Author: desk

  • চারঘাটে সুশাসনের ছয় মাস, নেতৃত্বে একজন মানবিক ইউএনও

    চারঘাটে সুশাসনের ছয় মাস, নেতৃত্বে একজন মানবিক ইউএনও

    চারঘাট (রাজশাহী) প্রতিনিধিঃ

    রাজশাহীর চারঘাট উপজেলা। বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমি ও রাজশাহী ক্যাডেট কলেজের জন্য আলাদা পরিচিতি রয়েছে এ উপজেলার। তবে বিগত সরকারের সময়ে সরকারি সেবা দলীয়করণের কারণে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর কাছে সেবাবঞ্চিত জনপদ হিসেবে পরিচিত ছিল। তবে বর্তমানে উপজেলাটি নতুন চেহারায় রূপ নিয়েছে। এই পরিবর্তনের রূপকার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জান্নাতুল ফেরদৌস।
    গত ৩০ ডিসেম্বর দায়িত্ব নেওয়ার পর মাত্র ছয় মাসেই তিনি প্রমাণ করেছেন—সৎ উদ্যোগ, মানবিকতা ও একাগ্রতায় কতটা বদলে যেতে পারে প্রশাসনের ধারা। তিনি একাধারে ইউএনও, পৌর প্রশাসক ও সহকারী কমিশনার (ভূমি)। উপজেলার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ তিনটি প্রশাসনিক দায়িত্ব একাই পালন করে চলেছেন।
    ভূমি সেবায় স্বচ্ছতা ও আস্থা ফিরেছে
    বিগত সরকারের সময় ভূমি অফিস ছিল সেবার নামে হয়রানির প্রতিচ্ছবি। দলীয় নেতাকর্মীদের প্রভাব, দালালচক্র, ঘুস ও অসাধু কর্মচারীদের দৌরাত্ম্য সাধারণ মানুষের মাথাব্যথার কারণ ছিল দীর্ঘদিন। জান্নাতুল ফেরদৌস দায়িত্ব নেওয়ার পর এই ব্যবস্থায় কড়া নজরদারি শুরু করেন। অফিসে ঢোকার মুখেই এখন ‘দালালমুক্ত সেবা’—এমন বিজ্ঞপ্তি চোখে পড়ে। এখন প্রতিটি আবেদন যাচাই হয় ডিজিটাল পদ্ধতিতে। ঘুস কিংবা ভোগান্তি ছাড়া নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই নামজারি ও খতিয়ান প্রদান নিশ্চিত করেছেন তিনি।
    ভূমি অফিসে সেবা নিতে আসা আফরোজা খাতুন বলেন, আগে ভূমি সংক্রান্ত কোনো কাজে আসলে পাত্তাই দিত না এখানকার স্টাফরা। কিন্তু এখন সবার আচার ব্যবহার পাল্টে গেছে। আমার বাবার দুইটা নামজারির আবেদন করেছিলাম। কেউ একটি টাকা চা খেতে পর্যন্ত চাইনি। ইউএনও স্যারের কাছে গিয়েছিলাম। উনি সবকিছু মন দিয়ে শুনে দ্রুত সময়ে কাজগুলো করে দিয়েছেন।
    পৌর প্রশাসনে পরিকল্পিত সেবা ও নাগরিক দায়িত্ব
    চারঘাট পৌরসভার প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব নিয়ে জান্নাতুল ফেরদৌস যা করেছেন তা শুধু কার্যকর নয় বরং ভবিষ্যত-ভাবনামূলকও। সরকার পরিবর্তনের পর দীর্ঘসময় পৌর কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন নিয়ে জটিলতা ছিল। কিন্তু এখন প্রতি মাসের শুরুতেই বেতন নিশ্চিত করে তাদের মধ্যে কাজের আগ্রহ ফিরিয়েছেন। বর্ষা মৌসুম শুরুর আগেই মশা নিধন কার্যক্রম জোরদার করে ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া প্রতিরোধে পরিকল্পনা গ্রহণ করেন নিজ উদ্যোগে।
    দীর্ঘদিন ধরে ভোগান্তির বিষয় ছিল জলাবদ্ধতা।
    তাঁর উদ্যোগে বিভিন্ন ওয়ার্ডে ড্রেন সংস্কার, পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা এবং আবর্জনা ব্যবস্থাপনায় এনেছেন নতুনত্ব। বিভিন্ন ওয়ার্ডে গঠিত নাগরিক কমিটির মতামতের ভিত্তিতে প্রতিটি ওয়ার্ডে উন্নয়ন কাজ বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। পৌর সেবাগুলো ডিজিটাল ও তথ্যভিত্তিক করা হয়েছে—তাতে প্রতিটি নাগরিক জানেন কোথায়, কখন, কীভাবে সেবা পাবেন।
    পৌরসভায় সেবা নিতে আসা মিয়াপুর গ্রামের বাসিন্দা সাজ্জাদ হোসেন বলেন, গত পাঁচ আগষ্টের পর জন্ম নিবন্ধন কিংবা নাগরিক সনদের জন্য মাসের পর মাস ঘুরতে হয়েছে। নতুন প্রশাসক আসার পর দিনের দিন এসব কাজ বাস্তবায়ন হচ্ছে। বিগত সময়ে ভিজিএফ চাল পর্যন্ত দলীয়করণ করা হয়েছিল। কিন্তু নতুন প্রশাসক দায়িত্ব নেওয়ার পর এই প্রথম প্রকৃত উপকারভোগীরা চাল পেয়েছেন।
    নারী অধিকার ও ক্ষমতায়নে বিশেষ ভূমিকা
    নারী হয়েও তিনি নিজেই হয়ে উঠেছেন নারীদের অনুপ্রেরণা। চারঘাটে নারী উদ্যোক্তা, নারী সহায়ক দল, বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ কমিটি—সবখানেই তার সক্রিয় সহযোগিতা ও নেতৃত্ব তৈরি হয়েছে। নারীদের জন্য বিশেষ প্রশিক্ষণ কর্মশালার (হস্তশিল্প, হাঁস-মুরগি পালন, ক্ষুদ্র ব্যবসা) আয়োজন করা হয়েছে। বাল্যবিবাহ রোধে কঠোর নজরদারির পাশাপাশি উপজেলার নারীদের আইনি সহায়তা ও সহনশীলতা বিষয়ক সভা আয়োজন করে সবার মতামত শুনে পরিকল্পনা প্রণয়ন করা হয়েছে।
    ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীদের প্রতি সমান অধিকার নিশ্চিত
    চারঘাটে তিনশটি ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী পরিবার রয়েছে। যারা দীর্ঘদিন ধরে নানা সরকারি সেবা থেকে পিছিয়ে ছিলেন। ইউএনও তাঁদের উন্নয়নেও নিয়েছেন বিশেষ উদ্যোগ। যাচাই-বাছাইয়ের মাধ্যমে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর শিক্ষার্থীদের জন্য উপবৃত্তি ও শিক্ষা উপকরণ বিতরণ কার্যক্রম শুরু করেছেন।সাংস্কৃতিক পরিচয় ও ভাষা টিকিয়ে রাখতে বিভিন্ন দিবসে উৎসাহমূলক সভা ও মেলা আয়োজন করেছেন। ক্ষুদ্র নৃ গোষ্ঠীর ভূমি অধিকার ও বসতঘরের জন্য সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করেছেন।
    চারঘাট উপজেলা ক্ষুদ্র নৃ গোষ্ঠী সমিতির সভাপতি লুক সষ্ঠী পাহাড়িয়া বলেন, এই প্রথম কোনো প্রশাসক এত আন্তরিকতার সাথে আমাদের কথা শুনছে। সরকারি সেবাগুলো সঠিকভাবে আমাদের নিকট পৌঁছে দিচ্ছে। গত সপ্তাহেও আমাদের পাঁচটি পরিবারের মাঝে গরু বিতরণ করা হয়েছে।
    শিক্ষা খাতে দায়িত্বশীলতা, স্কুল পরিদর্শনে সরাসরি নজরদারি
    একজন ইউএনও হয়েও শিক্ষা খাতে তাঁর আগ্রহ চোখে পড়ার মতো। তিনি নিয়মিত উপজেলার স্কুল-কলেজগুলো পরিদর্শন করছেন, কথা বলছেন শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের সাথে। বিদ্যালয়ের ঝরেপড়া রোধে বিশেষ সভা করছেন অভিভাবকদের নিয়ে। শিক্ষার পরিবেশ ও শিক্ষার্থীদের উপস্থিতির বিষয়ে দিচ্ছেন সরাসরি নির্দেশনা। শিক্ষা কর্মকর্তাদের সাথে সমন্বয় করে স্কুলভিত্তিক উন্নয়ন পরিকল্পনা প্রণয়ন করছেন। চলমান এইচএসসি পরীক্ষাতে নকলমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করেছেন।
    সরজমিনে ইউএনও জান্নাতুল ফেরদৌসের কর্মকাণ্ড পর্যবেক্ষণ করে দেখা গেছে- গণশুনানি, বিভিন্ন বিরোধ মীমাংসা, পিতা-মাতার ভরণপোষণ নিশ্চিতকরণসহ প্রতিদিন নানাবিধ সামাজিক সমস্যা সমাধানেও নিরলসভাবে কাজ করছেন তিনি। এছাড়া মাদক প্রতিরোধে ও নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে নিয়মিত ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানও পরিচালনা করছেন। পদ্মা নদী ভাঙন, অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্থ ও বিভিন্ন জটিল রোগে আক্রান্ত রোগীদের পাশে দাঁড়িয়েও উপজেলা জুড়ে প্রশংসিত হয়েছেন। বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজে চান্সপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের ভর্তিতেও আর্থিক সহযোগিতা করেছেন তিনি।
    সুশাসনের জন্য নাগরিক সুজনের চারঘাট উপজেলার সভাপতি মোঃ কামরুজ্জামান বলেন,
    চারঘাটে সুশাসন প্রতিষ্ঠা ও প্রশাসনিক স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে ইউএনও জান্নাতুল ফেরদৌস যেভাবে নিরলসভাবে কাজ করে চলেছেন, তা আমাদের জন্য গর্বের বিষয়। তিনি তিনটি গুরুত্বপূর্ণ দায়ি

  • কালীগঞ্জে ৫ কেজি গাঁ-জাসহ গ্রেফ-তার ২

    কালীগঞ্জে ৫ কেজি গাঁ-জাসহ গ্রেফ-তার ২

    মো.হাসমত উল্লাহ,লালমনিরহাট।।

    লালমনিরহাটের কালীগঞ্জে গোড়ল পুলিশ তদন্ত কেন্দ্র,বিশেষ অভিযান চালিয়ে ৫কেজি  মাদকদ্রব্য গাঁজা, ১টি ব্যাটারী চালিত অটো ভ্যান গাড়ি সহ ০২ জন আসামী গ্রেফতার করেন। জেলার পুলিশ সুপার তরিকুল ইসলাম, এর দিক নির্দেশনায় কালীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ সেলিম মালিক, এবং গোড়ল পুলিশ তদন্ত কেন্দ্র,অফিসার ইনচার্জ এসআই (নিঃ) মোঃ মোস্তাকিম ইসলামের নেতৃত্বে সঙ্গীয় ফোর্সসহ কালীগঞ্জ থানাধীন গোড়ল ইউনিয়নের ০৪ নং ওয়ার্ডস্থ মালগাড়া মৌজায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে অটো ভ্যানের যাত্রী বসার সিটের প্লেইনসিট এর নিচে থাকা কাঠের তক্তার মধ্যে খোদাই করে বিশেষ কায়দায় ফিটিং করা অবস্থায় ৫কেজি অবৈধ মাদকদ্রব্য গাঁজাসহ দুই জনকে গ্রেফতার করেন গোড়ল পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রর পুলিশ। 

    গ্রেফতারকৃত আসামি হলেন রফিকুল ইসলাম @ রফিকুল মেম্বার (৫০), পিতা- মৃত খোদা বকস,রুবেল মিয়া (২৩), পিতা- ইউনুস আলী @ ইয়ানুস আলী,উভয় সাং-মালগাড়া, ০৪ নং ওয়ার্ড, থানা-কালীগঞ্জ, জেলা- লালমনিরহাট। 

    গ্রেফতারকৃত আসামি ও জব্দকৃত গাঁজার মালিক পলাতক আসামীর বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। যাহার কালীগঞ্জ থানার মামলা নং-২৭, ধারা- মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন আইন ২০১৮ এর ৩৬(১) সারণির ১৯(খ)/৩৮/৪১ রুজু করা হয়। কালীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ সেলিম মালিক, জানান গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গোড়ল ইউনিয়নের ০৪ নং ওয়ার্ডস্থ মালগাড়া মৌজা রফিকুল ইসলাম @ রফিকুল মেম্বার (৫০), এর বসতবাড়ির বাহির বারান্দা হতে একট অটো ভ্যানের ও ৫কেজি অবৈধ মাদকদ্রব্য গাঁজাসহ দুই জনকে পুলিশ গ্রেফতার করেন।

    হাসমত উল্লাহ।।

  • বাংলাদেশ শ্রমিক অধিকার পরিষদ, খুলনা মহানগর এর ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও লিফলেট বিতরণ

    বাংলাদেশ শ্রমিক অধিকার পরিষদ, খুলনা মহানগর এর ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও লিফলেট বিতরণ

    শেখ তৈয়ব আলী,খুলনা।

    পশ্চিম রুপসা বাস টার্মিনালে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে শ্রমিকের করণীয় ও শ্রমিকদের সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও লিফলেট বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়

    ১৮ জুলাই শুক্রবার ২০২৫ বিকাল ৪ ঘটিকায় পশ্চিম রূপসা বাস টার্মিনালে ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও লিফলেট বিতরণ করে বাংলাদেশ শ্রমিক অধিকার পরিষদ।খুলনা মহানগর,এসময় ক্রীড়া প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করেন ফয়সাল শেখ, সহ-সভাপতি গণঅধিকার পরিষদ খুলনা মহানগর। সভাপতিত্ব করেন রুহুল আমিন ট্রেড ইউনিয়ন বিষয়ক সম্পাদক, বাংলাদেশ শ্রমিক অধিকার পরিষদ, কেন্দ্রীয় সংসদ ও সভাপতি, খুলনা মহানগর। সঞ্চালনা ও সার্বিক সহযোগিতায় মোঃ রবিউল ইসলাম (রবিন) ট্রেড ইউনিয়ন বিষয়ক সহ সম্পাদক, বাংলাদেশ শ্রমিক অধিকার পরিষদ, কেন্দ্রীয় সংসদ ও সাধারণ সম্পাদক খুলনা মহানগর। প্রোগ্রামে সার্বিক সহযোগিতা করেন জি এম জাফিরুল ইসলাম, সহ সভাপতি বাংলাদেশ শ্রমিক অধিকার পরিষদ, কেন্দ্রীয় সংসদ ও কাতার প্রবাসী অধিকার পরিষদ। আরও উপস্থিত ছিলেন জুবায়েদ শেখ (সম্রাট) সদ্য সাবেক সিঃ যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক, ছাত্র অধিকার পরিষদ, খুলনা মহানগর। মোঃ অভি, ছাত্র অধিকার পরিষদ খুলনা মহানগর। আসিফ মাহমুদ গণঅধিকার পরিষদ, খুলনা মহানগর।
    মোঃ শাওন খান, সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, শ্রমিক অধিকার পরিষদ, খুলনা মহানগর। মোঃ বিল্লাল হোসেন বাবু, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, শ্রমিক অধিকার পরিষদ খুলনা মহানগর।
    মোঃ সোহাগ, শ্রমিক অধিকার পরিষদ, লবনচরা থানা। মোঃ রফিক শেখ সিনিয়ার যুগ্ম আহ্বায়ক, হরিণটানা থানা। মোঃ রাতুল সদস্য সচিব, হরিণ্টানা থানা। মোঃ ইয়ার খান ইটু, থেকে সদর সাধারণ সম্পাদক, সোনাডাঙ্গা থানা। এছাড়াও বিভিন্ন ইউনিটের ও থানার নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

  • রাজধানীর বসিলায় সেনাবাহিনীর ব্যবস্থাপনায় বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা কার্যক্রম

    রাজধানীর বসিলায় সেনাবাহিনীর ব্যবস্থাপনায় বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা কার্যক্রম

    ঢাকা, ১৮ জুলাই ২০২৫ (শুক্রবার): গতকাল রাজধানীর বসিলা হাই স্কুল প্রাঙ্গনে অসহায় ও দুস্থ ব্যক্তিদের জন্য বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর উদ্যোগে বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা ও ঔষধ বিতরণ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। মেডিসিন, সার্জিক্যাল, চর্ম ও শিশু বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকবৃন্দের সমন্বয়ে গঠিত মেডিকেল টিম কর্তৃক প্রায় ৯ শতাধিক রোগীকে দিনব্যাপী চিকিৎসা সেবা ও ঔষধ প্রদান করা হয়, যার মধ্যে অধিকাংশই শিশু, নারী ও বৃদ্ধ।

    অসহায় মানুষের সেবায় তাদের পাশে দাঁড়াতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী সদা প্রস্তুত। জননিরাপত্তা নিশ্চিতে কার্যকরী ভূমিকার পাশাপাশি এরূপ কল্যাণমূলক কার্যক্রমে সেনাবাহিনীর সম্পৃক্ততা অব্যাহত থাকবে।

  • ময়মনসিংহ নগরীতে সিসি ক্যামেরা উদ্বোধন করলেন ওসি শিবিরুল ইসলাম

    ময়মনসিংহ নগরীতে সিসি ক্যামেরা উদ্বোধন করলেন ওসি শিবিরুল ইসলাম

    আরিফ রববানী ময়মনসিংহ।।
    ময়মনসিংহে হত্যা, খুন, ধর্ষণে, ছিনতাই, ডাকাতি চুরি,ডাকাতি, লুটপাট, জমি জবর-দখলের সময় হামলা-মামলার প্রকৃত অপরাধীকে সহজে আইনের আওতায় আনতে নগরীর আকুয়া চৌরাঙ্গী মোড় এলাকায় সিসি টিভি ক্যামেরা উদ্বোধন করা হয়েছে।

    শুক্রবার (১৮ জুলাই) বিকেলে কোতোয়ালি মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি শিবিরুল ইসলাম এসব সিসি টিভি ক্যামেরার উদ্বোধন করেন।

    এসময় উদ্বোধনী বক্তব্যে তিনি জানান- ছিনতাই, হত্যা, খুন, ধর্ষণে, ছিনতাই, ডাকাতি চুরি,ডাকাতি,
    ,মাদক কারবারি,কিশোরগ্যাং, লুটপাট, জমি জবর-দখলের সময় হামলা-মামলার বিষয়ে ভুক্তভোগীরা আইনি ব্যবস্থার দারস্থ হলে প্রমাণের অভাবে প্রকৃত অপরাধীরা থাকে ধরাছোঁয়ার বাইরে থাকে। অপরদিকে সিসি টিভি ক্যামেরায় ধারণ করা ফুটেজ বিনা অপরাধে কাউকে আসামি করা থেকে মুক্তি দিতে পারে আর আসল অপরাধীকে সহজেই ধরতে সহযোগীতা করে। প্রকৃত অপরাধীকে আইনের আওতায় আনতে ও নিরপরাধ নির্দোষ ব্যক্তিদের মিথ্যা মামলার হয়রানি থেকে মুক্তি দিতে নগরীকে সিসি ক্যামেরার আনা হচ্ছে।

    বক্তব্যে কোতোয়ালী মডেল থানার ওসি শিবিরুল ইসলাম বলেন, ক্যামেরা গুলোর এই জন্য লাগানো হলো যাতে খুব সহজে অপরাধীদের সনাক্ত করা যায়। শহরের গুরুত্বপুর্ণ স্থান গুলোতে সিসি ক্যামেরা প্রয়োজন৷ পর্যায়ক্রমে সিটি কর্পোরেশন এর সকল জায়গা সিসি ক্যামেরার আওতায় আনা হবে। তিনি আরো বলেন-এই সিসি ক্যামেরা উদ্বোধন করার ফলে এলাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার হবে। এর ফলে, অ’প’রা’ধ দমন এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা সহজ হবে।

    এসময় তিনি সমাজের সকল পেশার প্রতিনিদের নিয়ে ময়মনসিংহ নগরীর মাদক, সন্ত্রাস, জঙ্গীবাদ, সম্পত্তি সংক্রান্ত অপরাধ, আত্মহত্যার প্ররোচনা সাইবার অপরাধ, সড়ক দূর্ঘটনা, কিশোর অপরাধ, নারী নির্যাতন, ইভটিজিং ও বাল্যবিবাহ মুক্ত সমাজ গড়তে সকলের সহযোগীতা প্রত্যাশা করেন।

  • হাসিনা নিজেই মুজিববাদের ক-বর দিয়েছেন – শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি

    হাসিনা নিজেই মুজিববাদের ক-বর দিয়েছেন – শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি

    নাজিম উদ্দিন রানা:

    বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি বলেছেন, মুজিববাদের কবর দিতে হলে গোপালগঞ্জ যাওয়ার দরকার নেই। মুজিববাদের কবর মুজিববাদই দিয়েছে। ৭২, ৭৩, ৭৪ ও ৭৫ সালে এবং গত ১৭ বছর ধরে শেখ হাসিনা নিজেই মুজিববাদের কবর দিয়েছেন। আমাদের-আপনার আন্দোলনের মাধ্যমেই মুজিববাদের মৃত্যু হয়েছে।

    তিনি আরও বলেন, সকালবেলা যদি ইউএনওর গাড়ি, পুলিশের গাড়িও নিরাপত্তাহীনতায় পড়ে, তাহলে পরবর্তী কর্মসূচি বা পদক্ষেপ কেমন হবে, তা নিয়ে গভীরভাবে ভাবা উচিত। এই পরিস্থিতিতে তাৎক্ষণিকভাবে সব রাজনৈতিক দলের সঙ্গে আলোচনার প্রয়োজন রয়েছে।

    শুক্রবার (১৮ জুলাই) সন্ধ্যায় লক্ষ্মীপুর বালিকা বিদ্যা নিকেতন মাঠে জেলা বিএনপির আয়োজনে “জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থান, শোক ও বিজয়ের বর্ষপূর্তি” উপলক্ষে শহীদদের স্মরণে আয়োজিত স্মরণসভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

    এ্যানি চৌধুরী আরও বলেন, আওয়ামী লীগে সবাই হাসিনার সঙ্গে পালিয়ে যায়নি। অনেকেই অন্তত গোপালগঞ্জে গিয়ে আশ্রয় নিয়েছে। গত এক বছর ধরে গোপালগঞ্জ সন্ত্রাসের অভয়ারণ্য হয়ে উঠেছে। ৫ আগস্টের পর সেনাবাহিনী সেখানে গিয়ে হামলার শিকার হয়েছে। তাদের সাজোয়া যানে আগুন দেওয়া হয়েছে। সন্ত্রাসীরা সেনাবাহিনীর ওপর বর্বর হামলা চালিয়েছে, অস্ত্র হাতে মিছিল করেছে এবং প্রশাসনকে উপেক্ষা করেছে।

    অনুষ্ঠানে জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হাসিবুর রহমানের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি ছিলেন বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আবুল খায়ের ভূঁইয়া।

    বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলা বিএনপির সদস্য সচিব সাহাব উদ্দিন সাবু,সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক হারুন অর রশিদ,বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের সহ-সভাপতি ওয়াহিদ উদ্দিন চৌধুরী হ্যাপি, জেলা বিএনপির সদস্য নিজাম উদ্দিন ভূঁইয়া এবং জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি মনিরুল ইসলাম হাওলাদার প্রমুখ।

  • যশোরের বাগআঁচড়া নাভারণ ও বেনাপোল শ্রমিক ইউনিয়ন নির্বাচনে  বাবু – রাজ্জাক পরিষদের নিরঙ্কুশ জয়

    যশোরের বাগআঁচড়া নাভারণ ও বেনাপোল শ্রমিক ইউনিয়ন নির্বাচনে বাবু – রাজ্জাক পরিষদের নিরঙ্কুশ জয়

    আজিজুল ইসলামঃ বাগআঁচড়া নাভারণ ও বেনাপোল সড়ক পরিবহন ও মোটর শ্রমিক ইউনিয়নের নির্বাচনে বাবু রাজ্জাক পরিষদ পূর্ণ প্যানেলে বিজয়ী হয়েছে। বাগআঁচড়া হাইস্কুল কেন্দ্রে সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত শান্তিপূর্ণ ভাবে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়।

    ভোট গননা শেষে সন্ধায় আনুষ্ঠানিক ভাবে ফলাফল ঘোষনা করা হয়৷ মোট ১২২৬ ভোটারের মধ্যে ১১৩৯ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন। এ নির্বাচনে ৭৩০ ভোট পেয়ে সভাপতি নির্বাচিত হয়েছে আজিজুর রহমান বাবু তার নিটকতম প্রতিদ্বন্দ্বী রুহুল আমীন টুটুল পেয়েছেন ৩৮১ ভোট। ৭৬৫ ভোট পেয়ে সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন আব্দুর রাজ্জাক। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী শহিদুল ইসলাম পেয়েছেন ৩৩০ ভোট।

    এতে সহ সভাপতি পদে তাজরুল ইসলাম ও ইউনুস আলী,যুগ্ম সম্পাদক পদে জাকির হোসেন, সহ-সাধারন সম্পাদক পদে কামরুজ্জামান লাল্টু, সাংগঠনিক সম্পাদক পদে লিটু ও মন্টু সরদার, প্রচার সম্পাদন পদে উজ্জ্বল কবির, কোষাধ্যক্ষ পদে আবুল কালাম,দপ্তর সম্পাদক পদে শামীম হোসেন, ক্রিড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক পদে বাসার বিশ্বাস, শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ সম্পাদক পদে জামসেদ আলী, সড়ক সম্পাদক পদে আরশাদ হোসেন সন্টু, সমাজ কল্যান সম্পাদক পদে তবিবর রহমান, কার্যনির্বাহী সদস্য আব্দুল আজিজ ও আল-আমিন নির্বাচিত হয়েছেন।

    নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান রবিউল হোসেনে জানান,সকাল থেকে শান্তিপূর্ণ ভাবে ভোট সম্পন্ন হয়েছে। শ্রম অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা নির্বাচন পর্যবেক্ষণে ছিলেন।নির্বাচনে ১৭ জন প্রিজাইডিং অফিসারের তত্বাবধানে ১২ টি বুথে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। এছাড়াও ১২ জনের মনিটরিং টিম, ১৩ জন স্বেচ্ছাসেবক, ৩৫ জন পুলিশ সদস্য দ্বায়িত্বে ছিলেন।

    এদিকে নির্বাচনের ফলফল ঘোষনার পর পছন্দের প্রার্থী বিজয়ী হওয়ায় আনন্দ-উল্লাস করছেন ভোটাররা।

  • ইপিজেড থানায় জামায়াতের উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত

    ইপিজেড থানায় জামায়াতের উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত

    শহিদুল ইসলাম,
    বিশেষ সংবাদদাতাঃ

    চট্টগ্রাম, ইপিজেড, ৩৯ নম্বর দক্ষিণ প্রশাসনিক ইমারত ওয়ার্ড:
    বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ইপিজেড থানার আওতাধীন ৩৯ নম্বর দক্ষিণ প্রশাসনিক ইমারত ওয়ার্ড, সাংগঠনিক/সাইডপাড়া ওয়ার্ড, গণশিক্ষা ওয়ার্ড এবং আলিশা পাড়া ওয়ার্ডের যৌথ উদ্যোগে এক শক্তিশালী উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

    নির্বাচনকে সামনে রেখে প্রার্থী ও নেতৃবৃন্দের উপস্থিতিতে দায়িত্বশীলদের মাঝে নতুন উদ্দীপনা সৃষ্টি হয়।
    উক্ত উঠান বৈঠকে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত চট্টগ্রাম-১১ আসনের সংসদীয় এমপি পদপ্রার্থী জনাব শফিউল আলম।
    তিনি বলেন,

    > “জামায়াতের প্রার্থীরা জনগণের আস্থা ও বিশ্বাসের প্রতীক। নির্যাতন-নিপীড়নের পথ পেরিয়ে আমরা বিজয়ের লক্ষ্যে এগিয়ে চলেছি। জনগণের অধিকার ফিরিয়ে আনাই এখন একমাত্র লক্ষ্য।”
    বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ৩৯ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর পদপ্রার্থী এডভোকেট শাহেদ আলী, যিনি বলেন,

    “এই ওয়ার্ড জামায়াতের ঘাঁটি। ইনশাআল্লাহ আগামীতেও এখান থেকেই গণজাগরণ শুরু হবে।”
    সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন:মোজাম্মেল, থানা কর্ম পরিষদ সদস্য
    মামুন খান, ওয়ার্ড অফিস সম্পাদক,,আব্দুর রহিম বিশ্বাস, ওয়ার্ড বাইতুল মাল সম্পাদক,,ওয়ার্ড সভাপতি মোকাররম ইসলাম রাকিব
    ওয়ার্ড সভাপতি সাইদুল ইসলাম সবুজ

    বক্তারা তাদের বক্তব্যে বলেন,
    “সরকারের নির্বাচনই প্ল্যাটফর্ম তৈরি করে জনসাধারণের ভোট দেওয়ার সুযোগ করে দেবে আমরা আশা বাদী
    ন্যায় ইন সাব ভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠা করতে হলে
    ঘরে ঘরে সংগঠনের বার্তা পৌঁছাতে হবে। জামায়াত এখন আর শুধুমাত্র একটি দল নয়, এটি একটি আদর্শিক আন্দোলন।”
    বৈঠকে বিভিন্ন পর্যায়ের দায়িত্বশীল নেতৃবৃন্দও উপস্থিত ছিলেন এবং তারা মাঠ পর্যায়ে নির্বাচনী কাজকে আরও গতিশীল করতে শপথবদ্ধ হন।

  • মোংলায়, গণঅ-ভ্যুত্থানে শহী-দদের স্মর-ণে  উপজেলা বিএনপির শো-ক র‍্যালী আলোচনা সভা ও দোয়া

    মোংলায়, গণঅ-ভ্যুত্থানে শহী-দদের স্মর-ণে উপজেলা বিএনপির শো-ক র‍্যালী আলোচনা সভা ও দোয়া

    বায়জিদ হোসেন, মোংলাঃ

    জুলায়ের গণ অভ্যুত্থানে শহীদদের স্মরণে মোংলায় উপজেলা বিএনপির আয়োজনে শোক র‍্যালী, আলোচনা সভা ও দোয়া অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার বিকেলে চিলা ইউনিয়ন বিএনপির আয়োজনে বৌদ্ধমারী বাজারের দলীয় কার্যালয় থেকে শোক র‍্যালী বের হয়। র‍্যালীটি বাজার প্রদক্ষিণ করে। পরে স্থানীয় দলীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয় আলোচনা সভা। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাগেরহাট জেলা বিএনপি যুগ্ম আহবায়ক লায়ন ডক্টর শেখ ফরিদুল ইসলাম। এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি আঃ মান্নান হাওলাদার, চিলা ইউনিয়ন বিএনপি সভাপতি ফারুক হাওলাদার, সাধারণ সম্পাদক কাজল খাঁন, সাংগঠনিক সম্পাদক আনোয়ার শেখ, সোনাইলতলা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মারুফ বিল্লাহ ও সুন্দরবন ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নাসির হাওলাদার।

    অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় লায়ন ডক্টর শেখ ফরিদুল ইসলাম বলেন, বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের প্রেক্ষিতে ছাত্র-জনতা সবাই রাস্তায় নেমে আসে। তাতেই ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনা পালিয়ে যেতে বাধ্য হন। তিনি আরো বলেন, এই আন্দোলনের পিছনে বিএনপির নামে ১৭ বছরে ১ লাখ ৪৩ হাজার মামলা হয়েছে। তাতে আসামি হয়েছে ৬০ লাখ নেতা-কর্মী। আমাদের প্রিয় নেতা তারেক রহমানের নামে ১৩৫টি ও দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নামেও ৩৫/৩৬টি মামলা হয়েছে। ৪৭৭১জনকে ক্রসফায়ার ও পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে। ইলিয়াস আলীসহ ১২০৪ জনকে গুম করা হয়েছে। আর জুলাই বিপ্লবে বিএনপির ৪২২জন শহীদ হয়েছেন। সুতরাং জুলাই-আগস্টের আন্দোলনেও বিএনপির ভূমিকা রয়েছে। আমাদের প্রিয় নেতা তারেক রহমানের নির্দেশে জুলাই-আগস্টের আন্দোলনে সাধারণ মানুষকে সাথে নিয়ে শেষ পর্যন্ত মাঠে ছিল বিএনপি। এ নেতা আরো বলেন, একটি গোষ্টি সরকারে না থেকেও দেশের বৃহৎ একটি রাজনৈতিক দল ও শীর্ষ নেতার বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে বিক্ষোভ মিছিল করছে এবং অশ্লীল ভাষা প্রয়োগ করছে। এতে দেশে ফ্যাসিবাদের পুনরাবির্ভাব ঘটছে কি না—সে প্রশ্ন এখন স্বাভাবিকভাবেই উঠছে। গণতন্ত্রের পথে না গিয়ে একটি কুচক্রী মহল উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে সুষ্ঠু রাজনীতিকে বাধাগ্রস্ত করছে। তারা পরিকল্পিতভাবে অপপ্রচার ও অশ্লীল স্লোগানের মাধ্যমে আবারও ফ্যাসিস্ট হাসিনা ও আওয়ামী লীগের পুরোনো কণ্ঠস্বরকে ফিরিয়ে আনছে। তাই সকলে সকর্ত থাকতে হবে।
    আলোচনা সভা শেষে জুলাই শহীদদের রুহের মাগফেরাত কামনায় মিলাদ ও দোয়া অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় বিএনপির
    বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা সহ হাজার ও বিএনপি সমর্থকেরা উপস্থিত ছিলেন।

  • শহী-দ আব্দুল্লাহ আল আবিরের স্ম-রণে দো-য়া অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক

    শহী-দ আব্দুল্লাহ আল আবিরের স্ম-রণে দো-য়া অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক

    বাবুগঞ্জ প্রতিনিধিঃ মোঃ মহিউদ্দিন খাঁন রানা।।

    আজ শুক্রবার ১৮ জুলাই বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার বীর মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ আব্দুল্লাহ আল আবিরের স্মরণে আয়োজিত দোয়া মাহফিলে অংশগ্রহণ করেন বরিশাল জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ দেলোয়ার হোসেন।

    জেলা প্রশাসক এদিন বাবুগঞ্জ উপজেলার দেহেরগতি ইউনিয়নের বাহেরচর গ্রামে শহীদ আব্দুল্লাহ আল আবিরের বাড়িতে যান। তিনি সেখানে শহীদ আবিরের কবর জিয়ারত করেন, দোয়া মোনাজাতে অংশ নেন এবং কবরের পাশে একটি বকুল গাছের চারা রোপণ করেন।

    স্মরণীয় এ অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক শহীদের বাড়ির পাশে অবস্থিত মসজিদের বারান্দা নির্মাণে সহায়তার জন্য তাৎক্ষণিকভাবে ৩ (তিন) বান্ডিল টিন প্রদান করেন।

    এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন বাবুগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) ফারুক আহমেদ, বাবুগঞ্জ বিআরডিবি চেয়ারম্যান আলমগীর হোসেন স্বপনসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।