Author: desk

  • সাত উপাচার্যের অংশগ্রহণে গোবিপ্রবিতে শিক্ষা সমাপনী অনুষ্ঠিত

    সাত উপাচার্যের অংশগ্রহণে গোবিপ্রবিতে শিক্ষা সমাপনী অনুষ্ঠিত

    কে এম সাইফুর রহমান, নিজস্ব প্রতিনিধিঃ 

    গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (গোবিপ্রবি) নবম ব্যাচের (নবনীতক ৯) শিক্ষার্থীদের নিয়ে শিক্ষা সমাপনী-২০২৪ অনুষ্ঠিত হয়েছে। ২০১৯-২০ সেশনের শিক্ষার্থীদের বিদায় বেলায় এক মঞ্চে আসীন হন বাংলাদেশের বিভিন্ন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের খ্যাতিমান সাতজন উপাচার্য।

    আজ বুধবার (৩০ জুলাই) দুপুর ১২টায় একাডেমিক ভবন প্রাঙ্গণে আনন্দঘন পরিবেশে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. হোসেন উদ্দিন শেখর ছাড়াও অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে অংশগ্রহণকারী উপাচার্যবৃন্দ হলেন- ১. কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. হায়দার আলী, ২. খুলনা কৃষি বিশ্বিবদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. নাজমুল আহসান, ৩. শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এম সরওয়ারউদ্দিন চৌধুরী, ৪. পিরোজপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. মো. শহীদুল ইসলাম, ৫. পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এস এম আব্দুল আওয়াল, ৬. রাঙ্গামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আতিয়ার রহমান ও ৭. শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুসলেহ উদ্দিন তারেক।

    এক মঞ্চে একই সঙ্গে এতোজন উপাচার্যকে পেয়ে সমাপনী ব্যাচসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যান্য শিক্ষার্থীরাও উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন।

    অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথিরি বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. হোসেন উদ্দিন শেখর অভ্যাগত উপাচার্যদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। এসময় অধ্যাপক ড. হোসেন উদ্দিন শেখর বলেন, শিক্ষার্থীদের অনুপ্রেরণা দেয়ার জন্যই আমাদের এই প্রয়াস। একই সঙ্গে এই বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাবমূর্তি তুলে ধরাও আমাদের লক্ষ্য। আমরা জানিয়ে দিতে চাই, গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে চায় এবং অচিরেই দাঁড়াবেই। আমরা ইতোমধ্যে ইউজিসির দুটি হিট (ঐঊঅঞ) প্রজেক্ট পেয়েছি এবং ভবিষ্যতে আরো প্রজেক্ট পাবো। আমরা আশা করছি, বি ক্যাটাগরি থেকে আগামী অর্থবছরের আগেই আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়টি এ ক্যাটাগরিতে উন্নীত হবে।

    বিশেষ অতিথির বক্তব্যে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. হায়দার আলী বলেন, এভাবে একসঙ্গে পুরো সেশনের শিক্ষা সমাপনী আয়োজনের আইডিয়াটি অত্যন্ত চমৎকার। এতে করে একটি ব্যাচের একই সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে প্রবেশ ঘটে। যেখানে সবার একসঙ্গে পরীক্ষা হয়, রেজাল্ট প্রকাশ হয় এবং কোনো সেশন জট থাকে না। আমি এই আইডিয়াটি আমার নিজ বিশ্ববিদ্যালয়েও বাস্তবায়নের চেষ্টা করবো।

    খুলনা কৃষি বিশ্বিবদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. নাজমুল আহসান বলেন, আমরা বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যগণ এখানে এসেছি সংহতি জানানোর জন্য। আমি নবম ব্যাচের শিক্ষার্থীদের জীবনে সফলতা কামনা করছি।

    শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এম সরওয়ারউদ্দিন চৌধুরী, শিক্ষার্থীদের বিসিএস দেয়া, বিভিন্ন সেক্টরে কাজ করা বা ব্যবসা করার লক্ষ্য থাকে। তবে জীবনে কোনো না কোনো কিছু করতেই হবে। এক্ষেত্রে অবসর বলে কোনো শব্দ থাকে না।

    পিরোজপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. মো. শহীদুল ইসলাম বলেন, আমি যখন দেশের বাইরে পড়াশোনা করতাম, তখন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যকে আমি কখনোই দেখিনি। আর বাংলাদেশের কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ের মঞ্চে কখনো একসাথে সাতজন উপাচার্যকেও বসতে দেখিনি; যা অধ্যাপক ড. হোসেন উদ্দিন শেখর করে দেখিয়েছেন।

    পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এস এম আব্দুল আওয়াল বলেন, আমরা যদি আন্তর্জাতিক পরিপ্রেক্ষিতে চিন্তা করি, আমাদের চাকরি খোঁজার পাশাপাশি এমন কিছু করার মানসিকতা রাখতে হবে, যা দেশ ও জাতির জন্য কল্যাণ বয়ে আনবে।

    রাঙ্গামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য মো. আতিয়ার রহমান বলেন, শিক্ষা সমাপনী মানেই সব সম্পর্ক ছিন্ন করা নয়। বিশ্বে এমন অনেক নজির আছে, যেখানে এলামনাই থেকে ভাইস চ্যান্সেলর নিয়োগ হয়েছে। তাই নিজেকে বিস্তৃত পরিসরে মেলে ধরে বিশ্ববিদ্যালয়ের মুখ উজ্জ্বল করার দায়িত্ব নিতে হবে।

    শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুসলেহ উদ্দিন আহমেদ বলেন, নিজকে চেনাই সবচেয়ে বড়ো শিক্ষা। আর শিক্ষার্থীদের কর্মজীবনই বলে দেবে তারা বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে কতোটা জ্ঞান অর্জন করেছে।  

    অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. সোহেল হাসান বলেন, একসঙ্গে এতোজন ভাইস চ্যান্সেলরকে পেয়ে আমরা অনেক সম্মানিত বোধ করছি।

    এ সময় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ট্রেজারার অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ নাজমুল আহসান বলেন, শিক্ষার্থীরা কখনো চলে যায় না। মাতৃসম প্রতিষ্ঠানে তাদের অবস্থান সবসময়ই থাকে।

    এর আগে জুলাই শহিদদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠান শুরু করা হয়। অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল অনুষদের ডিন, রেজিস্ট্রার, বিভাগীয় সভাপতি ও প্রাধ্যক্ষগণ, প্রক্টর, ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা দপ্তরের পরিচালক, দপ্তর প্রধানগণ, বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক- শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।

    এছাড়াও শিক্ষা সমাপনী উপলক্ষে আজ বুধবার ছাত্রদের কালার ফেস্ট ও সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা এবং আগামীকাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় একটি কনসার্টের আয়োজন করা হয়েছে।

  • তেঁতুলিয়ায় ইউনিয়ন পরিষদের পরি-ত্যাক্ত টয়-লেট থেকে শিশুর ম-রদেহ উ-দ্ধার

    তেঁতুলিয়ায় ইউনিয়ন পরিষদের পরি-ত্যাক্ত টয়-লেট থেকে শিশুর ম-রদেহ উ-দ্ধার

    মুহম্মদ তরিকুল ইসলাম, তেঁতুলিয়া (পঞ্চগড়) প্রতিনিধিঃ পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া উপজেলার বুড়াবুড়ি ইউনিয়ন পরিষদের এক পরিত্যাক্ত ভাঙা টয়লেট থেকে উদ্ধার করা হয়েছে আল হাবিব (৬) নামের এক শিশুর মরদেহ।

    মঙ্গলবার (২৯ জুলাই) রাতে বুড়াবুড়ি ইউনিয়ন পরিষদের ওই টয়লেট থেকে উদ্ধার করা হয় শিশুটির মরদেহ। নিহত আল হাবিব ওই ইউনিয়নের শিলাইকুঠি গ্রামের আশরাফুল ইসলামের ছেলে।

    পরিবার ও স্থানীয়রা জানান, ওই ইউনিয়নের চরকডাঙ্গী নামক এলাকায় বিকেলে খেলা দেখতে গিয়ে বাড়িতে না ফেরায়, বিকেল থেকেই তাকে খোঁজাখুজি করা হয়। পরিবারের পক্ষ থেকে স্যোশাল মিডিয়া ফেসবুকেও খুঁজিয়ে পেতে শিশুটির ছবি সহ পোস্ট করেন অনেকেই। দীর্ঘ খোঁজাখুঁজির পর রাত সাড়ে ৮টায় বুড়াবুড়ি ইউনিয়ন পরিষদের পরিত্যক্ত ভবনের টয়লেটে শিশুটির মরদেহ পড়ে থাকতে দেখা যায়। পরে পুলিশে খবর দিলে পুলিশ এসে মরদেহ উদ্ধার করে। এ সময় শিশুটির গলায় তার পরনের শার্ট পেঁচানো থাকতে দেখা যায়। মাথার পিছনেও আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।

    নিহত শিশুটির মা হ্যাপি আক্তার বলেন, অনেক খোঁজাখুজির পর যখন পাচ্ছিনা তখন ইউনিয়ন পরিষদে কয়েকজন ছেলেকে দেখতে বলেন তিনি। খোঁজাখুঁজির এক পর্যায় একটি ছেলে পরিষদের পরিত্যাক্ত টয়লেটে হাবীবকে দেখতে পেয়ে চিকিৎকার দিয়ে বাড়িতে দৌড় দেন। এরপর পরিবারসহ প্রতিবেশীগণ সেখানে গেলে হাবিবের মরদেহটি দেখতে পান।

    আশরাফুলের ভাগিনা মোমিন বলেন, আমরা কয়েকজন চরকডাঙ্গী খেলা দেখতে গেছিলাম। খেলা দেখতে হাবিবও গেছিলো। পরে আমরা জানতে পারি হাবিব বাড়িতে আসেনি।

    জানা যায়, নিহত শিশুর বাবা আশরাফুল ইসলাম একজন বিদ্যুৎ মিস্ত্রি ছিলেন। এক দুর্ঘটনায় আহত হওয়ার পর থেকে পরিবার নিয়ে চরম দারিদ্র্যের মধ্যে দিন কাটছিল তাদের।

    বুড়াবুড়ি ইউপি চেয়ারম্যান তারেক হোসেন বলেন, ‘ইউনিয়ন পরিষদের পেছনে পরিত্যক্ত ভবনে বাচ্চাটিকে দেখতে পেয়ে গ্রাম পুলিশ ও স্থানীয়রা খবর দিলে থানা পুলিশকে জানানো হয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে মরদেহ উদ্ধার করে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।’

    তেঁতুলিয়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুসা মিয়া বলেন, ‘ইউনিয়ন পরিষদের একটি পরিত্যক্ত ভবনের টয়লেট থেকে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। শিশুটির মাথার পেছনে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, এটি একটি হত্যাকান্ড। তবে মরদেহটি সুরতহাল শেষে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হচ্ছে। ঘটনাটি উদঘাটনে তদন্ত চলছে। সঠিক উদঘাটন খুব শীঘ্রই করা হবে।’

    মুহম্মদ তরিকুল ইসলাম।।

  • নড়াইলের লোহাগড়া পৌরসভার সা-বেক মেয়র আশরাফুল কা-রাগারে

    নড়াইলের লোহাগড়া পৌরসভার সা-বেক মেয়র আশরাফুল কা-রাগারে

    উজ্জ্বল রায়,জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে:

    নড়াইলের লোহাগড়া পৌরসভার সাবেক মেয়র কারাগারে। নড়াইলে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দলনের মিছিলে হামলার মামলায় সাবেক লোহাগড়া পৌরসভার মেয়র আশরাফুল আলম এর জামিন নামুঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। উজ্জ্বল রায়,জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে জানান, বুধবার (৩০ জুলাই) বেলা সাড়ে ১১টায় লোহাগড়া আমলী আদালতের বিচারক রতনা সাহা জামিন নামুঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
    আদালতের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর (এপিপি) এডভোকেট আজিজুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
    আশরাফুল আলম লোহাগড়া পৌরসভার সাবেক মেয়র ছাড়াও লোহাগড়া উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি, লোহাগড়া উপজেলা আ.লীগের বর্তমান কমিটির সহ-সভাপতি এবং উপজেলা যুবলীগের সভাপতির দ্বায়িত্বে ছিলেন।
    জানা গেছে, নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলায় ছাত্র আন্দলনে হামলার ঘটনায় গত বছরের (৯ ডিসেম্বর) সোমবার রাতে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন নড়াইল জেলা শাখার মুখ্য সংগঠক কাজি ইয়াজুর রহমান বাবু বাদী হয়ে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী অঙ্গসংগঠনের ২৯৫ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরও সাড়ে ৩০০ থেকে ৩৫০ জনকে আসামি করে লোহাগড়া থানায় মামলা দায়ের করেন। এ মামলায় ১৯ নম্বর আসামি করা হয় মেয়র আশরাফুল আলমকে।
    মামলা সূত্রে জানা যায়, গত বছরের ৪ আগস্ট সকালে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতা কর্মসূচি চলাকালে সিএন্ডবি চৌরাস্তায় ছাত্র-জনতার ওপর হামলা করে বেধড়ক মারপিট করা হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের ছত্রভঙ্গ করতে আগ্নেয়াস্ত্র দিয়ে গুলি ছোড়া ও ককটেল বিস্ফোরণ ঘটানো হয়। এতে নড়াইল জেলার মুখ্য সংগঠক কাজী ইয়াজুর রহমানসহ আরও ১৩ জন শিক্ষার্থীকে রামদা, বাঁশের লাঠি, লোহার রড দিয়ে পিটিয়ে ও কুপিয়ে আহত করে বলে মামলার এজাহারে অভিযোগ করা হয়।

    উজ্জ্বল রায়,জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে।

  • কারাগারে মোবাইল ফোন নেওয়ার চেষ্টায় ডি-ভিশন বাতি-ল সাবেক এমপি আবুল কালামের

    কারাগারে মোবাইল ফোন নেওয়ার চেষ্টায় ডি-ভিশন বাতি-ল সাবেক এমপি আবুল কালামের

    নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহীঃ রাজশাহী কেন্দ্রীয় কারাগারে গোপনে মোবাইল ফোন নেওয়ার চেষ্টার অভিযোগে ডিভিশন বাতিল করা হয়েছে সাবেক এমপি আবুল কালাম আজাদের। তিনি রাজশাহী-৪ (বাগমারা) আসনের সাবেক এমপি। বর্তমানে তিনি রাজশাহী কারাগরে অবস্থান করছেন। মামলায় হাজির করতে দিনাজপুর কারাগার থেকে তাঁকে রাজশাহী কেন্দ্রীয় কারাগারে রাখা হয়। গ্রেপ্তারের পর তিনি এ কারগারেই ছিলেন। তবে কারা অপরাধের কারণে তাঁর ডিভিশন বাতিল করে তাঁকে দিনাজপুর কারাগারে পাঠানো হয় সাবেক এ সংসদ সদস্যকে। সেখানে তিনি সাধারণ কয়েদিদের কক্ষে তাঁদের সঙ্গে থাকেন। তবে বর্তমানে মামলায় হাজির করতে রাজশাহীতে আনা হয়েছে তাঁকে।

    রাজশাহী কেন্দ্রীয় কারাগার সূত্র মতে, সাবেক এমপি আবুল কালাম আজাদ তাঁর এক বোনের মাধ্যমে প্রায় দুই মাস আগে একটি মোবাইল ফোন কাগারের ভিতরে নেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন। বোন জুলেখার খাতুনের মাধ্যমে গত ৮ মে তিনি একটি এন্ড্রয়েড মোবাইল ফোন কারাগারে ঢুকানোর চেষ্টা করেন। ওই ফোন নিয়ে জুলেখা খাতুন সাবেক এমপি এনামুলের সঙ্গে দেখা করতে গিয়ে তাঁকে দেওয়ার সময় সেটি জব্দ করেন কারারক্ষীরা। এ ঘটনার পরের দিনই উর্দ্ধতন কারা কর্তৃপক্ষের নির্দেশে গত ৯ জুন তাঁকে নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে রাজশাহী কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে দিনাজপুর কারাগারে পাঠানো হয়। এরপর গত ১৮ মে সাবেক এমপি হিসেবে প্রাপ্ত আবুল কালাম আজাদের ডিভিশনও বাতিল করা হয়।

    বিষয়টি নিশ্চিত করে রাজশাহী কেন্দ্রীয় কারাগারের জেষ্ঠ্য জেল সুপার শাহ আলম খান বলেন, ‘কারাগারে মোবাইল ফোন ঢুকানোর চেষ্টার অপরাধে সাবেক এমপি আবুল কালাম আজাদের ডিভিশন বাতিল করে তাঁকে সাধারণ কয়েদিদের কক্ষে রাখা হচ্ছে। বর্তমানে তিনি রাজশাহী কেন্দ্রীয় কারাগারেই আছেন। দিনাজপুর থেকে তাঁকে মামলায় রাজশাহীর আদালতে হাজির করতে আনা হয়েছে।
    আগামী ৮ জুলাই হাজিরা শেষে আবারও দিনাজপুরে পাঠানো হবে। একটি মামলায় তিনি কোট থেকে ডিভিশন নিয়েছেন। আমরা জেলা প্রশাসক মহোদয়ের নিকট পাঠিয়ে। এখনও কোন সিদ্ধান্ত পাই নি। এখানেও তিনি সাধারণ কয়েদিদের কক্ষেই থাকেন।’ তিনি দীর্ঘ দিন এ কারাগারে ছিলেন। ওই কর্মকর্তা আরও বলেন, ‘এমপি কালামের বোন স্বীকার করেছিলেন সাবেক এমপির পরিকল্পনায় তিনি তাঁর ভাইকে গোপনে মোবাইল ফোন দিতে এসেছিলেন। এ কারণে সাবেক এমপি কালামের ডিভিশন বাতিল করা হয়েছে।’

    মোঃ হায়দার আলী
    নিজস্ব প্রতিবেদক,
    রাজশাহী।

  • পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশনের সদস্য কর্তৃক গাক’র কার্যক্রম পরিদর্শন : সন্তুষ্টি প্রকাশ

    পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশনের সদস্য কর্তৃক গাক’র কার্যক্রম পরিদর্শন : সন্তুষ্টি প্রকাশ

    জি এম রাঙ্গা :

    বগুড়া, ৩০ জুলাই ২০২৫-পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ)-এর সাধারণ পর্ষদের সম্মানিত সদস্য শফিকুল ইসলাম শাহেদ দেশের শীর্ষ স্থানীয় ও জাতীয় মানের বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা গাক এর কার্যক্রম পরিদর্শন করেছেন। এই পরিদর্শনের উদ্দেশ্য ছিল গাক’র বিভিন্ন উন্নয়ন মূলক কর্মসূচি ও সেবাসমূহ সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করা। পরিদর্শন শেষে তিনি গাক’র কার্যক্রমে গভীর সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন। পরিদর্শনন কালে শফিকুল ইসলাম শাহেদ গাক’র মাঠ পর্যায়ের বিভিন্ন কার্যক্রম ঘুরে দেখেন এবং এর সুবিধাভোগীদের সাথে মতবিনিময় করেন। তিনি গাক’র কর্মপরিধি, স্বচ্ছতা এবং এর সামাজিক প্রভাব সম্পর্কে বিস্তারিত ধারণা লাভ করেন।

    পরিদর্শন শেষে গাক’র বগুড়ার প্রধান কার্যালয়ে কর্মকর্তাদের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। এই সভায় গাক’র উর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। সভায় উপস্থিত ছিলেন গাক’র সিনিয়র পরিচালক ড. মো: মাহবুব আলম, পরিচালক (মনিটরিং এন্ড রিভিউ) হজকিল মোঃ আবু হাসান, পরিচালক (আইসিটি এন্ড আরএম) মোঃ রায়হানুস সাদাত, যুগ্ম-পরিচালক (ফাইন্যান্স এন্ড একাউন্টস) মোঃ রাফিউল ইসলাম ও মোঃ খোরশেদ আলম, এবং উপ-পরিচালক মোহাম্মদ আরমান হোসেন-সহ অন্যান্য কর্মকর্তাবৃন্দ।

    সভায় গাক’র কার্যক্রমের বিভিন্ন দিক, অর্জন এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। শফিকুল ইসলাম শাহেদ গাক’র নিরলস প্রচেষ্টা এবং সমাজের পিছিয়ে পড়া মানুষের জীবনমান উন্নয়নে তাদের ভূমিকার ভূয়সী প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, গাক পিকেএসএফ-এর লক্ষ্য পূরণে একটি গুরুত্বপূর্ণ সহযোগী হিসেবে কাজ করছে। গাক’র পক্ষ থেকে জানানো হয়, তারা পিকেএসএফ-এর নির্দেশনা ও সহযোগিতায় তাদের কার্যক্রম আরও সম্প্রসারিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এই পরিদর্শন গাক’র কার্যক্রমে নতুন গতি আনবে এবং ভবিষ্যতে পিকেএসএফ ও গাক-এর মধ্যে সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

  • পীরগঞ্জে জমি-জমা সংক্রান্ত বি-রোধকে কেন্দ্র করে  আপন মামা’র বি-রুদ্ধে মা-মলা করেন ভাগিনার পরিবার

    পীরগঞ্জে জমি-জমা সংক্রান্ত বি-রোধকে কেন্দ্র করে আপন মামা’র বি-রুদ্ধে মা-মলা করেন ভাগিনার পরিবার

    পীরগঞ্জ (ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধি ঃ ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জে জমি-জমা সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে মামার নেতৃত্বে সংঘবদ্ধ হামলায় স্কুলপড়ুয়া দুই শিক্ষার্থী ও একজন গৃহবধূ গুরুত্বর আহত করায় মানববন্ধন ও সংবাদ সম্মেলন করেন ভূক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা।
    গতকাল বুধবার দুপুরে পীরগঞ্জ প্রেসক্লাবের সামনে গত ১৬ জুলাই উপজেলার পীরগঞ্জ সদর ইউনিয়নের ভাকুড়া গ্রামে এ ঘটনাটি ঘটে। ভুক্তভোগী রইসুল আলম বাদী হয়ে পীরগঞ্জ থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।
    সংবাদ সম্মেলনে রইসুল আলম নামে এক ভূক্তভোগী বলেন, তার আপন মামা উপজেলার ভাকুড়া গ্রামের আবুল কালাম আজাদের সাথে দীর্ঘদিন ধরে সম্পত্তি নিয়ে তাদের সাথে পারিবারিক বিরোধ ছিলো। গত ১৬ জুলাই বিকাল ৩টার দিকে তার দুই ছেলে ফাহিম শাহরিয়ার ও সাইদ হাসান কোচিং শেষে বাড়ি ফেরার সময় স্থানীয় সাইফুল ইসলামের বাড়ির সামনে পৌঁছালে তার মামা আবুল কালাম আজাদ ও তার পরিবারের সদস্যরা পূর্ব পরিকল্পিতভাবে তাদের উপর চড়াও হয় এবং হাতে থাকা ধারালো ছোরা দিয়ে তার ছেলে সাইদ হাসানের মাথায় কোপ মারেন, ফলে মাথায় গুরুতর কাটা ও রক্তাক্ত জখম হয় এবং মাথায় ৬টি সেলাই দিতে হয়েছে। মেহেরুন নেছা ও খতেজা বেগম নামে দুই নারী সাইদকে এলোপাতাড়ি মারধর করে এবং একই সময় ফাহিম শাহরিয়ারের গলা টিপে ধরে শ্বাসরোধ করে হত্যাচেষ্টা চালানো হয়। মা লাবনী আক্তার ছেলেদের উপর হামলার কথা শুনে ঘটনাস্থলে সন্তানদের রক্ষা করতে গেলে তাকেও বিবাদীরা বেধড়ক মারপিট করে, পরিধেয় কাপড় ছিঁড়ে বিবস্ত্র করে শ্লীলতাহানি ঘটায় বলে অভিযোগ করেন রইসুল আলম।
    স্থানীয়রা ছুটে এসে তাদের উদ্ধার করলে আহতদের প্রথমে পীরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়, পরে অবস্থা গুরুতর হওয়ায় দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফাড করেন। তবে পরিবারটি মামলা করার পর চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে। আমি প্রশাসনের প্রতি জোর দাবি জানাচ্ছি, দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবী করছি।
    এ বিষয়ে অভিযুক্তকারী আবুল কালাম আজাদের সাথে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।
    পীরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তাজুল ইসলাম বলেন, থানায় একটি মামলা হয়েছে। আসামীদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

  • তারাগঞ্জে আইনশৃ-ঙ্খলার চ-রম অব-নতি “বেড়েই চলছে চু-রি ডা-কাতি”

    তারাগঞ্জে আইনশৃ-ঙ্খলার চ-রম অব-নতি “বেড়েই চলছে চু-রি ডা-কাতি”

    খলিলুর রহমান খলিল, নিজস্ব প্রতিনিধি:
    রংপুরের তারাগঞ্জ উপজেলার কুর্শা ইউনিয়নের ঘনিরামপুর গোমস্তাপাড়া গ্রামে মঙ্গলবার (২৯ জুলাই) দিবাগত রাতে তিনটি বাড়িতে গরু চুরির ঘটনা ঘটেছে।

    ভুক্তভোগী পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, চোরের দল গভীর রাতে একযোগে তিনটি বাড়িতে হানা দিয়ে মোট চারটি গরু চুরি করে নিয়ে যায়।
    ময়েজ উদ্দিনের ছেলে ছফিল উদ্দিন (নিন্দালু) এর বাড়ি থেকে একটি গাভী ও একটি বাছুর,
    কবির উদ্দিনের ছেলে মিঠুর বাড়ি থেকে একটি গাভী এবং টেবরা মাহমুদের ছেলে আব্দুস সামাদের বাড়ি থেকে আরেকটি গাভী চুরি করে নিয়ে যায় চোরেরা ।

    চুরি হওয়া গরুগুলোর বর্তমান বাজারমূল্য প্রায় তিন থেকে সাড়ে তিন লাখ টাকা বলে জানিয়েছেন ক্ষতিগ্রস্তরা পরিবার।

    চুরির বিষয়ে কথা বলতে গেলে স্থানীয়রা জানান, গত এক দেড় মাস থেকে তারাগঞ্জের আইন-শৃঙ্খলার অনেকটাই অবনতি হয়েছে, যার ফলে এই এক- দেড় মাসে কয়েকটি চুরি, ডাকাতি ও খুনের ঘটনা ঘটে, তারা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষদের উদ্দেশ্য করে আরো বলেন পুলিশ যদি এমন করে আমাদেরকে নিরাপত্তা দেয় তাহলে হয়তো অল্প কিছুদিনের ভিতরে, তারাগঞ্জের মানুষ চোর ও লুটেরাদের হাতে সর্বোচ্চ হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে যাবেন।

    তারাগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এম এ ফারুক বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, অভিযোগ পেয়েছি। ঘটনাটি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

  • কোটি টাকার চা কারখানা নিয়ে টা-নাপোড়েন, দুই পরিচালক ব-ঞ্চিত

    কোটি টাকার চা কারখানা নিয়ে টা-নাপোড়েন, দুই পরিচালক ব-ঞ্চিত

    বাবুল হোসেন,
    পঞ্চগড় প্রতিনিধি :

    পঞ্চগড় সদর উপজেলার কেচেরাপাড়া এলাকায় স্থাপিত কোটি টাকার ‘উত্তরা গ্রীন টি ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড’ চা কারখানাকে কেন্দ্র করে মালিকানা জটিলতা চরমে পৌঁছেছে। কারখানাটির দুই পরিচালক আব্দুর রাজ্জাক ও তারিকুল ইসলাম অভিযোগ করেছেন, একটি মহল তাদের জোরপূর্বক সরিয়ে দিয়ে পুরো কারখানার নিয়ন্ত্রণ গ্রহণ করেছে।

    এই ঘটনায় তাঁরা লিখিত অভিযোগ করেছেন জেলা প্রশাসন, বাংলাদেশ চা বোর্ডসহ একাধিক দপ্তরে। অভিযোগকারীরা জানান, তাদেরকে না জানিয়ে কারখানাটি অন্যদের কাছে লিজ দেওয়া হয়েছে। আর জোরপূর্বক চুক্তিপত্রে স্বাক্ষর করিয়ে মালিকানা হস্তান্তরের নামে প্রতারণা করা হয়েছে।

    স্থানীয়দের শঙ্কা, মালিকানা বিরোধের কারণে দীর্ঘদিন চা উৎপাদন কার্যক্রম বন্ধ থাকলে শতাধিক শ্রমিক কর্মহীন হয়ে পড়বেন।

    ২০১৮ সালে তৎকালীন জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা কাজী বোরহান উদ্দিনের উদ্যোগে কেচেরাপাড়ায় ৭ বিঘা জমির উপর কারখানাটি স্থাপিত হয়। সরকারি কর্মকর্তা হওয়ায় তিনি নিজ নামে নয়, বরং তার আস্থাভাজন কাজী এ এন এম আমিনুল হকের নামে জয়েন্ট স্টক কোম্পানিতে কারখানাটি ৬৫% শেয়ারসহ নিবন্ধন করান। বাকি শেয়ার ৩০% ছিল আব্দুর রাজ্জাক এবং ৫% তারিকুল ইসলামের নামে।

    পরবর্তীতে কাজী আমিনুল হক তার মালিকানার কিছু অংশ হস্তান্তর করেন স্ত্রী আইরিন পারভিন (১০%), ছেলে শায়মান সাদিক (৩৫%) এবং ভায়রা শাহ আলমের (১০%) নামে। কাজী আমিনুল হকের মৃত্যুর পর বাকি ১৫% শেয়ারের মালিকানা অনির্ধারিত থাকে।

    পরবর্তীতে আব্দুর রাজ্জাক ও তারিকুল ইসলাম পুনঃবণ্টনের মাধ্যমে যথাক্রমে ২০% ও ১০% শেয়ারের মালিক হন। এরপর ঢাকার রূপালী ব্যাংক, দিলকুশা শাখা থেকে মর্টগেজের মাধ্যমে ২৬ কোটি ৭৪ লাখ টাকা ঋণ নিয়ে কারখানাটি চালু করা হয়। প্রতিদিন ২০-৩০ হাজার কেজি চা উৎপাদিত হতো।

    অভিযোগকারীদের দাবি, কিছুদিন পর হিসাব-নিকাশে অস্পষ্টতার অভিযোগ তুলে কাজী বোরহান উদ্দিন, তৎকালীন আওয়ামী লীগ নেতা আনোয়ার সাদাত সম্রাটের ছত্রছায়ায়, দুই পরিচালককে কারখানা থেকে জোরপূর্বক বের করে দেন।

    ২০২২ সালের ২৪ মার্চ রাজনৈতিক চাপ ও হুমকির মুখে আব্দুর রাজ্জাক ও তারিকুল ইসলামকে ১ কোটি ৪৫ লাখ টাকার বিনিময়ে শেয়ার হস্তান্তরের একটি চুক্তিপত্রে স্বাক্ষর করতে বাধ্য করা হয়। শর্ত ছিল তিন মাসের মধ্যে সম্পূর্ণ অর্থ পরিশোধ করা হবে। কিন্তু প্রায় তিন বছর কেটে গেলেও ৫০ লাখ টাকা দেওয়ার পর আর কোনো অর্থ দেওয়া হয়নি।

    পরবর্তীতে বোরহান উদ্দিন ও তাঁর পরিবার স্থানীয় কিছু চা ব্যবসায়ীর কাছে কারখানাটি তিন বছরের জন্য লিজ দিয়ে দেন। অভিযোগকারীদের দাবি, জয়েন্ট স্টক রেজিস্ট্রেশনে তারা এখনও বৈধ পরিচালক, অথচ তাদেরকে সম্পূর্ণ উপেক্ষা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এখন তারা ব্যাংক ঋণের বোঝা বইছেন, অথচ কারখানায় প্রবেশেরও সুযোগ পাচ্ছেন না।

    অভিযোগ বিষয়ে জানতে চাইলে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) সুমন চন্দ্র দাশ বলেন, “আমরা অভিযোগ পেয়েছি। তদন্তের জন্য বিষয়টি চা বোর্ডের পঞ্চগড় আঞ্চলিক কার্যালয়কে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।”

    তবে পঞ্চগড় চা বোর্ডের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আরিফ খান ছুটিতে থাকায় তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

    অন্যদিকে, সব অভিযোগ অস্বীকার করে কাজী বোরহান উদ্দিন বলেন, “তারা শেয়ার আমাদের কাছে হস্তান্তর করেছে। কোনো রাজনৈতিক নেতার শেল্টার নেওয়ার অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা।”

  • নাগেশ্বরী থানার ওসি রেজাউল করিম রেজার তৎপ-রতায় আইনশৃঙ্খলার উন্নতি

    নাগেশ্বরী থানার ওসি রেজাউল করিম রেজার তৎপ-রতায় আইনশৃঙ্খলার উন্নতি

    এম এস সাগর,

    কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি:

    নাগেশ্বরী থানার জনসাধারণের টেকসই নিরাপত্তা, আইনী সহায়তা প্রদান, জমি-জমা সংক্রান্তে ঘটেনি হত্যা দুর্ঘটনা, রাজনৈতিক দলে নেই কোন কোন্দল ও নিয়মিতভাবে মাদক বিক্রেতা-সেবনকারীসহ বিভিন্ন অপরাধ প্রতিরোধে থানার পুলিশ সদস্যদের নিয়ে সর্বদা নিরবিচ্ছিন্নভাবে বিভিন্ন এলাকায় বিট-পুলিশিং, উঠান বৈঠক ও বিভিন্ন শ্রেণীর মানুষদের সাথে মতবিনিময় করে অপরাধ দমনে কঠোর পরিশ্রম করে যাচ্ছেন অফিসার ইনচার্জ মো. রেজাউল করিম (রেজা)।

    ফলে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নতি করণসহ বিশেষ অভিযান অব্যাহত রেখেছেন। বর্তমানে সার্বিক নিরাপত্তা ও সু-শৃঙ্খলা পরিস্থিতিতে স্বস্তিবোধ করছেন নাগেশ্বরী থানার বিভিন্ন পেশাজিবী মানুষ এবং রাজনৈতিক সংগঠনসহ সুশীল সমাজের নেতারা।

    কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী থানার শহর, ইউনিয়ন ও গ্রামসমূহে জনসাধারণের টেকসই নিরাপত্তা ও শান্তি সুনিশ্চিত করতে দিবারাত্র নিরবিচ্ছিন্নভাবে কঠোর পরিশ্রম করে যাচ্ছেন। নাগেশ্বরী থানার অফিসার ইনচার্জ রেজা কুড়িগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার মোঃ মাহফুজুর রহমান এর সার্বিক দিক-নির্দেশনা ও তার জোর মনিটরিংয়ের কারনে মানবিক কাজে ব্যস্ত থেকে নাগেশ্বরী থানার জনসাধারণের টেকসই নিরাপত্তা, আইনী সহায়তা প্রদান করাসহ সচেতনতা মূলক কার্যক্রম সৃষ্টি করছেন।

    আন্তরিকতার সাথে মানুষকে ন্যায় আইনি সহায়তা প্রদান করাসহ অসীম সাহসিকতার সাথে অপরাধ নির্মূলে কঠোর অবস্থানে রয়েছেন। থানার সেবা নিতে আসা সাধারন মানুষের সাথে সরাসরি কথা বলে তাৎক্ষনিক ব্যবস্থা নেন অফিসার ইনচার্জ মো. রেজাউল করিম (রেজা)।

    পাশাপাশি প্রতিটি ইউনিয়নে বিট-পুলিশিং কার্যক্রম চলমান থাকার কারণে অপরাধ নিয়ন্ত্রনসহ সাধারন মানুষের সাথে পুলিশের সমন্বয় বেড়েছে বন্ধু-সুলভ বহুগুন। নাগেশ্বরী থানার চৌকশ পুলিশ সদস্যদের মাধ্যমে সঠিকভাবে সব-সময় জনসাধারণের নিরাপত্তা, আইনী সহায়তা প্রদানসহ নিয়মিতভাবে মাদক বিক্রেতা-সেবনকারী এবং বিভিন্ন অপরাধের সাথে জ্বড়িতদের গ্রেফতার করতে বিশেষ অভিযান অব্যাহত রেখেছেন।

    অনুসন্ধানে জানা গেছে, নাগেশ্বরী থানার অফিসার ইনচার্জ মো. রেজাউল করিম (রেজা) গত-৬জানুয়ারি ২০২৫খ্রি. যোগদান করে জনসেবার মাধ্যমে থানার সাধারণ মানুষের হৃদয়ে আস্থা ও আত্মবিশ্বাসের প্রতীক হয়ে উঠছেন। বিশেষ অভিযানে অনেক অপরাধী তাদের পেশা পরিবর্ত করে স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে শুরু করেছে। অফিসার ইনচার্জ আন্তরিকতার সাথে মানুষকে আইনি সহায়তা প্রদানে আত্মবিশ্বাস অর্জন করে জননন্দিত হয়ে উঠছেন।

    নাগেশ্বরী থানার বাবু মিয়া, ফারুক হোসেন, মাইদুল ইসলাম, আব্দুল জলিলসহ অনেকে বলেন, অফিসার ইনচার্জ মো. রেজাউল করিম (রেজা) থানায় যোগদান করার পর থেকে আইন শৃঙ্খলার ব্যাপক উন্নতি হয়েছে। তিনি আন্তরিকতার সাথে আইনি সহায়তা প্রদান ও জমি-জমা সংক্রান্তে হত্যা দুর্ঘটনা নেই। জমি-জমা বিরোধ সাময়িকভাবে আপোষ হওয়ায় আইন-শৃঙ্খলা অনুকূলে রয়েছে। রাজনৈতিক দলে নেই কোন কোন্দল ও নিয়মিতভাবে সহ মাদক, জুয়াখেলা এবং বিভিন্ন অপরাধ নির্মূলে কঠোর অবস্থানে থেকে অভিযান পরিচালনা করে আসছেন। আমাদের মতো সাধারণ মানুষের মনে আস্থা অর্জন করছেন।

    নাগেশ্বরী থানার অফিসার ইনচার্জ মো. রেজাউল করিম (রেজা) বলেন, পুলিশ হোক জনবান্ধব। কুড়িগ্রাম পুলিশ সুপার মোঃ মাহফুজুল ইসলামের নির্দেশনায় বিভিন্ন অপরাধ ও মাদকদ্রব্য নির্মূলে নিয়মিতভাবে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। মাদকের সঙ্গে কোনো আপোস নেই। আমরা আমাদের দায়িত্ব থেকে সকল শ্রেণীর মানুষদের সেবা প্রদান করে আসছি।

  • বরগুনার তালতলীতে খাল পুনঃখননের দাবিতে মা-নববন্ধন

    বরগুনার তালতলীতে খাল পুনঃখননের দাবিতে মা-নববন্ধন

    মংচিন থান
    তালতলী(বরগুনা)প্রতিনিধি।।
    ‘খাল কেটে কৃষক বাচাঁও, ফসল বাড়াও’-শ্লোগানে বরগুনার তালতলীতে গোপের খাল পুনঃখননের দাবিতে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

    বুধবার (৩০ জুলাই) বেলা ১১ টার দিকে উপজেলার ছোটবাগী ইউনিয়নের বেতিপাড়া গ্রামে ঘন্টাব্যাপি এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এতে ওই এলাকার দুই শতাধিক কৃষক অংশগ্রহন করেন।

    এ সময় বক্তারা বলেন, গোপের খালটি পায়রা নদীর শাখা খাল হিসেবে রেকর্ডভুক্ত হয়ে আছে। খালটির পানি প্রবাহ সচল থাকাকালীন সময়ে বেতিপাড়া, জাকিরতবক, সুন্দরীয়া, চরপাড়া এলাকার কয়েক হাজার কৃষক ফসল উৎপাদন করতেন। কিন্তু খালটি ভরাট হয়ে পানি প্রবাহ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় এ এলাকার জমিতে ফসল উৎপাদন করা যাচ্ছেনা। তাই খালটি খনন না হলে এই এলাকার কৃষকরা মাঠে মারা যাবে। খালটি ভরে যাওয়ায় শুকনো মৌসুমে এলাকার মাঠে পানি উঠতে পারে না, আর বৃষ্টি মৌসুমে পানি নামতে পারে না। খালটি খনন হলে এলাকায় ফসল উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে। কৃষকদের মুখে হাসি ফুটবে। তাই অতিদ্রুত খাল খননের দাবি জানান কৃষকরা।

    মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন, স্থানীয় ইউপি সদস্য এনায়েদ প্যাদা, সমাজ সেবক মো. শাহ-আলম, কৃষক পরিমল বাবু, হারুন প্যাদা, মোঃ ইসাহাক প্যাদা, আব্দুল কাদের, মোঃ সুলতান মিয়া প্রমুখ।

    মংচিন থান
    তালতলী প্রতিনিধি।।