Author: desk

  • রাজশাহী বিভাগের ৩৯ টি আসনে বিএনপি প্রার্থীরা বিজয়ী হবে বললেন বিএনপি নেতা মিজানুর রহমান মিনু

    রাজশাহী বিভাগের ৩৯ টি আসনে বিএনপি প্রার্থীরা বিজয়ী হবে বললেন বিএনপি নেতা মিজানুর রহমান মিনু

    নিজস্ব প্রতববেদক, রাজশাহীঃ তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ছিলেন এদেশের একজন উজ্জল নক্ষত্র। আকাশে অনেক তারা জ্বলে এবং নিভে যায়, কিন্তু বেগম জিয়া সবার মাঝে আজীবন উজ্জল নক্ষত্র হয়েই থাকবেন। বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান যেমন আসলেন, জয় করলেন, আবার সবাইকে এক সাগর পানিতে ভাসিয়ে চলে গেলেন। তিনি চলে গেলেও আজীবন তিনি বিশ্ব বাসীসহ দেশের মানুষের মনের মনিকোঠায় বেঁচে আছেন। তেমনি বেগম জিয়াও সেভাবেই সবার মনিকোঠায় উজ্জল নক্ষত্র হয়েই বেঁচে থাকবেন বলে বেগম জিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনায় রাজশাহী জেলা বিএনপি অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের আয়োজনে আলোচনা ও দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার সাবেক উপদেষ্টা, রাসিক সাবেক মেয়র ও সংসদ সদস্য এবং রাজশাহী সদর আসনের বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী মিজানুর রহমান মিনু এই কথাগুলো বলেন।

    বেগম জিয়াকে মা বলে সংবোধন করে তিনি আরো বলেন, তিনি তাঁকে অনেক দিয়েছেন। তিনি ছাত্রদল, যুবদল ও বিএনপির বিভিন্ন পদে ছিলেন। সেইসাথে ঐ সময়ে সর্বকনিষ্ঠ মেয়র ছিলেন। বেগম জিয়া তাঁকে কখনো মিজানুর রহমান মিনু বলে নয় শুধু মিজান বলে ডাকতেন। কাদামাটি দিয়ে যেভাবে পালরা মুর্তি বানিয়ে সবার সামনে উপস্থাপন করেন। ঠিক সেইভাবে তাঁকেও বেগম জিয়া তৈরী করেছিলেন। বেগম জিয়া হচ্ছে জনগণের মুর্ত প্রতিক। তিনি স্বৈরাচার খুনি হাসিনা বিরোধী আন্দোলনে আপোসহীন ভাবে নেতৃত্ব দিয়েছেন। সারা বিশ্বের নিকট তাঁর সততা ও দেশপ্রেম প্রকাশ পেয়েছে। এজন্য তিনি সবার নিকট গ্রহনযোগ্যতাও পেয়েছেন বলে জানান তিনি।

    মিনু আরো বলেন, তাঁর জীবিতকালে পৃথিবীর সব থেকে বড় লোকের পাশে তাঁর নাম লেখা হয়েছে। এদেশের মাটিকে ভালবেসে তিনি বলেছিলেন এদেশে এবং দেশের বাহিরে তাঁর কোন মাটি ও সম্পদ নাই। এদেশের জনগণই আমার সম্পদ। এই মাটিতেই জন্মেছি। মৃত্যু এই মাটিতেই হবে। তাঁর কথা বিশ্বের মানুষের হৃদয়ে প্রানে গেঁথে গেছে। এদশের আঠারো কোটি মানুষকে কাঁদিয়ে ৩০ ডিসেম্বর চলে গেছেন। সারা বিশ্বের মানুষ তাঁর জন্য কাঁদছেন বলে তিনি উল্লেখ করেন। মিনু তাঁর রুহের মাগফিরাত কামনা করেন।

    রাজশাহীর কর্মীরা সবাই স্থীর, সবাই একে অপরের পরিপুরক। স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে যেভাবে বুকের বোতাম খুলে বুলেটের সামনে দাঁড়িয়েছে। আগামীতেও তাই হবে। বিগত দিনে যেভাবে রাজশাহী বিভাগে সকল সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলো। এবারও ৩৯টি আসনেই বিএনপির প্রার্থীরা বিজয়ী হবে বলে উল্লেখ করেন তিনি। তিনি বলেন বেগম জিয়া চলে গেলেও তাঁর রেখে যাওয়া সন্তান দলকে দেখে রাখবে এবং বিএনপির পতাকা মাথায় করে চলবে। আগামীতে তারেক রহমানকে সাথে নিয়ে পথ চলবেন। যুবকদের উদ্দেশ্যে বলেন, তোমাদের জন্য বিএনপি রয়েছে। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এবং বেগম জিয়ার পথ অনুসরণ করছেন তারেক রহমান। বেগম জিয়া কখনো আমি এবং আমার বলতেন না। তিনি সর্বদা আমার এবং আমাদের বলতেন। তিনি সবাইকে নিয়ে কাজ করতেন বলে উল্লেখ করেন মিনু। শেষে বেগম জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনা করেন।

    এদিকে উপস্থিত সংসদ সদস্য প্রার্থীরা বেগম জিয়ার কর্মময় জীবন নিয়ে আলোকপাত করেন। তারাও বেগম জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনা করে দলের হয়ে আজীবন কাজ করে যাওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

    বুধবার বেলা ১১টায় রাজশাহী সাহেব বাজার সংলগ্ন একটি কমিউনিটি সেন্টারে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য, জেলা বিএনপি’র আহবায়ক, বাঘা চারঘাট আসনের বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী আবু সাইদ চাঁদ। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার সাবেক উপদেষ্টা রাজশাহী-১ (তানোর গোদাগাড়ী) আসনে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী সাবেক মেজর জেনারেল শরিফ উদ্দিন, বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির বন ও পরিবেশ বিষয় সম্পাদক, রাজশাহী মহানগর বিএনপির সাবেক সভাপতি এবং রাসিক সাবেক মেয়র মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুল, বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির রাজশাহী বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট সৈয়দ শাহিন শওকত, বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির ত্রাণ ও পুনর্বাসন বিষয়ক সহ সম্পাদক ও জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল রাজশাহী মহানগর মহানগর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক এবং পবা মোহনপুর আসনের বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী অ্যাডভোকেট শফিকুল হক মিলন, বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক সাইফুল ইসলাম মার্শাল, বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও রাজশাহী জেলা বিএনপি সদস্য দেবাশীষ রায় মধু।

    জেলা বিএনপি, অঙ্গ ও সহযোগি সংগঠনের বিভিন্ন উপজেলা, পৌরসভা, ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক, আহ্বায়ক, সদস্য সচিব ও অন্যান্য নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
    মোঃ হায়দার আণী
    নিজস্ব প্রতিবেদক,
    রাজশাহী।

  • নড়াইলে মোটরসাইকেল কিনে না দেওয়ায় স্কুলছাত্রে আ-ত্মহত্যা

    নড়াইলে মোটরসাইকেল কিনে না দেওয়ায় স্কুলছাত্রে আ-ত্মহত্যা

    উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে:

    নড়াইলের কালিয়া উপজেলায় মোটরসাইকেল কিনে না দেওয়ায় বাদল মোল্যা (১৬) নামে এক কিশোর স্কুলছাত্র গলায় ফাঁস নিয়ে আত্মহত্যা করেছে। উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে জানান, মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) বিকেলে উপজেলার চাঁচুড়ি ইউনিয়নের কালডাঙ্গা গ্রামে ওই কিশোরের নিজ বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।
    বুধবার (১৪ জানুয়ারি) সকালে কালিয়া থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইদ্রিস আলী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
    বাদল মোল্যা উপজেলার চাঁচুড়ি ইউনিয়নের কালডাঙ্গা গ্রামের মিঠু মোল্যার একমাত্র ছেলে এবং স্থানীয় পল্লী মঙ্গল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির ছাত্র ছিল।
    স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বাদল মোল্যা নামে ওই কিশোর মোটরসাইকেল কিনে দেওয়ার জন্য তার পরিবারের সদস্যদের জানায়। তবে তার পরিবার মোটরসাইকেল কিনে দিতে অস্বীকৃতি জানায়। মঙ্গলবার বিকেলে বাদল বাড়ির পাশে বন্ধুদের সঙ্গে খেলা করে এক পর্যায়ে বাড়িতে যায়। এরপর নিজ ঘরে থাকা ফ্যানের সঙ্গে গলায় ওড়না পেচিয়ে গলায় ফাঁস নেয়। এদিকে পরিবারের লোকজন তাকে দেখতে না পেয়ে তার ঘরে গেলে ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান। পরে তাকে নামিয়ে স্থানীয় এক চিকিৎসকের কাছে নিয়ে গেলে পরীক্ষা-নীরিক্ষা করে তিনি জানান, বাদল আর বেঁচে নেই। পরে কালিয়া থানা পুলিশ খবর পেয়ে ওইদিন রাতে মরদেহটি হেফাজতে নেয়। এরপর পুলিশ মরদেহটির সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি শেষে ময়নাতদন্তের জন্য নড়াইল জেলা হাসপাতালে পাঠায়।
    কালিয়া থানা পুলিশের ওসি ইদ্রিস আলী জানান, মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নড়াইল জেলা হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে। এ ছাড়া এঘটনায় পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে।

  • নড়াইলে ইট ভাটায় ম্যাজিস্ট্রেট শ্রাবণী বিশ্বাস’র নেতৃত্বে অ-ভিযান ২ লাখ টাকা জ-রিমানা

    নড়াইলে ইট ভাটায় ম্যাজিস্ট্রেট শ্রাবণী বিশ্বাস’র নেতৃত্বে অ-ভিযান ২ লাখ টাকা জ-রিমানা

    উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি:

    নড়াইলের কালিয়ায় ইট ভাটায় ম্যাজিস্ট্রেট শ্রাবণী বিশ্বাস’র নেতৃত্বে অভিযান ২ লাখ টাকা জরিমানা। নড়াইল জেলার কালিয়ায় উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি জানান, মন্গবার (১৩ জানুয়ারী) দুপুর ১২ টায় নড়াইল জেলার কালিয়া উপজেলার বাবরা হাচলা ইউনিয়নের কাঞ্চনপুর গ্রামে অনুমোদনহীন টি এম বি ব্রিকস ভাটায় অভিযান চালিয়ে ভাটার যাবতীয় কার্যক্রম পরিচালনার উপকরণ ধ্বংস এবং ভাটার মালিকানাধীন কর্তৃপক্ষকে ২ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। কালিয়া উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট শ্রাবণী বিশ্বাস এই অভিযান পরিচালনা ও জরিমানা করে। এ সময় উপস্থিত ছিলেন কালিয়া উপজেলা ভূমি অফিসের ১০ জন কর্মচারী ২জন নায়েব, কালিয়া উপজেলা,ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স এবং কালিয়া থানা পুলিশ প্রশাসনের জনবল।
    জরিমানা ও মুচলেকা সহ বিভিন্ন কার্যক্রম পেশকারি দায়িত্ব পালন করেন কালিয়া উপজেলা ভূমি অফিসের নাজির শেখ বাবুল হোসেন। কালিয়া উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট শ্রাবণী বিশ্বাস উপস্থিত জানান কালিয়া উপজেলায় অনুমোদনহীন ইটভাটা আছে তার মালিকগণ যদি অবৈধ ভাবে ইট তৈরির কার্যক্রম বন্ধ না করে তাহলে পর্যায়ক্রমে সকল ভাটায় আইননুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি।

  • পিরোজপুর-২ আসনে ল-ড়াই হবে বিএনপি জামায়াত আপিলে বা-দ পড়লেন স্বতন্ত্র প্রার্থী মাহমুদ হোসেন

    পিরোজপুর-২ আসনে ল-ড়াই হবে বিএনপি জামায়াত আপিলে বা-দ পড়লেন স্বতন্ত্র প্রার্থী মাহমুদ হোসেন

    নেছারাবাদ সংবাদদাতা, পিরোজপুর।

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আপিল শুনানিতে ঝরে পড়েছেন পিরোজপুর-২ (কাউখালী, ভান্ডারিয়া ও নেছারাবাদ) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. মাহমুদ হোসেন। এক শতাংশ ভোটারের সমর্থনসূচক তালিকায় গরমিল এবং ঋণ খেলাপি থাকার অভিযোগে তার মনোনয়ন বাতিল বহাল রাখা হয়েছে। ফলে আসন্ন নির্বাচনে তার প্রতিদ্বন্দ্বিতার পথ বন্ধ হয়ে গেল। মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) দুপুরে রাজধানীতে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন এর আপিল শুনানিতে পিরোজপুর-২ আসন থেকে করা মাহমুদ হোসেনের আপিল চূড়ান্তভাবে নামঞ্জুর ঘোষণা করা হয়।

    দলীয়সূত্রে জানাগেছে, এ আসনে ভান্ডারিয়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি আহম্মদ সোহেল মঞ্জুর সুমনকে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করা হয়। এর পর মাহমুদ হোসেন স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র দাখিল করেন। যাচাই-বাছাই শেষে ঋণ খেলাপি থাকার কারণে রিটার্নিং কর্মকর্তা তার মনোনয়ন বাতিল ঘোষণা করেন। মনোনয়ন ফিরে পেতে মাহমুদ হোসেন আপিল করলেও আপিল শুনানিতে এক শতাংশ ভোটারের সমর্থনসূচক তালিকায় গরমিল পাওয়ায় তার আবেদন নামঞ্জুর করা হয়।

    জানা গেছে, মাহমুদ হোসেন এর আগে পিরোজপুর-২ আসনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) থেকে মনোনয়ন প্রত্যাশী ছিলেন। তবে দলীয় মনোনয়ন না পেয়ে তিনি নির্দিষ্ট কিছু লোক দিয়ে জ্বালাও-পোড়াওসহ বিশৃঙ্খল আচরণে জড়িত ছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

    এদিকে নির্বাচন কমিশনের এ সিদ্ধান্তের ফলে পিরোজপুর-২ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মাহমুদ হোসেনের নির্বাচনে অংশগ্রহণের সুযোগ চূড়ান্তভাবে শেষ হলো। এখন এ আসনে মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে বিএনপি ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী-এর মধ্যে। এমনটাই মনে করছেন স্থানীয় ভোটাররা।

    আনোয়ার হোসেন।।

  • বাবুগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগ নেতার গ্রে-ফতার নিয়ে প্র-তিবাদ

    বাবুগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগ নেতার গ্রে-ফতার নিয়ে প্র-তিবাদ

    বাবুগঞ্জ প্রতিনিধি: মোঃ মহিউদ্দিন খাঁন রানা>>>>
    বাবুগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ও দেহেরগতি ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচিত চেয়ারম্যান মোঃ মশিউর রহমানকে গ্রেফতারের ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানানো হয়েছে।
    জানা যায়, বুধবার ১৪ জানুয়ারি ২০২৬ ইং তারিখে বরিশাল শহরের বাসা থেকে ডিবি পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে। অভিযোগকারীদের দাবি, গ্রেফতারের সময় তার বিরুদ্ধে কোনো মামলা বা সুনির্দিষ্ট অভিযোগ ছিল না।
    স্থানীয় নেতাকর্মীরা এ ঘটনাকে অবৈধ ও অন্যায় গ্রেফতার বলে উল্লেখ করে বলেন, তৃণমূল পর্যায়ের একজন জনপ্রতিনিধিকে এভাবে গ্রেফতার করা অগ্রহণযোগ্য। তারা অবিলম্বে মোঃ মশিউর রহমানের নিঃশর্ত মুক্তি দাবি করেন।
    এ ঘটনায় এলাকায় রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা ও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

  • মহেশপুরে বিধবাকে স্প্রিড মধ্যে চে-তনানাশক খাওয়ে ধর্ষ-ণ লু-ট ও মা-মলা দায়ের

    মহেশপুরে বিধবাকে স্প্রিড মধ্যে চে-তনানাশক খাওয়ে ধর্ষ-ণ লু-ট ও মা-মলা দায়ের

    শহিদুল ইসলাম
    মহেশপুর (ঝিনাইদহ) সংবাদদাতাঃ-

    গত ২৪ ডিসেম্বর ২০২৫ ইং রাতে ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার স্বরুপপুর ইউনিয়নের কেশবপুর গ্রামের উত্তর পাড়ার বাসিন্দা মৃত আলী কদরের স্ত্রী নাসিমা খাতুন (৪৪) নামের এক বিধবা মহিলা ৩ সন্তানের জননীকে পুর্ব পরিকল্পনা করে কৌশলগত ভাবে কোমল পানি ( স্পিড বোতলের ) মধ্যে চেতনানাশক ঔষুধ মিশিয়ে খাওয়ায়ে অজ্ঞান করে ঐ রাতে তাকে ধর্ষণ করা সহ বাড়িতে থাকা ৩ ভরি স্বর্ণালংকার ও নগত ২ লক্ষ ৯০ হাজার টাকা চুরি করে নিয়ে পালিয়ে গেছে পার্শবর্তী জীবননগর উপজেলার নারায়নপুর গ্রামের তিতাস নামের এক যুবক। এঘটনায় বিধবা নাসিমা খাতুন বাদী হয়ে গত ২৭ ডিসেম্বর ২০২৫ ইং তারিখে ঐ যুবকের নাম উল্লেখ করে মান সন্মানের ভয়ে ধর্ষনের বিষয়টি গোপন রেখে মহেশপুর থানা ও ঝিনাইদহ কোঁটআদালতে চুরির ঘটনা দিয়ে লিখিত ভাবে মামলা দায়ের করেছে। অভিযোগের ভিত্তিতে মহেশপুর থানা পুলিশ স্বরজমিন গিয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। এবং ঘটনা সম্পর্কে বিস্তারিত জানেন। বিষয়টি নিয়ে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

    এবিষয়ে স্বরজমিনে গিয়ে জানা যায় গত ৩ বছর আগে ৩টি কন্যা সন্তানকে রেখে নাসিমার স্বামী আলী কদর মারা যায়, কন্যা সন্তান গুলো সবাই বিবাহীত এবং তারা স্বামীর বাড়িতে সংসার জীবন যাপন করছে , নাসিমা খাতুন তার ৯ বছরের একটি নাতি ছেলেকে নিয়ে বাড়িতে একাই বসবাস করে। এবিষয়ে নাসিমা খাতুন জানান আসামী তিতাসের নানা বাড়ি আমার বসতবাড়ি পাড়ায় ও পাশাপাশি হওয়ায় তিতাস প্রায় আমার বাড়িতে আসা যাওয়া করতো এবং আমাকে নানি বলে ডাকতো। ঐ দিন সন্ধা রাতে তিতাস নানি নানি বলে আমার বাড়িতে আসে এবং ঘরের মধ্যে খাটের উপর বসে গল্প গুজব করতে থাকে, পুর্ব-পরিকল্পিতভাবে কোমল পানি স্পিড বোতলের মধ্যে চেতনানাশক ঔষধ মিশিয়ে কৌশলে পানিটি আমার ও আমার নাতি ছেলেকে পান করালে ক্ষনেকের মধ্যে আমরা জ্ঞান হারিয়ে ঘুমিয়ে পড়ি।

    অজ্ঞান অবস্থায় ঐ যুবক সালোয়ার কামিজ ব্লেড দিয়ে কেটে আমাকে ধর্ষণ করা সহ বাড়িতে থাকা স্বর্ণালংকার ও নগত টাকা চুরি করে নিয়ে পালিয়ে যায়। যার আনুমানিক মুল্য ৬ / ৭ লক্ষ টাকা হবে। প্রতিবেশিরা জানান সকাল ৯টা বেজে গেলেও বাড়িতে কোন সাড়া শব্দ না থাকায় মনে মনে সন্দেহ হলে তাহারা নাসিমার নাম ধরে ডাকতে থাকে, তাতে কোন সাড়া শব্দ ও উত্তর না আসায় প্রতিবেশিরা প্রাচীর টপকে বাড়িতে প্রবেশ করে বিধবা নাসিমার এমন দৃশ্য দেখতে পায়। এসময় নাসিমা ও তার নাতি ছেলেকে দ্রত উদ্ধার করে প্রথমে মহেশপুর ও পরে যশোর সদর হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করে। সেখানে চিকিৎসা নিয়ে ২দিন পর বাড়িতে ফিরে এসে মহেশপুর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করে। লম্পট তিতাসের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করায় সে মেরে ফেলা সহ একের পর এক বিভিন্ন ধরণের হুমকী ধামকী চালিযে যাচ্ছে। লম্পট চোর তিতাস চুয়াডাঙ্গা জেলার জীবননগর উপজেলার নারায়নপুর গ্রামের উসমানের ছেলে।
    এব্যাপারে থানা পুলিশ জানান অভিযোগ পেয়ে উর্ধতন কর্মকর্তার নির্দেশনা মোতাবেক ঘটনাস্থলে গিয়েছি এবং মহিলার নিকট থেকে সব কিছুই শুনেছি, তবে আসামি তিতাস ভিন্ন থানায় বসবাস করায় মামলাটি আইনি প্রক্রিয়ায় চলমান রযেছে।

    শহিদুল ইসলাম
    মহেশপুর ঝিনাইদহ।।

  • পাইকগাছায় ৯ বছরের শিশু নি-খোঁজ থানায় সাধারণ ডায়েরি

    পাইকগাছায় ৯ বছরের শিশু নি-খোঁজ থানায় সাধারণ ডায়েরি

    পাইকগাছা ( খুলনা ) প্রতিনিধি।।

    খুলনার পাইকগাছা উপজেলার সরল এলাকায় ৯ বছরের এক শিশু কন্যা নিখোঁজ হওয়ার ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। নিখোঁজ শিশুটির নাম মোছাঃ ইফতিয়া সানজিদা (৯)। যে জীবন রহমান রানার কন্যা এবং সরল ৫ নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা।

    পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, বুধবার সকাল আনুমানিক ৮ টার দিকে পাইকগাছা উপজেলার সরল দি রাইজিং স্কুল সংলগ্ন এলাকা থেকে শিশুটি নিখোঁজ হয় এরপর থেকে পরিবারের সদস্য আত্মীয় স্বজনের বাড়িসহ সম্ভাব্য বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার কোন সন্ধান পাননি।

    পাইকগাছা থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) দায়ের করা হয়েছে যার জিডি নাম্বার ৬৯২।

    নিখোঁজ শিশুর দাদা মো. বজলুর রহমান জানান, শিশুটিকে দ্রুত উদ্ধারের জন্য তারা আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সহযোগিতা কামনা করছেন। তিনি আরো বলেন কেউ যদি শিশুটির সন্ধান পেয়ে থাকেন বা কোন তথ্য জানতে পারেন তাহলে দ্রুত যোগাযোগ করার অনুরোধ জানানো হচ্ছে। দাদা মো. বজলুর রহমান এর যোগাযোগ নং- ০১৭০৯০৯৩৫৪০।

    এ বিষয়ে পাইকগাছা থানার এসআই (নিরস্ত্র) মো. আছলাম আলী শেখ সাংবাদিকদের জানান, নিখোঁজ সংক্রান্ত জিডি গ্রহণ করা হয়েছে এবং বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে তদন্ত করা হচ্ছে। শিশুটিকে উদ্ধারের সম্ভাব্য সবদিক বিবেচনায় নিয়ে অনুসন্ধান কার্যক্রম চলছে বলে জানান তিনি।

    এ ঘটনায় এলাকাবাসী সহ সর্বস্তরের মানুষ শিশুটিকে দ্রুত উদ্ধারের জন্য প্রশাসনের কার্যকর উদ্যোগ প্রত্যাশা করছে।

    প্রেরক,

    ইমদাদুল হক

    পাইকগাছা,খুলনা

  • পাইকগাছায় ব্যবহার বেড়েছে ভার্মি কম্পোস্ট ; ;বাড়তি আয় উদ্দোক্তা শুকুরুজ্জামানের

    পাইকগাছায় ব্যবহার বেড়েছে ভার্মি কম্পোস্ট ; ;বাড়তি আয় উদ্দোক্তা শুকুরুজ্জামানের

    ইমদাদুল হক,পাইকগাছা ( খুলনা )।।

    খুলনার পাইকগাছায় কৃষি জমিতে জৈব সারের ব্যবহার কয়েকগুণ বেড়েছে। তরমুজ ও সবজি সহ বিভিন্ন কৃষি কাজে বেশিরভাগ কৃষকরা মাটির উর্বরতা শক্তি বাড়াতে ব্যবহার করছে জৈব সার। কেনা জৈব সারের তুলনায় এলাকার উৎপাদিত ভার্মি কম্পোস্ট এর গুণগত মান হওয়ায় এলাকায় এর প্রচুর চাহিদা রয়েছে। এ কারণে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের সহযোগিতায় তৈরি হচ্ছে নতুন নতুন উদ্দোক্তা। জিএম শুকুরুজ্জামান নতুন উদ্দোক্তাদের মধ্যে একজন সফল উদ্দোক্তা। বছরে তিনি উৎপাদন করছেন ২০ মেট্রিক টন ভার্মি কম্পোস্ট। ভার্মি কম্পোস্ট উৎপাদন করে তিনি বাড়তি আয় করছেন। তাকে অনুসরণ করে অনেকেই আগ্রহী হয়েছেন ভার্মি কম্পোস্ট উৎপাদনের জন্য। চাহিদার সাথে জৈব সারের উৎপাদন বাড়লে কৃষি জমিতে রাসায়নিক সারের ব্যবহার তুলনামূলক অনেক কমে আসবে বলে মনে করছেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর।

    কৃষি প্রধান অত্র এলাকায় এক সময় কৃষকরা কৃষি ফসল উৎপাদনের জন্য জৈব সার ছাড়া কিছুই বুঝতো না। যেকোনো ফসল উৎপাদনে ব্যবহার করতো জৈব সার। বিগত দুই থেকে তিন দশকে কৃষি কাজে জৈব সারের ব্যবহার একেবারেই কমে যায়। যে জৈব সার মাটির প্রাণ, তা ব্যবহার করতে কৃষকরা যেন ভুলে যায়। ব্যবহার বাড়ে রাসায়নিক সারের। বছরের পর বছর অতিমাত্রায় রাসায়নিক সার ব্যবহার করার ফলে মাটিতে জৈব উপাদান নেমে আসে শুন্যের কোটায়। মাটির উর্বরতা শক্তি বাড়াতে এবং জৈব উপাদান ফিরিয়ে আনতে উদ্যোগ নেয় কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর। বিভিন্ন প্রকল্পের আওতায় পরামর্শ ও কারিগরি সহযোগিতার মাধ্যমে ভার্মি কম্পোস্ট উৎপাদন বাড়ানোর চেষ্টা করেন এবং এর সাথে কৃষি কাজে জৈব সার ব্যবহারে কৃষকদের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি করতে নানা পদক্ষেপ নেয় কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর। কৃষি বিভাগের ব্যবস্থাপনায় একদিকে যেমন কৃষি কাজে ব্যবহার বেড়েছে জৈব সার, অন্যদিকে চাহিদা থাকায় জৈব সার উৎপাদনে এগিয়ে আসছে নতুন নতুন উদ্দোক্তা। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের আওতায় স্থানীয় উপজেলা কৃষি অফিসের সহযোগিতায় ২০২৪ সালে ভার্মি কম্পোস্ট উৎপাদন শুরু করে উপজেলার গদাইপুর ইউনিয়নের গোপালপুর গ্রামের মৃত গাজী আবুল কাশেমের ছেলে জিএম শুকুরুজ্জামান। শুকুরুজ্জামান জাতীয় স্বর্ণপদক প্রাপ্ত ষোলআনা ব্যবসায়ী সমবায় সমিতির সভাপতির দায়িত্ব পালন করার পাশাপাশি নিজের বসতবাড়িতেই ভার্মি কম্পোস্ট উৎপাদন করে এলাকায় ব্যাপক সাড়া ফেলে দিয়েছেন। প্রতিদিন বিভিন্ন এলাকার কৃষকরা তার উৎপাদিত ভার্মি কম্পোস্ট কিনে নিয়ে ব্যবহার করছেন কৃষি কাজে। ভার্মি কম্পোস্ট উৎপাদন করার মূল উপকরণ হচ্ছে গোবর ও থাই প্রজাতির কেঁচো। নিজের গবাদি পশুর গোবর এবং কেঁচো দিয়ে বিশেষ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে শুকুরুজ্জামান উৎপাদন করছেন ভালো মানের জৈব সার। দুই বছরের মধ্যে শুকুরুজ্জামানের সারের গুণগত মানের কথা ছড়িয়ে পড়েছে বিভিন্ন এলাকায়। সারা বছর কমবেশি বিক্রয় হলেও নভেম্বর থেকে মার্চ এপ্রিল মাস পর্যন্ত চাহিদা বেশি থাকে। একারণে আগে থেকেই উৎপাদিত সার মজুদ করে রাখেন এবং সিজনে তা সরবরাহ করেন কৃষকদের মাঝে। কৃষকরা ও সুলভ মূল্যে সময়মতো সার পেয়ে খুশি। বাইনবাড়িয়ায় কৃষক তন্ময় বাইন বলেন আমি এ বছর ১৫ বিঘা জমিতে তরমুজ চাষ করছি। আমার প্রয়োজনীয় জৈব সার শুকুরুজ্জামানের কাছ থেকে কিনেছি। হুগলার চক গ্রামের মডেল কৃষক মলয় মন্ডল বলেন বাজারে কেনা সারের চেয়ে শুকুরুজ্জামানের সারের মান অনেক ভালো, এজন্য আমার প্রয়োজনীয় সব সার তার কাছ থেকে নেয়। উপ সহকারী কৃষি কর্মকর্তা আনোয়ার হোসেন বলেন প্রথমে তিনি ১২ থেকে ১৫ টি হাউজে শুরু করেন। বর্তমানে তার উৎপাদন এখন অনেক বেশি। সারের মান ভালো হওয়ায় এলাকার কৃষকরা তার সার ব্যবহার করছে। জিএম শুকুরুজ্জামান বলেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের সহযোগিতায় ভার্মি কম্পোস্ট উৎপাদন শুরু করি। এলাকায় প্রচুর চাহিদা থাকায় পর্যায়ক্রমে উৎপাদন বাড়াতে থাকি। বর্তমানে আশেপাশের কৃষকরা ছাড়াও দূরদূরান্তের কৃষকরাও আমার এখানে সার নিতে আসেন। এলাকার অনেক নারী পুরুষ আমার খামারে কাজ করে জীবীকা নির্বাহ করছে। এর মাধ্যমে আমার বাড়তি আয় হচ্ছে যা আমি সাংসারিক ও অন্যান্য কাজে লাগাতে পারছি। উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ মোঃ একরামুল হোসেন বলেন ভার্মি কম্পোস্ট একটি উপকারী সার। এটাকে মাটির প্রাণ বলা হয়ে থাকে। কিন্তু দুঃখের বিষয় এই এলাকার কোথাও কারোর মাটিতে এক ভাগ ও জৈব উপাদান নাই। এ অবস্থায় কৃষি কাজে জৈব সার ব্যবহারের বিকল্প নাই। এ ক্ষেত্রে জিএম শুকুরুজ্জামান কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের সহযোগিতায় নতুন উদ্দোক্তা হিসেবে ভার্মি কম্পোস্ট উৎপাদন করে ইতোমধ্যে এলাকায় ব্যাপক পরিচিতি লাভ করছেন। সাধারণ কেনা সারের চেয়ে উৎপাদিত ভার্মি কম্পোস্ট অনেক ভালো। কৃষকরা এখন কৃষি কাজে বিশেষ করে তরমুজ, সবজি, নার্সারি ও ছাদ বাগান সহ বিভিন্ন ফসল উৎপাদনে জৈব সার ব্যবহার করছে। যার সিংহভাগ যোগান আসছে ভার্মি কম্পোস্ট থেকে। মাটির উর্বরতা শক্তি বাড়াতে এমন জৈব উপাদান ফিরিয়ে আনতে ভার্মি কম্পোস্ট উৎপাদন এবং ব্যবহার বাড়াতে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর কাজ করছে বলে কৃষি বিভাগের এ কর্মকর্তা জানান।

  • মাদারীপুরে লু-ট হওয়া এলপি গ্যাসের ৪৬২টি সিলিন্ডারের খালি বোতল আশুলিয়া থেকে উ-দ্ধার

    মাদারীপুরে লু-ট হওয়া এলপি গ্যাসের ৪৬২টি সিলিন্ডারের খালি বোতল আশুলিয়া থেকে উ-দ্ধার

    হেলাল শেখঃ মাদারীপুরে চালককে কুপিয়ে লুট করা এলপি গ্যাসের ৪৬২টি খালি সিলিন্ডার বোতল আশুলিয়া থেকে উদ্ধার করেছে শিবচর থানা পুলিশ। তবে এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেফতার করা সম্ভব হয়নি বলে জানিয়েছে পুলিশ।

    জানা গেছে, (১৩ জানুয়ারি ২০২৬ইং) মঙ্গলবার রাত ১১টার দিকে আশুলিয়ার গকুলনগর টানপাড়া এলাকায় এক বাড়িতে অভিযান পরিচালনা করে লুণ্ঠিত সিলিন্ডারগুলো উদ্ধার করে মাদারীপুরের শিবচর থানা পুলিশ।

    মাদারীপুর জেলার শিবচর সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার সালাহ উদ্দিন কাদের জানান, গত ৭ জানুয়ারি দিবাগত রাতে আশুগঞ্জ থেকে আইগ্যাসের খালি সিলিন্ডারবাহী একটি ট্রাক মাদারীপুরের শিবচর থানাধীন বাচামারা এলাকায় পৌঁছালে ডাকাতদলের সদস্যরা ট্রাকের গতিরোধ করে চালককে কুপিয়ে ট্রাক নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেয়। পরে তাঁরা চালককে ফেলে দিয়ে ট্রাকে থাকা ৪৬২টি খালি সিলিন্ডার বোতল লুট করে নিয়ে পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় শিবচর থানা পুলিশ তদন্তে নেমে তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় ও গোপন সংবাদে ভিত্তিতে আশুলিয়ার গকুলনগর টানপাড়া এলাকায় একটি বাড়িতে অভিযান পরিচালনা করে লুণ্ঠিত ৪৬২টি সিলিন্ডারের গ্যাসের বোতল উদ্ধার করে। তবে অভিযানের খবর টের পেয়ে ওই বাড়ির লোকজন পালিয়ে যায়।

    বৃহস্পতিবার ১৫ জানুয়ারি পুলিশ জানায় এ ঘটনায় জড়িতদের গ্রেফতারে অভিযান চলমান রয়েছে।

  • ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের নির্মাণ কাজ দ্রুত এগোচ্ছে,হ-কারদের দ-খলে সড়ক

    ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের নির্মাণ কাজ দ্রুত এগোচ্ছে,হ-কারদের দ-খলে সড়ক

    হেলাল শেখঃ ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে উড়াল সড়কের নির্মাণ কাজ দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই প্রকল্পের কাজ শেষ করতে দিনরাত কাজ করছে নির্মাণ সংশ্লিষ্টরা।

    বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি ২০২৬ইং) দেখা যায়, নির্মাণ কাজ চলমান থাকা সত্ত্বেও উড়াল সড়কের নিচের মেইন সড়কের বিভিন্ন অংশ দখল করে প্রভাবশালীদের ছত্রছায়ায় হকাররা জমজমাটভাবে ব্যবসা পরিচালনা করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এতে একদিকে যান চলাচলে মারাত্মক বিঘ্ন ঘটছে, অন্যদিকে সাধারণ পথচারীদের ভোগান্তি চরমে পৌঁছেছে।
    স্থানীয় সচেতন মহলের অভিযোগ, বারবার অভিযোগ জানানো হলেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নিচ্ছে না। দ্রুত সড়ক দখলমুক্ত করে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনার দাবি জানিয়েছেন তারা।

    এ বিষয়ে আশুলিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) বলেন, ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে উড়াল সড়কের নিচে যারা দখল করে রেখেছে দ্রুত দখলমুক্ত করে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।