Author: desk

  • সুবর্ণচরে সড়ক দূর্ঘটনায় নিহত ১, আহত ২

    সুবর্ণচরে সড়ক দূর্ঘটনায় নিহত ১, আহত ২

    রফিকুল ইসলাম সুমন নোয়াখালী)

    নোয়াখালীর সুবর্ণচরে সোনাপুর টু চেয়ারম্যান ঘাট সড়কে দুটি মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে এক সৌদি প্রবাসী নিহত হয়েছে। এ দুর্ঘটনায় আরও ২ জন‌ আহত হয়েছে।নিহত মো. পিয়াস (২৮) কবিরহাট উপজেলার বাটইয়া ইউনিয়নের পশ্চিম বাটইয়া গ্রামের বাবুলের ছেলে।

    মঙ্গলবার (২৬ জুলাই) সন্ধ্যা ৭ টার দিকে সুবর্ণচর উপজেলার হারিছ চৌধুরীর বাজারের উত্তর পাশে এ দুর্ঘটনা ঘটে।আহতরা হলো, নোয়াখালী পৌরসভার ৬নম্বর ওয়ার্ডের খোরশেদ আলম এর ছেলে মো. সোহাগ (২৪) ও একই উপজেলার কাদির হানিফ ইউনিয়নের কাঞ্চনপুর গ্রামের মৃত রহিম উল্যাহর ছেলে আনোয়ার (২৩)। আহত দুইজনই নোয়াখালী পৌর বাজারের মৎস্য ব্যবসায়ী।পুলিশ জানায়, সন্ধ্যা ৭টার দিকে সুবর্ণচর-চেয়ারম্যান ঘাট সড়কে হারিছ চৌধুরী বাজার (আটকপালিয়া বাজার) উত্তর পাশে দুটি মোটর সাইকেলের অভারটেক করতে গিয়ে মুখোমুখি এ সংঘর্ষ হয়।

    এতে ঘটনাস্থলে মোটরসাইকেল দুটি ধুমরেমুছড়ে যায়। মোটরসাইকেল আরোহীরা গুরুতর আহত হলে তাৎক্ষণিক স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে দ্রুত নোয়াখালী সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক ১ জনকে মৃত ঘোষণা করে। নিহতের কোন পরিচয় তাৎক্ষণিক নিশ্চিত করতে পারেনি পুলিশ। চরজব্বার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দেব প্রিয় দাশ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, পিয়াস কয়েক মাস আগে সৌদি আরব থেকে দেশে এসেছিল। আগামী কয়েকদিনের মধ্যে সৌদি যাওয়ার কথা ছিল তার। লিখিত অভিযোগ পেলে পুলিশ আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

  • বরগুনায় সুবর্নজয়ন্তী সম্মেলন কক্ষের উদ্বোধন

    বরগুনায় সুবর্নজয়ন্তী সম্মেলন কক্ষের উদ্বোধন

    মংচিন থান বরগুনা প্রতিনিধি।।
    বাকেরগঞ্জ থেকে বরগুনার জেলা সড়ককে করতে হবে আঞ্চলিক মহাসড়ক। প্রস্তাবনা পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় ও বিআরটিএ অফিসে পাঠানো হয়েছে। আঞ্চলিক মহাসড়ক হলে বরগুনাবাসীর যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নতি হবে। সেইসাথে মৎস্য সম্পদ ও পর্যটন সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে পারলে অর্থনৈতিকভাবে প্রবৃদ্ধি পারবে। বিদ্যুৎ ব্যবহারে সকলকে হতে হবে সাশ্রয়ী। খাদ্য সংকট যাতে না হয়, সেজন্য এক ইঞ্চি জমিও অনাবাদী রাখা যাবেনা। এ কথাগুলো বলেছেন, বরিশালের বিভাগীয় কমিশনার মো. আমিন উল আহসান। তিনি আজ প্রধান অতিথি হিসেবে বরগুনায় জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের তৃতীয় তলায় “সুবর্ণজয়ন্তী সম্মেলন কক্ষ” এর উদ্বোধন করেছেন। একই সাথে মতবিনিময় সভা, শুদ্ধাচার পুরস্কার প্রদান ও চিকিৎসা সহায়তা প্রদান করা হয়েছে।

    অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন, বরগুনার জেলা প্রশাসক হাবিবুর রহমান। আলোচনা করেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এসএম তারেক রহমান, সিভিল সার্জন ডা. মো. ফজলুল হক, পৌরসভার মেয়র অ্যাডভোকেট কামরুল আহসান মহারাজ, সদর উপজেলা চেয়ারম্যান মো. মনিরুল ইসলাম, বরগুনা সরকারি মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মো. আবদুস সালাম, সাবেক জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার আলহাজ¦ আবদুর রশিদ মিয়া, জেলা এনজিও ফোরামের সভাপতি আবদুল মোতালেব মৃধা, বরগুনা প্রেসক্লাবের সভাপতি অ্যাডভোকেট সঞ্জীব দাস ও সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট সোহেল হাফিজ। সুবর্ণজয়ন্তী সম্মেলন কক্ষে একত্রে ১২০ জনকে নিয়ে সভা করা যাবে। স্বচ্ছতার সাথে দায়িত্ব পালন করায়, বরগুনার অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট শুভ্রা দাস, বরগুনার সাবেক ইউএনও সামিয়া শারমিনসহ ৬ জনকে শুদ্ধাচার পুরস্কার প্রদান করা হয়েছে।

  • বরগুনায় চিকিৎসকের অবহেলায়  রাস্তায় সন্তান প্রসব করলেন মা

    বরগুনায় চিকিৎসকের অবহেলায় রাস্তায় সন্তান প্রসব করলেন মা

    মংচিন থান বরগুনা প্রতিনিধি।।
    বরগুনা সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা না পেয়ে শহরের বিভিন্ন প্রাইভেট ক্লিনিক ঘুরে শেষ পর্যন্ত রাস্তায় সন্তান প্রসব করেছেন এক নারী। মঙ্গলবার (২৬ জুলাই) দিবাগত রাত সোয়া ১২টার দিকে বরগুনা পৌর শহরের পশু হাসপাতাল সংলগ্ন সড়কে এ ঘটনা ঘটে।

    ওই প্রসূতি নারীর নাম রিমা বেগম (১৯)। তিনি বরগুনার রিকশাচালক মো. ইব্রাহীমের স্ত্রী। এ ঘটনায় নবজাতক আশঙ্কামুক্ত হলেও প্রসূতি নারীর অবস্থা সংকটাপন্ন। তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য রাতেই বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।

    জানা যায়, মঙ্গলবার সকালে বরগুনা সদর হাসপাতালে ভর্তি হয় প্রসূতি রীমা। ওই দিনই সন্ধ্যার পর তার প্রসববেদনা শুরু হয়। প্রসববেদনা নিয়ে রাত পর্যন্ত তিনি হাসপাতালে কাতরাচ্ছিলেন। কিছুক্ষণ পরে বরগুনা সদর হাসপাতালের দায়িত্বরত ডাক্তার-নার্সরা তাকে বরগুনা পৌরসভার বটতলা এলাকার আলরাজি প্রাইভেট ক্লিনিকে নিয়ে যেতে বলেন। তাৎক্ষণিক রীমাকে আল রাজি ক্লিনিকে নিয়ে যায় স্বজনরা।

    আলরাজি ক্লিনিকে ডাক্তার না থাকায় ক্লিনিক কর্তৃপক্ষ তাকে পশু হাসপাতাল সড়কে অবস্থিত শেফা ক্লিনিকে নিয়ে যেতে বলেন। কিন্তু শেফা ক্লিনিকেও ডাক্তার ছিলেন না। পরে স্থানীয় এক যুবলীগ নেতা আবু হানিফ দোলনের সহযোগিতায় রীমাকে অন্য আরেকটি ক্লিনিকে নিয়ে যাওয়ার জন্য রাস্তায় নামানো হয়। এই রাস্তায়ই একটি ফুটফুটে ছেলে সন্তান প্রসব করেন তিনি। পরে প্রসূতি ও নবজাতককে উদ্ধার করে শেফা ক্লিনিকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। তবে প্রসূতির অবস্থা সংকটাপন্ন হওয়ায় তাকে তাৎক্ষণিক বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।

    প্রত্যক্ষদর্শী যুবলীগ নেতা আবু হানিফ দোলন বলেন, রাত সাড়ে ১১টার দিকে আলরাজি ক্লিনিকের সামনে দিয়ে বাসায় যাচ্ছিলাম। এমন সময় ক্লিনিকের ভেতরে দুই নারীর আহাজারি দেখে তাদের কাছে গেলে পুরো বিষয়টি জানতে পারি। আমি ওই প্রসূতিকে শেফা ডায়াগনস্টিক সেন্টারে নিয়ে যাই। দুর্ভাগ্যবশত সেখানেও ডাক্তার ছিল না। পরে ডক্টরস কেয়ার নামে আরেকটি ক্লিনিকে ফোন করে জানতে পারি, সেখানে ডাক্তার আছে। তখন ওই নারীকে ডক্টর কেয়ার ক্লিনিকে নিয়ে যাওয়ার সময় পথেই বাচ্চা প্রসব করেন।

    রীমা বেগমের শাশুড়ি বলেন, রীমা প্রসব বেদনায় ছটফট করছিল, এমন সময় হাসপাতাল থেকে জানায়, ওর অবস্থা গুরুতর। হাসপাতালে তার চিকিৎসা হবে না। অন্য ক্লিনিকে নিয়ে যাওয়ার জন্য বলছে তারা। তাই রীমাকে নিয়ে আলরাজি ক্লিনিকে যাই। কিন্তু সেখানে ডাক্তার ছিল না। আমরা অসহায়ের মতো ছটফট করতে থাকি। এক দিকে আমরা গরিব, অপর দিকে রীমার অবস্থা খুবই খারাপ। শেফা হাসপাতালে গিয়েও ডাক্তার পাইনি। পরে অন্য একটি হাসপাতালে যাওয়ার পথে রাস্তায়ই রীমা বাচ্চা প্রসব করে।

    শেফা ডায়াগনস্টিক সেন্টার অ্যান্ড হাসপাতালের গাইনি বিশেষজ্ঞ ডা. জান্নাতুল আলম লিমা বলেন, আমি ডিউটি শেষে বাসায় গিয়েছিলাম। কিছুক্ষণ পর খবর পাই, পশু হাসপাতাল সড়কে এক নারী সন্তান প্রসব করেছেন। তাকে উদ্ধার করে আমাদের এখানে আনা হয়েছে। তখন আমি সঙ্গে সঙ্গে ছুটে এসে ওই নারীকে দেখি। তার প্রচুর রক্তক্ষরণ হওয়ায় অবস্থা গুরুতর, তাই তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার জন্য বলেছি। তবে নবজাতক সুস্থ আছে।

    কী কারণে রীমা বেগমকে হাসপাতালে চিকিৎসা না দিয়ে ক্লিনিকে পাঠানো হলো জানতে বরগুনা সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. সোহরাব উদ্দিন জানিয়েছেন, রাতে তিনি হাসপাতালে ছিলেননা। রোগীর স্বজনরা চিকিৎসকের সাথে কথা না বলেই একজন নার্সের পরামর্শে হাসপাতাল থেকে ক্লিনিকে নেবার কথা বলে রোগী নিয়ে চলে গেছে।

  • অপরাধমুক্ত সমাজ গড়তে বিট পুলিশিং কে সহযোগিতা করার আহবান  ওসি শাহ কামালের

    অপরাধমুক্ত সমাজ গড়তে বিট পুলিশিং কে সহযোগিতা করার আহবান ওসি শাহ কামালের

    আরিফ রববানী ময়মনসিংহ
    ময়মনসিংহের কোতোয়ালী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি শাহ কামাল আকন্দ বলেন, ময়মনসিংহ জেলা একটি শান্তি প্রিয় এলাকা। জেলার একটি মানুষও যেন পুলিশি সেবা হতে বঞ্চিত না হন সে দিকে লক্ষ রাখা এবং সন্ত্রাস ও মাদক বিরোধী সমাজ গড়তে ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশের পাশাপাশি সর্বসাধারণকে ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে হবে।

    বুধবার বিকালে ময়মনসিংহ নগরীর বাগমারা কমিউনিটি সেন্টারে কোতোয়ালি মডেল থানার আওতাধীন ১৭ নং বিট কর্তৃক আয়োজিত আইন-শৃঙ্খলা বিষয়ক মত বিনিময় সভায় এসব কথা বলেন। এসময় তিনি ছিনতাই,চুরি-ডাকাতি ও মাদক ব্যবসায়ী চক্রের বিরুদ্ধে কঠোর ভূমিকা রাখতে বিট কর্মকর্তাকে আহবান জানিয়ে মাদকসেবিদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য নির্দেশ প্রদান করেন।

    অনুষ্ঠানে ওসি শাহ কামাল আকন্দ উপস্থিত ব্যাক্তিবর্গ ও সংশ্লিষ্ট সকলের কাছে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে আরো বলেন, সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন বাস্তবায়ন করে যাচ্ছেন তারই সুযোগ্য কন্যা শেখ হাসিনা। তিনি দৃঢ় প্রত্যয়ে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন। বাংলাদেশকে সন্ত্রাসের জনপদ হিসেবে তৈরি করে ফেলা হয়েছিলো। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ডাকে সাড়া দিয়ে এদেশের মানুষ ও আইন শৃঙ্খলা বাহিনী সন্ত্রাস ও জঙ্গী দমন করেছে। সবাই ঐক্যবদ্ধ হয়ে আমরা যেভাবে জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাস দমন করেছি, একইভাবে খুন হত্যা,কিশোর গ্যাং ও মাদকের বিরুদ্ধেও সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে।ওসি বলেন মাদকের সরবরাহ, চাহিদা এবং এর ক্ষতি হ্রাস করার জন্য আমরা কাজ করছি। মাদক সামাজিক ব্যাধি। এটি নিজের জীবনের সঙ্গে সঙ্গে একটি পরিবার ও সমাজকে ধ্বংস করে দিতে পারে। দেশের উন্নয়ন অগ্রযাত্রা দুর্বার গতিতে চলছে। মাদক নিরোধ সম্ভব না হলে দেশের সেই উন্নয়ন যাত্রা থমকে যেতে পারে।মাদক নির্মূলেও সফল হতে হবে। সরকারের সদিচ্ছা রয়েছে, আমরা সফল হব। আমরা এ যুদ্ধে জয়ী হব। এ জন্য একযোগে কাজ করতে হবে। অন্যথায় নতুন প্রজন্ম পথ হারিয়ে ফেলবে।মাদক নির্মূলে কঠোর হয়ে কাজ করতে হবে সব এলাকার জনগণকেও। মাদকের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়তে জনপ্রতিনিধি, সমাজপতি সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে শপথ নিতে হবে। সিদ্ধান্ত নিতে হবে সমাজে যেন মাদক ও মাদক ব্যবসায়ী স্থান না পায়। এ দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করা সম্ভব হলে মাদক নিয়ন্ত্রণে আসবে বলেও মনে করেন তিনি। অনুষ্ঠানে স্থানীয় কাউন্সিলর,রাজনৈতিক, সামাজিক ও বিভিন্ন পেশাশ্রেণীর ব্যক্তিবর্গরা উপস্থিত ছিলেন।

  • সজীব ওয়াজেদ জয়ের সুস্থতা কামনায় যুবলীগের বৃক্ষরোপণ, দোয়া ও মিলাদ মাহফিল।

    সজীব ওয়াজেদ জয়ের সুস্থতা কামনায় যুবলীগের বৃক্ষরোপণ, দোয়া ও মিলাদ মাহফিল।

    আরিফ রববানী ময়মনসিংহ।।
    জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের দৌহিত্র, ডিজিটাল বাংলাদেশের রূপকার, বঙ্গবন্ধুকন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনার তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়-এর ৫২ তম জন্মদিন উপলক্ষে যুবলীগ চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস্ পরশ ও সাধারন সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিল এর নির্দেশে বিকাল ৪টায়,ময়মনসিংহ জেলা যুবলীগের বৃক্ষরোপণ, বাদ আছর দারুল ইমাম মাদ্রাসায় দোয়া মাহফিল ও খাদ্য বিতরণ করা হয়।

    বুধবার বিকালে ময়মনসিংহ জেলা_যুবলীগের উদ্যোগে জি,আর,পি জামে মসজিদে আয়োজিত দোয়া ও মিলাদ মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন জেলা যুবলীগ নেতৃবৃন্দ বলেন-জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের দৌহিত্র, সজীব ওয়াজেদ জয় সমৃদ্ধ আগামীর বাংলাদেশ। আগামীর আওয়ামী লীগের কর্ণধার। সজীব ওয়াজেদ জয় ডিজিটাল বাংলাদেশের রূপকার। তাঁর কারণেই বঙ্গবন্ধু-১ স্যাটেলাইট আজ মহাবিশ্বে। কিন্তু সুশীল সমাজের একশ্রেণীর কিছু লোক রয়েছেন যারা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের পাশে খুনী জিয়াউর রহমানকে বসাতে চায়, বিশ্বমানবতার মা বাংলাদেশের উন্নয়নের কবি রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনার পাশে মুর্খ খালেদা জিয়াকে এবং একজন সজ্জন শিক্ষিত মার্জিত সজীব ওয়াজেদ জয়ের পাশে কুলাঙ্গার, চোর তারেক জিয়াকে বসাতে চায় যা সত্যিই একটি হাস্যকর ব্যাপার। মনে রাখবেন বঙ্গবন্ধুর পরিবারের সাথে খুনি জিয়ার পরিবারের তুলনা হতে পারে না।

    তারা যুবলীগের নেতা-কর্মীদের উদ্দেশ্যে বলেন-আগামী নির্বাচনকে সামনে রেখে চলমান বিভিন্ন বিষয় নিয়ে নানামুখী ষড়যন্ত্র করছে বিএনপি-জামাত। তাদেরকে কঠোর হাতে প্রতিহত করতে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করতে হবে।

    পরে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর দৌহিত্র , কম্পিউটার বিজ্ঞানী সজীব ওয়াজেদ জয়ের আগামীর সফলতা কামনায় ও তাঁর পরিবারের সকলের জন্য দীর্ঘায়ু ও সুস্থতা কামনা করেন নেতৃবৃন্দ। অনুষ্ঠানে জেলা যুবলীগের যুগ্ম আহব্বায়ক শাহরিয়ার মো: রাহাত খান, শাহ শওকত ওসমান লিটন, এইচ এম ফারুক সহ জেলা ও মহানগর যুবলীগের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

  • ত্রিশালে স্বেচ্ছাসেবক লীগের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত

    ত্রিশালে স্বেচ্ছাসেবক লীগের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত

    আরিফ রববানী ময়মনসিংহ
    বাংলাদেশ আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবকলীগের গৌরবোজ্জ্বল – সংগ্রাম ও সাফল্যের ২৮তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী ও জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর দৌহিত্র সজীব ওয়াজেদ জয়ের ৫১তম জন্মদিন উপলক্ষে ময়মনসিংহের ত্রিশাল উপজেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের উদ্যোগে আলোচনা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১টায় উপজেলা আওয়ামী লীগের নিজস্ব কার্যালয়ে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে মাল্যদান ও দলীয় পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে দিনের কর্মসূচি শুরু করেন দলীয় নেতা-কর্মীরা। বিকাল সাড়ে ৪টায় আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। পরে জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর দৌহিত্র সজীব ওয়াজেদ জয়ের ৫১তম জন্মদিনে তার আগামীর সফলতা প্রত্যাশা করে ও জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান,স্বেচ্ছাসেবক লীগের প্রয়াত সাবেক সভাপতি বাবু নির্মল গুহসহ দলের প্রয়াত সকল নেতাকর্মীদের আত্মার মাগফেরাত কামনাসহ জাতির জনকের কন্যা মানবতার ফেরিওয়ালা উন্নয়নের ফেরিওয়ালা দেশরত্ন শেখ হাসিনার সুস্বাস্থ্য কামনা করে দোয়া শেষে, কেক কাটার মাধ্যমে স্বেচ্ছাসেবক লীগের গৌরবের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন করা হয়।

    উপজেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের সভাপতি ইব্রাহিম খলিল নয়নের সভাপতিত্বে দোয়া পুর্ববর্তী
    আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আবুল কালাম। প্রধান বক্তা হিসাবে গুরুত্বপুর্ণ বক্তব্য রাখেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন।

    উপজেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল মাকসুদ খান এর পরিচালনায় বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় আওয়ামী লীগ ও বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

    অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন-ত্রিশাল পৌর স্বেচ্ছাসেবকলীগের আহবায়ক এমদাদুল হক স্বপন,যুগ্ম আহবায়ক মানিক চন্দ্র রাজ বর,উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সদস্য ইলিয়াস হোসাইন,জহির শেখ মোস্তাফিজুর রহমান রাজন,শফিকুল ইসলাম শরীফ, ইমরান আল সাব্বির, রুবেল চৌধুরি সদস্য,আহমেদ ইমতিয়াজ বুলবুল, নোমান,ধানীখোলা ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক লীগের যুগ্ম সাধারন সম্পাদক সাদেক আলী, সাবেক সাধারন সম্পাদক রাজিব আহমেদ, সাদেক আলীসহ উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগ সহ বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

    আলোচনায় বক্তারা বলেন- অসহায়,গরীব দুঃখী মানুষের মুখে হাসি ফোটানোর জন্য জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান আজীবন লড়াই করেছেন। তিনি অন্যায়ের কাছে কখনোই মাথা নত করেননি। জেল-জুলুম এবং অত্যাচার সহ্য করে তিনি বাঙালির অধিকার প্রতিষ্ঠা করেছেন। তিনি এক যুগেরও বেশি সময় কারাগারে অন্তরীণ ছিলেন। তিনি সমগ্র বিশ্বের নিপীড়িত, শোষিত ও অধিকার বঞ্চিত মানুষের অনুপ্রেরণার এক অনিঃশেষ উৎস। বাংলাদেশ আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগ বঙ্গবন্ধুর আদর্শ বুকে লালন করে তারই সুযোগ্য কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার সাহসী নেতৃত্বে কাজ করে যাচ্ছে। বাংলাদেশ বিশ্বের কাছে এখন আর তলাবিহীন ঝুড়ি নয়, উন্নয়ন ও গণতন্ত্রের রোল মডেল।

    তারা আরও বলেন, জাতির পিতা আমাদের মাঝে নেই। কিন্তু রয়েছে তার আদর্শ তার কর্ম। আমরা তাঁর দেখানো পথ অনুসরণ করেই জাতির পিতার স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ে তুলবো ইনশাআল্লাহ।।

  • কুমিল্লায় জাতীয় ভোক্তা অধিকারের উদ্যাগে তদারকি অভিযান

    কুমিল্লায় জাতীয় ভোক্তা অধিকারের উদ্যাগে তদারকি অভিযান

    মোঃতরিকুল ইসলাম তরুন, কুমিল্লা থেকে,

    আজ ২৭ শে জুলাই বুধবার দুপুরে জাতীয় ভোক্তা অ‌ধিকার সংরক্ষণ অ‌ধিদপ্ত‌র, কু‌মিল্লা জেলা কার্যাল‌য়ের উ‌দ্যো‌গে কুমিল্লার আদর্শ সদর উপ‌জেলার পাচথুবী ইউনিয়নের শি‌বের বাজার এবং চাঁনপুর ব্রিজ এলাকায় বি‌শেষ তদার‌কি অ‌ভিযান প‌রিচালনা করা হয়। এ সময় দেখা যায়, উক্ত এলাকার আইস‌ক্রিম এবং আইস‌ক্রিমবার প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠা‌নে মানব স্বা‌স্থ্যের জন‌্য ক্ষ‌তিকারক রং, স‌্যাক‌রিন ও ঘন‌চি‌নির ব‌্যবহার, অস্বাস্থ‌্যকর প‌রি‌বে‌শে প্রস্তুত এবং ঢাকার নামি-দা‌মি ব্রা‌ন্ডের নাম নকল ক‌রে মোড়কীকরণ করা হ‌চ্ছে। এ সকল অ‌ভি‌যো‌গে শি‌বের বাজার এলাকার মেসার্স প্রিয় আইসবারকে ৫০ হাজার টাকা জ‌রিমানা এবং ২ মণ আইস‌ক্রিম, ৫ প‌্যা‌কেট বি‌ভিন্ন কালা‌রের রং, এক কৌটা স‌্যাকা‌রিন এবং এক কৌটা ঘন‌চি‌নি জব্দ ক‌রে ধ্বংস করা হয়। একই অ‌ভি‌যো‌গে চাঁনপুর ব্রিজ এলাকার মেসার্স কমলা আইস‌ক্রিম ফ‌্যাক্ট‌রি‌কে ২৫ হাজার টাকা জ‌রিমানা ১ রিল নকল আইসবা‌রের মোড়ক, অনু‌মোদনহীন ৩ কৌটা ফ্লেবার এবং ২ প‌্যা‌কেট রং জব্দ ক‌রে ধ্বংস করা হয় এবং প্রতিষ্ঠান‌টি তালাবদ্ধ ক‌রে বন্ধ ক‌রে দেওয়া হয়। বেলা ১১টা থে‌কে ২টা পর্যন্ত সহকারী প‌রিচালক মো: আছাদুল ইসলামের নেতৃ‌ত্বে প‌রিচা‌লিত এ অ‌ভিযা‌নে নিরাপদ খাদ‌্য প‌রিদর্শক এ‌কে আজাদ এবং জেলা পু‌লি‌শের এক‌টি টিম উপ‌স্থিত থে‌কে সা‌র্বিক সহ‌যো‌গিতা ক‌রেন। জনস্বা‌র্থে এ কার্যক্রম অব‌্যাহত থাক‌বে বলে জেলা খাদ্য পরিদর্শক আসাদুল ইসলাম জানান।

  • দেশে অহরহ সাংবাদিক নির্যাতনের ঘটনা ঘটছেই :পাবনায় বিএমএসএফ নেতৃবৃন্দ

    দেশে অহরহ সাংবাদিক নির্যাতনের ঘটনা ঘটছেই :পাবনায় বিএমএসএফ নেতৃবৃন্দ

    মোঃ শহিদুল ইসলাম
    সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টারঃ

    দেশে অহরহ সাংবাদিক নির্যাতন ঘটনা ঘটছেই। সাংবাদিক সুরক্ষা আইন না থাকায় এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরামের ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান আহমেদ আবু জাফর। তিনি সরকারকে সাংবাদিক সুরক্ষা আইন প্রণয়ণসহ ১৪ দফা দাবি বাস্তবায়নে সরকারকে দ্রুত ব্যবস্থা নেয়ার আহবান জানান।

    তিনি পাবনায় বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরামের ১০ম বর্ষ পূর্তি উদযাপন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে একথা বলেছেন। বুধবার বেলা ১২টায় ড্রীম প্যালেস কনফারেন্স হলে আলোচনা সভা, বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা, কেক কাটা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

    অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত অতিথির বক্তব্য রাখেন পাবনা সদর উপজেলা চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মোশারফ হোসেন।

    বিএমএসএফ পাবনা জেলা শাখার সভাপতি আলহাজ্ব ডা. আব্দুস সালামের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরাম (বিএমএসএফ) প্রতিষ্ঠাতা ও ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান আহমদ আবু জাফর।

    বিশেষ অতিথি ছিলেন কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সভাপতি সোহেল আহমেদ সোহেল, সাধারণ সম্পাদক শিবলী সাদিক সহ-সভাপতি সাইদুর রহমান বাবুল।

    অতিথি ছিলেন সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ফয়সাল আজম অপু, পাবনা সংবাদপত্র পরিষদের সভাপতি আব্দুল মতিন খান, রানা গ্রুপের চেয়ারম্যান রুহুল আমিন বিশ্বাস রানা, এমএস ফুড বেভারেজের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাহবুবুল আলম ফারুক।

    এছাড়াও বক্তব্য রাখেন পাবনা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাধারণ সম্পাদক কাজী মাহবুব মোর্শেদ বাবলা, পাবনা সংবাদপত্র মালিক গ্রুপের সাধারণ সম্পাদক সোহেল রানা বিপ্লব, দৈনিক বিপ্লবী সময়ের নির্বাহী সম্পাদক এম.এ. সালাম, সাপ্তাহিক বাঁশপত্রের বার্তা সম্পাদক আলমগীর কবির হৃদয়, সাংগঠনিক সম্পাদক জে.কে. প্রিন্স প্রমূখ।

    এসময় অনন্য সমাজ কল্যাণ সংস্থার নির্বাহী পরিচালক, নারী উদ্যোক্তা বর্ণা বিশ্বাস, বাসস ও ভোরের কাগজের পাবনা প্রতিনিধি রফিকুল ইসলাম সুইট, আইএনএস এর সম্পাদক হাসান আলী, সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের সাধারণ সম্পাদক দেওয়ান মাযহার মুন্নু, এশিয়ান টিভির পাবনা প্রতিনিধি আর কে আকাশ, মোহনা টিভির পাবনা জেলা প্রতিনিধি হুজ্জাতুল হীরা, দৈনিক পাবনার আলোর সহ-বার্তা সম্পাদক হুমায়ন কবির, বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরাম পাবনা জেলা শাখার আইন উপদেষ্টা মীর ফজলুল করিম বাচ্চু, ইউএনএস পাবনার বার্তা সম্পাদক এস.এ. পারভেজ, নির্বাহী সদস্য আব্দুস সাত্তার শিপলু, রেহেনা পারভীন, শারাফা বিনতে শরীফ নাবা, জান্নাতুল ফেরদৌস অনি, সোহেল রানা, মুনিম শাহরিয়ার কাব্য, মিডিয়া অ্যাসোসিয়েশন পাবনার সভাপতি সুমন আলী, সিএনএফ টিভির প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান খালেদ আহমেদ, দৈনিক বসুন্ধরার পাবনা শিশির ইসলাম, রাজিব জোয়াদ্দার, আরিফ হাসান জয়, ইমতিয়াজ ভুঁইয়া, আমান উল্লাহ আমানসহ পাবনায় বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় কর্মরত সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সংগঠনের দপ্তর সম্পাদক এসএম আদনান উদ্দিন।

  • জয়পুরহাটের পাঁচবিবি ও ক্ষেতলাল দুই পৌরসভায় নৌকার জয়

    জয়পুরহাটের পাঁচবিবি ও ক্ষেতলাল দুই পৌরসভায় নৌকার জয়

    স্টাফ রিপোর্টারঃ- নিরেন দাস

    জয়পুরহাটের পাঁচবিবি ও ক্ষেতলাল দুই পৌরসভার শান্তিপুর্ন ভাবে ভোট গ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে। এই প্রথম ইভিএম ভোটিং মেশিনে সকাল ৮ থেকে বৈকাল ৪ টা পর্যন্ত ভোট গ্রহন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    পাঁচবিবি পৌরসভা নির্বাচনে উপজেলা আওয়ামীলীগের সিনিয়র সহ সভাপতি (নৌকা মার্কা ) প্রার্থী হাবিবুর রহমান হাবিব ৭৯৫৪ পেয়ে পুনরায় বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদন্দ্রী সাদেকুর নাহার শিখা ৫ হাজার ৪ শত ৫০ ভোট পেয়ে পরাজিত হয়েছেন ।

    মোট মেয়র পদে ৬ জন প্রতিদন্দ্রীতা করেছেন। ৪৯ জন সাধারণ কাউন্সিলর ও ১৭জন সংরক্ষিত মহিলা কাউন্সিলর প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন পাঁচবিবি পৌরসভায় প্রতিদন্দ্রীতা করেছেন।

    অন্যদিকে ক্ষেতলাল পৌরসভায়ও শান্তিপুর্ন ভোট গ্রহন সম্পন্ন হয়েছে । এই পৌরসভায় ক্ষেতলাল উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক (নৌকা মার্কা) সিরাজুল ইসলাম সরদার মেয়র পদে ও ২ জন কাউন্সিলর প্রার্থীর কোন প্রতিদন্দ্রী প্রার্থী না থাকায় আগেই বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। বুধবার ২৭ জুলাই শুধু ১০ জন কাউন্সিললের ভোট গ্রহন সম্পন্ন হয়েছে।

    বুধবার রাতে জয়পুরহাট জেলা নির্বাচন অফিসার আমিনুর ইসলাম মিয়া সাংবাদিকদের এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

    নিরেন দাস,জয়পুুরহাট।।

  • গোদাগাড়ীতে বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মালেকের  ইন্তেকাল

    গোদাগাড়ীতে বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মালেকের ইন্তেকাল

    নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহী।। রাজশাহীর গোদাগাড়ী কাঁকনহাট পৌরসভার দরগা মহল্লার বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মালেকের ( ৭৫) গত মঙ্গবার বিকাল ৫ টা ৪৫ মিনিটের সময় নিজ বাসভবনে ইন্তেকাল গেছেন। ( ইন্নালিল্লাহে ওয়া ইন্না ইলাহি রাজিউন ) তার পিতার নাম রজুতুল্লা মন্ডল।

    মৃত্যুকালে তিনি ৪ ছেলে, ২ মেয়েসহ অসংখ্য আত্নীয়স্বজন রেখে গেছেন। আজ সকাল ১০ টার সময় কাঁকনহাট উচ্চ বিদ্যালয়ে মাঠে নামাজের জানাজা ও দরগা কবরস্থানে রাষ্টীয় মর্যদায় দাফন করা হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন, গোদাগাড়ী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ জানে আলম, কাঁকনহাট পৌনরসভার মেয়র একে আতাউর রহমান খান, সাবেক মেয়র আব্দুল মজিদ মাষ্টার, কাঁকন পুলিশ ফাঁড়ী ইনচার্জ কবির হোসেন, সাবেক মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার অশোক কুমার চৌধুরী প্রমূখ।

    মোঃ হায়দার আলী
    রাজশাহী।