Author: desk

  • পাইকগাছায় ১৯ মাস পর পরিবারে ফিরলেন মা-নসিক ভা-রসাম্যহীন পারুল

    পাইকগাছায় ১৯ মাস পর পরিবারে ফিরলেন মা-নসিক ভা-রসাম্যহীন পারুল

    ইমদাদুল হক ,পাইকগাছা ( খুলনা ) ।

    অবশেষে দীর্ঘ ১৯ মাস পর পরিবারের কোলে ফিরে গেলেন মানসিক ভারসাম্যহীন পারুল আক্তার। সোমবার (৪ জুলাই) বিকাল ৪টার দিকে পাইকগাছা উপজেলা প্রশাসন ও সমাজসেবা কার্যালয়ের উদ্যোগে তাকে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়। পারুলের পিতার হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে তাকে তুলে দেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। তার বাড়ি বরগুনা জেলার বেতাগী উপজেলায়।

    পারুল আক্তার দীর্ঘদিন ধরে পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন অবস্থায় ছিলেন। উল্লেখ্য, গত ইং- ২৯ জুলাই মঙ্গলবার সকাল ১১টার দিকে পাইকগাছা পৌর সদরের মেইন রাস্তার পাশে মানসিক ভারসাম্যহীন অবস্থায় এক ফুটফুটে কন্যা সন্তানের জন্ম দেন পারুল আক্তার। পরে স্থানীয় চিকিৎসক ডা. আব্দুল হালিম তাৎক্ষণিকভাবে তাকে পাইকগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।

    ঘটনাটি জানতে পেরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহেরা নাজনীন, সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. ইফতেখারুল ইসলাম শামীম, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা অনাথ কুমার বিশ্বাস এবং উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা রেশমা আক্তার দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছে মা ও নবজাতকের সার্বিক খোঁজখবর নেন। এবং ডাক্তারের সাথে পরামর্শ করে নবজাতককে উন্নত চিকিৎসার জন্য খুলনায় পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেন।

    পরবর্তীতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিষয়টি ছড়িয়ে পড়লে পারুলের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ সম্ভব হয় এবং ধাপে ধাপে তার পরিচয় নিশ্চিত করা যায়।

    পারুলের পরবর্তী গন্তব্য পাবনা মানসিক হাসপাতাল। উপজেলা প্রশাসন ও সমাজসেবা কার্যালয়ের আর্থিক সহায়তা ও তত্ত্বাবধানে তাকে সেখানে ভর্তি করে দীর্ঘমেয়াদি চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হচ্ছে।

    এ বিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডাঃ সঞ্জয় কুমার বলেন, পারুলকে উন্নত চিকিৎসার জন্য পাবনা মানসিক হসপিটালে পাঠানো হয়েছে। এছাড়া তার কন্যা সন্তানটি বর্তমানে খুলনা মেডিকেল কলেজ হসপিটালে চিকিৎসাধীন রয়েছে এবং সে ভালো আছে।

    এদিকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহেরা নাজনীন এর এই মানবিক উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন এলাকাবাসী ও সচেতন মহল।

    ইমদাদুল হক
    পাইকগাছা,খুলনা।

  • রংপুর জোনের টিএমএসএস’র কর্মশালা অ-নুষ্ঠিত

    রংপুর জোনের টিএমএসএস’র কর্মশালা অ-নুষ্ঠিত

    জি এম রাঙ্গা :

    বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ, সমাজ সেবক, আনসার-ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংকের পরিচালক অধ্যাপিকা ডক্টর হোসনে-আরা বেগম প্রতিষ্ঠিত দেশের শীর্ষ পর্যায়ের ও আন্তর্জাতিক মানের বে-সরকারি উন্নয়ন সংস্থা টিএমএসএসের রংপুর ডোমেইনের নিয়ন্ত্রিত রংপুর জোন কর্তৃক আয়োজিত জোনের কার্য অগ্রগতি পর্যালোচনা, টেকসই উন্নয়ন কার্যক্রম ও ২০২৫-২৬ অর্থ বছরের বাজেটের ওপর দিন ব্যাপী এক কর্মশালা ৪ আগষ্ট টিএমএসএস’র রংপুর জোনাল কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে। টিএমএসএসের রংপুর জোন প্রধান মোঃ ময়নুল হক প্রধান এর সভাপতিত্বে কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত থেকে নানা দিক নির্দেশনা মূলক বক্তব্য দেন অপারেশন-৪ রংপুর ডোমেইনের, ডোমেইন প্রধান সহকারী পরিচালক মোঃ শাহীন মিয়া। এ কর্মশালায় জোনের তিনটি রিজিওনের রিজিওন প্রধান ও ২০ টি শাখা প্রধান অংশ নেয়। প্রধান অতিথি বলেন, বর্তমান তরুণ প্রজন্মের মধ্যে আমরা নতুন নতুন উদ্যোক্তা সৃষ্টি করতে চাই। তরুণদের উদ্যোক্তা করতে হলে তাদের মধ্যে সে মোতাবেক কাজ করার জন্য মাঠ কর্মকর্তাদের প্রতি তিনি আহবান জানান। তিনি বলেন টিএমএসএস সারা দেশে নানা সামাজিক ও মানবিক কর্মকান্ড পরিচালনা করছে। টিএমএসএস লাভের আশায় নহে, সেবার মানসিকতা নিয়ে সারা দেশে কাজ করছে। তিনি কর্মকর্তাদের নতুন নতুন প্রকল্প চিহ্নিত করে সে মোতাবেক কাজ করার আহবান জানান। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন টিএমএসএসের রংপুর জোনের, জোন প্রধান মোঃ ময়নুল হক প্রধান। কর্মশালায় রংপুর জোনের তিনটি রিজিওনের, রিজিওন প্রধান যথাক্রমে মর্ডান রিজিওন প্রধান মোঃ খলিলুর রহমান, রংপুর রিজিওন প্রধান মোঃ মাহফুজুর রহমান ও দামুর চাকলা রিজিওন প্রধান মোঃ রফিক আল আজির নিজ নিজ রিজিওনের কর্মকান্ড সম্পর্কে বক্তব্য দেন। মোঃ শাহীন মিয়া কর্মকর্তাদের সততা ও নিষ্ঠার সাথে দ্বায়িত্ব পালনের আহবান জানান। তিনি টিএমএসএসের কর্মকান্ডে আরও গতিশীল ও বেগবান করতে মাঠ কর্মকর্তাদের কঠোর পরিশ্রম করার আহবান জানান। যা তাঁদের কার্যক্রমকে আরও টেকসই ও ফলপ্রসূ করার ক্ষেত্রে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে বলে আশা করা হচ্ছে। কর্মশালায শাখা প্রধানদের সক্রিয় অংশ গ্রহণ এবং মূল্যবান মতবিনিময় কর্মশালাকে আরও সমৃদ্ধ করেছে। কর্মশালায় টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা এসডিজি অর্জনে জোনের কার্যক্রমের ভূমিকা, নতুন নতুন কৌশল ও প্রযুক্তি প্রয়োগ, চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা এবং ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। জোনের টেকসই উন্নয়ন শীর্ষক এই কর্মশালাটি রংপুর জোন কেন্দ্রে মনোরম পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়। প্রশিক্ষণে বক্তারা জোনের কার্যক্রমে উদ্ভাবনী পদ্ধতি এবং আধুনিক ব্যবস্থাপনার গুরুত্ব তুলে ধরেন। অংশ গ্রহণকারীরা দলবদ্ধ আলোচনা ও ব্যবহারিক অনুশীলনের মাধ্যমে নিজেদের জ্ঞান ও দক্ষতা বৃদ্ধিতে মনোনিবেশ করেন। কর্মশালার অংশ গ্রহণকারীরা বলেন, এই কর্মশালাটি তাঁদের জোনের কার্যক্রমকে আরও কার্যকর ও টেকসই করতে সহায়ক হবে। তাঁরা প্রাপ্ত জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা মাঠ পর্যায়ে প্রয়োগ করে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে আরও বেশি ভূমিকা রাখতে পারবেন। অংশ গ্রহণকারীরা জানায়, এ ধরনের কর্মশালা ভবিষ্যতে আয়োজন করা হলে, তাঁদের সকল স্তরের কর্মীরা আধুনিক জ্ঞান ও প্রযুক্তির সাথে পরিচিত হয়ে জোনাল কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করতে পারবে। এই কর্মশালাটি কর্মীদের পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে এবং জাতীয় উন্নয়নে তাঁদের ভূমিকা আরও জোরদার করবে বলে মনে করা হচ্ছে।

  • বাংলাদেশ আনসার-ভিডিপি ক্রীড়া দলের সাথে মহাপরিচালক’র ম-তবিনিময়

    বাংলাদেশ আনসার-ভিডিপি ক্রীড়া দলের সাথে মহাপরিচালক’র ম-তবিনিময়

    জি এম রাঙ্গা :

    বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর মহাপরিচালক মেজর জেনারেল আবদুল মোতালেব সাজ্জাদ মাহমুদ, এসজিপি, বিএএম, এনডিইউ, এএফডব্লিউসি, পিএসসি আনসার ভিডিপি ক্রীড়া দলের কোচ ও খেলোয়াড়দের সাথে এক মতবিনিময় সভায় মিলিত হন। এ সময় তিনি আসন্ন জাতীয় প্রতিযোগিতাগুলোতে ভালো ফলাফলের জন্য খেলোয়াড়দের সর্বোচ্চ প্রস্তুতি ও মনোবল ধরে রাখার আহ্বান জানান।

    গত ৩রা আগস্ট, ২০২৫ তারিখে ঢাকার আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা সদর দপ্তরের অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত এই সভায় মহাপরিচালক বাহিনীর ক্রীড়া দলের গৌরবময় ইতিহাস ও বিভিন্ন অর্জন তুলে ধরেন। তিনি ক্রীড়াবিদদের উদ্দেশে বলেন, “মাদকদ্রব্য থেকে সম্পূর্ণ দূরে থাকতে হবে। শুদ্ধ জীবনযাপন, বাহিনীর মর্যাদা রক্ষা এবং সমাজে ইতিবাচক দৃষ্টান্ত স্থাপনই হবে আপনাদের মূল লক্ষ্য।” এ সময় তিনি ভাতাভোগী খেলোয়াড়দের জন্য সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধির বিষয়েও সবাইকে অবহিত করেন।

    সভায় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ফিদা মাহমুদ, এএফডব্লিউসি, পিএসসি, উপ-মহাপরিচালক প্রশিক্ষণ মোঃ রফিকুল ইসলাম, বিভিএম, পিভিএমএস, বিভিএমএস এবং বাহিনীর উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। মতবিনিময় সভায় সভাপতিত্ব করেন পরিচালক (ক্রীড়া ও সংস্কৃতি) মির্জা সিফাত-ই-খোদা।

    অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে, মহাপরিচালক সদ্য সমাপ্ত জাতীয় বক্সিং প্রতিযোগিতায় পদকপ্রাপ্ত খেলোয়াড়সহ কৃতিত্বপূর্ণ অবদান রাখা নির্বাচিত খেলোয়াড়দের ফুলেল শুভেচ্ছা ও পুরস্কার প্রদান করেন। এছাড়াও, তিনি বক্সিং দলকে এক লক্ষ টাকার বিশেষ আর্থিক প্রণোদনা দেন। এই সম্মাননা ও পুরস্কার ক্রীড়া দলের সদস্যদের জন্য নতুন করে অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। এ সময় বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর অন্য কর্মকর্তা, খেলোয়াড়গন, ব্যাটালিয়ান সদস্য ও কর্মচারী প্রমূখ উপস্থিত ছিলেন।

  • বাংলাদেশে ৫ আ-গষ্টের মতো আর কোনো গণহ-ত্যা দেখতে চায় না জাতি-বাকিটা ইতিহাস

    বাংলাদেশে ৫ আ-গষ্টের মতো আর কোনো গণহ-ত্যা দেখতে চায় না জাতি-বাকিটা ইতিহাস

    সাইফুল ইসলাম জয় (হেলাল শেখ)ঃ বাংলাদেশে ৫ আগষ্টের মতো আর কোনো গণহত্যা দেখতে চায় না জাতি-বাকিটা ইতিহাস। ৪ আগষ্ট সংবাদ শিরোনাম ছিলো “সরকার পদত্যাগের এক দফা দাবি ঘোষণা বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের”। সেই আন্দোলনে সরকারি বাহিনীর পুলিশ সদস্য, সাংবাদিক, ছাত্র-জনতা আহত নিহতের ঘটনা ঘটেছে, শুধু ছাত্র-জনতা শহীদ হলেও “পুলিশ ও সাংবাদিক নিহত হয়েছেন!” যে সরকারই ক্ষমতায় থাক না কেন পুলিশ সদস্যরা তাদের স্যারের কথায় কাজ করতে হয় আর সাংবাদিকদের সততা ও সাহসী ভুমিকায় পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে হয়, পুলিশ ও সাংবাদিকের মৃত্যু হলে বলা হয় পুলিশ ও সাংবাদিক মারা গেছে, তাহলে পুলিশ আর সাংবাদিক কি মানুষ না?। দেশে ৫ আগষ্টসহ বিভিন্ন সময়ে যেসকল পুলিশ ও সাংবাদিকসহ যাদেরকে হত্যা করা হয়েছে তদন্ত করে সেই সকল হত্যাকারীদের গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনতে হবে বলে দাবি জানিয়েছেন পুলিশ পরিবার ও সাংবাদিক সমাজসহ সচেতন মহল। দেশের জনগণের দাবি আমরা ৫ আগষ্টের মতো আর কোনো গণহত্যা দেখতে চাইনা।
    বিশেষ করে ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধো আর ২০২৪ সালে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের যুদ্ধ যাইহোক স্বাধীন বাঙ্গালির “পতাকার রং সবুজের মধ্যে লাল” সেই পতাকা বুকে নিয়ে কোটি কোটি মানুষ ঐক্য থাকায় স্বাধীনতা অর্জন। বিশ্বের একমাত্র দেশ বাংলাদেশ যে, দেশের ভাষার জন্য জীবন দিয়েছেন সালাম, বরকত, রফিকসহ আরো অনেকে। স্বাধীনতা আমরা সকলেই চাই কিন্তু স্বাধীনতা পাওয়া এতো সহজ নয়, আমাদের স্বাধীনতা কলংকিত নয় যদিও মা-বোন কলংকিত। ১৭৭১ সালে স্বাধীনতার পতাকা বুকে নিয়ে কোটি কোটি মানুষ ঐক্য থাকায় যুদ্ধে শক্র পক্ষকে হারিয়ে আজকের এই স্বাধীনতা অর্জন, এরপর শেখ হাসিনা দেশত্যাগ করার পর বাংলাদেশে ৫ আগষ্ট ২০২৪ইং আরো একটি স্বাধীনতা অর্জন করেছেন ছাত্র-জনতার আন্দোলনে, নতুন বাংলাদেশের জন্ম হলেও কি বৈষম্য দূর হয়েছে? কোনদিন কি বৈষম্য দূর করে সংস্কার করা সম্ভব হবে?।
    বাংলাদেশের নতুন স্বাধীনতার পর এখন দেশে জাতীয় নির্বাচন জরুরী দরকার, ১৯৭১ সালের পর আবারও দেশে যুদ্ধ হয়েছে, এই যুদ্ধে ছাত্র-জনতা শহীদ হয়েছেন, এ ঘটনায় আহত হয়েছেন কয়েক হাজার মানুষ। তবে আহত এবং নিহতদের ঘটনায় মামলা করা হলেও বেশিরভাগ মামলায় সাধারণ মানুষের নাম দিয়ে হয়রানি করা হচ্ছে। ভুয়া বাদী কতর্ৃক সাংবাদিকসহ অনেকের নাম দিয়ে মামলা করা হয়েছে, তা একজন আহত বা নিহতের ঘটনায় একাধিক মামলা করা হয়েছে। ভিকটিমের পরিবার আর প্রতারক চক্র মামলা বাণিজ্য করার জন্য ভুয়া বাদী সেজে মামলা করেছে একটি চক্র। যেমন: সাভার আশুলিয়ায় সাহেব আলী জলিল ভুয়া বাদী সেজে একাধিক মামলা করেছে তার তথ্য প্রমান রয়েছে। স্বাধীন দেশে এ কেমন প্রতারণা জাতি জানতে চায়। এখন আসি দেশের নির্বাচন ও নির্বাচন কমিশনার বিষয় নিয়ে।
    সূত্রমতে, বাংলাদেশের প্রথম-প্রধান নির্বাচন কমিশনার ছিলেন, বিচারপতি এম. ইদ্রিস। নির্বাচন কমিশনার এবং মহাহিসাব নিরীক্ষক কর্মাবসানের পর প্রজাতন্ত্রের কর্মে কোন পদে নিযুক্ত হবার যোগ্য হবেন না। নির্বাচন কমিশনার এবং মহাহিসাব নিরীক্ষক কর্মাবসানের পর প্রজাতন্ত্রের কর্মে অন্য কোন পদে নিযুক্ত হবার যোগ্য হবেন না। অবশ্য কেবল নির্বাচন কমিশনারগণ কর্মাবসানের পর প্রধান নির্বাচন কমিশনাররুপে নিয়োগ লাভের যোগ্য হবেন। “জাতীয় সংসদ ও নির্বাচন” জাতীয় সংসদ কি? তা আমাদের জানা দরকার। বাংলাদেশের আইনসভা হল জাতীয় সংসদ, এটি এক কক্ষবিশিষ্ট এবং প্রজাতন্ত্রের সকল প্রকার আইন প্রণয়নের কেন্দ্র। জাতীয় সংসদের মেয়াদ কত বছর তা আমাদের জানা দরকার, মাত্র পাঁচ বছর। রাষ্ট্রপতি সংসদ ভেঙ্গে না দিলে প্রথম বৈঠকের তারিখ হতে পাঁচ বছর অতিক্রান্ত হলে সংসদ আপনা-আপনি ভেঙ্গে যাবে। জাতীয় সংসদের গঠন কি রুপ?: সমগ্র দেশ থেকে নির্বাচিত ৩০০ জন সংসদ সদস্য নিয়ে জাতীয় সংসদ গঠিত হয়। তবে সংবিধানে মেয়াদী ৩০জন মহিলা সংসদ সদস্য রাখার বিধান রাখা হয়েছে। সংরক্ষিত আসন ব্যতীত মহিলা সদস্যগণ অন্যান্য সাধারণ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারবেন। সূত্রমতে, জাতীয় সংসদের মোট সদস্য ৩৩০ জন। তা সংবিধান পরিবর্তন করা হলে এই সংখ্যা বাড়তে পারে। জাতীয় সংসদের সদস্য হওয়ার জন্য কি যোগ্যতার প্রয়োজন? প্রথমত বাংলাদেশের নাগরিক হতে হবে। দ্বিতীয়ত কমপক্ষে ২৫ বছর বয়স হতে হবে।
    বিশেষ করে কখন ও কিভাবে বাংলাদেশের প্রথম গণপরিষদ গঠিত হয় তা সবার জানা দরকার, মহামান্য রাষ্ট্রপতি অস্থায়ী সংবিধান আদেশ জারি করেন ১৯৭২ সালের ১১ জানুয়ারি। এই ঘোষণার পরিপ্রেক্ষিতে ১৯৭২ সালের ২৩ মার্চ রাষ্ট্রপতি গণপরিষদ আদেশ জারি করেন। মোটামুটিভাবে (১৯৭১ সালে ২৬ মার্চ থেকে কার্যকরী বলে গন্য হয়)। এ আদেশ অনুযায়ী ১৯৭০ সালের ৭ ডিসেম্বর থেকে ১৯৭১ সালের ১ মার্চ পর্যন্ত তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান অংশ থেকে নির্বাচিত জাতীয় ও প্রাদেশিক পরিষদের সব সদস্য (৪৬৯জন= ১৬৯ জন=৩০০জন) নিয়ে এই পরিষদ গঠিত হয়। শেষ পর্যন্ত গণপরিষদের সদস্য সংখ্যা ৪০৪ জনে দাঁড়ায়। গণপরিষদের প্রথম অধিবেশন-১০ এপ্রিল ১৯৭২। সেসময় গণপরিষদের প্রথম স্পীকার ছিলেন শাহ আব্দুল হামিদ, দ্বিতীয় স্পীকার মোহাম্মদ উল্লাহ, গণপরিষদের প্রথম ডেপুটি স্পীকার মোঃ রায়তুল্লাহ, গণপরিষদের নেতা ছিলেন শেখ মুজিবুর রহমান। বাংলাদেশের শাসনতন্ত্রে কতজন সদস্য স্বাক্ষর করেন তা জানা প্রয়োজন, ১৪ ডিসেম্বর ৩৫০জন এবং ১৫ ডিসেম্বর ৪৭জন মোট ৩৯৭ জন। চলমান প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস সাহেব, বর্তমান মহামান্য রাষ্ট্রপতি বীর মুক্তিযুদ্ধা সাহাবুদ্দিন মহোদয়, এবার আসি বাকি ইতিহাস কি বলে?
    শক্রমুক্ত হোক দেশ, স্বাধীনতা সে আমার-স্বজন হারিয়ে পাওয়া একমাত্র স্বজন, স্বাধীনতা যুদ্ধে প্রিয় মানুষগুলোর রক্তে কেনা অমূল্য ফসল লাল সবুজের পতাকা। একটি বাংলাদেশ তুমি জাগ্রত জনতা। শক্রমুক্ত হোক বাংলাদেশ, এই কথাগুলো আমরা ভুলতে পারি না কারণ,এখন বিশ্বের প্রায় প্রতিটি দেশের মানুষ জানেন, তা এখন ইতিহাস। বিশেষ করে ১৯৭১ সালে স্বাধীনতার পতাকা বুকে নিয়ে মানুষ ঐক্যে সেদিন গোটা দেশ, একটি কথা একটি আশা শক্রমুক্ত হবে বাংলাদেশ। লাখো মায়ের আহাজারি, স্বাধীনতা তোমার লাগি ঝড়ছে পাহাড় পরিমাণ রক্ত, কত অশ্রুবারি হয়েছে বাংলার বুকে। লক্ষ প্রাণের বিনিময়ে গড়লো যারা নতুন দেশ, তারা জাতির শ্রেষ্ঠ বীর সন্তান, তাদের রক্তে আজ এই বাংলাদেশ স্বাধীন। আমরা পেয়েছি লাল সবুজের পতাকা। দেশ ও জাতির স্বার্থে যারা কাজ করেছেন, যারা স্বাধীনতার জন্য হাসি মুখে জীবন দিয়েছেন, তাদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা। ভাষা শহীদসহ সকল বীর শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা।
    মুক্তিযুদ্ধে আত্মদানকারী বীর শহীদদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন ও তাদের স্বপ্ন বাস্তবায়নের অঙ্গীকারের মধ্যদিয়ে জাতীয় দিবসগুলো পালন করে আসছেন বাঙ্গালি জাতি। সবাইকে বাংলাদেশের ইতিহাস জানা দরকার। বাংলাদেশের নাম লেখা হতো না, লাল সবুজের পতাকা উঁড়তো না, যদি দেশ স্বাধীন না হইতো। ইতিহাস পড়–ন, কোথায় প্রথম বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলন করা হয়েছে? ইতিহাস বলে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বটতলায় এক ছাত্র সভায়, ২মার্চ ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলন করা হয়। বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের মহান নায়ক হিসেবে বলা হয় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে তার কোনো স্মৃতি রাখা হচ্ছে না বাংলাদেশে, এখন নতুন বাংলাদেশ। বাংলাদেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী ছিলেন তাজউদ্দিন আহমেদ। এরপর অনেক ঘটনা ঘটেছে, বর্তমান দেশের প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস সাহেব ও মহামান্য রাষ্ট্রপতি শাহাবউদ্দিন চুপ্পু সাহেব। আজ ৫ আগষ্ট ২০২৫ইং সরকারি ছুটির দিন নতুন করে চালু হলো। সরকার পরিবর্তন হলেও সরকারি নিয়ম ও দেশের আইন পরিবর্তন হয় না। তবে নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে যারা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড করছে তাদেরকে আটক করে আইনের আওতায় আনতে হবে। আর কেউ দেখতে চায় না সরকার পদত্যাগের এক দফা দাবি ঘোষণা বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের মতো নতুন কোনো যুদ্ধো-বাকীটা ইতিহাস।

  • ৩১ বছরের শিক্ষকতা জীবনের ইতি – কাঁ-দলেন ও কাঁ-দালেন

    ৩১ বছরের শিক্ষকতা জীবনের ইতি – কাঁ-দলেন ও কাঁ-দালেন

    নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহীঃ রাজশাহী: কর্মময় জীবন থেকে অবসরের মাধ্যমে দীর্ঘ ৩১ বছরের শিক্ষকতা পেশার সমাপ্তি হলো সহকারী শিক্ষক মোসাঃ মেহেরুন্নেসা (১৮ ফেব্রায়ারী, ১৯৯৫ সালে রাজশাহী জেলার গোদাগাড়ী উপজেলার

    মহিশালবাড়ী মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়
    থেকে শুরু করা কর্মময় জীবনের ইতি টানলেন সহকর্মী, বর্তমান ও প্রাক্তণ শিক্ষার্থীদের হৃদয় নিংড়ানো ভালোবাসার মধ্য দিয়ে।
    ৪ আগষ্ঠ সোমবার সকাল ১১ টার সময় উপজেলার মহিশালবাড়ী মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মেহেরুন্নেসার বিদায়ী অনুষ্ঠান স্কল হলরুমে নানা আয়োজন করা হয়।
    এসময় প্রিয় শিক্ষককে বিদায় দিতে সকাল থেকেই শিক্ষার্থীরা স্কুলে হাজির হয় শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা নিবেদনের জন্য। শিক্ষার্থী ও সহকর্মী সবাই অশ্রুসিক্ত। বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে সৃষ্টি হয় এক আবেগঘন পরিবেশ। সকলের ভালোবাসায় সিক্ত বিদায় সংবর্ধনা শেষ হয়।

    বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ হায়দার আলীর সভাপতিত্বে বিদায়ী সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, গোদাগাড়ী উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও বিদ্যালয় ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি ফয়সাল আহমেদ, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ আমিরুল ইসলাম।

    নবম শ্রেণীর ছাত্রী মোসাঃ সুমাইয়ার সঞ্চালনায় স্বাগত বক্তব্য প্রধান শিক্ষক মোঃ হায়দার আলী, দশম শ্রেণীর মেধাবী ছাত্রী সানজিদা খাতুন, বিদায়ী শিক্ষক মোসাঃ মেহেরুন্নেসা প্রমূখ।

    অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফয়সাল আহমেদ বলেন, মেহেরুন্নেসা শুধু শিক্ষকই ছিলেন না। একজন যোগ্য অভিভাবকও ছিলেন। তাঁর সততা, মহত্ব ও কর্মকুশলতা আমাদের গর্বের। তার দীর্ঘ অভিজ্ঞতাকে আমাদের কাজে লাগাতে হবে। এতোটা সময় আমাদের সঙ্গে ছিলেন যার অনেক স্মৃতি রয়েছে । তিনি একজন আদর্শ শিক্ষক হিসেবে সততা ও নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করেছেন। মহান এই পেশায় ৩১ বছর ধরে তিনি শিক্ষকতা পেশায় এককই বিদ্যালয় শিক্ষকতা করেছেন। এই মহান পেশায় যুক্ত থাকায় আদর্শ শিক্ষার্থী গড়ার কারিগর।

    শিক্ষকতা জীবনে মেহেরুন্নেসার আজ বিদায়ী দিন ও শেষ কর্ম দিবসে প্রিয় শিক্ষার্থী সহকর্মী- উপস্থিত অতিথি বৃন্দ অশ্রুসিক্ত নয়নে বিভিন্ন উপহার সামগ্রী ও ফুলের শুভেচ্ছায় বিদায় জানান।

    মোঃ হায়দার আলী
    নিজস্ব প্রতিবেদক,
    রাজশাহী।

  • বাবুগঞ্জে VWB কর্মসূচির আওতায় ৩০ কেজি করে চাল পেলেন দু-স্থ নারীরা

    বাবুগঞ্জে VWB কর্মসূচির আওতায় ৩০ কেজি করে চাল পেলেন দু-স্থ নারীরা

    বাবুগঞ্জ প্রতিনিধিঃ মোঃ মহিউদ্দিন খাঁন রানা।।

    বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার ৫নং রহমতপুর ইউনিয়নে (VWB) Vulnerable Women Benefit কর্মসূচির আওতায় দুস্থ ও অসহায় নারীদের মাঝে ৩০ কেজি করে চাল বিতরণ করা হয়েছে।

    উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে আয়োজিত এই চাল বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন বাবুগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) জনাব ফারুক আহমেদ।
    এ সময় তিনি বলেন, “সরকারের বিভিন্ন সামাজিক নিরাপত্তামূলক কর্মসূচির মাধ্যমে সমাজের পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীকে সহায়তা করা হচ্ছে, যাতে তারা ন্যূনতম জীবনমান বজায় রাখতে পারে।”
    চাল বিতরণকালে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি ও প্রশাসনের অন্যান্য কর্মকর্তাবৃন্দ।
    এই কর্মসূচির মাধ্যমে ৫নং রহমতপুর ইউনিয়নের শতাধিক অসহায় নারী প্রত্যেকে ৩০ কেজি করে চাল পেয়েছেন বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

  • নড়াইলে প্র-তিবন্ধী কমল পালের এক একর ১০ শতক জমি হা-তিয়ে নেয়ার অ-ভিযোগ

    নড়াইলে প্র-তিবন্ধী কমল পালের এক একর ১০ শতক জমি হা-তিয়ে নেয়ার অ-ভিযোগ

    উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি:

    নড়াইল সদরের গুয়াখোলা গ্রামের প্রতিবন্ধী কমল চন্দ্র পালের (৭০) এক একর ১০ শতক জমি প্রতারণা করে লিখে নেয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। শেষ সম্বলটুকু হারিয়ে বৃদ্ধ কমল এখন পাগলপ্রায়। কমল পালের জমি প্রতারণা করে লিখে নেয়ার ঘটনায় পরিবার-স্বজনসহ এলাকাবাসী ক্ষুদ্ধ হয়েছেন। এদিকে, অভিযুক্তরা গা ঢাকা দিয়েছেন। উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি জানান, অভিযোগে জানা যায়, নড়াইল সদর উপজেলার শেখহাটি ইউনিয়নের আফরা মৌজার ৪২১৬, ৪২১৯, ৪২২০, ৪২২১, ৪২২৩, ৩৮৭১ ও ৫১৯১ নম্বর দাগে এক একর ১০ শতক জমির মালিক কমল চন্দ্র পাল। জমির লোভে পাশের হাতিয়াড়া গ্রামের বিলাস গোস্বামী (৩৬) এবং বাকড়ি গ্রামের নিরব বৈরাগী (৩৫) নিঃসন্তান প্রতিবন্ধী কমল পালের সঙ্গে সখ্যতা গড়ে তোলেন। বৃদ্ধ কমলকে ভুল বুঝিয়ে তার পরিবার ও স্বজনদের অজান্তে এক একর ১০ শতক জমি বিলাশ ও নিরব গত ১ জুন তাদের নামে পাওয়ার অব অ্যাটর্নি করে নেন। পরবর্তীতে ওই জমি বিলাশ তার স্ত্রী পিয়া গোলদার এবং নিরব তার স্ত্রী সিথি সরকারের নামে কবলা দলিল করে দেন।
    কমল পাল বিষয়টি টের পেয়ে জমি ফিরে পেতে স্বজনসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিদের জানান। ঘটনাটি জানাজানির পর বিলাশ ও নিরব জমির মালিক কমল পালকে ওই জমি ফেরত দেয়ার প্রতিশ্রুতি দেন।
    গত ২৭ জুলাই কমল পালকে ওই জমি রেজিস্ট্রি করে দেয়ার কথা থাকলেও আগেরদিন (২৬ জুলাই) বিলাশ ও নিরব তাদের স্ত্রী ও সন্তানদের নিয়ে বাড়ি ছেড়ে অন্যত্র গা ঢাকা দেন বলে জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।
    কমল পাল জানান, শারীরিক প্রতিবন্ধী হওয়ায় আমার সঙ্গে প্রতারণা করে বিলাস ও নিরব এক একর ১০ শতক জমি লিখে নিয়েছে। আমার জমি ফেরত চাই। আমি অচল মানুষ। অন্যের সাহায্য ছাড়া হাটতে পারি না।
    স্থানীয় বাসিন্দা বকুল পাল, রূপচাঁদ পাল, অসীম বিশ্বাস ও রেনুকা বিশ্বাস জানান, কমল পালের কোন সন্তান না থাকায় অসহায়ত্বের সুযোগ নিয়ে বিলাশ ও নিরব প্রতারণা করে তার শেষ সম্বল জমি লিখে নিয়েছেন। আমরা তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।
    শেখহাটি ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান সরদার ওলিয়ার রহমান বলেন, এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে বিলাশ ও নিরব জমির মূল মালিক কমল পালকে জমি ফেরত দিতে রাজি হওয়ার পর তারা এলাকা ছেড়ে গা ঢাকা দিয়েছেন। আশা করছি, তারা জমির মালিক প্রতিবন্ধী কমলকে তার জমি ফেরত দিবেন।
    এদিকে, বিলাস ও নিরব পালিয়ে থাকায় তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।

    উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি। ছবি আছে।

  • বাবুগঞ্জের রহমতপুরে কিশোরের মর্মা-ন্তিক আত্মহ-ত্যা

    বাবুগঞ্জের রহমতপুরে কিশোরের মর্মা-ন্তিক আত্মহ-ত্যা

    বাবুগঞ্জ প্রতিনিধিঃ মোঃ মহিউদ্দিন খাঁন রানা।।

    বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার রহমতপুর প্রাণিসম্পদ হাসপাতালের সামনে এক কিশোরের আত্মহত্যার ঘটনা ঘটেছে বলে জানা গেছে।

    নিহত কিশোরের নাম মো. রাতুল। সে স্থানীয় ভাতের হোটেল মালিক জোসনা বেগমের ছেলে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, বিকেল আনুমানিক ৪টার দিকে দোকানের পাশেই একটি চালতা গাছের সঙ্গে মায়ের ওড়না পেঁচিয়ে সে গলায় ফাঁস দেয়।
    ঘটনাস্থলের স্থানীয়রা জানান, হঠাৎ করেই তারা গাছে ঝুলন্ত অবস্থায় রাতুলকে দেখতে পান এবং দ্রুত বিষয়টি পরিবার ও আশপাশের লোকজনকে জানান। তবে আত্মহত্যার সঠিক কারণ এখনও জানা যায়নি।
    বিষয়টি তদন্ত করে দেখছে স্থানীয় প্রশাসন। এলাকাজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে শোকের ছায়া।

  • আশুলিয়ায় যৌ-থ বা-হিনীর অ-ভিযানে ছাত্র জনতা হ-ত্যা মা-মলার ৮ আ-সামি অ-স্ত্রসহ গ্রে-ফতার

    আশুলিয়ায় যৌ-থ বা-হিনীর অ-ভিযানে ছাত্র জনতা হ-ত্যা মা-মলার ৮ আ-সামি অ-স্ত্রসহ গ্রে-ফতার

    হেলাল শেখঃ ঢাকার আশুলিয়ার বিভিন্ন এলাকায় যৌথ বাহিনীর সাঁড়াশি অভিযানে ছাত্র-জনতা হত্যা মামলার আসামি ৮ জনকে অস্ত্রসহ গ্রেফতার। এসময় উদ্ধার করা হয়েছে ২০টির বেশি দেশীয় অস্ত্র, একটি ইলেকট্রিক শকার, দুটি চোরাই মোটরসাইকেলসহ পাঁচটি মোবাইল ও ১০টি সিমকার্ড, সেই সাথে বেশ কিছু মাদকদ্রব্য উদ্ধার করা হয়।

    সোমবার (০৪ আগস্ট ২০২৫ইং) সকাল ৭টা থেকে দুপুর পর্যন্ত আশুলিয়ার জামগড়া, রূপায়ণ মাঠ ভাদাইল ও গোরাট এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদেরকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন আশুলিয়া থানার ওসি আব্দুল হান্নান।

    আটককৃতরা হলো, ছাত্র-জনতা হত্যা মামলার আসামি মো. আল আমিন মন্ডল, অস্ত্র মামলার আসামি জুনায়েদ হাসান জুনু।এর মধ্যে কিশোর গ্যাং সদস্য রোমান ইসলাম, মো. স্বপন, রাফিউল ইসলাম রকি, মনির হোসেন ও ইয়ামিন হোসেন। এ সময় নুরুল হক নামের আরও একজনকে গ্রেফতার করেন যৌথ বাহিনী।

    পুলিশ জানায়, সকালে আশুলিয়ার জামগড়া, রূপায়ণ মাঠ ভাদাইলসহ একাধিক স্থানে যৌথ বাহিনী অভিযান পরিচালনা করেন। এই অভিযানে ছাত্র-জনতা হত্যা মামলার আসামি, অস্ত্র মামলার আসামি এবং কিশোর গ্যাং সদস্যসহ ৮ জনকে গ্রেফতার করা হয়।

    গ্রেফতারকৃতদের হেফাজত থেকে ২০টি দেশীয় অস্ত্রসহ দুটি চোরাই মোটরসাইকেল, পাঁচটি মোবাইল, ১০টি সিমকার্ড ও বেশ কিছু মাদকদ্রব্য উদ্ধার করা হয়। পরে তাদেরকে থানায় হস্তান্তর করে যৌথ বাহিনী।

    আশুলিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুল হান্নান গণমাধ্যমকে জানান, সকালে বেশ কিছু দেশীয় অস্ত্রসহ ৮জনকে গ্রেফতার করে থানায় হস্তান্তর করেছে যৌথ বাহিনী। গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে তিনি জানান।

  • চাটমোহরে ইউএনও’র মাধ্যমে সড়ক উপদেষ্টা সমীপে স্মা-রকলিপি

    চাটমোহরে ইউএনও’র মাধ্যমে সড়ক উপদেষ্টা সমীপে স্মা-রকলিপি

    পাবনা প্রতিনিধিঃ

    পাবনার চাটমোহরে সোমবার (৪ আগস্ট) বিকেল ৪টায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মুসা নাসের চৌধুরী’র কাছে মাননীয় সড়ক উপদেষ্টা সমীপে স্মারকলিপি, গণস্বাক্ষর ও মানববন্ধন কর্মসূচি পালন সংক্রান্ত প্রকাশিত বিভিন্ন সংবাদের কাটিং সমন্বিত নথি (বাইন্ডিং বুক) হস্তান্তর ও একটি অনুলিপি কপি প্রদান করা হয়েছে।

    এ সময় ‘চেতনায় হান্ডিয়াল’-এর পক্ষে সাবেক ব্যাংকার মো. শহিদুল ইসলাম, সহকারী অধ্যাপক মো. জাকির হোসেন, প্রভাষক মো. আবু তালেব, প্রভাষক মো. মিজানুর রহমান, মো. আবু শাহিন, সাংবাদিক কে এম বেলাল হোসেন স্বপন উপস্থিত ছিলেন।

    উল্লেখ্য, জনদুর্ভোগ লাঘবে ‘জারদিস মোড় থেকে মান্নাননগর মহাসড়ক পর্যন্ত আঞ্চলিক সড়ক নির্মাণ’ কাজ দ্রুত সম্পন্নের দাবীতে সামাজিক সংগঠন ‘চেতনায় হান্ডিয়াল’-এর আহবানে গত (২ আগস্ট) শনিবার বিশাল মানববন্ধনের আয়োজন করে।

    এদিন সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যম্ত প্রায় ১৪ কিলোমিটার সড়ক জুড়ে একযোগে মানববন্ধন এবং গণস্বাক্ষর অনুষ্ঠিত হয়।

    স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী, বিভিন্ন পর্যায়ের রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, জনপ্রতিনিধি, শিক্ষক-ব্যবসায়ী, পরিবহণ মালিক-চালক, কৃষক-কৃষাণি, পথচারী সহ সর্বস্তরের মানুষ স্বতঃস্ফূর্ত ভাবে মানববন্ধন ও গণস্বাক্ষরে অংশ নেন।

    তোফাজ্জল হোসেন বাবু, পাবনা।।