Author: desk

  • দূর্ঘটনায় আহত মাওলানার পাশে ইমাম সমিতির সভাপতি সাধারণ সম্পাদক

    দূর্ঘটনায় আহত মাওলানার পাশে ইমাম সমিতির সভাপতি সাধারণ সম্পাদক

    বি এম মনির হোসেনঃ-

    আজ ১০ই সেপ্টেম্বর 2022ইং মাওলানা ইদ্রিসুর রহমানকে দেখতে, বরিশাল মিট টাউন হাসপাতালে ছুটে যান।
    বাংলাদেশ জাতীয় ইমাম সমিতির আগৈলঝাড়া উপজেলা শাখার আহবায়ক কমিটির
    সভাপতি হাফেজ মাওলানা ফজলুর হক,সাধারণ সম্পাদক
    হাফেজ মাওলানা শফিকুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক, হাফেজ মাওলানা আসাদুজ্জামান নূরসহ বরিশাল জেলা আহবায়ক কমিটির সদস্যরা। গত ৩ সেপ্টেম্বর মটর সাইকেল এক্সিডেন্টে গুরুতর আহত হয়েছেন, ডান পা- ভেঙে গেছে,শরীরের বিভিন্ন জায়গায় আরও ক্ষত হয়েছে,
    মাওলানা ইদ্রিসুর রহমানের,আজকে বিকাল
    ৩ ঘটিকার সময় অপারেশন হবে সকলের কাছে দোয়া চেয়েছেন।

  • জয়পুরহাটে বিভিন্ন বিদেশী মদসহ এক জন মাদক ব্যবসায়ী আটক

    জয়পুরহাটে বিভিন্ন বিদেশী মদসহ এক জন মাদক ব্যবসায়ী আটক

    স্টাফ রিপোর্টারঃ- নিরেন দাস

    জয়পুরহাট সদরে ৪,৬২০ মিলি; বিভিন্ন ধরনের বিদেশি মদ ও মাদক সহ ১ জন মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে৷

    শনিবার (১০সেপটম্বর) বিকেলে ৩টার সময় খঞ্জনপুর এলাকা থেকে আটক করে জয়পুরহাট জেলা ডিবি পুলিশ।

    আটককৃত, নওগাঁ জেলার সুলতানপুর কালীতলা গ্রামের অজিত চন্দ্র মহন্ত্রহের ছেলে শ্রী পাপ্পু মহন্ত(২৫) কে আটক করা হয়েছে।

    পুলিশ জানায়, ডিবি পুলিশের নেতৃত্বে মাদকদ্রব্য উদ্ধার ও বিশেষ অভিযান পরিচালনা করাকালীন সময় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জয়পুরহাট জেলার সদর থানাধীন পৌরসভার অন্তর্গত খঞ্জনপুর এলাকা হতে ( চার হাজার ছয়শত বিশ) মিঃলি বিদেশী মদসহ আটক করা হয়৷

    জয়পুরহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সিরাজুল ইসলাম জানান, ধৃত আসামীদের বিরুদ্ধে জয়পুরহাট সদর থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন আইনে মামলা রুজু করা হয়েছে৷

  • জয়পুরহাটে ডিবি’র অভিযানে ইয়াবা ট্যাবলেটসহ এক মাদক ব্যবসায়ী আটক

    জয়পুরহাটে ডিবি’র অভিযানে ইয়াবা ট্যাবলেটসহ এক মাদক ব্যবসায়ী আটক

    স্টাফ রিপোর্টারঃ- নিরেন দাস

    জয়পুরহাট সদর উপজেলায় জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) পুলিশ মাদক বিরোধী বিশেষ অভিযান চালিয়ে ৩ শত পিচ ইয়াবা ট্যাবলেটসহ মো.শরিফুল ইসলাম (৪৫) নামে এক মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে (ডিবি) পুলিশের সদস্যরা।

    শনিবার(১০ সেপ্টেম্বর) গোপন গোয়েন্দা তথ্যের ভিক্তিতে সদর উপজেলার পৌরসভার অন্তর্গত কুন্ডুপাড়াস্থ ডক্টর্স ক্লিনিকের সামনে পাকা রাস্তার উপর অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়।

    আটককৃত হলেন,দিনাজপুরের হাকিমপুর উপজেলার মধ্যবাসুদেবপুর এলাকার -মৃত-আলতাফ হোসেনের ছেলে মো. শরিফুল ইসলাম।

    জয়পুরহাট জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)পুলিশের সূত্রে জানা যায়, শনিবার সন্ধায় পরে বিশেষ এক গোয়েন্দা তথ্যের ভিক্তিতে জয়পুরহাট জেলার সদর উপজেলার কুন্ডুপাড়াস্থ ডক্টর্স ক্লিনিকের সামনে পাকা রাস্তার উপর জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) পুলিশের এসআই(নিঃ) মো.আমিরুল ইসলাম, এএসআই(নিঃ) মাহমুদ সিদ্দিকী, এএসআই (নিঃ) মো.জাহিদুল ইসলাম সঙ্গীয় ফোর্সসহ মাদকদ্রব্য উদ্ধার ও গোপন সংবাদের ভিক্তিতে বিশেষ অভিযান চালিয়ে ৩ শত পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ তাকে হাতেনাতে আটক করা হয়।

    আটককের মাদক ব্যবসায়ী মো.শরিফুল ইসলামের বিরুদ্ধে জয়পুরহাট সদর থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন আইনে মামলা রুজু করা হয়েছে।

  • তারাগঞ্জে গ্রীষ্মকালীন ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ

    তারাগঞ্জে গ্রীষ্মকালীন ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ

    খলিলুর রহমান খলিল, নিজস্ব প্রতিনিধি
    রংপুরের তারাগঞ্জে ৪৯ তম জাতীয় স্কুল, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা গ্রীষ্মকালীন ক্রীড়া প্রতিযোগিতার বালক ও বালিকাদের ফুটবল ফাইনাল খেলা ও অন্যান্য খেলার পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার বিকেল সাড়ে ৩ টায় তারাগঞ্জ বালিকা স্কুলএন্ড কলেজ মাঠে বালক ও বালিকাদের ফুটবল ফাইনাল খেলা অনুষ্টিত হয়।

    উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রাসেল মিয়ার সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আনিছুর রহমান লিটন ।

    বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ তারাগঞ্জ উপজেলা শাখার সভাপতি আতিয়ার রহমান, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান বায়জিদ বোস্তামী , মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান সাবিনা ইয়াসমিন , আলমপুর ইউপি চেয়ারম্যান রবিউল ইসলাম রাসেল, তারাগঞ্জ ও/এ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আলতাফ হোসেন। এছাড়াও বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা উপ‌স্থিত ছি‌লেন।অনুষ্ঠান শেষে বিজয়ীদের পুরুস্কার তুলে দেন অতিথিবৃন্দ।

  • দ্বিতীয় বারের মতো মনোনয়ন  পেলেন জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি ইউছুফ খান পাঠান।

    দ্বিতীয় বারের মতো মনোনয়ন পেলেন জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি ইউছুফ খান পাঠান।

    আরিফ রববানী ময়মনসিংহ।।
    ময়মনসিংহ জেলা পরিষদ নির্বাচনে দ্বিতীয়বারের মত আবারও আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেয়েছেন
    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মহসিন হল শাখা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি,জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি, বর্তমান জেলা পরিষদ প্রশসক অধ্যাপক ইউছুফ খান পাঠান । শনিবার ১০ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় রাজধানীর ধানমন্ডির দলীয় সভানেত্রীর কার্যালয়ে আওয়ামী লীগের স্থানীয় সরকার মনোনয়ন বোর্ডের সভায় অধ্যাপক ইউছুফ খান পাঠানকে দ্বিতীয় বার জেলা পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন দেয়া হয় ।

    এবার ইভিএম পদ্ধতিতে ময়মনসিংহ সহ দেশের ৬১টি জেলা পরিষদের ভোট গ্রহণ আগামী ১৭ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হবে । ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী মনোনয়নপত্র জমা দেয়ার শেষ সময় ১৫ সেপ্টেম্বর। মনোনয়নপত্র বাছাই ১৮ সেপ্টেম্বর, মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ সময় ২৫ সেপ্টেম্বর এবং প্রতীক বরাদ্দ ২৬ সেপ্টেম্বর। ভোট গ্রহণ সকাল ৯ টা হতে বেলা ২ টা পর্যন্ত চলবে।

    দলীয় মনোনয়ন প্রাপ্তিতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা, কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দের প্রতি কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেছেন ময়মনসিংহ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সহ সভাপতি অধ্যাপক ইউছুফ খান পাঠান। কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জ্ঞাপন করে তিনি বলেন: “আলহামদুলিল্লাহ! সকল প্রশংসা একমাত্র মহান আল্লাহ্ তায়ালার। ধন্যবাদ মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনাকে।

    এদিকে বাংলাদেশ আওয়ামিলীগের ধানমন্ডিতে দলীয় কার্যালয়ে নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে গত বৃহস্পতিবার ৮ সেপ্টেম্বর জেলা পরিষদ নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী হিসাবে মনোনয়ন পত্র জমা দিয়েছিলেন। ময়মনসিংহ জেলা পরিষদের প্রশাসক হিসেবে বর্তমানে দায়িত্ব পালন করছেন অধ্যাপক ইউছুফ খান পাঠান। এর আগে তিনি জেলা পরিষদের নির্বাচিত সাবেক চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব সফলতার সাথে পালন করেছেন। ময়মনসিংহ জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন অধ্যাপক ইউছুফ খান পাঠান। তিনি সাবেক জেলা ছাত্রলীগ ও জেলা যুবলীগের রাজপথ কাঁপানো নেতা ছিলেন।

  • মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার

    মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার

    মোঃ বাবুল হোসেন পঞ্চগড় :

    পঞ্চগড় জেলার পুলিশ সুপার এস, এম, সিরাজুল ইসলাম হুদা পিপিএম নির্দেশনায় এবং ওসি ডিবি জেলা গোয়েন্দা শাখার এসআই/ মোঃ আসাদুজ্জামন এর নেতৃত্বে এসআই/ লিপন কুমার বসাক, এএসআই/ নয়ন দেবনাথ ও সঙ্গীয় ফোর্সসহ বোদা থানা এলাকায় মাদকদ্রব্য উদ্ধার অভিযান পরিচালনাকালে ০৪ নং কাজলদীঘি কালিয়াগঞ্জ ইউনিয়নের অন্তর্গত নাজিরগঞ্জ গ্রামস্থ ধৃত আসামি ১| মোঃ লালু (৪২), পিতাঃ মোঃ ইমরান আলী সাং- নাজিরগঞ্জ, থানা -বোদা, জেলা- পঞ্চগড়কে তার বসত বাড়ি হইতে ৫০০ গ্রাম গাঁজা ও ০৫ (পাঁচ) বোতল বিদেশী মদ সহ ১০/০৯/২০২২ খ্রিঃ সময় রাত্রী ০৪.৪৫ ঘটিকার সময় গ্রেফতার করেন। এ বিষয়ে বোদা থানায় নিয়মিত মামলা রুজু প্রক্রিয়াধীন।

  • অনার্স পড়ুয়া ছাত্রীর নগ্ন ভিডিও ধারণ ও ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি

    অনার্স পড়ুয়া ছাত্রীর নগ্ন ভিডিও ধারণ ও ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি

    মো;বাবুল হোসেন পঞ্চগড় :

    প্রথমে অবিবাহিত পরিচয় দিয়ে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলা। এরপর বিয়ের কথা বলে কোর্টে অ্যাফিডেভিট করে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে তোলা ও তা মুঠোফোনে ধারণ করে ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি। ভুক্তভোগীর অভিযোগের প্রেক্ষিতে ঘটনাটি সামনে আসে। গুরুতর এই অভিযোগ উঠেছে পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জ উপজেলার চিলাহাটি ইউনিয়ন যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মনোয়ার হোসেন মিন্টুর বিরুদ্ধে। পার্শ্ববর্তী বোদা উপজেলার বগদুলঝুলা এলাকার অনার্স পড়ুয়া এক মেয়েকে প্রতারণার ফাঁদে ফেলে অভিযুক্ত মিন্টু।

    এই ঘটনায় ভুক্তভোগী মেয়েটি শুক্রবার (০৯ সেপ্টেম্বর) বোদা থানায় এজাহার দায়ের করেন।

    মিন্টু চিলাহাটি ইউনিয়নের পশ্চিম তিস্তাপাড়া এলাকার গোলাম রব্বানীর ছেলে। ওই এলাকায় খোঁজ নিয়ে নিশ্চিত হওয়া গেছে সে বিবাহিত এবং দুই সন্তানের পিতা।

    ভুক্তভোগী জানায়, মনোয়ার হোসেন মিন্টুর সাথে তার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুকে পরিচয় হয়। এরপর আলাপচারিতার এক পর্যায়ে মিন্টু নিজেকে অবিবাহিত বলে প্রেমের প্রস্তাব দেন ভুক্তভোগীকে। প্রথম দিকে রাজি না থাকলেও এক পর্যায়ে দুইজনের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে। এরপর বিভিন্ন সময় মিন্টু ওই মেয়েকে বিয়ে করবে বলে আশ্বাস দেন। গত বছর ১৭ এপ্রিল মিন্টু ভুক্তভোগীর বাসায় দেখা করার জন্য যায়। এরপর ওই বাসাতেই মেয়ের অনিচ্ছা সত্বেও মিন্টু তার সাথে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করে এবং তার ভিডিও মুঠোফোনে ধারণ করে রাখে। সেই দিনের পর ভুক্তভোগী মেয়েটি অভিযুক্ত মিন্টুকে একাধিক বার বিয়ের জন্য চাপ দিলে মিন্টু তার সাথে যোগাযোগ প্রায় বন্ধ করে দেয়।

    এরপর পড়াশুনার জন্য মেয়েটি ঢাকায় অবস্থান করলে গত জুন মাসে মিন্টু পুনরায় ঢাকা গিয়ে বিয়ের জন্য কাজী অফিসে যাবেন বলে মেয়েটিকে ফোনে জানায়। মেয়েটি বিয়ের কথা শুনে মিন্টুর সাথে দেখা করলে তাকে অপরিচিত একটি বাসায় নিয়ে যায় মিন্টু। সেখানেও সামজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অন্তরঙ্গ মুহূর্তের ছবি ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দিয়ে পুনরায় ধর্ষণ করে এবং মেয়েটিকে তার মেসে নামিয়ে দিয়ে যায়। এরপর ভুক্তভোগী মেয়েটি বিয়ের জন্য চাপ দিতে থাকলে মিন্টু গোপন ভিডিওর কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে তার সাথে যোগাযোগ না করার জন্য বলে দেয়।

    শুধু তাই নয়, বিষয়টি কাউকে বললে মেয়েটির মা’র চাকরি থাকবে না এবং তার পরিবারের সদস্যদের ক্ষতি হবে বলে হুমকি দেয় মিন্টু। পরে মেয়েটি নিরুপায় হয়ে পরিবারের সদস্যদের বিষয়টি জানায়।

    এই বিষয়ে অভিযুক্ত মিন্টু বলেন, তার সাথে আমার গোপনে কোর্টে অ্যাফিডেভিটের মাধ্যমে বিয়ে হয়। তাদের কাছে পাওনা টাকা চেয়েছি জন্যই তারা এমনটা করছেন।

    পঞ্চগড় আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট আমিনুর রহমান বলেন, আইনে কোর্ট ম্যারেজ বলতে কোন বিধান নেই। অধিকাংশ সময়ই দেখা যায় কোর্ট ম্যারেজের নামে নোটারি পাবলিকের মাধ্যমে অ্যাফিডেভিট করে প্রতারণার আশ্রয় নেওয়া হয়। বিয়েকে বৈধতা দিতে হলে অবশ্যই কাবিননামা সম্পন্ন করতে হবে। নতুবা অ্যাফিডেভিট করে বিয়ের আইনগত কোন ভিত্তি কখনই স্থাপন হয়না।

    বোদা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সুজন কুমার রায় বলেন, বিষয়টি আমি শুনেছি। তবে তদন্তের কাজে বাইরে থাকায় অভিযোগের বিষয়টি আমার জানা নেই। অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করব।

  • সড়কে লাইসেন্সবিহীন যানবাহন ও ফুটপাত দখল করে ব্যাপক চাঁদাবাজি-প্রশাসন নিরব ভুমিকায়

    সড়কে লাইসেন্সবিহীন যানবাহন ও ফুটপাত দখল করে ব্যাপক চাঁদাবাজি-প্রশাসন নিরব ভুমিকায়

    হেলাল শেখঃ ঢাকার আশুলিয়াসহ বিভিন্ন সড়কের ফুটপরত দখল করে ব্যাপক চাঁদাবাজির অভিযোগ উঠেছে। সেই সাথে বিভিন্ন রোডে অবাধে চলছে অবৈধ গাড়ি-সিএনজি, মাহিন্দ্রা, তিন চাকা ও লাইসেন্সবিহীন, ফিটনেসবিহীন অবৈধ যানবাহন। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের উদাসীনতায় প্রতি মাসে কোটি কোটি টাকা রাজস্ব হারাচ্ছে সরকার।
    শুক্রবার (৯ সেপ্টেম্বর ২০২২ইং) সরেজমিনে গিয়ে জানা গেছে, ঢাকার আশুলিয়ার জিরাবো ও সরকার মার্কেট, জামগড়ার ছয়তলা, ইউনিক, পল্লীবিদ্যুৎ, নবীনগর থেকে জিরানী পর্যন্ত মহাসড়কসহ বিভিন্ন রোডের ফুটপাত হকারদের দখলে এবং লাইসেন্সবিহীন যানবাহন থেকে কিছু দালাল ও কিছু পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে ব্যাপক চাঁদাবাজির অভিযোগ উঠেছে। মহাসড়ক ও হাইওয়ে সড়কের পাশে ফুটপাত দখল করে গাড়ি পার্কিং দোকানপাট বসিয়ে পুলিশ ও রাজনৈতিক লিডার কর্তৃক দালাল চাঁদাবাজদের নিজস্ব বাহিনী দিয়ে দীর্ঘদিন যাবৎ চলছে চাঁদা উঠানোর জমজমাট কারবার।
    এ বিষয়ে বাংলাদেশ পুলিশের ট্রাফিক বিভাগের একজন (টিআই) ফরিদুল ইসলাম অভিমত প্রকাশ করে বলেন, বিআরটিএ কর্তৃপক্ষ যানবাহনের ডকুমেন্ট হাল নাগাদ সঠিক ভাবে করতে দায়িত্ব কর্তব্য পালন করছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা কিন্তু প্রতি বছর লক্ষ লক্ষ যানবাহনের ডকুমেন্ট হাল নাগাদ না করে অবৈধভাবে বিশৃঙ্খলার মধ্যে অবৈধ যানবাহন চলছে সড়ক, মহাসড়কের সর্বত্র। ফলশ্রুতিতে জনগণ নানাবিধ সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন আর সরকার হাজার হাজার কোটি টাকা রাজস্ব থেকে বি ত হচ্ছে বিষটি অতি গুরুত্বপূর্ণ হিসাবে বিবেচনায় আনতে বিশেষভাবে সবিনয় বিনীত অনুরোধ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদেরকে। ট্রাফিক পুলিশ কর্মকর্তা ফরিদুল ইসলাম আরও বলেন, ঢাকা মহানগরসহ সারাদেশে ট্রাফিক ব্যবস্থা সুশৃঙ্খল করতে সক্ষম হলে বাংলাদেশের জনগণ তথা বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে আগত লোকের মধ্যে বাংলাদেশ সম্পর্কে পজিটিভ ধারণা আসবে। ফলশ্রুতিতে দেশে বৈদেশিক বিনিয়োগ অনেক বেশি আসবে। ফলশ্রুতিতে দেশে বৈদেশিক বিনিয়োগ আসলে অর্থনৈতিক উন্নতি টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত হবে এবং বেকার সমস্যা দূর করতে সক্ষম হবে সরকার। মানুষের চলাচলে নিরাপত্তা খুঁজে পাবে এবং নিরাপদ সড়ক বিনির্মাণে এক ধাপ এগিয়ে যেতে সক্ষম হবে। সেই সাথে সড়কের ফুটপাত দখলমুক্ত করা জরুরি।
    সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, আশুলিয়ার নবীনগর পল্লী বিদ্যুৎ ও বাইপাইল, ইউনিক, জামগড়ার ছয়তলা ও সরকার মার্কেটসহ বিভিন্ন সড়কের পাশে ফুটপাত দখলমুক্ত করতে পারেনি সংশ্লিষ্ট প্রশাসন। অন্যদিকে ট্রাফিক পুলিশ ক: জহির ও মেহেদী, গোলাপ, শাহিন, বাবুলসহ কয়েকজন দালাল কর্তৃক তিন চাকা গাড়ি প্রতি ১ হাজার টাকা থেকে শুরু করে ৩ হাজার টাকা মাসিক চুক্তিতে চাঁদা আদায় করছে, পুরাতন আশুলিয়ায় ট্রাফিক পুলিশ সদস্য জহির সিএনজিসহ বিভিন্ন গাড়ি থেকে মাসিক চাঁদা উঠায়, তা মোটা অংকের বলে অনেকেই জানায়। সেই সাথে রাজনৈতিক নেতার পরিচয় ব্যবহার করে সন্ত্রাসী চাঁদাবাজরা বিভিন্ন ফুটপাতে চাঁদা আদায় করে। কিছু ফুটপাতের দোকানদার ব্যবসার আড়ালে চাঁদা উঠায় এমন অভিযোগও রয়েছে। সূত্র জানায়, দেশের অন্যদিকে সিলেট সদরের আম্বরখানাসহ বিভিন্ন এলাকার সড়ক থেকে প্রতি বছরে প্রায় ২ কোটি টাকার চাঁদা আদায় করে সন্ত্রাসী চাঁদাবাজরা। এদিকে ভৈররের বিভিন্ন এলাকায় সাড়ে ৩ থেকে ৪ হাজার সিএনজি চালকদের কাছ থেকে প্রতি বছর ১ কোটি টাকার বেশি চাঁদা আদায় করে চাঁদাবাজরা। নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জসহ বিভিন্ন এলাকায় সন্ত্রাসী চাঁদাবাজরা একদিকে যানবাহন থেকে চাঁদা নিয়ে থাকে, অন্যদিকে ফুটপাত থেকে লাখ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করে বলে অভিযোগ উঠেছে। সাভারের আশুলিয়ার বিভিন্ন স্পট ও ফুটপাত দখল করে রেখেছে প্রভাবশালীদের ছত্রছায়ায় চাঁদাবাজরা। পল্লীবিদ্যুৎ রোড থেকে জিরানী বাজার পর্যন্ত এবং বাইপাইল থেকে আব্দুল্লাহপুর পর্যন্ত এবং বিভিন্ন রাস্তার দুপাশের ফুটপাত দখল করে নামে বে-নামে ব্যাপক চাঁদাবাজির অভিযোগ উঠেছে। পরিবহন থেকেও প্রতিদিন ও মাসিক চাঁদা আদায় করার অভিযোগও রয়েছে অনেকের বিরুদ্ধে। সেই সাথে রাজধানীর মিরপুরের দারুসসালাম এলাকার ছোট দিয়াবাড়ী বেড়িবাঁধে অবৈধভাবে ঘাট বসিয়ে প্রতিদিন লাখ লাখ টাকার চাঁদাবাজি করা হচ্ছে। এসব এলাকার রাস্তার দুইপাশে বাজার বসিয়েও মোটা অংকের টাকা চাঁদাবাজি করছে স্থানীয় প্রভাবশালী সন্ত্রাসীরা।
    জানা গেছে, সরকারি কোনো প্রকার ইজারা ছাড়াই বছরের পর বছর ধরে স্থানীয় একাধিক চক্র ও কিছু অসাধু পুলিশ সদস্য কর্তৃক চাঁদাবাজি করে আসছে। শুধু বেড়িবাঁধ থেকেই চাঁদা নিয়ে ক্ষ্যন্ত হয়নি তারা, কার্গো জাহাজ ভেড়ানোর জন্য তৈরি করেছে ল্যান্ড ষ্টেশনও। সেখানে মালবাহী ট্রাক লোড-আনলোডের ক্ষেত্রেও ইচ্ছেমতো চাঁদা নেয়া হচ্ছে। বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) ল্যান্ড ষ্টেশন থাকলেও অদৃশ্য কারণে তৈরি ল্যান্ড ষ্টেশনই ব্যবহার করা হচ্ছে। এদিকে ঢাকা জেলার আশুলিয়া থানাধীন নবীনগর, পল্লীবিদ্যুৎ, বাইপাইল থেকে জিরানী বাজার পর্যন্ত এবং ভাদাইল, ইউনিক বাজার, শিমুলতলা, ইয়ারপুর ইউনিয়নের জামগড়া চৌরাস্তা-ছয়তলা, নরসিংহপুর, জিরাবো, পুরাতন আশুলিয়া পর্যন্ত সড়কের রাস্তার দুইপাশে ফুটপাত দখল করে স্থাপনা তৈরি করে দোকান ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলেছে প্রভাবশালী মহল। সেই সাথে উক্ত এলাকায় গাড়ি থেকে চাঁদাবাজি করেন জহির নামের এক পুলিশ সদস্য। জানা যায়, বিভিন্ন ক্রাইম স্পট থেকে পুলিশকে প্রতি মাসে মোটা অংকের টাকা চাঁদা উঠিয়ে দেয় এড়িয়াভিত্তিক মার্কেটের মালিক পক্ষের লোকজন। সচেতন মহল ও স্থানীয়দের অভিযোগ, সাভার, আশুলিয়ার সড়ক ও মহাসড়কে এবং তুরাগপাড়ের বেড়িবাঁধের রাস্তার উপরের দুপাশে বিভিন্ন দোকান, লেগুনা ষ্ট্যান্ড বসিয়েও চাঁদাবাজি করে আসছে প্রভাবশালী এই চক্রগুলো। বছরের পর বছর উল্লেখ্য এলাকার মানুষজনকে একপ্রকার জিম্মি করেই অবৈধ কর্মকান্ড করে আসছে প্রভাবশালীরা। চাঁদাবাজ চক্রের সাথে কিছু জনপ্রতিনিধি রাজনৈতিক নেতা জড়িত রয়েছে বলেও অনেকেই জানান। জানা গেছে, রাজধানীর গাবতলী মাজার রোড হয়ে দারুসসালাম থানা রোড ও থানার সামনে দিয়ে ছোট সরু রাস্তা থেকে কিছু দূর গেলেই তুরাগ নদীর পাড় এলাকাটির নাম ছোটদিয়াবাড়ী । তুরাগ নদীর এ পাড়ের অংশ ছোট দিয়াবাড়ী, উপরের অংশ কাউন্দিয়া। এই পারের অংশের বাম দিকে গাবতলী আর ডান দিকে বেড়িবাঁধ রাস্তা। যা আশুলিয়া ও উত্তরার দিকে চলে গেছে। তুরাগের বাঁধঘেষা ছোট দিয়াবাড়ী মোড়টিকে পুঁজি করেই চক্রটি মূলত বিশাল চাঁদাবাজির ক্ষেত্র গড়ে তুলেছে। দেখা যায়, বাঁধ সংলগ্ন রাস্তাটি বেশ চওড়াই কিন্তু দুপাশে দখলের কারণে এটি ছোট হয়ে এসেছে। দুপাশের অবৈধভাবে গড়ে তোলা হয়েছে ছোট বড় শত শত দোকান। দারুসসালাম রোড থেকে বাঁধে উঠার সংযোগ সড়কের দুপাশের রাস্তা দখল করে বাঁশের আড়ৎ দেওয়া হয়েছে। এককালীন লাখ টাকা, পরে ১৫-২০ হাজার টাকার বিনিময়ে এটি ভাড়া দেওয়া হয়েছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক দোকানিরা বলেন, তারা জায়গাটি ভাড়া নিয়েছেন হাজি জহিরের কাছ থেকে। তারা বলেন, এককালীন হিসেবে প্রায় লাখ খানেকের মতো টাকা দিয়েছেন আর প্রতি মাসে ১০হাজারের মতো টাকা ভাড়া দেন।
    হাজী জহির মোবাইল ফোনে বলেন, তিনি অসুস্থ বলে বিষয়টি এড়িয়ে যান, এ বিষয়ে কথা বলতে পারবেন না বলে জানান। নৌপরিবহন মন্ত্রী খালেদ মাহমুদ চৌধুরী বলেন, এ বিষয়টি নজরে আসেনি আমাদের। এখন তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে তিনি জানিয়েছেন। এ ব্যাপারে মানিকগঞ্জ জেলা ডিবি পুলিশের সাব-ইন্সপেক্টর মোঃ আসাদ মিয়া বলেন, এর আগে সড়কে ও গাড়িতে চাঁদাবাজির সময় কয়েকজনকে আটক করা হলেও আদালত থেকে তারা জামিনে এসে আবারও চাঁদাবাজি করছে। তিনি আরও বলেন, এদের আটকের চেষ্টা অব্যাহত আছে। এদিকে সিএনজি ও অবৈধ গাড়ির চালকরা অনেকেই বলেন, জহির পুলিশ প্রতি একটা সিএনজি’র মালিকের ১ হাজার টাকা দিতে হয় আর বড় গাড়ি থেকে ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা প্রতি মাসে দিতে হয় জহির পুলিশকে। যিনি আশুলিয়ায় ডিউটি করেন, চাঁদাবাজি অভিযোগের বিষয়ে পুলিশ সদস্য কঃ জহিরের কাছে মোবাইল ফোনে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আপনার সাথে দেখা করে সরাসরি কথা বলবো।
    সাভার ট্রাফিক জোন পুলিশের আমিনবাজার পুলিশ বক্সের অফিসার ইনচার্জ (টিআই) সোহেল এর কাছে সড়কে যানজটের কারণ ও চাঁদাবাজির বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, সাভার ও আমিনবাজার ফুটপাত দখলমুক্ত করেছেন সংশ্লিষ্ট প্রশাসন, অবৈধ গাড়ি রোডে বেশি চলাচল করায় যানজটের সৃষ্টি হয়, তবে মাঝে মধ্যে অভিযান চালিয়ে অটো রিক্সা, মাহিন্দ্রাসহ অবৈধ তিন চাকা গাড়ি আটক করে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে বলেও তিনি জানান। উক্ত বিষয়ে পুলিশ, র‌্যাবসহ সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের দাবি অভিযান অব্যাহত আছে। ধারাবাহিক প্রতিবেদন চলমান।

  • সারাদেশে নতুন নতুন প্রতারণার ফাঁদ-মানুষের কাছ থেকে হাতিয়ে নিচ্ছে কোটি কোটি টাকা

    সারাদেশে নতুন নতুন প্রতারণার ফাঁদ-মানুষের কাছ থেকে হাতিয়ে নিচ্ছে কোটি কোটি টাকা

    হেলাল শেখঃ সারাদেশে নতুন নতুন প্রতারণার ফাঁদে ফেলে প্রতারক চক্র সহজ সরল মানুষের কাছ থেকে হাতিয়ে নিচ্ছে কোটি কোটি টাকা। জানা যায়, থেমে নেই এমএলএম (মাল্টি লেভেল মার্কেটিং) প্রতারক চক্র। এমএলএম প্রতারণার নতুন ফাঁদ কৌশলে তৈরি করে চলছে সিন্ডিকেট প্রতারণার বিশাল চক্র- হাতিয়ে নিচ্ছে কোটি কোটি টাকা। এসব প্রতারক চক্রের সাথে জড়িত রয়েছে কিছু মানবাধিকার কর্মকর্তা, যাদের ভিআইপি অফিস রয়েছে দেশের বিভিন্ন এলাকায়।
    জানা গেছে, প্রতারকদের অ্যানালগ পদ্ধতি থেকে উঠে এখন চলছে ডিজিটাল ভার্সনে। সেই নব্বই দশকের জিজিএন থেকে হালের গ্রেট ওয়ান, স্পিক এশিয়া, ইউনিগেটওয়ে গোল্ডেন ট্রি, নিউওয়ে পর্যন্ত-একটাই লক্ষ্য টাকা হাতিয়ে নেওয়া। বর্তমানে ডিজিটাল মাধ্যমে পড়ছে ডেসটিনি, ইউনি পে টু, আইসিএল, রেভনেক্স বিডির প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত এমএলএম-প্রতারক চক্র। বিভিন্ন কৌশলে তারা মানুষের কাছ থেকে হাতিয়ে নিচ্ছে শত শত কোটি টাকা। তবে এখন আর কোনো পণ্য বা বৃক্ষরোপন পরিকল্পনা বা বিক্রি নয় বরং রিয়েল এস্টেট ব্যবসা, কখনো বা ট্যুর ও আবাসিক হোটেল সার্ভিসে বিনিয়োগের মাধ্যমে ৩ মাসে দ্বিগুন অর্থ ফিরিয়ে দেয়ার প্রতিশ্রুতি দিচ্ছে তারা।বিশেষ করে গাছের চারা বিক্রির স্থলে এখন অনেকে বিক্রি করছে কাল্পনিক ট্যুর এবং আবাসিক হোটেল সার্ভিস। আবার অনেকেই কোমলমতি শিক্ষার্থীদের লক্ষ্য করছে। অনলাইনে শিক্ষার্থীদের টার্গেট করে গেমস, বিভিন্ন কোর্স ও ভর্তির নামে বিভিন্ন দেশে সুযোগ করে দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে ডিসকাউন্ট ও পারসেন্টিজ সুবিধার নামে হাতিয়ে নেওয়া হচ্ছে লাখ লাখ টাকা। বর্তমানে খুব দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে ভুয়া ওয়েবসাইটধারী মার্কেটিং কোম্পানির সংখ্যা। অনেকেই একটি নির্দিষ্ট অর্থ জমা রাখলে বিনিময়ে প্রতিদিন নির্দিষ্ট অর্থ দিচ্ছে, এমন প্রতারক চক্র অনেক রয়েছে। এভাবেই লোভে পড়ে মানুষ সর্বহারা হয়ে পড়ছেন। কিছু প্রতারক চক্রের সদস্য আটক হলেও বেশিরভাগ প্রতারক চক্র তাদের প্রতারণা অবাধে চালিয়ে যাচ্ছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা এবং বাংলাদেশ টেলিকমিউটিকেশন অ্যান্ড রেগুলেটরি কমিশন (বিটিআরসি)-এর চোখে ধুলো দিয়ে প্রতারণা চালিয়ে যাচ্ছে এই এমএলএম কোম্পানিগুলো। মালয়েশিয়া, জার্মানি, যুক্তরাষ্ট্র কখনো বা যুক্তরাজ্যে থেকে ডোমেইন, হোস্টিং ভাড়া নিয়ে চলছে অনলাইন এমএলএম ব্যবসা। ভয়ংকর “মানি গেম’র মাধ্যমে গত চার বছরে গ্রাহকের কাছ থেকে হাতিয়ে নিয়েছে শত শত কোটি টাকা।
    অনুসন্ধানে জানা গেছে, পুরনো এমএলএম প্রতারকরাই এখন ধরণ এবং নাম পাল্টে প্রতারণা অব্যাহত রেখেছে। বছর দুই আগেও তারা ঢাকার আশুলিয়ার জামগড়া চৌরাস্তা ও ফ্যান্টসি কিংডমের সামনের ভবনে, রাজধানীর সেগুনবাগিচা, রমনা পার্ক, বিজয়নগর হোটেল ৭১, চট্রগ্রাম আগ্রাবাদ, মুরাদপুর সংলগ্ন স্থানে গোপনে সভা-সেমিনার করতো। এখন তারা বেরিয়ে এসেছে প্রকাশ্যে। প্রসিদ্ধ এই এমএলএম প্রতারকরা প্রতিষ্ঠা করেছেন নামে বে-নামে বিভিন্ন সমিতি। ডিপিএস নামক বই করে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে তারা। “ডিরেক্ট সেলিং অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ” (ডিস্যাব) নামে এক সমিতি প্রতিষ্ঠা হয় গাজীপুরে গত বছর অক্টোবরে। তাদের নামে দেশের আনাচে কানাচে রীতিমতো সমিতি খুলে চালিয়ে যাচ্ছে এমএলএম প্রতারণা ব্যবসা।
    অনুসন্ধান মতে, কথিত সংগঠন ‘ডিস্যাব’র নেতৃত্বে রয়েছে ‘এক্সিলেন্ট ওয়াল্ড’ নামক এমএলএম কোম্পানির প্রধান নির্বাহী আনোয়ার এইচ রয়েল রানা। ‘ডিস্যাব’ সূত্র জানায়, উক্ত সমিতিভুক্ত প্রতিটি সদস্যেরই রয়েছে এক বা একাধিক এমএলএম মালিকানা প্রতিষ্ঠান। ওয়েবসাইট খুলে তারা নির্বিঘেœ কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। সূত্র জানায়, ওইসব ওয়েবসাইটের রয়েছে গোপন এডমিন নাম ও পাসওয়ার্ড। শুধুমাত্র কথিত কোম্পানিতে অন্তর্ভুক্ত হলেও ঐ পাসওয়ার্ড দেয়া হয়। একজন সাধারণ মানুষ ইচ্ছে করলেই তাদের পাসওয়ার্ড বা নির্দেশনা অনলাইনে জানার সুযোগ নেই। তাদের প্রতারণামূলক সব কাজ হয় অনলাইনে গোপনীয়তায়।‘ই-কামর্স লিমিটেড’ নামক ওয়েবসাইট খুলে এমএলএম কোম্পানি পরিচালনা করছেন এম আরিফ হাসান। এছাড়া অ্যাসোসিয়েশনভুক্ত আব্দুল মালেক স্বাধীনের মালিকানায় রয়েছে ‘ওয়ালমার্ক এমএলএম লিমিটেড’ নামক এমএলএম নেটওয়ার্ক। ‘উইনলাইফ গ্লোবাল লিমিটেড’ পরিচালনা করছেন মো: মনিরুল ইসলাম কাইয়ুম। রাজধানীর মোতালেব প্লাজাসহ হাতিরপুলেই প্রায় ৩০টির মতো এমএলএম কোম্পানির ব্যবসা বাণিজ্যের কার্যালয় রয়েছে। কোনো অফিস চটকদার আবার কোনটার সাইনবোর্ড, আইডি, অফিস সর্বস্ব প্রতিষ্ঠানের অভ্যন্তরে প্রবেশ করলেই প্রতারিত হয় মানুষ। জানা গেছে, প্রতারক চক্রের কিছু সদস্য ঢাকার আশুলিয়া, সাভার, ধামরাই, মানিকগঞ্জ, টাঙ্গাইল, গাজীপুর, উত্তরা, মিরপুর, গাবতলীসহ বিভিন্ন এলাকায় নানারকম নাম ও পরিচয় ব্যবহার করে প্রতারণাসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকান্ড করছে। যেমনঃ রাজনৈতিক নেতা, ভুয়া উকিল, “ভুয়া সাংবাদিক, ভুয়া মানবাধিকার কর্মী, ভুয়া ডিবি, ভুয়া র‌্যাব।” এদিকে প্রতারক চক্র ও কিশোর গ্যাং মাদক সন্ত্রাসীরা বিভিন্ন এলাকায় চুরি, ডাকাতি, ছিনতাই, খুন, ধর্ষণ, অপহরণ, চাঁদাবাজি এবং প্রতারণাসহ নানারকম অপরাধমূলক কর্মকান্ড করছে। অভিযোগ রয়েছে যে, প্রশাসনের নাকের ডগায় প্রায় সব এলাকায় প্রতারক, মাদক সন্ত্রাস ও বিভিন্ন অপরাধীরা সক্রিয় হয়ে উঠেছে। তথ্যসূত্রঃ গত (৯জানুয়ারি ২০২১ইং) গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ‘তানহা এসোসিয়েটস লিমিটেড’ নামের একটি কোম্পানি সাধারণ জনগণের কাছ থেকে প্রতারণার মাধ্যমে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নিয়েছে সংবাদের ভিত্তিতে র‌্যাব-৪ এর একটি আভিযানিক দল ওইদিন বিকেল ৩টার দিকে আশুলিয়া থানাধীন ‘তানহা এসোসিয়েটস লিমিটেড’ এর অফিসে অভিযান পরিচালনা করেন এবং প্রতারকদের ৪জনকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। গ্রেফতারকৃতরা হলো-ঢাকার সবুজ কাজী (৩৩), খুলনার শাওন মহলদার (২০), বরগুনার মাহবুব আলম (৪৫), সিরাজগঞ্জের মোঃ আমিনুল ইসলাম (৪০)। এছাড়াও প্রতারকদের নিকট হতে ১৫জন চাকুরী প্রার্থী ভুক্তভোগীসহ ২০০টি রেজিস্ট্রেশন ফরম, ১০০টি নিয়োগ বিঃ ৫০টি অঙ্গীকারনামা, ৩০টি যোগদানপত্র, ৫০টি অব্যাহতি ফরম, ২টি টাকা জমাদানের রশিদ, ১০টি পরিচয়পত্র ও ১০টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়।
    উক্ত গ্রেফতারকৃতরা তাদের নিজ নিজ কৃতকর্মের বিষয়ে র‌্যাবের কাছে অপরাধ স্বীকার করার পাশাপাশি জানায় যে, তারা রাজধানীসহ ঢাকা জেলার বিভিন্ন এলাকায় অফিস ভাড়া করে বিভিন্ন নামে বেনামে ভুঁইফোড় প্রতিষ্ঠান খুলে দেশের বিভিন্ন স্থান হতে আসা মধ্যশিক্ষিত বেকার ও আর্থিকভাবে অস্বচ্ছল যুবক/যুবতীদের আকর্ষনীয় উচ্চ বেতনের চাকুরীর প্রলোভন দেখিয়ে ভুয়া নিয়োগপত্র দিয়ে দীর্ঘদিন যাবত প্রতারণা করে চক্রটি। ভুক্তভোগী জনসাধারণের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ টাকা হাতিয়ে নেয়ার কথা স্বীকার করে প্রতারকরা। সংশ্লিষ্ট অন্যান্য প্রতারক সদস্যদেরকে গ্রেফতার করার জন্য গোয়েন্দা নজরদারি অব্যাহত রয়েছে বলে র‌্যাব জানায়। অদূর ভবিষ্যতে এরুপ অসাধু নব্য প্রতারক চক্রের বিরুদ্ধে র‌্যাব-৪ এর জোড়ালো সাঁড়াশি অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে গণমাধ্যমকে জানান, র‌্যাব-৪ এর কোম্পানি কমান্ডার মেজর এ এইচ এম আদনান তফাদার। তিনি বলেন, দেশের সহজ সরল মানুষকে প্রতারণার ফাঁদে ফেলে হাতিয়ে নিচ্ছে বিভিন্ন অংকের টাকা। আমরা তাদেরকে আটক করেছি, তাদের বিরুদ্ধে আইননানুগ ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। অপরাধী সে যেইহোক না কেন তাদেরকে আটক করে আইনের আওতায় আনা হবে বলেও এই র‌্যাব কর্মকর্তা জানান। এর আগে আশুলিয়ার জামগড়া চৌরাস্তায় একটি ভবনে র‌্যাব-৪ এর অভিযানে ১২জন প্রতারককে গ্রেফতার ও ১০৪ জন ভিকটিমকে উদ্ধার করা হয়।
    র‌্যাব-৪ এর অধিনায়ক ডিআইজি মোজাম্মেল হক জানান, এই ধরণের অপরাধীদের বিষয়ে তথ্য থাকলে এবং জিডি বা অভিযোগের বাদি পেলে, র‌্যাব কর্তৃক তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে, এ বিষয়ে জোড়ালো সাঁড়াশি অভিযান অব্যাহত আছে বলেও তিনি জানিয়েছেন। আশুলিয়া থানা পুলিশ জানায়, উক্ত ব্যাপারে আশুলিয়া থানায় একাধিক মামলা ও অভিযোগ রয়েছে। তদন্ত চলছে বলেও একাধিক পুলিশ অফিসার জানান। পুলিশের দাবি-অপরাধী সে যেই হোক না কেন তাদেরকে আইনের আওতায় আনা হবে।
    অব্যাহত এমএলএম প্রতারণার বিষয়ে ‘হিউম্যান রাইটস ্যাান্ড পিস ফর বাংলাদেশ’-এর প্রেসিডেন্ট অ্যাডভোকেট মনজিল মোরসেদ গণমাধ্যমকে জানান, এমএলএম দ্বারা প্রতারিত হওয়ার মূল কারণ হচ্ছে মানুষের অসেচেতনতা ও লোভ। এসব প্রতারকদের টার্গেটই থাকে সহজ-সরল মানুষ। তারা প্রলোভনে পড়ে অর্থলগ্নি করে। পরে নিজেরাই প্রতারিত হয়। তিনি আরও বলেন, এমএলএম রোধে কার্যকর আইন হওয়া খুবই জরুরি। ঢাকার আশুলিয়ায় আবারও প্রতারক চক্র সক্রিয়। উক্ত প্রতিবেদন ধারাবাহিকভাবে চলবে।

  • পাইকগাছায় সপ্তদ্বীপার সাহিত্য আসর অনুষ্ঠিত

    পাইকগাছায় সপ্তদ্বীপার সাহিত্য আসর অনুষ্ঠিত

    পাইকগাছা(খুলনা) প্রতিনিধি।।
    পাইকগাছায় সপ্তদ্বীপা সাহিত্য পরিষদের পাক্ষিক সাহিত্য আসর অনুষ্ঠিত হয়েছে। ৯ সেপ্টেম্বর শুক্রবার সকাল সাড়ে ১০টায় পাইকগাছার নতুন বাজারস্থ সংগঠনের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সাহিত্য আসরে সভাপত্বি করেন, সংগঠনের সভাপতি সাংবাদিক প্রকাশ ঘোষ বিধান।সাহিত্য আসরে কবিতা, ছড়া, প্রবন্ধও গল্প পাঠে অংশ গ্রহন করেন, ছড়াকার এ্যাড.শফিকুল ইসলাম কচি, সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মাধুরী রানি সাধু, সুশান্ত বিশ্বাস,প ানন সরকার, মোড়ল কওছার আলী, লুৱফর রহমান,সমিরণ ঢালী, রোজী সিদ্দীকি, হাসনা খাতুন সুমাইয়া, ফারজানা আক্তার ময়না, রানী খাতুন, রাবেয়া আক্তার মলি,
    অভিজিত রায় প্রমুখ

    প্রেরকঃ
    ইমদাদুল হক,
    পাইকগাছা,খুলনা।