উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি:
নড়াইলে পুকুর থেকে ভাসমান অবস্থায়
মরদেহ উদ্ধার। নড়াইলের লোহাগড়া পৌরসভা এলাকায় একটি পুকুর থেকে ভাসমান অবস্থায় সোয়েবুর খান (৪৩) নামে এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি জানান, শুক্রবার (৮ আগস্ট) বেলা ১টার দিকে পৌরসভার মাইটকুমড়া গ্রামের একটি পুকুর থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
লোহাগড়া থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শরিফুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। নিহত সোয়েবুর খান মাইটকুমড়া গ্রামের ইউনুস খানের ছেলে। তিনি পেশায় রাজমিস্ত্রি ছিলেন।
পুলিশ ও নিহতের স্বজনদের সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার রাতে পৌরসভা গেট এলাকার মাসুমের দোকানে মধ্যরাত পর্যন্ত কেরাম খেলেন সোয়েবুর। রাত গভীর হলেও তিনি বাড়ি না ফেরায় পরিবারের লোকজন তাকে বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করতে থাকেন। সম্ভাব্য সকল জায়গায় খোঁজ করেও তার সন্ধান পাওয়া যায়নি।
পরদিন শুক্রবার দুপুর ১টার দিকে মাইটকুমড়া গ্রামের একটি পুকুরে তার মরদেহ ভেসে থাকতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দেয়। পরে লোহাগড়া থানা পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহটি উদ্ধার করে।
ওসি শরিফুল ইসলাম বলেন, ‘খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গেছে। আমিও সেখানে যাচ্ছি। মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নড়াইল জেলা হাসপাতালে পাঠানো হচ্ছে। এ বিষয়ে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি।
Author: desk
-

নড়াইলে পুকুর থেকে ভা-সমান অ-বস্থায় ম-রদেহ উ-দ্ধার করেছে পুলিশ
-

পাইকগাছায় খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ক্যাম্পাসের উদ্বোধন ২০২৬ সালের জুনে
ইমদাদুল হক,পাইকগাছা ( খুলনা ) ।।
খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ক্যাম্পাস হিসেবে পাইকগাছা কৃষি কলেজের বাস্তবায়ন দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলেছে। ইতোমধ্যে প্রায় ৮০% কাজ সম্পন্ন হয়েছে। এটি ২০২৬ সালের জুন মাসে উদ্বোধনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। যা দেশের কৃষি শিক্ষা ও গবেষণায় নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে বলে আশা করা হচ্ছে।
খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. রেজাউল করিম জানান, সরকার পাইকগাছা কৃষি কলেজকে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ক্যাম্পাস হিসেবে বাস্তবায়নের সুস্পষ্ট নির্দেশনা দিয়েছে। ২৫ একর জমির ওপর নির্মিত এই ক্যাম্পাসে একটি সুসজ্জিত একাডেমিক ভবন, একটি ছাত্রাবাস, একটি ছাত্রীনিবাস, খেলার মাঠ, মসজিদ, শিক্ষকদের ডরমেটরি এবং প্রশাসনিক ভবন ও শহিদ মিনারসহ সকল আধুনিক সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করা হয়েছে।
উপাচার্য আরও উল্লেখ করেন, ইতোমধ্যে জমির নামজারি ও খাজনা জেলা প্রশাসকদের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুকূলে সম্পন্ন হয়েছে।
এই নতুন ক্যাম্পাসে ৪টি ডিপার্টমেন্ট খোলার প্রস্তাব করা হয়েছে: এগ্রিকালচারাল, ভেটেরিনারি ও এনিমেল সায়েন্স, ম্যানগ্রোভ ফরেস্ট্রি ও টেকসই বন ব্যবস্থাপনা এবং মেরিন ফিসারিজ। এটি দেশে প্রতি বছর ১৫ হাজার কৃষি ডিপ্লোমা সম্পন্নকারী শিক্ষার্থীদের জন্য সরকারিভাবে বিএসসি কোর্স এবং অন্যান্য সার্টিফিকেট কোর্স চালুর মাধ্যমে একটি বহুমুখী শিক্ষা কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা হবে। এর মূল উদ্দেশ্য হলো, কৃষি ও ফিসারিজের সাথে জড়িতদের জন্য উন্নত ডিগ্রী অর্জনের সুযোগ সৃষ্টি করা, যা বর্তমানে অনেকের কাছে অপ্রাপ্য হয়ে দাঁড়ায়।
উপাচার্য আরও জানান, মূল ক্যাম্পাসে যারা পড়াশোনা করছেন তারা ইন্টারমিডিয়েট পাস করে ভর্তি হন,কিন্তু পাইকগাছা ক্যাম্পাসে ডিপ্লোমা পাস করা শিক্ষার্থীরা ভর্তি হবেন, তবে তাদের ডিগ্রীর মান প্রায় একই রকম হবে।
তিনি এই উদ্যোগ সম্পর্কে গুরুত্ব প্রকাশ করে আরও বলেন, পাইকগাছা এলাকাটি উপকূলীয় অঞ্চলের একটি সম্পদশালী এলাকা। এই ক্যাম্পাসের মাধ্যমে স্থানীয় জনগোষ্ঠীও শিক্ষা ও গবেষণার উন্নত সুযোগ পাবে বলে আশা করছি। এটি বিশ্বমানের একটি প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তোলার জন্য সরকারি পরিকল্পনা এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রচেষ্টার কমতি থাকবে না। উপকূলীয় এলাকা হওয়ায় এখানে পানির লবণাক্ততার সমস্যা রয়েছে, আমরা লক্ষ্য করেছি। আমরা সেই সমস্যা সমাধানেও কাজ করছি। ইতোমধ্যে আমাদের পানি ফিল্টারিং প্রসেস ও যেনো শিক্ষার্থীরা নির্বিঘ্নে পড়াশোনা করতে পারে তার সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি।
সর্বোপরি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, এই ক্যাম্পাস উপকূলীয় অঞ্চলের সামগ্রিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
উল্লেখ্য, পূর্বের এক সিদ্ধান্তে পাইকগাছা কৃষি কলেজকে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে একটি ইনস্টিটিউটে রূপান্তরের পরিকল্পনা থাকলেও, এখন এটি দ্বিতীয় ক্যাম্পাস হিসেবেই বিবেচিত হবে। পাইকগাছা কৃষি কলেজের প্রশাসনিক সংযুক্তি ও একাডেমিক অধিভুক্তি সংক্রান্ত এক সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিলো।
খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের নেতৃত্বে একটি বিশেষজ্ঞ দল পূর্বে কলেজটি সরেজমিনে পরিদর্শন করে দ্রুত কাজ সম্পন্ন করার নির্দেশনা দিয়েছিলেন।
ইমদাদুল হক
পাইকগ্ছা,খুলনা -

সাংবাদিক তুহিন হ-ত্যার প্র-তিবাদে ময়মনসিংহের ফুলবাড়ীয়ায় সাংবাদিকদের মান-ববন্ধন
মো: সেলিম মিয়া ফুলবাড়ীয়া (ময়মনসিংহ) সংবাদদাতা:
গাজিপুরের চান্দীনা চৌরাস্তায় কুপিয়ে ও জবাই করে সাংবাদিক আসাদুজ্জামান তুহিনকে হত্যার ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতার ও দূষ্টান্তমুলক শাস্তির দাবীতে ফুলবাড়ীয়া উপজেলা পরিষদের সামনে মানববন্ধন করেছে ফুলবাড়ীয়া প্রেসক্লাবের সাংকাদিকবৃন্দ। এসময় ফুলবাড়িয়া ছাড়াও জেলার প্রিন্ট ইলেকট্রনিক এবং অনলাইন মিডিয়ার সংবাদকর্মীরা মানববন্ধনে অংশ নেয়। শুক্রবার ( ৮ আগষ্ট) ঘন্টাব্যাপী চলা মানববন্ধনে সাংবাদিকরা অভিযোগ করেন হত্যাকন্ডের ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজে চিহ্নিত সন্ত্রাসীদের দেখা গেলেও এখনো কোন আসামি গ্রেপ্তার হয়নি। দ্রুত সময়ের মধ্যে আসামিদের গ্রেফতার না করলে
কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারিদের সাংবাদিকরা। অকাল প্রয়াত এই সাংবাদিকের মৃত্যুতে পুরো ফুলবাড়ীয়ায় গভীর শোক নেমে এসেছে। পারিবারিক সূত্রে জানা যায় গাজীপুর ঈদগাঁ মাঠে জুমার নামাজের পর সাংবাদিক তুহিনের প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হবে পরে বাদ আছ নিজ গ্রামের বাড়ি ফুলবাড়িয়ার মধ্য ভাটিপাড়া গ্রামে জানাজা অনুষ্ঠিত হবে।
পিতা হাসান জমিলের ৫ ছেলে দুই মেয়ের মধ্যে সবার কনিষ্ঠ পুত্র তুহিন। ২০০৫ সাল থেকে পরিবার নিয়ে গাড়ির গাজীপুরের চান্দীনা এলাকায় বসবাস করে আসছিলেন তিনি।
-

নলছিটি উপজেলা ও শহর যুবদলের বিভিন্ন ইউনিটের কমিটি করার লক্ষ্যে প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত
ঝালকাঠি প্রতিনিধিঃ মোঃ নাঈম মল্লিক
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদল, নলছিটি উপজেলা ও শহর শাখার উদ্যোগে বিভিন্ন ইউনিয়ন ও পৌরসভার নয়টি ওয়ার্ড কমিটি গঠনের লক্ষ্যে এক প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আগামী দিনে সংগঠনকে আরও শক্তিশালী ও তৃণমূলভিত্তিক করতে এ সভার আয়োজন করা হয়। শুক্রবার (৮ আগস্ট) পৌরসভা মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত এ সভায় স্থানীয় ও কেন্দ্রীয় পর্যায়ের যুবদল নেতারা অংশ নেন।
সভায় অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ঝালকাঠি জেলা যুবদলের সাবেক সভাপতি ও কেন্দ্রীয় যুবদল নেতা জিএম সবুর কামরুল, কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক মানবাধিকার বিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট জহিরুল ইসলাম সুমন, কেন্দ্রীয় যুবদলের প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট আব্দুর রহিম, জেলা যুবদলের ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক মোঃ রবিউল ইসলাম তুহিন, সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট মোঃ আনিচুর রহমান , যুগ্ম-আহ্বায়ক মোঃ এনামুল হক সাজু, অ্যাডভোকেট শফিকুল ইসলাম সাবু, সাবেক ছাত্র নেতা হাসিবুল ইসলাম সবুজ।
এছাড়া আরও বক্তব্য রাখেন উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক মোঃ সালাউদ্দিন শাহীন , সিনিয়র যুগ্ম-আহ্বায়ক মোঃ শফিকুল ইসলাম লাভলু, যুগ্ম-আহ্বায়ক মোঃ জিয়াউল কবির মিঠু, পৌর যুবদলের আহবায়ক রুস্তম শরীফ, সদস্য সচিব সালাউদ্দিন রাজন, যুগ্ন আহবায়ক বশির তালুকদার,সোহাগ মুন্সী,রাজিব হোসেনসহ জেলা, উপজেলা ও পৌর যুবদলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।
বক্তারা বলেন, দেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলনকে এগিয়ে নিতে এবং তরুণ সমাজকে সংগঠিত করতে শক্তিশালী ওয়ার্ড ও ইউনিয়ন কমিটি গঠন জরুরি। যোগ্য ও নিবেদিতপ্রাণ কর্মীদের নেতৃত্বে প্রতিটি ওয়ার্ড ও ইউনিয়নে কমিটি গঠন করে সংগঠনকে আরও গতিশীল করা হবে।
অনুষ্ঠান সঞ্চালনায় ছিলেন উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহবায়ক রেজোয়ানুল হক।
-

চাটুকা-র নয়, সা-হসী রিমনের মতো সাংবাদিকই সম-য়ের দা-বি— চট্টগ্রামে স্ম-রণসভা
শহিদুল ইসলাম,
বিশেষ প্রতিনিধিঃঅনুসন্ধানী সাংবাদিক সাঈদুর রহমান রিমনের মৃত্যুতে আয়োজিত স্মরণসভা পরিণত হয় সাংবাদিকতা পেশায় অনুপ্রবেশকারী দালাল ও সুবিধাবাদীদের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদের প্ল্যাটফর্মে। বক্তারা বলেন— “মব জাস্টিস সাংবাদিকদের জন্য নয়, এটি বর্বর সামরিক জান্তা ও যুদ্ধাপরাধীদের জন্য প্রযোজ্য। মতভিন্নতার কারণে সাংবাদিকদের চাকরিচ্যুতি বা হয়রানি সম্পূর্ণ বেআইনি।”
চট্টগ্রাম সাংবাদিক উন্নয়ন পরিষদের উদ্যোগে দোয়া মাহফিলের আয়োজন চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের এস রহমান হলে অনুষ্ঠিত হয়। দোয়া মাহফিল ও স্মরণসভা। সভাপতিত্ব করেন পরিষদের সভাপতি সৈয়দ মিজান সমরকান্দী।
প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রবীণ সাংবাদিক নেতা, বীর মুক্তিযোদ্ধা, ওয়ার্ল্ড প্রেস কাউন্সিল নির্বাহী পরিষদ ও বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিলের সাবেক সদস্য মইনুদ্দীন কাদেরী শওকত।
তিনি বলেন, “সাংবাদিককে মতবিরোধের কারণে কর্মস্থল থেকে বের করে দেওয়া কিংবা চাকরিচ্যুত করা শুধু আইনের লঙ্ঘন নয়—এটি নৈতিক হত্যাকাণ্ড।”কাদেরী শওকতের তীব্র বার্তা:“সাংবাদিক সমাজে কিছু সুবিধাবাদী এজেন্ট অনুপ্রবেশ করেছে, যারা নিজেরা কোনোদিন গণতন্ত্রের জন্য রাস্তায় নামেনি, অথচ এখন নিজেরাই পরামর্শদাতা! এদের কারণে প্রকৃত সাংবাদিকদের ইমেজ আজ প্রশ্নবিদ্ধ।”
তিনি আরো বলেন, “সাংবাদিক রিমনের মতো অনুসন্ধানী, সাহসী ও জনবান্ধব সাংবাদিকই এই সমাজে প্রয়োজন। চাটুকার, তোষামোদকারীরা সাংবাদিকতা পেশায় থাকা মানে, জাতির জন্য কলঙ্ক।” সাবেক মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর একটি মন্তব্য তুলে ধরে তিনি বলেন:“আপনারা বিএনপির সাংবাদিক হবেন না, দেশের সাংবাদিক হোন। দেশের মানুষের সাংবাদিক হোন।”— এই বার্তাই আজ সময়ের দাবিতে সবচেয়ে প্রাসঙ্গিক।
স্মরণসভায় উপস্থিত ছিলেন—বাংলাদেশ মানবাধিকার সাংবাদিক সংস্থার সভাপতি এস এম জামাল উদ্দিন,,বিএসএ যুগ্ম আহ্বায়ক সোহাগ আরেফিন,,প্রবীণ সাংবাদিক কামাল উদ্দিন,,লেখক ও সাংবাদিক কামাল পারভেজ,,জাতীয় ক্রাইম রিপোর্টার্স সোসাইটির চট্টগ্রাম জেলা সভাপতি মোঃ আজম খাঁন,,সাধারণ সম্পাদক হাসানুল আলম,,মাইটিভি চট্টগ্রাম ব্যুরো প্রধান নুরুল কবির,, সাংবাদিক সাইফুর রহমান সাইফুল। জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা চট্টগ্রাম মহানগর সভাপতি কে এম রুবেল,,
চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতাল ভাইস প্রেসিডেন্ট ইঞ্জিনিয়ার জাবেদ আবছার চৌধুরী,,সাংবাদিক গিয়াস উদ্দিন লিটন, মোঃ জমির উদ্দীন, নাসিমা আক্তার, তসলিমা খানমসহ প্রায় ১৫টি সাংবাদিক সংগঠনের প্রতিনিধি। সঞ্চালনায় ছিলেন সাংবাদিক রেবেকা সুলতানা রেখা চৌধুরী ও জহিরুল ইসলাম বাবলু। সভা শেষে মরহুম রিমনের আত্মার মাগফিরাত কামনায় মোনাজাত পরিচালনা করেন হযরত মাওলানা ইমাম মারুফ রেজা।
-

গাজীপুরে সাংবাদিক আনোয়ারের উপ-র নৃশং-স হাম-লার পর তুহিনকে জ-বাই করে হ-ত্যা
স্টাফ রিপোর্টার
গাজীপুরে এক চাঁদাবাজ চক্রের বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশের জেরে সাংবাদিক আনোয়ার হোসেনের ওপর বর্বর হামলার অভিযোগ উঠেছে। বুধবার বিকেলে গাজীপুর মহানগরীর চান্দনা চৌরাস্তা এলাকায় দৈনিক প্রলয়ের নিজস্ব প্রতিবেদক সাংবাদিক আনোয়ারকে হামলা করে চাদাবাজ চক্র। এসময় ইট দিয়ে আঘাত শরীরে বিভিন্ন জায়গা থেতলে দেয়া হয়।
সাংবাদিক আনোয়ার হোসেনের ওপর হামলার পরের দিন বৃহস্পতিবার (৭ আগস্ট) রাত ৮টার দিকে দৈনিক প্রতিদিনের কাগজের গাজীপুর প্রতিনিধি আসাদুজ্জামান তুহিনকে মহানগরীর চান্দনা চৌরাস্তায় প্রকাশ্যে জবাই করে হত্যা করা হয়। ‘চাঁদাবাজির প্রতিবাদ করায়’ গাজীপুর মহানগরীতে ‘মব সৃষ্টি করে’ ইট-পাথর দিয়ে আঘাত করে সাংবাদিক আনোয়ার হোসেনের শরীরের বিভিন্ন অংশ থেঁতলে দেওয়া হয়েছে।
আনোয়ার হোসেন সৌরভ (৩২) নামের ওই সংবাদকর্মী নগরীর উত্তর ছায়াবিথী এলাকায় বসবাস করেন। তিনি দৈনিক প্রলয় পত্রিকায় নিজস্ব প্রতিবেদক ও দৈনিক বাংলােেশর আলো নামে একটি পত্রিকায় কাজ করেন। তাকে গুরুতর অবস্থায় উদ্ধার করে পুলিশ শহী তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করে। প্রকাশ্যে রাস্তার উপর সাংবাদিককে মারধরের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এরই মধ্যে ছড়িয়ে পড়েছে। এ নিয়ে নানা আলোচনা-সমালোচনা হচ্ছে। অনেকে পুলিশের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন। এক মিনিট ৩১ সেকেন্ডের এক ভিডিওতে দেখা যায়, কিছু লোকজন জড়ো হয়ে সৌরভকে মাটিতে ফেলে মারধর করছেন।
এ সময় পাশে একটি পুলিশের গাড়ি দেখা যায়। পুলিশের একজন সদস্য মারধরকারী যুবকদের নিবৃত্ত করার চেষ্টা করছেন। কিন্তু পুলিশের বাধা অতিক্রম করেই ওই যুবককে মারধর করা হয়। তাকে চ্যাঙদোলা করে নিয়ে যাওয়া হয়। এর মধ্যে ফিরোজা রংয়ের ফুল হাতা শার্ট ও সাদা প্যান্ট পরা এক যুবক, দুই হাতে লাঠি নিয়ে তাকে বেদম মারধর করছিলেন। ভুক্তভোগীকে তখন ‘ও ভাই, ও ভাই, ও স্যার, ও স্যার’ বলে আকুতি-মিনতি করতে দেখা যায়। তারপর ওই যুবক পাশ থেকে একটি পাথর নিয়ে মাটিতে পড়ে থাকা সাংবাদিককে আঘাত করেন। তখন এক পুলিশ সদস্য তাকে বাধা দেন। ভিডিওতে সাদা শার্ট পরা এক যুবককে উপর েেক লাফ দিয়ে ওই যুবকের শরীরে আঘাত করতেও দেখা যায়।
এ সময় কয়েকজন সাংবাদিকের হাত-পা মাটিতে চাপা দিয়ে ধরে রাখেন। সাংবাদিক সৌরভের এক সহকর্মী বলেন, “শহরের রেলগেইট ও সাহাপাড়া এলাকায় ফুটপাত কে অবৈধভাবে চাঁদাবাজির প্রতিবাদ করায় ক্ষিপ্ত হয়ে কিছু লোক আনোয়ার হোসেন সৌরভকে বেধড়ক মারধর করে। তারা ইট দিয়ে তার পাসহ শরীরের বিভিন্ন অংশ থেঁতলে দেয়। হামলার সময় পাশেই পুলিশ অবস্থান করলেও প্রমে তাকে উদ্ধারে এগিয়ে আসেনি।”
এ ঘটনায় একজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বুধবার বিকালে নগরীর সাহাপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে বলে সদর মেট্রো থানার ওসি মেহেদী হাসান জানান। তিনি আরও বলেন, পরে পুলিশ তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখান থেকে তাকে ঢাকায় স্থানান্তর করা হয়েছে। তার অবস্থা গুরুতর। সদর মেট্রো থানার ওসি মেহেদী হাসান বলেন, “এ ঘটনায় আহত যুবকের মা বাদী হয়ে মামলা করেছেন। পুলিশ বিষয়টি তদন্ত করছে। এরই মধ্যে এজহারনামীয় এক আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।এর আগে জানা যায়, বৃহস্পতিবার বিকেলে তুহিন গাজীপুরের চান্দনা চৌরাস্তা এলাকায় ফুটপাত ও দোকানপাট থেকে চাঁদাবাজির বিষয়ে একটি ফেসবুক লাইভ করেন। পরবর্তীতে রাত ৮টার দিকে চায়ের দোকানে বসে থাকার সময় সন্ত্রাসীরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাকে কুপিয়ে ও গলা কেটে হত্যা করে পালিয়ে যায়।
গাজীপুরের সাংবাদিক মহল, পেশাজীবী সমাজ ও সাধারণ মানুষের মাঝে গভীর ক্ষোভ ও শোকের ছায়া নেমে এসেছে। গাজীপুর প্রেসক্লাব ও সাংবাদিক ইউনিয়নের পক্ষ থেকে বিচার দাবি ও প্রতিবা কর্মসূচির ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।
এ ঘটনার রাজনৈতিক যোগসূত্র ও পরিকল্পিত হত্যার বিষয়ে সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানাচ্ছে দেশের সংবাদমাধ্যম সংশ্লিষ্ট মহল। সাংবাদিকরা মনে করছেন, সাংবাদিকদের নির্ভীক পেশাদারিত্বে বাধা দিতেই এ হামলা ও হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়েছে। -

তানোরের চাঁন্দুড়িয়া ইউপি যুবদলের আ-লোচনা সভা
আলিফ হোসেন,তানোরঃ
রাজশাহীর তানোরের চাঁন্দুড়িয়া ইউনিয়ন (ইউপি) যুবদলের উদ্যোগে ৩৬ জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস ও ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের পতন উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল আয়োজন করা হয়েছে।
জানা গেছে, ৭ আগষ্ট বৃহস্পতিবার চাঁন্দুড়িয়া ইউনিয়ন (ইউপি) যুবদলের উদ্যোগে উপজেলা যুবদলের যুগ্ম-আহবায়ক মাহফিজুর রহমান রিমনের সঞ্চালনায় ও সদস্য সচিব শরিফ উদ্দিন মুন্সীর সভাপতিত্বে সাফিনা পার্কে আয়োজিত আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী-১ আসনে বিএনপির দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশী ও বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য মেজর জেনারেল অবঃ শরিফ উদ্দিন।
অন্যান্যদের মধ্যে আরো উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী জেলা বিএনপির সাবেক সহসভাপতি ও চাঁন্দুড়িয়া ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান মফিজ উদ্দিন,তানোর উপজেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক হযরত আলী মাস্টার,ফিরোজ কবির, মানিরুল ইসলাম, উপজেলা যুবদলের যুগ্ম-আহবায়ক রাইহানুল হক রায়হান,নাসির উদ্দিন বাবু, বিপ্লব,জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম-আহবায়ক ও তানোর উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব মোতালেব হোসেন,গোদাগাড়ী উপজেলা ছাত্রদলের আহবায়ক বেদার উদ্দিন বিদ্যুৎ ও সদস্য সচিব কাউসার উদ্দিন প্রমুখ। এছাড়াও উপজেলা বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের বিপুল সংখ্যক নেতা ও কর্মী-সমর্থকগণ উপস্থিত ছিলেন। এদিন আলোচনা সভার আগে জুলাই-আগস্ট আন্দোলনে সকল শহীদদের আত্মার মাগফিরাত ও আহতদের আশু রোগমুক্তি কামনায় দোয়া করা হয়।এদিকে মেজর জেনারেল অবঃ শরিফ উদ্দিনের আগমন ঘিরে দিনভর
গুড়ি গুড়ি বৃষ্টি উপেক্ষা করে সাফিনা পার্কে হাজারো নেতাকর্মীর ঢল নামে। এদিন নেতা ও কর্মী-সমর্থকদের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ ছিলো চোখে পড়ার মতো। -

সিলেট আনসার-ভিডিপি’র বৃক্ষরোপণ অ-ভিযান: পরিবেশের ভারসাম্য র-ক্ষায় এক সবুজ পদক্ষেপ
এ কে খান ও গোলাম মোস্তফা রাঙ্গা:
সিলেট: পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং একটি সবুজ বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী দেশব্যাপী এক বিশাল বৃক্ষরোপণ অভিযান শুরু করেছে। এই অভিযানের মূল প্রতিপাদ্য “পরিকল্পিত বনায়ন করি, সবুজ বাংলাদেশ গড়ি।” বাহিনীর মহাপরিচালক এর নির্দেশে এই কার্যক্রম শুরু হয়েছে এবং চলবে আগামী সেপ্টেম্বর মাস পর্যন্ত। বৃহস্পতিবার, ৭ই আগস্ট, সিলেট রেঞ্জের বিভিন্ন উপজেলায় এই কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়। সিলেট জেলা আনসার ও ভিডিপি কার্যালয়ের প্রশিক্ষণ মাঠে বৃক্ষ রোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন রেঞ্জের দায়িত্বপ্রাপ্ত উপমহাপরিচালক মোঃ জিয়াউল হাসান, বিভিএমএস, পিএএমএস। তিনি নিজ হাতে একটি গাছের চারা রোপণ করে এই মহতী উদ্যোগের সূচনা করেন। কর্মসূচি শেষে উপমহাপরিচালক দেশ, জাতি এবং আনসার বাহিনীর উত্তরোত্তর সমৃদ্ধি কামনা করে বিশেষ মোনাজাতে অংশ নেন। এ সময় সিলেট জেলা কমান্ড্যান্ট, অন্যান্য উর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন। সারা দেশ ব্যাপী ছড়িয়ে পড়ছে সবুজ আন্দোলন এই অভিযানের আওতায় দেশজুড়ে ফলজ, বনজ এবং ঔষধি গাছের চারা রোপণ করা হচ্ছে। বাহিনীর মহাপরিচালক’র দূরদর্শী নির্দেশনায় আনসার-ভিডিপি’র সদস্যরা প্রতিটি রেঞ্জ, ব্যাটালিয়ন, উপজেলা এবং ইউনিয়ন পর্যায়ে স্থানীয় জনগণকে এই কার্যক্রমে যুক্ত করছেন। এর ফলে এটি শুধুমাত্র একটি প্রাতিষ্ঠানিক কর্মসূচি নয়, বরং একটি সামাজিক আন্দোলনে রূপ নিচ্ছে। এই উদ্যোগের মাধ্যমে এক দিকে যেমন পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা পাবে, তেমনি জীব বৈচিত্র্যও সুরক্ষিত হবে। ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি স্বাস্থ্যকর ও বাসযোগ্য বাংলাদেশ গড়ে তোলার লক্ষ্যে এই প্রচেষ্টা সত্যিই প্রশংসনীয়। বাংলাদেশ আনসার ও ভিডিপি বাহিনীর এই কার্যক্রম তাদের সামাজিক দায়িত্ব বোধের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। বৃক্ষরোপণ অভিযান-২০২৫ পরিবেশগত উন্নয়নের পাশাপাশি সামাজিক দায়বদ্ধতার এক নতুন বার্তা বহন করছে। এটি প্রমাণ করে যে, সবুজায়ন শুধু একটি কর্মসূচি নয়, বরং একটি মহৎ সামাজিক আন্দোলন। এই সময়োপযোগী এবং প্রশংসনীয় পদক্ষেপের মধ্য দিয়ে আনসার বাহিনী একটি সুন্দর ও সবুজ ভবিষ্যৎ গড়ার পথে অগ্রণী ভূমিকা পালন করছে।
-

ঢাকায় জুলাই পু-নর্জাগরণ ও তারুণ্যের উৎসবে অগ্রণী ব্যাংকের বৃক্ষ রোপণ কর্মসূচি
এ কে খান ও গোলাম মোস্তফা রাঙ্গা :
ঢাকা: জুলাই পুনর্জাগরণ ও তারুণ্যের উৎসব ২০২৫’ উপলক্ষে দেশব্যাপী বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন করেছে অগ্রণী ব্যাংক পিএলসি। ঢাকায় গত ৬ আগস্ট বুধবার সকালে শাহবাগে অবস্থিত ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের নিজস্ব চত্বরে এই কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়। এ সময় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে অংশ নেন অগ্রণী ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের পরিচালক এবং অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মোঃ সাঈদ কুতুব ও ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও মোঃ আনোয়ারুল ইসলাম।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন উপব্যবস্থাপনা পরিচালক মোঃ আবুল বাশার ও রূবানা পারভীন, মহাব্যবস্থাপক (ঢাকা সার্কেল-১) মোঃ শামছুল আলম, মহাব্যবস্থাপক (প্রধান শাখা) এ কে এম ফজলুল হক, মহাব্যবস্থাপক (ক্যামেলকো) মোহাম্মদ ফজলুুল করিম, মহাব্যবস্থাপক (অডিট) মোঃ ইখতিয়ার উদ্দিন, মহাব্যবস্থাপক (প্রশাসন) মোঃ জালাল উদ্দিন, মহাব্যবস্থাপক (এস্টাব্লিসমেন্ট এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং ডিভিশন) রাওফা হক। এছাড়াও উর্ধ্বতন নির্বাহী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ এ কর্মসূচিতে স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন। শুধুমাত্র প্রধান কার্যালয়ই নয়, একই দিনে অগ্রণী ব্যাংকের বিভাগীয়, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের সকল শাখা ও কার্যালয়েও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালিত হয়। এসব শাখায় কর্মরত নির্বাহী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা পরিবেশ সুরক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ এই উদ্যোগে অংশ নেন। এই কর্মসূচির মাধ্যমে অগ্রণী ব্যাংক সবুজ ও টেকসই বাংলাদেশ গড়ার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে।
-

বরগুনার তালতলীতে নৌবাহিনীর অ-ভিযানে ৪ কেজি গাঁ-জাসহ আ-টক ২
তালতলী বরগুনা প্রতিনিধি।।
বরগুনার তালতলী উপজেলায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে আনুমানিক ৪ কেজি গাঁজাসহ দুই মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে বাংলাদেশ নৌবাহিনী।
বৃহস্পতিবার (৭ আগস্ট) দুপুর আনুমানিক ১টা ৫০ মিনিটে উপজেলার কেন্দ্রীয় বাজারসংলগ্ন মডেল মসজিদ কমপ্লেক্সের সামনে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।আটককৃতরা হলেন,আটক ব্যক্তিরা হলেন, বরগুনা জেলার পরীর খাল গ্রামের শাহজালালের পুত্র বিল্লাল (২৯),ও ঢাকা মুগদা এলাকার বাসিন্দা মজিদ হাওলাদারের কন্যা রহিমা বেগম( ৫০)।
নৌবাহিনী সূত্রে জানা গেছে, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে তারা জানতে পারেন যে, তালতলী বাজার এলাকায় মাদক বেচাকেনার জন্য কয়েকজন অপরিচিত ব্যক্তি অবস্থান করছে। এমন তথ্যের ভিত্তিতে নৌবাহিনীর একটি দল তাৎক্ষণিকভাবে অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানের সময় সন্দেহভাজন দুই ব্যক্তিকে চিহ্নিত করে তল্লাশি চালানো হয়। এ সময় তাদের কাছ থেকে আনুমানিক ৪ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটককৃতরা স্বীকার করেন, তারা গাঁজা সরবরাহ ও বিক্রির সঙ্গে জড়িত একটি চক্রের সদস্য এবং দীর্ঘদিন ধরে বরগুনা ও ঢাকা জেলায় মাদক সরবরাহ করে আসছেন।
স্থানীয়দের দাবি, সম্প্রতি উপজেলায় বহিরাগত মাদক ব্যবসায়ীদের আনাগোনা বৃদ্ধি পেয়েছে । ফলে এলাকাবাসীর মধ্যে উৎকণ্ঠা তৈরি হয়েছিল। তবে নৌবাহিনীর এই সফল অভিযানে সাধারণ মানুষের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে।
আটককৃতদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করে তালতলী থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
তালতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শাহজালাল বলেন, নৌবাহিনীর সহায়তায় পরিচালিত এই মাদকবিরোধী অভিযান অত্যন্ত সফল হয়েছে। আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। মাদক নির্মূলে এ ধরনের অভিযান চলমান থাকবে।
উল্লেখ্য, গত মাসেও বাংলাদেশ নৌবাহিনী একটি অভিযানে ১০ কেজি গাঁজাসহ একাধিক মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছিল। ফলে তালতলীতে মাদক নিয়ন্ত্রণে নৌবাহিনীর ভূমিকা ব্যাপক প্রশংসিত হচ্ছে। সচেতন মহল নিয়মিত মাদকবিরোধী অভিযান চালানোর দাবি জানিয়েছে।