Author: desk

  • রায়গঞ্জে শিশু সোয়া মনি হ-ত্যা মা-মলায় জ-ড়িত দুই আ-সামী গ্রে-ফতার

    রায়গঞ্জে শিশু সোয়া মনি হ-ত্যা মা-মলায় জ-ড়িত দুই আ-সামী গ্রে-ফতার

    এম এ সালাম,
    সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি :
    ভিকটিম শিশু সোয়া মনি ওরফে সূচনা (০৮), পিতা-মোঃ সুমন হোসেন (গত প্রায় তিন বছর যাবৎ কুয়েত প্রবাসী), সাং-মীরের দেউলমুড়া, ডাকঘর-হাট পাঙ্গাসী, থানা-রায়গঞ্জ, জেলা-সিরাজগঞ্জ। ভিকটিম সূচনা মীরের দেউলমুড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রথম শ্রেণীর ছাত্রী। গত ২০/০৮/২০২৫ সকাল অনুমান ০৯.০০ ঘটিকার সময় পরিবারের লোকজন দেখতে না পেয়ে আশপাশসহ আত্মীয়-স্বজনের বাড়িতে খোঁজাখুঁজি করে কোথাও পায় না। একই তারিখ বেলা অনুমান ১২.০০ ঘটিকার সময় বসত বাড়ীর পূর্ব পাশে জনৈক মোঃ সানোয়ার হোসেন (৪৫), পিতা-মৃত শাহজাহান আলীর বাড়ির দিকে স্থানীয় লোকজনের চিৎকার শুনে ভিকটিম সূচনার পরিবারের লোকজন এগিয়ে গিয়ে দেখতে পান যে ভিকটিম শিশু মোছাঃ সোয়া খাতুন ওরফে সূচনার লাশ সানোয়ারের বাড়ির পরিত্যক্ত টয়লেটের মধ্যে পরে আছে। অজ্ঞাতনামা দুষ্কৃতিকারীরা ভিকটিম শিশু মোছাঃ সোয়া খাতুন ওরফে সূচনাকে মাথায় ও কপালে গুরুতর রক্তাক্ত যখন প্রাপ্ত করে হত্যা করে লাশ গুম করার জন্য টয়লেটের মধ্যে ফেলে রেখে পালিয়ে গেছেন। এসংক্রান্তে ভিকটিম শিশু মোছাঃ সোয়া খাতুন ওরফে সূচনা’র দাদা বাদী হয়ে রায়গঞ্জ থাকায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। 
    সিরাজগঞ্জ জেলার সুযোগ্য পুলিশ সুপার জনাব মোঃ ফারুক হোসেন মহোদয় নিবিড় পর্যবেক্ষণ করে জনাব মোঃ হাফিজুর রহমান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম এন্ড অপস্), জনাব মোঃ নাজরান রউফ, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, সিরাজগঞ্জ সার্কেল (অতিরিক্ত দায়িত্বে রায়গঞ্জ সার্কেল) এর নেতৃত্বে জেলা গোয়েন্দা শাখার অফিসার ইনচার্জ জনাব মোঃ একরামুল হোসাইন, পিপিএম এর তত্বাবধানে ডিবির এসআই(নিঃ)/মোঃ নাজমুল হক, বিপিএম ও এসআই(নিঃ)/ অনুপ কুমার সরকার, জেলা গোয়েন্দা শাখা, সিরাজগঞ্জসহ ডিবি অফিসার ও ফোর্সের সমন্বয়ে একটি চৌকস টিম গঠন করেন। চৌকস এই টিম তথ্য প্রযুক্তি ও নিখুঁত গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে এবং নিরলস পরিশ্রম ও আন্তরিকতার কারণে হত্যাকান্ড সম্পর্কে অবহিত হওয়ার পরপরই ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন এবং ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটনসহ ঘটনার সাথে জড়িত আসামীকে সনাক্তপূর্বক আসামী মোঃ মনিরুল ইসলাম জিহাদ(২১) ও মোছাঃ আতিয়া পারভীন (২৭)’দ্বয়কে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। 
    গ্রেফতারকৃত আসামীদ্বয়ের মধ্যে আসামী মোঃ মনিরুল ইসলাম জিহাদ ঘটনার বিষয়ে লোমহর্ষক বর্ণনা দিয়ে বিজ্ঞ আদালতে ফৌঃ কাঃ বিঃ আইনের ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করে।

  • ফ্যা-সিবাদ কা-য়েমকারীদের বি-চার বাংলার মাটিতে হবে : কৃষিবিদ হাসান জাফির তুহিন

    ফ্যা-সিবাদ কা-য়েমকারীদের বি-চার বাংলার মাটিতে হবে : কৃষিবিদ হাসান জাফির তুহিন

    তোফাজ্জল হোসেন বাবু
    পাবনা প্রতিনিধিঃ

    যারা দেশে ফ্যাসিবাদ কায়েম করেছিল তাদের বিচার বাংলার মাটিতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন কৃষিবিদ হাসান জাফির তুহিন। তিনি পাবনাবাসীর প্রতি ধানের শীষের সকল কর্মর্সূচিতে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।

    তিনি বলেন, যেখানে ধানের শীষের মিছিল হবে, র‌্যালি হবে স্লোগান হবে আপনারা সেখানে অংশগ্রহণ করবেন। যারা গত সতেরো বছর নির্যাতনের শিকার হয়েছেন ধানের শীষকে বিজয়ী করার মাধ্যমে তারা মূল্যায়িত হবেন।

    যারা দেশে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করেছে, যারা দেশে স্বৈরাচারী ব্যবস্থা কায়েম করেছে, ফ্যাসিবাদ কায়েম করেছে তাদের বিচার বাংলার মাটিতে হবে ইনশাল্লাহ।

    শনিবার (২৩ আগস্ট) বিকেলে পাবনার চাটমোহরে ধানের শীষের পক্ষে গণমিছিল শুরুর প্রাক্কালে দলীয় নেতা-কর্মীদের উদ্দেশ্যে উপরোক্ত কথাগুলো বলেন, পাবনা-৩ এলাকা থেকে বিএনপির প্রাথমিক মনোনয়ন প্রাপ্ত এমপি প্রার্থী জাতীয়তাবাদী কৃষক দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি কৃষিবিদ হাসান জাফির তুহিন।

    তিনি আরো বলেন, আমাদের মধ্যে কোনো বিভেদ নেই। যারা বিভেদপূর্ণ বক্তব্য দিচ্ছেন তারা নিজেদের ভুল বুঝতে পারবেন আশা করি।

    আমরা উপজেলা, পৌর বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের সকল নেতাকর্মী একসঙ্গে কর্মসূচি পালন করব। আপনারা বেগম খালেদা জিয়া, তারেক রহমানের নির্দেশ মানবেন আশা করি।
    শনিবার বিকেলে পাবনার চাটমোহর পৌর সদরের বাসস্ট্যান্ড এলাকা থেকে ধানের শীষের পক্ষে গণমিছিল শুরু হয়। উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন ও পৌর সদরের বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা এ গণমিছিলে অংশ গ্রহণ করেন।

    মিছিলটি পৌর সদরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে।

    এসময় চাটমোহর পৌর বিএনপির সভাপতি আসাদুজ্জামান আরশেদ, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির আহবায়ক কমিটির সদস্য অ্যাডভোকেট আরিফা সুলতানা রুমা, অধ্যক্ষ এম এ মাহমুদ, চাটমোহর উপজেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যক্ষ আব্দুর রহিম কালু, উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহবায়ক সেলিম রেজা, সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান রবিউল করিম তারেক, স.ম আতাউর রহমান তোতা, উপজেলা শ্রমিক দলের সভাপতি মোন্তাজ আহম্মেদ, মূলগ্রাম ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি লিখন বিশ্বাস, উপজেলা কৃষক দলের আহবায়ক লিটন বিশ্বাস, বিএনপি নেতা আবু হানিফ, শাহাদত হোসেন, আব্দুল জব্বার, মোতালেব হোসেন, যুবদল নেতা জাবেদ মোল্লা,
    ছাত্রদল নেতা ফুলচাঁদ হোসেন শামীমসহ দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

    তোফাজ্জল হোসেন বাবু, পাবনা ।।

  • বাকৃবিতে  BAS-USDA এর ৬ষ্ঠ পর্যায়ের প্রা-রম্ভিক ক-র্মশালা অনুষ্ঠিত

    বাকৃবিতে BAS-USDA এর ৬ষ্ঠ পর্যায়ের প্রা-রম্ভিক ক-র্মশালা অনুষ্ঠিত

    আরিফ রববানী ময়মনসিংহ।।
    বাংলাদেশ একাডেমি অব সায়েন্স(BAS) এবং ইউনাইটেড স্টেটস ডিপার্টমেন্ট অব এগ্রিকালচার(USDA) এর যৌথ অর্থায়নে এবং বাংলাদেশ এগ্রিকালচারাল রিসার্চ সিস্টেম(বাউরেস) এর তত্ত্বাবধানে পরিচালিত একটি গবেষণা সহায়তা কর্মসূচীর ৬ষ্ঠ পর্যায়ের প্রারম্ভিক কর্মশালার উদ্বোধনী বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    রবিবার (২৪ আগস্ট) সকাল ১০.০০টায় সৈয়দ নজরুল ইসলাম সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত উক্ত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. এ কে ফজলুল হক ভূঁইয়া। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ একাডেমি অব সায়েন্স এর ফেলো ও সেক্রেটারি প্রফেসর ড. হাসিনা খান এবং বাকৃবির উচ্চ শিক্ষা ও গবেষণা কমিটির কো-অর্ডিনেটর প্রফেসর ড. মো: সামছুল আলম।বাংলাদেশ একাডেমি অব সায়েন্স এর ফেলো মেজর জেনারেল(অব:) প্রফেসর ড. এএসএম মতিউর রহমান এর সভাপতিত্বে এবং সহকারী প্রফেসর ফাতেমা-তুজ জোহরার সঞ্চালনায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন প্রফেসর ড.জাভেদুর রহমান ভূঁইয়া, সহযোগী পরিচালক(বাউরেস)।এছাড়াও বিশেষ অতিথিবৃন্দ তাদের মুল্যবান বক্তব্য প্রদান করেছেন। প্রধান অতিথি হিসেবে ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. এ কে ফজলুল হক ভূঁইয়া শুরুতে স্বাধীনতা পূর্ববর্তী সময় থেকে ২০২৪ সনের জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানে যারা দেশমাতৃকার সার্বভৌমত্ব রক্ষায় প্রতিবন্ধক রাজনৈতিক বাঁকগুলো সহজিকরণের জন্য, গণতন্ত্রের জন্য, স্বাধীনতার জন্য জীবনে সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকার করেছেন তাদের আত্মার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন এবং যারা আহত হয়েছেন অথবা পঙ্গুত্ব বরণ করেছেন তাদের প্রতি গভীর সমবেদনা ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি BAS-USDA এর ৬ষ্ঠ পর্যায়ের এই কর্মশালায় উপস্থিত সংশ্লিষ্ট শিক্ষক-গবেষকবৃন্দকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান।
    এই কর্মশালায় সংশ্লিষ্ট গবেষক, নীতিনির্ধারক বা অংশীদারদের একত্রিকরনের মাধ্যমে কাজের পরিকল্পনা, দায়িত্ব বন্টন এবং বাস্তবায়ন কৌশল নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হবে বলে এমন আশাবাদ প্রকাশ করে তিনি বলেন , বাকৃবির যে সমস্ত শিক্ষক- গবেষক এখানে সম্পৃক্ত রয়েছেন তাদের বিজ্ঞানের প্রতি নেশা বিজ্ঞান অনুসন্ধিৎসু মন সমাজ তথা দেশের কল্যাণে ব্যয় হবে এমনটাই প্রত্যাশিত। বাকৃবির গবেষকবৃন্দ ভবিষ্যতে যেন আরো BAS-USDA সংশ্লিষ্ট প্রকল্প পেতে পারে সেজন্য যথাযথ কর্তৃপক্ষের প্রতি আহবান জানান।
    উল্লেখ্য, কৃষি ও বিজ্ঞান খাতের উন্নয়নে আন্তর্জাতিক সহযোগীতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে আয়োজিত উক্ত কর্মশালায় সংশ্লিষ্ট প্রকল্পগুলোর প্রিন্সিপাল ইনভেস্টিগেটর, কো-প্রিন্সিপাল ইনভেস্টিগেটর, বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক-গবেষকবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন।

  • সাবেক সহ সম্পাদকের মৃ-ত্যুতে গৌরনদী প্রেসক্লাবের শো-ক সভা

    সাবেক সহ সম্পাদকের মৃ-ত্যুতে গৌরনদী প্রেসক্লাবের শো-ক সভা

    কে এম সোয়েব জুয়েল,
    গৌরনদী প্রতিনিধি।
    স্বৈরাচার সরকারের দোসরের বিরুদ্ধে সংবাদ লিখে সামরিক আদালতের মিথ্যা রাষ্ট্রদ্রোহী মামলার আসামি সাংবাদিক ঐতিহ্যবাহি গৌরনদী প্রেক্লাবের সাবেক সহ সম্পাদক মোঃ সাহেব আলী হাওলাদার (এইচ এম এস আলী’র) মৃত্যুতে গৌরনদী প্রেসক্লাবের উদ্যোগে শোক সভা ও মিলাদ গৌরনদী প্রেসক্লাব কার্যালয়ে শনিবার বাদ আসর অনুষ্ঠিত হয়। গৌরনদী প্রেসক্লাবের আহ্বায়ক সিনিয়র সাংবাদিক খোন্দকার মনিরুজ্জামান মনিরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত স্বরণ সভায় বক্তব্য রাখেন গৌরনদী প্রেসক্লাবের প্যানেল আহবায়ক সিনিয়র সাংবাদিক জহুরুল ইসলাম জহির, মোঃ গিয়াস উদ্দিন মিয়া, সদস্য বদরুজ্জামান খান সবুজ, মনিশ চন্দ্র বিশ্বাস,মোঃ খায়রুল ইসলাম, মোঃ শাহিন প্রমূখ। দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন সরকারি গৌরনদী কলেজ জামে মসজিদের ইমাম মাওলানা মহিউদ্দিন খান।

  • আদালতের রায় অ-মান্য করে জমির মালিক কে বিএনপি নেতার হু-মকি

    আদালতের রায় অ-মান্য করে জমির মালিক কে বিএনপি নেতার হু-মকি

    খলিলুর রহমান খলিল, নিজস্ব প্রতিনিধি :

    ৭০ বছর ধরে বেদখলে থাকা পৈত্রিক জমি আদালতের নির্দেশে উদ্ধার করেও শান্তি পাচ্ছেন না রংপুরের তারাগঞ্জ উপজেলার এক দরিদ্র বৃদ্ধ। জমি ফিরে পাওয়ার দিনই হামলার শিকার হন তিনি। এরপর থেকে প্রতিনিয়ত প্রাণনাশের হুমকিতে কাটছে তাঁর ও পরিবারের প্রতিটি দিন।
    তারাগঞ্জ উপজেলার আলমপুর ইউনিয়নের খোর্দ বেলাইচন্ডী সর্দারপাড়া গ্রামের ৬৮ বছর বয়সী মো. আব্দুল জব্বার জানান, তাঁর দাদা জমির উদ্দিনের রেখে যাওয়া ৬৮ শতক জমি দীর্ঘদিন ধরে ভোগদখল করে আসছিলেন স্থানীয় কিছু প্রভাবশালী ব্যক্তি, যাদের মধ্যে বিএনপি নেতা মশিউর রহমান ওরফে কালুয়া অন্যতম।
    জমি উদ্ধারে পরিবারটি একাধিক প্রজন্ম ধরে আইনি লড়াই চালিয়ে আসছিল। ২০১৫ সালে আব্দুল জব্বার মামলার বাদী হন। মামলার দীর্ঘ প্রক্রিয়া শেষে আদালত তাঁর পক্ষে রায় দেন এবং জমি ফেরতের নির্দেশ দেন। এরপর গত ১৩ জুলাই রংপুর জেলা প্রশাসনের প্রতিনিধি, সেনাবাহিনী, তারাগঞ্জ থানা পুলিশ ও আদালতের কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে জমি দখলমুক্ত করে তাঁর হাতে বুঝিয়ে দেওয়া হয়।
    তবে জমি বুঝে পাওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই দুর্বৃত্তরা তাঁর ঘরবাড়িতে হামলা চালায়। এরপর থেকে প্রায় প্রতিদিনই হামলার হুমকি পাচ্ছেন তিনি ও তাঁর পরিবার।
    অভিযোগ উঠেছে, বিএনপি নেতা মশিউর রহমান (কালুয়া) ও তার অনুসারীরা আব্দুল জব্বারকে হুমকি দিয়ে বলছে, ‘তুই জমি নিছস, এবার তোকে শেষ করুম’। এমন হুমকিতে আতঙ্কিত হয়ে বৃহস্পতিবার রাতে তারাগঞ্জ থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন জব্বারের মেয়ে জেসমিন আক্তার।
    জেসমিন বলেন, “প্রতিপক্ষরা আমাদের রাস্তাঘাটে আটকিয়ে ভয় দেখায়। পুলিশের সামনেই মারতে আসে। কোথায় যাবো, কী করবো— কিছু বুঝে উঠতে পারছি না।”
    স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দখলদাররা দীর্ঘদিন ধরে আব্দুল জব্বার ও তাঁর পরিবারের উপর নানা অত্যাচার চালিয়ে এসেছে। থাকার মতো জায়গা না থাকায় পরিবারটি খড়ের ছাউনিতে ১০ হাত একটি ঘরে গাদাগাদি করে থাকতো। গোসল করতো সেচ ক্যানেলে, প্রাকৃতিক কাজ সারতো ঝোপে। অন্যের নলকূপের পানি ব্যবহার করে চলতো তাদের জীবন।
    আব্দুল জব্বার বলেন, “আদালতের রায় অনুযায়ী জমি পেয়েছি। প্রশাসনের উপস্থিতিতে দখলও নিয়েছি। এখন তারা আবার জমিতে যেতে দিচ্ছে না। আমার পরিবারের জীবন হুমকির মুখে। সরকার ও প্রশাসনের কাছে সুষ্ঠু বিচার চাই।”
    তারাগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এম এ ফারুক বলেন, “অভিযোগ পেয়েছি, তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
    এ ঘটনায় রাজু, জামাল উদ্দিন ওরফে টোল্লা, দুলু, খোকন সরদার, রেজাউল হোসেন, রফিক আলী, চন্টু, কালা মিয়া, জিকরুল ইসলাম, জিয়ারুল ইসলাম, আরজিনা বেগম, দুলালী বেগম, রফিকা বেগম, মশিউর রহমান ওরফে কালুয়া, লাল বাহাদুর, মাসুদ ও আফেজা বেগমের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।
    মানবাধিকার কর্মীরা বলছেন, আদালতের নির্দেশ বাস্তবায়নের পরও যদি ভুক্তভোগীরা জমিতে নিরাপদে থাকতে না পারেন, তবে তা রাষ্ট্রের আইনি কাঠামোর উপর সরাসরি আঘাত। দ্রুত নিরাপত্তা নিশ্চিত না হলে বড় ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটতে পারে।

  • রেল কর্মকর্তার পিতার নামে খা-স জলাশয় ব-রাদ্দ দেয়ার অ-ভিযোগ

    রেল কর্মকর্তার পিতার নামে খা-স জলাশয় ব-রাদ্দ দেয়ার অ-ভিযোগ

    এম এ সালাম,
    সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি :
    বাংলাদেশ সরকারের রেল আইনের বিধি-নিষেধ ভঙ্গ করে বিনা নোটিশে ৫৫ বছর ধরে বন্দোবস্ত দেওয়া খাস জলাশয় প্রতারণার মাধ্যমে রেল কর্মকর্তার পিতার নামে নতুন করে বরাদ্দ দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে রাজশাহী পশ্চিমাঞ্চল রেল সংস্থাপন কর্মকর্তা রাশেদ ইবনে আকবরের বিরুদ্ধে। ঈশ্বরদী টু সিরাজগঞ্জ রেল লাইনের পাবনা জেলার ভাঙ্গুড়া উপজেলার দিলপাশার রেল স্টেশনের পাশ্ববর্তী রেলসেতু সংলগ্ন সি এস-২৫ (টিপি নং-১৫৪/৫ থেকে ১৫৪/৬) দাগে ১ দশমিক ৫২ শতাংশ জলাশয় মৎস্য আহরণের জন্য ১৯৭০ সাল থেকে ৫৫ বছর ধরে রেল আইনের বিধি অনুযায়ী খাজনা পরিশোধ করে ভোগ দখল করে আসছে পাশ্ববর্তী জমির মালিক মির্জা মেনহাজ উদ্দিন ও তার পরবর্তী বংশধর মির্জা কে. ই তুহিন গং। চলতি বছরে খাজনা পরিশোধ করতে গিয়ে তুহিন দেখতে পান তাদের ভোগ-দখলী জলাশয়টি কোন রকম নোটিশ ব্যতীত জনৈক আলী আকবর নামের এক ব্যক্তিকে নতুন করে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। দুর্নীতি ও অনিয়মের মাধ্যমে বিধি বর্হিভুতভাবে নতুন করে এই বন্দোবস্ত দেওয়ায় ভোগ দখলকারী মির্জা কে.ই তুহিন ব্যবস্থা চেয়ে গত বুধবার বাংলাদেশ রেল মন্ত্রণালয়ের সচিব ও মহাপরিচালক বরাবর সংস্থাপন কর্মকর্তা রাশেদ ইবনে আকবর (পশ্চিম-রাজশাহী) অঞ্চল এর বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
    অভিযোগে তুহিন বলেন, ১৯৭০ সাল থেকে খাজনা পরিশোধ পূর্বক ৫৫ বছর ধরে আমার পিতামোহ ও তার মৃত্যুর পর আমার পিতা আব্দুল লায়েক মির্জা তার অবর্তমানে আমি উপরোল্লেখিত জলাশয়টি ভোগ দখল করে আসছি। গত ২৮ জুলাই- ২০২৫ ইং তারিখে বাংলাদেশ রেলওয়ে পশ্চিমাঞ্চল রাজশাহীতে কর্মরত সুচতুর অনিয়ম ও দুর্নীতিবাজ প্রকৌশলী এস. এম রাশেদ ইবনে আকবর সংস্থাপন কর্মকর্তা তার ক্ষমতার অপব্যবহার করে সম্পূর্ণ অন্যায় ভাবে স্বজনপ্রীতি করে তার পিতা আলী আকবর (বাসা ১০/৫, মোল্লাপাড়া রোড, খালিশপুর, খুলনার নামে অবৈধভাবে খাস আদায় করেছেন। এটা রেলওয়ে আইনের নিয়ম ও বিধিবর্হিভুত। কতৃপক্ষের নিকট উক্ত বিষয় তদন্তপূর্বক সত্যতা যাচাই ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য লিখিত অভিযোগে জোড় দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী মির্জা কে. ই তুহিন ও অপর সমবায় সদস্যরা।
    এ ব্যাপারে অভিযুক্ত পশ্চিমাঞ্চল রাজশাহী রেওয়ের সংস্থাপন কর্মকর্তা এস. এম রাশেদ ইবনে আকবর এর মুঠোফোনে বার বার ফোন দিলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
    এ ব্যাপারে বাংলাদেশ রেলওয়ের মহা- পরিচালক মোঃ আফজাল হোসেন মুঠোফোনে জানান, লিখিত অভিযোগের প্রেক্ষিতে তদন্ত পূর্বক প্রয়োনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

  • চট্টগ্রামে অ-পরাধ অ-নুসন্ধান পত্রিকার ৭ম বর্ষপূর্তি: সাংবাদিকদের নি-রাপত্তা নি-শ্চিতের দাবি

    চট্টগ্রামে অ-পরাধ অ-নুসন্ধান পত্রিকার ৭ম বর্ষপূর্তি: সাংবাদিকদের নি-রাপত্তা নি-শ্চিতের দাবি

    শহিদুল ইসলাম,
    বিশেষ প্রতিনিধিঃ

    আয়োজিত দৈনিক অপরাধ অনুসন্ধান পত্রিকার ৭ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন— সাংবাদিকতার স্বাধীনতা, সুষ্ঠু পরিবেশ, নিরাপত্তা ও প্রশিক্ষণ হচ্ছে সাংবাদিকদের মৌলিক ও পেশাগত অধিকার। সাংবাদিকরা জাতির দর্পণ; গণমাধ্যমের উপর আঘাত মানে রাষ্ট্রের উপর আঘাত।

    নগরীর সিইপিজেড এলাকার গ্র্যান্ড পতেঙ্গা রেস্তোরা-এ এই আলোচনা সভার আয়োজন করে বাংলাদেশ সাংবাদিক ক্লাব। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সাংবাদিক মোঃ হায়দার আলী এবং সঞ্চালনা করেন দৈনিক আমার সময় পত্রিকার চট্টগ্রাম প্রতিনিধি সাংবাদিক জাকারিয়া হোসেন সাগর।

    অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন—বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী সড়ক পরিবহন শ্রমিক দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সিনিয়র সহ-সভাপতি ও বিএনপি চট্টগ্রাম মহানগরীর ৩৮ নং ওয়ার্ডের সাবেক সভাপতি মোঃ আজম উদ্দিন।

    প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন—বাংলাদেশ সাংবাদিক ক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান সাংবাদিক মো. খলিলুর রহমান।

    বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন—বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের চট্টগ্রাম মহানগরের সহ-সভানেত্রী ও বন্দর থানা সভানেত্রী শাহিদা খানম মালা,,চট্টগ্রাম রিপোর্টার্স
    অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি সোহাগ আরেফিন

    বাংলাদেশ সাংবাদিক ক্লাবের প্রধান উপদেষ্টা অসিত গাইন,দক্ষিণ অঞ্চলের সভাপতি ফকির মোহাম্মদ মিরাজ আলী শেখ,বাংলাদেশ সাংবাদিক সংস্থার কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব কে. এম. রুবেল,বাংলাদেশ সাংবাদিক ক্লাবের ভাইস-চেয়ারম্যান সাংবাদিক ইব্রাহিম খলিল

    অন্যান্য উপস্থিত গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ—দৈনিক কালের কণ্ঠ-এর সিনিয়র সাংবাদিক ও বাংলাদেশ সাংবাদিক কমিউনিটির যুগ্ম আহ্বায়ক গৌরাঙ্গ দেবনাথ অপু, দৈনিক আজকের মানব সময়-এর সম্পাদক ও প্রকাশক এম. মোসলেহ উদ্দিন বাহার, সাংবাদিক বাবুল হোসেন বাবলা, আমিনুল ইসলাম, দৈনিক ঘোষণা পত্রিকার স্টাফ রিপোর্টার মোঃ শহিদুল ইসলাম, সাংবাদিক মোঃ রুবেল, আবু হানিফ, বিশিষ্ট সমাজসেবক মোহাম্মদ সেলিম খান, বিদ্যাঙ্গন টিভির প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক মো. সাজ্জাদুল করিম খান, অঙ্কুর শিশু কিশোর সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি আনিসুল হক রিপন, সাংবাদিক মোহাম্মদ মনির তালুকদার, মোঃ নুর উদ্দিন, আবুল খায়ের, মোঃ মোশারফ হোসেন, মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম, মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন প্রমুখ।

    সাংবাদিকতার উন্নয়ন ও গণতন্ত্র রক্ষায় স্বাধীনতা, সুষ্ঠু পরিবেশ, নিরাপত্তা ও নিয়মিত প্রশিক্ষণ অপরিহার্য। বক্তারা আরও বলেন— সাংবাদিকদের মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করা রাষ্ট্র ও সমাজের যৌথ দায়িত্ব।

  • ‎ঝালকাঠি রেড ক্রিসেন্ট ইউনিটের উদ্যোগ কালেক্টরেট স্কুলে শিক্ষার্থীদের রক্তের গ্রু-প নির্ণয়

    ‎ঝালকাঠি রেড ক্রিসেন্ট ইউনিটের উদ্যোগ কালেক্টরেট স্কুলে শিক্ষার্থীদের রক্তের গ্রু-প নির্ণয়


    ‎ঝালকাঠি প্রতিনিধিঃ মোঃ নাঈম মল্লিক

    ‎ঝালকাঠির কালেক্টরেট স্কুল এন্ড কলেজের শিক্ষার্থীদের রক্তের গ্রুপ নির্ণয় করেছে জেলা রেড ক্রিসেন্ট ইউনিট। রোববার (২৪ আগস্ট) সকালে বিদ্যালয়ের একটি কক্ষে এ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) ও বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শাকিলা রহমান।

    ‎দুপুরে এই কার্যক্রম পরিদর্শন করেন ঝালকাঠি রেড ক্রিসেন্ট ইউনিটের সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুল হক নান্নু। এসময় উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের অন্যতম সদস্য এডভোকেট মো. আককাস সিকদার। বিদ্যালয়ের আয়োজনে এই কার্যক্রমের সার্বিক সহযোগিতা করে ঝালকাঠি রেড ক্রিসেন্ট ইউনিট।

    ‎এতে বিদ্যালয়ের প্রথম থেকে দশম শ্রেণির প্রায় ছয় শতাধিক শিক্ষার্থীর রক্তের গ্রুপ নির্ণয় করা হয়। বিদ্যালয়ের ।

    ‎রেড ক্রিসেন্ট ইউনিটের যুব প্রধান নাইম খান,  সহকারী যুব প্রধান আহমেদ রাজু, স্বাস্থ্যসেবা সমন্বয়ক হ্যাপি আক্তার ও আজমানুর রহমান জয়সহ মোট ১২ জন স্বেচ্ছাসেবক এই কর্মসূচি বাস্তবায়নে সহযোগিতা করে।

    ‎ঝালকাঠি ইউনিটের সাধারন সম্পাদক মাহবুবুল হক নান্নু বলেন, শিক্ষার্থীদের রক্তের গ্রুপ জানা অত্যন্ত জরুরি। দুর্ঘটনা কিংবা যেকোনো জরুরি মুহূর্তে দ্রুত রক্ত সরবরাহ নিশ্চিত করতে এ তথ্য অমূল্য ভূমিকা রাখে। এজন্যই আমরা এ উদ্যোগ নিয়েছি। তিনি জানান, পর্যায়ক্রমে ঝালকাঠি সরকারি কলেজ, সরকারি মহিলা কলেজসহ জেলার অন্যান্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানেও এ কর্মসূচি চালানো হবে।

  • বাবুগঞ্জের জাহাঙ্গীরনগর ইউনিয়নের আ-ঞ্চলিক সড়ক,পাকা করার দা-বিতে মা-নববন্ধন

    বাবুগঞ্জের জাহাঙ্গীরনগর ইউনিয়নের আ-ঞ্চলিক সড়ক,পাকা করার দা-বিতে মা-নববন্ধন

    কে এম সোহেব জুয়েল ঃ বাবুগঞ্জে ১ নং বীরশ্রেষ্ঠ জাহাঙ্গীরনগর ইউনিয়নের বীরশ্রেষ্ট মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে দক্ষিন দিকে মরহুম নাদের হাওালাদারের বাড়ির সম্মুখ হয়ে দক্ষিন চরআলগী খেয়াঘাট ও চরআলগী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় হয়ে চরআলগী উচু ব্রীজ পর্যন্ত কপাকা করনের দাবিতে জাহাঙ্গীরনগর ইউনিয়নে মানববন্ধন হয়েছে।

    রোববার বিকালে উপজেলার জাহাঙ্গীরনগর ইউনিয়নের চরআলগী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সম্মুখে কাচা রাস্তায় এ মানববন্ধন করা হয়ছে।

    মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপি,সাবেক আহবায়ক সদস্য ও ১ নং বীরশ্রেষ্ঠ জাহাঙ্গীরনগর ইউনিয়নের সাবেক সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক মোঃ জসিম উদ্দীন,মোঃ দেলোয়ার হোসেন সাবেক বাবুগঞ্জ উপজেলা কৃষক দলের আহবায়ক ও সাবেক ১নং জাহাঙ্গীর নগর ইউনিয়ন সাধারণ সম্পাদক, মোঃ হাবিবুর রহমান রিপন, থানা উপজেলা বিএনপি আহবায়ক সদস্য ও ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক, মোঃ শাখয়াত খান জেলা যুব দলের সহ- সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক উপজেলার সাংগঠনিক সম্পাদক, মোঃ ফারুক হোসেন মোল্লা সাবেক জাহাঙ্গীর নগর ইউনিয়ন যুবদলের সাধারণ সম্পাদক, মোঃ আমিনুল মোল্লা উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহবায়ক, তপন মন্ডল জেলা ছাত্র দলের সহ- সাধারণ সম্পাদক, মোঃ নাজমুল হোসেন নওশাদ জেলা ছাত্র দলের সহ- সাংগঠনিক সম্পাদক, নাবিদ হাসান শান্ত সাবেক সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর নগর ইউনিয়ন, মোঃ আবুবকর সিদ্দিক জাহাঙ্গীর নগর ইউনিয়ন কৃষক দলের সদস্য সচিব মোঃ রাসেল হাওলাদার জাহাঙ্গীর নগর ইউনিয়ন কৃষক দলের যুগ্ম আহবায়ক জেলা জিয়া মঞ্চের দপ্তর সম্পাদক, এছারাও উপস্থিত ছিলেন জেলা যুবদল, ছাত্রদল, ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দল,চর আলগীর মসজিদ ইমাম, বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের কর্মী সহ ভুক্তভোগী স্হানীয় শতাধিক জনগন মানববন্ধনে অংশ গ্রহন করেন।

    মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সম্মুখ( নাদের হাওলাদার) বাড়ি সম্মুখ থেকে দক্ষিন চর আলগি খেয়াঘাট হয়ে পশ্চিম চর আলগী উচু ব্রিজ পর্যন্ত ৩:কিলোমিটার সড়ক কাঁচা রাস্তা থাকায় জনসাধারণ দুর্ভোগ সৃষ্টি হচ্ছে। স্বাধীনতার পর ও আওয়ামী লীগের ১৫ বছর এ আঞ্চলিক সড়ক পাকা সড়কের ব্যবস্থা করা হয় নাই। ৩ কিলোমিটার দীর্ঘ এ সড়কটি পাকা না করার কারণে কাঁচা রাস্তা দিয়ে প্রায়ই দুর্ঘটনাসহ যাত্রীদের প্রাণহানির ঘটনা ঘটছে।

    প্রতিদিন বাবুগঞ্জ সদর, বাটাজোর থেকে ঢাকা-বরিশালসহ দেশের বিভিন্ন গন্তব্যে পাঁচ শতাধিক লোক এই সড়ক দিয়া চলাচল করে।
    এটি পাকা করনের দাবি জানান তারা। তা না হলে কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দেন তারা।

    মানববন্ধন শেষে জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে সড়ক পরিবহণ ও সেতু মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা বরাবর স্মারকলিপি পেশ করা হয়।

    ।উপজেলা কৃষক দলের সাবেক সভাপতি দেলোয়ার হোসেনের সভাপতিত্বে মানববন্ধনে বক্তব্য দেন- জেলা যুবদলের সহ-সাধারণ সম্পাদক শওকত হোসেন, উপজেলা বিএনপির সদস্য হাবিবুর রহমান, আগরপুর ইউনিয়ন বিএনপি সাবেক সিনিয়র যুগ্ন আহবায়োক জসীমউদ্দীন, যুবদলের সদস্য ফারুক মোল্লা আমিনুল মোল্লা, যুবদলের সদস্য ফিরোজ আমির প্রমুখ।

  • মোরেলগঞ্জে বাগেরহাট-৪ আসন বা-তিলের প্র-তিবাদে অব-রোধ পালিত

    মোরেলগঞ্জে বাগেরহাট-৪ আসন বা-তিলের প্র-তিবাদে অব-রোধ পালিত

    এস. এম. সাইফুল ইসলাম কবির .বিশেষ প্রতিনিধি:
    বাগেরহাট-৪ সংসদীয় আসন বাতিলের সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে এবং আসনটি পূর্ণ বহালের দাবিতে মোরেলগঞ্জে আজ রবিবার (২৪ আগস্ট) সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত সর্বদলীয় সম্মিলিত কমিটির উদ্যোগে অবরোধ কর্মসূচি পালিত হয়েছে।

    অবরোধ কর্মসূচিতে অংশ নেন এলাকার বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীরা। তারা অভিযোগ করেন, বাগেরহাট-৪ আসন বাতিলের সিদ্ধান্ত জনবিচ্ছিন্ন ও অগণতান্ত্রিক। আসনটি বহাল না রাখা হলে বৃহত্তর আন্দোলনের মাধ্যমে তা প্রতিহত করা হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেন তারা।

    আন্দোলনে নেতৃত্ব দেন বাগেরহাট-৪ আসনের গণমানুষের নেতা অধ্যক্ষ আব্দুল আলিম। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি শহিদুল হক বাবুল, উপজেলা জামায়াতের আমির মাওলানা শাহাদাত হোসেন, নায়েবে আমির মাস্টার মনিরুজ্জামান, পৌর বিএনপির সভাপতি শিকদার ফরিদুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান মিলন, জামায়াতের পৌর আমির মাস্টার রফিকুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক মাওলানা আল আমিন হোসাইন, সাবেক পৌর বিএনপির সদস্য সচিব অধ্যক্ষ জাহাঙ্গীর আল আজাদ, উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক আহ্বায়ক আবু সালেহ এবং বারইখালী জামায়াতের আমির মুহিবুল্লাহ রফিক প্রমুখ।

    সমাবেশে বক্তারা বলেন, “বাগেরহাট-৪ আসন আমাদের অস্তিত্বের প্রতীক। এটিকে মুছে ফেলা মানে আমাদের কণ্ঠরোধ করা। আমরা তা মেনে নেব না।