্ধ থাকার পর সম্প্রতি ইজারাদারের পক্ষে ফের টোল আদায় শুরু হয়।

    পাইকগাছা ও কয়রা প্রধান সড়কের শিববাটিস্থ কপোতাক্ষ নদের উপর সড়ক বিভাগের অর্থায়নে ব্রীজটি নির্মাণ হয়। এরপর প্রতিদিন ব্রীজটি দিয়ে পাইকগাছা-কয়রা-আশাশুনিসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তের হাজার হাজার মানুষ বিভিন্ন প্রয়োজনে চলাচলের পাশাপাশি নানা ধরনের শত শত যানবাহন চলাচল করে ব্রীজের উপর দিয়ে। আমরা সরকারের কাছে দাবি জানাই,এই অঞ্চলের মানুষের সুবিধার কথা বিবেচনা করে শিববাড়ি ব্রীজের টোল স্থায়ীভাবে অবমুক্ত করা।

    পাইকগাছা হাসপাতালে রোগীর স্বজনদের মারামারি দেখে বৃদ্ধার মৃত্যু

    পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি।।

    খুলনার পাইকগাছা হাসপাতালে তুচ্ছ ঘটনায় দুই রোগীর স্বজনদের মধ্যে সৃষ্ট মারামারি দেখে একজন বৃদ্ধা রোগী মারা গেছেন বলে জানা গেছে। এ ঘটনায় মামলা করা হবে বলে মৃত্যুের স্বজনরা জানিয়েছেন। জানা যায়, উপজেলার আরাজি ভবানীপুর গ্রামের আলী সানার স্ত্রী খুকুমণি (৭৫) কে অসুস্থ অবস্থায় তার মেয়ে আসমা খাতুন ও ছেলে হাফিজুর রহমান হাসপাতালে ভর্তি করে। ২০ দিন আগে তাদের আব্বাও মারা যান। পাইকগাছা হাসপাতালে তুচ্ছ ঘটনায় দুই রোগীর স্বজনদের মারামারি দেখে বৃদ্ধার মৃত্যু হয় বলে মৃত্যুের স্বজন আশরাফুল ইসলাম জানান। ঘটনাটি ঘটেছে বৃহস্পতিবার দুপুর পৌনে ১ টার দিকে। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্রে জানাগেছে, উপজেলার আলমতলা গ্রামের মৃত হোসেন আলী মালীর ছেলে মোকছেদ মালী হাসপাতালে ভর্তি হয়।

    বৃহস্পতিবার সকালে উপজেলার আরাজী ভবানীপুর গ্রামের আলী সানার স্ত্রী খুকুমনি বেগম (৭৫) হাসপাতালে ভর্তি হয়। উভয়ের বেড পাশাপাশি ছিল। বিদ্যুৎ এর মালটি প্লাগের মাধ্যমে ফ্যানের লাইনের তার খুলে যাওয়ায় কথা কাটাকাটির এক পর্যয়ে মোকছেদের স্বজনরা খুকু মনির সন্তানকে মারপিট করতে থাকলে তিনি চিৎকার করার এক পর্যায়ে মারা যান।হাসপাতালে কর্তব্যরত চিকিৎসক সজ্ঞয় কুমার মন্ডল জানান, হার্ট এ্যাটাকে খুকুমণি মৃত্যু হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

    সহকারী পুলিশ সুপার ডি সার্কেল আরিফুল ইসলাম ঘটনাস্থলে যান এবং নিহতের পরিবারের সাথে কথা বলেন। বিষয়টি মারামারি সংক্রান্ত কোন বিষয় নয়। ২০ দিন আগে তার স্বামীও মারা যান একারণে তিনি খুবই শোকাহত ছিলেন। অধিক শোকে তার মৃত্যু হতে পারে বলে তিনি জানান।

    ইমদাদুল হক,
    পাইকগাছা,খুলনা।

  • অর্থের বিনি-ময়ে পলাশবাড়ীর খাদ্য বান্ধব ডিলার নিয়ো-গের অভি-যোগ লাপা-ত্তা টিসিএফ

    অর্থের বিনি-ময়ে পলাশবাড়ীর খাদ্য বান্ধব ডিলার নিয়ো-গের অভি-যোগ লাপা-ত্তা টিসিএফ

    আমিরুল ইসলাম কবির,
    স্টাফ রিপোর্টারঃ

    গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলায় অর্থের বিনিময়ে ও ভাগ বাটোয়ারার মাধ্যমে ব্যবসায়ী নন এমন ব্যক্তিদের ডিলার হিসাবে নিয়োগ প্রদানের পর হতে নিজ কার্যালয়ে আসছেন না উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক (টিসিএফ) মমিনুর রশিদ সিদ্দিকী। এ নিয়োগ প্রদানের পর হতে তিনি গত ৪দিন যাবৎ লাপাত্তা রয়েছেন।

    সূত্রে প্রকাশ,খাদ্য মন্ত্রণালয়ের ১২ই মার্চ ২০২৫ খ্রি. তারিখের ১৩,০০,০০০,০০০,০৪৬,৩৬,০০০১,২০.৮৩ নং স্মারক ও খাদ্যবান্ধব কর্মসূচি নীতিমালা,২০২৪ এর নীতি ৫ এর উপনীতি ৫.২ এর ক্রমিক (ট) অনুযায়ী উপজেলা কমিটির অনুমোদনক্রমে পলাশবাড়ী উপজেলার ৮ (আট)’টি ইউনিয়নের জন্য খাদ্য বান্ধব ২১ জন ডিলার নিয়োগ করার আদেশ প্রদান করেন।

    গত ৯ই জুলাই ২০২৫ ইং তারিখে উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মমিনুর রশিদ সিদ্দিকী স্বাক্ষরিত পত্রে এ নিয়োগ চুড়ান্ত করা হয়। এরপর হতে স্থানীয় ব্যবসায়ীরা উক্ত নিয়োগ বাতিলের ও লটারির মাধ্যমে ডিলার নিয়োগের দাবী জানিয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর অভিযোগ দাখিল করেছেন।

    তবে অনিয়মের বিষয়ে জানাতে উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক ও নিয়োগ কমিটির সদস্য সচিব মমিনুর রশিদ সিদ্দিকী’কে একাধিক বার ফোন করে বা অফিসে গিয়েও তাকে পাওয়া যায়নি।

    এদিকে,পলাশবাড়ী উপজেলা নির্বাহী অফিসার নাজমুল আলমের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি জানান,এবিষয়ে খাদ্য কর্মকর্তা বলতে পারবেন।

    উল্লেখ্য,পলাশবাড়ী উপজেলার ৮ টি ইউনিয়নে খাদ্য বান্ধব ডিলার নিয়োগের আবেদন করেন মোট ৮২ জন ব্যবসায়ী। এর মধ্যে হতে অর্থের বিনিময়ে ও ভাগ বাটোয়ারা করে ব্যবসায়ী নন এমন ব্যক্তিসহ ২১ জন’কে খাদ্য বান্ধব ডিলার নিয়োগ প্রদান করায় ব্যবসায়ী সমাজের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভ বিরাজ করছে এবং পলাশবাড়ীতে সর্ব মহলে সমালোচনার ঝড় বওয়ায় বিষয়টি টক অব দ্যা টাউনে পরিণত হয়েছে।

    এ ব্যাপারে ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী সহ সচেতন অভিজ্ঞমহল সংশ্লিষ্ট উর্ধতন কর্তৃপক্ষের জরুরী হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।।

  • আলোচনায় নেই, স্মৃতি-তে নেই—জুলাই শ-হীদ দিবসে উ-পেক্ষিত অ-ন্ধ শিক্ষার্থী

    আলোচনায় নেই, স্মৃতি-তে নেই—জুলাই শ-হীদ দিবসে উ-পেক্ষিত অ-ন্ধ শিক্ষার্থী

    কুমিল্লা থেকে তরিকুল ইসলাম তরুন,
    কুমিল্লা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট | ১৭ জুলাই ২০২৫, বৃহস্পতিবার

    কুমিল্লা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের উদ্যোগে আজ ১৬ই জুলাই উপলক্ষ্যে দোয়া ও আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। ২০২৩ সালের ঐতিহাসিক ছাত্র আন্দোলনের স্মরণে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন ইনস্টিটিউটের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীরা।

    অনুষ্ঠানে শহিদদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন এবং বিশেষ মোনাজাত করা হলেও, অবহেলার শিকার হয়েছেন সেইসব শিক্ষার্থীরা—যারা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে আন্দোলনে অংশ নিয়েছিলেন এবং কেউ কেউ মারাত্মকভাবে আহত হয়েছিলেন। তাঁদের কেউই আমন্ত্রিত ছিলেন না, এমনকি অনেকেই জানতেনই না এই অনুষ্ঠানের বিষয়ে।

    আন্দোলনে চোখ হারানো শিক্ষার্থী মেহেদি হাসান শুভ বলেন,
    “যেদিন আমরা রক্ত দিয়েছিলাম, সেই দিনের আয়োজনেও আমাদের নামটুকু পর্যন্ত উচ্চারণ করা হয়নি—এটা কেবল কষ্ট নয়, অসম্মানেরও।”

    অনেকেই মনে করছেন, শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানো হলেও আহতদের প্রতি যে অবজ্ঞা দেখানো হয়েছে, তা আন্দোলনের ইতিহাসকেই আংশিকভাবে তুলে ধরার নামান্তর। এমন আচরণে শহিদের মর্যাদাও একপ্রকার খাটো হয় বলে মত দেন অনেকে।

    উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ১৬ জুলাই কুমিল্লা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে ছাত্র আন্দোলনে পুলিশের দমন-পীড়নে বহু শিক্ষার্থী আহত হন। একজন শিক্ষার্থী চোখ হারান, অনেকে গুরুতর আহত হয়ে দীর্ঘদিন চিকিৎসাধীন ছিল।

    আহত শিক্ষার্থী মো: তৌকির আহমেদ বলেন,
    “আমরা আজও সেই দিনের যন্ত্রণা নিয়ে বেঁচে আছি, অথচ আমাদের কষ্ট কেউ মনে রাখেনি। শুধু শহিদদের নাম বললেই দায়িত্ব শেষ হয় না।”

    অনেকের মতে, এমন উপেক্ষা শুধু আহতদের নয়, বরং পুরো আন্দোলনের চেতনাকেই খাটো করে দেয়। আত্মত্যাগের ইতিহাসকে পূর্ণতা দিতে হলে শহিদ ও আহত—উভয় পক্ষের সম্মান ও স্বীকৃতি একসাথেই নিশ্চিত করতে হবে।

    এই ঘটনার মাধ্যমে আহতদের অবদানকে অস্বীকার করা হচ্ছে। তারা দাবি জানায়, ভবিষ্যতে এ ধরনের উদ্যোগে যেন আহতদের সম্মান ও অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা হয়।

    এই বিষয়ে প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তারা কোনো বক্তব্য দিতে আগ্রহ প্রকাশ করেনি এবং বিষয়টিকে গুরুত্ব দিতেও দেখা যায়নি।