Author: desk

  • মোংলায় শিক্ষার আলো ছড়াতে কোস্ট গার্ডের শিক্ষা সামগ্রী বিতরণ

    মোংলায় শিক্ষার আলো ছড়াতে কোস্ট গার্ডের শিক্ষা সামগ্রী বিতরণ

    শেখ তৈয়ব আলী খুলনা।

    রবিবার ০৩ আগস্ট ২০২৫ বিকালে মোংলায় শিক্ষার আলো ছড়াতে কোস্ট গার্ডের শিক্ষা সামগ্রী বিতরণ করেন,বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সিয়াম-উল-হক এ তথ্য জানান।

    তিনি বলেন, প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড উপকূল ও নদী তীরবর্তী অঞ্চলে দুর্যোগ মোকাবিলা এবং আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে সুবিধাবঞ্চিত, অসহায় ও ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের বিভিন্ন প্রয়োজনে এগিয়ে এসেছে।

    এরই ধারাবাহিকতায়, আজ ৩ আগস্ট ২০২৫ তারিখ সকাল ১১০০ ঘটিকায় কোস্ট গার্ড পশ্চিম জোনের উদ্যোগে বাগেরহাট জেলার মোংলা উপজেলার জয়মনি এলাকায় তিনটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের মাঝে বিভিন্ন শিক্ষা উপকরণ বিতরণ করা হয়।

    এ সময় জয়মনি মাধ্যমিক বিদ্যালয়, জয়মনিরঘোল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং জয়মনিরঘোল দারুসসুন্নাত স্বতন্ত্র এবতেদায়ী ও হাফিজিয়া মাদ্রাসায় মোট ২০০ জন শিক্ষার্থীর মাঝে শিক্ষা উপকরণ হিসেবে খাতা, কলম, স্কেল, পেন্সিল, ইরেজার এবং পেন্সিল কাটার বিতরণ করা হয়।

    তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের এ ধরনের মানবিক ও জনকল্যাণমূলক উদ্যোগ ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

  • উজিরপুর উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন শাহিন হাওলাদার

    উজিরপুর উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন শাহিন হাওলাদার

    বিশেষ প্রতিনিধি ।। বরিশাল জেলার উজিরপুর উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন মোঃ শাহিন হাওলাদার। এছাড়া তিনি দীর্ঘদিন ধরে সুনামের সাথে উজিরপুর উপজেলার গুঠিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতির দায়িত্ব পালন করে আসছে।

    শুক্রবার (১ আগষ্ট) উজিরপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি এস সরফুদ্দিন আহমেদ সান্টু ও সাধারণ সম্পাদক মোঃ হুমায়ুন খান সাক্ষরিত প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে মোঃ শাহিন হাওলাদারকে উজিরপুর উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদে নির্বাচিত করে ঘোষণা দেয়া হয়েছে।

    এদিকে নবনির্বাচিত উজিরপুর উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোঃ শাহিন হাওলাদারকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন উজিরপুর উপজেলা বিএনপির অঙ্গ সংগঠনের নেতা-কর্মী সহ বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন।

    উল্লেখ্য মোঃ শাহিন হাওলাদার বিগত ১৭ বছরে বহু মিথ্যা মামলা,হামলা ও বহুবার নির্যাতনের শিকার হয়েও জাতীয়তাবাদী শক্তি বিএনপি ও তার অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের পাশে থেকে নেতৃত্ব দিয়ে দলকে এগিয়ে নিয়েছেন।

  • সুজানগরে পাট জা-গ দেওয়া নিয়ে বি-পাকে কৃষক

    সুজানগরে পাট জা-গ দেওয়া নিয়ে বি-পাকে কৃষক

    এম এ আলিম রিপন,সুজানগরঃ পাবনার সুজানগর উপজেলার ঐতিহ্যবাহী গাজনার বিল, স্থানীয় পুকুর ও ডোবায় তেমন পানি নেই। আবার অনেক পুকুরে ও জলাশয়ে কিছু পানি থাকলেও মাছ চাষ করার কারণে সেখানে পাট জাগ দিতে পারছেন না কৃষক ফলে এবার পাটের ভালো ফলন হলেও পানি অভাবে সোনালী অঁাশ নিয়ে বিপাকে পড়েছেন কৃষকেরা। ক্ষেতেই পাট ফেলে রেখেছেন অনেক কৃষক।
    জানা গেছে, সুজানগর উপজেলা পাট উৎপাদনে অন্যতম। গুনে-মানে আছে সুখ্যাতি। সঠিকভাবে পাট পচাতে না পারলে অঁাশের মানও এবার নিম্নমুখীর শঙ্কা আছে। কৃষকরা জানান, প্রতি বিঘায় পাট চাষে কমপক্ষে ৯-১০ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। ফলন যদি ভালো হয় তাহলে প্রতি বিঘায় ৯-১০ মণ পাটের ফলন পাওয়া যায়। তবে এতো সমস্যার পর যদি কাঙ্ক্ষিত দাম না মেলে তাহলে মাথায় হাত। এজন্য কৃষকেরা উপজেলার বাদাই সুইসগেট খুলে দেবার দাবি জানান সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের নিকট।
    কৃষি বিভাগ বলছে, পাট পচানোর পানির অভাবে এবার চাষিরা বিপাকে পড়েছেন। চাষিদের রিবন রেটিং পদ্ধতিতে পাটের অঁাশ ছাড়ানোর পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। চাষিদের এ বিষয়ে পরামর্শ ও সার্বিক সহযোগিতা করা হচ্ছে।
    উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায়, চাষিরা পাট কেটে জমির পাশে বা রাস্তার ধারে, খাল-বিল বা জলাশয়ের পাশে স্তূপ করে রেখেছেন। কেউ আবার অল্প পানিতেই পাটের ওপর মাটি চাপা দিয়ে পাট জাগ দেওয়ার চেষ্টা করছেন। উপজেলার শত শত কৃষক পাট জাগ দেওয়ার জন্য পর্যাপ্ত পানি পাচ্ছেন না। ফলে অনেকের পাট এখনো ক্ষেতেই। কেউ কেউ পুকুর, খাল কিংবা পঁাচ-সাত কিলোমিটার দূরে খাল-নদীতে নিয়ে পাট জাগ দিচ্ছেন।অনেকে আবার মাটি গর্ত করে, পুকুরে-রাস্তার খাদে স্যালোমেশিন দিয়ে পানি জমিয়ে পাট জাগ দিচ্ছেন। এতে কষ্ট ছাড়াও অতিরিক্ত খরচ বাড়ছে পাটচাষিদের।উপজেলার হাটখালী ইউনিয়নের কৃষক আব্দুল জব্বার বলেন,পাট কেটে কোথায় জাগ দেবো। বেশি দামে শ্রমিক নিয়ে ভ্যান ও নসিমনে প্রায় পঁাচ কিলোমিটার দূরে নিয়ে রাস্তার পাশে খাদের পানিতে নিয়ে পাট জাগ দিতে হচ্ছে। এবার পাট কাটতে গত বছরের তুলনায় শ্রমিক খরচ বেশি হয়েছে।
    পোড়াডাঙ্গা গ্রামের কৃষক শরিফুল বলেন, আড়াই বিঘা জমির পাট কেটে নানা জায়গায় জাগ দিয়েছি। সোনালি অঁাশের পাট যেন আমাদের গলার ফঁাসে পরিণত হয়েছে।দূর্গাপুর গ্রামের পাটচাষি কামরুজ্জামান বলেন, পাট কাটার সময় হলেও জাগ দেওয়ার সমস্যায় পাট কাটতে পারছি না। কাদোয়া গ্রামের বাসিন্দা আব্দুল আওয়াল বলেন, সারের মূল্য বৃদ্ধিতে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার শ্রমিকের মজুরিও বেশি। কোথাও পানি নেই। পাট জাগ দেওয়া নিয়ে দুশ্চিন্তায় দিন কাটাতে হচ্ছে। এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার কৃষিবিদ জাহিদ হোসেন রবিবার জানান, উপজেলায় এবার ৯ হাজার ৪০৫ হেক্টর জমিতে পাটের আবাদ হয়েছে। এবারে লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি পাট চাষ করেছেন কৃষকরা। পানির অভাবে পাট জাগ দিতে কৃষকের কষ্ট হচ্ছে। পানির অভাবে চাষিরা বিপাকে পড়েছেন এটা ঠিক। আমরা চাষিদের রিবন রেটিং পদ্ধতিতে পাটের অঁাশ ছাড়ানোর পরামর্শ দিচ্ছি। এ পদ্ধতিতে পাট পচালে অঁাশের মান ভালো থাকে। এছাড়া উপজেলার বাদাই সুইসগেট খুলে দিলে গাজনার বিলে পর্যাপ্ত পানি প্রবেশ করলে পানির এ সংকট কেটে উঠা সম্ভব বলেও জানান তিনি।

    এম এ আলিম রিপন
    সুজানগর প্রতিনিধি।

  • আশুলিয়া থানায় (ওসি) আব্দুল হান্নান মাইকিং করে ঘোষ-ণা শী-র্ষ সন্ত্রা-সীসহ প্রায় ৭০জন গ্রে-ফতার

    আশুলিয়া থানায় (ওসি) আব্দুল হান্নান মাইকিং করে ঘোষ-ণা শী-র্ষ সন্ত্রা-সীসহ প্রায় ৭০জন গ্রে-ফতার

    হেলাল শেখঃ ঢাকা জেলার আশুলিয়া থানায় নবনিযুক্ত অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুল হান্নান যোগদানের পর মাইকিং করে বেশ কয়েকজন শীর্ষ সন্ত্রাসীসহ প্রায় ৭০জনকে গ্রেফতার করেছেন বলে তথ্য পাওয়া গেছে। গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে চাঁদাবাজ শীর্ষ সন্ত্রাসী মুন্নাকে অস্ত্রসহ গ্রেফতার, আশুলিয়ার জামগড়া এলাকার ওয়াহেদ মোল্লার ছেলে মাদক কারবারি ও ৫ আগষ্ট ২০২৪ সালে ছাত্র-জনতা হত্যা মামলার আসামী শীর্ষ সন্ত্রাসী শরিফুল ইসলাম মোল্লাকে গ্রেফতার করেন ওসি আব্দুল হান্নানের নেতৃত্বে (এসআই) মাসুদ আল মামুন এর সঙ্গীয় ফোর্স। এরকম প্রায় ৭০জনকে বিভিন্ন স্থান থেকে গ্রেফতার করা হয়। আশুলিয়ায় অপরাধ দমনে আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সফল অভিযানে অপরাধী আটক হলেও বেশিরভাগ অপরাধীরা ভারতসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় পলাতক থাকায় তারা ধরাছোঁয়ার বাইরেই রয়েছে।
    রবিবার (৩ আগষ্ট ২০২৫ইং) তারিখ শীর্ষ সন্ত্রাসী শরিফুল ইসলাম মোল্লাকে গ্রেফতারের বিষয়ে নিশ্চিত করে বলেন, রাষ্ট্র অপরাধীদের সাথে কোনো আপোষ করে না। সম্প্রতি গ্রেফতার হওয়া উল্লেখযোগ্য নামগুলো হলো-শ্যুটার বাপ্পি ও তার দুই সহযোগীসহ তিনটি বিদেশী পিস্তল, বিপুল পরিমাণ গুলি ম্যাগজিনসহ গ্রেফতার হয়েছে। আশুলিয়ার জামগড়া এলাকার অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী শামীম শেখ ওরফে মুন্না শেখসহ আরও বেশকিছু সন্ত্রাসীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। আশুলিয়ার বিভিন্ন এলাকায় পৃথক স্থান থেকে দেহব্যবসায়ী, জুয়ারি, মাদক কারবারি,চোর, ডাকাত, ছিনতাইকারী অস্ত্রধারী শীর্ষ সন্ত্রাসীদের গ্রেফতার ও অস্ত্র উদ্ধার করা হয়। ইতিপূর্বে গত ৫ আগষ্ট ২০২৪ইং হতে বিভিন্ন ভাবে দায়িত্বে অবহেলা অনিয়ম দুর্নীতির কারণে ৫জন ওসি ও একন তদন্ত ওসি বাধ্যতামূলক ভাবে ক্লোজ বা বদলি হয়েছে। সূত্র জানায়, আশুলিয়া থানার সাবেক ওসিদের থেকে বর্তমান ওসি আব্দুল হান্নান সততা ও সাহসী ভুমিকায় দায়িত্ব পালন করছেন। আগের ওসিদের মধ্যে একাধিকওসি সাধারণ জনগণের সাথে তেমন কথা বলতে দেখা যায়নি। তবে ওসি আব্দুল হান্নান সাধারণ মানুষের পছন্দের একজন মানবিক মানুষ।
    জানা গেছে, ঢাকা জেলার আশুলিয়া থানার ভাইরাল ওসি ডাবলু বিদায়ের পর আশুলিয়া থানায় আসার দেড় মাসের মাথায় (ওসি) সোহরাব আল হোসাইন ক্লোজ হোন। এরপর নবনিযুক্ত আশুলিা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুল হান্নান সাহেব আসছেন। গত ৫ আগষ্ট থেকে ১০ মাসে ৫জন ওসি ক্লোজ বা বদলির ঘটনা সারাদেশে আশুলিয়া থানা আলোচিত। বর্তমান পরিস্থিতিতে আশুলিয়া থানা ওসি’র দায়িত্ব পালন করা অনেক কঠিন তার কারণ, এখানে একটি মহলের সুবিদামতো ওসি কাজ না করলে বিভিন্ন অভিযোগে সেই ওসিকে ক্লোজ বা বদলি করানো হইতো, তবে কিছু (এসআই) বা পুলিশ সদস্য মামলা বাণিজ্যসহ অনিয়ম ও দায়িত্বে অবহেলা করার কারণে ওসি’র জবাবদিহিতা করতে হয়। সেই সাথে ভুয়া বাদির ভুয়া মামলার কারণেও থানা পুলিশের বদনাম হয়। সবকিছু মিলিয়ে আশুলিয়ায় পুলিশ ও সাংবাদিকদের কাজে বাঁধা সৃষ্টি করছে একটি মহল। এবার বেড়িয়ে আসছে থলের বিড়াল।
    বাংলাদেশ পুলিশ ও সাংবাদিকদের কাজে বাঁধা সৃষ্টিকারীদের দ্রুত আটক করে আইনের আওতায় আনার দাবী জানিয়েছেন এশিয়ান টিভি’র স্টাফ রিপোর্টার জহিরুল ইসলাম খান (লিটন), সাবেক সাধারণ সম্পাদক আশুলিয়া প্রেসক্লাব, আশুলিয়া সাংবাদিক সমন্বয় ক্লাবের সভাপতি ও আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সাংবাদিক সংস্থার ঢাকা বিভাগের সাংগঠনিক সম্পাদক সাইফুল ইসলাম জয় (হেলাল শেখ) ও আশুলিয়া রিপোর্টার্স ক্লাবের সভাপতি এম. এ হান্নান চৌধুরী এবং বিভিন্ন ক্লাবের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ।
    জানা গেছে, ঢাকার আশুলিয়ার শ্রমিক নেতা মিজানুর রহমান মিজান ও জাহাঙ্গীর শ্রমিক নেতা কতর্ৃক চাঁদাবাজির বিষয়ে জানতে গিয়ে সাংবাদিক সাব্বির ও সাংবাদিক রাসেলকে প্রাণনাশের হুমকি প্রধান করে। আশুলিয়ায় গত (৭ মার্চ ২০২৫ইং) সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে হেনস্তার শিকার হোন ২ সাংবাদিক। অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, আশুলিয়ার ক্রাইম জোন এলাকা রূপায়ন মাঠের পাশে পাবনারটেক এলাকায় শুক্রবার দুপুরে একটি ঝুটের গোডাউনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে মাই টিভি’র জার্নালিস্ট হাফিজুর রহমান ও দৈনিক ভোরের পাতা পত্রিকার স্টাফ রিপোর্টার জাহিদুল ইসলাম অনিককে পেশাগত কাজে বাঁধা সৃষ্টি ও হেনস্তা করার অভিযোগ রয়েছে স্থানীয় ঝুট ব্যবসায়ী নুর আলম ও তাদের লোকজনের বিরুদ্ধে। বাংলাদেশের অতি গুরুত্বপূর্ণ এলাকা ঢাকা জেলার আশুলিয়া থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ মনিরুল হক ডাবলু’কে নিয়ে একটি মহল ষড়যন্ত্র করে তার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালিয়ে তার কাজে বাঁধা সৃষ্টি করে। তিনি বাংলাদেশ পুলিশ এসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক, তিনি আশুলিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ হিসেবে কাগজে কলমে এক মাস থাকলেও কাজে যোগদান করতে পারেননি বা কাজ করেননি কিন্তু প্রায় এক মাস থানায় তাকে দেখা যায়নি, আশুলিয়া থানায় এরপর ওসি সোহরাব আল হোসাইন যোগদান করার খবর পুলিশ সূত্রে নিশ্চিত হওয়া যায় ২১ এপ্রিল ২০২৫ইং তারিখে। এরপর কিছুদিন আগে নতুন ওসি আব্দুল হান্নান সাহেব যোগদান করেছেন আশুলিয়া থানায়, বর্তমানে তিনি সততা ও সাহসী ভুমিকায় দায়িত্ব পালন করছেন।
    জানা যায়, আশুলিয়া থানার ১১ মাসের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস- এর আগে গত (৩ মার্চ ২০২৫ইং) দুপুর ২টার দিকে আশুলিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) হিসেবে যোগদান করেন মোহাম্মদ মানিরুল হক ডাবলু। এ সময় থানার কর্মরত (এসআই) অফিসারগণ তাকে ফুল দিয়ে বরণ করে নেন। ওসি থানায় আসার পূর্বে অনেকেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অভিনন্দন জানানো শুরু করেন, এরপর থানায় ওসি’র দায়িত্ব নিতেই বিভিন্ন ফেসবুক আইডি থেকে অপপ্রচার শুরু হয়। সেই সত্যতা জানতে চেষ্টা করেন গণমাধ্যম কর্মীরা। কেউ দাবী করেন যে, এই ওসি ছাত্রলীগ করতেন, কেউ দাবী করেন যে, তিনি ছাত্রদল করতেন, মুহুর্তের মধ্যে তিনি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ভাইরাল হয়ে যান। জাতি জানতে চায় কে এই মনিরুল হক ডাবলু ওসি? সে যেখান থেকেই আসুক না কেন তিনি বাংলাদেশ সরকারের নিয়োগপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তা-একটি থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) তার ইতিহাস অনেক লম্বা কাহিনী।
    সূত্র জানায়, মোহাম্মদ মনিরুল হক ডাবলু ১৯৭৮সালে ফরিদপুর-রাজবাড়ী জেলার গোয়ালন্দ থানার বাহাদুরপুর গ্রামের সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন, তিনি মরহুম আঃ জলিল শেখের ছেলে, তিন ভাই ও দুই বোনের মধ্যে ডাবলু কনিষ্ঠ। মনিরুল হক ডাবলুর বড় ভাই জিয়াউল হক বাবলু বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক, মেজ ভাই জহিরুল হক লাভলু বাংলাদেশ জাতীয় যাদুঘর এর প্রশাসনিক কর্মকর্তা, তিনি বাংলাদেশ জাতীয় যাদুঘর ইউনিয়নের বার বার নির্বাচিত সফল সভাপতি। এবার আসি মোহাম্মদ মনিরুল হক ডাবলু কেমন মানুষ, ছোট বেলা থেকে স্কুলে সবার প্রিয় ভালো ছাত্র ছিলেন, সর্বশেষ শিক্ষাজীবন শেষ করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর পাসের মধ্য দিয়ে। এরপর বাংলাদেশ পুলিশে যোগদান করেন অফিসার হিসেবে। এর আগেও তিনি আশুলিয়া থানায় চাকরি করেছেন, তখন শেখ রিজাউল হক দিপু আশুলিয়া থানার ওসি ছিলেন। তিনি বর্তমানে বাংলাদেশ পুলিশ এসোসিয়েশনের নবনির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক। ২০০৫ সালে বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীতে যোগদান করেন মনিরুল হক ডাবলু।বিশেষ করে গত (৩ মার্চ ২০২৫ইং) তারিখে মনিরুল হক ডাবলু ওসি হিসেবে আশুলিয়া থানায় যোগদানের পর থেকে একটি প্রত্যায়নপত্র সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ভাইরাল হয়েছে। এ ছাড়াও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় হাজী মুহাম্মদ মুসলিম হলের একটি কমিটির যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক পদের একটি প্রত্যায়নপত্রও ভাইরাল হয়। এই পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনী ও বিভিন্ন মহলে প্রশ্ন: কে এই ওসি ডাবলু? তখন এই দুইটি প্রত্যায়নপত্রের সত্যতা নিশ্চিত করতে অনুসন্ধানে নামে গণমাধ্যম কর্মীরা। উক্ত বিষয়ে প্রথমেই ছাত্রলীগের কর্মী দবিকৃত প্রত্যায়নপত্রের সত্যতা নিশ্চিত করতে নারায়নগঞ্জের আড়াইহাজারের সাবেক এমপি সংসদ সদস্যের সাথে নানা ভাবে যোগাযোগ করা হলে তাকে পাওয়া যায়নি। নারায়নগঞ্জের আড়াইহাজারের এমপি নজরুল ইসলাম বাবুর নামের বানান, দুই জায়গায় দুইরকম, (ছাপানো অক্ষরে লেখা মোঃ নজরুল ইসলাম বাবু, সিলে লেখা আলহাজ্ব নজরুল ইসলাম বাবু, যা খুবই নিম্নমানের, কোনো এমপি এমন মানের সিল ব্যবহার করার কথা নয়। এরপর ছাত্রদলের যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক দাবি করা প্রত্যায়নপত্রের অনুসন্ধান শুরু করলে বিএনপি’র কেন্দ্রীয় অফিসের পিয়ন সুমন নামের একজন ব্যক্তি আশুলিয়া থানায় এসে বলেন যে,ওসি মনিরুল হক ডাবলু নাকি ছাত্রলীগ করতেন তার তদন্ত করতে আসছেন সুমন নামের একজন, এসময় গণমাধ্যম কর্মীরা প্রশ্ন করলে ওই সুমন নামের ব্যক্তি বিপাকে পড়েন, তখন ওসি ডাবলু তার কক্ষে চেয়ারে বসে থাকতে দেখা যায়।
    অন্যদিকে গণমাধ্যম কর্মী পরিচয়ে মনিরুল হক ডাবলু’র রাজনৈতিক পরিচয় জানতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় হাজী মুহাম্মদ মুসলিম হলের সভাপতি একে এম মেজবাহ উদ্দিনের সাথে যোগাযোগ করা হলে তাকে পাওয়া যায়নি, তবে অনেকেই জানান, ডাবলু ভাই হল কমিটিতে যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। আমরা একসাথে রাজনীতি করেছি, তখন সুলতান সালাউদ্দিন টুকু ভাই, ডাবলু ভাই ও আমরা এক সাথে রাজনীতি করছি। ২০০১ সালে মহসিন হলের দখলে ছিলো ছাত্রলীগের শফিকরা। তখন ডাবলু আনিস, হিরু আমরা একসাথে ছাত্রদলের রাজনীতি করেছি। আওয়ামী লীগের এক সংসদ সদস্যের প্রত্যায়নপত্রের বিষয়ে তারা বলেন, এসব ভুয়া। ৫ আগষ্টে গণহত্যার ঘটনায় ভুয়া বাদী সেজে একাধিক মামলা করে সায়েব আলী জলিলসহ আরো অনেকে, তারা পুলিশ ও সাংবাদিকদের কাজে বাধা সৃষ্টিকারী, তাদেরকেও আটক করে আইনের আওতায় আনার দাবী সবার। আশুলিয়া থানায় ওসি আসলেই ফেসবুকে অপপ্রচার শুরু করা হয় কেন জাতি জানতে চায়। এই অপপ্রচারকারী যেইহোক না কেন তাদেরকে আটক করে আইনের আওতায় আনার দাবী জানান সচেতন মহল।এদিকে রাজবাড়ীর মনিরুল হক ডাবলু পরিবারের রাজনৈতিক পরিচয় হলো তার বাবা মৃত আব্দুল জলিল মিয়া প্রথমে ফরিদপুর জেলার গোয়ালন্দ মহকুমা শাখার জাগ দলের ও পরে বিএনপি’র সদন্য ছিলেন, ডাবলু’র বড় ভাই মোঃ জিয়াউল হক বাবলু ছিলেন, গোয়ালন্দ পৌর বিএনপি’র সহ-সভাপতি ও গোয়ালন্দ উপজেলা শাখার জাসাস এর সাবেক সভাপতি। তার মেঝ ভাই মোঃ জহিরুল হক লাভলু গোয়ালন্দ উপজেলা জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি (১৯৯১-১৯৯৬ইং) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। উক্ত ব্যাপারে আশুলিয়া থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মনিরুল হক ডাবলু’র সাথে গণমাধ্যম কর্মীরা কথা বললে তিনি বিষয়টি নিয়ে লজ্জায় পড়েন আর কোনো বক্তব্য দেননি।
    আশুলিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুল হান্নান বলেন, আশুলিয়াবাসীর কাছে আমি সহযোগিতা চাই, আমি যেন সঠিকভাবে দায়িত্ব পালন করতে পারি। তিনি কয়েকদিন আগে মাইকিং করে ঘোষণা দেন অপরাধী যতই শক্তিশালী হোক না কেন তাদের স্থান জেলখানা, কারাগার। তিনি এই ঘোষণার প্রমান দিচ্ছেন এখন। এর আগে ডিবি পুলিশ ও র‍্যাব যাকে গ্রেফতার করেননি সেই আলোচিত মাদক কারবারি ও ৫ আগষ্টে ছাত্র-জনতা হত্যা মামলাসহ একাধিক মামলার আসামী শরিফুল ইসলাম মোল্লাকে গ্রেফতার করতে মাঠে নামেন পুলিশ। অবশেষে ওসি আব্দুল হান্নানের নেতৃত্বে সিনিয়র (এসআই) মাসুদ আল মামুন সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে জামগড়া এলাকা থেকে গ্রেফতার করেন।

  • তেঁতুলিয়ায় জুলাই গ-ণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষ্যে বিএনপির প্র-স্তুতি সভা অনুষ্ঠিত

    তেঁতুলিয়ায় জুলাই গ-ণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষ্যে বিএনপির প্র-স্তুতি সভা অনুষ্ঠিত

    মুহম্মদ তরিকুল ইসলাম, তেঁতুলিয়া (পঞ্চগড়) প্রতিনিধিঃ পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় আসন্ন জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস-২০২৫ যথাযোগ্য মর্যাদায় পালনের লক্ষ্যে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)’র প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    শনিবার (২ আগস্ট) সন্ধ্যায় উপজেলা বিএনপির দলীয় কার্যালয়ে এই প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়।

    উপজেলা বিএনপির সাধারন সম্পাদক ও সাবেক উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান রেজাউল করিম শাহিন এর সভাপতিত্বে উক্ত প্রস্তুতি মূলক সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা বিএনপির সভাপতি শাহাদৎ হোসেন রঞ্জু। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আবু সাঈদ মিয়া ও আবু বক্কর সিদ্দিক (কাবুল)।

    এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন, দেবনগড় ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মাসুদ রানা, বুড়াবুড়ি ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি বসির আলী, শালবাহান ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মতিয়ার রহমান সহ বিএনপি, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

    সভায় বক্তারা বলেন, ৫ আগস্ট গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার এক স্মরণীয় দিন। এ দিন ছাত্র-জনতার মিলিত প্রতিবাদ ও সংগ্রামের ফলেই একটি স্বৈরাচারী সরকারের পতন ঘটে। বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার এই দিনটিকে ‘গণঅভ্যুত্থান দিবস’ হিসেবে ঘোষণা করে জাতীয়ভাবে উদযাপনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

    বক্তারা আরও জানান, কেন্দ্রীয় কর্মসূচির সঙ্গে সঙ্গতি রেখে তেঁতুলিয়ায় গণতান্ত্রিক উপায়ে দিবসটি পালন করা হবে।

    এসময় উপজেলা বিএনপি সহ সকল অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

    মুহম্মদ তরিকুল ইসলাম।।

  • নড়াইলে পুলিশের বিশেষ অ-ভিযান আন্তঃজেলা ডা-কাত চ-ক্রের ৯ সদস্য আ-টক

    নড়াইলে পুলিশের বিশেষ অ-ভিযান আন্তঃজেলা ডা-কাত চ-ক্রের ৯ সদস্য আ-টক

    উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি:

    নড়াইলের লোহাগড়া পৌরসভার আলামুন্সির মোড় হতে আন্তঃজেলা ডাকাত চক্রের ৯ সদস্যকে আটক লোহাগড়া থানা পুলিশ। এ তাদের ব্যবহৃত ৭ মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়েছে। উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি জানান, শনিবার ২ রা আগষ্ট আনুমানিক রাত ২ ঘটিকার সময় গোপন তথ্যের ভিত্তিতে লোহাগড়া থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ শরিফুল ইসলাম নেতৃত্বে এস আই আবুল কালাম আজাদ ও এএসআই আবুল হোসেন সহ পুলিশের একটি চৌকস দল বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে তাদের আটক করে। তাদের কাছে থাকা সাতটি মোটরসাইকেল উদ্ধার করে লোহাগড়া থানায় আনা হয়।
    সঙ্ঘবদ্ধ ডাকাত চক্রের সদস্য হলো ইতনা ইউনিয়নের ইতনা গ্রামের আছাদ মোল্যার ছেলে তনু মোল্যা, পাংখারচর গ্রামের কাজি দিদারুল আলমের ছেলে কাজি অমিত ( নৌবাহিনীর চাকুরী চুত্য সদস্য),যশোর জেলার ঝিকরগাছা উপজেলার মুকুন্দপুর গ্রামের মোঃ শহিদুল ইসলামের ছেলে, শামীম রেজা, কুল্লা গ্রামের মৃত জিয়াউর রহমানের ছেলে, মোঃ শাওন রহমান,সোনাপুর গ্রামের মোঃ মোসলেম আলীর ছেলে, মোঃ হাফিজুর রহমান (চাকুরী চুত্য সেনা সদস্য), গোপালগঞ্জ জেলার কাশিয়ানি উপজেলার তারাইল গ্রামের মোঃ ফিরোজ হোসেনের ছেলে মোঃ আলামীন হোসেন,একই গ্রামের কালা মিয়া শেখের ছেলে মোকলেস শেখ,ঝিনেদাহ জেলার কালিগঞ্জ উপজেলার ঘোপপাড়া গ্রামের ওলিয়ার রহমানের ছেলে মোঃ মাসুদ রানা, ও একই গ্রামের আব্দুল মালেকের ছেলে মোঃ এজাজ আহম্মেদ (পুলিশ সদস্য) বর্তমান কর্মস্থল সাতক্ষীরা সদর থানার কাটিয়া পুলিশ ফাড়ি।
    এঘটনায় লোহাগড়া থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। যার নং২ তারিখ ২ আগস্ট ২০২৫।ধারা দন্ড বিধি ৩৯৯,৪০২ আদালতে প্রেরন করা হয়েছে।
    লোহাগড়া থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ শরিফুল ইসলাম বলেন,ডাকাত চক্রের ৯ সদস্যকে গ্রেফতার সহ ৭ টি মোটরসাইকেল উদ্ধার করে হয়েছে। তারা ডাকাতি করার উদ্দেশ্যে সকলে একত্রিত হয়ে ডাকাতির প্রস্তুতির সময় তাদের গ্রেফতার করা হয়। আইনের মাধ্যমে তাদের আদালতে প্রেরন করা হয়েছে। উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি।

  • নাগেশ্বরীতে ৪ কেজি গাঁ-জা ও ২৫ বোতল ইস্কা-ফসহ মা-দক কা-রবারি গ্রে-ফতার

    নাগেশ্বরীতে ৪ কেজি গাঁ-জা ও ২৫ বোতল ইস্কা-ফসহ মা-দক কা-রবারি গ্রে-ফতার

    কুড়িগ্রাম প্রতিনিধিঃ ০৩ আগস্ট ২০২৫ তারিখ রাত আনুমানিক ০২:৩০ ঘটিকায় কুড়িগ্রাম জেলার নাগেশ্বরী থানাধীন ০১ নং রামখানা ইউনিয়নের পশ্চিম রামখানা গোয়ালটারী এলাকায় মাদক বিরোধী বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে অফিসার ইনচার্জ নাগেশ্বরী থানা এর নেতৃত্বে একটি চৌকস টিম নাগেশ্বরী পশ্চিম রামখানা এলাকার মাদক কারবারি মোঃ আলী হোসেন (৩২) কে ০৪ কেজি গাঁজা ও ২৫ বোতল ইস্কাফ সহ হাতেনাতে গ্রেফতার করে। কুড়িগ্রাম জেলা পুলিশের মিডিয়া অফিসার ও ওসি ডিবি মোঃ বজলার রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন নাগেশ্বরী থানা পুলিশের একটি চৌকস টিম নাগেশ্বরী থানাধীন পশ্চিম রামখানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে ৪ কেজি গাঁজা ও ২৫ বোতল ইস্কাফ সহ একজন মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করেছে। উক্ত বিষয়ে কুড়িগ্রাম জেলার নাগেশ্বরী থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা রুজু প্রক্রিয়াধীন রয়েছে । কুড়িগ্রাম জেলায় মাদক নির্মূলে আমাদের এই অভিযান নিয়মিতভাবে অব্যহত থাকবে।

  • পাইকগাছার কপোতাক্ষ নদেভেসে আসা অ-জ্ঞাত লা-শ উ-দ্ধার – এলাকায় চাঞ্চ-ল্য

    পাইকগাছার কপোতাক্ষ নদেভেসে আসা অ-জ্ঞাত লা-শ উ-দ্ধার – এলাকায় চাঞ্চ-ল্য

    পাইকগাছা ( খুলনা ) প্রতিনিধি

    খুলনার পাইকগাছা উপজেলার চাঁদখালী ইউনিয়নের দেবদুয়ার এলাকায় কপোতাক্ষ নদ থেকে অজ্ঞাতপরিচয় এক ব্যক্তির লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

    রোববার (৩ আগস্ট) সকাল ১০টার দিকে স্থানীয়রা নদীতে ভাসতে থাকা লাশটি দেখতে পেয়ে থানা পুলিশকে খবর দেন।

    প্রত্যক্ষদর্শী ও এলাকাবাসীর ভাষ্য অনুযায়ী, দেবদুয়ার গ্রামের ধর্মপীরের মাজারসংলগ্ন নদীতে লাশটি প্রথমে চোখে পড়ে। লাশের মুখ ও বুক পানির নিচে থাকায় তাৎক্ষণিকভাবে পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি।

    খবর পেয়ে পাইকগাছা থানার ওসি মো. রিয়াদ মাহমুদের নেতৃত্বে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার তৎপরতা শুরু করে। ওসি জানান খবর পাওয়ার পরপরই আমরা ঘটনাস্থলে যাই। নৌ পুলিশকেও বিষয়টি জানানোর পর তাদের সহায়তায় লাশ উদ্ধার করা হয়।

    তিনি আরও বলেন, “মৃত ব্যক্তির বয়স আনুমানিক ৫৫ থেকে ৬০ বছর হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। নদীর প্রবাহ ও লাশের অবস্থান দেখে মনে হচ্ছে, এটি অন্য কোনো স্থান থেকে ভেসে এসেছে।”

    এদিকে, অজ্ঞাত লাশ উদ্ধারের ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে। অনেকেই এটিকে নিছক দুর্ঘটনা হিসেবে মানতে নারাজ। কেউ কেউ সন্দেহ করছেন, এটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ডও হতে পারে। তবে পুলিশ জানিয়েছে, ময়নাতদন্ত ছাড়া মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত করা সম্ভব নয়।

    পুলিশ আরও জানিয়েছে, লাশ ময়না তদন্তের জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হবে।

    ইমদাদুল হক
    পাইকগাছা,খুলনা।।

  • বগুড়ায় ‘তারুণ্যের উৎসব’ উপলক্ষে গাক-এর বৃক্ষ-রোপণ কর্মসূচি পালন

    বগুড়ায় ‘তারুণ্যের উৎসব’ উপলক্ষে গাক-এর বৃক্ষ-রোপণ কর্মসূচি পালন

    জি এম রাঙ্গা:

    বগুড়া: দেশের শীর্ষস্থানীয় ও জাতীয় পর্যায়ের বে-সরকারি উন্নয়ন সংস্থা গ্রাম উন্নয়ন কর্ম (গাক), তাদের সমৃদ্ধি কর্মসূচির আওতায় ‘তারুণ্যের উৎসব-২০২৫’ উপলক্ষে বগুড়ায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন করেছে। ৩ আগস্ট, বগুড়া জেলার গাবতলী ও সারিয়াকান্দি উপজেলায় এই কর্মসূচি বাস্তবায়িত হয়। কর্মসূচির অংশ হিসেবে, সমৃদ্ধি প্রকল্পের আওতায় থাকা সুবিধাভোগীদের মধ্যে ফলদ গাছের চারা বিতরণ করা হয়েছে। বিতরণকৃত চারাগুলোর মধ্যে কাঁঠাল এবং পেয়ারা গাছের চারা উল্লেখযোগ্য। এছাড়া, পরিবেশ সুরক্ষার বার্তা ছড়িয়ে দিতে দুটি উপজেলার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে গাছের চারা রোপণ করা হয়। বৃক্ষরোপণ ও চারা বিতরণ কর্মসূচিতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গাক-এর সহকারী পরিচালক মোঃ জিয়া উদ্দিন সরদার, যিনি এই কার্যক্রমের গুরুত্ব সম্পর্কে নানা দিকনির্দেশনা দেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন প্রকল্প সমন্বয়কারী মোঃ ইব্রাহিম আলী।

    এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন অপর প্রকল্প সমন্বয়কারী মোঃ সাদিকুল হাসান, সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, ইউপি সদস্য, প্রবীণ সদস্য, যুব প্রতিনিধি, শিক্ষক, শিক্ষার্থী, উপকারভোগী সদস্য, মিডিয়া কর্মী এবং তাদের অভিভাবকবৃন্দ। গাক কর্তৃপক্ষ আশা করছেন, এই ধরনের কর্মসূচি পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং ফলজ বৃক্ষরোপণে সাধারণ মানুষকে উৎসাহিত করবে

  • বানারীপাড়া উপজেলা জিয়া সাই-বার ফো-র্সের কমিটি গঠন

    বানারীপাড়া উপজেলা জিয়া সাই-বার ফো-র্সের কমিটি গঠন

    বানারীপাড়া প্রতিনিধি//
    বরিশালের বানারীপাড়ায় জাতীয়তাবাদী আদর্শের অনলাইন ভিত্তিক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন জিয়া সাইবার ফোর্সের কমিটি গঠন করা হয়েছে। বরিশাল জেলা জিয়া সাইবার ফোর্সের সভাপতি ওয়াসিম মৃধা ও সাধারণ সম্পাদক মোঃ সাইফুল ইসলাম এর স্বাক্ষরিত প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বানারীপাড়া উপজেলা জিয়া সাইবার ফোর্সের আহ্বায়ক মোঃ সাব্বির হোসেন ও মোঃ মফিজুল ইসলাম হাওলাদারকে সদস্য সচিব ১১ সদস্যের করে একটি কমিটি গঠন করা হয়। উক্ত কমিটিতে অন্যান্যরা হলো সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মেহেদী হাসান মিদুল,যুগ্ম আহ্বায়ক কাওসার বালী,তানভীর আহমেদ,মোঃ রাজু আহমেদ,মেহেদী হাসান অভি,উজ্জ্বল তালুকদার, মোঃ রবিউল ইসলাম এছাড়াও সদস্য ইসরাফিল মৃধা,শামীম হোসেন।কমিটি গঠনের ব্যপারে জেলা জিয়া সাইবার ফোর্সের সভাপতি ওয়াসিম মৃধা বলেন,বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপিকে নিয়ে পলাতক ও গুপ্ত সংগঠন গুলো মিথ্যা,বানোয়াট তথ্য দিয়ে মিডিয়া ট্রায়াল বা প্রোপাগান্ডা ছড়াচ্ছে।তাই দলীয় আদর্শ প্রচারকে আরো গতিশীল করতে জাতীয়তাবাদী আদর্শের অনলাইন ভিত্তিক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন জিয়া সাইবার ফোর্স কেন্দ্রীয় কমিটি তৃণমূল পর্যায়ে কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত নেন।সাথে বানারীপাড়া উপজেলার নব গঠিত কমিটির সাফল্য কামনা করছি। এদিকে বানারীপাড়া উপজেলা ও পৌর বিএনপিসহ সকল অঙ্গ সহযোগী সংগঠন,সামাজিক, রাজনৈতিক,সংস্কৃতিমনা সংগঠনের পক্ষ থেকে নব গঠিত কমিটিকে উষ্ণ অভিনন্দন জানিয়েছেন।