ইমদাদুল হক,পাইকগাছা(খুলনা)।।
পাইকগাছায় মহাবতার শ্রীকৃষ্ণের জন্মতিথি জন্মাষ্টমী উৎসব উপলক্ষে নুনিয়াপাড়ায় নৌকা বাইচ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার বিকেলে নুনিয়াপাড়া পুজা উদযাপন পরিষদের আয়োজনে ৪ দিনব্যাপি উৎসবের শেষ দিনে খালিয়া খালে এ প্রতিযোগিয়া হয়।
নৌকা বাইচ শেষে উপস্থিত অতিথিবৃন্দ বিজয়ী লাল,সবুজ ও হলুদ দলের হাতে ফ্রিজ,মনিটার পুরস্কার তুলেদেন।আয়োজক কমিটির সভাপতি রামপ্রসাদ বাছাড়ের সভাপতিত্বে ও সহকারী শিক্ষক পবিত্র কুমার মন্ডলের পরিচালনায়, অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন (পাইকগাছা-কয়রার) ডি সার্কেল মোঃ সাইফুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি ছিলেন সোনাদানা ইউপি চেয়ারম্যান আঃ মান্নান গাজী,এসআই মোশারেফ হোসেন,হাফিজ।
উল্লেখ্য শ্রীকৃষ্ণের জন্ম তিথি জন্মাষ্টমী উৎসব উপলক্ষে বিগত ২৬ বছর ধরে পুজাপার্বন,নামযজ্ঞ, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান সহ নৌকা বাইচ অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে।
Author: desk
-

পাইকগাছায় জন্মাষ্টমী উৎসব উপলক্ষে নৌকা বাইচ অনুষ্ঠিত
-

ঝিনাইদহে জ্বলানি তেলেরসহ সকল পন্যের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে বিএনপির উদ্যোগে বিক্ষোভ মিছিল
ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ
জ্বলানি তেল, পরিবহন খাতে ভাড়া ও সকল পন্যের মূল্যবৃদ্ধিসহ ভোলায় পুলিশের গুলিতে নিহতের ঘটনায় ঝিনাইদহে বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। মঙ্গলবার সকালে শহরের মর্ডান মোড় থেকে পৌর বিএনপির উদ্যোগে বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি শহরের বিভিন্ন সড়ক ঘুরে প্রেসক্লাবের সামনে শেষ হয়। সেখানে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে জেলা বিএনপি’র সভাপতি এ্যাড. এম এ মজিদ, সাধারন সম্পাদক জাহিদুজ্জামান মনা, এড মুন্সি কামাল আজাদ পান্নু, সাজেদুর রহমান পাপপু, আনোয়ারুল ইসলাম বাদশা, আব্দুল মজিদ বিশ^াস, পৌর বিএনপি’র সাধারন সম্পাদক মাহবুবুর রহমান শেখর, এনামুল কবীর মুকুলসহ অংঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখেন। সমাবেশে জেলা বিএনপির সভাপতি এ্যড এম এ মজিদ বলেন, ভারতের এই সেবাদাশ সরকার দেশ পরিচালনায় ব্যার্থ। সরকারের মন্ত্রী এমপিরা আউলায়ে গেছে। তাদের লাগামহীন ও দেশ বিরোধী কথায় প্রমান করে দেশের স্বাধীনতা ও সর্বভৌমত্ব ভারতের কাছে ইজারা দিয়েছে। তিনি বলেন, রক্ত দিয়ে দেশ স্বাধীন হয়েছে ভারতের তাবেদারী করার জন্য নয়। মজিদ বলেন, নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্য বৃদ্ধি করে হাসিনা সরকার দেশকে দুর্ভিক্ষের দিকে ঠেলে দিচ্ছে।ঝিনাইদহ
আতিকুর রহমান। -

ঝিনাইদহে ৩২টি গাঁজার গাছসহ ১ জনকে গ্রেফতার করেছেন র্যাব- ৬
ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ
ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর থেকে ৩২টি গাঁজার গাছ সহ কালু শেখকে গ্রেফতার করেছেন র্যাব- ৬। সোমবার গভীর রাতে উপজেলার তালসার গ্রামের মাঠ থেকে এ গাঁজার গাছ উদ্ধার করা হয়েছে।কালু শেখ ওই গ্রামের ভদু মন্ডলের জামাই। সে কোটচাঁদপুর পৌর শহরের আর্দশপাড়ার মৃত দাউদ শেখের ছেলে। কালু তালসার গ্রামের মনিরুল ইসলামের জমি লিজ নিয়ে কলার চাষ করার নাম করে গোপনে গাঁজা চাষ করে আসছিল।র্যাব-৬ এর কোম্পানী কমান্ডার মেজর মোঃ আহসান জানান, গোপন সংবাদেন ভিত্তিতে তারা জানতে পারেন কোটচাঁদপুরের তালসার গ্রামের পূর্ব পাড়া মাঠে মনিরুল ইসলামের জমিতে গাঁজা চাষ করছে। এ সংবাদে সোমবার রাতে অভিযান পরিচারনা করা হয়। এ সময় ওই জমি থেকে ৩২ টি গাঁজার গাছ সহ কালু শেখ কে গ্রেফতার করে র্যাব। এ ব্যাপারে কোটচাঁদপুর থানার উপপরিদর্শক হারুন অর রশিদ জানান, গাঁজা গাছসহ একজনকে থানায় দিয়ে গেছে র্যাব। গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির নাম কালু শেখ। এ ঘটনায় কোটচাঁদপুর মডেল থানায় মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা হয়েছে। -

নড়াইলে প্রতারণার শিকার হয়ে যুবকের বাড়িতে অবস্থান পটুয়াখালীর মেয়ে নীলা বেগম
উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি:
নড়াইলে প্রতারণার শিকার হয়ে যুবকের বাড়িতে অবস্থান পটুয়াখালীর মেয়ে নীলা বেগম নড়াইলের নড়াগাতীতে প্রতারণার শিকার হয়ে যুবকের বাড়িতে অবস্থান করছে পটুয়াখালীর মেয়ে নীলা বেগম (২৫)। ওই যুবকের নাম কবির শেখ (২৬)। স্ত্রীর স্বীকৃতি পেতে গত ২১ ও ২২ আগষ্ট দু’দিনব্যাপি নড়াগাতি থানার মুলশ্রী গ্রামে কবিরের বাড়িতে অবস্থান করছেন তিনি। তার অভিযোগ, অন্যের পরিচয়পত্রে নিজের ছবি লাগিয়ে প্রতারণা করে বিয়ে করেছে কবির শেখ। কবিরের বন্ধুর সহায়তায় এই ঠিকানায় আসে এসেছেন তিনি। তবে ঘটনার পর থেকেই কবির পলাতক রয়েছে। সে ওই গ্রামের মোহর শেখের ছেলে।
ভুক্তভোগী ওই নারী বলেন, বিগত ৬ বছর আগে ঢাকায় গার্মেন্টসে চাকুরীর সুবাদে কবিরের সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ে। দীর্ঘ সম্পর্কের পর চলতি বছরের ১৫ মার্চ তারা ঢাকায় কোর্টের মাধ্যমে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয় এবং পরবর্তীতে কাজী অফিসের মাধমে ১ লক্ষ টাকা দেনমোহরে বিবাহ রেজিষ্ট্রেশন সম্পন্ন করে। কিন্তু কবির শেখ ময়মনসিংহ জেলার তারাকান্দা উপজেলার উলামাকান্দী গ্রামের গফুর মিয়ার ছেলে মো. ইয়াসিন মিয়ার আইডিতে নিজের ছবি লাগিয়ে ওই পরিচয়ে বিয়ে করে এবং ২ মাস ঘর সংসার করে, ৩ মাস পূর্বে স্ত্রীর রক্ষিত গাড়ী কেনার ৩ লক্ষ টাকা ও স্বর্নলংকার নিয়ে চম্পট দিয়ে নীলার সাথে যোগাযোগ বন্ধ রাখে।
অবশেষে কবিরের বন্ধুর মাধ্যমে তার আসল পরিচয় পেয়ে নীলা বেগম ২১ আগষ্ট তার ভাবীসহ পরিচিত মহিলাকে নিয়ে কবিরের বাড়ীতে আসার পথে কবির তাদের বড়ীতে না নিয়ে গোপালগঞ্জ পার্কে নিয়ে বুঝিয়ে চলে যেতে বলে। কিন্তু কবিরের কথা না শুনে স্ত্রীর দাবিতে তার বাড়ীতে আসলে পরিবারের লোকজন নীলাকে মারধর করে তাড়িয়ে দিলে ওই গ্রামের একটি বাড়ীতে সে আশ্রয় নেয়। পরদিন স্ত্রীর স্বীকৃতি পেতে আবার কবিরের বাড়িতে অবস্থান করে আত্মহত্যার হুমকি দিয়েছে ভুক্তভোগী নীলা।
এদিকে অভিযুক্তের বাবা মোহর শেখ বলেন, কবিরের সাথে তাদের সম্পর্ক নেই। তিনি তাকে মৌখিকভাবে ত্যাজ্য করেছেন এবং ২ বছর তিনি তাকে দেখেন নাই। কবিরের মা ও পরিবারের অন্যান্যদের বক্তব্যে তার বাড়ী থাকার বিষয়ে ভিন্নতা পাওয়া যায়। অভিযুক্ত কবিরের ব্যবহৃত মোবাইল নম্বরে একাধিক বার ফোন দিলেও তিনি ফোন রিসিভ করেনি বিধায় তার সাথে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।
এ বিষয়ে পহরডাঙ্গা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মল্লিক মাহামুদুল ইসলামকে একাধিকবার ফোন দিলেও তিনি ফোনটি রিসিভ করেননি। -

আমাদের সুন্দরবন লিখেছেন মো. আমজাদ হোসেন রতন
আমাদের সুন্দরবন মো. আমজাদ হোসেন রতন
সুন্দরবন পাহাড়ি বনজ গাছ গাছরা ভরা সমতল উঁচু-নিচু নিয়ে এর অবস্থান।
অপরূপ সৌন্দর্যে ঘেরা নয়নাভিরাম, তোমার মাঝে রয়েছে মানবজাতির সরল নিঃশ্বাসের আহ্বান।
কোটি মানুষকে দিচ্ছ বিশুদ্ধ বাতাস, তোমার মাঝে রয়েছে হরেক প্রজাতির পশু আর পাখির কলতান।
সকাল-সন্ধ্যায় সাজো তুমি অপরূপা, ছোট ছোট নদী বেষ্টিত রয়েছে ঝর্ণা ও পাখির কলতান, তুমি কি নারী! নহ নর জানি।
তোমার মোহতে পাগল সকলে দেখে তোমার রুপ, কি যে অপরুপ।সারি সারি সুন্দরি, গজারি আরো না কত কি, ছায়া আর শীতল বাতাসে মন যে আমি হেরি।
তুমিতো অপরূপ সুন্দরী।
সুন্দরবন তোমারে তাইতো এমন করে ভালবেসে বার বার ছুটে আসি।
সুজলা সুফলা শস্য শ্যামলা আমারি এই ভুমি খানি, তোমারি রূপে বাড়িয়েছো আরও একটু খানি।
দেখবো তোমায় কাটাবো সময় কত না স্বপ্ন বুনি, একবার দেখলে মন ভরেনা তোমার ঐ রুপ খানি।
তোমার মাঝে ঠাঁই দিয়েছো কত না জীব জানোয়ার, বনের রাজা রয়েল বেঙ্গল টাইগার।
সুন্দরবনের সুন্দরী গাছ, রয়েছে ঔষধি গাছের সমাহার।
সবুজ পাতায় পাতায় অক্সিজেন ভরা জোৎস্না স্নাত আমাদের সুন্দরবন, আমাদের অহংকার।মৌমাছির গুঞ্জন শুনি গভীর অরণ্যে ফুলে-ফলে ভরা কতনা বৃক্ষরাজি, ঝরনার জলধারা খেলছে অবিরাম।
ধ্বংস গড়ার খেলায় মত্ত অবিরাম।
নাগ নাগিনীর মিলন দেখো একটু খানি, হাজারো পাখির কলতান।
বিশ্ববাসীকে যেন ডেকে ডেকে করে আহ্বান, এসো এসো হে সখা প্রকৃতিপ্রেমী এই সুন্দরবনে। -

আধুনিকতার ছোঁয়ায় হারিয়ে যাচ্ছে মাটির তৈরী দোতলা বাড়ী।
মোঃ হায়দার আলী, রাজশাহী থেকেঃ পিছিয়ে নেই গ্রামাঞ্চল আধুনিকতার ছোঁয়া লেগেছে এখানেও। মাটির ঘর/ছনের ঘরের জায়গায় তৈরি হচ্ছে প্রাসাদসম অট্টালিকা। মাটির ঘরের স্থান দখল করে নিচ্ছে ইট-পাথরের দালান। একটু সুখের আশায় মানুষ কত কিছুই না করছে। মাটির ঘরের শান্তি ইট পাথরের দালান কোঠায় খুঁজে পাওয়া ভার।
তারপরও মানুষ যুগের সাথে তাল মিলিয়ে নগরায়ণের সাথে সাথে পাকা দালান কোঠাই তৈরি করছেন। এতে করে হারিয়ে যাচ্ছে গ্রামবাংলার চিরচেনা ঐতিহ্যবাহী মাটির ঘর কিংবা মাটির দোতলা বাড়ী। বেশিদিন আগের কথা নয়, প্রতিটি গ্রামে একসময় মানুষের নজর কাড়তো সুন্দর এ মাটির ঘর। ঝড়, বৃষ্টি থেকে বাঁচার পাশাপাশি প্রচুর গরম ও খুবই শীতে বসবাস উপযোগী মাটির তৈরি এসব ঘর এখন আর তেমন চোখে পড়ে না।
আধুনিকতার ছোঁয়া আর কালের বিবর্তনে রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে এ চিরচেনা মাটির ঘর বিলুপ্তির পথে বললেই চলে। অতীতে মাটির ঘর গরীবের শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত ঘর বলে পরিচিত ছিল। এ ঘর শীত ও গরম মৌসুম আরামদায়ক তাই আরামের জন্য গ্রামের দরিদ্র মানুষের পাশাপাশি অনেক বিত্তবান ও মাটির ঘর তৈরি করতেন।
জানা যায়, প্রাচীনকাল থেকেই মাটির ঘরের প্রচলন ছিল। এটেল বা আঠালো মাটি কাঁদায় পরিনত করে দুই-তিন ফুট চওড়া করে দেয়াল তৈরি করা হত। ১০-১৫ ফুট উচু দেয়ালে কাঠ বা বাঁশের সিলিং তৈরি করে তার ওপর খড় থড় অথবা টিনের ছাউনি দেয়া হত। মাটির ঘর অনেক সময় দোতলা পর্যন্ত করা হতো। এসব মাটির ঘর তৈরি করতে কারিগরদের তিন-চার মাসের অধিক সময় লাগতো। গৃহিনীরা মাটির দেয়ালে বিভিন্ন রকমের আল্পনা একে তাদের নিজ বসত ঘরের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে তুলতেন।
এক সময় উপজেলার বিভিন্ন এলাকার অনেক পরিবার মাটির ঘরে বাস করতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করতো। তবে বর্ষার সময় মাটির ঘরের ক্ষতি হয় বেশি। ভূমিকম্প বা বন্যা না হলে একটি মাটির ঘর শত বছরেরও বেশি স্থায়ী হয়। কিন্তু কালের আর্বতনে দালান-কোঠা আর অট্টালিকার কাছে হার মানছে সে চিরচেনা শান্তির নিড় ‘মাটির ঘর’। গোদাগাড়ী উপজেলার কম বেশি সব গ্রামেরই দেখা যেতো শান্তির নীড় ‘মাটির ঘর’ কিন্তু সে মাটির ঘর এখন আর চোখে পড়ে না।গোদাগাড়ী উপজেলার রিশিকুল ইউনিয়নের সৈয়দপুর, এনায়েতপুর গ্রামের দুলাল হাজির
বাড়িতে সেই পুরোনো স্মৃতিভরা শান্তির নীড় মাটির ঘরে চোখ পড়লো, কথা হলো বাড়ির মালিকের সাথে তিনি বলেন, বাবা ও দাদাদের সেই পুরোনো স্মৃতি ধরে রাখতে এখনো মাটির ঘর রেখে দিয়েছি। তবে যুগের সাথে তাল মেলাতে এখন অনেকে ইটের ঘর তৈরি করছে, তাই ক্রমেই হারিয়ে যাচ্ছে মাটির ঘর।গোদাগাড়ী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদুল গণি মাসুদ জানান, বাপ দাদার স্মৃতি এখনও ধরে রেখেছি। যা এখনো কালের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে। প্রচন্ড তাপদাহে বাড়ির লোকজন শান্তির পরশ হিসেবে আমাদের মাটির ঘরকে বেঁছে নেয়। বিদ্যুৎ না থাকলেও মাটির দোতলায় আরামে বসবাস করা যায়।
দিগরাম উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক, ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি মোঃ ইফতেখার হোসেন বলেন, মাটির ঘর বসবাসের জন্য আরামদায়ক হলেও যুগের বিবরর্তনে অধিকাংশই মানুষ মাটির ঘর ভেঙে অধিক নিরাপত্তা ও স্বল্প জায়গায় অনেক লোকের বসবাসের জন্য ইটের ঘরকে প্রথম প্রচন্দের তালিকা নিয়ে আসছে। তাই তো দিনে দিনে হারিয়ে যেতে বসেছে ওই সব মাটির ঘরবাড়ী।
মোঃ হায়দার আলী
রাজশাহী। -

র্যাব-১২’র অভিযানে সিরাজগঞ্জের সদরে ১০০(একশত) গ্রাম হেরোইনসহ ০১ জন মাদক ব্যবসায়ী আটক।
প্রেস বিজ্ঞপ্তি
র্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব) প্রতিষ্ঠাকালীন সময় থেকেই দেশের সার্বিক আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি সমুন্নত রাখার লক্ষ্যে সব ধরণের অপরাধীকে আইনের আওতায় নিয়ে আসার ক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে। জঙ্গী, সন্ত্রাসী, সংঘবদ্ধ অপরাধী, ছিনতাইকারী, জুয়ারি, মাদক ব্যবসায়ী, খুন, এবং অপহরণসহ বিভিন্ন চাঞ্চল্যকর মামলার আসামী গ্রেফতারে র্যাব নিয়মিত অভিযান চালিয়ে আসছে।
এর ধারাবাহিকতায় ২২/০৮/২০২২ খ্রিঃ দুপুর ১২.৩৫ ঘটিকায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব-১২ এর স্পেশাল কোম্পানীর একটি চৌকষ আভিযানিক দল সিরাজগঞ্জ জেলার সদর থানাধীন এম মুনসুর আলী রেলওয়ে ষ্টেশনের কড্ডা রেলওয়ে ক্রোসিং মোড়স্থ জনৈক মোঃ মিজানুর রহমানের চায়ের দোকানের সামনে এক মাদক বিরোধী অভিযান চালিয়ে ১০০(একশত) গ্রাম হেরোইনসহ ০১ জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে।
গ্রেফতারকৃত আসামীঃ মোঃ হারুন-অর-রশিদ(৪০), পিতা-মৃত আয়নাল হক, সাং-বসুয়া(পশ্চিপাড়া), পোঃ জিপিও রাজশাহী, থানা-রাজপাড়া, জেলা-রাজশাহী।
গ্রেফতারকৃত মাদক ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করত উদ্ধারকৃত আলামতসহ তাহাকে সিরাজগঞ্জ জেলার সদর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় যে, এই মাদক ব্যবসায়ীরা দীর্ঘদিন যাবত আইন প্রয়োগকারী সংস্থার চোখ ফাঁকি দিয়ে সিরাজগঞ্জ জেলার বিভিন্ন এলাকায় অবৈধ নেশাজাতীয় মাদকদ্রব্য ক্রয়-বিক্রয় করে আসছিল।
এ ধরণের মাদক উদ্ধার অভিযান সচল রেখে মাদকমুক্ত সোনার বাংলা গঠনে র্যাব-১২ বদ্ধপরিকর।
র্যাব-১২ কে তথ্য দিন – মাদক , অস্ত্রধারী ও জঙ্গিমুক্ত বাংলাদেশ গঠনে অংশ নিন।
সূত্র ও বিস্তারিত ঃ
এম. রিফাত-বিন-আসাদ
মেজর
মিডিয়া অফিসার
র্যাব-১২
মোবা-০১৭৭৭-৭১১২৫৮
-

তেঁতুলিয়ায় ভ্রাম্যমাণ আদালতে ভুয়া পশু চিকিৎসকের জরিমানা
মুহম্মদ তরিকুল ইসলাম, তেঁতুলিয়া প্রতিনিধিঃ পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় আব্দুর রহিম (২২) নামে এক ভুয়া পশু চিকিৎসককে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে জরিমানা করা হয়েছে।
সোমবার (২২ আগস্ট) দুপুরের দিকে উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) ও বিজ্ঞ এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট সোহাগ চন্দ্র সাহা আটককৃত ভুয়া এই চিকিৎসককে ৩ হাজার টাকা জরিমানা করেন। দন্ডপ্রাপ্ত আব্দুর রহিম উপজেলার শালবাহান ইউনিয়নের ডাহুকগুচ্ছ গ্রামের আবুল হোসেনের ছেলে।
উপজেলা ভেটেরিনারি সার্জন ডা. রতন কুমার ঘোষ বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, দুপুরে উপজেলার ভজনপুর এলাকায় আব্দুর রহিম ভিজিটিং কার্ড দেখিয়ে নিজেকে পশু ডাক্তার হিসেবে পরিচয় দেন। ঘটনাস্থলে এসে যাচাই-বাছাই শেষে বিষয়টি সন্দেহ হলে তাকে আটক করা হয়। এসময় তার কাছ থেকে স্টেরয়েড, এন্টিবায়োটিক ওষুধ ও ভিজিটিং কার্ড উদ্ধার হয়।
এব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা(ইউএনও) সোহাগ চন্দ্র সাহা জানান, আব্দুর রহিম নামের এক যুবক তার ব্যাগ থেকে ভিজিটিং কার্ড দেখিয়ে চিকিৎসক পরিচয় দেন। পরে দেখা যায় তার কোনো প্রাতিষ্ঠানিক সনদ নেই, এ জন্য ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ওই যুবককে ভেটেরিনারি কাউন্সিল আইনে ভুয়া চিকিৎসক হওয়ার দায়ে ৩ হাজার টাকা অর্থদন্ড প্রদান করা হয়েছে।
-

শালিখায় অনাবৃষ্টিতে আমন ধান নিয়ে বিপাকে পড়েছে কৃষক
এইচ,এম রাজিব
আমন ধানের চারা রোপণের উপযুক্ত সময় শ্রাবণ মাস। কিন্তু শ্রাবণ ও আষাঢ় মাস শেষ হয়ে গেলেও হয়নি ভরা মৌসুমের বৃষ্টি। অনাবৃষ্টিতে আমন ধান নিয়ে বিপাকে পড়েছে শালিখা উপজেলার আমন ধান চাষীরা। ভরা মৌসুমের বৃষ্টির আশায় কৃষক স্বপ্ন দেখে আমন ধান চাষের কিন্তু প্রকৃতির নির্ভর হওয়ায় কৃষকের সেই স্বপ্ন বৃথা হতে যাচ্ছে। তীব্র খরার ফলে ফেটে যাচ্ছে ফসলের মাঠ নষ্ট হচ্ছে আমনের চাষ।
শালিখা উপজেলার আমন ধান চাষীদের সাথে কথা বললে তারা জানান, লোডশেডিং এর ফলে জমিতে পর্যাপ্ত পরিমাণে সেচ দিতে পারছি না। তেল ও সারের দাম বৃদ্ধি থাকায় আমন ধান চাষ করে আমরা লাভবান হতে পারবো না । আমন ধান চাষে আমরা প্রকৃতির উপর নির্ভরশীল হয়। কিন্তু এবার আষাঢ়, শ্রাবণ ভাদ্র মাস পার হয়ে যাচ্ছে তবুও বৃষ্টির মুখ দেখতে পারছি না। প্রখর খরার তাপে শুকিয়ে যাচ্ছে জমি। বার বার সেচ দিয়ে দিশেহারা হতে হচ্ছে । লোডশোডিং এর ফলে জমিতে পর্যাপ্ত পরিমাণে সেচ দিতে পারছি না। মেশিনের সেচ পদ্ধতি ব্যাবহার করবো কিন্তু তেল দিয়ে চাষ করে আমাদের লোকশান গুনতে হবে। ইউরিয়া সারের দাম আগে একহাজার টাকা বস্তা কিনতাম কিন্তু বর্তমানে চৌদ্দশত টাকা বস্তা কিনতে হচ্ছে। বেশি দাম দিয়েও ঠিকমতো সার কিনতে পারছি না। সবকিছুর দাম বৃদ্ধি হলেও কখনও নায্যমুল্য পায়না কৃষক।
উপজেলার ধনেশ্বরগাতী ইউনিয়নের ছানি আড় পাড়া গ্রামের আমন ধান চাষী মোঃ সোহরাব মীরের সাথে কথা বললে তিনি জানান, এবার বৃষ্টি না হওয়ার কারণে আমন ধান চাষ নিয়ে বিপাকে পড়তে হচ্ছে। একদিকে লোডশেডিং অন্যদিকে তেলের দাম বৃদ্ধি নেই বৃষ্টি ফসলের মাঠ ফেটে যাচ্ছে। আমন ধানে ঠিকমতো সেচ দিতে পারছি না। এই আমন ধানের চাষটা আমরা প্রকৃতির উপর নির্ভরশীল হয়ে করি।
এব্যাপারে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোঃ আলমঙ্গীর হোসেন জানান, শালিখা উপজেলায় আমন ধান চাষে বেশির ভাগই কৃষক প্রকৃতির উপর নির্ভরশীল হয়। কিন্তু এবার প্রকৃতির আর্শীবাদ না থাকায় একটু সমস্যায় পড়তে হচ্ছে। সমস্যা সমাধান করতে ইঞ্জিন চালিত মেশিনের মাধ্যমে সেচ দিতে হবে। এবছরে শালিখা উপজেলায় আমন ধানের চাষ হয়েছে মোট ১৩,৮৫০ হেক্টর জমিতে। আশা করি, এবার আমন ধানের ফলন ভালো হবে।
-

পাইকগাছায় সার-বীজ মনিটরিং সভা অনুষ্ঠিত
পাইকগাছা (খুলনা)প্রতিনিধি।।পাইকগাছায় উপজেলা সার ও বীজ মনিটরিং কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় চলতি আমন মৌসুমে ইউনিয়ন পর্যায়ে পর্যাপ্ত পরিমান সার সরবরাহের তাগিদ দিয়েছেন খুচরা ডিলাররা। তারা বর্তমানে পরিবহন খরচ সহ ডিলারদের কাছ থেকে বেশিদামে সারক্রয়ের অভিযোগ করেছেন। সংশ্লিষ্টরা বাজার মনিটরিং করার কথা বলেছেন। অন্যদিকে অনেক ইউনিয়নের খুচরা ডিলাররা অনিয়মিত এমনকি তারা বাহিরে সার পাচার করে থাকেন এ অভিযোগ উঠেছে। সভা সুত্রমতে দোকানের লাইন্সেস ও মূল্য তালিকা থাকতে হবে। সভায কৃষি বিভাগ জানান, উপজেলায় সার সংকট নেই, তবুও আমন মৌসুমে পরিমিত সার প্রয়োগের উদ্যোগ গ্রহন করা হয়েছে। মঙ্গলবার বিকালে কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তরের উদ্যোগে সার-বীজ মনিটরিং সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মমতাজ বেগম। উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ জাহাঙ্গীর আলম এর পরিচালনায় উপস্থিত ছিলেন কমিটি উপদেষ্টা উপজেলা চেয়ারম্যান আনোয়ার ইকবাল মন্টু, বোয়ালিয়া বীজ উৎপাদন খামারের সিনিয়র সহকারী পরিচালক কৃষিবিদ মোঃ হারুন অর রশীদ,কৃষি সম্প্রসারন অফিসার মোঃ মনিরুল হক,প্রানী সম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ বিষ্ণুপদ সিংহ,লতা ইউপি চেয়ারম্যান কাজল কান্তি বিশ্বাস,উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা মোঃ বিল্লাল হোসেন,সরাজ উদ্দীন মোড়ল,আবুল কালাম আজাদ, শেখ তোফায়েল আহমেদ, মফিজুর রহমান,উত্তম কুমার কুন্ড,ডল্টন রায়,অনিকা অধিকারী,সাংবাদিক স্নেহেন্দু বিকাশ, আঃ আজিজ,বিসিআইসি ডিলার রামপদ পাল,সাবেক চেয়ারম্যান সমরেশ হালদার,লক্ষন চন্দ্র পাল,মহসীন খান,মোখলেছুর রহমান,ভরত পাল,আজাহারুল ইসলাম প্রতিনিধিরালাভলু,রেখছোনা পারভিন,হিমাদ্রি সরদার সহ খুচরা ডিলার সহ এনজিও প্রতিনিধিরা।
প্রেরকঃ
ইমদাদুল হক,
পাইকগাছা,খুলনা।