মোংলা (বাগেরহাট) প্রতিনিধি
সুন্দরবনের খালে গোসল করতে নেমে কুমিরের সাথে লড়াই করে প্রাণে বেঁচে এলো অনার্স পড়ুয়া এক যুবক। মঙ্গলবার দুপুরে সুন্দরবনের ঢাংমারী খালে গোসল করতে নামলে একটি কুমির আক্রমণ করে ওই যুবককে। এরপর ধস্তাধস্তি ও চোখে আঙ্গুল দিয়ে কুমিরটিকে দুর্বল করতে পেরে প্রাণে বেঁচে এসেছে যুবকটি।
পূর্ব সুন্দরবন বিভাগের চাঁদপাই রেঞ্জের (মোংলা) ঢাংমারী ষ্টেশন কর্মকর্তা মোঃ সাইফুল বারী জানান, সুন্দরবনের ঢাংমারী খালে মঙ্গলবার দুপুরে গোসল করতে নামেন পূর্ব ঢাংমারী এলাকার খ্রীষ্টান পাড়ার বাসিন্দা নজির হাওলাদারের ছেলে রাজু হাওলাদার। বনের খালে গোসল করতে নামতেই একটি কুমির তার উপর আক্রমণ করে। এ সময় কুমিরটি রাজুর ডান পায়ের হাটুর উপরের দিকে কামড়ে ধরে। তখন রাজু কুমিরটির সাথে ধস্তাধস্তি করার এক পর্যায়ে কুমিরের চোখে আঙ্গুল ঢুকিয়ে দেয়। কুমিরের চোখে আঘাত করলে কুমিরটি রাজুর পায়ের কামড় ছেড়ে দেয়। তখন সে দ্রুত উপরে উঠে আসে। আর কুমিরটি খালে ডুব দিয়ে চলে যায়। তিনি বলেন, কুমিরের কামড়ে রাজুর পায়ের ক্ষত জায়গায় চিকিৎসা দেয়া হয়েছে। সে এখন সুস্থ ও বাড়ীতে আছেন। তিনি আরো বলেন, ঘটনার সময় খালে ভাটা থাকায় পানি কম ছিলো, ভরা জোয়ার থাকলে কুমির কামড়ে ধরে পানির গভীরে নিয়ে গেলে বাঁচার কোন সম্ভাবনাই থাকতো না। তিনি আরো জানান, পূর্ব সুন্দরবন সংলগ্ন খুলনার দাকোপ উপজেলার বানীশান্তা ইউনিয়নের পূর্ব ঢাংমারী এলাকার খ্রীষ্টানপাড়ার বাসিন্দা নজির হাওলাদারের ছেলে রাজু হাওলাদার খুলনার একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অনার্স পড়েন। তাদের বাড়ীটি পূর্ব সুন্দরবনের ঢাংমারী খালের পাশেই। বাড়ীতে আসার পর রাজুকে খালে নেমে গোসল করতে নিষেধ করেন তার পরিবার। তারপর সেই নিষেধ না মেনে খালে গোসল করতে নামলেই এ ঘটনা ঘটে।
এদিকে বন কর্মকর্তা মোঃ সাইফুল বারী বলেন, ঢাংমারী খালে প্রায় সব সময়ই বড় বড় দুইটি কুমির দেখা যায়। তাই বনবিভাগের পক্ষ থেকে খালের পাড়ের আশপাশের মানুষদেরকে খালে নামতে নিষেধ করা হচ্ছে প্রতিনিয়তই। তারপরও তারা তা না শুনে খালে গোসল ও মাছ অরতে নামেন। যার ফলে মাঝে মধ্যেই এমন দুর্ঘটনার শিকার হন এখানকার মানুষেরা।
Author: desk
-

সুন্দরবনের খালে গোসল করতে নেমে কুমিরের সাথে লড়াই করে প্রাণে বেঁচে এলো কলেজ ছাত্র
-

মধুপুরে বাজার কমিটির লোকজনের হাতে সাংবাদিক বাবুল রানা আহত
আব্দুল হামিদ।।
মধুপুর টাঙ্গাইল প্রতিনিধিঃ
টাঙ্গাইলের মধুপুরের জলছত্র বাজার কমিটি দ্বারা রাস্তা দখল করে ভ্যানে আনারস বিক্রি করে গাড়ি চলাচলে বাধা সৃষ্টি এর প্রতিবাদ করতে গিয়ে বাজার কমিটি দ্বারা পরিচালিত লোকজনের হাতে বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক সোসাইটি কেন্দ্রীয় কমিটির সহকারী সম্পাদক ও প্রেসক্লাব মধুপুর এর সাধারণ সম্পাদক বাবুল রানা গুরতর আহত হয়েছেন। মঙ্গলবার( ৯ আগষ্ট) দুপুরে ডাক্তার দেখিয়ে ময়মনসিংহ থেকে ফেরার পথে জলছত্র ময়মনসিংহ রোড বন্ধ করে আনারস বিক্রি করতে আনা একটি অটো ভ্যান তার প্রাইভেট কারে লাগিয়ে দেয়।
এঘটনার প্রতিবাদ করতে গেলে কয়েকজন লোক তাকে এলোপাতাড়ি ভাবে কিল-ঘুষি মারতে থাকে পরবর্তীতে তার গাড়ির ড্রাইভার তাকে উদ্ধার করতে গেলে তাকেও কিল-ঘুষি মারতে থাকে। পরে অরণখোলা পুলিশ ফাড়িতে খবর দিলে খবর পেয়ে পুলিশ এসে তাকে উদ্ধার করে। পুলিশ এলে তারা পালিয়ে যায়।
জলছত্র আনারসের নিদিষ্ট বাজার থাকা সত্ত্বেও তার টাঙ্গাইল ময়মনসিংহ সড়কে ভ্যান দিয়ে জরুরি রোগী সহ জনসাধারণের চলাচল বিঘ্নিত করছে। প্রতিবাদ করায় অনেক পথচারীকে প্রায় প্রতিদিনই তারা মারধর করছে বলেও জানা যায়।
প্রেসক্লাব মধুপুরের সাংবাদিকগন সহ বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক সোসাইটি বিএমএসএস এর পক্ষ থেকে এই ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে ঘটনার সহিত জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমুলক শাস্তির দাবী জানিয়েছেন সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান খন্দকার আছিফুর রহমান, মহাসচিব মো: সুমন সরদার সহ সকল কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ।
-

পটিয়ায় আহলে বাইতে রাসূল (ﷺ)স্বরণে শোহাদায়ে কারবালা মাহফিল অনুষ্ঠিত
মহিউদ্দীন চৌধুরী।
নিজস্ব প্রতিনিধিঃ চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলার বড়লিয়া ইউনিয়নে পূর্ব পেরলা গাউছিয়া কমিটি বাংলাদেশ ও পূর্ব পেরলা বায়তুন নূর জামে মসজিদ পরিচালনা কমিটি ও এলাকা বাসীর যৌথ উদ্দৌগে আহলে বাইতে রাসূল (ﷺ)স্বরণে ৫দিন ব্যাপি শোহাদায়ে কারবালা মাহফিলের
১ম দিবস অনুষ্ঠিত হয়।
পূর্ব পেরলা বায়তুন নূর জামে মসজিদ পরিচালনা কমিটির সভাপতি মো-রফিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে এ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।এতে প্রধান বক্তা ছিলেন মাওলানা জয়নাল আবেদিন (খতিব পূর্ব পেরলা বায়তুন নূর জামে মসজিদ)
বিষেশ বক্তাঃ মাওলানা ইলিয়াস (ইমাম, পূর্ব পেরলা বায়তুন নূর জামে মসজিদ)
বিষেশ অতথি ছিলেন :-মোহাম্মদ হাফেজ আহম্মেদ সভাপতি পূর্ব পেরলা গাউছিয়া কমিটি ।
উক্ত মাহফিলে আরো উপস্থিত ছিলেন এলাকার মুরব্বি সহ পূর্ব পেরলা গাউছিয়া কমিটির সকল নেতৃবৃন্দসহ অনেকেই। -

সেনবাগে মাদক ও ওয়ারেন্টভূক্ত সাজাপ্রাপ্ত আসামীসহ গ্রেফতার ৩
রফিকুল ইসলাম সুমন (নোয়াখালী)
নোয়াখালীর সেনবাগে থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে সাজাপ্রাপ্ত আসামী আবুল কাশেম, ও ইয়াবা সহ মোঃ আব্দুল্লাহ আল মামুন (২৫),তানভীরুল আজগর তাহিম (২১)সহ ৩ জন কে গ্রেফতার করা হয়েছে। পুলিশ এসময় তাদের কাছ থেকে ১শত ২ পিস ইয়াবা উদ্ধার করে। সোমবার রাতে পৃথক অভিযান পরিচালনা করে তাদের কে করা হয়।
আবুল কাশেম উপজেলার ছাতারপাইয়া ইউনিয়নের পূর্ব ছাতারপাইয়া গ্রামের মৃত-মন্তাজ মিয়ার পুত্র। মামুন উপজেলার মোহাম্মদপুর ইউনিয়নের দক্ষিণ রাজারামপুর ফরাজী বাড়ির আব্দুল মান্নান এর পুত্র ও তাহিম পার্শ্ববর্তী ফেনী জেলার দাগনভূঁইয়া উপজেলার চন্ডিপুর গ্রামের পাটোয়ারি বাড়ি জাকির হোসেন আলমগীর এর পুত্র।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে সেনবাগ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ইকবাল হোসেন পাটোয়ারী জানান গ্রেফতারদের বিচারক আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরন করা হয়েছে। -

চোরের পেছনে লগ্নি কাটান চট্টগ্রামের ৩ স্বর্ণ ব্যবসায়ী
মহিউদ্দীন চৌধুরীঃ
চট্টগ্রাম নগরের বন্দর থানাধীন মুনির নগরের আনন্দবাজার মান্নান বিল্ডিংয়ে চুরির পরিকল্পনা হয়েছিল দেওয়ানহাটের মিস্ত্রীপাড়া মনিহার জুয়েলার্স ও রাজ জুয়েলার্সে। গত ১৪ জুলাই আব্দুল মান্নানের বাসা থেকে
চুরি হওয়া স্বর্ণ কিনে নিয়েছিলেনও চট্টগ্রামের পাঁচ স্বর্ণ ব্যবসায়ী। তবে এটি বিচ্ছিন্ন কোনো ঘটনা নয়, বরং সোনা চুরির বড় এ নেটওয়ার্ক চট্টগ্রাম নগর থেকে উত্তর ও দক্ষিণ জেলা পর্যন্ত বিস্তৃত। এমন এক ঘটনায় চোরাই সোনা কেনার অপরাধে ডবলমুরিং থানা পুলিশ মনিহার জুয়েলার্সের মালিক সুদীপ্ত সেন (২৩) ও রাজ জুয়েলাইসের মালিক অঞ্জন ধরকে (৪০) গ্রেফতার করেছে।
পুলিশ বলছে, পাঁচ স্বর্ণ ব্যবসায়ীর সংশ্লিষ্টতা পেলেও, তিন স্বর্ণ ব্যবসায়ী এ চুরির ঘটনায় লগ্নি খাটিয়েছেন।
এ চুরির ঘটনায় পুলিশ চোরের পেছনে টাকা খাটানো সুদীপ্ত সেনের পিতা চট্টগ্রামের বোয়ালখালীর পেতনশাহ মাজার গেইট এলাকার মোহছেন আউলিয়া জুয়েলার্সের মালিক শিমুল সেন বাসু জড়িত।পুলিশ জানিয়েছেন, তারা চোরচক্রের কাছ থেকে ৪০ ভরি স্বর্ণালঙ্কার ও সাড়ে ৫২ হাজার টাকা উদ্ধার করে।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা বন্দর থানার উপ-পরিদর্শক আব্দুল্লাহ আল নোমান জানান, নগরের আনন্দবাজার এলাকার আব্দুল মান্নান গত ১২ জুলাই স্বপরিবারে কক্সবাজারে বেড়াতে যান। তিনি গত ১৪ জুলাই কক্সবাজার থেকে ফিরে দেখেন তাঁর বাসা চুরি হয়ে গেছে। চোরের দল তাঁর বাসা থেকে ৯ ভরি স্বর্ণালঙ্কার ও ১ লাখ টাকা নিয়ে যায়। এ ঘটনায় আব্দুল মান্নান বাদি হয়ে বন্দর থানায় মামলা নং-১৬, তারিখ-১৬/৭/২০২২ দায়ের করেন। এতে অজ্ঞাতনামা কয়েকজনেক আসামি করা হয় । তদন্তে নেমে বন্দর থানা পুলিশ তথ্যপ্রযুক্তির সহযোগিতায় অপরাধীদের চিহ্নিত করে। এরমধ্যে চোরচক্রের অন্যতম হুতা মাসুদ ও মোহাম্মদ খোকনকে গ্রেফতার করে। তাদের দেওয়া তথ্যে ২৭ জুলাই মনিহার জুয়েলার্সের মালিক সুদীপ্ত সেনকে গ্রেফতার করে। সে পটিয়া থানার ধলঘাট ইউনিয়নের শিমুল সেনের পুত্র। একই সময় রাজ জুয়েলার্সের মালিক অজ্ঞন ধরকে গ্রেফতার করে।
বন্দর থানা পুলিশের কয়েকটি নির্ভরযোগ্য সূত্র জানিয়েছে, চুরির ঘটনার মূল পরিকল্পনায় ছিলেন সুদীপ্ত সেন ও তার বাবা শিমুল সেন। মনিহার জুয়েলার্সে বসে হয় চুরির পরিকল্পনা। সুদীপ্ত ও তার পাশের দোকান রাজ জুয়েলার্সের মালিক আঞ্জনকে পুলিশ ধরার পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে চুরির ঘটনা এবং রহস্য বেরিয়ে আসে।
সুদীপ্তের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, কোতোয়ালী থানার হাজারী লেইনের জুয়েলারি মার্কেট কাঞ্চন শিল্পালয় ও দয়াময় গোল্ড টেস্টিং এ অভিযান চালিয়ে মান্নানের বাসা থেকে চুরি যাওয়া স্বর্ণালঙ্কার উদ্ধার করে পুলিশ।
সুদীপ্তের বাবা শিমুল সেনের সঙ্গে মোবাইলে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, ছেলে না জেনে চোরচক্র থেকে স্বর্ণ কিনে ফেঁসে গেছেন। তিনি বলেন, আমাদের দুটি প্রতিষ্ঠানে এর আগে এমন ঘটনা ঘটেনি।অনুসন্ধানে জানা গেছে , চুরি-ছিনতাই কিংবা ডাকাতি করা স্বর্ণালঙ্কার অপরাধীদের কাছ থেকে কিনে নেন সুদীপ্ত ও তার বাবাসহ জুয়েলারি ব্যবসায়ীদের একটি সিন্ডিকেট। অপরাধীরা স্বর্ণালঙ্কার ওই সিন্ডিকেটের কাছে কম দামে বিক্রি করে। তারপর নতুন আকৃতিতে আবার বাজারে আসে এসব স্বর্ণালঙ্কার। চোর চক্রের সদস্যরা কেউ কখনো গ্রেফতার হলে তাদের পরিবার চালানো থেকে শুরু করে জেল থেকে বের করার দায়িত্বও নেন সুদীপ্ত,তার বাবা শিমুল সেন বাসু ও অঞ্জনের সমন্বয়ে গড়া চক্রটি।
উপ-পরিদর্শক আব্দুল্লাহ আল নোমান বলেন, সুদীপ্ত
এর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, চুরি-ডাকাতি করা স্বর্ণালঙ্কার কেনা-বেচার সঙ্গে জড়িত সিন্ডিকেটের সদস্যদের নাম-ঠিকানা সংগ্রহ করা হবে। -

আরব-আমিরাতের ফুজাইরাহ বন্যার পানিতে তলিয়ে এক বাংলাদেশির মৃত্যু
মোঃ রিফাত ইসলাম,
স্টাফ রিপোর্টার, আরব-আমিরাত,,সংযুক্ত আরব আমিরাত ফুজাইরাহ পূর্বাঞ্চল আল হেইল সানাইয়াতে গত ২৭/৭/২০২২ আকস্মিক বন্যার পানিতে তলিয়ে গিয়ে মৃত্যু বরণ কারি চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলার এস এম সাজ্জাদ হোসেন এর প্রথম জানাজা দুবাই সোনাপুর হাসপাতালে সম্পন্ন হয়ে গত রাত ১২.১৫ মিনিটে এয়ার অ্যারাবিয়া এয়ারলাইন্সের ফ্লাইটে করে মাতৃভূমির উদ্দেশ্য কফিন পাঠানো হয়েছে।
মরহুম এস এম সাজ্জাদ এর জানাজায় ঈমামতির দায়িত্ব পালন করেন ফুজাইরাহ আল হেইল এর বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মোহাম্মদ ওবাইদ উল্লাহ সাহেব। জানাজায় উপস্থিত ছিলেন কমিউনিটি নেতা এম জাহেদ হাছান – মরহুমের ভাই মোরশেদ বিশিষ্ট ব্যবসায়ী শের আলী সাহেব জুবায়ের. হারুন. আবছার প্রমুখ।
মরহুমের লাশ দেশে পাঠাতে সার্বিক সহোযোগিতা ও মনিটরিং করেছেন বাংলাদেশ কনসুলেট জেনারেল দুবাই এর মান্যবর কনসোল জেনারেল বি এম জামাল হোসেন সাহেব, লেবার কাউন্সিলার মেডাম ফাতেমা জাহান, প্রথম সচিব জনাব ফকির মোহাম্মদ মনোয়ার সাহেব সহ বাংলাদেশ কমিউনিটি সংযুক্ত আরব আমিরাতের ফুজাইরাহ পূর্বাঞ্চলের সকল নেতৃবৃন্দ।
মরহুম এস এম সাজ্জাদ এর মরদেহ মাতৃভূমি বাংলাদেশে পাঠাতে নিরলস ভাবে কাজ করেছেন কমিউনিটি নেতা এম জাহেদ হাছান, মোহাম্মদ ওবাইদ উল্লাহ – হাছান মোরাদ – জুবায়ের ইন্ডিয়ান – ফরিদ – নূরুল ইসলাম প্রমুখ।
মরহুম এস এম সাজ্জাদ এর হৃদয় বিদারক মর্মান্তিক মৃত্যুতে বাংলাদেশ কমিউনিটি সংযুক্ত আরব আমিরাত গভীর ভাবে শোকাহত। প্রবাসী রেমিট্যান্স যোদ্ধা ভাই বোনদের পক্ষ থেকে মরহুমের রুহে মাগফেরাত কামনা করছি এবং পরিবারের সকল সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করছি।
দোয়া করি আল্লাহ রাব্বুল আলামিন মরহুম এস এম সাজ্জাদ হোসেনকে জান্নাতুল ফেরদৌসের উচ্চ মকাম দান করুন আমিন।
-

যাত্রীবাহী মর্নিংসান লঞ্চের সাথে ব্লাকহেডের ধাক্কায় নিখোঁজ এক ব্যাক্তির লাশ উদ্ধার
আব্দুল আউয়াল
বানারীপাড়া(বরিশাল)প্রতিনিধি:বরিশালের বানারীপাড়ায় যাত্রীবাহী মর্নিংসান -৯লঞ্চ ও ইফতি+রিজভী নামক বালু বোঝাই বাল্কহেডের ধাক্কায় ডুবে যাওয়া নিখোঁজ দুইজনের মধ্যে বাল্কহেডের হেড মিস্ত্রী আবুল কালাম (৫২)র বানারীপাড়া উপজেলার সৈয়দকাঠি ইউনিয়নের মসজিদ বাড়ি সংলগ্ন ৯ আগস্ট মঙ্গলবার সকাল ১০টা ১৫ মিঃএর সময় সন্ধ্যা নদী থেকে লাশ উদ্ধার হয়। এখনও নিখোঁজ আছে চালক মিলন(৪০).উভয় ব্যক্তিদের ঠিকানা স্বরূপকাঠি নান্দুহার গ্রামের। গতকাল থেকে স্বরূপকাঠির ৪ ডুবুরী উদ্ধার তৎপরতা চালায়।আবির আনোয়ারের নেতৃত্বে লাশ উদ্ধার করে জহিরুল ইসলাম। এছাড়াও গতকাল থেকে বানারীপাড়ার ফায়ার সার্ভিসের আনোয়ার টিম লিডারের নেতৃত্বে নয় জন উদ্ধার কার্যক্রম চালায়। এদিকে আবুল কালামের লাশ শনাক্ত করেন তার সুমুন্ধী মোঃ ইউসুফ আলী ও তার ভাই মোঃ জামাল । লাশ শনাক্ত কারী উভয়েই সাংবাদিক ও প্রশাসনের কাছে বলেন কালামের পরিবারের অবস্থা খুবই অসচ্ছল। তার ৩ মেয়ে ১ ছেলে রয়েছে। পরিবারের খরচ চালানোর মত কেউ নেই।তাই আপনারা তার পরিবার কিভাবে থাকতে পারে সেদিকে লক্ষ্য রাখবেন। এদিকে লাশ উদ্ধারের ঘটনা শোনা মাত্রই তৎক্ষণাৎ ছুটে যান বানারীপাড়ার উপজেলা নির্বাহী অফিসার জনাব রিপন কুমার সাহা, থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এস এম মাসুদ আলম চৌধুরী,ওসি তদন্ত মোঃ জাফর আহমেদ সহ থানার অনেক কর্মকর্তারা। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বাল্কহেডের মালিক হাবিবুল্লাহ। তাদের উপস্থিতিতে মসজিদ বাড়ীর স্থানীয় জনতা ক্ষোভের সাথে জানান, রাতের আঁধারে বালু কাটার কারণে প্রতিনিয়ত দুর্ঘটনা ঘটছে।তাই আমরা এ ব্যাপারে সঠিক নিয়ম কানুন জানতে চাই। এ বিষয়ে বানারীপাড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার রিপন কুমার সাহা বলেন, বিকেল ৫টার পর থেকে কেউ বালু কাটতে পারবেনা ,তা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ বেআইনী। এরপর ও যদি কেউ নিয়মের বাইরে যায় আমাদের জানাবেন আমরা প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করব। এছাড়াও তিনি আরো বলেন লঞ্চ ও বাল্কহেডের দুর্ঘটনা সম্পর্কে তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে। উল্লেখ্য ভান্ডারিয়া থেকে ছেড়ে আসা ঢাকার উদ্দেশ্যে যাত্রীবাহী লঞ্চ মর্নিংসান_৯ এর সাথে একটি বাল্কহেড জাহাজের সংঘর্ষ হয়ে বাল্কহেডটি ডুবে যাওয়ায় দুজন নিখোঁজের খবর পাওয়া গেছে। বরিশালের বানারীপাড়ায় ০৮আগস্ট সোমবার মর্নিংসান-৯ লঞ্চ ঢাকার উদ্দেশ্যে যাওয়ার পথে রাত আনুমানিক ৮ টার দিকে বানারীপাড়া উপজেলার চাখার ইউনিয়নের কালিবাজার নামক স্থানে একটি বাল্কহেডের সাথে লঞ্চের ধাক্কা লেগে বাল্কহেডটি ডুবে যাওয়ায় লঞ্চের তলা ফেটে নিচের অংশ ফুটা হয়ে গিয়ে লঞ্চে পানি ঢোকা শুরু করে ।এই অবস্থায় লঞ্চে থাকা যাত্রীদের মাঝে আতঙ্ক শুরু হয়। তৎক্ষণাৎ লঞ্চটি উজিরপুরের চৌধুরীর হাট ঘাটে নোঙ্গর নেয়া হয়।এ বিষয়ে মর্নিংসান লঞ্চের সুপারভাইজার আব্দুল আলিম মুঠো ফোনে ঘটনা সত্যতা স্বীকার করে বলেন আমরা বানারীপাড়া ছেড়ে যাওয়ার পথে কালিবাজার থেকে একটু সামনে নদীর মাঝ খানে আমাদের মাস্টার একটি বাল্কহেড দেখতে পান । মাস্টাররা মাইকিং করেন ও আলো জ্বালিয়ে সংকেত জানান।কিন্তু বাল্কহেড নিয়ন্ত্রণ না থাকার কারণে এই দুর্ঘটনা ঘটে। তিনি আরো বলেন, আমাদের জানা মতে আইন অনুযায়ী বিকেল ৫ টার পর কোন বাল্কহেড নদীতে চলাচল বেআইনী।
আব্দুল আউয়াল
বানারীপাড়া(বরিশাল)প্রতিনিধি: -

সমুদ্র বন্দরসমূহকে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত
দেশের সমুদ্র বন্দরসমূহকে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে তবে বঙ্গোপসাগর এলাকায় অবস্থিত সুস্পষ্ট লঘুচাপটি ওড়িষ্যা উপকূলের অদূরে উত্তরপশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে। এর প্রভাবে অনাবৃষ্টির এলাকাগুলোতে শুরু হয়েছে বৃষ্টি। এ বৃষ্টি থাকবে আরও দুইদিন। এদিকে ৪ বন্দরে ৩ নম্বর সতর্কতা সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
মঙ্গলবার সকাল ৬টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় ১৩ দশমিক ৬ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করেছে পটুয়াখালী আবহাওয়া অফিস। সকালে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন আবহাওয়া অফিসের ইনচার্জ মো. রাহাত হোসেন।
তিনি বলেন, আরও দুদিন বৃষ্টিপাত থাকবে। এতে বর্তমানে বৃষ্টি সংকটে আমন মৌসুমের প্রতিকূল পরিবেশ কিছুটা হলেও লাঘব হবে। সমুদ্রে মেঘমালার কারণে উপকূলী বাতাসের বেগ কিছুটা বেড়েছে।
সাগরের লঘুচাপটি আরও ঘণীভূত হতে পারে। পটুয়াখালী পায়রা সমুদ্র বন্দরসহ, উত্তর বঙ্গোপসাগর ও বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকায় ঝড়ো হাওয়া বয়ে যাওয়ার আশঙ্কা করছে আবহাওয়া অফিস।
চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্র বন্দরসমূহকে ৩ নম্বর (পুন:) তিন নম্বর স্থানীয় সতর্কতা সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারসমূহকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাচল নির্দেশ দিয়েছে আবহাওয়া অধিদফতর।
-

বরগুনার তালতলীতে আন্তর্জাতিক আদিবাসী দিবস পালিত
মংচিন থান, বরগুনা প্রতিনিধি :
বরগুনার তালতলীতে ৯ আগষ্ট মঙ্গলবার আন্তর্জাতিক আদিবাসী দিবস পালিত হয়েছে। আদিবাসী দিবস উদযাপন কমিটির আয়োজনে “ঐতিহ্যগত বিদ্যা সংরক্ষণ ও বিকাশে আদিবাসী নারী সমাজের ভূমিকা ” প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে সকাল ১০টায় রাখাইন সম্প্রদায়ের নারী ও পুরুষ মিলে বিশাল এক র্যালী শহর প্রদক্ষিন শেষে তালতলী সরকারি মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে শেষ হয়। বিদ্যালয়ের হল রুমে মি:মংথিনজো এর পরিচালনায় সভায় সভাপতিত্ব করেন, রাখাইন সমাজ উন্নয়ন সাংস্থার সিনিয়র সহ-সভাপতি মি:মং তাহান। সভায় বক্তব্য রাখেন,উপজেলার ভাইস -চেয়ারম্যান মো: মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তাক, সমাজ সেবক ইউপি সদস্য মো: নজরুল ইসলাম লিটু, তালতলী প্রেসক্লাবে সভাপতি মো:গোলাম কিবরিয়া,তালতলী প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি মো: আব্দুল :মান্নান মাষ্টার, তালতলী উপজেলার পুজা উদযাপন কমিটির সাধারণ সম্পাদক মি:রতন কুমার বিশ্বাস, রাখাইন সমাজ উন্নয়ন সংস্থা সাধারণ সম্পাদক মি:মংচিন থান,এডভোকেট মি:মংথান,সাবেক ইউপি সদস্য মো:আব্দুল ছালাম, মি:চানমং ও মিসেস :এমেন
প্রমুখ।
এ সময় বক্তারা সরকারের কাছে জাতিসংঘ ঘোষিত ৯ আগষ্ট আন্তর্জাতিক আদিবাসী দিবস রাষ্ট্রীয়ভাবে পালন করা ।সমতলের আদিবাসীদের জন্য আলাদা ভূমি কমিশন, রাখাইন ছাত্র-ছত্রীদের জন্য রাখাইন ভাষা শিক্ষার ব্যাবস্থা, তাদের সংস্কৃতির সংরক্ষণ ও সংস্কারের জন্য তালতলীতে রাখাইন বৌদ্ধকৃষ্টি একাডেমি পূনঃ প্রতিষ্ঠা,রাখাইনদের প্রতি মিথ্যা মামলার দ্রুতগতিতে প্রত্যাহারের দাবি,রাখাইনদের ভূমি ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য বিপর্যয় সৃষ্টিকারীদের শাস্তির বিধান রাখার দাবি জানান, অনুষ্ঠান শেষে রাখাইন শিল্পীদের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয় ।# -

মাত্র দুই বছরের শিশু রিহানের ধ্যান জ্ঞান জাতীর জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
রক্সী খান মাগুরা প্রতিনিধি ঃস ্বাধীন বাংলার মহান স্থপতি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। প্রতিটি বাঙালিই যাকে ভালোবাসে, কিন্তু এ যেন এক বিরল ঘটনা মাত্র দুই বছর বয়সেই বঙ্গবন্ধুর প্রতি এতো ভালোবাসা।
দেশের কয়েক কোটি শিশুর মধ্যে এ শিশুটি যেন সত্যিই একেবারেই অন্য রকম। বঙ্গবন্ধু সম্পর্কে জেনে তাকে ভালোবাসা এক রকম, কিন্তু একটা দুধের শিশু বঙ্গবন্ধুর সাথে যার কোনো রক্তের সম্পর্কই নেই তাও তাকে পাগলের মত ভালোবাসে যা সত্যিই অবাক হওয়ার মতো ঘটনায় বটে। শিশুটির নাম আদিল আহনাফ রিহান। যার বয়স মাত্র ২ বছর ৪ মাস। বাড়ি মাগুরা শহরের মোল্যা পাড়ায়।
শিশুটির মা সুলতানা ইয়াসমিন সোনিয়া জানান,মাত্র ৮ মাস বয়স থেকেই শিশু রিহান যে কিনা বঙ্গবন্ধু কে ছাড়া কিছুই বোঝে না। যাকে সে ডাকে ‘নানা’ বলে। নানার ছবি বুকে না জড়িয়ে ধরলে তার ঘুম আসেনা। খেলনা রেখে যে সময় কাটায় বঙ্গবন্ধুর ছবি নিয়ে। সকাল থেকে রাত অবধি কেবল নয়, মাঝরাতেও কেঁদে ওঠে নানার জন্য।
ওর বয়সী বাচ্চারা যেখানে মোবাইল কিংবা টিভিতে কার্টুন, ছড়া গান দেখে, সেখানে এই শিশুটি শুধু দেখে শেখ মুজিবুর রহমান কে নিয়ে গান প্রামান্যচিত্র। দিনে শতবার নানাকে আদর করে। বঙ্গবন্ধুর রক্তাক্ত ছবি দেখে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়ে, বলতে থাকে” ইশ নানা ব্যথা পেয়েছে, আল্লাহ নানাকে মাফ করে দাও”। রিহানের ঘরের সব দেয়াল জুড়ে কেবল বঙ্গবন্ধুর ছবি, ব্যানার, পোস্টার। কোথাও শেখ মুজিবের ছবি দেখলে না নেওয়া পর্যন্ত শান্ত হয়না। তার সংগ্রহে রয়েছে বঙ্গবন্ধুর অসংখ্য বই, ছবি, ব্যানার, পোস্টার, ক্রেস্ট, মগ সহ বঙ্গবন্ধুর ছবি সংবলিত অনেক কিছু।
বঙ্গবন্ধুর জন্য এত পাগল তাই রিহানকে তার পরিবার সম্প্রতি গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় নিয়ে গিয়েছিল। সেখানে গিয়েও দর্শনার্থীদের মনোযোগ কেড়ে নিয়েছিল এই শিশুটি। বঙ্গবন্ধুর সমাধির রেলিং আকড়ে ধরে রেখেছিল। পরিবারের সব সদস্যরা বুঝিয়েও তাকে আনতে পারছিলো না। একটা কথায় বার বার বলছিল, “নানা ব্যথা পেয়েছে, নানা এখানে ঘুমিয়ে আছে”।
রিহানের দাদা মোঃ শরিফুল ইসলাম ও নানা মোঃ সুলতান শেখ দুজনই মুক্তিযোদ্ধা। বাবা শাহরিয়া নেওয়াজ পেশায় ব্যবসায়ী এবং মা সুলতানা ইয়াসমিন সোনিয়া বিসিএস (সাধারন শিক্ষা) ক্যাডারের একজন কর্মকর্তা।
এই শিশুটি কেবল বঙ্গবন্ধু নয় এ দেশের পতাকা ও জাতীয় সংগীতও খুব পছন্দ করে। পতাকা দেখলে খুশিতে আত্মহারা হয় উঠে। দেশের প্রতিটি শিশুই বড় হয়ে দেশপ্রেমিক হয়ে উঠুক এমনটিই প্রত্যাশা।
রক্সী খান,মাগুরা।