Author: desk

  • আশুলিয়া সাংবাদিক সমন্বয় ক্লাবের উদ্যোগে দৈনিক দিন প্রতিদিন পত্রিকার ৮ম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত

    আশুলিয়া সাংবাদিক সমন্বয় ক্লাবের উদ্যোগে দৈনিক দিন প্রতিদিন পত্রিকার ৮ম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত

    হেলাল শেখ।।
    বিশেষ প্রতিনিধিঃ ঢাকার আশুলিয়ায় “আশুলিয়া সাংবাদিক সমন্বয় ক্লাবের উদ্যোগে জাতীয় পত্রিকা দৈনিক দিন প্রতিদিন এর ৮ম তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালন করেন পত্রিকাটির স্টাফ রিপোর্টার শেখ ফরিদ আহম্মেদ চিশতী’র ব্যবস্থাপনায়।
    শুক্রবার (২৯ জুলাই ২০২২ইং) রাত ৮টায় আশুলিয়ার নরসিংহপুরে আশুলিয়া সাংবাদিক সমন্বয় ক্লাবে দৈনিক দিন প্রতিদিন পত্রিকার ৮ম তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে আলোচনা সভা ও দোয়া এবং কেক কাটার মধ্যদিয়ে একটি অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন আশুলিয়া সাংবাদিক সমন্বয় ক্লাবের সভাপতি মোঃ সাইফুল ইসলাম জয় (হেলাল শেখ) প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, ঢাকা প্রেসক্লাবের সভাপতি আওরঙ্গজেব কামাল, প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আশুলিয়া সাংবাদিক সমন্বয় ক্লাবের উপদেষ্ঠা ও সাভার উপজেলা আওয়ামী লীগের সাস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক হাজী জমত আলী দেওয়ান, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট সমাজ সেবক আব্দুল মান্নান ভুঁইয়া।
    আরও উপস্থিত ছিলেন আশুলিয়া সাংবাদিক সমন্বয় ক্লাবের ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক কহিরুল ইসলাম খাইরুল, যুগ্ন-সাধারণ সম্পাদক নাজমুল হক ইমু, সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ শহিদুল ইসলাম, আলতাব হোসেন, হাজী সেলিম মন্ডল, কে এম মোহাম্মদ হোসেন রিজভী, শামীম আহমেদ, আমিনুল, নাজমুল ইসলাম, রাকিবুল ইসলাম সোহাগ, সোহেল রানা, মুনসুর আলী, জনিউর রহমান, ইকবাল মিয়া, সেলিম মিয়া, মোঃ দাউদুল ইসলাম নয়ন, মোকাম্মেল মোল্লা সাগর, সবুজ খান, মোছাঃ শিরিনা আক্তার, গোলাপী আক্তার তিশাসহ বিভিন্ন মিডিয়ার সংবাদকর্মী ও সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ।
    উক্ত অনুষ্ঠান স ালনা করেন দৈনিক দিন প্রতিদিন পত্রিকার স্টাফ রিপোর্টার ও আশুলিয়া সাংবাদিক সমন্বয় ক্লাবের সিনিয়র সহ-সভাপতি ও ঢাকা প্রেসক্লাবের সদস্য সচিব শেখ ফরিদ আহম্মেদ চিশতি। উপস্থিত অতিথিবৃন্দরা দৈনিক দিন প্রতিদিন পত্রিকার সাফল্য কামনা করেন এবং পত্রিকার প্রকাশক ও সম্পাদককে ধন্যবাদ জানান। এ অনুষ্ঠানে প্রতিষ্ঠানটির সর্বদিক সাফল্য কামনায় বিশেষ দোয়া করা হয়।

  • ঢাকা  মহানগর সর্বজনীন কেন্দ্রীয় মন্দির   কমিটিতে  সভাপতি ডা: বিপ্লব বিজয়ী হালদার ও সাধারণ সম্পাদক শ্রী চন্দ্রন  কুমার দাস

    ঢাকা মহানগর সর্বজনীন কেন্দ্রীয় মন্দির কমিটিতে সভাপতি ডা: বিপ্লব বিজয়ী হালদার ও সাধারণ সম্পাদক শ্রী চন্দ্রন কুমার দাস

    সুমন খান:

    জল্পনা কল্পনা অবসান ঘটিয়ে অবশেষে ঢাকা মহানগর সর্বজনীন পূজা কমিটি ও কেন্দ্রীয় মন্দির উত্তর মিরপুর ১৪ এর সংলগ্নে শ্রী শ্রী দূর্গা মন্দির ও সেবাশ্রম ঢাকেশ্বরী জাতীর মন্দির সংলগ্নে মন্দির পূজা কমিটি গঠনের গত ২৯ জুলাই শুক্রবার ২০২২ইং সন্ধ্যা ৬.৩০ মিনিটে কমিটি গঠন করেন সভাপতি হন ডা: বিপ্লব বিজয়ী হালদার সাধারণ সম্পাদক শ্রী চন্দন কুমার দাস।

    সর্বজনীন পূজা কমিটির ধর্মকে পুঁজি করে, বিশৃঙ্খলা সৃষ্টিকরে আসছিল কিছুদিন যাবত , কমিটির মেয়াদ দুই বছর থাকা সত্ত্বেও তারা আবার কমিটি নিয়ে পাঁয়তারা সৃষ্টি করার কারণে ধর্মপ্রাণ মানুষ উত্তেজিত টানটান হাতাহাত এক পর্যায় চলে যান । অবশেষে কাফরুল থানার নেতৃত্বে এসে সহযোগী সমঝোতায় বসেন এক পর্যায় মন্দির কমিটি ছিল কিছু যাবত ধরে কমিটি নিয়ে পায়তারার সৃষ্টি বিরাজ করছিল। তাই সে ধারাবাহিকত এসে নতুনভাবে কমিটি গঠন করেন।

    কাফরুল থানার সর্বজনীন শ্রী শ্রী দুর্গা মন্দির ও সেবাশ্রম , বর্তমানে কেন্দ্রীয় মন্দির ঢাকা মহানগর উত্তর নামকরণের মাধ্যমে পরিচালিত মন্দিরের কার্যনির্বাহী পরিষদ পূর্ণাঙ্গ গঠন করা হয়।
    মহানগর সর্বজনীন পূজা কমিটি শ্রী শ্রী ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দির, চকবাজার ঢাকা কর্তৃক ইস্যুকৃত উপরোক্ত বিষয় গত ৮ জুলাই ২০২২ তারিখে চিঠি উল্লেখিত সিদ্ধান্তের মধ্যে দিয়ে , এর আলোকে নির্ধারিত সময় দায়িত্বপ্রাপ্ত চারজনকে প্রতিনিধি হিসেবে কর্তৃক মন্দির পরিচালনা কমিটি গঠনের ব্যর্থ হলে পরবর্তীতে দুইজনের স্বাক্ষর সম্বলিত একটি ‌ প্রস্তাবিত কমিটি গত ২১ জুলাই ২০২২ তারিখে মহানগর সর্বজনীন পূজা কমিটি দপ্তরে জমা দেওয়া হয়। উক্ত প্রস্তাবিত কমিটির পরিক্ষিতের মন্দির পরিচালনা কমিটি ধারাবাহিকতা। রাখার লক্ষ্যে এবং ২০১৬ সালে ৯ সেপ্টেম্বর সর্বজনীন ও শ্রী শ্রী দুর্গা মন্দির ও সেবাশ্রম কমিটি কর্তৃক গৃহীত গঠনতন্ত্রে আলোকের কাফরুল থানার অবস্থিত,, সর্বজনীয় শ্রী শ্রী দূর্গা মন্দির ও সেবাশ্রম বর্তমানে কেন্দ্রীয় মন্দির। তাই ঢাকা মহানগর উত্তর এর গণ তন্ত্রের ১২ এই অনুচ্ছেদ অনুযায়ী ডক্টর বিপ্লব বিজয়ী হালদার কে সভাপতি দায়িত্ব দেওয়া হয়, সাধারণ সম্পাদক দায়িত্ব পালন করবেন শ্রী চন্দন কুমার দাস। উল্লেখিত ৫১ এর সদস্য বিশিষ্ট একটি পূর্ণাঙ্গ কার্যনির্বাহী পরিষদ মহানগর সর্বজনীন পূজা কমিটি, শ্রী শ্রী ডাকেশ্বরী জাতীয় মন্দির চকবাজার ঢাকা কর্তৃক গৃহীত হয়। যার প্রেক্ষিতে মন্দির কমিটিতে বিরাজমান অচলাবস্থার জল্পনা কল্পনা অবসরের মাধ্যমে সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে পরিচালিত হবে বলে আশাবাদী।
    কার্যনির্বাহী পরিষদ সদস্যবৃন্দ, সভাপতি ডা: বিপ্লব বিজয়ী হালদার, সহ-সভাপতি শ্রী অজিত চন্দ্র দেব, সহ-সভাপতি শ্রী তপেন্দ নারায়ণ হোর, সহ-সভাপতি শ্রী সমীর দাস, সহ-সভাপতি শ্রীমতি নিবেদিতা হালদার, সাধারণ সম্পাদক শ্রী চন্দন কুমার দাস, যুগ্ন সম্পাদক শ্রী কমল কৃষ্ণ বেপারী, যুগ্ন সম্পাদক শ্রী লিয়ন সরকার, যুগ্ম সম্পাদক শ্রী সুকুমার সাহা, যুগ্ম সম্পাদক শ্রী মনোজ মিত্র, কোষাধক্ষ শ্রী সমীর বরণ মজুমদার, সহ কোষাধ্যক্ষ শ্রী নিরঞ্জন সাহা, সহ কোষাধ্যক্ষ শ্রী শচীন্দ্র নাথ রায় , সাংগঠনিক সম্পাদক শ্রী সুমন সাহা, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক শ্রীমতি শিখা রানী বিশ্বাস, সহসাংগঠনিক সম্পাদক শ্রী সঞ্জয় সাহা , দপ্তর সম্পাদক শ্রীবাদল সরকার, সহ দপ্তর সম্পাদক শ্রী নিরঞ্জন মজুমদার , সহ দপ্তর সম্পাদক শ্রী বিপ্লব সরকার, প্রচার সম্পাদক শ্রী মনোজ সরকার, সহ প্রচার সম্পাদক শ্রী লিটন দাস, সহপ্রচার সম্পাদক শ্রী খোকন সাহা, প্রকাশনা সম্পাদক শ্রী তপন কুমার দে, সহ প্রকাশনা সম্পাদক শ্রী বিজন কুমার সরকার মন্টু, সহ উপাশনা সম্পাদক শ্রী দিলীপ সূত্রধর , সাংস্কৃতিক সম্পাদক শ্রী হরিপদ দাস দোলন, সহ সাংস্কৃতিক সম্পাদক শ্রী কানাইলাল ভদ্র, সহ সাংস্কৃতিক সম্পাদক শ্রী সুশীল শিকদার , পূজা সম্পাদক শ্রী অসীম নন্দী, সহ পূজা সম্পাদক শ্রী সুবল সাহা, সহ পূজার সম্পাদক শ্রী নিখিল শীল , মহিলা সম্পাদক শ্রীমতি জয়ন্তী রানী বর্মন, সহ মহিলা সম্পাদক শ্রীমতি রত্না রায়, চিকিৎসা ও স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডক্টর নরোত্তম দেবনাথ, সহ চিকিৎসা ও স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক শ্রী দেবব্রত চক্রবর্তী, ধর্মীয় শিক্ষা ও পাঠাগার সম্পাদক শ্রী প্রফুল্ল কুমার রায়, সহ ধর্মীয় শিক্ষা ও পাঠাগার সম্পাদক শ্রী দীপন বণিক আকাশ, আপ্যায়ন সম্পাদক শ্রী প্রাণ কৃষ্ণ পাল, সহ আপ্যায়ন সম্পাদক শ্রী চিত্র রঞ্জন শীল, সহ আপ্যায়ন সম্পাদক শ্রী দুলাল চন্দ্রশীল, সাজসজ্জা সম্পাদক শ্রী সুকদেব বড়াল, সহ সজ্জা সম্পাদক শ্রী প্রণব চন্দ্র দাস ।

    ঢাকা মহানগর সর্বজনীন পূজা কমিটির সদস্যগন ,

    শ্রী নিথীশ কুমার সাহা , শ্রী শিব শংকর সাহা , শ্রী উদয় চৌধুরী , বীর মুক্তিযোদ্ধা বিনয় তালুকদার , অকৌশলী নিরঞ্জন দেবনাথ , শ্রী আনন্দ মোহন সাহা , শ্রী বিজয় চক্রবর্তী, শ্রীমতি মিনু রানী সাহা, শ্রী সজল বরন দেওয়ানজী প্রমূখ্য।

    সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে সনাতম ধর্মের যেকোনো পূজার ক্ষেত্রে সব থেকে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে সংস্কৃত মন্ত্রগুলি পাঠ করে তাদেরকে বরণ করে নেন। পূজার মন্ত্র গুলি সাধারণত শ্রী শ্রী চণ্ডি থেকে পাঠ করা হয়। ঢাক-ঢোল, খোল করতাল, সুগন্ধী আগর বাতি তার সাথে এই সংস্কৃত মন্ত্রগুলি এক পবিত্র পরিবেশের জন্ম দেয়। সবাই উল্লাসের মেতে উঠেন পুষ্পাঞ্জলি দেয়ার মন্ত্র তাদের ধর্মীয় কে পরিপূর্ণ ভাবে পালন করেন।

  • বিএনপি আগুন সন্ত্রাসী হিসেবে বিশ্বে পরিচিত -পানি সম্পদ উপমন্ত্রী

    বিএনপি আগুন সন্ত্রাসী হিসেবে বিশ্বে পরিচিত -পানি সম্পদ উপমন্ত্রী

    সিংড়া (নাটোর) প্রতিনিধি
    বাংলাদেশ সরকারের পানি সম্পদ উপ-মন্ত্রী এ কে এম এনামুল হক শামীম বলেছেন, বিএনপি আগুন সন্ত্রাসী হিসেবে বিশ্বে পরিচিত। ২০১৪ সালে বোমা মেরেছিল, গাড়িতে আগুন দিয়েছিল বিএনপি। ২০১৮ সালে মনোনয়ন বাণিজ্য করেছে। কোটি কোটি টাকা নিয়ে সকালে একজনকে আবার বিকেলে অন্যজনকে মনোনয়ন দিয়েছে তারেক জিয়া।

    শনিবার (৩০ জুলাই) দুপুরে নাটোরের সিংড়া শহর রক্ষা বাঁধ, রবীন্দ্র সরোবর, নজরুল সরোবর ও জীবনানন্দ সরোবর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব বলেন তিনি।

    খালেদা জিয়াকে উদ্দেশ্য করে এনামুল হক শামীম বলেন, মা হিসেবে আপনি কলঙ্কিত, আপনার ছেলে তারেক জিয়া দুর্নীতিতে অনার্স আর মানি লন্ডারিংতে মাস্টার্স করেছে। নায়ক আর খলনায়ক কখনো এক হতে পারেনা। ইতিহাসে সিরাজ উদÑদৌলা সিরাজ উদ-দৌলাই থাকে, মীরজাফর মীরজাফরই থাকে।

    মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে উদ্দেশ্য করে প্রধান অতিথি বলেন, আপনারা ক্ষমতায় থাকাকালীন দুর্নীতিতে ৫ বার চ্যাম্পিয়ন হয়েছিলেন, আপনার নেত্রী খালেদা জিয়া এতিমের টাকা চুরি করে জেলখানায় থাকার কথা ছিল। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দয়ায় এখন বাড়িতে বসবাস করছেন।
    আমরা যখন বিরোধীদলে ছিলাম বিএনপির শাসনামলে পুলিশি নির্যাতনে বাড়িতে থাকতে পারিনি। অন্যের বাড়িতে থেকেছি। তখন ছিল পুলিশি রাষ্ট্র।

    বিএনপিকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, বর্তমান সরকারের অধীনেই আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। আপনারা নির্বাচনে আসেন।

    এনামুল হক শামীম আরও বলেন, শেখ হাসিনা মানে উন্নয়ন, শেখ হাসিনা মানে অগ্রগতি। আগে আমরা বলতাম শেখ হাসিনা আ’লীগের জন্য অপরিহার্য। এখন সবাই বলে শেখ হাসিনা বাংলাদেশের জন্য অপরিহার্য। শেখ হাসিনা নারীদের জন্য এক অগ্রগতির নাম, শেখ হাসিনা অসংখ্য ভুমিহীনকে ঘর করে দিয়েছেন। দূর্যোগ মোকাবিলায় শেখ হাসিনা বিশ্বের শিক্ষক হিসেবে ভূমিকা পালন করছেন। পদ্মা সেতু হচ্ছে সক্ষমতার প্রতীক, বঙ্গবন্ধু বলেছিলেন বাংলাদেশকে কেউ দাবায়ে রাখতে পারবেনা। আজ সত্যিই তাই হয়েছে। পদ্মা সেতু হয়েছে, আগামীতে মেঘনা সেতু হবে।

    সভাপতির বক্তব্যে তথ্য যোগাযোগ ও প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী এড. জুনাইদ আহমেদ পলক বলেছেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্ম না হলে আমরা বাংলা ভাষায় কথা বলতে পারতাম না। ২ লাখ মা-বোনের সম্ভ্রম ও ৩০ লাখ শহীদদের আত্বত্যাগের বিনিময়ে আজ আমরা বাঙ্গালী। দীর্ঘ ৩৮ বছর চলনবিল ছিল সন্ত্রাসীদের কবলে। না ছিল রাস্তা, না ছিল বিদ্যুৎ। নির্বাচন আসলে অতিথি পাখির মত সবাই এসে নির্বাচিত হয়ে জনগণের সাথে প্রতারণা করেছে। ১৯৭২ সালের পর কখনো বিএনপি, কখনো জাতীয় পার্টি, কখনো জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীরা সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। তারা অপপ্রচার করতো, নৌকায় ভোট দিলে দেশ ভারত হয়ে যাবে, মসজিদ থাকবে না, বাবা-ভাইদের মাথায় টুপি থাকবে না। মায়েদের মাথায় সিঁদুর থাকবে। এসব কথা বলে আমাদেরকে উন্নয়ন বি ত করেছে। চলনবিল আজ শতভাগ বিদ্যুতায়িত এলাকা। ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ, সুলভ মূল্যে ইন্টারনেট সেবা মিলছে। সবই সম্ভব হয়েছে জননেত্রী শেখ হাসিনার তথ্য উপদেষ্টা, ডিজিটাল বাংলাদেশের আর্কিটেক্ট সজিব ইসলাম জয়ের কারণে। নতুন রুপে ২ কিলোমিটার শহর রক্ষা বাঁধ নির্মাণ হলে সিংড়া পৌরসভা হবে সুরক্ষিত শহর।

    অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড রাজশাহী উত্তর-পশ্চিমা লের প্রধান প্রকৌশলী মো. জহিরুল ইসলাম, তত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মো. শফিকুল ইসলাম, সিংড়া উপজেলা আ’লীগের সভাপতি মো. ওহিদুর রহমান শেখ, সিংড়া পৌরসভার মেয়র মো. জান্নাতুল ফেরদৌস, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এম এম সামিরুল ইসলাম, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান কামরুল হাসান কামরান, সহকারি পুলিশ সুপার (সিংড়া সার্কেল) মো. জামিল আকতার, সহকারি কমিশনার (ভূমি) মো. আল ইমরান, সিংড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নূর-এ-আলম সিদ্দিকী প্রমুখ।

    মো. এমরান আলী রানা
    সিংড়া (নাটোর) প্রতিনিধি।।

  • মহেশপুরে জমা-জমি সংক্রান্ত বিরোধ নিয়ে ভাই ভাই দন্ধ একে অপরের নামে মামলা, চলছে হত্যার হুমকি

    মহেশপুরে জমা-জমি সংক্রান্ত বিরোধ নিয়ে ভাই ভাই দন্ধ একে অপরের নামে মামলা, চলছে হত্যার হুমকি

    শহিদুল্লাহ ইসলাম,
    মহেশপুর প্রতিনিধিঃ-
    ঝিনাইদহের মহেশপুরে পিতার রেখে যাওয়া সম্পত্তি ভাগ বাটোয়ারাকে কেন্দ্র করে ভাই ভাইদের মধ্যে একে অপরের নামে মামলা সহ চলছে হত্যার হুমকি।
    জানা গেছে উপজেলার ফতেপুর ইউপির কানাইডাঙ্গা গ্রামে মৃত ইউছুপ মন্ডলের রেখে যাওয়া জমি-জমা সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে তার ৫ ছেলেদের মধ্যে চলছে একে অপরের নামে মামলা ও হত্যার হুমকী।
    এব্যাপারে উপজেলার ফতেপুর ইউপির কানাইডাঙ্গা গ্রামের মৃত ইউছুপ মন্ডলের ৫নং পুত্র আব্দুস সামাদ মন্ডল জানান,পিতার রেখে যাওয়া সম্পত্তি ওয়ারিশ ও ক্রয় সুত্রে প্রাপ্ত হয়ে ভাগ বন্ঠন মোতাবেগ চাষ আবাদ করে আসছি। ইতি মধ্যে আমার ভাইয়েরা নিয়মনিতি না মেনে আমার ভাগের ও মৃত বড় ভাইয়ের ওয়ারিশের নিকট থেকে ক্রয়কৃত সম্পত্তি আমাকে বুঝিয়া না দিয়ে ৪ ভাই মিলে আমার ভাগের ও ক্রয়কৃত জমি জোর পুর্বক দখল করে রেখেছে। জমি দখল করতে গেলেই হত্যার হুমকী দিচ্ছে আমার আপন ভাইয়েরা। বিষয়টি নিস্পত্তির জন্য প্রথমে ইউনিয়ন পরিষদ ও পরে থানায় অভিযোগ করি। সেখানে কোন নিস্পত্তি না হওয়ায় পরবর্তিতে ঝিনাইদহ আদালতে মামলা দায়ের করি। যাহা আদালতে চলমান রয়েছে। এছাড়া আমার ভাই লিটন একজন তালিকা ভুক্ত সন্ত্রাসী সে আমার সহ আমার দুই পুত্রকে দফায় দফায় মেরে ফেলার হুমকী দিয়ে বেড়াচ্ছে। যার একাধিক প্রমান রয়েছে।
    এসক্রান্ত বিষয়ে স্থানীয় গন্যমান্য আত্মীয় স্বজন দ্বারা তাদেরকে কিছু বলতে গেলেই তারা আমাকে জীবন নাশের হুমকী দেওয়া সহ প্রকাশ্যে হত্যার হুমকী দিচ্ছে। এ ঘটনায় পর থেকে আমি আমার পরিবারকে নিয়ে চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। গ্রামবাসি লিটনের ভয়ে কেউ মুখ খুলতে সাহস পাচ্ছে না। অপর দিকে সেজো ভাই জামির মন্ডল জানান আমরা তার ভাগের জমি বুঝিয়া দিয়েছি, সে হয়রানী মুলক আমাদের ৪ ভাইয়ের নামে মামলা করছে। এবিষয়ে প্রশাসনের উর্ধতন কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করা যাচ্ছে।

  • ঝিনাইদহে বিদেশী পিস্তল ও গুলিসহ  র‌্যাবের হাতে দুই যুবক আটক

    ঝিনাইদহে বিদেশী পিস্তল ও গুলিসহ র‌্যাবের হাতে দুই যুবক আটক

    ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ
    ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার জাগুশা এলাকা থেকে বিদেশী পিস্তল ও ফেন্সিডিলসহ ২ জনকে আটক করেছে র‌্যাব-৬। শুক্রবার রাতে জাগুশা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে থেকে তদের আটক করা হয়। আটককৃতরা হলো-যশোর কোতয়ালী থানার রামনগর গ্রামের মহাম্মদ আলীর ছেলে ফরহাদ হোসেন (৩৩) ও বাঘারপাড়া উপজেলার বেতলাপাড়া গ্রামের শওকত আলীর ছেলে মিলন হোসেন (৩৮)। র‌্যাব-৬, সিপিসি-২ ঝিনাইদহ ক্যাম্পের কোম্পানী কমান্ডার মেজর মোঃ শরিফুল আহসান শনিবার জানান, যশোর থেকে মোটর সাইকেল যোগে ঝিনাইদহের মহেশপুরে মাদক পাচার করা হচ্ছে এমন খবরে অভিযান জাগুশা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে চেকপোস্ট বসায় তারা। সেসময় তল্লাসী করে মিলন হোসেন ও ফরহাদ হোসেন নামের ২ জনকে আটক করা হয়। তাদের কাছ থেকে উদ্ধার করা হয় ১ টি বিদেশী পিস্তল ও ৬০ বোতল ফেন্সিডিল। জব্দ করা হয় মোটর সাইকেল ও নগদ টাকা। এ ঘটনায় তাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে মহেশপুর থানায় সোপর্দ করা হয়েছে।

    ঝিনাইদহ
    আতিকুর রহমান।।

  • জাতীয় কৃষক পার্টির সভাপতি রুবেল কে দেখতে হাসপাতালে জাপা নেতা মুসা সরকার।।

    জাতীয় কৃষক পার্টির সভাপতি রুবেল কে দেখতে হাসপাতালে জাপা নেতা মুসা সরকার।।

    আরিফ রববানী ময়মনসিংহ।।
    ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চি‌কিৎসাধীন জেলা জাতীয় কৃষক পার্টির সভাপতি রুবেল আলী (এসডি রুবেল) এর দ্রুত রোগমু‌ক্তি কামনা ক‌রে‌ছেন দল‌টির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ও ময়মনসিংহ জেলা জাতীয় পার্টির যুগ্ম সাধারন সম্পাদক আবু মুসা সরকার।

    শনিবার (৩০শে জুলাই ) দুপুরে জাতীয় পার্টির
    জেলা জাতীয় কৃষক পার্টির সভাপতি রুবেল আলী (এসডি রুবেল)কে দেখতে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে যান। এসময় তিনি জাতীয় পার্টির সভাপতি রুবেল আলীর শারীরিক অবস্থার খোঁজ নেন এবং কর্তব্যরত চিকিৎসকের সঙ্গে কথা বলেন।

    এসময় জাতীয় পার্টি ও বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী ও শুভানুধ্যায়ী রুবেল আলীকে দেখতে হাসপাতালে যান।

    রুবেল আলীর সহধর্মিণী জেলা জাতীয় কৃষক পার্টির মহিলা বিষয়ক সম্পাদক ফাতেমা বেগম তার স্বামীর সুস্থতার জন্য দেশবাসীর কাছে দোয়া কামনা করেছেন।

  • কাঁঠাল ইউনিয়ন আ’লীগের গুরুত্বপূর্ণ পদে আবুল হোসেনকে দেখতে চায় তৃণমূল নেতাকর্মীরা।

    কাঁঠাল ইউনিয়ন আ’লীগের গুরুত্বপূর্ণ পদে আবুল হোসেনকে দেখতে চায় তৃণমূল নেতাকর্মীরা।

    ষ্টাফ রিপোর্টারঃ
    ময়মনসিংহ জেলার ত্রিশাল উপজেলার ৩নং কাঁঠাল ইউনিয়ন আওয়ামী যুবলীগের সাবেক সভাপতি আবুল হোসেন রকি। দলীয় বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে তিনি অনেকটা এগিয়ে। তিনি আওয়ামী সরকারের উন্নয়নমুলক কর্মকাণ্ড জনগণের নিকট তুলে ধরার পাশাপাশি দলকে সুসংগঠিত করতে তৃর্ণমুল নেতাকর্মী ও জনগণের সাথে প্রচার প্রচারণা চালাচ্ছেন প্রতিনিয়ত। তাকে নিয়ে ময়মনসিংহ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের গুরুত্বপূর্ণ পদ পাওয়ার সম্ভাবনার জোর গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে । পারিবারিক ভাবে তিনি আওয়ামী পরিবারের সন্তান,ব্যক্তিগত ভাবেও তিনি স্বচ্ছল,তবে বিবাহিত পরিবারে তিনি নিঃসন্তান হওয়ায় তার অর্থ সম্পদ ব্যয় করে দলের বিভিন্ন কর্মসুচী পালন ও দলীয় মিটিং সমাবেশ নিয়ে সবসময় ব্যস্ত সময় কাটান। গরীব হত-দরিদ্র অসহায়দের পাশে থাকায় তার রয়েছে ব্যাপক জনপ্রিয়তা। উপজেলার সবচেয়ে বৃহৎ বাজার কালির বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতিও ছিলেন তিনি। সমিতির দায়িত্বে থেকে ব্যবসায়ীদের বিপদে -আপদে পাশে থাকা ও বাজারের উন্নয়নে অবদান রয়েছে তার। রাজনৈতিক ভাবেও তৃণমূল নেতাকর্মীদের আস্থাভাজন হওয়ায় তাকে গুরুত্বপূর্ণ পদে দেখতে চায় নেতাকর্মীরা। অবশ্য উপজেলা আওয়ামী লীগের নবনির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেনের অত্যন্ত বিশ্বস্ত ও আস্থাভাজন হওয়ায় তিনি কাঁঠাল ইউনিয়নে দলের গুরুত্বপূর্ণ পদে থাকছেন এব্যাপারেও শতভাগ আশাবাদী দলীয় নেতা-কর্মীরা।

    সরেজমিনে এলাকার নেতাকর্মীদের সাথে আলাপ চারিতায় জানা যায়,যারা পদ প্রত্যাশী হয়েছে তন্মধ্যে তৃনমূলের সাধারণ কর্মীদের মাঝে আবুল হোসেন রকি কে নিয়ে বেশ আগ্রহ ও প্রাণচাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। তৃনমূলের কর্মীদের সাথে আলোচনায় আবুল হোসেন দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের সততা নিষ্ঠা ও ত্যাগের দিকগুলো তুলে ধরে তৃনমুল কর্মীরা কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের দৃষ্টি আকর্ষন করে জানিয়েছে যে, এসময়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা মোতাবেক যদি তৃণমুল মুল্যায়ন হয়, তাহলে আবুল হোসেন রকির মতো স্বচ্ছ পরিচ্ছন্ন নেতারা মুল্যয়নের সঠিক সময়।

    দলের শীর্ষ পর্যায়ের নেতারা জানান, দুর্দিনের কর্মী যারা ত্যাগী এবং পরীক্ষিত, একই সঙ্গে স্বচ্ছ ভাবমূর্তি আছে, এসব বিষয়গুলো দলের নেতৃত্ব বাছাইয়ের ক্ষেত্রে মানদণ্ড হিসেবে বিবেচনায় থাকবে।কাঁঠাল ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের গুরুত্বপূর্ণ পদ প্রত্যাশী আবুল হোসেন বলেন ” আমার দীর্ঘ দিনের রাজনীতির অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে ও উপজেলা আওয়ামী লীগের নবনির্বাচিত সভাপতি আবুল কালাম ভাই এবং আমার নেতা জননেতা ইকবাল হোসেন ভাইয়ের পরামর্শ মোতাবেক কাঁঠাল ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের রাজনীতিকে আরো সুসংগঠিত করতে চাই। আশা করছি অতীতের আমার রাজনৈতিক ত্যাগ, লড়াই সংগ্রামের ভূমিকাকে দলের নীতি নির্ধারকরা অবশ্যই মূল্যায়ন করবেন।”

    বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ একটি ঐতিহ্যবাহী ও সুশৃঙ্খল সংগঠন। বঙ্গবন্ধুর কন্যা বর্তমান সরকারের সফল প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার নেতৃত্বে এই সংগঠনকে আরো গতিশীল ও শক্তিশালী করার লক্ষ্যে আওয়ামী লীগের তৃণমূল নেতাকর্মীগণ আবুল হোসেন কে ময়মনসিংহ কাঁঠাল ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের গুরুত্বপূর্ণ পদে দেখতে চায়।

  • আগৈলঝাড়ায় অশোক হালদার নামে এক ভ্যান ড্রাইভার গাঁজা সহ গ্রেফতার

    আগৈলঝাড়ায় অশোক হালদার নামে এক ভ্যান ড্রাইভার গাঁজা সহ গ্রেফতার

    বি এম মনির হোসেনঃ-

    বরিশালের আগৈলঝাড়ার কান্দিরপার চেংগুটিয়ার মৃত্যু ধিরেন হালদারের পুত্র অশোক হালদার (৩২) ৩ নং ওয়ার্ডের
    ভ্যান চালক গাঁজা সহ বাশাইল বাজার থেকে গ্রেফতার করে ডিবি পুলিশ। আগৈলঝাড়া থানার পুলিশ পরিদর্শক তদন্ত মাজহারুল ইসলাম মামলার বরাত দিয়ে জানান ২৯ জুলাই শুক্রবার দুপুর ২টা ৩০ মিনিটে আগৈলঝাড়া উপজেলার বাশাইল বাজার ৯নং ওয়ার্ড থেকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে অশোক হালদারকে গ্ৰেফতার করে আগৈলঝাড়া থানায় নিয়ে আসে ডিবি পুলিশ। মামলার তদন্ত কারি কর্মকর্তা উপ পুলিশ পরিদর্শক মোঃ মনিরুজ্জামান আরো জানান আসামিকে ডিবি পুলিশ তল্লাশি চালিয়ে ৩৬৫ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করে।গতো কাল শনিবার আগৈলঝাড়া থানা থকে বরিশাল জেল হাজতে প্রেরন করা হয়েছে।

  • নড়াইলে বিলুপ্তপ্রায় বিভিন্ন প্রজাতির দেশি মাছ

    নড়াইলে বিলুপ্তপ্রায় বিভিন্ন প্রজাতির দেশি মাছ

    উজ্জ্বল রায়, নড়াইল থেকে:

    নড়াইলে একসময় বিভিন্ন প্রজাতির দেশি মাছে গ্রাম-গঞ্জের হাটবাজারগুলো সয়লাব হয়ে যেত। এখন আর সেসব মাছ খুব বেশি দেখা যায় না। বলা যায়, দেশে গত কয়েক দশকে বেশ কয়েক প্রজাতির পরিচিত দেশীয় মাছ বাজার থেকে ‘প্রায় নেই’ হয়ে গেছে। উজ্জ্বল রায়, নড়াইল থেকে জানান, মৎস্য অধিদপ্তরের সূত্র বলছে, হারিয়ে যাওয়া দেশি প্রজাতির মাছের সংখ্যা আড়াইশ’র বেশি। হাটবাজার, পুকুর, খাল, বিল কোথায়ও এখন আর মিঠাপানির বহু সুস্বাদু মাছের দেখা মিলছে না। দেশি মাছের বদলে এখন বাজারে জায়গা দখল করে নিয়েছে চাষের পাঙ্গাস, তেলাপিয়া, ক্রস ও কার্প জাতীয় মাছ। বিলুপ্তপ্রায় দেশি প্রজাতির মাছ বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দেশীয় মাছ ক্রমেই হারিয়ে যাওয়ার জন্য মূলত অনেকগুলো কারণই দায়ী। এর মধ্যে জলবায়ুর প্রভাব, প্রাকৃতিক বিপর্যয়, কারেন্ট জালের অবৈধ ব্যবহার, ফসলি জমিতে অপরিকল্পিত কীটনাশক ব্যবহার, জলাশয় দূষণ, নদ-নদীর নব্য হ্রাস, উজানে বাঁধ নির্মাণ, নদী সংশ্লিষ্ট খাল-বিলের গভীরতা কমে যাওয়া, ডোবা ও জলাশয় ভরাট করা, মা মাছের আবাসস্থলের অভাব, ডিম ছাড়ার আগেই মা মাছ ধরে ফেলা, ডোবা-নালা-পুকুর ছেঁকে মাছ ধরা, বিদেশি রাক্ষুসে মাছের চাষ ও মাছের প্রজননে ব্যাঘাত ঘটানো। এছাড়া কৃষি ও চাষাবাদ ব্যবস্থার পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে বিলুপ্ত হয়ে যাচ্ছে দেশীয় প্রজাতির মাছ। একই সঙ্গে পোনা আহরণ, নেটজাল ও মশারি জাল ব্যবহার করে খালে-বিলে-সাগরে মাছ ধরার কারণেও দেশীয় প্রজাতির মাছ বিলুপ্ত হচ্ছে। গবেষণা প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ৫০টি প্রজাতির দেশি মাছ আছে। ২০ থেকে ৩০ বছর আগেও সেগুলো সচারচর নদী-নালা, খাল-বিল ও বাওড়গুলোতে পাওয়া যেত। তবে বিদেশি কার্প প্রজাতির মাছগুলোর চাষ বেড়ে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে জলবায়ু পরিবর্তন ও কিছু মানবসৃষ্ট কারণে এসব দেশি মাছের অস্তিত্ব হুমকির মুখে। এরই মধ্যে বেশ কিছু ছোট দেশি মাছের প্রজাতি স্থানীয়ভাবে বিলুপ্তও হয়েছে। এরকম পরিস্থিতিতেই বাওড়ে দেশি মাছের প্রজাতিকে ফিরিয়ে আনতে ২০১৯ সালে রাবি’তে এই প্রকল্পটি শুরু হয়। তিন বছরের প্রকল্পটির মেয়াদ ছিল ২০২২ সালের জুন পর্যন্ত। গবেষকরা বলছেন, প্রকল্পটির কার্যক্রম শেষ হয়েছে বাওড়ে দেশি মাছের প্রাচুর্য কিছুটা ফিরিয়ে আনা সম্ভব হবে। আশার কথা হচ্ছে, বিলুপ্ত হওয়া প্রায় ৩০ প্রজাতির দেশীয় মাছ এখন বিশেষ পদ্ধতিতে চাষাবাদ করা হচ্ছে। তাছাড়া নদী-হাওর-বিলে দেশীয় মাছের পোনা অবমুক্তকরণ এবং মৎস্য অধিদপ্তর কর্তৃক অভয়াশ্রম প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে বিলুপ্তপ্রায় মাছের উৎপাদন বাড়ানোর চেষ্টা চলছে। এক্ষেত্রে মৎস্য হ্যাচারিগুলোও কৃত্রিম প্রজননের মাধ্যমে দেশি মাছের পোনা উৎপাদন করে দেশের বিভিন্ন স্থানে নতুন নতুন মাছ চাষের ক্ষেত্র তৈরি করতে পারে। এ ব্যাপারে উদ্যোক্তাদের পাশাপাশি সরকারকেও উপযুক্ত পরিবেশ তৈরি করার জন্য আন্তরিক হতে হবে। পাশাপাশি দেশীয় মাছের স্বাদ-গন্ধ পুনরুদ্ধার করা যায় কি-না, তারও গবেষণা হওয়া উচিত। উদ্বেগের বিষয়, বর্তমানে চাষ করা বিভিন্ন প্রজাতির মাছে বিরক্তিকর গন্ধের উপস্থিতি ভোক্তাদের ভাবিয়ে তুলেছে। অভিযোগ রয়েছে, সামুদ্রিক পচা মাছ, ট্যানারির বর্জ্যসহ ক্ষতিকর ধাতু মেশানো হয় মাছের খাবারে। বিষাক্ত এই খাবারে বেড়ে ওঠা মাছ খেলে মানবদেহে নানা জটিল রোগ সৃষ্টির আশঙ্কা থাকে। জানা গেছে, বিভিন্ন ক্ষতিকর রাসায়নিক পদার্থ মেশানো মাছের খাবারের সঙ্গে মাছ দ্রুত বৃদ্ধির সম্পর্ক রয়েছে। মাছ মানুষের পুষ্টির চাহিদা মেটানোর পাশাপাশি দেশের অর্থনীতিতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। তাই মাছ চাষের সঙ্গে সম্পর্কিত সব বিষয় যথাযথ পর্যবেক্ষণের আওতায় আনা জরুরি হয়ে পড়েছে। বিশেষত মাছের কৃত্রিম খাবার নিয়মিত পরীক্ষা করে দেখতে হবে, সেগুলোতে কোনো ক্ষতিকর পদার্থ আছে কি-না। সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সব দেশি মাছের বিলুপ্তি ঠেকাতে ও এর উৎপাদন বাড়াতে কার্যকর ভূমিকা পালন করবে এমনটাই প্রত্যাশা।

  • সুজানগরে জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ মূল্যায়ন ও সমাপনী

    সুজানগরে জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ মূল্যায়ন ও সমাপনী

    এম এ আলিম রিপনঃ ‘নিরাপদ মাছে ভরব দেশ,বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশ’ প্রতিপাদ্য নিয়ে গত রবিবার (২৪ জুলাই) থেকে শুরু হওয়া জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ-২০২২ এর মূল্যায়ন ও সমাপনী অনুষ্ঠিত হয়েছে শুক্রবার(২৯ জুলাই)। এদিন উপজেলা পরিষদ হলরুমে অনুষ্ঠিত জাতীয় মৎস্য সপ্তাহের মূল্যায়ন ও সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো.রওশন আলী। স্বাগত বক্তব্য দেন উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা নূর কাজমীর জামান খান। অনুষ্ঠানে শিক্ষা অফিসার আব্দুল জব্বার,উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা নাজমুল হুদা, উপজেলা সহকারী মৎস্য কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম, উপজেলার মৎস্য চাষী ও মৎস্যজীবি সহ স্থানীয় বিভিন্ন পর্যায়ের ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন । অনুষ্ঠানটি স ালনা করেন উপজেলা মৎস্য দপ্তরের ক্ষেত্র সহকারী খোকন বিশ্বাস। উল্লেখ্য ২৩-২৯ জুলাই জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ পালনের কর্মসূচি হিসেবে সুজানগর উপজেলার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ও জনবহুল স্থানে দিনব্যাপী মাইকিং এবং ব্যানার -ফেস্টুন এর মাধ্যমে ব্যাপক প্রচার প্রচারণা এবং সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় সভা, ২৪ জুলাই র‌্যালী, উদ্বোধনী অনুষ্ঠান ও আলোচনা সভা, স্থানীয় পর্যায়ে সফল মৎস্য চাষি/ব্যক্তি/উদ্যোক্তা ও প্রতিষ্ঠানকে মৎস্য পুরস্কার প্রদান, উপজেলা পরিষদ পুকুরে মাছের পোনা অবমুক্তকরণ, মৎস্য সেক্টরে বর্তমান সরকারের অগ্রগ্রতি ও সাফল্য বিষয়ে নির্মিত প্রামান্যচিত্র প্রদর্শণ, ২৫ জুলাই প্রান্তিক পর্যায়ে মৎস্য চাষী ও মৎস্যজীবীদের সাথে মতবিনিময়, ২৬ জুলাই অবৈধ জালের বিরুদ্ধে মোবাইল কোর্ট /অভিযান পরিচালনা, ২৭ জুলাই উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় মৎস্য চাষীদের মাছ বিষয়ক বিশেষ পরামর্শ সেবা প্রদান,পুকুরে মাটি ও পানি পরীক্ষা, মৎস্য সেক্টরে বর্তমান সরকারের অগ্রগ্রতি ও সাফল্য বিষয়ে নির্মিত প্রামান্যচিত্র প্রদর্শণ, ২৮ জুলাই সুফলভুগীদের প্রশিক্ষণ/বিভিন্ন প্রদর্শনী চাষীদের উপকরণ বিতরণ এবং ২৯ জুলাই সমাপনী দিনে জাতীয় মৎস্য সপ্তাহের মূল্যায়ন ও সমাপনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। এর আগে সুজানগরে জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ এর উদ্বোধন করেন পাবনা-২ আসনের সংসদ সদস্য আহমেদ ফিরোজ কবির।

    এম এ আলিম রিপন
    সুজানগর(পাবনা)প্রতিনিধি।।