Author: desk

  • আশুলিয়ায় রাস্তা ও ড্রে-নে জ-লাবদ্ধতা নির-সনে কাজ করছেন মোর্শেদ ভূঁইয়াসহ এলাকাবাসী

    আশুলিয়ায় রাস্তা ও ড্রে-নে জ-লাবদ্ধতা নির-সনে কাজ করছেন মোর্শেদ ভূঁইয়াসহ এলাকাবাসী

    হেলাল শেখঃ ঢাকার আশুলিয়ার বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ইঞ্জিনিয়ার মোর্শেদ আলম ভূঁইয়া ও এলাকাবাসীর উদ্যোগে জামগড়া চৌরাস্তা থেকে বাগবাড়ি রাস্তা ও ড্রেনে জলাবদ্ধতা নিরাশনে কাজ করছেন। তাদের এই স্বতঃস্ফূর্ত উদ্যোগ সত্যিই প্রশংসনীয়।বিশেষ করে ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়ন শুধু রাস্তাঘাট নয়, বরং পুরো এলাকার স্বাস্থ্য ও পরিবেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

    বৃহস্পতিবার (৩১ জুলাই ২০২৫ইং) বিকেলে উক্ত ব্যাপারে ইঞ্জিনিয়ার মোর্শেদ আলম ভূঁইয়া বলেন, আশুলিয়ায় সরকারি নয়নজুলি খালটি ফ্যান্টাসি কিংডম সহ প্রভাবশালীরা দখল করে রেখেছে এর কারণে সামান্য বৃষ্টি হলে রাস্তায় হাঁটু পানি হয়ে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়। ড্রেনে পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা না থাকায় ড্রেন বন্ধ হওয়ার কারণে আমরা স্থানীয় বাসিন্দা এলাকাবাসী সবাই মিলে ড্রেন সচল করার লক্ষ্যে কাজ করছি, জনস্বার্থে নয়নজুলি খালটি দখলমুক্ত করতে তিনি সবার সহযোগিতা চেয়েছেন।

    রাস্তা ও ড্রেনের সংস্কার কাজ করায় ইঞ্জিনিয়ার মোর্শেদ আলম ভূইয়াসহ সবাইকে ধন্যবাদ জানান পথচারী ভুক্তভোগী এলাকাবাসী।

  • হিন্দুপল্লিতে হা-মলার ঘটনার ত-থ্য চাইলে ২ সাংবাদিককে গ্রে-প্তার ও হু-মকির অভি-যোগ ওসি বিরুদ্ধে

    হিন্দুপল্লিতে হা-মলার ঘটনার ত-থ্য চাইলে ২ সাংবাদিককে গ্রে-প্তার ও হু-মকির অভি-যোগ ওসি বিরুদ্ধে

    খলিলুর রহমান খলিল, নিজস্ব প্রতিনিধিঃ
    রংপুরের গঙ্গাচড়ার আলদাতপুর ছয়আনি হিন্দুপল্লিতে সাম্প্রতিক হামলার ঘটনার তথ্য সংগ্রহ করতে গিয়ে লাঞ্ছনার শিকার হয়েছেন রংপুরের দুই সংবাদকর্মী। বুধবার (৩০ জুলাই) বেলা ৩টার দিকে নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আশরাফুল ইসলামের গালাগাল ও গ্রেপ্তারের হুমকির মুখে পড়েন দৈনিক কালবেলার রংপুর প্রতিনিধি রেজওয়ান রনি এবং প্রথম আলোর নিজস্ব প্রতিবেদক জহির রায়হান।

    দুই সাংবাদিক জানান, রোববার গঙ্গাচড়ার পাশের কিশোরগঞ্জ উপজেলার মাগুরা ইউনিয়নসংলগ্ন এলাকায় মাইকিং করে সিঙ্গেরগাড়ি বাংলাবাজারে হাজারো মানুষকে জমায়েত করা হয়। পরে সেখানে উত্তেজিত জনতা হিন্দুপল্লিতে হামলা চালায়। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, ঘটনাস্থলের আশপাশে কিশোরগঞ্জ থানা থেকে ৪-৫ জন পুলিশ সদস্য উপস্থিত ছিলেন।

    এ বিষয়ে ওসির বক্তব্য নিতে গেলে শুরু হয় অপ্রীতিকর ঘটনা। থানার সামনে গোলঘরে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথোপকথনে ওসি আশরাফুল ইসলাম প্রথমে ঘটনাটি অস্বীকার করেন এবং পরে রূঢ় ভাষায় জবাব দেন। ওই দুই সাংবাদিক অভিযোগ করেন, একপর্যায়ে ওসি বলেন, ‘উসকানি দিতে আসছে ওরা। উসকানি দিচ্ছেন আপনারা। মিয়া সব খবর আছে আপনাদের উসকানি দেওয়ার। আপনাদের যোগ্যতা থাকলে ভালো জায়গায় কিছু করতেন। এভাবে উল্টাপাল্টা প্রশ্ন করতেন না।’

    ওসি এ সময় সাংবাদিক রেজওয়ান রনির উদ্দেশে বলেন, ‘চোখ দিয়ে এভাবে তাকাচ্ছেন কেন?’ অন্য পুলিশ সদস্যদের নির্দেশ দিয়ে তিনি বলেন, ‘ধরেন তো এদের।’

    পাশে থাকা এসআই মহসিন বিষয়টি ঠান্ডা করার চেষ্টা করলে ওসি তাঁকে নির্দেশ দেন, ‘এই পুলিশ ডাকেন, ওদের ধরেন। প্ল্যান করছে দুজনে, প্রমাণ আছে আমার কাছে।’

    এসআই মহসিন পরে দুই সাংবাদিককে থানা থেকে নিরাপদে বের করে নিয়ে যান। তখনো ওসি গালাগাল করতে থাকেন বলে অভিযোগ ভুক্তভোগী দুই সাংবাদিকের।

    ঘটনার বিষয়ে নীলফামারী সাংবাদিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক রিপন শেখ ওসির কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আমি আধুনিক পুলিশ, সাংবাদিকদের ভয় করে চলি না। এসপি, ডিআইজি কিংবা আইজির কাছে অভিযোগ করে যদি আমার চাকরি যায়, তাহলে সে চাকরি করব না। দুষ্কৃতকারীর স্থান আমার কাছে নেই, সাংবাদিক হোক, পুলিশ অফিসার হোক আর রাজনীতিবিদ হোক। যদি ফাইজলামো করে, পিটিয়ে সোজা করে দেব একেবারে।’

    এ ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন রংপুর সাংবাদিক ইউনিয়নের (আরপিইউজে) সভাপতি সালেকুজ্জামান সালেক। তিনি বলেন, ‘এটি শুধু সাংবাদিক লাঞ্ছনা নয়, গণমাধ্যমের কণ্ঠ রোধ করার শামিল। দায়িত্বরত সাংবাদিকদের অপমান ও গ্রেপ্তারের হুমকি ফ্যাসিস্ট আচরণের উদাহরণ। জড়িত ওসিকে প্রত্যাহার এবং বিভাগীয় শাস্তির আওতায় না আনলে সাংবাদিক সমাজ আন্দোলনে নামবে।’

    এ বিষয়ে কথা বলার জন্য ওসি মো. আশরাফুল ইসলামের মোবাইল ফোনে কয়েকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি।

  • এলিট কারাতে প-য়েন্টের সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত

    এলিট কারাতে প-য়েন্টের সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত

    তরিকুল ইসলাম তরুন,

    এলিট কারাতে পয়েন্টের প্রথম সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
    বৃহস্পতিবার বিকেল ৪টায় কুমিল্লা শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত স্টেডিয়ামের কনফারেন্স কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়েছে
    সভায় সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের চেয়ারম্যান মোঃ নাজমুল হাসান খন্দকার।

    উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা জেলা ক্রীড়া সংস্থার এ্যাডহক কমিটির সম্মানিত সদস্য ও বিশিষ্ট ক্রীড়া সাংবাদিক মোঃ খালেদ সাইফুল্লাহ, ভাইস-চেয়ারম্যান মোঃ মশিউর রহমান, সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ ফজলে রাব্বী, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সুফি শরফুদ্দিন চৌধুরী সোয়াদ, আইনি উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট আলী হোসাইন, কার্যকরী উপদেষ্টা শিহাব সেলিম প্রান্তসহ সকল অভিভাবকবৃন্দ।
    সভায় বিগত দিনের কর্মকাণ্ডের হিসাব-নিকাশ, অর্জন এবং আগামী দিনের কর্মপরিকল্পনা নিয়ে গঠনমূলক আলোচনা হয়।
    পরবর্তী সময়ে সংগঠনের চেয়ারম্যান ও সাধারণ সম্পাদক যৌথভাবে কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্যদের স্ব স্ব পদের সনদপত্র প্রদান করেন।
    সভা শেষে সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়ে চেয়ারম্যান বলেন, আপনাদের আন্তরিক সহযোগিতা, ভালোবাসা ও নিরলস প্রচেষ্টার ফলেই প্রতিষ্ঠার মাত্র সাত মাসেই আমরা এই সফলতায় পৌঁছাতে পেরেছি। ভবিষ্যতেও আপনাদের এমন আন্তরিকতা ও ভালোবাসা কামনা করছি।

  • চারঘাটে শ্রেষ্ঠ শিক্ষার্থীদের ক্রেস্ট ও সনদপত্র বিত-রণ

    চারঘাটে শ্রেষ্ঠ শিক্ষার্থীদের ক্রেস্ট ও সনদপত্র বিত-রণ

    চারঘাট (রাজশাহী) প্রতিনিধিঃ

    রাজশাহীর চারঘাটে পারফরমেন্স বেজড গ্র্যান্টস ফর সেকেন্ডারি ইন্সটিটিউশনস স্কিম, এসইডিপি
    মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর, শিক্ষা মন্ত্রণালয়
    ২০২২ ও ২৩ সালের উপজেলা শ্রেষ্ঠ শিক্ষার্থী ও উচ্চ মাধ্যমিক সমাপণী পুরষ্কার প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের
    ক্রেস্ট ও সনদপত্র বিতরণী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    বৃহস্পতিবার (৩১ জুলাই) সকাল ১০ টায় উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস ও জেলা শিক্ষা অফিসের আয়োজনে উপজেলা পরিষদ হলরুমে এ পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

    অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত ও গীতা পাঠের মাধ্যমে অনুষ্ঠান শুরু হয়।

    চারঘাট উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মোতাহার হোসেন এর সভাপতিত্বে ও উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার রাহেদুল ইসলাম এর সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা, রাজশাহী অঞ্চলের পরিচালক প্রফেসর মোহাঃ আছাদুজ্জামান।

    বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা রাজশাহী অঞ্চলের সহকারী পরিচালক (কলেজ) আলমাছ উদ্দিন, জেলা শিক্ষা অফিসার আব্দুল ওয়াহাব,

    এ সময় উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, অভিভাবক, সাংবাদিক ও কর্মকর্তাবৃন্দ।

    সবশেষে, উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ৩৬ জন শিক্ষার্থীদের মাঝে ক্রেস্ট ও সনদপত্র হাতে তুলে দেওয়া হয়।

    মোঃ মোজাম্মেল হক
    চারঘাট, রাজশাহী

  • চাটমোহরে যুবদলের আহ্বায়কের নেতৃত্বে কৃষি ব্যাংকে হা-মলা

    চাটমোহরে যুবদলের আহ্বায়কের নেতৃত্বে কৃষি ব্যাংকে হা-মলা

    পাবনা প্রতিনিধিঃ

    পাবনার চাটমোহরের ফৈলজানা ইউনিয়ন যুবদলের আহ্বায়ক ইউপি সদস্যের নেতৃত্বে কৃষি ব্যাংকে হামলা করে ভাঙচুর মারপিটের ঘটনা ঘটেছে।

    গুরুতর আহত ব্যাংক ম্যানেজার শামসুজ্জামান নয়নকে পাবনা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনার পরে এলাকায় জনমনে আতঙ্ক বিরাজ করছে।

    কৃষি ব্যাংকের ডিজিএম হেলাল উদ্দিন জানান, বৃহস্পতিবার (৩১ জুলাই) দুপুর একটার দিকে ফৈলজানা ইউনিয়নের ৩ নং ইউপি সদস্য এবং ফৈলজানা ইউনিয়ন যুবদলের আহ্বায়ক লোকমান হোসেনের নেতৃত্বে ১৫/২০ জনের একটি দল দেশীয় অস্ত্র নিয়ে রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক (রাকাব) ফৈলজানা শাখায় প্রবেশ করে।

    এ সময় পূর্বের একটি কৃষি ঋণ সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে ম্যানেজার শামসুজ্জামান নয়নের সাথে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে হামলা করে ম্যানেজার কে মারপিট করে লোকমান মেম্বার।

    এছাড়া ভাঙচুর করা হয় ব্যাংকের ক্যাশ কাউন্টার, কিছু আসবাবপত্র। তবে টাকা পয়সা তছরুপ হয়েছে কিনা এ ব্যাপারে তাৎক্ষণিক তিনি কিছু জানাতে পারেননি। ঘটনার পর থেকে ব্যাংকে সকল কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে।

    এ ব্যাপারে ইউপি সদস্য ইউনিয়ন যুবদলের আহ্বায়ক লোকমান হোসেনের মোবাইল নম্বরে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও সংযোগটি বন্ধ পাওয়া যায়।

    এ ব্যপারে যুবদলের চাটমোহর উপজেলা শাখার সদস্য সচিব ফারুক হোসেন জানান, ব্যাংকের ম্যানেজার কে মারপিটের ঘটনার সাথে লোকমান হোসেনের সম্পৃক্ততা থাকলে তদন্ত সাপেক্ষে তার বিরুদ্ধে দলীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে। যুবদল খারাপ কাজকে কখনো প্রশ্রয় দেয় না, দেবেও না। আমরা দ্রুত এ ব্যাপারে দলীয় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করব।

    চাটমোহর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ মনজুরুল আলম জানান, পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। ব্যাংকের পক্ষ থেকে অভিযোগ দেয়া হলে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

    তোফাজ্জল হোসেন বাবু, পাবনা।

  • বিশুদ্ধ পানির চাহিদা পুর-নের লক্ষে ১৩০টি টিউবওয়েল  বিতরণ করেন মোঃ মতিউর রহমান

    বিশুদ্ধ পানির চাহিদা পুর-নের লক্ষে ১৩০টি টিউবওয়েল বিতরণ করেন মোঃ মতিউর রহমান

    দিনাজপুর প্রতিনিধি- দিনাজপুরের বীরগঞ্জ ও কাহারোল উপজেলায় গরিব ও অসহায় মানুষের মাঝে বিশুদ্ধ পানির সুবিধা নিশ্চিত করতে নিজ উদ্যোগে ১৩০টি টিউবওয়েল বিতরণ করেছেন জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী মোঃ মতিউর রহমান।

    ৩১ জুলাই বৃহস্পতিবার সকাল ১১ টায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী বীরগঞ্জ উপজেলা শাখার আয়োজনে দলীয় অফিসের সামনে উপজেলা আমির ক্বারী আজিজুর রহমানের সভাপতিত্বে নির্বাচনী এলাকার বিভিন্ন গ্রাম ঘুরে সুপেয় বিশুদ্ধ পানির চাহিদা উপলব্ধি করে গ্রামের দুঃস্থ মানুষদের সাহায্যের লক্ষ্যে নিজ উদ্যোগে ১৩০ টি টিউবওয়েল বিতরন কালে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দিনাজপুর-১ (বীরগঞ্জ-কাহারোল) আসনের বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী ও বিশিষ্ট সমাজসেবক জনাব মোঃ মতিউর রহমান।

    এসময় প্রধান অতিথি মোঃ মতিউর রহমান বলেন, জনগণের মৌলিক চাহিদা পূরণ করা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। টিউবওয়েল স্থাপনের মাধ্যমে মানুষ যেন নিরাপদ ও বিশুদ্ধ পানি পায়, সেটিই আমাদের প্রধান লক্ষ্য। আপনারা আমার কাছে টিউবওয়েল চাননি, তবুও আমি সংগঠনের দায়িত্বশীলদের সহায়তায় আপনাদের খুঁজে বের করে পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেছি। শুধু টিউবওয়েল বিতরণ নয়, বরং প্রতিটি টিউবওয়েলের সেটিংসহ সমস্ত খরচ বহনের দায়িত্বও আমি নিয়েছি।

    তিনি আরো বলেন, আপনাদের দোয়া চাই, আল্লাহ যদি আমাকে জাতীয় সংসদ সদস্য হিসেবে কবুল করেন, তবে আমার এমপি পদমর্যাদার প্রতিটি সুবিধা গরিব ও অসহায় মানুষের কল্যাণে ব্যয় করবো। ইনশাআল্লাহ, আমি সবসময় আপনাদের পাশে থাকার চেষ্টা করবো।

    এ সময় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর দিনাজপুর জেলার কর্মপরিষদ সদস্য ও বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের জেলা সভাপতি মোঃ জাকিরুল ইসলাম, উপজেলা জামায়াতের আমির ক্বারী আজিজুর রহমান,উপজেলা শুরা ও কর্মপরিষদ সদস্য মোঃ লুৎফর রহমান,উপজেলা শুরা ও কর্মপরিষদ সদস্য এবং যুব ও ক্রীড়া বিভাগের সভাপতি মোঃ আমিনুল ইসলাম প্রমুখ।

  • চমেকে ভু-ল চিকিৎসা অবহেলায় সাংবাদিকের মায়ের মর্মা-ন্তিক মৃ-ত্যু

    চমেকে ভু-ল চিকিৎসা অবহেলায় সাংবাদিকের মায়ের মর্মা-ন্তিক মৃ-ত্যু

    শহিদুল ইসলাম,
    নিজস্ব প্রতিবেদক

    চমেকে ভুল চিকিৎসায় সাংবাদিকের মায়ের মৃত্যু। কত প্রাণ ঝরলে বদলাবে অবহেলার চিত্র? সেবা নয়, মৃত্যু নিশ্চিত করল চমেক হাসপাতাল। হৃদয়বিদারক পরিণতি সাংবাদিকের মায়ের। চিকিৎসার নামে অবহেলার ছোবলে সন্তানের শোক। সমাজকে প্রশ্ন রেখে গেলেন এক মা।

    চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে ভুল চিকিৎসা ও চরম অবহেলার ফলে মৃত্যুবরণ করেছেন দৈনিক দেশের কথা পত্রিকার সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার মোহাম্মদ মাসুদের প্রিয় মা। (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাহি রাজিউন।) সুস্থ শরীর ও সচল মুখ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়া একজন মা-কে চোখের সামনেই নিথর হয়ে যেতে দেখলেন তার সন্তান, শুধুমাত্র চিকিৎসকদের গাফিলতি, অবহেলা ও নিষ্ঠুরতায়।

    ৩০ জুলাই (বুধবার) রাত ৯টার দিকে,এ হৃদয়বিদারক ঘটনা ঘটে চমেক হাসপাতালের ১৪ নম্বর মেডিসিন ওয়ার্ডে। যেখানে জীবন রক্ষার আশায় মানুষ আসে, সেখানেই চরম দায়িত্বহীনতায় মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়লেন এক মা।

    জানা গেছে, ২৭ জুলাই বিকেলে বায়েজিদ এলাকার বাসিন্দা সাংবাদিক মাসুদের মা হাসপাতালে ভর্তি হন। ভর্তি হওয়ার সময় তিনি স্বাভাবিকভাবে কথা বলতেন, হাঁটাচলা করতেন এবং নিজে খাবার গ্রহণ করতেন। কিন্তু হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পর থেকেই চিকিৎসকদের গাফিলতি ও অব্যবস্থাপনার শিকার হন তিনি।

    একটি সাধারণ স্যালাইন দিতে সময় লেগেছে দেড় ঘণ্টারও বেশি। রোগীর শ্বাসকষ্ট বেড়ে যাওয়ার পর একাধিকবার দায়িত্বে থাকা চিকিৎসকদের জানানো হলেও তারা উদাসীন থেকে নিজেদের মধ্যে গল্পে মেতে ছিলেন। কেউ মোবাইলে ব্যস্ত ছিলেন, কেউ চিকিৎসার দায়িত্ব না নিয়ে নির্লিপ্ত ছিলেন।

    সবচেয়ে মর্মান্তিক বিষয়—একটি জরুরি ওষুধ আনতে রোগীর স্বজনদের তিনবার পাঠানো হলেও সময়মতো ওষুধ প্রয়োগ করা হয়নি। নার্সরা বলেছিলেন, “ডাক্তারের নির্দেশ ছাড়া কিছু করা যাবে না।” আর চিকিৎসকদের জবাব ছিল—”নার্সরা না শুনলে আমরা কী করব?” এভাবে দায় এড়ানো ও দায়িত্বহীনতার মধ্যে সময় গড়িয়ে যায়, অবস্থা আরও খারাপ হতে থাকে।

    পরিস্থিতির অবনতি ঘটতে ঘটতে একসময় রোগী মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। মৃত্যুর প্রায় আধা ঘণ্টা পর নাটকীয়ভাবে স্যালাইন লাগানো হয়। নার্সরা শুরুতে স্যালাইন দিতে অস্বীকৃতি জানালেও পরে বলেন—”ডাক্তারের অর্ডার এসেছে, এখন দিতে হবে।” যা থেকে স্পষ্ট, কতটা অবহেলা ও শীতলতা নিয়ে একজন রোগীর জীবনের প্রতি দায়িত্ব পালন করা হয়।

    এই ঘটনায় পুরো ওয়ার্ডে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। রোগীর স্বজন ও অন্যান্য রোগীদের অভিভাবকরা ক্ষোভে ফেটে পড়েন। অনেকে অভিযোগ করে বলেন—”এখানে প্রতিদিনই কেউ না কেউ চিকিৎসার অভাবে মারা যাচ্ছে। এটা যেন রুটিন মৃত্যু।”

    মৃত্যুর পর ২৮ জুলাই মরহুমার গোসল, জানাজা ও দাফন কিশোরগঞ্জ জেলার গ্রামের বাড়িতে সম্পন্ন হয়। সন্তান হারিয়ে বাকরুদ্ধ সাংবাদিক মাসুদ শুধু একটাই কথা বলেন” এমন অবহেলায় আর কোনো সন্তান যেন মা হারা না হয়।”

    এদিকে, এ ঘটনায় এখনো পর্যন্ত হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। তবে সাধারণ মানুষ ও নিহতের পরিবারের প্রশ্ন—এমন চরম অবহেলার কি কোনো বিচার হবে না? দায়ীরা কি বারবার পার পেয়ে যাবে?

    ভুক্তভোগীরা জানান, সরকারি হাসপাতালে এসে রোগীরা নানা হয়রানি, অপ্রয়োজনীয় ওষুধ কোম্পানির পণ্যের চাপ, অহেতুক পরীক্ষার ব্যবসা ও চরম দায়িত্বহীনতার শিকার হন। যেখানে প্রয়োজন ছিল যত্ন ও সেবার, সেখানে জুটেছে অবজ্ঞা ও অবহেলা।

    প্রতিটি মৃত্যু কেবল একটি সংখ্যা নয়—তারা কারও মা, বাবা বা সন্তান। যদি এমন অবহেলায় তাদের মৃত্যু হয়, তবে প্রশ্ন ওঠে—আমাদের হাসপাতাল ব্যবস্থায় নয়, আমাদের বিবেকেই কি রোগ বাসা বেঁধেছে?

    সব চিকিৎসক ও চিকিৎসা প্রতিষ্ঠান এমন নয়—এটা সত্য। অনেক চিকিৎসক এখনো রোগীর সেবায় নিবেদিত। তবে কিছু সংখ্যক চিকিৎসকের গাফিলতি, অমানবিক আচরণ ও অবহেলা গোটা পেশাকে প্রশ্নবিদ্ধ করে তোলে।

    প্রত্যাশা একটাই—প্রতিটি মানুষের চিকিৎসা হোক নিরাপদ ও মানবিক। রোগীর প্রতি আচরণ হোক সহানুভূতিশীল ও দায়িত্বপূর্ণ। রোগীবান্ধব হোক চিকিৎসা প্রতিষ্ঠান ও চিকিৎসক।এটাই ভুক্তভোগী পরিবার ও সর্বস্তরের মানুষের দাবি।

    উল্লেখ্য মরহমার এমন আকর্ষিক মৃত্যুতে গভীর শোকাভিভূত মর্মাহত দুঃখ সমবেদনা প্রকাশ করেন পরিবার আত্মীয়-স্বজন চিকিৎসাধীনওয়ার্ডের রোগী সাধারণ অভিভাবক। সাংবাদিক সমাজ সচেতন মহল পাড়া-প্রতিবেশী সকলেই। মৃত্যুর আগেও মরহুমাা অজু গোসল পাক পবিত্র ইবাদত আমলের সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছেন ও আমল করেছেন। প্রতিটা মুহূর্তেই সকলের ভাল মন্দ খোঁজ খবর নিতেন। সকলের ভালো চাইতেন। মরহুমের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে সকলের কাছে দোয়া চেয়েছেন মৃতের পরিবার। দুনিয়া ইহকালের নেক আমল কবুল করে জান্নাতুল ফেরদৌস নসীব করুন। আমিন।

  • বীরগঞ্জে জলবায়ু পরিবর্তন সচেতনতা বৃ-দ্ধিতে  বিত-র্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত

    বীরগঞ্জে জলবায়ু পরিবর্তন সচেতনতা বৃ-দ্ধিতে বিত-র্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত

    দিনাজপুর প্রতিনিধি: দিনাজপুরের বীরগঞ্জ বটতলী উচ্চ বিদ্যালয়ে জলবায়ু পরিবর্তন সচেতনতায় ফলজ, বনজ বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি এবং জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক বিতর্ক প্রতিযোগিতা ও দেয়ালিকা প্রকাশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    বৃহস্পতিবার (৩১ জুলাই -২০২৫) সকালে বটতলী উচ্চ বিদ্যালয়ের আয়োজন ও লার্নিং এক্সিলারেশন ইন সেকেন্ডারি এডুকেশন (লেইস। প্রজেক্ট, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের সহযোগিতায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মো: জুলফিকার আলী শাহ্।

    বটতলী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো: গোলাম মোস্তফার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন একাডেমি সুপারভাইজার আবুল কামাল আজাদ।

    এ সময় বটতলী উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক সভাপতি দেলোয়ার হোসেন, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী নাসির উদ্দীন আলী সরকার সোহেল, সাংবাদিক রনজিৎ রাজ সরকার ও বিকাশ ঘোষ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। পরে বিতর্ক প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়।

    মডারেটরের দায়িত্ব পালন করেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক গোলাম মোস্তফা এবং বিচারকের দায়িত্ব পালন করেন বীরগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মোঃ শাহিনুর ইসলাম, সহ-সভাপতি নাজমুল ইসলাম মিলন, সাংবাদিক ফেরদৌস ওয়াহিদ সবুজ। দীর্ঘসময় ধরে উপস্থিত বিতর্ক প্রতিযোগিতায় শেষে বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।

  • ভাবখালী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ফুল, চকলেট- পেন্সিল আর কেক কেটে  শিশু বরণ উৎসব

    ভাবখালী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ফুল, চকলেট- পেন্সিল আর কেক কেটে শিশু বরণ উৎসব

    আরিফ রববানী ময়মনসিংহ।।
    শিশুদের ভালোবাসি,শিশুর চোখে বিশ্ব দেখি, ভালো মানুষ হওয়ার জন্য বিদ্যালয়ে এসো এ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে বর্ণাঢ্য নানান আয়োজনের মধ্যদিয়ে ময়মনসিংহ সদর উপজেলার ৯৩ নং ভাবখালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রাথমিক শ্রেণির শিশু বরণ উৎসব অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    এ উপলক্ষে বৃহস্পতিবার (৩১ জুলাই) সকালে ভাবখালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের উদ্যোগে প্রাথমিক শ্রেণির শিশু বরণ উৎসবের নানা আয়োজন করা হয়। একই দিনে জুলাই পুনর্জাগরণ অনুষ্ঠানমালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    অনুষ্ঠানের শুরুতে বিদ্যালয়ের ১ম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের ‘স্বাগতম, স্বাগতম, বিদ্যালয়ে স্বাগতম’ স্লোগানে প্রাক-প্রাথমিক শ্রেণির শিক্ষার্থীদের স্বাগতম জানান অতিথি ও শিক্ষকবৃন্দরা।পরে তাদের ফুল, চকলেট ও পেন্সিল দেওয়া হয় এবং কেক কেটে বরণ করে নেয়া হয়।

    এ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার ওবায়দুল্লাহ। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নিলুফার রহমান এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে
    বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- সহকারী জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার আব্দুল্লাহ আল বাকী,উপজেলা শিক্ষা অফিসার মনিকা পারভীন,সহকারী উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার জহিরুল ইসলাম, আশীষ কুমার তরফদার।

    প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার ওবায়দুল্লাহ বলেন, আজকের শিশু আগামী দিনের ভবিষ্যৎ। শিশু হচ্ছে কাদা মাটির মতো। আপনি যেভাবে চাইবেন, সেভাবেই সে গড়ে উঠবে। শিশুর সুন্দর ভবিষ্যৎ তৈরিতে শিক্ষকদের পাশাপাশি অভিভাবকদের বিশেষ করে মায়েদের এ ব্যাপারে বিশেষ ভূমিকা রাখতে হবে। শিশুকে নিয়মিত বিদ্যালয়ে পাঠাবেন। তিনি সুন্দর ও শিশুবান্ধব অনুষ্ঠানের আয়োজনের করায় বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও সংশ্লিষ্ট সকলকে ধন্যবাদ জানান।

    এসময় তিনি -বিদ্যালয়ের শিক্ষার মান, সকল ব্যবস্থাপনা এবং শিশু বরণ উৎসব উপলক্ষে শিক্ষার্থীদের মনোমুগ্ধকর সাংস্কৃতিক পরিবেশনায় মুগ্ধ হয়ে নিজের শিশু সন্তানকে অত্র বিদ্যালয়ে ভর্তি করানো আহবান জানান । পরে নৃত্য, গান ও অভিনয়সহ বিভিন্ন ইভেন্টে অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন উপহার সামগ্রী দিয়ে পুরুষকৃত করেন প্রধান অতিথি।

    পরে প্রধান ও বিশেষ অতিথিবৃন্দ উপস্থিত সকল শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের সাথে নিয়ে কেক কাটার মধ্য দিয়ে বর্ণাঢ্য এ শিশু বরণ উৎসবের সমাপ্তি ঘটে। এর আগে প্রধান অতিথিসহ আগত অতিথিবৃন্দকে ফুল দিয়ে বরণ করেন প্রধান শিক্ষক নিলুফার রহমানসহ বিদ্যালয়ের শিক্ষক-কর্মচারীবৃন্দ

  • বরগুনার তালতলীতে সিএনআরএস-এর উদ্যোগে বহুঅংশীজনীয় মৎস্যজীবী নেটওয়ার্ক গঠন

    বরগুনার তালতলীতে সিএনআরএস-এর উদ্যোগে বহুঅংশীজনীয় মৎস্যজীবী নেটওয়ার্ক গঠন

    মংচিন থান তালতলী বরগুনা প্রতিনিধি।।
    বরগুনার তালতলীতে প্রান্তিক মৎস্যজীবীদের অধিকার রক্ষা ও জীবিকায় টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যে সেন্টার ফর ন্যাচারাল রিসোর্স স্ট্যাডিজ (সিএনআরএস)-এর আয়োজনে বহুঅংশীজনীয় মৎস্যজীবী নেটওয়ার্ক’ গঠন করা হয়েছে।
    বুধবার (৩০ জুলাই) উপজেলা পরিষদের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়। তালতলী উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা জনাব ভিক্টর বাইন এর সভাপতিত্বে  উপজেলার বিভিন্ন পেশাজীবী অংশীজন—মৎস্যজীবী, স্থানীয় সিবিও প্রতিনিধি, এনজিও, সাংবাদিক, শিক্ষক ও যুব প্রতিনিধিরা অংশ নেন।
    টেকসই ও সমন্বিত প্ল্যাটফর্ম তৈরি করে মৎস্যজীবীদের অধিকার, জলজ সম্পদের প্রবেশাধিকার এবং নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করতে কাজ করবে বলে আয়োজকরা জানান।
    সভায় নেটওয়ার্কের গঠনতন্ত্রের বিভিন্ন ধারা-উপধারা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন ‘টেকনিক্যাল অফিসার (লিগ্যাল ও অ্যাডভোকেসি)’ আতিকুর রহমান।
    পরবর্তীতে সাধারণ পরিষদের ২১ জন সদস্যের প্রস্তাব ও সমর্থনের মাধ্যমে ১৫ সদস্য বিশিষ্ট একটি কার্যনির্বাহী পরিষদ গঠন করা হয়।সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন মো :আবু সিদ্দিক এবং সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন মো: শাহজালাল ফরাজী।
    অন্যান্য সদস্যরা হলেন সহ-সভাপতি মি:মংচিন থান,সহ-সভাপতি( মহিলা) মোসাম্মৎ শারমিন বেগম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মনির হাওলাদার, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক( মহিলা) শ্যামলী রানী,কোষাধক্ষ্য মো:আব্দুল কাবির,প্রচার ও দপ্তর সম্পাদক মো:হায়রাজ মাঝি, সমাজ কল্যাণ ও মহিলা বিষয়ক সম্পাদক মোসাম্মৎ রুমা আক্তার,অফিস ও ডকুমেন্টেশন মি:মংথিন জো,কার্যনির্বাহী সদস্য মোসাম্মৎ মনিরা খাতুন, মো:অয়ন তালুকদার, মো:মনোয়ার হোসেন।
    উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা ভিক্টর বাইন বলেন,এই নেটওয়ার্কের মাধ্যমে স্থানীয় জেলেরা টেকসই জীবিকা, খাসজমি ও জলাশয়ের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা, ন্যায্য অধিকার প্রাপ্তি ও সেবাগ্রহণে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি অর্জন করবে।নবনির্বাচিত সভাপতি আবু সিদ্দিক বলেন,সিএনআরএস-এর এ মহৎ উদ্যোগ তালতলীর প্রান্তিক মৎস্যজীবীদের উন্নয়নে একটি নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে। আমরা সকলে একযোগে দায়িত্ব পালনে সচেষ্ট থাকব এবং উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা সহযোগিতা কামনা করি।
    সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন সিবিডিপি প্রকল্পের ম্যানেজার মোঃ রিয়াজুল ইসলাম,অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন সিএনআরএস-এর উপজেলা সমন্বয়কারী মোঃ তাজবীর এলাহী প্রমূখ।

    মংচিন থান
    তালতলী প্রতিনিধি