Author: desk

  • গ-ণঅভ্যুত্থানের ১ম বার্ষিকী উপলক্ষ্যে সুজানগরে জামায়াতের বিশাল গ-ণমিছিল

    গ-ণঅভ্যুত্থানের ১ম বার্ষিকী উপলক্ষ্যে সুজানগরে জামায়াতের বিশাল গ-ণমিছিল

    এম এ আলিম রিপন,সুজানগর ঃ গণঅভ্যুত্থানের ১ম বার্ষিকী উপলক্ষ্যে পাবনার সুজানগরে এক বিশাল গণ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার বেলা ১১টায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সুজানগর উপজেলা ও পৌর শাখার উদ্যোগে বের হওয়া মিছিলটি সুজানগর পৌর শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে বাজার মসজিদ চত্বরে গিয়ে শেষ হয়। গণ মিছিলে জামায়াত ও সহযোগী অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীসহ উপজেলার বিভিন্ন শ্রেণীপেশার অসংখ্য মানুষের অংশগ্রহণে গণমিছিলটি জনসমুদ্রে পরিণত হয়। পরে অনুষ্ঠিত সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সুজানগর উপজেলা শাখার আমীর ও ৬৯ পাবনা-২ আসনের জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী অধ্যাপক কেএম হেসাব উদ্দিন । উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারী টুটুল হোসাইন বিশ্বাসের সঞ্চালনায় সমাবেশে অন্যদের মাঝে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সুজানগর উপজেলা শাখার নায়েবে আমীর অধ্যাপক ফারুক-ই আযম, পৌর আমীর রফিকুল ইসলাম, পৌর নায়েবে আমীর আব্দুল মমিন, পৌর শাখার সেক্রেটারী মকবুল হোসেন বকুল, সাংগঠনিক সম্পাদক কেরামত আলী, ইন্ডাস্টিয়ালিস্ট এন্ড বিজনেসম্যান ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশন সুজানগর উপজেলা শাখার সভাপতি ওয়ালিউল্লাহ বিশ্বাস, উপজেলা শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সভাপতি রমজান আলী, সুজানগর পৌর শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সভাপতি তারিকুল ইসলাম, উপজেলা ছাত্রশিবিরের সাবেক সভাপতি আব্দুল মমিন, জেলা ছাত্র অধিকারের সম্পাদক জিহাদ ও উপজেলা ছাত্রশিবিরের সভাপতি হুসাইন প্রমুখ। স্থানীয় জামায়াত ও সহযোগী অঙ্গ সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

    এম এ আলিম রিপন
    সুজানগর প্রতিনিধি।।

  • স্বৈ-রাচারী  হা-সিনার পত-নের বর্ষপূতি উপলক্ষ্যে সুজানগরে সেলিম রেজা হাবিবের নে-তৃত্বে বিশাল বিজয় মি-ছিল

    স্বৈ-রাচারী হা-সিনার পত-নের বর্ষপূতি উপলক্ষ্যে সুজানগরে সেলিম রেজা হাবিবের নে-তৃত্বে বিশাল বিজয় মি-ছিল

    এম এ আলিম রিপন,সুজানগরঃ ৫ই আগস্ট স্বৈরাচারী ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনার পতনের বর্ষপূর্তি উপলক্ষ্যে বিজয় মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ বিজয় মিছিলকে কেন্দ্র করে পুরো এলাকা জনসমুদ্রে পরিনত হয় ।
    মঙ্গলবার (৫ আগস্ট) পাবনা-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি’র নির্বাহী কমিটির অন্যতম সদস্য এবং আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পাবনা-২ আসনে বিএনপি মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী অ্যাডভোকেট একে,এম সেলিম রেজা হাবিবের নেতৃত্বে বের হওয়া মিছিলটি সুজানগর পৌর শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক গুলো প্রদক্ষিণ করে মন্ডল মার্কেটের সামনে গিয়ে শেষ হয়।
    বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি বেড়া/সুজানগর(৬৯) পাবনা-২ উপজেলা শাখা সহ সকল অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে পরে অনুষ্ঠিত সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন পাবনা-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি’র নির্বাহী কমিটির অন্যতম সদস্য এবং আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পাবনা-২ আসনে বিএনপি মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী অ্যাডভোকেট একে,এম সেলিম রেজা হাবিব।
    প্রধান অতিথির বক্তব্যে সেলিম রেজা হাবিব বলেন,দীর্ঘ ১৭ বছর আন্দোলন সংগ্রামের মধ্য দিয়ে গত বছরের আজকের এই দিনে আওয়ামী লীগের সাবেক স্বৈরাচারী প্রধানমন্ত্রী ও ফ্যাসিস্ট সরকারের হাত থেকে বাংলাদেশের জনগণকে মুক্ত করে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি একটি নতুন স্বাধীনতা এদেশের মানুষকে উপহার দিয়েছে। বিএনপি’র অবদান মানুষ মনে রাখবে।
    এ সময় তিনি পঁাচ ই আগস্ট স্মরণ করে বলেন,জুলাই আগস্ট গণঅভ্যুত্থানে আমাদের শিক্ষার্থীরা ঝঁাপিয়ে পড়েছে,শিক্ষার্থীদের অবদান এ জাতী মনে রাখবে,তিনি বলেন, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি দিনমজুর,শ্রমিক,কৃষক,রিক্সা চালক সকল পেশার মানুষ অংশ নিয়েছিলেন জুলাই আগস্ট-গণঅভ্যুত্থানে,যারা স্বৈরাচার সরকারের নির্দেশে গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হয়েছে তাদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে তিনি বলেন,সেই শহীদদের স্মৃতি আমাদের ভোলার নয়,আমরা তাদের স্মরণ করব আজীবন।এ সময় তিনি আরো বলেন,বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি গণমানুষের দল,বিএনপি জনগণের কথা বলে,আমরা সব সময় জনগণের পাশে ছিলাম এবং ভবিষ্যতেও থাকবো বলে মন্তব্য করেন তিনি।

    সমাবেশে অন্যদের মাঝে বক্তব্য দেন বেড়া উপজেলা বিএনপির সহ সভাপতি সামছুর রহমান সমেজ,সুজানগর উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক হাজারী জাকির হোসেন চুন্নু, বেড়া উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক রইজ উদ্দিন আহমেদ, সাবেক যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক হাজী মনিরুজ্জামান মনি, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক লুৎফর রহমান,সাবেক সহ সভাপতি আতাউর রহমান টিপু, সুজানগর পৌর বিএনপির সাবেক যুগ্ন আহ্বায়ক অধ্যাপক আব্দুল মোনায়েম, বিএনপি নেতা আহম্মদ আলী প্রামানিক লাটু, সাতবাড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ময়েন উদ্দিন, ডাক্তার আব্দুস সালাম, মানিকহাট ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুল হাই, মোহাম্মদ আলী টুকু, উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক সিদ্দিকুর রহমান পিন্টু ,উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব রিয়াজ মন্ডল, সুজানগর পৌরসভার সাবেক কাউন্সিলর ও উপজেলা কৃষকদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আনিছুর রহমান খোকন, সাবেক যুবদল নেতা আরিফুল ইসলাম টুটুল, উপজেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ন আহ্বায়ক শফিউল আলম বাবু, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক জাকির হোসেন, সদস্য সচিব জাহাঙ্গীর বিশ্বাস প্রমুখ।
    সমাবেশে গণসমাবেশে সুজানগর বিএনপি নেতা মোহাম্মদ আলী টুকু, হারুন মন্ডল, তোফাজ্জল হোসেন তোফা, ভঁায়না ইউনিয়ন বিএনপি নেতা সান্টু, উপজেলা তঁাতিদল নেতা আসাদুজ্জামান রোকন, উপজেলা যুবদলের যুগ্ন আহ্বায়ক শফিউল আযম শফি, আবু জাকারিয়া তরঙ্গ, রাশেদ খান, মনিরুজ্জামান মনি,পৌর যুবদলের সদস্য সচিব ফজলুর রহমান ফজলু, যুগ্ন আহ্বায়ক ও পৌরসভার সাবেক কাউন্সিলর আবুল কালাম আজাদ, পৌর যুবদলের যুগ্ন আহ্বায়ক সাহেব আলী মন্ডল, রতন বিশ্বাস, সদস্য সচিব বিপুল প্রামানিক, স্বেচ্ছাসেবকদল নেতা রমজান মন্ডল, উপজেলা ছাত্রদল নেতা গাজী মাজাহারুল ইসলাম, এস এম আফতাব, আব্দুস সবুর জয়সহ সুজানগর ও বেড়া উপজেলা বিএনপি এবং সহযোগী অঙ্গ সংগঠনের হাজার হাজার নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।

    এম এ আলিম রিপন
    সুজানগর প্রতিনিধি।

  • সুজানগরে বিএনপির উদ্যোগে বি-শাল বিজয় মিছি-ল

    সুজানগরে বিএনপির উদ্যোগে বি-শাল বিজয় মিছি-ল

    এম এ আলিম রিপন,সুজানগরঃ ৫ই আগস্ট স্বৈরাচারী ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনার পতনের বর্ষপূর্তি উপলক্ষ্যে বিজয় মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি সুজানগর উপজেলা ও পৌর শাখাসহ সকল অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে বের হওয়া মিছিলটি সুজানগর পৌর শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক গুলো প্রদক্ষিণ করে মন্ডল মার্কেটের সামনে গিয়ে শেষ হয়। এসময় মিছিলে অংশগ্রহণকারী দলীয় নেতাকর্মীরা সুজানগর উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব শেখ আব্দুর রউফ এর বহিস্কাদেশ প্রত্যাহারের দাবি জানান। তারা উল্লেখ করেন একটি মহলের ষড়যন্ত্রের শিকার দলের দুঃসময়ের ত্যাগী নেতা ও জনপ্রিয় নেতা শেখ আব্দুর রউফ,তাকে বিনা অপরাধে বহিস্কার করা হয়েছে তাই তার বহিস্কাদেশ প্রত্যাহারের দাবি জানান মিছিলে অংশগ্রহণকারী দলটির নেতাকর্মীরা ।
    পরে সুজানগর পৌর বিএনপির সভাপতি কামাল হোসেন বিশ্বাসের সভাপতিত্বে ও উপজেলা বিএনপির যুগ্ন আহ্বায়ক রাশেদুল ইসলাম বাবু মন্ডলের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি’র সুজানগর উপজেলা শাখার সাবেক সভাপতি আলহাজ্ব আজম আলী বিশ্বাস। প্রধান বক্তা ছিলেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি’র সুজানগর উপজেলা শাখার আহ্বায়ক আলহাজ্ব এবিএম তৌফিক হাসান। বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন পৌর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সালাম মোল্লা ও বর্তমান পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জসিম বিশ্বাস । অন্যদের মাঝে বক্তব্য দেন উপজেলা বিএনপির যুগ্ন আহ্বায়ক ওবায়দুল্লাহ, উপজেলা বিএনপির সাবেক দপ্তর সম্পাদক গোলাম মোর্তজা, পৌর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মঞ্জু শেখ, উপজেলা কৃষকদলের আহ্বায়ক শাহজাহান আলী শেখ, বিএনপি নেতা ইয়াকুব আলী,আলাউদ্দিন আলাল, সাফা, আলী আকবর, পৌর যুবদলের আহ্বায়ক আনোয়ার হোসেন মোল্লা, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবকদলের সিনিয়র যুগ্ন আহ্বায়ক রইজ বিশ্বাস,উপজেলা কৃষকদলের সদস্য সচিব আব্দুল মজিদ মন্ডল, পৌর যুবদলের সিনিয়র যুগ্ন আহ্বায়ক জাহিদ বিশ্বাস,সাবেক ছাত্রনেতা হাবিবুর রহমান রব, কৃষকদল নেতা বঁাশি, যুবনেতা বাবু খান, রেজা, রবিউল ইসলাম রবি, মালেক, উপজেলা ছাত্রদল নেতা শেখ কাউছার, মেহেদী হাসান, শেখ রুবেল, সৈকত হাসান ফিরোজ ও সিয়াম সরদার প্রমুখ।
    সমাবেশে সুজানগর উপজেলা বিএনপি এবং সহযোগী অঙ্গ সংগঠনের অসংখ্য নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।

    এম এ আলিম রিপন
    সুজানগর প্রতিনিধি।

  • শাজাহানপুরে রা-জনীতিতে এক নিবেদিত প্রা-ণ মোঃ আরমান মন্ডল

    শাজাহানপুরে রা-জনীতিতে এক নিবেদিত প্রা-ণ মোঃ আরমান মন্ডল

    মিজানুর রহমান মিলন,
    স্টাফ রিপোর্টার :

    বগুড়া জেলার শাজাহানপুর উপজেলায় বিএনপি দল করতে গিয়ে সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকারকারী এক নেতার নাম মোঃ আরমান মন্ডল।
    তিনি বর্তমানে উপজেলা বিএনপির সহ- ক্রিড়া ও সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক এবং মাঝিড়া ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদে দায়িত্ব পালন করছেন।

    বিগত আওয়ামী শাসনামলে ‘হাসিনা বিরোধী’ আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় থাকার কারণে হামলা-মামলায় নির্যাতিত হয়েও জাতীয়তাবাদের আদর্শ থেকে একটুও পিছপা হননি বিএনপির এই সাহসী নেতা। ছাত্রজীবন থেকেই তিনি বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে সরাসরি যুক্ত ছিলেন। দলের প্রতিটি দুঃসময়ে তিনি ছিলেন অটল ও অবিচল ।

    শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বীর উত্তম, গণতন্ত্রের মা দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া এবং বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের প্রতি তার অগাধ শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা—তাকে একটি স্পষ্ট রাজনৈতিক দর্শনের ধারক হিসেবে গড়ে তুলেছে।

    বিগত আওয়ামী শাসনামলে বিএনপির রাজনীতি করতে গিয়ে তিনি ১৮টি মিথ্যা মামলায় ৩ বার কারাবন্দী হয়েছেন।
    আওয়ামী দুঃশাসনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করতে গিয়ে ২০২৪ সালের ১৭ জুলাই উপজেলার মাঝিড়াস্থ নিজ বাড়ি থেকে গণঅভ্যুত্থান চলাকালে গ্রেফতার হন তিনি।
    ৫ আগস্ট স্বৈরশাসক হাসিনার পলায়নের পর, নির্বাহী আদেশে ৬ আগস্ট মুক্তি পান বিএনপির এই নেতা।

    এক সাক্ষাৎকারে বিএনপি নেতা মোঃ আরমান মন্ডল বলেন,

    “দলের দুর্দিনে আন্দোলন-সংগ্রামে সব সময় মাঠে থেকেছি। এজন্য মিথ্যা মামলায় বেশ কয়েকবার গ্রেফতারও হয়েছি। ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে গিয়েছিল, তবুও জাতীয়তাবাদের আদর্শ থেকে বিচ্যুত হইনি।”

    বস্তুত, মোঃ আরমান মন্ডলের মতো নেতারাই রাজনীতিকে শুধু প্রতিপক্ষবিরোধী আন্দোলন নয়, বরং আদর্শ-নিষ্ঠ সংগ্রামের রূপ দেন।
    তার জীবন ও সংগ্রাম একদিন প্রেরণার বাতিঘর হয়ে উঠবে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে, ইনশাআল্লাহ।

  • রামগড়ে বিজ-য় র‍্যালি”তারুণ্যের প্রথম ভোট ধা-নের শীষের পক্ষে

    রামগড়ে বিজ-য় র‍্যালি”তারুণ্যের প্রথম ভোট ধা-নের শীষের পক্ষে

    এমদাদ খান রামগড় প্রতিনিধি

    ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থানের প্রথম বর্ষপূর্তিতে” রামগড় উপজেলা বিএনপির আয়োজনে বর্ণাঢ্য বিজয় র‍্যালি অনুষ্ঠিত হয়। ফ্যাসিবাদ আওয়ামীলীগ সরকারের দীর্ঘ প্রায় দেড় যুগের দুঃশাসনের বিরুদ্ধে ছাত্র-জনতার আন্দোলনে গেল বছরের ৫ আগস্ট গণ-অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত হয় আওয়ামী লীগ। ফ্যাসিবাদ সরকারের পতন এবং ছাত্র-জনতার ঐতিহাসিক গণ-অভ্যুত্থানের প্রথম বর্ষপূর্তিতে (৫ আগষ্ট) মঙ্গলবার বিকালে খাগড়াছড়ি জেলা রামগড় উপজেলা ও পৌর বিএনপি, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে বর্ণাঢ্য আয়োজনে বিজয় র‍্যালি অনুষ্ঠিত হয়।
    উপজেলা বিএনপির সভাপতি জসিম উদ্দিন”  ও সাধারণ সম্পাদক শাফায়েত মোর্শেদ ভুঁইয়া (মিঠু)” পৌর বিএনপির সভাপতি বাহার উদ্দিন” সাধারণ সম্পাদক সেফায়েত উল্লাহ ভুঁইয়া” এবং জেলা বিএনপির সহ সভাপতি হাফেজ আহাম্মদ ভুঁইয়া” নেতৃত্বে দলের সিনিয়র নেতৃবৃন্দ ও অঙ্গসংগঠনের নেতা-কর্মীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে দলীয় অফিস থেকে বের হওয়া বিজয় র‍্যালি উপজেলা প্রশাসন চত্বর হয়ে রামগড় পৌর শহর পদক্ষিণ করে দলীয় অফিসে এসে শেষ হয়। বিজয় র‍্যালি শেষে বক্তব্য রাখেন, উপজেলা বিএনপির সভাপতি জসিম উদ্দিন, সাধারণ সম্পাদক শাফায়েত মোর্শেদ মিঠু, পৌর বিএনপির সভাপতি বাহার উদ্দিন, সাধারণ সম্পাদক সেফায়েত উল্লাহ ভুঁইয়া, জেলা বিএনপির সহ সভাপতি হাফেজ আহাম্মদ ভুঁইয়া। 
    “নির্বাচনে তারুণ্যের প্রথম ভোট ধানের শীষের পক্ষে হোক জানিয়ে বক্তরা বলেন, তারেক রহমানের নেতৃত্বে আমরা দেখি একটা নতুন বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন, যেখানে থাকবে না দুঃশাসন, থাকবে না অন্যায়, থাকবে শুধু ন্যায়, স্বাধীনতা ও গণতন্ত্র।
    জুলাই অভ্যুত্থান আমাদের স্মরণ করিয়ে দেয় যে, গণতন্ত্র কখনো কারও দয়ায় আসে না, এটি অর্জন করতে হয় আন্দোলন, ত্যাগ ও ঐক্যের মাধ্যমে। গত ১৬ বছর আমরা সেই সংগ্রামে ছিলাম।

    মোহাম্মদ এমদাদুল হক
    রামগড় প্রতিনিধি ।।

  • বৃহত্তর রাজধানী মিরপুরে ছাত্র জ-নতার মা-নববন্ধন

    বৃহত্তর রাজধানী মিরপুরে ছাত্র জ-নতার মা-নববন্ধন

    সুমন খান:

    বর্তমান সরকারের দুঃশাসন, দমননীতি ও ছাত্র গণহত্যার প্রতিবাদে এবং ইতিহাসের কুখ্যাত স্বৈরাচারী শাসক শেখ হাসিনা, খুনি নিখিল ও কুখ্যাত ভূমিদস্যু খুনি ডিপজলসহ সকল আওয়ামী দোসরদের দ্রুত বিচারের দাবিতে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছে বৃহত্তর মিরপুরের ছাত্র-জনতা।

    মানববন্ধনটি অনুষ্ঠিত হয় আজ বিকেল ৪টায় রাজধানীর দারুস সালাম টাওয়ারের সামনে, দারুস সালাম সড়কে। এতে বিপুলসংখ্যক ছাত্র, যুবক, নারীসহ বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষ উপস্থিত হয়ে ফ্যাসিবাদবিরোধী স্লোগানে পুরো এলাকা প্রকম্পিত করে তোলে।

    নির্যাতনের বিচার ও ন্যায়বিচারের দাবিতে উত্তাল জনতা

    আয়োজকরা বলেন,
    দেশের ছাত্রসমাজ, যুবসমাজ এবং সাধারণ মানুষ আজ জেগে উঠেছে। ইতিহাসের নির্মমতম ফ্যাসিস্ট সরকার শেখ হাসিনার নেতৃত্বে যারা দেশের গণতন্ত্র, বাকস্বাধীনতা ও শিক্ষাঙ্গনকে ধ্বংস করেছে—তাদের বিচারের দাবিই আজকের মানববন্ধনের মূল বার্তা।

    তারা আরও বলেন,
    “যারা ছাত্রদের রক্তে হাত রাঙিয়েছে, যারা ভূমি লুট করে সাধারণ মানুষের শেষ আশ্রয়টুকু কেড়ে নিয়েছে—তাদের শাস্তি না হওয়া পর্যন্ত রাজপথ ছাড়ব না। এই আন্দোলন শুধুই শুরু। গণদাবির চাপে সরকারকে মাথা নত করতেই হবে।
    উল্লেখযোগ্য উপস্থিতি:

    মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন—

    সাইদুল ইসলাম সাইদুল, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক, ঢাকা মহানগর উত্তর স্বেচ্ছাসেবক দল; বিএনপি মনোনীত কাউন্সিলর প্রার্থী, ৯ নং ওয়ার্ড

    সেলিনা হাফিজ, কেন্দ্রীয় কৃষি বিষয়ক সম্পাদক, মহিলা দল

    রাজীব আহম্মেদ, সহ-সভাপতি, ঢাকা মহানগর উত্তর স্বেচ্ছাসেবক দল

    সোহেল রহমান, সদস্য, যুবদল ঢাকা মহানগর উত্তর

    আরিফ মৃধা, সায়েম মন্ডল, বাবুল মিয়া, আবুল কালাম, ইকবাল মাহমুদ রিপন, যুগ্ম আহ্বায়ক ও নেতৃবৃন্দ, দারুস সালাম থানা বিএনপি

    আবুল বাঁশার ভূঁইয়া, মাসুদ আক্তার পলাশ, আব্দুস সালাম চৌধুরী, মোঃ নাসির, যুগ্ম আহ্বায়ক ও সদস্যবৃন্দ, মিরপুর থানা বিএনপি

    গিয়াসউদ্দিন দেওয়ান, সোলায়মান দেওয়ান, যুগ্ম আহ্বায়ক, শাহ্‌আলী থানা বিএনপি

    মোঃ শামীম আহমেদ, বশির আহমেদ, মীর আবু বক্কর সিদ্দিক মাকসুদ, সোহেল রানা, ৭–১০ নং ওয়ার্ড বিএনপির নেতৃবৃন্দ

    মোঃ আফজাল হোসেন, শাকিল আহম্মেদ স্বপন, মনসুর আহমেদ, শাহরিয়ার দিল খায়ের শিপু, ১১–১২ নং ওয়ার্ড বিএনপি

    কে.এম. ইয়াহিয়া সামী, মির্জা মাসুদ পারভেজ, যুগ্ম আহ্বায়ক, স্বেচ্ছাসেবক দল (মিরপুর ও দারুস সালাম থানা)

    মোখলেসুর রহমান মোখলেস, অনিক রহমান, আকিল আহম্মেদ অনিক, ওমর নাঈম, ইঞ্জিনিয়ার রুমন আহমেদ, ছাত্রদল নেতৃবৃন্দ

    নিপা, সেলিনা আক্তার কণিকা, জোৎস্না বেগম, মহিলা দল (মিরপুর থানা)

    মোঃ জাকিরুল আলম, সদস্য সচিব, দারুস সালাম থানা ওলামা দল
    উপসংহার:
    এই মানববন্ধনের মাধ্যমে রাজধানীর রাজপথে আরেকবার জনগণের ক্ষোভ, ঘৃণা ও ন্যায়বিচারের প্রত্যাশা দৃশ্যমান হলো। আয়োজকরা জানিয়েছেন, আন্দোলন চলবে এবং দেশের প্রতিটি এলাকায় এই গণআন্দোলন ছড়িয়ে দেওয়া হবে। সময় এসেছে অন্যায়ের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর।

  • তানোরে বিএনপির স্ব-রণকালের স-র্ববৃহৎ  শো-ভাযাত্রা

    তানোরে বিএনপির স্ব-রণকালের স-র্ববৃহৎ শো-ভাযাত্রা

    আলিফ হোসেন,তানোরঃ
    রাজশাহীর তানোরে ৩৬ জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস ও ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের পতন উপলক্ষে উপজেলা বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে স্বরণকালের সর্ববৃহৎ আনন্দ শোভাযাত্রা আয়োজন করা হয়েছে।
    জানা গেছে, ৫ আগষ্ট মঙ্গলবার উপজেলা বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে আয়োজিত স্বরণকালের সর্ববৃহৎ শোভাযাত্রায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী-১ আসনে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী মেজর জেনারেল অবঃ শরিফ উদ্দিন। তানোর পৌরসভার সাবেক মেয়র ও জেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটির সদস্য মিজানুর রহমান মিজানের সার্বিক তত্ত্বাবধানে আয়োজিত স্মরণকালের সর্ববৃহৎ আনন্দ শোভাযাত্রায়
    অন্যান্যদের মধ্যে আরো উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির আহবায়ক আখেরুজ্জামান হান্নান, কামারগাঁ ইউপি বিএনপির সভাপতি প্রভাষক জাহিদুর রহমান জাহিদ,পাঁচন্দর ইউপি বিএনপির সভাপতি সহকারী অধ্যাপক মুজিবুর রহমান, চাঁন্দুড়িয়া ইউপি বিএনপির সভাপতি আবুল কালাম আজাদ, সম্পাদক সাজ্জাদ হোসেন,গোলাম মোর্তুজা, সুলতান আহম্মেদ, শরিয়তুল্লাহ,
    সাইফুল ইসলাম, মিজানুর রহমান লাটু, রায়হান আলী, মোতালেব হোসেন, কামরুল ইসলাম , জার্জিস মন্ডল,
    মুঞ্জুর রহমান, ওবাইদুর মাস্টার,মাহাবুব মোল্লা ও জালাল উদ্দীনপ্রমুখ।এছাড়াও উপজেলার দুটি পৌরসভা এবং সাতটি ইউনিয়নের (ইউপি) বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের সকল কমিটির সভাপতি, সম্পাদক ও সাংগঠনিক সম্পাদকসহ বিভিন্ন স্তরের কয়েক হাজার নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন। এদিকে এদিন বিএনপির উদ্যোগে আয়োজিত শোভাযাত্রায় নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে এটি স্মরণকালের সর্ববৃহৎ শোভাযাত্রায় পরিণত হয়।
    এদিকে আনন্দ শোভাযাত্রা শেষে থানা মোড়ে পথসভা অনুষ্ঠিত হয়। পথ সভায় বক্তাগণ বলেন, সাবেক মেয়র মিজানুর রহমান মিজানের নেতৃত্বে আজকের এই জনসমুদ্র প্রমাণ করে তানোর বিএনপিতে তার কোনো বিকল্প নাই,আমরা দলের বৃহত্তর স্বার্থে মিজান ভাইয়ের কথিত বহিষ্কারাদেশ দ্রুত প্রত্যাহার চাই, করতে হবে।#

  • বগুড়ার পুণ্ড্র বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘জুলাই গ-ণঅভ্যুত্থান দিবস’ উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

    বগুড়ার পুণ্ড্র বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘জুলাই গ-ণঅভ্যুত্থান দিবস’ উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

    জি এম রাঙ্গা :

    বগুড়া: বাংলাদেশের ইতিহাসে এক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস’ পালিত হয়েছে বগুড়ার কৃতি সন্তান, দেশের সমাজ পরিবর্তন ও নারী উন্নয়নের অগ্রদূত, বিশিষ্ট সমাজ সেবক, শিক্ষাবিদ, আনসার- ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংকের পরিচালক অধ্যাপিকা ডক্টর হোসনে-আরা বেগম প্রতিষ্ঠিত শীর্ষ পর্যায়ের ও আন্তর্জাতিক মানের বে-সরকারি উন্নয়ন সংস্থা টিএমএসএসের শিক্ষা সেক্টরের আওতাধীন পরিচালিত বগুড়ার পুণ্ড্র ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স এন্ড টেকনোলজি বিশ্ববিদ্যালয়ে। এ দিবস পালন উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক আয়োজিত বিশ্ববিদ্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ৫ আগষ্ট আয়োজিত এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মুহাঃ সুজন শাহ-ই ফজলুল এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত থেকে জুলাই গনঅভ্যুত্থান সম্পর্কে নানা দিক নির্দেশনা মূলক বক্তব্য দেন পুন্ড্র বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ডক্টর চিত্ত রঞ্জন মিশ্র। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন টিএমএসএসের উপনির্বাহী পরিচালক-২ রোটারিয়ান ডাঃ মোঃ মতিউর রহমান ও টিএমএসএস এর উপদেষ্টা বিশ্ববিদ্যালয়েরর রেজিস্ট্রার প্রফেসর আনসার আলী তালুকদার। বক্তারা গণঅভ্যুত্থানের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট, তাৎপর্য এবং বর্তমান প্রেক্ষাপটে এর প্রাসঙ্গিকতা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। টিএমএসএস-এর শিক্ষা সেক্টরের অধীন পরিচালিত বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পুণ্ড্র ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স এন্ড টেকনোলজি ট্রাস্টের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান এবং টিএমএসএস-এর ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী পরিচালক ও বর্তমান তরুণ প্রজন্মের অহংকার বিশিষ্ট সমাজ সেবক বিসিএল গ্রুপের এমডি টি.এম আলী হায়দার। তিনি তাঁর বক্তব্যে জুলাই গণঅভ্যুত্থান’র ঐতিহাসিক গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন “এই অভ্যুত্থান ছিল বাংলাদেশের জনগণের অধিকার আদায়ের এক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। তৎকালীন শাসকগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে সাধারণ মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত প্রতিরোধ কীভাবে একটি জাতির ভাগ্য পরিবর্তন করতে পারে, তা এই অভ্যুত্থান আমাদের শিখিয়েছে। তিনি আরও বলেন “নতুন প্রজন্মকে বাংলাদেশের সঠিক ইতিহাস সম্পর্কে জানাতে হবে। মুক্তিযুদ্ধের চেতনা এবং গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ সমুন্নত রাখতে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মতো ঐতিহাসিক ঘটনাগুলো থেকে আমাদের অনুপ্রেরণা নিতে হবে। টি.এম আলী হায়দার তরুণ প্রজন্মের উদ্দেশ্যে বলেন, ইতিহাস থেকে শিক্ষা নিয়ে আমাদের দেশের অগ্রযাত্রায় অবদান রাখতে হবে। প্রধান অতিথি পুণ্ড্র বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. চিত্তরঞ্জন মিশ্র গণঅভ্যুত্থানের তাৎপর্য তুলে ধরে বলেন “গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা এবং জনগণের অধিকার আদায়ে এই অভ্যুত্থান এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছিল। এমন ঐতিহাসিক ঘটনাগুলো আমাদের স্মরণ করিয়ে দেয় যে, দেশের সার্বভৌমত্ব ও জনগণের অধিকার রক্ষায় সচেতন থাকা কতটা জরুরি।” তিনি আরও বলেন, এই দিবস উদযাপনের উদ্দেশ্য হলো শিক্ষার্থীদের মধ্যে দেশপ্রেম ও ইতিহাস সচেতনতা বৃদ্ধি করা। এ অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন টিএমএসএস-এর প্রতিষ্ঠাতা ও নির্বাহী পরিচালক অধ্যাপিকা ড. হোসনে আরা বেগম-এর একান্ত সচিব সার্বিক মো. ফেরদৌস রহমান। বক্তারা তাঁদের বক্তব্যে সেই সময়ের রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিস্থিতি, জনগণের দুর্বার আন্দোলন এবং এর ফলে অর্জিত সাফল্য নিয়ে গভীর আলোচনা করেন। শিক্ষক-শিক্ষার্থী, বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারী, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার কর্মীরা এই আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন। বক্তারা আশা প্রকাশ করেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনা নতুন প্রজন্মকে একটি উন্নত ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গঠনে অনুপ্রাণিত করবে।

  • বগুড়ায় গাক-এর মাসব্যাপী বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি উদ্বোধন

    বগুড়ায় গাক-এর মাসব্যাপী বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি উদ্বোধন

    জি এম রাঙ্গা :

    বগুড়া: জলবায়ু পরিবর্তনের মারাত্মক প্রভাব মোকাবিলা এবং পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় দেশের শীর্ষ স্থানীয় ও জাতীয় পর্যায়ের বে-সরকারি উন্নয়ন সংস্থা গ্রাম উন্নয়ন কর্ম (গাক) বগুড়ার বনানীর প্রধান কার্যালয়ে মাসব্যাপী বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেছে।সংস্থার পক্ষ থেকে দেশজুড়ে সদস্যের মধ্যে গাছের চারা বিতরণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। মঙ্গলবার, ৫ আগস্ট, গাক-এর প্রতিষ্ঠাতা ও নির্বাহী পরিচালক ড. খন্দকার আলমগীর হোসেন এই কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। তিনি বলেন, বৈশ্বিক তাপমাত্রা বৃদ্ধি আজ আমাদের সবার জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ। এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় বৃক্ষ রোপণের কোনো বিকল্প নেই। আমাদের এই কর্মসূচির মূল উদ্দেশ্য হলো প্রতিটি সদস্যের মধ্যে পরিবেশ সচেতনতা তৈরি করা এবং তাদের বাড়ির আঙিনায় সবুজায়নের মাধ্যমে পুষ্টি ও অর্থনৈতিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।’ তিনি আরও জানান, মাসব্যাপী এই কর্মসূচিতে সারা দেশের গাক-এর লক্ষাধিক সদস্যদের মধ্যে সকল শাখার মাধ্যমে ফলজ, বনজ ও ঔষধি এই তিন ধরনের গাছের মোট চারটি করে চারা সদস্যদের মধ্যে বিতরণ করা হবে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে গাক-এর সিনিয়র পরিচালক ড. মোঃ মাহবুব আলম বলেন, একটি গাছ শুধু অক্সিজেনই দেয় না, এটি পরিবেশের তাপমাত্রা কমাতেও সহায়তা করে। এই কর্মসূচি গাক-এর সামাজিক দায়বদ্ধতারই একটি অংশ। আমরা আশা করি, আমাদের সদস্যরা এই চারাগুলো সযত্নে পরিচর্যা করে বড় করে তুলবেন, যা আগামী প্রজন্মের জন্য একটি স্বাস্থ্যকর পরিবেশ নিশ্চিত করবে।’ এছাড়াও অনুষ্ঠানে যুগ্ম পরিচালক মোঃ রবিউল ইসলাম এবং সহকারী পরিচালক মোঃ জিয়া উদ্দিন সরদার বক্তব্য প্রমুখ বক্তব্য দেন। তারা বলেন, এই কর্মসূচির মাধ্যমে আমরা শুধু গাছ বিতরণ করছি না, বরং জলবায়ু পরিবর্তনের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে জনগণকে সরাসরি সম্পৃক্ত করছি। একটি গাছ যেমন আমাদের পুষ্টির চাহিদা মেটায়, তেমনই এটি কার্বন শোষণ করে বাতাসকে বিশুদ্ধ রাখে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সংস্থার উর্ধ্বতন কর্মকর্তা, বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ, সুবিধাভোগী সদস্য এবং গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। এ সময় প্রতীকী হিসেবে ২ শতাধিক সদস্যের হাতে বিভিন্ন জাতের ৪টি করে গাছের চারা তুলে দেওয়া হয়। গাক আশা করছে, এই কর্মসূচির মাধ্যমে দেশজুড়ে সবুজ বনায়ন বৃদ্ধি পাবে এবং জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় একটি ইতিবাচক ভূমিকা রাখা সম্ভব হবে।

  • পুঠিয়ায় গ-ণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে বিএনপির আলো-চনা সভা ও আনন্দ মিছিলের  

    পুঠিয়ায় গ-ণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে বিএনপির আলো-চনা সভা ও আনন্দ মিছিলের  

    পুঠিয়া (রাজশাহী) প্রতিনিধিঃ

     পুঠিয়ায় গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে উপজেলা বিএনপি, পৌর বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের যৌথ উদ্যোগে আলোচনা সভা ও আনন্দ মিছিলের আয়োজন করা হয়। পুঠিয়া উপজেলা চত্ত্বর থেকে আনন্দ মিছিলটি শুরু হয়ে উপজেলার মহাসড়ক প্রদক্ষিণ করে। এর আগে উপজেলা চত্ত্বরে আলোচনা সভায় প্রধান হিসেবে বক্তব্য রাখেন, পুঠিয়া উপজেলার সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান, রাজশাহী জেলা বিএনপির সদস্য ও ২০০৮ ও ২০১৮ সালের ধানের শীষের প্রার্থী অধ্যাপক নজরুল ইসলাম। পুঠিয়া উপজেলা বিএনপির আহবায়ক ও কেন্দ্রী কমিটির অন্যতম সদস্য বুবক্কর সিদ্দিক সভাপতিত্বে বক্তব্য  রাখেন, উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি সাবেক ছাত্র নেতা আমিনুল ইসলাম মিন্টু, সাবেক পৌর মেয়র ও সাবেক পৌর বিএনপির সভাপতি আসাদুল ইসলাম আসাদ, উপজেলা বিএনপির যুগ্ন আহবায়ক আবু হায়াত, উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব এনতাজুল ইসলাম বাবু, কৃষক দলের আহবায়ক রিপন রেজা, সদস্য সচিব মাহাবুবুর রহমান, সেচ্ছাসেবক দলের  ওয়াসিম আলী, জেলা যুবদলের সদস্য ফারুক হোসেন, যুবদলের মাসুদ রানা, ছাত্রদলের হুমায়ন কবির প্রমুখ। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনায় ছিলেন, রাকিব চেয়ারম্যান। 

    এছাড়াও পুঠিয়া পৌরসভার সাবেক মেয়র আল মামুনের নেতৃত্বে একটি আনন্দ মিছিল বের করা হয়।

    মাজেদুর রহমান (মাজদার) 
    পুঠিয়া, রাজশাহী।