Author: desk

  • সাঁকোয়া ব্রীজ এলাকায় ইপিজেড এর দাবীতে গাইবান্ধাবাসীর মান-ববন্ধন ও বিক্ষো-ভ সমাবেশ

    সাঁকোয়া ব্রীজ এলাকায় ইপিজেড এর দাবীতে গাইবান্ধাবাসীর মান-ববন্ধন ও বিক্ষো-ভ সমাবেশ

    আমিরুল ইসলাম কবির,
    স্টাফ রিপোর্টারঃ

    গাইবান্ধা-পলাশবাড়ী সড়কের সাঁকোয়া ব্রীজ এলাকায় ইপিজেড স্থাপনের দাবিতে সাকোয়া ব্রীজ ইপিজেড বাস্তবায়ন মঞ্চ,গাইবান্ধা’র উদ্যোগে এক মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    ১৮ই জুলাই শুক্রবার সকালে গাইবান্ধা পৌর শহরের গানাসাস মার্কেটের সামনে এ মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সাকোয়া ব্রিজ ইপিজেড বাস্তবায়ন মঞ্চ এর সভাপতি এ্যাড.কুশলাশীষ চক্রবর্তীর সভাপতিত্বে সাধারণ সম্পাদক এ্যাড.ফারুক কবীরের আহ্বানে অনুষ্ঠিত এ কর্মসূচিতে বক্তব্য রাখেন জেলা বারের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম বাবু,সামাজিক সংগ্রাম পরিষদের আহ্বায়ক জাহাঙ্গীর কবির তনু,গাইবান্ধা জেলা বারের সদস্য এ্যাড.মোহাম্মদ আলী প্রামানিক,রবিদাশ ফোরামের সভাপতি সুনীল রবিদাস,রবিদাস ফোরামের সাধারণ সম্পাদক খিলন রবিদাস,আইনজীবী সহকারী আব্দুল হাই,সমাজকর্মী মনির হোসেন সুইট,সাদেকুল ইসলাম, জিহাদ প্রধান,মানবাধিকার কর্মী কাজি আব্দুল খালেক,সোমা ইসলাম,কাজি আব্দুল ওয়াদুদসহ অন্যান্যরা।

    বক্তারা বলেন,গাইবান্ধা আজ উন্নয়ন থেকে ছিটকে পড়া এক পকেট শহরে পরিনত হয়েছে। যেখানে নেই শিল্প,নেই কর্মসংস্থান,নেই সম্ভাবনার সদ্ব্যবহার। অথচ এই জনপদের পাশে,সাঁকোয়া ব্রিজ এলাকায় যদি ইপিজেড গড়ে ওঠে,তাহলে গোটা জেলার চিত্রই বদলে যাবে। তারা বলেন,গাইবান্ধার সাবেক জেলা প্রশাসক ড.কাজী আনোয়ারুল হক এই এলাকাকে কেন্দ্র করে ইপিজেড গঠনের সুপারিশ পাঠিয়েছিলেন, যেটি গাইবান্ধাবাসী আন্তরিকভাবে সমর্থন করেছিল।
    দুঃখজনক হলেও সত্য,কিছু স্বার্থান্বেষী মহল ষড়যন্ত্র করে এই প্রস্তাব বাতিল করে আদিবাসী সাঁওতাল পল্লীর মত একটি বিরোধপূর্ণ এলাকায় ইপিজেড স্থাপনের চেষ্টা করছে,যা মানবিক ও সুশিল মানুষের আপত্তির মুখে ইতিমধ্যেই প্রত্যাখ্যাত হয়েছে। আগামীতে নির্যাতিত মানুষের পক্ষেই থাকবে গাইবান্ধার সচেতন মানুষ।

    বক্তারা বলেন,সাঁকোয়া এলাকায় ইপিজেড হলে রয়েছে সহজ যোগাযোগ,রেলপথ,রাজপথ,নৌপথ,এমনকি হেলিপ্যাডও নিকটেই। এতে বিনিয়োগকারীদের আকর্ষণ বাড়বে,কর্মসংস্থান হবে হাজারো মানুষের।
    সুন্দরগঞ্জ,সাঘাটা,ফুলছড়ি,
    পলাশবাড়ী,গোবিন্দগঞ্জসহ আশপাশের উপজেলার মানুষ ও আশপাশের জেলার মানুষ সহজেই যাতায়াত করতে পারবে। গাইবান্ধা জেলার সাথে চারিদিকে সারাদেশ ও বিশ্ব সংযোগ রয়েছে,তাই অঞ্চলটি ইপিজেড এর জন্য হতে পারে আদর্শতম স্থান।
    তারা আক্ষেপ করে বলেন, গাইবান্ধার উন্নয়নকে উপেক্ষা ও পরিবেশগত (ঊওঅ) সামাজিক প্রভাব (ঝওঅ) মূল্যায়ন ছাড়াই বর্তমান জেলা প্রশাসকের একতরফা সিদ্ধান্তে গোবিন্দগঞ্জের সাঁওতালদের দাবীকৃত বিতর্কিত উর্বরা ফসলী জমিতে ইপিজেড করার ঘোষণা শুধু অনৈতিকই নয়,গাইবান্ধাবাসীর সঙ্গে চরম অবিচার। একটি নবীন রাজনৈতিক দলের প্রভাবিত সিদ্ধান্তে জেলার ৯০% মানুষের স্বার্থ জলাঞ্জলি দেয়া হয়েছে। গাইবান্ধা চেম্বার অব কমার্স-ও প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে এই প্রস্তাবনায় সহযোগিতা করে।
    সমাবেশ থেকে বক্তারা গাইবান্ধার উন্নয়নে গাইবান্ধা সাঁকোয়া ব্রীজ এলাকায় অবিলম্বে ইপিজেড বাস্তবায়ন,বালাসীঘাট থেকে বাহাদুরাবাদ পর্যন্ত টানেল/সেতু নির্মাণ,গাইবান্ধায় পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় ও মেডিকেল কলেজ প্রতিষ্ঠা,গ্যাস সংযোগ ও আধুনিক রেল যোগাযোগ,সদর হাসপাতালের দ্রুত আধুনিকীকরণের দাবী জানান।

    সমাবেশের শেষে বক্তারা আহ্বান জানান,এসো দলমত নির্বিশেষে গাইবান্ধা উন্নয়নের লক্ষ্যে এক হই। ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য এক বাস্তব স্বপ্ন গড়ে তুলি। তারা বলেন,এই আন্দোলন কোনো ব্যক্তি বা দলের নয় এটা গাইবান্ধার অস্তিত্ব রক্ষার সংগ্রাম। এই জনপদের মানুষ উন্নয়নের আলো দেখতে চায়,কাজের সুযোগ চায়, স্বপ্নপূরণের পথ চায়। সেই পথ শুরু হোক সাঁকোয়া ব্রীজ এলাকায় ইপিজেড বাস্তবায়নের মধ্য দিয়ে।।

  • ঝালকাঠির নলছিটিতে তারেক রহমানকে নিয়ে কুরু-চিপূর্ণ বক্তব্যের প্রতি-বাদে বিক্ষো-ভ  সমাবেশ অনুষ্ঠিত

    ঝালকাঠির নলছিটিতে তারেক রহমানকে নিয়ে কুরু-চিপূর্ণ বক্তব্যের প্রতি-বাদে বিক্ষো-ভ  সমাবেশ অনুষ্ঠিত

    ঝালকাঠি প্রতিনিধিঃ মোঃ নাঈম মল্লিক

    সারা দেশে প্রশাসনের নির্লিপ্ততায় আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ও ষড়যন্ত্রমূলকভাবে দেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টার প্রতিবাদে নলছিটি রানাপাশা ইউনিয়নে  বিক্ষোভ মিছিল করেছে ইউনিয়ন বিএনপি ও সহযোগী সংগঠন।

    শুক্রবার (১৮ জুলাই) বিকাল ৫ :০০ টায় রানাপাশা ইউনিয়নের তেতুলবাড়িয়া বাজারে এ বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। 

     সমাবেশে  সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখেন নলছিটি উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক সাইদুল ইসলাম রনি, রানাপাশা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মুজিবুর রহমান,সাধারণ, সম্পাদক নেছাহাব আলী  কামরুল, ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ন আহবায়ক  সিরাজুল ইসলাম সজল , সদস্য সচিব উজ্জ্বল খান, ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি আব্দুল কুদ্দুস মোল্লা,  নেতা মোস্তফা কামাল,ফিরোজ মুন্সী,  ছাত্রনেতা হাসিব বিল্লাহ সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ। 

    এ সময় বক্তারা বলেন, তারেক রহমানকে নিয়ে কুরুচিপূর্ণ বক্তব্য দিলে তাকে দাঁতভাঙ্গা জবাব দেওয়া হবে। ইসলামী আন্দোলনের নেতাকর্মীকে উদ্দেশ্য  করে বলেন, এখন পর্যন্ত বাংলাদেশে কোন একটি সংসদীয় আসন  তারা আজ পর্যন্ত পাইনি তাদের মুখে তারেক জিয়াকে নিয়ে আলোচনা মানায় না। 

    বক্তারা আরো বলেন, ‘আওয়ামী লীগ সরকারকে হটাতে বিএনপির প্রতিটি নেতাকর্মী রাজপথে থেকে আন্দোলন সংগ্রাম করেছে। মামলা-হামলা, গুম-খুনের শিকার হয়েছে। অথচ ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পরে বিএনপির বিরুদ্ধে নতুন করে ষড়যন্ত্র শুরু করেছে একটি মহল। এ ষড়যন্ত্রের দাঁতভাঙা জবাব রাজপথে থেকে দেওয়া হবে।

  • দায়িত্বশীল ক-র্মীবাহিনী ছাড়া সমাজ পরি-বর্তনের সংগ্রাম সম্ভব ন-য় — সভাপতি মিজান খান

    দায়িত্বশীল ক-র্মীবাহিনী ছাড়া সমাজ পরি-বর্তনের সংগ্রাম সম্ভব ন-য় — সভাপতি মিজান খান

    শহিদুল ইসলাম,
    নিজস্ব প্রতিবেদক,চট্টগ্রামঃ

    বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী, ইপিজেড থানার আওতাধীন ৩৯ নম্বর দক্ষিণ এমারত ওয়ার্ড এবং সাংগঠনিক দারুস সালাম ওয়ার্ডের উদ্যোগে এক বর্ণাঢ্য ও দৃঢ়সংগঠিত টিএস (Training & Study) কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে উপস্থিত থেকে সংগঠনের বিভিন্ন স্তরের নেতৃবৃন্দ গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।

    অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ওয়ার্ড জামায়াতের সম্মানিত আমীর জনাব ওসমান গনি।
    বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইপিজেড থানা কর্মপরিষদের সক্রিয় সদস্য জনাব মোঃ মুজাম্মেল হক।
    অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন দারুস সালাম ওয়ার্ড জামায়াতের প্রজ্ঞাবান সভাপতি মোঃ মিজান খান।

    অদ্বিতীয় সাংগঠনিক দৃঢ়তা গড়ার আহ্বান
    প্রধান অতিথির বক্তব্যে ওসমান গনি বলেন,> “সাংগঠনিকভাবে নিজেকে প্রস্তুত রাখতে হলে আদর্শিক দৃঢ়তা ও ধারাবাহিক প্রশিক্ষণের কোনো বিকল্প নেই। দ্বীন প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে আল্লাহর সৈনিক হিসেবে নিজেদের গড়ে তুলতে হবে। প্রত্যেক কর্মীর মধ্যে যেন নেতৃত্ব ও তাকওয়ার সমন্বয় ঘটে।”

    সত্য ও আদর্শে সুসংগঠিত হওয়ার তাগিদ

    বিশেষ অতিথি মোঃ মুজাম্মেল হক বলেন, “সত্য ও ন্যায়ের পথে অবিচল থাকতে হলে চিন্তা-চেতনা ও কর্মপদ্ধতিতে সুসংগঠিত হওয়া জরুরি। আত্মশুদ্ধি, দায়িত্বশীলতা ও দলগত ঐক্যের মাধ্যমে সমাজ পরিবর্তন সম্ভব।”
    “টিএস প্রোগ্রামের মতো কার্যক্রম কর্মীদের মনন গঠনে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখে।”

    সভাপতির বলিষ্ঠ ভূমিকা ও দিকনির্দেশনায় ,,সভাপতির বক্তব্যে মোঃ মিজান খান বলেন, “দারুস সালাম ওয়ার্ড সবসময়ই দায়িত্বশীলতার দৃষ্টান্ত স্থাপন করে আসছে। আজকের এই প্রোগ্রামের মধ্য দিয়ে আমরা নতুন প্রজন্মের কর্মীদের চিন্তা-চেতনায় দৃঢ়তা, আদর্শিক শুদ্ধতা এবং কাফেলার প্রতি দায়িত্ববোধ জাগিয়ে তুলতে চাই।”
    “দ্বীন প্রতিষ্ঠার পথে কর্মীই হচ্ছে সংগঠনের চালিকাশক্তি। তাদের প্রস্তুত করাই আমাদের মূল লক্ষ্য।”

    প্রাণবন্ত উপস্থিতি ও দায়িত্বশীল নেতৃত্ব
    প্রোগ্রামে আরও উপস্থিত ছিলেন ওয়ার্ডের বিভিন্ন স্তরের দায়িত্বশীল নেতৃবৃন্দ। তাঁরা সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে কর্মীদের উদ্বুদ্ধ করেন এবং আগামীর সাংগঠনিক কর্মপরিকল্পনা নিয়ে দিকনির্দেশনা দেন।

    সকল বক্তার বক্তব্যে একটাই বার্তা— আদর্শিক ও সাংগঠনিক দৃঢ়তা অর্জন ছাড়া জাহেলিয়াতের মোকাবেলা সম্ভব নয়।
    উপস্থিত কর্মীদের প্রাণবন্ত অংশগ্রহণে প্রোগ্রামটি ছিল অত্যন্ত সফল, শৃঙ্খলাপূর্ণ এবং শিক্ষণীয়।

    অনুষ্ঠানটি দোয়া ও মোনাজাতের মাধ্যমে সমাপ্ত হয়।

  • বাবুগঞ্জে তিনটি ইটভাটায় অবৈ-ধ মাটি কাটায় জরি-মানা, অভি-যান চালাল উপজেলা প্রশাসন

    বাবুগঞ্জে তিনটি ইটভাটায় অবৈ-ধ মাটি কাটায় জরি-মানা, অভি-যান চালাল উপজেলা প্রশাসন

    বাবুগঞ্জ প্রতিনিধিঃ মোঃ মহিউদ্দিন খাঁন রানা।।

    বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার রহমতপুর ইউনিয়নে দোয়ারিকাতে অবৈধভাবে মাটি কাটার অভিযোগে তিনটি ইটভাটায় মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে ২ লাখ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।
    আজ বৃহস্পতিবার (১৭ জুলাই) সকাল থেকে পরিচালিত এ অভিযানে সনি ব্রিকস, ইসলাম ব্রিকস ও রাখি ব্রিকস নামক তিনটি ইটভাটায় বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন ২০১০ এর আওতায় এই জরিমানা আদায় করা হয়।
    অভিযান পরিচালনা করেন বাবুগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোঃ ফারুক আহমেদ। এ সময় সহযোগিতা করেন এয়ারপোর্ট থানা পুলিশ ও বাবুগঞ্জ থানা পুলিশের একটি টিম।

    ইউএনও মোঃ ফারুক আহমেদ জানান, “আইন লঙ্ঘন করে পরিবেশ ও কৃষিজমির ক্ষতি করে যারা মাটি কাটবে, তাদের বিরুদ্ধে নিয়মিত এই ধরনের অভিযান চালানো হবে। জনস্বার্থে উপজেলা প্রশাসনের এ অভিযান চলমান থাকবে।”

  • জাতীয় ফুল শাপলা, পাঠ্যবইয়ে আছে, গোদাগাড়ী থেকে বাস্তবে বিলু-প্তির পথে

    জাতীয় ফুল শাপলা, পাঠ্যবইয়ে আছে, গোদাগাড়ী থেকে বাস্তবে বিলু-প্তির পথে

    রাজশাহী থেকে মোঃ হায়দার আলী: রাজশাহীসহ উত্তরাঞ্চলের জেলার বিভিন্ন উপজেলার গ্রামের খাল, বিল, পুকুর নালা, ডোবা ও উন্মুক্ত জলাশয় এখন আর তেমনভাবে দেখা যাচ্ছে না গ্রামবাংলার ঐতিহ্য ও জাতীয় ফুল শাপলা ও ঢ্যাপ।

    বাংলাদেশের ইতিহাস ঐতিহ্য বহন করে জাতীয় ফুল শাপলা। বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করে শাপলা ফুল। একটি নতুন রাজনৈতিক নতুন দল দলীয় প্রতীক হিসেবে পেতে চাই শাপলা। ছোট বড় সবার কাছে সমাদৃত এ ফুল। যেকোন পুকুর, বিল, ডোবা নালায় জন্ম নিয়ে সবার দৃষ্টি আকৃষ্ট করে। কিন্তু আফসোস! প্রকৃতির বিরুপ প্রভাব, জলবায়ুর পরিবর্তন মানব সৃষ্ট প্রতিবন্ধকতায় বিলুপ্ত হচ্ছে মুক্ত জলাশয় এবং হারিয়ে যাচ্ছে শাপলা ফুল। শাপলা ফুলের সেই সমারোহ আর চোখে পড়ে না। দিনে দিনে শাপলা-শালুক যেন একেবারেই বিলুপ্ত হয়ে যাচ্ছে। অথচ আজ থেকে ১৫-২০ বছর আগেও বড় বড় পুকুর ডোবা ও বিলের বুক জুড়ে শাপলা ফুলের দৃষ্টি নন্দন সৌন্দর্য ছিলো চোখে পড়ার মতো। সে শরৎকালে দীঘিতে ও বিলের বুক জুড়ে প্রকৃতি অন্য রকম সাজে সেজে উঠত। সকালে ঘুম থেকে উঠে দেখা যেত চারদিকে ফুটন্ত সাদা এবং লাল শাপলার সমারোহ। মনে হতো এ যেন শাপলা ফুলের জগৎ।

    কিন্তু কালের বিবর্তনে হারিয়ে যাচ্ছে শাপলা ফুল। আর তার সঙ্গে বিপন্নের পথে জলাভূমির ফল ঢ্যাপ। শাপলা ফুল শুধু পরিবেশ ও প্রকৃতির সৌন্দর্যই বৃদ্ধি করে তা নয় এর রয়েছে অনেক পুষ্টি গুণ। এছাড়া এ ফুলের গাছ শিকড় ও মাথা কিছুই ফেলে দেওয়ার মতো নয়। শাপলার নরম ডাঁটা, মাথা ও গোড়ায় জন্ম নেওয়া ড্যাপ এবং শালুক সবই মুখরোচক পুষ্টি সমৃদ্ধ খাদ্য উপাদান। শাপলার গাছ বা ডাঁটা পানির গভীরতায় ১৫ থেকে ২০ ফুট পর্যন্ত লম্বা হয়। তাছাড়া মাছ-মাংস রান্নায় উৎকৃষ্ট তরকারি হিসেবে এর ডাঁটা বেশ জনপ্রিয়। শালুক আগুনে পুড়িয়ে কিংবা সেদ্ধ করে খাওয়া হয়। আগের দিনে শরতের শেষে বন্যার পানি নেমে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বিল জুড়ে শালুক তোলার ধুম পড়ে যেত। শালুক পোড়া গন্ধ এখনো প্রবীনদের শৈশবের কথা মনে করিয়ে দেয়। শাপলা, পদ্ম সাধারণত দিঘী বা বিলে ফুটে থাকে। তখন গ্রামের ছেলে-মেয়েরা সাঁতার কেটে এই ফুল তুলে আনত। শাপলাকে দুভাবে কেটে কেটে মালার মতো করে একজন অপরজনের গলায় পড়িয়ে দিত। রসবোধ সৌন্দর্য হারিয়ে যাচ্ছে মহাকালের অতল গহ্বরে। বিশেষজ্ঞদের মতে জলবায়ু ব্যাপক পরিবর্তনে আগের মতো সঠিক সময়ে বন্যা হচ্ছে না। এছাড়া আবাদি জমিতে অপরিমিত কীটনাশক ও রাসায়নিক সার প্রয়োগে অনেক শাপলা বীজ বা মাটির নিচে লুকিয়ে থাকা মা শালুক বিনষ্ট হয়ে যাচ্ছে। ফলে নতুন করে শাপলার গাছ জন্ম হচ্ছে না। এখন শরৎকাল শেষ হলেও বড় বড় দীঘি ও জলাশয়ে দেশের কোথাও সেই আগের মতো শাপলা-শালুকের দেখা মেলেনা। এ জলজ উদ্ভিদ আজ বিলুপ্তির পথে। এমন অবস্থা চলতে থাকলে আগামী ২০ বছরে শাপলার অস্তিত্ব কতটুকু টিকে থাকবে তা দেখার বিষয়।

    এলাকাবাসী বলছেন, বর্তমানে গ্রাম-বাংলায় বিভিন্ন খালেবিলে অতিরিক্ত পুকুর খনন, কৃষি জমিতে ও রাস্তার ধারের নয়নজুলি ভরাট করে স্থাপনা নির্মাণ, কৃষকদের অপরিকল্পিত রাসায়নিক সার ও কীটনাশক প্রয়োগ হও জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে দিন দিন বিলুপ্ত হয়ে যাচ্ছে এ শাপলা ফুল ও ঢ্যাপ। শাপলার ফলকেই ‘ঢ্যাপ’ বলা হয়। কিছু আঞ্চলিক নামে ‘ভেট’ বলা হয়। এক সময় গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর একটা বিরাট অংশ শাপলা ফুলের ডাঁটা তরকারি হিসেবে খেতেন। শুধু তাই নয়, এই ঢ্যাপ আমাশয়, বদ হজম এবং রক্ত আমাশয় নিরাময়ের জন্য বেশ কার্যকরী বলেও প্রচলিত রয়েছে গ্রামে।
    দেশের বিভিন্ন বিলে অপরিকল্পিত ভাবে অতিরিক্ত পুকুর খনন, কৃষি জমিতে স্থাপনা নির্মানের ফলে শাপলা ফুল আজ বিলুপ্তির পথে। বিভিন্ন বিল ও জলাশয় যেগুলোতে প্রাকৃতিক ভাবে মাছ চাষ হতো সেগুলো এখন পরিকল্পিতভাবে মাছ চাষের আওতায় নিয়ে আসার কারণে সেখানে আর শাপলা ফুল জন্মাতে পারে না। প্রাচীন কাল থেকেই শাপলার ফল (ঢ্যাপ) দিয়ে চমৎকার সুস্বাদু খৈ তৈরি হয়। অনেকে শাপলা বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করতেন। স্থানীয়ভাবে সহজলভ্য হওয়ায় এলাকার লোকজন শাপলা তুলে খাদ্য হিসেবে ব্যবহার করে বিক্রি করতো। বর্তমান সভ্যতায় বাড়তি জনগণের চাপের কারণে আবাদি জমি ভরাট করে বাড়ি, পুকুর, মাছের ঘের বানানোর ফলে বিলের পরিমাণ কমে গেছে। যার কারনে শাপলা জন্মানোর জায়গাও কমে আসছে। গ্রাম বাংলার আনাচে-কানাচে অহরহ দেখা যেত জলে ভাসা ফুলটি। তবে এখন অযত্ন আর অবহেলায় জাতীয় ফুল শাপলা হারিয়ে যাওয়ার উপক্রম হয়েছে। সকালে অথবা চাঁদনি রাতে বিলে-ঝিলে বা জলাশয়ে ফুলটি যখন অনেক ফুটে থাকে, তখন সেখানে এক অপরূপ সৌন্দর্যের সৃষ্টি হয়। বর্ষা মৌসুমে বিভিন্ন এলাকায় খাল-বিল, জলাশয় ও নিচু জায়গায় পানি জমা থাকলে সেখানেই প্রাকৃতিক ভাবেই জন্ম নেয় আমাদের জাতীয় ফুল শাপলা। দিন দিন দেশের বিল, ঝিল, খাল, নদী দখল, ভরাট, জমিতে অতি মাত্রায় কীটনাশক ব্যবহার, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে দিন দিন বিলুপ্ত হয়ে যাচ্ছে শাপলাফুল।

    কিন্তু শাপলা ফল’ বা ‘ঢ্যাপ প্রকৃতি থেকে হারিয়ে যেতে বসেছে। এক সময় গোদাগাড়ীর বিল পাতিকলা, দুর্গাদহ, সিধনা বিল, ঝিকড়া বিলসহ পুকুর, ডোবা, মুক্তজলাশয়ে এবং তানোর উপজেলার কুমারী বিল ও পুকুর, খাল ও জলাশয়ে শাপলা ফুল ফুটত। এসব খাল জলাশয়, পুকুর ও বিল থেকে শাপলা ফুল ও ঢ্যাপ তুলে উপজেলার হাট বাজারে বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করতেন অনেকেই। কিন্তু আস্তে আস্তে ভরাট হয়ে যাচ্ছে জলাশয়, খাল, বিল। অপর দিকে দুই উপজেলা সরকারী খাস পুকুর গুলো সরকারীভাবে লিজ দেয়ার কারনে বানিজ্যিক ভাবে মাছ চাষ করা হচ্ছে। ফলে দিনে দিনে হারিয়ে যাচ্ছে শাপলা ফুল ও ঢ্যাপ। শাপলার ফল বা ঢ্যাপ দিয়ে চমৎকার সুস্বাদু খই ভাজা হয়। যেটি গ্রাম-গঞ্জের মানুষের কাছে ‘ঢ্যাপের খই’ নামে পরিচিত।

    এ ঢ্যাপের মধ্যে অসংখ্য বীজদানা থাকে। এসব বীজদানা রোদে শুকিয়ে চাল তৈরি করা হয়। ঢ্যাপের পুষ্টিকর চাল থেকে তৈরি করা হয় খই ও নাড়ু। খালবিল ও জমিতে অতিমাত্রায় কীটনাশক ব্যবহার, জলবায়ু পরিবর্তন, প্রাকৃতিক জলাভূমিগুলো ধ্বংসের কারণে সুস্বাদু ঢ্যাপ বিলুপ্তি হচ্ছে বলে অনেকেই মনে করেন। গোদাগাড়ী পৌরসভার সাবেক কমিশনার মুকুল বলেন,
    আগে বাড়ির আশে পাশের পুকুর, ধানী জমির জলাশয়ে ফুটে থাকা শাপলার (লাইল) কাঁচা ও রান্না করে খাওয়ার পাশাপাশি ভ্যাট নামে পরিচিত ফল দিয়ে খই বানিয়ে খেতাম। কিন্তু এখন তো এগুলো দেখাই যায় না। যুবকেরা শাপলার ফল, ফুল সংগ্রহ করতে পানিতে নামতো ঝোঁক কামড় দিয়ে রক্তবের করে দিত। ঝোঁক মারতে সবাই লবন ( নুন) ব্যবহার করতো।

    দিগরাম উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক মোঃ ইফতিখার হোসেন বলেন, দেশে বাড়তি জনগণের চাপের কারণে পুকুর, জলাশয় ও আবাদী জমি ভরাট করে বাড়িসহ নানা স্থাপনা নির্মান, পুকুরে বানিজ্যিক ভাবে মাছ করার ফলে এখন পুকুর, জলাশয়ও নাই, তাই শাপলা ফুল আর দেখা যাচ্ছে না বলে জানান তিনি

    মুন্ডুমালা পৌর এলাকার সহকারী শিক্ষিকা আসিফা খাতুন বলেন, এক সময় তানোর বিল কুমারী বিলে প্রচুর পরিমাণে শাপলা ফুল ফুটত। কিন্তু এখন আর দেখা যাচ্ছে না। তারা বলেন, তানোর বিল কুমারী বিল থেকে হারিয়ে গেছে, জাতীয় ফুল শাপলা, শালুক, লিঘাড়, সিঙ্গার, পদ্ম ফুলসহ বিভিন্ন প্রজাতির জলজ ফুল ও ফল।

    উপজেলা কৃষি কর্মকতা মরিয়ম আহমেদ এ প্রতিবেদককে জানান, জলবায়ু ব্যাপক পরিবর্তনের ফলে সঠিক সময়ে বৃষ্টিপাত হচ্ছে না। বর্ষা শেষ না হতেই খাল-বিল ও জলাশয় গুলো শুকিয়ে যাওয়া এবং লবণাক্ততা বেশি হওয়ার ফলে এলাকায় শাপলা জন্মানোর ক্ষেত্র বিনষ্ট হচ্ছে। এছাড়া আবাদি জমিতে অনিয়ন্ত্রিত কীটনাশক ও রাসায়নিক সার প্রয়োগের ফলে অনেক শাপলা বীজ বা মাটির নিচে লুকিয়ে থাকা মা-শালুক বিনষ্ট হয়ে যাচ্ছে। যার ফলে নতুন করে শাপলার গাছ জন্মাচ্ছে না। ফলে দিনে দিনে আমাদের জাতীয় ফুল শাপলার বিলুপ্তি ঘটছে।

    গোদাগাড়ী উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফয়সাল আহমেদ বলেন, আমার বাসার সামনে একটি বড় পুকুর আছে সেখানে শাপলা আছে বেশকিছু ফুলও ফুটেছে দেখতে সুন্দর লাগে। কেউ না উঠালে, এগুলি এমনি বৃদ্ধি পেতে থাকে। জনপ্রতিনিধি, সাধারন মানুষ, শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন কাজে এসে এ শাপলা ফুলের ছবি তুলে ফেসবুকে আপলোড করে আনন্দ উপভোগ করেন। উপজেলার বিভিন্ন বিল, পুকুরে প্রচুর শাপলা ফুটতো, এখন আর এগুলি দেখা যায় না। খই, নাড়ুসহ বিভিন্ন সুস্বাদু খাবার তৈরী হত। তিনি আরও জানান, শাপলা আমাদের জাতীয় ফুল। এই জাতীয় ফুল কে রক্ষা করা আমাদের সকলের দায়িত্ব। এলাকার মানুষ ইচ্ছা করলে বাসাবাড়ীর পাশের পুকুর সুন্দর দৃশ্যের জন্য করতে পারেন।

    মোঃ হায়দার আলী
    নিজস্ব প্রতিবেদক,
    রাজশাহী,

  • নেছারাবাদে অ-জ্ঞান পার্টির খ-প্পরে প-ড়ে একই পরিবারের চারজন হাস-পাতালে

    নেছারাবাদে অ-জ্ঞান পার্টির খ-প্পরে প-ড়ে একই পরিবারের চারজন হাস-পাতালে

    নেছারাবাদ উপজেলা সংবাদদাতা।।

    নেছারাবাদে অজ্ঞান পার্টির খপ্পরে পড়া একই পরিবারের চারজনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। কি কারনে তার অজ্ঞান হয়েছে জানা যায়নি। ধারণা করা হচ্ছে খাবারের সাথে কিছু মেশানো হয়েছিলো চুরির উদ্দেশ্য।
    ঘরের সবকিছু এলোমেলো, আলমারিয়া খোলা অবস্থায় দেখা গেছে। ঘরের সদস্যরা অজ্ঞানha থাকায় দুষ্কৃতিকারীরা ঘর থেকে কি কি নিয়ে গেছে তার খবর এখনো পাওয়া যায়নি। এলাকাবাসী অজ্ঞান অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে নেছারাবাদ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেছে।

    ১৮ জুলাই শুক্রবার নেছারাবাদ উপজেলা দৈহারী ইউনিয়নের থালিয়া গ্রামের ৯নং ওয়ার্ডে ঐ ঘটনা ঘটে। অসুস্থরা হলেন- সুমন্ত সমাদ্দার (৬৫), তারা সমাদ্দার (৫৫), পলাশ সমাদ্দার (৩৫) ও তুলি সমদ্দার (২৫)।

    প্রতিবেশী বিপুল মিস্ত্রি জানান এরা চারজন একাই পরিবারের বাবা,মা ছেলে এবং ছেলের বৌ। সুমন্ত সমদ্দার এর ভাতিজা স্বপন এসে সকাল ৯টার দিকে এসে আমাকে ঘটনাটি বলে, আমি গিয়ে দেখি তারা চারজন অজ্ঞান অবস্থায় পড়ে আছে। তখন দুটি গাড়িতে করে হাসপাতালে নিয়ে আসি বাসায় কিকি ক্ষতি হয়েছে সেটা আর দেখতে পারিনায়।

    প্রতিবেশী কলার ব্যবসায়ী সেলিম জানান, সকাল বেলা আমি বাসার পাশ থেকে যাচ্ছিলাম দেখি ঘরের দরজা দেয়া কিন্তু বাতি জলে এবং ফ্যান চলে, আমি তখন ছেলের নাম ধরে ডাক দেই কিন্তু কোন সাড়াশব্দ পাইনা তখন পাশের ঘরে স্বপনকে ডেকে বলি ঘরে বাতি জলে ফ্যানচলে দরজা বন্ধ।স্বপন এসে স্ব জোরে ডাকদিলে ছেলে উঠে দরজা খুলে দেয় এবং সেখানেই পড়ে যায় তখন ঘরে ডুকে দেখি সকালে অজ্ঞান হয়ে পড়ে আছে। তখন সবাই মিলে তাদেরকে হাসপাতালে নিয়ে আসি।

    এলাকাবাসী সূত্রে জানাযায় কয়েকদিন পূর্বে সুমন্ত সমদ্দার একটি গরু বিক্রি করেছিলো হয়তো বা দুষ্কৃতিকারীরা সেই টাকা নিতে এসেছিল।তবে কি কি নিয়ে গেছে তা এখনো বলা যাচ্ছে না তারা সুস্থ হওয়ার পরে জানা যাবে।

    এ বিষয়ে নেছারাবাদ থানার ওসি বনি আমিন জানান, ঘটনাটি আমাদের কেউ জানায়নি তবে অভিযোগ পেলে আমরা বিষয়টি তদন্ত করে দেখবো।

    আনোয়ার হোসেন
    নেছারাবাদ উপজেলা সংবাদদাতা।।

  • রায়গঞ্জ-তাড়াশের সাবেক এমপি মান্নান তালুকদারের ই-ন্তেকাল

    রায়গঞ্জ-তাড়াশের সাবেক এমপি মান্নান তালুকদারের ই-ন্তেকাল

    সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি :
    সিরাজগঞ্জ-৩ রায়গঞ্জ,তাড়াশ- সলঙ্গা আসনে ৪ বারের বিএনপির সাবেক এমপি,রায়গঞ্জ- তাড়াশের নয়নমনি,বিএনপির কান্ডারি,আমাদের সকলের শ্রদ্ধাভাজন নেতা আলহাজ্ব আব্দুল মান্নান তালুকদার আর নেই। (ইন্না লিল্লাহি…..রাজিউন)। আজ শুক্রবার সকাল ১১ টার দিকে ঢাকায় তার নিজ বাস ভবনে ইন্তেকাল করিয়াছেন।
    সবাই তার জন্য দোয়া করবেন। মহান আল্লাহ তায়ালা যেন তাকে জান্নাতুল ফেরদৌসের উচ্চ মাকাম দান করেন।তার এ মৃত্যুতে নির্বাচনী এলাকায় সর্বস্তরের মধ্যে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

  • সেনবাগে সৈয়দ হারুন ফাউন্ডেশনের  উদ্দ্যোগে ১০০ জন ছাত্রছাত্রীদের মাঝে স্কুল ড্রেস বিতরণ

    সেনবাগে সৈয়দ হারুন ফাউন্ডেশনের উদ্দ্যোগে ১০০ জন ছাত্রছাত্রীদের মাঝে স্কুল ড্রেস বিতরণ

    রফিকুল ইসলাম সুমন (নোয়াখালী) ।।

    নোয়াখালীর সেনবাগে ১৭ জুলাই বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় উপজেলার মানিকপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় স্কুল হল রুমে সৈয়দ হারুন ফাউন্ডেশন- এর পক্ষ থেকে মানিকপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ১০০ জন ছাত্র-ছাত্রীর মাঝে স্কুল ড্রেস বিতরণ করা হয়েছে।উক্ত আয়োজনকে ঘিরে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে ছিল আনন্দ ও উৎসবমুখর পরিবেশ। শিক্ষার্থীদের মাঝে নতুন পোশাক বিতরণের মাধ্যমে একদিকে যেমন আনন্দের ছোঁয়া পৌঁছে দেওয়া হয়েছে, অন্যদিকে শিক্ষার প্রতি আগ্রহ ও প্রেরণাও বৃদ্ধি পেয়েছে।
    অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন- সৈয়দ রুহুল আমিন স্মৃতি একাডেমির সিইও হাজী আবদুস ছাত্তার, সমাজসেবক আবু ইউচুপ মজুমদার , ৫নং অর্জুনতলা ইউপি প্যানেল চেয়ারম্যান হাফেজ খোরশেদ আলম, বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জান্নাতুল নাহার বেগম ও সহকারী শিক্ষকবৃন্দ, ফাউন্ডেশনের সাবেক সদস্য সচিব কাউছার আহমেদ, বর্তমান আহ্বায়ক মোঃ ইমরান হোসেন ও সদস্য সচিব মাহামুদুর রহমান রাকিব, ৫নং ওয়ার্ড প্রতিনিধি হারুনুর রশিদ চৌধুরী, রমাদ্বানুল ইসলাম বিজয়, মোঃ সাইফুজ্জামান রাহাত সহ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ। সৈয়দ হারুন ফাউন্ডেশন সবসময়ই শিক্ষা, মানবিকতা ও সমাজসেবামূলক কাজে পাশে থাকার অঙ্গীকারে এগিয়ে চলেছে,এগিয়ে যাবে এই প্রত্যাশার আলোকে লায়ন সৈয়দ হারুন ফাউন্ডেশন সব সময় সমাজের আলোকিত মুখদের পাশে আছে পাশে থাকবে এই কামনাই করে চলছে।তাই সহযোগিতায় আলোকিত হোক প্রতিটি শিক্ষা জীবন।

  • সলঙ্গায় জামায়াতের লিফলেট বিতরণ

    সলঙ্গায় জামায়াতের লিফলেট বিতরণ

    সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি :
    ঢাকায় জামায়াতের জাতীয় সমাবেশ সফল করতে সিরাজগঞ্জের সলঙ্গায় লিফলেট বিতরণ করেছে জামায়াত। গতকাল বিকেলে সলঙ্গা থানা সদর বাজার এলাকায় লিফলেট বিতরণ করেন তারা। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সলঙ্গা থানা শাখার আমীর রাশেদুল ইসলাম শহিদের নেতৃত্বে লিফলেট বিতরনকালে উপস্থিত ছিলেন,থানা জামায়াতের সেক্রেটারি রাকিবুল হাসান,থানা কর্ম পরিষদ সদস্য মাও: আব্দুর রহমান,আইটি বিভাগ ও মিডিয়া বিভাগের সেক্রেটারি নাঈম হাসান হৃদয়সহ সলঙ্গা থানা জামায়াত ও শিবিরের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা। এ সময় ১৯ জুলাই  ঢাকা সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের সমাবেশ সফল ও ৭ দফা দাবির কথা তুলে ধরেন থানা জামায়াতের আমীর রাশেদুল ইসলাম শহিদ।

  • কুমিল্লায় জুলাই গনঅ-ভ্যুত্থান দিবস ২০২৫ উপলক্ষে বর্ণাঢ্য প্রতিকী ম্যারাথন অনুষ্ঠিত

    কুমিল্লায় জুলাই গনঅ-ভ্যুত্থান দিবস ২০২৫ উপলক্ষে বর্ণাঢ্য প্রতিকী ম্যারাথন অনুষ্ঠিত

    কুমিল্লা থেকে তরিকুল ইসলাম তরুন,
    কুমিল্লায় ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস ২০২৫’ উপলক্ষে এক বর্ণাঢ্য প্রতীকী ম্যারাথন অনুষ্ঠিত হয়েছে। কুমিল্লা জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে শুক্রবার সকালে নগরীর শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত স্টেডিয়ামে এই ম্যারাথনের আয়োজন করা হয়। ২০২৪ সালের ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থানের চেতনাকে ধারণ করে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে বিভিন্ন বয়স ও শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশগ্রহণ করেন।

    কুমিল্লার জেলা প্রশাসক মো. আমিরুল কায়ছার আনুষ্ঠানিকভাবে ম্যারাথনের উদ্বোধন করেন। অনুষ্ঠানে জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ নাজির আহমেদ খান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) পঙ্কজ বড়ুয়া এবং প্রশাসনের অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

    ম্যারাথনটি শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত স্টেডিয়াম থেকে শুরু হয়ে শহরের প্রধান সড়কগুলো প্রদক্ষিণ করে পুনরায় স্টেডিয়ামে এসে শেষ হয়। হাতে ব্যানার, ফেস্টুন এবং মুখে গণচেতনার স্লোগান নিয়ে নানা শ্রেণি পেশার মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে এতে অংশ নেয়।

    জেলা প্রশাসক মো. আমিরুল কায়ছার বলেন, এই প্রতীকী ম্যারাথনের মাধ্যমে নতুন প্রজন্ম ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের ইতিহাস, তাৎপর্য ও মূল্যবোধ সম্পর্কে জানতে পারবে এবং দেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রায় নিজেদের সচেতন ভূমিকা রাখতে উৎসাহিত হবে। এসময় বিভিন্ন শ্রেণীপেশার মানুষ অংশ নেন।