Author: desk

  • বানারীপাড়ায় ওলামা দলের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

    বানারীপাড়ায় ওলামা দলের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

    বানারীপাড়া প্রতিনিধি//

    বরিশালের বানারীপাড়ায় ওলামা দলের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ২রা আগষ্ট, শনিবার সকাল ১০টায় বানারীপাড়া বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয় মিলনায়তনে উপজেলা ও পৌর ওলামা দলের উদ্দ্যোগে এ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।বরিশাল জেলা ওলামা দলের সদস্য মাওলানা আব্দুল কাইউম’র সঞ্চালনায় ও বানারীপাড়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো: শাহ আলম মিঞা’র সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় ভার্চুয়ালি প্রধান অতিথি ছিলেন বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির অন্যতম সদস্য ও উজিরপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি এস সরফুদ্দিন আহমেদ সান্টু। অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বরিশাল জেলা ওলামা দলের আহবায়ক প্রিন্সিপাল মাওলানা মুহাম্মদ আব্দুর রব। এ সময় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বরিশাল জেলা বিএনপির সদস্য ও জেলা শিক্ষক সমিতির সভাপতি গোলাম মাহমুদ মাহবুব মাস্টার,পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হাবিবুর রহমান জুয়েল,সিনিয়র সহ-সভাপতি মো: আব্দুস সালাম, সাংগঠনিক সম্পাদক শফিকুল ইসলাম রিপন, জেলা ওলামা দলের সি: যুগ্ন আহবায়ক মাও: সাঈদ আহমদ,সদস্য সচিব ক্বারী এনায়েতুল্লাহ মাহমুদী,বানারীপাড়া উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক মো:সাইদুল ইসলাম,উপজেলা ওলামা দল নেতা মাওলানা আবু সাঈদ প্রমুখ।

  • নিবন্ধনে নজি-র গড়েছে তারাগঞ্জের ইউএনও রুবেল রানা

    নিবন্ধনে নজি-র গড়েছে তারাগঞ্জের ইউএনও রুবেল রানা

    খলিলুর রহমান খলিল, নিজস্ব প্রতিনিধিঃ
    জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধনে নজির গড়েছে রংপুরের তারাগঞ্জ উপজেলা। জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধনের জাতীয় মূল্যায়নে উপজেলাটি দেশের দ্বিতীয় এবং রংপুর বিভাগের শীর্ষস্থান অর্জন করেছে। সদ্য সমাপ্ত এক বছরের মূল্যায়নে তারাগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) রুবেল রানা দেশ সেরা হয়েছেন।

    নিবন্ধনের লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে ১৩৩ শতাংশ কাজ করে সারাদেশে দ্বিতীয় এবং রংপুর বিভাগে প্রথম স্থান অর্জন করেছে । রেজিস্ট্রার জেনারেল কার্যালয় (জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন) এবং বিভাগীয় কশিমনার কার্যালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগ তথ্যটি নিশ্চিত করেছে।

    সূত্রে জানা যায়, ২০২৪-২০২৫ অর্থবছরে ২০২৪ সালের জুলাই থেকে ২০২৫ সালের জুন মাস পর্যন্ত জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধনের কাজের মূল্যায়ন প্রকাশ করা হয়। এতে ১২ মাসে লক্ষ্যমাত্রার ১৩৩ দশমিক ৪০ শতাংশ কাজ করে সারা দেশে দ্বিতীয় অবস্থান পায় রংপুরের তারাগঞ্জ উপজেলা। আর ১৩৫ দশমিক ২২ শতাংশ কাজ করে প্রথম হয় চট্টগ্রামের বাঁশখালি উপজেলা। এবং একই জেলার সীতাকুন্ড তৃতীয় অবস্থান অর্জন করেন।
    এই সাফল্য শুধু পরিসংখ্যানগত অর্জন নয়, বরং এটি তারাগঞ্জের প্রতিটি ইউনিয়ন পরিষদের নিবেদিতপ্রাণ কার্যক্রম, সচেতনতামূলক উদ্যোগ এবং স্থানীয় জনগণের অংশগ্রহণের ফসল। উপজেলার প্রতিটি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, সদস্য, সচিব, গ্রাম পুলিশ, তথ্য ও সেবা কেন্দ্রের উদ্যোক্তা এবং ইউনিয়ন পর্যায়ের প্রশাসনিক কর্মকর্তারা নিরলস পরিশ্রম করেছেন এই অর্জনের জন্য।
    এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসগরী অঞ্চলের সব দেশের সঙ্গে বাংলাদেশও ২০২৪ সালের মধ্যে শতভাগ জন্ম ও অন্তত ৫০ভাগ মৃত্যু নিবন্ধনের প্রতিশ্রুতি দেয়। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে সরকার রেজিস্ট্রার জেনারেল-এর কার্যালয় স্থাপনসহ বিভিন্ন প্রশাসনিক উদ্যোগ নেয়, যার মধ্যে রয়েছে সিআরভিএস স্টিয়ারিং কমিটি গঠন, জেলা-উপজেলা প্রশাসনের কর্মসম্পাদন চুক্তিতে এ লক্ষ্য অন্তর্ভুক্তকরণ এবং চার হাজারের বেশি রেজিস্ট্রেশন সহকারীকে প্রশিক্ষণ প্রদান।
    এসব উদ্যোগে ২০২১-২০২৩ সালে নিবন্ধনে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি দেখা যায়, ২০২১ সালে জন্ম ২৯ ভাগ ও মৃত্যু ৩৯ ভাগ, ২০২২ সালে জন্ম ৫৮ ভাগ ও মৃত্যু ৪২ ভাগ, ২০২৩ সালে জন্ম ৫৪ ভাগ ও মৃত্যু ৪৯ ভাগ। একটি ত্রৈমাসিকে জন্ম নিবন্ধনের হার ৯০ ভাগ পর্যন্ত উঠলেও ধারাবাহিকতা রক্ষা সম্ভব হয়নি। ২০২৪ সালের প্রথমার্ধে জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন যথাক্রমে ৫২ ভাগ ও ৫৪ ভাগ।
    রংপুর বিভাগ উল্লেখযোগ্যভাবে পিছিয়ে: ২০২৪ সালের প্রথমার্ধে রংপুরে জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধন মাত্র ৩২ভাগ ও ৩৫ভাগ এবং রংপুর জেলায় আরও কম: ২৪ ভাগ ও ২৮ ভাগ। তবে ২০২৩ সালের জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারিতে রংপুর জেলা জাতীয়ভাবে শীর্ষে ছিল (জন্ম ১৭৭ ভাগ, মৃত্যু ১৫৩ ভাগ)-যা টেকসই হয়নি। ২০২৫ সালের ১৩৩ শতাংক কাজ করে দেশের দ্বিতীয় অবস্থান অর্জন করে রংপুর।
    তারাগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রুবেল রানা বলেন, “এই সাফল্য কেবল প্রশাসনের নয়-এটি তারাগঞ্জবাসীর সম্মিলিত প্রচেষ্টার ফল। আমি প্রত্যেক ইউনিয়ন পরিষদ, উদ্যোক্তা, গ্রাম পুলিশসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাচ্ছি। আমরা চাই, এই ধারা যেন সামনের দিনগুলোতেও অব্যাহত থাকে।”
    জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধনের গুরুত্ব সম্পর্কে জানতে চাইলে ইকরচালী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ইদ্রিস উদ্দিন বলেন, “নাগরিক অধিকার নিশ্চিত করতে এই নিবন্ধন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এটা স্কুলে ভর্তি, পাসপোর্ট করা, জমি নিবন্ধন, এমনকি বিভিন্ন সরকারি সেবা গ্রহণেও অপরিহার্য।”
    সয়ার ইউনিয়নের উদ্যোক্তা সাদ্দাম হোসেন বলেন, “ডিজিটাল নিবন্ধন ব্যবস্থার ফলে সাধারণ মানুষ এখন দ্রুত ও নির্ভুলভাবে সেবা পাচ্ছে। আমরাও নিয়মিত প্রশিক্ষণ ও পরামর্শ পেয়ে কার্যক্রমকে আরও সহজ ও জনবান্ধব করতে পারছি।”
    উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, প্রতিটি ইউনিয়নে জন্মের ৪৫ দিনের মধ্যে এবং মৃত্যুর ৩০ দিনের মধ্যে নিবন্ধনের হার উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। এ লক্ষ্যে ইউনিয়ন পর্যায়ে গণসচেতনতা কার্যক্রম, স্কুল-কলেজে প্রচার, গ্রাম পুলিশদের মাধ্যমে ঘরে ঘরে গিয়ে তথ্য সংগ্রহ এবং অনলাইন প্ল্যাটফর্মে নিবন্ধন প্রক্রিয়াকে সহজীকরণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
    একসময় তারাগঞ্জের বেশ কিছু ইউনিয়নে জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধন ছিল উপেক্ষিত ও অনিয়মিত একটি প্রক্রিয়া। তবে গত এক বছর ধরে কঠোর তদারকি, নিয়মিত মনিটরিং এবং পুরস্কারপ্রাপ্তির সুযোগ তৈরি হওয়ায় প্রতিযোগিতার মনোভাব জন্মেছে ইউনিয়নগুলোর মধ্যে। তার ফলেই আজকের এই জাতীয় স্বীকৃতি।
    উপজেলা প্রশাসন আশা করছে, আগামী বছরগুলোতেও এই ধারাবাহিকতা বজায় রেখে তারাগঞ্জ জাতীয় পর্যায়ে আরও এগিয়ে যাবে। একইসঙ্গে অন্যান্য উপজেলাগুলোর জন্য এটি একটি দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।

  • পুঠিয়ার বানেশ্বরে ইউনিয়ন বিএনপির অনু-মতি ছা-ড়াই বিএনপির প্রধান কার্যালয় উদ্বোধন 

    পুঠিয়ার বানেশ্বরে ইউনিয়ন বিএনপির অনু-মতি ছা-ড়াই বিএনপির প্রধান কার্যালয় উদ্বোধন 

    পুঠিয়া(রাজশাহী)প্রতিনিধিঃ

    রাজশাহীর পুঠিয়া উপজেলার ৩ নং বানেশ্বর ইউনিয়নে ‘বিএনপির প্রধান কার্যালয়’ নামে নতুন একটি অফিস উদ্বোধন করা হয়েছে। এ নিয়ে সৃষ্টি হয়েছে বিতর্ক। অনুষ্ঠানে স্থানীয় নেতার উপস্থিতি না থাকায় প্রশ্ন উঠেছে প্রকৃত নেতৃত্ব এবং দলে সমন্বয়হীনতা নিয়ে। এ ঘটনায় ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়কসহ স্থানীয় নেতাকর্মীরা তীব্র ক্ষোভ ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন।জানা যায়, কার্যালয় উদ্বোধনের ঘোষণাটি কিছু ব্যক্তির মাধ্যমে ছড়ালেও ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক হযরত আলী সরকার ও সদস্য সচিবকে এ বিষয়ে কিছুই জানানো হয়নি। তাদের দাবি ৩নং বানেশ্বর ইউনিয়ন বিএনপির কোন অফিস হতে হলে সেটি আমাদের মাধ্যমে হতে হবে। তাছাড়া অন্য কেউ ইউনিয়ন বিএনপির অফিস করতে পারে না।এ বিষয়ে ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক হযরত আলী এবং সদস্য সচিব আব্দুল মজিদ জানান, “আমরা কেউই এ অফিস উদ্বোধনের বিষয়ে জানতাম না। আমাদের কোনো মতামত বা অনুমতি ছাড়াই এটা করা হয়েছে। এ ধরনের আচরণ রাজনৈতিকভাবে প্রশ্নবিদ্ধ।ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক বলেন, “আমার কোনো অনুমতি বা জানার বাইরে এই অফিস খোলা হয়েছে। এটি সম্পূর্ণ বেআইনি ও দলীয় শৃঙ্খলার পরিপন্থী।” তিনি আরও বলেন, “এই অফিসের নামে কোনো চাঁদাবাজি বা অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটলে তার দায় ইউনিয়ন বিএনপি নেবে না।” আমরা এই বেআইনি কার্যক্রমের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।স্থানীয় বিএনপি নেতা আলম মেম্বার বলেন, “যারা উদ্বোধনের উদ্যোগ নিয়েছে, তারা কেউই ইউনিয়ন বিএনপির কমিটিতে নেই। এমনকি যিনি নেতৃত্ব দিয়েছেন সেই মতিউর রহমান মতি একজন বাজার ব্যবসায়ী সমিতির আহ্বায়ক মাত্র। বিএনপির কোনো পদেই নেই।” অথচ তারা নিজেদের উদ্যোগে প্রধান কার্যালয় উদ্বোধন করেছে। এটা কীভাবে সম্ভব?পুঠিয়া উপজেলা বিএনপির আহবায়ক ও কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য আবু বকর সিদ্দিক বলেন, বাংলাদেশে বিএনপির কোন প্রধান কার্যালয় বলে কোন কার্যালয়ের অনুমোদন নেই। যারা ৩ নং বানেশ্বর ইউনিয়ন বিএনপির প্রধান কার্যালয় বলে যারা কার্যালয় করেছে তারা কাজটা ঠিক করেনি। দলের মধ্যে বিভ্রান্তি ছড়ানোর জন্যই এমন কাজ করেছে। আর কোন বিএনপির অফিস করতে হলে আমাদের বানেশ্বর ইউনিয়ন বিএনপির আহবায়ক কমিটি আছে তারা করবে। অথচ আমার আহবায়ক কমিটির আহবায়ক ও সদস্য সচিবসহ কেউ এই বিষয়ে জানেনা। যেখানে পার্টির কোন প্রধান কার্যালয় নেই সেখানে এই ধরনের কাজের কোন অনুমোদন বা গ্রহণ যোগ্যতা নেই।বানেশ্বর বণিক সমিতির আহবায়ক মতিউর রহমান মতি জানান, ইউনিয়ন বিএনপিকে দাওয়াত দিয়ে,  প্রয়াত নাদিম মোস্তফার ছেলের উদ্যোগে অফিসটি উদ্বোধন করা হয়। বানেশ্বর ইউনিয়ন বিএনপির আহবায়ক ও সদস্য সচিব কে দুই দিন আগে  মুঠোফোনে বলা  হয়েছে। তারা কেন আসেনি সেটা আমার জানা নেই। আর এখানে বানেশ্বর ইউনিয়ন বিএনপির প্রধান কার্যালয় দীর্ঘদিন থেকে ছিলো। বিভিন্ন নেতা কর্মী বসেন ও মত বিনিময় করেন।বানেশ্বর ইউনিয়ন বিএনপির আহবায়ক কমিটি আপনাদের নিয়ে অফিস উদ্বোধন করবে। সেখানে আপনারা তাদের দাওয়াত দিয়ে প্রধান কার্যালয় উদ্বোধন বিষয়টি কেমন দেখায় জানতে চাইলে তিনি বলেন, আগে থেকে ছিলো তাই করেছি কোন অভিযোগ থাকলে আমরা তা পরিবর্তন করবো। স্থানীয় নেতারা এই অনুমোদনহীন অফিস উদ্বোধনের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে দ্রুত এ বিষয়ে দলীয় হস্তক্ষেপ কামনা করেছেনউল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার (৩১ জুলাই) বিকাল ৪টার দিকে বানেশ্বর পেট্রোল পাম্পের উত্তর পাশে ৩ নম্বর বানেশ্বর ইউনিয়ন বিএনপির প্রধান কার্যালয়ের ফিতা কেটে উদ্বোধন করেন প্রয়াত এমপি অ্যাডভোকেট নাদিম মোস্তফার পুত্র জুলফার নাঈম মোস্তফা বিস্ময়।

    ঘটনাটি বিএনপির স্থানীয় নেতৃত্বে দ্বন্দ্ব ও সমন্বয়হীনতার স্পষ্ট প্রতিফলন বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। স্থানীয় নেতাকর্মীদের মাঝেও বিভ্রান্তি ও ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে।  

    এ বিষয়ে এখনো কেন্দ্রীয় বিএনপির কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। #

    মাজেদুর রহমান (মাজদার) 
    পুঠিয়া, রাজশাহী।

  • দেশে ভু-য়া ডাক্তারের চিকিৎসা ও ভেজা-ল ওষুধ সেবনে মানুষের রো-গ ভালো হচ্ছে না

    দেশে ভু-য়া ডাক্তারের চিকিৎসা ও ভেজা-ল ওষুধ সেবনে মানুষের রো-গ ভালো হচ্ছে না

    হেলাল শেখঃ সারাদেশে প্রায় লক্ষাধিক ভুয়া ডাক্তার রোগীদের সাথে চিকিৎসার নামে প্রতারণা করছে। জীবন রক্ষাকারী ওষুধ সেবন করে বেশিরভাগ মানুষের রোগ ভালো হচ্ছে না। এর আগে ঢাকার আশুলিয়ার জামগড়ায় ফার্মেসী দোকানে অভিযান চালিয়ে বিক্রয় নিষিদ্ধ ২২ ধরনের ভারতীয় ওষুধ জব্দ করেন ওষুধ প্রশাসন। কয়েকজন ভুয়া ডাক্তারকে র‍্যাব-৪ কতর্ৃক গ্রেফতার করা হলেও অতি দ্রুত আদালত থেকে জামিনে এসে আবারও যা তাই রোগীদের সাথে চিকিৎসার নামে প্রতারণা করছে তারা।
    শনিবার (২ আগষ্ট ২০২৫ইং) জানা গেছে, সারাদেশে প্রায় প্রতিটি এলাকায় ব্যাঙের ছাতার মতো ওষুধের দোকান ও ক্লিনিক হাসপাতাল দিয়ে রোগীদের সাথে চিকিৎসার নামে প্রতারণা করছেন সংশ্লিষ্টরা। সেই সাথে ভেজাল ও নিম্নমানের ওষুধ বিক্রি করে অনেকেই লাখ লাখ টাকার মালিক বুনে গেলেও এ ব্যাপারে কারো কোনো মাথা ব্যথা নাই। বেশিরভাগ এলাকায় ভুয়া ডাক্তার কতর্ৃক চিকিৎসার নামে প্রতারণা ও ভেজাল ওষুধের বিক্রির ছড়াছড়ি। এর আগে গত (১৩ অক্টোবর ২০২১ইং) দুপুর ২টার দিকে আশুলিয়া থানাধীন জামগড়া চৌরাস্তা বাসস্ট্যাণ্ডে সুফিয়া ফার্মেসিতে ওষুধ প্রশাসন কতর্ৃক অভিযান পরিচালনা করা হয়। জানা যায়, বিক্রয় নিষিদ্ধ ভারতীয় ওষুধ বিক্রির সময় অভিযান পরিচালনা করেন ঢাকার ওষুধ প্রশাসন অধিদফতরের কর্মকর্তাগণ। এসময় সুফিয়া ফার্মেসিতে প্রবেশ করেন এবং দোকানের ভেতরে থাকা ২২ ধরনের নিধিদ্ধ ওষুধ জব্দ করা হয়। এই অভিযান শেষে সুফিয়া ফার্মেসির বিরুদ্ধে নিষিদ্ধ ওষুধ বিক্রির কারণ জানতে চেয়ে নোটিশ দিয়েছেন ওষুধ প্রশাসন, তারপর আর কোনো খবর নেই।
    বিশেষ করে এর আগে বিভিন্ন অনলাইন ও সংবাদপত্রসহ গণমাধ্যমে এ বিষয়ে সংবাদ প্রকাশ করা হয়। দেখা যায়, অনুমোদনবিহীন ভেজাল ওষুধ চেনা কঠিন, রাস্তার পাশে হাট-বাজারে নানারকম ওষুধ বিক্রি হওয়ায় সেই ওষুধ সেবন করে বেশিরভাগ রোগীদের রোগ মুক্তি না হয়ে বাড়ছে বিভিন্ন রোগের যন্ত্রনা। ভুয়া ডাক্তার কতর্ৃক চিকিৎসা সেবার নামে প্রতারণা করা হচ্ছে মানুষের সাথে, সেই সাথে কিছু ডাক্তারের ব্যবহার এতোটাই খারাপ যা কসাইদেরও হার মানাবে তারা। র‍্যাব সদর দপ্তরের নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট ও জেলা-উপজেলা নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট এবং স্বাস্থ্য কর্মকর্তাগণ মাঝে মধ্যে ২-৪জন ওষুধ ব্যবসায়ীকে আটক ও ভুয়া ডাক্তারকে গ্রেফতার করে জেল জরিমানা করলেও জেল জরিমানা ভোগ করেও তারা ভালো হচ্ছে না, কোনো ভাবেই বন্ধ হচ্ছে না তাদের চিকিৎসার নামে প্রতারণা। পুরোপুরি ভাবে বন্ধ করা যাচ্ছে না চিকিৎসা সেবায় অনিয়ম দুর্নীতি। ভুয়া ডাক্তার ও ভেজাল ওষুধ দিয়ে অবাধে চলছে চিকিৎসা সেবার নামে নানারকম এইসব প্রতারণা।
    সূত্রমতে জানা গেছে, বাংলাদেশে ভুয়া ডাক্তারের সংখ্যা প্রায় লক্ষাধিক। তারা রাজধানীসহ সারাদেশের বিভাগ, জেলা ও উপজেলা এবং থানা ও ইউনিয়ন পর্যায়ে চিকিৎসা সেবার নামে প্রতারণা করছে। সেই সাথে অনুমোদনবিহীন ভেজাল ওষুধ রোগীদের কাছে বিক্রি করে সংশ্লিষ্টরা অবৈধভাবে অর্থর্ কামিয়ে বাড়ি গাড়ি করেছে, রাতারাতি কোটি কোটি টাকার মালিক বুনে যাচ্ছে অনেকেই। অন্যদিকে নামী দামি কোম্পানীগুলো ওষুধের গায়ে মূল্য লিখছেন না। ওষুধের গায়ে মূল্য না থাকায় কৌশলে দাম বেশি নিচ্ছেন অনেক ওষুধ দোকানদার। সেই সাথে নকল ও ভেজাল ওষুধ বিক্রি করে লাখ লাখ টাকার কারবার করছে অসাধু ব্যবসায়ীরা। এক কথায় চিকিৎসা সেবার নামে অনিয়ম দুর্নীতির কারণে সরকারের বদনাম হচ্ছে। ভেজাল ওষুধে মানবদেহে রোগ ভালো না হয়ে আরও খারাপ পরিণতি হচ্ছে। বেশিরভাগ ওষুধ সেবন করে রোগ ভালো হচ্ছে না। রাস্তা-ঘাটে ও মুদি দোকানেও ওষুধ বিক্রি করতে দেখা যায়। ৫ম শ্রেণি পর্যন্ত লেখাপড়া করে অনেকেই ডাক্তার সেজে ওষুধের দোকান খুলে বসে চিকিৎসা করছে। যাদের ওষুধ সম্পর্কে কোনো ধারণা নেই তারাও এখন কথিত ডাক্তার। এর কারণে চিকিৎসা সেবায় বেশি জটিলতা সৃষ্টি হচ্ছে বলে অনেকেই জানায়। শুধু সচেতনতার অভাবে মানুষের শরীর স্বাস্থ্য খারাপ হচ্ছে বলে মনে করছেন সচেতন মহল।
    ঢাকার ধামরাই ও সাভার-আশুলিয়ায় সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, তিন থানায় প্রায় ৫ হাজারের বেশি ওষুধের দোকান রয়েছে, তাদের অনেকেরই সঠিক কাগজপত্র নেই। অনেকের বৈধ কাগজপত্র থাকলেও তার মেয়াদ নেই। সেই সাথে ক্লিনিক ব্যবসায় বিভিন্ন টেস্টের নামে অবৈধ ভাবে ভোক্তাকে ঠকানো হচ্ছে। ব্যাঙের ছাতার মতো ওষুধের দোকান ও ক্লিনিক ব্যবসা জমজমাট ভাবে চলছে। সূত্র জানায়, ঢাকার প্রধান শিল্পাঞ্চল আশুলিয়ায় কিছু ক্লিনিক ও হাসপাতালে বাচ্চা নষ্ট করার সুকৌশল রয়েছে।
    র‍্যাব জানায়, ভুয়া চিকিৎসক নিজেকে ডাক্তার হিসেবে উল্লেখ করে আসেন। রোগ বিষয়ে উচ্চতর ডিগ্রি থাকার কথাও অনেক ব্যবস্থাপত্রে লিখেন এবং অনুমোদনহীন ভেজাল ওষুধ লিখে রোগীদের সাথে প্রতারণা করে। ক্লিনিক ও হাসপাতালের সামনে ওষুধ কোম্পানির গাড়ী-মটরসাইকেল দেখলে মনে হয় সেখানে মটরসাইকেলের বাজার লেগেছে। উক্ত ব্যাপারে রাজধানী ঢাকার ওষুধ প্রশাসনের সহকারী পরিচালক সৈকত কুমার বলেন, ভারতীয় নিষিদ্ধ ওষুধ জব্দ করাসহ নিয়মিত অভিযান চলছে। অথচ এখনো ভুয়া ডাক্তার ও ভেজাল ওষুধ সেবনে ভোক্তাদের চরম ক্ষতি হচ্ছে। শনিবার কয়েকজন চিকিৎসক বলেন, বৈধ প্রতিষ্ঠান চালাচ্ছেন এবং ভালো উন্নতমানের ওষুধ তৈরি করে বিক্রি করছেন তাদের সমস্যা নাই, তবে ভেজালের মধ্যে আসল আর নকল চেনা কঠিন।#

  • আশুলিয়ায় সড়ক দুর্ঘ-টনায় এক শিশু নিহ-ত, আহ-ত ৫ জন

    আশুলিয়ায় সড়ক দুর্ঘ-টনায় এক শিশু নিহ-ত, আহ-ত ৫ জন

    হেলাল শেখঃ ঢাকার সাভারের নবীনগর-আরিচা মহাসড়কের আশুলিয়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় এক শিশু নিহত ও ৫ জন আহত হয়েছেন। শনিবার (২ আগষ্ট ২০২৫ইং) বিকেল সাড়ে ৪ টার দিকে এ ঘটনা ঘটেছে।

    ঘটনাস্থল-আশুলিয়া থানাধীন স্টারলিং গার্মেন্টস সংলগ্ন হাইওয়ে আন্ডারগ্রাউন্ডের ২০মিটার আরিচা সড়কমুখীর সামনে বাইপাস রাস্তার উপর। ঘটনা সংক্ষিপ্ত বিবরণ:
    অদ্য ০২/০৮/২৫ তারিখ রাত অনুমানিক ১৬. ৩০ ঘটিকায় আশুলিয়া থানাধীন স্টারলিং গার্মেন্টস সামনে এক নম্বর গেট সংলগ্ন হাইওয়ে আন্ডারগ্রাউন্ড ২০ মিটার আরিচা সড়ক মুখী সামনে ১/ নিহত ভিকটিম সোহান (১০), পিতা: স্বজন মাতা : কল্পনা। আহত সুজন (৩৫),পিতা: মুসলেম উদ্দিন, মাতা, সুজেলা বেগম(১/২- উভয়ের ঠিকানা: গ্রাম আমরাইল তেলী পাড়া,থানা মির্জাপুর জেলা টাঙ্গাইল। মোঃ আমানুল ইসনাম, ৫০) পিতা: মোঃ আনিস উদ্দিন, মাতা: নুরজাহান বেগম, গ্রাম-রামার বাগ ইউনিয়ন -পাথালিয়া থানা- আশুলিয়া জেলা ঢাকা। জামিল (৩৫) মিয়া, পিতা- মৃত হায়দার আলী মাতা-জাহানারা বেগম, গ্রাম-খড়খড়িয়া নান্দিনা থানা-জামালপুর সদর, জেলা -জামালপুর, মোঃ মনিরুজ্জামান বাদল (৩৫), পিতা মোঃ বাচ্চু মিয়া, মাতা বাথরুন্নেসা, গ্রাম- দক্ষিণ ইকুরিয়া,থানা-ধামরাই, জেলা- ঢাকা, সোহেল রানা (৪০), পিতা :মোজাম্মেল হক, মাতা : হাজেরা, রাস্তা পারাপারের সময় অজ্ঞাতনামা একটি ট্রাক রিক্সা ও পথযাত্রীর সাথে ধাক্কা মেরে দ্রুত গতিতে পালিয়ে যায়। আহত পাঁচজনকে ইস্টারলিং গার্মেন্টস শ্রমিকেরা গণসাস্থ্য হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নেয়া হয়।

    সড়ক দুর্ঘটনার সংবাদ পেয়ে সাভার হাইওয়ে থানা পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে নিহত শিশু ভিকটিম সোহান (১০)কে উদ্ধার করে ভিকটিমের সুরতহাল রিপোর্ট প্রস্তুত পূর্বক ময়না তদন্তের জন্য লাশ মর্গে প্রেরন করেন।

    পুলিশ জানায়, মামলা-জিডি: সাভার হাইওয়ে থানা পুলিশ কর্তৃক আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

  • সুজানগর উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তাকে অ-পসারণের দাবিতে মান-ববন্ধন

    সুজানগর উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তাকে অ-পসারণের দাবিতে মান-ববন্ধন

    এম এ আলিম রিপন,সুজানগর ঃ পাবনার সুজানগর উপজেলার স্বাস্থ্য ও পরিবার-পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ আলী মাজরুই রহমানকে অপসারণের দাবি জানানো হয়েছে। অব্যবস্থাপনা, দায়িত্বে অবহেলাসহ নানা ধরনের অনিয়মের অভিযোগ এনে শনিবার(০২ আগস্ট) মানববন্ধন থেকে তঁাকে অপসারণের দাবি করেছেন স্থানীয় বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষ।
    এদিন বেলা সাড়ে ১১টায় সুজানগরের সচেতন নাগরিকের ব্যানারে সুজানগর পৌর শহরের পাবনা-নাজিরগঞ্জ সড়কের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সামনে এ মানববন্ধনের আয়োজন করা হয়। মানববন্ধনে অংশ নিয়ে বক্তব্য দেন রুবেল শেখ, রিপন মোল্লা ও সন্টু শেখ প্রমুখ।
    মানববন্ধনে অংশ নেওয়া রুবেল শেখ বলেন, কর্তব্য রোগীদের সেবা দেওয়া হলেও তিনি রাজশাহীতে থাকেন এবং প্রতি সপ্তাহের বেশিরভাগ দিনই কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকেন সুজানগর উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডাঃ আলী মাজরুই রহমান, শুধু তাই নয় কর্মস্থলে মাসের বেশিরভাগ দিন অনুপস্থিত থাকলেও তিনি প্রতিমাসে নিয়মিত পুরো বেতন-ভাতা তুলছেন। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের আদেশকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে এভাবে দিনের পর দিন দায়িত্বে অবহেলা করায় ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি বলেন, নিম্ন আয়ের মানুষদের জন্য একমাত্র ভরসা সরকারি এ হাসপাতালে আসা রোগীরা সেবাবঞ্চিত হওয়ায় তার অপসারণ দাবি করছি। সন্টু সেখ নামে অপর এক ব্যক্তি বলেন, বর্তমান উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডাঃ আলী মাজরুই রহমানের পিতা রাজশাহী-৫ আসনের আওয়ামীলীগের শাসনআমলে সংসদ সদস্য ছিলেন এ কারণে আ.লীগের দোষর অভিযোগ করে তিনি উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তার অপসারণ দাবি জানান। এসব অভিযোগের বিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য ও পরিবার-পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ আলী মাজরুই রহমান তঁার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ সঠিক নয় দাবি করে তিনি বলেন, মহলবিশেষের ষড়যন্ত্র ছাড়া আর কিছুই নয়। আমি মানুষকে সাধ্যমতো চিকিৎসা দিতে সব সময় চেষ্টা করি।
    উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তার বিরুদ্ধে এসব অভিযোগের বিষয়ে পাবনা সিভিল সার্জন ডাঃ আবুল কালাম আজাদ শনিবার
    বলেন, সরকারি পদে বহাল থেকে কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকা এবং জনগণকে সেবা না দিয়ে বেতন-ভাতা তোলা সম্পূর্ণভাবে বেআইনি। কর্মস্থলে নিয়মিত উপস্থিত না থাকায় সুজানগর উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তাকে পর পর ২ বার কারণ দর্শানোর নোটিশ প্রদান করা হয়েছে। এবং বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ অবগত করা হবে বলেও জানান তিনি।
    প্রসঙ্গত, ১০টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভা নিয়ে গঠিত সুজানগর উপজেলার তিন লাখ ৩২ হাজার মানুষের কাঙ্ক্ষিত চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে এ একটিমাত্র হাসপাতালকে ২০০২ সালে ৩১ শয্যা থেকে ৫১ শয্যায় উন্নীত করা হয়। এ হাসপাতালে ১০ জন জুনিয়র কনসালটেন্টের পদ থাকলেও বর্তমানে এ হাসপাতালে একজন জুনিয়র কনসালটেন্ট খাতা কলমে থাকলেও তিনি বর্তমানে পাবনা সদর হাসপাতালে ডেপুটেশনে রয়েছেন এবং মেডিকেল অফিসার ৯ জন থাকার কথা থাকলেও বর্তমানে রয়েছেন ৫ জন এবং ডেপুটেশনে ঢাকাতে রয়েছে অপর ৫ জন চিকিৎসক। এ কারণে চিকিৎসা সেবা না পেয়ে বেশিরভাগ রোগী নিয়ে ফিরে যেতে হয়।
    খেঁাজ নিয়ে জানা গেছে, গত বছরের নভেম্বর মাসে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা হিসেবে যোগদান করেন ডাঃ আলী মাজরুই রহমান।

    সুজানগর(পাবনা)প্রতিনিধি।।

  • র‌্যাব-১২, সিরাজগঞ্জ এর অ-ভিযানে ১০৫ বোতল ফে-ন্সিডিলসহ ২ জন মা-দক ব্যবসায়ী গ্রে-ফতার

    র‌্যাব-১২, সিরাজগঞ্জ এর অ-ভিযানে ১০৫ বোতল ফে-ন্সিডিলসহ ২ জন মা-দক ব্যবসায়ী গ্রে-ফতার

    প্রেস বিজ্ঞপ্তি

    র‌্যাব-১২, সিরাজগঞ্জ এর অভিযানে সদর থানা এলাকা হতে মাদকদ্রব্য পরিবহনকালে ১০৫ বোতল ফেন্সিডিলসহ ২ জন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার এবং ২টি মোটরসাইকেল জব্দ।

    র‌্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব) প্রতিষ্ঠাকালীন সময় থেকেই দেশের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সমুন্নত রাখার লক্ষ্যে সব ধরণের অপরাধীকে আইনের আওতায় নিয়ে আসার ক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে। জঙ্গী, সন্ত্রাসী, সংঘবদ্ধ অপরাধী, ছিনতাইকারী, জুয়ারি, মাদক ব্যবসায়ী, খুন, ধর্ষণ, চুরি, ডাকাতি এবং অপহরণসহ বিভিন্ন চাঞ্চল্যকর মামলার আসামি গ্রেফতারে র‌্যাব নিয়মিত অভিযান চালিয়ে আসছে।

    ১। এরই ধারাবাহিকতায় অধিনায়ক র‌্যাব-১২, সিরাজগঞ্জ মহোদয়ের দিকনির্দেশনায় গত ০১ আগস্ট ২০২৫ খ্রিঃ দুপুর ১৩.০০ ঘটিকায় র‌্যাব-১২, ব্যাটালিয়ন সদর কোম্পানির একটি চৌকস আভিযানিক দল ‘‘সিরাজগঞ্জ জেলার সদর থানাধীন রায়পুর (০১নং মিলগেট) সাকিনস্থ জয় গুরু কফি হাউজের সামনে মুসলিম ফার্নিচার হাউজের বিপরীত পার্শ্বে পাকা রাস্তার উপর” একটি মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে মাদক পরিবহন কালে ১০৫ বোতল ফেন্সিডিলসহ ০২ জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। এছাড়াও তাদের সাথে থাকা মাদকদ্রব্য ফেন্সিডিল পরিবহন ও ক্রয়-বিক্রয় কাজে ব্যবহৃত ০৪টি মোবাইল ফোন, নগদ ৬,৪৮০/- টাকা ও ০২টি মোটরসাইকেল জব্দ করা হয়।

    ২। গ্রেফতারকৃত আসামিগণ ১। মোঃ নবাব চৌধুরী (২৫), পিতা মোঃ একাবর আলী, সাং-লক্ষীপুর, ২। মোঃ সেলিম রেজা (৩৫), পিতা-মৃত সেন্টু রহমান, সাং- মোবারকপুর, উভয় থানা-শিবগঞ্জ, জেলা-চাঁপাইনবাবগঞ্জ।

    ৩। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় যে, আসামি দীর্ঘদিন যাবৎ লোকচক্ষুর আড়ালে নেশা জাতীয় মাদকদ্রব্য ফেন্সিডিল দেশের বিভিন্ন জেলা হইতে সংগ্রহ করে বিভিন্ন গাড়ীতে পরিবহন করে রাজধানী ঢাকাসহ বিভিন্ন জেলায় ক্রয়-বিক্রয় করে আসছে।

    ৪। গ্রেফতারকৃত আসামিদের বিরুদ্ধে সিরাজগঞ্জ জেলার সদর থানায় ২০১৮ সালের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

    এ ধরণের মাদক উদ্ধার অভিযান সচল রেখে মাদকমুক্ত বাংলাদেশ গঠনে র‌্যাব-১২ বদ্ধপরিকর।

    র‌্যাব-১২ কে তথ্য দিন – মাদকমুক্ত, বাংলাদেশ গঠনে অংশ নিন।

  • মান্নারগাও ইউনিয়ন তৃনমুল বিএনপিকে ফুল দিয়ে সংবর্ধনা দিলেন এম এ বারী

    মান্নারগাও ইউনিয়ন তৃনমুল বিএনপিকে ফুল দিয়ে সংবর্ধনা দিলেন এম এ বারী

    হারুন আর রশিদ,
    দোয়ারাবাজার সুনামগঞ্জ প্রতিনিধিঃ
    সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজার উপজেলার মান্নারগাও ইউনিয়ন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) এর তৃণমূল নেতাকর্মীদের ফুল দিয়ে সংবর্ধনা দেওয়া হয়েছে।

    শুক্রবার (১ আগস্ট) রাতে দোয়ারাবাজার উপজেলার কামার পট্টি বিএনপি কার্যালয়ে জেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটির সদস্য আলহাজ্ব এম এ বারী” তৃণমূল নেতাকর্মীদের সংবর্ধিত করেন। জিয়া সাংস্কৃতিক সংগঠন (জিসাস) এই সংবর্ধনার আয়োজন করেন।

    সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে আলহাজ্ব এম এ বারী বলেন, তৃণমূল নেতাকর্মীরাই দলের প্রকৃত শক্তি। তাই ছাতক দোয়ারাবাজার সুনামগঞ্জ ৫ আসনে কলিম উদ্দিন আহমদ মিলনের হাতকে শক্তিশালী করতে তৃণমূলের বিকল্প নেই। আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য আমাদের সবাইকে ঐকবদ্ধ ভাবে কাজ করতে হবে। বিগত আন্দোলন-সংগ্রামে যাঁরা জীবন বাজি রেখে রাজপথে ছিলেন, তাঁদের এই সম্মাননা দলের প্রতি তাঁদের অবদানের স্বীকৃতি। দল পুনর্গঠন ও ভবিষ্যৎ আন্দোলনে তৃণমূল নেতাকর্মীদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এসময় আরও বক্তব্য রাখেন, জিসাস এর দোয়ারাবাজার উপজেলা আহবায়ক মো. মাসুক মিয়া, যুগ্ম আহবায়ক মো.রাকিব আলী, মো. তোফাজ্জল হোসেন, রিপন মিয়া, রুহুল আমিন রাজ। বিএনপি নেতা মছব্বির আলী। উপস্থিত ছিলেন, রুবেল আহমদ, আক্তার মিয়া, বোরহান উদ্দিন, মামুন মিয়া, জসিম উদ্দিন, রিমন মিয়া, হারিছ আলী প্রমুখ।

    উল্লেখ্যঃ সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে মান্নার গও ইউনিয়ন বিএনপি ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতারাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

  • প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী ও সাধারণ সভায় সাংবাদিকদের স্বা-র্থরক্ষায় বিএমএসএফের সদস্যরা ঐ-ক্যবদ্ধ

    প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী ও সাধারণ সভায় সাংবাদিকদের স্বা-র্থরক্ষায় বিএমএসএফের সদস্যরা ঐ-ক্যবদ্ধ

    সুমন খান:

    ঢাকা, বৃহস্পতিবার,গত ৩১ জুলাই ২০২৫ ইং , বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরাম (বিএমএসএফ) এর ১৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও সাধারণ সভা বুধবারে জাতীয় প্রেস ক্লাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে। মফস্বল সাংবাদিকদের অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে কাজ করে যাওয়া এই সংগঠনের অনুষ্ঠানে অংশ নেন সারাদেশের সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ, ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্য এবং গণ্যমান্য অতিথিরা।

    অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন, বিএমএসএফ-এর ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান ও কেন্দ্রীয় সভাপতি আহমেদ আবু জাফর।

    বক্তব্য রাখেন, ট্রাস্টি বোর্ড সদস্য মোস্তাক আহমেদ খান, রফিকুল ইসলাম, আমির হোসেন, যুগরত্ন সাংবাদিক সম্মাননা প্রাপ্ত যমুনা টিভির সাংবাদিক বীর মুক্তিযোদ্ধা প্রতিনিধি দুলাল সাহা, দ্যা এক্সাম্পলের সম্পাদক মিজানুর রহমান মোল্লা, কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি মোফাজ্জল হোসেন, জসীম উদ্দীন চাষী, জহুরুল হক জহির, সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. তাওহীদ হাসান, খোকন আহমেদ হীরা, গাউছ উর রহমান, সৈয়দ খায়রুল আলম, সহ-দপ্তর সম্পাদক শফিকুল ইসলাম, সহ-সম্পাদক নুরুল হুদা বাবু, তারিক লিটু, ঢাকা মহানগর উত্তরের সভাপতি জাকির হোসেন,শাহাদাত হোসেন শাওন, আজাদ হোসেন আওলাদ মিয়া, ফেনী শাখার সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা ইসহাক চৌধুরী, সাধারণ হাসনাত তুহিন, মোঃ সাদ্দাম গনি, মোস্তাফিজুর৷ রহমান মিরাজ, ছাতক শাখার সভাপতি মুশাহিদ আলী, সাভারের ইউসুফ আলী খান, নাজমুল হক, ভুইয়া কামরুল হাসান সোহাগ এবং সাংবাদিক ও গবেষক এস এস রুশদী ঢাকার কেন্দ্রীয় নেতা সুমন খান।
    অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন মোঃ আল মাসুম খান, সমন্বয়ক মিডিয়া ও প্রচার উপ-কমিটি।

    অনুষ্ঠানের সূচনা পর্বে জাতীয় সংগীত ও বিএমএসএফের নিজস্ব সংগীত পরিবেশনা, মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজের বিমান দুর্ঘটনায় নিহতদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।

    বক্তারা বলেন, বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরাম দেশের একমাত্র সংগঠন, যা একটি ট্রাস্টি বোর্ডের মাধমে পরিচালিত হচ্ছে। সংগঠনটি আর্থিকভাবে অসচ্ছল হলেও নির্যাতিত বা মামলা-হামলার শিকার সাংবাদিকদের পাশে নিয়মিতভাবে দাঁড়াচ্ছে। ভবিষ্যতে ট্রাস্টি বোর্ডের মাধ্যমে ক্ষতিগ্রস্ত সাংবাদিকদের আর্থিক সহায়তা, শিক্ষাবৃত্তি প্রদান এবং মানবিক সহায়তা প্রদান করছে সংগঠনটি।

    তারা আরও বলেন, “বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিকদের অধিকার আদায়ে বিএমএসএফের ১৪ দফা দাবি বাস্তবায়ন এখন সময়ের দাবি। সরকার ও গণমাধ্যম কর্তৃপক্ষকে দ্রুত সাংবাদিকদের তালিকা প্রণয়ন, নিয়োগ নীতিমালা প্রণয়ন ও বাস্তবায়নে কার্যকর ভূমিকা রাখতে হবে। অন্যথায় মফস্বল সাংবাদিকদের পেশাগত নিরাপত্তা চরম হুমকির মুখে পড়বে।”

    সভাপতির বক্তব্যে আহমেদ আবু জাফর বলেন,“গত ১৩বছর ধরে এই সংগঠনকে সন্তানের মতো লালন করেছি। প্রতিটি প্রান্তিক পর্যায়ের সাংবাদিকদের পাশে থেকে আমরা কাজ করেছি। সাংবাদিকদের আর্থিক, সামাজিক ও পেশাগত নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আমরা কাজ করে যাচ্ছি। সামনে বিএমএসএফ আরও বড় পরিসরে, আরও শক্তিশালী ঐক্যবদ্ধ হয়ে সাংবাদিকদের কল্যাণে কাজ করবে।”

    বিএমএসএফ-এর ভবিষ্যৎ অঙ্গীকার ও পরিকল্পনা, সাংবাদিক সুরক্ষা আইন প্রণয়নের দাবিতে সরকারের প্রতি চাপ সৃষ্টি, মফস্বল সাংবাদিকদের জন্য নিয়োগ ও বেতন কাঠামো নিশ্চিতকরণ, নির্যাতিত সাংবাদিকদের জন্য তহবিল ও আইনি সহায়তা, সাংবাদিকদের সন্তানদের জন্য শিক্ষাবৃত্তি ও প্রশিক্ষণ কর্মসূচি, ৮ বিভাগে সাংবাদিক প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপন, স্বাস্থ্যসেবা ও সামাজিক নিরাপত্তা সুবিধা বাস্তবায়ন, সাংবাদিকদের মর্যাদা ও অধিকার রক্ষায় দেশে-বিদেশে সোচ্চার কণ্ঠে আওয়াজ তোলার আহবান জানানো হয়।

    বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরাম (বিএমএসএফ) বিশ্বাস করে, প্রান্তিক সাংবাদিকদের মর্যাদা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত না হলে গণতন্ত্র ও সংবাদপত্রের স্বাধীনতা স্থায়ী হতে পারে না। তাই সংগঠনটি অতীতের মতো আগামীতেও সাংবাদিকদের পাশে থেকে সব ধরনের আন্দোলন ও নীতিনির্ধারণী কর্মকাণ্ডে অগ্রণী ভূমিকা পালন করবে।

  • রাজশাহী – চাঁপাইনবাবগঞ্জ সড়কের বিদিরপুর – প্রে-মতলীতে  সামান্য বৃষ্টিতে হাটু পরিমান পানি

    রাজশাহী – চাঁপাইনবাবগঞ্জ সড়কের বিদিরপুর – প্রে-মতলীতে সামান্য বৃষ্টিতে হাটু পরিমান পানি

    রাজশাহী থেকে মোঃ হায়দার আলীঃ রাজশাহী – চাঁপাইনবাবগঞ্জ ভিতর পাস (পুরাতন সড়কের) বিদিরপুর – প্রেমতলী রাস্তায় সামান্য বৃষ্টিতে হাটুপরিমান পানি জমে থেকে । প্রেমতলী বাজার থেকে প্রেমতলী হাসপাতাল পর্যন্ত রাস্তার উপর দিয়ে পানি গড়ার কারণে কয়েকটি স্থানে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। মানুষ হালকা ভারী যানবাহন মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় চলাচল করছেন। প্রতিনিয়ত ঘটছে ছোট বড় দুর্ঘটনা।

    বিদিরপুর – প্রেমতলী সড়কের পানি নিষ্কাশনের ভাল ব্যবস্থা না থাকায়, বালির ভারী ড্রাম ট্রাক চলার কারণে রাস্তার বেহালদশা সৃষ্টি হয়েছে।
    হাটুপরিমান পানির উপর দিয়ে ঝুকি নিয়ে চলছে আটো রিকসা, ভ্যান, মাইক্রো, বালির ট্রাকসহ বিভিন্ন ধরণের যানবাহন।

    উপজেলার মাটিকাটা ইউনিয়নের প্রেমতলী হাসপাতালের পাঁকা রাস্তাটি বৃষ্টির পানিতে ভেঙ্গে গেছে। ফলে বিপাকে বিভিন্ন এলাকার কয়েক হাজার মানুষ। প্রেমতলী হাসপাতাল, গৌরঙ্গবাড়ী মন্দির, প্রেমতলী বালিকা বিদ্যালয় যাওয়ার একমাত্র রাস্তাটি এখন চলাচলের জন্য অযোগ্য হয়ে পড়েছে। একমাত্র এ সড়কটি ব্যবহার করে ছাত্র-ছাত্রী, ডাক্তার, রোগি, শিক্ষসহ হাজার হাজার সাধারণ মানুষ যাতায়াত করেন। এলাকাবাসী জানান, ডাক্তার, রোগি, শিক্ষার্থী, শিক্ষক, ব্যবসায়ী, কৃষক, কৃষি শ্রমিক, কামার, কুমার জেলে ভ্যান ও টেম্পু চালকসহ সাধারন মানুষ এখন সীমাহীন দুর্ভোগের শিকার হচ্ছে, প্রতিদিন ছোট বড় দুর্ঘটনা ঘটছে।

    শেখের পাড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ কামরুজ্জামান বিদ্যুতৎ জানান, বিদিরপুর – প্রেমতলী পর্যন্ত সড়ক উপর সামান্য বৃষ্টিতে হাটুপরিমান পানি জমে। আমাদের স্কুলের সামনে একই অবস্থা স্কুল, কলেজ মাদ্রাসার শ শ শিক্ষক, শিক্ষার্থীদের বড় সমস্যার সৃষ্টি হচ্ছে। যানবাহনের কাঁদাময় ছিটানো পানিতে শিক্ষার্থী, শিক্ষক পথচারীদের পোশাক পরিচ্ছেদ নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে না এসে ফিরে যেতে বাধ্য হচ্ছেন। এ ছাড়া রোগি ও সাধারণ মানুষ দারুন আতঙ্কিত হয়ে চলাচল করেন। ছোট খাট দুর্ঘটনা লেগেই থাকে। সকলের অসুবিধার কথা বিবেচনা করে দ্রুততম সময়ের মধ্যে রাস্তাটি মেরামতসহ পানি নিস্কাশনে জোরদাবী জানাচ্ছি।

    উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ মোহাম্মদ হাসানুল জাহিদ বলেন, প্রবল বৃষ্টির পনি রাস্তার উপর দিয়ে চলার কারনে রাস্তাটি ভেঙ্গে গেছে, বিষয়টি গোদাগাড়ী উপজেলা প্রকৌশলীকে অবহিত করা হয়েছে। দ্রুত মেরামতের ব্যবস্থা গ্রহন করা কথা বলেছেন।

    গোদাগাড়ী উপজেলা প্রকৌশলী মোঃ মুনসুর রহমানের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, রাস্তা পরিদর্শনে লোক গেছে। আসলে কিভাবে মেরামত করা যায় দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে ইনসাল্লাহ।

    মাটিকাটা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও আওয়ামীলীগ নেতা সোহেল রানার সাথে একাধিক বার যোগাযোগ করে মোবাইল রিসিভ না করায় বক্তব্য পাওয়া যায় নি।

    এদিকে উপজেলার মোহনপুর ইউনিয়নের পালশা গ্রামের রাস্তাটি সামান্য বৃষ্টিতে রাস্তায় জমে হাটু পরিমান পানি। বৃষ্টি কৃষি কাজের জন্য উপকারী, জনজীবনে স্বস্তি দিলেও কিছু জায়গায় তৈরি করে জনদুর্ভোগ। যদিও এর দায় বৃষ্টির নয়, মানুষের। স্বস্তির বৃষ্টি উপজেলার মোহনপুর ইউনিয়নের পালশা গ্রামের মানুষের দুর্ভোগ কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

    ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, এসব গ্রামের বাসিন্দাদের যাতায়াত করার প্রধান রাস্তা বৃষ্টি শুরু হলে বর্ষাকালে হাঁটাচলার অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। এ রাস্তা দিয়ে যানবাহন, ভ্যান, সাইকেল, বাইক, মানুষ, শিক্ষার্থীগণ ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে। এলাকাবাসী জানান এ রাস্তা পাঁকা করার জন্য মোহনপুর ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ খাইরুল ইসলাম, সাবেক এমপি ওমর ফারুক চৌধুরী নিকট অনেকবার যোগাযোগ করেছেন এবং প্রতিশ্রুতিও দিয়েছিলেন কিন্তু কাজের কাজ কিছুই হয় নি। ফলে জনগনের কষ্টের সীমা নেই। এলাকাবাসী আরও জানান, স্বাধীনতার পর থেকে এখন পর্যন্ত শুধু প্রতিশ্রুতিতেই সীমাবদ্ধ রয়েছে, বাস্তবে উন্নয়নের ছোঁয়া লাগে নি রাস্তাটিতে।

    এ ব্যাপারে মোহনপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও আওয়ামীলীগ নেতা মোঃ খাইরুল ইসলামের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান আগামীতে রাস্তা প্রথমে এইচবিবি করে দেয়া হবে সমস্যার হবে ইনসাল্লাহ।

    এলাকার শিক্ষক আতাউর রহমান বলেন, দেশের যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন হলেও এ রাস্তায় কোন উন্নয়নের ছোঁয়া লাগে নি। উন্নয়ন বৈষম্যের স্বীকার গ্রামের মানুষ। যাতায়াত করার প্রধান রাস্তা বৃষ্টি শুরু হলে বর্ষাকালে হাঁটাচলার অনুপযোগী হয়ে ওঠে। রাস্তায় জমে হাটুপরিমান পানি ও কাঁদা। রাস্তাটি দ্রুত সংস্কারের জন্য উদ্ধোর্তন কতৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।

    এ দিকে উপজেলার গোদাগাড়ী ইউনিয়নের, ৬ নাম্বার ওয়ার্ড (ধনঞ্জয়পুর) পাহাড়পুর থেকে সাফিনা পার্ক সংযোগ সড়ক সড়কের বেহালদশা এমনভাবে কাঁদাময় হয়েছে যেন ধান রোপন করা যাবে। সাফিনা পার্ক দেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ বিনোদন কেন্দ্র যেখানে প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ শ শ গাড়ীতে দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে আসেন। সেই রাস্তা এমন অবস্থান দেখে সবাই অবাক। স্থানীয়দের অভিযোগ, বছরের পর বছর রাস্তা নির্মান ও সংস্কার কাজ না করায় এ অবস্থা সৃষ্টি হয়েছে। সংশ্লিষ্ট ইউপি চেয়ারম্যান ও আওয়ামীলীগ নেতা মাসুদুল গনি মাসুদের দিকে আঙ্গুল তুলছেন এলাকাবাসী।

    দীর্ঘদিন সংস্কারের কাজ হাতে না নেয়ার ব্যপারে সংশ্লিষ্ট চেয়ারম্যান ও আওয়ামীলীগ নেতা মাসুদুল গনি মাসুদের সাথে একাধিকবার মোবাইলে যোগাযোগ করা তিনি রিসিভ করেন নি তাই বক্তব্য পাওয়া সম্ভাব হয় নি।

    নাম প্রকাশ না করা শর্তে একজন সহকারী শিক্ষক বলেন, চেয়ারম্যান মাসুদ সাহেব সবসময়ই এমপি ফারুক চৌধুরীর সাথে সুসম্পর্ক করে লুটপাটে ব্যস্ত ছিলেন এখন পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। রাস্তা নির্মান না হলেও তার পকেট ঠিকই মোটা হয়েছে। সাধারণ মানুষ, ছাত্রছাত্রী কাদার মধ্যে দিয়ে পরীক্ষা দিয়ে যাচ্ছে। মানুষের কষ্টের শেষ নেই। অবিলম্ব রাস্তাটি ঠিক করা জরুরী।

    মোঃ হায়দার আলী
    নিজস্ব প্রতিবেদক
    রাজশাহী