Author: desk

  • ঝিনাইদহে ‘গ্রাম উন্নয়ন কর্ম’ এনজিও’র প্রতারণা

    ঝিনাইদহে ‘গ্রাম উন্নয়ন কর্ম’ এনজিও’র প্রতারণা

    ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ
    ঝিনাইদহ সদর উপজেলার হাটগোপালপুরে ‘গ্রাম উন্নয়ন কর্ম’ (গাক) নামের একটি এনজিও’র বিরুদ্ধে গ্রাহক হয়রানি ও গ্রাহকদের ঋণ দেওয়ার নামে লাখ লাখ টাকা আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে উঠেছে হাটগোপালপুর এলাকার গ্রাহক ও ব্যবসায়ীরা। প্রতিবাদে অফিসও ঘেরাও করেছে তারা। জানা যায়, ২০২১ সালের ২৯ আগস্ট গ্রাম উন্নয়ন কর্ম (গাক) হাটগোপালপুর বাজারে শাখা স্থাপন করে। এরপর থেকেই সংস্থাটি এলাকায় ঋণ দেওয়ার নামে সদস্য সংগ্রহ শুরু করে। ইতিমধ্যে ৩’শ সদস্য সংগ্রহ করেছে তারা। গ্রাহকদের স্বল্প সুদে ঋণ দেওয়ার নাম করে ১৩০ টাকা চাঁদা নিয়ে ভোটার আইডি কার্ড নিয়ে সদস্য করা হয়। সেই সাথে প্রতি লাখে ৫ হাজার টাকা করে সঞ্চয় জমা নিয়েছে। এর কয়েক সপ্তাহের মধ্য গ্রাহকদের ঋণ দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু গত কয়েক মাস যাবত ঋণ দেওয়ার নামে দিনের পর দিন ঘুরাচ্ছে। ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে বøাক চেক নিয়ে ঋণ না দিয়ে দিনের পর দিন হয়রানি করছে। ভুক্তভোগী পানামী গ্রামের ব্যবসায়ী হাফিজুর রহমান বলেন, আমাকে ঋণ দেওয়ার কথা বলে ৩ টি বøাক চেক নিয়েছে। প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নেওয়ার পর ৫ লাখ টাকা ঋণ দেওয়ার কথা থাকলেও এখনো তারা ঋণ না দিয়ে দিনের পর দিন ঘুরাচ্ছে। এখন টাকাও দিচ্ছে না আবার চেকও দিচ্ছে না। শিহাব উদ্দিন নামের আরেক গ্রাহক অভিযোগ করে বলেন, আমাকে ৩ লাখ টাকা ঋণ দেওয়ার কথা বলে দিনের পর দিন ঘুরাচ্ছে। আমার কাছ থেকে ঋণ দেওয়ার কথা বলে কিছু টাকাও নিয়েছে। কিন্তু এখনো টাকা দিচ্ছে না। একই অভিযোগ করেন, আহম্মদ আলী, তুলনা খাতুন, ইন্দ্রজিৎ নামের কয়েকজন গ্রাহক। তাদের ঋণ দেওয়ার আশ^াস দিলেও টাকা দেওয়া হচ্ছে না। এ ব্যাপারে অভিযুক্ত ওই শাখার ব্যবস্থাপক শরিফুল ইসলাম বলেন, টাকা দেওয়ার কথা ছিল ঠিকই। আমার কিছু করার নেই। উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের কথা অনুযায়ী আমি গ্রাহকদের কাছ থেকে সময় নিচ্ছি।

    ঝিনাইদহ
    আতিকুর রহমান।।

  • ঝিনাইদহ মৎস্য হ্যাচারি কমপ্লেক্সে পরিবর্তনের ছোঁয়া ম্যানেজার পেলেন শ্রেষ্ঠ পুরস্কার

    ঝিনাইদহ মৎস্য হ্যাচারি কমপ্লেক্সে পরিবর্তনের ছোঁয়া ম্যানেজার পেলেন শ্রেষ্ঠ পুরস্কার

    ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ
    ঝিনাইদহ জেলায় মৎস্য সম্পদ উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনায় বিশেষ অবদান রাখায় জেলার শ্রেষ্ঠ পুরস্কারে ভুষিত হয়েছে কোটচাঁদপুর বলুহর কেন্দ্রীয় মৎস্য হ্যাচারি কমপ্লেক্স। রোববার দুপুরে ঝিনাইদহ শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে সাবেক মৎস্য ও প্রাণী সম্পদক প্রতিমন্ত্রী আব্দুল হাই এমপির কাছ থেকে এই পুরস্কার গ্রহন করেন হ্যাচারি ম্যানেজার মোঃ আশরাফ-উল-ইসলাম। এ সময় ভারপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসক সেলিম রেজা, ঝিনাইদহ জেলা মৎস্য অফিসার ফরহাদুল রেজা, সাবেক উপাধ্যক্ষ এন এম শাহজালাল ও জেলা তথ্য অফিসার আবু বকর সিদ্দিক উপস্থিত ছিলেন। তথ্য নিয়ে জানা গেছে, হ্যাচারি ম্যানেজার মোঃ আশরাফ-উল-ইসলাম কোটচাঁদপুর বলুহর কেন্দ্রীয় মৎস্য হ্যাচারি কমপ্লেক্সে যোগদানের পর থেকে পরিবর্তনের ছোঁয়া লাগে। তিনি যোগদানের পর থেকে প্রতি বছর সরকার নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা শতভাগ অর্জন করেছেন। সরকারী মুল্যে রেনু বিক্রি করে সরকারী কোষাগারে জমা দিয়েছেন। চিন থেকে আমদানীকৃত সিলভার ও গ্রাসকার্প মাছের রেনু চলতি বছর থেকে উৎপাদনের মাধ্যমে চাষিদের মাছে বিক্রি করেছেন। মৎস্যজচাষিরা হ্যাচারি থেকে আশানুরুপ ফলাফল পেয়েছেন। এছাড়া হ্যাচারির মা মাছ সমৃদ্ধ করার জন্য ম্যানেজার মোঃ আশরাফ-উল-ইসলাম বাংলাদেশ ফিশারিজ রিসার্স ইন্সটিটিউট থেকে হোয়াটি পাঙ্গাস, কাল বাউস ও সুবর্ণ রুই লালন পালন করছেন। তিন বছরে মা মাছ পর্যাপ্ত মজুদ করে বলুহর হ্যাচারিকে বাংলাদেশের শ্রেষ্ঠ হ্যাচারিতে পরিণত করেছেন হ্যাচারি ম্যানেজার মোঃ আশরাফ-উল-ইসলাম।

  • পাইকগাছায় মৎস্য সপ্তাহের দ্বিতীয় দিনে র‍্যালি, আলোচনা সভা ও মাছের পোনা অবমুক্ত

    পাইকগাছায় মৎস্য সপ্তাহের দ্বিতীয় দিনে র‍্যালি, আলোচনা সভা ও মাছের পোনা অবমুক্ত

    পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি।।
    খুলনার পাইকগাছায় জাতীয় মৎস্য সপ্তাহের দ্বিতীয় দিন র‍্যালি, উদ্বোধনী অনুষ্ঠান, আলোচনা সভা ও মাছের পোনা অবমুক্ত করা হয়েছে। রোববার সকালে এক বর্ণাঢ্য র‍্যালি উপজেলা সদরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে। পরে উপজেলা পরিষদ
    মিলনায়তনে ‘নিরাপদ মাছে ভরবো দেশ, বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশ’ প্রতিপাদ্য বিষয়ের উপর আলোচনা সভা ও উদ্বোধনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। এরপর উপজেলা পরিষদের পুকুরে মাছের পোনা অবমুক্ত করা হয়। উপজেলা নির্বাহী অফিসার মমতাজ বেগম এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন, উপজেলা চেয়ারম্যান আনোয়ার ইকবাল মন্টু। বিশেষ অতিথি ছিলেন, লোনাপানি কেন্দ্রের কেন্দ্র প্রধান ও প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মোঃ লতিফুল ইসলাম, উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান
    লিপিকা ঢালী। স্বাগত বক্তব্য রাখেন, সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা টিপু সুলতান। প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি মোঃ আব্দুল আজিজ এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন, অধ্যক্ষ মিহির বরণ মন্ডল, লোপাকে’র উপ-পরিচালক মোহাঃ কামরুল হক,
    উর্দ্ধতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা দেবাশীষ মন্ডল, হাশমি সাকিব, শরিফুল ইসলাম রুবেল, মতিয়ার রহমান, বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা শাওন আহম্মেদ, মোঃ মাসুদুর রহমান, রাফিয়া আফরিন, শাহনাজ পারভীন, রিয়াজ মোর্শেদ রঞ্জু ও মোঃ আবু নাসের, উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা কামাল উদ্দীন আহমেদ, প্রাক্তন অধ্যক্ষ রমেন্দ্রনাথ সরকার, মৎস্য সম্প্রসারণ কর্মকর্তা অসীত কুমার সরকার, প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি তৃপ্তি রঞ্জন সেন, ক্ষেত্র সহকারী রণধীর সরকার, সুমন সরকার, মৎস্য চাষী আলহাজ্ব শেখ রফিকুল ইসলাম, সুনীল মন্ডল ও মানবেন্দ্র মন্ডল।

    ইমদাদুল হক
    পাইকগাছা,খুলনা।

  • পাথরঘাটায় মৎস্য পোনা অবমুক্ত

    পাথরঘাটায় মৎস্য পোনা অবমুক্ত

    পাথরঘাটা (বরগুনা) প্রতিনিধি: ২৩ জুলাই থেকে ২৯ জুলাই জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ -২০২২ উদৃ যাপন উপলক্ষে পাথরঘাটা উপজেলা মৎস্য দপ্তর কর্তৃক
    আলোচনা সভা ও মৎস্য পোনা অবমুক্ত করা হয়েছে ।

    রবিবার ২৪ জুলাই বেলা ১১টায় পাথরঘাটা উপজেলা পরিষদ সন্মেল কক্ষে আয়োজিত সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা চেয়ারম্যান মোস্তফা গোলাম কবির। উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা জয়ন্ত কুমার অপু’র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদ সদস্য বীরমুক্তিযোদ্ধা এম.এ.খালেক,উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান ফাতিমা পারভীন ও হাফিজুর রহমান সোহাগ, কোষ্টগার্ড স্টেশণ কমান্ডার লে.এম মমিনুল ইসলাম সহ অন‌্যন্য অতিথি বৃন্দ।

    অনুষ্ঠানে ৩ শ্রেষ্ঠ কৃষককে পুরস্কৃত করা হয়।
    এছাড়াও উপজেলা পরিষদ পুকুরে মৎস্য পোনা অবমুক্ত করেন উপজেলা চেয়ারম্যান মোস্তফা গোলাম কবির।

    অমল তালুকদার
    পাথরঘাটা।।

  • নড়াইলে বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান তৃতীয় শ্রেনী কর্মচারী পরিষদের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত

    নড়াইলে বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান তৃতীয় শ্রেনী কর্মচারী পরিষদের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত

    জান্নাতুল বিশ্বাস.নড়াইল!! নড়াইলে কেক কেটে বাংলাদেশ বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান তৃতীয় শ্রেনী কর্মচারী পরিষদের ২য় প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত হয়েছে। রোববার (২৪ জুলাই) দুপুরে বাংলাদেশ বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান তৃতীয় শ্রেনী কর্মচারী পরিষদ নড়াইল জেলা শাখার আয়োজনে আব্দুল হাই ডিগ্রী কলেজে এক আলোচনা সভা ও কেক কাটার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান তৃতীয় শ্রেনী কর্মচারী পরিষদের ২য় প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযপিন করা হয়।

    নড়াইল আব্দুল হাই ডিগ্রী কলেজের প্রধান অফিস সহকারী ও বেসরকারী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান তৃতীয় শ্রেনী কর্মচারী পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি ও নড়াইল জেলার সভাপতি নার্গিস নাহার এর সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় নড়াইল জেলার যুগ্ন সাধারন সম্পদক সুশেন কুমার সরকার, দপ্তর সম্পাদক কাউম আলী, নির্বাহী সদস্য উজ্জল মোল্যা, মঞ্জুরুল হক, সদর উপজেলার সাংগঠনিক সম্পাদক অনিমেষ বিশ্বাস , অর্থ সম্পাদক মো.মনিরুল ইসলামসহ সংগঠনের আরো অনেকে উপস্থিত ছিলেন।
    আলোচনা শেষে সংগঠনের সফলতা কামনা করে দোয়া করা হয়।#

    মো জান্নাতুল বিশ্বাস
    নড়াইল প্রতিনিধি।।

  • গৌরনদীতে জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ উপলক্ষে মৎস্য অবমুক্তকরণ

    গৌরনদীতে জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ উপলক্ষে মৎস্য অবমুক্তকরণ

    গৌরনদী প্রতিনিধিঃ-

    “নিরাপদ মাছে ভরবো দেশ, বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশ”
    এই স্লোগানকে সামনে রেখে বরিশালের গৌরনদীতে জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ—২০২২ উপলক্ষে আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। রবিবার শহীদ সুকান্ত বাবু মিলনায়তনে উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা মৎস্য অধিদপ্তর কর্তৃক আয়োজিত অনুষ্ঠানে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বিপিন চন্দ্র বিশ্বাসের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান সৈয়দা মনিরুন নাহার মেরী, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি মোঃ এইচ এম জয়নাল আবেদীন, উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোঃআবুল বাশার, কৃষি কর্মকর্তা মোঃ মামুনুর রহমান, ইউপি চেয়ারম্যান গোলাম ফারুক হোসেন মোল্লা, আব্দুর রাজ্জাক হাওলাদার, সৈয়দ নজরুল ইসলাম, উপজেলা প্রেসক্লাবের সহ—সভাপতি মণীষ চন্দ্র বিশ্বাস, মৎস্য অফিস সহকারী মোঃ নুরুল ইসলামও গৌরনদী উপজেলার বিভিন্ন দফতরের কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ। অনুষ্ঠানে ব্যানার, ফেস্টুন সহকারে উপজেলার বিভিন্ন সড়কে র‌্যালী ও আলোচনা সভা শেষে তিনজন সফল মৎস্য চাষীদের মাঝে বিশেষ সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয়।

  • নড়াইলে জাতীয় মৎস্য সপ্তাহের উদ্বোধন

    নড়াইলে জাতীয় মৎস্য সপ্তাহের উদ্বোধন

    জান্নাতুল বিশ্বাস.নড়াইল!! নড়াইলে জাতীয় মৎস্য সপ্তাহের উদ্বোধন করা হয়েছে। রোববার (২৪ জুলাই) সকালে নড়াইল সদর উপজেলা পরিষদ পুকুরে মাছের পোনা অবমুক্তির মধ্যদিয়ে মৎস্য সপ্তাহের উদ্বোধন করেন নড়াইল জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান।

    এসময় নড়াইল পৌরসভার মেয়র আঞ্জুমান আরা, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাদিয়া ইসলাম. জেলা মৎস্য কর্মকর্তা এইচ এম বদরুজ্জামান সহ সরকারী কর্মকর্তা, মৎস্যচাষী, মৎস্যজীবিসহ বিভিন্ন শ্রেণীপেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।
    পরে উপজেলা পরিষদ চত্বর থেকে এ উপলক্ষে একটি র‌্যালি বের হয়। র‌্যালিটি শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে গিয়ে শেষ হয়। পরে জেলা প্রশাসকের সভাকক্ষে মৎস্য সপ্তাহের আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।#

    মো জান্নাতুল বিশ্বাস
    নড়াইল প্রতিনিধি।।

  • গোদাগাড়ীতে  ইসতিসকার সালাত অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    গোদাগাড়ীতে ইসতিসকার সালাত অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    রাজশাহী থেকে মোঃ হাযদার আলী।।রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার লালবাগ হেলিপ্যাড মাঠে গ্রীষ্মের প্রচণ্ড খরা, অনাবৃষ্টি থেকে রক্ষা পেতে জনকল্যাণ সামাজিক পরিষদের উদ্যোগে ইসতিসকার নামাজ আদায় করেছেন এলাকাবাসী। রোববার সকাল ৮টায় গোদাগাড়ী হেলিপ্যাড মাঠে ইসতিসকার সালাত অনুষ্ঠিত হয়।

    নামাজের পূর্বে কুরআন ও হাদিস থেকে আলোচনা শুরু হয়। আলোচনা পেশ করেন কুঠি মসজিদের ইমাম মাওঃ মনিরুল ইসলাম, শাহ সুলতান রহঃ কামিল মাদ্রাসার সহকারী অধ্যাপক ও মহিশালবাড়ী জামে মসজিদের খতিব মাওলানা, মোঃ দুরুল হোদা ও শায়েখ মোঃ আবুল কাশেম। শায়েখরা বলেন

    বিশেষ করে যখনই অনাবৃষ্টি প্রচণ্ড তাপপ্রবাহ বেড়ে যায় তখনই নামাজে ইসতিসকা আদায় করা হয়। ইসতিসকার সালাত আদায় করা নফল ইবাদত। তবে মহামারি বা দুর্যোগ এলে এই সালাতের গুরুত্ব অনেক।

    এ নামাজ ও বিশেষ দোয়া মোনাজাতে অংশ নেয় উপজেলার বিভিন্ন মসজিদের ইমাম, খতিবসহ শত শত ধর্মপ্রাণ মানুষ।
    নামাজে ইমামতি ও দোয়া মোনাজাত করেন কুমোরপুর আলিম মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল শায়েখ আবুল কাশেম,
    নামাজ শেষে শত শত মুসল্লিকে সাথে নিয়ে আল্লাহর কাছে বৃষ্টির জন্য বিশেষ প্রার্থনা করে কান্নাকাটি করেন। অনাবৃষ্টি থেকে মুক্তির জন্য মহান আল্লাহর রহমত কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়।
    একনিষ্ঠ তাওবা করা অর্থাৎ তাওবাতুন নসুহার মাধ্যমে আল্লাহর কাছে রহমতের বৃষ্টি কামনা করে অতিরিক্ত ১২ তাকবিরের মাধ্যমে ২ রাকায়াত সুন্নত নামাজ আদায় করার মাধ্যমে আল্লাহর কাছে বৃষ্টি প্রার্থনা করা হয়েছে। এই নামাজে কোনো আজান বা ইকামত নেই। তবে জামায়াতের সঙ্গে আদায় করতে হয়।
    এ বিষয়ে শায়েখ আবুল কাশেম বলেন, বৃষ্টি না হওয়ায় তাপপ্রবাহে দেশের মানুষের বিপদ-আপদ ও দুঃখ-কষ্ট হতে থাকলে প্রয়োজন পূরণের জন্য আল্লাহর দরবারে প্রার্থনা করা সুন্নত। একেই আরবিতে বলা হয় ‘ইসতিসকা’ অর্থাৎ পানি প্রার্থনা করা।

    হাদিস শরিফে বর্ণিত আছে- রাসুলুল্লাহ (সা.) বৃষ্টি প্রার্থনার সময় বলতেন, ‘হে আল্লাহ! তুমি তোমার বান্দাকে এবং তোমার পশুদের পানি দান করো। আর তাদের প্রতি তোমার রহমত বর্ষণ করো এবং তোমার মৃত জমিনকে জীবিত করো।’

    মোঃ হায়দার আলী
    রাজশাহী।

  • পঞ্চগড়ে এলজিইডির কাজে শুভঙ্করের ফাঁকি

    পঞ্চগড়ে এলজিইডির কাজে শুভঙ্করের ফাঁকি

    মোঃ বাবুল হোসেন পঞ্চগড় :
    এলজিইডির দায়সারা মনোভাবে পুকুর চুরিঅভিযোগ ঠিকাদারের বিরুদ্ধে! পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জে ইউনিয়ন পরিষদের পণ্য ও সেবা সহয়তা খাতের প্রকল্প বাস্তবায়নে এলজিইডি’র দায়িত্ব পালনে অনীহায় ঠিকাদারের সীমাহীন অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। তদারকি ছাড়াই ঠিকাদার শেষ করছেন কাজ। চলছে বিল উত্তোলনের পাঁয়তারা। নিয়ম অনুযায়ী কাজ তদারকি ও বাস্তবায়নের দায়িত্ব উপজেলা প্রকৌশলীর কার্যালয়ের।

    সূত্র অনুযায়ী, ২০২১-২০২২ অর্থবছরে দেবীগঞ্জ উপজেলা পরিষদের “ইউনিয়ন পরিষদের পণ্য ও সেবা সহয়তা খাত’র” বরাদ্দ থেকে চেংঠী হাজরাডাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদ ভবন মেরামতের জন্য ১০ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়। কাজটি পান ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স তানিয়া কন্সট্রাকশন।

    প্রাক্কলন অনুযায়ী, প্রত্যেকটি ঘরের ভেতরে প্লাষ্টিক পেইন্ট ও বাইরে ওয়েদার পেইন্ট এর পাশাপাশি ভবনের স্কার্টিং, দরজা, জানালা, গ্রিল, বারান্দার রেলিং রং করার জন্য ৪ লাখ ৪৭ হাজার টাকা বরাদ্দ রয়েছে।

    ভবনের ক্ষতিগ্রস্ত প্লাস্টার তোলা, নতুনভাবে প্লাস্টার করা, সিসি ঢালাই, প্যাটেনস্টান ঢালাই সহ ভবন মেরামতে রাজমিস্ত্রীর কাজে ১ লাখ ২০ হাজার টাকা বরাদ্দ থাকলেও কোনোরকম কাজ করা হয়নি। দরজা জানালা পরিবর্তনের জন্য ২ লাখ ১৫ হাজার টাকা বরাদ্দ থাকলেও নামমাত্র মেরামত করা হয়েছে। ভবনে নতুন করে পিভিসি ও প্লেইন শিটের দরজা দেওয়ার জন্য প্রায় ১৬ হাজার টাকা বরাদ্দ থাকলেও সেটাও দেওয়া হয়নি। ছাদের জন্য ক্ষতিগ্রস্ত কাদামাটির টাইলস প্রতিস্থাপনের জন্য ১১ হাজার টাকা বরাদ্দ থাকলেও সেখানে পলেস্তরা দিয়ে কাজ করা হয়েছে।

    মূল ভবনে দরজা-জানালার ফ্রেম পরিবর্তনের জন্য ৪৩ হাজার ও কপাট পরিবর্তনের জন্য ৭৮ হাজার টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। বর্ধিত ভবনে দরজা-জানালার ফ্রেম পরিবর্তনের জন্য ২৭ হাজার টাকা এবং কপাট পরিবর্তনের জন্য ৬৫ হাজার টাকা বরাদ্দ আছে। অথচ বর্ধিত ভবনে শুধু মাত্র দুইটি ফ্রেম পরিবর্তন করা হয়েছে। আর মূল ভবনে জানালার ২টি ও দরজার ৩টি ফ্রেম এবং দরজার ১টি ও জানালার ২টি কপাট পরিবর্তন করা হয়েছে।

    ইলেকট্রিক কাজে ডিস্ট্রিবিউশন বোর্ড, এসডিবি বক্স, লাইন মেরামতের জন্য নতুন তার, ১০ টি নতুন পয়েন্ট, গ্যাং সুইচ, ফ্যান সহ ৮৬ হাজার টাকা বরাদ্দ থাকলেও মাত্র দুইটি গ্যাং সুইচ ও কয়েকটি এলইডি বাল্ব বসানো হয়েছে। ভবনের বেশ কয়েকটি স্থানে পুরনো ওয়ারিং সহ ঝুলে থাকা তার যে কারো চোখে পড়বে

    স্যানিটারী কাজে উন্নতমানের পানির পাম্প, ফ্লাসিং ইউনিট সহ কোমড, বেসিন, আয়না, স্লাব সহ ইন্সপেকসন পিট, পিভিসি পাইপ ও ফিটিংস মালামাল বাবদ ৬৭ হাজার টাকা বরাদ্দ থাকলেও প্রাক্কলন অনুসরণ না করে পানির পাম্প সরবরাহ ছাড়া কোনো কাজ করা হয়নি। ভবনের সব ওয়াশরুমে এখনো পুরনো বেসিন ও কমোড রয়েছে।

    টাইলস এর কাজের ক্ষেত্রে ঠিকাদার প্রয়োজনের চেয়ে বেশী করেছেন বলে দাবি করলেও সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় বরাদ্দ অনুযায়ী ৩৪ হাজার টাকার কাজটিও সঠিকভাবে করেনি।

    সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ঠিকাদার নিজের মর্জি মতো কাজ শেষ করেছেন। ঠিকাদার নিজের ইচ্ছে মতো নামমাত্র চক পাউডার দিয়ে রং করেছেন ভবনের ভেতরে ও বাইরে। রং করার পূর্বে পুরনো রং ভাল ভাবে তুলে ফেলার কথা উল্লেখ থাকলেও তা করা হয়নি ঠিক ভাবে। ঘরের ভেতরে রং করার পূর্বে বাধ্যতামূলক সিলার ও পাট্টি ব্যবহারের নির্দেশনাও অনুসরণ করা হয়নি। ভবন রংয়ের কাজ এতটাই নিম্মমানের যে দেওয়ালে থাকা পুরনো পোস্টার ও লেখা পর্যন্ত এখনো দৃশ্যমান। ভবনের গ্রিল কিংবা রেলিংয়ে নেই রংয়ের লেশমাত্র।

    এলজিইডি সূত্র বলছে, কাজটির তদারকির দায়িত্বে ছিলেন উপ সহকারী প্রকৌশলী আবু বকর সিদ্দীক ও গৌতম রায় এবং কার্য সহকারী বৈদ্যনাথ কর্মকার। অজানা কারণে দায়িত্বপ্রাপ্ত দুই উপ সহকারী প্রকৌশলী কাজটির তদারকিতে নিজেরা যেমন যান নি তেমনি কার্য সহকারীকে পাঠানোর প্রয়োজন মনে করেন নি।

    ইউনিয়ন পরিষদে কর্মরত সচিব ও ডিজিটাল সেন্টারের উদ্যোক্তার সাথে কথা বলে জানা যায়, কাজ চলাকালীন সময়ে মাত্র একদিন এলজিইডি’র প্রতিনিধিকে দেখেন তারা। অথচ ঠিকাদার কাজ করেছেন প্রায় ১৭-২০ দিন।

    এলজিইডি’র নিয়ম অনুযায়ী কাজ শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত প্রত্যেকটি ধাপে অনুমতি ও কাজ সম্পাদনের তথ্য সংরক্ষণের জন্য ‘সাইট অর্ডার’ বই রাখা বাধ্যতামূলক হলেও সেটিও পালন করা হয়নি। সাইট অর্ডার বইয়ের বিষয়ে উপ সহকারী প্রকৌশলী আবু বকর সিদ্দিক জানান, নিয়ম রয়েছে তবে ছোট কাজ হওয়ায় পালন করা হয়নি। ১০ লাখ টাকার কাজ কিভাবে ছোট কাজ হয় এমন প্রশ্ন করলে তিনি বিষয়টি এড়িয়ে যান। এই বিষয়ে বিস্তারিত জানতে তিনি উপজেলা প্রকৌশলীর সাথে কথা বলার পরামর্শ দেন।

    অভিযোগ উঠেছে, উপজেলা প্রকৌশলীর কার্যালয়ের কতিপয় কর্মকর্তা বাড়তি সুবিধা নেওয়ার জন্য প্রয়োজনের তুলনায় অতিরিক্ত প্রাক্কলন তৈরি করেছে। এতে কাজের মান দায়সারা হলেও বাড়তি সুবিধা পাবে ঠিকাদার ও দফতরের দুর্নীতিগ্রস্ত কর্মকর্তারা।

    অজানা কারণে ছয়টি ইউনিয়ন পরিষদ ভবনে চলমান মেরামত কাজে উপ সহকারী প্রকৌশলী আবু বকর সিদ্দিককে সাইট অফিসার হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। যেখানে উপজেলা কার্যালয়ে তিনজন উপ সহকারী প্রকৌশলী কর্মরত আছেন। এরপরও চারটি প্রকল্পে শুধুমাত্র তিনি এবং বাকী দুইটিতে তিনি সহ অন্য দুইজন উপ সহকারী প্রকৌশলীকে নাম মাত্র সাইট অফিসারের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

    চেংঠী হাজরাডাঙ্গা ইউপি ভবনের সাইট অফিসারের দায়িত্বে থাকা অপর উপ সহকারী প্রকৌশলী গৌতম রায় বলেন, এর আগেও একবার অভিযোগ পেয়েছি নিম্ম মানের কাজের ব্যাপারে। বকর ভাই যেহেতু আমার সিনিয়র তাই উনিই সাইট তদারকি করেছেন। আমি কখনো সেখানে যাইনি। তাই এই ব্যাপারে কিছু বলতে পারব না। উপজেলা প্রকৌশলী নিজে সাইট ঘুরে সিদ্ধান্ত নিতে চেয়েছেন।

    এদিকে চেয়ারম্যানের কাছে কাজ সমাপ্তির প্রত্যয়ন পত্র নিয়েছেন বলে জানান মেসার্স তানিয়া কন্সট্রাকশনের স্বত্বাধিকারী আবু তাহের চৌধুরী। তিনি জানান, কাজ শেষ করেছি তবে এখনো বুঝিয়ে দেই নি। ইঞ্জিনিয়ার সাহেব পরিদর্শন করে কাজ বুঝিয়ে নিবেন। কক্ষগুলোর ভেতরে সিলার ও পাট্টি দিয়ে প্লাস্টিক পেইন্ট ও বাইরে ওয়েদার পেইন্ট করা হয়েছে বলে জানান ঠিকাদার। কাজে কোন অনিয়ম হয়নি বলেও জানান এই ঠিকাদার। বরং পুরো কাজে তিনি আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন বলে দাবি করেন। বৈদ্যুতিক কাজে ডিস্ট্রিবিউশন বোর্ড, এসডিবি বক্স লাগানো হয়েছে দাবি করলেও বাস্তবে তা পাওয়া যায়নি।

    চেংঠী হাজরাডাঙ্গা ইউপি চেয়ারম্যান আমিনুর রহমান বলেন, কাজে অনিয়মের বিষয়টি আমি বেশ কয়েকবার উপজেলা প্রকৌশলীকে জানিয়েছি। তিনি দেখবেন বলে আর খোঁজ নেন নি।

    উপজেলা প্রকৌশলী শাহরিয়ার ইসলাম শাকিল বলেন, আমরা কাজটি বুঝিয়ে নেই নি এখনো। কাজ বুঝিয়ে দিবে টাকা নিবে, সোজা কথা। চেয়ারম্যানের প্রত্যয়নের বিষয়ে প্রশ্ন করলে তিনি বলেন, চেয়ারম্যান আর ঠিকাদার প্রত্যয়ন দিলে হবে, আমরা কি ঘোড়ার ঘাস কাটতে আছি।

    উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা গোলাম ফেরদৌস বলেন, বিষয়টি আমি শুনেছি। প্রাক্কলন অনুযায়ী কাজ বুঝিয়ে না দেওয়া পর্যন্ত কোন বিল দেওয়া হবে না।

  • বানারীপাড়ায় নতুনমুখের ২৯ তম প্রতিষ্ঠাতা বার্ষিকী পালন

    বানারীপাড়ায় নতুনমুখের ২৯ তম প্রতিষ্ঠাতা বার্ষিকী পালন

    বিশেষ প্রতিবেদক : শনিবার ২৩ জুলাই বিকেল ৫ টায় বানারীপাড়া নতুনমুখ সাহিত্য সংস্কৃতি পরিষদের ২৯ তম প্রতিষ্ঠাতা বার্ষিকী সংগঠনের মিলনায়তনে পালন করা হয়।
    অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন বানারীপাড়া পৌর মেয়র অ্যাডভোকেট সুভাষ চন্দ্র শীল, প্রধান অতিথি উপজেলা নির্বাহী অফিসার রিপন কুমার সাহা। সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মোয়াজ্জেম হোসেন মানিকের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় স্বাগত বক্তৃতা করেন, নতুনমুখ সম্পাদক মোঃ শাজাহান মিয়া, কেন্দ্রীয় প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান শাহীন, খেলাঘর আসরের উপজেলা সভাপতি মোঃ মোশারফ হোসেন, নতুনমুখ সহ-সভাপতি ও বাংলাদেশ প্রগতি লেখক সংঘের সম্পাদক এস মিজানুল ইসলাম, কবি ও লেখক ধীরেন হালদার, বানারীপাড়া মডেল সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক কৃষ্ণকান্ত হালদার, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ডের সভাপতি আশীষ চন্দ্র দাস, প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি কেএম মজিবুর রহমান, গ্লোবাল ইউনিভার্সিটির সহকারী অধ্যাপক এমরান হোসেন, স্পোর্টিং ক্লাবের সভাপতি রুহুল আমীন শুভ, সঞ্চালনায় খেলাঘর আসরের সম্পাদক খাইরুল ইসলাম প্রমূখ।#