Author: desk

  • থানচিতে ক্যচুপাড়া বিনামূল্যে স্বাস্থ্য সেবা ক্যাম্পেইন ৩৮ বিজিবি

    থানচিতে ক্যচুপাড়া বিনামূল্যে স্বাস্থ্য সেবা ক্যাম্পেইন ৩৮ বিজিবি

    থানচি (বান্দরবান) প্রতিনিধি : মথি ত্রিপুরা।

    বান্দরবানের থানচিতে ক্যচুপাড়া আশেপাশে এলাকার স্থানীয় জনসাধারণের স্বাস্থ্য সেবায় মেডিকেল ক্যাম্পেইন পরিচালনা করেছে বলিপাড়া ব্যাটালিয়ন (৩৮ বিজিবি)।
    বুধবার (০৬ আগস্ট) সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত বলিপাড়া ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক বিএ-৭৮১৯ লেঃ কর্নেল মোঃ জহিরুল ইসলাম, জি আর্টিলারি এর নির্দেশনা এবং সার্বিক তত্ত্বাবধানে বলিপাড়া ব্যাটালিয়নের (৩৮ বিজিবি) এর মেডিকেল টিম কর্তৃক চিকিৎসা সেবা প্রদান করা হয়।
    মেডিকেল ক্যাম্পেইন এর মাধ্যমে থানচি উপজেলার ক্যচুপাড়া আশেপাশে এলাকার স্থানীয় গরীব ও অসহায় নারী, পুরুষ, শিশু ও বৃদ্ধাসহ সর্বমোট ৮৪ জন (পুরুষ-১০, মহিলা-৬২ এবং শিশু-১২) সদস্যের মাঝে বিনামূল্যে স্বাস্থ্য পরীক্ষা, ঔষধ বিতরণ এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সহায়ক সামগ্রী প্রদান করা হয়েছে। থানচি উপজেলাসহ সীমান্তবর্তী দুর্গম পাহাড়ী এলাকা গুলো এখনও উন্নত চিকিৎসা সেবা হতে বঞ্চিত। এমন পরিস্থিতিতে বলিপাড়া ব্যাটালিয়ন (৩৮ বিজিবি) নিয়মিতভাবে সীমান্তের দুর্গম পাহাড়ী এলাকাতেও বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা দিয়ে আসছে।
    আরও জানা যায় , ইতোপূর্বে বলিপাড়া ব্যাটালিয়ন (৩৮ বিজিবি) গরীব ও অসহায়দের মাঝে বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবাসহ বিভিন্ন কল্যাণমূলক কর্মকান্ড পরিচালনা করে আসছে এবং ভবিষ্যতেও বলিপাড়া ব্যাটালিয়ন (৩৮ বিজিবি) এ ধরণের কল্যাণমূলক কর্মকান্ড অব্যাহত থাকবে বলে জানান বলিপাড়া ব্যাটালিয়ন (৩৮ বিজিবি)’র পক্ষ থেকে।

  • জুলাই গ-ণঅভ্যুত্থানের বর্ষপূর্তিতে বিএনপির নেতা আ: করিম সরকারের  মিছিলে জ-নতার ঢল

    জুলাই গ-ণঅভ্যুত্থানের বর্ষপূর্তিতে বিএনপির নেতা আ: করিম সরকারের মিছিলে জ-নতার ঢল

    মো. সেলিম মিয়া ফুলবাড়িয়া প্রতিনিধি: যুবদল কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সাবেক প্রচার সম্পাদক ও জেলা বিএনপির সদস্য জননেতা আব্দুল করিম সরকার বলেছেন, ৩৬ জুলাই (০৫ আগস্ট) দেশের ইতিহাসে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ একটি দিন। আল্লাহ সীমালঙ্ঘনকারীদের পছন্দ করেন না।অন্যায়ের প্রতিবাদে বুক পেতে দিয়েছিলো আবু সাঈদ, সারাদেশে তরুণ ছাত্র-ছাত্রীরা ঝাঁপিয়ে পড়েছিলো। জুলাই আন্দোলনের স্পিরিট যেন হারিয়ে না যায়, দেশবাসীকে সে ব্যাপারে বদ্ধপরিকর থাকতে হবে

    ফুলবাড়ীয়া উপজেলা ও পৌর বি এন পির অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে আয়োজিত
    বিজয় মিছিল প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্যকালে এসব কথা বলেন। মঙ্গলবার (০৫ আগস্ট)বিকেলে ফুলবাড়ীয়া ডিগ্রি কলেজ ক্যাম্পাস থেকে বিজয় মিছিল সদরে মেইন হয়ে ভালুকজান বাজারে মাছের আড়ৎ মোড়ে সমাবেশ করেন।বিজয় মিছিলে উপজেলার ১ টি পৌরসভা ও ১৩ টি ইউনিয়ন থেকে হাজার হাজার বিএনপির অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা অংশ গ্রহণে ইতিহাস করেছেন কেন্দ্রীয় নেতা করিম সরকার।

    বিজয় মিছিল উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বি এন পির পির সাবেক আহবায়ক এবি সিদ্দিক,উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক আশিকুল হক আশিক, জেলা যুবদলের সহ সভাপতি আনোয়ার সাহাদাত আনার,জেলা যুবদলের সহ সাধারণ সম্পাদক ইমরুল কায়েস এলিস,পৌর যুবদলের সাধারণ সম্পাদক লুৎফর কবির সালেক,উপজেলা মহিলা দলের শিরিন আক্তার,উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব কুদরত ই কামাল উজ্জ্বল,উপজেলা ছাত্রদলের আহবায়ক দেলোয়ার হোসেন, যুগ্ম আহবায়ক এজিএম ফাহাদ,পৌর ছাত্রদলের আহবায়ক হাসমত আলী মন্ডল প্রমুখ।

  • জুলাই গ-ণঅভ্যুত্থানের বিজয় মিছিলের নে-তৃত্বে অধ্যক্ষ মোহাঃ সিরাজ

    জুলাই গ-ণঅভ্যুত্থানের বিজয় মিছিলের নে-তৃত্বে অধ্যক্ষ মোহাঃ সিরাজ

    মো. সেলিম মিয়া ফুলবাড়িয়া প্রতিনিধি: ময়মনসিংহ জেলা জিয়া সাংস্কৃতিক সংগঠন (জিসাস)এর সহ সভাপতি অধ্যক্ষ মোহাম্মদ সিরাজুল ইসলাম নেতৃত্বে বিজয় মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
    মঙ্গলবার (৫ আগষ্ট) বিকেলে ফুলবাড়ীয়া উপজেলা, পৌর বিএনপি ও সকল অঙ্গ এবং সহযোগী সংগঠনের আয়োজনে মিছিলটি শহরের ছনকান্দা সড়ক থেকে শুরু হয়ে বাজারের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে ভালুকজান বাজার হয়ে ফুলবাড়ীয়া কলেজ প্রাঙ্গনে এসে শেষ হয়।
    পরে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে অধ্যক্ষ মোঃ সিরাজুল ইসলাম বলেছেন, গত বছরের এই দিনে ছাত্র জনতার গণ-অভ্যুত্থানের মাধ্যমে স্বৈরাচারী হাসিনার পতন ঘটেছে। এই বিজয় রক্ষার্থে আগামী নির্বাচনে ধানের শীষের প্রার্থীকে বিজয়ী করে সংসদে পাঠাতে হবে। তাহলে দেশের অর্থনীতি মুক্তি আসবে। জানা যায়,উপজেলাবাসী চিন্তা করেনি অধ্যক্ষ সিরাজুল ইসলামের এত জনমত।বিজয় মিছিল করে ইতিহাস করে গেলেন এই শিক্ষা অনুরাগী। অধ্যক্ষ সিরাজুল ইসলামের মনে কোন হিংসা বিদ্বেষ নেই। তার অন্তর ভালো মন ভালো। একটি মহল তার বিরুদ্ধে মিথ্যা অপপ্রচার করে যাচ্ছে। তাতে কোন লাভ হবে না।
    মিছিলে অন্যান্যদের মাঝে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা বিএনপির সদস্য শামসুর রহমান সুমন, আছিম পাটুলী ইউনিয়ন বিএনপি নেতা আব্দুল লতিফ তরফদার খোকা,উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্য আজিজুল হক লিখন বালিয়ান ইউনিয়ন বিএনপি নেতা ফারুক হোসেন খান, ফুলবাড়ীয়া ইউনিয়ন যুবদলের সহ সভাপতি প্রকৌশলী আনোয়ার হোসেন সেলিম সরকার , উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাব্বির হোসেন রবিন, ছাত্রদল নেতা আশরাফুল ইসলাম, নাসরুল্লাহ মারুফ, আবু হুরায়রা ও ইলিয়াস মন্ডল প্রমুখ।

  • শিক্ষার্থীদের মেধা ও মননের বিকাশে খেলাধুলা ও সংস্কৃতি চর্চার বি-কল্প নেই- বিভাগীয় কমিশনার

    শিক্ষার্থীদের মেধা ও মননের বিকাশে খেলাধুলা ও সংস্কৃতি চর্চার বি-কল্প নেই- বিভাগীয় কমিশনার

    আরিফ রববানী ময়মনসিংহ।।
    ময়মনসিংহ বিভাগীয় কমিশনার মোখতার আহমেদ বলেছেন-শিক্ষার্থীদের মেধা ও মননের বিকাশে খেলাধুলা ও সংস্কৃতি চর্চার আয়োজন করতে হবে। সুস্থ, সবল ও দক্ষ প্রজন্ম গঠনে খেলাধুলা ও শরীর চর্চার কোনো বিকল্প নেই। তিনি বলেন-খেলাধুলার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের মধ্যে নেতৃত্ব, সহযোগিতা ও শৃঙ্খলাবোধের মতো গুণাবলী বিকশিত হয়।

    বুধবার (৬ আগষ্ট) সকাল ১১টায় ময়মনসিংহ সদর উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মাঝে বাদ্যযন্ত্র ও ক্রীড়া কিডা সামগ্রী বিতরণ অনষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন বিভাগীয় কমিশনার মোঃ মোখতার আহমেদ। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের খেলাধুলার সুযোগ করে দিলে এতে শিক্ষার্থীদের সুস্থ ও সুন্দর জীবন ধারণে সহায়ক হয় জানিয়ে তিনি আরও বলেন-
    জীবনকে বিকশিত ও আলোকিত করতে হলে অবশ্যই আদর্শ শিক্ষায় শিক্ষিত হতে হবে। আর ক্রীড়া ও শরীর চর্চা মানসিক বিকাশ, প্রশান্তি ও চিত্ত শুদ্ধির অন্যতম উপাদান।

    উপজেলা নির্বাহী অফিসার আরিফুল ইসলাম প্রিন্স এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মো. আজিম উদ্দিন। এসময় অন্যান্যদের মাঝে উপস্থিত ছিলেন সহকারী কমিশনার ভূমি (এসিল্যান্ড) সাঈদ মোহাম্মদ ইব্রাহিম,উপজেলা প্রকৌশলী আব্দুল্লাহ আল মামুন,কৃষি অফিসার জোবায়রা বেগম সাথী, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পঃপঃ কর্মকর্তা ডাঃ শাহজাহান কবির,উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার বেলায়েত হোসেন, সিনিয়র মৎস কর্মকর্তা ড.ফারজানা হোসেন, উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা নাসিমা খাতুন,উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ও ভাবখালি ইউনিয়ন পরিষদ এর দায়িত্ব প্রাপ্ত প্রশাসক
    আসমা উল হুসনা ফাতেমা জান্নাতুল ফেরদৌস, উপজেলা আইসিটি কর্মকর্তা ও কুষ্টিয়া ইউনিয়ন পরিষদ এর দায়িত্ব প্রাপ্ত প্রশাসক হাবিবুল্লাহ প্রমুখ।

    বিশেষ অতিথির বক্তব্যে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মো. আজিম উদ্দিন বলেন, বিগত সময়ে সরকারের উন্নয়ন বরাদ্দ বণ্টনে প্রবল বাঁধা ছিল। চাইলেও সুষ্ঠু বণ্টন করা যেত না। তবে এখন থেকে প্রতিটি উন্নয়ন বরাদ্দের সুষ্ঠু বণ্টন নিশ্চিত করা হবে

    বিভাগীয় কমিশনার মো. মোখতার আহমেদ বলেছেন, বিগত সময়ে সরকারের উন্নয়ন বরাদ্দ সুষ্ঠুভাবে বণ্টন হতো না। সবকিছু ছিল অস্পষ্ট। কিন্তু এখন প্রতিটি সরকারি বরাদ্দ স্বচ্ছতার সঙ্গে বণ্টন হচ্ছে। এটি আমাদের জন‍্য একটি পজেটিভ বার্তা।
    এ সময় বিভাগীয় কমিশনার সরকারের উন্নয়ন বরাদ্দ সুষ্ঠু বণ্টনের জন‍্য উপজেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানান।

    অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির আগমনকে স্বাগত জানিয়ে তাকে ফুলের শুভেচ্ছা বরণ করে নেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার আরিফুল ইসলাম প্রিন্স এর নেতৃত্বে প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা কর্মচারীরা।

    স্বাগত বক্তব্যে ইউএনও আরিফুল ইসলাম প্রিন্স বলেন-খেলাধুলা মানসিক সু-প্রবৃত্তির প্রবৃদ্ধি এবং কু-প্রবৃত্তির হ্রাস ঘটায়। খেলাধুলা ও সংস্কৃতি চর্চা তরুণ প্রজন্মকে মাদক, সন্ত্রাস, নৈরাজ্য, সাম্প্রদায়িকতা ও জঙ্গিবাদ থেকে দূরে রাখে। খেলাধুলা ও সংস্কৃতি চর্চা মানসিক বিকাশ ঘটায়, ভ্রাতৃত্ববোধের সৃষ্টি করে এবং মানবিক আচার-আচরণের অনুশীলন ঘটায়। নিয়মিত খেলাধুলা ও সংস্কৃতি চর্চার মধ্য দিয়ে একজন শিক্ষার্থী, তরুণ ও যুব সমাজের পরিপূর্ণ মানসিক বিকাশ সম্ভবপর হয়ে ওঠে; এ কারণে ক্রীড়া ও শরীর চর্চাকেও অন্যান্য অপরিহার্য বিষয়ের সাথে সমান গুরুত্ব দিয়েছে উপজেলা প্রশাসন। ইউএনও মো. আরিফুল ইসলামের প্রিন্স বলেন, এডিপির অর্থায়নে সংশ্লিষ্ট সকল নীতিমালা মেনে এই বরাদ্দ সুষ্ঠু বণ্টন করা হয়েছে। আমরা চাই সরকারি অর্থের স‍ৎ ব‍্যবহার।

    এর আগে অনুষ্ঠানের সূচনা বক্তব্যে উপজেলা প্রকৌশলী আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, উপজেলার সার্বিক উন্নয়ন বরাদ্দ চাহিদার চেয়েও অনেক অপ্রতুল। বিগত এক যুগের অধিক সময় ধরে এই বরাদ্দের কোনো পার্থক্য হচ্ছে না। আশা করছি বতর্মান প্রশাসন এই বরাদ্দ বাড়ানোর জন‍্য প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করবেন।

    উপজেলা নির্বাহী অফিসার আরিফুল ইসলাম প্রিন্স
    জানান-চলতি অর্থ বছরে উপজেলার ৪০টি মাধ‍্যমিক এবং ৮টি প্রাথমিক বিদ‍্যালয়ে সাংস্কৃতি ও ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ করা হয়। এছাড়া পৃথক আয়োজনের মধ‍্যদিয়ে উপজেলার বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৭ জন শিক্ষার্থীর মাঝে হুইল চেয়ার বিতরণ করা হয়।

    প্রধান অতিথি পরে পরিস্কার পরিচ্ছন্নতা অভিযান ও বৃক্ষরোপন কর্মসুচীর অংশ হিসাবে উপজেলা প্রশাসন চত্বরে একটি কৃষ্ণচুড়া গাছের চারা রোপন করেন। অনুষ্ঠানে উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

  • শ্রীপুরে ভি-ক্ষাবৃত্তিতে নিয়োজিত জনগোষ্ঠীর পূ-র্নবাসন ও বিকল্প কর্মসংস্থান কর্মসূচির আওতায় অনুদান বিতরণ 

    শ্রীপুরে ভি-ক্ষাবৃত্তিতে নিয়োজিত জনগোষ্ঠীর পূ-র্নবাসন ও বিকল্প কর্মসংস্থান কর্মসূচির আওতায় অনুদান বিতরণ 

    জিল্লুর রহমান,
    মাগুরা প্রতিনিধি ।।

    মাগুরার শ্রীপুরে ভিক্ষাবৃত্তিতে নিয়োজিত জনগোষ্ঠীর পূর্নবাসন ও বিকল্প কর্মসংস্থান কর্মসূচির আওতায় অনুদান বিতরণ করা হয়েছে। শ্রীপুর উপজেলা প্রশাসন ও সমাজসেবা কার্যালয়ের আয়োজনে বুধবার সকালে উপজেলা পরিষদ চত্বরে এ অনুদান বিতরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। 

    এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রাখী ব্যানার্জী, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা আব্দুর রাজ্জাক, দারিয়াপুর ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান গোলাম মাওলা, নাকোল ইউনিয়ন পরিষদের ইউপি সদস্য চঞ্চল হোসেন প্রমুখ।

    এ সময় দারিয়াপুর ইউনিয়নের দারিয়াপুর গ্রামের নুরল বিশ্বাস ও নাকোল ইউনিয়নের জোৎশ্রীপুর গ্রামের প্রদীপ মণ্ডলকে ৫ টি ছাগল ও আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়।

  • আশুলিয়ায় মা-দকের কা-রবার ও দে-হব্যবসা ফি-টিংবা-জদের কাছে সাধারণ মানুষ জি-ম্মি ১২জনকে আ-টক

    আশুলিয়ায় মা-দকের কা-রবার ও দে-হব্যবসা ফি-টিংবা-জদের কাছে সাধারণ মানুষ জি-ম্মি ১২জনকে আ-টক

    হেলাল শেখ ঃ ঢাকার আশুরিয়ার বাইপাইলের চারালাড়া, জামগড়া ও ভাদাইল রূপায়ন আবাসন-১ এর ভেতরে বাইরে কিশোর গ্যাং মাদক সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজদের কাছে সাধারণ মানুষ জিম্মি হয়ে পড়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। মঙ্গলবার দিবাগত রাত ১১ টার দিকে আশুলিয়া থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে আশুলিয়ার বাইপাইল চারাল পাড়া থেকে অসামাজিক কাজে লিপ্ত থাকার ঘটনায় জড়িত ৫জন নারী ও ৭জন পুরুষসহ ১২ জনকে আটক করার খবর নিশ্চিত করেছেনা পুলিশ।
    জানা গেছে, মাদক সেবন, জুয়া খেলা এবং দেহব্যবসা ফিটিংবাজি নিয়ে হত্যাকাণ্ডসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড ঘটিয়েছে এসবের সাথে জড়িতরা, এরকম অনেক ঘটনা ঘটছে। এর আগে ঢাকার আশুলিয়ার জামগড়া রূপায়ন মাঠে শতাধিক কিশোর দেশীয় অস্ত্র চাকু ছুরি নিয়ে মহড়া দিয়েছে। এর আগে আশুলিয়ার জামগড়া উত্তর মীর বাড়ির বাসিন্দা ইন্টারনেট ব্যবসায়ী তাজিবুল মীর (৩১) মদ্যপান করানোর কারণে মৃত্যুবরণ করেন। ভাই বন্ধু পরস্পর যোগসাজসে নেশাজাতীয় দ্রব্য মাদক সেবন করানোর অপরাধে জড়িতদের বিরুদ্ধে আশুলিয়া থানায় মামলা হয়। আশুলিয়া মামলা নং ৩৯/৩৯। তারিখ: ১৮/০১/২০২৩ইং। এরপর তদন্ত শেষে এই মামলায় ৩০২ ধারা যুক্ত করেন আদালত।
    উক্ত মামলার আসামীরা হলেন, আশুলিয়ার জামগড়ার মীর বাড়ির মোঃ তমিজ উদ্দিন মীরের ছেলে ১নং আসামী সুমন মীর (৩০), ২নং আসামী মোঃ হিরা মিয়া (৩০), ৩নং আসামী মোঃ শামীম (৩০), ৪নং আসামী মোঃ সুমন মিয়া (২৮)। ভুক্তভোগী পরিবার ও পুলিশ জানায়, গত (৬ জানুয়ারি ২০২৩ইং) সন্ধ্যায় উল্লেখ্য ব্যক্তিদের যোগসাজসে নেশাজাতীয় দ্রব্য সেবন করে তাজিবুল মীর অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে চিকিৎসার জন্য সাভার এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়, এরপর ভিকটিম তাজিবুল মীরের অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাকে লাইফ সাপোর্টে রাখা হয় ২২দিন। এরপর তাকে মৃত্যু ঘোষণা করেন ডাক্তার।
    তথ্যসূত্র-ঢাকার আশুলিয়ার ভাদাইল ও জামগড়া এলাকার সাধারণ মানুষ মাদক সন্ত্রাসী চাঁদাবাজদের কাছে জিম্মি হয়ে পড়েছেন বলে অনেকেই অভিযোগ করেন। কিশোর গ্যাং লিডার কতর্ৃক সংবাদ কর্মীসহ অনেকেই হামলা মামলার শিকার হয়েছেন। ভাদাইল ও জামগড়ার মধ্যে রূপায়ন আবাসন-১ এর মাঠসহ আশপাশের এলাকা কাঠগড়াসহ বিভিন্ন এলাকায় চুরি, ডাকাতি, ছিনতাই, চাঁদাবাজি, অপহরণ করে মুক্তিপণ আদায়, এমনকি খুন, ধর্ষণের মতো ঘটনা প্রায়ই ঘটছে, এ যেন ক্রাইম জোন এলাকায় পরিণত হয়েছে আশুলিয়া। এসব অপরাধীদের বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশ করলে গণমাধ্যম কর্মীদেরকে হুমকি দেয়া হয় এবং অনেকের উপর হামলা মামলা করার অভিযোগ রয়েছে।
    ঢাকার আশুলিয়ার ইয়ারপুর ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের উত্তর মীর বাড়ির মৃত সফুর উদ্দিন মীরের ছেলে মোঃ ওয়াহিদ মীর (৬০), ভিকটিম তাজিবুল মীরের বাবা বাদী হয়ে উক্ত ব্যাপারে আশুলিয়া থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। মামলা সূত্রে জানা গেছে, আশুলিয়া থানাধীন ভাদাইল সাকিনস্থ ৪নং বিবাদী সুমন মিয়ার অফিসের ভিতর, ভাদাইল, ধামসোনা, আশুলিয়া, ঢাকা। এ ঘটনা ৬ জানুয়ারি ২০২৩, সন্ধ্যা অনুমান ৬টা ৩০মিনিটের দিকে। সূত্র জানায়, ইন্টারনেট ব্যবসা নিয়ে ঘটনার দিন সন্ধ্যায় ভাই বন্ধু ব্যবসায়ীদের সাথে তাজিবুল মীরের মিটিং শেষে পরস্পর যোগসাজসে নেশাজাতীয় দ্রব্য সেবন করেন, অন্য কারো সমস্যা না হলেও তাজিবুল মীর মৃত্যুবরণ করেন।
    এদিকে ভিকটিম তাজিবুল মীরের খালাতো ভাই মোঃ রনি বলেন, ঘটনার দিন সন্ধ্যায় আমি অফিসে গিয়ে সুমন মীর, হিরা মিয়া, শামীম, সুমন মিয়াসহ ৬-৭জনকে পেয়েছি, সেখানে দুইটি বিদেশী মদের বোতল দেখতে পেয়েছি, সেই দুই বোতলের মধ্যে এক বোতল পুরো খালি ছিলো আর এক বোতলের অর্ধেকটা ছিলো মদ, তাজিবুল মীর ভাইয়ের চোখ দিয়ে কিছু দেখতে পারছিলেন না, বলছিলো সে মনে হয় অন্ধ হয়ে গেছেন।
    এ মামলার বাদী মোঃ ওয়াহিদ মীর বলেন, আমার বড় ছেলে তাজিবুল মীরকে যারা মদ্যপান করিয়েছে তাদের কাউকেই আমি দেখিনি কিন্তু আমার ছেলের খালাতো ভাই রনি যাদেরকে চিনতে পেরেছে তাদের বিরুদ্ধে আমি আশুলিয়া থানায় একটি মামলা দায়ের করেছি, তিনি আরও বলেন, আমাদের পরিবারের সাথে কারো কোনো বিবাদ বা শক্রতা নেই, শুধু নেটের ব্যবসা নিয়ে সমস্যা। এ ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে আমি মামলা করেছি। নিহত তাজিবুল মীরের বাবা উক্ত ঘটনায় দিশেহারা হয়ে পড়েন, বর্তমানে তাকে বিভিন্ন হুমকি দেওয়ার কারণে আদালতে যাচ্ছেন না বলে সূত্র জানায়। এক বছর গত হলেও উক্ত মামলার আসামীদের কোনো সাজা হয়নি।
    আশুলিয়া থানা পুলিশ বলেন, আশুলিয়ার ধামসোনা ইউনিয়নের ভাদাইল (মধ্যপাড়া) এলাকার ইন্টারনেট ব্যবসায়ী মোঃ সুমন মিয়া’র অফিসে গত ৬জানুয়ারি ২০২৩ইং তারিখে তাজিবুল মীর নামের যুবককে পরস্পর যোগসাজসে নেশাজাতীয় দ্রব্য সেবন করানোর কারণে মৃত্যু হয়। এ ব্যাপারে আশুলিয়া থানায় ভিকটিমের বাবা ওয়াহিদ মীর বাদী হয়ে একটি মামলা দায়ের করেন, উক্ত ঘটনার ২২দিন পর ওইদিন শনিবার বিকেল ৪টা ৪০মিনিটে সাভার এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক তাজিবুল মীরকে মৃত ঘোষণা করেন। অনেকেরই প্রশ্ন ভুক্তভোগী পরিবার সঠিক বিচার পাবেতো?। এই পুলিশ অফিসারের দাবি-দোষীদের যাতে কঠিন সাজা হয় সেই ভাবে আদালতে ফাইনাল রিপোর্ট প্রেরণ করা হয়েছে । উক্ত নিহত তাজিবুল মীরের মৃত্যুর ঘটনার সাথে জড়িতদের সাজা হবেতো? এমন অভিমত প্রকাশ করেন ভুক্তভোগী পরিবার ও এলাকাবাসী। আশুলিয়ায় পুলিশ ও র‍্যাবের মাদক বিরোধী অভিযান অব্যাহত রয়েছে তারপরও মাদক ব্যবসা ও মাদক সন্ত্রাসীদের অপরাধমূলক কর্মকান্ড থেমে নেই বলে সচেতন মহল জানায়। অনেকেই জানায়, এলাকায় মাদকের আস্তানা থেকে কিছু অসাধু পুলিশ সদস্য নিয়মিত চাঁদা নিয়ে থাকে, ফোন করে কেউ তথ্য দিলে তাদের সাথেও খারাপ আচরণ করে কিছু পুলিশ সদস্য। আশুলিয়ায় মাদক ব্যবসায়ীদের সাথে মাসুদ নামের নতুন পুলিশ অফিসারের ভালো সম্পর্ক হোটেলে গিয়ে মাদক ব্যবসায়ীদের সাথে খানাপিনা করার অভিযোগ রয়েছে। ঈদের পর আবারও আশুলিয়ার জামগড়া এলাকায় কিশোর গ্যাং মাদক সন্ত্রাসীরা সক্রিয় হয়ে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড করছে।
    এ ব্যাপারে র‍্যাব ও আশুলিয়া থানা পুলিশসহ গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যদের সাথে কথা বললে তারা জানান, আশুলিয়ায় অনেক বহিরাগত কিশোর গ্যাং মাদক সন্ত্রাসী রয়েছে, সেই সাথে দেহব্যবসা ফিটিংবাজি। বেশকিছু কিশোর গ্যাং সদস্য অস্ত্রসহ আটক করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এরপর তারা আদালত থেকে জামিনে এসে আবারও সেই অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড করে, তবে এ ব্যাপারে গোয়েন্দা নজরদারী বাড়ানো হয়েছে, দ্রুত তাদেরকে আটক করে আইনের আওতায় আনা হবে বলে দাবী করেন তারা। ১২ জনকে আটকের বিষয়ে এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত বিস্তারিত নাম ঠিকানা পাওয়া যায়নি।#

  • বকশীগঞ্জে ইউএনও মাসুদ রানার নে-তৃত্বে দুই শহী-দের স-মাধিতে পুষ্পস্তবক অ-র্পণ

    বকশীগঞ্জে ইউএনও মাসুদ রানার নে-তৃত্বে দুই শহী-দের স-মাধিতে পুষ্পস্তবক অ-র্পণ

    আরিফ রববানী ময়মনসিংহ।।
    জামালপুরের বকশিগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাসুদ রানা বলেন,রিপন মিয়া ও শহীদ ফজলুল করিমরা প্রতিদিন জন্মায় না। তারা ক্ষণজন্মা। কালে কালে জাতির মুক্তির জন্য রিপন মিয়া ও শহীদ ফজলুল করিমরা একজন করেই জন্মায়। নিজের জীবনকে উৎসর্গ করে যারা জাতিকে উদ্ধার করে, তারা কোন সাধারণ কোনো মানুষ নয়। আমি মনে করি, তারা মহাকাব্যিক বীরত্বগাথা জাতি তাদের চিরদিন শ্রদ্ধাভরে মনে রাখবে।’

    মঙ্গলবার (৫ আগস্ট) সকাল ১০ টায় জুলাই গণঅভ্যুত্থান বর্ষপূর্তি উদযাপন উপলক্ষে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে বকশিগঞ্জ উপজেলার দুই বীর শহীদ রিপন মিয়া ও শহীদ ফজলুল করিমের সমাধিতে
    পুষ্পস্তবক অর্পণ করে এ শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে মতবিনিময় কালে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাসুদ রানা এসব কথা বলেন।

    এর আগে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাসুদ রানাার নেতৃত্বে বকশীগঞ্জে দুই শহীদ রিপন মিয়া ও শহীদ ফজলুল করিমের সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন এবং শহীদদের কবর জিয়ারত ও মোনাজাত করা হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সহকারী কমিশনার( ভূমি) আসমা- উল -হুসনা, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ আমিনুল ইসলাম, বকশীগঞ্জ থানা অফিসার ইনচার্জ খন্দকার শাকের আহমেদ, উপজেলা প্রকৌশলী শামসুল হক, উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক সাইদুর রহমান, উপজেলা আইসিটি অফিসার খায়রুল বাশার ,

    উপজেলা সমবায় কর্মকর্তা আব্দুল জলিল, উপজেলা জাইকার প্রধান রুপন কুমার বসাক , উপজেলা মুক্তিযুদ্ধ সংসদের কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা নওশেদ আলী, বগারচর ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান সোহেল রানা পলাশ, ধানুয়া কামালপুর ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান গোলাপ জামান, শহীদ পরিবারের সদস্য এবং বিভিন্ন শ্রেণীর পেশা মানুষ।

    পুষ্পস্তবক অর্পণ শেষে শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়। পরে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাসুদ রানা বলেন, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে শহীদদের আত্মত্যাগ জাতির ইতিহাসে চির স্মরণীয় হয়ে থাকবে। ন্যায়বিচার ও সমতা প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে তাঁদের বলিদান আমাদের প্রেরণা।

  • তিতাস গ্যা-সের অ-বৈধ সংযোগ বি-চ্ছিন্ন অ-ভিযানেও অতিরিক্ত চু-লা ব-ন্ধ করতে ব্য-র্থ ক-র্মকর্তারা

    তিতাস গ্যা-সের অ-বৈধ সংযোগ বি-চ্ছিন্ন অ-ভিযানেও অতিরিক্ত চু-লা ব-ন্ধ করতে ব্য-র্থ ক-র্মকর্তারা

    হেলাল শেখঃ ঢাকার আশুলিয়ায় তিতাস গ্যাসের অবৈধ হাজার হাজার সংযোগ ও অতিরিক্ত চুলা ব্যবহার বন্ধ করতে ব্যর্থ কতর্ৃপক্ষ। লোক দেখানো অভিযানের নামে নাটক করে কিছু সংযোগ বিচ্ছিন্ন না করার অভিযোগ রযেছে, এসব কারণে কোটি কোটি টাকা রাজস্ব হারাচ্ছে সরকার। সংশ্লিষ্টরা আঙ্গুল ফুলে কলা গাছ মোটা অংকের টাকার মালিক বুনে যাচ্ছে। আশুলিয়ার জামগড়ার মীরবাড়ির জামাই হাবিব ও ইয়ারপুর এলাকার সিরাজ ও জলিল, ইউসুফ মার্কেট গুমাইল ও গোরাট এলাকার কথিত মেম্বার মকবুলসহ অনেকেই অবৈধ ভাবে সরকারি তিতাস গ্যাস চুরি করে সংযোগ দিয়ে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে, সেই সাথে নিজেরাও অবৈধ সংযোগ ব্যবহার করছে। এ ব্যাপারে গ্যাসের দালাল ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলে যে, গ্যাসের অবৈধ সংযোগ বন্ধ করা নিয়ে গণমাধ্যমের কেন এতো মাধা ব্যথা? জাতি জানতে চায় গ্যাসের দালাল আর অবৈধ সংযোগ ব্যবহারকারী এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের লেনদেনের বিষয়টি ওপেন সিক্রেট তাইতো।
    বুধবার (৬ আগষ্ট ২০২৫ইং) সরেজমিনে গিয়ে জানা গেছে, ঢাকার আশুলিয়া থানার ধামসোনা ইউনিয়নের ভাদাইল এলাকায় ডাঃ কাজল এর ৬ তলা নতুন ভবনে ১টি চুলা বৈধ আর ৬৪টি চুলা অতিরিক্ত অবৈধ। এরকম অনেকেই সরকারি তিতাস গ্যাস চুরি করে ব্যবহার করছে। আশুলিয়ার কাঠগড়া সরকার বাড়ির ডিস ব্যবসায়ী ইলিম সরকার হত্যা মামলার আসামী কেমেলি’র বাড়িতে ১২টি চুলা অবৈধভাবে ব্যবহার করছে, জামগড়া মীর বাড়ির জামাই হাবিব ও জামগড়া মোল্লাবাড়ির নুরু মোল্লাসহ আশপাশের এলাকায় এরকম প্রায় প্রতিটি বাড়িতে বৈধ চুলার চেয়েও অবৈধ চুলার সংখ্যা অনেক বেশি ব্যবহার করার অভিযোগ রয়েছে। এসব চোরদের সাথে কথা বলতে গেলে তারা বিভিন্ন উপর মহলের পরিচয় দিয়ে থাকেন এবং ঠিকাদার ও গ্যাস অফিসের কর্মকর্তাদের জড়িত থাকার কথা বলেন।
    জানা যায়, ঢাকার আশুলিয়ার জামগড়াসহ বিভিন্ন এলাকার বাসা বাড়ি ও হোটেলে প্লাস্টিকের পাইপ দিয়ে ঝুঁকিপূর্ণভাবে তিতাস গ্যাসের অবৈধ সংযোগ নিয়ে ব্যবহার করছে অনেকেই। এর কারণে যেকোনো সময় ঘটতে পারে বড় ধরণের অগ্নিকাণ্ডের দুর্ঘটনা। তিতাস গ্যাসের কতর্ৃপক্ষ অভিযান চালালেও কোনো ভাবেই বন্ধ করতে পারছেন না অবৈধ সংযোগ ব্যবহার। যেসকল এলাকায় সরকারি গ্যাস রয়েছে সেখানেই অবৈধ সংযোগ বাণিজ্য জমজমাট ভাবে করছে দালাল চক্র। অভিযোগ রয়েছে, বৈধ গ্যাহকদের চুলায় গ্যাস না থাকলেও অবৈধ সংযোগ ব্যবহারকারীদের চুলায় গ্যাস থাকে সবসময় এর রহস্য কি জাতি জানতে চায়। যেমনঃ কিছু হোটেলে রান্না চলে প্রায় ১৪-১৬ ঘন্টা, এই সময়ে গ্যাসের চাপ অনেক বেশি কিন্তু বৈধ গ্রাহকের চুলায় গ্যাস থাকে না বলে অনেকেই অভিযোগ করেন এবং সরেজমিনে গিয়ে তার সত্যতা পাওয়া যায়। সেই সাথে তথ্য পাওয়া গেছে, একস্থানে ৭-১০ বার অভিযান করলেও আবারও সেখানে অবৈধ সংযোগ দেওয়া হয়-এ যেন চোর পুলিশের খেলা। একটি অভিযানে ৭০-৮০ জন লোক কাজ করেন, তাদের দুপুরের খাবার ও কামলার টাকাসহ প্রায় লক্ষাধিক টাকা খরচ হয় সরকারের, তাহলে একটি জায়গায় যদি ৮ থেকে ১০ লাখ টাকা খরচ হয় সেখানে সরকারের লোকসান ছাড়া লাভের মুখ দেখা যায় না। অভিযোগ রয়েছে যে, লোক দেখানো অভিযান করা হয় এতে প্রতিবছর সরকারের কোটি কোটি টাকা লোকসান হচ্ছে এবং মোটা অংকের রাজস্ব হারাচ্ছে সরকার। অভিযোগ রয়েছে যেসকল অবৈধ সংযোগ ব্যবহারকারীরা সংশ্লিষ্টদের টাকা দেয় তাদের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয় না। এরকম অনেক অনিয়ম দুর্নীতি করা হলেও এ ব্যাপারে সরকার কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করার খবর পাওয়া যায়নি।
    জানা গেছে, আশুলিয়ার ভাদাইল, ইউসুফ মার্কেট, জামগড়া, মোল্লাবাড়ি, মীরবাড়িসহ বিভিন্ন এলাকায় গ্যাসের অবৈধ সংযোগ দিয়ে লাখ লাখ টাকার বাণিজ্য করেছে দালাল চক্র। প্রতি মাসে ৪-৫টি অভিযানে তিতাস গ্যাসের অবৈধ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করেন কতর্ৃপক্ষ কিন্তু দিনব্যাপী অভিযান শেষে রাতে আবারও সেই অবৈধ সংযোগ দেওয়ার অনেক নজির ও সত্যতা পাওয়া গেছে। এ যেন চোর পুলিশের খেলা। বিশেষ করে সরকারের তহবিল থেকে প্রতিটি অভিযানে খরচ হয় প্রায় লক্ষাধিক টাকা, একই স্থানে ৮ থেকে ১০ বার অভিযান চালানোর নজির রয়েছে কিন্তু অভিযান করা হলেও গ্যাস চোর অপরাধীদের বিরুদ্ধে তেমন কোনো মামলা করা হয়নি প্রায় দুই বছর। তবে মাঝে মধ্যে ভ্রাম্যমান আদালতে কিছু জরিমানা করা হলেও কোনো ভাবেই অবৈধ সংযোগ বন্ধ হচ্ছে না, তাহলে সরকারের কত টাকা খরচ ও কত টাকা রাজস্ব হারাচ্ছে তার কোনো হিসাব দেন না দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তারা। তিতাস গ্যাসের অবৈধ সংযোগ দিয়ে প্রতিটি বাসা বাড়ি থেকে ৩০-৫০ হাজার টাকা নিয়ে থাকে দালাল চক্র, হোটেল বা শিল্প-কারখানার সংযোগ হলে লক্ষাধিক টাকা নেয়া হয়, এইভাবেই একের পর এক সরকারি সম্পদ নষ্ট করে তিতাস গ্যাসের কর্মকর্তাদের গ্যাসবাজি চলছে, এর কারণে আগের মতো ভয় পায় না চোরেরা, তাদের খুঁটির জোড় কোথায় তা জাতি জানতে চায়। আমাদের প্রতিনিধি সাইফুল ইসলাম জয় (হেলাল শেখ) জানিয়েছেন একদিন অভিযান চালালে ৪০-৫০ জন কামলা ও পুলিশ এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাসহ শতাধিক লোকজন নিয়ে লক্ষাধিক টাকা খরচ হয় সরকারের, মাসে ৪-৫টি অভিযান করা হলে এক বছরের হিসাব ৫০-৬০ লাখ টাকা খরচ হয়, জব্ধকৃত পাইপসহ মালামাল কত টাকা বিক্রি হয়? সঠিকভাবে কি বিল কালেকশন হয় কিনা তা জাতি জানতে চায়।
    তিতাস গ্যাসের কর্মকর্তাদের দাবি পাইপলাইনের মাধ্যমে প্রাকৃতিক গ্যাসের সংযোগ দেওয়ার পরিস্থিতি বা সক্ষমতা আপাতত নেই, তাই গ্রাহকদের আশায় ঝুলিয়ে না রেখে গ্যাস সংযোগ স্থায়ীভাবে বন্ধ রাখার জন্য সরকারি সিদ্ধান্তটি স্পষ্ট করে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে-কথাগুলো বলেছেন, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের সিনিয়র সচিব। সরেজমিনে গিয়ে জানা গেছে, ঢাকার আশুলিয়ার কাঠগড়া, ইউসুফ মার্কেট, এদিকে ইয়ারপুর ইউনিয়নের জামগড়া এলাকা, মীর বাড়ি, চিত্রশাইল এলাকাসহ বিভিন্ন এলাকায় তিতাস গ্যাসের অবৈধ সংযোগের ছড়াছড়ি, হাজার হাজার অতিরিক্ত চুলা ব্যবহার করছে বেশিরভাগ বাসা বাড়ির মালিকরা। তথ্যমতে, এসব অবৈধ সংযোগ দাতা দালাল চক্র আবারও সক্রিয় হয়েছে। অন্যদিকে আশুলিয়ার ইয়ারপুর ইউনিয়নের তৈয়বপুর এলাকার সিরাজ, হানিফ, আব্দুল জলিল, ফারুক, ইউসুফ মার্কেটের কথিত মেম্বার মকবুল ও জামগড়া মীর বাড়ির জামাই হাবিবসহ অনেকেই তিতাস গ্যাসের অবৈধ সংযোগ দিয়ে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ রয়েছে। গ্যাসের অবৈধ সংযোগ থেকে অগ্নিকান্ডে নারী ও শিশুসহ গত কয়েক বছরে সাভার ও আশুলিয়ায় অনেক মানুষ আহত নিহতের ঘটনা ঘটেছে। এসব দুর্ঘটনায় শতাধিক মানুষ দগ্ধ হয়ে আহত হয়েছেন, আহতদের মধ্যে অনেকের মৃত্যু হয়। এদিকে সিলিন্ডার গ্যাসের বোতলের দামও অতিরিক্ত বেড়েছে, ওষুধের দোকান, মুদি দোকানসহ বিভিন্ন দোকানে বিক্রি হচ্ছে সিলিন্ডার গ্যাসের বোতল। অভিযোগ রয়েছে, বৈধ গ্রাহকদের চুলার গ্যাস টিপটিপ করে জ্বলে কিন্তু অবৈধ সংযোগের চুলায় সবসময় গ্যাস থাকার রহস্য কি জাতি জানতে চায়।বৈধ গ্রাহকদের কাছ থেকে বিল ঠিকই নেয়া হয় কিন্তু গ্যাস না থাকার কারণ কি?। বিশেষ করে সরকারের উক্ত সিদ্ধান্তে দুই শ্রেণীর গ্রাহক সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন, এদের মধ্যে এক শ্রেণি হলো রাজধানী ঢাকাসহ সাভার আশুলিয়ায় ও বিভিন্ন উপজেলা, থানা, ইউনিয়ন পর্যায়ে ও শহরের বাসা বাড়ি ফ্ল্যাটের মালিকেরা। আরেকটি হলো বিভিন্ন আবাসন কোম্পানিগুলো। তাদের মধ্যে অনেকেই গ্রাহকদের গ্যাসের পাইপলাইনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। আবাসন কোম্পানির অনেকেই বলেন, এখন গ্যাসের সংযোগ না পেলে তাদের প্লট, জমি ও ফ্ল্যাট বিক্রি হচ্ছে না। তারা অনেকেই দাবি করেন যে, গ্যাস সংযোগ নতুন করে আর কেউ পাচ্ছেন না, এতে গ্রাহকরা বেশি বিপাকে পড়েছেন।
    ২০১৮ইং সালে এলএনজি আমদানি শুরুর পর দীর্ঘদিন বন্ধ থাকা গ্যাসের সংযোগ নতুন করে শুরু হওয়ার কথা নীতিনির্ধারণী মহলেও শুনা যাচ্ছিল। তখন ঢাকা ও সাভার, আশুলিয়াসহ বিভিন্ন জেলা উপজেলায় অবৈধ সংযোগের সংখ্যা আরো বাড়িয়ে দেয় দালাল চক্র সিন্ডিকেটগুলো। তারা গ্রাহকদের আশ্বাস দেয়, কিছুদিন পরে গ্যাসের নতুন বৈধ সংযোগ দেওয়া শুরু করলে এগুলোকে বৈধ করে দেবেন কিন্তু এখন এসব অবৈধ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার পালায় এই গ্রাহকদের সংযোগও কাটা পড়েছে। গ্যাসের দালাল ও কন্ট্রাক্টাররা গ্রাহকদের টাকা আর ফেরত দিচ্ছে না বলে অভিযোগ পাওয়া যায়। জানা গেছে, সরকারি ভাবে এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে বেশ জোরেসোরেই মাঠে নামে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাগণ। বিশেষ করে গ্যাস বিতরণ কোম্পানিগুলোকে কিছুদিন আগে জ্বালানি বিভাগ উক্ত বিষয়ে সিদ্ধান্ত জানিয়ে দিয়ে তা বাস্তবায়নের আদেশ দিয়েছিলো। সূত্র জানায়, ডিমান্ড নোট ইস্যু হওয়া এবং টাকা জমা দেওয়া গ্রাহকদের আবেদনও বাতিল করা হবে। তাদের অর্থ ফেরত দেবে সংশ্লিষ্ট বিতরণ কোম্পানিগুলো। বিতরণ সংস্থাগুলোর তথ্যমতে, নতুন সংযোগের জন্য ডিমান্ড নোট ইস্যু হওয়া এবং প্রয়োজনীয় ফি জমা দেওয়া গ্রাহকের সংখ্যা প্রায় আড়াই লাখের মতো। গ্যাস ও খনিজ সম্পদ খাতের নেতৃত্ব প্রদানকারী সংস্থা পেট্রোবাংলার এক কর্মকর্তা গণমাধ্যমকে জানান, বৈধ অবৈধ নানা উপায়ে এই শ্রেণির গ্রাহক সংখ্যা প্রায় ৮লাখ হবে। দেশে সবচেয়ে বড় গ্যাস বিতরণকারী প্রতিষ্ঠান তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) প্রকৌশলী এ বিষয়ে মন্ত্রণালয়ের আলোচনা করেছেন বলে জানান, গৃহস্থালিতে আর গ্যাস সংযোগ দেওয়া হবে না। যেসব গ্রাহক সংযোগের জন্য আবেদন করেছেন এবং টাকা জমা দিয়েছেন, তাদের নাম তথ্যভান্ডারে রয়েছে। আগামীতে এ বিষয়ে একটি সভা করে সরকারি সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের রোডম্যাপ তৈরি করা হতে পারে।সংবাদ প্রকাশের মাধ্যমে বা অন্য কোনো উপায়ে গ্রাহকদের সঙ্গে যোগাযোগ করে টাকা ফেরত দেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে এমনটি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।দেশে গ্যাস বিতরণে নিয়োজিত অন্য কোম্পানিগুলোর মধ্যে রয়েছে বাখরাবাদ গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি, জালালাবাদ গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি, পশ্চিমাঞ্চল গ্যাস কোম্পানি ও সুন্দরবন গ্যাস কোম্পানি।
    তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিঃ এর আশুলিয়া জোনের প্রকৌশলী আবু ছালেহ মোঃ খাদেমুদ্দীন বলেন, আশুলিয়ায় তিতাস গ্যাসের বৈধ গ্রাহক সংখ্যা প্রায় ৫০ হাজারের বেশি। শিল্প গ্রাহক সংখ্যা ১ হাজার ৫০০ মতো। গ্যাসের অবৈধ সংযোগ ব্যবহারকারী দালালদের বিরুদ্ধে এর আগে আশুলিয়া থানায় ৪৮টির মতো মামলা করা হয়েছে,বর্তমানে অভিযান অব্যাহত আছে। গ্যাসের অবৈধ সংযোগ ব্যবহারকারী ও দালালদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে এখন দুদুকের কর্মকর্তারাও কাজ করছেন বলে তিনি জানান। আর কেউ অনিয়ম দুর্নীতি করলে তাদের বিরুদ্ধে সরকার ব্যবস্থা নিবে বলে তিনি দাবী করেন। আশুলিয়ায় কাঠগড়া কিছু এলাকায় অবৈধ সংযোগ নেই আর জামগড়া গফুর মন্ডল স্কুল রোডে এবং আশপাশের বাড়িতে অবৈধ সংযোগ দিয়ে দালাল চক্র লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে, উক্ত বিষয়ে বক্তব্য চাইলে গ্যাস কর্মকর্তারা এড়িয়ে যেতে চায় আর কর্মকর্তা ও দালালরা বলে থাকে অবৈধ সংযোগ নিয়ে গণমাধ্যমের কেন এতো মাথা ব্যথা? বিশেষ করে এইসব অসাধু কর্মকর্তা ও দালালদের খুঁটির জোড় কোথায় জাতি জানতে চায়, উক্ত ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট উপর মহলের কর্মকর্তার হস্তক্ষেপ কামনা করছেন সচেতন মহল। এ বিষয়ে ধারাবাহিক ভাবে প্রতিবেদন প্রকাশ করা হবে।#

  • স-ক্রিয় হচ্ছে ভ-য়ংকর চ-রমপন্থী সন্ত্রা-সী বিভিন্ন অ-পরাধমূলক ক-র্মকাণ্ড বৃ-দ্ধির আ-শঙ্কা

    স-ক্রিয় হচ্ছে ভ-য়ংকর চ-রমপন্থী সন্ত্রা-সী বিভিন্ন অ-পরাধমূলক ক-র্মকাণ্ড বৃ-দ্ধির আ-শঙ্কা

    হেলাল শেখ ঃ বাংলাদেশে দীর্ঘ কয়েক বছর পর আবারও ভয়ংকর চরমপন্থী
    সন্ত্রাস বাহিনী সক্রিয় হওয়ার আশঙ্কা করছেন সচেতন মহল। দেশের বিভিন্ন এলাকায় খুন, ধর্ষণ ও অপরণসহ অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড বৃদ্ধিও আশঙ্কা রয়েছে।
    গতকাল বুধবার জানা গেছে, অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেয়ার পর থেকে এইসব কিশোর গ্যাং মাদক সন্ত্রাসীসহ যুবকদে
    র হাতে বিভিন্ন অবৈধ অস্ত্র ব্যবহার হচ্ছে, আইন শৃঙ্খলা বাহিনী অভিযান চালিয়ে কিছু সন্ত্রাসীদেরকে আটক ও অস্ত্র উদ্ধার করলেও অপরাধমূলক কর্মকান্ড কমছে না। অনেকেই ধারণা করছেন যে, চরমপন্থী বাহিনীর অনেকেই সক্রিয় হচ্ছে আবারও। অনেকই অভিমত প্রকাশ করেন যে, সাবেক আওয়ামী লীগ সরকারের সময় বিভিন্নভাবে নিহত হয় চরমপন্থী বাহিনীর সদস্যরা, এতে অনেকটা সন্ত্রাসী কর্মকান্ড কমেছিলো। সেই সাথে সাধারণ মানুষের উপর অত্যাচার ও হত্যাসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড (ক্রাইম) কমে যায়। রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, পুলিশ ও কিছু সংবাদ কর্মীদের বিরুদ্ধে এবং বর্তমান সরকারের বিরুদ্ধে গুজব ছড়ানোসহ বিভিন্ন অপপ্রচার চালাচ্ছে একটি মহল।
    সূত্র জানায়, ঢাকার প্রধান শিল্পাঞ্চল আশুলিয়ায় মাঝে মধ্যে মানুষের কিছু অপরিচিত মুখ দেখা যায়, ধারণা করা হচ্ছে, হত্যা ও অস্ত্র মামলার আসামীরা আদালত থেকে জামিনে এসে আশুলিয়াসহ আশপাশের এলাকায় নিরাপদ আস্তানা করে তাদের বাহিনীকে সক্রিয় করে তুলছে। সূত্র জানায়, এদের অনেকেই পাবনা, নাটোর, সিরাজগঞ্জ, বগুড়া, জয়পুরহাটের বাসিন্দা পরিচয়দানকারী। এইসব লোকজন শহরে এসেই কেউ কেউ শুরুতে অটোরিক্সা চালায়, এরপর অন্য অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়েন। পাবনা জেলা শহরের অনন্ত বাজার এলাকায় এর আগে একদিন সন্ধ্যার দিকে মোঃ বকুল শেখ (৪৩) নামের এক ইউপি সদস্যকে কুপিয়ে ও গুলি করে হত্যা করেছে দুবর্ৃত্তরা। তিনি পাবনা জেলা সদরের দোগাছি ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি’র) ৭ নম্বর ওয়ার্ড সদস্য ও সদর উপজেলা যুবলীগের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক ছিলেন, তিনি দক্ষিণ রামচন্দ্রপুরের দুলাল শেখের ছেলে বলে পুলিশ জানিয়েছেন। অনেকেই ধারণা করছেন, এই হত্যাকান্ডটি চরমপন্থী সর্বহারা সন্ত্রাস বাহিনীর দুবর্ৃত্তরা করতে পারে। পুলিশের দাবি-এ ঘটনার সাথে জড়িত কাউকে ছাড় দেয়া হবে না। পাবনা সদর থারার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, এ বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে, হত্যাকারী যেইহোক তাদেরকে গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনা হবে।
    সুত্র জানায়, আমিনপুর থানার ‘রক্তাক্ত জনপদখ্যাত ক্রাইম জোন এলাকার ঢালার চরের আতিয়ার সরদারের সাথে অপরাধমূলক কর্মকান্ডে রূপপুর এলাকার অনেকেই জড়িত রয়েছে বলে এলাকাবাসী জানায়। এই সন্ত্রাস বাহিনীর ক্যাডাররা দেশের বিভিন্ন এলাকায় বিভিন্ন পরিচয়ে অপরাধমূলক কর্মকান্ড করে থাকে। তারা রিক্সা ভ্যান চুরি থেকে শুরু করে চুরি, ডাকাতি, ছিনতাই, খুনসহ বিভিন্ন অপরাধের সাথে জড়িত। জানা গেছে, এর আগে পাবনার আমিনপুর থানার ঢালার চরের আতিয়ার সরদার (২৮) নামের নিষিদ্ধঘোষিত চরমপন্থী দল পূর্ববাংলা সর্বহারা পার্টির আঞ্চলিক ক্যাডারকে গুলি করে হত্যা করেছে দুবর্ৃত্তরা। গত (৫ নভেম্বর ২০২০ইং) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে ঢালারচর ইউনিয়নের দুর্গাপুর বাজারে এ ঘটনা ঘটে। নিহত আতিয়ার চর দুর্গাপুর গ্রামের মৃত সাত্তার সরদারের ছেলে ও নিষিদ্ধ ঘোষিত চরমপন্থী দলের সক্রিয় সদস্য ছিলো বলে গণমাধ্যমকে পুলিশ জানায়।
    স্থানীয়রা জানান, ঘটনার দিন মঙ্গলবার সন্ধ্যায় আতিয়ার দুর্গাপুর বাজারে যাচ্ছিলেন, এমন সময় ৫-৬জন মুখোশধারী সন্ত্রাসী দুবর্ৃত্তরা আতিয়ারের উপর গুলি চালায়, এসময় ঘটনাস্থলেই সে মারা যায় বলে এলাকাবাসী জানায়। পুলিশের দাবি-আতিয়ার সর্বহারা দলের সক্রিয় ক্যাডার ছিলো, তার নামে হত্যা ও ধর্ষণসহ একাধিক মামলা রয়েছে। এ ঘটনার ২মাস আগে সে আদালত থেকে মামলার জামিন পেয়ে বাড়িতে আসে। চরমপন্থীদের অভ্যন্তরীণ কলহের জের ধরে এই হত্যাকান্ড সংঘটিত হতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হয়।ওই ঘটনাস্থল থেকে ৬ রাউন্ড গুলির খোসা পাওয়া গেছে বলে পুলিশ জানায়।
    জানা গেছে, ঢাকার আশুলিয়ার ইয়ারপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় কিশোর গ্যাং মাদক সন্ত্রাসী ও চরমপন্থী বাহিনীর অপরাধমূলক কর্মকান্ড বেড়েই চলেছে। জমি দখল, জুট ব্যবসা দখলসহ বিভিন্ন বিষয়ে সংঘর্ষ হলেই দেশীয় অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে ও বিদেশি পিস্তল দিয়ে গুলাগুলি ও হত্যার চেষ্টা ও হত্যার ঘটনা ঘটে। ধারণা করা হচ্ছে, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে যেসকল চরমপন্থী লিডাররা পুলিশ ও র‍্যাব কতর্ৃক বন্দুক যুদ্ধে নিহত হয়েছে, তাদের সহযোদ্ধা ও বিভিন্ন বাহিনীর সদস্যরা আবারও সক্রিয় হয়ে দেশের বিভিন্ন এলাকায় ছিনতাই, ডাকাতি, অপহরণ, চাঁদাবাজি, খুনসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড করছে। আশুলিয়ায় প্রায়ই মানুষের লাশ উদ্ধার করে আশুলিয়া থানা পুলিশ, অথচ বেশিরভাগ হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত কারা এসব জানা কঠিন। এ ব্যাপারে পুলিশ ও র‍্যাবের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন ভুক্তভোগীরাসহ সচেতন মহল।##

  • সলঙ্গায় জুলাই বিপ্ল-বে শহী-দদের স্ম-রণে দোয়া

    সলঙ্গায় জুলাই বিপ্ল-বে শহী-দদের স্ম-রণে দোয়া

    সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি :
    ২৪ জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুথানে নিহত ও আহতদের স্মরণে সিরাজগঞ্জের সলঙ্গায় বিশেষ দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী পল্লী চিকিৎসক সলঙ্গা থানা শাখার আয়োজনে এ দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (৫ আগস্ট) বাদ আছর সলঙ্গা কদমতলা সমাজ কল্যাণ পাঠাগার হলরুমে এ দোয়া মাহফিল পরিচালনা করেন,সলঙ্গা কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের পেশ ইমাম মাও: আব্দুর রউফ। এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন,বিএনপি নেতা কে.এম আহসান হাবীব,জাতীয়তাবাদী পল্লী চিকিৎসক সলঙ্গা থানা শাখার সভাপতি আব্দুল মোমিন, সাধারন সম্পাদক কে.এম জাহিদুল ইসলাম (জাহিদ), সিনি: সহ সভাপতি আব্দুল মোমিন, সাংগঠনিক সম্পাদক আসলাম হোসেন,প্রচার সম্পাদক শহিদুল ইসলামসহ ৬ টি ইউনিয়নের পল্লী চিকিৎসক ইউনিয়ন শাখার সভাপতি/ সম্পাদক ও উপস্থিত জনসাধারন।উল্লেখ্য,৫ আগস্ট ২০২৪ সাল।বাংলাদেশের ইতিহাসে এক অবিস্মরণীয় দিন।যে দিনে ছাত্র,জনতা,কৃষক-শ্রমিকসহ সকল নারী- পুরুষের অংশ গ্রহনের মাধ্যমে স্বৈরাচার শেখ হাসিনাকে দেশ থেকে বিতাড়িত করা হয়েছিল।রাজপথে বুক উচু করে দাঁড়িয়ে তরুণেরা বুলেটের মুখেও পিছপা হয়নি।জুলাইয়ের এ গণঅভ্যুথানে ছাত্র- জনতাকে প্রাণ দিতে হয়েছে।অন্ধত্ব ও পঙ্গুত্ব সহ আহত হয়েছেন অসংখ্য।সেই দিনের ছাত্র-জনতার রক্তে লেখা গণঅভ্যুথান,শোক ও বিজয়ের বর্ষপুর্তি ৫ আগস্ট।