পীরগঞ্জ (ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধি ঃ ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জে গাজীপুরে সাংবাদিক আসাদুজ্জামান তুহিনকে কুপিয়ে নির্মমভাবে হত্যা করা সহ দেশব্যাপী সাংবাদিক নির্যাতন ও হুমকি-ধামকির প্রতিবাদ এবং হত্যাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ হয়েছে ।
গতকাল শনিবার দুপুরে পীরগঞ্জ প্রেসক্লাবের আয়োজনে প্রেসক্লাব চত্ত্বরে সাংবাদিকদের অংশগ্রহণে এক ঘণ্টাব্যাপী এ মানববন্ধন করা হয়।
এ সময় বক্তব্য দেন, পীরগঞ্জ প্রেসক্লাব সভাপতি জয়নাল আবেদীন বাবুল, সাধারণ সম্পাদক নসরতে খোদা রানা, রানীশংকৈল প্রেসক্লাবের সভাপতি আশরাফুল আলম, দৈনিক ইত্তেফাক প্রতিনিধি মেহের এলাহী, সিনিয়র সাংবাদিক ফজলুল কবির, উপজেলা সিপিবি’র সাধারণ সম্পাদক মোর্তুজা আলম, আজকের পত্রিকার প্রতিনিধি নুরনবী রানা, সাংবাদিক দেলওয়ার হোসেন দুলাল সরকার, বিষ্ণুপদ রায়, মুনসুর আহাম্মেদ, বাদল হোসেন প্রমূখ।
প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তারা বলেন, সাংবাদিক তুহিনকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছে। যা স্বাধীন গণমাধ্যমের উপর বড় আঘাত। শুধু গাজীপুরে নয়, সারা দেশেই এখন সাংবাদিকেরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে। আসাদুজ্জামান তুহিনের হত্যাকাণ্ডে জড়িত প্রত্যেক আসামিকে দ্রুততম সময়ের মধ্যে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা সহ দেশে সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।
Author: desk
-

পীরগঞ্জে সাংবাদিক তুহিন হ-ত্যা নি-র্যাতন প্র-তিবাদে মা-নববন্ধন
-

সাংবাদিক তুহিন হ-ত্যার প্র-তিবাদে তেঁতুলিয়ায় মান-ববন্ধন ও বিক্ষো-ভ সমাবেশ
মুহম্মদ তরিকুল ইসলাম, তেঁতুলিয়া (পঞ্চগড়) প্রতিনিধিঃ গাজীপুরে দৈনিক প্রতিদিনের কাগজ পত্রিকার স্টাফ রিপোর্টার আসাদুজ্জামান তুহিনকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যার প্রতিবাদে পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার (০৯ আগস্ট) বিকেলে উপজেলার চৌরাস্তা বাজার তেঁতুলতলায় তেঁতুলিয়া প্রেসক্লাবের আয়োজনে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।
সাংবাদিক মোস্তাক আহমেদের সঞ্চালনায় উক্ত মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন সাংবাদিক সোহরাব আলী।
মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন, জাতীয় পরিবেশ পদকপ্রাপ্ত মাহমুদুল ইসলাম মামুন, সিপাইপাড়া দ্বিমুখী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক তহিদুল ইসলাম, সাংবাদিক মোবারক হোসেন, সাংবাদিক আল আমিন, সাংবাদিক তরিকুল ইসলাম, সাংবাদিক খাদেমুল ইসলাম ও জুয়েলসহ স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মী ও সুধীজন।
বক্তারা বলেন, সাংবাদিক আসাদুজ্জামান তুহিন ছিলেন দুর্নীতি, অনিয়ম ও অপরাধের বিরুদ্ধে কলম যোদ্ধা। তাকে নৃশংসভাবে হত্যা করে স্বাধীন সাংবাদিকতার কণ্ঠরোধের চেষ্টা করা হয়েছে। সাংবাদিক হত্যা গণতন্ত্র, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও আইনের শাসনের জন্য মারাত্মক হুমকি।
বক্তারা আরও বলেন, রাষ্ট্রের দায়িত্ব নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। কিন্তু বারবার এ ধরনের ঘটনা ঘটায় তা প্রশ্নবিদ্ধ হচ্ছে। সাংবাদিকরা রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ হিসেবে সত্য তুলে ধরেন। তাদের ওপর হামলা মানে সত্যকে দমন করা এবং স্বৈরাচারী প্রবণতা প্রতিষ্ঠার চেষ্টা। এই অপরাধের বিচার না হলে সমাজে নৈরাজ্য আরও বৃদ্ধি পাবে।
বক্তারা আরো বলেন, ‘সাংবাদিক তুহিন হত্যাকান্ড শুধু একটি ব্যক্তিগত ক্ষতি নয়, এটি গণমাধ্যমের স্বাধীনতার ওপর আঘাত। এ ধরনের বর্বর হত্যাকান্ডের দ্রুত বিচার নিশ্চিত করতে হবে। মানববন্ধনে সাংবাদিকদের রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা নিশ্চিতের দাবি জানানো হয়।
মানববন্ধন শেষে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করেন অংশগ্রহকারী সাংবাদিকরা।মুহম্মদ তরিকুল ইসলাম।।
-

সাংবাদিক তুহিন হ-ত্যার প্র-তিবাদে ও বি-চারের দা-বিতে সাভার প্রেসক্লাবের পক্ষ থেকে মা-নববন্ধন
হেলাল শেখঃ গাজীপুরে দৈনিক প্রতিদিনের কাগজের স্টাফ রিপোর্টার বিশিষ্ট সাংবাদিক আসাদুজ্জামান তুহিনকে কুপিয়ে হত্যার প্রতিবাদ ও আসামিদের গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবীতে মানববন্ধন সমাবেশ করেছেন সাভার প্রেসক্লাব।
শনিবার (৯ আগষ্ট ২০২৫ইং) দুপুরে সাভার ক্লাব চত্বরে এ কর্মসূচীর আয়োজন করা হয়। এ সময় বক্তব্য রাখেন সাভার প্রেসক্লাবের সভাপতি নাজমুল হুদা, সিনিয়র সাংবাদিক তোফাসানি, শেখ বাশার, ক্লাবের সাংগঠনিক সম্পাদক ওমর ফারুক, একুশে টিভির শাহেদ জুয়েল, জিটিভির আজিমুদ্দিন, দপ্তর সম্পাদক এমদাদুল হকসহ আরো অনেকে।
মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশে সাংবাদিকরা বলেন, সাংবাদিক তুহিন হত্যাকাণ্ড শুধু একটি প্রাণহানি নয়, এটি সংবাদপত্রের স্বাধীনতা ও মতপ্রকাশের অধিকারের ওপর এক নির্মম ও বর্বর আঘাত। তুহিন হত্যাকান্ডের সাথে জড়িতদের গ্রেফতার করা হলেও পেছনের কুশিলবদের এখনও গ্রেফতার করা হয়নি। এই ঘটনার সাথে জড়িত সকলকে গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করেছেন সকল সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ।
-

রাজধানীতে কেন্দ্রীয় অফিসে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সাংবাদিক সংস্থার বোর্ড মিটিং অ-নুষ্ঠিত
হেলাল শেখঃ রাজধানীর মতিঝিলে কেন্দ্রীয় অফিসে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সাংবাদিক সংস্থার বোর্ড মিটিং অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার (৯ আগস্ট২০২৫ইং) বিকাল ৩টায় রাজধানীর মতিঝিলের শরিফ ম্যানশনের চতুর্থ তলায় সংস্থার কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এ মিটিং অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় সভাপতিত্ব করেন সংস্থার চেয়ারম্যান এস এম নজরুল ইসলাম, আরো উপস্থিত ছিলেন ভাইস-চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট রফিকুল ইসলাম, ভাইস- চেয়ারম্যান দেওয়ান ওমর ফারুক, ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব অধ্যক্ষ একরাম উল্লাহ, সহকারী মহাসচিব ডা. হাচান আহমেদ মেহেদী, পরিচালক জাহিদ হোসেন (সজল), পরিচালক তাজরুল ইসলাম, পরিচালক মোঃ মানিক, পরিচালক মোছাঃ তানিয়া আক্তার, পরিচালক মোঃ জাহিদুল ইসলাম ও পরিচালক এম এ মোতালিবসহ কেন্দ্রীয় কমিটির নেতৃবৃন্দ।
এ সময় সংস্থার চলমান কার্যক্রম, ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা এবং মানবাধিকার ও সাংবাদিকতার মান উন্নয়নে করণীয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। পাশাপাশি দেশের বিভিন্ন স্থানে মানবাধিকার লঙ্ঘন ও সাংবাদিক নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে সংস্থার সক্রিয় ভূমিকা আরও জোরদার করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
সভায় উপস্থিত সকল সদস্য একযোগে প্রতিশ্রুতি দেন, মানবাধিকার রক্ষা ও সাংবাদিকতার স্বাধীনতা বজায় রাখতে তারা সবসময় ঐক্যবদ্ধ ভাবে কাজ করে যাবেন বলে নেতৃবৃন্দরা জানান।
-

কুমিল্লার ইউপি সদস্য হ-ত্যা মা-মলার আ-সামি ঢাকায় গ্রে-ফতার
কুমিল্লা থেকে তরিকুল ইসলাম তরুন,
কুমিল্লার নাঙ্গলকোটের ইউপি সদস্য আলাউদ্দিনকে বাড়ির সামনে থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে কুপিয়ে ও গুলি করে হত্যার ঘটনায় প্রধান আসামিকে ঢাকার হাতিরঝিল মগবাজার রেলগেট এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করে র্যাব। শুক্রবার দিনগত রাতে অভিযানটি শেষ করে র্যাব।
গ্রেফতারকৃত আসামী শেখ ফরিদ (৪৫) নাঙ্গলকোট উপজেলার বক্সগঞ্জ আলীয়ারা গ্রামের আবুল খায়েরের ছেলে।
শনিবার সকাল সাড়ে দশটার দিকে কুমিল্লা অশোকতলা এলাকায় র্যাব অফিসে এক সংবাদ সম্মেলনের এসব তথ্য দেন
র্যাব ১১ এর কুমিল্লার কোম্পানি কমান্ডার মেজর সাদমান ইবনে আলম।
নাঙ্গলকোটের আলিয়ারা গ্রামে দুই পরিবারের মধ্যে বংশপরম্পরায় একটি বিরোধ চলে আসছিল। গেল গেল ২৫ জুলাই গরুর ঘাস খাওয়া কে কেন্দ্র করে দুই পরিবারের মধ্যে সংঘর্ষ হয়।সেদিন দফায় দফায় সংঘর্ষে উভয় পক্ষের ১৫ জন গুলিবিদ্ধসহ ২৫ জন আহত হয়।
এ ঘটনার রেশ ধরে গেলো ৩ আগস্ট দুপুরে আলিয়ারা গ্রামের বাসিন্দা আলাউদ্দিন তার চাচাতো ভাইয়ের জানাজার নামাজ শেষে বাড়ি ফেরার পথে দুর্বৃত্তরা তাকে একটি সিএনজিতে তুলে নিয়ে গুলি ও কুপিয়ে হত্যা করে।
পরে এ ঘটনায় ৫ আগস্ট নিহতের ছেলে বাদী হয়ে নাঙ্গলকোট থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
এতে পুলিশ, ডিবি,রেব বিষয় টি আমলে নিয়ে আসামি দের ধরার জন্য মাঠে নামে। -

দূর্গম দ্বীপাঞ্চলে দি-নব্যাপী স্বাস্থ্যসেবা ও ওষুধ বি-তরণ নৌবাহিনীর
রফিকুল ইসলাম, রাঙ্গাবালী পটুয়াখালী :
তিন দিকে নদী এবং একদিকে সাগরদ্বারা বেষ্টিত উপজেলা রাঙ্গাবালী। জেলা শহর থেকে প্রায় ৫৫ কিলোমিটার দূরে হলেও সরাসরি সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন উপজেলার মানুষ। ২০১২ সালে উপজেলা গঠিত হলেও এখন পর্যন্ত চালু হয়নি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স। যার ফলে চিকিৎসা সেবা বঞ্চিত রাঙ্গাবালীর অন্তত দেড় লাখ মানুষ। নানা সময়ে দুর্গম এ উপজেলা হতে স্বাস্থ্যব্যবস্থা নিয়ে জোর আন্দোলন হলেও বাস্তবে তা রূপ নেয়নি। প্রায়শই চিকিৎসা বঞ্চিত হয়ে মারা গেছে প্রসূতি নারী। রোগে কাতরাচ্ছে অনেকে। তবে ব্যতিক্রম ছিল বাংলাদেশ নৌ-বাহিনী। বিচ্ছিন্ন মানুষ মানসম্মত চিকিৎসা সেবার লক্ষ্যে বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা প্রদান ও ওষুধ বিতরণ কর হয়েছে।শনিবার সকাল ৯টায় পটুয়খালীর রাঙ্গাবালী মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে ‘বানৌজা শের-ই-বাংলা’ ঘাঁটির উদ্যোগে এবং নেভি ট্রেনিং অ্যান্ড ডকট্রিন কমান্ডের সার্বিক তত্ত্বাবধানে দিনব্যাপী এ চিকিৎসা ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হয়।
ক্যাম্পে নৌবাহিনীর অভিজ্ঞ ও দক্ষ চিকিৎসকরা উপজেলার বিভিন্ন এলাকা হতে আগত নারী, পুরুষ ও শিশুসহ প্রায় সাত শতাধিক রোগীকে বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা ও প্রয়োজনীয় ওষুধ প্রদান করে। সাধারণ রোগীর পাশাপাশি জটিল রোগে আক্রান্তদেরও পেশাদারিত্ব ও আন্তরিকতার সঙ্গে চিকিৎসা দেওয়া হয়, যা স্থানীয়দের মধ্যে স্বস্তি ও সন্তুষ্টি এনে দেয়।
ছোটবাইশদিয়া ইউনিয়নের মোর্শেদা বেগম বলেন, এমন একটা এলাকায় বাস করি যেখানে ভাল ডাক্তার নাই। হাসপাতাল নাই। আমরা গরিব মানুষ, শহরের বড় বড় হাসপাতালে ডাক্তার দেখানোর সাধ্য নাই। আজকে স্যারেরা আমাদের বিনাপয়সায় ডাক্তার দেখাইছে, ওষুধ দিছে আমরা খুশি তাদের জন্য দোয়া করি। একই অভিপ্রায় জানিয়ে হনুফা বেগম বলেন, গরিব মানুষদের কথা কেউ মনে রাখে না। আজকে স্যারেরা আমাদের ভাল চিকিৎসা দিছে। তারা অনেক ভাল মনের মানুষ। তাদের জন্য দোয়া করি।
সদর ইউনিয়নের মোটরসাইকেল চালক মো. হানিফ বলেন, বিভিন্ন সময় রোগী নিয়ে যাই। তখন একটা মানুষের চিকিৎসা বঞ্চিতের দুঃখ-দুর্দশা দেখি। এ উপজেলায় এখনও হাসপাতাল নির্মাণ হয়নি। ভোগান্তির শেষ নেই। আজকে নৌ-বাহিনীর চিকিৎসা ক্যাম্প কিছুটা স্বস্তিদায়ক।
বানৌজা শের-ই-বাংলা ঘাঁটির সার্জন লেফটেন্যান্ট কমান্ডার মোঃ নজরুল ইসলাম বলেন, আজকে আমরা আমাদের লিমিটেশনের মধ্যে সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছি এই এলাকার মানুষের জন্য যতটুকু সম্ভব আমরা ওষুধসহ চিকিৎসা দিচ্ছি এবং আশা করি এই চিকিৎসার মাধ্যমে যে সমস্ত দরিদ্র ও সুবিধা বঞ্চিত রোগীরা রয়েছেন তারা এর থেকে উপকৃত হবেন।তারা যদি সামন্যতম উপকৃত হোন তাহলেই আমাদের এই প্রচেষ্টা সফল হবে। বাংলাদেশ নৌবাহিনী দীর্ঘদিন ধরে দেশের সমুদ্রসীমা ও উপকূলীয় এলাকার নিরাপত্তার পাশাপাশি দুর্গম ও প্রত্যন্ত অঞ্চলে নিয়মিতভাবে ফ্রি চিকিৎসা ক্যাম্প পরিচালনা করে আসছে। ভবিষ্যতেও এ মানবিক ও সেবামূলক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
###
-

নানা অ-ব্যবস্থাপনায় জ-র্জরিত সলঙ্গা হাট
এম এ সালাম,
সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি :
যানজট,অবৈধ দখল, জলাবদ্ধতা,দুর্গন্ধসহ নানা অব্যবস্থাপনায় জর্জরিত সিরাজগঞ্জের প্রাচীন ও বৃহত্তর রায়গঞ্জের সলঙ্গা হাট। হাটের প্রবেশপথ স্লুইস গেট ও মাদ্রাসা মোড় নতুন ব্রীজসহ গুরুত্বপুর্ণ স্থানগুলোয় সারা বছরই লেগে থাকে যানজট।বিশেষ করে হাটের দিনগুলোয় যানজটে হাটে আসা ক্রেতা-বিক্রেতাসহ স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীদের চরম ভোগান্তিতে পড়তে হয়।এদিকে বর্ষা মৌসুমে হালকা বৃষ্টি হলেই হাট ও এর আসেপাশে এলাকায় পানি নিষ্কাশন না হওয়ায় বাধে জলাবদ্ধতা।এতে স্যাতঁস্যাঁতে কাদা-পানি আর দুর্গন্ধের কারনে ক্রেতা-বিক্রেতাদের স্বাভাবিক বেচাকেনায় ব্যাঘাত সৃষ্টি হচ্ছে। ঠিকমত বেচা-বিক্রি না করতে পারায় ক্ষু্ব্ধ হয়ে উঠেছেন ব্যবসায়ীরা।দুর্বল ড্রেনেজ ব্যবস্থা আর উন্নয়ন বিমুখতার কারনে সলঙ্গা হাটের এমন অবস্থা বলছেন সংশ্লিষ্টরা।সরেজমিনে দেখা যায়,সপ্তাহের সোম ও বৃহ:বার বসে সলঙ্গা হাট।বর্জ্য ফেলার জায়গা না থাকা ও পানি নিস্কাশনের সুষ্ঠু ব্যবস্থা না থাকায় স্লু্ুইস গেটের নিচে নদীতে হাটের ময়লা- আবর্জনা ফেলা হয়।স্লুইস গেটে মুরগী পট্রি,মাছ পট্রিসহ অন্য স্থানের ময়লা- আবর্জনা জমে থাকায় বিকট দুর্গন্ধ তৈরি হচ্ছে।এতে হাটে আসা ক্রেতা-বিক্রেতাদের নাভিশ্বাস হয়ে উঠেছে। বিশেষ করে মাছ পট্রির নোংরা পানি ও মুরগীর বিষ্টার কারনে আসপাশের দোকানি ও বাড়ির মালিকদের টেকা দায়।বর্ষা মৌসুমে কিছুক্ষণ বৃষ্টি হলে কদমতলা তরকারী হাটাসহ হাটের বিভিন্ন জায়গায় হাঁটুসমান পানি জমে থাকে।পানি নিষ্কাশনের
ড্রেনেজ ব্যবস্থা না থাকায় এ অবস্থা সৃষ্টি হচ্ছে।আবার সপ্তাহের সোমবারে গরু হাটায় কাদা জমে থাকে।সামান্য বৃষ্টি হলেই ডিমহাটা হতে গুড়হাটা পর্যন্ত পানিতে একাকার হয়ে যায়।মাংশ পট্রি- জুতাহাটা হতে উত্তরে তরকারি হাটার পুরো পাকা রাস্তাটাই স্যাঁতস্যাঁতে কাদা পানিতে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ে।কাঁচামাল ব্যবসায়ী জুয়েল,হানিফসহ অন্যরা বলেন, তরকারি হাটার রাস্তায় স্যাঁতস্যাঁতে কাদা- পানিতে চলাচল করা দায়।বছরের পর বছর আমরা এভাবে কষ্ট ভোগ করছি।আবার কাদা-পানি থাকার কারনে বর্ষাকালে আমাদের ক্রেতা অনেকটাই কমে যায়।সলঙ্গা বণিক সমিতির নেতারা জানান,গরু- ছাগল ও বিভিন্ন পণ্য বিক্রির প্রাচীনতম হাট সলঙ্গা।প্রতি বছর সরকার রাজস্ব আয় করলেও হাটের উন্নয়নে তেমন কোন কার্যকর উদ্যোগ নেই। সলঙ্গা থানা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও হাট ইজারাদার মতিয়ার রহমান সরকার বলেন,আমি হাট ইজারাদারের দায়িত্ব নেওয়ার পর হাটের দীর্ঘদিনের অব্যবস্থাপনাগুলো ধাপে ধাপে সমাধানের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। এ বিষয়ে রায়গঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হুমায়ন কবির বলেন,সলঙ্গা হাটের বিভিন্ন সমস্যাগুলোর বিষয়ে অবগত হয়েছি।পর্যায়ক্রমে সমাধানের পদক্ষেপ গ্রহন করা হবে।
-

চারঘাটে যোগাযোগ দ-ক্ষতা উন্নয়ন বিষয়ক প্র-শিক্ষণ অ-নুষ্ঠিত
চারঘাট (রাজশাহী) প্রতিনিধিঃ
রাজশাহীর চারঘাটে “Voices for Change Project এর সহযোগিতায় যোগাযোগ দক্ষতা উন্নয়ন বিষয়ক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার (০৯ আগস্ট) সকাল ১০ টা থেকে বিকেল ৪ টা পর্যন্ত আবদুল মোমেন খান মেমোরিয়াল ফাউন্ডেশন (খান ফাউন্ডেশন) এর আয়োজনে ও সমতা নারী কল্যাণ সংস্থা, রাজশাহী বাস্তবায়ন সহযোগিতায় থানাপাড়া সোয়ালোজ ডেভেলপমেন্ট সোসাইটি প্রশিক্ষণ কক্ষে এই প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়।
উক্ত প্রশিক্ষণে উপস্থিত ছিলেন, থানাপাড়া সোয়ালোজের নির্বাহী পরিচালক রায়হান আলী, Voices for Change এর জেলা প্রকল্প কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম, জেলা প্রকল্প কর্মকর্তা শিরিন আক্তার, চারঘাট চেতনা সমাজ উন্নয়ন সংস্কার পরিচালক বাবলু সরকার, অর্পণ ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক রেজাউল করিম, সূর্য উন্নয়ন সংস্থার চেয়ারম্যান মোশারফ হোসেন, দারিদ্র কল্যাণ সংস্থার পরিচালক জিল্লুর রহমান, চারঘাট উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি মোজাম্মেল হকসহ উপজেলার ৬টি ইউনিয়নের নারী ইউপি সদস্যগন।
মোঃ মোজাম্মেল হক
চারঘাট, রাজশাহী -

গাজীপুরের সাংবাদিক হ-ত্যার ঘটনায় জয়পুরহাটে মা-নববন্ধন ও প্র-তিবাদ সভা
স্টাফ রিপোর্টার:- নিরেন দাস
গাজীপুরে দৈনিক প্রতিদিনের কাগজের সাংবাদিক আসাদুজ্জামান তুহিনকে নির্মমভাবে হত্যা ও দৈনিক বাংলাদেশের আলো পত্রিকার সাংবাদিক আনোয়ার হোসেনকে মারাত্বকভাবে আহত করার প্রতিবাদে জড়িতদের দৃষ্টান্তমুলক শাস্তির দাবিতে জয়পুরহাটে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভা করেছে জেলার সাংবাদিকরা। শনিবার দুপুরে শহরের জিরো পয়েন্টে জয়পুরহাট প্রেসক্লাবের আয়োজনে এ কর্মসূচি পালন করা হয়। এতে বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার শতাধিক সাংবাদিক অংশ নেয়।
এসময় বক্তব্য রাখেন, জয়পুরহাট প্রেসক্লাবের সভাপতি আবু বকর সিদ্দিক, সিনিয়র সহ সভাপতি মাশরেকুল আলম, সহ সভাপতি রেজাউল করিম রেজা, সাধারণ সম্পাদক মাসুদ রানা, যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক শামীম কাদির, সিনিয়র সাংবাদিক নজরুল ইসলাম, সাহাবুদ্দিন, আব্দুল আলিম ও মোয়াজ্জেম হোসেনসহ জেলার প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিক নেতৃবৃন্দরা ।
বক্তারা বলেন, শতশত মানুষের সামনে একজন সাংবাদিককে নির্মমভাবে হত্যা ও একজনকে গুরুতর আহত করা হলো। দ্রুত বিচার আইনে এর সাথে জড়িতদের সর্বোচ্চ শাস্তি ফাঁসি দেওয়া না হলে সাংবাদিকরা আরও বৃহত্তর আন্দোলন গড়ে তুলবে।
-

উল্লাপাড়ায় গৃহবধু রিনা হ-ত্যা মা-মলার আ-সামীদের গ্রে-ফতার করতে পারেনি পুলিশ
এম এ সালাম,
সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি :
সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া উপজেলার পশ্চিম মহেশপুর গ্রামের আলোচিত গৃহবধূ রিনা খাতুন (৪০) কে পিটিয়ে ও শ্বাসরোধ করে হত্যার ঘটনার দুই সপ্তাহ পার হলেও মামলার প্রধান আসামিসহ কোন আসামিকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ। এতে ক্ষুব্ধ নিহত ব্যক্তির স্বজন ও পরিবারের লোকজন। পুলিশ বলছে, প্রধান আসামিসহ বাকিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।গৃহবধূ রিনা খাতুনকে পিটিয়ে ও শ্বাসরোধ করে হত্যার ঘটনায় স্বামীসহ ৭ জনকে আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করেছে রিনা খাতুনের সহোদর বড় ভাই আছাদুল আকন্দ। মামলার আসামিরা হলো- উপজেলার পশ্চিম মহেশপুর গ্রামের গোলবার মন্ডলের ছেলে আছাদুল মন্ডল (৪৮), শহিদুল মন্ডল (৫৫), জলিল মন্ডল (৫৮), শহিদুল মন্ডলের স্ত্রী জিহানুর বেগম (৫০), ছেলে জেলহক (৩২), রাকিব (২০), জলিল মন্ডলের স্ত্রী মেরজাহান (৫৫)।
মামলার বাদী নিহত গৃহবধূ রিনা খাতুনের সহোদর বড় ভাই আছাদুল আকন্দ সংবাদ কর্মীদের কাছে অভিযোগ করে বলেন, আমার সহোদর ছোট বোন রিনা খাতুনের ২৫/২৬ বছর পুর্বে একই গ্রামের আসামি আছাদুল মন্ডলের সঙ্গে পারিবারিক ভাবে বিবাহ হয়। বিবাহের পর বেশকিছু দিন ভালোই চলছিল তাদের সংসার। বছর দশেক পর থেকে কর্মে বিমুখ হয়ে পরে আছাদুল। খারাপ লোকদের সঙ্গে মিশতে শুরু করে। আমার বোন রিনা সহ আমার পরিবারের লোকজন আছাদুলকে সংশোধন করার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হই। ঘটনার দিন ২৩ জুলাই বুধবার স্ত্রী, ছেলে ও মেয়ের সাথে কোন রকম পরামর্শ ছাড়াই আছাদুল তার বসত বাড়ীর ৪ শতাংশ জায়গা ভাইদের নিকট বিক্রি করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। তার স্ত্রী রিনা এতে বাঁধা দিলে ক্ষিপ্ত হয়ে প্রথমে রিনাকে এলোপাতাড়ি পিটিয়ে গুরুতর আহত করে। পরে আহত রিনাকে তার স্বামী ও পরিবারের লোকজন মিলিতভাবে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে তার ছেলের দক্ষিণ দুয়ারী ঘরের ধর্নার সাথে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে রাখে। এ ঘটনায় ২৪ জুলাই থানায় মামলার এজাহারে ৭ জনের বিরুদ্ধে বাদী হয়ে মামলা দায়ের করি। তিনি আরও বলেন, মামলা তদন্তের দায়িত্ব পান উল্লাপাড়া মডেল থানার তদন্ত ওসি নিয়ামুল হক। মামলা দায়েরের দুই সপ্তাহ পেরুলেও কোন আসামিকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ।
এব্যাপারে মামলা তদন্ত কর্মকর্তা ও উল্লাপাড়া মডেল থানার তদন্ত ওসি মোঃ নিয়ামুল হক জানান, নিহতের পোস্ট মডেম রির্পোট এখনো পাইনি। তবে আসামি গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।
উল্লাপাড়া সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার আসাদুজ্জামান শাকিল এ ব্যাপারে জানান, মামলাটি হত্যা নাকি আত্মহত্যা? এ ব্যাপারে পুলিশ অধিক তদন্ত করে দেখছে এবং ঘটনার সাথে জড়িতদের গ্রেফতারেও চেষ্টা করছে।