Author: desk

  • ৭০ বছর পর আদালতের  মাধ্যমে জমি ফিরে পেলেও ,প্রতিনিয়তই দিচ্ছে প্রা-ণনাশের হু-মকি

    ৭০ বছর পর আদালতের মাধ্যমে জমি ফিরে পেলেও ,প্রতিনিয়তই দিচ্ছে প্রা-ণনাশের হু-মকি

    খলিলুর রহমান খলিল, নিজস্ব প্রতিনিধিঃ
    দীর্ঘ ৭০ বছর আইনি লড়াই শেষে পৈত্রিক জমি ফিরে পেলেও স্বস্তি মেলেনি মো. আব্দুল জব্বারের পরিবারের। জমি দখলমুক্তির দিনই হামলার শিকার হন তিনি। এরপর থেকে প্রতিনিয়ত হুমকির মুখে দিন কাটছে পরিবারটির।

    আব্দুল জব্বার রংপুরের তারাগঞ্জ উপজেলার আলমপুর ইউনিয়নের বেলাইচন্ডী সর্দারপাড়া গ্রামের বাসিন্দা। বয়স ৬৮ বছর। খড়ের ছাউনি দেওয়া মাত্র ১০ হাতের একটি ঘরে স্ত্রী ও চার সন্তানকে নিয়ে অমানবিক পরিস্থিতিতে বসবাস করছিলেন তিনি। গোসল করতে হতো পাশের সেচ ক্যানেলে, প্রাকৃতিক কাজ সারতে হতো ঝোপঝাড়ে। অন্যের নলকূপের পানি দিয়েই চলছিল তাদের জীবন।

    সরেজমিনে দেখা গেছে, খড়ের ছাউনি দেওয়া ১০ হাত একটি ঘরে তিন মেয়ে এক ছেলেকে নিয়ে থাকতেন আব্দুল জব্বার। জায়গার অভাবে গোসল করতেন সেচ ক্যানেলে। স্ত্রী সন্তানদের প্রাকৃতিক কাজ সারতে হতো ঝোপঝাড়ে। অন্যের নলকূপের পানি দিয়ে চলতো জীবন। অথচ নিজের বাপদাদার জমি দখল করে নিয়ে কোন ঠাকা করে রেখেছিল দুর্বৃত্তরা।

    জানা যায়, তার দাদা জমির উদ্দিনের নামীয় ৬৮ শতক জমি দীর্ঘদিন ধরে দখলে রেখেছিল স্থানীয় একটি প্রভাবশালী চক্র। এ নিয়ে প্রায় ৭০ বছর আগে মামলা হয়। একে একে মামলার বাদী হন জমির উদ্দিনের ছেলে তমিজ উদ্দিন ও পরে তার ছেলে আব্দুল জব্বার। ২০১৫ সালে মামলার দায়িত্ব নেওয়ার পর সম্প্রতি আদালতের রায়ে জব্বারের পক্ষে জমি ফিরিয়ে দেওয়ার নির্দেশ আসে।

    গত ১৩ জুলাই উপজেলা জেলা প্রশাসন, সেনাবাহিনী, থানা পুলিশ ও আদালতের কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে উচ্ছেদ অভিযান চালিয়ে জমিটি পুনরুদ্ধার করে তার দখলে দেওয়া হয়। কিন্তু একই দিন বিকালে প্রতিপক্ষ হামলা চালায়। বর্তমানে তারা বিভিন্নভাবে প্রাণনাশের হুমকি দিচ্ছে বলে অভিযোগ পরিবারের।

    এ ঘটনায় তারাগঞ্জ থানায় গত বৃহস্পতিবার রাজু, জামাল উদ্দিন ওরফে টোল্লা, দুলু, খোকন সরদার, রেজাউল হোসেন, রফিক আলী, চন্টু, কালা মিয়া, জিকরুল ইসলাম, জিয়ারুল ইসলাম, সম্ভারু, আরজিনা বেগম, দুলালী বেগম, রফিকা বেগম, মশিয়ার রহমান ওরফে কালুয়া, লাল বাহাদুর, মাসুদ ও আফেজা বেগমসহ ১৮ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

    আব্দুল জব্বার বলেন, “আমার বাপ-দাদার জমি আমি ফেরত পাইলাম, কিন্তু এখনো শান্তিতে থাকতে পারছি না। ছোট একটা ঘরে থাকি, ওরা ধোঁয়ায় ঘর ভরায় দিতো, জায়গা চাইলেও দেয়নি। এখন তো মারতেই আসছে। খুব ভয় লাগছে। আমাকে রাস্তায় মেরে ফেলার হুমকি দিচ্ছে। জমিতে যাইতে দিচ্ছে না। ”

    তার মেয়ে জেসমিন আক্তার বলেন,”প্রতিদিন হুমকি দেয়। পুলিশের সামনেই হামলা করতে এসেছে। এখন আমাদের রাস্তায় চলাও দায়। আমাদের পেশী শক্তি নেই। আমরা আইনের মাধ্যমেই সরকারের কাছে ন্যায়বিচার চাই। আমাদের নিরাপত্তা চাই ”

    অন্যদিকে এক অভিযুক্ত সম্ভারু বলেন, “বাপ-দাদার সময় থেকে ওই জমিতে ছিলাম। ওরা জমি পাইছে, নিতে চাইলে নিক। তবে আমরা হুমকি দেইনি।”

    তারাগঞ্জ থানার ওসি এম এ ফারুক বলেন, অভিযোগ পেয়েছি, তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

  • জামালগঞ্জে জা-লিয়াতির মাধ্যমে সরকারি খা-স জমি বন্দোবস্ত নেয়ার অভি-যোগ

    জামালগঞ্জে জা-লিয়াতির মাধ্যমে সরকারি খা-স জমি বন্দোবস্ত নেয়ার অভি-যোগ

    কেএম শহীদুল সুনামগঞ্জ:
    সুনামগঞ্জের জামালগঞ্জে একাধিক দাগে ভূমির মালিক হওয়া সত্ত্বেও ভূমিহীন সেজে জালিয়াতির মাধ্যমে সরকারি খাস জমি বন্দোবস্ত নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। গত ২৫শে জুন এ বিষয়ে সুনামগঞ্জ জেলা প্রশাসক বরাবরে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন জামালগঞ্জ উপজেলার বুতিয়ারপুর গ্রামের শহিদ মিয়ার পুত্র গোলাপ মিয়া।
    অভিযোগ সূত্রে জানা য়ায়, গত দুই যুগ পূর্বে সরকারি খাস ভূমিতে মাটি ভরাটসহ বনজঙ্গল পরিষ্কার করে বাড়িঘর তৈরী করে শান্তিপূর্ণভাবে বসবাস করে আসছিলেন গোলাপ মিয়াসহ আরো বেশ কিছু পরিবার।
    তবে কিছু ভূমিখেকো কু-চক্রি মহলের লোক তাদের জমি-জামা থাকার পরেও ভূমিহীন সেজে এসব ভূমি বন্দোবস্ত হাসিল করে নেয়। এমনকি বর্তমানে তারা প্রতিনিয়িত অভিযোগকারীকে বাড়িঘর ছাড়তে ভয়ভীতিসহ প্রাননাশের হুমকি দিয়ে আসছে। এছাড়াও আদালতে একটি মামলা দায়ের করে ভূমিহীন পরিবারগুলোকে উচ্ছ্যেদে উঠে পড়ে লেগেছে তারা।
    এমন অবস্থায় ভোক্তভোগী ওই নীরিহ পরিবারের লোকজন মাথা গোজার শেষ সম্বলটুকু রক্ষায় নুরুল আমিনের বন্দোবস্ত বাতিলের দাবী জানান জেলা প্রশাসকের কাছে।
    এ ব্যপারে জানতে চাইলে জামালগঞ্জ উপজেলার শরিফপুর গ্রামের বাসিন্দা হাবিব বলেন, নুরুল আমিন জীবিত থাকতে আমার বাপ-চাচাদের জমির উপরে বন্দোবস্ত দেখাইয়া একটি মামলা দায়ের করে। পরে আমরা কাগজপত্র দেখানোর পর আদালত আমাদের পক্ষে রায় দিলে মামলা খারিজ হয়ে যায়। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে নুরুল আমিনের ছেলে দেলোয়ার গংরা বর্তমানে পানি নিষ্কাশনের খালসহ নীরিহ ১৫/২০টি পরিবারের উপর মামলা দায়ের করে। এখন তারা আমাদের নানাভাবে ভয়ভীতি দেখিয়ে উচ্ছ্যেদের পায়তারা করছে।
    একই গ্রামের শামসুল হক বলেন, নুরুল আমিনের ছেলে দেলোয়ার কোর্টে মুহুরিগিরী করে। তার বাবা ও মায়ের নামে বেশ কিছু ভূমি বন্দোবস্ত নিয়ে নেয়। এখন নানা ভাবে মানুষকে মামলার ভয়ভীতি দেখায়। নানা ধরনের হুমকি-দামকি দিয়ে সুনামগঞ্জে আসলে মারধর করবে বলে হুশিয়ারি দেয়। তার এসব হুমকি-দামকি ও মামলার হাত থেকে বাঁচতে নিরীহ মানুষরা তাই প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
    এ ব্যপারে অভিযোগকারী গোলাপ মিয়া বলেন, আমরা বিগত ৩০ বছর পূর্বে সরকারী আইডব্লিউটি এর জায়গায় বসবাস করে আসছিলাম। তবে নদীভাঙ্গনের আমাদের এসব বসতভিটা বিলীন হওয়ার পরে আমার শশুরের দখলে থাকা জায়গার বনজঙ্গল পরিষ্কার করে মাটি ভরাটের মাধ্যমে বসতবাড়ি তৈরী করে বসবাস করে আসছি। প্রশাসনের কাছে আমাদের দাবী প্রভাবশালী ও বহু জমির মালিক নুরুল আমিনের বন্দোবস্ত বাতিল করে আমরা নিরীহ ও অসহায় পরিবারের মানুষদের বসবাসের সুযোগ করে দিবেন।
    এ ব্যপারে অভিযুক্ত নুরুল আমিনের পুত্র দেলোয়ার বলেন, আমার বাবা যখন ভূমিহীন ছিলেন তখন জমিগুলোর বন্দোবস্ত পান। আমার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন । উল্টো শামছু গংরা আমার বাড়িঘরে হামলা চালিয়েছে এবং আমার কাছে চাঁদা দাবী করছে। আমি এ বিষয়ে আমি জামাগঞ্জ থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছি।
    এ ব্যপারে জেলা প্রশাসক ড. মোহাম্মদ ইলিয়াছ মিয়া বলেন, জামালগঞ্জে এ ধরনের একাধিক অভিযোগ আমরা পেয়েছি। এবং যেগুলো বন্দোবস্ত দেয়া হয়েছিলো তার অনেকগুলোর বন্দোবস্ত আমরা বাতিল করেছি। এসব পক্রিয়ার সাথে কারা জড়িত তাদের খুঁজে বের করে আইনের আওতায় নিয়ে আসা হবে।
    ##

  • উল্লাপাড়ায় অ-গ্নিকান্ডে আদর্শ গ্রামের ১০ টি ঘর ভ-স্মিভুত

    উল্লাপাড়ায় অ-গ্নিকান্ডে আদর্শ গ্রামের ১০ টি ঘর ভ-স্মিভুত

    সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি :
    সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া পৌরসভার আদর্শ গ্রামের একটি ব্র্যাকে আগুন লেগে ১০ টি ঘর ভস্মিভুত হয়েছে। আজ রবিবার (২০ জুলাই) দুপুরে উল্লাপাড়া পৌরশহরের আদর্শগ্রামে বসবাসরত একটি ঘরের বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে এ আগুনের সূত্রপাত ঘটে বলে জানান স্থানীয় ফায়ার সার্ভিস অফিস। অগ্নিকাণ্ডে প্রায় ১২ লক্ষ টাকার ক্ষতি সাধিত হয়েছে।

    উল্লাপাড়া ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স এর ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা লিডার আসাদুজ্জামান জানান, রবিবার বেলা ১ টার দিকে উল্লাপাড়া পৌরশহরে সরকার কর্তৃপক্ষ নির্মিত আদর্শগ্রামের একটি ব্রাকে বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে আগুন লেগে ব্রাকের প্রায় ১০ ঘর পুড়ে ছাই হয়ে যায়। এ সময় বসবাসরত বাসিন্দাদের প্রায় ১২ লক্ষ টাকার ক্ষতি সাধিত হয়।

    বসবাসরত বাসিন্দা রত্না জানান, আমরা বসবাসরত সকলেই ভুমিহীন পরিবারের মানুষ। সরকারের তৈরি করে দেওয়া ব্রাকে বসবাস করে আসছিলাম। আগুনে পুড়ে আজ আমরা সর্বশান্ত হয়ে গেলাম। কোথায় গিয়ে দাঁড়াব, কি খাব কিছুই বুঝতে পারছিনা। এখন আকাশের নিচে বসবাস করা ছাড়া আমাদের কোন পথ নেই। সৃষ্টিকর্তা আমাদের সহায় হও এ কথা বলে তিনি কান্নায় ফেঁটে পড়েন।

    খবর পেয়ে উল্লাপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবু সালেহ মোহাম্মদ হাসনাত অগ্নিকাণ্ডের ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন এবং, ক্ষতিগ্রস্থ প্রত্যেক পরিবারকে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ২ বান্ডিল করে টেউটিন ও জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ৩০ কেজি করে চাউল সহ প্রশাসন ক্ষতিগ্রস্থদের সব ধরনের আর্থিক সহযোগিতা করবে বলে তাদের আশ্বস্ত করেন।

  • খুলনায় ম-দ খেয়ে ৫ জনের মৃ-ত্যুর পর ম-দ ব্যাবসায়ী ও তৈরি কারক আ-টক

    খুলনায় ম-দ খেয়ে ৫ জনের মৃ-ত্যুর পর ম-দ ব্যাবসায়ী ও তৈরি কারক আ-টক

    ঘরে তৈরি দেশী মদ খেয়ে ৫ জনের মৃত্যুর পর সেই মদ তৈরিকারক ও বিক্রেতাকে আটক করেছে পুলিশ। শনিবার গভীর রাতে নগরীর রায়ের মহল এলাকার মালেক সড়ক রোডের বাড়ি থেকে শেখ মোসলেম আলি (৭৮) নামের ওই ব্যক্তিকে আটক করা হয়। আটক মোসলেম আলি এলাকায় হোমিও চিকিৎসক হিসেবে পরিচিত। মাতৃশোধন হোমিও ফার্মাসি নামে তার একটি ওষুধের দোকান রয়েছে। এর আড়ালে তিনি বাড়িতে বসে বিভিন্ন উপকরণ দিয়ে মদ তৈরি করতেন।

    খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের উপকমিশনার (দক্ষিণ) মো. আবু তারেক জানান, মোসলেম আলী এলকোলি নামের মাদক, ঘুমের ওষুধ ও চুনের পানি দিয়ে ঘরে বসে মদ তৈরি করতেন। আড়ংঘাটা থানার পূর্ব বিল পাবলা মদিনা নগর এলাকার একটি ঘেরে বসে কয়েকজন সেই মদ পান করেন। অসুস্থ হয়ে পড়লে তাদের খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালসহ বিভিন্ন স্থানে ভর্তি করা হয়। শুক্রবার রাতে একজন এবং শনিবার আরও ৪ জন মারা যান। রাতে অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত মদ বিক্রেতাকে আটক করা হয়েছে।
    এর আগে সেই মদ থেকে শুক্রবার রাতে খুলনা পাবলিক কলেজের দ্বিতীয় গেটের সামনের বাসিন্দা তোতা মিয়া মারা যান। স্বাভাবিক মৃত্যু ধরে তার মরদেহ গ্রামের বাড়ি পিরোজপুরে নিয়ে যাওয়া হয়।

    শনিবার সকালে একই এলাকার গৌতম, বিকালে বয়রা শেরের মোড় এলাকার বাসিন্দা সাহাবুদ্দিন সাবু, বয়রা মধ্যপাড়া এলাকার বাসিন্দা আফরোজ হোসেন বাবু এবং রায়ের মহল মল্লিক বাড়ির বাসিন্দা সাজ্জাদ মারা যান। মদ পানে গুরুতর অসুস্থ বয়রা দাশপাড়া এলাকার বাসিন্দা সনু খুলনা বিশেষায়িত হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

  • পলাশবাড়ীতে গৃহবধূ সম্পা হ-ত্যায় আসা-মীদের গ্রেফতা-রের দাবীতে বিক্ষো-ভ ও মানববন্ধন

    পলাশবাড়ীতে গৃহবধূ সম্পা হ-ত্যায় আসা-মীদের গ্রেফতা-রের দাবীতে বিক্ষো-ভ ও মানববন্ধন

    আমিরুল ইসলাম কবির,
    স্টাফ রিপোর্টারঃ

    গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে যৌতুকের চাপে গৃহবধূ সম্পা আক্তার( ২৩)’কে বেদম মারপিটসহ শ্বাসরুদ্ধ করে নির্মমভাবে হত্যা করে মুখে কীটনাশক ঢেলে আত্মহত্যা বলে চালিয়ে দেয়ার সাথে জড়িতদের
    গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবীতে এক মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

    রোববার (২০শে জুলাই) বিকেলে অত্রালাকাবাসীর উদ্যোগে পৌর শহরে একটি বিক্ষোভ মিছিলসহ এক মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।বিক্ষোভকারীরা সম্পা হত্যার সাথে জড়িত খুনিদের ফাঁসির দাবী করেন।

    এসময় সম্পার পিত্রালয়ের পরিবার -পরিজন এবং আত্মীয়-স্বজনরা বক্তব্য রাখেন।
    এব্যাপারে থানায় একটি হত্যা মামলা হলেও চিহ্নিত
    আসামী গ্রেফতার না হওয়ায় ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী এ বিক্ষোভ ও মানববন্ধনের আয়োজন করেন।পরে বিক্ষোভকারী থানায় পৌঁছে থানা অফিসার ইনচার্জ’কে বিষয়টি অবগত করেন। এসময় তিনি দ্রুত আসামীদের গ্রেফতারের আশ্বাস প্রদান করেন।

    উল্লেখ্য,গত ১৩ই জুলাই পলাশবাড়ী পৌর এলাকার শিমুলিয়া গ্রামের এক সন্তানের জননী গৃহবধূ সম্পা আক্তারকে যৌতুকের কারণে ও স্বামী মোবাইলে ক্যাসিনো জুয়া খেলায় বাঁধা দিলে হত্যা করে বলে জানা যায়। তবে ওই গৃহবধু আত্মহত্যা করেছে না হত্যা করে
    আত্মহত্যা বলে প্রচার করা হচ্ছে এনিয়ে এলাকায় নানামুখি গুঞ্জনসহ মিশ্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে।
    নিহত সম্পা উপজেলার ১নং কিশোরগাড়ী ইউনিয়নের
    কাতুলী গ্রামের ইসলাম মিয়ার মেয়ে।।

  • যশোরের বাগআঁচড়ায় ইউনিয়ন বিএনপির কর্মী সমাবেশ

    যশোরের বাগআঁচড়ায় ইউনিয়ন বিএনপির কর্মী সমাবেশ

    আজিজুল ইসলাম,যশোরঃ আগামী সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ করতে যশোরের শার্শার বাগআঁচড়া ইউনিয়ন বিএনপির আয়োজনে জরুরী কর্মী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    রোববার বিকালে বাগআঁচড়া হাইস্কুল মাঠে ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি এএইচএম আসাদুজ্জামান মিঠুর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর হোসেনের সঞ্চালনায় এ সমাবেশে নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে দিকনির্দেশনা মূলক বক্তব্য রাখেন, কেন্দ্রীয় বিএনপির সাবেক দপ্তর সম্পাদক মফিকুল হাসান তৃপ্তি,উপজেলা বিএনপির প্রধান উপদেষ্টা খায়রুজ্জামান মধু,উপজেলা বিএনপির সভাপতি আবুল হাসান জহির ও সাধারণ সম্পাদক নুরুজ্জামান লিটন,সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা কামাল মিন্টু, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কুদ্দুস আলী বিশ্বাস, তাজউদ্দীন আহম্মেদ ও সাংগঠনিক সম্পাদক সালাউদ্দিন আহম্মেদ।

    এ সময় উপস্থিত ছিলেন,উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি আহম্মেদ আলী শাহিন, জামাল উদ্দীন ও রুহুল আমিন,সহ সংগঠনিক সম্পাদক আলমগীর কবির আলম ও আনোয়ার হোসেন বাবু,
    স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা বিষয়ক সম্পাদক ডাক্তার নাসিম জামান রিফাত,আইন বিষয়ক সম্পাদক মশিয়ার রহমান,তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক মোনায়েম হোসেন,স্বর্নিভর বিষয়ক সম্পাদক মিকাইল হোসেন মনা,
    কৃষক দলের সভাপতি আমিরুল ইসলাম,
    সাধারণ সম্পাদক সাখাওয়াত হোসেন,শার্শা উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব ইমদাদুল হক ইমদা,যুগ্ম আহ্বায়ক কবির হোসেন, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক রাকিবুল ইসলাম রিপন সদস্য সচিব সেলিম হোসনে আশা,যুগ্ম আহ্বায়ক তৌহিদ হোসেন,উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক শরিফুল ইসলাম চয়ন ও সদস্য সচিব সবুজ হোসেন খান সহ বাগআঁচড়া ইউনিয়নের সকল ওয়ার্ড কমিটির নেতৃবৃব্দরা।

    সমাবেশে বক্তারা বর্তমান সরকারের দমন-পীড়নের বিরুদ্ধে তীব্র নিন্দা জানিয়ে অবিলম্বে একটি অবাধ নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠ নির্বাচনের দাবি জানান। তারা সাংগঠনিক কাঠামো মজবুত করে ভেদাভেদ ও কোন্দল ভুলে সকলে এক হয়ে আগামী আন্দোলনে যুক্ত হওয়ার জন্য আহ্বান জানান।

  • জুলাই-আগস্টের শ-হীদদের আ-ত্মার মা-গফিরাত কামনায় ময়মনসিংহ মেডিকেল ছাত্রদলের দোয়া ও মিলাদ

    জুলাই-আগস্টের শ-হীদদের আ-ত্মার মা-গফিরাত কামনায় ময়মনসিংহ মেডিকেল ছাত্রদলের দোয়া ও মিলাদ

    স্টাফ রিপোর্টারঃ
    জুলাই ও আগস্ট মাসের গণ-অভ্যুত্থানে শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা এবং আহতদের আশু সুস্থতা কামনায় দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    শনিবার (১৯ জুলাই) বিকেলে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ ও ডেন্টাল শাখা এই দোয়া ও মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করে।

    এসময় উপস্থিত ছিলেন ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ ছাত্রদল নেতা নূর এ জাওয়াত রুতাব,মেহেদী হাসান,মাইনুল হাসান,আলিফ সরকার,ওমর ফারুক,হাসান মাহমুদ,তিহান,সাব্বির, সামি,জোহান,ফোয়াদ,রাকিবসহ ছাত্রদলের নেতৃবৃন্দ।

    বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ শাখার ছাত্রনেতা নূর এ জাওয়াত রুতাব বলেন, অনেকেই জুলাই আগস্টের দাবিদার হিসেবে বিভিন্ন জায়গায় বড় বড় কথা বলে তারা আজ পযর্ন্ত ৫ আগস্টের পর কোন প্রোগ্রামে ডাক দিতে দেখি নি। কোন গুপ্ত সংগঠন আজ পযর্ন্ত কোন মিলাদ মাহফিলের বা শহীদদের স্বরণে স্বরণ সভা করতে দেখিনি। তিনি বলেন- শহীদ ছাত্রনেতাদের সাহসিকতা ও অবদান ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকবে। জুলাই ও আগস্ট মাসের গণ-অভ্যুত্থানে শহীদরা প্রতিদিন জন্মায় না। তারা ক্ষণজন্মা। কালে কালে জাতির মুক্তির জন্য শহীদরা একজন করেই জন্মায়। নিজের জীবনকে উৎসর্গ করে যারা জাতিকে উদ্ধার করে, তারা সাধারণ কোনো মানুষ নয়। আমি মনে করি, তারা মহাকাব্যিক বীরত্বগাথা জাতি চিরদিন শ্রদ্ধাভরে মনে রাখবে।’

    তিনি আরো বলেন, আজ পযর্ন্ত এই শহীদ বা আহতদের নিয়ে কথা বলতে দেখিনি। আজ আমাদের ভাইয়েরা শহীদ হয়েছে এই জায়গায় অধিকাংশ ছাত্রদলের নেতাকর্মী ছিলেন। সারা বাংলাদেশে ১৪২ জনের মত ছাত্রদলনেতা শহীদ হয়েছে এবং অসংখ্য ছাত্রদলনেতা আহত হয়েছে। এসময় তিনি সকল শহিদের আত্মার মাগফিরাত ও আহতদের সুস্থতা কামনা করেন।

  • তানোরে ছাত্রদলের আয়োজনে দো-য়া মাহফিল

    তানোরে ছাত্রদলের আয়োজনে দো-য়া মাহফিল

    আলিফ হোসেন,তানোরঃ
    রাজশাহীর তানোর উপজেলা, পৌরসভা ও মুন্ডুমালা পৌর ছাত্রদলের উদ্যোগে
    জুলাই-আগস্ট আন্দোলনে সকল শহীদদের আত্মার মাগফিরাত ও আহতদের আশুরোগ মুক্তি কামনায় দোয়া ও মিলাদ মাহফিল আয়োজন করা হয়েছে।
    জানা গেছে, ১৯ জুলাই শনিবার বিকেলে গোল্লাপাড়া বাজার বিএনপির দলীয় কার্যালয়ে উপজেলা ছাত্রদলের উদ্যোগে
    এবং জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম-আহবায়ক
    মোতালেব হোসেনের সভাপতিত্বে ও
    মুন্ডুমালা পৌর ছাত্রদলের আহবায়ক আজিমুদ্দিনের সঞ্চালনায় আয়োজিত দোয়া ও মিলাদ মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন-জেলা কৃষক দলের যুগ্ম-আহবায়ক আব্দুর রশিদ, উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম-আহবায়ক রাফসান জানি হিমেল ও অলিউজ্জামান অলি, মুন্ডুমালা পৌর ছাত্রদলের সদস্য সচিব ইমন, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য রঞ্জু আহম্মেদ, আশিক, বিপ্লব ও তানোর পৌর ছাত্রদল নেতা হাসিবপ্রমুখ।

  • বাবুগঞ্জের উন্নয়ন কাজ পরিদর্শনে মাধবপাশা আল আকসা জামে মসজিদে ইউএনও ফারুক আহমেদ

    বাবুগঞ্জের উন্নয়ন কাজ পরিদর্শনে মাধবপাশা আল আকসা জামে মসজিদে ইউএনও ফারুক আহমেদ

    বাবুগঞ্জ প্রতিনিধিঃ মোঃ মহিউদ্দিন খাঁন রানা।।

    বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার ৬ নং মাধবপাশা ইউনিয়নের ৩ নং ওয়ার্ডের রবীন্দ্রনগরে অবস্থিত আল আকসা জামে মসজিদের চলমান উন্নয়ন কাজ সরেজমিনে পরিদর্শন করেছেন বাবুগঞ্জ উপজেলার সুযোগ্য নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোঃ ফারুক আহমেদ।

    শনিবার (১৯ জুলাই ২০২৫) বেলা ১১টার দিকে তিনি মসজিদ এলাকায় উপস্থিত হয়ে নির্মাণাধীন কাজ ঘুরে দেখেন এবং সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলেন। উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই তিনি উপজেলার প্রতিটি এলাকার উন্নয়নমূলক কার্যক্রম নিয়মিত সরেজমিনে গিয়ে পরিদর্শন করে যাচ্ছেন।

    ৩ নং ওয়ার্ড রবীন্দ্রনগর এলাকার বাসিন্দারা ইউএনও ফারুক আহমেদের এ আগমনে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। তারা বলেন, “আমাদের এলাকার মসজিদের চলমান কাজ দেখার জন্য তিনি নিজে এসে দেখেছেন, এটা আমাদের জন্য গর্বের ও অনুপ্রেরণার বিষয়। আমরা তাঁর প্রতি কৃতজ্ঞ।”

  • পলাশবাড়ীতে খাদ্যবান্ধব ডিলার নিয়োগে অনি-য়ম ও দুর্নী-তির অভি-যোগ-খাদ্য কর্মকর্তা লাপা-ত্তা

    পলাশবাড়ীতে খাদ্যবান্ধব ডিলার নিয়োগে অনি-য়ম ও দুর্নী-তির অভি-যোগ-খাদ্য কর্মকর্তা লাপা-ত্তা

    আমিরুল ইসলাম কবির,
    স্টাফ রিপোর্টারঃ

    গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলায় খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির আওতায় উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে খাদ্য বান্ধব ডিলার নিয়োগে ব্যাপক অনিয়ম ও স্বজনপ্রীতির অভিযোগ উঠেছে।

    অভিযোগে প্রকাশ,যথাযথ নিয়ম-নীতি অনুসরণ না করে উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তা ও নিয়োগ কমিটির সদস্য সচিব মমিনুর রশিদ সিদ্দিকী অনৈতিক সুবিধা নিয়ে তার পছন্দের প্রার্থীদেরকে গোপনে নিয়োগ দিয়েছেন। এমনকি একাধিক ফেসিষ্টের দোসরকেও ভিন্ন নামে নিয়োগ দিয়েছেন তিনি। নিয়োগ সম্পন্ন হওয়ার পর থেকেই তিনি কর্মস্থল ত্যাগ করে গা ঢাকা দিয়েছেন। বিষয়টি নিয়ে ক্ষোভে ফুঁসে উঠেছে স্থানীয় ব্যবসায়ী সমাজ ও সচেতন মহল।

    সূত্র জানায়,২০২৫ সালের ২০শে ফেব্রুয়ারি উপজেলার আটটি ইউনিয়নে ২১ জন ডিলার নিয়োগের জন্য একটি নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। এতে ১২টি শর্তারোপ করে আবেদনপত্র জমাদানের সময়সীমা নির্ধারণ করা হয় ২২শে ফেব্রুয়ারি থেকে ৫ই মার্চ পর্যন্ত। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ৮৮টি আবেদনপত্র জমা পড়ে।

    বিজ্ঞপ্তির ২ নম্বর শর্তে উল্লেখ করা হয়,প্রত্যেক আবেদনকারীর কমপক্ষে ১৫ মেট্রিক টন খাদ্যশস্য সংরক্ষণের সক্ষমতা ও একটি পাকা গুদামঘর থাকতে হবে। কিন্তু অভিযোগ রয়েছে,অধিকাংশ আবেদনকারীর গুদামঘর এই শর্ত পূরণে অক্ষম ছিল।

    নিয়ম অনুযায়ী,যেসব বিক্রয় কেন্দ্রে একাধিক আবেদন পড়ে,সেখানে লটারির মাধ্যমে প্রার্থী নির্বাচন করার কথা থাকলেও তা অনুসরণ করা হয়নি। অভিযোগ রয়েছে, নিয়োগ কমিটির সদস্য সচিব ও উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মমিনুর রশিদ সিদ্দিকী রাতের আঁধারে তালিকা চূড়ান্ত করে ৯ই জুলাই তাতে স্বাক্ষর করেন এবং ১৩ই জুলাই তা প্রকাশ করেন।

    চাঞ্চল্যকর তথ্য হচ্ছে,এই তালিকা কমিটির সভাপতি ও একাধিক সদস্যকে না জানিয়েই অনুমোদন করা হয়েছে। ফলে এতে ভিন্ন নামে অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন একাধিক ফেসিষ্টের দোসর ও প্রভাবশালী মহলের আত্মীয়স্বজন,এমনকি ব্যবসায়ী নন এমন ব্যক্তিরাও। এতে করে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির মূল উদ্দেশ্য ভেস্তে যাওয়ার শঙ্কা দেখা দিয়েছে।

    ১৩ই জুলাই তালিকা প্রকাশের পর বঞ্চিত আবেদনকারীরা উপজেলা খাদ্য অফিস ঘেরাও করে লটারির দাবিতে প্রতিবাদ জানান। ওইদিন সন্ধ্যায় খাদ্য কর্মকর্তা ১৪ই জুলাই সকাল ১১টায় লটারি আয়োজনের একটি নোটিশ তৈরি করলেও, অজ্ঞাত কারণে তা স্বাক্ষর না করেই গা ঢাকা দেন।

    অভিযোগ রয়েছে,একটি “অজ্ঞাত ফোন কল” ও স্থানীয় এক ব্যবসায়ীর মধ্যস্থতায় আরও ৮ জনকে অন্তর্ভুক্ত করার শর্তে আপসের সিদ্ধান্ত হয়। এরপর থেকেই মমিনুর রশিদ সিদ্দিকী গা ঢাকা দিয়ে কর্মস্থলে অনুপস্থিত রয়েছেন।

    এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ হয়ে নিয়োগ বঞ্চিত অন্ততঃ ১৫-১৬ জন আবেদনকারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ জমা দিয়েছেন। তাঁরা লটারির মাধ্যমে স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ ও নিয়মতান্ত্রিকভাবে পুনরায় নিয়োগ সম্পন্ন করার দাবি জানিয়েছেন,অন্যথায় আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।

    উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাজমুল আলম জানান,“মোট ৮৮টি আবেদন জমা পড়ে। এর মধ্যে ২২টি বৈধ বিবেচনায় নেয়া হয়। শুনেছি ২১ জনকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তবে মোট ২৯টি পদে নিয়োগ প্রক্রিয়া চলছে। ”তার এ বক্তব্য থেকে স্পষ্ট যে তিনি বিষয়টি সম্পর্কে অবগত আছেন,তবে প্রক্রিয়াটি এখনও চূড়ান্ত হয়নি।

    খাদ্য নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তা মমিনুর রশিদ সিদ্দিকী বলেন,“প্রথম পর্যায়ে ২১ জনকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। পরবর্তীতে সমঝোতার ভিত্তিতে আরও ৮ জনের তালিকা তৈরি হয়েছে,যা কমিটির সঙ্গে আলোচনা করে চূড়ান্ত করা হবে।”

    নিয়োগ কমিটির সদস্য ও সমাজসেবা কর্মকর্তা জিল্লুর রহমান বলেন,“প্রকৃতপক্ষে এসব সিদ্ধান্ত সভাপতি ও সদস্য সচিবরাই নিয়ে থাকেন। অন্যান্য সদস্যদের মতামতের তেমন গুরুত্ব নেই।”

    প্রেসক্লাব সভাপতি ও কমিটির আরেক সদস্য শাহ আলম সরকার বলেন,“আমাকে কমিটিতে সদস্য করা হয়েছে তা জানানো হয়নি। পুরো প্রক্রিয়া সম্পর্কেও আমাকে কিছুই জানানো হয়নি।”

    পলাশবাড়ী উপজেলা নাগরিক সমাজের সদস্য সচিব ও বিশিষ্ট ব্যবসায়ী রবিউল ইসলাম লিয়াকত বলেন,“খাদ্যবান্ধব কর্মসূচি একটি গুরুত্বপূর্ণ ও জনসংশ্লিষ্ট উদ্যোগ। এখানে অনিয়ম বা গোপনীয়তা বরদাশত যোগ্য নয়। জনস্বার্থে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে তদন্ত কমিটি গঠন করে লটারির মাধ্যমে পুনরায় নিয়োগ দেওয়া হোক।”

    এ বিষয়ে জনস্বার্থে ১৭ জুলাই ২০২৫ তারিখে পলাশবাড়ী উপজেলা নাগরিক স্বার্থ সংরক্ষণ কমিটির সদস্য সচিব ও সাংবাদিক মো. ফেরদাউছ মিয়া ইতিমধ্যেই খাদ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালকসহ সংশ্লিষ্ট বিভাগের একাধিক দপ্তরে লিখিত অভিযোগ পাঠিয়েছেন।

    স্থানীয় সচেতন মহল ডিলার নিয়োগের এ অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ তদন্ত করে দায়ীদের ও দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ এবং লটারির মাধ্যমে নিরপেক্ষভাবে নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার দাবি জানিয়েছেন। অন্যথায় জনমনে অসন্তোষ আরও ঘনীভূত হবে বলেও সতর্ক করেছেন তাঁরা।।