Author: desk

  • পাবনায় অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক জওহরলাল বসাক তুলশীর উপর হা-মলার প্র-তিবাদে মা-নববন্ধন

    পাবনায় অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক জওহরলাল বসাক তুলশীর উপর হা-মলার প্র-তিবাদে মা-নববন্ধন

    তোফাজ্জল হোসেন বাবু,
    পাবনা প্রতিনিধিঃ

    পাবনা সরকারি এডওয়ার্ড কলেজের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক জওহরলাল বসাক তুলশীর উপর হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন কর্মসূচী পালিত হয়েছে। 

    মঙ্গলবার (২৯ জুলাই) দুপুরে পাবনা জেলা যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদল পাবনা প্রেসক্লাবের সামনে এই মানববন্ধন কর্মসূচী পালন করে।

    মানববন্ধন চলাকালে বক্তারা বলেন, জওহরলাল বসাক তুলশী পাবনা সরকারি এডওয়ার্ড কলেজের পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক, তিনি পাবনার সর্বজন শ্রদ্ধেয়। তার উপর সন্ত্রাসী হামলা কোন ভাবে মেনে নেওয়া যায়না। এখনও পুলিশ ঘটনার সাথে জড়িত কাউকে আটক করতে পারেনি। যা দুঃখজনক। পুলিশের গাফিলতি কোনোভাবে মেনে নেয়া যায না। অবিলম্বে ঘটনার সাথে জড়িতদের গ্রেপ্তার না করলে কঠোর আন্দোলন গড়ে তোলার হুশিয়ারী দেন বক্তারা।

    মানববন্ধনে বক্তব্য দেন, জেলা বিএনপির যুগ্ন আহবায়ক নুর মাসুম বগা, জেলা যুবদলের আহ্বায়ক ইলিয়াস আহমেদ হিমেল রানা, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক ইয়ামিন খান, সদস্য সচিব কমল শেখ টিটু, যুগ্ম আহ্বায়ক দীপঙ্কর সরকার জিতু, সাবেক সাধারণ সম্পাদক মাসুদ রানা, বুলবুল কলেজ শাখা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি গোলাম জাহিদ রুপম, এডওয়ার্ড কলেজ শাখা ছাত্রদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি শরিফুল ইসলাম সহ অনেকে।

    গত রোববার দুপুরে পাবনা শহরের কালাচাঁদপাড়া এলাকায় নিজ বাড়িতে ঢুকে প্রবীণ অধ্যাপক জওহরলাল বসাক তুলশী (৭৭) কে কুপিয়ে গুরুতর আহত করে দুর্বৃত্তরা। এ সময় তারা একটি ফোন ছিনিয়ে নিযে ঘরের আসবাবপত্র তছনছ করে চলে যায়।

  • ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসনের আয়োজনে জুলাই আ-ন্দোলন কেন্দ্রিক বু-দ্ধিবৃত্তিক প্যানেল ডি-সকাশন

    ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসনের আয়োজনে জুলাই আ-ন্দোলন কেন্দ্রিক বু-দ্ধিবৃত্তিক প্যানেল ডি-সকাশন

    আরিফ রববানী ময়মনসিংহ।।
    ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসনের আয়োজনে জুলাই আন্দোলনকেন্দ্রিক ‘বুদ্ধিবৃত্তিক প্যানেল ডিসকাশন’ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    মঙ্গলবার (২৯ জুলাই) ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সম্মেলনকক্ষে এদিন সকালে ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসক মুফিদুল আলমের সভাপতিত্বে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

    জুলাই আন্দোলনকে ঘিরে দেশের নবীন প্রজন্ম কি ভাবছে, ভবিষ্যতের বাংলাদেশ গঠনে তারা কিভাবে অবদান রাখতে পারে, এ বিষয়সমূহকে সামনে রেখে এ সভার আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে ময়মনসিংহ জেলা স্কাউটের নবীন প্রতিনিধি এবং স্কুল শিক্ষার্থীগণ মুক্ত আলোচনায় অংশ নিয়ে তাদের মতামত ব্যক্ত করেন।

    সভায় শিক্ষার্থীগণ দেশের শিক্ষাব্যবস্থায় মুখস্তবিদ্যার যে ধারা প্রচলিত রয়েছে, তার পাশাপাশি স্কিলকেন্দ্রিক শিক্ষাব্যবস্থার প্রয়োজনীয়তার ব্যাপারে উল্লেখ করেন। শিক্ষাজীবনেই ছাত্র-ছাত্রীদের আইটি, কৃষির মতো বিভিন্নক্ষেত্রে স্কিল বৃদ্ধির ব্যবস্থা করা গেলে দেশ যেমন নতুন উদ্যোক্তা পাবে, তেমনি বেকার সংকট কাটিয়ে উঠতেও তা সহায়ক হবে। নবীন স্কাউট সদস্য এবং শিক্ষার্থীরা তাদের আলোচনায় ছাত্রদের মানবিক ও নৈতিক মূল্যবোধ তৈরি, দক্ষ শিক্ষক ও শিক্ষাব্যবস্থার উন্নয়নের ব্যাপারে গুরুত্বারোপ করেন।

    ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসক সভাপতির বক্তব্যে বলেন, জুলাই আন্দোলন সম্পর্কে শিক্ষার্থীদের অবগত করা এবং তাদের মতামত গ্রহণের উদ্দেশ্যে প্ল্যাটফর্ম হিসেবে এই প্যানেল ডিসকাশনের আয়োজন করা হয়েছে। জুলাই আন্দোলনে দেশের সামগ্রিক পরিমণ্ডলে দৃশ্যমান পরিবর্তন হয়েছে। বাংলাদেশের ইতিহাসের পটপরিক্রমায় রাজনৈতিক ও শাসনতান্ত্রিক পরিবর্তন সম্পর্কে সভাপতি আলোচনা করেন। ছাত্রদের দেশের ইতিহাস সম্পর্কে পড়াশোনা করতে এবং জানতে বলেন।

    সভাপতি বলেন, যেকোনো বিপ্লবের সাথে জনগণের সমর্থন না থাকলে সে বিপ্লব সফল হয় না। জুলাই আন্দোলনে ছাত্রদের সাথে দেশের জনগণ একাত্ম হয়েছিলো বলেই এই আন্দোলন সফলতা লাভ করে। জুলাই আন্দোলনের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য বেহাত হয়ে যেতে পারে, যদি এই আন্দোলনের স্পিরিটকে হৃদয়ে ধারণ করা না যায়।

    প্যানেলভিত্তিক ডিসকাশনে ময়মনসিংহের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) রেজা মো. গোলাম মাসুম প্রধান, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট উম্মে হাবিবা মীরা, জুলাই আন্দোলনে শহীদ সাগরের পিতা, শিক্ষক, স্কাউট সদস্য ও স্কুলশিক্ষার্থী এবং জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের অন্যান্য কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

  • কুড়িগ্রামে হিন্দু পরিবারের স-ম্পত্তি ও জীবনের নি-রাপত্তা চেয়ে সংবাদ স-ম্মেলন

    কুড়িগ্রামে হিন্দু পরিবারের স-ম্পত্তি ও জীবনের নি-রাপত্তা চেয়ে সংবাদ স-ম্মেলন

    এম এস সাগর,

    কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি:

    কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরীর রায়গঞ্জ বাজারের হিন্দু পরিবারের সম্পদ রক্ষা এবং পরিবারের সদস্যদের জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে সংবাদ সম্মেলন করেছে ভুক্তভোগী পরিবার। মঙ্গলবার সকাল ১০টায় প্রেসক্লাব নাগেশ্বরীতে সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী পরিবার মৃত কালীপদ দাসের সহধর্মিনী লীলা রানী ও তার পুত্র রামকৃষ্ণ দাস বক্তব্য দেন।

    এসময় লিখিত বক্তব্যে ভুক্তভোগী লীলা রানী ও তার পুত্র রামকৃষ্ণ দাস জানান, নাগেশ্বরী উপজেলার রায়গঞ্জ ইউনিয়নের রায়গঞ্জ বাজারে অবস্থিত জমিতে বসতভিটায় পরিবার নিয়ে জীবনযাপন করছেন। পূর্ব শত্রুতার জেরে রায়গঞ্জ বাজারের ভূমিদস্যু রফিকুল ইসলাম ও বাচ্চু মিয়ার নেতৃত্বে এক দল দুর্বৃত্ত গত-(২৭জুলাই) রবিবার দিবাগত রাত প্রায় ১টা ৩০মিনিটে লীলা রানী ও রামকৃষ্ণ দাসের বসতবাড়িতে অতর্কিত হামলা করে বাড়িঘর ভাঙচুর চালানো সহ মমতা রানী, রামকৃষ্ণ ও প্রাণকৃষ্ণকে পিটিয়ে আহত করে। ভুক্তভোগীরা প্রাণে বাঁচার তাগিদে নাগেশ্বরী থানায় জানালে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিচিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পারেনি। অতঃপর বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। ভুক্তভোগীরা থানায় অভিযোগও করেছেন।

    ভুক্তভোগী লীলা রানী ও তার পুত্র রামকৃষ্ণ দাসের পরিবার জানায়, গত-২৮জুলাই গভীর রাতে পূর্ব শত্রুতার জেরে রফিকুল ইসলাম ও বাচ্চু মিয়ার নেতৃত্বে একদল দুর্বৃত্ত বাড়িতে হামলা চালায়। হামলাকারীরা বাড়ির আসবাবপত্র ভাঙচুর করে ও পরিবারের সদস্য মমতা রানী, রামকৃষ্ণ ও প্রাণকৃষ্ণকে পিটিয়ে গুরুতর আহত করে। পরে আহতদের নাগেশ্বরী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করানো হয়। এ বিষয়ে নাগেশ্বরী থানায় লিখিত অভিযোগ করায় হামলাকারীরা প্রাণনাশের হুমকিও দিয়ে আসছে। এ ঘটনায় এলাকাজুড়ে চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

    নাগেশ্বর থানার অফিসার ইনচার্জ রেজাউল করিম (রেজা) বলেন, অভিযোগ পেয়েছি তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

  • জুলাই বি-প্লবের বর্ষপূর্তিতে গোবিপ্রবিতে বিনামূল্যে হেলথ ক্যা-ম্প

    জুলাই বি-প্লবের বর্ষপূর্তিতে গোবিপ্রবিতে বিনামূল্যে হেলথ ক্যা-ম্প

    কে এম সাইফুর রহমান, 
    নিজস্ব প্রতিনিধিঃ 

     জুলাই বিপ্লবের প্রথম বর্ষপূর্তি উপলক্ষে গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (গোবিপ্রবি) বিনামূল্যে হেল্থ ক্যাম্পের আয়োজন করা হয়েছে। 

    বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হেল্থ ক্যাম্পে সার্বিক সহায়তা করেছে নাক, কান ও গলার বিশেষায়িত হাসপাতাল সোসাইটি ফর অ্যাসিস্ট্যান্স টু হিয়ারিং ইম্পেয়ার্ড চিলড্রেন (সাহিক)।

    আজ মঙ্গলবার (২৯ জুলাই) সকাল সাড়ে ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিকেল সেন্টারে হেল্থ ক্যাম্পের উদ্বোধন করেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. হোসেন উদ্দিন শেখর ও ট্রেজারার অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ নাজমুল আহসান।

    দিনব্যাপী এই হেল্থ ক্যাম্পের কার্যক্রম চলে বিকেল ৫টা পর্যন্ত। যেখানে সেবা প্রদান করেন নাক, কান ও গলার খ্যাতিমান চিকিৎসক ডা. এম এ সামাদ, ডা. মুহাম্মদ ওয়ালী উল্লাহ ও ডা. নাজমুস সাকিব। ক্যাম্পে বিনামূল্যে শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের কনসালটেশন ও ব্যবস্থাপত্রের সঙ্গে প্রায় দেড় লাখ টাকার ঔষধ প্রদান করা হয়।

    এর আগে জুলাই শহিদদের স্মরণে গত ২৫ জুলাই বাংলাদেশ লাং ফাউন্ডেশনের ৮জন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক নিয়ে বিনামূল্যে হেল্থ ক্যাম্প আয়োজন করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। যেখানে শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারী মিলে ৩৮০ জন বিনামূল্যে সেবা গ্রহণ করেন। যাদের প্রায় দুই লাখ টাকার ঔষধ প্রদান করা হয়।

    হেল্থ ক্যাম্প আয়োজনের বিষয়ে উপাচার্য অধ্যাপক ড. হোসেন উদ্দিন শেখর বলেন, জুলাই বিপ্লবের শহিদদের স্মরণে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন শিক্ষার্থীসহ সকলের জন্য এই উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। কনসালটেন্সির পাশাপাশি কিছু ঔষধও সরবরাহ করা হয়েছে। আগামীতে আমরা এমন আয়োজন অব্যাহত রাখার চেষ্টা করবো।

  • গাইবান্ধা জেলার শ্রেষ্ঠ অফিসার ইনচার্জ (ওসি) নির্বাচিত হলেন বুলবুল ইসলাম

    গাইবান্ধা জেলার শ্রেষ্ঠ অফিসার ইনচার্জ (ওসি) নির্বাচিত হলেন বুলবুল ইসলাম

    মিজানুর রহমান মিলন,
    স্টাফ রিপোর্টার :

    গাইবান্ধা জেলার শ্রেষ্ঠ ওসি নির্বাচিত হয়েছেন গোবিন্দগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. বুলবুল ইসলাম। গাইবান্ধা জেলার ৭ থানার মধ্যে জুন মাসে শ্রেষ্ঠ ওসি নির্বাচিত হয়েছেন তিনি।

    রবিবার (২৭ জুলাই) সকাল ১১টায় গাইবান্ধা পুলিশ লাইনে আয়োজিত জুন মাসের মাসিক কল্যাণ সভায় তাকে পুলিশ সুপার (এসপি) নিশাত এ্যঞ্জেলা এ সম্মাননা স্মারক তুলে দেন।

    এ সময় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস্) মো. শরিফুল আলম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (এ-সার্কেল) বিদ্রোহ কুমার কুন্ডু, সহকারী পুলিশ সুপার (বিভাগীয় অফিসার) সি-সার্কেল এবিএম রশীদুল বারীসহ জেলার সকল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাবৃন্দ।

    পুলিশ সুপারের কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, গোবিন্দগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. বুলবুল ইসলাম মাদক বিরোধী অভিযান, সন্ত্রাসী দমন, অস্ত্র উদ্ধার, ওয়ারেন্ট তামিলকারী ও দাফতরিক বিভিন্ন কর্মকাণ্ড সুষ্ঠু ও নির্ভুলভাবে পালন করায় জেলার শ্রেষ্ঠ ওসি হিসেবে মনোনীত হন।

    ওসি বুলবুল ইসলাম বলেন, এ পুরস্কার আমাকে আগামীতে জনগণকে আরও বেশি সেবা দিতে অনুপ্রেরণা জোগাবে। পুলিশ হবে জনগণের বন্ধু। পুলিশ সুপার নিশাত এ্যঞ্জেলা স্যারের নির্দেশনায় জনবান্ধব পুলিশের দৃষ্টান্ত স্থাপনে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছি। থানার সকল এসআই, এএসআই, কনস্টেবলসহ সকল সহকর্মীকে ধন্যবাদ জানান তিনি।

  • সং-স্কারের মধ্য দিয়ে নতুন বাংলাদেশ গঠিত হওয়াই আমাদের লক্ষ্য- নাহিদ ইসলাম

    সং-স্কারের মধ্য দিয়ে নতুন বাংলাদেশ গঠিত হওয়াই আমাদের লক্ষ্য- নাহিদ ইসলাম

    আরিফ রববানী ময়মনসিংহ।।
    জুলাই বিপ্লবের এক দফার ঘোষক এবং জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেছেন, আমরা জুলাই পদযাত্রায় নেমেছি; কিন্তু আকাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ এখনো পাইনি। আমি বিশ্বাস করি, ময়মনসিংহবাসী আমাদের পাশে থাকবেন, তাহলে আমরা সেই দেশ অচিরেই নির্মাণ করতে পারব।

    তিনি বলেন, দেশে সংস্কার প্রক্রিয়া চলছে। ঐকমত্য কমিশন বলেছে, জুলাই সনদ হবে। আমরাও বলেছি জুলাই সনদ হতেই হবে এবং সেটা ৫ আগস্টের মধ্যেই। জুলাই সনদের জন্য দ্রুত সময়ের মধ্যে আমরা ঐক্যবদ্ধ চাই। আমরা বলেছি, নির্বাচন কমিশনসহ দুদক ও পিএসসি তার নিরপেক্ষ নিয়োগের জন্য সাংবিধানিক কমিটি তৈরি করতে হবে।

    জুলাই গণঅভ্যুত্থানের এক বছর পূর্তি এবং এক দফা আন্দোলনের আত্মত্যাগ ও অঙ্গীকারের কথা স্মরণ করে সোমবার (২৮জুলাই) বিকেলে ময়মনসিংহে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপির) ঐতিহাসিক রাজনৈতিক কর্মসূচি ‘দেশ গড়তে জুলাই পদযাথা’শেষে নগরীর টাউন হল মাঠে আয়োজিত সমাবেশে বক্তৃতাকালে এসব কথা বলেন তিনি।

    জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ময়মনসিংহ জেলা শাখার প্রধান সমন্বয়নকারী জাবেদ রাসিনের সভপাতিত্বে অনুষ্ঠিত সমাবেশে অন্যান্যদের মাঝে অংশ নেন এনসিপির কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতারা।

    সমাবেশে নেতারা বলেন, “বাংলাদেশ বিনির্মাণে ২৪ জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থানকে সামনে রেখে নতুন সংবিধান প্রণয়ন করতে হবে।” এনসিপির নেতাদের দাবি, ওই সংবিধানে ‘জুলাই বিদ্রোহে’ অংশ নেওয়া যোদ্ধাদের বীরের মর্যাদা দিতে হবে।

    এসময় এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসির উদ্দিন পাটোয়ারি বলেন, শহীদ ও আহতদের প্রতিশ্রুতি ছিল বাংলাদেশে আমার আপনার ভাই সুচিকিৎসা পাবে, বাংলাদেশে একটি নতুন রাষ্ট্র গঠন হবে। কিন্তু আমরা যখন বাংলাদেশকে একটি নতুন পদ্ধতিতে দেখছিলাম, তখন আমরা বার বার বাধাগ্রস্ত হচ্ছি। আমাদের সামনে একটিই লক্ষ্য পুরো বাংলাদেশের সংস্কার দরকার। আমরা একটি স্লোগান দিয়ে থাকি, সেটি হলো- এই মূহর্তে দরকার, বিচার আর সংস্কার। সংস্কারের মধ্য দিয়ে নতুন বাংলাদেশ গঠিত হবে, এটাই আমাদের লক্ষ্য।

    গণ জমায়েতে জাতীয় নাগরিক পার্টির নেত্রী ডা. তাসনিম জারা বলেন, “বাংলাদেশ গড়তে হলে ২৪ জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থানকে সাংবিধানিক স্বীকৃতি দিতে হবে। সংবিধান ঝেড়ে ফেলে একটি নতুন সংবিধান দরকার।”

    এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা সামান্তা সারমিন বলেন, “যারা জনগণের সঙ্গে প্রতারণা করে, তারা কখনোই মুসলিম হতে পারে না। এনসিপি প্রতিশ্রুতি দিয়ে তা পালন করবে। আগামী জাতীয় নির্বাচনে অবশ্যই পিআর (অনুপাতিক প্রতিনিধিত্ব) পদ্ধতি প্রয়োগ করতে হবে।”

    ‘পিআর ছাড়া নির্বাচন নয়’ মন্তব্য করে জাতীয় নাগরিক পার্টির মুখ্য সমন্বয়ক নাসির উদ্দিন পাটোয়ারী বলেন, “একটি দল বারবার ব্যর্থতার কারণে ‘জুলাই সনদ’ বাস্তবায়ন হয়নি। এনসিপি পিআর পদ্ধতি ছাড়া জাতীয় নির্বাচনে অংশ নেবে না।”

    তৃণমূলে সংগঠন শক্তিশালী করার তাগিদ দিয়ে দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, “তৃণমূল পর্যায়ে সংগঠনকে আরও মজবুত করতে হবে। একই সঙ্গে এনসিপিতে কোনও চাঁদাবাজের জায়গা হবে না।”

    জাতীয় নাগরিক কমিটির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম ময়মনসিংহের গীতিকা ও গুণীজনদের স্মরণ করে বলেন, বিগত সরকার শুধু মানুষ হত্যা করেনি নদী গুলোকেও মেরে ফেলেছে।আগামী ৫ আগস্টের আগে ‘জুলাই সনদ’ বাস্তবায়ন করতে হবে। সবার জন্য নিরপেক্ষ প্রশাসন গঠনের দাবি জানাই। ৩ আগস্ট ঢাকায় কেন্দ্রীয় কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হবে।”রাতে ময়মনসিংহের ফুলবাড়ীয়া উপজেলা ২৪ শে চত্বরে সমাবেশ করেন এনসিপির নেতৃবৃন্দ।

    নাহিদ ইসলাম আরো বলেন, নিরপেক্ষ প্রশাসন, নিরপেক্ষ পুলিশ ও নিরপেক্ষ আদালত আমরা প্রত্যাশা করি। এই প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কারগুলো আমাদের প্রয়োজন। ইনশাআল্লাহ ৫ আগস্টের মধ্যেই জুলাই সনদ ও জুলাই ঘোষণাপত্র আদায় করতে পারব। তিনি বলেন, আগামী ৩ আগস্ট ঢাকায় এনসিপির মহাসমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে।

    এনসিপির নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, আপনারা জনগণের পাশে দাঁড়ান, জনগণের সমস্যা সমাধান করুন। আপনারা দুর্নীতি, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজের বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলুন।

    এতে এনসিপির দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আব্দুল্লাহ, মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারী, সদস্য সচিব আক্তার হোসেন, যুগ্ম সদস্য সচিব ডা. তাসনিম জারা, সামান্তা শারমীন, শহীদ সাগরের পিতা আসাদুজ্জামান, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আরিফুল ইসলাম আদিল, যুগ্ম সদস্য সচিব ও ময়মনসিংহ জেলা কমিটির প্রধান সমন্বয়কারী জাবেদ রাসিন, কেন্দ্রীয় নেতা আবুল বাসারসহ কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতারা বক্তব্য রাখবেন।

    এর আগে বিকাল ৩টার দিকে এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতারা জামালপুর থেকে ময়মনসিংহে আসেন। পরে স্থানীয় একটি হোটেলে ময়মনসিংহে জুলাই অভ্যুত্থানে নিহত শহীদ পরিবারের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। এ সময় তাদের খোঁজখবর নেন। সেখান থেকে নেতারা নগরীর ত্রিশাল বাসস্ট্যান্ড মহিলা কলেজের সামনে শহীদ সাগর চত্বরে শ্রদ্ধা জানান। পরে সেখান থেকে একটি পদযাত্রা বের হয়ে সি কে ঘোষ রোড, রামবাবু রোড, নতুন বাজার ও জিলা স্কুল মোড় হয়ে টাউন হল প্রাঙ্গণে সমাবেশে যোগ দেন।

  • সাংবাদিক এস মিজানের মৃ-ত্যুতে অ্যাড আনিচুজ্জামানের শো-ক বার্তা

    সাংবাদিক এস মিজানের মৃ-ত্যুতে অ্যাড আনিচুজ্জামানের শো-ক বার্তা

    সাংবাদিক এস মিজানুল ইসলাম (৬০) মৃত্যুবরন করেছেন তার মৃত্যুতে শোক ও সমবেদনা জানিয়ে এক শোক বার্তা পাঠিয়েছেন বাংলাদেশ জাসদের সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট আনিচুজ্জামান আনিচ।

    শোক বার্তায় তিনি জানান অতিব দু:খের সাথে জানানো যাচ্ছে যে, সাংবাদিক এস মিজানুল ইসলাম (৬০) বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালে চিকিৎসাধিন অবস্থায় সোমবার (২৮ জুলাই) সকাল ৬টা ১০ মিনিটে স্ট্রোকজনিত কারনে তিনি ইন্তেকাল করেন…(ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। তাঁর মৃত্যুতে বাংলাদেশ জাসদ ও তার পরিবার গভীরভাবে মর্মাহত ও শোকাহত।

    মরহুমের শোক-সন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা ও সহমর্মিতা জ্ঞাপন এবং পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু আল্লাহু্ তায়ালার নিকট তাঁর বিদেহী আত্মার শান্তি ও মাগফিরাত কামনা করেছেন বাংলাদেশ জাসদের সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট আনিচুজ্জামান আনিচ।

    উল্লেখ্য এস মিজান দীর্ঘদিন ধরে ডায়াবেটিস সহ বিভিন্ন জটিল রোগে ভূগছিলেন। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী ও এক ছেলেসহ বহু গুনগ্রাহী রেখে গেছেন। প্রয়াত এস মিজানুল ইসলাম নতুন বাজার পত্রিকার বার্তা সম্পাদক, দৈনিক ইত্তেফাক ও ডেইলী বাংলাদেশ টুডে,দৈনিক ইনকিলাব,দৈনিক যুগান্তর,আজকের কাগজ,নিউ নেশন সহ বহু মিডিয়ায় তিনি কাজ করেছেন।

    এছাড়াও তিনি প্রগতি লেখক সংঘ ও খেলাঘর আসরসহ বিভিন্ন প্রগতিশীল সংগঠনের নেতৃত্বের সম্মুখভাগে ছিলেন। কবি, লেখক ও সাংবাদিক এস মিজানুল ইসলাম সন্ত্রাস, অনিয়ম ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে লিখতে গিয়ে বহুবার হামলা মামলার শিকার হয়েছেন।

    আজ (সোমবার) বাদ জোহর তার নিজ গ্রাম বানারীপাড়া কেন্দ্রীয় ঈদগাঁহ মাঠে প্রথম ও বাদ আসর উপজেলার সৈয়দকাঠি ইউনিয়নের দিদিহার গ্রামের ওলিয়ার বাড়িতে দ্বিতীয় জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে বাবা-মায়ের কবরের পাশে তাকে চির নিন্দ্রায় শায়িত করা হয়।

  • পটুয়াখালীতে ছাত্র-জনতা বিরো-ধী কর্মকর্তার আয়োজনে ‘জুলাই যো-দ্ধাদের’ অংশগ্রহন নিয়ে বিত-র্ক

    পটুয়াখালীতে ছাত্র-জনতা বিরো-ধী কর্মকর্তার আয়োজনে ‘জুলাই যো-দ্ধাদের’ অংশগ্রহন নিয়ে বিত-র্ক

    আল আমিন মোল্লা,
    পটুয়াখালী প্রতিনিধি।

    গত বছর ৩ আগস্ট ছাত্র-জনতার বিপক্ষে সরাসরি মিছিলে অংশ নেওয়া ও ভাইরাল স্লোগানদাতা হিসেবে পরিচিত বিতর্কিত সরকারি কর্মকর্তা ডা. খালেদুর রহমান মিয়ার আয়োজনে অংশ নিয়েছেন পটুয়াখালীর জুলাই যোদ্ধারা। ফলে পটুয়াখালীর রাজনৈতিক ও সচেতন মহলে শুরু হয়েছে তীব্র বিতর্ক ও প্রতিক্রিয়া।

    ২৮ জুলাই (সোমবার) সকাল ১০টা ৩০ মিনিটে পটুয়াখালী সিভিল সার্জন কার্যালয় সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত হয় “জুলাই পুনর্জাগরণ অনুষ্ঠানমালা-২০২৫ ও আলোচনা সভা”। আয়োজক ছিলেন জেলা সিভিল সার্জন ডা. খালেদুর রহমান মিয়া। কিন্তু এই আয়োজনের পেছনের ইতিহাসই এখন প্রশ্নবিদ্ধ।

    গত বছরের ৩ আগস্ট ঢাকার রাজপথে ছাত্র-জনতা বিরোধী মিছিলে অংশ নিয়ে “এক দফা কবর দে” স্লোগান দেন ডা. খালেদুর রহমান মিয়া। এমন ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। ভিডিওতে দেখা যায়, তিনি বুকে কালো ব্যাজ ধারণ করে মিছিল করছেন। এই ভিডিও প্রকাশের পর দেশের বিভিন্ন জায়গায় তার বিরুদ্ধে ছাত্র-জনতা এবং নাগরিক সমাজ ক্ষোভ প্রকাশ করে। ফ্যাসিবাদী সরকার পতনের পর তিনি পটুয়াখালীতে সিভিল সার্জন হিসেবে যোগদান করেন, যা নিয়েও তীব্র বিতর্ক হয়। তার ছাত্র-জনতা বিরোধী সক্রিয় অংশগ্রহণ ও সাম্প্রতিক কর্মকাণ্ড সম্পর্কিত একটি নিউজ ২৬ জুলাই জাতীয়, আঞ্চলিক, স্থানীয় ও বিভিন্ন গনমাধ্যমে প্রকাশিত হয়। এরপর থেকে স্থানীয়ভাবে তার বিরুদ্ধে সাধারণ ছাত্র জনতার মধ্যে ব্যাপক সমালোচনা ও মিশ্র প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়।

    চলতি সময়ে বিতর্কিত ওই কর্মকর্তা নিজেকে ‘সততার প্রতীক’ ও ‘জুলাই আন্দোলনের সহযোদ্ধা’ হিসেবে প্রচার করছেন, তার আয়োজনে জুলাই আন্দোলনের অগ্রসৈনিকদের অংশগ্রহণ অনেকের কাছে অপ্রত্যাশিত লেগেছে। আন্দোলনের নৈতিকতা ও স্মৃতি রক্ষার প্রশ্নে এ অংশগ্রহণকে “আদর্শচ্যুতি” হিসেবেও ব্যাখ্যা করছেন অনেকে।

    জুলাই যোদ্ধা তোফাজ্জেল বলেন, সিভিল সার্জন এর অফিসে নাকি কয়টা নিয়োগ এজন্য নাকি তার বিরুদ্ধে লাগা হইছে। সে যেদিন সে প্রথম জয়েন করছে তারপরই এই ভিডিওটা আমি দেখছি। এটা তো শুধু আমার কাছে না এটা পটুয়াখালীর ম্যাক্সিমাম সাংবাদিক বা কম বেশি যারা আছে সবাই দেখছে। এখন নিয়োগের সময়ে এই বিষয়টা সামনে আসছে। এ বিষয়ে আপনারা ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন। সিভিল সার্জনকে খালি খালি ধরে লাভ নাই। উনি তো শুধু মিছিলে নামছে এর চেয়ে বড় অপরাধীও প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়ায়।তাকে নিয়ে আমাদের কোন প্রতিক্রিয়া নাই।

    আরেক জুলাই যোদ্ধা সালমান বলেন, আসলে এ ব্যপারে আমি শুনেছি। কি করা যায় সবার সাথে আলাপ করে বিষয়টি দেখতেছি। তাছাড়া এ ব্যপারে ডিসি স্যরকে অবগত করেছি।

    সাধারণ নাগরিক, শিক্ষক ও সংস্কৃতিকর্মীদের একটি অংশ বলছেন, “যে কর্মকর্তা ছাত্রদের কবর দিতে চেয়েছেন, তার সেমিনারে ছাত্রদের শহীদের নাম জপা একটা পরিহাস। এটা নীরব আপসের নমুনা।”

  • নতুন বাজার পত্রিকার বার্তা সম্পাদক এস মিজানের মৃ-ত্যুতে নতুন বাজার পরিবারে শো-ক

    নতুন বাজার পত্রিকার বার্তা সম্পাদক এস মিজানের মৃ-ত্যুতে নতুন বাজার পরিবারে শো-ক

    নতুন বাজার পত্রিকার বার্তা সম্পাদক এস মিজানুল ইসলাম (৬০) মৃত্যুবরন করেছেন। বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালে চিকিৎসাধিন অবস্থায় সোমবার (২৮ জুলাই) সকাল ৬টা ১০ মিনিটে স্ট্রোকজনিত কারনে তিনি ইন্তেকাল করেন।(ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

    তিনি দীর্ঘদিন ধরে ডায়াবেটিস সহ বিভিন্ন জটিল রোগে ভূগছিলেন। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী ও এক ছেলেসহ বহু গুনগ্রাহী রেখে গেছেন। নতুন বাজার পত্রিকার বার্তা সম্পাদক এস মিজানুল ইসলাম দৈনিক ইত্তেফাক ও ডেইলী বাংলাদেশ টুডে,দৈনিক ইনকিলাব,দৈনিক যুগান্তর,আজকের কাগজ,নিউ নেশন সহ বহু মিডিয়ায় তিনি কাজ করেছেন।

    এছাড়াও তিনি প্রগতি লেখক সংঘ ও খেলাঘর আসরসহ বিভিন্ন প্রগতিশীল সংগঠনের নেতৃত্বের সম্মুখভাগে ছিলেন। কবি, লেখক ও সাংবাদিক এস মিজানুল ইসলাম সন্ত্রাস, অনিয়ম ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে লিখতে গিয়ে বহুবার হামলা মামলার শিকার হয়েছেন।

    আজ (সোমবার) বাদ জোহর তার নিজ গ্রাম বানারীপাড়া কেন্দ্রীয় ঈদগাঁহ মাঠে প্রথম ও বাদ আসর উপজেলার সৈয়দকাঠি ইউনিয়নের দিদিহার গ্রামের ওলিয়ার বাড়িতে দ্বিতীয় জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে বাবা-মায়ের কবরের পাশে তাকে চির নিন্দ্রায় শায়িত করা হয়।

    নতুন বাজার পত্রিকার বার্তা সম্পাদক এস মিজানুল ইসলামের মৃত্যুতে গভীর শোক ও শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন নতুন বাজার পরিবারের সকল সদস্যবৃন্দ ও প্রতিনিধিগন।

  • গৌরনদীতে মেধাবী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ক্রেষ্ট ও সনদ প্রদান অনুষ্ঠান

    গৌরনদীতে মেধাবী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ক্রেষ্ট ও সনদ প্রদান অনুষ্ঠান

    কে এম সোয়েব জুয়েল।।
    ‎‎গৌরনদী প্রতিনিধি।
    পারফরমেন্স বেজড গ্র্যান্টস ফর সেকেন্ডারি ইন্সটিটিউশনস স্কিম (এসইডিপি)–র আওতায় গৌরনদী উপজেলা প্রশাসন ও মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের উদ্যোগে সোমবার সকাল ১১টায় গৌরনদী উপজেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে বরিশালের গৌরনদীতে ২০২২-২০২৩র এসএসসি ও এইচএসসি পাশ মেধাবী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা, ক্রেষ্ট ও সনদ প্রদান অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
    ‎অনুষ্ঠানে করেন গৌরনদী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রিফাত আরা মৌরির সভাপতিত্বে ‎প্রধান অতিথি ছিলেন মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের সরকারি কলেজ শাখার উপ-পরিচালক মো. নুরুল হক সিকদার। ‎বিশেষ অতিথি ছিলেন ভারপ্রাপ্ত বরিশাল জেলা শিক্ষা অফিসার মো. হারুনুর রশিদ, গৌরনদী উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মো. আব্দুল জলিল, বিআরডিবির সাবেক চেয়ারম্যান ও পৌর নাগরিক কমিটির সভাপতি সিনিয়র সাংবাদিক জহুরুল ইসলাম জহির, সরকারি গৌরনদী কলেজের সহকারী অধ্যাপক মো. ইউনুস মিয়া, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা জাহানারা পারভিন। ‎বক্তব্য রাখেন গৌরনদী গার্লস স্কুল এন্ড কলেজের শিক্ষক শিল্পি রানী মন্ডল,মাহিলাড়া কলেজের সাবেক শিক্ষার্থী আসাদুল মৃধা। ‎অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, শিক্ষার মানোন্নয়ন ও প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রমে গুণগত পরিবর্তন আনতে এ ধরনের কর্মসূচি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে স্বাস্থ্যকর প্রতিযোগিতার পরিবেশ তৈরি হচ্ছে, যা সামগ্রিকভাবে দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার অগ্রগতিতে সহায়ক হবে। ‎অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন মাহিলাড়া ডিগ্রী কলেজের সহকারী অধ্যাপক জিনাত জাহান খান।