Author: desk

  • গোপালগঞ্জের বিভিন্ন প্রাথমিক বিদ্যালয় সমুহে স্কুল ফিডিং কর্মসূচিতে অনিয়ম : সপ্তাহে ১ দিন দুধ দেওয়ার অ-ভিযোগ

    গোপালগঞ্জের বিভিন্ন প্রাথমিক বিদ্যালয় সমুহে স্কুল ফিডিং কর্মসূচিতে অনিয়ম : সপ্তাহে ১ দিন দুধ দেওয়ার অ-ভিযোগ

    নিজস্ব প্রতিনিধিঃ

    গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া ও কাশিয়ানী উপজেলার প্রাথমিক বিদ্যালয়ের হাজার হাজার শিক্ষার্থী স্কুল ফিডিং কর্মসূচির আওতায় মিড ডে মিল পাওয়া থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। বর্তমানে তাদের শুধু সপ্তাহে একদিন ২০০ এমএল দুধ পান করেই সন্তুষ্ট থাকতে হচ্ছে।
    সরেজমিনে জেলার ওই দুই উপজেলার বিভিন্ন স্কুলে গিয়ে জানা গেছে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা সপ্তাহের মঙ্গলবারে শুধু দুধ পায়। অন্য দিনগুলোতে কোনো খাবার পাচ্ছে না।
    গত ২০২৫ সালের নভেম্বর মাসের ১৭ তারিখ থেকে শুরু হওয়া ওই কর্মসূচির আওতায় রোববার বনরুটি (১২০ গ্রাম) ও সিদ্ধ ডিম (৬০ গ্রাম), সোমবার বনরুটি (১২০ গ্রাম) ও দুধ (২০০ এমএল), মঙ্গলবার ফর্টিফায়েড বিস্কুট (৭৫ গ্রাম) ও স্থানীয় মৌসুমি ফল/কলা (১০০ গ্রাম), বুধবার বনরুটি (১২০ গ্রাম) ও সিদ্ধ ডিম (৬০ গ্রাম) এবং বৃহস্পতিবার বনরুটি (১২০ গ্রাম) ও সিদ্ধ ডিম (৬০ গ্রাম) দেওয়ার কথা থাকলেও কর্তৃপক্ষ এখনও কর্মসূচি সফল করতে উদ্যোগ নেয়নি।

    কোটালীপাড়া উপজেলার ৫০ নং শান্তিকুটির সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক সালেহা বেগম বলেন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বিদ্যালয়টির ১০৮ জন শিক্ষার্থীর জন্য প্রতি সপ্তাহ’র শুধুমাত্র মঙ্গলবারে ২০০ এমএল দুধ প্রদান করছে।

    কাশিয়ানী উপজেলার ৬৯ নং রাজপাট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক অনিল কৃষ্ণ দাস বলেন, বিদ্যালয়টির তিন শতাধিক শিক্ষার্থীর জন্য সপ্তাহের সোমবারে ২০০ এমএল দুধ প্রদান করছে কর্তৃপক্ষ। কর্মসূচি শুরুর পর থেকে ৩/৪ বার শিক্ষার্থীদের দুধ দেওয়া হয়েছে। অন্য কোনো খাবার দেওয়া হয়না।

    এ ব্যাপারে জানতে চাইলে জেলার প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তারা বলেন, সরকারি কর্তৃপক্ষ যেভাবে মিড ডে মিল সরবরাহ করে তাতে আমাদের কোনো হাত নেই। সরকার নির্ধারিত বিদ্যালয়গুলিতে সরাসরি মিড ডে মিল সরবরাহ করে।

  • শতভাগ নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন নিশ্চিত করা হবে-গোপালগঞ্জ জেলা রিটার্নিং অফিসার

    শতভাগ নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন নিশ্চিত করা হবে-গোপালগঞ্জ জেলা রিটার্নিং অফিসার

    কে এম সাইফুর রহমান, নিজস্ব প্রতিনিধিঃ

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট–২০২৬ উৎসব মুখর পরিবেশের মধ্যদিয়ে অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে শতভাগ নিরপেক্ষতার সাথে সম্পন্ন করতে গোপালগঞ্জ জেলা প্রশাসন সব ধরনের প্রশাসনিক প্রস্তুতি ইতোমধ্যেই গ্রহণ করেছেন বলে জানিয়েছেন জেলা রিটার্নিং অফিসার ও জেলা প্রশাসক (উপসচিব) মো. আরিফ-উজ-জামান।

    তিনি বলেন, “গোপালগঞ্জে নিরপেক্ষ নির্বাচন আয়োজনের লক্ষ্যে প্রশাসন সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ ভূমিকা পালন করবে। যা ইতোমধ্যেই নির্বাচনী প্রার্থিতা যাচাই-বাছাইয়ে আপনারা সকলেই লক্ষ্য করেছেন। নির্বাচনী পরিবেশ নষ্ট করার কোনো সুযোগ কাউকেই দেওয়া হবে না। কেউ যদি নির্বাচনকে বানচাল করতে বা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির অপচেষ্টা করে, তাহলে তার বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

    আজ বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) গোপালগঞ্জ সদর উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট–২০২৬ উপলক্ষে উপজেলা পরিষদের হলরুমে অনুষ্ঠিত এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। সংসদ নির্বাচন ও গণভোট নিয়ে স্বাগত বক্তব্য দেওয়ার পর মুক্ত আলোচনা পর্বে উক্ত মতবিনিময় সভায় আগত সাধারণ ভোটার, শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও কর্মী সমর্থকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে রিটার্নিং কর্মকর্তা আরো বলেন, নির্বাচনের দিন ভোটারগণ যেন নির্বিঘ্নে ও নিরাপদ পরিবেশে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন এবং গণভোটের মাধ্যমে তাদের কাঙ্ক্ষিত মতামত প্রকাশ করতে পারেন সে লক্ষ্যে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী ও প্রশাসনের মধ্যে সর্বোচ্চ সমন্বয় নিশ্চিত করা হবে।

    সহকারী রিটার্নিং অফিসার ও গোপালগঞ্জ সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কৌশিক আহমেদ -এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন গোপালগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার মো. হাবীবুল্লাহ, গোপালগঞ্জ জেলা সেনা ক্যাম্পের মেজর জুভিন ওয়াহিদ, গোপালগঞ্জ জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. অলিউল ইসলাম, গোপালগঞ্জ সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আনিসুর রহমান, উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা অনিমেষ কুমার বসু।

    গোপালগঞ্জ সদর উপজেলা সমবায় অফিসার মো. এনামুল হক তালুকদারের সঞ্চালনায়
    সভায় উপজেলার বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত দপ্তরের কর্মকর্তাগণ, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, সাধারণ ভোটারগণ সহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও জেলায় বিভিন্ন ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ায় কর্মরত গণমাধ্যমকর্মীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

    উল্লেখ্য, এর আগে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট -২০২৬ উপলক্ষে গোপালগঞ্জ জেলার তিনটি নির্বাচনী আসনে ২১৫ গোপালগঞ্জ -১ (মুকসুদপুর উপজেলা ও কাশিয়ানী উপজেলার ৭টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত), ২১৬ গোপালগঞ্জ -২ (গোপালগঞ্জ সদর উপজেলা ও কাশিয়ানী উপজেলার ৭টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত), ২১৭ গোপালগঞ্জ -৩ (টুঙ্গিপাড়া উপজেলা ও কোটালীপাড়া উপজেলা নিয়ে গঠিত) জেলা রিটার্নিং অফিসার ও জেলা প্রশাসক মো.আরিফ-উজ-জামান, জেলা পুলিশ সুপার মো. হাবীবুল্লাহ, গোপালগঞ্জ জেলার অস্থায়ী সেনা ক্যাম্প কমান্ডার (১৯ ই বেঙ্গল) লে. কর্নেল জেড এম মাবরুকূল ইসলাম, পিএসসি, জেলা নির্বাচন অফিসার মো. অলিউল ইসলাম সহ নির্বাচন সংশ্লিষ্টরা সরেজমিনে জেলার বিভিন্ন ভোটকেন্দ্র পরিদর্শন করেছেন।

  • চট্টগ্রামে  স্বরলিপি সাংস্কৃতিক অঙ্গনের যুগপূর্তি উৎসব ২০২৬ অনুষ্ঠিত

    চট্টগ্রামে স্বরলিপি সাংস্কৃতিক অঙ্গনের যুগপূর্তি উৎসব ২০২৬ অনুষ্ঠিত

    মিঠুন সাহা, চট্টগ্রাম প্রতিনিধি:

    ‘সূরের মূর্ছনায় হোক স্বপ্ন ঘাঁথা, নতুন সময়ের অভিযাত্রা’—এই স্লোগানকে সামনে রেখে চট্টগ্রামে সফলভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে স্বরলিপি সাংস্কৃতিক অঙ্গনের যুগপূর্তি উৎসব–২০২৬।

    বুধবার (১৪ জানুয়ারি) বিকেলে জেলা শিল্পকলা একাডেমির মিলনায়তনে এ উৎসব আয়োজন করা হয়।

    একটি ঐতিহ্যবাহী, অনুশীলনধর্মী সংগীত শিক্ষা, সামাজিক, অরাজনৈতিক ও কল্যাণমূলক প্রতিষ্ঠান হিসেবে স্বরলিপি সাংস্কৃতিক অঙ্গন দীর্ঘদিন ধরে সাংস্কৃতিক চর্চায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে আসছে। সংগঠনটির পথচলার স্মরণীয় এই উপলক্ষ্যে আয়োজন করা হয় বর্ণাঢ্য এ অনুষ্ঠান।

    অনুষ্ঠানের সূচনা হয় মনোজ্ঞ নৃত্য পরিবেশনার মাধ্যমে। পরে সংগীত পরিবেশন করেন মীম চৌধুরীসহ আমন্ত্রিত শিল্পীরা।

    অনুষ্ঠানের এক পর্যায়ে অতিথিদের উপস্থিতিতে মোড়ক উন্মোচন করা হয় এবং সাংস্কৃতিক অঙ্গনে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ সম্মাননা ক্রেস্ট প্রদান করা হয়। এ সময় চট্টগ্রামের সন্তান চলচ্চিত্র নায়ক ও অভিনেতা পঙ্কজ বৈদ্য সুজন,নাট্যকার মুকিত জাকারিয়া, লোক শিল্পী মানস পাল চৌধুরী,,
    নাট্যশিল্পী ও অভিনেত্রী শিপ্রা চৌধুরী,লোকশিল্পী মদন মোহন ঘোষ, মরমী ও কাওয়ালী শিল্পী আহমেদ নুর আমেরী ,সঙ্গীত শিল্পী সন্দীপন দাশকে প্রধান অতিথি ওস্তাদ ক্যাপ্টেন আজিজুল ইসলাম সম্মাননা ক্রেস্ট ও উত্তরীয় পরিয়ে সম্মানিত করেন।

    অনুষ্ঠানে উপস্থিত সংবর্ধিত অতিথিরা তাদের অনুভূতি ব্যক্ত করেন এবং এমন আয়োজন সংস্কৃতিচর্চায় নতুন প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করবে বলে মত প্রকাশ করেন।

    অনুষ্ঠানে উদ্বোধক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংগীতশিল্পী ও সংগঠক আবদুল মান্নান রানা। প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন বাঁশীবাদক ওস্তাদ ক্যাপ্টেন আজিজুল ইসলাম।

    সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপ-পুলিশ কমিশনার (উত্তর) সিএমপি চট্টগ্রামের আমিরুল ইসলাম, বাংলাদেশ বেতার চট্টগ্রামের পরিচালক মোহাম্মদ মাহফুজুল হক, জেলা শিল্পকলা একাডেমির কালচারাল অফিসার সৈয়দ মোহাম্মদ আয়াজ (মাবুদ), সঙ্গীত শিল্পী ও চেয়ারম্যান বাকার সন্স গ্রুপ এর রিয়াজ ওয়ায়েজ, নাইহার গ্রুপ লিমিটেডের চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন জনিসহ বিভিন্ন শিল্পী ও অতিথিবৃন্দ।

    অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন স্বরলিপি সাংস্কৃতিক অঙ্গনের পরিচালক সামশুল হায়দার তুষার।

    আয়োজকরা জানান, এই আয়োজনের মাধ্যমে লোকসংগীত, নাট্য ও চলচ্চিত্র সংস্কৃতির ধারাবাহিকতা রক্ষা এবং নতুন প্রজন্মকে সংস্কৃতিচর্চায় সম্পৃক্ত করাই তাদের মূল লক্ষ্য।

  • ঝালকাঠির নবগ্রাম বাজারে বসত ঘরে আ-গুন, অ-গ্নি দ-গ্ধ শিশু

    ঝালকাঠির নবগ্রাম বাজারে বসত ঘরে আ-গুন, অ-গ্নি দ-গ্ধ শিশু

    রিপোর্ট : ইমাম বিমান

    ঝালকাঠি জেলার সদর উপজেলাধীন নবগ্রাম বাজারের ( শিবগঞ্জ হাট ) মুচি ব্যবসায়ী (ঝৃষি) বিষু দাসের বসত ঘরে আজ ভোর রাতে আগুন লাগে। মসজিদের থেকে মাইকিং করার মাধ্যমে স্থানীয়দের ডেকে তাদের সহযোগীতায় ঘরেরভিতরে থাকা লোকজনকে উদ্ধার করলেও ঘরের ভিতরে থাকা বিষুর বড় মেয়ে অগ্নিদগ্ধ হয়। স্থানীয়দের সহযোগীতায় অগ্নি দগ্ধ শিশুটিকে এ্যাম্বুলেন্স যোগে বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালে পাঠানো হয়। একইসাথে স্থানীয়দের সহযোগীতায় আগুন নিয়ন্ত্রনে আসলেও ততক্ষনে বসত ঘরটি পুড়ে ভূমিভূত হয়। স্থানীয় সূত্রে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ আনুমানিক ৩ লক্ষাধিক টাকার বেশি জানাযায়।

    অপরদিকে বাজার ঢোকার জন্য বরিশাল-আটঘর সড়কের নবগ্রাম ব্রীজ সংলগ্ন নবগ্রাম মডেল হাই স্কুলের পাস দিয়ে বাজারে ঢোকার মূল সড়কটি ছোট হওয়ায় ফায়ার সার্ভিসের গাড়ী ঢুকতে পারেনি। বিকল্প সড়ক দিয়ে ফায়ারের গাড়ী আসতে বিলম্ব হওয়ায় ঘরটি পুরোপুরি পুড়ে ভূমিভূত হয়। আগুন লাগার বিষয় বিষু দাসের কাছে জানতে চাওয়া হলে বিষু জানান, ফজরের সময় ধান সিদ্ধ করতে বাজার সংলগ্ন গাজী বাড়ীতে যাই। ঘরে আগুন লাগার পর লোকজনের চিৎকার শুনে আমি দৌড়ে যাই।

    এ বিষয় ঝালকাঠি ফায়ার সার্ভিস থেকে আসা টিম লিডার মাহবুব জানান, আমরা ফোন পাওয়ার সাথে সাথে আমাদের গাড়ী নিয়ে বের হই। নবগ্রাম বাজারে ঢোকার মূল সড়কটি ছোট হওয়ায় আমাদের বিকল্প সড়ক দিয়ে গাড়ি নিয়ে একটু বিলম্ব হয়। ঘটনা স্থানে আসার পূর্বে স্থানীয়রা আগুন মোটামুটি নিয়ন্ত্রণ করলেও আমরা ভূমিভূত হওয়া ঘরের নিচে থাকা আগুন ১০/১৫ মিনিটের প্রচেষ্টায় আগুন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণ করতে সক্ষম হই।

  • জাতীয় নির্বাচনের পর ময়মনসিংহে “প্রেসক্লাব ফর প্রেসম্যান” সং-স্কারের উদ্যোগ নেওয়ার আশ্বাস  জেলা প্রশাসকের।।

    জাতীয় নির্বাচনের পর ময়মনসিংহে “প্রেসক্লাব ফর প্রেসম্যান” সং-স্কারের উদ্যোগ নেওয়ার আশ্বাস  জেলা প্রশাসকের।।

    নিজস্ব প্রতিনিধিঃ

    ময়মনসিংহ প্রেসক্লাব “প্রেসকাব ফর প্রেসম্যান” সংস্কার করার জন্য ময়মনসিংহ প্রেসক্লাব সংস্কার কমিটির পক্ষ থেকে বিভিন্ন ন্যায্য দাবি দাওয়া উল্লেখ করে ১৫ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখ বিকাল ৪.১২ ঘটিকায় জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে সভাপতি, ময়মনসিংহ প্রেসক্লাব ও জেলা প্রশাসক ময়মনসিংহের নিকট আবেদন পত্র হস্তান্তর করা হয়। এসময় তিনি জাতীয় নির্বাচনের পর

    সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন। 

    ময়মনসিংহ প্রেসক্লাব সংস্কার কমিটির পক্ষ থেকে এ আবেদনে স্বাক্ষর করেন সদস্য সচিব শিবলী সাদিক খান, মূখ্য সংগঠক জহর লাল দে, মূখ্য সংগঠক আরিফ রেওগীর। এসময় উপস্থিত ছিলেন সাংবাদিক রোকসানা আক্তার, মোমেনা আক্তার, আজাহারুল ইসলাম প্রমুখ।

    সাংবাদিকদের পক্ষে অবেদনে উল্লেখ করা হয় যে,  ময়মনসিংহে কর্মরত গণমাধ্যম প্রিন্ট, ইলেকট্রনিক্স, অনলাইন মিডিয়া পেশাদার সকল সাংবাদিকদের নিয়ে পেশাজীবি ক্লাব/সংগঠন গড়ে উঠার নিয়ম নীতিমালা থাকলেও ময়মনসিংহে এর ব্যতিক্রম ঘটনার জন্য পেশাদার সাংবাদিকদের সমন্বয়ে ইতিপূর্বে, ময়মনসিংহ বিভাগীয় কমিশনার, রেঞ্জ ডিআইজি, জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপার বরাবরে একাধিক বার দাবী দাওয়া সম্মিলিত আবেদন, স্মারকলিপি দাখিল করা হয়। এ সংক্রান্তে সাংবাদিকদের বিক্ষোভ, মানববন্ধন এর প্রেক্ষিতে পক্ষদ্বয়ের সমঝোতার প্রয়োজনে আপনার জেলা প্রশাসনের মধ্যস্থতার তৎসময়ের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট উম্মে হাবীবা মীরা ম্যাডামের অকান্ত পরিশ্রমে চাহিদা মোতাবেক সাংবাদিকদের নামের তালিকা সহ একটি সার্বজনীন গ্রহণযোগ্য প্রস্তাবিত খসড়া গঠনতন্ত্র দাখিল করা হয়।

    ময়মনসিংহের কর্মরত পেশাদার সাংবাদিকদের বাতিঘর ক্লাব/প্রতিষ্ঠানে অসাংবাদিকদের সদস্য পদ বাতিলের দাবীসহ সকল যৌক্তিক ন্যায্যতা উল্লেখপূর্বক একাধিক স্মারকলিপি, আবেদন, নিবেদন এর আগেও আপনার দপ্তরসহ সংশ্লিষ্ট সকল দপ্তরে দায়িত্বশীল কর্মকর্তাদের নিকট প্রদান করা হয়েছে।

    বর্তমান কমিটি বিলুপ্ত করে সংস্কারের প্রয়োজনে পেশাদার সাংবাদিকদের নিয়ে একটি এডহক কমিটি গঠন, গঠনতন্ত্র সংশোধন সংযোজন করে সকল পেশাদার সাংবাদিকদের সমন্বয়ে প্রেসম্যান ফর প্রেসক্লাব করাসহ বিভিন্ন দাবীতে ময়মনসিংহে কর্মরত অধিকার বঞ্চিত সাংবাদিকগণ ন্যায্য অধিকার সমূহের মধ্যে ময়মনসিংহ প্রেসক্লাবের গঠনতন্ত্র সংশোধন করে সর্ব গ্রহণযোগ্য সংবিধান ও নীতিমালা তৈরি করার দাবী করা হয়।

    কোন সরকারী কর্মকর্তাকে ক্ষমতাবলে বা পদাধিকার বলে সভাপতি থাকার সিদ্ধান্ত বাতিল করতে হবে। সাংবাদিকদের মধ্য সর্বজন গৃহীত নির্বাচিত সাংবাদিকই সভাপতি হতে পারবেন। অসাংবাদিকসহ সাবেক সকল সদস্যপদ বাতিল করে নতুন করে সদস্য সংগ্রহ ও নবায়ন করতে হবে। কোন অসাংবাদিক প্রেসক্লাবের সদস্য হতে পারবেন না। আমাদের দাবী বাস্তবায়নে আপনার সদয় সম্মতি ও উদ্যোগী ভূমিকা প্রত্যাশা করছেন কর্মরত সাংবাদিকবৃন্দ।

    সাংবাদিকরা লেখনির মাধ্যমে শান্তিপূর্ণ সুষ্ঠু সমধানের লক্ষ্যে- মানববন্ধন, বিক্ষোভ, দফায় দফায় সংশ্লিষ্টদের সাথে আলোচনা করে আসলেও প্রতিশ্রুতি আশ্বাসের মধ্যে সীমাবদ্ধ রেখে বিভিন্ন অযুহাতে কালক্ষেপন করতে থাকায় ব্যাপক অসন্তোষ, ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে, এর প্রতিকারের জন্য আপনাকে দায়িত্বশীল ভূমিকা গ্রহণ করার জন্য বিনীত অনুরোধ করছি। “যে কোন পেশাজীবী ক্লাব/সংগঠনে ভিন্ন পেশার কাউকে যেমন রাখার সুযোগ থাকে না, ঠিক তেমনি, সাংবাদিক পেশায় অসাংবাদিক থাকার সুযোগ নাই”। “প্রেসক্লাব ফর প্রেসম্যান” মূল দাবী বাস্তবায়নে আপনার একাগ্রতা, উদ্যোগী ভূমিকা এই পেশার সকলকে ঐক্যবদ্ধ রাখার প্রয়াস আগামী দিনের সকল প্রজন্মের কাছে স্মরণীয় হয়ে থাকবে। একটি লাভ জনক প্রতিষ্ঠানের সভাপতির পদ অত্যান্ত লোভনীয় এবং প্রশ্নবিদ্ধ এমন সমালোচনা থেকে আপনাকে দায়মুক্তি নেওয়ার জন্য আমরা আহব্বান জানাচ্ছি।

    বর্ণিত বিষয়ের গুরুত্ব অনুধাবন করে পেশাদার সাংবাদিকদের ঐক্যবদ্ধ করার প্রয়োজনে সুষ্ঠু সমাধানের লক্ষ্যে জেলা প্রশাসক ও সভাপতির সদয় দৃষ্টি ও সম্মতি কামনা করেছেন।

  • একাধিক অ-ভিযোগে অ-ভিযুক্ত ব্যক্তির ময়মনসিংহে সংগঠিত অ-পরাধ কর্মকান্ডের চিত্র

    একাধিক অ-ভিযোগে অ-ভিযুক্ত ব্যক্তির ময়মনসিংহে সংগঠিত অ-পরাধ কর্মকান্ডের চিত্র

    স্টাফ রিপোর্টারঃ

    ময়মনসিংহ মহানগরীর কোতোয়ালি থানা এলাকাসহ আশপাশের অঞ্চলে দীর্ঘদিন ধরে সংঘবদ্ধ চাঁদাবাজি, সন্ত্রাসী হামলা,প্রাণনাশের হুমকি ও সরকারি কাজে বাধা দেওয়ার একাধিক অভিযোগে এক ব্যক্তিকে ঘিরে চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।

    অভিযুক্তের নাম জাহাঙ্গীর ওরফে ‘সুন্দরী জাহাঙ্গীর’। ভিন্ন ভিন্ন সময়ে ঘটে যাওয়া তিনটি গুরুতর ঘটনা, ভিন্ন ভুক্তভোগী—কিন্তু অভিযুক্ত একই। অনুসন্ধানে উঠে এসেছে একটি সংগঠিত সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজ চক্রের কার্যক্রমের স্পষ্ট চিত্র। ঘটনা–১ : চাঁদার হুমকিতে বন্ধ ধর্মীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান! ২০২৫ সালের ২৩ জুন রাত আনুমানিক ১০টায় ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশনের ১৯ নম্বর ওয়ার্ডের পালপাড়ায় অবস্থিত মদিনাতুল কোরআন ওয়াস সুন্নাহ মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে অনুপ্রবেশ করে জাহাঙ্গীর ও তার ১০–১৫ জন সহযোগী। ভুক্তভোগী মাদ্রাসার পরিচালক মাওলানা মো. আলামিন জানান,
    অভিযুক্তরা সরাসরি ও মোবাইল ফোনে ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করে। টাকা না দিলে মাদ্রাসা বন্ধ করে দেওয়া,সন্ত্রাসী হামলা ও প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়। চরম নিরাপত্তাহীনতায় শেষ পর্যন্ত শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা মাদ্রাসা বন্ধ করে এলাকা ত্যাগ করতে বাধ্য হন। স্থানীয়দের ভাষ্য, অভিযুক্তের প্রভাব ও ভুক্তভোগীরা স্থানীয় না হওয়ায় তখন আইনের আশ্রয় নেওয়া সম্ভব হয়নি। ঘটনা–২ : সরকারি সড়ক নির্মাণে বাধা,মারধর ও প্রশ্নবিদ্ধ পুলিশ! ২০২৫ সালের ৫ ডিসেম্বর দিবাগত রাত ২টার দিকে ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশনের তত্ত্বাবধানে চলমান আলিয়া মাদ্রাসা থেকে কারিতাস মোড় পর্যন্ত সড়ক নির্মাণকাজে বাধা দেওয়া হয়। বরেন্দ্র কনস্ট্রাকশন লিমিটেডের ম্যানেজার মোস্তাফিজুর রহমান টুটুল অভিযোগ করেন,জাহাঙ্গীর ও তার সহযোগীরা চাঁদা দাবি করে এবং তাকে শারীরিকভাবে মারধর করে। ঘটনার পর ভোর ৪টায় কোতোয়ালি মডেল থানার পুলিশ অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করে ফৌজদারি কার্যবিধির ৫১ ধারায় আদালতে পাঠায়। তবে পরদিনই তিনি জামিনে মুক্তি পান। স্থানীয়ভাবে অভিযোগ রয়েছে,রাজনৈতিক তদবিরে অভিযুক্ত দ্রুত মুক্তি পায়, যার পরপরই এলাকায় ফের বেপরোয়া হয়ে ওঠে।
    ঘটনা–৩ : সাংবাদিকের ওপর সশস্ত্র হামলা ও ডাকাতি! সবচেয়ে ভয়াবহ ঘটনাটি ঘটে ২০২৫ সালের ২৭ ডিসেম্বর রাতে। কোতোয়ালি থানার বলাশপুর এলাকায় এক সংবাদকর্মীর ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে দেশীয় অস্ত্রসহ হামলা চালায় জাহাঙ্গীর,মিলন সরকার,লুৎফর রহমানসহ ১০–১২ জন। ভুক্তভোগী সাংবাদিক মামুনুর রশীদ মামুন জানান,হামলাকারীরা তাকে মারধর করে ২টি ইজিবাইক ও নগদ ২০ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেয়। অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর আদায়,ভিডিও ধারণ,সিসিটিভি ফুটেজ মুছে ফেলা এবং মামলা করলে খুন ও লাশ গুমের হুমকি দেওয়া হয়। এ ঘটনায় গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও সাংবাদিকের নিরাপত্তা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন উঠেছে। আইন কী বলে: সুয়োমুটো মামলা বাধ্যতামূলক।

    আইন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, তিনটি ঘটনাই আমলযোগ্য (Cognizable) ও অজামিনযোগ্য অপরাধ। ফৌজদারি কার্যবিধি (CrPC),১৮৯৮ অনুযায়ী—ধারা ১৫৪: আমলযোগ্য অপরাধে পুলিশ এফআইআর নিতে বাধ্য। ধারা ১৫৬(১): ম্যাজিস্ট্রেটের অনুমতি ছাড়াই পুলিশ স্বপ্রণোদিতভাবে তদন্ত শুরু করতে পারে।
    ধারা ১৫৭: গুরুতর অপরাধে তদন্ত শুরু করে ম্যাজিস্ট্রেটকে অবহিত করতে হয়। এছাড়া দণ্ডবিধি ও সন্ত্রাসবিরোধী আইন,২০০৯ অনুযায়ী এসব অপরাধে পুলিশের সুয়োমুটো মামলা নেওয়া আইনগতভাবে বৈধই নয়,বাধ্যতামূলক।
    বিশেষ বিশ্লেষণঃ একই অভিযুক্ত,একই ধরনের অপরাধ,ভিন্ন ভিন্ন ভুক্তভোগী—এই মিল কাকতালীয় নয়। এটি একটি সংগঠিত সন্ত্রাসী নেটওয়ার্কের কার্যক্রম,যা ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, সরকারি উন্নয়ন ও গণমাধ্যম—তিনটি স্তম্ভকেই আঘাত করেছে। আইন থাকলেও কার্যকর প্রয়োগ না হলে অপরাধীরা আরও বেপরোয়া হয়,আর সাধারণ মানুষ ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত হয়।
    প্রশ্ন উঠেছে কেন একাধিক গুরুতর অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও পৃথক মামলা হয়নি? কেন একজন গ্রেপ্তার হওয়ার পরপরই আবার এলাকায় সক্রিয়? সাংবাদিকের ওপর সশস্ত্র হামলার ঘটনায় কেন দৃশ্যমান অগ্রগতি নেই? ময়মনসিংহের এই তিন ঘটনা শুধু স্থানীয় অপরাধ নয়—এটি রাষ্ট্রের আইনশৃঙ্খলা, উন্নয়ন ও গণমাধ্যমের স্বাধীনতার ওপর সরাসরি চ্যালেঞ্জ।

  • রাঙ্গাবালীতে জেলা প্রশাসকের মতবিনিময় ও অবহিতকরণ সভা “সমস্যা, সম্ভাবনা ও গণভোট বিষয়ে গুরুত্বারোপ”

    রাঙ্গাবালীতে জেলা প্রশাসকের মতবিনিময় ও অবহিতকরণ সভা “সমস্যা, সম্ভাবনা ও গণভোট বিষয়ে গুরুত্বারোপ”

    রফিকুল ইসলাম, রাঙ্গাবালী
    পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলায় সরকারি কর্মকর্তা, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, জনপ্রতিনিধি, ছাত্র প্রতিনিধি, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি, সাংবাদিক এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের সঙ্গে মতবিনিময় সভা ও ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে জনসচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে অবহিতকরণ সভা করেছেন পটুয়াখালী জেলা প্রশাসক ড. মোহাম্মদ শহীদ হোসেন চৌধুরী।
    বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) সকাল ১১টায় রাঙ্গাবালী উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. নাহিদ ভূঞার সভাপতিত্বে আয়োজিত এ মতবিনিময় ও অবহিতকরণ সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জেলা প্রশাসক।
    সভায় জেলা প্রশাসক রাঙ্গাবালী উপজেলার বিদ্যমান সমস্যা, উন্নয়ন সম্ভাবনা ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। তিনি বলেন, রাঙ্গাবালী একটি সম্ভাবনাময় উপকূলীয় উপজেলা। সঠিক পরিকল্পনা ও সম্মিলিত উদ্যোগের মাধ্যমে এ উপজেলার অবকাঠামোগত উন্নয়ন, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা ও যোগাযোগ ব্যবস্থার টেকসই উন্নয়ন সম্ভব।
    এ সময় তিনি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট বিষয়ে জনসচেতনতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করেন। পাশাপাশি গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে আরও কার্যকর ও শক্তিশালী করতে জনগণের সক্রিয়, সচেতন ও দায়িত্বশীল অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।
    মতবিনিময় সভায় উপস্থিত বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধিরা রাঙ্গাবালীর উন্নয়নসংক্রান্ত সমস্যা, চ্যালেঞ্জ ও সম্ভাবনার কথা তুলে ধরেন। জেলা প্রশাসক সেগুলো মনোযোগ সহকারে শোনেন এবং সংশ্লিষ্ট বিষয়ে পর্যায়ক্রমে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের আশ্বাস প্রদান করেন। সভা শেষে তিনি সাগরে নিখোঁজ জেলেদের পরিবারের মাঝে আর্থিক সহায়তার চেক বিতরণ করেন।
    সভায় উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন কর্মকর্তা, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকবৃন্দ, রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ এবং স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

  • ঝালকাঠিতে গনভোট ও ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচন উপলক্ষে উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত

    ঝালকাঠিতে গনভোট ও ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচন উপলক্ষে উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত

    রিপোর্ট : ইমাম বিমান

    ঝালকাঠি জেলার সদর উপজেলাধীন নবগ্রাম ইউনিয়নে গনভোট ও ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচন উপলক্ষে উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    ১৫ জানুয়ারি বৃহস্পতিবার বিকেলে নবগ্রাম ইউনিয়ন পরিষদ ভবনের সভা কক্ষে উঠান বৈঠকে সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সেগুফতা মেহনাজ জনগনের মাঝে গনভোট সম্পর্কে জনসচেতনতা মূলক বক্তব্য রাখেন। এ সময় ঝালকাঠি সদর সহকারী কমিশনার (ভুমি) এসএম মেহদি হাসান, নবগ্রাম ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আয়নাল হক সহ বাউকাঠি বাজারের ব্যবসায়ী, স্থানীয় গন্যমান্য বক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

  • বলিপাড়া ব্যাটালিয়ন (৩৮ বিজিবি) এর ৩৪তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন প্রসংগে

    বলিপাড়া ব্যাটালিয়ন (৩৮ বিজিবি) এর ৩৪তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন প্রসংগে

    বান্দরবান (থানচি) প্রতিনিধি মথি ত্রিপুরা।

    বলিপাড়া ব্যাটালিয়ন (৩৮ বিজিবি) এর ৩৪তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী যথাযোগ্য মর্যাদা ও উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপিত হয়েছে। ৩৮ বিজিবি ব্যাটালিয়নটি ১৫ জানুয়ারি ১৯৯২ সালে ঢাকা সেক্টরের অধীনে প্রতিষ্ঠা লাভ করে। প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় সীমান্ত নিরাপত্তা ও অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা রক্ষার দায়িত্ব পালন শেষে গত ১৩ মার্চ ২০১৮ হতে অদ্যাবধি পর্যন্ত পার্বত্য অঞ্চল বলিপাড়ায় সুনামের সাথে কর্তব্যরত রয়েছে।
    দুর্গম পার্বত্য অঞ্চলের সীমান্ত রক্ষা, পার্বত্য চট্টগ্রামে শান্তি ও স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠা, পাহাড়ী ও বাঙালি জনগোষ্ঠীর মধ্যে সম্প্রীতি ও সম্পর্ক উন্নয়ন, চোরাচালান দমন, অপারেশন উত্তরণ-এর আওতায় কাউন্টার ইনসার্জেন্সি অপারেশন (সিআইও), অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা কর্তব্য পালন, অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার এবং সন্ত্রাস দমনে বলিপাড়া ব্যাটালিয়ন (৩৮ বিজিবি) গৌরবোজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করে চলেছে।
    শত ব্যস্ততার মাঝেও ৩৪তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে দিনব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। কর্মসূচির মধ্যে বাদ ফজর মিলাদ ও বিশেষ দোয়া মাহফিল, আনুষ্ঠানিকভাবে রেজিমেন্টাল পতাকা উত্তোলন, অধিনায়কের বিশেষ দরবার, প্রীতিভোজ এবং ব্যাটালিয়ন প্রশিক্ষণ মাঠে প্রীতি ফুটবল ম্যাচ উল্লেখযোগ্য।
    আয়োজিত প্রীতিভোজে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএ-৫৬৫৮ কর্নেল মুহাম্মদ রুবায়াত জামিল, বিএসপি, সেক্টর কমান্ডার, সেক্টর সদর দপ্তর, বান্দরবান এবং অধিনায়ক, আলীকদম ব্যাটালিয়ন (৫৭ বিজিবি)। এছাড়াও আমন্ত্রিত সামরিক ও বেসামরিক অতিথিবৃন্দ, অত্র ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক, সকল অফিসার, জেসিও, অন্যান্য পদবীর সৈনিক এবং অসামরিক কর্মচারীবৃন্দ অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন।
    প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি সকলের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন এবং কেক কাটার মাধ্যমে দিবসটি উদযাপন করা হয়। আনন্দঘন ও সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত এ আয়োজন ব্যাটালিয়নের সকল সদস্যের মাঝে নতুন উদ্দীপনা ও অনুপ্রেরণা সৃষ্টি করে।

  • বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর উদ্যোগে ‘দেশ গড়ার পরিকল্পনা’ শীর্ষক  প্র-শিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে

    বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর উদ্যোগে ‘দেশ গড়ার পরিকল্পনা’ শীর্ষক প্র-শিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে

    তরিকুল ইসলাম তরুন,

    বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) বিকাল ৩টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত বরুড়া উপজেলা বিএনপির কার্যালয়ে উপজেলা ছাত্রদলের আয়োজনে এ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। এতে বরুড়া উপজেলা ও পৌরসভার ছাত্রদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও যুবদলের নেতাকর্মীরা অংশগ্রহণ করেন।

    কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা-৮ (বরুড়া) আসনের বিএনপির মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী ও কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপি-এর সভাপতি জাকারিয়া তাহের সুমন।

    প্রধান অতিথির বক্তব্যে জাকারিয়া তাহের সুমন বলেন, “দেশ গড়ার প্রধান শক্তি হচ্ছে তরুণ সমাজ। তরুণদের উচ্চশিক্ষা নিশ্চিত করা, কারিগরি জ্ঞান বৃদ্ধি এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টিই হবে আমাদের রাজনীতির মূল লক্ষ্য। শিক্ষিত ও দক্ষ তরুণরাই আগামীর বাংলাদেশ গড়ে তুলবে।”

    তিনি আরও বলেন, “মাদক সমাজ ও রাষ্ট্রের জন্য সবচেয়ে বড় হুমকি। এই বিষয়ে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না। মাদকমুক্ত সমাজ গড়তে ছাত্রদল, যুবদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতাকর্মীদের অগ্রণী ভূমিকা রাখতে হবে।”

    বরুড়ার সার্বিক উন্নয়ন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “বরুড়ার শিক্ষা, স্বাস্থ্য, যোগাযোগ ও কর্মসংস্থান খাতে পরিকল্পিত উন্নয়ন নিশ্চিত করা হবে। জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং একটি ন্যায়ভিত্তিক রাষ্ট্র গঠনে বিএনপি সবসময় কাজ করে যাবে।”

    কর্মশালায় বক্তারা ‘দেশ গড়ার পরিকল্পনা’ বিষয়ক বিভিন্ন দিক তুলে ধরে রাজনৈতিক সচেতনতা, সাংগঠনিক শৃঙ্খলা এবং ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব তৈরিতে প্রশিক্ষণের গুরুত্বের ওপর আলোকপাত করেন।

    এ সময় বরুড়া উপজেলা ছাত্রদল, স্বেচ্ছাসেবক দল, যুবদলসহ বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।